লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ষষ্ঠ পাঠ

আজকে থাকবে ৪টা কানজি

প্রথমে সূর্যের কানজি। এই কানজি আরও কিছু ক্ষেত্রে ইউজ হয়, দিন বুঝাইতে ইউজ হয়, উচ্চারণ একেক জায়গায় একেক রকম – নিচি/জিতসু/হি/কা/বি

 

দিন আর সূর্যের সেম কানজি ইউজ করে কারণ সূর্য উঠলে নতুন দিনের সুচনা হয়

জাপানের কানজি লিখার সময় ২ খান কানজি ইউজ করে তার মধ্যে এটা একটা। জাপানরে সূর্যোদয়ের দেশ বলে আমরা সবাইই জানি। জাপানরে ওই দেশের মানুষ জন নিহোন/নিপ্পোন এইরকম আরও কিছু বলে, নি এর জায়গায় এই কানজি টা ইউজ করে।

হিগানোবোরি কথা টা অনেকেই আনিমের মধ্যে শুনছে মে বি, ওইখানে হি এর জায়গায় সূর্যের কানজি বসে। এটার মানে হল সূর্য উঠা।

তারপর নিচি মানে হচ্ছে দিন। দিন যুক্ত যত কিছু আছে ওইখানে এই কানজি ইউজ হয় – Sunday, Monday এরকম প্রত্যেক টা বারের শেষে এই কানজি ইউজ হয়। তবে Sunday লিখার সময় ২ বার এই কানজি ইউজ হয়। Sunday এর জাপানিজ হল নিচিইয়োবি, নিচি আর বি এর জায়গায় এই কানজি টা বসে। তারপর মাই নিচি মানে everyday। আনিমে একটা কথা অনেক ইউজ হয় মাই নিচি মাই নিচি, এটার মানে হল দিনের পর দিন(day after day)। তারপর নেনজিতসু মানে মনে হয় দিনের পর দিন (এটা শিওর না)। ওইখানে জিতসুর জায়গায় এই কাঞ্জি বসে।

এরপরের কানজি হইল চাঁদের কানজি।

এই কানজি টা ২ টা ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় – একটা চাঁদের কানজি হিসেবে, আর একটা মাসের কানজি হিসেবে।

উচ্চারণ হল তসুকি/গাতসু/গেতসু

 

তসুকি মানে হল চাঁদ। চাঁদের সাথে মাসের একটা সম্পর্ক আছে, এক চাঁদে এক মাস ধরা হয়। এই জন্য ২ টাতে সেম কানজি ইউজ করে। মাসের কানজি হিসেবে ইউজ করার সময় সাধারনত গেতসু/গাতসু উচ্চারণ করে।

তসুকি নো হিকারি/তসুকি আকারি মানে moonlight, তসুকিবারাই মানে monthly payments। তারপর গেতসুমাতসু মানে end of the month, শোগাতসু মানে the 1st month of a year/new year, কোনগেতসু মানে this month। গেতসুইয়োবি মানে Monday, এইখানে যত জায়গায় গেতসু/গাতসু/তসুকি আছে সব জায়গায় এই কানজি বসে।

তারপর বিভিন্ন মাসের কানজি লিখার সময় যেমন জানুয়ারির কানজি লিখার সময় ১ এর কানজি সাথে মাসের কানজি লিখলেই হয়। জানুয়ারি হইল ইচিগাতসু, ইচি মানে ১ আর গাতসু মানে মাস। জানুয়ারি যেহেতু ১ নাম্বার মাস এই জন্য জানুয়ারি রে ইচিগাতসু বলে, ১ এর কানজি আর মাসের কানজি পাশাপাশি লিখলে জানুয়ারি বুঝাই।

তারপর বাকি মাসের কানজি গুলাও একই নিয়মে লিখে। নিগাতসু মানে ফেব্রুয়ারি (নি মানে ২), সানগাতসু মানে মার্চ (সান মানে ৩), শিগাতসু মানে এপ্রিল (শি মানে ৪ ইয়োন মানেও ৪ তবে মাসের এপ্রিল এর সময় শি উচ্চারণ হয়), গোগাতসু মানে মে (গো মানে ৫), রকুগাতসু মানে জুন (রকু মানে ৬), শিচিগাতসু মানে জুলাই (শিচি মানে ৭ নানা মানেও ৪ তবে জুলাই এর সময় শিচি উচ্চারণ হয়), হাচিগাতসু মানে অগাস্ট (হাচি মানে আট) (আমার জন্মদিন অগাস্ট এ 😛 ), কুগাতসু মানে সেপ্টেম্বর (কু মানে ৯), জুগাতসু অক্টোবর (জু মানে ১০), জুইচিগাতসু মানে নভেম্বর (জুইচি মানে ১১), জুনিগাতসু মানে ডিসেম্বর (জুনি মানে ১২)। নাম্বারের কানজি তো আগেই শিখাইছি…সো এখন আশা করি কারো ১২ মাসের নাম জাপানিজে লিখতে সমস্যা হবে না 😀

কালকে শীতের রাতে হটাত করে বৃষ্টি হইল, সেই সুবাদে এরপর বৃষ্টির কাঞ্জি দেয়াটা তো আসে।

বৃষ্টির(rain) কানজি, আমে/উ

“আমে” মানে “rain/বৃষ্টি”, শুধু এই কানজি টা একা একা লিখলে বৃষ্টি বুঝাই। “আমে মিজু” মানে হল “rain water”। এখানে “আমে”র কানজি আর “পানি”র কানজি পাশাপাশি লিখলেই বৃষ্টির পানি বুঝাই। “পানি”র কানজি তো আগেই শিখাইছি…”মিজু”। তারপর “ওআমে” মানে হল “heavy rain”, এখানেও “আমে”র জায়গায় এই কানজি টা বসে।

নারুতোর মধ্যে পেইনের ভিলেজ ছিল “hidden rain village”। “জাপানিজে বলত আমেগাকুরে”, এখানে “আমে”র জায়গায় এই কানজি টা বসে।

ব্লিচের “ইশিদা উরিউ”র নাম লিখার সময় “উ রিউ” এর “উ” জায়গায় এই কানজি টা বসে। তারপর rainfall (precipitation এর amount বুঝাই যখন) এর জাপানিজ হল “উ রিও”, এইখানে “উ” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে। আর এমনিতে “rainfall” এর জাপানিজ হল “কোউ উ”, এখানেও “উ”র জায়গায় এই কানজি টা বসে।

এইটার ছবিটা মজার, আমরা যখন জানালা দিয়ে বৃষ্টি পড়া দেখি ওইটা দেখতে যেমন লাগে তার সাথে মিল রাইখা এইটার কানজি লিখা হয়।

সবশেষে থাকছে “পর্বত/পাহাড়” এর কানজি, উচ্চারণ “ইয়ামা/সান/জান”। “Mountain/hill” ছাড়াও মাঝে মাঝে ক্রিটিকাল মোমেন্ট বুঝাইতেও এটা ব্যবহার হয়।

 

শুধু “ইয়ামা” বললে “mountain” বুঝাই।

আবার “volcano” র জাপানিজ হল “কাজান”, “volcano” র কানজি লিখার সময় “fire” এর কানজি আর “mountain” এর কানজি পাশাপাশি লিখতে হয়। “Fire” এর কানজি তো আগেই দেখাইছি, “আগুন” আর “পাহাড়” একসাথে মিলাইয়া হইয়া গেল “volcano” 😀

তারপর “সানচো” মানে “পাহাড়ের চূড়া”, এখানে “সান”এর জায়গায় “পাহাড়”এর কানজি বসে। (“সান” মানে কিন্তু আবার “তিন” ও বুঝাই তবে “তিন”এর কানজি দেখতে আলাদা, উচ্চারণ ২ টার সেম হইলেও “৩” এর কানজি আর “পাহাড়”এর কানজি সম্পূর্ণ আলাদা)

তারপর “মাউন্ট ফুজি”রে জাপানিজরা “ফুজিসান” বলে। এখানেও “সান” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে।

এই কানজি টা লিখাও সোজা। ৩ খান পাহাড় পাশাপাশি দাঁড়ায়ে আছে, মাঝখানের টা বড়, পাশের ২ টা ছোট। একটু খানই modify কইরা হইয়া গেল ইয়ামা 😀

Comments