এফ এ সি ১৩ by Farsim Ahmed

রান্ডম টপিক

হানাকো-সান

hanako

জাপানের স্কুলে থার্ড ফ্লোরে মেয়েদের টয়লেটের থার্ড স্টলে যদি তিন বার নক করে বলেন, ”হানাকো-সান, তুমি কি ওখানে আছ?” জবাব পাওয়া যাবে, ”হ্যা।” স্টলে ঢুকলে আপনি দেখতে পাবেন লাল স্কার্ট পরা এক ছোটো মেয়েকে, যে কিনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মারা গেছে।

জাপানের সবচেয়ে সেলিব্রেটেড ভূতগুলোর মধ্যে একটা হলো হানাকো সান। একে নিয়ে মাঙ্গা হয়েছে, আনিমে হয়েছে, মুভিও হয়েছে। ফ্র্যান্কলি, সবচেয়ে পিকুলিয়ার ভূতের গুজব আছে সম্ভবত মালয়েশিয়াতে, এরপরে জাপানে। জাপানের ভুত্গুলোকে নিয়ে আরো জানতে চলে যান এই লিঙ্কে।http://www.cracked.com/funny-7186-8-scary-japanese-urban-legends/

 

 

 

আনিমে সাজেশন

শিনসেকাই ইওরী(Shinsekai Yori)

shinsekai yori

বর্তমান সময়  থেকে এক মিলেনিয়াম পরে জাপানে এক সুশৃঙ্খল সমাজ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। এই ব্যবস্থায় শাসক শ্রেণী হলো কান্তাস(এক ধরনের সাইকিক পাওয়ার) ব্যবহার করতে পারদর্শী মানুষ, আর শাসিত শ্রেণী হচ্ছে বাকেনেজুমি(ইঁদুরমুখো দু-পেয়ে এক প্রজাতি )। কাহিনীর নায়িকা সাকি তার কান্তাসকে আরো ভালোভাবে ব্যবহার করতে শেখার জন্য ট্রেনিং স্কুলে গেল তার বন্ধুদের সাথে। এই অবস্থায় তারা এক যন্ত্রের কাছ থেকে আবিষ্কার করলো, তাদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা হচ্ছে ১০০০ বছরের রহস্যময় ইতিহাস, যা প্রকাশ পেলে পাল্টে ফেলতে পারে পুরো সমাজ ব্যবস্থাকেই। সাকির দুই বন্ধু নৃশংসভাবে খুন হলো, আরেক বন্ধু রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গেল। কি করবে এখন সাকি?

কেন দেখবেনঃ সাইকোলজিক্যাল-হরর ঘরানার এই আনিমের সবচেয়ে স্ট্রং পয়েন্ট হলো এর প্লট, এটা বলে দেয়া যায়, এরকম ইউনিক প্লট খুব কম পাবেন। অসাধারণ সাউন্ডট্র্যাক সঠিক সব জায়গায়, সেই সাথে ভয়াবহ শকিং লাস্ট এপিসোড, এক কথায় ২০১৩ এর টপ ১০ এ থাকার মত এই আনিমে। এর প্রশংসা একটু বেশিই করছি, কারণ আনিমেটা বাংলাদেশে রীতিমত আন্ডার এপ্রিশিয়েটেড।

কেন দেখবেন না: বিল্ডিং আপ একটু স্লো, আর খানিকটা ইয়াওই এবং ইউরি এলিমেন্ট আছে, তবে সবই কাহিনীর প্রয়োজনে, এবং কখনোই মাত্রাতিরিক্ত নয়।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৪৬

আমার রেটিং ৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

নব্লেস(Noblesse)

노블레스2-1표지.indd

হান শিনউর হঠাত দেখা হয়ে গেল বোকাসোকা রাইয়ের সাথে। তার স্কুলের হেডমাস্টার ফ্র্যান্কেনস্টাইনের কথামত রাইকে সে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করলো, চমত্কার বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো তাদের মধ্যে। কিন্তু শিনউ কি জানত, রাই আসলে ৮২০ বছরের দীর্ঘ নিদ্রাভঙ্গ করে কফিন থেকে উঠে আসা এক ভয়াবহ অতিপ্রাকৃত ক্ষমতাশালী নোবেল, কাদিস এত্রামা ডি রাইজেল? আর সে হচ্ছে সব নোবেলদের রক্ষক, সবচেয়ে শক্তিশালী নোবেল, ”নব্লেস”?

 

কেন পড়বেনঃদারুন কাহিনী, কোথাও ঠেকে যাবার জো নেই, চমত্কার সব ফাইটিং সিন, প্রয়োজনে জায়গামত কোয়ালিটি গ্যাগ এলিমেন্ট আছে। ওয়েবটুন্, তাই পুরোটাই রঙিন, আনিমে দেখার স্বাদ মাঙ্গা পড়ে পাওয়া যায়। এছাড়া টিপিক্যাল সৌনেন মাঙ্গাতে যেমন নায়ককে যথেষ্ঠ স্ট্রাগল আর ট্রেনিং করে শক্তিশালী হতে হয়, এখানে নায়ক অলরেডি সবচেয়ে শক্তিশালী, কাজেই অন্য রকম একটা টেস্ট পাওয়া যাবে।

 

কেন পড়বেন নাঃনা পড়ার কোনো কারণ নেই। 

 

ম্যাল রেটিং ৮.৬৯

আমার রেটিং নেই, যেহেতু কমপ্লিট হয়নি।

GINTAMA: ROAD TO YOROZUYA GIN-CHAN – কেন গিনতামা নাহ দেখাটা বিরাট ভুল হবে by Kazi Rafi

Gintama, এই এনিমের নাম কমবেশি আমরা সবাই শুনছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে খুব কম মানুষেরই এই এনিমেটা পুরাপুরি দেখা হয়ে উঠছে, এর পিছনে আছে বহু কারন- অধিক সংখ্যক পর্ব, এই এতগুলা পর্ব দেখার সময় সংকট, বিগ ৩ সহ অন্যান্য পপুলার সউনেন বা ইত্যাদি জেনারের সিরিজের আড়ালে চাপা পরে যাওয়া, এছাড়া আরও বড় একটা কারন হচ্ছে মানুষের মনের ভ্রান্ত ধারণা যে এটি শুধুই একটি গ্যাগ এনিমে যার কোন মেইন স্টোরিলাইন নেই, যেটা অনেকেরই গিনতামা দেখার প্রতি এতো অনাগ্রহের কারন!!! এবং এইখানেই সবাই বিরাট ভুলটা করছে !!! আমি আমার এই পোস্টে যারা এখনো গিনতামা দেখেনি তাদেরকে খুবই সংক্ষেপে একটা ধারণা দেওয়ার অপপ্রয়াশ চালাবো !

Q. Gintama কি?

A. গিনতামা হচ্ছে ২৬৫ পর্বের একটি গ্যাগ কমেডি, প্যারডিমার্কা শউনেন এনিমে !

Q. Gintama’র কাহিনী কি ?

A. সবার সুবিধার্থে কাহিনিসংক্ষেপ ইংরেজিতে দেওয়া হল-
“Gintama revolves around a fictional Edo period in which aliens called Amanto have taken over and are living among the Edo people. The Edo people initially tried to get rid of the Amanto, but failed; the Amanto placing a ban on carrying swords in public. The story revolves around three characters; Sakata Gintoki, a white-haired sweets-loving samurai, Shimura Shinpachi, a teenage samurai novice, and Kagura, a super-powerful alien girl who has lost her home. The three starts a business called the Yorozuya (lit. “We Do Everything”) in which they help people do everything and anything. The series basically follows the misadventures of the three main characters as they fight all sorts of crazy situations and meet a lot of people along the way, form friendships, bonds and even ruin a few days here and there.”

জি হ্যাঁ, গিনতামার ইউনিভার্সটা ঠিক এরকমই উদ্ভট আর আজগুবি যেখানে ফিউডাল জাপানে সামুরাই আর এলিনেরা একসঙ্গে পাশাপাশি বসবাস করে ! এ যেন অনেকটা বিখ্যাত স্টার ওয়ারস আর আমাদের রুরউনি কেনশিন আকা সামুরাই এক্স এর এক মিশ্রিত জগাখিচুড়ি !!!!

Q. Gintamaর মূল চরিত্র দের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য আর কারাকারা আছে?

A. গিনতোকি, সিনপাচি আর কাগুরার উপরের কাহিনিসংক্ষেপে যে চরিত্রের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে তার বাইরে আর কিছু এখন বললাম নাহ, কারন তারা এই সিরিজের মূল চরিত্র হওয়ার কারনে তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড এবং তাদেরকে ঘিরে অনেক গুলো আর্ক গড়ে উঠেছে যার ব্যাপারে এখন বলতে গেলে স্পয়লার হয়ে যাবে। এদের পাশাপাশি গিনতামায় রয়েছে অন্যান্য আরও বিশাল সংখ্যক চরিত্র, যাদের প্রত্যেকের রয়েছে তাদের নিজস্ব চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং ব্যাকগ্রাউন্ড যাদের মধ্যে কারুর কারুর আবার রয়েছে এক অন্ধকার ইতিহাস, গিনতামার মেইন চরিত্র সমেত ! এই সব চরিত্রদের নিয়ে লিখতে বসলে আমার এই লেখা আর কখনোই শেষ হবে নাহ, কিন্তু তারপরেও এই বিশাল চরিত্রদের রেঞ্জের মধ্যে থেকে কয়েকজনের কথা উল্লেখ নাহ করলেই নয়, যেমন স্পেশাল মিলিটারি পুলিস ফোর্স Shinsengumi’র সেকেন্ড ইন কমান্ড, Demonic(রূপকার অর্থে) ভাইস ক্যাপ্টেন Hijikata Toshiro; ফার্স্ট ডিভিশনের ক্যাপ্টেন ‘The Sadistic Prince’ Okita Sougo; Shinsegumi’র হেড, ‘স্টকার’ Isao Kondo; গিনতোকির বাড়িওয়ালী Terada Ayano ওরফে Otose-San; সিনপাচির বড় বোন Shimura Tae ওরফে Otae-Chan; গিনতোকির বন্ধু, বর্তমান সরকারবিরোধী চরমপন্থি দলের নেতা Katsura Kotaro, কাতসুরার পোষা এলিয়েন বন্ধু এলিযাবেথ; গিনতোকি এবং কাতসুরার প্রাক্তন বন্ধু এবং বর্তমানে সিরিজের অন্যতম মূল ভিলেন, আরেক বিদ্রোহী ও চরমম্পন্থি দলের নেতা Takasugi Shinsuke, যার আসল লক্ষ্য হচ্ছে ফিউডাল জাপানকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া। তাকাসুগির পাশাপাশি সিরিজে আরও জনা কয়েক ভিলেন আছে কিন্তু আপাতত স্পয়লারজনিত কারনে তাদের প্রসঙ্গে গেলাম না ।

Q. কেন Gintama দেখবেন ?

A. কেন এই সিরিজটি আপনি দেখবেন তা জানতে হলে আগে আপনাকে নিজেকে কিছু স্পেসিফিক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে হবে। আপনি কি সউনিন জেনারের ভক্ত ? আপনার অতি প্রিয় এনিমের তালিকায় কি Naruto, One Piece, Bleach, Fairy Tail, Rurouni Kenshin, Katekyo Hitman Reborn সহ অন্যান্য জনপ্রিয় সউনিন জেনারের এনিমেগুলি আছে ? আপনি কি হাসতে হাসতে চোখ, নাক, মুখ দিয়ে পানি বের হয়ে যাওয়ার মতন কমেডি (সঙ্গে প্যারডি তো আছেই) এনিমের পাড়ভক্ত ? কমেডির সঙ্গে আপনার জন্য কি দম বন্ধ করা মার মার কাট কাট অ্যাকশন জেনারে এনিমে হলে আরও ভালো হয় ? আপনি কি একজন বিশিষ্ট পারভার্ট ??? আপনি কি মানুষজনদের নোংরা জোক বলে মজা পান ? অথবা আপনি কি আপনার মনকে একদম গভীর পর্যন্ত নাড়া দিবে এমন করিয়ান-ড্রামা, সিনেমা or ক্ল্যান্ড টাইপ ইমোশনাল এনিমে এদিক সেদিক খুজে বেরাচ্ছেন ??? এই সব প্রশ্নের একটারও যদি উত্তর আপনার হ্যাঁ হয়ে থাকে, তাইলে এইমুহুরতে আমি আপনাকে এই লেখাটা পড়া বাদ দিয়ে গিনতামা দেখা শুরু করে দিতে উপদেশ দিবো !! আর যদি আপনার কাছে ডাউনলোড করা নাহ থাকে তাহলে এখনই তা করা শুরু করে দিন আর একমুহূর্ত সময় নষ্ট নাহ করে।

Q. কেন Gintama দেখবেন নাহ ?

A. যদিও গিনতামার মতো এনিমে কারুর নাহ দেখার মতো কোনই কারন নাই, কিন্তু তারপরেও ২৬৫ পর্বের এনিমে দেখার মতন যাদের সময় বা ধৈর্য নেই, এই এনিমে তাদের জন্য নাহ !

এবার গিনতামার ব্যপারে কিছু কমন প্রশ্নের উত্তর-

১) গিনতামায় অনেক জাপানিজ কালচারাল এবং ইতিহাস বিষয়ক প্যারডি আছে যা আমি বুঝি নাহ।

উত্তরঃ যখন প্যারডি জোক গুলা করা হয় তখন স্ক্রিনের উপরে আলাদা ভাবে জোকের বিষয়ের রেফারেন্স দিয়ে দেওয়া হয়। তখন চাইলেই গুগল বা উইকি তে গিয়ে ব্যাপারটা বুঝে নিতে পারেন। আমি অন্তত অনেকটা তাই করসি, পরে গিয়ে গুগল ও উইকি তে গিয়ে বাপারটা বুঝে নিছি। যদিও এটা করার আসলে অতটা প্রয়জন হয়নাহ কারন জাপানের যেসব বিষয় নিয়ে গিনতামায় জোক করা হয়েছে তা এই এনিমে জাপানে যে সময়ে প্রচারিতো হয়েছে, মূলত সেই সময়কার চলতি বিসয়বস্তু নিয়েই ছিল, তো এখন তো সেইগুলা বুঝে অতটা লাভ নেই, কিন্তু হ্যাঁ ভয়েস অ্যাক্টরদের অসামান্য পারফরম্যান্সের কল্যাণে জোকটি আপনি বুঝতে নাহ পারলেও তার মজা থেকে একবিন্দুও বঞ্চিত হবেন নাহ, কারন প্রতিটা ভয়েস অ্যাক্টর এতটাই অস্থির কাজ এই এনিমেতে দেখইয়েছে। এখানে আমি গিনতামার সেইঊ দের ব্যাপারে একটি রিভিউ সাইটের কথা হুবু তুলে ধরছি আপনাদের জন্য-
“Particular props need to be given to the Seiyuu (Voice Actors) as they work exceptionally hard to make the anime interesting. At times they have nothing more than a still image, with their voices alone to carry the entire show on their shoulders. And carry the burden they do, and do a very good job.”

২) গিনতামায় ভালো অ্যাকশন তো দূরে থাকুক নারুটো, ব্লিচ, ওয়ান পিসের মতন কোন মেজর স্টরিলাইন/প্লটই নাই।

উত্তরঃ এই চিন্তা করে আপনি গিনতামা না দেখলে আপনার এনিমে দেখার লাইফে সবচেয়ে বড় ভুলটা করবেন। এটির গ্যাগ কমেডি এনিমে ছদ্মবেশের আড়ালে বেশ অনেকগুলি গুরুত্বপূর্ণ কাহিনী ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে এবং উঠছে যা একটি বিশাল মেজর স্টরিলাইনের অংশ এবং জি হ্যাঁ, এই সব ‘গুরুত্বপূর্ণ’ কাহিনীগুলা নিয়েই গড়ে উঠেছে গিনতামার বিভিন্ন Serious Arc!! মেজর স্টরিলাইনের অংশ নয় এমন প্লট নিয়েও সিরিয়াস আর্ক আছে গিনতামায় আপ্নাদের সুবিদার্থে ! আর অ্যাকশন ?? অনেক ‘নামকরা’ ব্যাটেল এনিমের চেয়ো দম বন্ধ করা অস্থিররকমের দুর্দান্ত সব অ্যাকশন আপনি গিনতামার প্রতিটা সিরিয়াস আর্কে তো পাবেনই সেই সাথে এমনে অনেক সময়েও অনেক নরমাল পর্বেও দেখবেন !!! আর একেকটা ফাইটের ফ্লুয়িড এনিমেশন দেখলেই বুঝা যায় সেইগুলার পিছনে Sunrise কি পরিমান টাকা ঢালছে ! দেখুন গিনতামার অ্যাকশনের ব্যাপারে রিভিউয়ার দের কি বলার আছে-
“One thing to note from are the fight scenes which were animated brilliantly. We won’t see things like ‘magical powers’ and ‘super shot’ and stuffs. Of cause, we won’t see mountains or landscapes getting destroyed in a single blow either. Instead, we see very realistic fight scenes which make us feel the pain and impact of each blows and is another good point of this series.”

“Moreover, the serious arcs in the series consistently enjoy top-notched animation; the fight scenes are especially well-animated, giving the viewers an epic feel.”

যাইহোক, আশাকরি আমি আমার এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাদেরকে মোটামুটি একটা ধারণা দিতে পেরেছি কেন আপনাদের এই মহাকাব্বিক এনিমেটা মিস করা মোটেও উচিত হবে নাহ ! তো, আর দেরি নাহ করে বসে পড়ুন এবং পরিচিত হন এনিমে বিশ্বের এক ও অদ্বিতীয় ট্রল রাজা, নোংরা জোকের উপর ডিগ্রিধারী, ‘The White Demon’ সাকাতা গিনতকি, ও তার আশেপাশে ঘুরঘুর করতে থাকা সব বোকার দলগুলির সাথে এবং তাদের সঙ্গে বেড়িয়ে পড়ুন এক অজানা এদো যুগের রোমাঞ্চকর ও দুঃসাহসিক সব অভিযানে আর সেই সাথে………..হ্যাঁ, আর সেই সাথে গিনতকি, সিনপাচি এবং কাগুরার সাথে একসঙ্গে গলা মিলিয়ে চেচিয়ে উঠুন- “JUST DO IT” !!!!!!!!!

Gintama

Coffee With Asif (CWA): লিজেন্ড অফ কোরা – দ্বিতীয় সিজন সমাপ্তি পর্যালোচনা

(This review contains spoiler about avatar: Legend of Korra: Season 2)

মুভি; ইংলিশ টিভি সিরিজ কিংবা এনিম সিরিজ – সবজায়গাতেই মাঝে মাঝেই একটা বিষয় লক্ষ্য করা যায়; প্রথম সিজনের প্রবল সাফল্যের পিছু পিছু যখন দ্বিতীয় সিজন বাজারে আসে; প্রথমটার সাথে মিলিয়ে তুলনায় প্রায়শই সেটা হতাশায় পরিণত হয়। Avatar – legend of korra কমবেশি সেই দলেরই নতুন সংযোজন। আলাদাভাবে সিরিজটা যতই উপভোগ্য হোক না কেন; avatar ang এর সাথে মিলিয়ে প্রায় অনেকেই avatar korra কে “হতাশাজনক” বলেই মনে করেন। তবে আমি অন্য কারো সাথে তুলনায় না গিয়ে যদি আলাদাভাবে এই সিরিজটাকে মূল্যায়ন করি তাহলে আমার কাছে legend of korra A+ মার্কসই পাবে। I have at least enjoyed the show; to say the list. 

(এভাটারঃ লিজেন্ড অব কোরা দেখে প্রতি মুহূর্তে যেটা মনে হয়, এং এর মধ্যে যে অস্থির স্মার্টনেসটা ছিল কোরা তার ধারে কাছেও নাই, এভাটারের ফানটা খুবই ক্লাস ছিল যেখানে কোরার ক্ষেত্রে পুরা মাঠে মারা গেছে, সবচেয়ে বেশি গায়ে লাগে যেটা, এং প্রথমে শুধু এয়ারবেন্ডার ছিল দেন আস্তে আস্তে সব শিখছে, কিন্তু তারপর ও কোন ফাইটেই তার খুব একটা আউটক্লাসড হতে হয় নি, সব সময় ই সে কিছু না কিছু করে চালিয়ে নিত, আর কোরা এত্তগুলা এলিমেন্ট পেরেও শুধু মাইর খায়। – পাব্লিক রিএকশন) 

এই রিভিউ মুলত korra এর দ্বিতীয় সিজনের মতামত নিয়ে লেখা; সুতরাং সেদিকেই দৃষ্টি ফেরানো যাক। আগের সিজনের বেশ কিছু হতাশাজনক দিক – যেমন স্পিরিট জগতের সাথে korraর যোগাযোগ দৃশ্যত বর্জিত ছিল প্রথম সিজনে (একজন এভাটারের বড় একটা দিকই যেখানে স্পিরিট জগতের সাথে যোগাযোগ রাখা); কিন্তু পুরো সিরিজের মাঝে এবং শেষে বেশ কিছু প্রশ্ন এবং বেশ কিছু হতাশাজনক ক্লিশে দৃশ্য পুরো সিরিজটিকে “শতভাগ সফল” হতে দেয় নি। একে একে সবগুলো ইস্যুই দেখা যাক।

(এং-এর সাথে কারও তুলনা চলেই না! সে অন্যান্য এভাটারদের তুলনাতে আগে থেকেই স্পেশাল।
আর কোরা পুরাই আনকোরা টাইপ এভাটার। দুইজন পুরাই দুই মেরুর ক্যারেক্টার। এং যেখানে মঙ্ক, সেখানে কোরা হলো পিচ্চিকাল থেকেই খেপাটে আর শো-অফ পছন্দ করে!
এই দুই টাইপ এভাটারের আচরণ, কৌশল, সাফল্য অবশ্যই এক হবে না।
তারউপর এং এর কাহিনি যখন শুরু হয় তখন ১০০ বছর ধরে চলে আসা দ্বন্দ্ব যুদ্ধ ছিল, অস্থিরতা ছিল। কোরা যখন আসে, তখন অলরেডি এং একটা সুন্দর আর এডভান্সড দুনিয়া রেখে যায়
তাই এং এর কাহিনির মত কিছু পাব না এইটা জেনেই কোরা দেখি। সব কিছু মিলিয়ে আমার এইটা বেশ ভালই লাগে !!! 
– পাব্লিক রিএকশন) 

## প্রথম সিজনের মতই এই সিজনেও শেষটা কেমন যেন জোর করে এবং তাড়াহুড়া করে হয়েছে বলেই মনে হয়েছে। স্পিরিট জগতের সাথে দৃশ্যত যোগাযোগবিচ্ছিন্ন কোরা হটাত করেই এতো অল্প সময়ের মাঝে এতো বিচরন এবং এতো শক্তি কিভাবে পেল যে রাভার সাহায্য ছাড়া নিজের শক্তিতে ভাতুর মতন স্পিরিট এবং উনালকের যৌথ শক্তির সাথেও সে ফাইট করে জিতে গেল? আর সময় বৃক্ষের মাঝে বসে কসমিক লাইট খুজে পাওয়ার দৃশ্য দেখে একটা কথাই মনে পড়ে গেসে – “There is a magical solution of every problem of the hero”.

(জিনোরার রোলটা ক্লিয়ার হলো না। এরা পার সিজন কাহিনী শেষ করে, লেজেন্ড অব আং এর মত না, কাজেই ব্যাখ্যা দরকার ছিল।
বুমির ক্যারেক্টারটা একদম শেষদিকে গিয়ে সোক্কার কথা মনে করিয়ে দিয়েছে, ওয়ান আর বুমিই আসলে এই সিরিজের পাওয়া।
আর ১০০০০ বছরের ডার্কনেসকে এত সহজে হারানো, কিভাবে কি। ডার্ক অবতারকে আরো কয়েক পর্ব ধরে দেখানো দরকার ছিল, কিভাবে সে ত্রাস ছড়ায়। পরের সিজনে ব্যাপারটা নিয়ে যেতে পারত। তারপর ভালো একটা সৌনেন ভাইব আনা যেত। ডার্ক অবতারের চেহারাও খুব একটা সুবিধার না, টিপিক্যাল পাওয়ার রেঞ্জার এর ভিলেনগুলোর মত দেখতে। এপিসোড ৭ থেকে বিল্ডাপ বেশ ভালো ছিল, কিন্তু শেষমেষ তো ব্যাপারটা খুব বেশি ক্লিশে হয়ে গেল। – পাবলিক রিএকশন) 

## জেনোরা কে; তার শক্তির রহস্য কি; প্রকৃতি কি; কোরাকে যখন সে হেল্প করেছে সেটার প্রকৃতি কি ছিল – এইরকম হাজারো প্রশ্ন অমীমাংসিত রেখেই সিরিজ শেষ হয়ে গেসে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়েছে; আলাদা সিগ্নিফিক্যান্ট কোন চরিত্র নয়; বরং কোরার দুর্বলতা কাটানোর জন্য আরেকটা “magical solution” এই জেনোরা। 

## উনালক শুধু একজন ওয়াটার বেন্ডার। সে কিভাবে “এভাটার” হতে চেয়েছিল বা হয়েছিল তারও মীমাংসা হয় নি সিরিজে (যদিও এটা তেমন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু না; আর “রাভা তাকে সব বেন্ডিং পাওয়ার দিয়েছে” ব্যাখ্যার মাধ্যমে এইটা উৎরে যাওয়া যায়। 

## কোন রকম ইন্টারেকশন; কথাবার্তা ছাড়াই দুটো জায়ান্ট মারামারি করে যাচ্ছে – এই জায়গাটা আমার তেমন একটা পছন্দ হয় নি। পুর ফাইটের দৃশ্য যথেষ্ট ভাল হলেও অনেক ক্ষেত্রেই বোরিং লেগেছে। 

## জেনারেল আয়রোর স্পিরিট ওয়ার্ল্ডে ঘুরাফেরার প্রক্রিয়াটা আমার কাছে ঠিক পরিষ্কার না। এইটা আরেকবার সিরিজটা রিভিশন দেওয়ার সময় বুঝতে পারব বলে আশা করতেসি। 

## কিছু কিছু চরিত্রের উপর থেকে গুরুত্ব একেবারেই তুলে দেওয়া; যেমন – asami. এছাড়া মাকো – কোরা; মাকো – আসামি; বোলেন – এস্কা – এই সম্পর্কগুলোও মোটামুটি unresolved অবস্থায় শেষ হয়েছে। সেটা অবশ্য “সাম্নের সিজনে পরিষ্কার হবে” যুক্তিতে মেনে নেওয়া যায়। 

(সিজানটা শুরুতেই, তুলনামূলক ভাবে আগের সিজান থেকে মোটামুটি ভালোই শুরু করে। আভাটার wan আসার পর তো Avatar the legend of korra এর মোরটাই ঘুরে গেল। অস্থির হওয়া শুরু করল অল থেঙ্কস তো আভাটার ওয়ান! এরপরের এপিগুলার ফাইট,স্টোরি সব বেশ ভালো ছিল। কিন্তু ‘কররা’ থেকে ‘জিনরা’ যেন বেশী অস্থির ছিল এই সিজানে, এমনকি শেষ এপিতে তো মনে হল যেন ‘জেনরাই’ পৃথিবীকে সেইভ করল। কিন্তু কোন ক্রেডিট দিলো না!! অদ্ভুত লাগলো আর একটা ব্যাপার ক্লিয়ার না, ‘জিনোরা’ যে লাইট নিয়ে নামলো সেটা কি ভাবে সেটা দেখাল না হয়তো পরের সিজানে দেখাব!! আর আশা করি নেক্সট সিজানে আভাটার আরও মেচিউর হবে । – পাবলিক রিএকশন) 

## এই সিরিজের সবচেয়ে বড় পাওয়া বোধহয় টেনজেনের টেনযেন হয়ে ওঠা। তার “I am Tenzin. I am Tenzin!” মন্ত্র যেন আমার জন্যই বলা; আমাকেই বলা!!! Avatar Ang এর ছায়া থেকে বেড়িয়ে টেনজেনের নিজেকে খুজে পাওয়া তাই এই সিরিজে আমার সবচেয়ে প্রিয় দিক। 

## পুরো সিরিজের সবচেয়ে পাওয়ারফুল চরিত্র আমার দৃষ্টিতে প্রথম এভাতার wan. চরিত্রটি বেশ ভালভাবে তৈরি করা এবং যথেষ্ট likeable. 

## বুমির এককভাবে সম্পূর্ণ একটা ইউনিট শেষ করে ফেলার দৃশ্যটা বেশ চমকপ্রদ ছিল। at least we came to know spirit likes music !!! Well; at least most of them!!! :P 

দিনশেষে ang এর সাথে তুলনা না করে এবং পুরো সিরিজের সাথে emotional attachment এর কথা মাথায় না নিয়ে শুধু এন্টারটেনমেন্ট এর ভিউ থেকে দেখলে korra অবশ্যই সফল। তবে প্রোডাকশন হাউজ অল্প কিছু পর্বে অনেক কিছু দেখানোর চেষ্টা করার ভুলের মাশুল দ্বিতীয়বার গুণতেছে বলেই মনে হচ্ছে আমার !!!

 

Berserk : the darkness review by Sabbir Bin Taher

এই গ্রুপে আছি অনেকদিন।লাইক,মাঝে মাঝে কমেন্ট এবং এখনও পর্যন্ত একটা পোস্ট ছাড়া অন্য কোন কন্ট্রিবিউশন করা হইনি।(তার জন্য গ্রুপের অভিজ্ঞ সদস্যরা দায়ি।)

বিখ্যাত এবং পরিচিত সব টিভি সিরিজ এবং এনিমে মোটামুটি দেখা হয়েছে। সিরিজ ক্যাটেগরিতে “দ্য অয়্যার”(BB এর শেষ সিজন ডিএল করা আছে,কালকে সমাপ্ত করে না হয় মন্তব্য করব ) এবং এনিমে ক্যাটেগরিতে “এফ এম এ ব্রাদারহুড” এখনও আমার দেখা বেষ্ট।গ্রুপে এত্ত ম্যাচুর সিরিযালখোর এসব নিয়ে লিখেছেন যে এগুলো নিয়ে লেখাটা বাহুল্য হয়ে যাবে।

কিন্ত কয়েকদিন আগে এমন একটা এনিমে দেখলাম মনে হল এটা নিয়ে কিছু না লেখাটা অন্যায় হয়ে যাবে।

বারসারক/ Berserk
Year of Release : 1997
No of Episodes : 25
Duration of Episodes : 22 minutes

গাটস নামের এক সোরডসম্যান,তার সহযোদ্দা এবং তাদের নেতা গ্রিফিথ এর গল্প বলা হয়েছে এই এনিমে। দেখানো হয়েছে গাটস এর নিরন্তর নিজেকে খুজে ফেরা এবং তাদের নেতা গ্রিফিথ এর প্রতি তাদের অগাধ আনুগত্য এবং গ্রিফিথ এর স্বপ্নের বাস্তবায়ন।

ঠিক কিভাবে বর্ণনা করব এনিমেটার।তিন মূল চরিত্রের ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট এনিমে তো এনিমে, অনেক ভাল টিভি সিরিজেও পাইনি।প্রাসাদ ষড়যন্ত্র,রাজনীতি,যুদ্ধ কোশল সবই আছে।এক্টা ক্যারেক্টার তো গেইম অব থ্রোন্স এর লর্ড ভ্যরিস এর কথা মনে করিয়ে দিল।

কিনতু দিন শেষে সবচেয়ে সবচেয়ে যেটা আমাকে আকৃষ্ট করল সেটা হল এটার চরম ডারকনেস।এনিমের মত মাধ্যমে যে এরকম ডার্ক কিছু বানানো যায় এটা আমি কল্পনাও করতে পারিনি।শেষের ৫ টা এপিসড তো পুরা…………………আরে ফিনিসিংটা টা এমন আপনার মনে হবে আরো ২৫ এপিসড কেন করলনা?

অনেক কিছু লেখা সত্তেও মনে হল এনিমেটা নিয়ে কোন সুবিচার করতে পারলাম না।তাই অনুরোধ রইল হাতে যদি ৭ ঘন্টার মত সময় থাকে তাহলে এটা দেখুন।

বি দ্র
-ম্যচুর লোকজন এটা দেখবেন।(হেক্ট্ররদের জন্য এটি নয়)।
-গ্রিফিথ এবং গাটস এর মত এরকম ইন্ত্রিগিং ক্যারেকতার কম দেখসি।
-এন্দিংটা অনেক অনেক ডার্ক।

http://www.imdb.com/title/tt0318871/?ref_=nv_sr_1

Out of Sight [ONA] Review by Tahsin Faruque Aninda

11

ছোট্ট একটি শর্ট ফিল্ম আনিমে, যা মনে সুন্দর ছাপ রেখে যাবে কোন সন্দেহ নাই!
কালারফুল দৃশ্য আর চমৎকার মিউজিকের এই শর্ট ফিল্ম দেখার কিছুক্ষণের মধ্যেই বুঝা যাবে সেন্টিমেন্টাল জিনিস নিয়ে কাহিনি হলেও আসলে ঘটনাটা খুবই heartwarming!
ছোট্ট একটা মেয়ের সাথে থাকা ব্যাগ ছিন্তাই হয়ে যায়, তার সাথে থাকা কুকুরটি সেই ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করতে দৌড় দেয়, আর শুরু হয় মেয়েটির আশেপাশের পরিবেশকে নতুন করে দেখা!

৫ মিনিটের শর্ট ফিল্মের কাহিনির একটু কিছু বলতে গেলেও সেটা স্পয়লার হয়ে যাবে। তাই আর বেশি দেরি না করে ঝটপট এই শর্ট ফিল্মটি দেখি নেই আমরা যারা দেখি নি এখনও! 

আমার রেটিং: 9/10

লিংক:

https://www.youtube.com/watch?v=4qCbiCxBd2M

Phantom: Requiem for Phantom review by Farhad Mohsin

phantom_requiem_for_the_phantom-1390073
বছর দুয়েক আগে দেখা একটা এনিমে নিয়ে লিখছি, মেমোরি থেকে, একবার শুধু উইকি থেকে ঢুঁ মেরেছিলাম ক্যারেক্টারের নাম ঠিক মনে আছে কিনা দেখার জন্য। যাইহোক,
এনিমের নাম: Phantom: Requiem for Phantom
কাহিনীর শুরুতেই হিরো জেগে উঠে বুঝতে পারে যে তার কিছু মনে নাই, শুধু এটুকু মনে আছে যে তাকে কেউ খুন করার চেষ্টা করছিল। এবং কিছুক্ষণের মাঝেই সে আবার আগের আক্রমনকারীর কাছেই আক্রমণের শিকার হয়। তাকে জানানো হয় নিজের জীবন বাঁচাতে হলে লড়াই করতে হবে এবং সে তা করে, এবং মৃত্যু থেকে আপাত রক্ষা পায় আর কি।
এরপর তাকে জানানো হয় তার সামনে দুইটা অপশন, এক: মৃত্যু অথবা দুই: অ্যাসাসিন হিসেবে ট্রেনিং নেওয়া। কেন তাকে ঠিক করা হয়, সে কে এসব সম্বন্ধে কিছু তাকে বলা হয় না। তার ট্রেনার হবে তার আক্রমনকারী, যে হচ্ছে Ein(one) এবং তার নিজের নাম হবে এখন থেকে Zwei(two).
মূলত Zwei এবং তার আগে Ein হচ্ছে একটা অর্গানাইজেশনের পারফেক্ট অ্যাসাসিন ট্রেন করার একটা এক্সপেরিমেন্টের অংশ। যার প্রথম অংশ হিসেবে দুজনেরই পাস্ট মেমোরি বলতে কিছু নাই, এবং এরপর রিগোরাস ট্রেনিং এর মধ্যে দিয়ে যেতে হয়।
একই সাথে অ্যাসাসিন হয়ে উঠার গল্প, নিজেদের অরিজিন খুঁজে ফেরার গল্প, এবং তাদের জন্য অন্যরা যে ডেস্টিনি ঠিক করে দিয়েছে তা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করার গল্প।
পুরো সিরিজে সে অর্থে হিউমার নাই বললেই চলে, তবে যথেষ্ট সাস্পেন্সফুল, অ্যাকশন সিকুয়েন্স খুবই ভালো, ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্টও বেশ ভালো। যাদের অনেক ‘কেন?’ ‘কেন’ জিজ্ঞাসা, তাদের খারাপ লাগার সম্ভাবনা আছে, কারণ যদ্দুর মনে পড়ে মূল ক্যারেক্টারদের কারও পাস্ট, বা তাদের কিভাবে কেন বাছাই করা হল এসব খুব একটা ব্যাখ্যা করা হয় নাই।
1346156687_snapshot20090807000047

সব মিলিয়ে যথেষ্ট ভালো একটা এনিমে। আমার সেইসময় খুবই ভালো লেগেছিল। আজকে ডার্কার দ্যান ব্ল্যাকের হেই’র মুখোশ দেখে হঠাত আমার Zwei এর কথা মনে পড়ল আর তারপর বিকালে দেখি একজন তার ছবিও পোস্ট করেছে। তবে মনে হয় খুব বেশি মানুষ দেখে নাই। একটাই সিজন, বেশি সময় লাগবে না, যাদের action, thriller ইত্যাদি genre ভালো লাগে, তাদের দেখে ফেলার সাজেশন দিচ্ছি।

513697464

MAL link: http://myanimelist.net/anime/5682/Phantom:_Requiem_for_the_Phantom

Change 123 a manga review by Farhad Mohsin

আমি মাঝে মাঝে মাঙ্গারিডারে Surprise Me দিয়ে বিভিন্ন মাঙ্গা পড়ি যা হয়তো সাধারণত আমার সামনে আসত না। ম্যাক্সিমামই চার-পাঁচ চ্যাপ্টার পড়ে আর পড়া হয় না। এর মধ্যে যেগুলো কমপ্লিটেড এবং চ্যাপ্টারের সঙ্খ্যা কম এ ধরণের গুলোর ক্ষেত্রে ইন্টারেস্ট কিছুটা বেশি থাকে। এরকম একটা মাঙ্গা ছিল Change 123.


Genre -> Action, Romantic, Ecchi
কাহিনীর শুরুটা অনেকটা এরকম: মোকোতো নামে এক মেয়ের তিন অ্যাডপ্টিভ বাবা। তারা তিনজন তিন ধরণের লড়াইয়ের স্টাইলে স্পেশালিস্ট, একজন হ্যান্ড-টু-হ্যান্ড কম্ব্যাট, একজন ওয়েপন বেইসড অ্যাটাকে, আরেকজন মনে হয় স্ট্রাটেজিকাল অ্যাটাকে। তারা তিনজন আলাদা করে ছোট থেকেই মেয়েকে ট্রেইন করে। মেয়ের কিন্তু তার অরিজিন নিয়ে কোন আইডিয়া নাই। তো এই ট্রেইনিং এর পাল্লায় পড়ে মেয়ের মাল্টিপল পার্সোনালিটি ফর্ম হয়, তিন মারামারির স্টাইল বিশিষ্ট তিনজন, যেই পার্সোনালিটিগুলো তার বিপদের সময়ে আগিয়ে আসে। আর তার কারণে তার অরিজিনাল পার্সোনালিটি হয়ে যায় নিতান্তই ভীতু, ভাজা মাছ উলটে খেতে জানে না ধরণের। তার সাথে একসময় পরিচয় হয় হিরোর(হিরো শুধু নামেই হিরো, বারকয়েক মার খাওয়া ছাড়া আর কিছু করে না), আর এরপর বিভিন্ন সময়ে তার সাথে মারামারি করতে আসে বিভিন্ন লড়াকু, তার অরিজিন সম্বন্ধে কিছু আইডিয়া পাওয়া যায়, ধারণা করা হয় তার অলরেডি স্প্লিট পার্সোনালিটি হয়তো আরও এক ভাগ হয়ে গেছে ইত্যাদি ইত্যাদি। এসবের মাঝে স্টোরি আগিয়ে চলে।

মূল কথা হচ্ছে এমন আহামরি কিছু না, বাট হাতে টাইম থাকলে আর হ্যান্ড-টু-হ্যান্ড কমব্যাট বেসড একটা ফানি-ইচি মাঙ্গা পড়তে চাইলে এটা পড়ে ফেলা যেতে পারে।

Kotonoha No Niwa – অসম ভালবাসার নান্দনিক প্রকাশ [মোঃ আসিফুল হক]

A faint clap of thunder
Clouded skies, perhaps rain comes
Will you stay here with me?

KNN

আমার পূর্বের কোন এক লেখায় একজন আমার লেখার ভুলগুলো ধরিয়ে দিতে গিয়ে বলেছিলেন; আমি কোন কিছু দেখার সাথে সাথে সেটা নিয়ে লেখতে বসে যাই; এবং সেই কারণে অধিক আবেগে অনেক কিছুকেই অভাররেটেড করে ফেলি। উনার কথাকে গুরুত্তের সাথে নিয়েই দেখার বেশ অনেক দিন পর kotonoha no niwa নিয়ে লিখতে বসলাম।

মাকোতো শিনকাই নামটা জাপানের এনিম ইন্ডাস্ট্রিতে বেশ জোরেসোরেই উচ্চারিত হয় তার ভিজুয়ালি সাউন্ড মুভিগুলোর জন্য। ২০০৭ এ তার প্রথম কাজ 5 centimeter per second দিয়ে আমারও এনিম মুভি দেখার যাত্রা শুরু। তার মুভিতে অসম্ভব সুন্দর এবং ডিটেইলড ব্যাকগ্রাউন্ড এর সাথে ইমোশনাল এবং খানিকটা ট্রাজিক কিন্তু রোমান্টিক গল্পের চমৎকার সমন্বয় দেখা যায়।

Kotonoha no niwa কি এই ক্যাটাগরিতে পড়ে? হুম; অবশ্যই। বরং অন্য মুভিগুলোর চেয়ে খানিকটা বেশিই। তবে আপনি যদি একটা খুব সুন্দর গল্প আশা করে থাকেন; তবে আপনাকে হয়ত খানিকটা হতাশই হতে হবে। এই মুভি তার ভিজুয়াল এফেক্ট বা আর্ট এর প্রতি যতটা গুরুত্ব দিয়েছে; একটা অসাধারণ গল্পের অসাধারণ সমাপ্তির কথাটাকে ততটাই অবহেলা করেছে।

KNN 2

১৫ বছর বয়সী এক হাই স্কুল ছাত্র তাকাও এবং ২৭ বছর বয়সী ইউকিনোর ভালবাসাই গল্পের মুল উপজীব্য । তাকাও; যার জীবনের লক্ষ এবং উদ্দেশ্য জুতো বানানোর কারিগর হওয়া; সুন্দর সুন্দর জুতার ডিজাইন করা; নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে খুবই অনিশ্চিত। ইউকিনো নিজের সমাজে; নিজের পরিবেশে খাপ খাওয়াতে পারে না এবং নিজেকে খুজে ফেরার তাগিদে পার্কে বসে সময় কাটায়। তাদের জীবনের এই অনিশ্চয়তা; একাকীত্ব; অসহায়তা-ই তাদেরকে পরস্পরের কাছে এনে দেয়।

KNN 3

চিরাচরিত ৮-১০টা মুভি প্লট থেকে একদমই আলাদা এবং বিপুল সম্ভাবনা নিয়ে শুরু হওয়া এই গল্পের শেষটা হয় খানিকটা হিন্দি সিনেমার মেলোড্রামাটিক স্টাইলে। গল্পে মুল চরিত্র দুজনের আবেগ অনুভুতির জগতে খুব কমই প্রবেশ করা হয়েছে। একজন নিরপেক্ষ দর্শকের দৃষ্টিতে দেখলে মনে হবে; তাদের দেখা হল; তারা কথা বলল; একে অপরকে ভালবেসে ফেলল !!! কিন্তু কেন? সেই সম্পর্কের ভিত্তিটাই বা কি আর গভীরতাটাই বা কতটুকু? ঠিক কি কি ফ্যাক্টর গল্পের শেষ দিকে তাদের সম্পর্ককে এতটা তীব্র করে তুলেছে? এইরকম অনেকগুলো প্রশ্নেরই উত্তর দেয় না এই মুভিটি।

KNN 4

এখন তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে; এই মুভিটার সফলতাটা তাহলে কোথায়? প্রথম যেই জিনিসটা মাথায় আসে সেটা হল; সংলাপ। এক কথায় অসাধারণ। সংলাপে কি বলা হচ্ছে তার চেয়ে চমকপ্রদ বিষয় কি বলা হচ্ছে না সেটা। এর সংলাপ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খুব সহজ; সীমিত এবং চরিত্রগুলোর দৈনন্দিন স্বাভাবিক একঘেয়ে আলাপচারিতায় সীমাবদ্ধ। কিন্তু এই মুভি কোন কিছু বলার চেয়ে তা দেখানোতেই বেশি বিশ্বাস রেখেছে। তাকাওর খাতায় একের পর এক স্কেচ দেখে আমরা বুঝতে পারি; তার প্যাশন কি। অল্প দু’চারটে কথায় আমরা তাকাওর ফ্যামিলির পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া খুব সহজেই বুঝে যাই। একান্তই যখন সংলাপের প্রয়োজন তখন খুব সহজ এবং স্নিগ্ধ সংলাপ এবং সেই সাথে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক; ঝি ঝি পোকার ডাক; সংলাপের মাঝে খানিক নিরবতা; বৃষ্টি – আমাদেরকে পুরো পরিবেশটার সাথে একাত্ম করে ফেলে।

ভিজুয়াল পারস্পেক্টিভ থেকে “kotonoha no niwa” একটা মাস্টারপিস। যারা 5 centimeter per second দেখেছেন তারা এর সাথে অনেকটাই পরিচিত থাকার কথা। মুভির অন্যতম মুল থিম হচ্ছে বৃষ্টি। সাধারণত গল্পে বৃষ্টি একাকীত্ব প্রকাশ করে। কিন্তু এখানে বৃষ্টিকে সুখ এবং মানসিক প্রশান্তির প্রতীক হিসেবে অত্যন্ত মুন্সিয়ানার সাথে ব্যাবহার করা হয়েছে।

 KNN 5

মুলত পিয়ানোর সাথে প্রাকৃতিক শব্দ; বৃষ্টি আর ঝি ঝি পোকা – এক মাতাল করা অনুভুতির সাথে পরিচয় করে দেবে এই মুভিটি।

 

সুতরাং; এক বাক্যে যদি সাম আপ করতে হয়; তবে বলা যায় – অসম্ভব সম্ভাবনা নিয়ে শুরু হওয়া কিন্তু শেষ দিকে খানিক ব্যর্থ গল্পের এই মুভিটি চোখ এবং কানের জন্য এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা !!!

 

শুরু করেছিলাম; তিনটে লাইন দিয়ে; তাকাওকে ইউকিনোর জিজ্ঞেস করা তিনটে লাইন। শেষ করি প্রশ্নের জবাবে তাকাওর উত্তর দিয়ে –

 

A faint clap of thunder
Even if the rain comes not,
I will stay here, together with you

KNN 6

 

Initial D music video by Asiful haque

 

ID

কার রেসিং এর মুভিগুলা কেন যেন কখনই আমাকে খুব বেশী টানে না। তাই এনিমের শুরুতে যখন নিশ্চিত হয়ে গেলাম যে এই এনিমটা কার রেসিং নিয়ে এবং পাশাপাশি আরও ২-১ টা জিনিস দেখে ধারণা হল হয়ত কয়েক পর্ব পরেই এইটা দেখা বাদ দিতে বাধ্য হব। কিন্তু ২-৩ টা এপিসোড দেখার পরেই বুঝতে পারলাম আমি কতটুকু ভুল ভেবেছিলাম !!!! কোনরকম বিরতি ছাড়াই টানা ৪ টা সিজন শেষ করে বলতে পারি একটা A গ্রেডের এনিম।

মাউন্ট আকিনার একটা পেট্রোল পাম্পে কাজ করে কিছু বন্ধু। সবাই মোটামুটি কার রেসিং নিয়ে চরমভাবে আগ্রহী। তাদের একটা দলও আছে। কিন্তু তাদের একজন ফুজিওয়ারা তাকুমি। খুব সাধারণ একটা ছেলে, যে কিনা কোন কাজেই খুব উৎসাহী না, কোন সিচুএশন সহজে ধরতে পারে না। গাড়ি নিয়ে যার কোন রকম আগ্রহ কিংবা জ্ঞান নেই। নিজেদের গাড়ির মডেলটাও সে বলতে পারে না। ঠেকায় পরে বাবার বেবসায় সাহায্য করার জন্য ১৩-১৪ বছর বয়স থেকে নিয়মিত গাড়ি চালায়। গাড়িটা আবার বেশ পুরনো মডেলের। কিন্তু নিয়মিত চালানোর ফলে এই গাড়ি নিয়েই তাকুমি অসম্ভব সব ড্রিফটের কাজ শিখে গেছে। গাড়ির স্টিয়ারিং হুইলের পিছনে তাকুমি অন্য এক মানুষ। অবলীলায় এমন সব মুভ দেয় যা অনেক প্রফেশনাল রাও ভয়ে পারফর্ম করে না। ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও ঘটনাক্রমে একদিন পাশের এলাকার এক বিখ্যাত রেসারের সাথে তার রেসে নামতে হয়। এবং সকলকে অবাক করে দিয়ে সে রেসে জিতেও যায়। আর তার সামনে খুলে যায় রোমাঞ্চকর রেসিং জগতের দরজা

এনিমটার সবচেয়ে ভাল লেগেছে ফাস্ট পেইস। কোন জায়গায় ঘটনা ঝুলে যায় নাই। একবার ভাল লেগে গেলে মনিটরের সামনে চুম্বকের মত টেনে বসিয়ে রাখবে।

এনিমের আরেকটা দিক ভাল লাগছে যে এইটার রোমান্টিক সাইডটা। এইখানে প্রায় সব গুলা চরিত্রই রেসিং এ উন্নতি করার জন্য তাদের প্রিয়জনকে বিদায় জানায়। এবং সেই পার্ট গুলাও ভাল লাগছে।

এনিমে গাড়ি চালানোর এবং বিভিন্ন মডেলের গাড়ির কোন দিক ভাল, কোন দিক খারাপ এই নিয়াও বেশ ভাল আলোচনা করছে।

তবে এনিমের আর্ট সাইড টা বেশী ভাল লাগে নাই। ক্যারেক্টার ড্রইং অনেকটা “ক্রুড” ফর্মে করা। খুব সম্ভব রেসিং সিন গুলাকে বেশী গ্লেমারাস করার জন্য এই কাজ করছে। তবে এই দিকটা আমার কাছে খারাপ লাগছে।

এনিমের সাউন্ড ট্র্যাক গুলা যথেষ্ট ডিসেন্ট। শুনতে ভালই লাগছে।

সব মিলিয়ে বেশ ভাল একটা এনিম, সময় কাটানোর জন্য পারফেক্ট। নাম্বারিং করতে বললে আমি এই এনিমটাকে ১০০ তে ৭৫ দিব।

তাহলে যাদের কার রেসিং নিয়ে আগ্রহ আছে, তারা দেরি না করে দেখা শুরু করে দিন এই অসাধারণ এনিমটি।

বিকালের দিকে মাথায় ক্যারা উঠল; AMV বানামু। গুতাগুতি শুরু করলাম; এই জিনিস ক্যামনে বানায় – এই নিয়া। ঘাইটা ঘুইটা যা পাইলাম এবং সকলে যা বলল; তার সারমর্ম – দুই চাইরটা ভিডিও মিডিও কাইট্টা সাউন্ড জোড়া লাগায় নরমাল কিছু একটা দাঁড় করানো তেমন কঠিন কিছু না। কিছু টিউটোরিয়াল ফিউটোরিয়ালও উৎসাহের চোটে নামায় দেইখা ফালাইলাম। এরপর শুরু হইল কাহিনী? কোন এনিম নিয়া বানামু? ফাস্টে ভাবলাম; ওয়ান পিস নিয়া বানাই; ইউটিউব ঘাইটা দেখি ওই জিনিস লাখখানেকের উপর আছে। অনেক ভাইবা চিন্তা ইনিশিয়াল ডি সিলেক্ট করলাম; কিন্তু সমস্যা হইল; ভিডিও কাইট্টা যে AMV বানামু; সেইরকম ভাল রেজুলেশনের ভিডিও পাই না !!! আইচ্ছা; সেইটাও না হয় গেল; ভাল একটা গানও পছন্দ হয় না !!! সব জোগাড় কইরা যখন ঘন্টা তিনেক আগে কাজে হাত দিলাম; বোঝা গেল; টিউটোরিয়াল এবং বিভিন্ন সাইটে কোন কিছুকে “relatively easy” বলিলে সেইটা সাথে সাথে ভুলিয়া যাইতে হবে !!! সেই লেভেলের পেইন !! পেইন টেইন নিয়া শেষমেশ এই জঘন্য কিছু(এইটারে AMV বলা যাইব বইলা মনে হইতেসে না  :/) একটা বানাইলাম; তাও দেড় মিনিট হয় নাই !!! তারপর তো আপলোডের যুদ্ধ আছেই !! যাই হোক; শেষ মেশ কিছু একটা বানাইতে পারসি – এতেই খুশি। সমালোচনা না আসার কোন কারণ নাই; তবে শুধু “ভুল হইসে” না বইলা “এইটা এইভাবে না কইরা এইভাবে করলে বেটার হইত” টাইপ কমেন্ট বেশি আশা করতেসি
http://www.youtube.com/watch?v=QNhdJQd9ECs

Hunter X Hunter by Monirul Islam Munna

গত কয়েকদিন Hunter X Hunter দেখতেছিলাম, একটা ছোট্ট রিভিও লিখতে ইচ্ছা হল। তাই লিখে ফেললাম। 

HUNTER X HUNTER এর প্রধান চরিত্র Gon Freecsকে নিয়ে বলতে গেলে,সব চেয়ে বেস্ট উপায় যেটা হবে সেটা হচ্ছে গন হচ্ছে HXH এর Naruto Uzumaki [পুরপুরি রিফ্লেক্ত করে না,কিছু চরিত্র যেমন ‘হার না মানা’,’সহজে কারো বন্ধু হয়ে যাওয়া’,’সততা’…এইরকম কিছু ব্যাপার সেপার মিলে যায় আরকি  ] । ছোট্ট গন ছোটবেলা থেকেই জানত যে তার বাবা মা বেচে নেই। সে তার অ্যান্টের কাছেই থাকে এবং তিনি গণের দেখভাল করেন। কিন্তু গল্পের শুরুতেই কাকতালীয়ভাবে জানতে পারে যে তার বাবা বেঁচে আছেন এবং তিনি অনেক বড় মাপের একজন হান্টার।
‘হান্টার’ শব্দটা শুনলে মনে হতে পারে যে শুধু পশুপাখি শিকারী ,কিন্তু এই এনিমে হান্টারের একটু ভিন্ন দিক তুলে ধরসে, পৃথিবীর বিভিন্ন আনাচে কানাচে যে সব mystery আর অজানা রহস্য আছে , সে গুলা আবিষ্কার করে এই ‘হান্টার’। তবে এই হান্টাররা সবাই দক্ষ ফাইটার, বিভিন্ন ধরনের হান্টার যেমন আছে, তেমনি ওদের পাওয়ারও ভিন্ন। 
তবে কেউ চাইলেই হান্টার হতে পারে না, অনেক দুঃসাধ্য কঠোর পথ পাড়ি দিয়ে , হাজার হাজার কম্পেটিটরকে ডিঙিয়ে ‘Hunter Exam’ নামক পরীক্ষায় পাস করতে পারলেই একমাত্র এই হান্টার হওয়ার লাইসেন্স পাওয়া যায়। গণকে পাড়ি দিতে হয় সেই, দুঃসাধ্য কঠোর পথ, আর সেই পথ ধরেই চলতে থাকে এনিমটা। 

HXH এনিমটা প্রথম আসে ১৯৯৮ তে ৬২ এপিসোড সহ। এরপর আরও ৩০টা OVA বের করে,কিন্তু OVA গুলাও মূল মাঙ্গার কাহিনী ফলো করে। তো বলা যায় মোট ৯২টা পর্ব।
এরপর ২০১১তে এনিমটা আবার রিমেইক করা হয়,একি কাহিনী নিয়ে। কেউ যদি পুরানটা, আই মিন ‘৯৮ এরটা দেখে থাকেন, তবে ‘১১(নতুনটার) এর ৭৫ নাম্বার পর্ব থেকে দেখলেই হবে।
আর না দেখে থাকলেই নতুনটাই দেখা শুরু করুন 
Happy hunting

HxH