Emotional moments of anime from Animekhor BD group

Saiful Islam's photo.

Ekjon Rafat O Holud ব্লিচের ১৪৭ এপি যেইটাতে ওরিহিমে হুয়েকো মুন্দোতে যাওয়ার আগে ইচিগোরে শেষ দেখতে আসে,নারুতোর চুনিন এক্সামে গারার অতীত,জিরাইয়্যা,ইতাচি,ইয়াহিকো,নাগাতো,ওবিতো, ওয়ান পিসের নামির বেলমের সান এর মরার অংশটা,এইস,গোয়িং মেরির শেষ মুহূর্তটা,কোড গিয়াসে লিলুশ যহন কাদতে কাদতে ইউফিরে মারতে কয় ঐ অংশটা
আরো বহুত বহুত বহুত,বিলযবাবে ওগারে হিলদা যহন ড্রাগনটা থেইকা ফালায় দেয় ওই অংশটা…………..
আরো বহু উ উ উ উ উ উ উ ত
ব্লিচে যখন আইজেনের সাথে মারামারির পর ইচিগোর পাওয়ার চলে যায়, আর রুকিয়া ওর সামনে থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়, তখনও অনেক খারাপ লাগসে।

Farhad Mohsin আমি ডেথের বাইরে থাকি। ওগুলো নিয়ে বলতে গেলে তো কখনই শেষ হবে না।
নারুতোতে একটা ছিল পেইনের ইনভেশনের সময় যখন পেইন সবাইকে জিজ্ঞেস করে “নারুতো কোথায়”, তখন ইরুকা’র মনে নারুতো সম্বন্ধে ফ্ল্যাশব্যাক দেখায়, মানে ছোট থেকে কিভাবে স্ট্রাগল করে ঐ অবস্থায় আসছে আর শেষে সে বলে “নারুতো ইজ আওয়ার ফেলো নিনজা, অ্যান্ড উই উইল নেভার বিট্রে হিম”।
ব্লিচে যখন আইজেনের সাথে মারামারির পর ইচিগোর পাওয়ার চলে যায়, আর রুকিয়া ওর সামনে থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়, তখনও অনেক খারাপ লাগসে।
ফুলমেটাল আলকেমিস্ট, আলফন্সো যখন বলে “অ্যাম আই জাস্ট অ্যান আর্মর ডল?”, আর তারপর ওর সাথে উইনরির আর এডের কনভার্সেশনটুকু।

Wafa Tonny ফুল মেটাল আল্কেমিস্টঃব্রাদারহুডে যখন এডয়ারড গেটের ওপার থেকে আবার বের হয়ে এসে আলফন্সকে বলে’আই উইল কাম ব্যাক ফর ইউ……’ এপিক,ব্লিচ-এ ইচিগো সব পাওয়ার হারানোর পর ওর সামনে থেকে রুকিয়ার আস্তে আস্তে অদ্রশ্য হয়ে যাওয়া-আমারো খুব পছন্দের এবং ইমোসনাল একটা মোমেন্ট,আর কাউবয় বিবপ-র ফ্যান হিসেবে স্পাইকের কথা না বললেই না

Tasnim M Hasan যদিও আনিমে না,কিন্তু আভাটার এর টেল অব বাসিং সে এর আইরোহ এর সেগ্মেন্টে খুব কষ্ট লাগসিলো।লিলিউচের মারা যাওয়ার সময় আমার মনে হইসিলো যেন গলায় কিছু বিধে আছে।
তবে হা,সবাই রোলোর কথা বলে না,শারলি কে মারার জন্য তার ওপর সবাই খ্যাপা,কিন্তু ওর ডেথ সিন এ আমার খুব কষ্ট হইসে।বেচারা মনে অনেক কষ্ট নিয়ে মারা গেসে।
স্টেইন গেটস এ যখন অকাবে কিছুতেই বাচাইতে পারতেসিলনা,স্ক্রিনের সামনে আমার নিজেরই সেই রকম অসহায় লাগতেসিলো।আর মাকিসে কে যখন ও ফেলে চলে আসে,সারন এর বিরুদ্ধে নিজের বিজয় ঘোষনা দেয়,তখন আমি পুরো শেষ।
তবে রিসেন্ট সবচেয়ে কষ্ট লাগসে,পেত্রার বাবা আর লেভির সিনের কথা ডিটেইলস এ না গেলাম।আমি ক্লানড দুটোই দেখসি।কিন্তু আমার কখনো খারাপ লাগে নাই,সবাই যেমন বলসে।কিন্তু এইসব সিন গুলোতে লাগসে।

Itmam Hasan Dipro কাঁদি নাই কিন্তু বুক টা খালি করে দিসে এমন কিছু সিন আছে যেমন ১ ফেই্ট জিরো ১৬ থেকে শেষ এপিসোড পর্যন্ত ।
২ নানা দেইখা পুরাই পাগল হইয়া গেসিলাম ।
৩ এঞ্জেল বিটস ৩য় এপিসোড। 
৪ গিলটি ক্রাওন হারে আর ইনরি এর মৃত্যু ।
৫ zetsuen no tempest.

সৈয়দা হাসান প্রথমেই বলে নিচ্ছি, স্পয়লার থাকবে। যে বিষয়, স্পয়লার থাকার সম্ভাবনাই বেশি!  “প্রিয় ইমোশনাল মোমেন্ট”….হুম্‌ম, ভাবছি। কোনটা দিয়ে শুরু করব।
১। অ্যাভাটার। এপিসোড ৫৮-২য় পর্ব-“দ্য ওল্ড মাস্টারস”
যুকো আর আইরো-এর পুনর্মিলন। এ নিয়ে আমি আগেও বিশাল একখানা কমেন্ট দিয়েছিলাম আমারই এক পোস্টে। ঠিক কোন্‌ ক্ষণটা ভাল লেগেছে জানেন? যুকোর কান্নামিশ্রিত ও অনুতাপপূর্ণ ক্ষমাপ্রার্থনা শেষ হবার পূর্বেই আঙ্কেল আইরো যেভাবে আচমকা ঘুরে ওকে টেনে জড়িয়ে ধরে! এমনতর পুনর্মিলন আমি আশা করিনি…অনেক ভুলে যাওয়া অনুভূতি একসাথে এসে আমায় নাড়া দিয়ে গিয়েছিল! কতবার যে এ দৃশ্যটা টেনে টেনে দেখেছি!
২। গেট-ব্যাকারস্‌। এপিসোড ২২-“অ্যাওয়েকেনিং! দ্য অ্যাডভেন্ট অফ দ্য লাইটনিং এম্পেরর”
গিনজি প্রায় লাইটনিং এম্পেরর-এ পরিণত হতে চলেছে। আকাবানে ওর সাথে লড়াই করে ওকে আরো উসকে দিচ্ছে, গুনছে–৬,৫,৪, দুজনই এবার মরণ আঘাত হানবে….ঠিক এ সময় বান দুজনের মাঝামাঝি এসে পড়ে, গিনজির মুঠো করা হাত ঠেকিয়ে দেয়, আর বান-এর ডান কাঁধ ফুঁড়ে বের হয়ে আসে আকাবান-এর লম্বা লাল তরবারি। এক মুহূর্তের জন্য সব স্তব্ধ হয়ে যায়…গিনজি বিস্ফোরিত চোখে বান-এর দিকে তাকিয়ে। “না-নিয়া আত্তেনদায়ো গিনজি? তুমি… আমার নিষেধ …শুনলে না…” বলতে বলতে বান মাটিতে পড়ে যায়। দু হাতে মাথা চেপে ধরে গিনজি বসে পড়ে আর চাপা আর্তনাদ করে আকাশ-বাতাস কাঁপানো চিৎকার দিয়ে ওঠে! 
৩। সাকামিচি নো অ্যাপোলোন। (কিড্‌স অন দ্য স্লোপ)
—–এপিসোড ১১-“লেফ্‌ট অ্যালোন”
সেনতারো ওর ছোটবোন কে বাইকে করে রাতে বাইরে গিয়েছিল, মাঝপথে অ্যাক্‌সিডেন্ট করে। ওর ছোটবোনটা হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে।
কাওরু ওকে ছাঁদে একটা বেঞ্চিতে শুয়ে থাকা অবস্থায় পায়। সেন বলছে: “আমি যাদেরকে প্রটেক্ট করতে চাই, তাদেরকেই হার্ট করে বসি। আমি কেন যে জন্মালাম!” কাওরু(বন)-এর গাল বেয়ে অশ্রু ঝরছে, ফ্রেন্ডের অসহায়ত্ব, দু্ঃখ দূর করার কোন উপায়ই তার জানা নেই! কাওরু কে কাঁদতে দেখে সেন ঝট করে উঠে বসে…”ওয়! বন! কী হয়েছে? কীসের জন্য কাঁদছ?” বলে হাতটা ধরে আশ্বস্ত করতে যাবে…কাওরু হাতটা টেনে সেনকে নিজের কাছে এনে ওর মাথাটা নিজের বুকে চেপে ধরে, “দ্যিস ওয়ে, উই ডোন্ট হ্যাভ টু সি ইচ আদার ক্রাই।”…সেন হাসার চেষ্টা করে বলে, ” “আমরা”? আমি তো মোটেও….” কাওরু ওকে কথা শেষ করতে দেয় না, বলে, “ইট্‌স ওকে টু ক্রাই, সেন। তুমি এতদিন ধরে সব কষ্ট নিজের ভেতর জমিয়ে রেখেছ।” তখন সেন ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করে! ওর গলার কাছে দলা পাঁকিয়ে, আটকে থাকা কান্নাটা আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসে।
এটা এমনিতেই ইমোশনাল, আরো বেশি একারণে যে, আমি কোন ছেলেকে এভাবে আরেক ছেলে বন্ধুর সামনে কাঁদতে আর কখনই দেখিনি! অন্য কোন বই, মাঙ্গা, এনিমি, সিরিয়াল, মুভি তেও না!

—–এপিসোড ১২-“অল ব্লুজ”
অনেক বছর পর কাওরু আর সেন এর পুনর্মিলন। দূরে চার্চ থেকে পিয়ানোর পরিচিত সুর সেন-এর কানে ভেসে আসে….মুচকি এক হাসি দেয়, অবশেষে তার অদ্ভূত, ছিঁচ্‌কাঁদুনে, অতি মাত্রায় সেনসিটিভ আর কেয়ারিং বন্ধুটা তাকে খুঁজে পেয়েছে! আর সেন কে ডাকছে ওদের বন্ধুত্বের শিকড় “মিউজিক” দিয়ে!

৪। রুরোনি কেনশিন।
—–এপিসোড ৪৩/৪৪/৪৫ হবে।
ওকিনা কেনশিন কে অনুরোধ করে আওশিকে মেরে ফেলতে। মিসাও নিশ্চল হয়ে দাঁড়িয়ে। কেনশিন মিসাও-র কষ্ট বুঝতে পারে, তাই বলে যে ও আওশিকে মারবে না, বরং ওর মনুষ্যত্ব ফিরিয়ে আনবে। একথা শোনার পর মিসাও-র চোখ অশ্রুতে ভরে ওঠে।
—–এপিসোড ৫৪ থেকে ৫৬।
সোজিরো(যে বালক টার রাগ, ক্ষোভ কোন অনুভূতি-ইই হত না)আর কেনশিন এর ২য় ডুয়েল, সাথে সোজিরোর ফ্লাশব্যাক।
—–এপিসোড ৬০,৬১,৬২।
মাকোতো শিশিও (কী জটিল একটা চরিত্র!) আর কেনশিন এর শেষ লড়াই। ইউমি যখন নিজেকে স্যাক্রিফাইস করে, যাতে শিশিও জিততে পারে, তা দেখে কেনশিন-এর নিজের প্রথম স্ত্রীর প্রায় একইভাবে স্যাক্রিফাইস করার কথা মনে পড়ে যাওয়া; সানোসকে যখন উপলব্ধি করে সাইটোর বেঁচে ফেরার পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সিগারেটে ফুঁ দিতে দিতে সাইটোর ধ্বংসস্তূপে আগুনের লেলিহান শিখার মাঝে মিলিয়ে যাওয়া; পরবর্তী তে দর্শকদের(মানে আমার  )জানতে পারা যে সে আসলে বেঁচে গিয়েছিল!

——-আর “ট্রাস্ট অ্যান্ড বিট্রেয়াল” ও.ভি.এ. টার কথা না বললেই না। কেনশিন-এর ছোটবেলা, সেনসেই “সেইজুরো হিকো”র অধীনে শিক্ষা লাভ, হিটোকিরি বাটোসাই হিসেবে জীবন, প্রথম স্ত্রী “টোমোয়ে”র সাথে দেখা, তাকে পাও্য়ার আর হারাবার কাহিনী…..সব মিলিয়ে প্রচণ্ড রকমের ইমোশনাল। এত ইমোশনযুক্ত জিনিস সহ্য করার ক্ষমতা আমার নেই, তবু এটাকে ভুলতে পারি না……।

৫। ব্লিচ।
ব্লিচের কথা আর কী বলব! প্রতি কাহিনীতে, প্রত্যেক চরিত্রে…এত ইমোশনাল ব্যাকস্টোরি!
সবচে’ বেশি মনে পড়ে এপিসোড ১৬ “এনকাউন্টার, রেনজি আবারাই” —তে রুকিয়া ইচিগো-কে যেভাবে আঘাত দিয়ে কথা বলে(ওকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে), ওর দিকে শেষ যে চাহনি দিয়ে দরজার ওপাশে অদৃশ্য হয়ে যায়….ওফ্‌ফ্‌ফ!

এপিসোড ৩২ “স্টার্‌স অ্যান্ড দ্য স্ট্রে”—(ফ্ল্যাশব্যাক)রেনজি ও রুকিয়ার ছোটবেলা, কীভাবে ওরা আলাদা হয়ে যায়, রেনজির বর্তমান রিজল্ভ…আমার এ কাহিনী তে রেনজির জন্য ভীষণ মায়া হয়েছিল…

এরূপ আরো বেশ কিছু (আসলে অসংখ্য)”প্রিয় ইমোশনাল মোমেন্ট” আছে, যা বলতে বলতে রাত পার হয়ে যাবে! তাই এখানেই শেষ করছি আজকের মত।

“free!” – a review by Asiful Haque

"free!" - সম্প্রতি রিলিজ পাওয়া চলমান একটা সিরিজ। নানা কন্ট্রোভার্সির কথা শুনে দেখতে বসেছিলাম; দেখার আরেকটা কারণ ট্যাগ এ "স্পোর্টস" আছে; আর আমি স্পোর্টস এনিমের একনিষ্ঠ ভক্ত। ওকে; প্রথম ৬ টা পর্ব দেখার পর আমার রিএকশন- এই এনিমটাকে "স্পোর্টস" ট্যাগ দেওয়াতে আমি হতাশ !!! প্রবাবলি আমার দেখা সবচেয়ে কম ডেভেলপড স্পোর্টস সাইড সম্পন্ন স্পোর্টস এনিম; তবে সামনে ভাল কিছু দেখব বলে আশায় আছি। ফ্রি সমন্ধে আমার এক্টাই মতামত; "fan service for girls" - period !!! তবে সেইটা আমি খারাপ হিসেবে বলছি না; ছেলেদের জন্য এত্ত এত্ত এচ্চি; এত্ত ফ্যানসার্ভিস থাকতে পারলে মেয়েদের জন্য খানিকটা ফ্যান সার্ভিস অবশ্যই থাকতে পারে। আর খুব ডেভেলপড প্লটও নাই; তবে "স্লাইস অফ লাইফ" এনিমের কাছ থেকে খুব জটিল প্লট আশা করাটাও খানিক বোকামি। আর আরেকটা বদনাম শোনা যায় এই এনিমটা সমন্ধে; সেটা হল "yaoi" এর আছর; আমার কাছে যেটা বোগাস মনে হল। কারণ; এনিমটাই সাতার নিয়ে; সাতার নিয়ে "passionate" বোঝাইতে হলে তো যেখানে সেখানে কাপড় চোপর খুলে আন্ডি পরে পানিতে নেমে যেতেই হবে; আর সাতারে দক্ষতা বোঝাতে ফর্ম বা এইসব ব্যাপার চলেই আসবে; সুতরাং - আমার কাছে "ওকে"। :) :)<br />
আর্টঅয়ার্ক - বেশ ভাল। :D<br />
কমেডি - ভালর দিকে। :)<br />
সাউন্ড - এভারেজ। :/</p>
<p>এখন পর্যন্ত হতাশ করলেও সিরিজটা খুব সম্ভবত চালিয়ে যাব - এক্টাই কারণ - স্পোর্টস জেনার; আশা করি তারা এর পর কম্পিটিশনগুলোর দিকে দৃষ্টি দিবে।</p>
<p>রিকমেন্ডেশনঃ প্লট এবং আনুশাঙ্গিক বিষয় নিয়ে খুব বেশি খুঁতখুঁতে না হলে বেশ উপভোগ্য একটা এনিম এবং রিকমেন্ডেড। :) :)
“free!” – সম্প্রতি রিলিজ পাওয়া চলমান একটা সিরিজ। নানা কন্ট্রোভার্সির কথা শুনে দেখতে বসেছিলাম; দেখার আরেকটা কারণ ট্যাগ এ “স্পোর্টস” আছে; আর আমি স্পোর্টস এনিমের একনিষ্ঠ ভক্ত। ওকে; প্রথম ৬ টা পর্ব দেখার পর আমার রিএকশন- এই এনিমটাকে “স্পোর্টস” ট্যাগ দেওয়াতে আমি হতাশ !!! প্রবাবলি আমার দেখা সবচেয়ে কম ডেভেলপড স্পোর্টস সাইড সম্পন্ন স্পোর্টস এনিম; তবে সামনে ভাল কিছু দেখব বলে আশায় আছি। ফ্রি সমন্ধে আমার এক্টাই মতামত; “fan service for girls” – period !!! তবে সেইটা আমি খারাপ হিসেবে বলছি না; ছেলেদের জন্য এত্ত এত্ত এচ্চি; এত্ত ফ্যানসার্ভিস থাকতে পারলে মেয়েদের জন্য খানিকটা ফ্যান সার্ভিস অবশ্যই থাকতে পারে। আর খুব ডেভেলপড প্লটও নাই; তবে “স্লাইস অফ লাইফ” এনিমের কাছ থেকে খুব জটিল প্লট আশা করাটাও খানিক বোকামি। আর আরেকটা বদনাম শোনা যায় এই এনিমটা সমন্ধে; সেটা হল “yaoi” এর আছর; আমার কাছে যেটা বোগাস মনে হল। কারণ; এনিমটাই সাতার নিয়ে; সাতার নিয়ে “passionate” বোঝাইতে হলে তো যেখানে সেখানে কাপড় চোপর খুলে আন্ডি পরে পানিতে নেমে যেতেই হবে; আর সাতারে দক্ষতা বোঝাতে ফর্ম বা এইসব ব্যাপার চলেই আসবে; সুতরাং – আমার কাছে “ওকে”।   
আর্টঅয়ার্ক – বেশ ভাল।  
কমেডি – ভালর দিকে। 
সাউন্ড – এভারেজ। 

এখন পর্যন্ত হতাশ করলেও সিরিজটা খুব সম্ভবত চালিয়ে যাব – এক্টাই কারণ – স্পোর্টস জেনার; আশা করি তারা এর পর কম্পিটিশনগুলোর দিকে দৃষ্টি দিবে।

রিকমেন্ডেশনঃ প্লট এবং আনুশাঙ্গিক বিষয় নিয়ে খুব বেশি খুঁতখুঁতে না হলে বেশ উপভোগ্য একটা এনিম এবং রিকমেন্ডেড।  

"free!" - সম্প্রতি রিলিজ পাওয়া চলমান একটা সিরিজ। নানা কন্ট্রোভার্সির কথা শুনে দেখতে বসেছিলাম; দেখার আরেকটা কারণ ট্যাগ এ "স্পোর্টস" আছে; আর আমি স্পোর্টস এনিমের একনিষ্ঠ ভক্ত। ওকে; প্রথম ৬ টা পর্ব দেখার পর আমার রিএকশন- এই এনিমটাকে "স্পোর্টস" ট্যাগ দেওয়াতে আমি হতাশ !!! প্রবাবলি আমার দেখা সবচেয়ে কম ডেভেলপড স্পোর্টস সাইড সম্পন্ন স্পোর্টস এনিম; তবে সামনে ভাল কিছু দেখব বলে আশায় আছি। ফ্রি সমন্ধে আমার এক্টাই মতামত; "fan service for girls" - period !!! তবে সেইটা আমি খারাপ হিসেবে বলছি না; ছেলেদের জন্য এত্ত এত্ত এচ্চি; এত্ত ফ্যানসার্ভিস থাকতে পারলে মেয়েদের জন্য খানিকটা ফ্যান সার্ভিস অবশ্যই থাকতে পারে। আর খুব ডেভেলপড প্লটও নাই; তবে "স্লাইস অফ লাইফ" এনিমের কাছ থেকে খুব জটিল প্লট আশা করাটাও খানিক বোকামি। আর আরেকটা বদনাম শোনা যায় এই এনিমটা সমন্ধে; সেটা হল "yaoi" এর আছর; আমার কাছে যেটা বোগাস মনে হল। কারণ; এনিমটাই সাতার নিয়ে; সাতার নিয়ে "passionate" বোঝাইতে হলে তো যেখানে সেখানে কাপড় চোপর খুলে আন্ডি পরে পানিতে নেমে যেতেই হবে; আর সাতারে দক্ষতা বোঝাতে ফর্ম বা এইসব ব্যাপার চলেই আসবে; সুতরাং - আমার কাছে "ওকে"। :) :)<br />
আর্টঅয়ার্ক - বেশ ভাল। :D<br />
কমেডি - ভালর দিকে। :)<br />
সাউন্ড - এভারেজ। :/</p>
<p>এখন পর্যন্ত হতাশ করলেও সিরিজটা খুব সম্ভবত চালিয়ে যাব - এক্টাই কারণ - স্পোর্টস জেনার; আশা করি তারা এর পর কম্পিটিশনগুলোর দিকে দৃষ্টি দিবে।</p>
<p>রিকমেন্ডেশনঃ প্লট এবং আনুশাঙ্গিক বিষয় নিয়ে খুব বেশি খুঁতখুঁতে না হলে বেশ উপভোগ্য একটা এনিম এবং রিকমেন্ডেড। :) :)

Out of Sight [ONA] Review by Tahsin Faruque Aninda

11

ছোট্ট একটি শর্ট ফিল্ম আনিমে, যা মনে সুন্দর ছাপ রেখে যাবে কোন সন্দেহ নাই!
কালারফুল দৃশ্য আর চমৎকার মিউজিকের এই শর্ট ফিল্ম দেখার কিছুক্ষণের মধ্যেই বুঝা যাবে সেন্টিমেন্টাল জিনিস নিয়ে কাহিনি হলেও আসলে ঘটনাটা খুবই heartwarming!
ছোট্ট একটা মেয়ের সাথে থাকা ব্যাগ ছিন্তাই হয়ে যায়, তার সাথে থাকা কুকুরটি সেই ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করতে দৌড় দেয়, আর শুরু হয় মেয়েটির আশেপাশের পরিবেশকে নতুন করে দেখা!

৫ মিনিটের শর্ট ফিল্মের কাহিনির একটু কিছু বলতে গেলেও সেটা স্পয়লার হয়ে যাবে। তাই আর বেশি দেরি না করে ঝটপট এই শর্ট ফিল্মটি দেখি নেই আমরা যারা দেখি নি এখনও! 

আমার রেটিং: 9/10

লিংক:

https://www.youtube.com/watch?v=4qCbiCxBd2M

Discussion: The Legend of Korra

এভাটারঃ লিজেন্ড অব কোরা দেখে প্রতি মুহূর্তে যেটা মনে হয়, এং এর মধ্যে যে অস্থির স্মার্টনেসটা ছিল কোরা তার ধারে কাছেও নাই, এভাটারের ফানটা খুবই ক্লাস ছিল যেখানে কোরার ক্ষেত্রে পুরা মাঠে মারা গেছে, সবচেয়ে বেশি গায়ে লাগে যেটা, এং প্রথমে শুধু এয়ারবেন্ডার ছিল দেন আস্তে আস্তে সব শিখছে, কিন্তু তারপর ও কোন ফাইটেই তার খুব একটা আউটক্লাসড হতে হয় নি, সব সময় ই সে কিছু না কিছু করে চালিয়ে নিত, আর কোরা এত্তগুলা এলিমেন্ট পেরেও শুধু মাইর খায়।
সবকিছু বলার পর, স্টিল এভাটারঃ লিজেন্ড অব কোরা অবশ্যই দেখার মত একটা জিনিস, আফটার অল এইটা এভাটারের সিক্যুয়েল বলে কথা।

Tahsin Faruque Aninda এং-এর সাথে কারও তুলনা চলেই না! সে অন্যান্য এভাটারদের তুলনাতে আগে থেকেই স্পেশাল।
আর কোরা পুরাই আনকোরা টাইপ এভাটার। দুইজন পুরাই দুই মেরুর ক্যারেক্টার। এং যেখানে মঙ্ক, সেখানে কোরা হলো পিচ্চিকাল থেকেই খেপাটে আর শো-অফ পছন্দ করে!
এই দুই টাইপ এভাটারের আচরণ, কৌশল, সাফল্য অবশ্যই এক হবে না।
তারউপর এং এর কাহিনি যখন শুরু হয় তখন ১০০ বছর ধরে চলে আসা দ্বন্দ্ব যুদ্ধ ছিল, অস্থিরতা ছিল। কোরা যখন আসে, তখন অলরেডি এং একটা সুন্দর আর এডভান্সড দুনিয়া রেখে যায় 
তাই এং এর কাহিনির মত কিছু পাব না এইটা জেনেই কোরা দেখি। সব কিছু মিলিয়ে আমার এইটা বেশ ভালই লাগে

Muhib Khan আমার মনে হয় এং আর কোরার ক্যারেক্টার ২ মেরুর করা টা কিছু টা লজিকাল কারন নাহলে কোরা যে ডিফারেন্ট এং এর চেয়ে তা বোঝা যাবে না। কিন্তু যাই হোক এং বেশি বস আর কোরা বেশি না হোক কিছুটা bitchy. তবে এই বুক আগেরটার চেয়ে প্রমিজিং মনে হইতেছে। আর জিনোরার কোন বড় না হলেউ মাঝারি ভূমিকা থাকতে পারে বলে মনে হইল।

 

এভাটার লিজেন্ড অফ কোরার তৃতীয় এপি এখন বাজারে। অনেকেই এপি সিরিজ নিয়া আগের সিরিজের সাথে তুলনা করে “failure” বা এই জাতীয় কথা বল্লেও আমি কিন্তু ভালই এঞ্জয় করতেসি সিরিজটা। শুধু একটা সাকার অভাব প্রচন্ড অনুভুত হইতেসে; এই যা !!! আমি আলাদা করেই এঞ্জয় করতেসি; এই এভাতার সম্পূর্ণ আলাদা; তাকে তার মতন করেই বিচার করতে হবে; শুধু সাকার ওই কমেডি এলিমেন্টটা মিস করতেসি; ওইরকম কমেডি এবং উইটি পার্টের কাউকে দরকার ছিল !!!

Asif Ul Shafi

 ফার্স্ট সিজনের মত এইটাও এনজয় করছি। অনেকেই এভাটার এর সাথে তুলনা করে এপিক ফেইলিউর, ফালতু এইসব কথা বলছে। এই সিরিজটার প্লটটা কিন্তু এভাটার থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন, তাই কম্পেয়ারেবল না। এভাটার এর মিশন শেষ হয়ে যাবার অনেক পরের ঘটনা এইটা, এই ব্যাপারটা মনে হয় অনেকে ধরতে চাচ্ছে না,  আগের এভাটার বিশেষ ভাবে ফিরে আসে, যখন ফায়ার ট্রাইব সব দখল করে নিছে। আর কোরার জন্ম হইছে স্বাভাবিক পরিবেশে একটা নোবেল ফ্যামিলিতে। কমপ্লীটলি ডিফেরেন্ট সিনারিও।

Phantom: Requiem for Phantom review by Farhad Mohsin

phantom_requiem_for_the_phantom-1390073
বছর দুয়েক আগে দেখা একটা এনিমে নিয়ে লিখছি, মেমোরি থেকে, একবার শুধু উইকি থেকে ঢুঁ মেরেছিলাম ক্যারেক্টারের নাম ঠিক মনে আছে কিনা দেখার জন্য। যাইহোক,
এনিমের নাম: Phantom: Requiem for Phantom
কাহিনীর শুরুতেই হিরো জেগে উঠে বুঝতে পারে যে তার কিছু মনে নাই, শুধু এটুকু মনে আছে যে তাকে কেউ খুন করার চেষ্টা করছিল। এবং কিছুক্ষণের মাঝেই সে আবার আগের আক্রমনকারীর কাছেই আক্রমণের শিকার হয়। তাকে জানানো হয় নিজের জীবন বাঁচাতে হলে লড়াই করতে হবে এবং সে তা করে, এবং মৃত্যু থেকে আপাত রক্ষা পায় আর কি।
এরপর তাকে জানানো হয় তার সামনে দুইটা অপশন, এক: মৃত্যু অথবা দুই: অ্যাসাসিন হিসেবে ট্রেনিং নেওয়া। কেন তাকে ঠিক করা হয়, সে কে এসব সম্বন্ধে কিছু তাকে বলা হয় না। তার ট্রেনার হবে তার আক্রমনকারী, যে হচ্ছে Ein(one) এবং তার নিজের নাম হবে এখন থেকে Zwei(two).
মূলত Zwei এবং তার আগে Ein হচ্ছে একটা অর্গানাইজেশনের পারফেক্ট অ্যাসাসিন ট্রেন করার একটা এক্সপেরিমেন্টের অংশ। যার প্রথম অংশ হিসেবে দুজনেরই পাস্ট মেমোরি বলতে কিছু নাই, এবং এরপর রিগোরাস ট্রেনিং এর মধ্যে দিয়ে যেতে হয়।
একই সাথে অ্যাসাসিন হয়ে উঠার গল্প, নিজেদের অরিজিন খুঁজে ফেরার গল্প, এবং তাদের জন্য অন্যরা যে ডেস্টিনি ঠিক করে দিয়েছে তা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করার গল্প।
পুরো সিরিজে সে অর্থে হিউমার নাই বললেই চলে, তবে যথেষ্ট সাস্পেন্সফুল, অ্যাকশন সিকুয়েন্স খুবই ভালো, ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্টও বেশ ভালো। যাদের অনেক ‘কেন?’ ‘কেন’ জিজ্ঞাসা, তাদের খারাপ লাগার সম্ভাবনা আছে, কারণ যদ্দুর মনে পড়ে মূল ক্যারেক্টারদের কারও পাস্ট, বা তাদের কিভাবে কেন বাছাই করা হল এসব খুব একটা ব্যাখ্যা করা হয় নাই।
1346156687_snapshot20090807000047

সব মিলিয়ে যথেষ্ট ভালো একটা এনিমে। আমার সেইসময় খুবই ভালো লেগেছিল। আজকে ডার্কার দ্যান ব্ল্যাকের হেই’র মুখোশ দেখে হঠাত আমার Zwei এর কথা মনে পড়ল আর তারপর বিকালে দেখি একজন তার ছবিও পোস্ট করেছে। তবে মনে হয় খুব বেশি মানুষ দেখে নাই। একটাই সিজন, বেশি সময় লাগবে না, যাদের action, thriller ইত্যাদি genre ভালো লাগে, তাদের দেখে ফেলার সাজেশন দিচ্ছি।

513697464

MAL link: http://myanimelist.net/anime/5682/Phantom:_Requiem_for_the_Phantom

Homunculus – FMA trivia by Md Monowarul Islam

Homunculus (“সামান্য মানুষ”, বহুবচন জন্য ল্যাটিন, পুংলিঙ্গ: “Homunculi”; হোমো এর Diminutive থেকে) একটি ছোট মানুষের কোনো উপস্থাপনা পড়ুন অধ্যয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি শব্দ সাধারণত, হয়. ষোড়শ শতকে রসায়ন ও উনবিংশ শতাব্দীর কথাশিল্পে জনপ্রিয়, এটা ঐতিহাসিকভাবে, একটি ক্ষুদ্র সৃষ্টি বলা সম্পূর্ণরূপে মানুষের গঠিত হয়েছে. ধারণা Preformationism মধ্যে শিকড় সেইসাথে আগে Folklore এবং Alchemic ঐতিহ্য আছে. বর্তমানে, বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে, একটি Homunculus কিছু উপায়ে, শারীরিক মানসিক, বা অন্যান্য বিমূর্ত মানুষের বৈশিষ্ট্য বা ফাংশন ব্যাখ্যা যে, মানব দেহের কোনো স্কেল মডেল উল্লেখ করতে পারে.
Homunculus ("সামান্য মানুষ", বহুবচন জন্য ল্যাটিন, পুংলিঙ্গ: "Homunculi"; হোমো এর Diminutive থেকে) একটি ছোট মানুষের কোনো উপস্থাপনা পড়ুন অধ্যয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি শব্দ সাধারণত, হয়. ষোড়শ শতকে রসায়ন ও উনবিংশ শতাব্দীর কথাশিল্পে জনপ্রিয়, এটা ঐতিহাসিকভাবে, একটি ক্ষুদ্র সৃষ্টি বলা সম্পূর্ণরূপে মানুষের গঠিত হয়েছে. ধারণা Preformationism মধ্যে শিকড় সেইসাথে আগে Folklore এবং Alchemic ঐতিহ্য আছে. বর্তমানে, বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে, একটি Homunculus কিছু উপায়ে, শারীরিক মানসিক, বা অন্যান্য বিমূর্ত মানুষের বৈশিষ্ট্য বা ফাংশন ব্যাখ্যা যে, মানব দেহের কোনো স্কেল মডেল উল্লেখ করতে পারে.

Sakamichi no Apollon ( Kids on the slope) by Tahsin kamal

Action, twist, fantasy, সব অবাস্তব জিনিসপাতির বাইরে অন্যান্য এনিমে গুলার থেকে একটু আলাদা কিন্তু খুব সাধারণ একটা এনিমে। এই এনিমে দেখার প্রতি আমার আকর্ষণের একমাত্র কারণ হল genre এর মধ্যে music আসে। দেখা শেষ করে মনে হইসে এন্ডিং এ কঠিন একটা বাস্তব জীবনের সত্য message এর মত করে দেখাতে চাইসে। Character development বেশ ভাল্লাগসে। Friendship, romance, story সব কিছুই অসাধারণ করসে। দেখে ফেলতে পারেন। মাত্র ১২ টা পর্ব। এক বসাই দেখে শেষ করার মত। Beautiful, simple and heart warming. 

Rating- 7.9/10

Download link– http://hi10ani.me/sakamichi-no-apollon/sakamichi-no-apollon-bd

!!!! True Loyalty Never Dies !!!!!!!! by Kazi rafi

দেড় বছর আগেও আমি অনেককে দেখসিলাম, একেকটা নারুতর নতুন নতুন চ্যাপ্টার বাইর হয় আর মানুষের সে কি সমালোচনা আর মুন্ডুপাত কিশিমোটোর; কিশিমোটো গাজা খায়ে নারুটো লিখতেছে, নারুটো আর আগের মতন নাই, পুরা লেম হয়ে গেছে, এই ওয়ার আর্ক আর কতদিন ধরে টানবে, আর তো ভালো লাগে নাহ, কিশিমোটোর উচিত নারুটো বন্ধ করে দেয়া, হ্যান ত্যান হাবিজাবি ব্লাহ ব্লাহ ব্লাহ !!!!!!!!!!!!!!!!!! দেড় বছর পার হয়ে গেছে কিন্তু এখনও সেই একি মানুষরা সেই একি প্যাঁনপ্যানানি এখনও করে যাইতেছে। আচ্ছা ওরা জানল কিভাবে যে নারুটো তে এখনও কি হইতেছে ??? এদের নাহ আরও দেড় বছর আগেই নারুটো পরা বন্ধ করে দেওয়ার কথা ??? তাদের ভাষ্যমতে নারুটো তো এখন গাঁজাখুরি থেকে গাঁজাখুরিতোমো পর্যায়ে পৌঁছায়ে গেছে, তাইলে তারা কেন এখনও নারুটো পরা বন্ধ করে নাই ?????? কারন তারা চাইলেও বন্ধ করতে পারবে নাহ ! কেন ? কারন এরপরের কাহিনী জানার অদম্য কৌতহল তাদেরকে নারুটো পরা থেকে বিরত রাখতে পারে নি !!!!! আচ্ছা এইবার আমাকে বলেন একটা সিরিয়ালাইযড মাঙ্গার মূল উদ্দেশ্য কি ??? নিজদের বিক্রি বাড়ানো ?? হ্যাঁ তা তো অবশ্যই। নিজেদের বিক্রি বাড়াতে না পারলে তো পাবলিকেশন কোম্পানির ব্যাবসা লাটে উঠবে সেই সাথে মাঙ্গাকার ভাত মারা হবে, কিন্তু সেই বিক্রি বারানো হবে কিভাবে ?? কিভাবে আবার, নতুন পাঠকদের আকৃষ্ট করার মাধ্যমে !! এখন সেটা করার জন্য পাবলিকেশন কোম্পানির হাজাররকমের ব্যাবস্থা নিয়ে রাখা আছে, so ওইদিক দিয়ে লাভের একটা অংশ ঠিকঠাক ! এখন আসি আসল কোথায়, পুরা মাঙ্গা বিক্রির লাভ কিন্তু এই নতুন পাঠকদের থেকেই আসে নাহ, এর মূল লাভটা আসে EXISITNG পাঠকদের থেকে ! এখন এই গ্রুপটি আবার দুটি ভাগে বিভক্ত, এক অংশ এখনও নারুটোকে তাদের আস্থার মাধ্যমে পরে যাচ্ছে, দেখে যাচ্ছে এবং ভালবেসে যাচ্ছে আর আরেক গ্রুপের কথা তো উপরেই বললাম ! এই দ্বিতীয় গ্রুপটির সুন্দর একটা নাম আছে আর সেটা হচ্ছে HYPOCRITES !!!!!! এই হিপোক্রেটদের এতো এতো হিপোক্রেসির পরও কিন্তু তারা ব্যর্থ, কারন তাদের এতো বোলচালের পরেও তারা নারুটো পরা থামাতে পারেনি যেভাবে ঠেকাতে পারেনি এর সাফল্য, এর বিক্রি, এর Profit !!!!
আমার এখনও মনে আছে, যখন ব্লিচে আরাঙ্কার সাগা চলতেছে, এবং ফেক কারাকুরা টাউন আর্ক শুরু হইছে, মানুষের সে কি হতাশা, রাগ, hatred !! ফ্যানরা তো টিটে কুবো রে খেতাবই দিয়ে দিলো একটা “Troll King” নামে !!! তাদের অভিযোগ কি ??? ব্লিচ গোল্লায় গেছে, কুবো ভিয়েতনাম থেকে গাজা আনায় গাজা সেবন করে ব্লিচ লিখতেছে !!!! এরপরে আররাঙ্কার সাগা যখন শেষ হইল, আইযেন যখন পরাজিত হল এবং তারপরে যখন নতুন ফুলব্রিং আর্ক শুরু হইল তখন পাঠক/ তথাকথিত ফ্যানরা যা করল তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করার মতন নাহ!! কেও কুবো রে জীবনে যত গালি গালাজ শিখছিল তা আর বলতে বাকি রাখে নাই, ফ্যানরা এতটাই ‘অপমানিত’ হইছিল ওর এই কাজে !!!! তাদের ভাষ্যমতে আইযেন্রে আটক করার পরেই ব্লিচ ‘শেষ’ করা দেওয়া উচিত ছিল কারন ব্লিচ বলে তাদের জীবন তা নষ্ট করে দিছে, ব্লিচ বলে এতটাই ‘ফাউল’ একটা মাঙ্গায় পরিণত হইছিল যে তা একদম পড়ার অযোগ্য হয়ে পরছিল !!!! এবং এখানেই সবচেয়ে আশ্চর্যকর বিষয়টা আপনারা খেয়াল করবেন, তাদের অনুযায়ী ফেক কারাকুরা টাউন আর্কের আগ থেকেই বলে ব্লিচের পতন শুরু হইছিল AND YET এই হিপক্রেটরা কিন্তু ফুলব্রিং আর্ক পরা থেকে নিজেদেরকে আটকে রাখতে ব্যর্থ হইছিল তানাহলে তারা কিভাবে জানল যে এই আর্ক হচ্ছে ব্লিচের সবচেয়ে তাদের ভাষ্যমতে জঘন্নতম আর্ক ????? এখানেই শেষ নয় !! ফুলব্রিং আর্কের পরে যখন Thousand Year Blood War আর্ক শুরু হইল এইসব হিপক্রেটদের মধ্যে বেশীরভাগেরই সুর পালটায় গেলো ব্লিচের ব্যাপারে ! এখন এই আর্ক হচ্ছে Soul Society আর্কের পরে তাদের সবচেয়ে প্রিয় আর্ক !!!!!!! হিপক্রেটদের এই হচ্ছে অবস্থা !!!!!!!!!!
আর ফেইরি টেইল, এই মাঙ্গা তো হিপক্রেটদের কাছে অন্যভাবে পরিচিত। শুরু থেকেই এদের ঘৃণার স্বীকার এই মাঙ্গা তাদের ভাষ্যমতে হচ্ছে ‘ Total Rip-off/Copy Of One Piece with Fan Service’ !!!!!!!!! এইটা বলার কারন কি ?? এইটা বলার কারন হচ্ছে হিরো মাশিমা আর ইচিরো ওওডার আর্টের মধ্যে রয়েছে ‘অবিশ্বাস্য’ মিল ! এইরকম মিল বলে জমজ ভাই বঁদের মধ্যেও বলে দেখা যায়না, এবং সেইকারণে তারা মাশিমা কে আড়ালে আবদালে ‘চোর’, ‘কপিকেট’ ডাকা শুরু করলো !!!!!!!
এই হিপক্রেটদের দলটা, তারা থাকবে সবজায়গায়, সমসময়, করে যাবে থাদের অর্থহীন প্যানপ্যাঁনানি, ঘ্যানঘ্যা্নানি, কিন্তু এদেরকে টেক্কা দিতে একইসঙ্গে থাকবে সেইসব আসল পাঠক/ ফ্যানরা যারা প্রথম থেকে আজ অব্দি পর্যন্ত তাদের পছন্দের মাঙ্গাকে, মাঙ্গাকাকে দেখিয়ে গেছে তাদের অবিচল আস্থার, ভালবাসার নিদর্শন, এবং দেখিয়ে যাবে শেষ অব্দি পর্যন্ত !!!! True Loyalty Never Dies !!!!!!!!

Fullmetal Alchemist – my most favorite entertainment by Farhad Hossain Masum

Edward Elric, The Fullmetal Alchemist

Edward Elric, The Fullmetal Alchemist

 

 

Alchemy, পদার্থের গঠন বোঝার, ভেঙ্গে ফেলার এবং নতুন করে ভিন্ন কিছু গড়ার বিজ্ঞান। বেশ ছোটবেলা থেকেই এই রহস্যময় বিজ্ঞানে পারদর্শী হয়ে উঠেছিলো দুই ভাই, এডওয়ার্ড এলরিক (বয়স-১১) এবং এলফনস এলরিক (বয়স-১০). ছোটবেলায় বাবা তাদেরকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলো, আর এখন জটিল কোন এক রোগে ভুগে মা মারা গেলো……

 

দুই ক্ষুদে বিজ্ঞানী প্রতিজ্ঞা করলো, যে কোনভাবেই হোক, মা-কে মৃত্যুর ওপার থেকে হলেও ফিরিয়ে আনতে হবে। শুরু হলো আলকেমির মাধ্যমে তাদের কঠিন সাধনা। কিন্তু বিধি বাম, বিক্রিয়া শুরু করার পর একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেল। মা ফিরে আসা তো দূরের কথা, বড় ভাইয়ের বাম পা আর ছোট ভাইয়ের পুরো শরীরটাই চলে গেলো ওপারে। নিজের ডান হাত বিসর্জন দিয়ে হলেও ছোটা ভাইয়ের আত্মাটা একটা বর্মের সাথে এটাচ করে ধরে রাখলো এডওয়ার্ড……

 

Alphonse Elric

Alphonse Elric

 

 

বিধ্বস্ত, পরাজিত, মেটাল হাত-পা লাগানো এডওয়ার্ড; কিন্তু চোখে আগুন। রক্ত-মাংসের শরীরবিহীন ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে শপথ নিলো সে- যে করেই হোক, নিজেদের আসল শরীর ফেরত পেতে হবে। এই প্রতিজ্ঞায় যাত্রা শুরু করলো দুই ভাই……

 

The Elric Brothers

The Elric Brothers

 

 

শরীর হারানোর কয়েক দিন পর Roy Mustang নামে এক স্টেট আলকেমিস্ট ওদের বাড়িতে আসে এবং এডওয়ার্ড-কে স্টেট আলকেমিস্ট হিসেবে মিলিটারিতে জয়েন করতে পরামর্শ দেয়, যেন সে নিজের এবং এল-এর আসল শরীর ফিরে পাবার উপায় খুঁজে পায়। স্টেট আলকেমিস্ট হচ্ছে Military Certified Alchemist, যারা দেশের বিভিন্ন মিলিটারি ইমার্জেন্সিতে তাদের আলকেমি-কে কাজে লাগাতে বাধ্য। বিনিময়ে তারা রাষ্ট্রের সকল লাইব্রেরি, গবেষণাগারে যাওয়ার অনুমতি পেয়ে যায়। কঠিন পরীক্ষায় উতরে যায় এডওয়ার্ড, রাষ্ট্রের সবচাইতে কমবয়সী স্টেট আলকেমিস্ট হিসেবে মিলিটারিতে যোগ দেয় সে, এবং ধারণ করে তার নতুন উপাধি, ফুলমেটাল আলকেমিস্ট !!

 

দুই ভাই জানতো, থিওরেটিক্যালি একটা উপায় আছে যার মাধ্যমে ওরা নিজেদের শরীর ফেরত পেতে পারে, ফিলোসফার স্টোন। কিন্তু এটা কি আসলেই বাস্তবে আছে কোথাও? নাকি এটা কেবলই একটা কিংবদন্তী? যাত্রার শুরু এখানে…………… কোথায় যে গিয়ে ঠেকবে, নিঃসন্দেহে কল্পনার বাইরে !!

 

About the Second Season : FULLMETAL ALCHEMIST BROTHERHOOD

দুটো সিজন আছে এটার। প্রথমটা Fullmetal Alchemist (৫১ পর্ব), দ্বিতীয়টা Fullmetal Alchemist Brotherhood (৬৪ পর্ব). দুটোই একই জায়গা থেকে শুরু হয়, তাই সেকেন্ড সিজনের প্রথম দিকে একটু হোঁচট খেতে পারেন। কিন্তু এগিয়ে যান, ১৪তম পর্বেই কাহিনীর মোড় ঘুরে যাবে, একেবারে ভিন্নভাবে শেষ হবে কাহিনী।

 

BROTHERHOOD

BROTHERHOOD

 

 

ব্যাপারটা হচ্ছে এমন- এই এনিমে বানানো হয়েছে manga (comics) থেকে। অরিজিনাল লেখিকা Hiromu arakwa যখন চল্লিশটি চ্যাপ্টার লিখেছে, তখন এক এনিমে কোম্পানি ওকে অফার করলো এটা থেকে এনিমে বানানো যায় কিনা। তখন আরাকাওয়া বললো যা তার লেখা এখনো অনেক বাকি, অবশ্য ইচ্ছা করলে ওরা এই চল্লিশ চ্যাপ্টার নিয়ে বাকিটা নিজেরা লিখে বানাতে পারে, কিন্তু সে তার নিজস্ব লেখা চালিয়ে যাবে। এভাবেই প্রথমটা বানানো হলো।

 

কিন্তু অরিজিনাল রাইটার এর মাথায় যা ছিলো, সেটা যখন বের হলো, তখন দেখা গেলো যে এটা আরো বেশি ভালো এবং এটা নিয়ে আরেকটা এনিমে বানানো যায়। আরাকাওয়া মোট ১০৮ চ্যাপ্টার লিখেছিলো, তার সময় লেগেছিলো সর্বমোট নয় বছর, প্রতিমাসে একটা চ্যাপ্টার। ফার্স্ট সিজনে যদি ৫১টা পর্ব থাকে, তাহলে ব্রাদারহুডে ৫১টা নতুন পর্ব আছে (প্রথম ১৩ টার পর)……

 

আমার কাছে (এবং এ পর্যন্ত যাকেই দেখিয়েছি, তাদের সবার কাছেই) “ব্রাদারহুড” মাত্রাতিরিক্ত রকম জোস লেগেছে। সেকেন্ড সিজনটা আমার জীবনের দেখা ONE OF THE BEST THINGS. ফ্যামিলিয়ার হওয়ার কারণে প্রথম ১৩টা পর্ব দেখতে দেখতে একটু দ্বিধা লাগলেও ১৪তম পর্ব থেকেই মাথার চুল ছিঁড়বেন উত্তেজনায়।

 

প্রতিটা চরিত্রের একটা আলাদা tone আছে। সেকেন্ড সিজনের সব কয়টা চরিত্রই মূল্যবান (জাস্ট আসলো আর গেলো, এমনটা নয়), তবে আমার পার্সোনাল ফেভারিট হচ্ছে ROY MUSTANG. He has the most powerful Alchemy (Flame Alchemy), and oh my god, WHAT A BRAIN !! Brainy is definitely the new sexy. আক্ষরিক অর্থেই তুড়ি মেরে সমস্যা সমাধান করার সামর্থ্য আর কার আছে, শুনি?

 

Roy Mustang, The Flame Alchemist, in his famous snapping fingers gesture....

Roy Mustang, The Flame Alchemist, in his famous snapping fingers gesture….

 

 

অসাধারণ গল্প, অতিরিক্ত ভালো screenplay, amazing background music (মিউজিক এর জন্য আমি আকিরা সেনজু-এর ভক্ত হয়ে গেছি)- প্রশংসা করতে গেলে শেষ হবেনা……… সব মিলিয়ে এক কথায় বলতে গেলে, এটাই আমার দেখা সবচেয়ে বেস্ট এন্টারটেইনমেন্ট। কোনো সিনেমা, কোনো গান, কোনো বই পড়ে এখন পর্যন্ত এতো নিখুঁত এন্টারটেইনমেন্ট আমি পাইনি। If you are not entertained, it’s a money and time back guarantee.

মূল লেখার লিঙ্ক 

éX-Driver, éX-Driver The Movie, éX-Driver: Nina & Rei Danger Zone by Tahsin Faruque Aninda


ছোটকালে প্রথম দিকে যেসব আনিমে দেখতাম, তার মধ্যে ছিল Dragonball Z, Pokemon, Beyblade, Rurouni Kenshi etc etc., এরকমই সে যুগের এক আনিমে হল éX-Driver 
তখন পুরোটা দেখা হয়ে উঠে নি, এখন এই বয়সে এসে দেখা হল সবটুকু। আর দেখেই সেইইইই ছোটকালে ফিরে গেলাম!!! তখনকার আনিমের আর্টওয়ার্কে একটা অন্যরকম ঠান্ডা ভাব ছিল, সেই ২০০০ সালের আগে/পরের আনিমে এটা।

মূল আনিমে আসলে OVA, ৬ পর্বের। সেই সাথে একটি মুভি ও একটি প্রিকুয়েল এপিসোড আছে।
আনিমেটির থিম হল, ভবিষ্যতে মানুষের যানবাহন চলাচল সব AI ভিত্তিক, অর্থাৎ মানুষকে গাড়ি চালাতে হয় না, গাড়িতে উঠে শুধু ডেস্টিনেশনের নাম বললেই চলবে।
AI নির্ভর গাড়ি বলে মাঝে মাঝে এদের কন্ট্রোল নষ্ট হয়ে যায় আর তখন এসব গাড়িকে কন্ট্রোল করে দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য জান বাজি রেখে কাজ করে যায় éX-Driver নামের একদল তুখড় গাড়িচালক!

Features:
# স্পোর্টস কারের দুর্দান্ত একশন! 
# এপিসোড ভিত্তিক কাহিনি, তাই ঠান্ডা মাথায় একেকটা এপিসোড এঞ্জয় করা যায় 
# 90’s আনিমের আর্টস্টাইলের যারা ভক্ত, তারা আসলেই খুব এঞ্জয় করতে পারবে 
# প্রিকুয়েল এপিসোডটা standalone episode হিসাবে বেশ চমৎকার!
# ৬ এপিসোডের সিরিজের সিকোয়েল হিসেবে ধরা মুভিটাও একইরকম উত্তেজনা টেনে আনে 

শেষে বলতে চাই, MyAnimeList-এর রেটিং দেখে এটা দেখতে পিছপা হওয়ার দরকার নাই। ছোট্ট একটা আনিমে সুন্দরভাবেই উপভোগ করা যাবে 

আমার রেটিং: 8.5/10