লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – চতুর্বিংশতম পাঠ

**কানজি কানজি কানজি**

আজকের কানজি “children” এর কানজি …. উচ্চারণ হল “কো/শি/সু”

ko shi

“কোদোমো” মানে হল “children/child”…..

ওতোকো নো কো -boy … ওন্না নো কো- girl…কো নেকো-kitten…..
এসব ক্ষেত্রে “কো” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে…

শিসোন-offspring..ওকাশি-candy/sweets…. এসব ক্ষেত্রে “শি ” এর জায়গায় এই কানজি বসে..

ইসু-chair …এখানে “সু” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে….(চেয়ারের মধ্যে বাচ্চার কানজি কি করতে আইছে জানিনা)

আজকে এটুকই থাক… মাতা কোন্দো.. বাই বাই

Movie Time With Yami – 57

maxresdefault (4)

Name: K- Missing Kings
Duration: 1 hr. 15 min.
MAL Score: 8.12
Ranked: 383
Genres: Action, Super Power, Supernatural

শুরুতেই বলে রাখি, এ মুভিটি কে প্রজেক্ট নামের আনিমেটির সিক্যুয়াল, কাজেই কে প্রজেক্ট আনিমেটি না দেখে মুভিটি কোনভাবেই দেখা উচিৎ হবে না।

আনিমের ট্র্যাজেডীর পর ছন্নাছড়া অবস্থা হয় হোমুরা ক্ল্যান এর। ক্ল্যানসম্যানরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আলাদাভাবে জীবন-যাপন করতে থাকে। ইয়াতা শুধু একা তাদের আড্ডায় বসে পুরনো দিনের স্মৃতিগুলোকে মনে করে ভিডিও দেখে দেখে। ওদিকে শিরোর খোঁজে চারদিক থেকে তথ্য জোগাড়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াতোগামি আর নেকো।

এমন সময় হঠাৎ আন্নাকে কিডন্যাপ করে গ্রীণ ক্ল্যান। তাকে বাঁচাতে ছুটে যায় ইয়াতা, নেকো ও ইয়াতোগামি। কিন্তু তারা সকলেই সম্মুখীন হয় তাদের সমতুল্য শত্রুর।

মুভিটি আনিমেটিতে থেকে যাওয়া অনেক প্রশ্নের জবাব দেয়, সে কারণে আমার এটি অনেক ভাল লেগেছে। হোমুরা ক্ল্যানের বিক্ষিপ্ত অবস্থা থেকে উত্তরণ দেখে স্বস্তি পেয়েছি, শেষদিকে আন্নাকে নিয়ে টুইস্টটা অনেক বেশি চমৎকার ছিল, এই অংশটুকু মুভিটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। তবে মুভিটি বেশ বড় একটা ক্লিফহ্যাঙ্গার দিয়ে শেষ হয়, একারণে শেষ করার পর কিছুক্ষণ হতাশ লাগে; আশা করছি এই হতাশা সিজন ২ দূর করে দেবে।

মুভির আর্ট আনিমেটির মতই সুন্দর, সেইসাথে ওএসটিও ভাল, যদিও আনিমের ট্র্যাকগুলো মিস করেছি আমি। কাহিনীর পেসিং ভাল, আর ফাইট সিনগুলোও ভাল।

তাই, সময় পেলে দেখে ফেলুন আনিমেটি এবং এই মুভিটি।

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/K-Missing-Kings

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Bakuman/Shirobako Comparison — Farhad Mohsin

শিরোবাকো দেখার সময় প্রথম থেকেই নানা কারণে বাকুমানের কথা মনে পড়ছিল। যতই দেখতে থাকি ততই মনে হচ্ছিল তুলনাটা আসলে অবান্তর।

বাকুমান শেষ পর্যন্ত স্লাইস অফ লাইফের চেয়ে অনেক বেশি একটা ব্যাটল নির্ভর রোমান্স আনিমে। বাকুমান আমি পড়েছি যখন এটা অনগোইং ছিল, পড়ার সময় বা পরে দেখার সময় আমি যে থ্রিল অনুভব করেছি সেটা সত্যি বলতে কি বেশিরভাগ মেইনস্ট্রিম ব্যাটল শোনেনেও আমার হয় নি।

Bakuman

শিরোবাকো আর যাইই হোক না কেন, একটা পিওর স্লাইস অফ লাইফই বটে, অবশ্য রোমান্স বা হাই-স্কুল না। এবং অনেক স্লাইস অফ লাইফ আনিমের ‘ওভারড্রামাটাইজেশন’ এর টেন্ডেন্সি থেকে মুক্ত। স্লাইস অফ লাইফের ক্ষেত্রে (বিশেষত শৌজোর ক্ষেত্রে) একটা অভিযোগ আসে যে এত আনরিয়েলিস্টিক ক্যারেক্টারাইজেশনের কিছুকে কোনভাবেই life-like বলা চলে না। সেখানে শিরোবাকোর ক্যারেক্টারদের ক্যারেক্টারাইজেশন/ডায়ালোগ এগুলো অনেক বেশি জীবনের কাছাকাছি।

Shirobako

এত ডিফারেন্সের পরেও আসলে ঘুরে ফিরে সেই ব্যাপারটাই চলে আসে যে Bakuman is a manga about creating manga, Shirobako is an anime about creating anime. আর দুই ক্যাটেগরেতেই মাঙ্গা/আনিমে ইন্ডাস্ট্রির মানুষের গল নিয়ে তৈরি করা এর থেকে ভালো আর কিছু নেই। এটাই শেষমেশ বাকুমান আর শিরোবাকোকে একই সাথে মাথায় এনে ফেলে।

সুতরাং আপনি যদি নতুন মাঙ্গা/আনিমে ফ্যান হয়ে থাকেন, কিংবা পুরানো হলেও কোন কারণে এটা না দেখা হয়ে থাকে, I suggest go for it. আপনার স্লাইস অফ লাইফ ভালো লাগুক আর নাই লাগুক, দেখে ফেলুন। এ দুইটা ভাল্লাগবে। একই সাথে এত পছন্দের ইন্ডাস্ট্রির সাথে জড়িত মানুষগুলোর জন্য অন্যরকম একটা রিস্পেক্টও তৈরি হবে।

মাঙ্গা সাজেশন: রিকি-ওহ[Riki-Oh] — Farsim Ahmed

কয়েদী রিকি-ওহ এর কাহিনী খুবই অদ্ভুত। ইচ্ছাকৃতভাবে মারামারি করে জেলে ঢুকেছে, যেন এর পিছনে তার কোনো উদ্দেশ্য আছে। সেই উদ্দেশ্য জানার জন্য অস্থির জেলার, যার উপরে কড়া নির্দেশ, রিকি-ওহকে কোনভাবেই শৃঙ্খলমুক্ত হতে দেয়া যাবে না। কিন্তু ব্যঘ্রহৃদয় রিকি-ওহকে কি দমিয়ে রাখা সম্ভব হবে?

কাহিনী মহা আকর্ষণীয় না, টুইস্টের অবতারণা করতে চেয়েছিলেন মাঙ্গাকা, কিন্তু তার প্রায় সবই আন্দাজযোগ্য, ফলে পুরো জিনিষটা হয়ে গেছে হাস্যকর। তবুও এটা পড়ার পরামর্শ দিচ্ছি, কারণ হচ্ছে দারুন ম্যানলি অ্যাকশন প্যানেল। ডিটেইলিং করতে মাঙ্গাকা কোনো আপোষ করেননি, সেই সাথে এনাটমি বুঝিয়ে দিয়েছেন ভারী দক্ষতার সাথে। মোদ্দা কথা, ফিস্ট অব দ্য নর্থ স্টার এর ভক্ত হলে এই মাঙ্গা পড়া মাস্ট, কারণ রিকি-ওহকে অনেকেই বলে কেনশিরোর alter-ego.

Riki-Oh

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৪৬ তম পার্ট By অরিন শারমিন

আজকে শিখাব “japanese counter”এর ২য় পার্ট

আগের দিনে কিছু কিছু জিনিসের কাউন্টার শিখান হয়েছিল…আজকে ১মে শিখাব মানুষ গনণা করতে জাপানিজরা কি কাউন্টার ইউজ করে…

সাধারণত সংখ্যার শেষে “নিন” লাগালেই হয় তবে কিছু কিছু আলাদা আছে…

১.হিতোরি (১ জন)
২.ফুতারি (২ জন)
৩. সান নিন (৩ জন)

….পরের গুলা ৩ এর মত একই নিয়মে হবে যেমনঃ ৫ জন- গো নিন, ৮ জন-হাচি নিন ইত্যাদি…

ছোট প্রাণী যেমনঃ খরগোশ,বিড়াল ইত্যাদি আবার মাছ ,পোকামাকড় এসব গোণার জন্য জাপানিজরা আলাদা কাউন্টার ইউজ করে…সাধারণত “হিকি” লাগায় তবে কিছু আলাদা আছে..

১.ইপ্পিকি
২.নিহিকি
৩.সানবিকি
৪.ইয়োনহিকি
৫.গোহিকি
৬.রোপ্পিকি
৭.নানাহিকি
৮.হাপ্পিকি
৯.কিউউহিকি
১০.জুপ্পিকি

ম্যাশিন,গাড়িঘোড়া গোণার জন্য সংখ্যার শেষে “দাই” লাগায়…যেমনঃ

১.ইচিদাই
২.নি দাই
৩.সানদাই

…..ইত্যাদি….বাকি গুলাও একই নিয়মে হবে…

বড় প্রাণী যেমন হাতি ঘোড়া এসবের জন্য সংখ্যার শেষে “তৌ” লাগায়…যেমনঃ

১.ইচি তৌ ২. নি তৌ ৮. হাচি তৌ ইত্যাদি… বাকিগুলাও একইভাবে হবে…

পাখি হলে সংখ্যার শেষ “ওয়া” লাগায়…যেমনঃ ৪. ইয়োন ওয়া ৭. শিচি ওয়া ১০. জু ওয়া ইত্যাদি….বাকিগুলাও সেম নিয়মে হবে…

বাড়িঘর হলে সংখ্যার শেষে “কেন” লাগায় তবে কিছু “গেন”ও লাগায় ……

১. ইক্কেন ২.নি কেন ৩.সানগেন ৪.ইয়োন গেন ৫. গো কেন ৬. রোক্কেন ৭. নানাকেন ৮. হাক্কেন ৯. কিউকেন ১০. জুউকেন

এমন আরো অনেক আছে কাউন্টার… যেমনঃ ফ্লোর গোণার জন্য কাই …১ তালা-ইক্কাই, ২ তালা- নিকাই ইত্যাদি….বয়সের জন্য সাই…৫ বছর বয়স হলে গো সাই…. ব্যক্তি/বস্তুর ওর্ডার নাম্বার দিয়ে বুঝানোর ক্ষেত্রে “বান”… যেমনঃ ইচিবান (১ম/ নাম্বারঃ১)..নি বান (২য় / নাম্বারঃ ২) ইত্যাদি….

 

আজকে এপর্যন্তই থাক…মাতা নে.. 🙂

কে প্রজেক্ট; কলিযুগের রাজতন্ত্র- লিখেছেন ইশমাম আনিকা

611081

জনরাঃ অ্যাকশন, সুপার পাওয়ার, সুপারন্যাচারাল
পর্বসংখ্যাঃ ১৩

অ্যানিমেটির কাহিনী অল্টারনেটিভ সেটিং এর জাপানে; প্রযুক্তি যেখানে বর্তমান পৃথিবীর তুলনায় অনেক এগিয়ে। সেখানকার একটি শহর শিজুমে সিটিতে একটি দ্বীপের ওপর অবস্থিত স্কুল আশিনাকা হাইস্কুল। এই স্কুলেরই এক সাধারণ ছাত্র ইসানা ইয়াশিরো। খামখেয়ালি, কেয়ারলেস এবং ফ্রেন্ডলি স্বভাবের “শিরো-কুন” কে ওর ক্লাসের সবাই বেশ পছন্দ করে। সেজন্য সারাক্ষণ ফাঁকিবাজি করে বেড়ানোটা শিরোর অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

ওদিকে শহরের অন্য প্রান্তে রেড কিং এর অধীনস্থ হোমুরা গ্যাং তান্ডব চালাচ্ছে। উদ্দেশ্য, তাদের এক গ্যাং মেম্বারের খুনিকে খুঁজে বের করা। কিন্তু এদের সাথে শিরোর সম্পর্ক কি! স্কুল ফেস্টিভালের জন্য জিনিস কিনতে শহরে এসেই হোমুরা গ্যাং এর রোষের সামনে পড়ল শিরো। কোনমতে তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রাণ নিয়ে পালাতে পালাতে সে গিয়ে পড়ল আরেক বিপদের মুখে। ইয়াতোগামি কুরোহ, বা কুরোইনু নামে পরিচিত এই ব্যক্তিটি হল পূর্ববর্তী কালারলেস কিং এর ফলোয়ার, যার বর্তমান উদ্দেশ্য নতুন কালারলেস কিংকে খুঁজে বের করে তাকে হত্যা করা।

মোটামুটি এভাবে একটি প্রমিজিং স্টোরিলাইন নিয়ে শুরু হয় কে প্রজেক্ট অ্যানিমেটির কাহিনী। এরপরে কাহিনী আরও ডালপালা মেলতে থাকে, একে একে বেরিয়ে আসে প্রতিটি ক্যারেক্টারের ব্যাকস্টোরি। জাপানের আবহাওয়ার ওপর প্রভাব খাটানো “কিং” দের ও তাদের ক্ল্যানসম্যানদের সাথে দর্শকের পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়, এগোতে থাকে কাহিনী। হোমুরা গ্যাংকে ঘিরে অসম্ভব সুন্দর ও ইমোশনাল কিছু দৃশ্য রয়েছে, এই অংশগুলো আমার নিজের অসম্ভব ভাল লেগেছে।

Homra-k-32742846-1280-720

অ্যানিমেটির সেটিংটা যথেষ্ট ভাল, কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে মাঝে মাঝে এক্সপ্লানেশনগুলো কেমন যেন অসম্পূর্ণ। অনেক ব্যাপারে আরও বেশি ব্যাখ্যা আশা করেছিলাম, যা মুভিটিতেও দেয়া হয়নি, তবে আশা করছি সামনের আপকামিং সিজনে সেগুলোর উত্তর পাওয়া যাবে। এছাড়া কাহিনীটা সহজেই মনকে ছুঁয়ে যাওয়ার মত, বেশ কয়েকটি ক্যারেক্টারের প্রতি মায়া জন্মে গিয়েছে খুব সহজেই। আন্না কুশিনা এবং ইয়াতোগামি কুরোহ- এই দুটি চরিত্রকে আমার খুবই ভাল লেগেছে, তবে ভাল লাগার মত আরও অনেক চরিত্র আছে অ্যানিমেটিতে।

অ্যানিমেটির আর্টওয়ার্ক খুব বেশি সুন্দর, চোখ ধাঁধানো অ্যানিমেশন আর খুব চমৎকার ক্যারেক্টার ডিজাইনের কারণে দেখার সময় অনেক শান্তি লেগেছে, ফাইট সিনগুলো খুব ভাল, আর উজ্জ্বল অ্যানিমেশনের জন্য এই সিনগুলো আরও উপভোগ্য হয়েছে। সেইসাথে সাউন্ডট্র্যাকও অতিরিক্ত সুন্দর; প্রতিটি ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক আমার মনে ছাপ ফেলেছে। ক্যারেক্টারগুলোর সাথে মানানসই থিম, ইমোশনাল দৃশ্যতে চমৎকার মন ছুঁয়ে যাওয়া ট্র্যাক এবং ফাইট সিনগুলোতে এক্সাইটিং মিউজিক- সবমিলিয়ে এই অ্যানিমেটার প্রতিটি ট্র্যাকই সুন্দর। এর মাঝে আমার সবচেয়ে পছন্দের ট্র্যাক হল “কিস অফ ডেথ”। (https://youtu.be/ceWxUIQyDaw?list=RDceWxUIQyDaw)

তবে অ্যানিমেটির যে ব্যাপারটি আমার কাছে অতিরিক্ত বিরক্তিকর লেগেছে, তা হল প্রতিটি নারী চরিত্রই ফ্যানসার্ভিসের শিকার হয়েছে। এই ব্যাপারটি না থাকলে অ্যানিমেটি আরও উপভোগ্য হত বলে আমার মনে হয়েছে।

1362421840014-2

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ত্রয়োবিংশতম পাঠ

কানজি কানজি কানজি

আজকের কানজি “friend”এর কানজি…উচ্চারণ “তোমো/ইউউ”

tomo-iyuu

তোমোদাচি-a friend/friends

এখানে তোমো এর জায়গায় এই কানজি টা বসে….

ইউউজৌ-friendship

ইউউকৌকোকু-a friendly nation

শিনইউউ-best friend

এসব ক্ষেত্রে ইউউ এর জায়গায় এই কানজি বসে

আজকে এইপর্যন্তই থাক…মাতা রাইশুউ