লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – পঞ্চদশতম পাঠ

সানজি কানজি গেঞ্জি নিয়ে আবার হাজির হয়েছি 😀 (এবারের গ্যাপ মনে হয় অনেক বেশিই ছিল 😛 )

এর আগে নাম্বার,ডিরেকশন,নেচার এইরকম বিভিন্ন ক্যাটাগরির বিভিন্ন কানজি শিখান হয়েছে…..আজ থেকে নতুন আরেকটা ক্যাটাগরি শুরু করব..”human relation”..এর আন্ডারে মোটামোটি যতগুলা জানি আস্তে আস্তে দেয়ার চেষ্টা করব.. 🙂

আজকে ১ম যেটা দিয়ে শুরু করব সেটা হল “father” এর কানজি…উচ্চারণ হল “ফু/তৌ/চিচি”

“ওতৌসান” মানে যে বাবা সেটা মনে হয় আনিমে দেখা পাবলিক অনেকেই জানে….এখানে “তৌ” এর জায়গায় এই কানজি বসে…”চিচিওইয়া” মানেও বাবা..এখানে “চিচি”র জায়গায় এই কানজি বসে…(গোকুর বৌয়ের চিচি না কিন্তু 😛 )

“চিচি নো হি” মানে হল “বাবা দিবস”

“parents” এর জাপানিজ হল “ফুবো”… বাপ আর মা এর কানজি পাশাপাশি লিখলে “parents” হয়… এখানে “ফু” এর জায়গায় বাবা আর “বো” এর জায়গায় মা এর কানজি বসে

Working! এনিম রিয়েকশন — মোঃ আসিফুল হক

প্রথমেই দুইটা জোক্সঃ

১) There are two types of people in this world:… Those who can extrapolate from incomplete data.
২) A Roman walks into a bar, holds up two fingers, and says: “Five beers, please.”

কি বললেন? একটুও হাসি আসে নাই? জানেন, আমারও না। কিন্তু আমার এক বন্ধু আছে; সে এই জোকসগুলায় হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাইসে। :/
কথা হইল; সেই আজাইরা প্যাচাল এইখানে ক্যান? কারণ হইল কমেডি ট্যাগওয়ালা একখান সিরিজ দেখসি। আর হাসি জিনিসটা বড়ই অদ্ভুত; কার যে কিসে হাসি আসবে বোঝা বড় মুশকিল !! যেই যেই এলিমেন্টে হাসতে হাসতে চোখে পানি চলে আসার কথা; বেশিরভাগ জায়গায় উলটা ক্যান জানি বরং মেজাজ খারাপ হইসে। চোখ মুখ কুচকায়ে স্ক্রিনের দিকে তাকায় মনে মনে ভাবসি, “huai man, huai?” -_-

সিরিজটার নাম ওয়ার্কিং। উপরের বর্ণনা শুইনা মনে হইতে পারে আমি বুঝি সিরিজটায় মহা বিরক্ত; ব্যাপারটা আসলে তেমন না। ঘটনা ভাইঙ্গা বলি তাইলে। নায়ক তাকানাশি আর নায়িকা ইনামি। সমস্যা হইল এই ইনামিরে নিয়া। এতো বৈচিত্র্যহীন আর মনোটোনাস ক্যারেকটার !! অথচ স্ক্রিনটাইম পাইসে সে-ই সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে সাতৌ বা ইয়ামাদার মতন ইন্টারেস্টিং ক্যারেকটার অর্ধেক জায়গাও পায় নাই।

সিরিজের সেটিং একটা ফ্যামিলি রেস্টুরেন্টে কাজ করা কিছু মানুষ এর ডে-টু-ডে লাইফ নিয়া। এদের একেকজনের একেক রকম উদ্ভট সমস্যা আছে; ভাললাগা আছে। সেইগুলা নিয়াই কমেডি দিয়া চালানো সিরিজ। কোন এনিমেরই কাহিনী সংক্ষেপ বলতেও ভাল লাগে না; শুনতেও মনে হয় না কারো ভাল লাগার কথা। দেখলেই কাহিনী বুইঝা যাবেন; অথবা না-ও যাইতে পারেন; কারণ কাহিনী থাকলে তো বুঝবেন !!

এইবার চুলচেরা বিশ্লেষণ। প্রথম রিয়েকশনঃ নায়িকাডা এতো এনয়িং না হইলেই হইত। ওভারঅল – মজাই আছে। হাল্কা ধরণের জিনিস। মাঝখানে রোমান্টিক কিছু পার্ট ঢুকানোর চেষ্টা করসে; বেহুদা। কিছুই হয় নাই। ১৩ পর্ব শেষ কইরা সেই রোমান্স ঘুইরা ফিরা সেইম জায়গাতেই ফেরত আসছে। -_-
ক্যারেকটার ডিজাইন ভাল; এটলিস্ট একজন থেইকা আরকজনরে আলাদা করতে পেইন হয় না।
এনিমেশন ভাল; সাউন্ডট্র্যাক চলে।
ক্যারেকটার এর ব্যাকগ্রাউন্ড স্টোরি মোর ওর লেস ব্যাখ্যা করার ট্রাই করসে; সো ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্টে ভাল মার্ক্স।
কিছু কিছু জোকস মাঝে মাঝেই ওভারইউজড; ভ্যারিয়েশন কম। এক টপিকস নিয়ে চাইলে অনেক রকম জোকসই করা যাইত, সেইদিকে কিছু মার্ক্স কাটা। :/
ভয়েস এক্টিং এর ব্যাপারে আমার আইডিয়া খুবই কম; তবে শুনে মনে হইল ভাল পাবলিকরাই ভয়েস দিসে। শুইনা ভাল লাগে।

তো ইন শর্ট; ইনামির পেইনগুলা বাদ দিলে এঞ্জয়েবল। স্লাইস অফ লাইফ কমেডি ঘরানার সিরিজ পছন্দ করা লোকজনের জন্য অবশ্যই রিকমেন্ডেড; আর বাকিদের জন্য “দেখতে ইচ্ছে হইলে দেখেন, না হইলে থাকুক।”

Movie Time With Yami – 45

PATEMA-01

Name: Sakasama no Patema / Patema Inverted
Duration: 1 hr. 39 min
MAL Score: 8.27
Ranked: 241
Genres: Sci-Fi, Seinen

 

ভবিষ্যতের কথা। অতীতে সংঘটিত কোন এক দুর্ঘটনার ফলাফল হিসেবে মানুষ এখন বাস করে মাটির নিচে, সেখানে পেচিয়ে থাকা বিভিন্ন আন্ডারগ্রাউন্ড টানেল এখন তাদের আবাসস্থল। তাদেরকে সবসময় নিজেকে অজানা সংক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্যে বিশেষ স্যুট পরে থাকতে হয়। জীবন এখানে কিছুটা নিশ্চুপ এবং ধীরস্থির, কিন্তু তার মাঝেও মানুষ আনন্দ খুঁজে নিয়েছে।

এরকম সময়ের পৃথিবীর রাজকন্যা হল পাতেমা। সে এই পাতালপুরীর টানেলগুলোতে ঘুরে বেড়াতে ভালবাসে। প্রতিদিন তার কাজ হল নতুন নতুন টানেলে ঢুকে অভিযান চালানো। এভাবে ঘুরতে ঘুরতে সে একদিন হাজির হয় এমন একটি টানেলে, যা বিপদজনক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং যেখানে যাওয়া নিষিদ্ধ। কৌতুহলী পাতেমা টানেলের রহস্য উদ্ধার করতে সেখানে ঢোকে, এবং একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনার কারণে নিচে পড়ে যায়। এরপরেই শুরু হয় পাতেমার রুদ্ধশ্বাস অভিযান, যেখানে সে আবিষ্কার করে পৃথিবী সম্পর্কে এক চমকপ্রদ তথ্য।

মুভিটির আর্টওয়ার্ক বেশ ভাল, উজ্জ্বল এবং পরিষ্কার, ডিটেইলগুলো বেশ ভালভাবে তৈরি করা হয়েছে। কাহিনীর গতি ভালই, দ্রুত এগিয়ে যায়, দর্শককে থমকানোর অবকাশ দেয়না। ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট মোটামুটি, তবে কানেকশন তৈরি করে ফেলে বেশ জলদি। কাহিনীর মূল এক্সাইটিং অংশগুলো বেশ ভালভাবে এক্সিকিউট করা হয়েছে, শেষ পর্যন্ত তা উত্তেজনা ধরে রাখতে সক্ষম হয়। রোমান্টিক অংশগুলোও সুন্দর। ওএসটি ভাল, আর এন্ডিংটাও সুন্দর।

তাই সময় পেলে দেখে ফেলতে পারেন এই মুভিটি।

Movie Download Link-

http://kissanime.com/Anime/Sakasama-no-Patema

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

আনিমে রিভিউঃ নন নন বিয়োরি- লিখেছেন ইশমাম আনিকা

জনরা- কমেডি, স্কুল, সেইনেন, স্লাইস অফ লাইফ

জাপানের কোন এক প্রান্তে পাহাড়ের ধারে অবস্থিত কোন এক গ্রাম। আধুনিক পৃথিবীর সব সুযোগ সুবিধা যেখানে এখনো পৌঁছায়নি। কিন্তু তাই বলে গ্রামটির ঐশ্বর্য কোন অংশে কম নয়! এখানে রয়েছে বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠ, বনাঞ্চল, পরিস্কার টলটলে পানির নদী, তাজা সবজীর ক্ষেত এবং কিছু সুন্দর মনের মানুষ। আর আছে একটি অদ্ভুত স্কুল, এবং তারচেয়েও অদ্ভুত এই স্কুলের ছাত্রছাত্রী।

বাবার চাকরির সুবাদে এলিমেন্টারী স্কুলের ছাত্রী হোতারুকে টোকিও ছেড়ে আসতে হয় এই গ্রামে। সে এসে ভর্তি হয় এই আজব স্কুলে। হাসিখুশি হোতারু খুব সহজে মিশে যায় গ্রামের নিরিবিলি পরিবেশের সাথে। গল্প এগিয়ে চলে তাদের দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট হাসিকান্নায় ভরা মজার মজার ঘটনা এবং খুনসুটি নিয়ে।

non-non-biyori-stars

আনিমেটির কাহিনী খুব সহজ সাধারণ, কিছুটা ধীরগতিতে এগিয়ে চলে, আর এই ধীরগতিই এর প্রকৃত সৌন্দর্যকে বের করে আনে। গ্রামের সবুজ সুন্দর প্রকৃতিকে খুব সুন্দরভাবে দেখানো হয়েছে প্রতিটি এপিসোডে, চোখ ধাঁধানো অ্যানিমেশন দিয়ে। আনিমেতে চরিত্রগুলোর কাজকর্ম দেখতে দেখতে কখন যে নিজেকে তাদের পাশে আরেকটি চরিত্র হিসেবে আবিস্কার করতে হয়, বোঝা যায়না। সেইসাথে আছে মনকে শান্তি দেয়ার মত মানানসই ওএসটি, ব্যস্ত শহুরে জীবনের ফাঁকে কিছুক্ষণের জন্য হলেও আনিমেটি মনটাকে তরতাজা করে তোলে।

আমি নিজে এইধরণের আনিমে বেশি পছন্দ করি, তাই শুরু থেকেই এটি আমার খুব সুন্দর লেগেছে, যারা একটু ফাস্ট পেসড আনিমে পছন্দ করেন, তাদের কাছে শুরুর দিকে কিছুটা স্লো লাগতে পারে, তবে একবার এই গতিতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে আনিমেটির ১২ টি পর্ব শেষ না করে উঠতে পারবেননা, এটুকু বলতে পারি।

maxresdefault

Gosick রিভিউ — Rafiul Alam

“I don’t mind being unsightly. I found something more important than pride!” — Victorique

এই মাত্র দেখে শেষ করলাম।মনে ভয়ংকর সুন্দর অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছে।এটি এমন এক অনুভূতি যা বলে বোঝানোটা দায়।নির্মল সুন্দর একটি এনিমে।Bones স্টুডিওয়ের এনিমে বলে কথা।এই স্টুডিওয়ের অন্যান্য এনিমের ছাপ উল্লেখযোগ্য।উদাহরণ স্বরুপ ফুলমেটাল আলকেমিস্ট।তবুও এনিমেটা স্বতন্ত্র।

Synopsis: সাল১৯২৪। ফ্রান্স ও ইতালীর মাঝে একটি কাল্পনিক দেশ হল Saubure.এই Saubure এর কোন গ্রামে অবস্থিত Saint Marguerite Academy.একাডেমিটা এমন এক জায়গায় অবস্থিত,যেখান থেকে আল্প্স পর্বত দেখা যায়।এই একাডেমিতে পড়তে আসে আমাদের গল্পের নায়ক জাপানি ট্রান্সফার স্টুডেন্ট কাজুইয়া কুজো।তার চোখ ও চুল কালো বলে একাডেমির শিক্ষার্থিরা তাকে কালো শিনিগামী বলে ডাকে এবং কাছে আসতে ভয় পায়। অগত্যা বেচারা একা একা থাকে।একদিন একাডেমির লাইব্রেরি টাওয়ারে গল্পের বই পড়তে গিয়ে সোনালী চুল আবিষ্কার করে।তার উৎসের সন্ধান করতে গিয়ে পরিচয় হয় অদ্ভুত স্বভাবের মেয়ে ভিক্টোরিকার সাথে।অদ্ভুত স্বভাবের হলেও খুব দ্রুতই কুজোর সাথে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।রহস্যপ্রিয় ভিক্টোরিকা এবং কুজো নানা ধরনের ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে।এগিয়ে যায় কাহিনী।


Theme setup, Background Music & Animation: “20th century europe”…এমনিতেই আমার ভালো লাগে।এক্ষেত্রে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী ইউরোপ।এমন প্রেক্ষাপটের এনিমে খুবই কম আছে বলে মনে হয়।গথিক এনভাইরোমেন্ট সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।তৎকালীন জীবনযাত্রা ও প্রযুক্তি ভাল ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এক কথায় ওয়ান অফ এ কাইন্ড।আপনাকে মুডে আনতে বাধ্য। মিউজিকও বেশ ভালো।বিশেষ করে দ্বিতীয় এন্ডিংটা কিছুটা সেল্টিক মিউজিকের মত।আমার ভাষায় “খানদানী”।এনিমেশন নিয়ে বিশেষ কিছু বলার নেই। Bones স্টুডিওয়ের গতানুগতিক এনিমেশন।
Characters setup: এক্ষেত্রে মেইন ফোকাস হল ভিক্টোরিকা।ব্যাপারটা অনেকের ভাল নাও লাগতে পারে।টিপিকাল tsundere ক্যারেকটার আমার খারাপ লাগেনি।সরল ছেলে কুজোকে বেশ পছন্দ হয়েছে।

Overall Rating:

MAL rating: 8.27/10
My rating: 8.5/10

2nd Ending: http://youtu.be/4lXMrkq-NEc

Shiki রিভিউ — Rafiul Alam

“Death is terrible for anyone. Young or old, good or evil, it’s all the same. Death is impartial. There is no especially terrible death. That’s why death is so fearsome. Your deeds, your age, your personality, your wealth, your beauty: they are all meaningless in the face of death.”

-Sunako Kirishiki (Shiki)

প্রাণি হত্যা….আপনার মনোভাব কিরকম?প্রয়োজনে,অপ্রয়োজনে আমরা যখন প্রাণি হত্যা করি,তখন নিশ্চয়ই সেই প্রাণিটার কথা ভাবি না?এখন কি হবে যদি আপনাকে বলা হয় সেই প্রাণির জায়গায় নিজেকে রাখতে?আপাত দৃষ্টিতে খুবই যুক্তিহীন মনে হতে পারে।কিন্তু এনিমেটা দেখার পর এরকম প্রশ্ন মনে আসতে বাধ্য।অবশ্যই আমার দেখা প্রিয় হরর এনিমে গুলোর মাঝে একটি।এক্ষেত্রে শুধু হরর কনটেন্ট বিবেচনা করা উচিত হবে না।যুক্তিবাদ ও কল্পনার মাঝামাঝি কোন স্থানে এর মূলভাব।আর একটি বিষয় স্বীকার করতে দ্বিধা নেই।ভ্যাম্পায়ার সম্বন্ধে ভালভাবে প্রথম জেনেছি এটা দেখে,ব্র্যাম স্টকারের ড্রাকুলা পড়ে নয়।

Synopsis: জাপানের কোথাও পাহাড় ঘেঁষা একটি গ্রামের নাম হল Sotoba.শহর থেকে দূরে শান্ত একটি গ্রাম।গল্পের শুরুতেই দেখা যায় যে পুলিশ এক বৃদ্ধ দম্পতির লাশ উদ্ধার করে।আর পরিচয় হয় হাইস্কুল ছাত্রী মেগুমির সাথে।যে কিনা Sotoba গ্রামকে ঘৃণা করে।তার ধারণা গ্রামটি খুবই ব্যাকডেটেড।গ্রামবাসীকে তার মোটেও পছন্দ নয়।গ্রামে তার মাত্র দুটি জিনিস ভালো লাগে।এক হল তার ক্রাশ নাটসুনো ইউকি।অন্যটি হল পাহাড় ধারে নতুন নির্মিত ইউরোপিয়ান স্টাইলড ম্যানসন।গল্পের প্রথম দিনেই সে নিখোঁজ হয়ে যায়।কিভাবে?কেন? জানতে হলে নিজেই দেখুন।

Theme setup, Backgroung Music & Animation:থিম সেটআপ মোটেও মন্দ নয়।ভ্যাম্পায়ার এনিমে হিসেবে কিছুটা ভিন্ন রকম।জাপানের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লক্ষ্যণীয়।শান্ত গ্রামের নির্মল আবহ বিদ্যমান।ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক আরো ভালো হওয়া উচিত ছিল।ওপেনিং দুটি বেশ ভালো।

Characters Setup: প্রচুর ক্যারেকটার।নাম মনে রাখাই কষ্টসাধ্য বিষয়।তবে ২২টি এপিসোডে বেশ ভাল এক্সিকিউট করা হয়ছে।ড. ওজাকি ও তার বন্ধু মুরয় আমার প্রিয় চরিত্র।

Overall Rating:

MAL Rating: 8.12/10
My Rating: 8.3/10

OST link: https://www.youtube.com/playlist…

Monster রিভিউ — Rafiul Alam

“When you’re in the darkness,you only sink deeper into it.Keep the light shinning.”-Dr. Kenzo Tenma

জীবনকে আপনি কতটুকু ভালবাসেন?মানুষের জীবনের প্রতি আপনার মূল্যবোধ কেমন?নিষ্ঠুর বাস্তবতার অনন্য উদাহরণ এই এনিমেটা। সবই নতুন করে ভাবতে শেখাবে আপনাকে।অনেকের মতেই এটা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সাইকোলজিকাল এনিমে।নাওকি উরাসাওয়া নিজের জাত চিনিয়েছেন মাঙ্গার দ্বারা আর ডিরেক্টর কোজিমা মাসয়ুকি এনিমের দ্বারা।এই রকম মাস্টারপিস লেভেলের এনিমে নেই বললেই চলে। কেন জানি এনিমেটার প্রতি আমার একটু বেশিই ভালোবাসা আছে।দেখার সময় অগণিতবার কেঁদেছি।আমার মনে একটু বেশিই প্রভাব ফেলেছে মনে হয় এনিমেটা।রিভিউ লেখার পেছনে তাই বিশাল আবেগ কাজ করছে।

Synopsis: জিনিয়াস neurosurgeon ড. কেনজো টেনমা।জার্মানী প্রবাসী জাপানি চিকিৎসক। সাদা মনের ভালো মানুষ।কাজ করেন Eisler Memorial Hospital এ।হঠাৎ একদিন গুরতর আহত অবস্থায় সেই হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক বিখ্যাত অপেরা singer এর সফল অস্ত্রপচারের পর বেরিয়ে আসার সময় ড. টেনমার পথ রোধ করেন এক তুর্কী মহিলা।তিনি কান্নাভেজা চোখে দাবী করেন যে তার স্বামী অপেরা শিল্পির আগে আহত অবস্থায় এসেছিলেন।কিন্তু ড. টেনমা অপেরা শিল্পির অস্ত্রপচার করেছেন।যদি ড. টেনমা তার স্বামীর অস্ত্রপচার করতেন,তাহলে হয়ত তিনি বেঁচে যেতেন।মহিলা ড. টেনমাকে তার স্বামীকে ফিরিয়ে দিতে বলেন।এরুপ পরিস্থিতিতে বিব্রত ড. টেনমা কোনভাবে সটকে পড়েন।কিন্তু মহিলার সাথে থাকা বাচ্চা ছেলেটির কান্না তার মনে ভীষণভাবে দাগ কাটে।রাতের বেলায় যখন তিনি তার বাগদত্তা ইভা হাইনামেনের সাথে রেস্টুরেন্টে ডিনার করছিলেন তখন তার মনে ভেসে ওঠে সেই বাচ্চা ছেলেটির কান্না।পরে সেইরাতেই এক পরিবারের তিনজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।যার ইতিমধ্যেই বাবা-মা মারা গেছেন।দশ বছরের যমজ ভাইবোনদের মাঝে ভাইয়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক,মাথায় গুলি লেগেছে।বোন মানসিক ভারসাম্যহীন।তাদের ভর্তি করা হল Eisler Memorial Hospitalএ।বাচ্চা ছেলেটির অস্ত্রপচার করার দায়িত্ব পড়ল ড. টেনমার ওপর।কিন্তু বাধ সাধল আরেক বিড়াম্বনা।মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন Düsseldorf শহরের মেয়র।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থেকে বলা হল ছেলেটাকে রেখে মেয়রের অস্ত্রপচার করার জন্য।কিন্তু ড.টেনমার কানে বাজছে সকালের সেই বাচ্চা ছেলেসহ মায়ের আর্তনাদ।তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন যে করেই হোক,বাচ্চাটির প্রাণ তিনি বাচাবেন।এই সিদ্ধান্তই বদলে দিল ড. টেনমার জীবন।

Theme Setup,Background music & Animation:পারফেকশনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।বার্লিন ওয়াল ভাঙ্গার পরবর্তী জার্মানিকে খুবই সুন্দরভাবে উত্থাপন করা হয়েছে।Czezh Republic বর্ডার,511 Kinderheim,Red Rose Mansion এসবগুলো জায়গাই আপনার মগজে ঢুকে যেতে বাধ্য। Opening, Ending দুইটাই ভাল লেগেছে।প্রথম এন্ডিংটা বেশি জোস,ওটা আসলে”For the love of life”গানটির ইন্সট্রুমেন্টাল। Madhouse Studio এর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক সবসময়ই ভালো হয়।উদাহরণ হিসেবে Death Note এর নাম উল্লেখ করা যায়।ost গুলোর লিঙ্ক নিচে দিয়ে দিচ্ছি।animation আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে।সাধারণ ক্লিসে এনিমে মতো না।বরং আনেক বেশি বাস্তব।

Characters Setup:প্রচুর চরিত্র রয়েছে। সবগুলো চরিত্রই আমার খুব প্রিয়। ড. টেনমা আমার সবচেয়ে পছন্দের চরিত্র।ইন্সপেক্টর লুঙ্গেকেও আমার অনেক শ্রদ্ধেয় মনে হয়েছে।আর যার নাম বলতে হয় সে হল গ্রিমার।অনেকের কাছে মনে হতে পারে চরিত্রগুলো একই রকম।এক্ষেত্রে আমার বক্তব্য হল চরিত্রগুলোর মাঝে যে সুক্ষ পার্থক্য রয়েছে তা মনোযোগ দিলেই ধরা সম্ভব।

Overall Rating:

IMDB Rating: 8.6
My Rating: 9.7

OST Link:http://www.youtube.com/playlist?list=PLD1628F5C6E88FD17

“And slowly,you come to realize…It’s all as it should be.…..”

Cowboy Bebop রিভিউ — Rafiul Alam

“I think it’s time we blow this scene…Get everybody and the stuff together…..OK. 321 Let’s Jam…”
ওপেনিং টাই এনিমেটার theme song….অসাধারণ একটা এনিমে।90s ক্লাসিকের অনন্য উদাহরণ।আমার ধারণা আপনাদের সবাই এনিমেটা দেখেছেন,তাও প্রথম কোন রিভিউ দেওয়ার ইচ্ছে হল……যাই হোক…

Synopsis: সাল 2071. মানুষ পৃথিবী ছেড়ে মহাকাশ জয় করেছে।হাইপার-ড্রাইভের সাহয্যে যোগাযোগ- ব্যবস্থা হয়েছে আরও সহজ।তবে বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে অপরাধও বৃদ্ধি পেয়েছে।তাই অপরাধীদের শায়েস্তা করতে ব্যবহার করা হয় পুরোনো bounty hunting কৌশল।গল্পের শুরুতেই আমাদের পরিচয় হয় Spike Spiegel ও Jet Black এর সাথে।তারা হলেন পেশাদার bounty hunter.অপরাধী ধরিয়ে দিয়ে অর্থ উপার্জন করাটাই যাঁদের কাজ।গল্প এগিয়ে যায় এই দুজনের adventure নিয়ে।গল্পের পর্যায়ক্রমে তাদের সাথে জড়িয়ে পড়ে Faye Valentine নামের এক অদ্ভুত নারী ও Edward নামের এক মজার বাচ্চা মেয়ে।ধীরে ধীরে আরও চরিত্রের উত্থাপন হয়,উন্মোচিত হতে থাকে তাদের অতীত।জমাট হতে থাকে কাহিনী।

Theme Setup,Background Music & Animation:2071 সালকে যেভাবে কল্পনা করা হয়েছে তা আমার কাছে খুবই সুন্দর লেগেছে।এনিমেটিতে physics এর ব্যাপারটিও ভালো ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।আর একটি জিনিস খুব পছন্দ হয়েছে,Spike এর sword fish II নামের mono racer টি।ব্যকগ্রাউন্ড মিউজিকে কিছু western track ব্যবহার করা হয়েছে।এছাড়াও এপিসোড 5 এ ব্যকগ্রাউন্ডে যে choir music ব্যবহার করা হয়েছে তা শুনে আমার মাথা নষ্ট হবার যোগার হয়েছিল।সব কটি track ই মুড এর সাথে সুন্দর খাপ খেয়ে যায়।এনিমেশন নিয়ে কোন কথা হবে না।প্রতি সেকেন্ডের জন্য 10টি ফ্রেম আকা চাট্টিখানি কথা নয়।সম্ভবত এটাই sunrise studio এর শেষ হাতে আকা এনিমে।

Characters setup: আমার দেখা সবচেয় নিখুঁত setup. প্রত্যেকটি character ই বেশ ভালো লেগেছে।সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে Spike Spiegel এর easy going style.চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে নির্মাতাদের কোন কমতি ছিল না।আমি এক্ষেত্রে10এ 11 দিলাম।

Overall Rating:
Imdb rating: 9/10
My rating: 9.6/10
SEE YOU SPACE COWBOY…..
ost link: http://www.youtube.com/playlist?list=PL65E33789AA7052BC
Green Bird:
http://youtu.be/hD9dbEulPtg

Darker Than Black রিভিউ — Rafiul Alam

“If you pretend to feel a certain way, the feeling can become geninue all by accident.”
— Hei

যুক্তিবাদ ও আবেগ।মানুষের বিপরীতমুখী দুটি বৈশিষ্ট্য। কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তা মুখোমুখি হয়ে দাঁড়ালে কেমন হবে?কোনটা বেটার অপশন? সিদ্ধান্ত আপনার।
এটাই মূলত এনিমেটির প্রধান ফিলোসফি।তবুত্ত এ্যকশন এনিমে বা থ্রিলার এনিমের মাঝে যদি সেরা দশটির তালিকা করা হয়,তাহলে নিঃসন্দেহে এটি স্থান করে নিবে।ফুলমেটাল আলকেমিস্ট বিখ্যাত Bones studio এর এনিমে বলে কথা।নয়্যার-এ্যকশন -থ্রিলার ব্যক্তিগতভাবে আমার অন্যতম প্রিয় জানরা। নির্মাতা টেনসাই ওকামুরাকে এক বাক্স ধন্যবাদ।

Synopsis:দশ বছর আগে টোকিওতে এক অজানা,দূর্ভেদ্য এলাকার উদ্ভব হয়।যা হেলস গেট নামে পরিচিত।সেই থেকে কিছু মানুষ অলৌকিক সাইকিক পাওয়ার অর্জন করে।তারা কন্ট্রাক্টর নামে পরিচিত।তাদেরকে সহায়তা করে অনুভূতিহীন কিছু মানুষ।তারা ডল নামে পরিচিত।ঘটনার মূল রহস্য হল হেলস গেট।যা পদার্থবিদদের আকর্ষণের বিষয়।আবার হেলস গেট উদ্ভবের সাথে আকাশের আসল তারাগুলো হারিয়ে যায়।দেখা দেয় নতুন তারা।যাদের সাথে কন্ট্রাক্টরদের অদ্ভুত সম্পর্ক রয়েছে।গল্পে আমাদের নায়ক হল Hei।যে একজন কন্ট্রাক্টর।কন্ট্রাক্টররা কিছু সংগঠনের হয়ে কাজ করে,যাদের মূল উদ্দেশ্য অজানা।Hei কোন ব্যতিক্রম নয় বলে সে তার সিন্ডিকেটের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ মিশন কম্লিট করে।Hei এর সহযোগী Yin নামের ডল এবং Mao নামের কথা বলতে পারা বিড়াল।যাদের নেতা হল হুয়াং নামের এক মাঝবয়সী লোক।সিন্ডিকেটের উদ্দেশ্য হাসিল করা তাদের কাজ।ফলে তারা জড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন প্যাঁচে।যা তাদের অতীতের সাথে সম্পর্কযুক্ত।

Theme setup,Background music and Animation:থিম সেটআপ খানদানী।অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা।সিজন টু এর প্লট ছিল রাশিয়ায়।সেটা ভালোমত তুলে ধরেছে। একশন খুবই মারাত্মক।প্রধান ফোকাস একশন।ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ভালো।তবে আরও ভালো হতে পারত।প্রথম সিজনের প্রথম ওপেনিং ভাল লেগেছে।প্রথম এন্ডিংটাও ভালো।তবে দ্বিতীয় সিজনের ওপেনিং-এন্ডিং পুরাই ব্যাং অন।ওভিএ এর এন্ডিংও চরম( ব্যক্তিগত অভিমত )।এনিমেশন অন্যসব Bones studio এর এনিমের মতই।আমার সবসময় ভালো লাগে।

Characters Setup:বহুত ক্যরেকটার।কিন্তু প্রথম সিজনে মাত্র ২৬ টা এপিসোডে অসাধারণ ডেভেলপ করেছে।সেকেন্ড সিজনে আরও দ্রুত,মাত্র ১২ এপিসোড।বোনাস হিসেবে আছে ৪ এপিসোডের ওভিএ সিরিজ।প্রথম সিজনে বিশেষ করে Hei এর কথা বলতে হয়।ডুয়াল পার্সোনালাটি নতুন কিছু না।কিন্তু Hei এ ব্যাপারে মুগ্ধ করবেই।সেকেন্ড সিজনে আবার Hei কে দেখা যায় নতুন রুপে।Suou এর জন্য মায়া লেগেছে কেন জানি।ও হ্যা,ফার্স্ট সিজনে বিড়াল Mao এর এক্সপ্রেশন বেশ মজার ছিল।প্রতিদিন তো আর বিড়ালের এক্সপ্রেশন দেখতে পাওয়া যায় না!পরিশেষে বলব Yin,Huang,Misaki,Simon, Amber সহ প্রায় সবাইকে সিগনিফিকেন্ট মনে হয়েছে।

Overall Rating:

MAL Rating:
season 1- 8.33
season 2- 7.72
ova- 8.17
My Rating:
season 1- 9.20
season 2- 8.8
ova- 9.00

season 1 1st op:
http://youtu.be/gunMrT5mSQg

season 2 op:
http://youtu.be/cRuefYEPedE

season 1 1st ending:
http://youtu.be/2bAPhU9YSIE

season 2 ending:
http://youtu.be/s6a-2R8KXDM

Zankyou no Terror রিভিউ — Rafiul Alam

অপরাধ কি কখনও গ্রহণযোগ্য? নিজের উদ্দেশ্য হাসিলে আমরা সবাই কম বেশি তৎপর।এই চাওয়া ও না পাওয়ার কারণেই অপরাধ সংঘটিত হয়।কিন্তু সকল অপরাধের মোটিভ কী একই ধরনের?মনে হয় না! এমন একটা এনিমে,যার নাম মুখে আনলে অটোমেটিক ডেথ নোট চলে আসে।ডেথ নোট আর মন্সটারের সাথে বোধহয় সবচেয়ে বেশি মিল এটার।তবে এরকম তুলনা না করলেও আমার মতে ১৪ সালের সেরা সাইকোলজিকাল এনিমে এটা।মিউজিক,আর্টওয়ার্ক,ডিরেকশন,সব দিক থেকেই পারফেক্ট প্যাকেজ।হবেই না কেন? এনিমে ডিরেক্টর হিসেবে ছিলেন ওয়াতানাবে শিনিচিরো।যিনি কিনা ডিরেক্টর হিসেবে ছিলেন কাউবয় বিবপ,সাকামিচি আপলন,সামুরাই চাম্পলু,স্পেস ড্যান্ডির।ছিলেন এরগো প্রক্সি,ইউরেকা সেভেনের স্টোরিবোর্ডে।শুধু উনিই নন,এনিমের মিউজিক কম্পোজার ছিলেন ঘোস্ট ইন দ্য শেল খ্যাত ইয়োকো কানো।তাই বুঝতেই পারছেন,বেশ উঁচু জাতের এনিমে।তবে অপরাধ করেছে একটাই,মাত্র ১১টা এপিসোড।ঘটনা আরও বড় আশা করাই স্বাভাবিক।আর সিজন টু এর কোন সংবাদই নেই।তাই এক্ষেত্রে এন্ডিং আরও অনেক ওয়ানশট এনিমের মত “কিছু কথা ছিল বাকি” জাতীয়।

Synopsis: শুরুতেই দেখানো হয় বরফঢাকা আওমরির নিউক্লিয়ার প্লান্ট থেকে ইউরেনিয়াম চুরি হয়।পরবর্তীতে আমাদের পরিচয় হয় দুই বন্ধুর সাথে।যারা একে অপরকে নাইন আর টুয়েলভ বলে সম্বোধন করে।প্রথম এপিসোডের শুরুতেই লিসা মিশিমা নামে বুলিয়িংয়ের শিকার এক মেয়ের সাথে পরিচয় ঘটে তাদের,ঘটনাচক্রে সে নাইন ও টুয়েলভের সাথে ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে জড়িয়ে যায়।যাহোক, নাইন ও টুয়েলভের কান্ড কীতর্ি বড়ই কৌতুহলদ্দীপক।জি,ঠিকই ধরেছেন,তারা টেরোরিস্ট।হ্যাকিং,বোমা তৈরী,এবং নেটওয়ার্কিংয়ে বিশদভাবে পারদশর্ী।নিজেদের স্পিনক্স নাম দিয়ে ভিডিও প্রকাশ করে পুলিশকে হিন্ট দিয়ে দেয় কোথায় এবং কখন বোমা বিস্ফোরন ঘটবে,এক্ষেত্রে তারা ঐতিহাসিক মিথ ব্যবহার করে।যার মর্ম উদ্ধার করতে পারেন একমাত্র পুলিশ বিভাগের সেরা গোয়েন্দা শিবাজাকি। কিন্তু মজার ব্যাপার হল তাদের বোমাবাজিতে কোন মানুষের মৃত্যু হয় না।তাহলে কী তাদের উদ্দেশ্য?

 

Theme setup, Animation & Background Music:এই তিনটা ক্ষেত্রেই এনিমেটা আমার কাছে সেরা।বর্তমান কালের জাপান হল প্রেক্ষাপট।সবই বাস্তব,সাধারণ পরিবেশ।একটু মনোযোগ দিলে বুঝতে পারবেন,যে ফোনটা ব্যবহার করা হচ্ছে তা আসলে পরিচিত iPhone 5,তেমনি ব্যবহৃত নোটবুকের পিছনের লোগোটি Apple এর মত লাগে।কোন ডার্ক ধরনের থিমকে প্রাধান্য দেওয়া হয়নি।আর্টওয়ার্ক এর চাইতে বেশি ভালো চাইতে পারবেন না।প্রাকৃতিক দৃশ্য,ব্যস্ত শহর টোকিও অথবা ঘরের ভেতরের দৃশ্য,সবকিছুই জীবন্ত মনে হবে। আমি 360p তে দেখা শুরু করেছিলাম,পরে 720p নামাতে বাধ্য হয়েছি।তাই সবাইকে বলব উপভোগ করতে চাইলে 720p তে বা 1080p তে দেখুন।প্রযুক্তির পূর্ণ স্বদব্যবহার করেছে Aniplex ও Studio Mappa.এনিমেশন খুবই সাবলীল।ফ্রেমরেটের দায়িত্বে যে ছিলেন তাকে বিশেষ ধন্যবাদ দেওয়া উচিত।আরেকটি বিষয় আমাকে মুগ্ধ করেছে,তা হল ভিউ পয়েন্ট।সিনেমায় যেমন একটা জিনিসে ফোকাস করলে অন্যান্য জিনিস ঘোলা হয়ে যায়,Zankyou no Terror এও একি কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে। এমন না যে এটিই প্রথম,আরো অনেক এনিমেতেও আমি এই কৌশল ব্যবহার করতে দেখেছি।কিন্তু এই এনিমেতে এটাকে অন্য পযর্ায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।মনে হবে যেন কোন বাস্তব সিনেমা দেখছেন।এবার আসি ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকে,শুরুতেই বলেছি,মিউজিকের দায়িত্বে ছিলেন ঘোস্ট ইন দ্যা শেল খ্যাত ইয়োকো কানো।এটার OST আমার সবচাইতে প্রিয়।”Von” শব্দটি এনিমেতে অনেকবার দেখানো হয়েছে।আইসল্যান্ডের ভাষা যার অর্থ হল Hope বা আশা। তো Von নামের ট্রাকটির ফিচারিংয়ে ছিলেন Arnor Dan. যিনি আইসল্যান্ডের অধিবাসী।তাই সত্যিকার অর্থেই এটি “Music from a cold land”

Characters Setup: নাইন ও টুয়েলভকে নিঃসন্দেহে এনিমে জগতের সবচেয়ে বুদ্ধিমানদের মাঝে স্থান দিতে হবে।দুজনের মধ্যে টুয়েলভ হাসিখুশি ও প্রাণবন্ত,আর নাইন কিছুটা শান্ত ধরনের।তবে দুজনকে মানিকজোড় বলা চলে।লিসা মিশিমা কমন ধরনের চরিত্র।পারিবারিক ভাবে বিপর্যস্ত,নিঃসঙ্গ,দুঃখী প্রকৃতির মেয়ে।যার প্রতি দর্শকদের সিম্পাথী আসবেই।নাম্বার ফাইভ স্ক্রীনে আসার সাথে সাথে যেন কাহিনীর মজা শুরু হয়।যথর্াথর্ এন্টাগনিস্ট।তবে তার ভয়েস একট্রেস আরও ভাল উচ্চারণে ইংরেজী বললে খুশি হতাম। ডিটেকটিভ শিবাজাকী হল এমন একজন,যার সাথে দর্শকও গোয়েন্দাগিরী করবেন।অভিজ্ঞ ও যুক্তিবাদী এই গোয়েন্দার কাজের প্রতি ভালোবাসা বেশি থাকার ফলে পরিবারকে সময় দিতে পারেন না।মন্সটারের লুঙ্গের সাথে সাদৃশ্য চোখে পড়ার মত। সাইড চরিত্রের মাঝে শিবাজাকীর সহযোগী মোটামত লোকটার “Fat people aren’t all about carbs!” কথাটি কিন্তু বেশ শিক্ষনীয়!

Over-all Rating:

MAL Rating: 8.33
My Rating: 9.5

OST link:

https://soundcloud.com/zankyou-n…/…/all-soundtracks-playlist

Von:

https://soundcloud.com/zankyou-no-terror/von