Kaze no Stigma রিভিউ — Mithila Mehjabin

Kaze.no.Stigma.full.93320

“Kaze no Stigma” বা “Stigma of the wind”, বাংলা করলে দাড়ায় “বাতাসের কালিমা” সত্যিই খুব চমৎকার একটা অ্যানিমে! 🙂

কাহিনীটা এরকম: Kanagi ফ্যামিলীর সবচেয়ে বড় ছেলে Kazuma kanagi তাদের পরিবারের ঐতিহ্যবাহী “Fire magic” আত্নস্থ করতে ব্যার্থ হয়, এবং স্ব-পরিবারের চার বছরের ছোট কাজিন Ayano kanagi এর সাথে একটি ডুয়ালে হেরে যায়। এতে তার পিতা Genma Kanagi অসন্তুষ্ট হয়ে তাকে ত্যাগ করে। কাহিনী শুরু হয় যখন এই Kazuma Kanagi চার বছর পর Kazuma Yogami নাম নিয়ে এবং Fire magic এর বদলে অসম্ভব Wind magic পাওয়ার নিয়ে বিদেশ থেকে জাপানে ফিরে আসে। Kanagi পরিবার তার এই হঠাৎ আবির্ভাব এর কথা জানতে পারে এবং পরিবারের ওপর তার রোষ থেকে পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি হতে পারে ভেবে শঙ্কিত হয়। এদিকে হঠাৎ করে পরিবারের দুজন সদস্য Wind magic দ্বারা খুন হয়ে যায়। যদিও খুনী থাকে অন্য কেও, পরিবারের সদস্যরা এতে Kazuma কেই খুনী ধরে নেয় এবং তারা তাকে হন্যে হয়ে খুজতে থাকে , তন্মধ্যে সবচেয়ে আগ্রহী থাকে পরিবারের ভবিষ্যৎ প্রধান এবং Kazuma’র সেই ছোট বেলার কাজিন মেয়েটি, Ayano Kanagi, যে থাকে কাহিনীর মূল নারী চরিএ। তারপর বিভিন্ন প্লট টুইস্টের মাধ্যমে Kazuma, Ayano এবং Kazuma’র ছোট ভাই Ren Kanagi কে ঘিরে কাহিনী এগিয়ে যায়…

এখানে Ren Kanagi’র কথা না বললেই নয়। Kazuma’র এই ছোট ভাইটি থাকে অসম্ভব kawai!! 😀 ইনোসেন্ট লুকিং নরম স্বভাবের ছেলেটা যে কারো ভালোবাসা জয় করে নিতে বাধ্য! কাহিনীতে তার ভূমিকাও উল্লেখযোগ্য।
এদিকে রাগী এবং গরম স্বভাবের, অথচ সৎ সুন্দর Ayano Kanagi এবং স্থির, তেড়া, একরোখা এবং হ্যান্ডসাম লুকিং Kazuma Kanagi’র রসায়নটি থাকে খুবই মজার! 😀

মোট ২৪ টা এপিসোড এর কাহিনী, ডাব এবং সাব দোনোটাই এভেইলেবল। সাব টা দেখিনি যদিও, তবে ডাব টা এক কথায় অসাধারণ! বিশেষ করে Kazuma’ র গর্জিয়াস ভয়েসটা সবার ই ভাল্লাগার কথা।
এপ্রসঙ্গে একটা মজার জিনিস বলি, Kazuma’র ভয়েসে সবচেয়ে মজার শোনায় যে ওয়ার্ড টা, সেটা হলো “Basturd!” আর Ayano’র ভয়েসে “Pervert!” 😀

সো, আগ্রহী বন্ধুরা দেখে ফেলতে পারো। 🙂

বি:দ্র: কাহিনীটা একটানা এ্যাকশন মতন কিছু না, রোমান্স এবং কমেডিরও প্রচুর খোরাক রয়েছে…সুতরাং একঘেয়ে লাগবে না, এটা আশা করা যেতেই পারে!
Arigatou Minna! 🙂

Ouran Highschool Host Club রিভিউ — Mithila Mehjabin

প্রথমে যখন এই এনিমে টা দেখতে শুরু করলাম, মেজাজটা খুব খারাপ হচ্ছিল, কারণ সহজকথায়, এহেন ছাগলমার্কা এনিমে আর দেখিনি।
আর যখন দেখা শেষ করলাম তখনও মেজাজ খারাপ হচ্ছিল, কারণ পাগলামি-ছাগলামি যে এত মজার হতে পারে, তার নমুনাগুলো আর দেখা হবেনা…!

হ্যা…বলছি Ouran Highschool Host Club এর কথা!
আসলে এই এ্যানিমে সম্পর্কে বেশী কিছু বলতে গেলে Spoiler হয়ে যায়…আর না বললে বোধহয় অবিচার হয়ে যায়..তাই একটুকিছু বলা উচিৎ..
কাহিনীর শুরু এরকম: ধনী এবং উচ্চবংশীয় ছেলে-মেয়েদের অভিজাত স্কুল Ouran Academy তে স্কলারশিপ পাওয়া একজন মধ্যবিত্ত স্টুডেন্ট Haruhi Fuziwoka পড়ার সুবিধার্থে একটু নিস্তব্ধতার আশায় একটি পরিত্যাক্ত মিউজিক রুম এ ঢুকে পড়ে, এবং অবাক হয়ে যায় ৬ জন অত্যন্ত ধনী এবং উচ্চবংশীয় স্টুডেন্ট তাকে ওয়েলকাম করছে দেখে, যা সে মোটেই আশা করেনি। সেখানে সে জানতে পারে যে এই ৬ জন স্টুডেন্ট মিলে গড়ে তুলেছে একটি হোস্ট ক্লাব, Ouran Highschool Host Club, যেখানে উচ্চবংশীয় সুদর্শন হোস্টরা অনেক অবসর সময় নিয়ে সেসকল উচ্চবংশীয় মেয়েদের এন্টারটেইন করে যাদের হাতেও অনেক অবসর সময় রয়েছে! পুরো ব্যাপারটাই Haruhi’র কাছে খাপছাড়া লাগে, কিন্ত ঘটনাচক্রে একটা অত্যন্ত দামী ভাস্ ভেঙে ফেলায় তার দায় মেটানোর জন্য তাকে বাধ্য হয়েই ক্লাবটিতে জয়েন করতে হয়। প্রখমে তাকে ঠুনকো কাজ করার জন্য রাখা হলেও পরে সে যে অত্যন্ত কাওয়াই, সেটা আবিষ্কার করে ক্লাবের হেড তাকে হোস্ট হিসেবে নিয়োগ করে, তারপর একটি চমক, এবং এখান থেকেই গল্পটির যাত্রা শুরু….:)

জীবনে যে হাসেনাই, এই এনিমেটি দেখে এমনকি সেও হাসতে বাধ্য! 😀

এনিমেটা মূলত কমেডি, তবে হালকে রোমান্স এর ছোয়াঁটা খুবই আবেদনময়। হোস্টক্লাবটির হেড Tamaki Suo এবং অন্যন্য সদস্য…Kyoya Outory, Hikaru এবং Kaoru Hitachi, Hanni Nozuka, Mory Nozuka এবং Haruhi Fuziwoka…এদেরকে ঘিরে যত কীর্তিকারখানাই এনিমেটার কাহিনী।

এনিমেটাতে মূলত বড়লোকদের বড়লোকীয় কাজকারবারের অর্থ বুঝতে অনভিজ্ঞ একজন মধ্যবিত্তের মিশেলে অম্ল-মধূর মুহুর্তগুলোর মধ্য দিয়ে দু’দলের কাছে পরস্পরকে বোঝার এবং পরস্পরের কাছে পরস্পরের প্রয়োজনীয়তা ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। এই আদর্শটিই এনিমেটাকে আরও ইন্টারেস্টিং করে তুলেছে… 🙂

২৬ টি এপিসোড এর এনিমেটাতে পাগলামি-ছাগলামির কোনো অভাব নেই! ডাব এবং সাব দুটোই আছে। তাড়াহুড়ো করে দেখতেও মন চাইবে না…যখন খুশি তখন দেখাতেও মজা বাড়বে বৈ কমবে না।

সো, হাতে অবসর থাকুক বা না থাকুক, যারা দেখনি তারা দেখে ফেলতে পারো! এনিমেটা যদিও নতুন নয়, আর এর একেকটা পর্ব দেখা মানেই অবসর সার্থক! বলে রাখা ভালো, এনিমেটার আসল স্বার্থ জাস্ট্ ফান্ …আর কিছু নয়। 🙂

এনিমেটা নতুন কিছু নয়, তারপরও এতকিছু লিখে যাদের বিরক্তি ধরিয়ে ফেললাম, তাদেরকে আগে থেকেই সরি বলে রাখছি! গোমেন্নাসাই!

Arigatou Minna!

Ghost Hunt রিভিউ — Mithila Mehjabin

হরর/প্যারানর্মাল ইনভেস্টিগেশন/মিস্টেরি/একশন/টিমওয়ার্ক- এই জাতীয় এনিমে যাদের পছন্দ, তাদের জন্য এই এনিমে টা একশবার রেকমেন্ডেড!

বলছি Ghost Hunt এর কথা! 🙂

শুরুটা এরকম: Mai Taniyama স্কুলে ক্লাস শেষে রুমের আলো নিভিয়ে বন্ধুদের নিয়ে ভূতের গল্প করতে পছন্দ করে। একদিন তাদের পুরোনো স্কুলবিল্ডিংটি নিয়ে এমনই গল্পচলাকালীন একজন অপরিচিত সুদর্শন যুবক হঠাৎ করে তাদের ক্লাসরুমটিতে ঢুকে পড়লে ভয় পেয়ে যায় মেয়েগুলো! সুদর্শন ছেলেটির নাম Kazuya Shibuya, নিজেকে একজন ফ্রেশমেন হিসেবে পরিচয় দিলেও ছেলেটার কথা, কন্ঠ, স্থির – অচঞ্চল ভাবটার মধ্যে কোথাও যে একটা রহস্য লুকিয়ে আছে, এ ব্যাপারটা Mai ঠিকই বুঝতে পারে। পরদিন স্কুলে যাওয়ার পথে তাদের সেই পরিত্যাক্ত পুরোনো ভুতুড়ে স্কুল বিল্ডিংটা চোখে পড়লে কৌতুহল বশে Mai এর ভেতরে ঢুকে পড়ে, এবং পরিত্যাক্ত বিল্ডিংটিতে একটি ক্যামেরা দেখতে পেয়ে অবাক হয়ে যায়। যেই না ক্যামেরাটি ধরতে যাবে, অমনিই ঘটে যায় বিপত্তি! হঠাৎই একটা কন্ঠ শুনে ভয় পেয়ে যায় Mai, আর তারই ধাক্কায় একটা বুকশেলফ তার ওপর পড়ে যেতে নিলে কন্ঠধারী ব্যাক্তিটি তাকে বাচাঁতে গিয়ে নিজেই মারাত্নক ভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এসময় Kazuya নামের গতদিনের সেই রহস্যময় ছেলেটি এসে হাজির হয়, এবং আঘাতপ্রাপ্ত ব্যাক্তিটিকে সাহায্য করে। একের পর এক অপ্রত্যাশিত ঘটনায় অবাক হয়ে গেলেও পরে Mai জানতে পারে সেই আঘাতপ্রাপ্ত ব্যাক্তিটি ছিল Kazuya’র এসিস্টেন্ট, এবং ১৭ছর বয়সী Kazuya নামের রহস্যময় ছেলেটি আসলে একজন প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটর, একটি সাইকিক রিসার্চ সেন্টার এর মালিক, যাকে ঐ ভুতুড়ে স্কুলবিল্ডিংটার রহস্যোদ্ঘাটনের জন্য হায়ার করা হয়েছে! এদিকে ক্যামেরাটি ভেঙে ফেলায়, এবং তার কারনে Kazuya’র এসিস্টেন্ট আপাতত কিছুদিনের জন্য অচল হয়ে যাওয়ায় তাকেই আপাতত Kazuya’র এসিস্টেন্ট হিসেবে যোগ দিতে বাধ্য হতে হয়। তাদের ইনভেস্টিগেটিং এ আরও যোগ দেয় Monk Takigawa- একজন এক্সরসিস্ট, John Brown- প্রিস্ট, Masuko Hara- স্পিরিচুয়ালিস্ট, Ayako Matsuzaki- স্রাইন মেইডেন। শুরু হয় গল্প, এবং একের পর এক রুদ্ধশ্বাস্ অভিযান!

স্টোরির আর্টওয়ার্ক এবং প্লটগুলো অসাধারণ, এবং এক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রশংসার দাবিদার হচ্ছে স্টোরির সাউন্ড সিস্টেম টা। এক কথায় ভয়ঙ্কর! শুধু সাউন্ড গুলোই যে কাউকে ভয় পাওয়াতে যথেষ্ট……আর মিস্টেরি ও একশন তো আছেই! 😀

২৫ টি এপিসোড্, ডাব্ ও সাব্ দুটোই আছে। সো, যারা এই ধরনের প্লটে আগ্রহী, তারা বিনা দ্বিধায় দেখে ফেলতে পারো, নিরাশ হবে না! 🙂
আর, ইয়ে….দূর্বল চিত্তের মানুষদের রাতে না দেখাই ভালো! 😛

আর এই ধরণের প্লটের আরও কোনো সাজেশন থাকলে তা জানাবেন, প্লীজ! 🙂

আরিগাটোও মিন্না!

Myself ; Yourself! রিভিউ — Mithila Mehjabin

সো দিস ইস্ দা স্টোরি অফ Myself;Yourself! 🙂
(May contain a bit spoiler)

কথায় আছে, ” Childhood is all about future, youth is about present and Old age is all about past!” 🙂

আমরা যারা ইয়ুথ যাপন করছি, সবাই আমরা বর্তমানে বেচেঁ থাকি, এবং ভবিষ্যত কে সাজাই, অতীত নিয়ে যেহেতু করার কিছু নেই, তা নিয়ে মাথা ঘামাই না। সুন্দর অতীত নিঃসন্দেহে সম্পদ, আর দুঃসহ অতীত থেকে পালিয়ে বেড়াই! 🙁
হ্যা, অতীত কে বদলানোর কোনো উপায় নেই, কিন্তু দুঃসহ অতীতের প্রতি আমাদের অনুভূতি বা দৃষ্টিভঙ্গি কে বদলে, ‘খারাপ কিছুও আমার জীবনে ঘটেছে’- এই ব্যাপারটাকে স্বস্তির সাথে স্বীকার করেও যে সামনে এগুনো যায়, এই ধরণের একটা অনুভূতি কে জাগিয়ে তোলা কাহিনীই হলো Myself;Yourself!
🙂
শুরুটা এরকম: Sana Hidaka নামক অতিমাত্রায় কিউট ছোট্ট ছেলেটিকে পারিবারিক কারণে প্রিয় শহর, এবং প্রিয় বন্ধুদেরকে রেখে অনেক দূরে চলে যেতে হয়। পাচঁ বছর পর যখন সে আবার ফিরে আসে, ছোটোবেলার সেই প্রিয় শহর এবং বন্ধুদের চেনা ব্যাপারগুলোর সাথে মিল-অমিল, মান-অভিমান এবং স্মৃতিকাতরতা তাকে একইসাথে আনন্দ এবং অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। এবং তার অস্বস্তির সাথে কাটাঁ হয়ে বিধেঁ সেই ছোট্টবেলার শান্ত – শিষ্ট, মিষ্টি, মার্জিত, অতিচেনা-পরিচিত মেয়ে Nanaka Yatsushiro এর আমূল বদলে যাওয়াটা। কি হয়েছিল এই পাচঁটি বছরে? Nanaka কেন আর ভায়োলিন বাজায় না? Shuu এবং Shuri Wakatsuki কেন এত ক্লোজ্? রক্তাক্ত ছুরি কেন Sana কে এত ভয় পাইয়ে দেয়?
এসব প্রশ্নের উওর জানতে হলে দেখে ফেলতে হয় সিম্পল, অথচ সুন্দর এই ছোট্ট এনিমে টা.. 🙂

গল্পের প্রতিটি চরিত্রের ভূমিকাই অনেক যত্ন নিয়ে সাজানো হয়েছে। Aoi’র কমেডি, Hinako’র ছেলেমানুষি, এবং Hoshino’র ভিতরের সত্তাটি গল্পে অন্যরকম প্রভাব ফেলে।

রোমান্স, ড্রামা, স্কুল, স্লাইস অফ লাইফ জেনরের এই এনিমেটা মোটেই টিপিকাল কিছু না, তাই দেখার জন্য কোনো তাড়াহুড়ো অনুভব হয় না। এই হাসিখুসি, প্রাণোচ্ছল মানুষগুলোর হাসির পেছনে জীবনটা যে কতটা কুৎসিত হতে পারে, তা-ই এই কাহিনীর মূল আকর্ষণ। জীবনের তুচ্ছ ব্যাপারগুলোই হাসি-কান্নার খোরাক, গল্পটা সেটাই বারবার মনে করিয়ে দেয়। অনেকের কাছেই নষ্টালজিক মনে হতে পারে। 🙂

এনিমেটির আর্টওয়ার্ক খুবই সুন্দর, এবং টাচিং সাউন্ডট্র্যাক। গল্পজুড়ে যে ব্যাপারগুলো রেফ্লেক্টেড হয়, তা মনে ছাপ ফেলে। ১৩ টি এপিসোড এবং ৩ টি স্পেশাল এপিসোড্, সাবড্ এভেইলেবল্।। 🙂

MAL rating: 7.53
Personal rating: 7
🙂

সো, আগ্রহী বন্ধুরা দেখে ফেলতে পারো! 😀

Arigatou! 🙂

Clannad : After Story, একটি স্পয়লারহীন (প্রায়) রিভিউ — সাজিদ হাসান আপন

“I laughed…
I cried…
I experienced something that changed my life… ” – My Anime List

“It will captivate your heart.” – IMDb

Clannad : After Story যারা দেখসে, আমি নিঃসন্দেহে বলতে পারি সবার অনুভূতি একই রকম। উপরের এই quote দুইটা দিয়েই আসলে পুরা অ্যানিমেটা বর্ণনা হয়ে যায়।

Genre: Drama, Romance
IMDb Rating : 8.9 / 10
My Rating : 9 / 10
22 Episodes + 1 Extra + 1 Summary + 1 OVA = 25 In total.

কেনো দেখবো?

সর্বকালের সেরা ইমোশনাল অ্যানিমেগুলার মধ্যে এটার নাম অনায়াসে থাকবে। Friendship, পারিবারিক টানাপোড়ন, কঠোর বাস্তবতা, জীবনের ছোট-ছোট চাওয়া-পাওয়া – এই জিনিসগুলা একটামাত্র অ্যানিমেতে উপস্থাপনের কঠিন কাজটা Kyoto Animation Limited চমৎকারভাবে করসে এই সিরিজে। Kyoto’র অ্যানিমে মানেই অস্থির Graphic Detail, Nostalgic soundtrack আর চমৎকার Character building. তবে এই অ্যানিমের Soundtrack বিশেষভাবে বিশেষ। (Soundtrack এর link নিচে দেয়া আছে।)

কমেডিগুলা সুন্দর, Meaningful. সুড়সুড়ি দিয়ে হাসানোর চেষ্টা করেনি। (Season: 1 টা বেশি হাসির। Season: 2, মানে যেটা নিয়ে লিখতেসি, কিছুটা গম্ভীর।)

সিরিজটার সবচেয়ে বড় Twist হইলো এর Ending – একেবারেই কল্পনার বাইরে ছিলো Ending টা. আর পুরা সিরিজ জুড়ে চলতে থাকা আপাত অর্থহীন আর কাহিনীর সাথে সম্পর্কহীন জিনিসগুলা Ending-এ এমনভাবে প্রভাব ফেলসে যে (আর কমু না। নিজে দেইখা লন। শুধু এটুকুই বলতে পারিঃ হুমায়ূন আহমেদ টাইপ Ending – “নিজের মতো কল্পনা কইরা লন” জাতীয়।)

Clannad – যার অর্থ Family বা Clan – এই অ্যানিমের মূল Theme. ধুম-ধারাক্কা অ্যাকশন, খুনাখুনি, রক্তারক্তি, Ecchi আর Harem দেখতে দেখতে বিরক্ত হয়ে গেলে Watch-list এ অ্যাড করার জন্য Clannad: After Story এর চেয়ে ভালো অপশন বোধ হয় আর নাই। আর সেই সাথে আপনি যদি খানিকটা Fantasy-lover হয়ে থাকেন, তাইলে এখনই বসে পড়েন দেখতে।

কেনো দেখবো না?

লুতুপুতু-মার্কা অ্যানিমে-বিদ্বেষীরা আর পইড়েন না। আপনাদের জন্য এইটা না। Action-lover রাও কাইটা পড়েন। আপনারা বরং Deadman Wonderland দেখতে পারেন।

এই অ্যানিমেতে কিছু (আসলে বেশ কিছু) অপ্রাকৃতিক ব্যাপার (Fantasy) আছে যেগুলা ভালো না-ও লাগতে পারে। (আমার কাছে lame লাগসে।)

Ending টা হঠাৎ করে চলে আসছে এবং Kyoto Animation এর কাছে আরও ভালো Ending আশা করাই যায়। তবে Visual Novel এর সাথে মিল রাখতে গিয়ে এমন Ending দরকার ছিলো।

নায়িকাটারে খারাপ লাগে নাই। তবে আরও ভালো Female Character ছিলো। (Season: 1)

কান্নাকাটি করতে না চাইলে এই অ্যানিমে দেইখেন না।

শেষকথাঃ

আমার কাছে কেউ ১০টা অ্যানিমের লিস্ট চাইলে এটা সেই লিস্টে থাকবে। English Subbed টা দেইখেন, Dubbed না।

পুনশ্চঃ

Clannad: After Story আসলে Clannad এর 2nd Season. এবং এইটা দেখার আগে 1st Season দেখা আবশ্যক। 1st Season টা 2nd Season এর ধারে-কাছেও নাই তবে কাহিনী বুঝতে হইলে এটা দেখা জরুরী। তাই আমারে গালি না দিয়ে ধৈর্য ধরে দেখতে থাকেন – হতাশ হবেন না।

Download Link:

Season 1:

http://www.animeout.com/clannad-720p-bd-90mb-encoded/
https://coalgirls.wakku.to/28/clannad

Season 2:

http://www.animeout.com/clannad-after-story-complete-batch-bd-100mb-720p-encoded/
https://coalgirls.wakku.to/2470/clannad-after-story

Original soundtrack:

https://www.youtube.com/watch?v=7EOEcE-3v0E (Album 1)
https://www.youtube.com/watch?v=gdh5ysIgl1A (Album 2)

 

Donten ni Warau রিভিউ — Hussain Shoykot Ash

Name- Donten ni Warau/Laughing under the clouds
Episodes- 12
MAL Score- 7.64
Ranked- 1103
Genres- Action, Historical, Shoujo

দোন্তেন নি ওয়ারাউ। এটা একটি হিস্টোরিকাল এনিম, এখানে তিন ভাইয়ের কথা বলা হয়েছে, যারা সামুরাই এবং তারা একটি গ্রামের রক্ষাকর্তা ও সেইখানকার প্রধান হিসেবে আছে, সেখানে কোনোরকমবিশৃঙ্খলা দেখা দিলে রক্ষা করে। পদে পদে নানা ধরণের বিপদ দেখা দেয়, তিন ভাইয়ের মধ্যে বড় ভাই সবচাইতে শক্তিশালী সামুরাই সে তার দুই ভাইকে অনেক ভালবাসে এবং সব ধরনের বিপদ থেকে আগলিয়ে রাখে। কিন্তু মেজ ভাই তার বড় ভাইয়ের থেকেও শক্তিশালী হতে চায় এবং পদে পদে বিপদে পড়ে, মূলত এইএনিমটার কাহিনী গড়ে উঠেছে Good vs Evil এইভাবে।

এই এনিমটা আমার ভাল লেগেছে মূলত এর কাহিনীটা যেভাবে গড়ে উঠেছে, এর অসাধারণ soundtrack, opening song এগুলার জন্য আর মাত্র ১২টা পর্বের মধ্যে এর সম্পূর্ণ কাহিনীটা যেভাবে শেষ করা হয়েছে সেইটা দেখে।

যদি আপনি নতুন কোন এনিমে দেখতে চান, তাহলে আজই এই এনিমটা দেখা শুরু করতে পারেন।

Anime Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Donten-ni-Warau

D.Gray-man রিভিউ — Hussain Shoykot Ash

Name- D.Gray-man
Episodes- 103
Mal Score- 8.23
Ranked- 272
Genres- Action, Adventure, comedy, shounen

আচ্ছা যদি মানুষকে এমন সুযোগ দেওয়া হত যে সে তার প্রিয়জন, যে মারা গেছে তাকে ফিরিয়ে আনতে পারবে, তাহলে সে কি করত? তাহলে সে নিশ্চয়ই দ্বিতীয়বার না ভেবে তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য যা করতে বলা হয়েছে, তাই করত।

হ্যা, ডি.গ্রে-ম্যান এ ঠিক তাই দেখানো হয়েছে। এখানে কেউ মারা গেলে সাথে সাথে মিলিনিয়াম আর্ল নামক একজনের আবির্ভাব হয়, যে মৃত ব্যক্তির আপনজনের কাছে এমন একটি যন্ত্র নিয়ে আসে, যার সাহায্যে সেই ব্যক্তি তার সদ্য মৃত আত্মীয়ের আত্মাকে ডেকে আনতে পারবে। এবং এখানেই ভুল করে ফেলে মানুষ, ডেকে নিয়ে আসে তার মৃত প্রিয়জনকে।

এখন বলে দিই, যেই যন্ত্রের সাহায্যে আত্মাকে ডেকে আনা হয়, তাকে বলা হয় আকুমা। এই যন্ত্রের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এতে আত্মা আটকা পড়ে যায় এবং আত্মা মিলিনিয়াম আর্ল এর কথা শোনে। কিন্তু আত্মার মুক্তি হয়না, তাই সে নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে মিলিনিয়াম আর্লের কথা শুনে এবং ইভিল স্পিরিট হয়ে আটকা পড়ে যায় পৃথিবীতে আকুমা নামক যন্ত্রের
মধ্যে।

এখন আসি, স্বভাবতই আমাদের জানা মতে যখন কেউ মারা যায় তখন সে মুক্তি চাইবেই, কিন্তু তাকে যদি আটকে রাখা হয় তখন সে মনোঃক্ষুণ্ণ হবে। মিলিনিয়াম আর্ল যখন মৃত ব্যক্তির আত্মাকে তার প্রিয়জনের সাহায্যে আকুমাতে পরিণত করেছে, তখন আকুমাকে যাতে সাধারণ মানুষ চিনতে না পারে তাই তাকে আদেশ দেয়, যেন সে যে তাকে ডেকে এনেছে তার শরীর ধারণ করে।

এ তো গেল আকুমাতে পরিণত হওয়ার ঘটনা, কিন্তু যখন ইভিল থাকবে তখন নিশ্চয়ই হিরোও থাকবে যারা পৃথিবীকে রক্ষা করবে!

হ্যা, এখানেও তেমন আছে এবং তাদেরকে এক্সরসিস্ট বলা হয়। এদেরকে গড এমন পাওয়ার দেন যাতে তারা আকুমা ধ্বংস করতে পারে। এদেরকে যে পাওয়ার দেওয়া হয় তাকে বলা হয় ইনোসেন্স। যেই সংগঠন আকুমা ধ্বংসের কাজ করে তাদের নাম হচ্ছে ব্ল্যাক অর্ডার। ইনোসেন্স নিয়ে গবেষণা করে এমন বিজ্ঞানী, এক্সরসিস্ট এবং আকুমা শনাক্ত করে এমন রিসার্চ টিম থাকে। মূলত এই নিয়েই গঠিত ব্ল্যাক অর্ডার। বিভিন্ন এক্সরসিস্টের বিভিন্ন পাওয়ার আছে, এবং বিভিন্ন আকুমার বিভিন্ন পাওয়ার।

 

অন্যান্য বিভিন্ন শৌনেন এনিমের মতো এখানেও একজন কেন্দ্রীয় নায়ক চরিত্র আছে। তার নাম হচ্ছে এলেন ওয়াকার, তিনি অন্যান্য এক্সরসিস্ট থেকে আলাদা। তার ওপর একটা অভিশাপ আছে, যার কারণে সে তার বাম চোখের সাহায্যে মানুষের ছদ্মবেশে আকুমা থাকলে তা দেখতে পারে। এবং যেই অস্ত্র সে আকুমা মারতে ব্যবহার করে, তা আর কিছুই না; তার নিজের হাত। হ্যা, তার হাত একটা অস্ত্র। যখন কোনও আকুমা শনাক্ত হয় তখন এটা একটিভেট হয় এবং এলেন আকুমা মারতে তা ব্যবহার করে।

প্রথম ৫ টা পর্ব একটু বোরিং, কারণ এখানে নায়কের প্রবেশ হয় এবং শুধু আকুমা বনাম এক্সরসিস্টের সংঘর্ষ হয়, তাই প্রথম প্রথম মনে হতে পারে যে এটা এমন এনিম যেখানে প্রতিটা পর্বে এক্সরসিস্ট আকুমা হান্টে বের হবে এবং একটা পর্ব একটা মিশন নিয়ে গঠিত, কিন্তু ৫ টা পর্ব ধৈর্য নিয়ে দেখুন, আর তার পর দেখুন কিভাবে কাহিনী ডালপালা মেলে আপনার সামনে উপস্থিত হয়। এনিমটার গ্রাফিক্স একটু খারাপ, তবে পুরানো এনিম হিসেবে ভালই বলতে হয়। ওপেনিং এবং এন্ডিং গানগুলি অসাধারণ। তবে যেই জিনিসটা আমার এই এনিমের সবচাইতে ভাল লেগেছে সেইটা হচ্ছে যেভাবে স্টোরি গড়ে উঠেছে এবং যেভাবে কাহিনী অগ্রসরহয়েছে।

যদি এই এনিমটা না দেখে থাকেন তাহলে আপনি বুঝবেন না কি মিস করেছেন, তাই যদি কোন নতুন স্বাদের শৌনেন এনিম দেখতে চান, তাহলে আজই দেখা শুরু করতে পারেন অসাধারণ এই এনিমটি

Anime download link-http://kissanime.com/Anime/D-Gray-man

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – পঞ্চদশতম পাঠ

সানজি কানজি গেঞ্জি নিয়ে আবার হাজির হয়েছি 😀 (এবারের গ্যাপ মনে হয় অনেক বেশিই ছিল 😛 )

এর আগে নাম্বার,ডিরেকশন,নেচার এইরকম বিভিন্ন ক্যাটাগরির বিভিন্ন কানজি শিখান হয়েছে…..আজ থেকে নতুন আরেকটা ক্যাটাগরি শুরু করব..”human relation”..এর আন্ডারে মোটামোটি যতগুলা জানি আস্তে আস্তে দেয়ার চেষ্টা করব.. 🙂

আজকে ১ম যেটা দিয়ে শুরু করব সেটা হল “father” এর কানজি…উচ্চারণ হল “ফু/তৌ/চিচি”

“ওতৌসান” মানে যে বাবা সেটা মনে হয় আনিমে দেখা পাবলিক অনেকেই জানে….এখানে “তৌ” এর জায়গায় এই কানজি বসে…”চিচিওইয়া” মানেও বাবা..এখানে “চিচি”র জায়গায় এই কানজি বসে…(গোকুর বৌয়ের চিচি না কিন্তু 😛 )

“চিচি নো হি” মানে হল “বাবা দিবস”

“parents” এর জাপানিজ হল “ফুবো”… বাপ আর মা এর কানজি পাশাপাশি লিখলে “parents” হয়… এখানে “ফু” এর জায়গায় বাবা আর “বো” এর জায়গায় মা এর কানজি বসে

Working! এনিম রিয়েকশন — মোঃ আসিফুল হক

প্রথমেই দুইটা জোক্সঃ

১) There are two types of people in this world:… Those who can extrapolate from incomplete data.
২) A Roman walks into a bar, holds up two fingers, and says: “Five beers, please.”

কি বললেন? একটুও হাসি আসে নাই? জানেন, আমারও না। কিন্তু আমার এক বন্ধু আছে; সে এই জোকসগুলায় হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাইসে। :/
কথা হইল; সেই আজাইরা প্যাচাল এইখানে ক্যান? কারণ হইল কমেডি ট্যাগওয়ালা একখান সিরিজ দেখসি। আর হাসি জিনিসটা বড়ই অদ্ভুত; কার যে কিসে হাসি আসবে বোঝা বড় মুশকিল !! যেই যেই এলিমেন্টে হাসতে হাসতে চোখে পানি চলে আসার কথা; বেশিরভাগ জায়গায় উলটা ক্যান জানি বরং মেজাজ খারাপ হইসে। চোখ মুখ কুচকায়ে স্ক্রিনের দিকে তাকায় মনে মনে ভাবসি, “huai man, huai?” -_-

সিরিজটার নাম ওয়ার্কিং। উপরের বর্ণনা শুইনা মনে হইতে পারে আমি বুঝি সিরিজটায় মহা বিরক্ত; ব্যাপারটা আসলে তেমন না। ঘটনা ভাইঙ্গা বলি তাইলে। নায়ক তাকানাশি আর নায়িকা ইনামি। সমস্যা হইল এই ইনামিরে নিয়া। এতো বৈচিত্র্যহীন আর মনোটোনাস ক্যারেকটার !! অথচ স্ক্রিনটাইম পাইসে সে-ই সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে সাতৌ বা ইয়ামাদার মতন ইন্টারেস্টিং ক্যারেকটার অর্ধেক জায়গাও পায় নাই।

সিরিজের সেটিং একটা ফ্যামিলি রেস্টুরেন্টে কাজ করা কিছু মানুষ এর ডে-টু-ডে লাইফ নিয়া। এদের একেকজনের একেক রকম উদ্ভট সমস্যা আছে; ভাললাগা আছে। সেইগুলা নিয়াই কমেডি দিয়া চালানো সিরিজ। কোন এনিমেরই কাহিনী সংক্ষেপ বলতেও ভাল লাগে না; শুনতেও মনে হয় না কারো ভাল লাগার কথা। দেখলেই কাহিনী বুইঝা যাবেন; অথবা না-ও যাইতে পারেন; কারণ কাহিনী থাকলে তো বুঝবেন !!

এইবার চুলচেরা বিশ্লেষণ। প্রথম রিয়েকশনঃ নায়িকাডা এতো এনয়িং না হইলেই হইত। ওভারঅল – মজাই আছে। হাল্কা ধরণের জিনিস। মাঝখানে রোমান্টিক কিছু পার্ট ঢুকানোর চেষ্টা করসে; বেহুদা। কিছুই হয় নাই। ১৩ পর্ব শেষ কইরা সেই রোমান্স ঘুইরা ফিরা সেইম জায়গাতেই ফেরত আসছে। -_-
ক্যারেকটার ডিজাইন ভাল; এটলিস্ট একজন থেইকা আরকজনরে আলাদা করতে পেইন হয় না।
এনিমেশন ভাল; সাউন্ডট্র্যাক চলে।
ক্যারেকটার এর ব্যাকগ্রাউন্ড স্টোরি মোর ওর লেস ব্যাখ্যা করার ট্রাই করসে; সো ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্টে ভাল মার্ক্স।
কিছু কিছু জোকস মাঝে মাঝেই ওভারইউজড; ভ্যারিয়েশন কম। এক টপিকস নিয়ে চাইলে অনেক রকম জোকসই করা যাইত, সেইদিকে কিছু মার্ক্স কাটা। :/
ভয়েস এক্টিং এর ব্যাপারে আমার আইডিয়া খুবই কম; তবে শুনে মনে হইল ভাল পাবলিকরাই ভয়েস দিসে। শুইনা ভাল লাগে।

তো ইন শর্ট; ইনামির পেইনগুলা বাদ দিলে এঞ্জয়েবল। স্লাইস অফ লাইফ কমেডি ঘরানার সিরিজ পছন্দ করা লোকজনের জন্য অবশ্যই রিকমেন্ডেড; আর বাকিদের জন্য “দেখতে ইচ্ছে হইলে দেখেন, না হইলে থাকুক।”

Movie Time With Yami – 45

PATEMA-01

Name: Sakasama no Patema / Patema Inverted
Duration: 1 hr. 39 min
MAL Score: 8.27
Ranked: 241
Genres: Sci-Fi, Seinen

 

ভবিষ্যতের কথা। অতীতে সংঘটিত কোন এক দুর্ঘটনার ফলাফল হিসেবে মানুষ এখন বাস করে মাটির নিচে, সেখানে পেচিয়ে থাকা বিভিন্ন আন্ডারগ্রাউন্ড টানেল এখন তাদের আবাসস্থল। তাদেরকে সবসময় নিজেকে অজানা সংক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্যে বিশেষ স্যুট পরে থাকতে হয়। জীবন এখানে কিছুটা নিশ্চুপ এবং ধীরস্থির, কিন্তু তার মাঝেও মানুষ আনন্দ খুঁজে নিয়েছে।

এরকম সময়ের পৃথিবীর রাজকন্যা হল পাতেমা। সে এই পাতালপুরীর টানেলগুলোতে ঘুরে বেড়াতে ভালবাসে। প্রতিদিন তার কাজ হল নতুন নতুন টানেলে ঢুকে অভিযান চালানো। এভাবে ঘুরতে ঘুরতে সে একদিন হাজির হয় এমন একটি টানেলে, যা বিপদজনক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং যেখানে যাওয়া নিষিদ্ধ। কৌতুহলী পাতেমা টানেলের রহস্য উদ্ধার করতে সেখানে ঢোকে, এবং একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনার কারণে নিচে পড়ে যায়। এরপরেই শুরু হয় পাতেমার রুদ্ধশ্বাস অভিযান, যেখানে সে আবিষ্কার করে পৃথিবী সম্পর্কে এক চমকপ্রদ তথ্য।

মুভিটির আর্টওয়ার্ক বেশ ভাল, উজ্জ্বল এবং পরিষ্কার, ডিটেইলগুলো বেশ ভালভাবে তৈরি করা হয়েছে। কাহিনীর গতি ভালই, দ্রুত এগিয়ে যায়, দর্শককে থমকানোর অবকাশ দেয়না। ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট মোটামুটি, তবে কানেকশন তৈরি করে ফেলে বেশ জলদি। কাহিনীর মূল এক্সাইটিং অংশগুলো বেশ ভালভাবে এক্সিকিউট করা হয়েছে, শেষ পর্যন্ত তা উত্তেজনা ধরে রাখতে সক্ষম হয়। রোমান্টিক অংশগুলোও সুন্দর। ওএসটি ভাল, আর এন্ডিংটাও সুন্দর।

তাই সময় পেলে দেখে ফেলতে পারেন এই মুভিটি।

Movie Download Link-

http://kissanime.com/Anime/Sakasama-no-Patema

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!