Yuri!!! on Ice: ফিগার স্কেটিংয়ের ওয়ান-টু-থ্রী! — Mithila Mehjabin

Yuri on Ice দেখার আগে দুনিয়াতে ফিগার স্কেটিং বলে কিছু আছে, তাই জানতাম না! :’) ফিগার স্কেটিং বলতে আইস স্কেটিং বুঝতাম, যার মানে তলা পিছলা জুতা পড়ে বরফের ওপর স্লিপ কাটা! :| এবং সেটা যে একটা অফিশিয়াল স্পোর্টস্, সেটাও জানতাম না! ইয়ুরি নিয়ে বিন্দুমাত্র এক্সপেক্টেশন ছিল না, কিন্তু এই জিনিস যে এরকম যাদু করে ছাড়বে, তা কে জানত? >\\\<
ফিগার স্কেটিং বলি বা আইস স্কেটিং বলি, এর ইতিহাস অনেক পূরোনো, এ নিয়ে বেশী কিছু বলার ইচ্ছে নেই আমার। আন্তর্জাতিক ভাবে ফিগার স্কেটিং প্রতিযোগিতা শুরু হয় ১৮৯৬ সাল থেকে, এবং সেটা অলিম্পিকের অংশ হয় ১৯০৮ সাল থেকে। সেই থেকে হাজারো উথান-পতন ও পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে চলে এসেছে ফিগার স্কেটিং, কিন্তু এর সৌন্দর্যতা এখনও মলিন হয়ে যায়নি! :’)
এবং ফিগার স্কেটিংয়ের এই জটিল সৌন্দর্যতাকে এনিমেশনের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলার সাহস দেখিয়েছে মাপ্পা, এবং ভালোই মুন্সিয়ানা দেখাচ্ছে এখন পর্যন্ত! :D আমরা দর্শকরাও ভালোই এঞ্জয় করছি! কিন্তু এনিমেটা যেখানে স্পোর্টস্, বারবার সানকাইতেন (আক্ষরিক অর্থ: তিনবার ঘোরা) টো লুপ, বা ইয়োনকাইতেন (চারবার ঘোরা) সালকো বলছে কমেন্টর, আমরা আদৌ কি কোনো পার্থক্য বুঝতে পারছি দুটার মধ্যে? :3 স্কেটার বাতাস উড়াল দিয়ে দুইবার কি তিনবার কি চারবার ঘোরে…এটুকুই বুঝতে পারছি আমরা! XD এবং ইউরি জাম্প মিস করে আছাড় খেলে “এই গেলো গেলো!” বলে মাথায় হাত দিয়ে বসার পর যখন দেখি ভালো মার্কস পেয়ে প্রথম হচ্ছে, তখন নিজেকে বেকুব ছাড়া আর কিছু মনে হচ্ছেনা! :v
কিন্তু ফিগার স্কেটিং শুধু জাম্পস না, অনেক জটিল এলিমেন্টস এর সমন্বয়, এবং এটা শুধু স্পোর্টস্ই না, তার সাথে আর্ট এবং এক্টিংয়ের একটি সুন্দর সমাহার! :’) আমরা ভিউয়ার্সরা না বুঝেই জাজ করতে যাই এটাকে স্পোর্টস ভেবে, এবং পার্ফর্মাররাও সবসময় নিজেদেরকে চ্যালেঞ্জ করতে চায়, কিন্তু পাশাপাশি তার পার্ফর্মেন্স আনন্দদায়কও হতে হবে! সেই সেন্সে বর্তমানে ফিগার স্কেটিঙটা একটা আর্টিস্টিক স্পোর্টস্ অবস্থায় বিরাজ করছে, যেখানে শুধু তার টেকনিকাল ক্যাপাবিলিটি না, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, এক্সপ্রেশন, দর্শককে বিনোদিত এবং চমকিত করার ক্ষমতা, সবই নাম্বার বহন করছে, এবং এ সবকিছু হিসেব করেই নাম্বারিং করা হয় একজন স্কেটারকে, এবং এখানেই ফিগার স্কেটিংয়ের সৌন্দর্যতা এবং সাফল্য! :)
তাই এই সোন্দর্যতাকে উপলব্ধির স্বার্থে, এবং এনিমেটাকে পুরোপুরি এনজয়ের স্বার্থে, চলুন জেনে আসি কিছু ব্যাপার! 3:) ^_^
ফিগার স্কেটিং, যেখানে আইস রিংকে প্রবেশ করার পর থেকে স্কেটারের সবকিছুই জাজ করা হয়। শুধু জাম্পস বা এলিমেন্টস না, জাজ করা হয় তার কস্টিউম, কোরিওগ্রাফি, ট্রানজিশন, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, ফুটওয়ার্ক, এক্সপ্রেশন, প্রেজেন্টেশন এবং এলিমেন্টস। সবকিছুর একটা সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করছি! :) বর্ণনায় সঙ্গতি রক্ষার স্বার্থে শব্দ বা টার্মসগুলোকে ইংরেজীতেই ব্যাবহার করা হয়েছে, বোঝার সুবিধার্থে যথাসম্ভব অর্থটা মাথায় রাখার জন্য নিম্নের বিশ্লেষন:
এলিমেন্টস- উপাদান।
কম্পোনেন্ট- কাঠামো উপাদান।
কোরিওগ্রাফি- নৃত্যবিন্যাস বা নাচের পরিকল্পনা।
ফুটওয়ার্ক- পায়ের ব্যাবহার
ট্রানজিশন- রূপান্তর (অঙ্গভঙ্গির এক অবস্থা থেকে আরেক অবস্থায় পরিবর্তন।
রোটেশন/রেভোলুশন- ঘূর্ণন বা ঘোরা।
টো পিক- পায়ের পাতার আঙ্গুল বা অগ্রভাগ।
এড্জ- কিনারা।
টেকঅফ- মাটি ত্যাগ করা।
ল্যন্ডিং- মাটিতে নামা।
হাইট কাভারেজ- অতিক্রান্ত উচ্চতা বা যতটুকু উচ্চতায় জাম্প করা যায়।
ডিসট্যান্স কাভারেজ- অতিক্রান্ত দূরত্ব, বা জাম্পের সময় যতটুকু দূরত্ব পার করা হয়।
মেন্স সিঙ্গেল- ছেলেদের একক পার্ফরমেন্স।
ইউরি অন আইস যেহেতু মেন্স সিঙ্গেল নিয়ে, তাই এখানে যা কিছু বলা হয়েছে সবকিছু ছেলেদের প্রতিযোগিতার নিয়ম মাথায় রেখেই। লেডিজ সিঙ্গেল, পেয়ার স্কেটিং, আইস ডান্স এবং সিনক্রোনাইজ স্কেটিংয়ের নিয়মে খানিকটা ভিন্নতা আছে।
কম্পিটেটিভ ফিগার স্কেটিং দুটো সেগমেন্টের সমন্বয়, যে দুটির একটি হলো শর্ট প্রোগ্রাম, অপরটি লং প্রোগ্রাম বা ফ্রি স্কেট। শর্ট প্রোগ্রামের সময়সীমা আড়াই মিনিট এবং লং প্রোগ্রামের সাড়ে চার মিনিট। এই দুটি সেগমেন্টের মার্কের সমন্বয়ে স্কেটারের টোটাল মার্ক নির্ধারিত হয়।
এলিমেন্টস:
ফিগার স্কেটিংয়ে প্রধান এলিমেন্ট বলতে যেটা বোঝায়, সেটা হলো জাম্পস।
একেকটা জাম্পকে আমরা বেসিকালি তিনটা জিনিসের সমন্বয় ভাবতে পারি, যেগুলো হলো: টেকঅফ, রোটেশন এবং ল্যান্ডিং। এখন জাম্পগুলোর পার্থক্য কোথায়? সহজ উত্তর হচ্ছে এক্সেকিউশন সিস্টেমে।
দুধরণের এক্সেকিউশন সিস্টেমের একটি হলো টো জাম্প, যেখানে জুতোর সামনের অংশে দিয়ে বরফে খোঁচা মেরে গতিতে ব্রেক সৃষ্টির মাধ্যমে জাম্প করা হয়। আরেকটি হলো এড্জ জাম্প, যেখানে হাটু ভেঙে প্রেসারের বিপরীতে লাফ দেয়া হয়, অনেকটা স্প্রিং এর মত। ফিগার স্কেটিং বিশ্বে এই দুধরণের এক্সেকিউশন সিস্টেমের আন্ডারে মূলত ছয়রকমের জাম্প সবচেয়ে বেশী পরিচিত। তিনটা টো জাম্প হলো: টো-লুপ, ফ্লিপ এবং লুটয্। তিনটি এড্জ জাম্প হলো: সালকো, লুপ এবং এক্সেল। এখন কথা হলো, একই নিয়মে করা প্রতিটা জাম্পকে আলাদা করা হয় কিভাবে? যেমন: ফ্লিপ, টো-লুপ, লুটয্, তিনটাই টো জাম্প, তাহলে ডিফারেন্স টা কোথায়? উত্তর টা হচ্ছে, এড্জ, বা ব্লেডের কিনারার ব্যাবহারে, ল্যান্ডিং এবং টেকঅফে যেটার ভূমিকা বিশাল!
জাম্প বোঝার আগে আমরা স্কেটিংয়ের জন্য ব্যাবহৃত জুতোগুলোর দিকে মনোযোগ দিই। স্কেটিংয়ের জুতাগুলোর নিচে ব্লেড লাগানো থাকে, এটা এখন আমরা সবাই জানি। এই ব্লেড গুলোর কারণেই বরফের ওপর যেকোনোদিকে ভর দিয়ে গ্লাইড করা যায়। ব্লেডের সামনের দিকটায় দাতের মত খাজ কাটা থাকে গতিতে ব্রেক আনার জন্য বা বরফে খোঁচা মেরে টো জাম্পের জন্য। পাশাপাশি দুই পায়ের নিচে দুই জুতার দুটো ব্লেডের মধ্যবর্তী ফাঁকা অংশের দিকে যে কিনারা তাকে বলে ইনসাইড এড্জ বা ভেতরের কিনারা। দুই জুতোর ভিতরের কিনারা দুটি পরপস্পরের দিকে মুখ করে থাকে। আর ব্লেডের বাইরের অংশের দিকের কিনারা, যেক্ষেত্রে দুই জুতোর দুই কিনারা বিপরীতমুখী, তাকে বলে আউটসাইড এড্জ বা বাইরের কিনারা। স্কেটার যেকোনো দিকে ভর দিয়ে বা কাঁত হয়ে এড্জ পরিবর্তন করতে পারে। টেকঅফে বিভিন্ন জাম্পের জন্য বিভিন্ন সাইডের এড্জ ব্যাবহৃত হলেও ল্যান্ডিংয়ে সাধারণত আউটসাইড ব্যাক এড্জ ব্যাবহার করা হয়, অর্থাৎ স্কেটার পায়ের পেছনের অংশে ভর দিয়ে ব্লেডের বাইরের কিনারার দিকে কাঁত হয়ে ল্যান্ডিং করে। শুধু এক্সেল জাম্পে টেকঅফের সময় ফরোয়ার্ড বা সামনের দিকের এড্জ ব্যাবহার করা হয়, যার কারণে এক্সেল জাম্পে একটি এক্সট্রা হাফ রেভোলুশন পাওয়া যায়, এবং এজন্য সবগুলো জাম্পের মধ্যে এক্সেল যথেষ্ট কঠিনও বটে। অবশ্য কার কাছে কোনটা কঠিন, সেটা একেকজনের জন্য একেকরকম, যেমন ইউরি এক্সেল ভালোই করতে পারে, খালি সালকো’র বেলায়ই আছাড় খায়! :'( আবার ইউরিওর কাছে সালকো হোক বা এক্সেল হোক, সবই ডালভাত! টেকঅফ ও ল্যান্ডিংযের সময় এই এড্জ এর ব্যাবহারের দিকে লক্ষ রেখেই জাম্পগুলোর পার্থক্য এবং স্কোরিং করা হয়, এবং যেখানে যে এড্জ ব্যাবহার করার কথা, তা না করে অন্য কোনো এড্জ ব্যাবহার করলে এড্জ ভায়োলেশনের জন্য পয়েন্ট ডিডাকশন হতে পারে।
জাম্পের সময় বাতাসে যে কয়বার ঘোরা হয়, তা সেই জাম্পের নামের সাথে যোগ করা হয়, দুবার ঘুরলে ডাবল্, তিনবার ঘিরলে ট্রিপল্ এবং চারবার ঘুরলে তাকে কুয়াড্রুপল বা কোয়াড বলা হয়। মেন্স সিঙ্গেলে স্কেটাররা সাধারণত ট্রিপল্ এবং কুয়াড্রুপল্ জাম্পের প্রচেষ্টা চালিয়ে থাকে, কারণ রেভোলুশন বেশীর জন্য পয়েন্টও বেশী।
পরপর কয়েকটা জাম্প করা হলে তাকে বলে কম্বিনেশন জাম্প। এড্জ এর জাম্পগুলো সাধারণত পারফর্ম করা মুশকিল, তাই কারও প্ল্যানিংয়ে কম্বিনেশন জাম্প থাকলে সে সাধারণত একটি এড্জ জাম্পের পর একটি টো জাম্প পারফর্ম করে, যেমন: প্রথমে সালকো করা হলে ঠিক পরেরটা হতে পারে টো-লুপ।
তারপর আসি স্পিন এর কথায়! :D
স্পিন হচ্ছে যখন স্কেটার পায়ের ওপর ভর দিয়ে বরফের ওপর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুকে কেন্দ্র করে ঘোরে। সেটা দুপায়ে অথবা একপায়ে হতে পারে, পায়ের মাঝখান এবং আঙ্গুলের মধ্যবর্তী অংশে ভর দিয়ে ঘোরা হয়। বাঁ পায়ে ভর দিয়ে বাম থেকে ডানে ঘোরাকে বলে ফরোয়ার্ড অথবা ফ্রন্ট স্পিন, আর ডান পায়ে ভর দিয়ে ডান থেকে বামে ঘুরলে সেটা হলো ব্যাক স্পিন। স্পিন শুরুর আগে ছোট্ট একটা জাম্প দিয়ে নিলে সেটাকে বলা হয় ফ্লাইং স্পিন। এই তিন ধরণের সিস্টেমের আন্ডারে শরীরের বিভিন্ন অংশের ব্যাবহার, রোটেশন, এড্জ, দাড়ানো বা বসার ভিত্তিতে একেক ধরণের স্পিনকে কম করে হলেও দশ ভাগে ভাগ করা যায়!
অনেকটা কম্বিনেশনের জাম্পের মতই, একই স্পিন এ বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গির পরিবর্তন, এড্জ বা রোটেশনের পরিবর্তন…অর্থাৎ একই এটেম্পটে পরপর বিভিন্ন ধরণের স্পিন পারফর্ম করাকে বলা হয় কম্বিনেশন স্পিন। কম্বিনেশন স্পিন এবং জাম্প, দুটোই ভারী মার্ক আনতে সক্ষম।
স্পিন এবং জাম্প ছাড়াও স্টেপ সিকুয়েন্স এবং কম্পালসরি ফিগারও ফিগার স্কেটিংয়ের দুইটি আবশ্যক এলিমেন্ট। স্পিন এর মতই, বিভিন্ন ধরণের স্টেপ সিকুযেন্স এবং কম্পালসরি ফিগার আছে। যেমন: পাঁচ নম্বর এপিসোডে ইউরির স্কেটিংয়ের সময় আমরা ভিক্টরকে ইনা বাউয়ার (Ina Bauer), এবং স্প্রেড ঈগল (Spread Eagle) এর কথা বলতে শুনি। স্প্রেড ঈগল হলো কিছুটা দুই পায়ের পাতা দুদিকে ছড়িয়ে দেয়ার ভঙ্গি, যেখান দুপায়ের গোড়ালী একে অপরের দিকে মুখ করে থাকে, এবং দুপায়ের সম্মুখভাগ তথা আঙ্গুল থাকে পরস্পরের থেকে সবচেয়ে দূরে। স্কেটার যেকোন সাইডের এডজ ব্যাবহার করে স্প্রেড ঈগল পারফর্ম করতে পারে। ইনা বাউয়ার ঠিক স্প্রেড ঈগল এর মতই, শুধু এটার বেলায় হাটু ভেঙে করা হয়। ভালো করে বোঝার জন্য পঞ্চম এপিসোডে ইউরির করা স্প্রেড ঈগল আর ইনা বাউয়ার দেখলেই পার্থক্য টা পরিষ্কার বোঝা যায়।
স্পাইরাল হচ্ছে যখন এক পায়ের ওপর ভর দিযে পুরো শরীর কে বিভিন্নভাবে বাঁকিয়ে ফেলা পজিশন, সাধারণত কোমর থেকে মাথা পর্যন্ত সামনের দিকে বাকিয়ে দুহাত ও এক পা ছড়িয়ে দিয়ে পাখির ওড়ার মত করে পজিশন নিয়ে এক পা দিয়ে স্কেট করা হয়। এটাতেও, যেকোন এড্জ ব্যাবহার করতে পারে স্কেটার। ইউরি অন আইস এর পারফর্মেন্সে ইউরিকে আমরা স্পাইরাল করতে দেখেছি।
এ তিনটা ছাড়াও আরও বিভিন্ন রকমের অনেক স্টেপ সিকুয়েন্স এবং কম্পালসরি ফিগার রয়েছে।
কস্টিউম, সং এবং থিম:
ফিগার স্কেটিংকে একটা আর্টিস্টিক স্পোর্টস হিসেবে ধরা হয়, এখানে স্কেটারের টেকনিকাল এ্যাসপেক্টক গুলো যতটা মূল্য বহন করে, তারচেয়ে বেশী মূল্য বহন করে দর্শককে চমকিত বা বিনোদিত করতে পারার ক্ষমতা! তাই কস্টিউম, সং চয়েস এবং থিম একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ বৈ কি!
কম্পিটিশন ফিগার স্কেটিংয়ের কস্টিউম সাধারণত চাকচিক্যময় ও দৃষ্টিনন্দন হয়। পোশাকের ডিজাইন স্কেটার নিজেও করতে পারে অথবা প্রফেশনাল ফ্যাশন ডিজাইনারকে দিয়েও করাতে পারে। স্কেটিংয়ের জন্য ডিজাইনকৃত কস্টিউম অনেক এক্মপেন্সিভ হয় এর উপর ক্রিস্টালের ব্যাবহারের কারণে। এসব ক্রিস্টাল হাতে বসাতে হয়, যাতে প্রচুর সময় লাগে।
মেন্স ফিগার স্কেটিংয়ে কস্টিউম রুল একটাই, সেটা হলো ট্রাউজার থাকতে হবে, কোনোপ্রকার টাইট্স বা অন্য কিছু পড়া যাবে না। তারমানে এই না যে শুধু ট্রাউজারই পড়বে, গায়ে কিছু থাকতে হবে বৈ কি! এরেঞ্জাররা সবসময়ই চায় স্কেটারের পোশাক দৃষ্টিনন্দন, কিন্তু পরিশীলীত হোক। সুন্দর পোশাকে সুন্দর প্রেজেন্টেশনে সহায়ক, কস্টিউম রুল ব্রেক করলে পয়েন্ট ডিডাকশন হতে পারে।
ফিগার স্কেটিং সং চয়েসে সাধারণত কোনো বাধ্যবাধকতা নেই, কিন্তু স্কেটারকে সং এর টেম্পোর সাথে তাল মিলিয়ে প্রেজেন্টেশন করার ক্ষমতা থাকতে হবে। আগে কম্পিটিটিভ স্কেটিংয়ের সং এ লিরিক্স এলাউড ছিল না, সম্প্রতি লিরিক্স এলাউ করেছে ISU।
থিম বা টেম্পো হল স্কেটারের আর্টিস্টিক ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন ও বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, যার মাধ্যমে সে কোনো না কোনো ধরণের ইমোশন ডেলিভার করতে চায়। সং এর ফিলিং এবং বিট এর সাথে মিল রেখে থিম ঠিক করা হয়, অথবা যেধরণের থিম এ পারফরমেন্স করতে চায় স্কেটার, সেধরণের থিম অনুযায়ী সং সেলেকশন হয়ে থাকে। ভালো প্রেজেন্টেশন এবং দর্শককে বিনোদিত করার জন্য একটা সুন্দর থিমের তুলনা নেই!
এবার আসি ফিগার স্কেটিঙয়ের গভর্নিং বডি, কম্পিটিশন লেভেল এবং স্কোরিং ও জাজমেন্ট সিস্টেমে।
ফিগার স্কেটিং কম্পিটিশন লেভেলকে আমরা প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করতে পারি, ন্যাশনাল এবং ইন্টারন্যাশনাল লেভেল, সেটা জুনিয়র বা সিনিয়র যাই হোক না কেন। যেকোনো দেশের অভ্যন্তরীন ফিগার স্কেটিং কম্পিটিশন হলো ন্যাশনাল কম্পিটিশন, যেমন: পঞ্চম এপিসোডে ইউরি যে কম্পিটিশনে পারফর্ম করল।
যেকোন ধরণের আন্তর্জাতিক ফিগার স্কেটিং কম্পিটিশন পরিচালিত হয় এই স্পোর্টসের সর্বোচ্চ গভর্নিং বডি, ISU (International Skating Union) এর তত্বাবধায়নে। ন্যাশনাল কম্পিটিশনগুলোও ISU এর রুল মেইনটেইন করে কম্পিটিশন পরিচালনা করে থাকে।
ISU এর সরাসরি তত্বাবধায়নে পরিচালিত আন্তর্জাতিক কম্পিটিশনগুলো হলো:-
♦World Championship
♦European Championship
♦Four Continents Championship
♦World Junior Championship
♦Olympic Games
♦ISU Grand Prix Championship
ISU Grand Prix কে ফিগার স্কেটিং কম্পিটিশনের সর্বোচ্চ ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। ISU Grand Prix এর ফাইনালে যেতে হলে Grand Prix কতৃক আয়োজিত অন্তত দুটি কম্পিটিশনে জিততে হয়। Grand Prix আয়োজিত কম্পিটিশনের প্রাথমিক ধাপ পরিচালনার দায়িত্ব নির্দিষ্ট ছয়টি দেশ পেয়ে থাকে, যেমন: ইউরির ক্ষেত্রে তার প্রাথমিক ধাপ হিসেবে তাকে চায়নায় এসাইন করা হয়েছে, একই জায়গায় এসাইন করা হয়েছে ওর রিংক মেট পিচিত চুলানন্ত কে। সেখানে ভালো পারফর্ম করতে পারলে তার পরবর্তী ধাপ হবে রাশিয়া, যেখানে তাকে ইউরি প্লিসেত্স্কির সাথে প্রতিযোগিতা করতে হবে।
এখানে ইউরির ব্যাপারটা ক্লিয়ার হওয়া যাক। গ্র্যান্ড প্রিক্সের মত ফিল্ডে কম্পিট করতে হলে একটি নির্দিষ্ট যোগ্যতা থাকতে হয়। ISU রাঙ্কিঙে যারা ভালো স্কেটার হিসেব স্থান পায়, তারাই গ্রান্ড প্রিক্সে কম্পিট করার সুযোগ পায়। আবার ISU এর রাঙ্কিঙে স্থান পায় তখনি, যখন ন্যাশনাল লেভেলে ভালো পারফর্ম করে।
এখন চায়নাতে পারফর্ম করতে ইউরি তো আর নিজের টাকায় উড়ে যাচ্ছে না, তাকে নিযে যাবে ন্যাশনাল এরেঞ্জমেন্ট। ইউরি আগের বছর গ্র্যান্ড প্রিক্সে ষষ্ঠ হয়েছে, ISU নিয়মস্বরুপ গ্রান্ড প্রিক্স কমিটি তাকে এবছর আবার এ্যাসাইন করেছে চায়নাতে। কিন্তু আগেরবার খারাপ করার কারণে, এবার যদি সে যোগ্য পারফর্ম করতে না পারে, ন্যাশনাল টিম তাকে চায়নায় উড়াবার দায়িত্ব নেবে না। সুতরাং, তাকে প্রথমে তার ন্যাশনাল টিমের সাপোর্ট পাওয়ার জন্য নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করতে হবে, সেজন্যই চুগোকু, শিকোকু এবং কিয়ুশু চ্যাম্পিনশিপ থেকে ব্লক পর্যায়ে পারফরমেন্স শুরু করে ইউরি।
yuri-on-ice
এবার স্কোরিং সিস্টেম:
সত্য কথা বলতে কি, ফিগার স্কেটিংয়ের স্কোরিং সিস্টেমের মত ভেজাইল্যা স্কোরিং সিস্টেম দুনিয়ার আর কোথাও আছে কিনা, সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে আমার! >:( এমনকি হিসাব বিজ্ঞানের (যেটাতে আমার চেয়ে বেশী কাঁচা হওয়া মানব ইতিহাসের আরও কারও পক্ষেই সম্ভব না!) ফাইনাল একাউন্টস নামক খবিশটাও মেলা সোজা ছিল এর চেয়ে! :'( যাই হোক, প্রাথমিক একটা ধারণা দেযার চেষ্টা করছি:
আমরা ইতোমধ্যে জেনেছি যেকোনো পর্যায়ের ফিগার স্কেটিং কম্পিটিশন মূলত দুটি ধাপের সমন্বয়, যে দুটি হলো শর্ট প্রোগ্রাম এবং ফ্রি-স্কেট বা লং প্রোগ্রাম।
আগের সিক্স পয়েন্ট জিরো সিস্টেমে এই দুটি প্রোগ্রামকে আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্যের জন্য আলাদাভাবে স্কোরিং করা হত। কিন্তু ২০০২ এর অলিম্পিকে ফিগার স্কেটিং স্ক্যান্ডাল (যেখানে ফিক্সিং এর অভিযোগ ভয়াবহ গুরুতর পর্যায়ে চলে যায়) এর পর থেকে IJS (International Judging System) এর আন্ডারে স্কোরিং করা হয়, যেটা ISU এর দ্বারাই গঠিত এবং বাস্তবায়িত। ISU জাজিং সিস্টেমের আন্ডারে, প্রতিটা স্কেটিং এলিমেন্ট এর জন্য ইন্ডিভিজুয়াল মার্কিং করা হয়, এবং এই এলিমেন্ট মার্কিং করে টেকনিকাল স্পেশালিস্ট রা। একেকটা স্পিন বা জাম্প, সব এলিমেন্টই ক্যামেরায় রেকর্ডের মাধ্যমে বারবার রিপ্লে করে করে দেখা হয় স্কেটারের স্টেপ সিকুয়েন্স বা কম্পালসরি ফিগারের যথার্থতা, জাম্পের সময়কার টেকঅফ এবং ল্যান্ডিং পজিশন, হাইট কাভারেজ, ডিসট্যান্স কাভারেজ, এবং কোনোধরণের ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে সেজন্যে নাম্বার ডিডাকশন করে সবগুলো টেকনিকাল এলিমেন্টের জন্য বেস ভ্যালু বা প্রাথমিক স্কোর নির্ধারন করেন টেকনিকাল স্পেশালিস্টরা।
ফিগার স্কেটিং কম্পিটিশন পর্যবেক্ষণ বা জাজ করার জন্য টেকনিকাল স্পেশালিস্ট ছাড়াও নয়জন জাজ থাকেন, যাদের কাছে স্কেটারের টেকনিকাল মার্ক কম্পিউটারের মাধ্যমে প্রেরণ করেন টেকনিকাল বিশেষজ্ঞ দল। জাজেস প্যানেল তখন স্কেটারদের গ্রেড অফ এক্সিকিউশন (GOE) অর্থাৎ এলিমেন্টসগুলোর এক্সেকিউশনের মানের ওপর একটা কোয়ালিটি মার্কিং করে থাকেন, যেটা সাধারণত -৩ থেকে +৩ (খারাপ হলে -১, তার চেয়ে বেশী খারাপ হলে -২ এবং জঘন্য হলে -৩, একইভাবে মোটামুটি হলে ১, ভালো হলে ২, বেশী ভালো হলে ৩) এর পূর্ণসংখ্যার একটি স্কেলের মধ্যে হয়ে থাকে। গ্রেড অফ এক্সেকিউশনের নাম্বারকে আবার ISU এর SOV (Scale of Value) তালিকা অনুযায়ী আরেকটি নাম্বারে রুপান্তরিত করা হয়। এই রুপান্তরিত সংখ্যাকে আবার trimmed mean বা ছাটাইকরণ পদ্ধতিতে গড় করা হয়। এই গড় সংখ্যাকে (ধনাত্নক বা ঋণাত্নক, দুটোই হতে পারে) তখন টেকনিকাল স্পেশালিস্টদের দেয়া বেস ভ্যালুর সাথে যোগ করে এলিমেন্টের টোটাল স্কোরিং করা হয়। টোটাল এলিমেন্টস স্কোরকেই স্কোরবোর্ডে TES হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
এলিমেন্ট ছাড়াও জাজে’স প্যানেল আরও যা জাজ করেন তা হলো স্কেটিং স্কিল, কস্টিউম, কোরিওগ্রাফি, ফুটওয়ার্ক, ট্রানজিশন এবং ল্যান্ডিঙ, পারফরমেন্স ও এক্সেকিউশন, এবং সবশেষে থিম এবং গানের সাথে স্কেটারের বডি ল্যাঙ্গুয়েজের সামঞ্জস্যতা এবং টাইমিঙ। এসকল কিছুর প্রতিটাকে ০.২৫ থেকে ১০ পর্যন্ত একটা স্কেলের মধ্যে স্কোরিং করা হয়, যেগুলোকে আবার ছাটাইকরণ পদ্ধতিতে গড় করে কম্পোনেন্ট ভ্যালু বের করা হয়। এখন এই কম্পোনেন্ট স্কোরকে আবার কম্পিটিশন লেভেল, ডিসিপ্লিন ও সেগমেন্টের হার্ডনেস লেভেল অনুযায়ী একটা ভগ্নাংশ সংখ্যা দিয়ে গুণ করে একটা ভগ্নাংশে রুপান্তর করা হয়। তারপর যেটা পাওয়া যায়, সেটা হলো টোটাল কম্পোনেন্ট স্কোর।
টোটাল কম্পোনেন্ট স্কোরের সাথে টোটাল এলিমেন্ট স্কোর যোগ করে তারপর সেটা থেকে মাইনাস স্কোর বা ডিডাকশন ভ্যালু বাদ দিলেই যেটা পাওয়া যায় সেটা হলো স্কেটারের প্রাপ্ত নম্বর যেটাকে স্কোরবোর্ডে TSS বা টোটাল সেগমেন্ট স্কোর হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়! শর্ট এবং ফ্রি প্রোগ্রামের TSS যোগ করে যে নম্বর পাওয়া যায, সেটা হচ্ছে স্কেটারের প্রাপ্ত মোট নম্বর, যেটাকে স্কোরবোর্ডে TOTAL হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়!
পাঠক এই মুহুর্তে কি ভাবছেন, বুঝতে পারছি! “জাহান্নামে যাক শালার স্কোরিং সিস্টেম! এত ঝামেলা কেউ করে?!” >:( আমিও একমত, বিষযটাকে এতটা জটিল করে তোলার কারণ বা যথার্থতা বিশেষজ্ঞরাই ভালো বলতে পারবে, কিন্তু এই সিস্টেমও যে সর্বজন স্বীকৃত, তা কিন্তু নয়! বরং উল্টোটাই সত্য, এ সিস্টেম নিয়ে সমালোচনা করার মানুষ রয়েছেন প্রচুর! এমনকি টেকনিকাল মার্কিং নিয়েও প্রচুর কন্ট্রোভার্সি রয়েছে স্বয়ং বিশেষজ্ঞদের মধ্যেই। তবে ব্যাপারটা পড়তে বা শুনতে যতটা জটিল মনে হয়, আসলে অতটা জটিল নয়, কম্পিউটারাইয্ড্ প্রোগ্রামের কারণে পারফর্মেন্সের কিছুক্ষণের মধ্যেই ফলাফল দেখতে বা জানতে পারে স্কেটার ও দর্শকরা। প্রতিটা পার্ফরমারের প্রাপ্ত নম্বর তার প্রোগ্রাম শেষ হওয়ার পরই দিয়ে দেয়া হয়।
এখানে একটা ব্যাপার লক্ষণীয় যে, জাম্প মিস করার কারণে নাম্বার ডিডাকশন করা হয় প্রেজেন্টেশনের রিদম্ নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে কম্পোনেন্ট স্কোর থেকে, টেকনিকাল স্কোর থেকে না। জাম্পের যে অংশটা (টেকঅফ, ল্যান্ডিং বা রোটেশন) মিস করবে স্কেটার, সে অংশের জন্য সে টেকনিকাল নম্বর পাবে না, কিন্তু এজন্য নম্বর ডিডাকশনও হবে না। টেকনিকাল মার্ক ডিডাকশন হতে পারে শুধুমাত্র কোনো এলিমেন্টের টেকনিকাল রুলের অন্যথা ঘটলে, যেমন এড্জ ভায়োলেশন (ভুল এড্জ এর ব্যাবহার), টাইম ভায়োলেশন (অতিরিক্ত সময় নেয়া বা সময়ের আগে শেষ করে ফেলা) ইত্যাদি ঘটলে। তাই ফিগার স্কেটিঙয়ে প্রেজেন্টেশন অনেক গুরুত্ব বহন করে। সং এর থিম বা টেম্পোর সাথে মিল রেখে গানের সাথে নিজের পারফর্মেন্সের ছন্দ বজায় রাখা ভালো প্রেজেন্টেশন মার্কের জন্য আবশ্যক। জাম্প মিস করলে ছন্দপতন ঘটে, যার জন্য প্রেজেন্টেশনের রিদম্ নষ্ট হয়ে যায়, সেজন্যই স্কেটারদের আত্নবিশ্বাসী থাকাটা খুব বেশী গুরুত্বপূর্ণ, রিংকে নামলে আক্ষরিক অর্থেই নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর রাজপুত্র বা রাজকন্যা মনে করে স্কেটাররা, যার পড়ে যাওয়ার মত সামান্য ভুলটা কোনো ভুলই না! এই আত্নবিশ্বাসই পড়ে যাওয়ার পরও তাদেরকে রিদম্ ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে, এবং এ কাজে যে যতটা সফল হয়, ডিডাকশনের ভয় তার তত কম!
সুতরাং, পরে যাওয়া, বা জাম্প মিস তথা ল্যান্ডিং মিস করাটাকে আমরা যতটা ভয়াবহ অপরাধ মনে করি, ততটা ভয়াবহ নয় আসলে! :3 এমনকি জাজেস রা যদি মনে করেন কারও প্রেজেন্টেশন, এড্জ এর ব্যাবহার, টেকঅফ এবং রোটেশন এর ব্যাবহার ভালো হয়েছে অনেকগুলো ল্যান্ডিং মিস করার পরও, তাহলে তাকেই বরং কম্পিটিশনে এগিয়ে থাকার সুযোগ দেয়া হয় তার চেয়ে বেশী, যে কোনো জাম্পই মিস করেনি, কিন্তু প্রেজেন্টশনে গানের রিদম্ ধরে রাখতে পারেনি। একটা সুন্দর উদাহারণ হলো ইউরির এরোস, এবং ইউরিওর আগাপে! রিয়েল লাইফ উদাহারণও প্রচুর আছে, উল্লেখযোগ্য একটা হতে পারে ২০১৪ এর উইন্টার অলিম্পিকের ফিগার স্কেটিং মেন্স সিঙ্গেলে ইউযুরু হানইয়্যু’র পারফর্মেন্স টা। একটা সালকো ও একটা ফ্লিপ পুরাপুরি মিস করার পরও সেবছর গোল্ড মেডেল পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করে সে! :D অতএব ফিগার স্কেটিং আসলে যতটা দেখা যায়, তারচেয়ে অনেক বেশী কিছু! মাপ্পাকে আমরা অভিনন্দন জানাতেই পারি এই জটিল ব্যাপারটাকে সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলার সাহস দেখানোর জন্য! ^_^
আশা করি পাঠকরা এখন খানিকটা হলেও বুঝতে পারছেন ফিগার স্কেটিংয়ের রুলস্ এন্ড রেগুলেশন! :’) পোস্টটা বিশাল বড় হয়ে গেছে বলে দুঃখিত, এবং যারা কষ্ট করে পড়েছেন (আদৌ যদি কেউ পড়ে থাকেন!), তাদেরকে অভিনন্দন! :( :’) ^_^ সবধরণের তথ্যই বারবার পড়ে ও দেখে যাচাই করা হয়েছে, তারপরও যদি কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকে, সেটাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখে সঠিক তথ্যটা জানালে কৃতজ্ঞ থাকব! :) ফিগার স্কেটিং একটা স্পোর্টস বটে, এই জিনিসটা মাথায় রেখে এনিমের ব্রোমান্স আন্ডারটোনটাকে উপেক্ষা করতে পারলে এই পোস্টের উদ্দেশ্য স্বার্থক! :’)
সবাইকে শুভেচ্ছা এবং শুভকামনা। ^_^ Yuri!!! on Ice দেখুন, এঞ্জয় করুন এবং ভালো থাকুন! :D ^_^
তথ্যসূত্র: উইকিপিডিয়া, ইউটিউব, এবং আরো অন্যন্য কিছু ওয়েবসাইট।

Comments

comments