Bakuman/Shirobako Comparison — Farhad Mohsin

শিরোবাকো দেখার সময় প্রথম থেকেই নানা কারণে বাকুমানের কথা মনে পড়ছিল। যতই দেখতে থাকি ততই মনে হচ্ছিল তুলনাটা আসলে অবান্তর।

বাকুমান শেষ পর্যন্ত স্লাইস অফ লাইফের চেয়ে অনেক বেশি একটা ব্যাটল নির্ভর রোমান্স আনিমে। বাকুমান আমি পড়েছি যখন এটা অনগোইং ছিল, পড়ার সময় বা পরে দেখার সময় আমি যে থ্রিল অনুভব করেছি সেটা সত্যি বলতে কি বেশিরভাগ মেইনস্ট্রিম ব্যাটল শোনেনেও আমার হয় নি।

Bakuman

শিরোবাকো আর যাইই হোক না কেন, একটা পিওর স্লাইস অফ লাইফই বটে, অবশ্য রোমান্স বা হাই-স্কুল না। এবং অনেক স্লাইস অফ লাইফ আনিমের ‘ওভারড্রামাটাইজেশন’ এর টেন্ডেন্সি থেকে মুক্ত। স্লাইস অফ লাইফের ক্ষেত্রে (বিশেষত শৌজোর ক্ষেত্রে) একটা অভিযোগ আসে যে এত আনরিয়েলিস্টিক ক্যারেক্টারাইজেশনের কিছুকে কোনভাবেই life-like বলা চলে না। সেখানে শিরোবাকোর ক্যারেক্টারদের ক্যারেক্টারাইজেশন/ডায়ালোগ এগুলো অনেক বেশি জীবনের কাছাকাছি।

Shirobako

এত ডিফারেন্সের পরেও আসলে ঘুরে ফিরে সেই ব্যাপারটাই চলে আসে যে Bakuman is a manga about creating manga, Shirobako is an anime about creating anime. আর দুই ক্যাটেগরেতেই মাঙ্গা/আনিমে ইন্ডাস্ট্রির মানুষের গল নিয়ে তৈরি করা এর থেকে ভালো আর কিছু নেই। এটাই শেষমেশ বাকুমান আর শিরোবাকোকে একই সাথে মাথায় এনে ফেলে।

সুতরাং আপনি যদি নতুন মাঙ্গা/আনিমে ফ্যান হয়ে থাকেন, কিংবা পুরানো হলেও কোন কারণে এটা না দেখা হয়ে থাকে, I suggest go for it. আপনার স্লাইস অফ লাইফ ভালো লাগুক আর নাই লাগুক, দেখে ফেলুন। এ দুইটা ভাল্লাগবে। একই সাথে এত পছন্দের ইন্ডাস্ট্রির সাথে জড়িত মানুষগুলোর জন্য অন্যরকম একটা রিস্পেক্টও তৈরি হবে।

মাঙ্গা সাজেশন: রিকি-ওহ[Riki-Oh] — Farsim Ahmed

কয়েদী রিকি-ওহ এর কাহিনী খুবই অদ্ভুত। ইচ্ছাকৃতভাবে মারামারি করে জেলে ঢুকেছে, যেন এর পিছনে তার কোনো উদ্দেশ্য আছে। সেই উদ্দেশ্য জানার জন্য অস্থির জেলার, যার উপরে কড়া নির্দেশ, রিকি-ওহকে কোনভাবেই শৃঙ্খলমুক্ত হতে দেয়া যাবে না। কিন্তু ব্যঘ্রহৃদয় রিকি-ওহকে কি দমিয়ে রাখা সম্ভব হবে?

কাহিনী মহা আকর্ষণীয় না, টুইস্টের অবতারণা করতে চেয়েছিলেন মাঙ্গাকা, কিন্তু তার প্রায় সবই আন্দাজযোগ্য, ফলে পুরো জিনিষটা হয়ে গেছে হাস্যকর। তবুও এটা পড়ার পরামর্শ দিচ্ছি, কারণ হচ্ছে দারুন ম্যানলি অ্যাকশন প্যানেল। ডিটেইলিং করতে মাঙ্গাকা কোনো আপোষ করেননি, সেই সাথে এনাটমি বুঝিয়ে দিয়েছেন ভারী দক্ষতার সাথে। মোদ্দা কথা, ফিস্ট অব দ্য নর্থ স্টার এর ভক্ত হলে এই মাঙ্গা পড়া মাস্ট, কারণ রিকি-ওহকে অনেকেই বলে কেনশিরোর alter-ego.

Riki-Oh

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৪৬ তম পার্ট By অরিন শারমিন

আজকে শিখাব “japanese counter”এর ২য় পার্ট

আগের দিনে কিছু কিছু জিনিসের কাউন্টার শিখান হয়েছিল…আজকে ১মে শিখাব মানুষ গনণা করতে জাপানিজরা কি কাউন্টার ইউজ করে…

সাধারণত সংখ্যার শেষে “নিন” লাগালেই হয় তবে কিছু কিছু আলাদা আছে…

১.হিতোরি (১ জন)
২.ফুতারি (২ জন)
৩. সান নিন (৩ জন)

….পরের গুলা ৩ এর মত একই নিয়মে হবে যেমনঃ ৫ জন- গো নিন, ৮ জন-হাচি নিন ইত্যাদি…

ছোট প্রাণী যেমনঃ খরগোশ,বিড়াল ইত্যাদি আবার মাছ ,পোকামাকড় এসব গোণার জন্য জাপানিজরা আলাদা কাউন্টার ইউজ করে…সাধারণত “হিকি” লাগায় তবে কিছু আলাদা আছে..

১.ইপ্পিকি
২.নিহিকি
৩.সানবিকি
৪.ইয়োনহিকি
৫.গোহিকি
৬.রোপ্পিকি
৭.নানাহিকি
৮.হাপ্পিকি
৯.কিউউহিকি
১০.জুপ্পিকি

ম্যাশিন,গাড়িঘোড়া গোণার জন্য সংখ্যার শেষে “দাই” লাগায়…যেমনঃ

১.ইচিদাই
২.নি দাই
৩.সানদাই

…..ইত্যাদি….বাকি গুলাও একই নিয়মে হবে…

বড় প্রাণী যেমন হাতি ঘোড়া এসবের জন্য সংখ্যার শেষে “তৌ” লাগায়…যেমনঃ

১.ইচি তৌ ২. নি তৌ ৮. হাচি তৌ ইত্যাদি… বাকিগুলাও একইভাবে হবে…

পাখি হলে সংখ্যার শেষ “ওয়া” লাগায়…যেমনঃ ৪. ইয়োন ওয়া ৭. শিচি ওয়া ১০. জু ওয়া ইত্যাদি….বাকিগুলাও সেম নিয়মে হবে…

বাড়িঘর হলে সংখ্যার শেষে “কেন” লাগায় তবে কিছু “গেন”ও লাগায় ……

১. ইক্কেন ২.নি কেন ৩.সানগেন ৪.ইয়োন গেন ৫. গো কেন ৬. রোক্কেন ৭. নানাকেন ৮. হাক্কেন ৯. কিউকেন ১০. জুউকেন

এমন আরো অনেক আছে কাউন্টার… যেমনঃ ফ্লোর গোণার জন্য কাই …১ তালা-ইক্কাই, ২ তালা- নিকাই ইত্যাদি….বয়সের জন্য সাই…৫ বছর বয়স হলে গো সাই…. ব্যক্তি/বস্তুর ওর্ডার নাম্বার দিয়ে বুঝানোর ক্ষেত্রে “বান”… যেমনঃ ইচিবান (১ম/ নাম্বারঃ১)..নি বান (২য় / নাম্বারঃ ২) ইত্যাদি….

 

আজকে এপর্যন্তই থাক…মাতা নে.. 🙂

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ত্রয়োবিংশতম পাঠ

কানজি কানজি কানজি

আজকের কানজি “friend”এর কানজি…উচ্চারণ “তোমো/ইউউ”

tomo-iyuu

তোমোদাচি-a friend/friends

এখানে তোমো এর জায়গায় এই কানজি টা বসে….

ইউউজৌ-friendship

ইউউকৌকোকু-a friendly nation

শিনইউউ-best friend

এসব ক্ষেত্রে ইউউ এর জায়গায় এই কানজি বসে

আজকে এইপর্যন্তই থাক…মাতা রাইশুউ