Movie Time With Yami – 51

spirited_away_by_nuriko_kun-d3cyj4y

 

Name: Spirited Away / Sen to Chihiro no Kamikakushi
Duration: 2 hours 5 min.
MAL Score: 8.93
Ranked: 12
Genres: Adventure, Drama, Supernatural

মাই আনিমে লিস্টের স্ট্যান্ড অ্যালোন মুভির টপ লিস্ট যদি কেউ চেক করেন, দেখতে পাবেন, সবার ওপরে যে নামটি আছে, সেটি হল স্পিরিটেড অ্যাওয়ে। স্টুডিও জিবলীর অন্যতম ব্যবসাসফল এবং প্রশংশিত এ মুভিটি রিলিজ হওয়ার বছরে (২০০১ সাল) একাই দখল করেছিল সকল বড় বড় অ্যাওয়ার্ডগুলো; যার মধ্যে অস্কারও রয়েছে।

নিজের পরিচিত গন্ডি ছেড়ে, স্কুল-বন্ধুবান্ধব-খেলার সাথীদের ছেড়ে যদি হঠাৎ দূরে একেবারে অচেনা কোন জায়গায় চলে যেতে হয় আপনাকে হঠাৎ করে, কেমন লাগবে আপনার? নিশ্চয় মন খারাপ/বিরক্ত লাগবে কিছুটা হলেও! সেরকমটাই ঘটেছে চিহিরোর সাথে। পরিবারের সিদ্ধান্তের কারণে অনিচ্ছাসত্ত্বেও তাকে নিজের পরিচিত গন্ডি ছেড়ে যেতে হচ্ছিল অজানা এক জায়গাতে। সেজন্য চিহিরোর মন বেশ খারাপ। পুরো রাস্তায় এজন্য বাবা-মার সাথে অসহিষ্ণু আচরণ করে সে।

পথে গাড়ি চালানোর সময় হঠাৎ এক জায়গায় একটা ভুল রাস্তায় ঢুকে পড়ে চিহিরোদের গাড়ি। অচেনা পথে দিকভ্রষ্ট হয়ে গাড়ি চালাতে চালাতে একসময় গাড়িটা এসে পৌছায় একটা জনমানবশূণ্য থিম পার্কের সামনে। চিহিরো যদিও জায়গাটা নিয়ে শঙ্কিত থাকে, তারপরেও বাবা-মায়ের পেছনে পেছনে জায়গাটা পরিদর্শন করতে বেরিয়ে পড়ে।

পার্কটির একপ্রান্তে হঠাৎই একটি খাবারের স্টল খুঁজে পায় চিহিরোর বাবা-মা। কোনকিছু চিন্তা না করে খেতে বসে যায় তারা। চিহিরো তাদের সাথে বসে না ভয়ের কারণে। এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই সে আবিষ্কার করে, বাবা-মায়ের অদূরদর্শী কাজের কারণে এক ভয়াবহ বিপদের মধ্যে এসে হাজির হয়েছে তারা।

মুভিটির কাহিনী বেশ দ্রুতগতিতে আগায় বলা চলে, কোন জায়গায় দম ফেলার সুযোগ তেমন একটা পাওয়া যায় না। স্পিরিট ওয়ার্ল্ড ও তার আজগুবি ক্রিয়েচারগুলো দেখে আমার একটু অস্বস্তি লেগেছিল, আর কাহিনীটা মাঝে যেন একটু খাপছাড়া লেগেছিল। তবে এঞ্জয়মেন্ট ভ্যালু হিসেবে বলা যায়, বেশ উপভোগ্য ছিল মুভিটি। মিয়াজাকি হায়াও এর সব মুভিতে তার কাজের ছোঁয়া স্পষ্ট থাকে, এ মুভিটিও তার ব্যাতিক্রম নয়, ক্যারেক্টার ডিজাইন, আর্টওয়ার্ক, ডেভেলপমেন্ট- পুরোটাই একটা জিবলী জিবলী ভাব তৈরি করে। আর্টওয়ার্ক জিবলীর বাকি কাজগুলোর মতই অসাধারণ, আজগুবি ক্রিয়েচারগুলোকেও খুব যত্ন নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। সাউন্ডট্র্যাকও বেশ চমৎকার, আর চিহিরোর ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট বেশ ভাল ছিল।

আর, বলা হয়ে থাকে যে, মুভিটিতে রূপক অর্থে দর্শককে মেসেজ দিতে চেষ্টা করা হয়েছে, এই মেসেজ নিয়ে অনেক থিওরী, ভিডিও ছড়িয়ে আছে ইন্টারনেটে। মুভি দেখার পরে যদি আগ্রহী হন তো এগুলো কিছুটা ঘাটাঘাটি করে দেখতে পারেন, দেখে মজাই লাগবে, আর মুভিটির ব্যাপারে মনে নতুন ধারণার জন্ম হওয়াটাও অস্বাভাবিক নয়! কিংবা কে জানে, হয়ত আপনিও একটি নতুন থিওরী দাড়া করিয়ে ফেললেন!

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Spirited-Away

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৪১ তম পার্ট By অরিন শারমিন

জাপানিজ শিক্ষাকার্যক্রমের ৪১তম লেসন

 

আজকে একটা ইম্পরট্যান্ট জিনিস শিখাব সেটা হল “Japanese particles”

“Japanese particles” শিখার আগে একটা জিনিস জানা দরকার সেটা হল “Japanese basic sentence structure” এ কি কি type এর word থাকে….

**(একটা জিনিস বলে রাখি আমি যা শিখাচ্ছি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই টাইপের হলেও অনেক ক্ষেত্রেই এর ব্যতিক্রম হতে পারে লাস্টে কিছু ব্যতিক্রমের উদাহরণ দিব )**

 

তাহলে ১মে আমাদের শিখতে হবে “types of words”..

“Japanese basic sentence structure” এ বিভিন্ন টাইপের শব্দ থাকতে পারে তার মধ্যে ইম্পরট্যান্ট কিছু বলি…

Topic word (এটা অনেকটা ইংলিশ সেন্টেন্সের subject এর মত),time word,companion word,place word,object word,verb word.. (জাপানিজ সেন্টেন্সে শব্দ গুলা মোটামোটি এই সিরিয়ালেই বসে)

এবার আসি কোন শব্দের সাথে কোন পার্টিকেল বসে …

topic এর সাথে বসে “wa”
time এর সাথে বসে “ni”
ompanion এর সাথে বসে “to”
place এর সাথে বসে “de”
object এর সাথে বসে “o”
verb সবার শেষে থাকে এর সাথে কোন পার্টিকেল থাকে না..

এবার দুই-একটা উদাহরণ দিয়ে ক্লিয়ার করি …

1.I watched a movie with my friend in a movie theater on Sunday.

2.I ate lunch with my dad at a restaurant on Friday.

3.Abonti speaks Japanese everyday at home with her family.

 

এবার আসি উপরের বাক্যগুলাতে কোনটা কি টাইপের ওয়ার্ড

Topic word (I and Abonti) …
I এর জাপানিজ ওয়াতাশি..

Time word (Sunday,Friday,everyday)
sunday-নিচিইয়োবি
friday-কিনইয়োবি
everyday-মাইনিচি

companion word (my friend,my dad,her family)
friend-তোমোদাচি
dad-চিচি,ওতৌসান,তৌসান,ওতৌসামা ইত্যাদি
family-কাজোকু

place word (movie theater,restaurant,home)
movie theater-এইগাকান
restaurant-রেসুতোরান
home-উচি

object (movie,lunch,Japanese)
movie-এইগা
lunch-ওহিরুগোহান
Japanese-নিহোনগো

verb (watched,ate,speaks)
watched-মিমাশিতা
ate-তাবেমাশিতা
speaks-হানাশিমাসু

(মিনিং প্রায় সবই আগে বিভিন্ন লেসনে শিখানোর কথা.. সুবিধার জন্য সবগুলা আবার বললাম) এখন প্রতিটা বাক্যের ফুল অর্থ বলি..

1.I watched a movie with my friend in a movie theater on Sunday.
১. ওয়াতাশি ওয়া নিচিইয়োবি নি তোমোদাচি তো এইগাকান দে এইগা ও মিমাশিতা.

2.I ate lunch with my dad at a restaurant on Friday.
২. ওয়াতাশি ওয়া কিনইয়োবি নি চিচি তো রেসুতোরান দে ওহিরুগোহান ও তাবেমাশিতা

3.Abonti speaks Japanese everyday at home with her family.
৩. অবন্তী সামা ওয়া মাইনিচি কাজোকু তো উচি দে নিহোনগো ও হানাশিমাসু (এখানে টাইম ওয়ার্ড এর সাথে নি বসে কিনা আমি শিওর না যতদূর জানি everyday specific কোন টাইম না বলে নি বসে না)

 

কঠিন জিনিসপত্র উদাহরণ দিয়ে একটু সোজা করার ট্রাই করছি যারা বুঝছ/বুঝছেন তারা নিচের সেন্টেন্সের জাপানিজ কমেন্টে লিখতে পার/পারেন তাইলে কতটুকু বুঝাতে পারলাম আইডিয়া হবে আমার

“I want to see cherry blossoms in kyoto in the spring” (কিছু শব্দের মিনিং বলে দেই.. want to see-মিতাই দেসু, cherry blossoms-সাকুরা spring-হারু)

এখন ব্যতিক্রমে আসি ….restaurant হল একটা place word কিন্তু যদি restaurant topic word হিসেবে ব্যবহার হয় তখন particle “দে” না বসে “ওয়া” বসে আবার যদি object হিসেবে ব্যবহার হয় তখন “ও” বসে ….

যেমনঃ “restaurant are expensive sometimes”- রেসুতোরান ওয়া তোকিদোকি তাকাই দেসু.. (expensive-তাকাই,sometimes-তোকিদোকি)

she knows many good restaurant-কানোজো ওয়া ইই রেসুতোরান ও তাকুসান শিত্তেইমাসু.. (good restaurant-ইই রেসুতোরান, many-তাকুসান,knows-শিত্তেইমাসু)

এখানে ১ম বাক্যে restaurant টপিক তাই “ওয়া” বসেছে আর ২য় বাক্যে object তাই “ও” বসছে …

শুধু place word না বাকি সব ওয়ার্ড এর ক্ষেত্রেও এমন ব্যতিক্রম হতে পারে…দেখে বুঝতে হবে কোনটা কি ওয়ার্ড হিসেবে ইউজ হয়েছে সেই অনুযায়ী পার্টিকেল বসাতে হয়…

 

আজকে মেলা কিছু বুঝাইছি … এই পর্যন্তই থাক..মাতা নে.. 🙂

‘ইফ ইউ লাইক দিস ইউ মে অলসো লাইক দ্যাট’ – ১৬.৫

ইফ ইউ লাইকড ‘Mars of Destruction’ ইউ মে অলসো লাইক ‘Tenkuu Danzai Skelter+Heaven‘

1

আপনার কাছে ‘Mars of Destruction‘ ভালো লাগলে ‘Tenkuu Danzai Skelter+Heaven‘ ও ভালো লাগতে পারে

কারণ-

‘Mars of Destruction‘ ও ‘Tenkuu Danzai Skelter+Heaven‘ এর মধ্যে মিল-

* দুইটাই ১ এপিসোড এর OVA.
* সেইম স্টুডিও, Idea Factory, এর করা।
* Director Yoshiteru Satou.
* সেইম জনরার। সাই-ফাই।
* 19 minutes of pure awesomeness.
* এলিয়েনদের হাত থেকে পৃথিবীকে বাচানো নিয়ে কাহিনি।

2

‘Mars of Destruction‘ ও ‘Tenkuu Danzai Skelter+Heaven‘ এর মধ্যে অমিল-

* ‘Mars of Destruction’ ও ‘Tenkuu Danzai Skelter+Heaven’ এর স্ক্রিপ্টরাইটার ভিন্ন।
* ‘Tenkuu Danzai Skelter+Heaven’ এর Script আর Screenplay ও Director Yoshiteru Satou এর করা।

3

4

5

6

7

8

9

‘ইফ ইউ লাইক দিস ইউ মে অলসো লাইক দ্যাট’ – ১৬

ইফ ইউ লাইকড ‘Angel Beats!’ ইউ মে অলসো লাইক ‘Little Busters! & Little Busters!: Refrain‘

1

আপনার কাছে ‘Angel Beats!‘ ভালো লাগলে ‘Little Busters! & Little Busters!: Refrain‘ ও ভালো লাগতে পারে

কারণ-

‘Angel Beats!‘ ও ‘Little Busters! & Little Busters!: Refrain‘ এর মধ্যে মিল-

* Key visual novel studio এর করা।* স্ক্রিপ্টরাইটার Jun Maeda.
* সেইম জনরার। Comedy, Drama,School, Supernatural.
* অনেকটা সিমিলার কনসেপ্ট।
* ক্যারেক্টারদের মিল।
* স্কুলে বন্ধুরা মিলে মজা করার লাইটহার্টেড কমেডি এর মাঝেই ইমোশোনাল কাহিনি + বেইসবল + Feels.
* সাউন্ডট্র্যাক বেশ ভালো।
* ভালো ভিসুয়াল।
* মেইন ক্যারেক্টার এর মিল। অন্যদের তাদের জীবনের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।
* ড্রামাটিক, স্যাড আর অনেক বেশি ইমোশোনাল।
* ফানি র‍্যান্ডম এন্ড ব্যাটল সিন।
* ক্যারেক্টার সেন্ট্রিক প্লট।
* সেইম ভাইব আর এনভায়রোমেন্ট।

2

‘Angel Beats!’ ও ‘Little Busters! & Little Busters!: Refrain‘ এর মধ্যে অমিল-

* Little Busters! & Little Busters!: Refrain ভিসুয়াল নভেল থেকে এডাপ্ট করা। Angel Beats! এর ভিসুয়াল নভেল অ্যানিমেই এর অনেক পরে (মাত্র কয়েকদিন আগে) রিলিস পেয়েছে।
* Little Busters! এর পুরা কাহিনি ২ সিসন মিলে।
* একটাতে এন্ডিং স্যাটিসফাইং।

3

4

5

6

7

8

9

10

11

12

13

এনিমে রিভিউ: Kaiji — Rezo D. Skylight

KaijiKaiji দেখা শুরু করার সময় আমার তেমন একটা এক্সপেক্টেশন ছিল। প্রথমতো আমি এনিমের আর্টস্টাইল দেখে খুব চিন্তিত ছিলাম। বিশেষ করে ক্যারেক্টারগুলার নাকগুলা ছিল লম্বা প্লাস্টিক এর মতো দেখতে। তারপরেও কি মনে করে দেখতে থাকলাম। কিন্তুু দেখে মোটেই হতাশ হয়নি। কিভাবে যে টানা দুইদিনে কাইজি দেখে ফেললাম নিজেই বুঝলাম না।

কাইজির ঘটনা শুরু হয় কাইজি ও তার বন্ধুর কো- সাইনের মাধ্যমে লোন নেয়া টাকা থেকে। সেই লোনের টাকা শোধ করতে না পেরে কাইজির সেই বন্ধু পালিয়ে যায়। শেষমেশ আর কি হবে। লোনার সব বোঝা কাইজির ঘাড়ে পড়লো। কিন্তুু, সেই লোন ছিল বিশাল টাকার অংক। যেই লোন পরিশোধ করা কাইজির পক্ষে সহজ ছিল না। খুব চেষ্টা করলে হয়তো সে টাকা শোধ করতে কাইজির ১১ বছর কেটে যাবে। তখন টাকা আদায়কারি কাইজিকে ২টা চয়েছ দেয়। হয় তার কষ্ট করে টাকা উপার্জন করে এই লোনের টাকা পরিশোধ করতে হবে নয় তাকে জীবন বাজি রেখে এক জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করতে হবে। ভাগ্য ভালো থাকলে সে এই জুয়া খেলার মাধ্যমে এক দিনের মধ্যেই লোনের টাকা পরিশোধ করতে পারবে। আর এই খেলাতে হারলে তার জীবনে নেমে আসবে নরক। কাইজি সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহন করে। আর প্রবেশ করে জুয়া খেলার অন্ধকার দুনিয়াতে।

কাইজিতে মানুষের psychology খুব ভালোভাবে দেখানো হয়েছে। মানুষের অর্থের প্রতি হিংস্র লোভ-লালশা, অর্থের জন্য মানুষের প্রতি মানুষের বিশ্বাস হারানো, ওয়াদা ভঙ্গ করা, এমনকি অর্থের লোভে যে মানুষ মানুষকে মেরে ফেলতে পারে এই বিষয়গুলো কাইজিতে খুব ভালোভাবে উপস্থাপন করেছে। “লোভে পাপ আর পাপে মৃত্যু” – এই প্রবাদটির ভাবার্থ কাইজি দেখলেই ভালোভাবে বুঝা যায়। আর উচ্চশ্রেণীর পিচাশশ্রেণী মানুষদের পরিচয়ও কাইজিতে দেখানো হয়েছে। এরা নিজেদের আনন্দও উপভোগে সমজের হতদরিদ্র, ঋণগ্রস্ত মানুষদেরকে নিয়ে বিভিন্ন মৃত্যু খেলার আয়োজন করে। তাদের কাছে দরিদ্র মানুষের জিবিনের কোন মূল্য নেই। কিন্তুু তাই বলে কাইজি মটেই পিছপা হয়নি। সে এসব খেলায় নিজের জীবন বাজি রেখে অংশগ্রহন করে যায়। আর এর জন্যই কাইজিকে আমার খুব ভালো লেগেছে। এছাড়া “কাইজি”-র প্রায় প্রতিটি খেলাতেই রয়েছে gambling। আর প্রতিটি খেলায় কাইজি যেভাবে বুদ্ধি খাটায় তা পুরই অচিন্তনীয়। তাই মাথা খুব ঠাণ্ডা রেখে কাইজি দেখতে হয়েছে। আর আমি এই gambling গুলা খুব উপভোগ করেছি।

এখন ক্যারেক্টারের কথা বলতে গেলে শুধু কাইজির কথাই বলতে হয়। কাইজির চিন্তা ভাবনা অনেকটা ডেথ নোটের লাইট বা এলের মতো। কাইজি প্রতিটি জুয়া খেলাতেই নিজেকে কন্ট্রোল করে গভীর চিন্তা ভাবনা করে তার প্রতিপক্ষকে হারায়। কাইজি আসলেই যেকাররি ভালো লাগার মতো একজন ক্যারেক্টার।

অনেক কথা বলে ফেললাম। এখন আসল কথায় আসি। কাইজি যারা এখনো দেখেননি তারা সময় পেলে দেখে ফেলুন। বিশেষ করে আপনারা যারা Psychological জেনারের এনিমে পছন্দ করেন তাদের জন্য ”কাইজি” মাস্ট ওয়াচ একটা এনিমে। কাইজির intensity, thrill , awesomness ডেথ নোট, কোড গিয়াস এবং অন্যান্য Psychological এনিমের থেকে কোনো অংশেই কম না। আর gambling এবং mind games নিয়ে কাইজির মতো এনিমে খুব কমই আছে। আর আর্ট নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না। কয়েক এপিসোড দেখলেই আর্টটা আপনার কাছে মানানসই হয়ে যাবে।

MAL rating – 1st season (8.36), 2nd season (8.31)
My rating – 9/10

Movie Time With Yami – 50

[আজকের সাজেশনটিকে বলা যায় বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড় সাজেশন, তিনটি খুবই ছোট্ট ওএনএ সাজেশন থাকছে। আর এটা এই সেগমেন্টের ৫০ তম পর্ব, এতদিন ধরে আমার সাথে থেকে আমাকে অনুপ্রাণিত করার জন্য আপনাদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ!]

raintown1

Name: Rain Town
Duration: 10 minutes
Genre: Drama

বৃষ্টির শহর। এ এক এমন শহরের গল্প, যেটি সারাটা বেলা বৃষ্টি দিয়ে ঘেরা থাকে। বৃষ্টির এই প্রকোপের কারণে শহরের বেশিরভাগ বাসিন্দা একে ছেড়ে চলে গিয়েছে। পরিত্যক্ত এই শহরের বৃষ্টিভেজা পরিবেশের মাঝেই সুন্দরভাবে চিত্রায়িত হয় এক ছোট্ট বালিকা ও এক রোবটের বন্ধুত্বের গল্প। তারা এই মুভির দশ মিনিটের ব্যাপ্তির মাঝে দর্শককে উপহার দেয় তাদের সুন্দর সম্পর্কের একটি কোমল চিত্র, যেখানে ভালবাসা আছে, বৈষম্যও আছে, স্মৃতিকাতরতা আছে, আবার অতীতকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়ার নিষ্ঠুরতাও আছে। এই অসম বন্ধুত্বের গল্প যেন আমাদের নিজেদেরই জীবনের একটি অংশ। ওএনএ টির শেষটি যে কারও মন খারাপ করিয়ে দিতে পারে।

মাত্র ১০ মিনিটের একটি ওএনএ এটি, কিন্তু এর অ্যানিমেশন অত্যন্ত চমৎকার ও উজ্জ্বল; দেখে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা করে। পুরোটা সময় বৃষ্টি পড়তে থাকে এতে, এবং বৃষ্টির অ্যানিমেশন খুবই বাস্তবধর্মী ও সুক্ষ্ম। এই বৃষ্টির মাঝেই এতগুলো অনুভূতি দক্ষতার সাথে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে; অনেক বড় বড় অ্যানিমেও যেটা মাঝেমধ্যে পাওয়া যায়না। আর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকে পিয়ানোর শব্দটিও বেশ ভাল লাগে শুনতে; বৃষ্টি পড়ার শব্দের সাথে মিশে অন্যরকম এক আবহ তৈরি করে এটি।

Link- https://youtu.be/RLAfM1RXwRs

out-of-sight-4900-1

Name: Out of Sight
Duration: 6 minutes
Genre: Drama

এক সুন্দর সকালে নিজের পোষা কুকুর কোকোকে নিয়ে শহরে হাটতে বের হয় এক ছোট্ট মেয়ে। হঠাৎ এক ছিনতাইকারী মেয়েটির কাঁধের ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়! কোকো সাথে সাথে তাড়া করে লোকটিকে। এবং এরপরেই শুরু হয়, মেয়েটির পৃথিবীটাকে নতুন করে চিনতে শেখার পালা!

এই ওএনএটির ব্যাপারে সর্বপ্রথম যে কথাটি বলব, আপনারা অবশ্যই এটিকে কমপক্ষে দুইবার দেখবেন। এই ওএনএটি এত বেশি সুন্দর, কমপক্ষে দুইবার না দেখলে এটা থেকে পরিপূর্ণ অনুভূতি পাওয়া সম্ভব নয়। অ্যানিমেশন অতিরিক্ত বেশি সুন্দর, নিমেষেই মন ভাল করে দেবে। এবং ওএনএর শেষে রয়েছে একটি সারপ্রাইজ, যা দর্শককে কিছুক্ষণের জন্য হলেও বাকরূদ্ধ করে দেবে।

Link- https://youtu.be/4qCbiCxBd2M

New Bitmap Image

Name: My Life
Duration: 4 minutes
Genre: Drama, Slice of Life

এটি একটি মেয়ের জীবনের গল্প, তার কৈশোরের আনন্দের দিনগুলোর গল্প, তারুণ্যের রঙিন দিনগুলোর গল্প, তার ভাললাগা-ভালবাসার গল্প, সাফল্য-ব্যর্থতার গল্প। চার মিনিটের এই অল্প সময়ের ফ্রেমে তার পুরো জীবনটি চিত্রায়িত হয়। ওএনএ টির আর্ট খুব সুন্দর, ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকও মানানসই। জীবনের পথে একজন মানুষের পরিণত হয়ে ওঠা থেকে শুরু করে ছোট ছোট আনন্দ-বেদনার গল্প, পুরোটাই খুব সুন্দরভাবে দেখানো হয়েছে এতে। দেখতে দেখতে নিজের জীবনের সাথে কিছুটা সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়াও অসম্ভব কিছু নয়।

Link- https://youtu.be/M88E8o8Q_UQ

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

স্বপ্নযাত্রা – Shirobako এনিম রিভিউ — মোঃ আসিফুল হক

1

রোজকার মতন ফাইল ঠেলাঠেলি করে আর বসের ঝাড়ি খেয়ে লোকাল বাসে ঝুলতে ঝুলতে কখনও কি মনে হয়েছে “ব্যাস, অনেক হয়েছে; আর না?” মাঝে মাঝে কিছুটা একাকী সময়ে কি মনে হয়েছে এখন যেটা করছেন হয়ত সেটা করার কথা ছিল না কখনও? কিংবা হয়ত সেই সময় এখনও আসে নি; হয়ত এখনও ছাত্রজীবন পার করছেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন একটা সাব্জেক্টে বছর দুয়েক পার করে ফেলেছেন; হটাত করেই কোন এক নির্ঘুম রাতে সোডিয়াম আলোয় ফাঁকা রাস্তায় হাটতে হাটতে মনে হল “এরপর কি?” ভবিষ্যতে আসলে কি করবেন বা কি করতে চান সেই সমন্ধে আপনার পরিষ্কার কোন ধারণাই নেই। হয়ত ক্লাসে ফলাফলের দিক থেকে আপনার অবস্থান ততটা আশাপ্রদ না; খুব চেষ্টা করে যাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু ঠিক যে পরিমাণ ফলাফল আসার কথা তার কিছুই পাচ্ছেন না? সবকিছু ছেড়েছুড়ে দেবার; দু’টো বছর আগে ফিরে যাবার; আবার সবকিছু নতুন করে শুরু করার প্রবল ইচ্ছেটা মাঝে মাঝেই একগাদা সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে ফেরত আসে সুযোগ পেলেই?

হুম, জীবনের কোন না কোন সময়ে অথবা কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনেক সময়েই এইরকম সময়ের মুখোমুখি হই আমরা সবাই। কিন্তু কঠোর বাস্তবতা হল বেশিরভাগ সময়েই এইসব প্রশ্ন বা ইচ্ছের কোন জবাব থাকে না। শুধু নিজের উপর বিশ্বাস ধরে রেখে সামনে আগাতে হয়, পথের শেষটা দেখার জন্য; জীবন সেই পথের শেষে কোন বিস্ময় লুকিয়ে রাখে কি না তা খোঁজার জন্য। ঠিক এমনই একটা থিমকে কেন্দ্র করে দাঁড় করানো এনিম সিরিজ “shirobako”.

 

2

আওই, এমা, সিজুকা, মিসা এবং মিদোরি – হাইস্কুলের এনিমেশন ক্লাবের পাঁচ বান্ধবী স্কুলের ফেস্টিভালের জন্য ছোট্ট একটা এনিমেশন তৈরি করার সময়েই বুঝতে পারে যেভাবেই হোক এনিমের জগতই হবে তাদের ভবিষ্যতের ঠিকানা। সকলে মিলে লক্ষ্যও ঠিক করে ফেলে একটা; একদিন না একদিন তারা একসাথে খুব বড় কিছু একটা সৃষ্টি করবে। কিন্তু তারা যেমনটা ভেবেছিল বাস্তবতা আসলে ততটা সহজ নয়। কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করে সবাই-ই টিকে থাকার সংগ্রাম আর নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয় প্রতিদিন। কিন্তু তার পরেও কেউ হাল ছেড়ে দেয় নি। সবাই সবাইকে অবলম্বন করে একটু একটু করে এগিয়ে যায় তাদের স্বপ্নের পথে।

পুরো সিরিজটা মোটামুটি ভাবে আবর্তিত হয়েছে আওইকে ঘিরে, যে তার ক্যারিয়ার শুরু করে বড় একটা এনিম কোম্পানির প্রোডাকশন সেক্টরে। একটা এনিম তৈরি করা বিশাল হ্যাপার কাজ; ডিরেক্টরের স্টোরি বোর্ড ড্রয়িং থেকে শুরু করে এনিমেশন, মোশন, সিজি ইফেক্ট, সাউন্ড ইফেক্ট, ব্যাকগ্রাউন্ড, ভয়েস এক্টিং থেকে ফিনিশিং কিংবা ডেলিভারি – প্রতিটা এপিসোডই এক একটা বিরাট কর্মযজ্ঞ। প্রোডাকশনের দায়িত্ব এই সকল কাজের জন্য আলাদা আলাদা টিমের মাঝে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া, তাদের শিডিউল তৈরি করা, ইন হাউজ প্রোডাকশনে না কুলালে বাইরে থেকে কাজ করিয়ে নেওয়া থেকে শুরু করে যাবতীয় দেখভালের। আওইর পারস্পেক্টিভ থেকে আমরা তাই একটা এনিম তৈরি করতে কি পরিমাণ এফোর্ট এবং টানাপোড়েন চলে তার প্রায় পুরো ছবিটাই স্পষ্ট দেখতে পাই। সেই সাথে ক্রিয়েটিভ লোকজনের পারস্পরিক ইগো ক্ল্যাশ, নিজের সাথে যুদ্ধ, নিজেকে দিন দিন নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সংগ্রাম; স্বপ্ন, আশা; বাস্তবতার সাথে কল্পনার জগতের ব্যালেন্স করার লড়াই – সব কিছুই খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সিরিজটায়।

সিরিজটার শক্তির জায়গাগুলোর একটা হল বেশিরভাগ প্রোটাগোনিস্ট চরিত্রই মেয়ে হলেও তাদের কেউই ট্রেডিশনাল এনিম সিরিজের ড্রামাকুইন ক্যারেক্টার না; বরং তাদের প্রত্যেকের আলাদা আলাদা স্বপ্ন পুরণে তারা সকল সন্দেহ আর প্রতিবন্ধকতার সাথে লড়াই করে যায় নিরন্তর। প্রত্যেকটা চরিত্রই ভীষণ রকম বিলিভেবল, একটু খুজলেই আমাদের আশেপাশেই পাওয়া যাবে এমন লোকজন। এরা প্রত্যেকেই হোঁচট খায়, মাঝে মাঝেই সব কিছু ছেড়ে ছুড়ে দেবার চিন্তা ভর করে মাথায়; এবং সেই চিন্তাগুলো দূরে সরিয়ে আবারও যার যার কাজে নেমে পড়ে।

 

3

কিছু ছোটখাট পয়েন্টঃ
১) রোজার দিন সিরিজটা দেখা খানিকটা কষ্টকর। নাহ; ফ্যানসার্ভিস না; ফ্যানসার্ভিস বলে একটা বস্তু পুরো সিরিজে একেবারেই নাই (থ্যাঙ্ক গুডনেস); বরং কিছুক্ষণ পর পরই কেউ না কেউ কিছু না কিছু মজাদার খাবার খেতে থাকে। :(

২) বিপুল পরিমাণ চরিত্রের উপস্থিতি। আবছা আবছাভাবে সবার নাম আর একজনের সাথে আরেকজনের সম্পর্কগুলো বুঝে উঠতেই আমার ৪-৫ পর্ব লেগে গেছে। এই দিকটার জন্য প্রথম প্রথম সিরিজটার সাথে তাল মিলাতে কষ্ট হতে পারে; কিন্তু একবার এই Phase পার হয়ে গেলেই আসল মজাটা পাওয়া যাবে। :)

৩) ম্যাল এ সিরিজটায় দুটো ট্যাগ দেওয়া; একটা ড্রামা, আরেকটা কমেডি। পুরো সিরিজে কমেডি এসেছে মুলত লোকজনের পারস্পরিক ইন্টারেকশনে, খুব ন্যাচারালি; কোথাও খুব বেশি অতিরঞ্জন নেই; জোর করে হাসানোর চেষ্টাও নেই। তারপরেও হেসেছি, দম ফাটায়েই হেসেছি, খুব দুর্দান্ত কিছু সিচুয়েশনাল কমেডি এবং ওভারঅল সিরিজের লাইট থিমের জন্যই।

সিরিজটার সাউন্ডট্র্যাক অত আহামরি কিছু না; তার কারণ পুরোটাই সংলাপ নির্ভরতা এবং দ্রুতগতি। প্রায় পুরোটা সিরিজেই টেকনিকাল টার্ম এক্সপ্লেনেশন থেকে শুরু করে প্রত্যেকটা সেক্টরের কাজকর্ম, দায়িত্ব ব্যাখ্যা করেছে খুব সুন্দর করে, এবং সেটা সিরিজের ফ্লো-তে কোনরকম বিঘ্ন না ঘটিয়েই।

P.A. Works এর এনিমেশন এবং ডিজাইন, এবং তারা তাদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পেরেছে পুরোপুরিই। প্রত্যেকটা চরিত্রের এক্সপ্রেশন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে দুর্দান্তভাবে; যেটার উপর অনেকটাই সিরিজটার সাফল্য – ব্যার্থতা নির্ভর করছিল।

ছাত্রজীবনের প্রায় শেষ দিকে থাকার দরুণ ব্যাক্তিগত জীবনে আমি নিজেও বেশ খানিকটা ধাঁধার মধ্যে আছি, ভবিষ্যৎ, ক্যারিয়ার, স্বপ্ন, পরিবার – সব কিছু নিয়েই। সে দিক থেকে সিরিজটার সাথে খুব সহজেই নিজেকে রিলেট করতে পেরেছি, উপভোগ করতে পেরেছি, প্রত্যেকটা চরিত্রের স্ট্রাগল দেখে তার মাঝে নিজেকে খুজেছি, তারা কি করে সেখান থেকে উৎরে আসে সেটা দেখেছি আগ্রহভরে, তাদের সাথে তাদের সাফল্যে আমিও হেসেছি। বেশ কিছুদিন ধরেই দুই দিনে ২৪ পর্বের একটা সিরিজ শেষ করা আমার জন্য খুব দুর্লভ, shirobako আমাকে সেই দুর্লভ মুহূর্তের সাথে আবারও দেখা করিয়ে দিয়েছে। :)

I simply loved it !

4

 

Movie Time With Yami – 49

k38pCXNJGTFyADyMSWqOjbXREOs

Name: Summer Days with Coo / Kappa no Coo to Natsuyasumi
Duration: 2 hr. 15 min.
MAL Score: 7.68
Ranked: 1056
Genres: Adventure, Shounen

এদো আমলের জাপান। সভ্যতা তখনও পৃথিবীকে পুরোপুরি দখল করে নিতে পারেনি। পৃথিবীতে মানুষ এবং বনের পশুপাখিরা সহাবস্থান করে শান্তিপূর্ণভাবে। এই আমলেই পৃথিবীতে বাস করত “কাপ্পা” নামের একধরণের প্রাণী। বনের ভেতরের জলাশয় ছিল তাদের বাসস্থান। নির্বিবাদী এ প্রাণীগুলো সবসময় চেষ্টা করত মানুষের নজর এড়িয়ে নিজেদের মত করে বেঁচে থাকতে।এই আমলেই একদিন এক মাতাল সামুরাইয়ের অবিবেচনার শিকার হয়ে মারা যায় একটি কাপ্পা। সামুরাইয়ের হাত থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে যায় তার ছেলে, কিন্তু তখনই হঠাৎ সংঘটিত হওয়া এক ভূমিকম্পের কবলে পড়ে জীবন্ত জীবাশ্মে পরিণত হয় সে।

এরপর কেটে যায় প্রায় ২০০ বছর। পৃথিবীকে গ্রাস করেছে সভ্যতা। বনাঞ্চলকে সরে গিয়ে জায়গা দিয়েছে রাস্তাঘাট, বাড়িঘরকে। এই যুগেরই স্কুলছাত্র কৌইচি। একদিন স্কুল থেকে বাড়িতে ফেরার পথে জীবাশ্মে পরিণত হওয়া কাপ্পাটিকে খুঁজে পায় সে। বাড়িতে এনে জীবাশ্মটিকে পানি দিয়ে পরিষ্কার করতেই আবার প্রাণ ফিরে পায় সেটি। আস্তে আস্তে বিভিন্ন দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, ভয়-ঘৃণার অবসান ঘটিয়ে কৌইচির পরিবারের অংশ হয়ে ওঠে সে। কিন্তু বর্তমান পৃথিবীর এত প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে কিভাবে নিজের বেঁচে থাকার ব্যবস্থা করবে কাপ্পাটি?

মুভিটির কাহিনী খুব সহজ-সরল, হাসিকান্না, দুঃখ, অভিমান এবং টুকরো টুকরো আনন্দে ভরা, যে কারণে এটি যে কোন সময়ে বসে উপভোগ করা যায়, কিন্তু একইসাথে এতে কিছুটা নৃশংসতার উপস্থিতি রয়েছে, ঐ অল্প কিছু অংশ দেখলে একটু অস্বস্তি লাগতে পারে অনেকের। কিন্তু কাহিনীটি খুবই চমৎকার, মনকে ছুঁয়ে যাওয়ার মত, পেসিং খুবই ভাল, একটুও বোরিং লাগেনি কখনো, প্রতিটা মূহুর্তে “কি হবে, কি হবে” ধরণের একটি উত্তেজনা কাজ করতে থাকে দেখার সময়। ক্যারেক্টার ডিজাইন ডিসেন্ট, কিন্তু ডেভেলপমেন্ট চমৎকার, তাদের কিছুক্ষণের মাঝেই আপন বলে মনে হতে থাকে। আর্টওয়ার্ক এবং ওএসটি মানানসই, কাহিনীটিকে সুন্দরভাবে চোখের সামনে তুলে ধরে।

তাই সময় পেলে দেখে ফেলুন দুই ঘন্টার এ সুন্দর মুভিটি, আর ঘুরে আসুন গ্রীস্মের সেই দিনগুলোতে; ক্যু এবং কৌইচির সাথে!

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Summer-Days-with-Coo

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

আনিমে রিভিউ- ইয়ামাতো নাদেশিকো শিচি হেঙ্গে; লিখেছেন ইশমাম আনিকা

জনরা- কমেডি, শৌজো
এপিসোড সংখ্যা- ২৫৪ জন সুদর্শন হাইস্কুল ছাত্রের ওপর তাদের ল্যান্ডলেডী দায়িত্ব চাপিয়ে দিলেন, তার অসামাজিক ভাতিজিকে সমাজে চলার উপযোগী এবং আকর্ষণীয় করে গড়ে তুলতে হবে। কাজটা করতে পারলে তাদের জন্য দারুণ পুরস্কার !! কিন্তু কাজটা না করতে পারলে শাস্তি হিসেবে তাদের বাড়িভাড়া বেড়ে হবে তিনগুণ !!

চার তরুণ ভাবল, সুন্দরী ল্যান্ডলেডীর ভাতিজিই তো, কতই বা কঠিন হবে তাকে সামাজিক করে তোলা ? রাজি হয়ে গেল তারা এই প্রস্তাবে।

কিন্তু তারা আসলে স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেনি, নাকাহারা সুনাকো আসলে কি জিনিস। সুনাকোকে দেখে চোখ কপালে উঠে গেল ওদের। লম্বা চুল দিয়ে মুখ ঢেকে রাখে কেন সে? তার উপস্থিতি এতটা ভৌতিক কেন? তার খেলার সাথীরাও বা এত ভয়ঙ্কর কেন? পুরস্কার পাওয়া তো দূরের কথা, নিজেদের থাকার জায়গা বাঁচানোর চিন্তায় অস্থির হয়ে উঠল চার তরুণ।

এভাবে চার তরুণ এবং ওয়ালফ্লাওয়ার সুনাকোকে ঘিরে এক মজার কাহিনী নিয়ে গড়ে উঠেছে আনিমেটি। একটু পুরানো আনিমে, আর্টওয়ার্ক অবশ্যই এখনকার মত অত উন্নত না, তবে আমার কাছে এ ধরণের আর্টওয়ার্ক কেন যেন ভাল লাগে। কাহিনী এপিসোডিক, তাই ভাবনা চিন্তা ছাড়া দেখতে পেরেছি। আর সুনাকোর “খেলার সাথী” রাও যথেষ্ট মজার !!

আনিমেটি কেন দেখবেন- আপনি কি সারাক্ষণ ঘরে বসে আনিমে দেখার কারণে সৌন্দর্যজনিত সমস্যায় ভুগছেন? কিন্তু সমস্যা সমাধানের জন্য কষ্ট করতে মন চাইছে না? তাহলে এই আনিমেটি দেখা আপনার জন্য আবশ্যক! এর প্রতিটি এপিসোডেই আপনি পাবেন, সৌন্দর্যবর্ধনের টিপস থেকে শুরু করে গৃহ ব্যবস্থাপনা এবং কমন সেন্সের ব্যাপারে মূল্যবান উপদেশ! বিশেষ করে আদর্শ নারী হয়ে উঠতে চাইলে এই অ্যানিমেটি দেখা আবশ্যক!

আমি জানিনা এ ধরণের আনিমে সবার পছন্দ হবে কিনা, তবে আমার মনে হয় একটা এপিসোড ট্রাই করে দেখলে ভালই লাগবে।

Movie Time With Yami – 48

antiqueshop

 

Name: Whisper of the Heart / Mimi wo Sumaseba
Duration: 1 hr. 51 min.
MAL Score: 8.34
Ranked: 202
Genres: Adventure, Drama, Fantasy, Romance, Slice of Life

স্টুডিও জিবলীর বেশিরভাগ মুভিতে যে কমন ব্যাপারটা পাওয়া যায়, তা হল প্রাচীন বনভূমি দিয়ে ঘেরা পৃথিবী এবং জাদুবিদ্যার উপস্থিতি। কিন্তু চোখ ধাঁধানো সেসব মুভি বাদেও এ স্টুডিওর কিছু মুভি আছে, যেগুলো ফোকাস করে আমাদের শহুরে যান্ত্রিক জীবনের ওপর, সেই জীবনের চাওয়া-পাওয়া, আনন্দ-বেদনা, সাফল্য ও ব্যর্থতার গল্পের ওপর। খুঁজে দেখলে আমাদেরই দৈনন্দিন জীবনের কাহিনীর সাথে গল্পগুলোর খুব মিল খুঁজে পাওয়া যাবে। তেমনই একটি কাহিনী হল মিমি উয়ো সুমাসেবা।

কৈশোর মানুষের জীবনের অত্যন্ত চমৎকার একটি সময়। এই সময়ে তারা পৃথিবীটাকে নতুন করে চিনতে পারে, চেনা পৃথিবীটা হঠাৎ করে অচেনা হয়ে ওঠে। একদিকে থাকে ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা নিয়ে দুশ্চিন্তা, অন্যদিকে নিজের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর এবং মূল্যবান স্মৃতিগুলোকে তৈরি করারও সবচেয়ে উপযুক্ত সময় এটি।

সেরকমই একটা বয়স পার করছে সুকিশিমা শিজুকু। সে একজন সাধারণ জাপানি হাইস্কুল বালিকা। জাপানের একটি সাধারণ পরিবারের অংশ সে, যেখানে বাবা-মা দুজনেই নিজেদের কাজ নিয়ে সবসময় ব্যস্ত থাকে, বড় বোনও নিজের ভবিষ্যতের দিকে পা বাড়িয়েছে। শিজুকু নিজের ভবিষ্যত নিয়ে তেমন চিন্তিত নয়, তবে সঠিক পথ কোনটা হতে পারে, তা নিয়ে সংশয়ে আছে সেও।

শিজুকু ভালবাসে বই পড়তে, তাই পাবলিক লাইব্রেরীতে যাওয়া তার নিত্যদিনের অভ্যাস। একদিন লোকাল ট্রেনে চড়ে পাবলিক লাইব্রেরীতে যাওয়ার সময় সে দেখতে পায়, ঠিক তার পাশেই একটি মোটাসোটা স্বাস্থ্যবান বিড়াল বসে আছে। বিড়ালটাকে দেখে শিজুকুর মজা লাগে, তাই সে কোনকিছু চিন্তা না করেই ট্রেন থেকে নামার পর সেটিকে অনুসরণ করতে থাকে। বিড়ালটির পিছু পিছু গিয়ে সে হাজির হয় একটি অ্যান্টিকের দোকানের সামনে, আর এই দোকানের এই ভিজিটটিই শিজুকুকে পরবর্তীতে সাহায্য করে তার নিজের জীবনে এগিয়ে যাওয়ার পথে পা বাড়াতে।

মুভিটির কাহিনী খুব জটিল কিছু না, সাদাসিধে হাসিখুশি দৈনন্দিন জীবনের গল্প, যেন আমাদের কারও কারও কৈশোরকেই তুলে আনে গল্পের মাধ্যমে। উজ্জ্বল আর্টওইয়ার্ক এবং ক্যারেক্টার ডিজাইনে হায়াও মিয়াজাকির কাজের ছাপ স্পষ্ট, হালকা রমকম এবং মানানসই ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক মুভিটিকে হালকা মেজাজে উপভোগ করার উপযোগী করে তুলেছে। এন্ডিংটি খুব ভাল লেগেছে আমার কাছে, আর সবচেয়ে ভাল লেগেছে গায়ক “জন ডেনভার” এর “কান্ট্রি রোড” গানটির জাপানি ভার্সনটি, যা মুভিতে কয়েক জায়গায় এবং এন্ডিং সং হিসেবে ব্যাবহৃত হয়েছে।

তাই, হাতে অবসর সময় থাকলে দেখে ফেলুন এই মন ভাল করা মুভিটি, দেখার সময় অন্তত একবার হলেও নষ্টালজিয়াতে ভুগবেন আশা করি!

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Whisper-of-the-Heart

Ending Song Link-
https://youtu.be/ispeh2bW1AQ

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!