Mind Game review by Fahim Bin Selim

মাইন্ড গেম[Mind Game](২০০৪)
অ্যানিমে ফিল্ম
১ ঘন্টা ৪৪ মিনিট
জনরাঃ অ্যাডভেঞ্চার, কমেডি, রোমান্স, সাইকোলজিক্যাল, দেমেন্তিয়া
মূল(মাঙ্গা): রবিন নিশিকি
প্রযোজকঃ স্টুডিও ফোর সি
পরিচালকঃ মাসাকি ইউয়াসা

ছোটবেলা থেকেই নিশি মিয়নকে পছন্দ করে। আর এখন এই ২০ বছরের জীবনে তার স্বপ্ন দুটো – নামকরা মাঙ্গাকা হওয়া আর মিয়নের ভালোবাসা পাওয়া করা।
কিন্তু সমস্যাও দুটো – বড়, নামকরা মাঙ্গাকা হওয়ার পথটা অনেক বন্ধুর; পদে পদে মুখ থুবড়ে পরা। আর এক বর্ষাস্নাত সন্ধ্যায় ছোটবেলার ভালোবাসা মিয়নের সাথে দেখা হওয়ার পর যখন সে অবশেষে তার অস্ফুট ভালো লাগার কথা ব্যক্ত করল, তখন জানতে পারল যে মিয়ন ইতিমধ্যেই আরেকজনের বাগদত্তা! ব্যার্থতা আর গ্লানিতে অভিভূত নিশির রাতটা এখানে শেষ হলেও চলত।
মিয়নদের ইয়াকিতোরি রেস্টুরেন্টে যাওয়ার পর ঘটনাচক্রে সে মুখোমুখি হয়ে গেল দুই ইয়াকুজার সাথে।
তারপর “কামিসামা”-র সাথে।
আর এক বৃদ্ধ লোকের সাথে। এমন এক জায়গায় যেখানে সাধারনত বৃদ্ধ লোকেরা থাকে না। কোন মানুষই থাকে না…

“হার মেনো না; বাঁচো!” – এটা হল মাইন্ড গেমের উপজীব্য। খুবই পরিচিত লাগছে? পরিচিত লাগারই কথা। সেই আশির দশকের ফ্রিজার সামনে দাঁড়ানো গোকু আর হালের পেইনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নারুতো; আর মাঝখানে শ’খানেক গতানুগতিক অ্যানিমে হার না মানার জয়গান গেয়ে গেছে; আর জীবলীর ফিল্মগুলো জীবনের সৌন্দর্য দেখিয়েছে বারবার। কিন্তু মাইন্ড গেম আর যাই হোক গতানুগতিক না। ধারেকাছেও না। বরং যদি আপনি “এঞ্জেল’স এগ” বা “তেক্কোন কিনক্রেট” দেখে না থাকেন, তাহলে বলতে হবে এর মত অ-গতানুগতিক, ভিন্নধারার ফিচার লেংথ অ্যানিমে ফিল্ম হয়তো আপনি দেখেননি।

মাইন্ড গেম হয়তো জীবন পাঠ শেখাবে;সূক্ষ্ণভাবে। আর তার মূল কাহিনীর আবহ ডার্ক। কিন্তু এটা আর যাই হোক কোন গুরু-গম্ভীর ফিল্ম না। বরং ইতিমধ্যেই যদি তাতামি গ্যালাক্সিতে ইউয়াসার ডার্ক হিউমারের সাথে পরিচিত হয়ে থাকেন, তবে জানুন এক দশক আগেও তার রসাত্ববোধ কোন অংশে কম ছিল না। এই মুভিতে মানুষ মারা যাবে, ইয়াকুজাদের তাড়া খাবে আর নিগির্ণ হবে বড় এক তিমি দ্বারা – কিন্তু আগাগোড়া এর কৌতুকাবহ বজায় থাকবে। সবসময়।

আর এই উদ্ভট, অ-সাধারন অ্যানিমের সাথে ইউয়াসার উদ্ভট, অ-সা্ধারন আর্টস্টাইল যেন নিঁখুত সামঞ্জস্যতাপূর্ণ। ইউয়াসার পরিচালনার প্রথম অ্যানিমে। আর সময়ে সময়ে সেই আর্টস্টাইলও বদলাবে; নন-অ্যান্থোলজিক্যাল অ্যানিমে বা স্পেস ড্যান্ডির মত ব্যতীক্রম বাদে যা কল্পনাও করা যায় না; তাও আবার একটি নির্দিষ্ট কাহিনী নিয়ে গড়ে ওঠা ফিচার লেংথ ফিল্মে! স্টূডিও ফোর ডিগ্রি সেলসিয়াসের জগতে স্বাগতম!

মাইন্ড গেম শুরু হবে জমকালো ভাবে আর শেষ হবে – সম্ভবত অ্যানিমে ফিল্মের ইতিহাসে সবচেয়ে রক্তগরম আর অ্যাড্রেনালিন তুঙ্গস্পর্শী করা – এক ফিনালে দিয়ে। আর এর মাঝখান সময়টা জুড়ে এক ভূতূড়ে জগৎ। হয়তো কিছুটা ধীর গতির। আর লাইভ-অ্যাকশন ছাড়িয়ে অ্যানিমেশনে সিনেমাটোগ্রাফির অসাধারনত্ব আর বাক্স ভরা সৃজনশীলতায় পূর্ণ।
এড আর অ্যালের ট্রুথের সাথে দেখা হওয়ার দৃশ্য দেখেছেন – এখানে দেখবেন খুব আলাদা, কৌতুকপ্রদ আর চিন্তাদ্দীপক এক সাক্ষাত, ‘দ্য ওয়ান’-এর সাথে। অনেক “ভালোবাসা”-‘র দৃশ্য দেখেছেন, আদিমতার – আর এখানে তার উপস্থাপনা সৌন্দর্য, শৌল্পিকতার।

মাইন্ড গেম সবার ভালো লাগার মত জিনিস না। ইউয়াসা সবার ভালো লাগার মত জিনিস না। আর তাই তার অন্যান্য সব কাজের মতই মুক্তির ১০ বছর পরও এটার কোন ডাব বের হয়নি। বিগত দশকের অন্যতম প্রভাব রাখা অ্যানিমে ফিল্ম হওয়ার পরও, অন্যতম শ্রেষ্ট ডেব্যু ফিল্ম হওয়ার পরও। মাইন্ড গেম – তার নামের যথার্থতা পুরণে অবশ্য আপনার মাথার সাথে কোন জটিল দাবা খেলায় নেমে পরবে না; মাইন্ড গেমের কাহিনী জটিলতা নিয়ে না। বরং মাইন্ড গেম জীবন নামক খেলার গল্প, বেঁচে থাকার গল্প – স্বপ্ন ভাঙা, ভালোবাসা হারানো, ইয়াকুজাদের হাতে পরা…মরে যাওয়া এবং তারপরও বেঁচে থাকার গল্প।

সম্মাননাঃ
* ওফুজি নোবুরো অ্যাওয়ার্ড – মানচিনি ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড
* গ্র্যান্ড প্রাইজ – জাপান মিডিয়া আর্টস ফেস্টিভাল (হাউল’স মুভিং ক্যাসলকে হারিয়ে)
* সেরা ফিল্ম, সেরা পরিচালক, সেরা স্ক্রিপ্ট (জ্জুরি) – ফ্যান্টাসিয়া ফিল্ম ফেস্টিভাল ২০০৫, কানাডা
* সেরা ফিল্ম, সেরা গ্রাউন্ডব্রেকিং ফিল্ম (অডিয়েন্স) – ফ্যান্টাসিয়া ফিল্ম ফেস্টিভাল ২০০৫, কানাডা

রেটিংঃ
মাইঅ্যানিমেলিস্টঃ ৭.৯৫
রটেন টমেটোসঃ ৯৪% ফ্রেশ
আমার রেটিংঃ ৮২/১০০

‪#‎ইউয়াসা‬

The Night of Taneyamagahara movie suggestion by Tahsin Faruque Aninda

Studio Ghibli এর এই শর্ট ফিল্মটা তৈরি হয়েছে still image ব্যবহার করে।

এক রাত্রে চারজন মজুর এক মাঠে আগুন পোহাচ্ছে। তিনজন নিজেদের মধ্যে বিভিন্ন জিনিস নিয়ে আলোচনা করছে, অন্যজন ঘুমের ঘোরে চলে যাচ্ছিল। এমন সময়ে কোন কিছুর শব্দে সবার মনযোগ সেইদিকে চলে যায়। জেগে থাকা তিনজন শব্দের সেই উৎসের খোঁজে চলে গেলেও অন্যজন আবার ঘুমিয়ে পরে। এরপর সে চলে যায় স্বপ্নের রাজ্যে, দেখে বিভিন্ন অলৌকিক জিনিস।

একদম স্বাভাবিক শুনতে কাহিনীটি, তবে execution হয়েছে অন্যান্য আনিমে থেকে বেশ আলাদাভাবে। Art film বলা যেতে পারে, তবে এর মধ্যে একটা অন্যরকম টান আছে। এর মধ্যে একটা meditative ভাব আছে, ধ্যানের রাজ্যে চলে যাবার মত মনে হয় এটা দেখতে গেলে।
আবার মুভিতে খুবই সুন্দর একটি গান আছে:
https://www.youtube.com/watch?v=AuBgt_psqvg

Still image ব্যবহার করে বানানো মুভি, আর পুরাটা একজন ন্যারেট করেছেন। আসলে এটি Kenji Miyazawa এর একটা রচনা, সেটা পুরাটা গল্পের মতন পড়ে গিয়েছেন ন্যারেটর। বিভিন্নজনের ভয়েস বিভিন্ন ভাবে দিয়েছে।

মুভিটা দেখতে গেলে মনে হয় একদম গ্রামের সেই ধীর-সুস্থির জীবনের কাহিনী। খুবই স্লো আগায়। এজন্যে হয়তো সবার জন্যে উপযুক্ত মুভি নয় এটি।

সবার উপযুক্ত না হবার কারণে যা হয়, প্রচন্ড রকমের underrated একটা মুভি হয়েছে এটি। Different কিছু দেখতে ইচ্ছা করলে এটি try দিতে পারেন

MyAnimeList Rating: 5.95/10
আমার রেটিং: 8/10

Eve no Jikan anime suggestion by Monirul Islam Munna

Genre: Sci-Fi, Slice of Life
৬টা ONA আর ১টা মুভি

ভবিষ্যতে হয়তো এমন একটা সময় আসবে আমাদের দৈনন্দিন কাজে আমরা রোবট ব্যবহার করবো। ঘরের কাজ থেকে, মার্কেট থেকে কেনাকাটা, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের কার কি লাগবে তার দেখভালও করবে এই রোবট। প্রযুক্তির উন্নতির এমন পর্যায়ে চলে গেছে যে এই রোবটগুলো দেখতে হুবহু মানুষের মত। এমন কি কথা বলার ভঙ্গি, এক্সপ্রেসন দেখে সাধারণ চোখে মানুষ থেকে এদের পৃথক করা দুষ্কর। তাই রোবটের মাথার উপর থাকে এক বিশেষ ধরণের রিং যা দেখে বোঝা যায় কে রোবট আর কে মানুষ।
গল্পের অন্যতম প্রধান চরিত্র ‘রুকুও’, হাই স্কুলের ছাত্র। ছোট বেলা শিখে আসছে রোবটরা শুধুই যন্ত্র, মানুষের থেকে তারা আলাদা। রিকুওর ঘরের সাধারণ কাজের জন্য ছিল তাদের নিজেদের রোবট ‘সেমি’। কিন্তু একদিন সেমির ডাটা চেক করতে গিয়ে একটু ভিন্নতা দেখতে পান রিকুও। সেই ডাটার সুত্র ধরে এক রহস্যময়ী ক্যাফের সামনে হাজির হয় সে, যেই ক্যাফের একমাত্র রুল হল ‘ মানুষ এবং রোবটের সাথে একইরূপ আচরণ করতে হবে’ ……… আর এখান থেকে এগুতে থাকে কাহিনী।

সাই ফাই আর স্লাইস অফ লাইফের বেশ ভালো একটা সংমিশ্রণ, সাথে কিছু রহস্যও আছে! তাই বেশ ভালোই লাগছে এনিমেটা।

১ম এ ৬টা ওএনএ বের হয় পরে মুভিটা রিলিজ পায়। মুভিটা আসলে ঐ ৬টা ওএনএ কে একত্র করে, সাথে অল্প কিছু সিন যোগ করে বানানো। তাই শুধু মুভিটা দেখলেই হয়ে যাবে।

MAL rating: ONA –> 8.38 / Movie—>8.41
আমার রেটিংঃ ৮.৫

Short anime ending- A discussion by Subarno Hossain

 

ছোট ছোট এনিমে, এবং তাদের সমাপ্তির শিল্প।

আমরা সবাই জানি যে আজকাল এনিমের এয়ারিং স্টাইল বিভিন্ন রকমের। কিছু এনিমে কয়েকশ এপিসোড ধরে চলতে থাকে, যাদেরকে আমরা লং-রানার হিসেবে চিনি। কিছু আছে ৫০, ৩০ অথবা ২৫-২৬ এপিসোড, যা আমরা কিছুটা স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে ধরে নেই। আবার এর চেয়ে ছোট হল ১০-১২ এপিসোডের এনিমে। তার চেয়েও কম রয়েছে অল্প কিছু এপিসোডের OVA, আর মুভি গুলো তো আছেই। আমার এই লেখার মূল উদ্দেশ্য হল, ছোট এনিমের প্রতি আমার ভালবাসা অল্প কথায় প্রকাশ করা।

ব্যক্তিগতভাবে আমার ছোট এনিমে অনেকটাই বেশি প্রিয়, যার কিছু কারণ রয়েছে। প্রথমত, এগুলো দেখতে খুব একটা সময় লাগে না। একবার দেখা শুরু করলে কয়েক দিনের মধ্যেই শেষ করে ফেলা যায়। বড় বড় এনিমে মাসের পর মাস দেখলেও অনেক সময় শেষ কি, বরং মাঝামাঝিও যাওয়া যায় কি না আমার সন্দেহ রয়েছে। তাই অল্প সময়ের মধ্যে এনিমে দেখে ফেলার শ্রেষ্ঠ উপায় ছোট এনিমে। দ্বিতীয়ত, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে এনিমে কোম্পানির একটা এনিমেশন এর জন্য নির্ধারিত একটা budget থাকে। যখন এপিসোড নাম্বার কম থাকে, তখন প্রতিটা এপিসোডে বেশি পরিমাণ খরচ করা যায়, যার ফলে আর্ট, এনিমেশন এর মান, সাউন্ড এবং voice acting – সবকিছুই একটু উন্নত মানের হয়। কিন্তু যা আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয়, তা হল ছোট এনিমের সমাপ্তি।

অনেকেই বলেন যে, এনিমে ছোট হলে সমাপ্তিটা ভাল হয়না। আমার মতে এই ধারণাটা ভুল। ছোট এনিমেতে দুই…না, তিন রকমের সমাপ্তি হতে পারে। এক হল পরিসমাপ্তি, যেখানে এনিমে ঠিকঠাক মত শেষ হয়, প্রায় সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয় এবং দর্শকদের মাঝে একটি পূর্ণতার অনুভূতি সৃষ্টি করে। এরকম কিছু এনিমের উদাহরণ (আমি নিজে যা দেখেছি) – Ano Hana (11 ep), Another (12 ep), Hellsing Ultimate (10 OVAs), Eden of the East (11 ep + 2 movies), Hotarubi no Mori e (1 Movie) Midori no Hibi (13 ep) and Redline (1 Movie), যার সাথে আরও অনেক মুভি যোগ করা যাবে।
এরপর রয়েছে খোলা সমাপ্তি, যেখানে এনিমে শেষ হলেও আসল কাহিনী শেষ হওয়া তো দূরের কথা, বরং এরপর কি হতে পারে, তা দর্শকের উপরেই ছেড়ে দেওয়া হয়। সাধারণত এগুলোর মজা এই ওপেন-এন্ড থেকেই উপভোগ করা যায়। কিছু উদাহরণ হল – Angel Beats (13 ep), Black Cat (23 ep), Danganronpa (13 ep), Death Billiards (1 Movie), Devil May Cry (12 ep), Elfen Lied (13 ep), Katanagatari (12 ep), Kyoukai no Kanata (12 ep), Mahou Shoujo Madoka Magika (12 ep + Movie) etc.
এবং শেষ প্রকার টা হল বলা যেতে পারে… Continuing Ending। এটা সাধারণত বুঝাচ্ছে যে এনিমেটা আসলে শেষ নয়, এবং সামনে আরও আসছে, যা নতুন সিজন-এর দ্বারা প্রকাশিত হয়। খোলা সমাপ্তির সাথে এর তফাত হল যে এখানে যে কেউ সহজেই বুঝতে পারে যে, এভাবে এনিমে শেষ হতে পারে না…অসম্ভব। এখানে উদাহরণ দেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে করছি না, কারণ বেশিরভাগ ছোট এনিমের প্রথম সিজন এমন।

তাই আমরা বলতে পারি, যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন ছোট গল্পের ক্ষেত্রে, যে ছোট এনিমের ব্যাখ্যা হলঃ “ ছোট প্রাণ, ছোট ব্যথা, ছোট ছোট দুঃখ কথা, নিতান্তই সহজ সরল, সহস্র বিস্মৃত রাশি, প্রত্যহ যেতেছে ভাসি, তারই দুই চারিটি অশ্রুজল। নাহি বর্ণনার ছটা, নাহি ঘটনার ঘনঘটা, নাহি তত্ত্ব, নাহি উপদেশ, অন্তর অতৃপ্ত রবে, সাঙ্গ করি মনে হবে, শেষ হইয়াও হইল না শেষ।”
কারণ এখানে গল্প শেষ হলেও তো আমাদের মনের মাঝে চলতেই থাকবে, তাইনা?

এফ এ সি ৪৯

রান্ডম টপিক

 কাগজের ঘর

 

আগের এফেসিতে বলেছিলাম যে জাপান একটা ভয়াবহ ভূমিকম্পপ্রবণ। তাই কিছু জায়গায় তারা কাগজের বাড়ি বানায়, যেগুলো ভূমিকম্পের বিরুদ্ধে তুলনামুলকভাবে বেশি টেকসই। তবে বাড়িটা যে পুরোপুরি কাগজের তা না, এর সাথে থাকে কাঠ, বাঁশ, টাইল ইত্যাদি। ঘরের মাঝের পার্টিশনগুলো কাগজ দিয়ে তৈরী করে অনেক লাভ, যে কোনো সময় পার্টিশনগুলো সরিয়ে বেশ বড় এক স্পেস পাওয়া যায়, যেটা মিটিং এর সময় কাজে লাগে.

 

আনিমে সাজেশন

সিটি হান্টার[City Hunter]

 

আপাতদৃষ্টিতে সায়বা রিওকে দেখলে মনে হয় মহা এক পারভারট, সারাক্ষণই সুন্দরী মহিলাদের পিছনে লেগে আছে, তার এপ্রোচও যে মহা শালীন তা না। তার আসল পরিচয়? নিপুণ টিপের সাথে রিভল্ভার হাঁকানো সবচেয়ে বিখ্যাত বাউন্টি হান্টারদের একজন, যে পরিচিত সিটি হান্টার নামে।

 

কেন দেখবেনঃ ক্লাসিক এক আনিমে, আশির দশকের আনিমে বলে মনেই হয় না। এখনো দেখে শেষ করিনি, যা দেখছি, ওয়ান ম্যান শো। বেশ ভালো অ্যাকশান আর গ্যাগ সিন। কাউবয় বিবপের সাথে মিল আছে.

কেন দেখবেন নাঃ যতদূর দেখেছি, এপিসোডিক, কাজেই কন্টিনিউ করা কষ্টকর হতে পারে। রিওর “মক্করি” এপ্রোচগুলো মাঝে মাঝে ভয়াবহ। একা দেখবেন।

 

ম্যাল রেটিং- একগাদা সিকুয়েল আছে, চাইলে নিজেই ম্যাল চেক করুন। গড়ে ৮.

আমার রেটিং নেই, কারণ দেখা শেষ হয়নি।

 

মাঙ্গা সাজেশন

 কোইসোমে মমিজি[Koisome Momiji]

 

 

এক মেয়ের ছবি তুলল সৌতা। পরে সে জানতে পারল, এই মেয়ে আর কেউ নয়, স্বয়ং উঠতি আইডল সানা! টিভি নাটকে অভিনয় করবে সে, তাই চরিত্রের গভীরতা বোঝার জন্য সানা সৌতাকে বলল তার সাথে প্রেম বিষয়ক প্র্যাকটিস করার জন্য। প্র্যাকটিস কি আসলেই পারফেকশনে রূপ নেবে, নাকি পিলার অব সাকসেস হয়েই থাকবে?

 

কেন পড়বেনঃ মোটামুটি ভালো টাইম পাস, আঁকা ভালো, আকর্ষণীয় ফ্যান্সারভিস।

কেন পড়বেন নাঃ ক্লিশে, দুর্বল কাহিনীকে সুন্দর মেয়েদের দিয়ে ঢাকার চেষ্টা[আমার এতে তেমন আপত্তি নেই, ফেয়ারি টেইল তো এখনো দেখে যাচ্ছি, হেহে, কিন্তু সবার ভাল্লাগবে সেই নিশ্চয়তা নেই।]

 

 

ম্যাল রেটিং ৭.৯৪

আমার রেটিং ৭

এফ এ সি ৪৮

রান্ডম টপিক

 প্রাকৃতিক দুর্যোগ

 

 

যারা “নিপ্পন-সামার” সবকিছুতেই মুগ্ধ, আর ভবিষ্যতে ঐ দেশে বসত গাড়ার চিন্তা করছেন, আগে এক এফেসিতে বলেছিলাম, জাপানীরা বিদেশী[গাইজিন]দের পছন্দ করে না। এছাড়া জাপান ভয়াবহ ধরনের দুর্যোগ কবলিত দেশ। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ভূমিকম্প, টাইফুন, অগ্ন্যুৎপাত সেখানে নিয়মিত। রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প তো রীতিমত ডালভাত। সক্রিয় আগ্নেয়গিরি আছে প্রচুর, সুপ্ত তো আছেই। ওদিকে দ্বীপদেশ হবার কারনে সাগরের উৎপাতেরও অভাব নেই। বুঝুন তবে?

 

 

আনিমে সাজেশন

টোকিও ম্যাগনিচিউড ৮.০[Tokyo Magnitude 8.0]

চমৎকার সকালটা ভয়াবহ হয়ে গেলো তখনই, যখন ৮.০ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানল। পরিবারের সদস্যরা হয়ে গেলো আলাদা, সম্পূর্ণ অপরিচিত লোকজন বারিয়ে দিল সাহায্যের হাত। অবশ্য সবার হাতই কি অমন সরল বিশ্বাসে ধরা যায়?

 

কেন দেখবেনঃ দুর্যোগের প্রেক্ষিতে মানবিক সম্পর্কের আখ্যান, সেই সাথে প্রয়োজনীয় সাসপেন্স, একটানে শেষ করে ফেলার মতো একটা আনিমে।

কেন দেখবেন নাঃ এন্ডিঙটা দেখলে খানিকক্ষণ ট্রমাটাইজড হয়ে থাকলেও থাকতে পারেন।  আমি নিজে বেশ কয়েকবার রিপিট করেছি জায়গাটা, ঠিক দেখছি নাকি বোঝার জন্য।

 

ম্যাল রেটিং ৮.২২

আমার রেটিং ৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

 হেভেন’স ডোর[Heaven’s Door]

মৃত্যুপথযাত্রী দুই তরুণ-তরুণী পালিয়ে গেলো হাসপাতাল থেকে। লক্ষ্য? সাগরের অসীমতা!

 

কেন পড়বেনঃ দ্য ফলট ইন আউয়ার স্টারস ধাঁচের কিছু হলেও হতে পারে, আমি ঐ বইও পড়িনি, মুভিও দেখিনি, শুধু খানিকটা সিনপ্সিস পড়েছিলাম, তা থেকে তুলনা করছি। কাহিনী, আঁকা বেশ ভালো।

কেন পড়বেন নাঃ তেমন কোন কারণ খুঁজে পাচ্ছি না।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৮৮

আমার রেটিং ৭

এফ এ সি ৪৭

রান্ডম টপিক

 রসনাবিলাস ২: ভাত

 

 

জাপানীরা যে ভাত খায়, সেটা আমাদের দেশের ভাতের মতো না, তুলনামুলকভাবে আঠালো আর মিষ্টি, অবশ্য এটাই স্বাভাবিক, আঠালো না হলে চপস্টিক এর মতো ভয়াবহ জিনিস ব্যবহার করবে কিভাবে? চালের বিশেষ প্রকরন চাষ করে তারা, সেই সাথে জিনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং তো আছেই। এই বিশেষ প্রকরণ দুই রকমের, একটার কথা তো আগেই বললাম, এটাকে বলে উরুচিমাই, আরেকটা হলো আরো আঠালো, নাম মচিগোমে। নাম থেকে বোঝা যাচ্ছে, মচি বানাতে এই ভাত ব্যবহার করা হয়.

 

 

আনিমে সাজেশন

 কিমি তো বকু[Kimi to Boku]

 

কয়েকজন বন্ধুর সম্পর্ক নিয়ে কাহিনী, তাদের বন্ধুত্ব, ভাললাগা, ভালবাসা, প্রত্যাখ্যাত হওয়া, সবকিছু নিয়েই এই কাহিনী। অবশ্যই ভিটামিন-টি গোছের কিছু না, অনেক বেশি ক্লাসি।

 

কেন দেখবেনঃ মানবিক সম্পর্কের স্লাইস অব লাইফগুলোর কথা বিবেচনা করলে সম্ভবত হানি অ্যান্ড ক্লোভারের পর এটাই আমার দেখা সেরা।

কেন দেখবেন নাঃ কড়া অ্যাকশানপ্রেমীদের জন্য অবশ্যই নয়। স্লাইস অব লাইফের ব্যাপারে আগ্রহ না থাকলে না দেখতে বলা যাচ্ছে। এটা মুশি-শির মতো সুপারন্যাচারাল না, বাকুমানের মতো শউনেন না, আবার নন নন বিয়রির মতো মোয়ে ফ্লেভারের না। কাজেই সাবধান।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৯১+৮.১৯

আমার রেটিং ৮+৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

 দেঙ্গেকি ডেইজি[Dengeki Daisy]

 

 

তেরুর ভাই মারা যাবার আগে তার হাতে দিয়ে গিয়েছিল একটা সেলফোন, যাতে সেভ করা ছিল ডেইজির ইমেইল অ্যাড্রেস। কে এই ডেইজি? সে কি পুরুষ, নাকি মহিলা? তার বয়স কত? সে দেখতে কেমন? কিছুই জানে না তেরু, শুধু জানে এই, ডেইজি তার গার্জিয়ান এঞ্জেল, সারাক্ষণ মাথার উপর ছায়া দিয়ে আছে। আহারে বেচারী, সে যদি জানত, তাদের স্কুলের জ্যানিটর, একগাদা অগোছালো চুলওয়ালা, পাঁড় ধূমপায়ী, সারাক্ষন তেরুর সাথে বাজে ব্যবহার করা কুরোসাকিই আসলে ডেইজি!

 

কেন পড়বেনঃ ক্লাসি শউজো, খামোখা মানঅভিমান নেই, নায়ক-নায়িকা, সাইড ক্যারেক্টার, সবাই খুব ইন্টারেস্টিং। মূল দুই চরিত্রের কেমিস্ট্রি অসাধারণ। সেই সাথে রহস্য। দারুন আর্ট।

কেন পড়বেন নাঃ  এই মাঙ্গা না পড়া বোকামি। শউজো হলেও অ্যাকশান ফ্যানরাও ট্রাই করতে পারেন।

 

 

ম্যাল রেটিং ৮.৬৬

আমার রেটিং নেই, কারণ পড়া শেষ হয়নি।

এফ এ সি ৪৬

রান্ডম টপিক

 শিরিতোরি[Shiritori]

 

গ্রুপে মাঝে মাঝে দেখা যায় এক ধরনের খেলা হয়, যেখানে একজন একটা আনিমে/চরিত্রের নাম বলবে, তার শেষ বর্ণ ধরে আরেকজনকে পরের নাম বলতে হবে। এই খেলার জাপানী ভার্শন হল শিরিতোরি, তবে এমনিতে খেলাটাকে অসীম গোছের কিছু মনে হলেও আসলে তা নয়, শিরিতোরিতে হার-জিত নির্ধারণ করার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি আছে, সেটা হল, যার উচ্চারিত শব্দের শেষ বর্ণ “ন[ん]” হবে, সে খেলায় হারবে, কারণ জাপানী ভাষায় “ন[ん]” দিয়ে কোন শব্দ শুরু হয় না।

 

 

আনিমে সাজেশন

 গোলগো থার্টিন[Golgo 13]

 

পেশীবহুল লোকটাকে দেখলেই বোঝা যায় চিতার ক্ষিপ্রতা তার শরীরে। অন্তর্ভেদী দৃষ্টি গায়ে জাগায় কাঁপুনি। নাম তার ডিউক তোগো, কিন্তু এটা স্রেফ বাইরের চেহারা। তার আসল পরিচয়? সে সবার সেরা হিটম্যান, কোন লক্ষ্যই যার অভেদ্য নয়। সে হল গোলগো থার্টিন!

 

কেন দেখবেনঃ অভারপাওয়ারড মেইন ক্যারেক্টারকে নিয়ে আনিমে দেখার একটা অন্য রকম মজা আছে, আপনি জানেন সে পরিষ্কার ব্যবধান রেখেই জিতবে, কিন্তু এই ব্যবধানটা সে কিভাবে গড়ে তুলছে, এটা আনিমেতে দারুণভাবে দেখানো হয়েছে।

 

কেন দেখবেন নাঃ স্ট্রিক্টলি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য, নারীদের “রমণীয়তা” দেখানো হয়েছে খুব বেশি পরিমাণে[বাংলায় মোটামুটি ভালো দখল থাকলে আপনি বুঝতে পারবেন আমি কি বুঝিয়েছি।]। আর গোলগোর ভয়েস আমার বেশি ভাল্লাগেনি, আরও আকর্ষণীয় হতে পারত।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৫৮

আমার রেটিং ৮

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

 তোমি[Tomie]

 

অপূর্ব সুন্দরী মেয়েটাকে দেখলেই প্রায় সবাই মুগ্ধ হয়ে যায়। “প্রায়” কেন বলছি? আপনারা মুগ্ধ হবে না, যখন জানবেন এই মেয়ে মরলেও ফিরে আসে বারবার, আরও ভয়ঙ্কর হয়ে!

 

কেন পড়বেনঃ ইতো জুঞ্জির মাঙ্গা, হরর আবহের কমতি নেই। ছোটগল্পগুলো ভারী আকর্ষণীয়।

কেন পড়বেন নাঃ তেমন কোন কারণ নেই। মাঝে মাঝে পেটের মধ্যে গুলাতে পারে অবশ্য।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৭২

আমার রেটিং ৮

Yama no Susume anime review and ongoing-anime suggestion by Fuad Hassan

 

Yama no Susume (English name: Encouragement of Climb):

Yama no Susume মাত্র ৩ মিনিট এর ছোট একটা অ্যানিমেই সিরিস। এই অ্যানিমেই এর কাহিনি হচ্ছে ৪ টা মেয়েকে নিয়ে যারা পাহাড়ে উঠতে ভালবাসে। কাহিনি প্রথমে Aoi নামের এর মেয়েকে দিয়ে শুরু হয়। Aoi উঁচু জায়গায় উঠতে ভয় পায় কিন্তু তার বন্ধু Hinata পাহাড়ে উঠতে বেশ ভালবাসে। ছোটবেলায় Aoi এর acrophobia (extreme or irrational fear of heights) হওয়ার আগে আওই আর হিনাতা দুইজন একসাথে পাহাড়ে উঠে সূর্যোদয় দেখেছিল যা তাদের খুব ভালো লেগেছিল। হিনাতা আবার আওই কে সাথে করে পাহাড়ে উঠতে চায়, কিন্তু আওই তার ভয় কাটিয়ে উঠতে চায় না। পরে আওই এর ভয়ের কারণ দূর করার পর হিনাতা আওই কে রাজি করাতে সক্ষম হয়। হিনাতা আর আওই এর পাহাড়ে উঠার এই প্রস্তুতির মধ্যে তাদের সাথে আরও দুইটা মেয়ে, Kokona আর Kaede এর দেখা হয়, কোকোনা আর কায়েদে ও পাহাড়ে উঠতে ভালবাসে। শুরু হয় তাদের চারজনের তাদের অঞ্চলের বিভিন্ন ছোটোখাটো আর বড় পাহাড়ে উঠা। শু্ধু কি পাহাড়ে উঠা, পাহাড়ে উঠতে যে বিভিন্ন প্রতিকূলতা আছে যেমনঃ মাউন্টেইনিং গিয়ার কেনা থেকে রান্না করা সব কিছুই তারা একসাথে মোকাবেলা করার চেষ্টা করে। কষ্ট করে পাহাড়ে উঠার পর পাহাড়ের উপর থেকে সুন্দর দৃশ্য দেখে যেই আনন্দ লাগে আর মনে যে একটা কিছু অর্জন করার ভাব আসে সেই অভিজ্ঞতা বার বার নিতেই তারা পাহাড়ে উঠে।

যারা অ্যানিমেই তে সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে পছন্দ করেন তারা দেখতে পারেন। স্লাইস অফ লাইফ জনরা এর এই অ্যানিমে টাতে একটু হলেও Non Non Biyori এর মতো ভাব পেতে পারেন। জাপানের বিভিন্ন পাহাড়ে উঠতে না পারলেও এই চারজনের পাহাড়ে উঠা এখানে দেখতে পারবেন। বেশ রিফ্রেশিং একটা অ্যানিমেই। অ্যানিমেই টা দেখলে পাহাড়ে উঠার কিছু টিপস তো পাবেন ই এত সুন্দর সুন্দর পাহাড়ের সুন্দর সুন্দর দৃশ্য দেখলে মন ভরে জেতে বাধ্য। পাহাড়ে উঠতে যে আসলেই কত মজা তা এই অ্যানিমেই টা দেখলে বুঝতে পারবেন। আমি নিজেও এই অ্যানিমেই টা দেখে বেশ মোটিভেটেড হয়েছিলাম মাউন্টেইন ক্লাইম্বিং এর জন্য। অ্যানিমেই টার এন্ডিং সং টাও বেশ রিফ্রেশিং (https://www.youtube.com/watch?v=kbhKw8mtIWA)

MAL rating: 6.80
আমার রেটিং : 7
Genre: Slice of Life
Total episode: 12

Ongoing-anime suggestion:

14

 

Yama no Susume: Second Season:

Yama no Susume অ্যানিমে টার ই সেকেন্ড সিসন এই অ্যানিমেই টা। এই সিসন এও মেয়ে ৪ টা বিভিন্ন পাহাড় এ উঠে আর পাহাড়ে উঠার আরও অনেক সহজ উপায় শিখে। এইদিকে আওই এর ফুজি পাহাড় দেখার খুবই বেশি ইচ্ছা তাই অন্যরা সবাই মিলে ঠিক করে আওই কে সারপ্রাইস দেয়ার। এই সিসনের ওপেনিং আর এন্ডিং সং ও বেশ ভালোই। আর এই সিসনের প্রত্যেকটা এপিসোড ১৫ মিনিট করে। ১৫ মিনিট এর একটা রিফ্রেশিং এপিসোড একবার দেখেই ভালো লাগবে। তাই দেরি না করে এখনি দেখে ফেলুন।

MAL rating:7.08
আমার রেটিং : 8

Perfect Blue (movie) suggestion by Monirul Islam Munna

Genre: Drama, Psychological

‘মিমা কিরিগোয়ে’ খুব পপুলার একটা পপ আইডল গ্রুপ ‘ চাম’ এর অন্যতম জনপ্রিয় মেম্বার। অন্যতম বলার চেয়ে সব চেয়ে পপুলার বলাটাই মনে হয় ঠিক হবে।, কারণ জনপ্রিয়তার অন্যতম বিড়ম্বনা বিশাল ফ্যান বেইস, স্টকার, ইন্টারনেট বিভিন্ন রকমের ফেন ওয়েবসাইট ( মিমা কি করছে না করছে, তার ফ্যান মেইড ডাইরি) সব জুড়ে গিয়েছিল তার জীবনের সাথে!!
তবে পপ আইডলের খ্যাতি ছেড়ে, অভিনেত্রী হওয়ার নতুন স্বপ্নের পথে পারি দিলো মিমা। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারে নি, মিমার পাগলা ফ্যান বেইস। ইন্টারনেটের তার সেই পেইজে কখনও কখনও উদ্ভট সব তথ্য, আবার কখনও মিমাকে হুমকি! আর স্বপ্নের পথে যতই এগিয়ে যেতে সাথে মিমা, একে একে খুন হতে থাকে কাছের মানুষগুলো!! আর বাস্তবতা এমন কঠোরতার কাছে নিজেকে হারিয়ে ফেলতে থাকে মিমা। বাস্তব আর কল্পনিক জগতের এক মিশ্রণে হারিয়ে সে নিজেকে!!!

মুভি নিয়ে আর কিছু বলছি না। স্পয়লার হয়ে যাবে। তবে এই টুকু বলতে পারি, এটা একটা মাইন্ড ফ** এনিমে
চরিত্র, কাহিনী, মিউজিক সবই ভালো। এটা ১৯৯৮ সালের এনিমে,তাই আর্ট একটু পুরনো। তবে মুল চরিত্র ‘মিমা কিরিগোয়ে’ কাওাই
আর এনিমেতে নিউডিটি আছে, তাই সাবধানে দেখবেন
MAL rating: 8.1
আমার রেটিংঃ ৯.০