চরিত্র বিশ্লেষন এবং উৎস অনুসন্ধান – Angra Mainyu [Fate series] — Shifat Mohiuddin

চরিত্রঃ Angra Mainyu
এনিমে: Fate/stay night, Fate/Zero, Fate/stay night: Unlimited Blade Works
ভূমিকাঃ খলনায়ক
উপাধি/অপর নামঃ আহিরমান, Source of all evil in the world, Destructive spirit, Daeva of Daevas.
উপস্হিতিঃ জরুথ্রস্টবাদ, মানিবাদ এবং অন্যান্য খ্রিষ্টোত্তর ধর্ম।
¤
অ্যাংগ্রা মাইনয়ু আসলে এমন একটা চরিত্র যাকে কল্পনা করতেই যোগ্যতা লাগে।মূলত ফেইট সিরিজের এনিমেগুলোর শেষ এপিসোডে এর উপস্হিতি লক্ষ করা যায়।এর উপস্হিতি পঙ্কিল এবং বীভৎস(অনেকটা সাউরনের মত)।কাদার মত থকথকে বস্তু দ্বারা এর পুরো দেহ আবৃত।তো,এই চরিত্রটির আমদানি ঘটেছে জরুথ্রুস্টবাদ ধর্ম থেকে।তাদের ধর্মগ্রন্হ আবেস্তার অন্যতম প্রধান বিষয়বস্তু অ্যাংগ্রা মাইনয়ু যার আসল নাম আহিরমান(পার্সি ভাষায় অ্যাংগ্রা মাইনয়ু বলা হয়)।আমি এই লেখায় আহিরমান শব্দটিই ব্যবহার করবো।
¤
অ্যাংগ্রা মাইনয়ু শব্দটির আক্ষরিক অর্থ ধ্বংসাত্মক আত্মা।জরুথ্রুস্টের মতে নামটি এখনো পরিপূর্ণতা লাভ করে নি।এখানে এমন এক মনকে চিহ্নিত করা হয়েছে যার মন কলুষতায় পরিপূর্ণ এবং ধ্বংসই যার টিকে থাকার একমাত্র উদ্দেশ্য।
¤
আবেস্তার প্রথম অংশে আহিরমানকে ডেভাদের (daeva) প্রধান হিসেবে অভিহিত করা হয়।জরুথ্রুস্টের মতে ডেভারা হল fallen angel দের মত,পুরোপরি ডিমন না।ডেভারা অন্ধকার জগতে বাস করে এবং আহিরমান তাদের সর্বময় কর্তা।আহিরমান যাবতীয় নেগেটিভ ইমোশন যেমনঃদুঃখ,কষ্ট,বেদনা,ঘৃণা,হিংসা ইত্যাদির প্রতিনিধিত্ব করে।ধারণা করা হয় যে,আহিরমানই ডেভাদের ভেতরে অন্ধকারের প্রবেশ ঘটিয়েছে,যদিও সে ডেভাদের স্রষ্টা নয়।
¤
জরুথ্রুস্টবাদে আহিরমানের উৎপত্তি নিয়ে সেইরকম কোন তথ্য নেই।যেন,সৃষ্টির প্রথম থেকেই আহিরমান ছিল।আর আহিরমানের বিপরীত সত্ত্বা হল ওহরমাজদা।ওহরমাজদা হল আলোর প্রতীক এবং সে ইয়াজদাদের (creature of light) নিয়ন্ত্রন করে।তবে ইয়াসনার ৩০.৩ স্লোক অনুযায়ি দুইজন পবিত্র যমজের উৎপত্তির কথা বলা হয়েছে যাদের একজনের নাম অ্যাংগ্রা মাইনয়ু এবং অপরজনের নাম স্পেনটা মাইনয়ু।এই স্লোকটি চিরকালীন ওহরমাজদা-আহিরমান বিশ্বাসে চিড় ধরায়।তবে আহিরমানের উৎপত্তির বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে জুরভানিজম ধর্মে।
¤
জুরভানিজম (zurvanism) হল জরুথ্রুস্টবাদের একটি শাখা ধর্ম যা ব্যাপকভাবে প্রচলিত হয়।পরে অবশ্য শাসকদের রক্তচক্ষুর প্রভাবে এই ধর্ম বিলুপ্ত হয়ে যায়।তবুও আধুনিক জরুথ্রুস্টবাদে এখনও জুরভানিজমের প্রভাব দেখা যায়।
জুরভানিজম অনুসারে,বিশ্বজগতে প্রথম উপাদান ছিল জুরওয়ান(time) নামের একজন উভলিঙ্গ দেবতা।জুরওয়ান বংশবৃদ্ধিতে আগ্রহী ছিল এবং চাইতো যে তার পক্ষ থেকে কেউ যেন স্বর্গ আর নরক তৈরি করে।সন্তান লাভের জন্য জুরওয়ান ১০০০ বছর ধরে সাধনা করে।এই দীর্ঘ সাধনার ফল না পাওয়ায় জুরওয়ানের মনে সামান্য সন্দেহ দেখা দেয় এবং তৎক্ষনাৎই সে যমজ সন্তানের অধিকারী হয়।এই সন্তানদ্বয় ছিল ওহরমাজদা এবং আহরিমান।বলা হয় যে,সেই সাধনার ফসল ছিল ওহরমাজদা এবং সেই সূক্ষ সন্দেহের ফসল ছিল আহরিমান।
জুরওয়ান সিদ্ধান্ত নেন,যে সন্তান আগে গর্ভ ভেদ করবে তাকেই তিনি সার্বভৌম ক্ষমতা দান করবেন।ওহরমাজদা এই কথা বুঝতে পারে এবং তার ভাই আহিরমানকে এই ব্যাপারে অবহিত করে।আহিরমান এই কথা শুনে জুরওয়ানের উদর বিদীর্ন করে বাইরে বের হয়ে আসে।জুরওয়ান তার কথা মতো,আহিরমানকে সার্বভৌম ক্ষমতা দান করেন তবে তা ৯০০০ বছরের জন্য।তিনি বলে দেন যে,৯০০০ বছর পরে ওহরমাজদাই এই মহাবিশ্ব শাসন করবে।
আহিরমান আর ওহরমাজদা পরষ্পরের সাথে বেশ কয়েকবার যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়।অবশ্য সব ধর্মগ্রন্থের শেষেই বলা হয়েছে শেষমেষ আহিরমানই পরাজিত হবে এবং নরকে পতিত হবে।যেহেতু,নরক তার নিজেরই সৃষ্টি।
আহিরমান এবং ওহরমাজদা উভয়েই একে অপরকে চ্যালন্জের মাধ্যমে পৃথিবীকে বৈচিত্র্যময় বানিয়েছে।যেমনঃওহরমাজদার ষোলটি শুভ শক্তির বিপক্ষে আহিরমান ষোলটি অশুভ শক্তির ব্যবহার করেন।এই অশুভ শক্তি গুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল মহামারি,দুর্ভিক্ষ,শীত ইত্যাদি।মানুষ নিয়মিতই তাদের যুদ্ধের কেন্দ্রে থাকত এবং তাদের কাজ হতো চারিদিকের এই অন্ধকারের মধ্যে অন্তরের সততা বজায় রাখা।কলুষতার ছোঁয়া পেলেই ডেভারা মানুষের আত্মাকে অপবিত্র করে ফেলতে পারতো।
¤
আধুনিক যুগে অবশ্য আহিরমানের উৎপত্তি নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করা হয়।১৮৬২ সালে মার্টিন হগ নামক একজন ব্যক্তি আহিরমানের উৎপত্তির নতুন ব্যাখা দেন।তাঁর মতে,আহিরমান,ওহরামাজদার সমসাময়িক কেউ নয়।বরং ওহরামাজদারই নিজস্ব দুই সৃষ্টি হল অ্যাংগ্রা মাইনয়ু এবং স্পেনটা মাইনয়ু,যারা যথাক্রমে ওহরামাজদার ‘সৃষ্টি’ এবং ‘ধ্বংস’ বৈশিষ্ট্যের প্রতিনিধিত্ব করে।এইখানে স্পেনটা মাইনয়ু নামক নতুন এক সৃষ্টির অস্তিত্ব ঘোষণা করা হয়।হগের মতে এটাই জরুথ্রুস্টবাদের মূলনীতি এবং কালেক্রমে এটাই বিকৃত হয়ে প্রচলিত রূপ নিয়েছে।
হগের এই তত্ত্ব ইয়াসনার ৩০.৩ স্লোকের যমজ সন্তান তত্ত্বকে মারাত্মক ভাবে সমর্থন করে।সমকালীন পন্ডিতেরাও হগের তত্ত্বে সমর্থন দেন এবং তাদের মতে হগের তত্ত্ব জরুথ্রুস্টবাদকে আধুনিক যুগের সাথে মানানসই করেছে।
মজার ব্যাপার হল,রুডলফ স্টাইনার নামক প্রখ্যাত একজন দার্শনিকের মতে আহিরমানের পূর্নজন্ম হবে।তাঁর মতে ৩০০০ খ্রিষ্টাব্দের পর আহিরমানের আবির্ভাব ঘটতে পারে।বর্তমান পৃথিবীতে বিদ্যমান অস্হিতিশীলতাই হবে তার আবির্ভাবের কারণ।তিনি আহিরমানকে মাত্র দুইজনের একটি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন যারা কিনা যীশুর মৃত্যুর পর যীশুর ফোকাস নিজেদের দিকে টেনে নিতে সক্ষম হয়েছে।
¤
রেফারেন্সঃ সাহিত্য,সংষ্কৃতি এবং মিডিয়ার বিভিন্ন ক্ষেত্রে আহিরমানকে প্রচুরভাবে উপস্হাপন করা হয়েছে।তবে একটি উদাহরন না দিলেই নয়।বাংলাদেশের সুলেখক তানজীম রহমানের থ্রিলার-হরর উপন্যাস ‘আর্কনে’ অ্যাংগ্রা মাইনয়ুর(আহিরমান) কথা উল্লেখ আছে।আর্কন উপন্যাসের একটি প্রধান খল চরিত্র হল আর্কনেরা।জানলে খুশি হবেন যে এই আর্কনেরা হল ডেভাদের অনুরূপ।তাদের শাসনকর্তাও হল আহিরমান।লেখক আর্কন উপন্যাসে মানিকেয়িজম নামক এক ধর্মের আশ্রয় নিয়েছেন যা জরুথ্রুস্টবাদের অনুরূপ ধর্ম।এমনকি বইয়ের কয়েক জায়গায় আহিরমান লেখাও আছে।বইটির পাঠকেরা নিশ্চয়ই ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছেন।যারা ফেইট সিরিজের ভক্ত তারা অবশ্যই আর্কন বইটা পড়ে দেখতে পারেন।
¤
স্পয়লার অ্যালার্ট
Fate/hollow ataraxia অনুযায়ি (আমি hollow ataraxia খেলি নাই।অনিন্দ্য ভাইয়ের পোস্ট এবং পরে উইকিতে কাহিনী জানতে পারি।)অ্যাংগ্রা মাইনয়ুকে অ্যাভেন্জার ক্লাস হিসেবে থার্ড হোলি গ্রেইল ওয়ারে সামন করার চেষ্টা করা হয়।কিন্তু যে সামন হয় সে নাকি একজন সাধারন বালক ছিল যার জন্ম নাকি মধ্যপ্রাচ্যে।এক্ষেত্রে টাইপ মুনের প্রশংসাই করতে হয় কারণ জরুথ্রুস্টবাদের উৎপত্তি ঘটেছিল ইরাকে।মধ্যপ্রাচ্যের চেয়ে উপুযুক্ত কোন জায়গায় অ্যাভেন্জারের জন্ম নেওয়া সম্ভব ছিল না।
¤
source:all hail wikipedia 😛

Angra Mainyu

Fate/stay night – by স্বাধীনতার বার্তা

 

এই এনিমেটা আমার তেমন একটা পছন্দ না।
কারন অনেকঃ

১এটা একটা ভিজুয়াল নভেল এর এডাপ্টেশন। এই জানরা এর প্রতি আমার একটা তিক্ততা আছে (একটু পড়ে বলছি)। X(( X((

২সেবার এর আর্থলি লাইফ ছিল কিং আর্থার এর। বাট সেবার মেয়ে। প্রচলিত কিং আর্থার ছেলে। X(

৩কোন মারামারি ই তেমন একটা জমে নাই। :(

৪ এনিমেতে সবগুলা মেয়ে এমিয়া এর জন্য পাগল থাকে। ভিজুয়াল নভেল গুলোতে এটা একটা কমন ব্যাপার। এবং এই জিনিস্টাই আমার বিরক্তি লাগে। ভিজুয়াল নভেলের আরেকটা বিরক্তিকত ব্যাপার হল, অনেকগুলোতেই নায়কের বাসায় এসে সবগুলা নায়িকা থাকা শুরু করে/নায়ক সবগুলো মেয়ের সাথেই বলতে গেলে ডেটিং এ যায়। ভিজুয়াল নভের এর আরো একটা বিরক্তিকর দিক হল, নায়িকাগুলো নায়কের জন্য পুরাই “হিন্দী নাটকের” নায়িকার মত আচরন করে, ঘুম থেকে উঠার আগেই নায়ক সব খাবার দাবার রেডি, নায়ক স্কুল এ যায় কিনা এইটা নিয়ে তাদের চিন্তার অন্ত নাই, নায়ক একটু ব্যাথা পাইলে তাদের দিল ভেঙ্গে আনচান হয়ে যায় ইত্যাদি ইত্যাদি। এবং এগুলার সবগুলো ক্যার‍্যাক্টারিস্টিক এই এনিমেটাতে আছে। X(( X(( X(( X(( X((

এগুলা কোন একটা এনিমেতে থাকলে যে খারাপ তা না। কিন্তু যখনই দেখি যে একটা এনিমে একটা ভিজুয়াল নভেল এর এডাপ্টেশন তখন এর কাহিনী মোটামুটি বলে দেয়া যায় ক্যার‍্যাক্টার আর সিনোপসিস পড়েই। শুধুমাত্র একটা নির্দিষ্ট ভিউয়ার দের দিকে টার্গেট রেখেই এগুলা বানানো হয়।

এবং পিতামাতার/এল্ডারদের অনুপস্থিতি এই এনিমেগুলাতে খুব ভালোভাবে দেখা যায়, পুরাই হটি নটি টিন এজারদের মেলা (নট দ্যাট ইট ইজ ভেরি ইম্পর্ট্যান্ট।) পিতামাতা থাকলে এরাও ইউজউয়ালি লুল প্রকৃতির হয়।

আরো একটা বিষয় হল নায়ক-একাধিক নায়িকা ছাড়া অন্যদের উপস্থিতি খুবই এবং খুবই কম সময়ের জন্য হয়ে থাকে। যেন ওয়ার্ল্ড এ এরা ছাড়া আর কেউ নাই।

অবশ্য এসব দিক থেকে ফেট/স্টে নাইট অনেক বেটার।

আমি ফেট/স্টে নাইট মূলত দেখেছি এটার প্রিকুয়াল ফেট/জিরো দেখার জন্য, যেটা অনেক হাই রেটিং প্রাপ্ত। কিন্তু স্টে নাইট দেখার পর জিরো আর দেখা হয় নাই।

Fate/stay night – সব ছাপিয়ে একটি অসাধারণ রোমান্টিক এনিম — লেখক মো আসিফুল হক

পর্বঃ ২৪
জেনারঃ: একশন, ফেন্টাসি, ম্যাজিক, রোমান্স, শোনেন
ডিরেক্টরঃ ইউজি ইয়ামাগুচি

কমেডি, একশন, রোমান্স, ম্যাজিক – সব কিছুর মিশেলে মুটামুটি পরিপূর্ণ একটা এনিম। শুরুটা অনেক প্রমিজিং হওয়ায় ভেবেছিলাম বেশ খানিক্টা টেনে নিয়ে যাবে এনিমটা; কিন্তু হতাশ করে মাত্র ২৪ পর্বেই থেমে গেল। তবে অনেকের কাছে লম্বা সিরিজ বিরক্ত লাগে, তাদের জন্য এই এনিমটি আদর্শ।

গল্পের প্লটটা এইরকমঃ হোলি গ্রেইল একটা পাওয়ারফুল ম্যাজিক। এইটা যে কোন ইচ্ছা পূরণ করতে পারে। এই হোলি গ্রেইল হাত করার জন্য ৭ জন ম্যাজিশিয়ান তাদের সারভেন্টকে সাথে নিয়ে যুদ্ধ করে; জয়ী মাস্টারের কাছে হোলি গ্রেইল ধরা দেবে – এইটাই হইল যুদ্ধের নিয়ম। এই যুদ্ধ কিন্তু আবার ওই এরিনার মধ্যে ঢাকঢোল পিটিয়ে যুদ্ধ না, মাস্টাররা সবাই যার যার নর্মাল লাইফ লিড করে; একজন সুযোগ পেলে আরেকজনকে এটাক করে পরাজিত করে।

এমিয়া শিরোউ এই এনিমের প্রধান চরিত্র; এতিম হয়ে যাওয়ার পর এমিয়া কিরিতসুগু তাকে বড় করে তোলে; তার নামেই এমিয়ার শেষনাম। কিরিতসুগু নিজে অনেক বড় ম্যাজিশিয়ান হলেও এমিয়া সেই ক্ষেত্রে অনেকাংশেই ব্যারথ। হোলি গ্রেইলের ফাইটে অংশ নেওয়া কিংবা তার সারভেন্ট সেবারকে সামন করা – প্রায় সব কিছুই সে নিজের অজান্তেই করে ফেলে। গল্পের শেষদিকে অবশ্যম্ভাবী ভাবে এমিয়া কিছু পাওয়ার গেইন করে – তবে সেটাতেও অনেক ঘাটতি থাকে। ৭ জন মাস্টার নিজ নিজ সারভেন্টকে নিয়ে একে অপরের সাথে ফাইট করে এবং ধীরে ধীরে কাহিনী এগিয়ে যায়। গল্পের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের মধ্যে ইলিয়া এবং রিন অসাধারণ। বিশেষ করে রিনের ক্যারেকটারটা বেশি জোস। :) :)

এবার দেখা যাক, এই এনিমটা কেন দেখবেন? অন্য এনিম থেইকা এইটার বিশেষত্ব কি? অন্যান্য এনিম থেকে আলাদা একটা লিড রোল এবং খুবই ডিসেন্ট একটা রোমান্স বেইসড স্টোরি এবং সংলাপ। আমি এম্নিতে রোমান্টিক এনিম দেখি না; এইটা আমার দেখা অল্প কএক্টার একটা। শেষ দিকে এসে বেশ ভাল একটা টুইস্ট আছে, দেখে ভালই লাগল। এছাড়া এমিয়া আর ৮-১০ টা মেইন কেরেক্টারের মত কুল টাইপ না, পাওয়ারও খুব বেশি নাই; শেষ দিকে যাইয়াও সেইটার খুব একটা পরিবর্তন হয় না; ফাইটগুলা করে মেইনলি তার সারভেন্ট – সেবার। এই জিনিসটা অনেকের ভাল নাও লাগতে পারে; তবে its not that bad for a change. :):):):)

সাউন্ডট্র্যাক গুলা সত্যিই অসাধারণ; কিছু কিছু জায়গায় আমার আবার টেনে পিছিয়ে গিয়ে দেখতে হয়েছে, গান শোনায় এইরকম হারিয়ে গিয়েছিলাম। এছাড়া ফাইটগুলা বেশ ডিসেন্ট; যদিও অন্যান্য বড় বড় নামের ফাইট এনিমগুলার সাথে তুলনীয় নয়।

তো আর দেরি কেন? এখনই জোগাড় করে দেখতে বসে যান এই অসাধারণ এনিমটি। আর এনিম নিয়ে আড্ডা দিতে চাইলে; কিছু জানতে এবং জানাতে চাইলে চলে আসুন এই গ্রুপে

হ্যাপি এনিমিং !!! :) :)