Magi: The Labyrinth of Magic by আসিফুল হক

বাসায় আমার আলাদা একটা রুমের মত আছে; ঠিক রুম না; বারান্দায় হার্ডবোর্ড দিয়ে পার্টিশন টাইপ। রুমের কথা বার্তা মোটামুটি প্রায় সবই বাইরে থেকে শোনা যায়। তো অইদিন এক ফ্রেন্ড বাসায় আসছে; আমার রুমে এনিম নিয়ে কথাবার্তা হইতেসে। এক পর্যায়ে সে তার প্রিয় সিরিজগুলা নিয়ে খুব উত্তেজিত স্বরে কথা বলতে বলতে শুরু করল, “অই তুই মাগি দেখসিস, মাগি? আমি অইদিন রাতে দেখা শুরু করলাম; সারারাত মাগি দেখসি।” and i was like “আস্তে ভাই আস্তে !!! তোর কাছে যেইটা এনিম; অন্যদের কাছে অইটা অন্য কিছুও হইতে পারে” !!!!

শানে নযুলঃ Magi: The Labyrinth of Magic দেখতেসি। ১৫ পর্ব চলতেসে;বাকি পর্ব আইডিএমের কিউতে। 🙂 🙂 একটু unusual; বাট বেশ ভাল লাগতেসে। Arabian nights টাইপ কাহিনী থেইকা যে এত সুন্দর এনিম conversion করা যাবে ভাবি নাই 🙂 🙂

recommendation level: Highly recommended 🙂 🙂

Magi

Scrapped princess – জীবন নিয়ে পালিয়ে বেড়ানো এক দুখী রাজকন্যার গল্প লেখক মো আসিফুল হক

লিনেওয়ান রাজ্যে একদিন গ্রেন্ডেলের প্রত্যাদেশ থেকে দৈববাণী আসে যে রাজকন্যা, যে কিনা একটি দুষ্ট নক্ষত্রের ছায়ায় জন্ম নিয়েছে; সে তার ১৬ তম জন্মদিনে পুরো পৃথিবী ধ্বংসের কারণ হবে। গ্রেন্ডেলের ভবিষৎবাণী কখনই মিথ্যে হয় নি। সেই কারণে প্রজাবৎসল রাজা তার রাজ্যের কথা চিন্তা করে তার সেনাবাহিনীর একজন নাইটকে দায়িত্ব দেন তার কন্যাকে হত্যা করার জন্য। সেই নাইট যে কোন কারণেই হোক; রাজকন্যাকে হত্যা করতে ব্যার্থ হয় এবং এক দম্পতি তাকে কুড়িয়ে পেয়ে বড় করে তোলে। এভাবেই কেটে যায় ১৫টি বছর। এখন এই “Scrapped princess” বা বিতারিত রাজকন্যা pacifica cassul তার পালক ভাই Shannon Cassul এবং বোন Raquel Cassul এর সাথে পালিয়ে বেড়াচ্ছে; দেশের পর দেশ; গ্রামের পর গ্রাম; শুধু আততায়ী আর বাউন্টি হান্টারদের হাত থেকেই নয়; বরং রাজার এলিট গার্ড ফোর্স এর হাত থেকেও যারা কি না “poison that will destroy the world” কে হত্যা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এদিকে আবার সরকার এবং চার্চের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব প্রকট হয়ে উঠছে; আরেকদিকে সরকারের একটা অংশ চালিত হচ্ছে God like পিসমেকারদের ইশারায় যারা কিনা মানুষকে নিজেদের ইচ্ছা মত ব্যাবহার করতে পারে। কে এই পেসিফিকা কাসুল? দৈববাণী কি আসলেই সঠিক ছিল? ১৬তম জন্মদিনে কি ধরণের দুর্যোগ বয়ে আনবে বিতারিত রাজকন্যা? এই পিসমেকাররাই বা কারা? কি অপেক্ষা করছে রাজকন্যার ভাগ্যে?

স্ক্রেপড প্রিন্সেস ক্লাসিকাল ফ্যান্টাসি; ড্রামা এবং সায়েন্স ফিকশনের এক অসাধারণ মিশ্রণ। প্লট যথেষ্ট immersive এবং বিশ্বাসযোগ্য। এনিমটির চরিত্রগুলো যথেষ্ট যত্ন নিয়ে তৈরি করা; সেই সাথে আনন্দদায়ক এবং ওয়েল রিটেন। মাঝখানে সায়েন্স ফিকশনের প্রবেশ মোটেও কাহিনীকে cliché করা কিংবা গল্পের চরিত্রগুলোর বন্য উদ্দামতায় জিনিসপত্র ধ্বংসের উপাদান হিসেবে ব্যাবহার হয় নি; বরং গল্পের সাথে সামঞ্জস্যপুর্ন “হারিয়ে যাওয়া বিজ্ঞান” উপাদানটি প্লটকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছে।

গল্পের মুল প্লট আবর্তিত হয় পেসিফিকা কাসুল চরিত্রটিকে ঘিরে; যে কিনা এইটুকু জানে যে তাকে হত্যার জন্য অনেকেই সচেষ্ট; কিন্তু তার ভুমিকা কিংবা সে আসলেই কে এই নিয়ে তার বিভ্রান্তি এবং তার কারণে সাধারণ মানুষের মৃত্যুতে তার অসহায় আর্তনাদ এনিমে সেইরকম মেলোড্রামার তৈরি করে নি। খানিকটা ইচড়ে পাকা , এনার্জেটিক, খানিকটা spoiled; পেসিফিকা না angsty না bratty. ব্যাপারটি ফুটিয়ে তোলার জন্য চমৎকার মুন্সিয়ানার দরকার; সেক্ষেত্রে এর লেখক খুব সুন্দরভাবে চরিত্রটিকে উপস্থাপনের কৃতিত্বের দাবি করতেই পারেন।

পাশাপাশি পাসিফিকার দত্তক ফ্যামিলি ; তার বড় ভাই শানন যে কিনা একজন মাস্টার সোর্ডসম্যান এবং বোন রাকুএল যে বেশ ভাল জাদুকর এবং তাদের মধ্যে পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া গল্পের প্লটকে সবসময়েই প্রানবন্ত রেখেছে । এর পাশাপাশি উচ্চাকাঙ্ক্ষী লেওন শুরু করে পাশের রাজ্যের সেন্সেস; কিংবা গির্জার ভ্রমণরত তদন্তকারী বারগেইন্স – প্রত্যেকটি পার্শচরিত্রই “fun to watch.”
একটা জিনিস বলে রাখা ভাল; প্রথম বর্ণনা শুনে যেই রকম মার মার কাট কাট ভাব মনে আসতেছে এনিমটা মোটেও সেইরকম না। মাঝে মাঝেই আকর্ষণীয় মারামারির দৃশ্য আছে; তবে সাধারণত এনিমটা বেশ স্লো এবং soothing একটা পেইসে এগিয়ে গিয়েছে।

কালারফুল পরিবেশ, সহজ কিন্তু সুন্দর চরিত্র রুপায়ন, রক্তের অনুপস্থিতি, এবং আকর্ষণীয় পোশাক আশাকের এনিমটিতে একশন সিকুয়েন্সের মধ্যে ড্রাগুন এবং পিসমেকারদের ফাইটগুলো যথেষ্ট ইন্টারেস্টিং। এছাড়া শুরু এবং শেষের গানগুলোতে ব্যাগপাইপের ব্যাবহার যথেষ্ট কানের জন্য শ্রুতিমধুর করে তুলেছে। এছাড়া অন্যান্য এনিমের চেয়ে এই এনিমের এন্ডিংটা কিঞ্চিত আলাদা। কিভাবে? সেটা দেখতেই তো বসবেন। এক কথায় বলা যায় আপনি যদি ভাল স্টোরিলাইন, সুন্দর একটি মেসেজ, ভাল ডায়লগ এবং আকর্ষণীয় চরিত্র নিয়ে বানানো even paced ফান এবং সিরিয়াসনেসের মিশেলে কোন এনিম দেখতে চান; তবে scrapped princess আপনার জন্যই…

মেগা রোমান্টিক এনিম রিভিউঃ Tora Dora, Lovely Complex, Kaichou Wa Maid Sama লেখক মো আসিফুল হক

কয়দিন আগে এক এনিম বিশেষজ্ঞ ফ্রেন্ডরে গুতাইতেসি সাজেশনের জন্য। যেইটার নামই কয় হয় দেখসি নয়ত পছন্দ হইতেসে না। এক পর্যায়ে কইল, “তুই তো রোমান্টিক এনিম দেখসই না; এইবার একটা দেইখা দেখ, কেমন লাগে।” আমিও “কি আছে জীবনে” বইলা ভাব্লাম এইবার দেইখাই ফেলি। B-)B-)B-)B-)
শুরু করলাম তোরাদোরা দিয়া; এরপর লাভলি কমপ্লেক্স এবং সর্বশেষ কাইচৌওয়া মেইড সামা।

Tora Dora: এই এনিম দিয়া রোমান্টিক এনিম ধরাটা একটা মহা ভুল হইসে। এখন আর কোন রোমান্টিক এনিমই আর সেইরকম ভাল লাগে না। তোরাদোরা এক কথায় অসাধারন। কাহিনী, ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট, ট্র্যাক, কমেডি, রোমান্স – সবকিছু। রিয়ুজি এবং তাইগা – দুই মেরুর দুই বাসিন্দা।

একজন রিয়ুজি শান্তশিষ্ট লেজবিশিষ্ট টাইপ আর অন্যদিকে তাইগা মার মার কাট কাট টাইপ। কিন্তু রিয়ুজির চেহারায় এমন কিছু আছে যা তাকে গুন্ডা গুন্ডা ভাবতে বাধ্য করে; এইজন্য লোক জন তার সাথে খুব একটা মিশে না। রিয়ুজি তাইগার এক ফ্রেন্ডকে এবং তাইগা রিয়ুজির এক ফ্রেন্ডকে মনে মনে পছন্দ করে। দুইজন দুইজনের জন্য ম্যাচ করতে গিয়ে এক পর্যায়ে একজন আরেকজনকে পছন্দ করে ফেলে। তারপর? তারপরেই টুইস্ট। ঘটনার অনেকদুর পর্যন্ত আমার মনে হইতেছিল টিপিকাল হিন্দি সিনেমা স্টাইলেই আগাইতেসে; শেষে কি হইব তা তো বুঝতেই পারতেসি; দেইখা কি হইব? কাহিনীর শেষে মনে হইসে গালে কইসা চড় খাইসি – এইরকম টুইস্ট। :):):):):)

রোমান্টিক এনিমে মাঝে মাঝেই কাহিনী খুব ঝুলাইয়া ফেলে; অনেক অবাস্তব কিছু দেখায়; কিন্তু তোরাদোরা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত একটা সেনিটি বজায় রাখসে। দুইটা জিনিস অনেক দিন মনে থাকব – রোমান্টিক এনিমে one of the best kiss scene আরএই সাউন্ডট্র্যাকটা । গানটা সিমপ্লি মাই ফেভারিট এনিম সাউন্ডট্র্যাক।:D:D:D

আমার রেটিং: ৮.৭/১০।

Lovely Complex: হালকা ধাঁচের খুব সুন্দর একটা রোমান্টিক এনিম। ছেলে চরিত্র অতানি এবং নারী চরিত্র রিসা। রিসা অতানির চেয়ে বেশ খানিকটা লম্বা। এদের মাঝে সারাদিনই খুনসুটি লেগে থাকে। সাধারনভাবে এরা সবার কাছে “হানশিন কিওশিন” ( কমেডি ক্যারেক্টার) নামেই পরিচিত। এইভাবে ঝগড়া করতে করতে আর মজা করতে করতে একদিন মেয়েটা বুঝতে পারে সে অতানিকে ভালবেসে ফেলেছে। অনেক সাহস সঞ্চয় করে এবং সংকোচ ফেলে দুইবার অতানিকে প্রপোজও করে ফেলে। কিন্তু অতানি মনে করে এইটা বোধহয় রিসা মজা করতেসে এবং সেও দুইবারই রিজেক্ট করে।

আরেকটা টিপিকাল হিন্দি সিনেমা কাহিনী মনে হচ্ছে? দেখতে থাকুন, আশা করি শেষ অংশ দেখে হতাশ হবেন না।:):):):)

আমার রেটিং: ৭.৫/১০।

Kaichou Wa Maid Sama:শোজো এনিম বা রোমান্টিক এনিমের যে কয়টা লিস্ট দেখা যায় তার অধিকাংশের মধ্যেই এইটা লিস্টের প্রথম দিকে থাকে। দুইটা মেইন চরিত্র উসুই তাকুমি এবং মিসাকি – অসম্ভব এপেলিং ক্যারেক্টার। বিশেষ করে মেইল ক্যারেক্টার উসুই তাকুমির জন্য তো দুনিয়ার প্রায় সব নারী এনিমখোররা এক কথায় পাগল !!!B-)B-)B-)B-)

এছাড়া মিসাকি ক্যারেক্টারটাও অসাধারন। কিন্তু আমার মনে হইসে এনিমটা লেখক নিজ হাতে ধ্বংস করার জন্য লেখসেন। অত্যন্ত ঝুলে যাওয়া কাহিনী। মিসাকি একটা মেইল ডমিনেটেড স্কুলের স্টুডেন্ট কাউন্সিল প্রেসিডেন্ট, স্কুলের পরিবেশ ঠিক রাখার ব্যাপারে প্রচন্ড স্ট্রিক্ট; স্কুলের ছেলেদের কাছে মাঝে মাঝেই ভয় এবং বিরক্তির কারণ। তবে ছাত্র ছাত্রী এবং শিক্ষকরাও তাকে সমীহ করে চলে। কিন্তু তার পরিবার অনেক গরীব হওয়ায় তাকে একটা মেইড ক্যাফেতে কাজ করতে হয়। মিসাকি এই ঘটনা স্কুলের সবার কাছ থেকে গোপন রাখে। এর মাঝে মিসাকি মাঝে মাঝেই বিপদে পড়লে উসুই তাকে উদ্ধার করে। এর বাইরে কাহিনী উদ্ধার বা লেখা আমার পক্ষে সম্ভব হয় নাই। কমেডি আছে; তবে cliche. তবে এই মতামত একান্তই আমার ব্যাক্তিগত; অনেককেই বলতে শুনেছি কাহিনী তাদের খুব একটা খারাপ লাগে নাই, সুতরাং একটা ঝুকি নিয়ে দেখে ফেলতেই পারেন। তবে আমার মনে হয় না দেখে খুব লাভ আছে। :|:|:|:|:|

আমার রেটিং: ৪/১০।

তবে আর দেরি কেন? দেখা শুরু করেন এই এনিমগুলি। আর এনিম নিয়ে আড্ডা দিতে চাইলে চলে আসুন এই গ্রুপে ।

Fate/stay night – সব ছাপিয়ে একটি অসাধারণ রোমান্টিক এনিম — লেখক মো আসিফুল হক

পর্বঃ ২৪
জেনারঃ: একশন, ফেন্টাসি, ম্যাজিক, রোমান্স, শোনেন
ডিরেক্টরঃ ইউজি ইয়ামাগুচি

কমেডি, একশন, রোমান্স, ম্যাজিক – সব কিছুর মিশেলে মুটামুটি পরিপূর্ণ একটা এনিম। শুরুটা অনেক প্রমিজিং হওয়ায় ভেবেছিলাম বেশ খানিক্টা টেনে নিয়ে যাবে এনিমটা; কিন্তু হতাশ করে মাত্র ২৪ পর্বেই থেমে গেল। তবে অনেকের কাছে লম্বা সিরিজ বিরক্ত লাগে, তাদের জন্য এই এনিমটি আদর্শ।

গল্পের প্লটটা এইরকমঃ হোলি গ্রেইল একটা পাওয়ারফুল ম্যাজিক। এইটা যে কোন ইচ্ছা পূরণ করতে পারে। এই হোলি গ্রেইল হাত করার জন্য ৭ জন ম্যাজিশিয়ান তাদের সারভেন্টকে সাথে নিয়ে যুদ্ধ করে; জয়ী মাস্টারের কাছে হোলি গ্রেইল ধরা দেবে – এইটাই হইল যুদ্ধের নিয়ম। এই যুদ্ধ কিন্তু আবার ওই এরিনার মধ্যে ঢাকঢোল পিটিয়ে যুদ্ধ না, মাস্টাররা সবাই যার যার নর্মাল লাইফ লিড করে; একজন সুযোগ পেলে আরেকজনকে এটাক করে পরাজিত করে।

এমিয়া শিরোউ এই এনিমের প্রধান চরিত্র; এতিম হয়ে যাওয়ার পর এমিয়া কিরিতসুগু তাকে বড় করে তোলে; তার নামেই এমিয়ার শেষনাম। কিরিতসুগু নিজে অনেক বড় ম্যাজিশিয়ান হলেও এমিয়া সেই ক্ষেত্রে অনেকাংশেই ব্যারথ। হোলি গ্রেইলের ফাইটে অংশ নেওয়া কিংবা তার সারভেন্ট সেবারকে সামন করা – প্রায় সব কিছুই সে নিজের অজান্তেই করে ফেলে। গল্পের শেষদিকে অবশ্যম্ভাবী ভাবে এমিয়া কিছু পাওয়ার গেইন করে – তবে সেটাতেও অনেক ঘাটতি থাকে। ৭ জন মাস্টার নিজ নিজ সারভেন্টকে নিয়ে একে অপরের সাথে ফাইট করে এবং ধীরে ধীরে কাহিনী এগিয়ে যায়। গল্পের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের মধ্যে ইলিয়া এবং রিন অসাধারণ। বিশেষ করে রিনের ক্যারেকটারটা বেশি জোস। :) :)

এবার দেখা যাক, এই এনিমটা কেন দেখবেন? অন্য এনিম থেইকা এইটার বিশেষত্ব কি? অন্যান্য এনিম থেকে আলাদা একটা লিড রোল এবং খুবই ডিসেন্ট একটা রোমান্স বেইসড স্টোরি এবং সংলাপ। আমি এম্নিতে রোমান্টিক এনিম দেখি না; এইটা আমার দেখা অল্প কএক্টার একটা। শেষ দিকে এসে বেশ ভাল একটা টুইস্ট আছে, দেখে ভালই লাগল। এছাড়া এমিয়া আর ৮-১০ টা মেইন কেরেক্টারের মত কুল টাইপ না, পাওয়ারও খুব বেশি নাই; শেষ দিকে যাইয়াও সেইটার খুব একটা পরিবর্তন হয় না; ফাইটগুলা করে মেইনলি তার সারভেন্ট – সেবার। এই জিনিসটা অনেকের ভাল নাও লাগতে পারে; তবে its not that bad for a change. :):):):)

সাউন্ডট্র্যাক গুলা সত্যিই অসাধারণ; কিছু কিছু জায়গায় আমার আবার টেনে পিছিয়ে গিয়ে দেখতে হয়েছে, গান শোনায় এইরকম হারিয়ে গিয়েছিলাম। এছাড়া ফাইটগুলা বেশ ডিসেন্ট; যদিও অন্যান্য বড় বড় নামের ফাইট এনিমগুলার সাথে তুলনীয় নয়।

তো আর দেরি কেন? এখনই জোগাড় করে দেখতে বসে যান এই অসাধারণ এনিমটি। আর এনিম নিয়ে আড্ডা দিতে চাইলে; কিছু জানতে এবং জানাতে চাইলে চলে আসুন এই গ্রুপে

হ্যাপি এনিমিং !!! :) :)