Hentai Prince & the Stoney Cat রিভিউ — Maruf D. Raihan

‘Even while Imprisoned,the Irish author Oscar Wilde,a pervert who I respect, said,’I don’t regret a single moment having lived for pleasure. ‘

এমনি এক উক্তি দ্বারা এক হাইস্কুল ছাত্র ট্রাকফিল্ড ক্লাবে বেশ জোরে সোরে ওয়ার্মআপ করা শুরু করবে।কিন্তু তার উদ্দেশ্য অনুশীলন নয়, অাঁট পোশাকে সুইমিং ক্লাবের মেয়েদের দেখা আর আনন্দ উপভোগ করা।

এতক্ষণ যা বললাম তা ছিল ‘হেনতাই ওউজি তো ওয়ারাওয়ানাই নেকো’ (Hentai Prince & the Stoney Cat’ নামক এনিমের প্রথম এপিসোডের শুরুর দিকের দৃশ্যপট।

এমন আরম্ভ দেখে খুব উল্লসিত হক্যে অনেকে হেনতাই! হেনতাই! বলে লম্ফঝম্প করবেন আবার অনেকে ছি!ছি! আর থু!থু! বলতে থাকবেন আর এ অধম রিভিউদাতাকে অভিশাপ দিতে থাকবেন।কিন্তু জানিয়ে রাখা ভালো আপনারা (উভয় শ্রেণী) যা ভাবছেন তার কোনোটাই পুরোপুরি সঠিক নয়।

Henneko

কি আছে এই এনিমেতে তাহলে?? স্বাভাবিকভাবেই এমন প্রশ্ন জাগবে। নাম শুনেই উপরোক্ত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির সম্ভাবনা ব্যাপক তাই অস্পষ্টতা টা দূর করা যাক।

এনিমে দেখা, মানগা পড়ার বদৌলতে জাপানিজ ধর্মমত ও ধর্মতত্বের সাথে অনেকেই কমবেশি পরিচিত। এই এনিমের সমস্ত ঘটনাচক্রের উৎস হল এক অদ্ভুত কামি-সামা, যিনি কালো বিড়ালের প্রতিমূর্তির মাঝে অবস্থান করেন। তার ইচ্ছেপূরণ করার ধাচ এমন,যে তাতে গল্পের চরিত্রগুলোর জীবন পুরাই জিলেপির প্যাচে পড়ে যায়।

এনিমে: হেনতাই ওউজি তো ওয়ারাওয়ানাই নেকো

এপিসোড :১২+১( টিভি স্পেশাল)

জেনরা: কমেডি,রোমান্স,হারেম,স্কুল,সুপারন্যাচারাল,ড্রামা

প্রযোজনা: ফ্রন্টোয়ারি ওয়ার্কস,সেন্তাই ইউজি,মিডিয়া ফ্যাক্টরি,জে.সি.স্টাফ

MAL স্কোর: ৭.৫৪

ব্যক্তিগত রেটিং : ৭.৭

প্লট: ৭.৬

চরিত্র: ৮.৭

কমেডি+টুইস্ট: ৮.৫

নভেল ও মানগা রচয়িতা : সৌ সাগারা

এনিমে প্রযোজনা: ইরোহেই সুজুকি

সুপারন্যাচারাল ধাচের স্টোরিলাইন হলেও বেশ কমেডি আছে এনিমেটাতে। ১ম এপিসোড দেখেই তা বোঝা যাবে। প্লট অনুযায়ী সামান্য এডাল্ট কমেডি ও আছে এতে।

চরিত্রই এই এনিমের প্রধান উল্লেখ্য বিষয়। চরিত্র গুলো বেশ অদ্ভুত ও মজাদারও।মূল চরিত্র ইয়োকোদেরা ইয়োতো,বলার অপেক্ষা রাখে না ইনিই পূর্বোল্রিখিত সেই ছাত্র, গল্পের নামের সেই ‘হেনতাই কিং’। তবে সে হেনতাই বা Pervert হলেও ছেলে খারাপ না, যা বললাম তা বুঝতে হলে এনিমেটি দেখুন। আর অন্যান্য চরিত্রের মধ্যে সুতসুকাকুশি সুকিকো,সুতসুকাকুশি সুকুশি,আজুকি আজুসা। এর মধ্যে সুতসুকাকুশি সুকিকো চরিত্রটি বেশ ইন্টারেস্টিং। বিশেষ করে মুখমণ্ডলে অনূভুতি ফুটে না ওঠার দিকটি বেশ মজাদার।

কমেডি দিয়ে শুরু হলেও কম্পলিকেটেড রোমান্টিসিজম ও ড্রামার দেখা মিলেছে। তবে সবচেয়ে আবেগঘন দিক হল মা ও সন্তানের ভালোবাসারও অসাধারণ উপস্থাপনা আছে এতে, যা এনিমেটি না দেখে থাকলে বিশ্বাস করতেই ইচ্ছা হবে না। আর এ ব্যাপারে বলা ঠিক হবে না,তাহলে স্পয়লার হয়ে দাড়াবে।

অার্টের কথায় আসা যাক। মানগার আকার নেগেটিভ দিকটা মানগাতে চোখে না পড়লেও এনিমে গ্রাফিক্স এ তা প্রকট হয়ে দেখা দিয়েছে। চরিত্রগুলোর মুখমণ্ডলের আকার অনেকটা কম আয়তন ও গোলাটে ধরনের হয়ে গেছে।

মানগাতে ডিটেইলিং বেশ ভালো হয়েছে। অতি উৎসাহী কেউ মানগা পড়তে চাইলে চলে যান এখানে-……..

http://kissmanga.com/Manga/Hentai-Ouji-to-Warawanai-Neko

ওপেনিং থিম সং টা বেশ ভালো। চিবি ধরনের কন্ঠে গাওয়া ইয়ুকারী তামুরার ‘ফ্যান্টাসটিক ফিউচার’ গানটির লিনক:

https://www.youtube.com/watch?v=HEqIU4eSP7g

এন্ডিং টা বেশ গুবলেটে হয়ে গেছে তাই ওটার কথা বাদ দেওয়াই ভাল।

কোন ওভিএ না থাকলেও খুবই হাস্যকর কমেডি টাইপ একটা টিভি স্পেশাল আছে।

https://www.youtube.com/watch?v=VhqfvL9EQ4s

একটু এন্টারটেইনমেন্ট এর জন্য দেখে ফেলুন হেননেকো,খারাপ লাগবে না এতটুকু বলতে পারি।

‘ইফ ইউ লাইক দিস ইউ মে অলসো লাইক দ্যাট’ – ১৭

ইফ ইউ লাইকড ‘Shiki’ ইউ মে অলসো লাইক ‘Higurashi no Naku Koro ni’

1

আপনার কাছে ‘Shiki’ ভালো লাগলে ‘Higurashi no Naku Koro ni’ ও ভালো লাগতে পারে

কারণ-

Shiki’ ও ‘Higurashi no Naku Koro ni’ এর মধ্যে মিল-

* দুইটা অ্যানিমেই এর কাহিনি ই একটা ছোট শান্ত গ্রামে ঘটে। * একই আবহ আর পরিবেশ।
* সুপারন্যাচারাল মার্ডার মিস্টেরি নিয়ে কাহিনি।
* অনেক গোরি আর ভায়োলেন্ট সিন আছে।
* মেইন মেইল ক্যারেক্টার শহর থেকে গ্রামে ট্রান্সফার হয়ে আসার পর ই কাহিনি শুরু হয়।
* ক্যারেক্টারদের মধ্যে মিল।
* গা ছমছমে আবহ সৃষ্টি করা ব্যাকগ্রাউন্ড মিউসিক।
* এক বিশেষ ধরণের ‘অসুখ/রোগ’ যা সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে তা কাহিনির অনেকটা মূল বিষয়।
* ‘অসুখ/রোগ’ যা গ্রামের সবাই ‘অভিশাপ’ বলে মনে করে।
* মিস্টেরি, সুপারন্যাচারাল, হরর, থ্রিলার জনরার।

2

Shiki’ ও ‘Higurashi no Naku Koro ni’ এর মধ্যে অমিল-

* Shiki তে ভ্যাম্পায়ার আছে যা Higurashi তে নাই।
* Shiki এর ২য় সিসন নাই কিন্তু Higurashi এর ২য় সিসন আছে এবং ২ সিসন মিলেই কাহিনি পূর্ণতা পায়।
* Higurshi তে সাইকোলজিক্যাল অংশ Shiki এর চাইতে বেশি।
* Higurshi তে হালকা স্ল্যাপস্টিক কমেডি আছে যা Shiki তে একেবারেই কম।
* Shiki, Higurashi no Naku Koro ni এর ৪ বছর পরে রিলিস পেয়েছে তাই Shiki এর অ্যানিমেশন Higurashi no Naku Koro ni এর চেয়ে ভালো।

3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14

Patema Inverted রিভিউ — শতদ্রু তালুকদার

যেখানে ফিজিক্সের সুত্র উল্টো কাজ করে, যেখানকার মানুষদের কাছে মাধ্যাকর্ষণের মানে আমাদের চিরপরিচিত মাধ্যাকর্ষণের ঠিক বিপরীত – এমন একটা জায়গার চিন্তা করে দেখুন, বেশ রোমাঞ্চকর, তাই না?

Patema Inverted/Sakasama No Patema – মুভিটার কাহিনীও পৃথিবীর অভ্যন্তরের Patema নামের একজন মেয়ে এবং পৃথিবীর সারফেসের Age নামের একজন ছেলে, দুজনকে নিয়ে, ইনভার্স দুটি জায়গাকে নিয়ে।

জনরাঃ এডভেঞ্চার, ড্রামা।

প্লটঃ ৮.৫
Patema পৃথিবীর অভ্যন্তরের একটা বিশাল ধ্বংসস্তুপের মাঝে গড়ে ওঠা এক মানব সভ্যতার একজন, বেশ কৌতুহলী, তার ক্ল্যানের বার বার মানা সত্ত্বেও এলাকার নিষিদ্ধ অঞ্চল নিয়ে তার তীব্র কৌতুহল, নিষিদ্ধ অঞ্চলে ঘুরতে গিয়েই একদিন সে একটা অদ্ভুত “বাদুড়-মানবের” (না, Batman না 😛 ) দেখা পেয়ে চমকে গিয়ে বিশাল ফাঁকা টানেলে পড়ে যায় – এবং খানিকপরেই নিজেকে আবিষ্কার করে পৃথিবীর উপরিভাগে – যেখানে মাধ্যাকর্ষণ তার বেলায় ঠিক উলটো কাজ করে, যেখানে কোন কিছুকে আঁকড়ে ধরে না থাকলে সে “আকাশে পড়ে যাবে”।
Age উপরিভাগের একজন স্টুডেন্ট, যেখানে তাদের রোজকার জীবন ছকবাঁধা, তাদেরকে বিশ্বাস করানো হয় যে তারাই পৃথিবীর প্রকৃত বাসিন্দা এবং সেখানে একসময় আরও অনেকে ছিল যারা একটা বড় পাপ করে ফেলেছিল এবং তাদের পাপের শাস্তি হিসেবেই তারা “আকাশে পড়ে গিয়েছিল”। Age-র সাথে যখন Patema-র দেখা হয় তখন Age দেখতে পায় তার সমবয়সী একটা মেয়ে বাতাসে ভেসে আছে, যেন সে ‘পড়ে যাচ্ছে’, Patema কে দেখে অবাক হওয়া সত্ত্বেও Age তাকে ধরে নিচে নামায় এবং তাদের দুজনের ওজনের কারণে একটা ব্যালেন্স তৈরি হওয়ায় Patema ও বুঝতে পারে আকাশে পড়ে না যাওয়ার জন্য এবং তার নিজের অঞ্চলে ফিরে যাওয়ার জন্য তাকে Age-এর উপর নির্ভর করে থাকতে হবে। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে আর ধীরে ধীরে তারা তাদের নিজেদের জগতের রহস্যগুলো, সত্যগুলো সম্পর্কে জানতে থাকে – মুভিটার কাহিনীও এগোতে থাকে।

এনিমেশনঃ ৮.৮
বিভিন্ন সিনারিও, ক্যারেক্টারদের আর্টওয়ার্ক, দুই ইনভার্স ওয়ার্ল্ড এর ইন্টারপ্রিটেশন বেশ সুন্দরভাবে দেখানো হয়েছে।

ক্যারেক্টারঃ ৮.০
মুভিটাতে খুব বেশি ক্যারেক্টারের উপর ফোকাস করা হয়নি, তবে বোধয় যেসব ক্যারেক্টারের উপর ফোকাস করা হয়েছে তাদের বিল্ডাপ – কাহিনীর জন্য যথেষ্ট ছিল বলে আমার মনে হয়।

মিউজিকঃ ৭.৫
মুভিটার বিভিন্ন সিনের জন্য ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক বেশ জায়গামতই ব্যবহার করা হয়েছে বলা যায়। আর এন্ডিং সং টা – উফফ!!! 😀

ওভারঅলঃ ৮.২ (আইএমডিবি রেটিং – ৭.৪ , মাই এনিমে লিস্ট স্কোর – ৮.২৭)
যদি বেশ ভালো একটা এনিমে মুভি দেখতে চান তাহলে আমি অবশ্যই আপনাকে এই মুভি সাজেস্ট করব। ১ ঘন্টা ৩৯ মিনিটের এই মুভিটা দেখে আপনি রোমাঞ্চিত হবেন, ক্যারেক্টারদের সাথে এডভেঞ্চার উপভোগ করবেন – মোট কথা মুভিটা আপনার বেশ ভালো লাগবে বলা যায়।

(Yasuhiro Yoshiura-র এই মুভিটাই আমি প্রথম দেখলাম আর দেখে ওনার কাজ নিয়ে আমি বেশ ইমপ্রেসড । ওনার Time of Eve, Pale Cocoon ও ওয়াচলিস্টে রাখলাম।)

patema inverted

মাঙ্গা সাজেশন: রিকি-ওহ[Riki-Oh] — Farsim Ahmed

কয়েদী রিকি-ওহ এর কাহিনী খুবই অদ্ভুত। ইচ্ছাকৃতভাবে মারামারি করে জেলে ঢুকেছে, যেন এর পিছনে তার কোনো উদ্দেশ্য আছে। সেই উদ্দেশ্য জানার জন্য অস্থির জেলার, যার উপরে কড়া নির্দেশ, রিকি-ওহকে কোনভাবেই শৃঙ্খলমুক্ত হতে দেয়া যাবে না। কিন্তু ব্যঘ্রহৃদয় রিকি-ওহকে কি দমিয়ে রাখা সম্ভব হবে?

কাহিনী মহা আকর্ষণীয় না, টুইস্টের অবতারণা করতে চেয়েছিলেন মাঙ্গাকা, কিন্তু তার প্রায় সবই আন্দাজযোগ্য, ফলে পুরো জিনিষটা হয়ে গেছে হাস্যকর। তবুও এটা পড়ার পরামর্শ দিচ্ছি, কারণ হচ্ছে দারুন ম্যানলি অ্যাকশন প্যানেল। ডিটেইলিং করতে মাঙ্গাকা কোনো আপোষ করেননি, সেই সাথে এনাটমি বুঝিয়ে দিয়েছেন ভারী দক্ষতার সাথে। মোদ্দা কথা, ফিস্ট অব দ্য নর্থ স্টার এর ভক্ত হলে এই মাঙ্গা পড়া মাস্ট, কারণ রিকি-ওহকে অনেকেই বলে কেনশিরোর alter-ego.

Riki-Oh

কে প্রজেক্ট; কলিযুগের রাজতন্ত্র- লিখেছেন ইশমাম আনিকা

611081

জনরাঃ অ্যাকশন, সুপার পাওয়ার, সুপারন্যাচারাল
পর্বসংখ্যাঃ ১৩

অ্যানিমেটির কাহিনী অল্টারনেটিভ সেটিং এর জাপানে; প্রযুক্তি যেখানে বর্তমান পৃথিবীর তুলনায় অনেক এগিয়ে। সেখানকার একটি শহর শিজুমে সিটিতে একটি দ্বীপের ওপর অবস্থিত স্কুল আশিনাকা হাইস্কুল। এই স্কুলেরই এক সাধারণ ছাত্র ইসানা ইয়াশিরো। খামখেয়ালি, কেয়ারলেস এবং ফ্রেন্ডলি স্বভাবের “শিরো-কুন” কে ওর ক্লাসের সবাই বেশ পছন্দ করে। সেজন্য সারাক্ষণ ফাঁকিবাজি করে বেড়ানোটা শিরোর অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

ওদিকে শহরের অন্য প্রান্তে রেড কিং এর অধীনস্থ হোমুরা গ্যাং তান্ডব চালাচ্ছে। উদ্দেশ্য, তাদের এক গ্যাং মেম্বারের খুনিকে খুঁজে বের করা। কিন্তু এদের সাথে শিরোর সম্পর্ক কি! স্কুল ফেস্টিভালের জন্য জিনিস কিনতে শহরে এসেই হোমুরা গ্যাং এর রোষের সামনে পড়ল শিরো। কোনমতে তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রাণ নিয়ে পালাতে পালাতে সে গিয়ে পড়ল আরেক বিপদের মুখে। ইয়াতোগামি কুরোহ, বা কুরোইনু নামে পরিচিত এই ব্যক্তিটি হল পূর্ববর্তী কালারলেস কিং এর ফলোয়ার, যার বর্তমান উদ্দেশ্য নতুন কালারলেস কিংকে খুঁজে বের করে তাকে হত্যা করা।

মোটামুটি এভাবে একটি প্রমিজিং স্টোরিলাইন নিয়ে শুরু হয় কে প্রজেক্ট অ্যানিমেটির কাহিনী। এরপরে কাহিনী আরও ডালপালা মেলতে থাকে, একে একে বেরিয়ে আসে প্রতিটি ক্যারেক্টারের ব্যাকস্টোরি। জাপানের আবহাওয়ার ওপর প্রভাব খাটানো “কিং” দের ও তাদের ক্ল্যানসম্যানদের সাথে দর্শকের পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়, এগোতে থাকে কাহিনী। হোমুরা গ্যাংকে ঘিরে অসম্ভব সুন্দর ও ইমোশনাল কিছু দৃশ্য রয়েছে, এই অংশগুলো আমার নিজের অসম্ভব ভাল লেগেছে।

Homra-k-32742846-1280-720

অ্যানিমেটির সেটিংটা যথেষ্ট ভাল, কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে মাঝে মাঝে এক্সপ্লানেশনগুলো কেমন যেন অসম্পূর্ণ। অনেক ব্যাপারে আরও বেশি ব্যাখ্যা আশা করেছিলাম, যা মুভিটিতেও দেয়া হয়নি, তবে আশা করছি সামনের আপকামিং সিজনে সেগুলোর উত্তর পাওয়া যাবে। এছাড়া কাহিনীটা সহজেই মনকে ছুঁয়ে যাওয়ার মত, বেশ কয়েকটি ক্যারেক্টারের প্রতি মায়া জন্মে গিয়েছে খুব সহজেই। আন্না কুশিনা এবং ইয়াতোগামি কুরোহ- এই দুটি চরিত্রকে আমার খুবই ভাল লেগেছে, তবে ভাল লাগার মত আরও অনেক চরিত্র আছে অ্যানিমেটিতে।

অ্যানিমেটির আর্টওয়ার্ক খুব বেশি সুন্দর, চোখ ধাঁধানো অ্যানিমেশন আর খুব চমৎকার ক্যারেক্টার ডিজাইনের কারণে দেখার সময় অনেক শান্তি লেগেছে, ফাইট সিনগুলো খুব ভাল, আর উজ্জ্বল অ্যানিমেশনের জন্য এই সিনগুলো আরও উপভোগ্য হয়েছে। সেইসাথে সাউন্ডট্র্যাকও অতিরিক্ত সুন্দর; প্রতিটি ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক আমার মনে ছাপ ফেলেছে। ক্যারেক্টারগুলোর সাথে মানানসই থিম, ইমোশনাল দৃশ্যতে চমৎকার মন ছুঁয়ে যাওয়া ট্র্যাক এবং ফাইট সিনগুলোতে এক্সাইটিং মিউজিক- সবমিলিয়ে এই অ্যানিমেটার প্রতিটি ট্র্যাকই সুন্দর। এর মাঝে আমার সবচেয়ে পছন্দের ট্র্যাক হল “কিস অফ ডেথ”। (https://youtu.be/ceWxUIQyDaw?list=RDceWxUIQyDaw)

তবে অ্যানিমেটির যে ব্যাপারটি আমার কাছে অতিরিক্ত বিরক্তিকর লেগেছে, তা হল প্রতিটি নারী চরিত্রই ফ্যানসার্ভিসের শিকার হয়েছে। এই ব্যাপারটি না থাকলে অ্যানিমেটি আরও উপভোগ্য হত বলে আমার মনে হয়েছে।

1362421840014-2

Hotarubi no Mori e রিভিউ — Amor Asad

Hotaru 1

Hotarubi no Mori e
(হোতারু বিবির মৃত্যু নাই 😉 )
AKA Into the Forest of Fireflies’ Light (2011)

এই অ্যানিমে আমাকে বানাতে দিলে আমি নাম দিতুম, “হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো’, যেন মুভি শেষ করে দর্শক নামটা দেখে কাহিনীর সাথে মনে মনে সংযোগ করে নিতে পারে।

সারসংক্ষেপঃ ছোট্ট দুরন্ত এক বালিকা Hotaru, বয়স মাত্র ছ’বছর, ছুটোছুটি করতে করতে জঙ্গলে হারিয়ে গেলো। যে সে জঙ্গল না, কথিত আছে, এখানে নাকি মাউন্টেইন গড এবং স্পিরিটদের বসবাস।
Hotaru উদ্ধার পেলো, কিন্তু সেই সাথে একজন বন্ধুও জুটিয়ে ফেললো। তবে সময় নামক বেরসিক হতচ্ছাড়াটা বাগড়া না বাঁধালে বোধকরি ভালোই হত। আর না বলি, স্পয়লার দেয়া হয়ে যাবে। এমনিতেই রানটাইম অনেক কম।

Hotaru 2

অ্যানিমে শর্ট ফিল্ম কালে ভদ্রে দেখা হয়। পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমে ছায়াছবির চেয়ে শর্ট ফিল্ম গুলোতে স্বভাবতই কম সময় পাওয়া যায়; এ অল্প সময়ে পরিপূর্ণ কোন ভাব প্রকাশ করা চাট্টিখানি কথা না।
উৎরে গেছে Hotarubi no Mori e. গল্পে কোন ইন্টেনসিটি নেই, অতিরিক্ত ভাবাবেগ নেই; বরঞ্চ একটা মানানসই প্রাঞ্জলতা কাজ করছে। মুভির গল্পকথন আপনাকে চেয়ারে আঠা মেরে রাখবে না, আবার উঠে যাওয়ার অনুমতিও দিবে না। ক্যারেক্টার ইন্ট্রোডিউস করতেও বাড়তি সময় নেয়া হয়নি, কাহিনী এগোনোর তালেই দর্শক ঠাওর করতে পারে।

প্রধান চরিত্র Hotaru সিনেমার শুরুতে অতীত-কীর্তন শুরু করে অর্থাৎ, শুরুটা ন্যারেটিভ ভঙ্গিমার। এবং একটা সময়ে কাহিনী ক্যাচ আপ করে বর্তমান সময়ে চলে আসে। গোটা সিনেমার কাহিনীর সাথে ফিল্ম এডিটিং এর এই অনিবার্য মিল খেয়াল করে বেশ মজা পেলাম।

তবে সময়কে অনুভব করার শিক্ষা পেলাম নতুন করে। অযথা দুশ্চিন্তা করে লাভ নাই বাহে, এসো বর্তমানে বাচি।

আমার রেটিং ৮.৫/১০

Hotaru 3

Tokyo Ghoul Anime vs Manga — Rezo D. Skylight

TG

টপিকটি শুরু করার পূর্বে আমি বলে নিতে চাই আমি Tokyo Ghoul এনিমের দুইটা সিজনই দেখেছি, সাথে মাঙ্গাও পড়েছি। তবে মাঙ্গাটা আমি আগে পড়েছি তারপর এনিমেটা দেখেছি।

টপিকঃ Tokyo Ghoul Anime vs Manga / Tokyo Ghoul Complete Review.

আলোচনা শুরু করি Tokyo Ghoul এর এনিমে দিয়েই। গতবছর যখন Tokyo Ghoul এর এনিমে বের হল তখন এটি প্রায় সব Anime Community তে তুমুল সাড়া জাগিয়েছিল। অনেকেরই ধারণা ছিল যে এটি বছরের সেরা এনিমে হতে যাচ্ছে। কিন্তুু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে “Studio pierrot” Tokyo Ghoul কে পুরুপুরি নষ্ট বানিয়ে ফেলেছে। সোজা কথায় বলতে গেলে যাকে “Trash adaption” বলা হয়ে থাকে। এখন যারা শুধু এনিমে দেখেছেন অনেকেই ভাবছেন যে, “কই কাহিনী তো ভালোই ছিল, Trash adaption হল কিভাবে?” আমি এখন সেটাই ব্যাখ্যা করবো।

Tokyo Ghoul (Anime 1st season):
শুরুর এপিসোডটা খারাপ ছিল না যদিও ৬ চ্যাপ্টার মিলে এপিসোডটি বানানো হয়েছিল। কিন্তু এর দুই তিন পর্বের পরেই পুরো “Dove Arc” টা বাদ দিয়ে পরের আর্কটা শুরু করেছিল। আবার সেই আর্ক শেষে আবার “Dove Arc”টা লাস্টের দিকে নিয়ে এসেছে। এরপর কয়েকটা আর্ক বাদ দিয়ে একেবারে “Aogiri Arc” এর লাস্টের দিকের কাহিনী দেখানো হয়েছে। বলতে গেলে পুরা কাহিনীকে জগাখিচুড়ি বানিয়ে ফেলেছে। আর শেষ এপিসোডের কানেকির চুল সাদা হয়ে যাওয়া দেখে আমার বেশ হাস্যকর লেগেছিল। আমি শুধু বলেছিলাম, “এইটা কিছু হইলো? কি জিনিসকে কি বানায় ফেলছে এরা। এত দ্রুত চুল সাদা বানায়ে ফেলল।” যাই হোক এনিমের ১ম সিজনটা প্রচণ্ড বাজে ছিল। মাঙ্গার পুরো ৬৫ চ্যাপ্টার মিলে ১২ এপিসোডের একটা এনিমে বানাতে গেলে কেমন হবে এইবার বুঝে নিন। তবে “Unravel” গানটা আর OST গুলো ছিল প্রশংসা করার মতো, এতে আমার কোন অভিযোগ নেই।

মাইএনিমেলিস্ট রেইটিং: 8.11
বেক্তিগত রেইটিং: 4/10

Tokyo Ghoul √A (Anime 2nd season):
Tokyo Ghoul √A এর কথা বলতে গেলে আমি বলব এইটা ছিল Tokyo Ghoul এর “Spin-off” সিরিজ ছাড়া কিছুই না। এর সাথে মাঙ্গার কাহিনীর কোন মিল নেই। সম্পূর্ণ আলাদা রুটে তৈরি কাহিনী। “√A” বলতে “Root Aogiri” বুঝানো হয়েছে। যদিও এর কিছু কিছু জায়গা মাঙ্গার কাহিনীর সাথে মিলে গিয়েছিল। তাও কাহিনীটা কেমনজানো খাপছাড়া টাইপের ছিল। ওভারঅল আমার কাছে তেমন ভালো লাগেনি। এর থেকে মাঙ্গার ষ্টোরি রুট হাজার গুনে ভালো ছিল।

মাইএনিমেলিস্ট রেইটিং: 7.59
বেক্তিগত রেইটিং: 3/10

Tokyo Ghoul (Manga):
এখন মাঙ্গার কথা শুরু করি। বলতে গেলে মাঙ্গাটা আমার পড়া “মাস্টারপিছ” মাঙ্গাগুলার মধ্যে একটা। মাঙ্গার কাহিনীর সিকুয়েঞ্ছ ঠিক ছিল, সবকিছু ঠিকঠাক মতো এক্সপ্লেইন করা হয়েছিল। যেমন-

[এরপর থেকে পড়লে সতর্ক থাকুন। কিছু মাইনর স্পয়লার রয়েছে। স্পইলার এড়িয়ে পড়তে চাইলে একেবারে শেষের “>” পেরাটি পড়ুন।]

১. এনিমেতে কানেকির কোন ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট দেখানো হয় নাই। মাঙ্গাতে
Yomo আর Touka মিলে কানেকিকে ফাইটিং স্কিল শিখেয়েছিল। এনিমেতে তার সিংহভাগ অংশ স্কিপ করা হয়েছে। এছাড়া আরও বহুত ফাইটিং সিন এনিমেতে স্কিপ করা হয়েছে। মাঙ্গাতে এগুলো ঠিকমতো দেখানো হয়েছে।

২. Dove আর্কের পর কতগুলো আর্ক ছিল। যা এনিমেতে স্কিপ করা হয়েছে। আর্কগুল খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

৩. Amon, Nishiki, Akira, Suzuya সহ আরও অনেক ক্যারেক্টারের ব্যাকগ্রাউন্ড স্টোরি এনিমেতে স্কিপ করা হয়েছে। এই ব্যাকগ্রাউন্ড স্টোরিগুলো মাঙ্গায় খুব সুন্দরভাবে দেখানো হয়েছে।

৪. “Aogiri Arc” এর শতকরা ৫% কাহিনী এনিমেতে দেখানো হয়েছে। শুধু জেসন কানেকিকে ধরে নিয়ে টর্চার করে সেই সিনটুকু দেখিয়েছে। কিন্তু মাঙ্গাতে এর অনেক কাহিনী এক্সপ্লেইন করা হয়েছে। আর কানিকির চুল এনিমের মতো হটাত করে সাদা হয়ে যাইনি। মাঙ্গাতে ধীরে ধীরে ওর মাথার চুল সাদা হতে থাকে প্রতিনিয়ত মানুষিক ও শারীরিক টর্চারের কারনে। একসময় সে বাস্তবতা বুঝতে পেরে সে মানুষিক ভাবে পরিবর্তন হয়ে পরিণত হয় নতুন কানেকিতে।

৫. এরপর “√A”তে Ayatoর সাথে নামমাত্র ফাইটিং দেখিয়েছে। আর আপনারা মাঙ্গাতে সেই ফাইটিং সিন দেখলে মানব শরীরের ২০৬ টা হাড়ের নাম মুখস্ত হয়ে যাবে।

> এরপর আর কাহিনীর মিল নেই। আর মাঙ্গার কাহিনীও আর বলছি না। বাকিটুকু আপনারা মাঙ্গাটা পড়ে জেনে নিয়েন। আমি রিকোয়েস্ট করবো মাঙ্গাটা একেবারে ১ম চ্যাপ্টার থেকে পড়ার জন্যে। তাহলে ওরিজিনাল “Tokyo Ghoul” এর কাহিনী উপভোগ করতে পারবেন। এইটা সত্য মাঙ্গাটা ভালো হওয়া সত্তেও এনিমের কারণে ঢাকা পড়ে গিয়েছে এবং মানুষজন Tokyo Ghoul নিয়ে অনেক নেগেটিভ মন্তব্য করছে। আর এই উদ্দেশেই আমি এই টপিকটি লিখলাম Tokyo Ghoul নিয়ে মানুষের ভ্রান্ত ধারণা দূর করার জন্যে।

মাইএনিমেলিস্ট রেইটিং: 8.79
বেক্তিগত রেইটিং: 9.5/10

*F.A.Q-

১. কানেকির চুল হটাত সাদা হয়ে যাওয়ার কারণ কি? এর কোন এক্সপ্লেনেশন আছে?
=> কানেকির আসলে “Marie Antoinette syndrome”-এ ভুগেছিল। এইজন্যই তার চুল হটাত সাদা হয়ে গিয়েছে। প্রচণ্ড মানুষিক চাপ, ভয়, দুঃখ ইত্যাদি কারণে চুলের সাদা রঙের জন্য দায়ী হরমোনগুলো অ্যাক্টিভ হয়ে যায়। আর এই কারণেই হটাত চুল সাদা হয়ে যেতে পারে। [ তথ্যসূত্র –https://en.wikipedia.org/wiki/Marie_Antoinette_syndrome ]

২. Tokyo Ghoul এর মাঙ্গাকা Ishida Sui এর আসল পরিচয় কি?
=> এখনো তা জানা সম্ভব হয়নি। কারণ সে এখনো মানুষের সামনে অফিসিয়াল ভাবে দেখা দেয়নি। এজন্য তার পরিচয় এখনো গোপন রেয়েছে।

৩. কানেকি যে বইগুলো পড়ে সেগুলো কি আসলেই আছে?
=> ‘The Black Goat’s Egg’ এর মতো আরও কিছু কিছু কাল্পনিক বই ছিল। কিন্তুু কিছু বই আসলেই আছে। যেমন- Franz Kafka’s ‘Crossbred’ এবং Brothers Grimm’s ‘Grimms Märchen’ বইদুটি আসলেই আছে।

ধন্যবাদ এত কষ্ট করে লিখাটা পড়ার জন্য। আশা করি আপনারা মাঙ্গাটা পড়ে দেখবেন।

Binbougami Ga [এনিমে রিভিউ] — Maruf D. Raihan

binbougami ga

Binbougami Ga(Poor God) / বিনবোগামি

এপিসোড সংখ্যা: ১৩
জেনরা: কমেডি,প্যারোডি,শোউনেন,সুপারন্যাচারাল
স্টুডিও: টিভি টোকিও,সানরাইজ এন্টারটেইনমেন্ট
MyAnimelist Rating: ৭.৯৫
ব্যক্তিগত রেটিং :
সর্বোপরি : ৭.৬/১০
প্লট: ৬.৯/১০
চরিত্রায়ন : ৮.৩/১০
কমেডি :৮.৮/১০

যদি পড়ন্ত কোন বিকেলে “Grave of the Fireflies ” বা “Your Lies in April” দেখার পর এক কাপ চা নিয়ে বারান্দায় বিমর্ষ মুখে বসে আছেন,চা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে কিন্ত সেদিকে কোন ভ্রূক্ষেপ নেই। বাইরে তাকিয়ে কি যেন ভাবছেন।

তাহলে মুড চেঞ্জ করুন। এত সিরিয়াস কেন???


টাডা!!!!!!!!!!!!!! ♪

ভাগ্যবান কে না হতে চায়? দুর্ভাগ্য বরণ করতে কেউ রাজি নয়। কিন্ত কেমন অবস্থা হবে যখন খুব বেশি ভাগ্যবান হওয়ার অপরাধে উপররের জগত হতে কামি-সামা এসে তার ভাগ্য চুরি করতে উদ্যত হয়!!!!!!!

কিছুই হবে না। একটি অতি মজাদার টাইপের এনিমে শুরু হবে [Binbougami Ga]

সাকুরা ইচিকো(প্রধান চরিত্র) এক অতিরঞ্জিত ধনের দুলালী তথা সেলিব্রিটি কন্যা। তার মোহিনীয়তার জোরে ছেলেরা কাবু। এই নিয়ে স্কুলের অন্যান্য মেয়েরা ঈর্ষান্বিত তার ওপর। কিন্ত এক মেয়ের কপলে এত সৌভাগ্য কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। আকাশ ফেড়ে নেমে এলেন বিনবোগামি সামা, কামি-সামা। কিন্ত ইনি কারও ভালো করেন না, সাহায্যও না। ওনার কাজ দুর্ভাগ্য বয়ে আনা।

শুরু হয়ে যায় টম এন্ড জেরির লুকোচুরি খেলা। তবে বেশ মজাদার ভংগিতে। বিনবোগামি সামার টার্গেট সাকুরার ভাগ্য আর সাকুরার লক্ষ্য ভাগ্য রক্ষা। গল্পের এভাবেই শুরু হয়……..

আর কাহিনী বললে দেখার আগেই এনিমে শেষ,এমন অবস্থা দাড়াবে। তাই কিছু খুঁটিনাটি দিক নিয়ে আলোচনা করা যাক।

ওপেনিং সং টা বেশ আনন্দদায়ক। গান হিসেবে কমেডি টাইপ হলেও কথা ও সুরে হাসির উদ্রেক করার জন্য যথেষ্ট।

পিকো এনাহোমার “Make my day” গানটির ইউটিউব লিনক-

হ্যা! হ্যা! হ্যা! বিনবোগামি তে এচি ও এডাল্ট ম্যাটেরিয়াল আছে। কিন্ত তাই বলে একে ফালতু বলার কোন সুযোগ নেই। কারন যা ইনক্লুড করা হয়েছে তা এনিমেটিকে হাস্যরসাত্নক করার জন্য।
ফালতু ন্যাকামি নেই বললেই চলে, যা আছে তা প্লটের সাথে মানানসই…….

ছোট আয়তনে এসেছে অনেক চরিত্র। আর সবচেয়ে আশ্চর্যজনক বিষয় হল, ১৩ এপিসোডের এনিমেতে এত চরিত্র আসলেও তা অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়নি। রয়েছ কিছু অদ্ভুত ও মজাদার ক্যারেক্টার :

সাকুরা ইচিকো
বিনবোদা মোমিজি
হিনকোগাওয়া
সুয়াবুকি কেইতা
ইনুগামী মোমোউ
রিন্দো রানমারু

আর এই এনিমেতে ডেথ নোট,ওয়ানপিস, ড্রাগনবল জি এমনকি ডোরেমনকে নিয়ে ব্যাপক ট্রলিং হয়েছে যা ব্যাপক হাসির খোরাক যোগাবে।।

একবারে বসে শেষ করে ফেলুন। আগেই বলেছি, এর একমাত্র উপযোগিতা হল মুডকে হাস্যোজ্জল করা। অর্থাৎ এনিমেটা দেখে আপনি বিশাল বিনবোগামি ফ্যান হয়ে যাবেন, প্রোফাইল পিকচার এ বিনবোগামি ক্যারেক্টার এর ছবি দেবেন… তেমনটি হওয়ার সম্ভাবনা ১/১০০……
তবে যতক্ষণ দেখবেন, ততক্ষণের বিনোদন গ্যরান্টিড। কিন্ত এনিমে শেষ করার পর যদি মনে হয়, “ধুর!!!!! ফাও ফাও টাইম ওয়েস্ট করলাম” তাহলে সেটা অস্বাভাবিক কিছু হবে না। কেননা এটা আপনাকে ভাবাবেও না, কাঁদাবেও না। কিছুক্ষণের জন্য হাসাবে।

আর মানগাটা না পড়তে রিকমেন্ড করব। মানগাটির আকা কোরিয়ান এচি মানহয়ার মত ফালতু।

যাই হোক, বিনবোগামি নিয়ে আর কথা বাড়াব না।
কৌতুহল জাগলে পরখ করে দেখতে পারেন। ভালো লাগলে জানাবেন।।।

অ্যানিমে রিভিউঃ আন-গো; লিখেছেন ইশমাম আনিকা

UN-GO.full.890295

 

জনরাঃ মিস্ট্রি, সুপারন্যাচারাল
পর্বসংখ্যাঃ ১১

ভবিষ্যতের যুদ্ধ-পরবর্তী বিধ্বস্ত জাপান। দেশটির শাসনের ভার মিলিটারীর হাতে, সাময়িক শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তারা কঠোরভাবে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্র নিজেরা নিয়ন্ত্রণ করছে, যার মাঝে ইন্টারনেট ও তথ্য সরবরাহের সকল উৎসও রয়েছে।

এরকম সময়ে টোকিওতে বাস করে ইউকি শিনজুরৌ। তার সম্পর্কে প্রচলিত কথাটি হল, “ডিফিটেড ডিটেকটিভ”, যদিও সে নিজেকে “লাস্ট গ্রেট ডিটেকটিভ” বলে পরিচয় দিতে পছন্দ করে। এই অস্থিতিশীল জাপানের পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে চুনোপুঁটি থেকে শুরু করে রুই-কাতলারা পর্যন্ত করতে থাকে বিভিন্ন চক্রান্ত, যার মাঝে হত্যা থেকে শুরু করে ক্ষমতা দখলের লড়াই পর্যন্ত সবই অন্তর্ভূক্ত। ইউকি শিনজুরো তার অদ্ভুত সঙ্গী ইংগা কে সাথে নিয়ে প্রতিটি রহস্যের তলানি পর্যন্ত যায়, যদিও এর জন্য তাকে বিভিন্ন সময়ে অনেকের রোষানলের কবলে পড়তে হয়। তাও তাকে চালিয়ে যেতে হবে সত্যের অনুসন্ধান, নাহলে যে এক ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনবে ইংগা! এই পথে ইউকির সাথে কখনো বন্ধু, আবার কখনো প্রতিযোগী হিসেবে কাজ করেন কাইশৌ রিনরোকু, একটি বড় কোম্পানির ডিরেক্টর তিনি, ঘরে বসে প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে ক্রাইম সিন পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।

১১ পর্বের অ্যানিমে, খুব বেশি ডেভেলপমেন্টের আসলে তেমন সুযোগ নেই, তবে তারপরেও আস্তে আস্তে প্রধান চরিত্রগুলোর ব্যাকস্টোরি রিভিল হয়, ব্যাপারটা ভালভাবেই এক্সিকিউট করা হয়েছে। মিস্ট্রির অংশটা আসলেই অনেক ভাল, হত্যা, চুরি-ডাকাতি বা ষড়যন্ত্র, যাই হোক না কেন, প্রতিটি পর্বেই নতুন নতুন কেস আনা হয়েছে, এবং শেষের দিকে কয়েকটি কেসকে একসূত্রে গেঁথে একটি বড় মিস্ট্রি বানানো হয়েছে, ব্যাপারটা বেশ ভাল লেগেছে। প্রোটাগনিস্ট হিসেবে ইউকি শিনজুরৌ খারাপ না, যদিও মাঝে মাঝে তার আচরণ একটু খাপছাড়া লেগেছে আমার কাছে।

প্রশংসার সাথে সাথে খুঁত জিনিসটাও ওতপ্রোতভাবে জড়িত, এই অ্যানিমেও তার ব্যাতিক্রম নয়! শুরু থেকেই যে জিনিসটা আমার কাছে বিরক্তিকর লেগেছে, তা হল “ইংগা” নামের চরিত্রটি। আপনারা যারা অ্যানিমেটি দেখেছেন, তারা হয়ত বুঝতে পারবেন আমি কি বলতে চাচ্ছি, আমার মনে হয়েছে, শুধুমাত্র ঐ একটা প্রশ্ন করার জন্য এরকম একটা ক্যারেক্টারের আসলে খুব দরকার পড়েনা, অপরাধীর মুখ খোলানোর আরও হাজারটা উপায় রয়েছে। তারপরেও সে একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ অ্যানিমেটির, তাই অস্বস্তিটাও বেশি লেগেছে। এছাড়া মিস্ট্রি যখন সলভ করা হয়, মাঝে মাঝে এক্সপ্লানেশনগুলো খাপছাড়া লেগেছে, কিছু ক্ষেত্রে আরেকটু ডিটেইলড এক্সপ্লানেশন জরুরী ছিল।

অ্যানিমেটির আর্টওয়ার্ক ভাল, ওএসটিও মন্দ নয়, মাঝে পপ আইডল “ইয়োনাগাহিমে” নিয়ে একটি কেস ছিল, সেই কেসটিতে এই (https://youtu.be/mf6VOxXKqus) গানটি ব্যবহার করা হয়, আমার বেশ দারুণ লেগেছে এটি। কাহিনীর গতি ভাল, তবে মাঝে মাঝে একটু বেশিই দ্রুত এগিয়েছে বলে মনে হয়েছে আমার কাছে।

সবমিলিয়ে মিস্ট্রি অ্যানিমে হিসেবে এটি ভালই, ১১ পর্বের ছোট একটা অ্যানিমে, তাই অল্প সময়ের মাঝেই শেষ করা সম্ভব, সিনোপসিস পড়ে ভাল লাগলে একবার ট্রাই করে দেখতে পারেন।

UN-GO.full.887252

Children Who Chase Lost Voices রিভিউ – মোঃ আসিফুল হক

Children Who Chase Lost Voices – মুলত জাপানিজ একটা উপকথার উপর ভিত্তি করে তৈরি মুভি, যেখানে গল্পের দুই প্রধান চরিত্র তাদের প্রিয়জনকে ফিরিয়ে আনতে রওনা হন মৃতদের দেশে।

অন্ধকারে অদ্ভুত আওয়াজ আর ক্রিস্টাল রেডিও থেকে ভেসে আসা অপার্থিব এক সুর – শুধু এইটুকুর উপর ভর করেই আসুনার যাত্রা শুরু হয় পৃথিবীর নিচে হারিয়ে যাওয়া কিংবদন্তীর জগতে। অদ্ভুত প্রাণী দ্বারা আক্রান্ত আর রহস্য ঘেরা এক বালকের মাধ্যমে উদ্ধার পাওয়া আসুনা নিজেকে আবিস্কার করে শতাব্দী পুরোনো এক রহস্যের মাঝে; যেটা কিনা তাকে দাঁড় করিয়ে দেয় এমন এক সত্যের মুখোমুখি যেটার সাথে জড়িত আছে খোদ জীবন আর মৃত্যুর রহস্য।

আসুনা পাহাড়ী এক গ্রামের সাধাসিধে কিন্তু মেধাবী এক মেয়ে। বাবা নেই; মায়ের কর্মক্ষেত্রে বিশাল ব্যস্ততার কারণে মোটামুটি একাকীই দিন কাটে আসুনার। পড়াশুনায় ভীষণ মেধাবী আসুনা তাই সময় পেলেই মাঝে মাঝে ছুটে যায় পাহাড়ে, ক্রিস্টাল রেডিও আর একটা বিড়ালকে সঙ্গী করে একাকী সময় কাটায় দূরদেশের সুর শোনার অপেক্ষায়।

গল্পের অন্য মুল চরিত্র রিউজি – যিনি আসুনার স্কুলে বদলি শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। স্ত্রীর মৃত্যুর ১০ বছর পরেও তার স্মৃতি আর শোক বয়ে চলা ভদ্রলোকের অন্যতম লক্ষ্যই হল মৃতদের জগত থেকে তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনা। এই নিয়ে সব রকম গবেষণা এবং খোঁজাখুঁজিতেই সময় কাটে তার। রিয়ুজির চরিত্রের মাঝে সব সময়েই আমরা একটা অন্তদ্বন্দ্ব দেখতে পাই। সে তার লক্ষে অটল, কিন্তু সেটা পাগলামির পর্যায়ে না; কিন্তু আবার অবসেসডও। এর মাঝেও সে আসুনার দিকে খেয়াল রাখে, দেখাশুনা করে; তাকে রক্ষা করে।

মৃত ব্যাক্তিকে মৃতদের রাজ্য থেকে ফিরিয়ে আনা কিংবা পুনর্জন্ম – চলে যাওয়া প্রিয়জনকে ফিরিয়ে আনার চিরন্তণ যে মানব আকাঙ্ক্ষা; তার কথা ঘুরে ফিরে এসেছে সব ধর্মেই, সব কালেই, সব পুরোকথাতেই। জাপানিজ, গ্রীক কিংবা রোমান – সব মিথোলজিতেই অনেক আকর্ষণীয় গল্প আছে এই বিষয়টা নিয়ে।

জাপানিজ শ্রুতিমতে, ইজানাগি আর ইজানামি জাপান এবং এর সব দেবতাদের সৃষ্টিকর্তা। এই জুটি প্রথমে আটটা ফুটফুটে বাচ্চার জন্ম দেন, যারা কিনা পরে জাপানের আটটা দ্বীপে পরিণত হন। ইজানাগি ইজানামি এর পর একে একে জন্ম দেন পাহাড়, উপত্যকা, জলপ্রপাত, ঝর্ণা, বাতাস, এবং অন্যান্য দেবতার। সমস্যাটা বাঁধে আগুনের দেবতা কাগুতসুচি(Kagutsuchi)র জন্মের সময়; ইজানামি খুব বাজেভাবে আগুনে পুড়ে যান। তারপরেও থেমে থাকেন নি ইজানামি; এই অবস্থাতেও আরও দেবতার জন্ম দিতে থাকেন এবং কিছুদিনের মাঝেই মারা যান।

মৃত্যুর পর ইজানামির জায়গা হয় ইয়োমি সু কুনি(Yomi-tsu Kuni)তে। তাকে ফিরিয়ে আনতে ইজানাগি রওনা হন ইয়োমির পথে। সেখানে ইজানামি অন্ধকারের মাঝে তাকে বরণ করে নেন। ইজানামি তাকে অনুরোধ করেন যতক্ষণ না ইয়োমির দেবতার কাছ থেকে অনুমতি আদায় করতে পারেন ততক্ষণ যেন তার দিকে না তাকান ইজানাগি। কিন্তু স্ত্রীকে দেখার পরম আকাঙ্ক্ষায় ইজানাগি আলো জ্বেলে ইজানামিকে দেখতে উদ্যত হন। কিন্তু ইজানামির পচা গলা মৃতদেহ দেখে আতঙ্কিত ইজানাগি পালিয়ে আসেন ইয়োমি থেকে।

ফিরে এসে ইজানাগি নিজেকে পবিত্র করার জন্য স্নানের ব্যাবস্থা করেন। এ সময় ইজানাগির কাপড় এবং শরীর থেকে আরও কিছু দেবতার সৃষ্টি হয় যাদের মধ্যে ছিল সূর্যদেবী আমাতেরাসু ( Amaterasu), চন্দ্রদেবতা সুকিয়মি(Tsuki-yomi) এবং ঝড়ের দেবতা সুসানো (Susano-ô) – যাদের মাঝে পরে ইজানাগি তার রাজত্ব ভাগ করে দেন।

মুভির ঘটনাপ্রবাহ যথেষ্ট সহজ সরল এবং কিছুটা একমুখী। এবং বেশ কিছু জায়গায়ই অনেক প্রশ্নের উত্তর দেবার চেষ্টাও করে নি। ক্লাভিস নিয়ে মুভিতে এতো ঘটনা ঘটল; কিন্তু শেষ পর্যন্ত ক্লাভিস কি জিনিস (“মাটির নিচের পৃথিবীর চাবি” – শুধু এইটুকুতে আসলে সব প্রশ্নের উত্তর হয় না) কিংবা আসুনা কি করে ক্লাভিসের অংশ হাত করে নিল – সেই প্রশ্নের কোন জবাব নেই গোটা মুভি জুড়ে। আসুনা আর রিয়ুজি একবার আগার্থায় (By the way, মাটির নিচের পৃথিবীর আরেক নাম আগার্থা) প্রবেশ করার পর উপরের পৃথিবীর কথা একেবারে বেমালুম ভুলে গেল সবাই। উপরে আসুনার মায়ের কি হল, রিয়ুজির সাথে থাকা সঙ্গী সাথীদের কি হল – মুভির শেষেও এইরকম কোন কিছুরই উত্তর পাওয়া যায় না। মুভির কিছু কিছু জায়গায় পানি সংক্রান্ত জটিলতাও ছিল; কিছু পানিতে শ্বাস নেওয়া যায়, কিছু জায়গায় সেভাবে যায় না; আগার্থার যে যে জায়গায় দরকার সেখানে সেখানে ভিটা আকুয়া(শ্বাস নেওয়া যায় এমন পানি)র ব্যাবস্থাটা খানিক্টা হলেও কাহিনীর বিশ্বাসযোগ্যতা কমিয়ে দেয়।

মুভিটা প্রথম প্রায় ৩০ মিনিট ব্যয় করে চরিত্রগুলোকে আমাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে; এবং এই ৩০ মিনিটে আমরা আসলে কোন আভাসই পাই না সামনে কি হতে যাচ্ছে। এবং এই প্রথম পর্বে আমরা আসুনার জীবন যাপন দেখতে পাই, তার চারপাশের পরিবেশ দেখতে পাই – যেটার আসলে বাকি মুভিতে মোটেও খুব একটা গুরুত্ব নেই। এবং এই সময়ের মাঝে এমন গুরুত্বপূর্ণ কিছুও ঘটে না যেটা আসলে বাকি মুভিতে তেমন প্রভাব ফেলে। দু’তিনটে চরিত্রকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য এতো লম্বা সময় নিয়ে নেওয়াটা খানিকটা হতাশাজনকই ছিল।

মুভিটা চরিত্রনির্ভরতার বদলে পুরোপুরিই গল্প নির্ভর ছিল। সমস্ত সময় জুড়েই আসুনা এবং রিয়ুজির অভিযানই ফোকাসে ছিল, চরিত্রগুলো নয়। সেই কারণে কোন চরিত্রই খুব বেশি স্বতন্ত্রতার সুযোগ পায় নি। মাঝে মাঝে ফ্ল্যাশব্যাক এবং পিছনের ঘটনার যে সব বর্ণনা এসেছে তাও গল্পের প্রয়োজনেই।

শিনকাই এর অন্যান্য মুভির মতন এই মুভিরও আর্টওয়ার্ক খুবই চমৎকার; যদিও “হারিয়ে যাওয়া জগত” কিংবা “মাটির নিচের রাজ্য” চেনাজানা পৃথিবীর মতনই ছিল অনেকটা। এনিমেশন খুব ফ্লুইড, সিজি থেকে শুরু করে সব কাজই খুব যত্ন নিয়ে করা ছিল; কোথাও কোন কিছু বেখাপ্পা লাগে নি। চরিত্র রুপায়ন অবশ্য খুব একটা আহামরি ছিল না; আসুনা, শিন, শুন বা রিয়ুজি – সবগুলো চরিত্রের ডিজাইনই কম বেশি একমুখী ছিল। তবে মিমি এবং গেটকিপারদের ডিজাইন ছিল খুব রিফ্রেশিং। আর সিমপ্লিসিটি থাকার কারণে প্রত্যেকটা চরিত্রকেই আলাদা করা গিয়েছে খুব সহজেই। কিছু কিছু দৃশ্য, বিশেষ করে আগার্থার চম্পকরথ কিংবা রাতের আকাশ অথবা সামনের খোলা প্রান্তরের নিখুঁত চিত্রায়ন – রীতিমত শ্বাসরুদ্ধকর। আরেকটা উল্লেখযোগ্য বিষয় হল পুরো মুভি জুড়েই উজ্জ্বল রঙের ছড়াছড়ি – পুরো গল্পটাকে একেবারে জীবন্ত করে তুলেছে যেন !

সাউন্ডট্র্যাকও বেশ ভাল ছিল, বিশেষ করে থিম সং “Hello, Goodbye and Hello” দুর্দান্ত ছিল।

খুব আহামরি কোন কিছু হয়ত না; কিন্তু শিনকাইর নামই বোধহয় জানিয়ে দেয় একটা দুর্দান্ত সেটিং এ স্নিগ্ধ একটা গল্পের কথা। দুটো চমৎকার ঘন্টা কাটাতে এর চেয়ে বেশি আর কি লাগে? :)