Behind the Voices – 03

তোশিয়ুকি মোরিকাওয়া

ব্যক্তিত্বসম্পন্ন চরিত্র কম বেশি সবার-ই ভালো লাগে আর এক অসাধারণ ব্যক্তিত্বসম্পন্ন চরিত্রের আকর্ষণীয় দিকগুলার একটি হল তার কণ্ঠ। এই সকল চরিত্রের ক্ষেত্রে সেরা কণ্ঠ দিতে পারেন এমন একজন হল তোশিয়ুকি মোরিকাওয়া। অনেক অসাধারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি, এর মধ্যে বলতে পারেন আনিমে জগত-এর দুই জনপ্রিয় শৌনেন হিরো নারুতো উজুমাকি এবং কুরোসাকি ইচিগোর পিতা মিনাতো এবং ইশ্শিন এই দুইটি চরিত্র।

তিনি অনেক ভালো লাগার মত চরিত্রের কণ্ঠ অভিনেতা এবং আমার কাছে তার যে সকল রোল ভালো লেগেছে তা হল ইনু ইয়াশার নারাকু, ডি.গ্রে-ম্যানের টিকি মিক, নারুতোর মিনাতো এবং কিমিমারো, ব্লিচে তৌসেন এবং ইশ্শিন, বার্যার্কের গ্রিফ্ফিথ ( অবশ্য মুভিগুলোতে তিনি চরিত্রটির কণ্ঠ-অভিনেতা ছিলেন না ), ব্ল্যাক ল্যাগুনের চ্যাঙ, সেঙ্গোকু বাসারার কৌজিরো। এছাড়া দেখতেই পাচ্ছেন আরও কত চরিত্রের কণ্ঠ তিনি দিয়েছেন।

তোশিয়ুকি মোরিকাওয়া

তার আনিমে ওএসটিতে তুলনামুলকভাবে কম কাজ আছে। এছাড়া তার সফলতা সুধু আনিমের চরিত্রের মধ্য দিয়েই নয় বরং গেম এবং হলিউড মুভির জাপানি ডাব-এও তার বড় রোল আছে।

তার জন্ম ১৯৬৭ সালের ২৬ জানুয়ারি। সে Axl One এই সেইয়ূ অ্যাজেন্সীর প্রতিষ্ঠাতা, এই অ্যাজেন্সির অংশ জুন ফুকুয়ামা, সাতোশি হিনো, নোরিয়াকি সুগিয়ামা, তাচিবানা শিন্নোসকে, নাকামুরা চিয়ে, কোশিমিজু আমি এদের মত নামকরা কণ্ঠ অভিনেতা-অভিনেত্রী । শুধু তাই নয় তিনি সেকি তোমোকাজু, কোনিশি কাৎসুইয়ুকি এবং হিরাকাওয়া দাইসকে এই ৩ জন দক্ষ কণ্ঠ-অভিনেতাদের পর্যন্ত প্রশিক্ষন দিয়েছেন। ১৯৯২ সালে তার অভিষেক এবং আজকে সফল কণ্ঠ অভিনেতাদের মধ্যে তিনি একজন।

তোশিয়ুকি মোরিকাওয়া 2

আসুমি কানা
 
আনিমে ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক ব্যাতিক্রম কণ্ঠের অধিকারী কণ্ঠ অভিনেত্রী আছে,যাদের রোলও অনেক কিন্তু জনপ্রিয়তা কম। তাদের মধ্যে একজন আসুমি কানা। এক অনন্য কণ্ঠ দিয়ে অনেক অসধারণ চরিত্রদের তুলে ধরায় সক্ষম তিনি। তার কণ্ঠটা বেশ প্রাণবন্ত এবং সাধারণ মোএ আনিমের চরিত্রগুলার জন্য মানানসই। তবে কিছু সিরিয়াস চরিত্র সে অনেক ভালো ভাবেও তুলে ধরেছেন।
তার যে সকল রোল আমার কাছে খুব অসাধারণ লেগেছে তা ওয়ার্কিং-এর তানেশিমা পোপুরা, নিসেকোই-এর তাচিবানা মারিকা, কামি নোমি যো শিরু সেকাইয়ের চিহিরো এবং হানামোনোগাতারির নুমাচি রিয়োকা। তার আরো কিছু রোল অনেক ভালো লেগেছে সেগুলা হল মেকাকুসিটি অ্যাক্টর্সের এনে, হাইয়োরে নিয়ারুকো-সানের নিয়ারুকো, গুরেন লাগানের কিয়াল, ইয়ামা নো সুসুমেতে হিনাতা, মেইড সামার হোনোকা, ক্যাম্পফারের মিকোতো, নুরারিহিয়নের মাকি, রিয়ুগাজৌ নানানা নো মাইযৌকিনের ইক্কিউ তেনসাই এবং আরো অনেকে। তার আরো অনেক ভালো রোল আছে,যার মাঝে আপনার কোন পছন্দের চরিত্রকেও পেতে পারেন ।
আসুমি কানা 1
আনিমের ওএসটিতেও তার কাজ আছে। ওয়ার্কিং, হাইয়োরে নিয়ারুকো-সান, নিসেকোই, কামি নোমি যো শিরু সেকাই, বুসৌ শিঙ্কি, হিদামারি স্কেচ এই আনিমেগুলার ওপেনিং-এন্ডিং এ তার কাজ আছে। এছাড়া কামি নোমির তৃতীয় সিজন মেগামি আর্কের শেষে স্কুল ফেস্টের শেষে চিহিরো তার ব্যান্ডের সাথে গায়,’হাজিমেতে কোই য়ো শিতা কিয়োকু’ এই গানটা আমার বেশ ভালো লেগেছে (https://goo.gl/KkZg0j) ।
আগস্ট ১২,১৯৮৩ সালে তার জন্ম। সবার কাছে কানা আসুমি হিসেবে পরিচিত হলেও জন্মগত নাম কানা হারাদা। তিনি বিবাহিত এবং বিয়ে করেছেন জানুয়ারি,২০১৪ সালে। ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত ৭ম সেইয়ূ অ্যাওয়ার্ডসে তিনি ‘Best Lead Actress’ খেতাব জিতেছিলেন। তার কণ্ঠ অভিনয় আমার বরাবর-ই ভালো লাগে এবং চাই যাতে সামনেও সে আরো ভালো ভালো চরিত্র পাবেন।
আসুমি কানা 2

Movie Time With Yami – 65

8202163_orig

Name: Persona 3 Movie 2: Midsummer Knight’s Dream
Duration: 1 hr. 38 min.
MAL Score: 8.05
Ranked: 466
Genres: Action, Fantasy, Seinen, Supernatural

ডার্ক আওয়ারের ছায়ায় ঘুরে বেড়ানো ভয়ানক দানবগুলোর সাথে লড়াই করার মাধ্যমে জীবনে এগিয়ে যাওয়ার স্পৃহা খুঁজে পায় ইউকি মাকোতো। কিন্তু এই ডার্ক আওয়ারের পেছনের রহস্যটা কি? কিভাবে উদ্ভব হল এই আওয়ারের? পার্সোনা ইউজাররা একসময় জানতে পারে সেই রহস্যের কথা, এবং সেইসাথে এই সময়টা বিনাশ করার উপায়। কিন্তু সত্যিই কি এই আওয়ারকে ধ্বংস করা সম্ভব? পার্সোনা ইউজারদের সবারই কি একই লক্ষ্য, যে লক্ষ্যের দিকে অগ্রসর হতে থাকলে রয়েছে তাদের ক্ষমতা হারানোর সমূহ সম্ভাবনা?

মুভিটি স্প্রিং অফ বার্থ মুভিটির সিক্যুয়াল, এটি আগের মুভিটির কাহিনী খুব ভালভাবে এগিয়ে নিয়ে যায়। এখানে আর্টওয়ার্ক অনেক ইম্প্রুভ করেছে, ডার্ক শেডের মাঝে মাঝে কড়া রঙের ব্যবহারে যে কন্ট্রাস্টটা এসেছে সেটা অনেক নজরকাড়া ছিল। ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ড ভাল ছিল, মুভির থিমের সাথে মানানসই। এই মুভিটিতে আগেরটির তুলনায় ফাইট একটু কম, এখানে মূলত রহস্যের ব্যাখার দিকে বেশি জোর দেয়া হয়েছে। পার্সোনা ইউজারদের নিজেদের মধ্যেকার সংঘাত এবং কনফিউশনটা খুব ভালভাবে দেখানো হয়েছে।

সবমিলিয়ে সিক্যুয়াল মুভি হিসেবে এটি আমার খুব ভাল লেগেছে, তাই আমি সাজেস্ট করব পার্সোনা সিরিজের দুটো মুভিই দেখে ফেলতে।

Movie Download Link-
http://kissanime.com/…/Persona-3-the-Movie-2-Midsummer…

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Kyoukai no Kanata রিভিউ — Maruf Raihan

KyoAni শব্দটির সাথে কমবেশি আমরা অনেক এনিমখোরই পরিচিত। যাদের জানা নেই তাদের জন্য বলে রাখা ভালো – ‘KyoAni’ মূলত ‘Kyoto Animation’ স্টুডিও এর সংক্ষিপ্ত রূপ। KyoAni এর অনন্য কাজ নিয়ে আজকে আলোচনা করা যাক।

“Kyoukai no Kanata” ১২ এপিসোডের একটি এনিমে,যা আর পাঁচটা শর্ট লেন্থ এনিমের মত আপনার স্মৃতির এলবামের পিছনের দিকে ঢাকা পড়ে যাবার মত নয়। ভালো গ্রাফিক্স,খুব মনোরঞ্জক কিছু চরিত্র,উপস্থাপনা ও ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক, অসাধারণ OST এর কারণে যারা দেখেছেন তাদের অনেকেরই পছন্দের প্রথম সারিতে এনিমেটি রয়েছে বলে আমার বিশ্বাস।

এনিমে: Kyoukai no Kanata (Beyond The Horizon)

এপিসোড : ১২

জেনরা: ফ্যান্টাসি,স্লাইস অফ লাইফ,সুপারন্যাচারাল

স্টুডিও ও প্রযোজনা: কিয়োতো এনিমেশন, পনি ক্যানিয়ন, টিবিএস

লাইট নোভেল রচয়িতা : নাগোমু টেরি

এনিমে পরিচালনা: টাইচি ইশিদাতে

Kyoukai no Kanata 1

প্রথমত,এনিমেটা দেখা শুরু করলে প্রথমে একটু কৌতূহল জাগবে। এক মেয়েকে ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্নহত্যা হতে বাঁচাতে এগিয়ে গেল এক ছেলে,অথচ সেই মেয়েই কিনা ছেলেটার বুকে ছুরি ঢুকিয়ে দিল। মানুষের ভাবনা ও চিন্তাশক্তি এসকল অস্বাভাবিক
ঘটনার প্রতি সংবেদনশীল।তাই নিছক আগ্রহ নিয়ে ঘটনাটা কী- সেটা দেখার জন্য হলেও অজান্তেই দেখা শুরু করে দিতে পারেন এনিমেটা ।

প্রথমে কোন পরিচিতিমুলক অংশ নেই।যেমন-বিশেষভাবে চরিত্র পরিচিতি,সুপারন্যাচারাল পাওয়ার গুলোর সংজ্ঞা ,প্লটটার ভিত্তি ইয়াদি আলাদা করে দেখানো হয়নি।এজন্যই অনেকের কাছে প্রথম প্রথম কিছুটা বিরক্তিকর বা বিব্রতকর লাগতে পারে।
“আরে ভাই দেখা শুরু করলাম,বলা নেই কওয়া নেই,স্পীরিট হান্টার,Youmu,এগুলা কী?!” আমার ক্ষেত্রেও তেমনটা ঘটেছিল। তবে মজার বিষয় হল এই যে, ধৈর্য সহকারে দেখতে থাকলে নিজেই এগুলোর মানে বুঝে নিতে পারবেন,যা আরো বেশি
আনন্দদায়ক হবে।

চরিত্রগুলার কথায় আসা যাক।যারা এনিমেটি দেখেননি,তারাও বিভিন্ন ওয়েবসাইট,গ্রুপ ও ব্লগে লাল ফ্রেমের বাদামী চশমা পড়া ভারী কাওয়াই একটা এনিমে ক্যারেক্টারের ছবি হয়ত দেখে থাকবেন।অধিকাংশ রোমান্টিক AMV তেও তার উপস্থিতি দেখা যায়।
সে আর কেউ নয়, KnK এর কুরিয়ামা মিরাই। আমার দেখা সেরা Female ক্যারেক্টারগুলার মধ্যে অন্যতম।তার চশমা পরা অবস্থায় মুখের হাসি কোন অংশে লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্ছির মোনালিসার হাসির চেয়ে কম নয়।

গল্পের আরেক প্রধান চরিত্র কানবারা আকিহিতো। চরিত্র না বলে গল্পের সমস্ত ঘটনার উৎস বললেও অত্যুক্তি হবে না।গল্পের শুরু থেকেই আকিহিতো চরিত্রটিকে অন্ধকারে রেখে একটা সাসপেন্স তৈরি করা হয়েছিল,যা চরিত্রটির বিশেষায়ণে সাহায্য করেছে।

আর অন্যান্য চরিত্রগুলোর মধ্যে আমার বিশেষভাবে ভালো লেগেছে কানবারা ইয়াওই কে । সে আকিহিতোর মা। আর সত্যি কথা বলতে বাস্তবে এরকম মা থাকলে যে কীরকম হত তা কল্পনা করতেই কষ্ট হয়।যারা এনিমেটি দেখেছেন তারা বোধ হয় কথাটির
মানে বুঝতে পেরেছেন। :v

এনিমেটির শেষের দুই এপিসোড খুবই বিচিত্র।এই আপনি আবেগপ্রবন হয়ে পড়লেন,চোখে জল চলে এল,এই আবার মুখের কোণে মুচকি হাসি। আর বলা বাহুল্য,এনিমেটির কোনো দুঃখজনক এন্ডিং নেই। [এটা স্পয়লার হইল নাকি?]

অসাধারণ কম্বিনেশনের তিনটি গান (একটি ওপেনিং,একটি এন্ডিং,Future Star) থাকায় সেরা মিউজিক ধারী এনিমেগুলোর মধ্যে নিঃসন্দেহে এটি থাকবে। গানগুলি চয়েজ যিনি বা যারা করেছেন তাদেরকে ১০০ তে ১০০ দিতেই হবে।
ওপেনিং টা “মিনোরি চিহারা” র গাওয়া । পুরোপুরি বিমূর্ত ধরনের লিরিক্স থাকায়,এনিমেটির প্রতি আকর্ষণ এই গানটিই জাগিয়ে দেয়।

গানটি এখনই দেখে ফেলুন–
https://www.youtube.com/watch?v=g-_4piNFe4M

এন্ডিং টা ওপেনিং কেও ছাড়িয়ে গেছে। কারণ এন্ডিংটার ভোকাল ও লিরিক্স টা এনিমের প্লটের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় মনে বেশি রেখাপাত করেছে।আর সবচেয়ে সুন্দর ব্যাপার হল এই যে ,এনিমেটা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে কখন যে এন্ডিংটার
মিউজিক শুরু হয়ে যায় তা টেরই পাওয়া যায় না। আমার শোনা সেরা জাপানিজ গানগুলোর মধ্যে একটা

দেখে ফেলুন–
https://www.youtube.com/watch?v=nMlwer-lbow

এনিমেটা দেখে ফেলুন। ১২ এপিসোডে অনেক কিছু পাবেন যা অনেক সময় ২২০ এপিসোডেও পাওয়া যায় না——-

~~~অনন্য রিকমেন্ডস~~~

Kyoukai no Kanata 2

Behind the Voices – 02

কিমুরা রিয়োহেই
যে কোন অবস্থায় চরিত্রের ঠিক সেই অবস্থার মুডটি নির্ভুলভাবে তুলে ধরার দক্ষতা খুব কম মানুষের-ই থাকে,এমনকি হাতে-গোনা কয়েকজন দক্ষ কণ্ঠ-অভিনেতা বাদে আর কেউ-ই এতো সুন্দরভাবে কাজটি উপস্থাপন করতে পারে না। তবে এই বিষয়ে সবচেয়ে সেরা যিনি সে হল কিমুরা রিয়োহেই। সাধারণত হাসি-খুশি,উচ্ছল কিন্তু সিরিয়াস মোমেন্টে দৃঢ় এই সকল চরিত্র কণ্ঠ দিয়ে প্রতিনিধিত্ব করে থাকেন তিনি। তবে আরও নানা রকম ব্যক্তিত্বের চরিত্র কণ্ঠ-অভিনয় নির্ভুলভাবে তুলে ধরার সুনাম আছে তার।

আমার দেখা তার সেরা চরিত্র হল কুরোকো নো বাস্কেটের কিসে রিয়োতা, এডেন অফ দ্যা ইস্টের তাকিযাওয়া আকিরা,মাওয়ারু পেঙ্গুইনড্রামের তাকাকুরা শৌমা, হাগানাই-এর হাসেগাওয়া কোদাকা এবং গেক্কান শোজো নোযাকি-কুন আনিমেটির ওয়াকামাৎসু। আরও যে সকল চরিত্র আমার ভালো লেগেছে তা হল কাকুমেইকি ভাল্ভরেভের এল-এল্ফ, সাইকো পাস ২য় সিজনের কামুই কিরিতো, টকিয়ো রাভেন্সের তৌজি, ম্যাজাই-এর জুদাল, সাঙ্কারেয়া-এর ফুরুয়া চিহিরো অ্যান্জেল বিট্সের হিনাতা, ব্লাড ল্যাড-এর ব্র্যায ডি.ব্লাড, কুরোশিৎসুজি: বুক অফ মার্ডারের চার্লেস গ্রে এবং নাৎসুমে ইয়ুজিনচৌ-এর একটি ছোট্ট চরিত্র নিশিমুরা। আরও যে সকল রোল আছে তার তা হল গিন নো সাজির হাচিকেন, কিমি তো বকু-এর আসাবা ইয়ুকি, কামিসামা ডল্স-এর কুগা আকি, রোবোটিক নোট্সের ইয়াশিও কাইতো, সাকামিচি নো আপ্যোলোনের নিশিমি কাওরু।

তার ইনসার্ট সং এবং ক্যারাক্টার সং-এও অসাধারণ কাজের নমুনা আছে। এর মধ্যে যা যা ভালো লেগেছে তা হল ‘FLOWER’ গানটা,যেটা হাগানাই আনিমেটিতে ইনসার্ট সং হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং জুদাল চরিত্রটির ক্যারাক্টার সং ‘Black Sun(কুরোই তাইয়ো)’ গানটি। এই দুইটি গান শুনে দেখতে পারেন https://goo.gl/5k6bi6 এবং https://goo.gl/96GJwp এই দুইটি লিঙ্কে প্রবেশ করে।

তার জন্ম ৩০ জুলাই,১৯৮৪ সালে। ২০১২ সালের Seiyu Awards-এ “Best Supporting Actor” খেতাব জিতেছেন তিনি। তার দক্ষতা অনুজায় আরও ভালো ভালো চরিত্র পাওয়া উচিৎ বলে আমি মনে করি। সামনে আরও অসাধারণ চরিত্রের কণ্ঠে তার অবদান থাকবে এই আশা রইলো।

কিমুরা রিয়োহেই

 

ইনৌয়ে মারিনা
আমার সবচেয়ে প্রিয় কণ্ঠ অভিনেত্রীদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে যাকে রাখবো সে হল ইনৌয়ে মারিনা। আমার দেখা সবচেয়ে দক্ষ কণ্ঠ অভিনেত্রীদের মাঝে একজন হলেন তিনি এবং তার কণ্ঠ অভিনয়ও আমার বেশ অসাধারণ লাগে। তার কণ্ঠ অভিনয়ের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ দিক হল তার যেমন অনেক কিউট কণ্ঠ দেওয়া চরিত্রও আছে ঠিক তার টমবয়িশ কণ্ঠ দেওয়া চরিত্রের পরিমাণও কম না। তার চরিত্রগুলোতে রাগের স্বরে কথা বলার ধরণটা সে এতো সুন্দর করে তুলে ধরে,এই পর্যন্ত আমার দেখা আর কোন কণ্ঠ অভিনেত্রী সেটা এত সুন্দর করে তুলে ধরতে পারে নাই।

তার যেই দুইটা রোল আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লাগে তা হল স্কেট ডান্সের কিবিৎসু মোমোকা এবং হাগানাই আনিমেটির ইয়োযোরা চরিত্রটি। তবে তার আরও কিছু রোল আমার অনেক ভালো লেগেছে তা হল গুরেন লাগানের ইয়োকো লিটনার, H.O.T.D-এর রেই, স্কিপ বিটের মোগামি কিয়োকো, ওরেগাইরুর ইউমিকো, মাহৌকা কৌকৌ নো রেত্তোসেই-এর ওয়াতানাবে মারি, ক্যাম্পফারে নাৎসুরু,ফ্রিজিং-এর শিফন ফেয়ারচাইল্ড, ইনফিনিট স্ট্রাটোসের লউরা এবং সায়োনারা যেৎসুবৌ সেনসেই-এর চিরি-চান। তার আরও যে সকল ভালো ভালো চরিত্রের কাজ আছে তা হল শিঙ্গেকি নো কিয়োজিনের আরমিন, ডেট আ লাইভের তোহ্কা, হায়াতে দ্যা কম্ব্যাট বাটলারের ওয়াতারু, ব্রেক ব্লেডের নার্ভি,লগ হোরিজনের কানামি এবং আরও অনেক। আর এবার ওয়ারিমোনোগাতারিতে যেই নতুন চরিত্রটি আসলো ওইকুরা সোদাচি এবং গিনতামার নতুন সিজনের নতুন চরিত্র ইকেদা আসাএমোন তাদের কণ্ঠও দিয়েছেন মারিনা ইনৌয়ে।

আনিমের ওপেনিং-এন্ডিংগুলাতেও তার অবদান আছে। তবে যা করেছে তার বেশির ভাগ আরও অনেক কণ্ঠ অভিনেত্রীদের সাথে মিলে। তবে তার গাওয়া হাগানাই আনিমেটির প্রথম সিজনের এন্ডিং ‘ওয়াতাশি নো কিমোচি’ গানটা আমার বেশ ভালো লেগেছে। আর তার কিছু কিছু ইভেন্টে গাওয়া গানগুলো আমার ভালো লেগেছে। যেমন মিকুনি শিমোকাওয়ার সাথে এই লাইভ ইভেন্টে তিনি নিওন জেনেসিস এভান্জেলিওনের ওপেনিং ‘যাংকোকু না তেনশি’ গানটা গেয়েছিল এবং তাদের গাওয়া গানের এই ভার্শনটাও আমার ভালো লেগেছে। দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন https://goo.gl/zReKKg।

তার জন্ম ২০ জানুয়ারি,১৯৮৫। কণ্ঠ অভিনয়ের জগতে তার অভিষেক ২০০৪ শালে। এরপর থেকে বেশ ভালো ভালো চরিত্রের রোল পেয়েছেন তিনি। সামনে আরও ভালো ভালো চরিত্রের কণ্ঠ দিবেন তিনি এই প্রত্যাশা রইলো।

ইনৌয়ে মারিনা

Movie Time With Yami – 64

maxresdefault

Name: Persona 3 Movie 1: Spring of Birth
Duration: 1 hr. 32 min.
MAL Score: 7.93
Ranked: 616
Genres: Action, Fantasy, Seinen, Supernatural.

আমরা যে পৃথিবীতে, যে সময়ে বাস করি, চোখের সামনে যে দৃশ্যগুলো দেখতে পাই, সেটাই কি সম্পূর্ণ সত্য? এর বাইরে কি আর কিছুই নেই? হয়তো আমাদের জানার বাইরে রাতের আঁধারে থাবা মেলে রয়েছে এমন কোন অজানা বিপদ, যা আমাদের কল্পনার বাইরে। আর সেই বিপদ থেকে আমাদের রক্ষা করার জন্য আমাদের অগোচরে কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লড়াই করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

পুরো পৃথিবীর অগোচরে দিনের ২৪ ঘন্টা পার হওয়ার পর আসে আরও একটি নতুন সময়, “ডার্ক আওয়ার”। এই ডার্ক আওয়ারের রহস্যময় জগতে ঘুরে বেড়ায় দৈত্য দানব। যারা ক্ষতি করতে চায় পৃথিবীর। এদের সাথে তাই প্রতিদিন লড়াই করে একদল হাইস্কুলের ছেলেমেয়ে। আর চেষ্টা করে এই ডার্ক আওয়ারের রহস্য উদঘাটনের।

মুভিটি পার্সোনা ৩ গেমের অ্যানিমে অ্যাডাপ্টেশন, এছাড়া পার্সোনা ৪ নামে একটি অ্যানিমেও আছে। আমি গেমটি খেলিনি, তাই অ্যাডাপ্টেশন কেমন সে ব্যাপারে আমার ধারণা নেই। অ্যানিমেটি দেখেছি, সেখানে মূলত হাইস্কুল লাইফের পাশাপাশি রহস্য ও একশন দেখানো হয়।

অপরদিকে এই মুভিটির থিমটা বেশ ডার্ক, আর সেকারণে এটি অনেক টানটান উত্তেজনা ধরে রাখে পুরোটা সময়। একশন সিনগুলো আমার অতিরিক্ত ভাল লেগেছে, ওদের ফাইট করার স্টাইলটা অনেক কুল ছিল। আর আর্টওয়ার্ক এবং সাউন্ডট্র্যাকও বেশ ভাল ছিল।

Movie Download Link-
http://kissanime.com/…/persona-3-the-movie-1-spring-of…

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

 

Ghost Hunt রিভিউ — Maruf Raihan

অন্ধকার ঘরে একা থাকলে অনেকেই অজানা কারণে ভয় পেয়ে যান বা তটস্থ হয়ে যান। ভূত!! হ্যা,আমি সেই চিরন্তন সত্তার কথা বলছি যাতে অনেকে শক্তভাবে বিশ্বাস করেন আবার অনেকে লেইম গুজব বলে উড়িয়ে দেন।

এখনই হয়ত ভূত আছে কি নেই তাই নিয়ে ঝগড়া শুরু হয়ে যেতে পারে তাই সেদিকে না যাওয়াই ভাল। তবে এই আত্না,ভূত, প্রেত আর মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপারগুলো নিয়ে একটি এনিমের কথা বলা যাক। ৮৯,৯৪ এর লাইট নোভেল থেকে ২০০৭ এর ‘Ghost Hunt’। নাম শুনে যা ভাবছেন,এনিমেটা অনেকটা সেরকমই।

Ghost Hunt

সম্মিলিত কোন কাহিনী হিসেবে নয় এর গল্পের আবর্তন হয় কেস/ফাইল ভিত্তিতে। এক একটি ফাইল যেন স্বতন্ত্র মুভির মত,আর ফাইলগুলোর মধ্যে আন্ত:সম্পর্ক তেমন নেই।মোট ফাইল আছে ৮ টি। এনিমের প্রতিটি এপিসোড শুরু হয় তারিখ আর বার দিয়ে। প্রকৃতপক্ষে একে ‘SPR’ এর দিনপঞ্জিকা বলাও যায়। ‘SPR’ এটা আবার কী- ‘শিবুয়া সাইকিক রিসার্চ’ এর সংক্ষিপ্তরুপ। গল্পের প্রধান চরিত্র শিবুয়া কাজুয়া, SPR এর প্রধান। এই প্রতিষ্ঠানটির কাজই হল এসকল অশরীরী ও মনস্তাত্ত্বিক বিষয়ে গবেষণা আর তদ্রুপ অস্বাভাবিক ভুক্তভোগীদের সমস্যা সমাধানে অর্থ এর বিনিময়ে কাজ করে। গল্পের আরেক প্রধান চরিত্র তানিয়ামা মাই এর স্কুলই ভাগ্যক্রমে SPR এর ১ম কেসের ঘটনাস্থল হয়ে দাড়ায়। সেখান থেকেই অনেকটা নাটকীয়ভাবেই মাইকেও বেশ জোর করেই SPR এর সদস্য বানায় শিবুয়া।

অনেকেই ভাবছেন ‘খুইজা খুইজা ভূত ধইরা বেড়ায়। ধুর! এই এনিমে আর রিভিউ – দুইটাই ফালতু। ভাবনাটি ১৮০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে ফেলুন কেননা আর পাচটা সাধারণ ভূত ধরা ও তাড়ানো সিরিজের মত এই এনিমেটা নয়। ২৫ এপিসোডের এই এনিমেতে সুপারন্যাচারাল একটিভিটির পাশাপাশি খ্রিষ্টীয় ক্যাথলিকদের আত্নাশুদ্ধি থেকে শুরু করে বৌদ্ধ ধর্মতাত্ত্বিক রিচুয়াল এমনকি উপমহাদেশীয় সমাতন প্রেতাচার কেও তুলে ধরা হয়েছে। আর ডিটেকটিভ আর সাইকোলজিক্যাল ভাইব থাকায় এনিমেটা ফার্স্ট ক্যালিবারের নি:সন্দেহে।

শেষের দিকের ফাইলগুলো দেখে বেশ ভয় পেতে পারেন,যদি কঠিন যকৃতের মানুষ না হন। বিশেষ করে ফাইল নং ৭ (The Bloodstained Labyrinth) রাত জেগে না দেখার রিকমেন্ড করবো।

চরিত্রগুলোর মধ্যে শিবুয়া কাজুয়া আর তানিয়ামা মাই ছাড়া তেমন কোন ব্যতিক্রমী এনিমে ক্যারেক্টার নেই। তবে প্রথম দিকে কিছু কিছু চরিত্রকে অথর্ব ও শুধু সং সাজিয়ে রাখা হয়েছে ভাববেন শেষের দিকে তাদের কন্ট্রিবিউশন দেখে অবাক হয়ে যাবেন।

অত্যধিক আন্ডাররেটেড এই এনিমেটি আমার কাছে অত্যধিক ভালো লেগেছে। দেখে ফেলুন,ভালো লাগলে জানাবেন আর ভয় পেলে বা কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে রিভিউদাতা কোনক্রমেই দায়ী থাকবে না :v

—-অনন্য রিকমেন্ডস—-

পুরো এনিমে দেখতে না চাইলে ফাইল ফাইল ভাগ করে দেখতে পারেন:::

ফাইল-১:( এপি. ১-৩)

‘Filled with Evil Spirits?!!’ @Mai’s School

ফাইল-২:( এপি. ৪-৬)

‘Doll House’

ফাইল-৩:( এপি. ৭-১০)

‘The One who curses after School’

ফাইল-৪:( এপি. ১১)

বি:দ্র: না দেখলেও চলবে
A Ghost Story in the Path

ফাইল-৫:( এপি. ১২-১৩)

‘Silent Christmas’

ফাইল-৬:( এপি. ১৪-১৭ )

‘The Forbidden Play’

ফাইল-৭:( এপি. ১৮-২১ )

‘The Bloodstained Labyrinth’

ফাইল-৮:( এপি. ২২-২৫ )

‘The Home of the Curse’

Behind the Voices – 01

কোনিশি কাৎসুইয়ুকি

কণ্ঠ অভিনেতাদের মধ্যে বড় বড় নাম মামোরু মিয়ানো, হিরোশি কামিয়া, ওনো দাইসুকে, জুন ফুকুয়ামা, সাকুরাই তাকাহিরো। তাদের মতই বেশ অভিজ্ঞ এবং বিপুল সংখ্যক রোল করেছেন কোনিশি কাৎসুইয়ুকি। কামিনা, ওগা, হিসাগি শুহেই, ল্যাক্সাস এদের মত ভালো ভালো চরিত্রের কণ্ঠদাতা এই ভদ্রলোক। কিন্তু পাবলিক হাইপ এই লোকটিকে নিয়ে যত হওয়া দরকার তার চেয়ে অনেক কম।

যাই হোক, আনিমে ইন্ডাস্ট্রিতে তার অভিষেক ১৯৯৭ সালে। তার জন্ম ২১ এপ্রিল, ১৯৭৩। আমার কাছে তার সেরা রোল ওগা তাতসুমি, কামিনা আর কমুই লি এছাড়া আরো অনেক রোল ভালো লেগেছে তা হল D-frag!- এর কাযামা কেন্জি, হেতালিয়ায় আমেরিকা যেই রোলটিতে তার ভয়েস শুনার জন্য হেটালিয়ায় আমেরিকার পার্ট এলেই জাপানিজ ডাব্ডটা শুনতাম (ডুয়াল অডিও নামিয়েছিলাম BTW), প্রিজন স্কুলের গাকুতো হিসেবে তার “গোযারু গোযারু” বলার ধরনটা বেশ মজা লেগেছে আর নুরারিহিয়নে রিয়ুজি চরিত্রটিতে তার সিরিয়াস টোন বেশ ভালো লেগেছে।

তার আরো অনেক ভালো ভালো রোল আছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য টোকিও ঘুলে আমোন, তেগামি বাচিতে লার্গো লয়েড, ব্লিচে আরেকটি রোল আসানো কেইগো (এই চরিত্রটিকে আমার বেশ মজা লাগছিলো), আকামে গা কিলে বুলাত, দুরারারার তানাকা টম, স্কিপ বিটে সুরুগা রেন, ব্লাড +-এ হাজি, কিল লা কিলে মোহক থুক্কু কিনাগাসে সুমুগু আর গিন নো সাজির হাচিকেন। এছাড়াও দক্ষতার সাথে আরো অনেক চরিত্রের কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি।

তার গাওয়া কোন গান আমার শুনা হয় নি। কোন আনিমেতেও ওপেনিং-এন্ডিং তার গাওয়া গান শুনিও নাই, সুধু হেটালিয়ায় আমেরিকা চরিত্রটির পরিপ্রেক্ষিতে গাওয়া এন্ডিংটি বাদে।

তার বয়স বর্তমানে ৪২ কিন্তু এখনো অসাধারণ কণ্ঠ অভিনয় করে যাচ্ছেন তিনি। আশা করি ভবিষ্যতে আরো অসাধারণ চরিত্রের কণ্ঠ দিয়ে যাবেন এই সেইয়্যু।

konishi katsuyuki

 

কিতামুরা এরি

আয়া হিরানো, নোতো মামিকো, হোরিয়ে ইয়ুই, কুগিমিয়া রিয়ে, পাকু রোমি এদের মত অনেক ভালো ভালো কণ্ঠ অভিনেত্রী আছে সেগমেন্ট শুরু করার জন্য, তবে আমি কিতামুরা এরিকে দিয়েই শুরু করছি কারণ আমার সবচেয়ে প্রিয় কণ্ঠ অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন তিনি।

আমার কাছে তার কণ্ঠটা বেশ ব্যতিক্রমধর্মী এবং কিউট মনে হয়, আর তার কণ্ঠ দেওয়া চরিত্রগুলির কণ্ঠ শুনলেই বেশ সহজেই ধরা যায়। তার কণ্ঠ দেওয়া আমার দেখা চরিত্রগুলোর মধ্যে যেই কমন ফিচার পেয়েছি তা হল, চরিত্রগুলো সাধারণত প্রাণবন্ত হয় নাইলে বেশ ঢঙ্গী হয়। অবশ্য এক্সেপশনাল কিছু চরিত্র আছে যেমন ওয়ার্কিং আনিমের ইয়াচিও চরিত্রটি।

আর তার গাওয়া কিছু গান আমার বেশ ভালো লাগে, যার মধ্যে আছে নিসেমোনোগাতারির দ্বিতীয় ওপেনিং মার্শম্যালো জাস্টিস এবং সিডোনিয়া নো কিশিএর প্রথম এন্ডিং তেনোহিরা শো। এছাড়া তার গাওয়া বার্থ এবং রি-স্টোরি গান দুটাও আমার বেশ পছন্দের।

১২ আগস্ট,১৯৮৭ শালে তার জন্ম। তার কণ্ঠ অভিনয়ে অভিষেক ২০০৩ সালে। আর এখন মাত্র ২৮ বছর বয়সে এই ট্যালেন্টেড ভয়েস এক্ট্রেস এখন আনিমে ইন্ডাস্ট্রিতে সেরা কণ্ঠ নায়িকাদের মধ্যে একজন। তার সর্বপ্রথম বড় রোল হল ব্লাড + আনিমেটির প্রধান চরিত্র ওতোনাশি সায়া।

তার যে রোলগুলা আমার বেশ ভালো লেগেছে তা হল মোনোগাতারি সিরিজের আরারাগি কারেন, ব্লাড +-এর সায়া ওতোনাশি, ওয়ার্কিং-এর ইয়াচিয়ো তোদোরোকি এবং মাদোকা মাজিকার মিকি সায়াকা। তার আরও কিছু ভালো রোল তোরাডোরার কাওয়াশিমা আমি, H.O.T.D-এর তেনসাই শোজো তাকাগি সায়া, ইয়ামাদা-কুনের ওদাগিরি নেনে, Angel Beats-এর ইয়ুই, ব্লু এক্সোরসিস্টের ইযুমো, দুরারার ওরিহারা মাইরু, ফেইরি টেইলের কানা এবং একুইরিয়াস, তাসোগারে ওতোমে আম্নেশিয়ার কিরিয়ে কানোএ, ব্ল্যাক রক শুটারের কাগারি।

ওহ আর তার শখ হল মাঙ্গা আঁকা,তিনি ছোট বেলা অভিনয়ের পাশাপাশি মাঙ্গাও আঁকতেন। তার আরেকটা জিনিস আমার ভাল্লাগে সেটা হল সে কিন্তু ভয়েস এক্টিং শুধু বেতনের জন্য করে না তার এই পেশার প্রতি ছোট বেলা থেকেই একটা আলাদা টান ছিল এবং এর জন্য তার কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে অনেক। সামনেও যাতে সে আরও ভালো ভালো চরিত্রের রোল পায় সেটাই আমার আশা রইল। একটা জিনিশ খেয়াল করলাম তার রোলগুলার মধ্যে দেখি সায়ায় ভরা মানে দুইটা সায়া আর একটি সায়াকা।

kitamura eri

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – পঞ্চবিংশতম পাঠ

অনেকদিন পোস্ট দেয়া হয় না … আজকে অনেকদিন পর কানজি নিয়ে আবারও হাজির হইছি

***কানজি কানজি কানজি***

আজকের কানজি “dog” এর কানজি .. এটার উচ্চারণ হল “ইনু/কেন”

inu-ken

এমনিতে “ইনু” মানে হল “কুকুর”
“কো ইনু-puppy”
“ইনু জিনি সুরু-die in vain”
এসব ক্ষেত্রে “ইনু”র জায়গায় এই কানজি টা বসে.. ওয়ান পিসে “আকাইনু” (লাল কুত্তা) আছে 😛

মৌকেন-রাগী কুকুর
বানকেন-watch dog
এখানে “কেন”এর জায়গায় এই কানজি টা বসে..

এই কানজি টা সোজা আছে…সহজেই লিখা যায়.. মানুষের কানজির সাথে কিছুটা মিলও আছে.. আজকে এপর্যন্তই থাক..মাতা নে..

Movie Time With Yami – 63

japan akira knight motor moto science fiction anime kaneda 1500x974 wallpaper_www.wall321.com_12

Name: Akira
Duration: 2 hr. 4 min.
MAL Score: 8.13
Ranked: 364
Genres: Action, Adventure, Horror, Military, Sci-Fi, Supernatural

এই মুভিটির রিভিউ/রিএকশন খোঁজ করার সময় আমি দেখেছি, দর্শকদের মাঝে এটি নিয়ে বেশ মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কেউ কেউ এটাকে অন্যতম সেরা মুভিগুলোর একটি বলেন, তো কেউ আবার এটিকে তেমন একটা পছন্দ করেন না। তবে একটা কথা সত্যি, এই মুভিটি আসলেই অ্যানিমেটেড মুভির জগতে একটি মাইলফলকের মত, এবং ২৭ বছর আগের একটি ভবিষ্যত নির্ভর সাই-ফাই মুভি হিসেবে এর এক্সিকিউশন চমৎকার।

মুভিটি ২৭ বছর আগে তৈরি হলেও, এর পটভূমি আজ থেকে চার বছর পরে, ২০১৯ সালের জাপানে। ওয়ার্ল্ড ওয়ার ৩ এর পরে পেরিয়ে গেছে ৩১ টি বছর। জাপানে এখন চলছে অরাজকতা, দেশের শাসক শ্রেণীর মধ্যেও চলছে বিভিন্ন ধরণের গোপন এক্সপেরিমেন্ট।

এরকম সময়ে একটি তরুণ বাইকার গ্যাং এর সদস্য হঠাৎ মিলিটারীর এক্সপেরিমেন্টাল গিনিপিগে পরিণত হয়। তারা তার ওপরে মানুষের মনস্তাত্ত্বিক ক্ষমতা বৃদ্ধির পরীক্ষা চালায়। কিন্তু এই গবেষণা পরবর্তীতে ডেকে আনে এক ভয়াবহ বিপর্যয়, যা ঐ শুধু ঐ বাইকার গ্যাংকেই নয়, পুরো শহরকেই বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেয়।

মুভিটির কাহিনী ভয়াবহ রকমের জটিল, আমি প্রথমবার দেখে কাহিনীর পুরোপুরি বুঝতেই পারিনি, অন্যদের সাথে আলোচনা করে এবং রিভিউ/এক্সপ্লানেশন পড়ে বোঝা লেগেছে। তাই মুভিটি দেখার পরে আমি বুঝতে পারছিলাম না রিএকশন কি হওয়া উচিৎ। কিন্তু পরে এটি নিয়ে গবেষণা করার পরে কাহিনীটা আমার খুব ভাল লেগেছে, তাই আমি এটা সবাইকে দেখতে সাজেস্ট করি। আশির দশকের অ্যানিমে, তাই আর্টওয়ার্কটাও ঐ আমলের মতই, অনেকের পছন্দ নাও হতে পারে, তবে কাহিনীর জন্যে এটা কনসিডার করা যায়। সাউন্ডট্র্যাক আমার কাছে মোটামুটি লেগেছে, আর শেষের দিকে একটা বিরক্তিকর শব্দ বেশ অনেকক্ষণ ধরে চলে, সেটা বেশ কানে লেগেছিল।

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Akira

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Movie Time With Yami – 62

earthsea

Name: Tales from Earthsea / Gedo Senki
Duration: 1 hr. 55 min.
MAL Score: 7.21
Ranked: 2464
Genres: Adventure, Fantasy, Magic.

বলা হয়ে থাকে, চাপ নিয়ে কাজ করলে সেই কাজটা নাকি ভাল হয়। কোন একটা কাজের ওপর যখন মানুষ ভরসা করে থাকবে, সেই কাজটা ভালভাবে করার স্পৃহা তত বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু, অনেক সময় দেখা যায়, বেশি প্রত্যাশার পাহাড় মাথায় নিয়ে মানুষ ভেঙে পড়ে। গেদো সেঙ্কি মুভিটার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা তাই হয়েছে বলে আমার বিশ্বাস।

মুভিটি বানানো হয়েছে তিনটি উপন্যাসের কাহিনী একত্রিত করে। স্টুডিও জিবলীর ব্যানারে তৈরি এ মুভিটি বিখ্যাত পরিচালক হায়াও মিয়াজাকির পুত্র গোরো মিয়াজাকির ডেবিউ ফিল্ম। সবমিলিয়ে মুভিটির ওপর প্রত্যাশার চাপ ছিল আকাশছোঁয়া, এবং খুব সম্ভবত এটিই কাল হয়েছে মুভিটির জন্য।

স্টোরির শুরুটা বেশ প্রমিজিং। হঠাৎ করেই রাজ্যে দেখা দেয় অভাব অনটন, রাজ্যের মানুষের আচার আচরণে আসে পরিবর্তন, এবং রাজ্যে ড্রাগনের দেখা পাওয়া যেতে থাকে। তবে কি শেষ সময় ঘনিয়ে আসছে? রাজ্যের রাজকুমার এক ভয়াবহ অপরাধ করে রাজ্যছাড়া হল। দিশেহারা এ বালকের সাথে দেখা হল জাদুকর স্প্যারোহক এর। কিভাবে এতগুলো রহস্যের সমাধান হবে?

শুরুটা খুব প্রমিজিং হলেও মুভিটি পরবর্তীতে এই প্রমিস রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। কাহিনীটা কিছুদূর আগানোর পর কেমন যেন খাপছাড়া হয়ে যায়, কোথা থেকে কি হচ্ছে বুঝতে বেগ পেতে হয়। কোন চরিত্রই মনে রাখার মত লাগেনি। এন্ডিংটা ভাল করেছে, তবে অনেক রহস্য অমীমাংসিত রেখে, এটা বেশ হতাশার ব্যাপার।

তাহলে মনে প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক যে, এত সমস্যাযুক্ত মুভি তাহলে কেন দেখব? অবশ্যই দেখার পক্ষেও যুক্তি রয়েছে। মুভিটির আর্ট খুবই চমৎকার, প্রতিটা দৃশ্যে যত্নের ছাপ স্পষ্ট। স্টুডিও জিবলীর আর্টের মর্যাদা রাখতে পেরেছে এটি। আর সেইসাথে রয়েছে মনোমুগ্ধকর ওএসটি। এগুলোর কারণে শেষপর্যন্ত মুভিটি অন্তত উপভোগ্য হয়েছে। আপনি যদি প্রশ্নের ঝাঁপিটা বন্ধ রেখে দেখতে বসেন, সময়টা খারাপ কাটবে না।

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Tales-from-Earthsea

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!