এফ এ সি ৫৭

রান্ডম টপিক

ইওসাকই[よさこい]

জাপানের এক ধরনের ঐতিহ্যবাহী নাচ. মূলত ইউকাতা বা হাপি কোট পরে এই ধরনের নাচ পরিবেশন করা হয়. সাধারণত এই নৃত্যদল বেশ বড় হয়, এবং নাচগুলো হয় যথেষ্ট গন্ডগোল করে. ইনস্ট্রুমেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয় নারুকো নামের একটা খঞ্জনির মত বাদ্যযন্ত্র।

রিসেন্টলি শুধুমাত্র ইওসাকইকে উপলক্ষ করে একটা আনিমে রিলিজড হয়েছে, হানায়ামাতা। এছাড়া গোল্ডেন টাইমসহ বহু আনিমেতে এই নাচ পাবেন।

 

 

আনিমে সাজেশন

 জোশিরাকু[Joshiraku]

মঞ্চে পাঁচজন যুবতীর জাপানের ঐতিহ্যবাহী পরিবেশনা। কিন্তু মঞ্চের পিছনে কি হচ্ছে? তাদের দৈনন্দিন জীবনেই বা ঘটছেটা কি?

কেন দেখবেনঃ স্লাইস অব লাইফ+প্যারোডি+কমেডি। ওপেনিং আর এন্ডিং সং খুব উপভোগ্য। সায়োনারা জেতসুবো সেন্সেই এর ক্রিয়েটরের বানানো।

কেন দেখবেন নাঃ বেশিরভাগ গ্যাগই জাপানের সংস্কৃতির বিভিন্ন দিকের সাথে জড়িত। সব রেফারেন্স নাও বুঝতে পারেন। তাছাড়া স্লাইস অব লাইফ+গ্যাগ সবার জন্য সুটেবল জন্রা না।

ম্যাল রেটিং: ৭.৫৯

আমার রেটিং ৮

 

মাঙ্গা সাজেশন

জোজো’স বিজার এডভেঞ্চার পার্ট ৬:স্টোন ওশ্যান[JoJo’s Bizarre Adventure Part 6:Stone Ocean]

তাকে ঘিরে গভীর ষড়যন্ত্রের কথা যখন কুজো জৌলিন জানতে পারল, ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। জেলে তাকে সাজা খাটতে হবে ১৫ বছরের বেশি, সেই সাথে ইনমেটদের নানা ধরনের বুলিং তো আছেই। তার বাবা তাকে বাঁচাতে গিয়ে ঢলে পড়ল কোমায়, ওদিকে যাজক সাহেবের কর্মকাণ্ডে যে পাওয়া যাচ্ছে জোস্টার পরিবারের অতীত শত্রুর গন্ধ! কিন্তু জৌলিনের শরীরে তো তার বাবারই রক্ত বইছে! স্টোন ফ্রি নামের স্ট্যান্ড নিয়ে সে কি এই পাথুরে সাগরে টিকে থাকতে পারবে? সে কি পারবে, “স্বর্গে” আসীন না হতে?

কেন পড়বেনঃ আরাকি হিরোহিকোর আঁকা হয়েছে আরও ভালো। প্রথম মহিলা জোজো, তার মানে আছে কোয়ালিটি ফ্যান্সারভিস। কিন্তু আরাকির ফোকাস কি ফ্যান্সারভিসে? উহু। অদ্ভুতুড়ে প্লট, আকর্ষণীয় সব স্ট্যান্ড, আর ধুন্ধুমার মারামারি, জোজোর আসল নির্যাস এই ইন্সটলমেনটেও উপস্থিত। আর এর সমাপ্তি মাঙ্গা জগতেরই সবচেয়ে আলোচিত সমাপ্তিগুলোর একটা।

কেন পড়বেন নাঃ একটাই কারণ থাকতে পারে, যদি আপনার আরাকির আঁকার স্টাইল ভালো না লাগে। আর কোন কারণ পাচ্ছি না।

ম্যাল রেটিং: ৮.২৫

আমার রেটিং ৯

 

এফ এ সি ৫৬

রান্ডম টপিক

রসনাবিলাস ৩: ফুগু

জাপানীরা কাঁচা মাছ খাওয়ায় ওস্তাদ। সামুদ্রিক এমন কিছু নেই যা তারা খায় না, এমনকি আগাছাও। কাঁচা মাছ চমৎকার করে স্লাইস করে ওয়াসাবিসহ আরও কিছু দিয়ে তারা পরিবেশন করে সুশি আর সাশিমি। তবে এসব মাছের মধ্যেও ইন্টারেস্টিং হল ফুগু। ফুগু মাছের মধ্যে টেট্রোডটক্সিন নামের এক ধরনের ভয়াবহ বিষ আছে, যেটার পুঁটলি শুধু এক্সপার্ট সুশি শেফরাই তাদের ডেলিকেট হাতযশে সরাতে পারে, এবং এজন্য তাদের লাইসেন্স নেবার দরকার হয়.  এই বিষের কোনো প্রতিষেধক নেই। প্রতি বছরই প্রচুর লোক মারা যায় ফুগু খেতে গিয়ে, তবুও তারা এই জিনিস খায়। কারণ জানতে গেলে জনৈক জাপানী বলেন, “কারণ ফুগু খেতে ভারী মজা।”

 

আনিমে সাজেশন

ব্যাম্বু ব্লেড[Bamboo Blade]

বাস্কেটবল, সকার, আমেরিকান ফুটবল, বেসবল, টেনিস, অনেক খেলা নিয়েই তো আনিমে দেখেছেন। কিন্তু পুরোপুরি কেনদোর প্রতি ডেডিকেটেড কোন আনিমে দেখেছেন?

কেন দেখবেনঃ খুব ভালো স্পোর্টস কমেডি। এর মধ্যে তামা চান বলে একটা চরিত্র আছে, তার কার্যকলাপ দেখতে খুব ভাল্লাগে।

কেন দেখবেন নাঃ তেমন কোন কারণ নেই।

ম্যাল রেটিং: ৭.৫৩

আমার রেটিং: ৭

 

মাঙ্গা সাজেশন

 লাইফ ইজ মানি[Life is Money]

১০ জনকে রান্ডমলি ধরে নিয়ে যাওয়া হল এক গোপন গেম শোতে। এতে যে জিতবে, সেই হবে অঢেল সম্পদের মালিক। তবে সমস্যা একটাই, এজন্য বাজি রাখতে হবে নিজের জীবন! একের পর এক অংশগ্রহণকারী মরতে লাগল রহস্যজনকভাবে। এখন উপায়?

কেন পড়বেন/ পড়বেন নাঃ  একটা দারুন সেটিংকে কিভাবে গলা টিপে মেরে ফেলতে হয়, তার খুব ভালো উদাহরণ এই মাঙ্গা। শুরুটা ছিল চমৎকার, শেষে গিয়ে এমন জমাটি কাহিনী কিভাবে বেখাপ্পা হয়ে গেলো, কিছুই বুঝলাম না।

ম্যাল রেটিং: ৭.৫৯

আমার রেটিং: ৬

এফ এ সি ৫৫

রান্ডম টপিক

জাপানী লেডি গাগা

তাকেমুরা কিরিকো। স্টেজ নাম কিয়ারি পামিউ পামিউ। গান গেতে পারেন বেশ সুন্দর, সেই সাথে অনেকের কাছেই তিনি সুন্দরী। বর্তমান সময়ে জাপানের জনপ্রিয় আইডলদের একজন। লাইমলাইটে এসেছেন মূলত পনপনপন[http://www.youtube.com/watch?v=yzC4hFK5P3g] গান করে। তবে জাপানের বাইরে তিনি যে কারনে বেশি আলোচিত, সেটা হল তার গানের মিউজিক ভিডিও। অদ্ভুতুড়ে সব পোশাক, সেই সাথে যত উদ্ভট জিনিশ আপনি চিন্তা করতে পারবেন[এবং পারবেন না], কিয়ারির গানের ভিডিওতে এর সবই আছে। দেখুন http://www.youtube.com/watch?v=teMdjJ3w9iM

মনোগাতারি সিরিজের একটা চমৎকার এএমভিতে কিয়ারির নিঞ্জারি ব্যাং ব্যাং গানটা ব্যবহৃত হয়েছে, চেক করে দেখতে পারেন[NSFW]। http://www.youtube.com/watch?v=lYkkhehAxWQ

বর্তমানে কিয়ারি সিকাডাদের নিয়ে মহা ব্যস্ত:

 

 

আনিমে সাজেশন

ইরেস্পন্সিবল ক্যাপ্টেন টাইলার[Irresponsible Captain Tylor]

টাইলারের জীবনের লক্ষ্য ছিল একটাই, সেটা হলো ডেস্ক জব করে শান্তিতে অবসর জীবন কাটানো। কিন্তু ভাগ্যের ফেরে তাকে হতে হলো নতুন এক স্পেসশিপের ক্যাপ্টেন, যার ক্রুরা তাকে গ্রহণ করলো না প্রথম থেকেই। সামনে আসছে ভয়াবহ যুদ্ধ, টাইলার এই দায়িত্ব সামলাতে পারবে তো?!

কেন দেখবেনঃ অনেকটা গ্রেট টিচার অনিজুকার মতো ভাইব আছে, সমস্যা সমাধানের জন্য টাইলারের যেসব কায়দা, সবই মনে হয় বোকামি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবই ফলপ্রসূ। এছাড়া মোটামুটি ভালো সাই-ফাই স্লাইস অব লাইফ।

কেন দেখবেন নাঃ পরের পর্বে যাবার ড্রাইভ সব সময় পাবেন না। তেমন ধারাবাহিক কাহিনী না। মনে দাগ কাটার মতো চরিত্র খুব একটা নেই।

ম্যাল রেটিং: ৮.০১

আমার রেটিং: ৭

 

মাঙ্গা সাজেশন

গিও[Gyo]

ওকিনাওয়াতে বান্ধবীকে নিয়ে যাওয়া ছিল মস্ত বড় ভুল, এটা তাদাশি যখন বুঝল ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। ফশ ফশ করে ও কিসের শব্দ? পোকার মত দ্রুতগতিতে দৌড়ে যাওয়া ওগুলো কি আসলেই পৃথিবীতে জন্ম নেয়া কিছু? কেন বাতাসে শুধুই পচা লাশের গন্ধ? স্থলচর হাঙ্গর যখন তার করাল দাঁত বের করে চিবোতে আসল, ব্যাপার হয়ে দাঁড়ালো আরও ঘোরালো। রহস্যের ঘ্রাণ এর চেয়ে বাজে কখনোই হয়নি।

কেন পড়বেনঃ ইতো জুঞ্জির কাজ, মানেই স্বাভাবিক হরর আবহ। বোনাস যে দুটো গল্প দেয়া হয়েছে, তার মধ্যে দ্বিতীয় গল্পটা আমার পড়া অন্যতম সেরা হরর কাহিনী।

কেন পড়বেন নাঃ কোন কারণ নেই।

ম্যাল রেটিং: ৭.৪১

আমার রেটিং: ৮

এফ এ সি ৫৪

রান্ডম টপিক

সেপ্পুকু[Seppuku]

সামুরাইদের নিজস্ব জীবনদর্শন ছিল, একে বলা হত বুশিদো। দায়িত্বপালনে ব্যর্থ হলে তারা নিজেদের ডিসগ্রেস ঢাকতে এবং প্রভুর সম্মান রক্ষার্থে আত্মহত্যার পথ বেছে নিত। তবে পদ্ধতিটা বিষ খেয়ে বা গলায় ফাঁস নিয়ে মরার মতো কিছু না, তারা সুতীক্ষ্ণ তলোয়ার পেটের মধ্যে ঢুকিয়ে পেট চিরে ফেলত, যতক্ষণ না তাদের অন্ত্র বেরিয়ে আসে। নিঃসন্দেহে এটা সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যুর মধ্যে একটা, যেহেতু এতে ধুঁকে ধুঁকে মরার সম্ভাবনা বেশি।

অনেকে সেপ্পুকুকে সুডোকু বলে, দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস।

 

আনিমে সাজেশন

ইয়ুগো দ্য নেগোশিয়েটর[Yugo the Negotiator]

ইয়ুগো হচ্ছে পেশাদার মধ্যস্থতাকারী। পরিস্থিতি যতই এক্সট্রিম হোক, দুই পার্টি যতই ভয়াবহ হোক, সে তার দায়িত্ব পালনে অবিচল। কিন্তু সবসময় কথায় কি আর চিঁড়ে ভেজে?

কেন দেখবেনঃ সংলাপনির্ভর, বাস্তবতার আলোকে দেখলে একে মোটের উপর ভিন্নধর্মী একটা আনিমে বলাই যায়।

কেন দেখবেন নাঃ অসাধারণ কিছু না। একটা দুর্দান্ত ওয়ান ম্যান শো হতে পারত, কিন্তু মূল চরিত্রের কারিশমা অনেক কম, ভুলে যাবার মতো।

ম্যাল রেটিং: ৭.২৬

আমার রেটিং: ৬

 

মাঙ্গা সাজেশন

সাকামতো দেসু-গা?[Sakamoto Desu-ga?]

সাকামতো হচ্ছে পারফেক্ট একজন হিউম্যান বিং। সে যাই করে, সবই যেন জীবনমঞ্চে তার অসাধারণ পারফরম্যান্স। তার এডমায়ারার যেমন আছে, শত্রুরও অভাব নেই। এদের সাথে সাকামতোর দৈনন্দিন ঘটনা নিয়েই এই মাঙ্গা।

কেন পড়বেনঃ দারুন আঁকা, হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরিয়ে দেবার মতো গ্যাগ এলিমেন্ট।

কেন পড়বেন নাঃ তেমন ধারাবাহিক কোন কাহিনী না, প্রতি চ্যাপ্টারে সাকামতোর কোন একটা ঝামেলা নিয়ে কাহিনী। মানে এক চ্যাপ্টার পড়ার পর অন্য চ্যাপ্টার পড়ার ড্রাইভ নাও থাকতে পারে।

ম্যাল রেটিং: ৮.১৩

আমার রেটিং: নেই কারণ অন্গিং।

 

এফ এ সি ৫৩

রান্ডম টপিক

:3

সম্ভবত একমাত্র ইমোটিকন যেটা আনিমে থেকে এসেছে। এর অর্থ হল বিড়ালের মুখ। কিউট কোন কিছু বোঝাতে এর ব্যবহার। যেমনঃ “এই এই দ্যাখো, ওই পিচ্চিটা কি কিউট! :3”

আমাদের দেশে অনেকেই এর অর্থ না বুঝে তাদের চ্যাটে বা ফেসবুক পোস্টে এই ইমো ব্যবহার করেন। ব্যাপারটা অনেকটা “জানিস, আজকের হ্যাংআউটটা না জোস হইসে! :'( 🙁 :I” স্ট্যাটাস দেয়ার মতই।

এরকম মুখওয়ালা আনিমে ক্যারেক্টার আছে প্রচুর, সবচেয়ে জনপ্রিয় আর পরিচিত সম্ভবত লাকি স্টার এর ইজুমি কোনাতা।

 

আনিমে সাজেশন

 রোজ অব ভারসাইলেস[Rose of Versailles]

ফরাসী বিদ্রোহের আনিমে টেইক। মানব-মানবীর সম্পর্কের এক দারুন উপাখ্যান।

কেন দেখবেনঃ ঐতিহাসিক আনিমে এম্নিতেই কম, সেদিক থেকে এই আনিমে যথেষ্ট ইউনিক। ক্লাসিক এক আনিমে, যার আছে আকর্ষণীয় কাহিনীবিন্যাস আর চরিত্রায়ন। অবশ্যই এটা ইতিহাস নয়, ঐতিহাসিক উপন্যাসের মতই এতে কল্পনার রঙ চড়ানো, কিন্তু এতে জিনিসটা হয়েছে আরও স্বাদু।

কেন দেখবেন নাঃ আর্ট স্টাইল বাজে লাগতে পারে। বিশাল বিশাল চোখের পাপড়ি, স্পারক্লিং ক্যারেক্টার, এদের দেখতে খুব একটা ভালো লাগার কথা না। এছাড়া মেরি আঁতোয়ানেতের চরিত্রের উপর মাঝে মাঝে মেজাজ খারাপ করে কম্পিউটার ভাঙার ইচ্ছা হতে পারে।

ম্যাল রেটিং: ৮.৪৩

আমার রেটিং: ৮

 

মাঙ্গা সাজেশন

জোজো’স বিজার এডভেঞ্চার পার্ট ৫:ভেনটো ওরেও[JoJo’s Bizarre Adventure Part 5: Vento Aureo]

জিওরনো জিওভান্নার একটা স্বপ্ন আছে, সে মাফিয়া গ্যাঙের সদস্য হয়ে এর চূড়ায় উঠবে, আর এর মাধ্যমে পাল্টে দেবে পুরো ইতালির খোলনলচে। ডিও ব্র্যান্ডোর ছেলে যখন, বিদ্রোহ তো তার রক্তেই, তাই না? সদস্য হিসেবে তার উপর প্রথম দায়িত্ব পড়ল গ্যাঙের বসের মেয়েকে প্রটেকশন দিয়ে তাকে বসের কাছে নিয়ে যাওয়া। লঞ্ছ থেকে উধাও হয়ে গেলো তার সহকর্মীরা, ট্রেনে তাদের উপর আক্রমণ করল জরা, এমনকি আকাশপথে গিয়েও নেই শান্তি! শুরু হল পুরো ইতালি জুড়ে এক রোলারকোস্টার রাইড! অবশেষে রোমের কলাসিয়ামে মুখোমুখি হল রক্তরাজ ডিয়াভলো আর জিওজিও!

এটুকু পড়েও নিশ্চিত হতে পারছেন না মাঙ্গাটা পড়বেন কিনা? কথা দিচ্ছি, এটা আপনার জন্য এক স্বর্ণালী অভিজ্ঞতা হয়েই থাকবে!

কেন পড়বেনঃ আরাকির আঁকা হয়েছে আরও আকর্ষণীয়, দারুন ডিটেইলড। ভেনটো ওরেওর জন্য আরাকির টেইক ছিল ভিন্ন, পুরো সিরিয়াস এক কাহিনী, পার্ট ৪ এর গ্যাগগুলোর কোন চিহ্নই এখানে নেই। টানটান উত্তেজনা, এক মুহূর্তের জন্যও দম ফেলার জো নেই। স্ট্যান্ড কনসেপ্টের পুরো ব্যাখ্যা এখানে আছে, সেই সাথে মেটালিকা, স্পাইস গার্ল এর মতো  নতুন সব স্ট্যান্ড তো আছেই।

কেন পড়বেন নাঃ তেমন কোন কারণ খুঁজে পাচ্ছি না।

ম্যাল রেটিং: ৭.৯৮

আমার রেটিং ৯

 

এফ এ সি ৫২

রান্ডম টপিক

মেইড কিসসা[Maid Cafe]

আনিমে/মাঙ্গা দেখে আমাদের মেইড ক্যাফে সম্পর্কে বেশ রোমান্টিক কিছু ধারণা হয়েছে। দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে এসব ধারণা আসলে ভুল। মেইড ক্যাফের বেশিরভাগ কাস্টমার হচ্ছে বুড়ো পারভারটের দল, যাদের কাজ হচ্ছে অল্প বয়সী মেয়েদের মলেস্টেশন[এর ভালো বাংলা আপাতত পাচ্ছি না]। মেইডরাও এসবকিছুই মুখ বুজে সহ্য করে যায়, কারণ মোটা অঙ্কের টিপস। তাদের এত টাকা দরকার কেন? যদিও বেশিরভাগ জাপানী পরিবার সেলফসাফিশিয়েন্ট, কিন্তু ঐ পরিবারের ছেলেমেয়েদের ফ্যাশন আর প্রযুক্তির ব্যাপারে মারাত্মক আগ্রহ। এসব শখের দাম মেটানোর জন্যই এই পন্থা অবলম্বন।

 

আনিমে সাজেশন

উতাওয়ারেরুমনো[Utawarerumono]

স্মৃতিহারা রহস্যময় এক লোক ঘটনাচক্রে হয়ে গেল এক সম্প্রদায়ের নেতা. কি অপেক্ষা করছে তার সামনে?

কেন দেখবেনঃ ইন্টারেস্টিং কাহিনী, সাউন্ডট্র্যাক, বিশেষ করে ওপেনিং ট্র্যাকটা তো অসাধারণ। বেশ কিছু ভালো টুইস্ট আছে.

কেন দেখবেন নাঃ তেমন কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছি না.

ম্যাল রেটিং: ৭.৮০

আমার রেটিং ৮

 

মাঙ্গা সাজেশন

জোজো’স বিজার এডভেঞ্চার পার্ট ৪: ডায়মন্ড ইজ আনব্রেকেবল[JoJo’s Bizarre Adventure Part 4: Diamond is Unbreakable]

ইওশিকাগে কিরা শান্তশিষ্ট নির্বিরোধী গোছের মানুষ। একজন কর্তব্যপরায়ণ সেলস্ম্যান, সময়ানুবর্তী, কাজ শেষে বাড়িতে গিয়ে আরাম করে ঘুমায়। একজন কাঙ্ক্ষিত ব্যাচেলর, মাঝে মাঝে ডেটে যায়, মেয়েদের হাত ধরে ঘুরতে তার খুব ভালো লাগে। তবে সমস্যা একটাই, সেই হাত হল কব্জি পর্যন্ত, শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা।

এই ভয়াবহ সাইকোপ্যাথ খুনীকে ধরতে তার শহরে এসে হাজির হল কুজো জোতারো। সাথে যোগ দিল তার দাদা জোসেফের অবৈধ সন্তান, অর্থাৎ তার চাচা, হিগাশিকাতা জোস্কে। স্টার প্লাটিনাম আর ক্রেজি ডায়মন্ডের জন্য কি অপেক্ষা করছে? কিলার কুইন, আর রেড হট চিলি পিপারস!

কেন পড়বেনঃ বলতেই হবে, আরাকির আর্ট দিনকে দিন ইম্প্রুভ করেছে। দুর্দান্ত ব্যাকগ্রাউন্ড, প্যানেল, ডিটেইলিং। প্রয়োজনমতো গ্যাগ। ফাটাফাটি এবং আঙ্কনভেনশনাল অ্যাকশান তো আছেই। স্ট্যান্ড কনসেপ্টের উৎস সম্পর্কে কিছু ব্যাখ্যাও পাবেন।

কেন পড়বেন নাঃ তেমন কোন কারণ নেই।

ম্যাল রেটিং: ৮.৫৭

আমার রেটিং ৮

এফ এ সি ৫১

রান্ডম টপিক

আহোগে[Ahoge]

অনেক আনিমে ক্যারেক্টারেরই চুলের সামনের এক গোছা অদ্ভুত এন্টেনার মত ,সেগুলো মনে হয় জীবন্ত, নিজেদের ইচ্ছামত নড়াচড়া করতে পারে। এদেরকে বলে আহোগে, বা সিলি হেয়ার। আহোগেওয়ালা পরিচিত কিছু চরিত্র হচ্ছে ইজুমি কোনাতা[লাকি স্টার], নিজিমা হারুও সামা[কেনিচি], এলিস[হায়াতে নো গতোকু], নিয়ারুকো[হাইওরে নিয়ারুকো সান], সেবার[ফেইট/স্টে নাইট/জিরো] ইত্যাদি।

http://25.media.tumblr.com/tumblr_lxgtdm4Q4Z1r3rv51o1_500.gif

 

আনিমে সাজেশন

গ্র্যাপ্লার বাকি[Grappler Baki]

হানমা ইউজিরো, ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ। তাকে খুন করার জন্য হন্যে হয়ে খুঁজছে তারই ছেলে বাকি। কেন?

কেন দেখবেনঃ দারুন অ্যাকশন, ফার্স্ট সিজন কাহিনী, আর সেকেন্ড সিজন টুর্নামেন্ট বেইসড. উত্তেজনার অভাব নেই. সাউন্ডট্র্যাকও বেশ ভালো।

কেন দেখবেন নাঃ হানমা বাকি সবচেয়ে বাজে মেইন ক্যারেক্টারদের মধ্যে একজন। ভিজুয়াল এসপেক্ট এত ভালো না.

ম্যাল রেটিং: ৭.৩৯+৭.৪৫

আমার রেটিং ৭+৭[ওভারঅল সাড়ে সাত দেয়া যায়]

 

মাঙ্গা সাজেশন

লুডউইগ কাকুমেই+লুডউইগ গেন্সোকিওকু[Ludwig Kakumei+Ludwig Gensoukyoku]

রাজকুমার লুডউইগ ভ্রমণ করে বেড়াচ্ছে, লক্ষ্য তার উপযোগী সুন্দরী স্ত্রী খোঁজা। আর এই ক্যান্ডিডেটদের মধ্যে কারা আছে? হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান এন্ডারসন আর গ্রিম ভাইদের রূপকথার সেই রাজকুমারীরা!

কেন পড়বেনঃআকর্ষনীয় আঁকা, গল্প বলা. পরিচিত চরিত্রগুলো  টুইস্টেড অবস্থায়, মন্দ কি?

কেন পড়বেন নাঃ খানিকটা ইয়াওই ভাইব আছে, এচি কন্টেন্ট তো আছেই, কারণ রাজকুমারীদের অবশ্যই well endowed হতে হবে. যা বোঝার বুঝে নিন.

ম্যাল রেটিং: ৮.২৫+৭.৫০

আমার রেটিং নেই, কারণ সেকেন্ড সিজন অন্গিং।

 

এফ এ সি ৫০

৫০তম সংখ্যা উপলক্ষে ওয়ান-টাইম-অনলি রঙিন এফ এ সি. সবাইকে ধন্যবাদ, এতদিন ধরে এই সেগমেন্টকে সাপোর্ট করার জন্য।

রান্ডম টপিক

ইয়াওই[Yaoi]

জনপ্রিয়, কিন্তু ভুল একটা ধারণা হলো ইয়াওই মানে গে পর্ন। কিন্তু ব্যাপারটা তা নয়, সেটা বোঝা যাবে যদি আপনি কোয়ালিটি ইয়াওই আনিমে দেখেন [বি অক্ষর দিয়ে শুরু সেই মহা কুখ্যাত আনিমেটা না, আপনি দেখতে পারেন জুনজো রোমান্টিকা [Junjou Romantica] বা সেকাইইচি হাত্সুকোই [Sekaiichi Hatsukoi]।]

ইয়াওই রিলেশনশিপে অন্যান্য জুটিদের মতই একজন থাকে ডমিন্যান্ট/একটিভ, তাকে বলে সেমে[seme], আর একজন সাবমিসিভ/প্যাসিভ, তাকে বলে উকে[uke]. এর চেয়ে বেশি ডিটেইলড পাবলিক গ্রুপে বলা শোভন না, উইকি ঘেটে নেবেন। সহজে বোঝার জন্য একটা ছবি দিয়ে দিচ্ছি।

জাপানে মেয়েদের কাছে ইয়াওই মাঙ্গা খুবই জনপ্রিয়, আকর্ষনীয় চেহারার পুরুষদের জন্য মূলত। যারা ইয়াওই পড়ে “কিয়াআ!” বলে অজ্ঞান হয়ে যায়, তাদেরকে বলে ফুজোশি [fujoshi]।

রেফারেন্স জানলে আনিমের মজা বুঝতে সুবিধা বেশি, তাই এই বিশেষ জ্ঞানদান. এখন বলুন তো, বারাকামনের চশমা পরা ভদ্রমহিলাকে কি বলা হবে?

জেনে রাখা ভালো, ২০১০ সালে এক গবেষণায় দেখা গেছে জাপানে ইয়াওই প্রোডাক্টের [আনিমে+মাঙ্গা+নভেল+ড্রামা সিডি ইত্যাদি] বাজার ২০ বিলিয়ন ইয়েনের বেশি।

আর না, আমার নাম ফারসেমে আহমেদ না, আমার প্রোফাইলে বাংলা ইংরেজি দুই বানানই দেয়া আছে।

 

আনিমে সাজেশন

সায়োনারা জেত্সুবো সেন্সে[Sayonara Zetsubou Sensei]

ইতোশিকি নোজোমু শিক্ষক হিসেবে একটু অন্যরকম। ভদ্রলোক ভয়াবহ ধরনের মেলানকলিতে ভোগেন। সব আনিমেতে তো আর মূল চরিত্রের  বিষণ্নতা দূর করার জন্য এলিয়েন, টাইম ট্রাভেলার আর এসপার আসবে না, তাই নোজোমু শুধুই আত্মহত্যা করতে চান. তার ক্লাসে যে ছাত্র-ছাত্রীরা আছে, তাদের আচরণও সুস্থ মানুষের মত না. এরকম একগাদা উদ্ভট চরিত্রের সম্মিলন মানে? ক্লাস তো না, একগাদা বর্ণময় চরিত্রের কারণে এ যেন সার্কাস।

কেন দেখবেনঃঅসাধারণ হিউমার, জাপানের বিভিন্ন কিছু নিয়ে ব্যঙ্গ/রসিকতা এমন হাই লেভেলে খুব কম আনিমেতেই করতে পেরেছে। সেই সাথে আছে সময়োপযোগী সাউন্ডট্র্যাক। আর মূল চরিত্রে কামিয়া হিরোশি, যিনি ইজায়া, ট্রাফালগার ল, লেভির মত চরিত্রের সেইয়ু।

কেন দেখবেন নাঃএই ফ্র্যানচাইজের ফ্যানবেস লিমিটেড। সবাই এই জিনিস হজম করতে পারে না. সামান্য নুডিটি, প্রচুর মাথা খারাপ করিয়ে দেয়া ডায়লগ আছে।

ম্যাল রেটিং: একগাদা সিকুয়েল আছে, চাইলে নিজেই ম্যাল চেক করুন। গড়ে ৮.

আমার রেটিং: ওভারঅল ৯

 

মাঙ্গা সাজেশন

সুবাসা রিজার্ভার ক্রনিকল[Tsubasa: RESERVoir CHRoNiCLE]

 

কুচক্রী জাদুকরের ষড়যন্ত্রে রাজকুমারী সাকুরার স্মৃতি চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে পালকের বেশে ছড়িয়ে গেল বিভিন্ন ডাইমেনশনে। প্রবল বর্ষণের মধ্যে তাকে নিয়ে রহস্যময়ী কুহকিনী ইউকোর কাছে ছুটে  গেল ছোটোবেলার বন্ধু শৌরন। কুহকিনী তাকে এক মাত্রা থেকে অন্য মাত্রায় যাবার ক্ষমতা দিল, তবে চাইল এর উপযুক্ত দাম, সাকুরার কাছে শৌরনের যত স্মৃতি ছিল সব. বেচারা শৌরন, ভালবাসার মেয়েকে বাঁচাতে পারলেও মেয়েটা যে কখনোই ভালবাসবে না তাকে! তবুও সে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, আর তার এই অভিযানের সঙ্গী এক পলাতক জাদুকর, আর এক নির্বাসিত যোদ্ধা। মহাকাব্যের মঞ্চ তো প্রস্তুত!

কেন পড়বেনঃপৌরাণিক গল্পের আভাস, মাত্রা ভ্রমণের সময় বিভিন্ন দেশের ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতি, মানবিক সম্পর্ক, সবকিছুই ভারী চমত্কার। ক্ল্যাম্প বরাবরই ডিটেইলড আর ভারী সুন্দর করে চরিত্রগুলো আঁকে, এই মাঙ্গাও এর ব্যতিক্রম নয়. রোমানস্, অ্যাকশন, ড্রামা, সাসপেন্স, সবই আছে. মাঙ্গাটার আরেকটা বৈশিষ্ট্য হলো, এটা ক্ল্যাম্পের অন্যান্য মাঙ্গার সাথে ক্রসওভার করেছে, যেমন হলিক, চবিটস ইত্যাদি। বলে রাখা ভালো, এর আনিমে সিরিজটাও ভালো, বিশেষ করে ইউকি কাজিউরার কম্পোজিশনে সাউন্ডট্র্যাকগুলো দারুন।

কেন পড়বেন নাঃওপেন এনডেড কাহিনী, তবে এর বিকল্পও কিছু ছিল না.

ম্যাল রেটিং ৮.৪০

আমার রেটিং ১০[সামান্য বায়াসড]

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৩৯ তম পার্ট By অরিন শারমিন

জাপানিজ শিক্ষাকার্যক্রমের ৩৯ তম লেসন

আজকে শিখাব “japanese honorifics” (এর আগে গ্রুপে একদিন একজন এটা নিয়ে প্রশ্ন করেছিল আজকে একটু বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব এটা নিয়ে )

আনিমে দেখতে গিয়ে আমরা সবাইই মোটামটি অনেক অনারিফিক্স শুনে থাকি.. আর অনারিফিক্স নামের শেষে লাগায় এইটাও মোটামটি সবার জানা থাকার কথা…..এখন ১মে মোটামটি কি কি অনারিফিক্স আছে সেগুলা আগে একটু বলি

কুন..সান ..চান..সামা..দোনো..সেন্সেই..হাকাসে..সেনপাই..কৌহাই..(এগুলা ছাড়াও আরও অনেক আছে..আজকে এই কয়টা নিয়েই কথা বলব)

কুনঃ  সাধারনত বয়সে ছোট বা সমবয়সী ছেলেদের নামের শেষে কুন লাগানো হয়..যেমন লুফি আর সানজি.. লুফি যেহেতু সানজির থেকে ছোট সানজি লুফিকে লুফি কুন বলতে পারে..আবার লুফি আর উসপ.. ২ জনই সমবয়সী ..এই জন্য এরা একে অপরকে নামের শেষে কুন লাগাইয়া ডাকতে পারে..সমবয়সী বা ছোট ছেলেদের নামের শেষে মেয়েরাও কুন লাগাইয়া ডাকতে পারে…কুন যে শুধু ছেলেদের নামের সাথে লাগান যায় তা না তবে মেয়েদের ক্ষেত্রে নামের শেষে খুবই কম ইউজ হয়..(ক্লোজ ফ্রেন্ড বা ফ্যামিলির কারোর সাথে ইউজ করা যেতে পারে)

সানঃ  সান যে কোন বয়সের যে কোন জেন্ডারের ক্ষেত্রে নামের শেষে লাগান যায়….বুঝায় যাচ্ছে নামের শেষে সান লাগান মানে তাকে সন্মান দেয়ার জন্য নামের শেষে সান লাগিয়ে ডাকা হচ্ছে…যেমনঃসানজি নামিকে নামি সান বলে ডাকে..বড় ছোট ছেলে মেয়ে সবার নামের শেষেই সন্মান দিয়ে ডাকার জন্য সান ইউজ করা যায়…

চানঃ চান ইউজ সাধারনত ইউজ করা হয় ছোট বাচ্চাদের,মেয়েদের নামের শেষে…বড়রা ইয়াং ছেলেমেয়েদের নামের শেষে লাগাতে পারে…কিউট কোন কিছুর সাথেও চান ইউজ করা হয়…আর ক্লোজ ফ্রেন্ড,ভালোবাসার মানুষ এর নামের শেষেও ইউজ করা যায় ..

সামাঃ  সামা হল সানের থেকেও বেশি সন্মানসূচক অনারিফিক্স..লোয়ার র‍্যাঙ্কের কোন ব্যক্তি তার থেকে হায়ার র‍্যাঙ্কের কাউরে সন্মান দিয়ে ডাকার জন্য সামা লাগায়..যেমনঃ কোনোহাগাকুরের মানুষজন তসুনাদে কে “তসুনাদে সামা” বলে ডাকে..বাসায় কোন গেস্ট আসলে বা দোকানে কোন কাস্টমার আসলে “ওকিয়াকসামা” বলে..গডের জাপানিজ হল “কামি”..জাপানিজরা “কামি সামা” বলে..

দোনোঃ  দোনো হল কোন সন্মানী ব্যক্তিকে সেই একই র‍্যাঙ্কের কোন ব্যক্তি সন্মান দেয়ার জন্য ইউজ করে..কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী আরেক দেশের প্রধানমন্ত্রী কে সন্মান দিতে নামের শেষে দোনো লাগাইতে পারে  .. তসুনাদে কে রাইকাগে “তসুনাদে দোনো” বলতে পারে…কোন হাই র‍্যাঙ্কের পারসন সেই হাই র‍্যাঙ্কিং এর আরেকজন কে সন্মান দিতে দোনো ইউজ করে… দোনো আর সামা ২ টাই বেশি রেস্পেক্টেড মানুষের ক্ষেত্রে ইউজ হয় কিন্তু ডিফারেন্স টা হল ঐটাই সামা নিচু র‍্যাঙ্কের মানুষরা আর দোনো সেম র‍্যাঙ্কের মানুষরা নামের শেষে লাগিয়ে ডাকে…

সেন্সেই আর হাকাসেঃ  সেনসেই ইউজ করা হয় টীচার,ডাক্তার,পলিটিশিয়ান,লয়ারস,আর্টিস্ট,লেখক এদের নামের শেষে সন্মান দেয়ার জন্য..কোন ব্যক্তি কোন একটা সার্টেইন কিছুর উপর দক্ষতা অর্জন করলে তার নামের সেন্সে লাগান যায়…অনেক বেশি এক্সপার্ট হলে হাকাসে বলে যেমনঃ প্রফেসর পদের কাউকে হাকাসে বলে..

সেনপাই আর কৌহাইঃ  স্কুল,কলেজ,ক্লাব,দোজো এসব জায়গার স্টুডেন্টরা  জুনিয়ররা সিনিয়রদের সেনপাই বলে আর সিনিয়ররা জুনিয়রদের কৌহাই বলে…অফিসেও সিনিয়র কলিগদের সেনপাই আর জুনিয়র কলিগদের কৌহাই বলা যায় (বসকে কিন্তু না 😛 )..সেনপাই কৌহাই লিটারেলি মিন করে senior junior…

আজকে এতটুকুই থাক..আশাকরি সবাই মোটামটি ক্লিয়ার হইছেন…মাতা নে 🙂

 

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৩৮ তম পার্ট By অরিন শারমিন

জাপানিজ শিক্ষাকার্যক্রমের ৩৮ তম লেসন

আজকে শিখাব শাকসবজির নাম 🙂

potato-jagaimo/poteto (আমি আলু খাই 😀 😛 )

onion-tamanegi

sweet potato-satsumaimo

ginger-shouga

garlic-ninniku

tomato-tomato

eggplant-nasu/nasubi

carrot-ninjin

broccoli-burokkorii

lettuce-retasu

cabbage-kyabetsu/Tamana

cauliflower-karifurawaa

cucumber-kyuuri

corn-toumorokoshi

এত এত সব্জির নাম লিখলাম আমি কিন্তু সবজি খাই না 😛 যাই হোক অনেকদিন বাদে আবার এক খানা লেসন দিলাম :3 আশা করি এই বছর নিয়মিত পোষ্ট করতে পারব জীবন গড়ে তুলার লেসন :3 মাতা রাইশু নে 🙂