Movie Time With Yami – 52

ponyo2007g

Name: Ponyo on the Cliff by the Sea / Gake no Ue no Ponyo
Duration: 1 hr. 41 min.
MAL Score: 7.95
Ranked: 580
Genres: Adventure, Fantasy

একদা এক বিশাল সমুদ্রের গভীর অতলে বাস করত এক জাদুকর। তার ক্ষমতা দিয়ে সে সমুদ্রের নিচে বসে বিভিন্ন রকম গবেষণা চালাত। এবং তার কাছে ছিল বিভিন্ন ধরণের ঔষধ, যা খেয়ে প্রাণিদেহে অদ্ভুত ধরণের পরিবর্তন আনা সম্ভব।

এই জাদুকরের মেয়ে পনিও। তাকে একপ্রকার মাছই বলা চলে।পনিওর বাবা সবসময় তাকে তাদের সমুদ্রের নিচের বাড়িতে আটকে রাখতে চাইত, যেখানে সে নিরাপদে থাকবে।কিন্তু দুষ্টু পনিও যে এভাবে ঘরে পড়ে থাকতে নারাজ! সে বাইরের পৃথিবী ঘুরে দেখতে চায়। তাই একদিন বাবার কড়া নজরকে ফাঁকি দিয়ে সে বেরিয়ে পড়ে সমুদ্র ভ্রমনে, আর শুরু হয় পনিওর মজার অ্যাডভেঞ্চার।

হায়াও মিয়াজাকি পরিচালিত স্টুডিও জিবলীর এ মুভিটি এ স্টুডিওরর বাকি মুভিগুলোর তুলনায় কিছুটা অন্যরকম, বলা যায় যে এটি তুলনামূলক ভাবে কিছুটা শিশুতোষ। প্লটটা অনেকটা ডিজনী মুভিগুলোর মত, তবে এখানেও পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ভয়টা রয়েছে। আর্টওয়ার্ক অত্যন্ত উজ্জ্বল ও পরিচ্ছন্ন, দেখে মনে হয় যেন রংপেন্সিল দিয়ে স্কেচ করে আঁকা। মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা করে পুরোটা সময়। সাউন্ডট্রাক মানানসই, তেমন উল্লেখযোগ্য না হলেও ভাল। কাহিনীর গতি খারাপ না, একটু ধীরগতিতে শুরু হয়, যেটা ভাল লাগছিল, কিন্তু পরে গিয়ে আবার হঠাৎ করে বেশ তাড়াহুড়ো করে একসাথে অনেক কিছু দেখিয়ে ফেলতে চেষ্টা করা হয়েছে, তাতে কাহিনীটা একটু খাপছাড়া হয়ে গিয়েছে। তবে ওভারঅল বেশ উপভোগ্য একটা মুভি এটি।

তাই, সময় পেলে দেখে ফেলুন ছোট্ট পনিওর বড় অভিযানের এ কাহিনীটি।

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Ponyo-on-a-Cliff

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৪২ তম পার্ট By অরিন শারমিন

আজকেও আগের লেসনের মত আরো কিছু জাপানিজ পার্টিকেল শিখাব…

 

১ম পার্টিকেল হল “নো”..

“নো” পার্টিকেলের বাংলা করলে দাঁড়ায় “র” আর ইংরেজি   ” ‘s  ”

কয়েকটা উদাহরণ দিয়ে ক্লিয়ার করি … “আমার” এর জাপানিজ হল “ওয়াতাশি নো” এখানে ওয়াতাশি এর সাথে “নো” পার্টিকেল বসেছে…একইভাবে তোমার-আনাতা নো , তার-কারে নো/ কানোজো নো , অরিনের-অরিন নো ইত্যাদি ইত্যাদি…

ওদা সেন্সেই নো ওয়ান পিসু কাক্কোইই দেসু-ওদা সেন্সের ওয়ান পিস অনেক কুল 😛

 

এর পরের টা হল “মো”

এর বাংলা করলে হয় “ও” আর ইংরেজি হয় “also/too”

কয়েকটা উদাহরণ দেই… আমিও-ওয়াতাশি মো,এখানে “ওয়াতাশি”র সাথে “মো” পার্টিকেল বসেছে..তুমিও-আনাতা মো..কোরে মো-এটাও,আরে মো/সোরে মো-ঐটাও…

“অবন্তী ওয়া নেকো গা সুকি দেসু.. অর্থী মো-অবন্তী বিড়াল অনেক পছন্দ করে…অর্থীও” 😛

 

এর পরের টা হল “কা”

“কা” প্রশ্নবোধক শব্দের শেষে বসে… যেমনঃ “আনাতা ওয়া দারে দেসু কা?”-who are you?

ওয়াকারি মাসু কা?- do you understand? সাত্তে,ইকৌ কা? -okay then,shall we go?

উপরের উদাহরণ থেকে বুঝা যাচ্ছে নরমালি প্রশ্নবোধক বাক্যের শেষে “কা” বসে…”কা” এর আরো কিছু ইউজ আছে আপাতত একটাই শিখালাম… 🙂

 

আজকে লাস্ট যেটা শিখাব সেটা হল “গা”…

“গা” আর “ওয়া” নিয়ে অনেক কনফিউশন লাগে অনেকের মধ্যে… “ওয়া” টপিকের পরে বসে আর “গা” সাব্জেক্টের সাথে..

আগের দিন টপিকের সাথে “ওয়া” কিছু উদাহরণ দিয়ে শিখান হয়েছিল… ঐখানে বলেছিলাম টপিক অনেক ইংলিশের সাব্জেক্টের মত… কিন্তু জাপানিজে আসলে টপিক আর সাব্জেক্ট আলাদা জিনিস… ২ টা প্রায় একই জিনিস মনে হইলেও আসলে ব্যাসিক কিছু পার্থক্য আছে…

উদাহরণ দিলে বুঝা সহজ হবে…ওয়াতাশি ওয়া নিকু গা সুকি দেসু-i like meat…এখানে আমি হইলাম টপিক আর নিকু হইল সাবজেক্ট … এই জন্য “ওয়াতাশি”র পর “ওয়া” আর “নিকু”র পর গা বসেছে..

অনেক সময় শুধু “নিকু গা সুকি”ও বলা যায়… এখানে যদিও টপিক উহ্য তারপরও আমি যদি বলি “নিকু গা সুকি” তাইলে বুঝাই যাচ্ছে যে আমিই টপিক..

কেউ যদি জিজ্ঞেস সরাসরি জিজ্ঞেস করে “who are you?”…তখন উত্তর হবে “ওয়াতাশি ওয়া অরিন”…আবার অনেক মানুষের মধ্যে কেউ যদি জিজ্ঞেস করে “who is orin?”.তখন উত্তর হবে “ওয়াতাশি গা অরিন”… ১ম বাক্যে আমি টপিক কিন্তু ২য় বাক্যে আমি সাব্জেক্ট …

আরেকটা জিনিস হল প্রশ্নবোধক বাক্যে টপিক সবসময় প্রশ্নবোধক শব্দের আগে বসে এবং টপিকের সাথে “ওয়া” বসে….. আনাতা ওয়া দারে দেসু কা?(who are you?)….এখানে “দারে” (who) হল প্রশ্নবোধক শব্দ … আর আনাতা “টপিক”… “আনাতা” দারের আগে বসেছে…আর আনাতার সাথে “ওয়া” বসেছে…

প্রশ্নবোধক বাক্যে সাবজেক্ট প্রশ্নবোধক শব্দের পরে বসে আর প্রশ্নবোধক শব্দের সাথে “গা” বসে…… দারে গা অরিন দেসু কা? (who is orin?)…এখানে টপিক যদিও উহ্য আছে কিন্তু যে জিজ্ঞেস করছে সেইই টপিক আর অরিন সাবজেক্ট…   (জিনিসটা আসলে এমন i am asking who is orin?)  এখানে প্রশ্নবোধক শব্দ “দারে”র সাথে “গা” বসেছে আর পরে সাবজেক্ট বসেছে..

সাবজেক্ট আর টপিকের পার্থক্য বুঝা একটু টাফ… তবে টপিকের পর “ওয়া” আর সাবজেক্টের পর “গা” বসে..এইটুক মনে রাখলে কিছুটা বুঝা যায় …. (গা এর আরো অনেক ইউজ আছে আজকে আপাতত একটাই শিখালাম 🙂 )

 

আজকে এইটুকুই থাক.. মাতা নে 🙂

পিংপং দ্য অ্যানিমেশন – ব্যর্থতা, সংগ্রাম আর জীবনের শৈল্পিকতা — Fahim Bin Selim

[Ping Pong the Animation স্পয়লার সতর্কতাঃ নিজ দায়িত্বে পড়ুন]

পিংপং দ্য অ্যানিমেশন গতবছর দেখা অংগোয়িং অবস্থায়, সপ্তাহে এক পর্ব করে , এপ্রিল থেকে জুন অবধি। আর এটা ছিলো আমার গতবছরের সবচেয়ে প্রিয় অ্যানিমে। গত মাসে এর ডাব বের হওয়ায় কিছুদিন আগে পুনরায় দেখা শুরু করেছিলাম। আমি কি এখনোও মনে করি, পিংপং দ্য অ্যানিমেশন ২০১৪-এর সেরা অ্যানিমে? Does it hold up?

 

“There are no heroes.”

-Kazama

                      vlcsnap-2015-07-14-17h09m11s124
হোশিনো ইউতাকা – পেকো। পিংপং খেলায় অসাধারন প্রতিভাবান, আঞ্চলিক বয়সভিত্তিক প্রতিযোগীতায় দুর্জেয়, চারিদিক সমাদৃত। অত্যুৎসাহী, খামখেয়ালী। আর উদ্ধত। ছোট পুকুরের বড় মাছ।
কিন্তু একেবারেই প্রথম পর্বে কং-এর কাছে পরাজয়ে পেকো প্রথম এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পায় – সম্ভবত সবার জীবনেরই কোন না কোন এক মুহূর্তে যার সমুক্ষীন হতে হয় – “You are not the center of the Universe.” এতদিন পেকোর কাছে পিংপং ছিলো শুধু সাফল্যগাঁথা। কিন্তু এই প্রথম পেকো মুদ্রার অপর পিঠটাও দেখে। এতদিন যে শুধু বিজয়কেই অবশ্যম্ভাবী বলে ধরে নিয়েছিল, যার সন্তরণ জল ছিল স্থির আর অগভীর – সে অনাকাঙ্খিত এক ব্যর্থতার স্বাদ পায়, সমুদ্রের প্রথম স্পর্শেই খেই হারায়। প্রথম বুঝতে পারে তার আপাত উজ্জ্বল, ঈর্ষনীয়, গুরুত্বপূর্ণ অস্তিত্ব মহাকালের প্রবাহে খুবই ম্রীয়মান, তুচ্ছ, আর গুরুত্বহীন। তার পরিচিত জগৎ তাসের ঘরের মত দুমড়ে পরে। ১১-০ তে হারা এক ম্যাচ, শুধুমাত্র একটি ম্যাচের ব্যর্থতা পেকোর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়, তার জীবন সম্পর্কে ধারণা আমূল বদলে দেয়।

                   vlcsnap-2015-07-14-17h19m14s26
আর এই ব্যর্থতা হল পিংপং দ্য অ্যানিমেশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং বারবার ফিরে আসা প্রসঙ্গ। ব্যর্থতা, সংগ্রাম, বাস্তবতার সাথে মানিয়ে নেওয়া। কোন অত্যুক্তি  না, কোন লুকাছাপা না। আর এখানেই মনে হয় এই গল্প আর বেশিরভাগ  স্পোর্টস অ্যানিমে থেকে আলাদা। পিংপং দ্য অ্যানিমেশনের গল্প জীবনের সামগ্রিকতা নিয়ে, সকল ক্ষেত্রে সংগতিপূর্ণ। এর কাহিনী প্রত্যেক চরিত্রের কাছে খেলাটার আলাদা আলাদা অর্থ নিয়ে, তাদের জীবনাভিপ্রায়ের বৈপরিত্য নিয়ে। অবশ্যই পিংপং দ্য অ্যানিমেশন, পিংপং খেলা নিয়ে অ্যানিমে। কিন্ত এখানে খেলাটা সবসময়ই নেপথ্য বিষয়, কেবলই অন্তর্নিহিত বক্তব্যের বাহক মাত্র। পিংপং দ্য অ্যানিমেশন কখনই তার চরিত্রদের ভুলে যায় না, তাদের খেলার বাইরের জীবনটাকে ভুলে যায় না – তাদের পরিবার, তাদের পারিপার্শ্বিকতা, তাদের বেড়ে ওঠা।
এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ অ্যানিমের দুই পার্শ্বচরিত্র – ক্যাপ্টেন ওতা আর সাকুমা। ওতা, ছোটবেলার থেকেই সে পিংপং খেলার প্রতি প্রবল ভালো লাগা নিয়ে বড় হয়েছে। কিন্তু হাইস্কুলের পিংপং ক্লাবে যোগ দিয়ে পেকো আর স্মাইলের দেখা পাবার পর, বাস্তবতা বুঝতে তার খুব বেশি বেগ পেতে হয় না। তাদের সাথে তার পার্থক্যটা যে আকাচচুম্বী! কং এর কাছে পেকোর হারে যা আরো সুসংহত হয়। বড় মাছেরাই যেখানে হাবুডুবু খায়, ছোট পুকুরের ছোট মাছদের অসম্ভবত স্বপ্ন দেখাটা তো রীতিমত অপরাধের পর্যায়ে পরে। আর একারণেই তার কাছে পিংপং খেলাটা কেবলই উপভোগের জন্য, হাইস্কুলের শেষ সময়টায় কিছু স্মৃতি রেখে যাওয়ার জন্য। সে আর নামকরা পিংপং খেলোয়াড় হওয়ার স্বপ্ন দেখে না, পারিবারিক ব্যবসার হাল ধরাই জীবনের একমাত্র নিয়তি হিসেবে মেনে নেয়।

                 vlcsnap-2015-07-14-17h10m18s213
সাকুমার জন্য অবশ্য ব্যাপারটা এতটা সহজ না। সাকুমা, খেলার প্রতি যার আবেগ আর কারো চেয়ে কম না; যে বড় হয়েছে পেকো আর স্মাইলের মত প্রতিভাদের সাথে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বীতায়; যে দুর্দম, দৃঢ়কল্প। কিন্তু পরিশ্রম, অধ্যবসায় আর আবেগ কতটা দূর পর্যন্ত নিয়ে যাবে যদি প্রতিভাটাই না থাকে? যদি পরাস্ত হতে হয় অপরিবর্তনীয় কোন নিয়তির কাছে? ওতা যেটা আগে থেকেই জানতো, আকুমার তা উপলব্ধি করতে লাগে ছয় পর্ব; যখন তাৎপর্যবহুল, ষ্মরনীয় এক ম্যাচে সে স্মাইলের কাছে বিপুল ব্যবধানে পরাজিত হয় – অতঃপর তার পিংপং ক্লাব থেকে বহিষ্কৃত হয়। সাকুমা আগে অনেকবারই ব্যর্থতার মুখোমুখি হয়েছে, কিন্তু কখনোই এভাবে না। পারতপক্ষে তার ছোটবেলা কেটেছে পেকোর কাছে বারবার হার মেনে নেওয়ার পরিচিত অনুভূতি নিয়ে। পেকো ছিল অস্পৃশ্য। যাকে হারানোই ছিল তার কাছে অভিষ্ট লক্ষ্য, পরম সাফল্যের প্রতিরূপ। সাকুমা, যে এতদিন শুধু পেকোকেই সাফল্যের দুর্দমীয় চূড়া হিসেবে ভেবে এসেছে, এবং তা অবশেষে জয় করেছে, কিন্তু তাতে এতোটাই বিভোর ছিলো যে বাকি কোন কিছুর প্রতি কোন ভ্রুক্ষেপ করেনি, বুঝতে পারে স্মাইল তাদের দুজনকে বেশ আগেই অতিক্রম করে গেছে, এবং বেশ ভালোভাবেই। বাস্তবতা আকুমাকে অবশেষে অপ্রীতিকর সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। সে বুঝতে পারে নিজের অনেক পছন্দের এই খেলায় সে কখনোই সাফল্য পাবেনা, অনেক আরাধ্য এক স্বপ্ন তার কখনোই বাস্তবায়িত হবে না।

               vlcsnap-2015-07-14-17h12m00s28
কিন্তু তবুও সাকুমার গল্পটাই এই অ্যানিমের সবচেয়ে করুণ হতাশার গল্প নয়। কং ওয়েঙ্গার গল্পটা স্বর্গ থেকে মর্ত্যে পতনের। তার জন্ম পিংপং-এর দেশে। খেলোয়াড় জীবন কতটা কঠিন আর নিষ্ঠুর হতে পারে, তা নিয়ে কং এর কখনোই কোন বিভ্রম ছিলো না।  প্রতিভা কোন অভাব তার ছিলো না, দৃঢ়তারও – বরং তার একমাত্র শত্রু ছিলো ভালো করার চাপ, ব্যর্থ হবার আতঙ্ক। শুধুমাত্র একটি হারের কারণেই তাকে কিনা আসতে হল জাপানের মত ছোট এক দ্বীপরাষ্ট্রে, প্রতিভার প্রমাণ দেওয়ার জন্য! পিংপং হয়ে উঠলো তার বাড়ি ফেরার টিকেট।  কিন্তু সেই সাধারন জাপানী-দের কাছেই যখন তাকে হার মানতে হল – প্রথমে স্মাইলের সাথে না হেরেও হেরে, আর তারপর ষোলকলাপূর্ণ করতে কাজামার কাছে নাস্তানাবুদ হয়ে – তখন তার সামনে নতুন এক বাস্তবতার আগমন ঘটল। কিন্তু সেটা ছিলো তার শিক্ষার অর্ধেক মাত্র।

                  vlcsnap-2015-07-14-17h12m58s91

অনবদ্য ঘটনাপ্রবাহে, প্রচারকালের মাত্র ১৩০ মিনিটের মাথায়, এক নাকউচুঁ অভিজাত থেকে সে পরিণত হল সবচেয়ে ভালো লাগার চরিত্রে। কং নতুন উদ্দ্যমে শুরু করে, নতুন আদর্শ আর দর্শনে দীক্ষিত হয়ে। কিন্তু পরপর দ্বিতীয়বারও কং-কে পরাজয়ের গ্লানি বইতে হয় – এবার পেকোর কাছে। প্রতিযোগীতা নিষ্ঠুর – অনেক সময় কেবল ভালো আর খারাপের পার্থক্যকারী না, ভালো আর অধিকতর ভালোর নিরূপণেরও মঞ্চ।

                 vlcsnap-2015-07-14-17h13m48s118
কাজামা যতই “হিরো”-তে অবিশ্বাসী হোক, তার একজন ত্রানকর্তার প্রয়োজন ছিলো আর যে কারোর চেয়ে বেশি। সে বড় হয়েছে পিংপং-কেন্দ্রিক এক পরিবারে। পারিবারিক চাপ তাকে বাধ্য করেছে পিংপং খেলতে, সে খেলায় ভালো হতে। কারণ তাতে মিশে আছে পরিবারের সম্মান, তাদের কম্পানীর বানিজ্যিক ভবিষ্যৎ। নিজস্ব  ইচ্ছা যেখানে পারিবারিক দাবির কাছে বন্দী। পিংপং কং-এর কাছে আর বাকিদের মত ভালোবাসার কোন স্থান না, স্বপ্নপুরনের মঞ্চ না, বরং বেঁচে থাকা, পরিবারকে টিকিয়ে রাখার জন্য আবশ্যকীয় বিষয়। চিরচেনা গল্প?

স্মাইলেরও বড় হওয়া ভাঙন ধরা পরিবারে, কিন্তু তার অবস্থান সম্পূর্ণ বিপরীত।  তার জীবনে এমনিতেই হতাশার অনেক কারণই উপস্থিত, সেখানে নতুন করে পিংপং যোগ করার কোন ইচ্ছা তার কখনোই ছিলো না। প্রতিভা যতটাই থাকুক। পিংপং তার কাছে আর সবার মত প্রতিযোগীতা না, বরং মুখে “হাসি” ফুটানোর নিয়ামক। এবং ততোটুকুই। পিংপং-ই তাকে মানুষের সান্নিধ্যে এনেছে, তাকে যান্ত্রিকতা থেকে মুক্তি দিয়েছে, তাকে শিখিয়েছে লোহার মত স্বাদ হলেও তার ধমনী-শিরা দিয়ে বয়ে যাওয়া তরলপ্রবাহ, রক্তই, আর সবার মত লাল। স্মাইলের নতুন কোন হিরো-র প্রয়োজন ছিলো না, তার যে ইতিমধ্যেই একজন আছে। পুরো অ্যানিমে জুড়ে তার খোলসের মধ্যে চলে যাওয়া, সেই নায়কে পুনরাবির্ভাবের জন্য সংকেত হিসেবে পাঠানো – ব্যাটসিগনাল। কারণ সেই নায়কই  তখন বিধ্বস্ত, পথহারা।

                 vlcsnap-2015-07-14-18h00m01s170

সাকুমা পিংপং খেলা ছেড়ে দেয় কিন্তু যাওয়ার আগে সে তার আগে সে তার আগে “মুক্ত” করে দিয়ে যায় পেকোকে। পেকোর সহজাত প্রতিভা, তার নিজের যেটা কখনোই ছিলো না, ধ্বংস না করার পরামর্শ দেয়। আর পেকো, সে যখন তার অধপতনের চূড়ান্তে পৌছেছে, তখনই তার অতীত দিনে কথা মনে পড়ায়, খেলার প্রতি তার অগাধ ভালোবাসার কথা মনে পড়ায়, নতুন শুরুর মন্ত্রণা পায়। মাঝে মাঝে নায়কদেরও রক্ষাকর্তা দরকার হয়!

বারবার ব্যর্থতার কথা বললেও পিংপং দ্য অ্যানিমেশন শুধু নিরাশার গল্প না। বরং সম্পুর্ণ বিপরীত। বাস্তব ঘেঁষা, পতনের অনিবার্যতার কথা বলা; কিন্তু তা মেনে নিয়ে উত্তরনের, হার না মানার, এর সবটুকু উপভোগ করার বার্তাবাহী। পেকো ফিরে আসে, ভষ্ম থেকে, দুর্নিবার অগ্নিস্ফুলিঙ্গ নিয়ে; সে নিজে কং-কে মুক্তি দেয়, কাজামাকে মুক্তি দেয়। উড়তে শেখায়। কং জাপানকে আপন করে নেয়, কাজামা  নিজেকে ছাড়িয়ে নেয় প্রত্যাশা আর পারিবারিক চাপের দাসত্ব শিকল থেকে। সেই সাথে পিংপং দ্য অ্যানিমেশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন বার্তাটা দিয়ে যায়।

জীবন কোন অঙ্কের সমীকরণ না, যে নির্দিষ্ট পদক্ষেপ অনুসারে চললে আকাংক্ষিত ফলাফল পাওয়া যাবে। জীবন আরো বেশি কিছু, আরো জটিল কিছু। হয়তো তা পিংপং খেলার মতই। জীবনে “জয়ী” হওয়া কখনোই সম্ভব না। এখানে সাফল্য কখনোই চিরস্থায়ী না। এখানে ব্যর্থতাও কখনোই চিরস্থায়ী না। কারণ জীবনের মহাত্ব্য কখনোই না পরাতে নয়, তা অবশ্যম্ভাবী, বরং পুনরোড্ডয়নের দৃঢ়কল্পতায়; তা থেকে শিক্ষালাভটাই আসল। জীবন সবকিছু নিয়েই, চিরবহমান, ধুসর।

                    

                 vlcsnap-2015-07-14-17h21m52s80        


vlcsnap-2015-07-14-17h21m19s1

আসলেই বাস্তব জীবনে নেই কোন কোন সুপারম্যান, ব্যাটম্যান; নেই কোন সুপার সেন্তাই, কামেন রাইডার। নেই কোন অতিপ্রাকৃত ক্ষমতাসম্পন্ন, অজেয় অতিমানব – যে বিপদের সময় রক্ষা করবে অবিশ্বাস্য দক্ষতায়; যার নাম ঘুরবে মানুষের মুখে মুখে, আর ত্রাস ছড়াবে দুর্বৃত্তদের হৃদয়ে। কিন্তু একজন “হিরো”, ত্রানকর্তা, অনুপ্রেরণার উৎস হওয়ার জন্য সেগুলোই একমাত্র গুণ? বাস্তব জীবনের নায়কেরা সম্ভবত কমিক বই আর চলচ্চিত্রের মত সার্বজনীন না; অনেকটা ব্যক্তিগত। হয়তো একজন বন্ধু, একজন শিক্ষক, হয়তো বাবা-মা বা কোন এক সহচর। বাস্তব জীবনের নায়করা আর যে কারোর মতই সাধারন, মানবিক আর অনেকাংশে ত্রুটিপূর্ণ।

                   vlcsnap-2015-07-14-17h19m03s163

মাত্র ১১ পর্বে – ২২০ মিনিটের প্রচারকালে পিংপং দ্য অ্যানিমেশন বলেছে কিছু উদীয়মান পিংপং খেলোয়াড়, অবিস্মরনীয় চরিত্রদের তারুন্য, তাদের বিশ্বাস, তাদের স্বপ্ন, তাদের সংগ্রাম, তাদের বেড়ে ওঠা,  “কামিং-অফ-এজ”-এর গল্প। এক বছর আগে পিংপং দ্য অ্যানিমেশন দেখা আমার কাছে যে অভিজ্ঞতা ছিল, ভালো লাগার জায়গাটা এক থাকলেও, এখন তা সম্পূর্ণ ভিন্ন।  সহজে বোধগম্য, আপাত দৃষ্টিতে সাধারন এক গল্প, কিন্তু অনেক বেশি ঘনিষ্ট, অনেক বেশি পরিচিত। অনেক বেশি অনুপ্রেরণার – এক “হিরো”।

আমি কি এখনো মনে করি পিংপং দ্য অ্যানিমেশন ২০১৪ সালের সবচেয়ে সেরা অ্যানিমে?
পিংপং দ্য অ্যানিমেশন আমার দেখা সবসময়ের সবচেয়ে প্রিয় অ্যানিমেরগুলোর তালিকায় একেবারে উপরের সারিতে থাকবে।

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – বিংশতম পাঠ

***কানজি কানজি কানজি***

আজকের কানজি ছোটবোনের কানজি …. উচ্চারণ হল “মাই/ইমৌতো”

mai imouto

ছোট ভাই এর মত ছোট বোনও একটাভাবেই ডাকা যায়… “ইমৌতো”… “ইমৌতো” মানে “ছোট বোন”…

ওয়াতাশি নো ইমৌতো-আমার ছোট বোন….. এই কানজি টা একা একা লিখলে “ইমৌতো” উচ্চারণ হয়…মানে “ছোট বোন” বুঝায় আরকি….

আগের দিন “শিমাই” (sisters) এর কানজির কথা তো বলছিলামই…আবারো বলি “শিমাই” এর “মাই” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে…আর “শি” এর জায়গায় “বড় বোন” এর কানজি…বড় আর ছোট বোনের কানজি পাশাপাশি লিখলে “শিমাই” হয় …

“গিমাই” মানে হল sister-in-law…শিমাই তোশি-siser cities…..এখানে “মাই” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে…

 

Movie Time With Yami – 51

spirited_away_by_nuriko_kun-d3cyj4y

 

Name: Spirited Away / Sen to Chihiro no Kamikakushi
Duration: 2 hours 5 min.
MAL Score: 8.93
Ranked: 12
Genres: Adventure, Drama, Supernatural

মাই আনিমে লিস্টের স্ট্যান্ড অ্যালোন মুভির টপ লিস্ট যদি কেউ চেক করেন, দেখতে পাবেন, সবার ওপরে যে নামটি আছে, সেটি হল স্পিরিটেড অ্যাওয়ে। স্টুডিও জিবলীর অন্যতম ব্যবসাসফল এবং প্রশংশিত এ মুভিটি রিলিজ হওয়ার বছরে (২০০১ সাল) একাই দখল করেছিল সকল বড় বড় অ্যাওয়ার্ডগুলো; যার মধ্যে অস্কারও রয়েছে।

নিজের পরিচিত গন্ডি ছেড়ে, স্কুল-বন্ধুবান্ধব-খেলার সাথীদের ছেড়ে যদি হঠাৎ দূরে একেবারে অচেনা কোন জায়গায় চলে যেতে হয় আপনাকে হঠাৎ করে, কেমন লাগবে আপনার? নিশ্চয় মন খারাপ/বিরক্ত লাগবে কিছুটা হলেও! সেরকমটাই ঘটেছে চিহিরোর সাথে। পরিবারের সিদ্ধান্তের কারণে অনিচ্ছাসত্ত্বেও তাকে নিজের পরিচিত গন্ডি ছেড়ে যেতে হচ্ছিল অজানা এক জায়গাতে। সেজন্য চিহিরোর মন বেশ খারাপ। পুরো রাস্তায় এজন্য বাবা-মার সাথে অসহিষ্ণু আচরণ করে সে।

পথে গাড়ি চালানোর সময় হঠাৎ এক জায়গায় একটা ভুল রাস্তায় ঢুকে পড়ে চিহিরোদের গাড়ি। অচেনা পথে দিকভ্রষ্ট হয়ে গাড়ি চালাতে চালাতে একসময় গাড়িটা এসে পৌছায় একটা জনমানবশূণ্য থিম পার্কের সামনে। চিহিরো যদিও জায়গাটা নিয়ে শঙ্কিত থাকে, তারপরেও বাবা-মায়ের পেছনে পেছনে জায়গাটা পরিদর্শন করতে বেরিয়ে পড়ে।

পার্কটির একপ্রান্তে হঠাৎই একটি খাবারের স্টল খুঁজে পায় চিহিরোর বাবা-মা। কোনকিছু চিন্তা না করে খেতে বসে যায় তারা। চিহিরো তাদের সাথে বসে না ভয়ের কারণে। এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই সে আবিষ্কার করে, বাবা-মায়ের অদূরদর্শী কাজের কারণে এক ভয়াবহ বিপদের মধ্যে এসে হাজির হয়েছে তারা।

মুভিটির কাহিনী বেশ দ্রুতগতিতে আগায় বলা চলে, কোন জায়গায় দম ফেলার সুযোগ তেমন একটা পাওয়া যায় না। স্পিরিট ওয়ার্ল্ড ও তার আজগুবি ক্রিয়েচারগুলো দেখে আমার একটু অস্বস্তি লেগেছিল, আর কাহিনীটা মাঝে যেন একটু খাপছাড়া লেগেছিল। তবে এঞ্জয়মেন্ট ভ্যালু হিসেবে বলা যায়, বেশ উপভোগ্য ছিল মুভিটি। মিয়াজাকি হায়াও এর সব মুভিতে তার কাজের ছোঁয়া স্পষ্ট থাকে, এ মুভিটিও তার ব্যাতিক্রম নয়, ক্যারেক্টার ডিজাইন, আর্টওয়ার্ক, ডেভেলপমেন্ট- পুরোটাই একটা জিবলী জিবলী ভাব তৈরি করে। আর্টওয়ার্ক জিবলীর বাকি কাজগুলোর মতই অসাধারণ, আজগুবি ক্রিয়েচারগুলোকেও খুব যত্ন নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। সাউন্ডট্র্যাকও বেশ চমৎকার, আর চিহিরোর ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট বেশ ভাল ছিল।

আর, বলা হয়ে থাকে যে, মুভিটিতে রূপক অর্থে দর্শককে মেসেজ দিতে চেষ্টা করা হয়েছে, এই মেসেজ নিয়ে অনেক থিওরী, ভিডিও ছড়িয়ে আছে ইন্টারনেটে। মুভি দেখার পরে যদি আগ্রহী হন তো এগুলো কিছুটা ঘাটাঘাটি করে দেখতে পারেন, দেখে মজাই লাগবে, আর মুভিটির ব্যাপারে মনে নতুন ধারণার জন্ম হওয়াটাও অস্বাভাবিক নয়! কিংবা কে জানে, হয়ত আপনিও একটি নতুন থিওরী দাড়া করিয়ে ফেললেন!

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Spirited-Away

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৪১ তম পার্ট By অরিন শারমিন

জাপানিজ শিক্ষাকার্যক্রমের ৪১তম লেসন

 

আজকে একটা ইম্পরট্যান্ট জিনিস শিখাব সেটা হল “Japanese particles”

“Japanese particles” শিখার আগে একটা জিনিস জানা দরকার সেটা হল “Japanese basic sentence structure” এ কি কি type এর word থাকে….

**(একটা জিনিস বলে রাখি আমি যা শিখাচ্ছি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই টাইপের হলেও অনেক ক্ষেত্রেই এর ব্যতিক্রম হতে পারে লাস্টে কিছু ব্যতিক্রমের উদাহরণ দিব )**

 

তাহলে ১মে আমাদের শিখতে হবে “types of words”..

“Japanese basic sentence structure” এ বিভিন্ন টাইপের শব্দ থাকতে পারে তার মধ্যে ইম্পরট্যান্ট কিছু বলি…

Topic word (এটা অনেকটা ইংলিশ সেন্টেন্সের subject এর মত),time word,companion word,place word,object word,verb word.. (জাপানিজ সেন্টেন্সে শব্দ গুলা মোটামোটি এই সিরিয়ালেই বসে)

এবার আসি কোন শব্দের সাথে কোন পার্টিকেল বসে …

topic এর সাথে বসে “wa”
time এর সাথে বসে “ni”
ompanion এর সাথে বসে “to”
place এর সাথে বসে “de”
object এর সাথে বসে “o”
verb সবার শেষে থাকে এর সাথে কোন পার্টিকেল থাকে না..

এবার দুই-একটা উদাহরণ দিয়ে ক্লিয়ার করি …

1.I watched a movie with my friend in a movie theater on Sunday.

2.I ate lunch with my dad at a restaurant on Friday.

3.Abonti speaks Japanese everyday at home with her family.

 

এবার আসি উপরের বাক্যগুলাতে কোনটা কি টাইপের ওয়ার্ড

Topic word (I and Abonti) …
I এর জাপানিজ ওয়াতাশি..

Time word (Sunday,Friday,everyday)
sunday-নিচিইয়োবি
friday-কিনইয়োবি
everyday-মাইনিচি

companion word (my friend,my dad,her family)
friend-তোমোদাচি
dad-চিচি,ওতৌসান,তৌসান,ওতৌসামা ইত্যাদি
family-কাজোকু

place word (movie theater,restaurant,home)
movie theater-এইগাকান
restaurant-রেসুতোরান
home-উচি

object (movie,lunch,Japanese)
movie-এইগা
lunch-ওহিরুগোহান
Japanese-নিহোনগো

verb (watched,ate,speaks)
watched-মিমাশিতা
ate-তাবেমাশিতা
speaks-হানাশিমাসু

(মিনিং প্রায় সবই আগে বিভিন্ন লেসনে শিখানোর কথা.. সুবিধার জন্য সবগুলা আবার বললাম) এখন প্রতিটা বাক্যের ফুল অর্থ বলি..

1.I watched a movie with my friend in a movie theater on Sunday.
১. ওয়াতাশি ওয়া নিচিইয়োবি নি তোমোদাচি তো এইগাকান দে এইগা ও মিমাশিতা.

2.I ate lunch with my dad at a restaurant on Friday.
২. ওয়াতাশি ওয়া কিনইয়োবি নি চিচি তো রেসুতোরান দে ওহিরুগোহান ও তাবেমাশিতা

3.Abonti speaks Japanese everyday at home with her family.
৩. অবন্তী সামা ওয়া মাইনিচি কাজোকু তো উচি দে নিহোনগো ও হানাশিমাসু (এখানে টাইম ওয়ার্ড এর সাথে নি বসে কিনা আমি শিওর না যতদূর জানি everyday specific কোন টাইম না বলে নি বসে না)

 

কঠিন জিনিসপত্র উদাহরণ দিয়ে একটু সোজা করার ট্রাই করছি যারা বুঝছ/বুঝছেন তারা নিচের সেন্টেন্সের জাপানিজ কমেন্টে লিখতে পার/পারেন তাইলে কতটুকু বুঝাতে পারলাম আইডিয়া হবে আমার

“I want to see cherry blossoms in kyoto in the spring” (কিছু শব্দের মিনিং বলে দেই.. want to see-মিতাই দেসু, cherry blossoms-সাকুরা spring-হারু)

এখন ব্যতিক্রমে আসি ….restaurant হল একটা place word কিন্তু যদি restaurant topic word হিসেবে ব্যবহার হয় তখন particle “দে” না বসে “ওয়া” বসে আবার যদি object হিসেবে ব্যবহার হয় তখন “ও” বসে ….

যেমনঃ “restaurant are expensive sometimes”- রেসুতোরান ওয়া তোকিদোকি তাকাই দেসু.. (expensive-তাকাই,sometimes-তোকিদোকি)

she knows many good restaurant-কানোজো ওয়া ইই রেসুতোরান ও তাকুসান শিত্তেইমাসু.. (good restaurant-ইই রেসুতোরান, many-তাকুসান,knows-শিত্তেইমাসু)

এখানে ১ম বাক্যে restaurant টপিক তাই “ওয়া” বসেছে আর ২য় বাক্যে object তাই “ও” বসছে …

শুধু place word না বাকি সব ওয়ার্ড এর ক্ষেত্রেও এমন ব্যতিক্রম হতে পারে…দেখে বুঝতে হবে কোনটা কি ওয়ার্ড হিসেবে ইউজ হয়েছে সেই অনুযায়ী পার্টিকেল বসাতে হয়…

 

আজকে মেলা কিছু বুঝাইছি … এই পর্যন্তই থাক..মাতা নে.. 🙂

‘ইফ ইউ লাইক দিস ইউ মে অলসো লাইক দ্যাট’ – ১৬.৫

ইফ ইউ লাইকড ‘Mars of Destruction’ ইউ মে অলসো লাইক ‘Tenkuu Danzai Skelter+Heaven

1

আপনার কাছে ‘Mars of Destruction ভালো লাগলে ‘Tenkuu Danzai Skelter+Heaven ও ভালো লাগতে পারে

কারণ-

Mars of Destruction ও ‘Tenkuu Danzai Skelter+Heaven এর মধ্যে মিল-

* দুইটাই ১ এপিসোড এর OVA.
* সেইম স্টুডিও, Idea Factory, এর করা।
* Director Yoshiteru Satou.
* সেইম জনরার। সাই-ফাই।
* 19 minutes of pure awesomeness.
* এলিয়েনদের হাত থেকে পৃথিবীকে বাচানো নিয়ে কাহিনি।

2

Mars of Destruction ও ‘Tenkuu Danzai Skelter+Heaven এর মধ্যে অমিল-

* ‘Mars of Destruction’ ও ‘Tenkuu Danzai Skelter+Heaven’ এর স্ক্রিপ্টরাইটার ভিন্ন।
* ‘Tenkuu Danzai Skelter+Heaven’ এর Script আর Screenplay ও Director Yoshiteru Satou এর করা।

3

4

5

6

7

8

9

১০০% পারফেক্ট গার্ল — Zahura Chowdhury Abonti

১০০% পারফেক্ট বলতে দুনিয়াতে কিছু কি আছে? তাহলে কোন মেয়ে কি করে ১০০% পারফেক্ট হয়! কিন্তু এই মানহোয়ার নামই এটা। “১০০% পারফেক্ট গার্ল”।

সুদূর রয়েন দেশ থেকে কোরিয়া তে এসেছে জে. ম্যাক্স। আসার পথে তার সেক্রেটারিকে সে পড়তে দেখে হারুকি মুরাকামির বই “১০০% পারফেক্ট গার্ল”। নেহাতই কিছু করার না পেয়ে সেক্রেটারির থেকে নিয়ে সেই বইই পড়া শুরু করে জে। বইটার মূল উপজীব্য ছিল কি করে এক ছেলে তার পছন্দের মেয়েকে নিয়ে বলে যে সেই হচ্ছে ১০০% পারফেক্ট গার্ল; ছেলেটির মতে মেয়েটি শুধু তার জন্যই। জে এগুলো পড়ে নিছক সস্তা রোমান্টিসিজম ভেবে নেয়। এসব বইও মানুষ পড়ে?!

কোরিয়া তে এসে ঘটনাচক্রে জে এর দেখা হয় আরেক জে এর সাথে। এই জে এক উঠতি বয়সী তরুণী যার স্বপ্ন হচ্ছে বড় আর্টিস্ট হওয়া। কিন্তু পরিবারে ছোট সন্তান হিসেবে প্রায়ই তার মত বাসাতে অগ্রাহ্য করা হয়। সবার জন্য নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিতে দিতে ক্লান্ত মেয়ে জে এর রয়েন থেকে আসা জে এর সাথে দেখা হওয়া নেহাতই কাকতালমাত্র। সংক্ষিপ্ত সেই এনকাউন্টারে শুধু একে অপরের নামটাই জানা হয় তাদের। আর সেই নামও কিনা একই! মেয়ে জে তাই রয়েনের জে এর নাম দেয় জারতে। সুদর্শন যুবক জারতে কে এক পথ হারানো বিদেশী পর্যটক মনে করলেও আসলে যে সে রয়েনের রাজা তা কোনভাবেই জানার উপায় ছিল না জে এর। খুব অল্প সময়ের সেই দেখাকে ঠিক সুমধুর হিসেবে ব্যাখ্যা করা না গেলেও জারতের জন্য তা বিশেষ কিছুই ছিল। কি কারণে সেও জানেনা জে কে মনে ধরে যায় জারতের। দেশে ফিরেও কাজে মন বসাতে না পেরে আবারো কোরিয়ার পথ ধরে জারতে। কিন্তু কি করে খুঁজে পাবে সে জে কে? তার ফোন নাম্বারটিও তো নিতে পারেনি সে!… রাজা হলে কত কিছুই না করা যায়! কোরিয়ার সকল বিলবোর্ড ভাড়া করে ফেলে জারতে। তাতে বড় বড় করে লেখা — “জে ইস লুকিং ফর জে”। কোরিয়ার সকল দেয়াল ছেয়ে যায় একই লেখার পোস্টারে।
খুঁজে কি পায় এক জে আরেক জে কে? মানহোয়া যেহেতু, নিশ্চয়ই খুঁজে পায়। কি হয় এর পরে? মডার্ণ ডে সিন্ডারেলা নামে খ্যাত মেয়ে জে এর জীবন রাতারাতি পালটে যায়, সেই পালটানোটা কি তার জন্য ভাল কিছু বয়ে আনে?

নানা রকম টুইস্ট আর টার্নে ভরা এই মানহোয়াটা আমার অনেক প্রিয়। এখানে চরিত্রগুলোর ইমোশন খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন লেখক ওয়ান। আমার অন্যতম পছন্দের এই মানহোয়া লেখক+আর্টিস্টের আর্টের প্রশংসাও না করলে নয়। সব মিলিয়ে অত্যন্ত উপভোগ্য একটি মানহোয়া এটি। আমার মত যারা একটু ম্যাচিওর রোমান্স পছন্দ করে তাদের এটা অবশ্যই ভাল লাগবে। এছাড়া আছে সাইকোলজিক্যাল ট্যাগও। তো আর দেরী কেন? আজই পড়া শুরু করে দিন “১০০% পারফেক্ট গার্ল”।

J - J

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – উনবিংশতম পাঠ

***কানজি কানজি কানজি ***

আজকের কানজি হল “বড় বোন” এর কানজি…এই কানজি টার উচ্চারণ হল “নেএ/আনে/শি”

ne ane shi

বড় ভাই এর মত বড় বোনকেও বিভিন্নভাবে ডাকা যায়….

নেএ,আনে।ওনেএ সান,ওনেএ চান , আনেসান,আনেচান,আনেকি, ওনেএ সামা,আনে সামা,নেএ সামা,নেএ সান,নেএ চান ইত্যাদি ইত্যাদি..এখানে যেসব জায়গায় “নেএ/আনে” আছে সেখানে এই কানজি টা বসে..আনিমে দেখা মানুষজনের সবারই মোটামোটি এগুলা জানার কথা..

“শিমাই” মানে হইল sisters…বড় বোন আর ছোট বোনের কানজি পাশাপাশি লিখলে “শিমাই” বুঝায় (শেমাই না কিন্তু 😛 )….এখানে “শি” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে …. “কিওদাই”এর মতই আরকি..ওইখানে ২ ভাই ছিল এখানে ২ বোন…এটাই পার্থক্য…

এই কানজি সম্পর্কে মোটামোটি এইটুকুই জানি….এই কানজি টাও মোটামোটি বিদঘুটে টাইপের দেখতে…নেক্সট দিন ছোট বোনের কানজি নিয়ে হাজির হব.. মাতা নে

‘ইফ ইউ লাইক দিস ইউ মে অলসো লাইক দ্যাট’ – ১৬

ইফ ইউ লাইকড ‘Angel Beats!’ ইউ মে অলসো লাইক ‘Little Busters! & Little Busters!: Refrain

1

আপনার কাছে ‘Angel Beats! ভালো লাগলে ‘Little Busters! & Little Busters!: Refrain ও ভালো লাগতে পারে

কারণ-

Angel Beats! ও ‘Little Busters! & Little Busters!: Refrain এর মধ্যে মিল-

* Key visual novel studio এর করা।* স্ক্রিপ্টরাইটার Jun Maeda.
* সেইম জনরার। Comedy, Drama,School, Supernatural.
* অনেকটা সিমিলার কনসেপ্ট।
* ক্যারেক্টারদের মিল।
* স্কুলে বন্ধুরা মিলে মজা করার লাইটহার্টেড কমেডি এর মাঝেই ইমোশোনাল কাহিনি + বেইসবল + Feels.
* সাউন্ডট্র্যাক বেশ ভালো।
* ভালো ভিসুয়াল।
* মেইন ক্যারেক্টার এর মিল। অন্যদের তাদের জীবনের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।
* ড্রামাটিক, স্যাড আর অনেক বেশি ইমোশোনাল।
* ফানি র‍্যান্ডম এন্ড ব্যাটল সিন।
* ক্যারেক্টার সেন্ট্রিক প্লট।
* সেইম ভাইব আর এনভায়রোমেন্ট।

2

Angel Beats!’ ও ‘Little Busters! & Little Busters!: Refrain এর মধ্যে অমিল-

* Little Busters! & Little Busters!: Refrain ভিসুয়াল নভেল থেকে এডাপ্ট করা। Angel Beats! এর ভিসুয়াল নভেল অ্যানিমেই এর অনেক পরে (মাত্র কয়েকদিন আগে) রিলিস পেয়েছে।
* Little Busters! এর পুরা কাহিনি ২ সিসন মিলে।
* একটাতে এন্ডিং স্যাটিসফাইং।

3

4

5

6

7

8

9

10

11

12

13