Slam Dunk vs Kuroko no Basuke by Kazi rafi


,স্লাম ডাঙ্ক আমার খুবই প্রিয় একটা এনিমে। ছোটবেলায়, ডিবিযেট, পকিমন আর রুরউনি কেনশিন এর পাশে স্লাম ডাঙ্ক দেখেই বড় হইছি যে জন্য এটিও আমার মনের একটি স্থান দখল করে আছে ! সেই সঙ্গে এতাও স্বীকার করি যে কুরোকো নো বাস্কেটেও বেশিরভাগ গেমপ্লে বলেন আর টেখনিখ ই বলেন কিছুটা অবাস্তব। কিন্তু তাই বলে যে স্লাম ডাঙ্কেও অবাস্তব কিছু নেই এইটা একটা ভুল ধারণা। এর অনেক উদাহরণ দেওয়া যায়, কিন্তু আমি খালি একটাই দিবো, যেমন এই ভিডিওর ১৪ সেকেন্ডে হানামিচির ব্লক

http://www.youtube.com/watch?v=ybYRP0Xgqzk

কুরোকো নো বাস্কেটের স্কুল লাইফ আর কমেডির অনেক উদাহরণ দেওয়া যায় কিন্তু সেটাও আমি দিবো নাহ, শুধু বলব এনিমেটা আবার ভালো করে দেখতে যারা দেখেও বলতেছে যে KnB তে স্কুল জীবন আর কমেডি নাই। আর তাছাড়া আমার যদুর মনে পরে KnB মূল থিম হচ্ছে বাস্কেটবল, এরপরে আসে ড্রামা, স্কুল লাইফ আর কমেডি জেনার ! এটাও মনে রাখতে হবে যে KnB তে সেইরিন হাই ছাড়াও আরও অনেক মেজর ক্যাড়েক্টার আছে যাদেরকে স্ক্রিন টাইম দিতে হবে, তাইনাহ, নাহলে তো মানুষ আবার পরে নালিশ করবে যে শুধু সেইরিন হাই এর প্লেয়ার রাই ক্যারেকটার ডেভেলপমেন্ট হয়, পার্শ্ব চরিত্রদের কিছু হয়না, তারা শুধু আসে আর জায়গা !
http://www.youtube.com/watch?v=Qsn3V9IVyHc
http://www.youtube.com/watch?v=zv1uhU2VqDw

The BIG three Anime Hero – Asiful Haque


এনিম দেখার শুরু অনেক অনেক পরে হওয়াতে DBZ দেখা হয় নি; তাই গকুর প্রতি ভালবাসা টান কোনটাই সৃষ্টি হয় নাই; তবে উপরের সবার কমেন্ট পরে আর আগের অনেক আলাপ আলোচনায় মনে হয় এক জেনারেশন; অসামনেসের একটা জেনারেশন পিছায় গেসি। তবে এতে তেমন আফসোস নাই; সময় সুযোগ থাকলেও DBZ মে বি দেখা হবে না (নিজের স্বভাব জানি বলেই বলা; সুতরাং গকু পার্ট না হয় বাদ থাকুক  )

নারুতো আমার দ্বিতীয় এনিম ( ডেথ নোট এর পর); এর প্রতি ভালবাসাটা অন্যরকম; ফিলার শিপ্পুডেন যতটাই মেজাজ খারাপ করে দিক না কেন। তবে নারুতো পছন্দ হইলেও নারুতোকে পছন্দ – ব্যাপারটা এমন না; কারণ নারুতোতে আমার সবচেয়ে প্রিয় ক্যারেক্টার শিকামারুর; মাঝে মাঝে আমি চিন্তায় পড়লে শিকামারুর ওই কায়দায় হাত ভাজ করে চিন্তা করি   তবে নারুতোর প্রতি টানটা মে বি সবসময়ই থেকে যাবে; নারুতোই প্রথম হিরো যে আমাকে একসাথে হাসাইছে; কাদাইছে; নারুতো না থাকলে শুধু ডেথ নোটের অসাম্নেস দিয়ে মে বি আমার এনিম দেখা এতদুর আসতো না !!!! 

ব্লিচ ভাল লাগে; খালি কোপানি মাইর ধইর ফাইটের এর জন্য; ফাইটের জন্য ব্লিচের চেয়ে বেস্ট বা এর কাছাকাছিও কোনটা আসতে পারবে না; যদিও পেথেটিক হিটম্যান রিবর্ন এর ফাইটগুলাও আমার প্রিয়। কিন্তু হিরো হিসেবে ইচিগো আমার লিস্টে অনেক অনেক অনেক পিছনে !!! 

কিন্তু ৩ ক্যারেক্টারের মধ্যে প্রিয় সিলেক্ট করতে হলে লুফি কোন প্রতিযোগিতা ছাড়াই ভোট পাবে আমার; এই জায়গায় জোরো হইলেও পাইত। সেই আর্লং আর্কে “আত্তারিমায়দা” চিৎকার থেকে শুরু করে ম্যারিনফোর্ডে লুফির সাথে গড়াগড়ি করে কান্নাকাটি – একটা ক্যারেক্টার এত্তবার গুজবাম্প আর এত্ত এত্ত আবেগে আর কেউই ভাসাতে পারে নাই; ইন ফ্যাক্ট আমার এখন প্লে লিস্টে ১২ টা গানের ৩ টাই one piece এর AMV; এবং প্রত্যেকটা গান আসে আর আমি সব থামায় ভিডিও সহ দেখি  

সো; at the end of the day; লুফি ইজ মাই ইজিএস্ট চয়েস

“Shingeki no kyojin” – Debate from Animekhor BD group

 

Asiful Haque:
“মাঙ্গা পড়ি নাই; আর এনিম ২১ এপি পর্যন্ত দেখসি; সুতরাং স্পয়লারের ভয় নেই বললেই চলে”
“এনিম – Shingeki no kyojin”
এই সম্প্রতি শেষ দুইটা পর্ব দেখলাম। এর মধ্যেই গ্রুপে এবং গ্রুপের বাইরে এই এনিমটাকে নিয়ে প্রচুর আলাপ আলোচনা হয়েছে; হচ্ছে। এই পোস্টটা মুলত এখন পর্যন্ত SnK কে নিয়ে আমার ইম্প্রেশনের।

সত্যি বলতে SnK আমাকে ততটা আকর্ষণ করতে পারে নি যতটা ভেবেছিলাম। হ্যাঁ; এটা সত্য যে প্রথম দুই তিনটে এপি আমার অতীতের এনিম দেখার অনেক ধ্যান ধারণাকেই নাড়িয়ে দিয়েছিলো; প্লট কিংবা ঘটনা – সব কিছুই খানিকটা অন্যরকম ছিল। তারপর একের পর এক লিড ক্যারেক্টারের মৃত্যু খানিক বিরক্ত করলেও ভেবেছিলাম এবার একেবারেই “out of the box” কিছু দেখতে পারব। কিন্তু এর পর কেন যেন চমকগুলোও খানিক একঘেয়ে লাগা শুরু হইল। আর সবচেয়ে বড় সমস্যা মে বি ক্যারেক্টারগুলোর প্রতি কোন টান সৃষ্টি না হওয়া; এতটাই কাঠখোট্টা ক্যারেকটার ডেভেলপমেন্ট মনে হয়েছে আমার কাছে। হয়ত বলবেন; বেশি পর্ব এয়ার হয় নি; ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট হবে কি করে? ওয়েল; কিছু কিছু কম পর্বের এনিমও; যেমন ওভার ড্রাইভের মিকতো বা এই ধরণের কিছু ক্যারেক্টার কিন্তু বহুদিন মনে রাখার মত ছিল। তা হলে এখন একটা প্রশ্ন? আমার কাছে কি SnK কে ওভাররেটেড মনে হয়? মোটেও না। কেউ একজন বলেছিলেন; “যারা এনিম দেখে না তাদের জন্য এটা বিরাট এডভারটাইজমেন্ট।” আমি একমত। ইন্টারেস্টিং প্লট; বিগ বাজেট – বাট দিনশেষে খুব একটা দাগ ফেলতে পারে নি – অনেকটা বিগ বাজেট কমেডি বলিউডি মুভির মত; দেখলাম; খুব ভাল লাগলো; মজা করলাম; তারপর ভুলে গেলাম। SnK তাই কোন দিক দিয়েই আমার ফেভারিট এনিমগুলোর লিস্টে নাই এবং এই লিস্টে ঢুকতে একে পাড়ি দিতে হবে আরও অনেকটা পথ।

Gourab Roy SNK এল্রডি আমার ফেভারিট লিস্টে ঢুকে পড়ছে।আউট অফ দ্যা বক্স তেমন কিছু হয়ত না ও লাগতে পারে,কিন্তু,এনিমের মেকিং,সাউন্ডট্রাক,রিসেন্টলি বের হওউয়া যে কোন এনিমের থেকে ফার বেটার,আর কাহিনির প্রয়জনেই চরিত্র গুলা এমন কাট খোট্ট।তার মদ্ধে দিয়ে যখন এক এক জনের সামান্য দুরবলতা প্রকাশ পায় তখন অনেক ভাল্লাগে।আর snk তে মনে রাখার মত বহু কেরা আছে,বলএ সময় নস্ট।আর যারা এনিম দেখে না ,তাদের শুরু তে এই এনিম দেখলে কত টুকু ভালো লাগবে তা নিয়ে যথেস্ট সন্দেহ আছে. ওভার রেটিং এর কোন প্রশ্নি আসেনা।যত টুকু পথ পাড়ি দিছে,তা বিজয় গর্বে পাড়ি দিছে,পরে কি হবে জানিনা।আর এইটারে অনপিস নারুতো এগুলার সাথে তুলনা করা নিতান্ত ছেলেমানুশি, এই মেইন্সট্রিম এনিম গুলা বছরের পর বছর চলে আসছে,আরো কত বছ্র চলবে জানিনা,বাট এগুলি হল এনিম খোর দের বেসিক নিড. we cant live without these…….আর অনেক সময় ভাল লাগার জন্য এত কিছু লাগেনা,জাস্ট ভালো লাগে…….বাট দুই এপিসোডের মদ্ধে যেসব কেরা মারা যায়, স্বিকার করতে হবে তাদের জন্য অন্নেক খ্রাপ লাগে….সো কেরা গুলা হ্রিদয়স্প্ররশি দো ইটস ফর আ শর্ট টাইম..

Md Asiful Haque নাম্বার ১ – এনিম ভাল হইলে আমার কোন লস নাই; পুরাটাই লাভ  

নাম্বার ২ – আমি কখনই এক এনিমের সাথে আরেক এনিমের তুলনা করা পছন্দ করি না; আর SnK এর মত নতুন বাজারে আসা এনিমের সাথে ব্লিচ নারুতোর তো না-ই। অইগুলা একেকটা ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট এ যেই এপি ইউজ করসে; এইটা পুরা এনিম মিলাইয়াও তার অর্ধেকও হয় নাই; সেই জন্যই হয়ত ইতাচি বা এইসের মৃত্যু আমাদের কাঁদাইয়াই ছাড়ে; বাট SnKতে এক পর্বে ৬-৭ জন মরে গেলেও আমি বিরক্ত হই; দুঃখ পাই না। এবং সেইটাই বলতে চাইসি; আরেকটু সময় নিয়ে কাহিনীটা আরেকটু আস্তে আস্তে জমাইলে মে বি বেটার হইত।

নাম্বার ৩ – আমি কিন্তু একবারও ওভাররেটেড বলি নাই; বরং এইরকম জনপ্রিয়তা পাওয়ার সকল উপাদানই এর মধ্যে আছে; যেমন চেন্নাই এক্সপ্রেস সেরা ব্যাবসা সফল মুভি হয়; নাচ গান কমেডি (SnK এর ক্ষেত্রে এর কাহিনীর চমক) – সবই আছে; কিন্তু দিনশেষে এইটা একটা ক্ষণিক এন্টারটেইনমেন্ট; স্থায়ী হয় না যেইটা। তবে অবশ্যই আশা করি সামনে এইটা আরও ভাল এবং স্থায়ী ইম্প্রেশন ফেলবে আমার উপর

Tahsin Faruque Aninda 
এইটা ডেফিনিটলি আমার মনে দাগ কাটা না, একদম পার্মানেন্ট ঘা বানায় দেওয়া আনিমেগুলার একটা। শুরুর মুহুর্ত থেকেই একটা জিনিসই এই আনিমের মেইন জিনিস – survival of the fittest
এই থিমটা এত বেশিই মেনে চলেছে যে সচরাচর অন্য আনিমেতে যা দেখানোর দুঃসাহস করে না, এখানে সেই ধুমধাম মেইন ক্যারেক্টারদের মেরে ফেলে।
প্রশ্ন আসে, এত কম স্ক্রিনটাইম নিয়ে মরে যাওয়া একেকজনকে মেইন ক্যারেক্টার কেমনে বলি? বলি এই কারণে যে মৃত্যুর আগ মুহুর্তে ঐ সময়ে কাহিনির মেইন ক্যারেক্টার সে/তারা ছিল।
এটা ডেফিনিটিলি একটা অন্যরকম আনিমে। আর আমার দেখা সেরাগুলার একটা অবশ্যই

সবার মধ্যে শুরু থেকে “এতগুলা প্রশ্ন জেগেছে যার উত্তর পাই নাই” এরকম দেখা যাচ্ছে। সব প্রশ্নের উত্তর যদি আনিমের মাঝ পথে দিয়েই দেয় তাইলে বাকি পর্বগুলাতে আর পরের সিজনে/সিজনগুলাতে কি দেখাবে!??!
আমরা যারা এপিক টাইপ আনিমে [death note, code geass, fma, fmab] দেখেছি বা দেখছি, অলমোস্ট সবাই একবারেই সব সিজন আর সব এপিসোড কালেক্ট করে দেখেছি। তাই একবারে দেখে শেষ করে উঠতে পেরেছি বলে ক্লিফহ্যাঙ্গারগুলা টের পাই নাই। জেগে উঠা প্রশ্নগুলার উত্তর একবারেই পেয়ে গিয়েছি।
– এইভাবে আনিমে দেখে দেখে অভ্যাস হওয়াতেই এখন ক্লিফহ্যাঙ্গার সহ্য হয় না অনেকের, মনে জমা প্রশ্নের উত্তর ১-২-৩ বছর পর পাব কি না এই সন্দেহে অনেকেরই আনিমেটার দেখার ইচ্ছা কমে যায়।
দুঃখজনক

Farsim Ahmed প্রবল বিরোধিতা করছি।
কোনো আনিমেতে ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্টের জন্য ৩০০ পর্ব লাগে না, ৫০ পর্বের মধ্যে যথেষ্ঠ ভালো কারুকাজ দেখানো যায়। এ জন্য দরকার হচ্ছে সদিচ্ছা, আর এক্সট্রা ফ্যান্সার্ভিস না দেয়া। উদাহরণ: ক্ল্যানাদ, শিকি, আরাকাওয়া অন্দর দ্য ব্রিজ, স্টাইনসগেট, কোড গিস, সাইকো পাস, আই ক্যান গো অন এন্ড অন।
এসেন্কের ব্যাপারে, আসলে কোনো কিছু জনপ্রিয় হয়ে গেলেই তাকে নিয়ে বিরোধিতা করাটা একটা ট্রেন্ড হয়ে গেছে, কিন্তু আমরা যদি এভাবে চিন্তা করি, এসেনকে সম্পর্কে কিছুই জানি না, প্রতিদিন ফবে ঢুকি না, এসেনকে সংক্রান্ত কোনো পোস্ট দেখি না, আর পুরো আনিমেটা দেখে শেষ করি টেলিকাস্ট শেষ হবার পরে, তাহলে কি একে ১০ এর মধ্যে কমপক্ষে ৯ না দিয়ে পারা যায়? সেটা কি অভার্রেতিং হবে?

এসেনকে এত সহজে ভুলে যাবার মত আনিমে না, কিছু কিছু আনিমে ল্যান্ডমার্ক হয়ে থাকে, ফেইট/জিরো, শিকি, স্ল্যাম ডানক, গিন্তামা, যেগুলো সব সময়ই টিকে থাকে, আমার ধারণা এসেন্কেও প্রবলভাবেই টপ আনিমের লড়াইয়ে টিকে থাকবে।

http://www.youtube.com/watch?v=PfzTtJvIpoI

Kuroko No Basket 2 by Kazi Rafi

KnB
ক্যালেন্ডারে সবাই দাগ দিয়া রাখেন- অক্টোবারের ৫, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, মিনিটে মিনিটে চমক আর সেকেন্ডে সেকেন্ডে দম বন্ধ করা উত্তেজনা আর সাসপেন্সে ভরা…..Kuroko No Basket 2: Winter Cup !!!! This Winter Will Be War !!! এই প্রথমবারে মতো জেনারেশন অফ মিরাকেলস এর সব প্লেয়ার একিসঙ্গে জড়ো হতে যাচ্ছে, একি ছাদের নিচে, একে অন্যের বিপরীতে এবং সাথে আরো নতুন নতুন সব পরাক্রমশালী দল, সঙ্গে আমাদের সবার প্রিয় সেইরিন হাই ! সবার লক্ষ্য একটাইঃ উইন্টার কাপ !! কিন্তু কিভাবে ??? উপাই একটাইঃ Defeat Japan’s Best, The Legendary Rakuzan High !!!!!!! কিন্তু তা কি আউদো কারুর পক্ষে সম্ভব ??? জানতে হলে অপেক্ষায় থাকুন ৫ই অক্টবারের জন্য এবং চোখ রাখুন আপনার এনিমে ডাউনলোডের পাতায় !!!!!!  

[ KNOW.YOUR.PLACE- Akashi Seijuro; Former Capt. Teiko Junior; Current Capt. Rakuzan High ]

Kotonoha No Niwa – অসম ভালবাসার নান্দনিক প্রকাশ [মোঃ আসিফুল হক]

A faint clap of thunder
Clouded skies, perhaps rain comes
Will you stay here with me?

KNN

আমার পূর্বের কোন এক লেখায় একজন আমার লেখার ভুলগুলো ধরিয়ে দিতে গিয়ে বলেছিলেন; আমি কোন কিছু দেখার সাথে সাথে সেটা নিয়ে লেখতে বসে যাই; এবং সেই কারণে অধিক আবেগে অনেক কিছুকেই অভাররেটেড করে ফেলি। উনার কথাকে গুরুত্তের সাথে নিয়েই দেখার বেশ অনেক দিন পর kotonoha no niwa নিয়ে লিখতে বসলাম।

মাকোতো শিনকাই নামটা জাপানের এনিম ইন্ডাস্ট্রিতে বেশ জোরেসোরেই উচ্চারিত হয় তার ভিজুয়ালি সাউন্ড মুভিগুলোর জন্য। ২০০৭ এ তার প্রথম কাজ 5 centimeter per second দিয়ে আমারও এনিম মুভি দেখার যাত্রা শুরু। তার মুভিতে অসম্ভব সুন্দর এবং ডিটেইলড ব্যাকগ্রাউন্ড এর সাথে ইমোশনাল এবং খানিকটা ট্রাজিক কিন্তু রোমান্টিক গল্পের চমৎকার সমন্বয় দেখা যায়।

Kotonoha no niwa কি এই ক্যাটাগরিতে পড়ে? হুম; অবশ্যই। বরং অন্য মুভিগুলোর চেয়ে খানিকটা বেশিই। তবে আপনি যদি একটা খুব সুন্দর গল্প আশা করে থাকেন; তবে আপনাকে হয়ত খানিকটা হতাশই হতে হবে। এই মুভি তার ভিজুয়াল এফেক্ট বা আর্ট এর প্রতি যতটা গুরুত্ব দিয়েছে; একটা অসাধারণ গল্পের অসাধারণ সমাপ্তির কথাটাকে ততটাই অবহেলা করেছে।

KNN 2

১৫ বছর বয়সী এক হাই স্কুল ছাত্র তাকাও এবং ২৭ বছর বয়সী ইউকিনোর ভালবাসাই গল্পের মুল উপজীব্য । তাকাও; যার জীবনের লক্ষ এবং উদ্দেশ্য জুতো বানানোর কারিগর হওয়া; সুন্দর সুন্দর জুতার ডিজাইন করা; নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে খুবই অনিশ্চিত। ইউকিনো নিজের সমাজে; নিজের পরিবেশে খাপ খাওয়াতে পারে না এবং নিজেকে খুজে ফেরার তাগিদে পার্কে বসে সময় কাটায়। তাদের জীবনের এই অনিশ্চয়তা; একাকীত্ব; অসহায়তা-ই তাদেরকে পরস্পরের কাছে এনে দেয়।

KNN 3

চিরাচরিত ৮-১০টা মুভি প্লট থেকে একদমই আলাদা এবং বিপুল সম্ভাবনা নিয়ে শুরু হওয়া এই গল্পের শেষটা হয় খানিকটা হিন্দি সিনেমার মেলোড্রামাটিক স্টাইলে। গল্পে মুল চরিত্র দুজনের আবেগ অনুভুতির জগতে খুব কমই প্রবেশ করা হয়েছে। একজন নিরপেক্ষ দর্শকের দৃষ্টিতে দেখলে মনে হবে; তাদের দেখা হল; তারা কথা বলল; একে অপরকে ভালবেসে ফেলল !!! কিন্তু কেন? সেই সম্পর্কের ভিত্তিটাই বা কি আর গভীরতাটাই বা কতটুকু? ঠিক কি কি ফ্যাক্টর গল্পের শেষ দিকে তাদের সম্পর্ককে এতটা তীব্র করে তুলেছে? এইরকম অনেকগুলো প্রশ্নেরই উত্তর দেয় না এই মুভিটি।

KNN 4

এখন তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে; এই মুভিটার সফলতাটা তাহলে কোথায়? প্রথম যেই জিনিসটা মাথায় আসে সেটা হল; সংলাপ। এক কথায় অসাধারণ। সংলাপে কি বলা হচ্ছে তার চেয়ে চমকপ্রদ বিষয় কি বলা হচ্ছে না সেটা। এর সংলাপ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খুব সহজ; সীমিত এবং চরিত্রগুলোর দৈনন্দিন স্বাভাবিক একঘেয়ে আলাপচারিতায় সীমাবদ্ধ। কিন্তু এই মুভি কোন কিছু বলার চেয়ে তা দেখানোতেই বেশি বিশ্বাস রেখেছে। তাকাওর খাতায় একের পর এক স্কেচ দেখে আমরা বুঝতে পারি; তার প্যাশন কি। অল্প দু’চারটে কথায় আমরা তাকাওর ফ্যামিলির পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া খুব সহজেই বুঝে যাই। একান্তই যখন সংলাপের প্রয়োজন তখন খুব সহজ এবং স্নিগ্ধ সংলাপ এবং সেই সাথে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক; ঝি ঝি পোকার ডাক; সংলাপের মাঝে খানিক নিরবতা; বৃষ্টি – আমাদেরকে পুরো পরিবেশটার সাথে একাত্ম করে ফেলে।

ভিজুয়াল পারস্পেক্টিভ থেকে “kotonoha no niwa” একটা মাস্টারপিস। যারা 5 centimeter per second দেখেছেন তারা এর সাথে অনেকটাই পরিচিত থাকার কথা। মুভির অন্যতম মুল থিম হচ্ছে বৃষ্টি। সাধারণত গল্পে বৃষ্টি একাকীত্ব প্রকাশ করে। কিন্তু এখানে বৃষ্টিকে সুখ এবং মানসিক প্রশান্তির প্রতীক হিসেবে অত্যন্ত মুন্সিয়ানার সাথে ব্যাবহার করা হয়েছে।

 KNN 5

মুলত পিয়ানোর সাথে প্রাকৃতিক শব্দ; বৃষ্টি আর ঝি ঝি পোকা – এক মাতাল করা অনুভুতির সাথে পরিচয় করে দেবে এই মুভিটি।

 

সুতরাং; এক বাক্যে যদি সাম আপ করতে হয়; তবে বলা যায় – অসম্ভব সম্ভাবনা নিয়ে শুরু হওয়া কিন্তু শেষ দিকে খানিক ব্যর্থ গল্পের এই মুভিটি চোখ এবং কানের জন্য এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা !!!

 

শুরু করেছিলাম; তিনটে লাইন দিয়ে; তাকাওকে ইউকিনোর জিজ্ঞেস করা তিনটে লাইন। শেষ করি প্রশ্নের জবাবে তাকাওর উত্তর দিয়ে –

 

A faint clap of thunder
Even if the rain comes not,
I will stay here, together with you

KNN 6

 

Kuroko no Basuke (Kuroko’s Basketball) by Monirul Islam Munna

দেখে ফিল্লাম Kuroko no Basuke (Kuroko’s Basketball)
ভাই কি দেখলাম!! এখন তো মনে হচ্ছে রাতে ঘুম হবে না!!!
তবে একটা জিনিশ খুবই ভালো লাগছে, স্টোরি ২-৩জনকে রিভল্ভ করে না, বেশ কিছু character কে নিয়ে রিভল্ভ করে। এমন এনিমেই আসলে ভালো লাগে, গেইম প্ল্যান থাকবে, কিছু এমন মনস্টার টাইপ প্ল্যেয়ার থাকবে যাদের কোন প্ল্যান নিয়েও হারানো যায় না, আবার নিজের determination আর Effort দিয়ে তাদের থেকে জয় ছিনিয়ে আনে!!! তবে সেটা কোন ভাবেই আগে থেকে guessকরা যায় না,কিভাবে। এখানে bleach এর ikkaku এর মত character আছে Taiga Kagami , যে যত tough opponent পায় তত বেশী energized হয়ে উঠে!!! 
আর “Generation of Miracles” খেলা দেখে কি বলবো, অমানুষদের দল এগুলা।
Action+Comedy+Strategy = ১০/১০
আর অনেক দিন পর কোন এনিমের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক এতো অসাধারণ লাগসে, প্রতিটা situation এর সাথে শুধু মিলসেই না, বলা যায় ঐ sitatuion এর জন্যই মনে হয় OST গুলা বানানো!!!
এক কোথায় too good!!
এখন দেখে মনে হয় ভালোই করসি, Season 2 october এ !!!
Can’t wait!!!!! 

Paprika — Anime Movie review by Farhad Mohsin

Zemanta Related Posts Thumbnail

Paprika মুভিটা দেখসি রিসেন্টলি। সেইটা নিয়ে সেমি-রিভিউ টাইপের পোস্ট।

ফিল্মের ডিরেক্টর সাতোশি কন। বেশ ভালো ডিরেক্টর। Perfect Blue তার ফিল্ম, সেইটাও অনেক ভালো।
যাই হোক, Paprika’র শুরুটা এমন, একটা কোম্পানির R&D বিভাগ একটা যন্ত্র আবিষ্কার করেছে, মিনি ডিসি, যার মাধ্যমে মানুষের স্বপ্ন দেখা যায়। একাধিক জন একসাথে সেটা ব্যবহার করলে স্বপ্ন শেয়ারও করা যায়। এই যন্ত্র ব্যবহার করে স্বপ্নের মধ্যে গিয়ে সাইকোথেরাপি দেওয়ার চেষ্টাও করা হয়। তো একদম শুরুতেই এই যন্ত্র দুইটা চুরি যায়। এবং সেই চুরি যাওয়া যন্ত্র দিয়ে এই যন্ত্র ব্যবহারকারী অন্যদের স্বপ্নে প্রবেশ করে ঝামেলা করা যেতে পারে বলে সেটা নিয়ে প্যানিক সৃষ্টি হয়। চোরের পিছনে খোঁজ লাগায় মিনি ডিসির প্রধান দুই ডেভলেপার ও তাদের চীফ। এবং এরপর নানা ঘটনা ঘটতে থাকে।
আরেকদিকে থাকে এক পুলিশ অফিসার, সে তার মত করে একাধিক দিক দিয়ে এর মধ্যে জড়িয়ে যায়, এবং ডিসি মিনির গল্পের মধ্যে তার স্বপ্নের গল্পও বেশ সুন্দর মত চলে আসে।
যাইহোক, রিভিউ লিখতে গিয়ে সামারি লিখা শুরু করেছিলাম। Paprika’র গ্রাফিক্স, আর্টওয়ার্ক, সব বেশ ভালো। ড্রিমওয়ার্ল্ডের প্রেজেন্টেশন বেশ সুন্দর/কালারফুল/বোল্ড। স্টোরিলাইন যথেষ্ট গ্রিপিং। ফিল্মটা মনে হয় মূলত একটা সাইফাই, কখনও স্বপ্নের মধ্যে ঢুকে যাওয়ার জন্য একটা ফ্যান্টাসি ভাব আসে, আবার কখনও বা মনে হয় একটা ডিটেক্টিভ স্টোরির মত। ক্যারেক্টার বিল্ডাপ খুব ভালো।
তবে পুরোটা দেখে আমার এ মুভি সম্বন্ধে যেটা মনে হইসে, এটা সেই ধরণের মুভিগুলোর একটা যেটার logical soundness নেসেসারি না, পুরোটার সবকিছুর লজিকাল এক্সপ্লেনেশন বুঝে বুঝে দেখাটা নেসেসারি না। এটা সেই ধরণের মুভি যেটার বেলায় বলা যেতে পারে, you go with the flow. “এটা কী হচ্ছে” “কেন হচ্ছে” মনে না হয়ে জাস্ট ধরে নেওয়া যাইতে পারে, “হচ্ছে, দেখতে থাকি”। এবং তারপরেও অসাধারণ লাগবে। (কেউ যদি বুঝে না থাকেন আমি আসলে কি বলতে চাচ্ছি, তাহলে দুঃখিত। ঠিক ব্যাখ্যা করতে পারছি না এরকম আমার মনে হয়েছে রিসেন্টলি আরও একটা মুভি দেখে, Donnie Darko, এনিমে না অবশ্য)
**কেউ কেউ বলে থাকে এই মুভিটার কিছু আইডিয়া হয়তো Christopher Nolan এর Inception এর জন্য inspiration হিসেবে কাজ করতে পারে। হয়তো।

Mars of Destruction: ভয়াবহতার এক চমৎকার নিদর্শন !!!

MoDমাঝে মাঝেই মাথায় আউল ফাউল জিনিসপত্রের ভুত চাপে। কয়েকদিন আগে এনিমখোর গ্রুপে জনৈক বড় ভাই জানাইলেন; আমরা সকলে সেরা সেরা এনিম দেখসি বটে; কিন্তু উনি সবচেয়ে বাজে রেটিংওয়ালা এনিমখানি দেখে ফেলেছেন। উনার কথায় আগ্রহ জন্মাইল; দেখি তো কি জিনিস !!! এই সাইট সেই সাইট ঘুরে ফিরে কোথাও পাইলাম না – এমনই সে জিনিসের মাহাত্ত !! তো আর কি; সর্বশেষ ভরসা ইউটিউব থেইকা নামায় Mars of destruction – দেখে ফেললাম। দেইখা শুধু একটা কথাই মাথায় আসতেসে; “I don’t have a fudging clue about how to describe this s*** !!!”

আল্লায় দিলে মিনিট বিশেকের মইদ্ধে ইন্ট্রো; একাধিক ফাইট; কিউট নারীজাতি; শক্তিমান পুরুষ; আম্রিকা জাপান – কি দেখায় নাই এইটাতে !!! তয় একটা জিনিস চিন্তা কইরা কুল পাইলাম না; এইরকম সুন্দরী এবং এনিমে বর্ণনা করা শক্তিমান নারীরা এইরকম খেলনা টাইপ পিস্তল লইয়া দৌড়াদৌড়ি কইরা কি উদ্ধার করল !!! আর একদম শুরুর দিকে একেবারে ক্লিন মাথা উড়ে যাওয়া আপ্পিটারে হাস্পাতালেও নিয়া গেল; সেইখানে আবার ডাক্তার মৃত্যু কনফার্মও করা লাগ্লো !!! আমি ফিজিক্স; কেমিস্ট্রি বায়োলোজি – যা যা জানতাম এই জিনিস দেইখা সব ভুইলা গেসি !! আর স্টোরিলাইনের চেয়েও পেথেটিক ছিল সাউন্ডট্র্যাক; সিম্পলি মইরা যাইতে ইচ্ছা হইসে সাউন্ড শুইনা !!! একটা কুশ্চেন শুধু; এইটা কি কোন স্কুলের বাচ্চাদের এনিম বানানোর কন্টেস্টের ফসল নাকি? তাতেও তো এইরকম ভয়াবহতার কোন জবাব পাওয়া যায় না !!!

রিকমেন্ডেশনঃ জীবনের প্রতি যদি বেশি মহব্বত জন্মায়; সকলের হতাশ হতাশ অবস্থা দেখতেসেন কিন্তু নিজে খুব ভাল আছেন; আনন্দে আছেন এবং এই জিনিস যদি সহ্য না হয় এবং সেই অবস্থা থেইকা নিজের মধ্যে সুইসাইডাল টেন্ডেন্সি আনতে চান; তবে এই এনিম আপনারই জন্য !!! তবে দেইখা একটা লাভ হইসে অবশ্য; এইটা দেখার পর জগতের কোন এনিম আমার কাছে খারাপ লাগার চান্স নাই; সেইটা বকু নো পিকু হোক; স্কুল ডেইজ হোক; কিংবা অন্য কিছুই হোক !!!

Initial D music video by Asiful haque

 

ID

কার রেসিং এর মুভিগুলা কেন যেন কখনই আমাকে খুব বেশী টানে না। তাই এনিমের শুরুতে যখন নিশ্চিত হয়ে গেলাম যে এই এনিমটা কার রেসিং নিয়ে এবং পাশাপাশি আরও ২-১ টা জিনিস দেখে ধারণা হল হয়ত কয়েক পর্ব পরেই এইটা দেখা বাদ দিতে বাধ্য হব। কিন্তু ২-৩ টা এপিসোড দেখার পরেই বুঝতে পারলাম আমি কতটুকু ভুল ভেবেছিলাম !!!! কোনরকম বিরতি ছাড়াই টানা ৪ টা সিজন শেষ করে বলতে পারি একটা A গ্রেডের এনিম।

মাউন্ট আকিনার একটা পেট্রোল পাম্পে কাজ করে কিছু বন্ধু। সবাই মোটামুটি কার রেসিং নিয়ে চরমভাবে আগ্রহী। তাদের একটা দলও আছে। কিন্তু তাদের একজন ফুজিওয়ারা তাকুমি। খুব সাধারণ একটা ছেলে, যে কিনা কোন কাজেই খুব উৎসাহী না, কোন সিচুএশন সহজে ধরতে পারে না। গাড়ি নিয়ে যার কোন রকম আগ্রহ কিংবা জ্ঞান নেই। নিজেদের গাড়ির মডেলটাও সে বলতে পারে না। ঠেকায় পরে বাবার বেবসায় সাহায্য করার জন্য ১৩-১৪ বছর বয়স থেকে নিয়মিত গাড়ি চালায়। গাড়িটা আবার বেশ পুরনো মডেলের। কিন্তু নিয়মিত চালানোর ফলে এই গাড়ি নিয়েই তাকুমি অসম্ভব সব ড্রিফটের কাজ শিখে গেছে। গাড়ির স্টিয়ারিং হুইলের পিছনে তাকুমি অন্য এক মানুষ। অবলীলায় এমন সব মুভ দেয় যা অনেক প্রফেশনাল রাও ভয়ে পারফর্ম করে না। ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও ঘটনাক্রমে একদিন পাশের এলাকার এক বিখ্যাত রেসারের সাথে তার রেসে নামতে হয়। এবং সকলকে অবাক করে দিয়ে সে রেসে জিতেও যায়। আর তার সামনে খুলে যায় রোমাঞ্চকর রেসিং জগতের দরজা

এনিমটার সবচেয়ে ভাল লেগেছে ফাস্ট পেইস। কোন জায়গায় ঘটনা ঝুলে যায় নাই। একবার ভাল লেগে গেলে মনিটরের সামনে চুম্বকের মত টেনে বসিয়ে রাখবে।

এনিমের আরেকটা দিক ভাল লাগছে যে এইটার রোমান্টিক সাইডটা। এইখানে প্রায় সব গুলা চরিত্রই রেসিং এ উন্নতি করার জন্য তাদের প্রিয়জনকে বিদায় জানায়। এবং সেই পার্ট গুলাও ভাল লাগছে।

এনিমে গাড়ি চালানোর এবং বিভিন্ন মডেলের গাড়ির কোন দিক ভাল, কোন দিক খারাপ এই নিয়াও বেশ ভাল আলোচনা করছে।

তবে এনিমের আর্ট সাইড টা বেশী ভাল লাগে নাই। ক্যারেক্টার ড্রইং অনেকটা “ক্রুড” ফর্মে করা। খুব সম্ভব রেসিং সিন গুলাকে বেশী গ্লেমারাস করার জন্য এই কাজ করছে। তবে এই দিকটা আমার কাছে খারাপ লাগছে।

এনিমের সাউন্ড ট্র্যাক গুলা যথেষ্ট ডিসেন্ট। শুনতে ভালই লাগছে।

সব মিলিয়ে বেশ ভাল একটা এনিম, সময় কাটানোর জন্য পারফেক্ট। নাম্বারিং করতে বললে আমি এই এনিমটাকে ১০০ তে ৭৫ দিব।

তাহলে যাদের কার রেসিং নিয়ে আগ্রহ আছে, তারা দেরি না করে দেখা শুরু করে দিন এই অসাধারণ এনিমটি।

বিকালের দিকে মাথায় ক্যারা উঠল; AMV বানামু। গুতাগুতি শুরু করলাম; এই জিনিস ক্যামনে বানায় – এই নিয়া। ঘাইটা ঘুইটা যা পাইলাম এবং সকলে যা বলল; তার সারমর্ম – দুই চাইরটা ভিডিও মিডিও কাইট্টা সাউন্ড জোড়া লাগায় নরমাল কিছু একটা দাঁড় করানো তেমন কঠিন কিছু না। কিছু টিউটোরিয়াল ফিউটোরিয়ালও উৎসাহের চোটে নামায় দেইখা ফালাইলাম। এরপর শুরু হইল কাহিনী? কোন এনিম নিয়া বানামু? ফাস্টে ভাবলাম; ওয়ান পিস নিয়া বানাই; ইউটিউব ঘাইটা দেখি ওই জিনিস লাখখানেকের উপর আছে। অনেক ভাইবা চিন্তা ইনিশিয়াল ডি সিলেক্ট করলাম; কিন্তু সমস্যা হইল; ভিডিও কাইট্টা যে AMV বানামু; সেইরকম ভাল রেজুলেশনের ভিডিও পাই না !!! আইচ্ছা; সেইটাও না হয় গেল; ভাল একটা গানও পছন্দ হয় না !!! সব জোগাড় কইরা যখন ঘন্টা তিনেক আগে কাজে হাত দিলাম; বোঝা গেল; টিউটোরিয়াল এবং বিভিন্ন সাইটে কোন কিছুকে “relatively easy” বলিলে সেইটা সাথে সাথে ভুলিয়া যাইতে হবে !!! সেই লেভেলের পেইন !! পেইন টেইন নিয়া শেষমেশ এই জঘন্য কিছু(এইটারে AMV বলা যাইব বইলা মনে হইতেসে না  :/) একটা বানাইলাম; তাও দেড় মিনিট হয় নাই !!! তারপর তো আপলোডের যুদ্ধ আছেই !! যাই হোক; শেষ মেশ কিছু একটা বানাইতে পারসি – এতেই খুশি। সমালোচনা না আসার কোন কারণ নাই; তবে শুধু “ভুল হইসে” না বইলা “এইটা এইভাবে না কইরা এইভাবে করলে বেটার হইত” টাইপ কমেন্ট বেশি আশা করতেসি
http://www.youtube.com/watch?v=QNhdJQd9ECs

“Zetsuen no Tempest: The Civilization Blaster” by Itmam Hasan Dipro

“Zetsuen no Tempest: The Civilization Blaster”
অ্যাকশান, রোমান্স, ম্যাজিক, কাব্যিক ডায়লগ এর এই আনিমেটা এক কথায় অসাধারণ।কাহিনি বেশ ইন্টেরেস্টিং , শেক্সপিওর এর কমেডি এবং ট্রেজেডি এর বিভিন্ন কনসেপ্ট ব্যাবহার করায় বেশ দ্রুত টাইম পাস হয়।এছারা সাউন্ড ট্র্যাক গুলা খুব ভাল হওয়ায় ওভারঅল বেশ ভাল একটা আনিমে ।যারা দেখেন নাই তারা তাড়াতাড়ি আনিমে টা দেখেন।আশা করি খুব ভাল লাগবে।

http://myanimelist.net/anime/14075/Zetsuen_no_Tempest

ZnT