Detroit Metal City [Anime Review] by Tahsin Faruque Aninda

Detroit Metal City (2008)

 

[Warning! এই আনিমেটিতে অনেক আক্রমণাত্মক, অপমানজনক, সামাজিকভাবে অগ্রহণযোগ্য কথাবার্তা রয়েছে এবং একই ধরণের লিরিক্সসম্বলিত গান আছে। যদিও সকল কথাবার্তা ও গানের লিরিক্স শুধুই হাস্যকর অর্থে বিনোদন দেবার মত দৃশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে, তারপরেও লেখক আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছে এধরনের কথাবার্তা নিয়ে এই রিভিউতে আলোচনা করার জন্যে। লেখক কোনভাবেই বাস্তব কিংবা কাল্পনিক জীবনে এধরণের বিকৃত রুচির কথাবার্তা/গানকে সাপোর্ট করে না]

 

ধরে নিন আপনি একজন অসম্ভব মারামারি-কোপাকুপি মুভির ফ্যান, কাহিনী দ্রুত এগিয়ে না গেলে আপনার মুভি দেখার আগ্রহ হারিয়ে যায়। ধীর গতিতে আগানো মুভি দেখতে গেলে অধৈর্য হয়ে যান, ঘুমিয়ে কূল পান না! এখন দুর্ভাগ্যক্রমে আপনার জীবনটা এমন হয়ে গেলো যে, প্রচন্ড আতেলি কিংবা আর্টিস্টিক কিংবা ঘন্টায় ১ মিটার গতিতে আগানো ধীর মুভি দেখে দেখেই বাকি জীবন পাড়ি দিতে হবে, কেমন লাগবে আপনার? কিংবা বিপরীত অবস্থা ভাবুন, আপনি ভদ্র, ধীরস্থির জীবন কাটাতে পছন্দ করেন। শাস্ত্রীয় গান কিংবা ভাবুক আলোচনা, ৫ মিনিটে শেষ করে দেওয়া ঘটনা নিয়ে তৈরি ৫ ঘন্টার সিনেমা শান্ত মনে উপভোগ করতে পারা আপনার সবচেয়ে পছন্দের কাজ। এর বাইরে তথাকথিত নতুন যুগের গানাবাজনা, আর্ট, সিনেমা, আলোচনা ইত্যাদি আপনার শরীরে আগুন জ্বালিয়ে দেয় রীতিমত!! হঠাত করে আবিষ্কার করলেন বাকি জীবনটা র্যা প গান গেয়েই কাটিয়ে দিতে হবে, দুনিয়া আপনাকে শ্রেষ্ট র্যাবপ গায়কদের একজন হিসেবে মেনে নিয়েছে। শাস্ত্রীয় গানের প্রসঙ্গে গেলে রীতিমত অপমানিত হতে হয় আপনাকে। জীবনটা কিরকম লাগবে আপনার?

ঠিক এরকমই ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে দুষ্টু-মিষ্টি প্রেমের গানের গায়ক হবার স্বপ্ন দেখা নেগিশি সৌইচি একদিন জাপানের আন্ডারগ্রাউন্ড গানের জগতে সবচেয়ে বিখ্যাত, প্রচন্ড ভায়োলেন্ট একটি ডেথ মেটাল ব্যান্ড “ডেট্রয়েট মেটাল সিটি”-এর লিড ভোকাল হয়ে যায়। সারা দেশে তার অসংখ্য মেটালহেড ভক্ত, যাদের উদ্যম প্রেরণা আর সাপোর্ট দেখে মেটাল গান ঘৃণা করা নেগিশি চরম অনিচ্ছা স্বত্বেও নিজে থেকে গেয়ে যেতে থাকে ডেথ মেটাল গান আর সবাইকে উপহার দিতে থাকে একের পর এক সুপারডুপারহিট সব ভয়াবহ অশ্লীল কথার পাগল করে দেওয়া ইতিহাস সৃষ্টি করা জিনিস!!

 

ডেট্রয়েট মেটাল সিটি আনিমেটি প্রথম দৃষ্টিতে দেখে শুধু গান কিংবা পাগলামির আনিমে মনে হলেও, এটি আসলে এর চেয়ে অনেক বেশি কিছু দিবে। খুব কম আনিমে আছে যা দেখতে গিয়ে আমি অসম্ভব হেসেছি, সেখানে এই ১৩ মিনিট করে মোট ১২টি এপিসোড দেখার সময়ে হাসতে গিয়ে মোটে ৫-৬বার চেয়ার থেকে পরে গিয়েছি [সত্যি সত্যি চেয়ার থেকে পরে গিয়েছি, একবার হাতে ব্যাথাও পেয়েছি! -_- ]। এই আনিমেতে পাগলামি নেই, আছে পৈশাচিক লেভেলের পাগলামি! আছে কথায় কথায় গালাগালি, F অক্ষরে শুরু হওয়া বিখ্যাত শব্দটির ব্যবহার, অপব্যবহার, সুব্যবহার, কুব্যবহার! আর আছে “ধর্ষণ” শব্দটির কিছু লেজেন্ডারি ব্যবহার!

 

ঘটনা সংক্ষেপ: নেগিশি সৌইচি টোকিও শহরে আসে পড়াশুনার উদ্দেশ্যে, এবং একই সাথে স্বপ্ন দেখে টোকিওতে এসে ফ্যাশনেবল একটা পপ-ব্যান্ড গড়বে। কিন্তু গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর কিভাবে যেন ঢুকে গেলো এক ইন্ডি ডেথ মেটাল জনরার ব্যান্ড ডেট্রয়েট মেটাল সিটিতে, যা সবার কাছে DMC বলেই বেশি পরিচিত! হয়ে গেলো জাপানের আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যান্ড মিউজিকের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ভায়োলেন্ট ডেথ মেটাল ব্যান্ডের লিড ভোকাল, ছদ্ম নাম নিল “ক্রওজার-২”। মিষ্টি-রোম্যান্টিক গান পছন্দ করা ও সারাক্ষন দুষ্টুমিষ্টি প্রেমের গান লেখা-গাওয়া নেগিশির জীবন এখন কাটে খুনখারাবি, ধর্ষণ, পৈশাচিক অপকর্মের গান গেয়ে গেয়ে!!

কাহিনী: ডেট্রয়েট মেটাল সিটির কাহিনী এর বড় শক্তি নয়, তবে দুর্বলতাও নয়। ১৩ মিনিটের একেকটি পর্বকে দুই ভাগে ভাগ করে ফেলা যায়। দুইটি অংশে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দুটি ভিন্ন ঘটনা দেখায়। সব মিলিয়ে বলা যায়, ৬-৭ মিনিটের একেকটি অংশ একেকটি গ্যাগ। তবে শুধু হাস্যরসাত্মক গ্যাগ নয়, একদম উন্মত্ত-পাগলামির গ্যাগ।

 

অ্যানিমেশন: আনিমেটির অ্যানিমেশন অন্যান্য আনিমে থেকে বেশ আলাদা। মাঙ্গার প্যানেলের মত ভাগ থাকে মাঝে মাঝে, আবার 16×9 রেজল্যুশনের ভিডিও হলেও প্রায়শ দেখা যায় লম্বাটে বিশাল একটা প্যানেলেই শুধু অ্যানিমেশন চলছে। তবে সবকিছু মিলিয়ে সিরিজটির জন্যে আদর্শ অ্যানিমেশন। হঠাত হঠাত চলে আসা হাস্যকর ডায়লগ, ইমোশনের বহিঃপ্রকাশ, কিংবা একেকজনের নড়াচড়া – এসবকিছু আনিমেটির পাগলামিকে ঠিকভাবে তুলে ধরার জন্যে আদর্শ অ্যানিমেশন রয়েছে ডেট্রয়েট মেটাল সিটির।

সাউন্ডট্র্যাক: ডেথ মেটাল ব্যান্ডকে নিয়ে আনিমে, সুতরাং বুঝতেই পারছেন সাউন্ডট্র্যাক হিসাবে কি অপেক্ষা করছে আপনার জন্যে। ডেথ মেটাল পছন্দ এমন দর্শকের জন্যে এই আনিমের প্রতিটি এপিসোডে রয়েছে রক্ত-গরম-করা কিছু ডেথ মেটাল ট্র্যাক। যেহেতু আনিমের মধ্যেই গান চলতে থাকবে অনেক জায়গাতে, তাই গানের লিরিক্সও ইংলিশ সাবটেইটেল হিসাবে দেখা যেতে পারে – যেটা খুব একটা ভাল এক্সপেরিয়েন্স হবে না অনেকের জন্যেই। একদম “সেইরকম” লিরিক্স। তবে সব মিলিয়ে অসাধারণ পাওয়ারফুল কিছু ট্র্যাক। এর মধ্যে ওপেনিং ট্র্যাকটি সত্যিকার অর্থে অসাধারণ একটি ডেথ মেটাল গান [আবারও বলি, লিরিক্স দেখে অস্বস্তি লাগতে পারে]। আর নেগিশি নিজে যেহেতু ঠান্ডা আর মিষ্টি প্রেমের গান পছন্দ করে, তার নিজের কম্পোজ করা এরকম একটি গানও আছে। সেই হোপলেস-রোম্যান্টিক গানটিও মাঝেমধ্যে শুনা যাবে, আরও শুনা যাবে আনিমেটির এন্ডিং ট্র্যাক হিসাবে।

 

ক্যারেক্টার: আনিমেটির সবচেয়ে শক্তিশালী দুটি পয়েন্টের একটি হল এর ক্যারেক্টারগুলি। প্রায় সব চরিত্রই বিভিন্ন মুহুর্তের হাস্যকর দৃশ্যগুলি ফুটিয়ে তুলবার জন্যে দারুণ ভূমিকা রেখেছে, এমন কি যেসব চরিত্র শুধু ১ পর্বের জন্যে হাজির হয়েছিল তারাও। তবে মূল ক্যারেক্টার নেগিশি এবং তার অল্টার-ইগো ক্রওজার-এর ক্যারেক্টার ডেভলপমেন্ট সবচেয়ে বেশি হয়েছে। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে তার দুটি ভিন্ন রূপ ও সেই অনুযায়ী আচার-আচরণ পুরো সিরিজটির সবচেয়ে মজার অংশগুলি উপহার দিয়েছে। আরও রয়েছে তার ব্যান্ডের ড্রামার কামুস [নিশিদা তেরুমিচি] এবং গ্ল্যাম রক গান গেতে চাইলেও অবশেষে DMC তে যোগ দেওয়া জাগি [ওয়াদা মাসাইয়ুকি]। যদিও তারা তাদের DMC জীবনের সাথে মানিয়ে নিতে পেরেছে, নেগিশি তার ব্যান্ড জীবন আর স্বপ্নের পপ গানের জীবনের মধ্যে দোটানাতে রয়ে গিয়েছে। সিরিজটির অন্যতম বড় আকর্ষন অসম্ভব রকমের বাজে কথার জন্যে বিখ্যাত ব্যান্ডটির ম্যানেজার। “প্রেসিডেন্ট” বা “বস” বলে পরিচিত এই মহিলার চোখে কোন জিনিস সার্থক বা সফল শুধু তখনই হবে যখন সেই জিনিস দেখে বা উপভোগ করে তাকে … … … থাক, কি হবে সেটি তার মুখেই আপনারা শুনে নিয়েন। তবে একটা জিনিস বলা যায়, F**k শব্দটিকে প্রেসিডেন্ট প্রায় আর্টের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে। কথায় কথায় ইংলিশগুলি বলার এক্সপ্রেশন এত বেশি মজা দিয়েছে যে, মারাত্মক অশ্লীল শব্দ হওয়ার পরেও সেগুলি বারবার রিপিট করে শুনার ইচ্ছা হয়েছিল!!!

 

একদম সুস্থ-স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার, গ্ল্যামারাস ম্যাগাজিন লেখিকা ও নেগিশির স্বপ্নকন্যা আইকাওয়া ইয়ুরি কিংবা DMC ব্যান্ডের স্টেজ পার্ফরম্যান্সের সময়ে থাকা Pig of Capitalism নাসিমোতো কেইসকে সিরিজটির আরও দুটি উল্লেখযোগ্য চরিত্র। আইকাওয়াও নেগিশির মত শুধু মিষ্টি মিষ্টি পপ গানের ভক্ত, আর মেটাল গান সম্পর্কে বলতে গেলে একদমই অজ্ঞ। অন্যদিকে নাসিমোতো হল একজন মধ্যবয়স্ক ম্যাসোকিস্ট। এছাড়া বাকি চরিত্রগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল DMC এর ভক্তরা। DMC বা ক্রওজারের বিভিন্ন ঘটন-অঘটনকে দর্শকের কাছে তুলে ধরবার জন্যে DMC ভক্তদের একেকজনের দেওয়া উক্তি, ব্যাখ্যা মারাত্মক হাস্যকর হয়েছে।

ভয়েস এক্টিং: আনিমেটির আরেকটি শক্তিশালী দিক হল এর অসাধারণ ভয়েস এক্টিং। নেগিশি/ক্রওজার এর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ইমোশন দেওয়ার জন্যে সেইয়ু উয়েদা ইয়ুজি অসাধারণ ভূমিকা রেখেছেন। মুখ-খারাপের জন্যে বিখ্যাত ম্যানেজার বা প্রেসিডেন্টকে চমৎকার ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন সেইয়ু কোবায়াসি আই। নেগেশির স্বপ্নকন্যা আইকাওয়া ইয়ুরির সেইয়ু নাগাসাওয়া মাসামিও চমৎকার ভয়েস এক্টিং করেছেন। আর DMC ভক্তদের একেকজনের ভয়েস এক্টিং-এর কোন তুলনাই হয় না!

এবার আসা যাক সিরিজটির বিখ্যাত কিছু উক্তি ও মুহুর্ত নিয়ে, তাই এগুলি হালকা ধরণের স্পয়লার মনে হতে পারে। কেউ স্পয়লার বলে ভয় পেয়ে থাকলে, একদম শেষের প্যারাতে চলে যান।]

বিখ্যাত একটি উক্তি রয়েছে, “Fall seven times, Stand up eight” – কথাটিকে DMC ভক্তরা এক পর্যায়ে সুন্দরভাবে পরিবর্তন করে দেয়: “Fall down seven times, rape on the eighth time” :V

স্টেজে এক পর্যায়ে গানের যুদ্ধে থুতু ছিটানো শুরু করে ক্রওজার আর তার প্রতিপক্ষ। ভক্তরা তা দেখে মুগ্ধ হয়ে আরও একটি বিখ্যাত ডায়লগ দেয়: “They’re spitting into the fourth dimension!!!”

আর সিরিজটির সবচেয়ে অসাধারণ ডায়লগগুলির একটি হল: “Krauser-sama won by half a F**k!!!”

পরিশেষে বলবো, আনিমেটি সব দর্শকের জন্যে নয়। অনেকেই এটা দেখে মজা পাবে না। তবে নিখাদ পাগলামি দেখতে চাইলে এই আনিমেটি অবশ্যই অবশ্যই দেখবেন। ডেথ মেটাল গানের ভক্ত হলে তো কথাই নাই! উড়াধুড়া একটার পর একটা গান রয়েছে এই আনিমেতে। সম্ভব হলে এর সাউন্ডট্র্যাক ডাউনলোড করে শুনে নিতে পারেন।

MyAnimeList Score: 8.37/10

আমার স্কোর: 10/10

কমেডি/মিউজিক/পাগলামির জন্যে আদর্শ একটি সিরিজ! অবশ্যই দেখার চেষ্টা করবেন এটি।

 

Cowboy Bebop review – Monirul Islam Munna

ভালো সব এনিমের এক বা একাধিক স্ত্রোং সাইড থাকে। কোনটার কাহিনী বিলডআপ অস্থির, কোনটার ক্যারেক্টার বিলডআপ মাথা নষ্ট করা,কোনটার OST ভুবন ভুলানো আবার কোনটার আর্টওয়ার্ক আর এনিমেশন দেখে চোখ জুড়ে যায়। কিন্তু কয়টা এনিমে দেখেছেন প্রতিটা সেক্টরে মুগ্ধ করবে আপনাকে?? বিরল সেই লিস্টের অন্যতম দাবিদার Cowboy Bebop!!

একটা অন্যরকম স্বাদ আছে এনিমেটাতে। প্রতিদিনের ডালভাত খেয়ে বেশ বিরক্ত হয়ে মাঝে মাঝে বিরিয়ানি খেলেও, ভিন্ন স্বাদের সাধারণ খাবারই মনে হয়। cowboy bebop দেখার সময় মনে হলে, সেই চিরচেনা স্বাদ বিসাদের খাবার থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন, কলকাতার কাচ্চি আর রয়ালের বাদাম শরবত এক সাথে খেয়ে শেষ করলাম। মুখে যেন অতুলনীয় স্বর্গীয় এক স্বাদ ভর করছে, ৩-৪ দিন সেই স্বাদ যেন ভুলানো সম্ভব না।

action,adventure, Sci-fi genre ২৬ পর্বের এনিমে cowboy bebop। Adventure genre দেখে আন্দাজই করা যায়, এনিমেটার প্রতি এপিসোডেই ভিন্ন ভিন্ন কাহিনী নিয়ে। কিন্তু এই প্রতি এপিসোডের মধ্যে ছোট কিছু গল্প জোড়া লেগে লেগে আর প্রতি চরিত্রের পূর্বজীবনের কিছু কিছু ফ্ল্যাশব্যাক দেখিয়ে এক অনন্য সুন্দর গল্পের উপহার দেয়।

এনিমের মূল চরিত্রদের মধ্যে ৩ জন Spike Spiegel, Jet Black আর Faye Valentine bounty hunter! মহাশূন্যের বিভিন্ন গ্রহের নাম করা বিশাল bountyওয়ালা ক্রিমিনালদের খুজে বেড়ানো আর সেই bounty দিয়ে আয়েশ করাই মূল উদ্দেশ্য তাদের। কিন্তু সেই উদ্দেশ্য কখনও মোড় নে হাস্যকর আবার কখনও দুঃখের কোন দিকে। আর এই সব বড় বড় ক্রিমিনালদের খুজে বের করতে তাদের কাজে সাহায্য করে পিচ্চি হ্যাকার Edward Wong। ক্যারেক্টার বিলডআপ অসাধারণ এনিমেটার, সাথে তাদের অতীত জীবন কীভাবে বর্তমানে তাদের উপর প্রভাব ফেলেছে, তা বেশ স্পষ্ট।

এনিমেটার অসাধারণ একটা দিক হচ্ছে, এটার আর্টওয়ার্ক আর এনিমেশনগুলো!!! ১৯৯৮~১৯৯৯ সালে বানানো এই এনিমেটার এনিমেশনে মহাশূন্যকে, সিনারিগুলোকে, স্পেসশিপগুলকে সব কিছুকে এতো চমৎকারভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, দেখে মুগ্ধ না হয়ে উপায় নেই!!! প্রতিটা এপিসোডেই একটা চমৎকার লাইন দিয়ে শেষ হয়।

cowboy bebopএর প্রান বলা যেতে পারে এর এনিমেশন আর sound tracksগুলা। এক এক এপিসোডে প্লে করা ভিন্ন ভিন্ন sound tracksগুলোর সবগুলই মন ছুঁয়ে যাবে আপনার। মন চাবে বার বার ব্যাক করে, ostটা আরেকবার শুনে নিতে। এনিমেটা শেষ হলে, বিশাল একটা soundtrack আর OST এর কালেকশন পাবেন লিখে দিলাম 

ক্লাসিক জিনিস কখনও হতাশ করে না। প্রাই ১৫বছর হয়ে গেছে এনিমেটার। এনিমের স্বাদ ১৫ বছরে অনেক বদলে গেছে মানুষের । কিন্তু এতো বছর পরও এখনো দর্শকদের একটুও হতাশ করেনি, বরং মনোযোগ সম্পূর্ণ ধরে রেখে মুগ্ধ করেছে প্রতিটি সেকেন্ড।

MAL rank #21
MAL rating 8.83
My rating: 9.2

Maison Ikkoku review by মেঘময়

চার বছর আগের কথা Inuyasha এনিমে টা Animax এ দেখলেও খুব খায়েশ ছিল এনিমে টা PC তে বাক্সবন্ধি করব। তো বাক্সবন্ধি complete করার পরদিন রাতে নেট সার্চ দিচ্ছিলাম নতুন কোন এনিমে এর সন্ধানে। প্রায় পুরা একঘণ্টা সার্চ করার পর ফলাফল শূন্য। তখন একটা জিনিস মাথায় ঢুকল যে Inuyasha লেখিকার আর কোন ভাল কাজ আছে নাকি। যেই ভাবা সেই কাজ। নেট সার্চ করে যেটা পেলাম Inuyasha হল তার একমাত্র অ্যাকশান এনিমে। তার সব কাজই রোমান্স এর উপর ভিত্তি করে বানানো। তো এর আগে আমি কোনদিন total romance type এর এনিমে দেখিনি। তাই ইচ্ছা হল একবার ট্রাই করলে দোষ কি? পিক করলাম MAISON IKKOKU। আর এনিমে টা Anime Romance এর সংজ্ঞা টাও আমাকে দিয়ে দিল। Romantic এনিমে এ পর্যন্ত যতগুলি দেখেছি তার জন্য আমি MAISON IKKOKU কে ধন্যবাদ জানাব।

 

 

 

MAISON IKKOKU নামটা আসলে এক বাড়ির নাম। আর এই বাড়ির ই বাসিন্দা দের কর্মকাণ্ডের আড়ালে তৈরি এক ভালোবাসার কাহিনী। গল্পের প্রধান চরিত্র Yusaku Godai College entrance exam ফেল করা এক ছাত্র আর MAISON IKKOU র ম্যানেজার Kyoko Otanashi কে ঘিরে। এই গল্প র সাথে আপনি Rumiko Takahashi র কোন গল্পের মিল খুজে পাবেন না। Maison Ikkoku আপনাকে নিয়ে যাবে সেই সময়ে যখন ভালবাসা ছিল আজকের তুলনায় মিস্তময় এবং কোলাহলহীন। আপনি মিস করবেন মোবাইল ফোন আর ইন্টারনেট। এসব ছাড়াও যে Perfect Romance সম্ভব Maison Ikkoku দেখলে আপনি তা বুঝতে পারবেন।

 

 

 

 

কাহিনী যত এগবে আপনি ততই  এর সাথে super glue মত আটকে যেতে থাকবেন। প্রধান দুই চরিত্র ছাড়াও আপনার সাথে দেখা মিলবে রহস্যময় Yotsuya, যার প্রত্যেকটি কাজ আপনাকে ভাবাতে বাধ্য করবে।

এছাড়াও দেখা মিলবে Kyoko র আরেক পাণিপ্রার্থী Shun Mithaka র। যাকে আপনি Godai র চেও যোগ্য মনে করতে পারেন।

 

 

 

আরও অনেক চরিত্রের সমাবেশ দেখবেন এই এনিমে তে। সব চরিত্র এবং ঘটনা ছাপিয়ে Godai আর Kyoko র ভালবাসা আপনাকে সবসময় রমাঞ্ছিত করে রাখবে। আর OST কথা না হয় নাই বললাম যখন দেখবেন তখনি বুঝবেন এর OST কতটা Rich। Rumiko Takahashi এর অমর এই সৃষ্টি যিনি দেখবেন তিনি আর ভুলবেন না।

 

 

সবচেয়ে আশ্চর্য কথা হল যে রাতে আমি প্রথম MAISON IKKOKU র প্রথম পর্ব দেখি সেই রাতে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল…………………. কিন্তু এতে আশ্চর্য হবার কি হল রাতে কি বৃষ্টি হয় না। অবশ্যই হয় কিন্তু MAISON IKKOKU র ক্ষেত্রেই একথা বললাম কেন তা খুজে বের করবার দায়িত্ব আপনাদের হাতে অর্পণ করলাম।

 

এক নজরে MAISON IKKOKU

 

Written by Rumiko Takahashi
Published by Shogakukan
Directed by Kazuo Yamazaki
Takashi Annō
Naoyuki Yoshinaga
Studio Studio Deen
Original run March 26, 1986– March 2, 1988
Episodes 96 (List of episodes)
My rating 10/10

 

NARUTO review by S K Siddiq Ahmed

আমার দেখা এখন পর্যন্ত অন্যতম দুর্দান্ত সুন্দর ANIME SERIES । 
গল্প শুরু হয়েছে ১২ বছর আগে এক ঘটনা থেকে যখন নিনজা গ্রাম কোনোহা একটা বিশালাকায় নয় লেজ ওয়ালা শেয়াল দ্বারা আক্রান্ত হয়, তখন গ্রামের সেরা নিনজা চতুর্থ হকাগে তার গ্রাম বাঁচাতে শেয়ালটিকে একটি নবজাতকের পেটে সীল করে দেয় এবং এর ফল স্বরূপ নিজেও মারা যায় ।
সেই ছেলেটিই বড় হয়ে হয় NARUTO । গ্রামের ছেলেরা তার সাথে মেশে না কারন তার ভেতরে রয়েছে ধ্বংসের দেবতা সেই নয় লেজ ওয়ালা শেয়াল । তাই একা একা মানুষ হওয়া NARUTO তার উপস্থিতি জানান দিতে বিভিন্ন রকম শয়তানি করে বেড়ায় ।
এক সময় সে নিনজা স্কুলে ভর্তী হয় কিন্তু দুবার অকৃতকার্য হয় তখন তার class Teacher এর এক বন্ধু তাকে জানায় গ্রামের বর্তমান প্রধান তৃতীয় হকাগের কাছে একটি স্ক্রল আছে, যে টেকনিকটি সে আয়ত্ত না করবার জন্য সে ফেল করছে সেই টেকনিকটিই তাতে লেখা আছে । NARUTO সেটি চুরি করে এবং জানতে পারে আসলে স্ক্রলটি তার ভেতরের শেয়ালকে জাগানোর মন্ত্র লেখা রয়েছে । NARUTO স্ক্রলটি রক্ষা করে এবং জীবনের প্রথম বন্ধু তৈরি করে এবং একই সাথে নিনজা পরীক্ষায় পাশ করে যায় ।
এরপরই আসলে আসল কাহিনী শুরু হয়, আস্তে আস্তে NARUTO বন্ধু তৈরি করতে থাকে এবং একই সাথে শত্রুও । আকাতসুকি নামক এক গ্রুপ NARUTO এর গ্রাম ধংস করে দিতে চায় এবং তার ভেতরের শেয়ালকে অধিকার করতে চায় কিন্তু NARUTO সব রুখে দাড়ায় এবং গ্রামের সকল মানুষের প্রীয়িপাত্র হয়ে উঠে ।
এটি মূলত দুই পর্বের প্রথমটি NARUTO এর বাল্যকালের গল্প যার নাম শুধু NARUTO পরেরটি NARUTO SHIPPUDEN যেটা তার কৈশর নিয়ে ।
এই ANIMATION এর বিশেষত্ব হল এটির EMOTIONAL জায়গাগুলা অনেক STRONG । বন্ধুত্বকে অনেক বড় করে দেখানো হয়েছে আর এর SUSPENSE অসাধারন । 
দূঃখের কথা হল SERIES টি এখনো চলছে তবে এটি প্রায় শেষের পথে বলেই মনে হচ্ছে 
এর জেনেরা হল Action, Adventure, Comedy, Drama, Fantasy, Martial Arts, Shounen, Supernatural 
যারা Animation দেখবেন তাদের লিঙ্ক 
Directed by Hayato Date 
Written by Katsuyuki Sumisawa/Junki Takegami
Music by Musashi Project/Toshio Masuda
Studio Studio Pierrot

Written by Masashi Kishimoto Published by Shueisha

অ্যানিমের ইতিহাস – দ্বিতীয় পর্বঃ জনাব ওয়াল্টারের এম্পায়ার বিজনেস, ব্রেকিং সাইলেন্স এবং ফ-অ্যানি-লা – ফাহিম বিন সেলিম

কিতায়ামা সেইতারোর কথা মনে আছে?
জাপানিমেশনের একের দশকের তিন পথিকৃৎদের মধ্যে একজন। নিজের ব্যাক্তিগত স্টুডিও থেকে তিনি ১৯১৮ সালে মুক্তি দিয়েছিলেন Urashima Tarou. কিন্তু দুইয়ের দশকের প্রথমেই বড় একটা বিপর্যয় ঘটে গেল ― ১৯২৩ সালের টোকিও মহাভূমিকম্প। আর এতে তার স্টুডিওর অধিকাংশই ধ্বংস হয়ে যায়। যার কারণে এসময়ে তাঁর অধীনে থাকা শিষ্যরা চারিদিক ছড়িয়ে পড়ে নিজেরাই আলাদা আলাদা স্টুডিও খোলা শুরু করল।

১৯২৩ সালে আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটল, প্রায় সাত হাজার মাইল পশ্চিমে ― শিকাগোর ২২ বছর বয়সী এক যুবকের হাত ধরে। The Walt Disney Company-র সূচনা।

ডিজনীর বড় বাজেটের উন্নতমানের অ্যানিমেটেড সিনেমা শুধু আমেরিকা নয় বরং সারাবিশ্বেই একচ্ছত্র সাম্রাজ্য গড়ে তুলল। জাপানও তার ব্যাতক্রম ছিল না। আর ডিজনীর অ্যানিমেটেড সিনেমাগুলোর সাথে জাপানের অ্যানিমেটররা রীতিমত হিমশিম খেতে শুরু করল। একদিকে ডিজনীর ফিল্মগুলো ইতোমধ্যেই বাইরে থেকে প্রচুর লাভ করে আসায়, শুধু আসল উশুল করতে পারলেই হত বলে, জাপানে বেশ স্বল্পমূল্যের টিকেটে থিয়েটারগুলোতে চলা শুরু করল। তার উপর তাদের তুলনামুলক বিশাল কোম্পানীর শব্দের কারুকাজ, সেলুলয়েডে ফ্রেমে রঙ্গিন অ্যানিমেশন আর পরিচালনার কাজ ছিলো বেশ উন্নতমানের। তাই শুধু লড়াইয়ে টিকে থাকতে হলেই জাপানের নির্মাতাদের কম বাজেটে সিনেমা তৈরী করে আরো কম মূল্যে বাজারে ছাড়তে হত।

স্বল্প আয়ের ফলাফল হত পরবর্তীতে আবারো স্বল্প বাজেট। আর তা দিয়ে সাধারণ কাট-আউট ব্যাকগ্রাউন্ড আর হাতে আঁকা ছবির অ্যানিমেশনে আবারো তৈরী হত নিম্নমানের ফিল্ম(ব্যায়বহুল সেলুলয়েডের ফিল্মের তুলনায়)। স্বল্প বাজেট-নিম্নমান-স্বল্প আয়-স্বল্প বাজেটঃ ব্যার্থতার এই চক্র থেকে বের হতেই পারছিল না জাপানের নির্মাতারা।

২০ আর ৩০-এর শুধু ব্যার্থতার হাজারো গল্পের মধ্যেও দুজন নির্মাতার নাম উল্লেখ না করলেই নয়। কেনজো মাসাওকা আর মিৎসুয়ো সেও।
মাসাওকা ১৯৩৩ সালে তৈরী করেন Chikarato Onna no Yo no Nako, সর্বপ্রথম সবাক অ্যানিমে! এর পরের বছরই বের হয় সম্পূর্ণ সেল অ্যানিমেশনে তৈরী প্রথম অ্যানিমে Dance of the Chigamas.
আর ১৯৪১ সালে মিৎসুয়ো মাল্টিপ্লেন ক্যামেরা ব্যাবহার করে বানান Ari-chan.

তবে ব্যাতিক্রম অবশ্যই উদাহরণ নয়। আর্থিক সমর্থনের অভাবে এধরনের মান বজায় রাখা সম্ভব ছিলো না। আর সে কারণেই হলে বের হওয়া দেশীয় অ্যানিমেটেড সিনেমার সংখ্যা অনেকটা কমে গেলো। বরঞ্চ বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন, রাজনৈতিক আর শিক্ষা-জনসচেতনতামূলক প্রচারণা ভিডিওর দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিল অ্যানিমে। এক্ষেত্রে জাপানের শিক্ষা বিভাগ একটা উল্লেখযোগ্য ভুমিকা পালন করেছিল।

দুই দশকের ক্রান্তিকাল শেষে ততদিনে অবশ্য আবার বদলের মুখোমুখি এসে পড়েছিলো অ্যানিমে।
শুধু অ্যানিমে না, পুরো পৃথিবীতেই বিরাট এক পালা বদল ঘটবে।
আর তা শুরু হবে চারের দশকের সূচনাতেই।
আর তাতে অবদান রাখবে ― দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ! 

/দুঃখিত অনেক খুঁজেও এই তিনটার কোন ভিডিও লিঙ্ক খুঁজে পেলাম না, কয়েকটা স্ক্রিনশট বাদে – ছবিটি Chikarato Onna no Yo no Nako-এর/

 

1901900_721282971236856_868206932_n

অ্যানিমের ইতিহাস প্রথম পর্ব – ফাহিম বিন সেলিম

পশ্চিমের অ্যানিমেশন যখন বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকেই যাত্রা শুরু করেছে, তখন জাপানও খুব একটা পিছিয়ে ছিলো না। Katshudou Shashin[Moving Picture] (১৯০৭) কে ধরা হয় প্রথম অ্যানিমে ফিল্ম, সম্ভবত ব্যাক্তিগত অথবা পরীক্ষামূলক সম্প্রচারের লক্ষ্যে যা তৈরী হয়েছিল। কার তৈরী, তা অবশ্য অজানা। মাত্র ৩ সেকেন্ডের।

রাজনৈতিক ক্যারিকেচারিস্ট/কার্টুনিস্ট ওতেন শিমোকাওয়া, জাপানিজ অ্যানিমেশনের অন্যতম অগ্রদূত, একের দশকে ৫ টি অ্যানিমেটেড ফিল্ম তৈরী করেন তেনকাৎসু কোম্পানীর প্রযোজনায়। এর মধ্যে ছিলো Imokawa Mukuzo Genkanban no Maki (১৯১৭), প্রথম বাণিজ্যিকভাবে তৈরী অ্যানিমে, ২০০৫ সালে Katshudou Shahsin আবিষ্কারের পূর্বে যেটাকে ধরা হত সর্বপ্রথম অ্যানিমে।

একের দশকের আরো দুই পথিকৃৎ জুনিচি কৌইচি এবং সেন্তারো কিতায়ামা।

কার্টুনিস্ট এবং জলরঙ্গে দক্ষ আঁকিয়ে কৌইচি ১৯১৬ সালে কোবায়াশি শোকাই-এ যোগ দিয়ে একে একে তৈরী করেন প্রায় ১৫ টি মুভি। তাকে বলা যায় এই সময়ের সবচেয়ে কুশলী অ্যানিমেটর।

শিমোকাওয়া বা কৌইচির মত কিতায়ামা অবশ্য কোন বাণিজ্যিক স্টুডিওর হয়ে কাজ করতো না। বরং নিজের ব্যাক্তিগত স্টুডিওতেই চকবোর্ড পেইন্টিং আর পেপার পেইন্টিঙ্গের কলাকৌশল কাজে লাগিয়ে তিনি বেশ কিছু অ্যানিমে তৈরী করেন। 

কৌইচির Namakura Gatana(১৯১৭)-র সাথে তার Urashima Tarou(১৯১৮) ২০০৭ সালে আবিষ্কৃত হয় এক অ্যান্টিক মার্কেটে।

প্রথম দিককার মাত্র কয়েক মিনিটের নির্বাক এসব অ্যানিমে দিয়ে জাপান যখন অ্যানিমেশন জগতে যাত্রা শুরু করেছে, সীমিত সামর্থের মধ্যে শত বাঁধা বিপত্তি কাটিয়ে এগিয়ে চলেছে – দুইয়ের দশকে পা রাখতেই তখন বাণিজ্যিকভাবে তাদের সামনে এসে পরলো আরেক বিশাল বাঁধা। আন্তর্জাতিক এক মহা প্রতিদ্বন্দ্বী।

ডিজনি!

Katshudou Shashin – THE First Ever Anime: 

www.youtube.com/watch?v=i1bUwGkdBrU&desktop_uri=%2Fwatch%3Fv%3Di1bUwGkdBrU

এফ এ সি ২৩

রান্ডম টপিক

 আনিমিম ১- চিকোকু চিকোকু!

 

শউজো আনিমে বা মাঙ্গার খুব কমন সিন, মেইন ফিমেইল ক্যারেক্টার দেরি করে ঘুম থেকে উঠেছে, তারপর প্যানিকড অবস্থায় দৌড়াদৌড়ি করতে গিয়ে আর নাস্তা খাওয়ার সময় পায়নি। তাই এরা যা করে, ঝটপট একটা ব্রেড স্লাইস মুখে নিয়ে দৌড়াতে শুরু করে, আর বলে “চিকোকু চিকোকু![I am going to be late!]” সাধারণত এর পরেই এরা মেইন মেইল ক্যারেক্টার এর সাথে ধাক্কা খায়, বাংলা সিনেমায় সাধারণত যা দেখায় আর কি। এই স্টেরিওটাইপিং এখন প্রচুর আনিমেতে ব্যবহার হচ্ছে, কিছু এগজাম্পল কমেন্টে।

 

 

 

আনিমে সাজেশন

স্কেট ডান্স[Sket Dance]

 

আপনাকে কি কেউ নিয়মিত টিজ করছে? প্রেমঘটিত কোন সমস্যা? পড়াশুনা নিয়ে কোন ঝামেলা? কোন টিচারের ক্লাস ফলো করতে সমস্যা হচ্ছে? ক্লাবের সাথে মানিয়ে চলতে পারছেন না? বিড়াল হারানো গিয়েছে? সমস্যা যতই ট্রিভিয়াল হোক, বা যতই ঝামেলাযুক্ত হোক, চিন্তা নেই, বসসুন, হিমেকো, আর সুইচ স্কেট ডান্স ক্লাব গড়ে তুলেছে শুধুই আপনাকে সহায়তা করার জন্য।

 

 

কেন দেখবেন/দেখবেন না:স্কেট ডান্সকে বলা হয় গরিবের গিনতামা, কিছু ক্ষেত্রে গিন্তামার চিপ ইমিটেশন খুব ভালভাবে স্পষ্ট। চরিত্রের চিত্রায়নে গিন্তামার প্রভাব খুব বেশি। যদিও আনিমেটা পরবর্তীতে গিন্তামার প্রভাব থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছে। যদি আপনি গিন্তামা না দেখে থাকেন, তাহলে স্কেট ডান্স বেশ প্রান খুলে হাসার মত একটা আনিমে। ভাল সাউন্ডট্র্যাক, চমৎকার সব সুক্কমি, সব মিলিয়ে বেশ ভাল কমেডি প্যারোডি আনিমে।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৩৯

আমার রেটিং ৮

 

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

আইশিলড ২১[Eyeshield 21]

 

কবায়াকাওয়া সেনা ভারী শান্তশিষ্ট এক ছেলে। আর এদের ক্ষেত্রে যা হয়, নিয়মিয় বুলিং এর শিকার। তো একদিন বুলিদের খপ্পর থেকে বাঁচতে গিয়ে সে দেখিয়ে দিল তাঁর দৌড়ের কারিশমা, আর সেই সাথে নজরে পড়ে গেল তাঁর স্কুলের আমেরিকান ফুটবল ক্লাবের ক্যাপ্টেন হিরুমার। সেই থেকে শুরু হল তাদের সংগ্রাম। লক্ষ্য? রাইস বৌল!

 

 

কেন পড়বেনঃদারুন শউনেন স্পোর্টস আনিমে, বেশির ভাগ শউনেন স্পোর্টস এর ক্ষেত্রে যা হয় [হ্যাঁ, আমি কুরোকো নো বাসকে বা প্রিন্স অব টেনিসের কথা বলছি], খুব বেশি অতিরঞ্জিত করে ফেলা হয় পুরো ব্যাপারটাকে। আইশিলডে তা নেই, কিছু ক্ষেত্রে পুরো জিনিসটাকে সিম্বলাইজ করার জন্য রূপক কিছু দৃশ্য ব্যবহার করা হয়েছে, তবে তা ক্ষমা করে দেয়া যায়। মোটের উপর, দারুন উপভোগ্য এক মাঙ্গা। আইশিলডের আনিমেও যথেষ্ট ভাল, তবে তাতে গল্প পুরো শেষ হয়নি।

 

কেন পড়বেন না:তেমন কোন কারণ নেই।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৬৪

আমার রেটিং ৯

 

 

 

এফ এ সি ২২

রান্ডম টপিক

পকি গেম

 

পকি হল এক ধরনের জাপানি স্ন্যাক, মূলত কাঠি বিস্কিটকে চকলেটে ডুবিয়ে এটা তৈরি করা হয়, তবে এর আলমনড, দুধ, মধু, ইত্যাদি ফ্লেভারও আছে। খাবারটা অনেকটা আগে ইয়াম ইয়াম(বা নিয়াম নিয়াম, ঠিক মনে নেই) নামের একটা স্ন্যাক বিক্রি হত বাংলাদেশে, ওটার মত। তো এই পকি খাবারটা দিয়ে একটা বেশ রোমান্টিক খেলা আছে, একে বলা হয় পকি গেম। দুজন(সাধারণত বিপরীত লিঙ্গের) তাদের মুখে একই সাথে পকির একটা স্তিক ধরবে, দুজন দুই প্রান্ত থেকে। এরপর কামড়ে কামড়ে মাঝখান পর্যন্ত যাবে আর কি। এরপর এক সময় তাদের ওষ্ঠ-অধর একীভূত হয়ে যাবে (হেহে), যে আগে এই বাঁধন ছাড়াবে, সে খেলায় হারবে।

আপনি চাইলে বাড়িতে পকি বানাতে পারেন, এই যে রেসিপি [ http://www.youtube.com/watch?v=XriYXND2xnw ], কিন্তু ওই পকি দিয়ে গেম খেলবেন নাকি ক্ষুধা নিবারন করবেন সেটা সম্পূর্ণ  আপনার ইচ্ছা।

 

 

আনিমে সাজেশন

কিনো নো তাবি[Kino no Tabi]

 

ভয়ঙ্কর অতীতকে পিছনে ফেলে হারমস নামের কথা বলা মোটর সাইকেলে চড়ে কিনো ঘুরে বেড়াচ্ছে পৃথিবীর  পথে পথে। এই গল্প শুধু কিনোর ভ্রমণেরই নয়, এর চেয়ে অনেক গভীর এক কাহিনি ফুটে উঠেছে কেইচি সিগসাওয়ার লাইট নভেল থেকে এডাপট করা এই আনিমেতে।

 

কেন দেখবেনঃপুরোপুরি ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়, মুশিশির মত একটা ভাইব আছে, তবে কিনোর গল্প অনেক বেশি ডার্ক। গিনকোর মত সে মানুষের উপকার করে বেড়ায় না, গা বাঁচিয়ে চলাই তাঁর স্বভাব। বিভিন্ন জায়গায় তাঁর ভ্রমণের গল্পে যে দার্শনিকতা এবং সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে, নির্দ্বিধায় বলা যায় কিনো নো তাবি একটা রেয়ার জেম।

 

কেন দেখবেন না:শুধুই অ্যাকশান লাভারদের জন্য নয়, আবার শুধুই স্লাইস অব লাইফ লাভারদের জন্য নয়। কেউ  দেখতে চাইলে একটাই রিকোয়েস্ট, সময় নিয়ে ধীরে সুস্থে চিন্তা করে দেখবেন।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৫১

আমার রেটিং ৯

 

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

গান্তজ[Gantz]

 

 

এক ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার পর কুরোনো কেই নিজেকে আবিষ্কার  করল এক ভয়াবহ সারভাইভাল গেমের মাঝে, যার পদে পদে উঁকি দিচ্ছে দুঃস্বপ্ন। কুরোনো কি পারবে গান্তজের রহস্য ভেদ করে তাঁর আগের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে?

 

কেন পড়বেনঃদারুন সেইনেন স্টোরি, যথেষ্ট উত্তেজনায় ভরপুর, আঁকাও বেশ আকর্ষণীয়। ফাইটিং সিকোয়েন্সগুলো পরিষ্কার, সহজবোধ্য। সব মিলিয়ে বেশ উপভোগ্য একটা প্যাকেজ।

 

কেন পড়বেন না: প্রচুর গোর, এবং সেকচুয়াল কন্টেন্ট। কিছু রিভিউ পড়ে অবশ্যই বুঝে নেবেন মাঙ্গাটা আপনার জন্য কিনা। এন্ডিঙটা আমার খুব একটা ভাল লাগেনি, এরকম গল্পের একটা ট্র্যাজিক, রহস্যময় এন্ডিঙ কাম্য ছিল, তাই আমার আনিমে এন্ডিঙটাই বেশি পছন্দ।

 

 

ম্যাল রেটিং ৮.৩১

আমার রেটিং ৯

Mawaru Penguindrum review by Fahim Bin Selim

অ্যানিমে রিভিউঃ মাওয়ারু পেঙ্গুইনড্রাম(২০১১)
পর্বঃ ২৪
প্রযোজকঃ ব্রেইন্স বেস, সেনতাই ফ্রেমওয়ার্কস
জনরাঃ কমেডি, রহস্য, সাইকোলজিকাল, ড্রামা
লেখক ও পরিচালকঃ কুনিহিকো ইকুহারা
ব্যপ্তিঃ ২৪ মিনিট/পর্ব
সেন্সরঃ আর ১৭+ ভায়োলেন্স ও প্রোফ্যানিটি

২০১১-র কথা বললে আপনার কোন অ্যানিমেটার কথা মনে পড়বে? স্টাইন্স;গেট? আনো হানা? মাদোকা ম্যজিকা? অনেকে হয়ত মিরাই নিকির কথাও বলবেন। মাওয়ারু পেঙ্গুইনড্রাম এর কথা কি কারো মাথায় আসবে? অনেকে হয়ত নামটাই আজ প্রথম শুনলেন।

পরিণতি(ফেইট) বলে কী আসলেই কিছু আছে? আপনি জীবনের যাই করেন, শুধু আপনিই নন;আপনার আসেপাশে যা ঘটছে, জগতের সকল সকল ঘটনা, সকল বাছাই(চয়েস) আর তার কার্যকারণের(কনসিকুয়েন্স) সকল সরলরেখাই কি একটি নির্দিষ্ট বিন্দুগামী?
নাকি নিয়তি(ডেসটিনি) বিকৃত করা যায়, বদলানো যায়? চক্রাকারে ফিরে আসা যায় অথবা পালটে দেওয়া যায় গন্তব্য বিন্দুটাই?

শৌমা আর কানবা তাকাকুরা শুধু চেয়েছিল তাদের বোন হিমারির সুস্থতা, যার মৃত্যু কিনা সময়ের ব্যাপারমাত্র। অপেক্ষার দিন গোনা কোন বিকেলে তিন ভাইবোন অ্যাক্যুরিয়ামে ঘুরতে গেলে, এবং বিভিন্ন ঘটনাচক্রে সেখানেই যখন অবশেষে অনিবার্যের মুখোমুখি হতে হল, তখন হিমারির সদ্য কেনা পেঙ্গুইনের হ্যাটটা যেন ত্রানকর্তারুপে হাজির হল। কোন জাদুবলে তাকে মৃত্যু থেকে ফিরিয়ে আনল সেটা। তবে তা কেবলই সাময়িকের জন্য। এবং অবশ্যই শর্তসাপেক্ষে।
শৌমা আর কানবা জানতে পারল যে হিমারিকে বাচিয়ে রাখতে হলে তাদের খুঁজে বের করতে হবে রহস্যময় “পেঙ্গুইনড্রাম”। কিন্তু তারা যা জানে না তা হল – জাপানের পাতালপথে আক্ষরিক ট্রেন যাত্রার পাশাপাশি, তাদের জীবনেরও এক স্টেশন থেকে আরেক স্টেশনের এই যাত্রায় তারা মুখোমুখি হবে একটি রহস্যময় ডাইরীর, একেক পর এক অদ্ভুত সব চরিত্র, যাদের প্রত্যেকেরই আছে ভিন্ন ভিন্ন জীবন অভিপ্রায় আর ঘটনাবহুল অতীত। আর তারা এটাও জানে না যে, এসব কিছুর সাথে তাদের অতীতটাও বেশ ভালোভাবে দলা পাকানো।

পেঙ্গুইনড্রাম হল নিয়তি, পরিণতি আর ভালোবাসার গল্প। একটি রহস্য গল্প যার রহস্য একেবারে শেষ পর্ব পর্যন্ত আবৃত থাকবে, এবং শেষ হওয়ার পরও কিছু রহস্য আপনার জন্য বাকি রেখে যাবে। পরিচালনার চাতুর্যতাপুর্ণ, শৌল্পিক এবং কুনিহিকো ইকুহারার পুর্ববর্তী অন্যান্য কাজগুলোর(রেভুল্যুশনারী গার্ল উতেনা, সেইলর মুন এস) মতই ― অতিমাত্রায় প্রতীকি(সিম্বোলিক)। মাঝে মাঝেই আপনি হারিয়ে যাবেন বাস্তব আর কল্পনার মাঝে, বুঝতে পারবেন না আপনার চোখের সামনে দিয়ে ঘটে যাওয়া দৃশ্যগুলো কি সত্যিই চরিত্রগুলোর সাথে ঘটছে নাকি তা কেবলই মেটাফোরিকাল।
প্রতিটি দৃশ্যেই(এমনকি ওপেনিং এবং এন্ডিং গান চলার সময়গুলোতেও) লুকিয়ে থাকা ― তার ফোকাসিং, মুভমেন্ট অথবা ব্যাকগ্রাউন্ডের ― হাজারো সাংকেতিক অভিব্যক্তি, ট্রেন যাত্রাগুলো, এমনকি পর্ব বা চরিত্রগুলোর নামও কোন না কোনভাবে মুল আখ্যানের সাথে সম্পর্কযুক্ত কোন অর্থবহন করে। আর এর মুল কাহিনীর কনসেপ্ট, ফেট-ডেসটিনি-স্যাক্রিফাইস আবার দুটি গল্প ― কেনজি মিয়াজাওয়ার “নাইট অন দ্য গ্যালাকটিক রেইলরোড” আর হারুকি মুরাকামির “সুপার-ফ্রগ সেভস টোকিও” দ্বারা অনুপ্রানিত।
এর চমৎকার, দুর্বোধ্য কিন্তু একই সাথে তুলনামুলক “বাস্তবিক”(একই গোত্রীয় ইভাঞ্জেলিয়ওন, এরগো প্রক্সি অথবা সিরিয়াল এক্সপেরিমেন্ট লেইনের তুলনায়) প্লট, অসাধারণ সব চরিত্র, ওপি-ইডি-বিজিএম আর নিখুঁত(অন্তত আমার কাছে) একটা সমাপ্তির পর ― কাহিনী যদিও আপনার মাথার উপর দিয়ে যায় ― রহস্য আর জটিল প্যাচে মোড়ানো কাহিনীর ভক্তদের তবুও ভালো লাগার অনুভুতিটা পাবার কথা।ইভাঞ্জেলিয়ন, প্রক্সি যেখানে ২০ পর্বের আপাত সাজানো গল্প, শেষের দুইতিনটা পর্বে তাসের ঘরের মত দুমড়ে ফেলে, কচি কচি করে কেটে, তা তুলে পুরিয়ে, মাটি চাপা দিয়ে আসে; সেখানে পেঙ্গুইনড্রামের নবম পর্ব থেকেই এই “অত্যাচার” শুরু হয়। অনেকে হয়ত সেখানেই থেমে যাবেন।
আবার পুরোটা শেষ করার পরও মাওয়ারু পেঙ্গুইনড্রাম চরম বৈপরিত্যপুর্ণ অ্যানিমে। কারো দেখার শেষে অনেক ভালো লেগে যাবে(আমার মত), আবার কারো কাছে মনে হবে সময়ের-সম্পুর্ণ-অপচয়।
আর এ সবকিছু নিয়েই তৈরী মাওয়ারু পেঙ্গুইনড্রামকে মাস্টারপিস বললে বেশি বলা হবে না। হয়ত কিছুটা আন্ডাররেটেড, এবং অনেক অনেক আন্ডারএপ্রিশিয়েটেড। তবে অবশ্যই সবার প্লেটের খাবার নয়।যদি আকর্ষনীয়, ভিন্নধাচের আর মাথাঘুরিয়ে দেওয়া কোন অ্যানিমে দেখতে চান, তাহলে এখনই টিকেট কেটে চড়ে বসুন নিয়তির এই উথাল পাতাল যাত্রায়।

মাইঅ্যানিমেলিস্ট রেটিং: ৮.১৯(#২৮৫)
আমার রেটিং: ৯.৪৭

এফ এ সি ২১

এচি এফ এ সি

 

 

 

রান্ডম টপিক

সুকুমিজু [スク水]

 

 

তোরাদোরার পুল পর্বটা অনেকেরই মনে থাকার কথা[মূলত টাইগার এক্সিডেন্টের কারণে]. জাপানের স্কুলগুলোতে বাধ্যতামূলক সাঁতার প্রশিক্ষণের সময় ছেলেমেয়ে সবাইকে বিশেষ সুইমওয়ার পরতে হয়, একে বলে স্কুল মিজুগী[স্কুল সুইমসুট], সংক্ষেপে সুকুমিজু।সাধারণত সিনথেটিক ফাইবার থেকে সুকুমিজু তৈরী করা হয়. এর রং হয় গাড় নীল, আর বুকের কাছে নাম লেখা থাকে।

 

সুকুমিজু ট্রাডিশনাল ফ্যান্সার্ভিস আনিমেগুলোতে খুব চলে. এছাড়া গ্রাভিউর আইডলদের ফটোসেশনেও সুকুমিজু বেশ জনপ্রিয় একটা এটায়ার। হে হে.

 

 

 

আনিমে সাজেশন

সোরা নো অতশিমোনো[Sora no Otoshimono]

 

সাকুরাই তমোকি হলো টিপিকাল হাইস্কুল পারভার্ট। আর তার কাছেই হঠাত একদিন হাজির হলো সুন্দরী এক এঞ্জেল ইকারোস  এরপর?

 

কেন দেখবেনঃটিপিকাল ফ্যান্সার্ভিস এচি আনিমে না, যথেষ্ট ভালো কমেডি সিকোয়েন্স আছে, তমোকির চিবি ফর্মের মোমেন্টগুলো রীতিমত অট্টহাসি জাগাতে পারে মাঝে মাঝে।

কেন দেখবেন না:তেমন কোনো কারণ ছাড়াই একের পর এক সুন্দরী মেয়ের তমোকির প্রেমে পড়ে যাওয়া, হারেম আনিমেতে যা হয় আরকি.

 

ম্যাল রেটিং ৭.৯০+৮.০৯

আমার রেটিং ৭+৭

 

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

আনে দোকি[Ane Doki]

 

ঘটনাচক্রে ১৩ বছরের কৌতা এক ছাদের নিচে থাকতে শুরু করলো ১৭ বছর বয়সী তন্বী সুন্দরী নাত্সুকির সাথে। অসম প্রেমের জন্ম কি হবে? আর তার পরিণতিই বা কি?

 

কেন পড়বেনঃইচিগো ১০০% এর মান্গাকার আঁকা, ভদ্রমহিলা সুন্দরী মেয়ে এবং আরো কিছু[যারা ইচিগো ১০০% আর বাকুমান পড়েছে তারা সঙ্গে সঙ্গেই বুঝবে] ভালই আঁকতে পারেন।প্রচুর ”কোয়ালিটি” ফ্যান্সার্ভিস আছে.

কেন পড়বেন না:শেষ পর্যন্ত এটা সেই এচি মান্গাই। পড়তে বেশ মজা, শেষ করার পর মনে হতে পারে খামোখা টাইম নষ্ট করলাম। 

 

 

ম্যাল রেটিং ৭.৭২

আমার রেটিং ৭