Fight no Akatsuki-Shaikh Mohammad Habib

এমন কিছু মাঙ্গা আছে যেগুলো পড়ার পর মনে হয় এই মাঙ্গা গুলোর অবশ্যই একটা অ্যানিমে অ্যাডাপ্টেশন হওয়া উচিত। কিন্তু কোন কারণে তা হয়নি। আমার মতে এরকম একটা মাঙ্গা হল “Fight no Akatsuki”। বাস্কেটবল নিয়ে লেখা মাঙ্গা গুলোর মধ্যে Slam Dunk কোন রকম কম্পিটিশন ছাড়াই সবার উপরে অবস্থান নিয়ে আছে। ইদানিং Kuroko no Basuke কে অনেকে Slam Dunk এর পরই স্থান দিবে। Weekly Shonen Jump এর হওয়ায় Kuroko no Basuke এর প্রচারণাও বেশি প্লাস অ্যানিমে সিরিজ তো আছেই। তবে আমার মতে Fight no Akatsuki এমন একটা মাঙ্গা যেটা পড়ার পর মনে হয়েছে একদম উচু মানের কোন স্পোর্টস মাঙ্গা পড়লাম। শুধু বাস্কেটবল না অন্য সব স্পোর্টস মাঙ্গা এর সাথে তুলনা করলেও একে আমি উচু অবস্থানে রাখব। একটা জমজমাট স্পোর্টস মাঙ্গার কাহিনীতে যা থাকে সবই এখানে আছে। নিজ স্কুলের বাস্কেটবল টিমে জায়গা করে নেয়ার জন্য মেইন ক্যারেক্টার এর পরিশ্রম, নতুন বন্ধুদের সাথে পরিচয় আর সাথে একজন রাইভাল আর ফাটাফাটি বাস্কেটবল ম্যাচ তো আছেই। তবে এই মাঙ্গার সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ হল এর প্রধান ক্যারেক্টার হিগাশিনো আকাতসুকি।কিউট,হাসি-খুশি এবং কুল ক্যারেক্টার এর আকাতসুকি আমার সবচেয়ে প্রিয় স্পোর্টস মাঙ্গার হিরোদের মধ্যে একজন। আর আরেকটা বিষয় না বললেই নয়, এই মাঙ্গার মূল থিম টা খুব মনে ধরার মত। যেটা আকাতসুকির ডায়ালগ থেকেই বলি, “Do you guys know the most important thing in playing Basketball? When I first started Basketball, a player told me… The most important thing in Basketball is to……..

8 Fight no Akatsuki

Sengoku Basara : Samurai Kings- by Matiur Rahman Minar

অস্থির একটা সিরিজ দেখতেসি। Sengoku Basara : Samurai Kings. সামুরাই ফ্যান হয়েও এতদিন ক্যান যে দেখি নাই!
As usual, another piece of history. যারা বিভিন্ন সামুরাই এনিমে দেখেছেন তাদের কাছে Battle of Sekigahara’র Oda Nobunaga, Sanada Yukimura, Sarutobi Sasuke নামগুলো পরিচিত হওয়ার কথা।
Sixth Heavenly Devil King Oda Nobunaga’র aggression ঠেকাতে Date Masamune, Sanada Yukimura ইত্যাদি সামুরাই দাইমিয়োদের নেতৃত্বে গঠিত হয় Samurai Alliance. এই দুই পক্ষের যুদ্ধ নিয়েই কাহিনী। সামুরাই অ্যাকশন সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নাই। যথারীতি সুপার্ব।

এটা দেখতে গিয়ে আরেকটা ওপেনিং সং পেলাম যেটা প্রত্যেক এপিসোডেই স্কিপ না করে শুনে যাওয়ার মত!
https://www.youtube.com/watch?v=jugi1GviRfI

9 Sengoku Basara

Neon Genesis Evangelion – Anime Nostalgia Series – লেখক রেড এলার্ট

12 Evangelion
“Even though a hedgehog may wish to get close to another hedgehog, the closer they get the more they injure each other with their spines.” – Ritsuko Akagi

নিওন জেনেসিস এভানগেলিওন, আনিমে ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত এবং ইন্ডাস্ট্রিয়ালি influential আনিমেগুলোর একটি। আনিমেটিকে ঘিরে নানানরকম সাইকোলজিক্যাল এবং সাইয়েন্টিফিক mambo-jumbo রয়েছে। কিন্তু রিভিউ সংক্ষিপ্ত করবার জন্য আমি তা এড়িয়ে যাব। প্রশ্ন হল, কেন জাপানিজ এনিমেশন ইন্ডাস্ট্রির জন্য এভানগেলিওন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?

For a huge number of reasons. Here is a nice list for you to follow.

১) যখন এভানগেলিওন ব্রডকাস্ট করা হল তখন জাপানসহ তৎকালীন বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দায় জরাজীর্ণ। জাপানের বহু নাগরিক অসচ্ছল ও বেকার জীবনযাপন করছিল। এছারাও খুব শীঘ্রই দ্বিতীয় মিলেনিয়াম শেষ হতে যাচ্ছিল ফলে বিশ্বে THE END IS NEAR জাতিও হট্টগোল শুরু হয়েছিল। Nostradamus’ prediction, মিলেনিয়াম ভাইরাস, টোকিও সাবওয়ের সারিন গ্যাস টেররিসম কিংবা পৃথিবী “ধ্বংস” হয়ে যাবার পূর্বেই সোলার সিস্টেমের কাছ দিয়ে যাওয়া ধূমকেতুর মাঝে “আত্মা বপণের” উদ্দেশ্যে জাপানে দলে দলে গ্রুপ সুইসাইডের ঘটনা ইত্যাদি মিলিয়ে সে দেশে অর্থনৈতিক এবং মানসিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। NGE এক বিধ্বস্ত নিকটবর্তী ভবিষ্যতের কথা বলে যেখানে মানুষকে অর্থনৈতিক সঙ্কট, ব্যাপক জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং বহিরাগত শত্রুর সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকতে হয়। এই ডার্ক থিমটা জাপানিজ অডিয়েন্স পছন্দ করে। তাদের ভবিষ্যৎ যেন তারা এভানগেলিওন এর আয়নায় দেখতে পাচ্ছিল।

বাজে সাব-ডাব ও ইকনমিকাল বিস্ফোরণের কারণে সে সময় বাকি বিশ্ব আনিমেটির মূল কনসেপ্ট ধরতে না পারলেও ১৫ বছর পর বৈশ্বিক অর্থনীতি যখন আবারো মন্দায় আক্রান্ত এবং “2012 marks the end of the world” জাতিও হাবিজাবি নিয়ে হইরই চলছে ঠিক তখনি এভানগেলিওনের পরিমার্জিত ভার্সন “Renewal” বের হবার পর আনিমেটি আলোচনার তুঙ্গে উঠে আসে।

২) Great production values. অর্থাৎ আনিমেটি KEWL VIUSAL এ পরিপূর্ণ। শুনতে যতই অপরিপক্ক মনে হক না কেন অধিকাংশ ওতাকু একটি সিরিসে সবার আগে এটিই খুজে এবং এভানগেলিওনের প্রমোশনাল মেথড হিসেবে এর ভিসুয়াল এফেক্ট ভালই কাজে দিয়েছে। আমি এমন অনেক আনিমের নাম করতে পারি যেগুলোর ভাল স্টোরিলাইন এবং ইন্টারেস্টিং cast থাকা সত্ত্বেও COOL VISUAL ওয়ালা আনিমের সাথে প্রতিযোগিতায় ব্যর্থ হয়েছে। তবে এভানগেলিওন মোটেও তেমনটি নয়। আনিমেটির এনিমেশনে ভাল-খারাপ দুটো দিকই রয়েছে, সাথে রয়েছে এর দুই ফাইনাল এপিসোড যেগুলোকে এনিমেশন না বলে badly drawn caricatures এবং random image flashing বললে মানাবে ভাল। আমরা সহজেই ধারণা করে নিতে পারি শেষের দিকে আনিমেটির ডিরেক্টর Hideaki Anno-র বাজেট ফুরিয়ে গিয়েছিল। তা সত্ত্বেও তিনি দর্শকদের উদ্দেশ্যে জগাখিচুড়ি প্লট আর দায়সারা এন্ডিং ছুড়ে মারেননি। বাজেটকে মধ্যম অঙ্গুলি প্রদর্শন করে একটি ক্রিয়েটিভ এন্ডিং প্রদর্শন করেছেন। অরিজিনাল এন্ডিং যদি কারো পছন্দ না হয় তবে তাদের জন্য The End of Evangelion নামক দু পর্বের আলটারনেটিভ এন্ডিংও তৈরি করেছেন তিনি। Bravo my good man.

৩) Interesting action scenes. Meaning, KEWL CRASHIN’ AN’ BLOWIN’ AN’ LAZERIN’ AN’ THE SHITZ! প্রত্যেকটি অ্যাকশন দৃশ্যে প্রতিপক্ষ হিসেবে ইউনিক দানবীয় হানাদার বায়োলজিক্যাল লাইফ ফর্ম তথা এঞ্জেল ব্যবহার করা হয়েছে। একেকটি এঞ্জেলের ডিজাইন এবং attitude একেক রকম এবং একেক জনকে মোকাবিলায় একেক রকমের সমরকৌশল প্রয়োজন। আনিমেটিতে SAO এর মতো কোন kill-em-all-magic-sword কিংবা রিপিটেড strategy নেই।

13 Asuka

 

৪) Deconstruction of the genre. এভানগেলিওনের শুরুটা হয় আর দশটা Mecha আনিমের মতই। বিশাল বিশাল সব মনস্টার ধেয়ে আসছে পৃথিবী তথা টোকিও ধ্বংস করতে আর একদল kawaii টিনেজার জায়ান্ট রোবটে চড়ে লড়াই করছে মানবজাতি রক্ষার্থে। ১৯৭২ সালে রিলিস পাওয়া আনিমে Mazinger Z এর পর থেকে Mecha genre অনেকটা এই ধরাবাঁধা নিয়মেই আটকে ছিল। আশির দশকের আনিমের ধাঁচটাই ছিল সহজ-সরল। কিন্তু Hideaki Anno-র নিওন জেনেসিস এভানগেলিওন এক ফুঁয়ে তৎকালীন Mecha genre এর এই mainstream ধাঁচটাকে উড়িয়ে দিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন রকম স্টোরিলাইন পরিবেশন করে। NGE এর স্টোরিলাইনে নানান রকম গোপন এজেন্ডা রয়েছে, many things that were not what they seemed, রয়েছে দর্শকের আন্দাজ এবং ধারণাকে বারবার ভুল প্রমাণিত করে মাথা ঘুরিয়ে দেয়া প্লট টুইস্ট, এবং এত সব মিলিয়ে শেষ পর্যন্ত পুরো গল্পটিই একটি রহস্যে পরিণত হয়েছে, অনেক প্রশ্নের উত্তর রয়ে গেছে অনুচ্চারিত। তবুও এমন দক্ষতার সাথে সেটি করা হয়েছে যে দর্শক মোটেও অসন্তুষ্টবোধ করবেনা। যেমনটি এর আগে কখনো করা হয়নি এবং এখনও বলতে গেলে করা হয়না। And even when it’s done, it’s usually around the mystery exposition quality of Bleach; so frakk it!

৫) Cute girls and fan service. Yep, NGE has that too. Happy you perverted freak? আনিমেটির প্রত্যেকটি নারী চরিত্র আকর্ষণীও এবং তাদের উন্নত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কিংবা সেক্সুয়াল দৃষ্টিভঙ্গিতে ভাগ বসানোর সুযোগ দর্শকদের দেয়া হয়েছে। Hell! স্কাইরাইজ বিল্ডিং সমান উচু রোবটের সাথে আকাশ ছোঁওয়া দানবের লড়াই যেগুলো আবার আধা থার্মোনিউক্লিয়ার বিস্ফোরকের (N² or non-nuclear weapon as said in NGE. Strongest conventional weapon ever created by humankind which are as powerful as nuclear bombs and generate an electro-magnetic pulse, but produce no radioactive fallout.) মুখেও দিব্যি হেঁটে বেড়ায়, ফ্যানসার্ভিস হিসেবে এগুলোই বা কম কিসে। Sure, স্মার্ট Hideaki আমাদের নতুন ধরনের Mecha আনিমে দেখালেও সকল ধরনের দর্শক এবং তাদের আকাঙ্খিত ফ্যানসার্ভিসের কথা ভুলে জাননি। আবার বেশীর ভাগ ডিরেক্টরের মতো টাকা কামানোর সস্তা উপায় হিসেবে ফ্যানসার্ভিসের মাধ্যমে পুরো সিরিসটি পরিপূরণও করে তুলেননি। NGE এর প্রত্যেকটি নারী সেক্সুয়াল আইকনের চেয়েও বেশী কিছু। তাদের প্রত্যেকের ব্যক্তিগত ও অনন্য mindset, দৃষ্টিভঙ্গি, চালচলন এবং পটভূমি রয়েছে।

Asuka এবং Rei, এভানগেলিওনের অন্যতম দুই চরিত্র, যথাক্রমে tsundere ও kuudere archetype এর আদি ও প্রথম উৎস (actually Urusei Yatsura did it first but it was Asuka who made it mainstream)।

৬) Complicated characters. যেমনটা উপরে উল্লেখ করা হয়েছে প্রত্যেকটি ক্যারেকটারের অনন্য মানসিকতা, দৃষ্টিভঙ্গি, চালচলন এবং পটভূমি রয়েছে। This is again something that was never done before in such a degree (হয়তোবা Legend of Galactic Heroes-কে এর বাহিরে ফেলা যায়)। এর আগ পর্যন্ত অন্যান্য আনিমেগুলোর প্লট মূলত দুয়েকটা প্রধান চরিত্র কেন্দ্র করে আবর্তিত হতো এবং বাকিরা ব্যাকগ্রাউন্ড ডেকোরেশন হিসেবে পড়ে রইত। কিন্তু এভানগেলিওনে প্রত্যেকেরই কোন একটি এজেন্ডা আছে এবং তারা কাহিনীকে প্রভাবিত করছে।

 

7) You won’t forget it. No matter how many anime you know of, old or new, this show will forever be remembered… even if you end up hating it. Because there are many series you may like while you watch them but one week later you end up forgetting them or have no reason to rewatch them later on. But not with this show; it is so controversial, many elements of it are still discussed and affect other anime today, and Hideaki keeps changing some details himself just to keep the spice flowing.

Now for some rating:

STORY SECTION : 9/10

ART AND ANIMATION : 9/10

SOUND SECTION : 10/10

CHARACTER SECTION : 9/10

ENJOYMENT SECTION : 8/10

OVERALL : 9/10

Have a nice day before the Third Impact turns you to orange goo.

বাকেমোনোগাতারি – ভূত নিয়ে কিন্তু ভয়ের নয় ! — লেখক Adnan Mohsinur Rahman

বাকেমোনোগাতারি – ভূত নিয়ে কিন্তু ভয়ের নয় !

 

14 Best-bakemonogatari-hybrid-mixed-girl-thread

একদম ছোট বেলার কথা মনে আছে ? যখন আমাদের রাতে ঘুমাতে যাওয়ার অনুষঙ্গ ছিল রুপকথার গল্প-বিশেষত ভুত প্রেত পিশাচ দের নিয়ে রোমহরষক সব গল্প গাথা যা শুনলে সারা গায়ে কাটা দিয়ে উঠত । এখন হয়ত আর ভয় লাগবে না , কিন্তু ছোটবেলার সেই সব রুপকথা গুলোকেই যদি আমাদের এই বাস্তব জীবনে ঘটতে দেখি , কেমন হবে ? আমার মনে হয় যথেষ্ট  উপভোগ্যই হবে ।আজকে আমি যে এনিম টা নিয়ে কথা বলব তার মুল গল্প গড়ে উঠেছে এই ভুত প্রেত দের নিয়েই , ভাল করে বললে “ভূতের আছর” হও্য়া কিছু চরিত্রকে নিয়ে । এনিম এর নাম বাকেমোনোগাতারি।

বাকেমোনোগাতারি  আসলে দুইটি জাপানীজ শব্দের যোগফল – বাকেমোনো , মানে ভুত/প্রেত এবং মোনোগাতারি, মানে গল্প ।ইংরেজি তে এর নাম করা হয়েছে এরকম ghostory= ghost+story .এই নাম এর ব্যাপার টাই আমাকে প্রথম আগ্রহী করেছিল ।হাতে সময় থাকায় দেখতে বসে গেলাম ।

১৫ পর্বের ছোট একটা এনিম । মূল গল্পের নায়ক কোয়োমি আরারাগি , হাইস্কুল ৩য় বর্ষের ছাত্র । ক্লাসের ভাইস প্রেসিডেন্ট সে । তার অতীত সম্বন্ধে শুধু এতটুকুই জানা যায় যে ভ্যাম্পায়ারের আক্রমণে ভাম্পায়ারে পরিণত হয়েছিল সে , কিন্তু তা অতি অল্প সময়ের জন্য ।পরবর্তী তে মেমে অশিনো নামের এক রহস্যময় চরিত্রের সহায়তায় সে পুনরায় মানুষ হয়ে গেছে , কিন্তু কিছু পরিমাণে ভ্যাম্পায়ার  বৈশিষ্ট্য তার মাঝে এখন ও রয়ে গেছে । পুরো এনিমে তে মেম অশিনো চরিত্র টাই যেন আরারাগির গুরু , যেকোন সমস্যায় তার কাছেই ছুটে যায় আরারাগি । গল্পের শুরু আরারগির ক্লাস মেট হিতাগি সেঞ্জোগাহারা কে নিয়ে। শুরু টা অনেক টা বাংলা সিনেমার মতই , গল্পের নায়িকা হিতাগি কলার খোসায় পা পিছলে সিড়ি দিয়ে পড়ে যায় । আরারাগি তখন তাকে ধরে ফেলে, কিন্তু অবাক বিস্ময়ে সে আবিষ্কার করে হিতাগি যেন ওজনহীন । হিতাগি তার এই সিক্রেট কাউকে বলতে নিষেধ করে , এবং আরারগি কে মোটামুটি হুমকিও দেয় । তারপরেও আরারগি এই ঘটনা নিয়ে অনুসন্ধান চালায় , হিতাগিকে সাহায্যের প্রস্তাব দেয়, এবং হিতাগি কে মেমের সাহয্য নিয়ে সুস্থ ও করে তোলে । হিতাগি পরবর্তী তে আরারগির বন্ধু এবং এক সময় প্রেমিকা হয়ে উঠে । হিতাগির চরিত্র টা আমার কাছে বেশ কৌতুহল উদ্দীপক লেগেছে , যখন যেমন ইচ্ছা তেমন কাজ করে বসা এক মেয়ে হিসেবে । আরারাগি  কে মোটামুটি পুরো সিরিজ ধরেই সে হুমকি ধামকির উপর রেখেছে অথচ আরারাগির প্রতি তার ভালবাসাও কম নয় ।
পুরো সিরিজে যতই সময় আগায় নতুন চরিত্র গুলো উপস্থিত হয়, যাদের প্রত্যেক এরই নিজস্ব কোন অস্বাভাবিকতা আছে , যা আসলে কোন প্রেতের অশরীরী উপস্থিতির ফল । চরিত্র গুলো হল – একটি হারিয়ে যাওয়া শিশু মায়ই হাচিকুজি, আরারাগির জুনিওর স্কুল মেট সুরুগা কানবারু, আরারাগির ছোট বোনের বান্ধবী নাদেকো সেঙ্গোকু এবং তার ক্লাসের প্রেসিডেন্ট সুবাসা হানেকাওয়া ।এরা প্রত্যেকেই মেয়ে চরিত্র (এটা নিয়ে একবার সুবাসা মজা করে বলেও যে ভ্যাম্পায়ার দের নাকি বিপরীত লিংগকে আকর্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি । ), এবং সবাই কোন কোন না কোন ভাবে অশরীরী উপস্থিতি দ্বারা প্রভাবিত । তাদের প্রত্যেক কেই আরারাগি সাহায্য করে মেমের মাধ্যমে, এবং পরবর্তী তে হানেকাওয়ার ক্ষেত্রে শিনবো নামের এক ভ্যাম্পায়ার এর সহযোগিতায় ।

পুরো সিরিজ টা আসলে দাঁড়িয়ে আছে চরিত্র গুলোর কথোপকথনের উপর । লেখক নিসিও ইসিন এর ডায়লগ নির্বাচন  খুব ই চমৎকার , প্রচুর ওয়ার্ড প্লে আর জোক আছে । পিছনের সাউন্ডট্রেক গুলোও বেশ ভাল ছিল । আর ছবি আকার স্টাইল টাও অন্যরকম ছিল , বিশেষত কিছু কথা চরিত্রের মুখ দিয়ে না শুনিয়ে শুধু কাগজে লিখে স্ক্রীনে দেখানোর আইডীয়া টা আমার কাছে ভাল লেগেছে । এতে এনিম এর attarctiveness বেড়েছে। ১২ তম এপিসোডটা সেরকম রোমান্টিক ছিল ,অনেকদিন মনে থাকবে , গ্যারান্টি J ।

অশরীরী উপস্থিতি গুলোর বর্ণনা (আরো ভাল করে বললে এদের রূপায়ন এবং  আক্রান্ত চরিত্রের উপর প্রভাব) নেয়া হয়েছে প্রাচীন জাপানীজ উপকথা থেকে । একের মাঝে দুই, এনিম টা দেখলে জাপানের কিছু প্রাচীন উপকথার সম্বন্ধেও জানা হয়ে যাবে J ।

এই এনিম এর সিকুয়েল্ হল নিসেমোনোগাতারি (১১ পর্ব ) আর প্রিকুয়েল নেকোমনোগাতারি (৪পর্ব ) । আমি এখনও এগুলো দেখি নাই , দেখলে এগুলো নিয়ে লেখার ইচ্ছাও আছে । আর এই সিরিজের ২য় সিজন  “মোনোগাতারি ,সিজন ২ “ নামে জুলাই ৭ ,২০১৩ থেকে প্রচার শুরু হয়েছে ।

এনিম ডাউনলোড লিঙ্ক ঃ  (টরেন্ট )
http://thepiratebay.sx/torrent/7210278/

যারা এখনো এই সিরজ টা দেখেন নি , দ্রুত দেখে ফেলুন , আশা করি ভাল লাগবে ।

BTOOOM – লেখক রেড এলার্ট

 

 2 3 4 5

INTRODUCTION

অ্যান্টি-সোসিয়াল হিরো যে কিনা আবার হার্ডকোর ভিডিওগেমার। ট্রেণ্ড অব ইয়ার ২০১২। অল্প কিছু মাসের মধ্যেই এ জাতিও এনিমে দর্শকদের এত পরিমাণে গেলানো হয়েছে যে কেউ যদি এগুলো গুণতে শুরু করে তাহলে সময়জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে বাধ্য। যাইহোক, Btooom হল এক hikikomori-র গল্প যে ভিডিওগেম খেলে দিনানুপাত করা ছাড়া আর কিছু করতে অপারঙ্গম এবং হঠাৎই আমরা দেখতে পাই তাকে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছুড়ে ফেলা হয়েছে। আর সে বিশাল বড় অপদার্থ হওয়া সত্ত্বেও আমাদের নাকি তাকে চিয়ার করে যেতে হবে। দুঃখীত আমার পক্ষে সেটা করা সম্ভব হলনা, এই শো এতই ridiculous। এক কথায় প্রকাশ করতে হলে এনিমেটির মূল থিম হল, All humans are bastard. *facepalm*

1

 

PRODUCTION VALUE

 

জাপানের সেরা স্টুডিও গুলোর একটি Madhouse সর্বদাই তাদের প্রোডাকশনগুলো দক্ষতার সাথে তৈরি করে। Btooom ও এর ব্যতিক্রম নয়। গড়পড়তা এনিমের থেকে Btooom এর এনিমেশন রিয়ালিষ্টিক, পরিবেশ এবং সিনেমেটিক সূক্ষ্ম ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সাউন্ডট্র্যাক এবং ভয়েস এক্টিং আহামরি কিছু নয়। সেকেন্ডারি চরিত্রগুলোর ভয়েস এক্টিং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভোঁতা এবং অমানানসই লেগেছে।

 

 

 

SCRIPT

 

-পুরো গল্পটি Counter Strike এবং Bomberman এর সংকর এক ভিডিওগেম Btooom! কে কেন্দ্র করে, শুরুতে তাই মনে হয়। কিন্তু পরমুহূর্তেই জাপানিজ অ্যাকশন থ্রিলার Battle Royal এর এনিমে ভার্সন হয়ে ওঠে এটি, অর্থাৎ এক নির্জন ট্রপিক্যাল দ্বীপে তাদের অনিচ্ছায় প্যারাড্রপ করানো এক দল লোককে একে অপরকে হত্যা করে নিজ নিজ জীবন বাচাতে হবে। গল্পের পটভূমি যতই ইন্টারেস্টিং মনে হক, একজন অভিজ্ঞ ওতাকু খুব সহজেই বুঝতে পারবে এ সকল কিছু নন্‌সেন্স ছাড়া আর কিছুই নয়।

5

-Btooom গেমটির মূল আকর্ষণ হচ্ছে এর নানারকমের বিস্ফোরক। হলিউডি ফিল্ম এবং ভিডিওগেমের কল্যাণে আমরা সবাই জানি একটি বিস্ফোরক যখন বিস্ফারিত হয় এর আশেপাশে থাকা প্রত্যেকেই শ্রাপনেল, শকওয়েভ অথবা নয়েস থেকে আহত হবে। তো বিস্ফোরক কেন্দ্রিক এনিমে Btooom কি সেই প্রিন্সিপাল মেনে চলে? না। ছোট বাচ্চাদেরকেও বলে দিতে হবেনা একটি মিলিটারি বিস্ফোরকের রেডিয়াস কয়েক মিটার, সেন্টিমিটার নয়। তো কল্পনা করুন আমাদের হিরোর কোলে ১০ মিনিটে তিন বার তিন রকমের বিস্ফোরক বিস্ফোরিত হলেও তাকে বহাল তবিয়তে দাড়িয়ে থাকতে দেখলে আপনার রিঅ্যাকশন কেমন হবে। Plot armor FTW!

 

-কেউ বিস্ফারণের আঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেলেও তার বোম গুলো আবার intact রয়ে যায়। Sweet, extra ammo from enemy drops, this videogame is nice… ওহ আমি তো ভুলেই গেছি Btooom ভিডিওগেম নয়, রিয়ালাষ্টিক ডেথগেম, I suppose.

 

-যখন গেম কন্ট্রোলার ইটের দেয়ালে ছুড়ে মারা হয় তখন কোনটা ভাঙ্গে? দেয়াল নাকি কন্ট্রোলার? দেয়াল। দয়া করে আমাকে জিজ্ঞেস করবেন না আমি এসব কি বলছি। নিজেই দেখে নিবেন।

 

-তারা এমনকি ভিডিওগেমের প্রযুক্তি বাস্তব দুনিয়ায় টেনে আনার চেষ্টা করেছে, যার ফলাফল হয়েছে হাস্যকর। Btooom এ দেখানো একএকটি বোম বাস্তবে তৈরি করতে গ্রেট চায়নার ব্যাংক ভল্ট খালি হয়ে যাবে, খেলোয়াড়দের অপহরণ আর পরিবহণ খরচ বাদই দিলাম। উদাহরণ হিসেবে মিনি-ব্ল্যাকহোল বোমটির কথা বলা যায়। তো হিসেব করার চেষ্টা করে দেখুন এক silly deathgame যেটির কোন ulterior goal নেই, নেই খরচ উঠে আসার সম্ভবনা, সেই ডেথগেমে এমন futuristic tech-এর ব্যবহার কতটুকু ব্যয়বহুল। এছাড়াও এক ব্যক্তির বিস্ফোরক সে বেঁচে থাকা পর্যন্ত অন্য আরেকজন ব্যবহার করতে পারেনা। Yeah sure. Lets make it even more expensive with DNA signature triggers that go offline when they no longer receive the brainwaves of their original owner as confirmation code.

 

-এতসব কিছুর পরও পুরো শো-টি আরও নানারকম এরর এ আক্রান্ত। যখন তখন যেকোনো সময় যেকোনো ক্যারেকটার কোন কারণ দেখানো ছাড়াই উধাও হয়ে যেতে পারে দর্শকদের অন্ধকারে রেখে। শো-এর শেষের দিকে আবার আলাদীনের জাদুর চেরাগ ব্যবহার করে হাজির হয় একদল জায়ান্ট ম্যানইটার কমোডো ড্রাগন। অথচ একদল প্লেয়ার পুরো দ্বীপ চষে ফেলেও পূর্বে এদের অস্তিত্ব খুজে পায়নি।

 

-এতসব ভুল-ভ্রান্তিও যেন যথেষ্ট ছিলনা। Btooom এর ডিরেক্টরেরা ফ্ল্যাশব্যাক ব্যবহারে এতই দক্ষ যে তা নারুতোকেও হার মানাবে। আলঝেইমার রোগী ছাড়া অন্য কেউ এক এপিসোড আগের ঘটনা ভুলে যাবে বলে মনে করিনা। আর বলাইবাহুল্য Btooom মাত্রই ১৩টি এপিসোডের এনিমে।
2

 

CAST

 

একটি এনিমের সমস্ত নন্সেন্স বুলশিট ক্ষমা করে দেয়া যায় শুধু মাত্র এর characterization এর উপর ভিত্তি করে। যেমনটা বলা যায় Deadman Wonderland অথবা Mirai Nikki এর ক্ষেত্রে। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে এনিমের চরিত্রগুলো কিভাবে একেওপরের সাথে interact এবং react করে তা দেখাও উপভোগ্য হতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে এমনকি এটিও অসম্ভব। অন্যান্য চরিত্রদের নাইবা ধরলাম, স্বয়ং আমাদের হিরোর characteristic প্রতি পাচ মিনিট অন্তর অন্তর পরিবর্তিত হয়। সিরিয়াসলি! প্রধান Protagonist এর চরিত্র বিশ্লেষণ করা আমার পক্ষে অসম্ভব, একেক scene-এ তার আচরণ একেক রকম হয়ে যায়! আমি বলতে চাইছিনা যে, বিপদের মুখে সে তার চরিত্র ঢেকে সাহসী হবার আচরণ করে যদিও সে ভীত অথবা হিরোইনের উপর দুর্বলতা থাকলেও প্রকাশ হতে দেয়না। আক্ষরিক অর্থেই সে ভিন্ন একজন ব্যক্তি হয়ে ওঠে।

 

-এক scene এ দেখা যায় হিরো বিস্ফোরক ব্যবহারে অত্যন্ত পারদর্শী। পরের scene-এ আমার আবিষ্কার করি হিরো বোমের ব-ও ব্যবহার করতে জানেনা। দর্শকদের একরকম জোর করে বোঝানো হয়েছে সে একজন hardcore gamer এবং Btooom এর Rank #1 প্লেয়ার। অথচ একটি টাইমার বোম কিভাবে কাজ করে সেটি বুঝতে তার পাঁচটি-পাঁচটি বিস্ফোরক এলোপাথাড়ি এদিকওদিক ছুড়ে মারতে হয়েছে। Top player material right here.

 

-এক scene-এ হিরো এন্টিসোসিয়াল এবং শত্রুভাপাপন্ন। অপর scene-এ খুবই সামাজিক এবং বিনম্র।

 

-একবার দেখা যায় হিরো একজন সাহসী লিডার ফিগার। আবার দেখা যায় ১০ মিটার পথ ১০বার হোঁচট না খেয়ে চলতে অপারঙ্গম।

 

-আমারা দেখতে পাই হিরো খুবই বুদ্ধিমান। তার প্রতিপক্ষদের নানারকম ফাঁদ পেতে হত্যা করতে পারদর্শী। কিছুক্ষন পর আমরা পরিলক্ষিত করি, সেই একই ফাঁদ অন্য কাউকে অন্য আরেকজনের উপর ব্যবহার করতে দেখে হিরোর ভিরমি খাবার অবস্থা।

 

– And there is no bloody excuse for how a Hikikomori/NEET like him can be so athletic. বছরের পর বছর কম্পিউটারের সামনে শিঁকড় গেড়ে বসে থাকা সত্ত্বেও আমরা দেখতে পাই সুপিরিয়র ষ্টামিনা এবং স্কিল সম্পন্ন মিলিটারি/মারসেনারিদের outrun এবং counterattack করতে সক্ষম main protagonist।

 

একই রকম ভাবে এনিমেটির প্রত্যেকটি চরিত্রকে দুই ভাবে বিশ্লেষণ করা যায়। হয় তারা too evil কিংবা too stupid, কোনরকম রাখঢাক ছাড়াই।

 

-প্লটের মেইন deuteragonist সেক্সি (you don’t say) ব্লণ্ড স্কুল গার্ল হিমিকো, যাকে দেখা মাত্রই তার পার্শ্ববর্তী সকল পুরুষ রেপ করতে হামলে পরে। Because WHY NOT; we need a slut in any cheesefest. Japans ridiculousness at its finest! হিমিকো সকল ফ্যান সার্ভিসের মূল উৎস এবং এনিমেটরেরা বলাইবাহুল্য তার প্রাইভেসি উম্মোচন করতে কোন রকম কার্পণ্য করেনি। তার পারসোনালিটিও এনিমেটির অন্যান্য অংশর মতই প্লেইন জোক। তার ব্যাকগ্রাউণ্ড অনুযায়ী পুরুষদের সাহচর্যে তার মাঝে ভীতির সঞ্চার হবার কথা। কিন্তু কাহিনীর প্রয়োজনে যখন-তখন যাকে ইচ্ছা তাকে বিশ্বাস করতে তার বাধে না। তারপর তারা বিশ্বাসঘাতকে পরিণত হবে এবং হিমিকো তাদের ঘৃণা করতে শুরু করবে। যতক্ষণ না পর্যন্ত আবার কাহিনীর প্রয়োজনে তাদের উপর বিশ্বাস রাখার প্রয়োজন হয়, and so on like a vicious cycle.

 

-প্রতিযোগীদের এক হাস্যকর পদ্ধতিতে বেছে নেয়া হয়েছে। স্পয়লার ফ্রি রাখার স্বার্থে তা নাইবা বললাম। Main Protagonist কে বেছে নিয়েছে তার মা স্বয়ং। Because, woo he was mean to her! Yep, ছেলে impolite হলে মা তাকে নির্বাসনে পাঠিয়ে দেয় তাই না। আর blonde chick হিমিকো কে বেছে নিয়েছে তার দুই বেস্টফ্রেন্ড। কেন? না। There was a rape incident. তার দুই “বেস্টফ্রেন্ড” তার শিকারে পরিণত হলেও হিমিকো পালিয়ে পুলিশে খবর দিতে সক্ষম হয়। পুলিশ দুজনাকে উদ্ধার করে নিশ্চিত পতিতাবৃত্তি কিংবা মৃত্যুর হাত থেকে বাচায় হিমিকোর কল্যাণে। ধন্যবাদ হিসেবে তাদের ধারণা হয় “ক্ষমার অযোগ্য” লাইফ-সাপোর্ট দেবার চেয়ে তাদের সাথে হিমিকোরও থেকে ধর্ষিত হওয়া উচিত ছিল। এখন এটাকে Female dumbness at its finest নাকি anime plot at its worst হিসেবে মার্ক করবেন সেটা আপনারাই ঠিক করে নেবেন।

3

 

LEGECY

ফ্যানসার্ভিস, সস্তা বিস্ফোরণের দৃশ্য, বাজে প্লট মিলিয়ে আর দশটা হিন্দি সিনেমার সাথে তেমন পার্থক্য নেই।

And now for some excused scorings.

ART SECTION: 7/10

General Artwork 2/2 (looks nice)

Character Figures 1/2 (generic)

Backgrounds 2/2 (basic but fitting with the feeling of the series)

Animation 1/2 (basic)

Visual Effects 1/2 (lots of cheap explosion filters)

SOUND SECTION: 7/10

Voice Acting 2/3 (corny but fitting with the feeling of the series)

Music Themes 3/4 (not great but fitting with the feeling of the series)

Sound Effects 2/3 (ok I guess)

STORY SECTION: 2/10

Premise 1/2 (cheap Battle Royale imitation)

Pacing 1/2 (erratic)

Complexity 0/2 (tries to be complicating in psychological issues and fails miserably)

Plausibility 0/2 (none)

Conclusion 0/2 (doesn’t have one)

CHARACTER SECTION: 2/10

Presence 1/2 (generic)

Personality 0/2 (cardboards and unsympathetic)

Backdrop 1/2 (generic and simplistic but it’s there)

Development 0/2 (random mood swings)

Catharsis 0/2 (incomplete story, so no catharsis)

VALUE SECTION: 1/10

Historical Value 0/3 (none)

Rewatchability 0/3 (just read Battle Royale instead)

Memorability 1/4 (totally meh show)

ENJOYMENT SECTION: 1/10

Art 1/1 (looks nice)

Sound 0/2 (sounds meh)

Story 0/3 (generic, badly written, and incomplete)

Characters 0/4 (cardboards and unsympathetic)

OVERALL: 3.5/10

Psycho pass: সিস্টেম সিবিলাস কিংবা সংখ্যায় অস্তিত্বের পরমাপ– লেখক আসিফুল হক


“I want to see the splendor of people’s souls.” – Makishima shogo.

ধরুন; কোন এক সুন্দর সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলেন দেশ থেকে সব মারামারি কাটাকাটি সব দূর হয়ে গেসে। পাব্লিক সব “আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজার রাজত্বে” গান গাইতে গাইতে যার যার কাজে যাচ্ছে। কিভাবে? ধরুন; দেশ থেকে থানা পুলিশ কোর্ট কাচারি আদালত সব উঠে গেসে; এইগুলোর আসলে দরকারই নেই। এমন টেকনোলজি বের হয়েছে যে রাস্তার মোড়ে মোড়ে লাগানো ক্যামেরা স্ক্যান করেই বলে দিতে পারবে কে কি অপরাধ করতে যাচ্ছে; কে মনে মনে কি ভাবছে; কার ট্যালেন্ট কি; এই মুহূর্তে কার কি করা দরকার – সব। যন্ত্রের স্ক্যানে একবার ধরা খেলেই সব শেষ; সেই লেভেলের সব অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী হাজির; ধুমধাম যা ব্যাবস্থা নেওয়ার নিয়ে নিবে।

মোটামুটি এইরকম একটা প্লট নিয়েই শুরু হয়েছে “psycho pass” এনিমটার কাহিনী। দূর ভবিষ্যতে জাপান এমন একটা সময়ে বাস করতেসে যেখানে সব কিছুই কন্ট্রোল করে “সিবিল সিস্টেম” নামক একটা স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম। যদিও সিস্টেমটি কিভাবে কাজ করে কিংবা আদৌ সিস্টেমের সব সিদ্ধান্ত যুক্তিযুক্ত কি না – সেটা কেউ ভেবে দেখে না; আসলে প্রয়োজন মনে করে না। কারন এই সিস্টেম সমাজে এক ধরণের কড়া “rules and order” maintain করতে সক্ষম হয়েছে। জনগন এই শান্তির বিঘ্ন কিছুতেই চায় না।


“The law doesn’t protect people. People protect the law. People have always detested evil and sought out a righteous way of living. Their feelings, the accumulation of those peoples feelings are the law. They’re neither the provisions, nor the system. They’re the fragile and irreplaceable feelings that everyone carries in their hearts.” – Tsunemori akane.

এই পর্যন্ত পরার পর প্রথম রিএকশন যেটা হওয়া স্বাভাবিক সেটা হল, “ভালই তো; প্রব্লেমটা কই? যন্ত্র সমাজ কন্ট্রোল করতেসে; শান্তি বজায় রাখতেসে; সমস্যাটা কই?” Well; দুইটা সমস্যা। এক – যন্ত্র কি আসলেই মানুষের মনের পরিমাপ করতে পারে? ভাল মন্দ অপরাধ শিল্প মানবিকতা – এই জিনিসগুলো কি আসলেই পরিমাপযোগ্য? কিছু certain criteria ধরে হয়ত একটা ঘটনাকে “অপরাধ” বলা যেতে পারে; কিন্তু অপরাধ ঘটার আগেই কি সেটা যন্ত্রের মাধ্যমে প্রেডিক্ট করা সম্ভব? কিংবা ভালর সংজ্ঞাটা আসলে কি? মন্দের সংজ্ঞাটাই বা কি? আইন কি? কোন অপরাধের কি শাস্তি হওয়া উচিত তা পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা না করে যন্ত্র কি সিদ্ধান্ত নিতে পারে নাকি নেওয়া উচিত? সমাজের চলার পথে মানুষের কিছু বিশ্বাস, কিছু আশা আকাঙ্খা, কিছু তৈরি করা নিয়মই কি আইন নয়? এধরণের বেশ কিছু rhetorical প্রশ্নের উত্তর খোজার চেষ্টা করা হয়েছে – কিংবা বলা ভাল – প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া হয়েছে এই এনিমে।

সমস্যা দুই – সিস্টেমেই সমস্যা। এনিমটা কিছু দূর আগানোর পর দেখা যায় এমন কেউ বা কিছু লোক আছে যারা দিব্যি অপরাধ করে যাচ্ছে – সিস্টেম তাদেরকে স্ক্যান করে সেখানে “অপরাধপ্রবনতা” খুজে পাচ্ছে না। কিসের জন্য? জানতে হলে দেখতে হবে এই এনিমটি।

স্টোরিলাইন নিয়ে খুব একটা গভীরে যাচ্ছি না; চরিত্র বিশ্লেষণ নিয়েও না। স্টোরিলাইন খুব একটা জটিল না; বর্ণনা করতে গেলেই প্রচুর স্পয়লার চলে আসবে। আর ক্যারেকটারের কথায় আসি – মুল ক্যারেক্টার আমার কাছে দুইজন। “Shinya Kōgami” আর “Shōgo Makishima”। যদিও দুই জনের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক এবং বুদ্ধির লড়াই পুরো সিরিজের অন্যতম মুল উপজীব্য; কিন্তু এদের মধ্যে কে যে নায়ক আর কে যে ভিলেন পুরোপুরি কখনই নিশ্চিত হওয়া যায় না। জোরাজুরি করলে মাকিশিমা কে ভিলেন আখ্যা দেওয়া যায়; তবে পুরো সিরিজে আমার সবচেয়ে প্রিয় চরিত্র ছিল এই মাকিশিমাই। যদিও ভাল মন্দ হিরো ভিলেন –রোলগুলো এই এনিমের প্রেক্ষিতে একটু টাফ। যারা ডেথ নোট দেখসেন তারা ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন। যদিও psycho pass কোন দিক দিয়েই death note এর ধারেকাছেও না; জাস্ট dilemma টা বোঝানোর জন্যই এখানে death note এর reference টানা।


“Everyone is alone. Everyone is empty. People no longer have need of others. You can always find a spare for any replacement. Any relationship can be replaced.” – Makishima Shogo.” 

বাকি সব দিক গুলো নিয়ে এক কথায় বলতে গেলে – সুন্দর প্লট; মোটামুটি চলে টাইপ স্টোরি; adorable and likable ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট এবং interesting এন্ডিং। খুব বেশি নাড়া দেওয়ার মত ঘটনা না হলেও চরিত্র রুপায়ন আর বাকি সব দিক মিলিয়ে ভালই উৎরে গিয়েছে। গানগুলো বেশ সুন্দর; এমনকি একটা এন্ডিং সং এখন আমার মোবাইলের রিংটোন এবং আমি আমার রিংটোন এর ব্যাপারে যথেষ্টই খুতখুতে।

সুতরাং দেরি না করে আজই দেখে ফেলুন এই জম্পেশ এনিমটি; আশা করি ঠকবেন না।

এনিম নিয়ে আড্ডা দিতে চাইলে; ছবি আঁকতে কিংবা দেখতে চাইলে; মজার সব কুইজে অংশ নিতে চাইলে জয়েন করতে পারেন ফেসবুকে “এনিমখোর” গ্রুপে।

শেষ করব এই এনিমে আমার অন্যতম প্রিয় একটা লাইন দিয়ে –
“Books are not something that you just read words in. They’re also a tool to adjust your senses.”

হ্যাপি এনিমিং।

Sword Art Online: কল্পনা যেখানে মিশেছে বাস্তবতায়…. — মো আসিফুল হক

পটভুমিঃ
সময়টা ২০২২ সাল। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি গেমের জগত অনেক এগিয়ে গিয়েছে; বের হয়েছে sword art online. “নার্ভ গিয়ার” ব্যাবহার করে প্লেয়াররা তাদের চরিত্রকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে; সেইসাথে ভার্চুয়াল জগত “আইনক্রাড”কে আসল জগতের মতই অনুভুত করতে পারে। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় তখনই যখন এই জগতটা একটু বেশিই আসল হয়ে যায় যখন গেমের ক্রিএটর সকল প্লেয়ারের নার্ভ গিয়ারের কন্ট্রোল হাইজ্যাক করে সবাইকে ভার্চুয়াল জগতে এই শর্তে আটকে রাখে যে কেউ যদি গেমের ভিতর মারা যায় তবে সে বাস্তব জগতেও মারা যাবে এবং গেম থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় গেমের ১০০টি লেভেল ক্লিয়ার করে আইনক্রাডের সবচেয়ে উচুতে পৌছাতে হবে কাউকে না কাউকে।

রিভিউঃ
খুব সংক্ষেপে যদি বলতে হয় তবে পুরো সিরিজটা আমাকে খানিকটা হতাশই করেছে। এই সিরিজের পক্ষে যেমন প্রচুর লোক কথা বলবে; তেমনি এর বিপক্ষে কথা বলার লোকও খুজে পাওয়াটা খুব একটা দুষ্কর নয় !!! পুরো রিভিউতে ঢুকে পড়ার আগে কিছু মন্তব্য শুনে আসা যাক –

# বিপক্ষেঃ SAO was probably the only anime this year that got bashed by most MAL users for a plot that doesn’t make any sense , a geek gamer who wins every fight (only inside a virtual world) ,clichéd harem concept , the incestuous plot hint, and the season 2 epic fail ending….. The only good thing about the anime was the action scenes, nothing else…

#পক্ষেঃ Sword Art Online, definitely one of the best anime of last year, action-packed (the double blades, damn!!), Alongside Kirito and Asuna’s romantic journey in the SAO realm, followed by Kirito fighting for her in the other world, and a beautiful ending…couldn’t ask more…

#মিশ্রঃ “মিশ্র অভিজ্ঞতা। সোর্ড আর্ট অনলাইনের গেম অংশটা ভাল; রোমান্স অংশটা খুবই কিউট; ফাইটগুলা খুবই জোস। কিন্তু সেকেন্ড গেমটাতে জেইরকম ভেজাল ঢুকানো শুরু করসে তাতে আমি মহা বিরক্ত; এই পার্টটা অনেকটা “আলিফ লায়লা” টাইপ লাগসে; “দুষ্ট রাজা নায়িকাকে আটকায় রাখসে আর নায়ক বাচাইতে যাবে” টাইপ; আর আমার কাছে “oniii chan; I love you” টাইপ জিনিসপত্র অসহ্য।

#মিশ্রঃ nobody told that SAO is a great anime. But it’s special in the view of a new anime genre. Yes, romanticism flowed in various strange ways and the anime ending was less expected…but after all people goes crazy over the internet because of the plot. Maybe my answer is confusing too, but my love for the anime is special, that’s what I have to say.

গল্পঃ 
শুরুটা যথেষ্ট পটেনশিয়াল নিয়ে শুরু হলেও সেটা ধরে রাখতে ব্যর্থ হইসে। প্রথম কয়েকটা পর্ব খুব দ্রুত আগাইসে; মনে হইসে মাঙ্গার অনেকগুলো পর্ব একসাথে এনিমের কয়েকটা পর্বে আটকানোর চেষ্টা; এবং শেষের দিক গিয়ে আবার সেটা বেশ স্লো হয়ে গেছে। এক পর্বে দুই তিনটে ভাল ভাল ফাইট দেখাইসে আবার দেখা গেসে পরের পর্বতেই আবার একটা বিশাল অংশ রোমান্স বা এই ধরণের স্লো জিনিসে কেটে গেসে। আমার ব্যাক্তিগত অভিমত রোমান্স অংশটা আরেকটু কমায় ফাইটগুলা আরেকটু ডিটেইলস বা আরেকটু স্লো দেখাইলে ভাল হইত। তবে এইটা স্বীকার করতেই হবে; আসুনা আর কিরিতো আমার দেখা অন্যতম সুইট কাপল; এদের দুইজনকে নিয়ে আলাদা করে রোমান্টিক জেনারের কোন এনিম বানাইলেও খারাপ হইত না।

এই এনিমে স্পষ্টতো দুইটা পার্ট; দুইটা গেম। প্রথমটার তুলনায় দ্বিতীয়টাতে বেশি পটেনশিয়াল ছিল; এবং সেইখানে হতাশাও বেশি। “রাজকন্যা উদ্ধার” ব্যাতিত আর কিছুই দেখায় নাই বলতে গেলে অই অংশে।

ভিজুয়াল আর্টঃ 
এক কথায় স্টানিং। আইনক্রাড জগতটা আমার এত্ত পছন্দ হইসে যে মনে হইসে কোনভাবে যদি অই জগতে চলে যেতে পারতাম !!! ফাইট সিন গুলা অসাম; তবে কেউ মারা যাওয়ার ইফেক্টটা আরেকটু রিএলিস্টিক হইলে ভাল হইত; যেহেতু কেউ গেইমে মারা জাওয়া মানে বাস্তব জগতেও মারা যাওয়া; সুতরাং আরেকটু ভয়াবহতা আনলে মনে হয় বেটার হইত।

সাউন্ডঃ 
ভিজুয়াল আর্টের মতই; বেশ ভাল। সিম্পল এবং স্পট অন।

ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্টঃ 
কিরিতো আর আসুনা বাদে আমি বাকি সব ক্যারেকটারের নাম ভুলে গেসি; সিরিয়াস্লি; আর আমি দেখে শেষ করলাম আজকে বিকেলে !!! কোন ক্যারেকটারের সাথেই তেমন ইমোশনাল এটাচমেন্টের সুযোগ রাখে নাই রাইটার। আসুনা এবং কিরিতো যথেষ্ট লাইকেবল ক্যারেক্টার এবং তাদের জুটিটা অন্যতম কিউট একটা জুটি হবার পরেও তাদের সাথেও তেমন ইমোশনাল এটাচমেন্ট হয় না।

সব মিলিয়েঃ
“দুষ্টু প্রেমের মিষ্টি কাহিনী” জাতীয় হাল্কা ধাচের কাহিনী, বেশ আকর্ষণীয় ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট আর বেশ ভাল গ্রাফিক্সের কারণে দুর্বল প্লটের এই এনিমটা বেশ খানিকটা অভাররেটেডই বটে !!! মোটামুটি ত্রিভুজ চতুর্ভুজ এবং বহুভুজ প্রেম আর আবেগ নিয়ে বেশ ভাল একটা টাইম পাস করসে মাত্র ২৫ পর্বের এই এনিমটা !!!! তবে খুব বেশি সমালোচকের দৃষ্টিতে না দেখলে “টাইম পাস এনিম” হিসেবে বেশ ভালই লাগসে sword art online.

রিকমেন্ডেশনঃ 
যারা অনলাইন গেমে আসক্ত; তাদের খুব ভাল লাগার কথা এই এনিমটা। স্টোরি যেমনই হোক; গেম পার্ট; গেমের মধ্যে ফাইটিং পার্ট; গেমের জগত – অসম্ভব ভাল এবং সুন্দর। এছাড়া যারা হাল্কা ধাচের কিছু দেখার জন্য খুজছেন এবং গল্প নিয়ে খুব একটা মাথাব্যাথা নেই তারাও দেখে ফেলতে পারেন। দিনশেষে বলা যায়;
“it’s a good anime, but not great”

Karas রিভিউ — Matiur Rahman Minar

“Where there is a city, there is a Karas to protect the city’s will.”

Karas (OVA) দেখলাম। মাত্র ৬ এপিসোডের। শুরুতেই অস্থির একটা ফাইট দিয়ে শুরু -এরকম এনিমে বোধহয় এই প্রথম দেখলাম। তাও আবার সুপার পাওয়ার্ড সোর্ড ফাইটিং।

অ্যাকশন আর অ্যানিমেশন একটু বেশিই সুপার্ব। এইজন্যে অবশ্যই 720P দেখার পরামর্শ থাকবে। যদি কিছুক্ষণের জন্য ধুন্দুমার-ঊড়াধুরা-সব ভেঙ্গেচুরে চুরমার টাইপ আনিমে দেখতে চান তাহলে Karas দেখে ফেলতে পারেন।
“Where there is a city, there is a Karas to protect the city’s will.”

Karas (OVA) দেখলাম। মাত্র ৬ এপিসোডের। শুরুতেই অস্থির একটা ফাইট দিয়ে শুরু -এরকম এনিমে বোধহয় এই প্রথম দেখলাম। তাও আবার সুপার পাওয়ার্ড সোর্ড ফাইটিং।

অ্যাকশন আর অ্যানিমেশন একটু বেশিই সুপার্ব। এইজন্যে অবশ্যই 720P দেখার পরামর্শ থাকবে। যদি কিছুক্ষণের জন্য ধুন্দুমার-ঊড়াধুরা-সব ভেঙ্গেচুরে চুরমার টাইপ আনিমে দেখতে চান তাহলে Karas দেখে ফেলতে পারেন।

Karas

এনিম রিভিউঃ টোকিও ম্যাগনিটুইড ৮.০ লেখক ব্লগার জুবায়েদ

আসসালামুয়ালাইকুম ভাই ও বোনেরা। এটা আমার প্রথম কোন এনিমকে রিভিউ দেয়া পোস্ট, যদি ভাল লাগে আপনাদের, তাহলে ভবিষতে আরো কিছু রিভিউ লেখার জন্য অনুপ্রাণিত হব।

ভূমিকম্প!!!! কতটা বিপর্যস্ত করতে পারে জনপদ?
প্রশ্নটার উওর যদি খুঁজে পেতে চান, তবে আর দেরি না করে শীঘ্রই দেখে ফেলুন টোকিও ম্যাগনিটুড ৮.০ , মাত্র এগার পর্বের এ এনমিটি আপনার হৃদয়ে দাগ কাঁটার জন্য যথেস্ট। আমাদের দেশেই ঢাকা নগরীর যা অবস্থা, তা বিবেচনা করলে ঢাকা ও চট্রগ্রামবাসীদের জন্য এনেমিটি আবশ্যক বলাটাও ভুল হবেনা বলেই মনে হয়। :|

এনিমটিতে মূলত মোট তিনটা প্রধান চরিত্র – মিরাই, ইউকি ও মারি। মিরাই স্কুলে গ্রেড থ্রিতে পড়ে আর ইঊকি গ্রেড ওয়ানে। গীষ্মের আসন্ন ছুটিতে যখন মিরাইের সহপাঠীরা ব্যস্ত কে কোথায় ঘুরতে যাবে তার আলাপচারিতায় তখন নিশ্চুপ মিরাই। কারণ, গতবারের মত এবার যে তাঁর কোথাও যাওয়া হচ্ছে না। ব্যস্ত টোকিও নগরীতে বড় ব্যস্ত তাঁর বাবা-মা, এজন্য মিরাইের চাঁপা ক্ষোভ।

মিরাইের ভাই ইউকি, ইউকি মিরাইের অত্যাধিক মোবাইল প্রীতির জন্য তাঁর নাম রেখেছে মোবাইল এলিয়েন, ছেলেটা দেখতে চঞ্চল ও দুরন্ত, ভালবাসে ছবি আঁকতে ও রোবট সম্পর্কে জানতে। জাপানের আর্টিফিশিয়াল ওডাইবা আইসল্যান্ডে রোবট প্রদশনী দেখতে যাবে বলে মায়ের কাছে ওর আবদার, কিন্তু মায়ের ব্যস্ত সময় পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায়। উপায় না দেখে মিরাইকে সঙ্গে করে ওডাইবা সিটিতে ইউকিকে যেতে বলেন। মিরাই এ সিদ্ধান্তের ঘোর বিরোধী, কিন্তু উপায়ান্ত শেষ পর্যন্ত রাজি হয়।

সেদিন দুজনের মায়ের জন্মদিন, ট্রেনে মিরাই ইউকি, টোকিও টাওয়ার আর রেইবো ব্রিজে দুজনের কৌথহলী দৃষ্টি। ইউকির ইচ্ছা মায়ের জন্য একটা গিফট কিনা, সে ঊদ্দেশে তারা গিফট পছন্দ করে। কিন্তু হায়! তাঁদের পছন্দ করা গিফট যে আরেকজনের হাতে। সে আরেকজন আর কেউ না, মারি। এভাবেই আরেক প্রধান চরিত্রের মারির আগমন। মারি ওদের পছন্দের কথা বুঝে ও শুনে গিফটটা অবশ্য হাতে না রেখে ইউকির হাতে ধরিয়ে দেন, হাজার হোক মায়ের জন্মদিনের জন্য পছন্দ করা জিনিস

পরে ইউকি আর মিরাই রোবট প্রদর্শনী দেখে বের হল। মিরাই আগে বের হলেও ইউকি ওয়াশ রুমে যাওয়ার নাম করে ভিতরে আবার গেল । এরপর… হঠাৎ করেই… রিক্টার স্কেল ৮ মাত্রার ভূমিকম্প!!! বিখ্যাত ওডাবা আইসল্যান্ড ধ্বংসের মুখে!!! শপিং মলের বাইরে মিরাই… ভিতরে ইউকি… প্র্যায় ধ্বংসের মুখে পড়া শপিং মলে আবার মিরাইের প্রবেশ… মিরাই ও মারির আবার দেখা… দুজনেই খুঁজছে ইউকি কে… ইউকি কি পারবে?? মিরাই কি আজ তাঁর ভাইকে হারাবে?? তারা কি একসাথে বাসায় ফিরবে? ইউকি-মিরাইের বাবা-মা ই বা কেমন আছে? তাঁদের কি জন্য কি ভবিষৎ অপেক্ষা করছে? ওদিকে মারির জন্য অপেক্ষা করছে তাঁর মা ও মেয়ে !! মারির শহরে লেগেছে আগুন, হাজার হাজার বাড়ি পুরে ছাই… মারির মা ও মেয়ে কি ভূমিকম্প থেকে রক্ষা পেয়েছে? অসম্ভব রোমাঞ্চকর তাঁদের এ এডভ্যাঞ্চার দেখতে হলে অনলাইন থেকে নামিয়ে ফেলুন টোকিও ম্যাগনিটুড ৮.০
Click This Link
Click This Link

আমি এ অসম্ভব সুন্দর এনেমিকে ১০ এ ৯ রেটিং দিলাম। বাকিটা আপনারা দেখেই বলেন।

মূল লেখা http://www.somewhereinblog.net/blog/jindhk/29658791

রিভিউঃ “Death Note” – এক বসায় দেখে শেষ করার মতো একটি কার্টুন সিরিজ — লেখক ঠোঁটকাটা নির্লজ্জ

রিভিউ লেখার অভ্যাস তেমন নেই।
আর Death Note অনেক বিখ্যাত একটি সিরিজ। অনেকেই হয়তো দেখেছেন। যারা এখনও দেখেননি তাদের জন্যই লেখার চেষ্টা করছি।

কার্টুন হলেই যে পোলাপানের দেখার জিনিস হবে তা ভুল প্রমান করার জন্য এই “Death Note” -ই যথেষ্ট।
৩৭ পর্বের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ এটি। Genre হিসেবে “Death Note” কে বলা যায় Thriller, Mystery আর Supernatural অপূর্ব সংমিশ্রণ।
আমার ভাষায় “Death Note” হল হালকা Mystery ও Supernatural এর সংমিশ্রণে দুর্দান্ত এক Thriller!

death note

 

কার্টুনটির প্রধান দুই চরিত্র হল লাইট ইয়াগামি এবং L (এল)। মূলত এদের দুজনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা, বন্ধুত্ব, শত্রুতা, প্রতিযোগিতা নিয়েই কাহিনী আবর্তিত হয়েছে। এদের সবধরনের অনুভূতি এখানে খুব শক্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
লাইট ইয়াগামি হচ্ছে খুবই Smart, Talented, বুদ্ধিমান, সুদর্শন এক জাপানি ছাত্র যাকে বলা যায় one of the Japan’s Brightest!

Light Yagami

 

লাইট অন্যদের চেয়ে এতই এগিয়ে থাকে যে বাকি সবাই কে তার মনে হয় Boring আর Rotten! সে চায় অনেক বড় কোন পরিবর্তন। এক সময় সে হাতে পায় এই রকম একটি Note-Book যাতে যার নামই লেখা হবে সে মারা যাবে! এখন প্রশ্ন হচ্ছে লাইটের মতো Smart – বুদ্ধিমান ছেলে সেই Note Book দিয়ে কি করে?
অপরদিকে L হল পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গোয়েন্দা। কঠিন কঠিন সব কেস এর সমাধান সে করেছে কিন্তু কেউই তার আসল পরিচয় জানেনা।

L

 

L-ও চরম বুদ্ধিমান এবং সবার চেয়ে কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকে সবসময়। L কে মুখমুখি হতে হয় লাইটের যার কাছে রয়েছে একটি Death-Note। “জোকারের” ভাষায় একে বলা যায় “An unmovable object is on the way of an unstoppable force!”
যাই হোক রিভিউ লেখাটা মূল আকর্ষণের ধারেকাছেও যায় নি। অনেকে হয়তো রিভিউ পড়ে কার্টুনটি দেখার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত হবেন। ভুলেও এই রিভিউ পড়ে “Death Note” কে ভুল ভাবে নিবেন না! আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি প্রথম দুই পর্ব দেখার পর পুরো ৩৭ পর্ব শেষ না করে উঠতে চাইবেন না। কাহিনীর Climax- Anti-climax অসাধারণ। উপস্থাপন, সংলাপ, সাস্পেন্স…

অসাধারণ, অসাধারণ, অসাধারণ!!!

IMDb তে Death Note এর রেটিং হল ৯.১। আমি একে ১০ এ ৯.৮ দেবো!

টরেন্ট ডাউনলোড লিংক

ডাইরেক্ট ডাউনলোড লিঙ্কও দিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু এক্ষেত্রে একেকটি পর্বের সাইজই হয়ে যাবে ২৪০ মেগা এর মতো। যেখানে টরেন্টে মাত্র ৬০-৬৫ মেগা/পর্ব! তাই টরেন্ট থেকে নামানোই উত্তম!

ডাইরেক্ট ডাউনলোড লিংক

এখনও না দেখে থাকলে নামিয়ে দেখা শুরু করুন। আশা করি নিরাশ হবেন না!