Sakib’s Hidden Gems – Episode #04
আনিমে: Seirei no Moribito (Moribito – Guardian of the Spirit)
Yahari Ore no Seishun Love Comedy wa Machigatteiru [রিভিউ] — Loknath Dhar
- Anime : Yahari Ore no Seishun Love Comedy wa Machigatteiru
- Type : Series
- Genre : Slice of life, Comedy, Drama, Romance
- Director : Ai Yoshimura
- Studio : Brain’s Base
Weathering with You [মুভি রিভিউ] — Nazmus Sakib
মুভির নাম – Tenki no Ko (Weathering with You)
ডিরেক্টর + স্ক্রিপ্ট + ক্রিয়েটর – মাকোতো শিনকাই
ম্যাল রেটিং – ৮.৫৮
ব্যক্তিগত রেটিং – ৭
মোটামুটি ভাল জিনিস। খারাপ না। মোটের উপর বেশ এঞ্জয়েবল।
গল্পঃ ৬
রোমান্স মুভি হিসেবে বেশ ভাল। উনার এর আগে করা কিছু ফ্যান্টাসি রোমান্সের তুলনায় এইটাতে ফ্যান্টাসি এলিমেন্টটা অতটা বেখাপ্পা লাগে নি। কিন্তু বড় বড় ত্রুটিগুলো এখানেও রয়ে গিয়েছে। যেমনঃ ট্রোপের ব্যবহার (পিতামাতার অনুপস্থিতি, Onee-san ক্যারার উপস্থিতি, পিতা-কন্যা বা ভাইবোনের হৃদয়বিদারক(?!) গল্প) আর সস্তা প্লট ডিভাইস (বন্দুকটা ছাড়াও গল্প এগুনোর জন্য আরও কিছু কাকতালীয় ঘটনা)।
চরিত্রায়ণঃ ৮
এই দিকটা বেশ ভাল লাগল। গল্পের মূল দুই চরিত্র ওদের বয়স অনুযায়ী আচরণ করেছে আর ওদের রক্তমাংসের মানুষ বলেই মনে হয়েছে।
আর্ট ও এনিমেশনঃ ৫
এই দিকটা বেশ হতাশাজনক। উনার মুভিগুলোর এই দিকটার যেই সমস্যার কথা অনেকে বলে, তার সবই এইটাতে দেখলাম। অর্থাৎ ব্যাকগ্রাউন্ড দেখতে মনে হচ্ছিল ফটোগ্রাফ থেকে এডিট করা, আর ক্যারাকটারগুলি ব্যাকগ্রাউন্ড এর সাথে যাচ্ছিল না। সিজিয়াই মুভমেন্টগুলো কোথাও কোথাও আড়ষ্ট মনে হয়েছে। আর টোকিওর ঘিঞ্জি এলাকাগুলো সেটিং হিসেবে কতোটা উপযুক্ত, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে।
সাউন্ডঃ ১০
ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকগুলো অসাধারণ ছিল। প্রতিটা গান গল্পের ভাবের সাথে মিলিয়ে ব্যবহার করা হয়েছে। গানগুলি এতই ভাল, যে এমনি শুনতেও ভাল লাগবে। আর মুভির শেষের গানটা তো পুরা গল্পটাকেই সামারাইজ করে দিল কী সুন্দর করে। গানের সাবটাইটেল ছিল বলে কৃতজ্ঞ।
এঞ্জয়মেন্টঃ ৮
লো এক্সপেকটেশন নিয়ে দেখেছি। খারাপ লাগেনি। একবারে দেখে উঠার মত ছিল মুভিটা। সময়টা ভালই কেটেছে।
আপনারাও এইটা যদি স্রেফ সময় কাটানোর জন্য দেখেন, তাইলে ঠকবেন না অন্তত আশা করি। তাই ইচ্ছা থাকলে দেখেই ফেলুন না
The Garden of Words [মুভি রিভিউ] — Loknath Dhar
এই মুভির পুরোটা জুড়ে কেবল বৃষ্টি আর বৃষ্টি।
১৫ বছর বয়সী একজন ছেলে, Takao (বাংলায় অদ্ভুত দেখতে লাগে নাম), একজন স্কুলছাত্র, যার ধ্যান-জ্ঞান হাতে জুতো ডিজাইন করা ও বানানো। বৃষ্টির দিন হলেই তার নিজের সাথে নিজের কথা দেওয়া আছে, স্কুল মিস সেদিন। এমনিতে সরগরম থাকা সিনজুকু ন্যাশনাল গার্ডেন সেদিন থাকে চুপচাপ, সে নিজের মত নিজের কাজে মনোযোগ দিতে পারে। তার এই কাজ তার ভালো লাগে।
এবং ২৭ বছর বয়সী একজন নারী, ইউকিনো, তাকে একদিন আবিষ্কার করে ন্যাশনাল গার্ডেনে; কেউ কাউকে চেনে না, শুধু যাবার আগে একটু ধাঁধা হয়ঃ
A faint clap of thunderClouded skies,Perhaps rain comes,If so, will you stay.. with me
চাই এর খেয়ালী সঠিক উত্তর।
এর উত্তর কি দেওয়া হবে?
সেখান হতে গল্পের পথ চলা আপন ভঙ্গিতে..
থিওরিঃ ফুগো কেন বুচালাটির সঙ্গে না গিয়ে একা থেকে গেল…
জোজো পার্ট ৫ গোল্ডেন উইন্ডের জন্য স্পয়লার অ্যালার্ট।
পার্পল হেইয ফিডব্যাক পড়ার সময় আবার বুকটা ভারী হয়ে গেল।
ফুগো কিভাবে নারান্সিয়াকে খুঁজে পায়, কেন তাকে সেই রেস্তোরায় বসে থাকা বুচালাটির কাছে নিয়ে যায়, কিভাবে সেই চঞ্চল কিশোরটার উপর মায়া জন্মায়… সেসব বারবার ফুগোর মনে পড়ে।
সাথে সাথে আরেকটা প্রশ্ন মাথায় আসলো। ফুগো যখন বুচালাটির সাথে সেই নৌকোয় গেল না, প্যাশনের বসকে বিট্রে করতে চাইলো না, তখন সে কি আসলেই নিজের প্রাণের মায়ায় সেটা করেছে? ফুগো কি এমনই অপদার্থ যে, সে যেই বুচালাটির জন্য জীবন দিয়ে দেবে তার সাথে যেতে তার সাহস হল না?
আমার তা মনে হয় না। কারণ বসের শর্ত গুলোর একটা ছিল যে তারা আইল্যান্ডে পা ফেলতে পারবে না। ফুগো এত অপদার্থ হলে সেটাও করতো না।
তাহলে কি? ফুগো কি এতটাই কিংকর্তব্যবিমূঢ়?
আমার মনে হয় ফুগো, সাইকোলজিক্যালি, একটা মস্ত বড় কন্ট্রাডিকশন।
যদি সেই বিট্রেয়ালের মুহুর্তটাতে ফিরে যাই, তাহলে বুঝতে পারবেন আমি কি বলতে চাইছি। বুচালাটি যখন তার বিট্রেয়ালের কথা বলে তখন গ্যাঙের মধ্যে সবার আগে ফুগোই বলে ওঠে, “আমি তোমার জন্য জীবন দিতে রাজি আছি, কিন্তু এটা অন্য ব্যাপার। আজকে তোমার সাথে কেউ ওই নৌকোয় যাবে না।”
আমার মনে হয় ফুগো এখানে উইশফুল থিঙ্কিং করছিল। সে সবার জন্য কেয়ার করে বলেই তাদের নিশ্চিত মৃত্যু বা একরকমের আত্মহত্যার পথে যাবার কথা সমর্থনতো করেই না, এটা যে সম্ভব সেটাই সে মনে করে না। আর সে এই কথাটা এভাবে প্রকাশও করতে পারছে না কারণ সে এটাও বিশ্বাস করতে পারছে না যে বুচালাটি আর জিওরনো মধ্যকার এমন বন্ধুত্ব আর বিশ্বাস থাকতে পারে, যখন কিনা জিওরনোর অনেক আগেই ফুগো তার বিশ্বস্ত সঙ্গী ছিল।
দ্বিতীয়ত, যখন একে একে সবাই নৌকায় উঠে যেতে থাকে তখন নারানসিয়া আর ফুগো দাঁড়িয়ে থাকে তাদের যায়গায়। আর তখন নারানসিয়া ভেসে যাওয়া নোউকার দিকে তাকিয়ে বুচালাটির কাছে চিৎকার করে বলতে থাকে, “বুচেলাটি… আমার এখন কি করা উচিত?… যদি বল, “আমার সাথে আসো!” তাহলে আমি মনে সাহস পাবো। আমাকে তুমি যা করতে বলবে আমি তার সবটুকু নির্ভয়ে করতে পারবো!”
ফুগোর জন্য এটা ছিল একটা বড় ধাক্কা।
ফুগোর জীবনের প্রথম ধাক্কা ছিল যখন তার নিজের পরিবার তাকে ত্যাগ করে।
কিন্তু বুচালাটি তাকে গ্যাঙের মেম্বার হিসেবে নেবার পর তার জীবনের পরিবর্তন হয়। ফুগো একদম অ্যান্টিসোশাল, তারপরেও সে নারানসিয়াকে পথ থেকে তুলে আনে। বুচালাটির নিষেধ সত্যেও সে নারান্সিয়াকে পলপোর কাছে নিয়ে যায়। কারণ সে নারান্সিয়ার আহত চোখে নিজেকে দেখতে পেয়েছিল।
সেই নারানসিয়াকে সে পড়ালেখা সেখাতে চাইতো। স্টুপিড বলে গালি দিত, কিন্তু সে নারান্সিয়াকে অনেক আদরও করতো। শাসন করতে গিয়ে মার দিতো, শুধু মারার জন্য না, তার প্রতি মায়া থেকে সেই শাসনটা আসতো।
কিন্তু সেই নারান্সিয়াও যখন তার কাছে জানতে না চেয়ে বুচালাটির কাছে জানতে চাচ্ছিল সে তাদের সাথে যাবে কিনা, সাতার কেটে নৌকাটার দিকে যাচ্ছিল। তখন ফুগোর মনে আঘাত লাগে।
যেই নারানসিয়ার তার এত কাছের, সেই নারানসিয়ার মুখে শোনা শেষ কথাটাও ফুগোর কথাটা উপেক্ষা করে।
সে সবার জন্য নিজের জীবন দিয়ে দিতে পারবে, কিন্তু তারা কেউ তার কথা শুনলো না?
তার নিজের পরিবার যেমন তাকে ত্যাগ করেছিল, টিমের মেম্বারগুলিও তাকে সেভাবে ত্যাগ করলো? এমনকি নারানসিয়াও?
অবশ্যই ফুগো বোকা না, তার আইকিউ অনেক বেশি। তার পরেও এক্ষেত্রে তার অবুঝ ইমোশনাল সাইডটা কাজ করে। সে বিট্রেইড ফিল করে। বুচালাটি আর নারানসিয়ার দ্বারা। এটা সে মেনেও নিতে পারে না, তাই সে নিজেকে বোঝায় এই বলে – “আমি ওদের মত সেলফ রাইচাস ইডিয়েট না…”
কিন্তু ফুগো কখনো জানতে পারবে না, যে নারানসিয়ার মৃত্যুর আগেও সে ফুগোর কথা মনে করেছিল…
[ This is a story about people unable to take action.
They have no plans for the future, no comfort in memories.
The past and the future are not for them; they exist only in the
present, struggling to no avail.
Do they struggle to find purchase? To move forward? To
retreat? Who knows. They could not tell you. The world that left them to this fate provides no answers.
They know only one thing for sure – the ground under their
feet is crumbling, and they can no longer remain still.
They have no tomorrow, no home. How can they find hope? ]
পার্পল হেইজ ফিডব্যাকের মাঝখানে আছি। তাই নভেল্টার এন্ডিং কেউ স্পয়েল করবেন না ![]()
তবে এটুকু বলবো, বইটাতে ফুগোর আসল ব্যাকস্টোরি আছে, যা কিনা মাঙ্গাতে ছিল না, অ্যানিমেতেও সঠিকটা নেই। অ্যানিমের ব্যাকস্টোরিটাতে দেখানো হয়েছে অন্যরা তার অতীত সম্পর্কে কি মনে করে। ইলুসো একটা কার্ড থেকে ইনফো পড়ে শোনায়। আর বইটাতে আছে ফুগোর পয়েন্ট অফ ভিউ থেকে দেখা আসল কাহিনী। সেটা জানার জন্য হলেও বইটা পড়ে দেখতে পারেন।
আশা করি একদিন DP এই নভেলটারও ওভিএ আডাপ্টেশন উপহার দিবে। … Covered in a silent, deadly haze.
Weathering With You/ Tenki no Ko [মুভি রিভিউ] — Rumman Raihan
অ্যানিমে: WEATHERING WITH YOU / Tenki no Ko / 天気の子
টাইপ: মুভি
জনরা: সুপারন্যাচারাল, ড্রামা, ফ্যান্টাসি, রোম্যান্স, স্লাইস অফ লাইফ
দৈর্ঘ্য: ১ ঘন্টা ৫৪ মিনিট
স্টুডিও: CoMix Wave
গল্প, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায়: মাকোতো শিনকাই
সময়কাল: ২০১৯
এই রিভিউটি স্পয়লারবিহীন। তবে নিচে আলোচনা দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে। স্পয়লারযুক্ত ও স্পয়লারমুক্ত আলোচনা মূল রিভিউয়ের পরে।
স্পয়লারযুক্ত আলোচনা:
ফ্যান থিওরি হচ্ছে, মুভির শেষের অংশে যখন তুষার পড়ছিল, ঠিক সেই সময়েই মিতসুহা আর তাকির ইয়োর নেইম-এ স্টেয়ারকেইসে দেখা হয়। কি জানি!
স্পয়লারমুক্ত আলোচনা:
আমার রেটিংঃ ১০/১০
One Outs [রিভিউ] — Naziur Rahman Nayem
One Outs
WRITTEN BY: SHINOBU KAITANI
DIRECTED BY: YŪZŌ SATŌ, TADAO IWAKI
ORIGINAL RUN: 2008-2009
GENRE: PSYCHOLOGY, STRATEGY, WIT, SPORTS
PERSONAL RATING: 9.5/10
যেগুলো তোমরা আমায় দেখাচ্ছো ওগুলো অতীতের কাহিনী। তাই আমাদের প্রতিযোগিতা অতীতের টিমের সাথে নয়, আজকের টিমের সাথে। তাই অতীতের রেকর্ড ঘেঁটে ভীত না হয়ে বরং আজকের ওদেরকে দেখো ও ওদের দূর্বলতাগুলো খুঁজে বের করো। অতীত দেখে বৃথা আতঙ্কিত হয়ে ওদের আজকের দূর্বলতাকে দৃষ্টিগোচর হতে দিও না।
আরেক জায়গার একটি ঘটনাতে যখন লায়কুন টিম এখনও জিতে নি তবে জিতে যাবে এমন একটি মুহূর্তে টিমের সবাই উল্লাস করতে আরম্ভ করে দিলো তখন তকুচি তাদেরকে বলে, “আমরা এখনও জিতে যাইনি বিজয়ের আগে বোকারাই তা সেলিব্রেট করে।” এখানে এই কথাটা সানজু’র আর্ট অব ওয়ারের সাথে মিলে যায়।
Violet Evergarden [রিভিউ] — Naziur Rahman Nayem
খুব সুন্দর একটি এনিমে। মূলত দেখতে বসেছিলাম ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকগুলো শোনার জন্য। কিন্তু এখান থেকে কিছু ইন্টারেস্টিং বিষয় শিক্ষা করা গেলও বটে।
মানুষের চরিত্রগুলো রহস্যময় হয়ে ওঠে তার ভাবের কারণে। যৌক্তিকভাবে সব সোজাসাপটা কথা বলে দিলে মানুষে মানুষে সম্পর্কটা কেমন পানসে হয়ে ওঠে। আমরা যখন একে অপরের সাথে কথা বলি তখন এর শব্দের মাঝের অর্থ বুঝতে হয়। অথচ এটা যদি বলে দেওয়া হয় তখন সে ম্যাজিক আর কাজ করেনা।
এরজন্য যে দক্ষতাটার প্রয়োজন হয় তা হল ইনটুইশনাল দক্ষতা। তোমাকে আমি যা বলছি তা হুবুহু বলছি না বরং এর মাঝের আমার ভাবটা তোমায় দেখতে হবে এবং তা স্বতঃস্ফূর্তভাবে দেখতে হবে তবেই না তুমি একটি সুন্দর চিঠি, সুন্দর বার্তালাপ করতে পারবে। অতিরিক্ত বুদ্ধিপ্রবনতা তথা মেকানিকাল প্রবণতা দিয়ে হৃদয়গত ইনটিউশন ধরা যায় না; যেমনটা এই এনিমের শুরুতে ধরতে পারেনি ভায়োলেট এভারগার্ডেন। কিন্তু ধীরে ধীরে “I Love You” বাক্যটির অর্থ খুঁজতে গিয়ে সে যে বিষয়গুলো অতিক্রম করে অবশেষে খুঁজে পায় তার উত্তর তা সত্যিই চমৎকার।
যন্ত্রগত ধাঁচে গড়ে ওঠে মানুষ তার হৃদয়টাকেই খুইয়ে বসে। এখানে সেই খুইয়ে বসা হৃদয়কেই পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করেছে ভায়োলেট তার মেজর গিলবার্টের ভালোবাসার অর্থ অনুসন্ধান করতে যেয়ে।
এই এনিমেতে যে চিঠি লেখার যে প্রফেশন দেখানো হয়েছে তা সত্যিই বেশ সৃষ্টিশীল। একজন মানুষের বাক্যের মাঝের ভাবগুলোকে বুঝে তার হয়ে চিঠি লেখা সত্যিই দারুণ।
এরজন্য প্রচুর এমপ্যাথিক্যাল(সহমর্মিতাসম্পন্ন) হৃদয় লাগে। একটা আনন্দও আছে। অন্যের ঘটনাগুলোকে নিজের মাঝে প্রবেশাধিকারের অনুমতি দিয়ে সেই ঘটনাগুলির, ভাবগুলির আনন্দ, সুখ, বেদনা, দুঃখ ইত্যাদি দেখা, অনুভব করা ও তাতে সমৃদ্ধ হওয়া; এই শত মানুষের জানালা দিয়ে দেখা পৃথিবী আমাদের ভেতর যখন আমরা দেখতে পাই আমরা সহমর্মী হয়ে উঠি, অন্যের মাঝে আমাকে খুঁজে নিই। তখন যাকে হারিয়েছে তাকেও মনে হয় সে কখনো চলে যায়নি আমার কাছ থেকে আমার পাশেই সে দাড়িয়ে আছে; যেমনটা ভায়োলেট উপলব্ধি করেছিল এই এনিমেটির শেষে।
এজন্যই হয়তো মাঝে মাঝে ভাব প্রকাশের জন্য বড় বড় লেখা, কঠিন শব্দ কিংবা বাক্য এসব নয় খুব ছোট্ট করে, এক লাইন কিংবা এক শব্দেও গভীর অনুভূতি বলে দেওয়া যায়। যা হয়তো লক্ষ, কোটি মানুষ পেরিয়ে দুজন মানুষকে কাছে এনে দেয়, নিঃশব্দতায় ফেলে দেয়।
Steins;Gate (Series) [রিভিউ] — Loknath Dhar
Studio: White Fox.
















