Anime Recommendation: Yowamushi Pedal — Rezo D. Skylight

>>>>>>>>>>>>>>>এনিমে Recommendation<<<<<<<<<<<<<<<
Anime: Yowamushi Pedal
Episodes: 1st season- 38ep (Complete) ; 2nd season- 24ep (Complete)
Genres: Comedy, Drama, Shounen, Sports.
MAL Score: 8.24 (1st season); 8.20 (2nd season)
My Score: 9/10

Yowamushi Pedal
আগে থেকেই বলে নেই এনিমেটা মূলত সাইকেলিং নিয়ে। অনেকের কাছে সাইকেলিং থিমটা লেম বলে মনে হতে পারে, কিন্তুু এনিমেটা মোটেই লেম না। Yowamushi Pedal-এ সাইকেলিংকে এত সুন্দর ভাবে উপস্থাপনা করা হয়েছে যে এনিমেটা দেখার সময় আপনার নিজেরও সাইকেল চালাতে ইচ্ছা করবে। 😀

এখন আসল কথায় আসি। এনিমেটার মূল নায়ক ওনদা সাকামিচি। সে এতটাই এনিমের ভক্ত যে তার mommy bike (নরমাল সাইকেল) নিয়ে প্রতি সপ্তহে তার বাড়ি থেকে ৯০কিমি. পথ পাড়ি দিয়ে আকিহাবারা যেত এনিমের accessories কিনার জন্য। তার ইচ্ছা ছিল সে হাইস্কুলে উঠে ওটাকু ক্লাবে যোগ দিবে। কিন্তুু দুর্ভাগ্যক্রমে মেম্বার না থাকার কারনে ওটাকু ক্লাবকে ব্যান করা হয়। পরবর্তীতে ওনদার পরিচয় হয় ইমাইজুমি শুন্সুকির সাথে। এরপরেই ঘটনাক্রমে ওনদা যোগ দেয় সাইকেলিং ক্লাবে যা তার জীবনে নিয়ে আসে এক নতুন পরিবর্তন। এভাবেই শুরু হয় এনিমেটার কাহিনী।

পুরা এনিমেতেই রয়েছে টানটান উত্তেজনা। এনিমের প্রতিটা চরিত্রই অসাধরন। OST এবং BGM-গুলাও চমৎকার। একবার দেখা শুরু করলে আর থামতে পারবেন না। আর আপনি নিজে যদি সাইকেলিস্ট হন তাহলেতো কথাই নেই। আপনি এনিমেটাকে বেশ উপভোগ করতে পারবেন। আর আশা করি যারা সাইকেলিং এর ভক্ত না তারাও Yowamushi Pedal দেখার পর সাইকেলিং এর প্রেমে পড়ে যাবেন।
সুতরাং, দেরি না করে এখনই দেখা শুরু করুন। 🙂

Rurouni Kenshin OVA: Trust and Betrayal রিভিউ — Torsha Fariha

Trust and Betrayal 1

দেখলাম রুরৌনি কেনশিনের OVA Trust & Betrayal.

আমি pretty sure গ্রুপের অধিকাংশ মানুষজন এটা দেখে ফেলেছেন তারপরেও যারা দেখেনি তাদের জন্য এটা সাজেস্ট করছি।

সময়টা মেইন আনিমে থেকে একটু পেছনে। বাকুমাৎসু era তথা Late Tokugawa Shogunate Era. Meiji Government এর উত্থান হয় যার পর।

জাপানের ইতিহাসের অন্যতম অস্থিতিশীল সময়। kill or to be killed- this was the main theme then.

মানুষ স্বার্থের জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি যেমন নিতে পারে, অন্যের গলায় ছুরি বসাতে যেমন পারে তেমনি পারে নিজের ideology এর জন্য অকাতরে প্রাণ দিতে। এটা ঠিক সেরকম একটা সময়ের গল্প।

নায়ক-কেনশিন। ‘রুরৌনি’ কেনশিন নয় বরং ‘man slayer’ কেনশিন।

রুরৌনি কেনশিনের মূল আনিমেটা দেখতে গিয়ে আমি অনেক বারই কল্পনা করার চেষ্টা করেছি কেনশিনের মত সৎ,দয়ালু, বিচার বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষটার assassin রূপটা কেমন ছিল। যারা আমার মতই কৌতুহলী তাদের জন্য এই OVA.

নায়িকা- তোমোয়ে।
যারা কেনশিন-কাউরো ফ্যান তারা যেন আবার ভ্রু কুঁচকায় না থাকে 😛
সত্যি বলতে the relationship between kenshin and tomoe is far deeper.

Trust & Betrayal হল বিশ্বাস আর বিশ্বাসঘাতকতার কাহিনী, নিজের ভেতর অন্তর্দন্দ্বের কাহিনী, কেনশিনের গালের ক্রস চিহ্নের আঘাতের পেছনের কাহিনী।

অত্যন্ত মর্মস্পর্শী একটা কাহিনী। এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্নও বটে।

অবশ্যই অবশ্যই দেখার মত চারটা এপিসোড। 🙂

Hope you will Enjoy it.

Trust and Betrayal 2

ক্যারেক্টার রিভিউ: গারা [আনিমে – নারুতো] — Goutam Debnath Sagar

Gaara-gaara-of-suna-27045252-1024-768

নামঃ গারা, গারা অফ দা সেন্ড, গারা অফ দা ডেজার্ট।
এনিমেঃ নারুতো

সে এখন বালুর দেশের প্রধানমন্ত্রী (বা ঐ রকমের কিছু :v)। জাপানের ভাষায় কাজেকাগে। তার গাঁয়ের সবাই এখন তার প্রতি নির্ভরশীল, তাকে ভালোবাসে। বারে বারে এখন বলছি কেন? কারন তার অতীত খুব একটা সুখকর ছিল না। চলুন তার জন্ম থেকেই শুরু করি।
তথাকথিত সকল গ্রামের মধ্যে শক্তির সুষম বন্টনের শিকার হয়ে তাকে ‘শুকাকু’ এর জিঞ্ছুরিকি হতে হয়। এটি সম্পন্ন করতে গিয়ে তার মায়ের করুন মৃত্যু হয় আর সে তার ‘গারা'(শাব্দিক অর্থ হচ্ছে ‘ a self loving carnage’ মানে যে অসুর শুধু নিজেকে ভালবাসে) নামটি পায়। সবার ঘৃণার জন্যই হোক বা নিজের নামের সার্থক করার জন্যই হোক গারা দিনে দিনে এক অসুরে পরিণত হয়, সে খুনের মধ্যেই তার জীবনের অর্থ খুঁজে পায়।
এখন কথা হচ্ছে নারুতোও তো একজন জিঞ্ছুরিকি, গারা কেন নারুতোর মতো হল না? কারণ নারুতো পেয়েছিল একজন ইরুকা সেন্সেই, একজন কাকাশি সেন্সেই। অপর দিকে গারার একমাত্র আপনজন ছিল ইউশিমুরা (তার মামা) যে নাকি মারা যাওয়ার সময় গারার জীবনকে আরো অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়। যাইহোক পৃথিবীর সকলকে খুন করার আগেই নারুতোর সাথে চুনিন এক্সামের সময় গারা ‘ভালবাসা’, ‘ব্যাথা’, আবেগ ইত্যাদি বুঝতে সক্ষম হয় এবং দেশ ও দশের কল্যানে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া শুরু করে।
কেন ভালবাসবেনঃ (সম্পুর্ণ নিজস্ব মতামত)
সমস্ত নারুতো সিরিজে গারাকেই একমাত্র ভয় জাগানিয়া (fearfull) ভিলেন লেগেছে।
তার সেইয়ু (সাব ডাব দুইটারই) অসম্ভব সুন্দর কাজ করেছেন।
ওর মত খুব সহজে খুন করার প্রতিভা নারুতোতে খুব কম দেখা গেছে।
তার ট্রেজেডিক জীবন তাকে ভালোলাগার অন্যতম কারন।
সর্বোপরি তার calm nature এনিমে জগতে তাকে অন্যতম উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

শেষ করতে চাই এইটা বলে, কিশিমত সেন্সেই at least ওরে কোন মাইয়ার সাথে জুইড়া দিতে পারতো। গারার সমস্ত জীবন গেল অন্যের জন্য কাজ করতে করতে। T-T

4381168-4379879-gaara-wallpaper-1024

Tokyo magnitude 8.0 রিভিউ — Monirul Islam Munna

7

Anime: Tokyo magnitude 8.0
এপিসোড সংখ্যাঃ ১১
ম্যাল রেটিংঃ ৮.২২

৮ মেগনিচুডের একটা ভূমিকম্প পুর জাপানকে কিভাবে তছনছ করে দিসে বেশ সুন্দর করে ফুটে উৎসে এই এনিমেতে। আগামী ৩০ বছরের ভিতর কমপক্ষে ৭ মেগনিচুডের একটা ভূমিকম্প আঘাত করবে, এমন প্রেডিকশন থেকে এনিমেটার কনসেপ্ট!

শুধু ভুমিকম্প কেন, ভুমিকম্পের আফটার ইফেক্টও অসাধারণ ভাবে তুলে ধরছে। খুব সাধারণ একটা এনিমে, তবে খুবই ভালো লেগেছে। বিশেষ করে একটা এপিসোড দেখে তো মনটাও খারাপ লাগছে।

গ্রাফিক্স, এনিমেশন, ক্যারেক্টার বিল্ডাপ সবই ভালো। বিশেষ করে এই ইন্ডিংটা চরম লাগে আমারঃ Melody by Tsuji Shinon http://www.youtube.com/watch?v=bjtu0G–1y4

Bungaku Shoujo (movie) রিভিউ — Munim Dipto

আনিমে টা বেশী ভাল লেগে গেল তাই ভাবলাম একটা রিভিউ লিখি। কোন ভুলত্রুটি হলে শুধরে দেওয়ার অনুরোধ থাকল। 🙂

6

Bungaku Shoujo (movie)

এপিসোড সংখ্যা: ০১
জানরা: মিস্ট্রি, ড্রামা, রোমান্স, স্কুল
ম্যাল রেটিং: ৭.৭৬
পারসোনাল ওভার অল রেটিং: ৮.৪

স্টোরি: আনিমে টা মূলত লাইট নভেল থেকে আ্যডাপ্ট করা। এর মূল চরিত্রে থাকে কোনোহা ইনোউয়ে নামে এক সাধারন ২য় বর্ষের ছাত্র। কিন্তু দেখতে সাধারন লাগলেও সে মোটেও সাধারন নয়। কিছুদিন আগেও সে ছিল একজন বেস্টসেলার রোমান্স লেখক। কোনো এক কারনে সে তার সাহিত্য জীবন থেকে সরে আসে। কিন্তু এর ই মধ্যে আবার ৩য় বর্ষের এক ছাত্রী আমানো তউকো তাকে বাধ্য করে সাহিত্য সভায় (literature club) যোগ দিতে। সেনপাই এর অনুরোধ রাখতেই হয়। কিন্তু এই সেনপাই আবার সাধারণ খাবার খায়না, খায় শুধু সাহিত্য। আর তার প্রতিদিনের খাবার তৈরীর ভার পরে কোনোহার উপর। সবকিছু কিছুদিন ঠিকঠাক চললেও কোনোহার সাভাবিক জীবনে আবার বাধা পরে। কি ধরনের বাধার সম্মুখিন হয় সে আর কেনই বা সাহিত্যের প্রতি কোনোহার এত অনুরাগ তা জানার জন্য দেখতে হবে এই মুভিটি। এটি আপনার অনুভূতি কে নাড়া দিতে সক্ষম বলে আমার ধারনা।
*পারসোনাল রেটিং: ৮.৪

সাউন্ড এন্ড অডিও: ক্যারেকটার অনুযায়ী পারফেক্ট ভয়েস। সাউন্ডট্র‍্যাক অসাধারন।
* পারসোনাল রেটিং: ৮.২

এনিমেশন: ক্যারেকটার আর্ট একটু ইউনিক। তবে ভিজুয়াল অনেক সুন্দর। অসাধারন না হলেও সাভাবিকের চেয়ে ভাল পর্যায়ের।
*পারসোনাল রেটিং: ৮.২

এনজয়েবিলিটি: সল্প দৈর্ঘের মুভি যেহেতু, তাই বলার অপেক্ষা রাখে না যে বোরিং লাগার কোন চান্স নেই। এক নিঃশ্বাসে শেষ করার মতো একটা আনিমে মুভি। বিশেষ করে যারা সাহিত্য পছন্দ করে তাদের কাছে বেশি ভাল লাগার কথা।
*পারসোনাল রেটিং: ৮.৮

বিঃ দ্রঃ – ৩ এপিসোড এর Bungaku Shoujo: Memoire দেখে নিতে পারেন, কিছু ডিটেইল্ড ইনফরমেশন এর জন্য।

আনিমে সাজেশন: Space Brothers [Uchuu Kyoudai] — Shafiul Munir

2

সর্বকালের সেরা স্লাইস অব লাইফ কোনটি?

গিন নো সাজি? ক্লানাড? হানি এন্ড ক্লোভার? উসাগি ড্রপ? মুশি শি? বাকুমান? সাকামিচি নো আপালোন? নোডামে ক্যাণ্টিবেলে? আরিয়া?

এভাবে ভেবে কোনকিছু বের করাটা এক টাইপ বোকামি মনে হতে পারে, কারণ কারো একটা ভালো লাগলে, কারো আরেকটা ভালো লাগবে, এ ব্যাপারে একমতে আসাটা খুব বেশি কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়াবে…
আচ্ছা, ধরলাম তারপরো আমরা এমন কিছু একটা খুঁজে বের করতে চাই…

বেসিক ক্রাইটেরিয়া?
১) জীবনের একটা অংশ তুলে আনবে… স্বপ্ন, স্বপ্নভঙ্গ, আনন্দ, কষ্টের যাতনা, আশা, হতাশা সবকিছু সাথে করে…
২) অসাধারণ সব ক্যারেক্টার থাকবে, যারা দৈনন্দিন জীবনকে খুব কাছ থেকে অনুভব করার সুযোগ করে দিবে…আর মেইন ক্যারেক্টারগুলা এক্সট্রাঅর্ডিনারী হবে অনেক অনেক দিন মনে রাখার মত।
৩) একই সাথে হাসাবে-কাঁদাবে, ক্লিশে ভাবে না, খুব ক্লাসি ভাবে
৪) খুব গতিময়, একই সাথে ইমোশনাল আর চমকপ্রদ একটা কাহিনী থাকবে…
৫) শুরু হয়েই টুসটাস শেষ হবে না, এট লিস্ট কিছুদিন পরে থাকবার সুযোগ দিবে
৬) খুব সুন্দর কিছু ওএসটি থাকবে, একটু মিউজিক, একটা উত্তেজনা, কিছুটা মোচড়, চড়াই-উতরাই তো বাঞ্চনীয়…
আরো কিছু ব্যাপার সেপার হয়ত চলে আসবে…অনেক অসাধারণ এনিমেই আছে যারা এসবের বেশ কিছু ফুলফিল করে নিজেদের উঠিয়ে আনে সেরাদের ক্লাবে, কিন্তু সেরাদের সেরা কে হতে পারে…?

আমার নিজের জন্য একটা উত্তর আমার কিন্তু আছে, সেটা হলো, ‘স্পেইস ব্রাদারস…উচো কিয়োদাই’, হ্যাঁ, এটাই সর্বকালের সেরা স্লাইস অব লাইফ… যারা দেখেছেন, তারা বুঝতে পারছেন কেন, আর যারা দেখেননি, এখনি দেখে ফেলুন…

প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করবেন এটার, গ্যারান্টি দিতে পারি। আর ৯৯ টা এপিসোড কিভাবে কেটে যাবে বুঝে উঠাও যাবে না, শেষ হলে মনে হবে আরো কিছু কেন হলো না…

3

5

4

The Friendly Winter: মানহোয়া রিভিউ — Tanvir Ahmed Emon

1

Name: The Friendly Winter
Story and Art: Lee Jun
Genre: Comedy, Drama, Slice Of Life
Chapters: 64
Status: Finished
Published: Oct 8, 2011 to Feb 23, 2013
Genre: Comedy, Drama, Slice Of Life
MAL Rating: 8.24

Synopsis: গল্পের নায়িকা Han Da-Jeong বাচ্চাদের জামা কাপড় পরতে চায় না, তার পছন্দ ঝলমলে কাপড় যাতে তাকে আরো আকর্ষণীয় দেখায়…।। না অকালপক্ব নয়, Da-jeong হরমোন ডিসঅর্ডারে ভুগছে ।। দেখতে তিন-চার বছরের বাচ্চা মনে হলেও তার আসল বয়স উনিশ…।। আর এই কারনে Da-Jeong কে প্রতিনিয়ত অনেক অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়…।। সেইরকম এক ঘটনা এড়ানোর তাগিদে, Da-jeong একদিন এক অচেনা ছেলেকে ভাই বলে ডাকে…।। কিন্তু পরে যখন সেখান থেকে চলে যেতে চায় তখন সে ছেলেটা তার হাত ধরে রাখে এবং কিছুতেই হাত ছাড়তে চায় না…।। না Kim Min-Seong এর কোন খারাপ উদ্দেশ্য নেই, সে তার মাকে হারিয়ে ফেলেছে তাই ভীত …।। Kim Min-Seong মেন্টাল ডিসঅর্ডারে ভুগছে…।। বয়স সতের হলেও তার মনটা এখন বাচ্চাদের মতো…।। দুজন একইরকম না হলেও Min-Seong কে Da-jeong এর তার নিজের মতোই মনে হয়…।। আর এই ঘটনার পর থেকে পরিবর্তিত হতে থাকে এই যুগলের জীবন…।। এর প্রেক্ষিতে গড়ে উঠেছে The Friendly Winter মানহাটির গল্প…।। যারা স্লাইস অফ লাইফের ভক্ত তারা পরে ফেলতে পারেন ৬৪ চ্যাপ্টারের মানহাটি…।।

Uchuu Kyoudai রিভিউ — Gourab Roy

11

আকাশ ছোয়ার স্বপ্ন কার না থাকে ছোট বেলায়? ছোট কালে কতই না শুনেছি,আয় আয় চাঁদ মামা টিপ দিয়ে যা,নাটক সিনেমা কখনো কখনো বাস্তবে ও দেখছি অনেকেই তাদের প্রেয়সি কে বলে ওঠে,” তোমার জন্য আমি চাঁদ এনে দেব”(ইল্লোজিকাল যদিও)।তা সেই চাদে যাওয়ার স্বপ্নের বীজ অনেকি বুন্তে পারেন,কিন্তু কতজন সেটা লালন করতে পারেন??
স্বপ্ন কে সত্যি করার সাহস কজনার থাকে?

12
হু থাকে কারো কারো।”স্পেস ব্রাদার্স” বা ”উচু কিওদাই” এনিমে তে রয়েছে এই আজন্ম লালিত স্বপ্নের বাস্তবায়ন,এনিমের সাদামাটা নায়ক নানবা মুত্তা!(:v)সে একজন মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার(ইয়েই)।ছোট বেলা সেও স্বপন দেখেছিল চাদে যাওয়ার তার ছোট ভাই হিবিতোর সাথে।কিন্ত হিবিতো পারলেও তার সে স্বপ্ন পূরণ আর হয়ে ওঠেনা।অনেক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে ধাপে ধাপে অধরা কে ধরার অদম্য বাসনা নিয়ে কিভাবে একজন সুপার পাওয়ারলেস ,নাকামা পাওয়ার হীন মাটির মানুষ চাদের বুড়িকে জয় করেছিল সে বাস্তব্ধর্মী গল্প গাথা আছে এই এনিমে তে।
কেন দেখবেনঃ ম্যাল রেটিং 8.67
আমার রেটিং ১০/১০

9

10
বোরিং হোয়ার মত কোন এপিসোড নেই,সাস্পেন্স এ ভরপুর যেন প্রতি নিয়ত আপনি শার্লক হোমসের এসিস্টেন্ট,সাথে আছে কাওয়াই কুকুল ”আপো”,মুত্তার সীমাহিন কমেডি যা চার্লি চ্যাপ্লিন কে ও নস্যি বানিয়ে দেয়,এমন সব রোমান্টিক সিনারি যা রোমিও জুলিয়েট দেখলে হয়ত লজ্জায় মাথা মুড়িয়ে ফেলত,এবং আরো কত কি যেটা দেখলেই ভাব্বেন ইশ আগে কেন দেখিনি।অনেক চরিত্রের সমাবেশ,এবং সব গুলোই গুরুত্বপূর্ন। হৃদয়গ্রাহি ব্যকগ্রাউন্ড মিউজিক এবং ওপেনিং এবং এন্ডিং সংস।অন্যতম আমার দেখা সেরা স্লাইস অব লাইফ” স্পেস ব্রাদার্স দেখে ফেলুন আর দেরি না করেই”
এক তুড়িতেই যেন সময় কেটে যাবে

8

Usagi Drop রিভিউ — Rokibul Islam

7

Usagi Drop- মাত্র ১১ পর্ব- এক বসাতেই হয়তো শেষ করা যাবে এনিমেটা।

বেশ ভালো লেগেছে। মেলা আগে মারজুক রাসেলের একটা নাটক হয়েছিল-“বাবা বাবা লাগে” শিরোনামে। অনেকের হয়তো এই সিরিজটা দেখতে গিয়ে একই অনুভূতি হতে পারে 😛

বারাকামোনের সাথেই অনেকে এটাকে তুলনা করতে পারেন। আমি বলবো তুলনা করাটা ঠিক হবে না। বারাকামোন ছিল আরেকটু সহজ ফিলোসফীর- তারচেয়েও বড় কথা কমিক্যাল রিলিফ ব্যাপারটাই ছিল পুরো সিরিজটার প্রাণ। সে তুলনায় উসাগি ড্রপ অনেকটা বেশি আবেগ নিয়ে নাড়াচাড়া করবে। নারুর থেকে রিনের মনস্তত্ব- চরিত্রের বিবর্তন প্রায় পুরোপুরিই ভিন্ন। একই কথা খাটে দাইকিচি আর সেইন্সেই এর ব্যাপারেও। দুটোর আমেজ দুরকমের।

বারাকামোন যেমন হুটহাট মনে খারাপ ভালো করে দেয়- উসাগি ড্রপ আবার মনকে ভিজিয়ে ফেলে- ভালো-লাগায়। যারা নতুন বাবা হচ্ছেন বা হয়েছেন- এদের দেখা উচিৎ 😛

যারা এখনো দেখেননি। দেখে ফেলুন। ভালো লাগাটুকু বাধ্যতামূলক।

বিদ্র- ১) এইটার একটা পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমাও রিলিজ পেয়েছিল ২০১১ তে। ইউটিউবে বুকমার্ক করে রেখেছি। আজ সন্ধ্যায় দেখে ফেলবো।

বিদ্র- ২) এইটা কোন রিভিউ না, বরং পড়ার পর নিজের অনুভুতি শেয়ার বলতে পারেন। রিভিউ লেখা আমার কম্মো না।

5

6

Beck মাঙ্গা রিভিউ — Asfina Hassan Juicy

1

‘BECK’
প.স.- আমি এনিমেটা দেখিনাই তাই খালি মাঙ্গার রিভিউ দিলাম।

অনেকদিন ধরে শখ একটা গিটার কিনবেন?যারা গিটার বাজায় তাদেরকে কার না ‘কুল’ লাগে তাইনা?শেষ পর্যন্ত একটা গিটার কিনেই ফেললেন।এখন ‘গিটার’ এর সাথে ‘ব্যান্ড’ শব্দটাতো আসেই।তো আর কি,একে ওকে ধরে একটা ব্যান্ডও বানিয়ে ফেললেন।বুকে ভালোবাসা সঙ্গীতের প্রতি আর চোখে স্বপ্ন সবার হৃদয় ‘আপনার গান’ দিয়ে ছুঁয়ে দেয়ার।তারপর কিছুদিন পর দেখলেন ভার্সিটির এক্সাম হলে বসে মাথার চুল ছিঁড়ছেন আর চোখে দেখছেন খালি সরষে ফুল।“ব্যান্ড?সেটা আবার কি?”
একটা মিউজিক ব্যান্ড কত শখ,কত স্বপ্ন থেকেই শুরু হয়।কিন্তু কয়টা ব্যান্ড সেই উচ্চ আলোকিত স্টেজে উঠে তাদের সৃষ্ট ‘মিউজিক’দিয়ে মানুষের মনে জায়গা করে নিতে পারে?কয়জন পারে মানুষের হৃদয় চিন্তার সাথে তাদের ‘মিউজিক’ একাত্ম করে তাদের ভালোবাসা কেড়ে নিতে?মিউজিকের সাথে মানুষের অন্তরের সম্পর্ক অনেক গভীর।নিজের হৃদয়ের সুগভীরের অনুভূতি,কথা আরেকজনের মনে সুর তুলে তাকেও তা অনুভূত করানোটাকি একটু জাদুময়ী না?
মিউজিকের এমন চমৎকার জগত সম্পর্কে একদমই অবগত ছিলনা জাপানের এক ‘boring’ এবং ‘good for nothing’ বাবু চেহারার স্কুল স্টুডেন্ট কোয়ুকি।মিউজিক বলতে সে খালি বোঝে জাপানি আইডলদের গান।একদিন তার পুরনো ক্রাশ এবং সেনপাইয়ের বদৌলতে তার পরিচয় ঘটে ওয়েস্টার্ন এক বিখ্যাত রক ব্যান্ডের মেম্বারের বন্ধু গিটারিস্ট রিয়ুসুকের সাথে।এই পরিচয় থেকেই কোয়ুকির প্রবেশ ঘটে রক মিউজিকের পৃথিবীতে।তারপর কোয়ুকি রিয়ুসুকের ব্যান্ডে যোগ দিল আর কিছুদিন পরেই পৃথিবী মাতিয়ে দিল?না।‘Beck’ এনিমে/মাঙ্গার চমৎকারত্ব এখানেই।
‘Beck’ কোয়ুকির গল্প।
‘Beck’ একটা ব্যান্ডের গল্প।
‘Beck’ মিউজিকের গল্প।
‘Beck’ বাধা এবং স্ট্রাগলিং-এর গল্প।
‘Beck’ স্বপ্ন এবং হৃদয়ের সুরের গল্প।
আবার ‘Beck’ একটা ভালোবাসার গল্পও।
তো কেন এমন চমৎকার একটা পিস দেখবেন না/পড়বেন না?এখনি বসে পড়ুন আর অংশ নিন ‘Beck-Mongolian Chop Squad’ নামক ব্যান্ডের সেই উচ্চ আলোকিত স্টেজে উঠে মানুষের হৃদয় স্পর্শের যাত্রায় যেখানে আছে আনন্দ,হতাশা,বাধা,জাদুময়ী মিউজিক জগতের কিছু অন্ধকার দিক এবং জীবনের স্বপ্ন পূরণের অসাধারণ উদ্যম।আরেকটা জিনিস হল ‘Beck’ মেইন্সট্রিম মিউজিককে ফোকাস না করে ক্লাসিক রক বা ইন্ডির দিকে ফোকাস করে।একজন ক্লাসিক রক ফ্যান হয়ে থাকলে অবশ্যই নিজের কাছের এক কাহিনী মনে হবে এবং অবশ্যই নিজের পছন্দের অনেক ব্যান্ড এবং গায়কের প্রচুর রেফারেন্স পাবেন।
সবশেষে ‘Beck’ এর একটা কুয়োট দিয়ে যাই-
“If you’ve never been at the bottom, you can’t get to the top.. If you’ve never been to the right, you can’t go to the left.. If you’ve never lost hope, you can’t understand what is truly important.”
MAL Rating: মাঙ্গা-৮.৭৩
এনিমে-৮.৪৫
আমার রেটিং : নাই কারণ আমি দ্বিধা দ্বন্দে ভুগি।

2