
রান্ডম টপিক
ইয়ায়বা(Yaeba)
অন্য দেশের মহিলারা যেখানে দাঁত সামান্য আঁকাবাঁকা হলেই ব্রেইস নিয়ে টানাটানি শুরু করে, এবং এই ফ্যাক্টটা যতটা সম্ভব লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করে,সেখানে কিছু জাপানি মহিলা কৃত্তিমভাবে তাদের দাঁত বাঁকিয়ে নেয়। কারণ তারা মনে করে এতে তাদেরকে ”কাওয়াই” মনে হয়। তারা আরেকটা কাজ করে, কৃত্তিম শ্বদন্ত স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে লাগিয়ে নেয়। এই ফ্যাশন ট্রেন্ডটা ইদানিং খুব জনপ্রিয়। আনিমেতেও এমন কিছু ফিমেইল ক্যারেক্টার আছে যাদের শ্বদন্ত স্পষ্ট, এদেরকে বলা হয় ফ্যাং-তান,যেমন কৌসাকা কিরিনো বা ইন্ডেক্স। এখন যদি বলেন ২ ডি ভালো নাকি ৩ ডি ভালো, সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার আপনার উপরে, প্রথম কমেন্টে দুটোরই ছবি দেয়া আছে।
আনিমে সাজেশন
শিকি(Shiki)
সতোবা ছিল চমকার একটা গ্রাম, ছায়া সুনিবিড় শান্তির নীড়। কিন্তু এসবি পাল্টে গেল, যখন গ্রামে অদ্ভুত এক পরিবার পরিত্যক্ত ম্যানশনে থাকতে এলো।লোকজন হারিয়ে যেতে শুরু করলো খুব দ্রুত, পাওয়া যেতে লাগলো রক্তশুন্য লাশ।তদন্তে নামল নাত্সুনো ইউকি।
কেন দেখবেনঃ এখনকার মিডিয়ায় ভ্যাম্পায়ারদের মত ভালো মানুষ আর হয় না। তারা খুবই সামাজিক, ভীষণ আকর্ষনীয় চেহারা ও ব্যক্তিত্বের অধিকারী, তারা মানুষের ক্ষতি একদমই করতে চায় না, টমেটো জুস খায় নাহলে আইরন ট্যাবলেট আর হিমোগ্লোবিন খায়, নাহলে ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত কিনে আনে। কেউ বা অল্প বয়সী মেয়েদেরকে স্টক করে, হীরার মত জ্বলতে থাকে। কেউ সানস্ক্রিন মেখে বাইরে বেরোতে পারে। কিন্তু একটা সময় ছিল যখন ভ্যাম্পায়ার ছিল আতঙ্কের আরেক নাম। তাদেরকে মারা যেত শুধু বুকে গজাল ঢুকিয়ে দিয়ে। শিকি সেই ট্রাডিশনাল কনসেপ্টকে ফুটিয়ে তুলেছে অসাধারনভাবে। সেই সাথে আছে সময়োপযোগী মুগ্ধ করা সাউন্ডট্র্যাক, যেগুলো শুনলে আপনি অবশ্যই মিউজিকগুলো কালেকশনে রাখতে চাবেন।
কেন দেখবেন না:ইন্ডেফিনিট এন্ডিং, ভিজুয়াল একটু অন্যরকম, সবাইকে সুট নাও করতে পারে।
ম্যাল রেটিং ৮.১৯
আমার রেটিং ৯
মাঙ্গা সাজেশন
সরা ওয়া আকাই কাওয়া নো হতোরি(Sora wa Akai Kawa no Hotori/Red River)
ইউরি ছিল সাধারণ এক জাপানি মেয়ে। তার দৈনন্দিন জীবন বদলে গেল যখন আনাতোলিয়া, বা প্রাচীন তুরস্ক এর এক রাণী তাকে জাদুবলে টাইম ট্রাভেল করিয়ে নিয়ে আসল, উদ্দেশ্য, তার ছেলে বাদে সিংহাসনের সব উত্তরাধিকারকে জাদুবলে খুন করা।ইউরি এই প্রক্রিয়ার বলি। ঘটনাচক্রে ইউরির দেখা হলো সুদর্শন রাজপুত্র কাইল এর সাথে। ক্ষমতার লড়াইয়ে আরো দানা বাঁধলো, যখন ইউরি মর্যাদা পেল যুদ্ধের দেবী, ইউরি ইস্টারের।
কেন পড়বেনঃচমত্কার কাহিনীর বুনোট, কোথাও ঝুলে যায়নি, আর ভীষণ আকর্ষনীয়। একবার শুরু করলে শেষ না করে উঠা মুশকিল। এন্ডিংও
দারুন সন্তোষজনক।
কেন পড়বেন নাঃ না পড়ার কোনো কারণ নেই।
ম্যাল রেটিং ৮.৪৭
আমার রেটিং ৯
