”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৪৭ তম পার্ট By অরিন শারমিন

জাপানিজ শিক্ষাকার্যক্রমের ৪৭তম লেসন

আজকের লেসনে আমরা স্কুল এবং স্কুল রিলেটেড কিছু গুরুত্তপুর্ন জিনিস শিখব…

১মে আসি school এ … জাপানিজে স্কুলকে বলে “গাক্কৌ”….গাক্কৌ আসছে ২ টা শব্দ থেকে … gaku আর  kou..gaku মানে to learn..kou মানে  place for learning..

জাপানিজরা অনেক স্কুল রিলেটেড আনিমে বানায়…এই জন্য অনেকেরই জানা থাকার কথা ৩ ধরণের স্কুল আছে..

শৌগাক্কৌ-elementary school (জাপানে সাধারণত ৬ বছর লাগে elementary school এ)শৌগাকুসেই-elementary school student

চুউগাক্কৌ-secondary /junior high school (৩ বছর) চুউগাকুসেই-junior high school student

কৌকৌ -high school (৩ বছর) কৌকৌসেই-high school student

দাইগাকু-college

কে কোন ক্লাস এ পড়ে বুঝানোর জন্য স্কুলের সাথে বছর লাগায় … যেমনঃ চুউগাক্কৌ নি নেন সেই … মানে হল junior high second year student…কৌকৌ সান নেন সেই-high school 3rd year student..দাইগাকু সেই-college student..

স্কুলে থাকলে সবাইরে uniform পড়তে হয় ..uniform এর জাপানিজ হল “সেইফুকু”….. কলেজে কেউ uniform পড়ে না সবাই normal clothes পড়ে..জাপানিজ হল “শিফুকু”…

 

স্কুলে তো বিভিন্ন প্রকারের “subject” পড়ান হয়… subject এর জাপানিজ “কিঔকা/কামোকু”

এখন আসি বিভিন্ন সাব্জেক্টে….

math-সুউগাকু
literature-কোকুগো
science-কাগাকু
art-বিজুতসু
english-এইগো
japanese-নিহোনগো
social studies-শাকাই

কোন সাবজেক্টে ভাল হইলে বলে “তোকুই” আর খারাপ হলে বলে “নিগাতে”

তোকুই না কামোকু-subject you are good at…নিগাতে না কামোকু-subject you are bad at

গাক্কৌ দে ওয়াতাশি নো তোকুই না কামোকু ওয়া সুউগাকু দেশিতা (স্কুলে আমি ম্যাথে ভাল ছিলাম )….

after school এর  জাপানিজ হল হৌকাগো….after school activities/club activities হল “বুকাতসু”….. যারা কোন ক্লাবের সদস্য না তাদের বলে “কিতাকুবু”….

স্কুল রিলেটেড অনেক শব্দ শিখালাম…আজকে এ পর্যন্তই…মাতা নে… 🙂

Hentai Prince & the Stoney Cat রিভিউ — Maruf D. Raihan

‘Even while Imprisoned,the Irish author Oscar Wilde,a pervert who I respect, said,’I don’t regret a single moment having lived for pleasure. ‘

এমনি এক উক্তি দ্বারা এক হাইস্কুল ছাত্র ট্রাকফিল্ড ক্লাবে বেশ জোরে সোরে ওয়ার্মআপ করা শুরু করবে।কিন্তু তার উদ্দেশ্য অনুশীলন নয়, অাঁট পোশাকে সুইমিং ক্লাবের মেয়েদের দেখা আর আনন্দ উপভোগ করা।

এতক্ষণ যা বললাম তা ছিল ‘হেনতাই ওউজি তো ওয়ারাওয়ানাই নেকো’ (Hentai Prince & the Stoney Cat’ নামক এনিমের প্রথম এপিসোডের শুরুর দিকের দৃশ্যপট।

এমন আরম্ভ দেখে খুব উল্লসিত হক্যে অনেকে হেনতাই! হেনতাই! বলে লম্ফঝম্প করবেন আবার অনেকে ছি!ছি! আর থু!থু! বলতে থাকবেন আর এ অধম রিভিউদাতাকে অভিশাপ দিতে থাকবেন।কিন্তু জানিয়ে রাখা ভালো আপনারা (উভয় শ্রেণী) যা ভাবছেন তার কোনোটাই পুরোপুরি সঠিক নয়।

Henneko

কি আছে এই এনিমেতে তাহলে?? স্বাভাবিকভাবেই এমন প্রশ্ন জাগবে। নাম শুনেই উপরোক্ত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির সম্ভাবনা ব্যাপক তাই অস্পষ্টতা টা দূর করা যাক।

এনিমে দেখা, মানগা পড়ার বদৌলতে জাপানিজ ধর্মমত ও ধর্মতত্বের সাথে অনেকেই কমবেশি পরিচিত। এই এনিমের সমস্ত ঘটনাচক্রের উৎস হল এক অদ্ভুত কামি-সামা, যিনি কালো বিড়ালের প্রতিমূর্তির মাঝে অবস্থান করেন। তার ইচ্ছেপূরণ করার ধাচ এমন,যে তাতে গল্পের চরিত্রগুলোর জীবন পুরাই জিলেপির প্যাচে পড়ে যায়।

এনিমে: হেনতাই ওউজি তো ওয়ারাওয়ানাই নেকো

এপিসোড :১২+১( টিভি স্পেশাল)

জেনরা: কমেডি,রোমান্স,হারেম,স্কুল,সুপারন্যাচারাল,ড্রামা

প্রযোজনা: ফ্রন্টোয়ারি ওয়ার্কস,সেন্তাই ইউজি,মিডিয়া ফ্যাক্টরি,জে.সি.স্টাফ

MAL স্কোর: ৭.৫৪

ব্যক্তিগত রেটিং : ৭.৭

প্লট: ৭.৬

চরিত্র: ৮.৭

কমেডি+টুইস্ট: ৮.৫

নভেল ও মানগা রচয়িতা : সৌ সাগারা

এনিমে প্রযোজনা: ইরোহেই সুজুকি

সুপারন্যাচারাল ধাচের স্টোরিলাইন হলেও বেশ কমেডি আছে এনিমেটাতে। ১ম এপিসোড দেখেই তা বোঝা যাবে। প্লট অনুযায়ী সামান্য এডাল্ট কমেডি ও আছে এতে।

চরিত্রই এই এনিমের প্রধান উল্লেখ্য বিষয়। চরিত্র গুলো বেশ অদ্ভুত ও মজাদারও।মূল চরিত্র ইয়োকোদেরা ইয়োতো,বলার অপেক্ষা রাখে না ইনিই পূর্বোল্রিখিত সেই ছাত্র, গল্পের নামের সেই ‘হেনতাই কিং’। তবে সে হেনতাই বা Pervert হলেও ছেলে খারাপ না, যা বললাম তা বুঝতে হলে এনিমেটি দেখুন। আর অন্যান্য চরিত্রের মধ্যে সুতসুকাকুশি সুকিকো,সুতসুকাকুশি সুকুশি,আজুকি আজুসা। এর মধ্যে সুতসুকাকুশি সুকিকো চরিত্রটি বেশ ইন্টারেস্টিং। বিশেষ করে মুখমণ্ডলে অনূভুতি ফুটে না ওঠার দিকটি বেশ মজাদার।

কমেডি দিয়ে শুরু হলেও কম্পলিকেটেড রোমান্টিসিজম ও ড্রামার দেখা মিলেছে। তবে সবচেয়ে আবেগঘন দিক হল মা ও সন্তানের ভালোবাসারও অসাধারণ উপস্থাপনা আছে এতে, যা এনিমেটি না দেখে থাকলে বিশ্বাস করতেই ইচ্ছা হবে না। আর এ ব্যাপারে বলা ঠিক হবে না,তাহলে স্পয়লার হয়ে দাড়াবে।

অার্টের কথায় আসা যাক। মানগার আকার নেগেটিভ দিকটা মানগাতে চোখে না পড়লেও এনিমে গ্রাফিক্স এ তা প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে। চরিত্রগুলোর মুখমণ্ডলের আকার অনেকটা কম আয়তন ও গোলাটে ধরনের হয়ে গেছে।

মানগাতে ডিটেইলিং বেশ ভালো হয়েছে। অতি উৎসাহী কেউ মানগা পড়তে চাইলে চলে যান এখানে-……..

http://kissmanga.com/Manga/Hentai-Ouji-to-Warawanai-Neko

ওপেনিং থিম সং টা বেশ ভালো। চিবি ধরনের কন্ঠে গাওয়া ইয়ুকারী তামুরার ‘ফ্যান্টাসটিক ফিউচার’ গানটির লিনক:

https://www.youtube.com/watch?v=HEqIU4eSP7g

এন্ডিং টা বেশ গুবলেটে হয়ে গেছে তাই ওটার কথা বাদ দেওয়াই ভাল।

কোন ওভিএ না থাকলেও খুবই হাস্যকর কমেডি টাইপ একটা টিভি স্পেশাল আছে।

https://www.youtube.com/watch?v=VhqfvL9EQ4s

একটু এন্টারটেইনমেন্ট এর জন্য দেখে ফেলুন হেননেকো,খারাপ লাগবে না এতটুকু বলতে পারি।

Movie Time With Yami – 58

place-promised-in-our-early-days1

Name: Kumo no Mukou, Yakusoku no Basho / The Place Promised in Our Early Days
Duration: 1 hr. 30 min.
MAL Score: 7.98
Ranked: 543
Genres: Drama, Romance, Sci-Fi, Military

মুভিটির কাহিনী এমন এক জাপানে, যেখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ দেশটিকে দ্বিখণ্ডিত করে দিয়েছে। হোক্কাইডো পড়েছে ইউনিয়ন এর ভাগে, অপরদিকে হোনশু এবং দক্ষিণ দিকের অন্যান্য এলাকা পড়েছে ইউএস এর ভাগে। হোক্কাইডোতে নির্মাণ করা হয়েছে বিশাল এক রহস্যময় টাওয়ার, যা দক্ষিণাঞ্চলের অনেক দূর পর্যন্তও দৃশ্যমান।

এই সময়ে হোনশু এলাকায় বাস করত তিন হাইস্কুল পড়ুয়া বন্ধু। আর দশটা হাইস্কুল শিক্ষার্থীর মতই তাদের জীবন। টাওয়ারটার ব্যাপারে তাদের কৌতুহলের সীমা নেই। তারা তিনজন প্রমিস করে, একদিন একটা এয়ারক্রাফট বানিয়ে তারা এই টাওয়ারের রহস্য সমাধান করবে।

কিন্তু এর মাঝে অদ্ভুত এক রোগে আক্রান্ত হয় সাওয়াতারি। চিকিৎসার জন্যে টোকিও চলে যেতে হয় তাকে। এই ঘটনার পরে তিন বন্ধু তাদের প্রমিসের কথা প্রায় ভুলতে বসে। তারা কি কখনো জানতে পারবে, টাওয়ারের সাথে সাওয়াতারির রোগের সম্পর্কের কথা?

মুভিটির পরিচালক মাকোতো শিনকাই, এই একটা নামই যথেষ্ট এর আর্টওয়ার্কের সৌন্দর্য বুঝানোর জন্য। ঝলমলে প্রাকৃতিক দৃশ্য, খোলা আকাশ, বিস্তীর্ণ মাঠ- প্রতিটা ক্ষেত্রে মাকোতো শিনকাই এর ছাপ স্পষ্ট। ওএসটি বেশ মানানসই, এন্ডিংটা মনে রাখার মত। স্টোরিটা এই পরিচালকের অন্যান্য কাজের মতই একটু ধীরগতির, তবে মনে ছাপ রেখে যায় সহজে। আর এন্ডিংটা আমার অনেক ভাল লেগেছে।

তাই সময় পেলে দেখে ফেলতে পারেন এই মুভিটি।

Movie Download Link-
http://kissanime.com/…/The-Place-Promised-in-Our-Early…

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Detective School Q! [এনিমে রিএকশন] — যারীন তাসনিম হায়দার

আগে একটা মজার কথা একটু শেয়ার করে নিই- এই অ্যানিমেটা যখন দেখি,তখন ক্লাস সেভেনে পড়ি।এখানে Q নামের ছেলেটা (মেইন ক্যারাক্টার) একটা কথা বলেছিল। “If a detective gives up,the case can never be solved.” কথাটা আমাকে অনেকবেশি নাড়া দেয়।নাড়া দেয় এই হিসেবে না যে আমি একজন ডিটেকটিভ হতে যাচ্ছি,গিভ আপ করা চলবে না; বরং এই হিসেবে নাড়া দেয় যে, কোন লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য ফুলফিল করতে হলে গিভ আপ করলে চলবে না।সেই বছরেই একবার গ্রামের বাড়িতে আমি,আমার বড়বোন আর কয়েকটা পিচ্চি ভাইবোন মিলে আম্মা আব্বার নিষেধ অমান্য করে একটা বিরাট পুকুরওয়ালা খাঁদের মত (অত স্পেসিফিকালি মনে করতে পারছি না) একটা জায়গায় সবাই মিলে মজার করার জন্য নেমেছিলাম।একদম শেষ বিকাল।একটু পর সন্ধ্যা হবে।আমরা সবাই পরে উপরে ধরাধরি করে উঠে যেতে পারলে আমার বোন সেখানে কিছু বড় বড় ইটের মত একটা জায়গায় (খাঁদ বলে কিছু ইট ফেলা ছিল) ব্যথা পেয়ে তার মধ্যে আটকে যায় আর কান্নাকাটি শুরু করে।আযান দেয়।দ্রুত ফিরতে হবে।কেউ কিছু করেই ওগুলোকে সরিয়ে বোনকে তুলতে পারছিলাম না।ও ভয়ে বলা শুরু করে,”তোমরা চলে যাও,তোমরা পারবা না,আম্মু আব্বুকে ডাকো,আমি আর উঠতে পারব না” এই সেই।এইসময় আমিও যখন অনেকটা হতাশ,তখন হঠাৎ করে Q এর ডায়ালগটা মনে পড়ল। “If you give up………” হঠাৎ একটা বল পেলাম মনে।সবাইকে বললাম আমরাই পারব।আবার ট্রাই করতে।বোনকে বললাম ভয় না পেতে আর সাহস আনতে (একটু ঝাঁড়ি মেরে বলতে হয়েছিল বড় বোনকে,আমার আবার ঝাঁড়ি মারার অভ্যাস আছে, খুব বাজে অভ্যাস… :v ) এবং অবশেষে সেই খাঁদ থেকে আস্তে আস্তে তাকে তুললাম সবাই। I thanked Allah first obviously and then secondly Q. 😛

যাই হোক,২০০৮ সালে Animax চ্যানেলে এটা ছিল আমার দেখা ফার্স্ট ডিটেকটিভ অ্যানিমে সিরিজ।ডিটেকটিভ বেসড অন্যান্য অ্যানিমেগুলো এটার পরে দেখা শুরু করি।কয়েকটা দিন থেকেই আগের দেখা অ্যানিমেগুলো, অথবা যেই টুনামি দিয়ে অ্যানিমে দেখার যাত্রা শুরু সেইগুলোর কথা,মোদ্দা কথা হল পিচ্চিকালের নিশ্চিন্তে বসে শুধুই আর শুধুই অ্যানিমে টিভির সামনে বসে গিলতে থাকার কথা মনে পড়ছে,যা এখন এই লেভেলে এসে এত পড়াশুনা বা অন্যান্য কাজের প্রেসারের চাপে নিশ্চিন্তে করা হয়ে উঠে না।

এই অ্যানিমে ওয়ার্ল্ড, I repeat, এই অ্যানিমে ওয়ার্ল্ড আমার লাইফে যত অসাধারন কোটেশন শিখিয়েছে,ইন্সপিরেশন দিয়েছে; আমি মাঝে মাঝে মনে হয় হাজারটা বই পড়লেও এত সহজে হয়ত ইন্সপিরেশন পেতাম না।

লাইফের অনেক বড় বড় বাঁধা এইসব কোটেশন দিয়েই পার করেছি।And honestly speaking,I succeeded every time Alhamdulil Allah. 🙂

আগে মানুষকে বললে হাসত। “অ্যানিমে????এইগুলা দেখে কেউ???তুমিও দেখো!!!!ওহ ঐসব ‘কার্টুন ‘……… কী শিখবা দেখে এইগুলা…….” আর এখন,ঐ মানুষগুলাই আমার কাছে অ্যানিমে, যেটা তাদের ভাষায় নিছক ‘কার্টুন ‘, তার সাজেশন চায়।

Detective School Q

‘ইফ ইউ লাইক দিস ইউ মে অলসো লাইক দ্যাট’ – ১৭

ইফ ইউ লাইকড ‘Shiki’ ইউ মে অলসো লাইক ‘Higurashi no Naku Koro ni’

1

আপনার কাছে ‘Shiki’ ভালো লাগলে ‘Higurashi no Naku Koro ni’ ও ভালো লাগতে পারে

কারণ-

Shiki’ ও ‘Higurashi no Naku Koro ni’ এর মধ্যে মিল-

* দুইটা অ্যানিমেই এর কাহিনি ই একটা ছোট শান্ত গ্রামে ঘটে। * একই আবহ আর পরিবেশ।
* সুপারন্যাচারাল মার্ডার মিস্টেরি নিয়ে কাহিনি।
* অনেক গোরি আর ভায়োলেন্ট সিন আছে।
* মেইন মেইল ক্যারেক্টার শহর থেকে গ্রামে ট্রান্সফার হয়ে আসার পর ই কাহিনি শুরু হয়।
* ক্যারেক্টারদের মধ্যে মিল।
* গা ছমছমে আবহ সৃষ্টি করা ব্যাকগ্রাউন্ড মিউসিক।
* এক বিশেষ ধরণের ‘অসুখ/রোগ’ যা সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে তা কাহিনির অনেকটা মূল বিষয়।
* ‘অসুখ/রোগ’ যা গ্রামের সবাই ‘অভিশাপ’ বলে মনে করে।
* মিস্টেরি, সুপারন্যাচারাল, হরর, থ্রিলার জনরার।

2

Shiki’ ও ‘Higurashi no Naku Koro ni’ এর মধ্যে অমিল-

* Shiki তে ভ্যাম্পায়ার আছে যা Higurashi তে নাই।
* Shiki এর ২য় সিসন নাই কিন্তু Higurashi এর ২য় সিসন আছে এবং ২ সিসন মিলেই কাহিনি পূর্ণতা পায়।
* Higurshi তে সাইকোলজিক্যাল অংশ Shiki এর চাইতে বেশি।
* Higurshi তে হালকা স্ল্যাপস্টিক কমেডি আছে যা Shiki তে একেবারেই কম।
* Shiki, Higurashi no Naku Koro ni এর ৪ বছর পরে রিলিস পেয়েছে তাই Shiki এর অ্যানিমেশন Higurashi no Naku Koro ni এর চেয়ে ভালো।

3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14

Patema Inverted রিভিউ — শতদ্রু তালুকদার

যেখানে ফিজিক্সের সুত্র উল্টো কাজ করে, যেখানকার মানুষদের কাছে মাধ্যাকর্ষণের মানে আমাদের চিরপরিচিত মাধ্যাকর্ষণের ঠিক বিপরীত – এমন একটা জায়গার চিন্তা করে দেখুন, বেশ রোমাঞ্চকর, তাই না?

Patema Inverted/Sakasama No Patema – মুভিটার কাহিনীও পৃথিবীর অভ্যন্তরের Patema নামের একজন মেয়ে এবং পৃথিবীর সারফেসের Age নামের একজন ছেলে, দুজনকে নিয়ে, ইনভার্স দুটি জায়গাকে নিয়ে।

জনরাঃ এডভেঞ্চার, ড্রামা।

প্লটঃ ৮.৫
Patema পৃথিবীর অভ্যন্তরের একটা বিশাল ধ্বংসস্তুপের মাঝে গড়ে ওঠা এক মানব সভ্যতার একজন, বেশ কৌতুহলী, তার ক্ল্যানের বার বার মানা সত্ত্বেও এলাকার নিষিদ্ধ অঞ্চল নিয়ে তার তীব্র কৌতুহল, নিষিদ্ধ অঞ্চলে ঘুরতে গিয়েই একদিন সে একটা অদ্ভুত “বাদুড়-মানবের” (না, Batman না 😛 ) দেখা পেয়ে চমকে গিয়ে বিশাল ফাঁকা টানেলে পড়ে যায় – এবং খানিকপরেই নিজেকে আবিষ্কার করে পৃথিবীর উপরিভাগে – যেখানে মাধ্যাকর্ষণ তার বেলায় ঠিক উলটো কাজ করে, যেখানে কোন কিছুকে আঁকড়ে ধরে না থাকলে সে “আকাশে পড়ে যাবে”।
Age উপরিভাগের একজন স্টুডেন্ট, যেখানে তাদের রোজকার জীবন ছকবাঁধা, তাদেরকে বিশ্বাস করানো হয় যে তারাই পৃথিবীর প্রকৃত বাসিন্দা এবং সেখানে একসময় আরও অনেকে ছিল যারা একটা বড় পাপ করে ফেলেছিল এবং তাদের পাপের শাস্তি হিসেবেই তারা “আকাশে পড়ে গিয়েছিল”। Age-র সাথে যখন Patema-র দেখা হয় তখন Age দেখতে পায় তার সমবয়সী একটা মেয়ে বাতাসে ভেসে আছে, যেন সে ‘পড়ে যাচ্ছে’, Patema কে দেখে অবাক হওয়া সত্ত্বেও Age তাকে ধরে নিচে নামায় এবং তাদের দুজনের ওজনের কারণে একটা ব্যালেন্স তৈরি হওয়ায় Patema ও বুঝতে পারে আকাশে পড়ে না যাওয়ার জন্য এবং তার নিজের অঞ্চলে ফিরে যাওয়ার জন্য তাকে Age-এর উপর নির্ভর করে থাকতে হবে। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে আর ধীরে ধীরে তারা তাদের নিজেদের জগতের রহস্যগুলো, সত্যগুলো সম্পর্কে জানতে থাকে – মুভিটার কাহিনীও এগোতে থাকে।

এনিমেশনঃ ৮.৮
বিভিন্ন সিনারিও, ক্যারেক্টারদের আর্টওয়ার্ক, দুই ইনভার্স ওয়ার্ল্ড এর ইন্টারপ্রিটেশন বেশ সুন্দরভাবে দেখানো হয়েছে।

ক্যারেক্টারঃ ৮.০
মুভিটাতে খুব বেশি ক্যারেক্টারের উপর ফোকাস করা হয়নি, তবে বোধয় যেসব ক্যারেক্টারের উপর ফোকাস করা হয়েছে তাদের বিল্ডাপ – কাহিনীর জন্য যথেষ্ট ছিল বলে আমার মনে হয়।

মিউজিকঃ ৭.৫
মুভিটার বিভিন্ন সিনের জন্য ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক বেশ জায়গামতই ব্যবহার করা হয়েছে বলা যায়। আর এন্ডিং সং টা – উফফ!!! 😀

ওভারঅলঃ ৮.২ (আইএমডিবি রেটিং – ৭.৪ , মাই এনিমে লিস্ট স্কোর – ৮.২৭)
যদি বেশ ভালো একটা এনিমে মুভি দেখতে চান তাহলে আমি অবশ্যই আপনাকে এই মুভি সাজেস্ট করব। ১ ঘন্টা ৩৯ মিনিটের এই মুভিটা দেখে আপনি রোমাঞ্চিত হবেন, ক্যারেক্টারদের সাথে এডভেঞ্চার উপভোগ করবেন – মোট কথা মুভিটা আপনার বেশ ভালো লাগবে বলা যায়।

(Yasuhiro Yoshiura-র এই মুভিটাই আমি প্রথম দেখলাম আর দেখে ওনার কাজ নিয়ে আমি বেশ ইমপ্রেসড । ওনার Time of Eve, Pale Cocoon ও ওয়াচলিস্টে রাখলাম।)

patema inverted

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – চতুর্বিংশতম পাঠ

**কানজি কানজি কানজি**

আজকের কানজি “children” এর কানজি …. উচ্চারণ হল “কো/শি/সু”

ko shi

“কোদোমো” মানে হল “children/child”…..

ওতোকো নো কো -boy … ওন্না নো কো- girl…কো নেকো-kitten…..
এসব ক্ষেত্রে “কো” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে…

শিসোন-offspring..ওকাশি-candy/sweets…. এসব ক্ষেত্রে “শি ” এর জায়গায় এই কানজি বসে..

ইসু-chair …এখানে “সু” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে….(চেয়ারের মধ্যে বাচ্চার কানজি কি করতে আইছে জানিনা)

আজকে এটুকই থাক… মাতা কোন্দো.. বাই বাই

Movie Time With Yami – 57

maxresdefault (4)

Name: K- Missing Kings
Duration: 1 hr. 15 min.
MAL Score: 8.12
Ranked: 383
Genres: Action, Super Power, Supernatural

শুরুতেই বলে রাখি, এ মুভিটি কে প্রজেক্ট নামের আনিমেটির সিক্যুয়াল, কাজেই কে প্রজেক্ট আনিমেটি না দেখে মুভিটি কোনভাবেই দেখা উচিৎ হবে না।

আনিমের ট্র্যাজেডীর পর ছন্নাছড়া অবস্থা হয় হোমুরা ক্ল্যান এর। ক্ল্যানসম্যানরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আলাদাভাবে জীবন-যাপন করতে থাকে। ইয়াতা শুধু একা তাদের আড্ডায় বসে পুরনো দিনের স্মৃতিগুলোকে মনে করে ভিডিও দেখে দেখে। ওদিকে শিরোর খোঁজে চারদিক থেকে তথ্য জোগাড়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াতোগামি আর নেকো।

এমন সময় হঠাৎ আন্নাকে কিডন্যাপ করে গ্রীণ ক্ল্যান। তাকে বাঁচাতে ছুটে যায় ইয়াতা, নেকো ও ইয়াতোগামি। কিন্তু তারা সকলেই সম্মুখীন হয় তাদের সমতুল্য শত্রুর।

মুভিটি আনিমেটিতে থেকে যাওয়া অনেক প্রশ্নের জবাব দেয়, সে কারণে আমার এটি অনেক ভাল লেগেছে। হোমুরা ক্ল্যানের বিক্ষিপ্ত অবস্থা থেকে উত্তরণ দেখে স্বস্তি পেয়েছি, শেষদিকে আন্নাকে নিয়ে টুইস্টটা অনেক বেশি চমৎকার ছিল, এই অংশটুকু মুভিটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। তবে মুভিটি বেশ বড় একটা ক্লিফহ্যাঙ্গার দিয়ে শেষ হয়, একারণে শেষ করার পর কিছুক্ষণ হতাশ লাগে; আশা করছি এই হতাশা সিজন ২ দূর করে দেবে।

মুভির আর্ট আনিমেটির মতই সুন্দর, সেইসাথে ওএসটিও ভাল, যদিও আনিমের ট্র্যাকগুলো মিস করেছি আমি। কাহিনীর পেসিং ভাল, আর ফাইট সিনগুলোও ভাল।

তাই, সময় পেলে দেখে ফেলুন আনিমেটি এবং এই মুভিটি।

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/K-Missing-Kings

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Bakuman/Shirobako Comparison — Farhad Mohsin

শিরোবাকো দেখার সময় প্রথম থেকেই নানা কারণে বাকুমানের কথা মনে পড়ছিল। যতই দেখতে থাকি ততই মনে হচ্ছিল তুলনাটা আসলে অবান্তর।

বাকুমান শেষ পর্যন্ত স্লাইস অফ লাইফের চেয়ে অনেক বেশি একটা ব্যাটল নির্ভর রোমান্স আনিমে। বাকুমান আমি পড়েছি যখন এটা অনগোইং ছিল, পড়ার সময় বা পরে দেখার সময় আমি যে থ্রিল অনুভব করেছি সেটা সত্যি বলতে কি বেশিরভাগ মেইনস্ট্রিম ব্যাটল শোনেনেও আমার হয় নি।

Bakuman

শিরোবাকো আর যাইই হোক না কেন, একটা পিওর স্লাইস অফ লাইফই বটে, অবশ্য রোমান্স বা হাই-স্কুল না। এবং অনেক স্লাইস অফ লাইফ আনিমের ‘ওভারড্রামাটাইজেশন’ এর টেন্ডেন্সি থেকে মুক্ত। স্লাইস অফ লাইফের ক্ষেত্রে (বিশেষত শৌজোর ক্ষেত্রে) একটা অভিযোগ আসে যে এত আনরিয়েলিস্টিক ক্যারেক্টারাইজেশনের কিছুকে কোনভাবেই life-like বলা চলে না। সেখানে শিরোবাকোর ক্যারেক্টারদের ক্যারেক্টারাইজেশন/ডায়ালোগ এগুলো অনেক বেশি জীবনের কাছাকাছি।

Shirobako

এত ডিফারেন্সের পরেও আসলে ঘুরে ফিরে সেই ব্যাপারটাই চলে আসে যে Bakuman is a manga about creating manga, Shirobako is an anime about creating anime. আর দুই ক্যাটেগরেতেই মাঙ্গা/আনিমে ইন্ডাস্ট্রির মানুষের গল নিয়ে তৈরি করা এর থেকে ভালো আর কিছু নেই। এটাই শেষমেশ বাকুমান আর শিরোবাকোকে একই সাথে মাথায় এনে ফেলে।

সুতরাং আপনি যদি নতুন মাঙ্গা/আনিমে ফ্যান হয়ে থাকেন, কিংবা পুরানো হলেও কোন কারণে এটা না দেখা হয়ে থাকে, I suggest go for it. আপনার স্লাইস অফ লাইফ ভালো লাগুক আর নাই লাগুক, দেখে ফেলুন। এ দুইটা ভাল্লাগবে। একই সাথে এত পছন্দের ইন্ডাস্ট্রির সাথে জড়িত মানুষগুলোর জন্য অন্যরকম একটা রিস্পেক্টও তৈরি হবে।

মাঙ্গা সাজেশন: রিকি-ওহ[Riki-Oh] — Farsim Ahmed

কয়েদী রিকি-ওহ এর কাহিনী খুবই অদ্ভুত। ইচ্ছাকৃতভাবে মারামারি করে জেলে ঢুকেছে, যেন এর পিছনে তার কোনো উদ্দেশ্য আছে। সেই উদ্দেশ্য জানার জন্য অস্থির জেলার, যার উপরে কড়া নির্দেশ, রিকি-ওহকে কোনভাবেই শৃঙ্খলমুক্ত হতে দেয়া যাবে না। কিন্তু ব্যঘ্রহৃদয় রিকি-ওহকে কি দমিয়ে রাখা সম্ভব হবে?

কাহিনী মহা আকর্ষণীয় না, টুইস্টের অবতারণা করতে চেয়েছিলেন মাঙ্গাকা, কিন্তু তার প্রায় সবই আন্দাজযোগ্য, ফলে পুরো জিনিষটা হয়ে গেছে হাস্যকর। তবুও এটা পড়ার পরামর্শ দিচ্ছি, কারণ হচ্ছে দারুন ম্যানলি অ্যাকশন প্যানেল। ডিটেইলিং করতে মাঙ্গাকা কোনো আপোষ করেননি, সেই সাথে এনাটমি বুঝিয়ে দিয়েছেন ভারী দক্ষতার সাথে। মোদ্দা কথা, ফিস্ট অব দ্য নর্থ স্টার এর ভক্ত হলে এই মাঙ্গা পড়া মাস্ট, কারণ রিকি-ওহকে অনেকেই বলে কেনশিরোর alter-ego.

Riki-Oh