Movie Time With Yami – 07

 

gXTAi

Name- Nausicaä of the Valley of the Wind / Kaze no Tani no Nausicaa
Duration- 1 hour 57 minutes
MAL Score- 8.48
Ranked- 105
Genre- Adventure, Fantasy

কাহিনীর শুরু একটি ভয়াবহ যুদ্ধের ১০০০ বছর পরে, যেই যুদ্ধের পরিণতিতে পৃথিবী ৭ দিন আগুনে পুড়েছে, ধ্বংস হয়েছে সভ্যতা। বেশিরভাগ এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বিষাক্ত জঙ্গল, যেখানে বাস করে বড় বড় ভয়ংকর কীট। এই জঙ্গলের কোন কিছুর স্পর্শ মানুষের জন্য বয়ে আনতে পারে করুণ পরিণতি। অল্প কিছু জায়গা, যা এখনো বিষের কবলে পড়েনি, সেসব জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে বাস করে মানুষ।

এরকমই একটা এলাকা হল ভ্যালি অফ উইন্ড। এখানে বাস করে একটি গোত্র, যারা একটি লিজেন্ডে বিশ্বাস করে। তাদের যখন চরম বিপদ এসে হাজির হবে, তাদের রক্ষাকর্তা আসবে নীল পোষাক পরে, সোনালী মাঠের ওপর দিয়ে।

এই গোত্রের রাজকুমারী নওসিকা। চটপটে, প্রাণবন্ত নওসিকাকে তার গোত্রের সবাই ভালবাসে। সে তার নিজের গ্লাইডারে চড়ে বিষাক্ত জঙ্গলে ঘুরে বেড়ায়, আর খুঁজে বের করতে চেষ্টা করে দূষণ থেকে পরিত্রাণের উপায়।

নওসিকাদের এলাকায় একদিন হঠাৎ আক্রমণ করতে আসে অন্য আরেকটি গোত্র। তারা ভ্যালি অফ উইন্ড এবং এর কাছে অবস্থিত কীটের জঙ্গলের শান্তি নষ্ট করে, তান্ডব চালায় ইচ্ছামত। নওসিকার ওপর দায়িত্ব পড়ে নিজের গোত্রকে বাঁচানোর এবং একইসাথে তাদের এলাকাকে ধ্বংস থেকে বাঁচানোর।

মুভিটি প্রকৃতি এবং মানুষের সম্পর্ক, অযথা কলহের পরিণতি এবং একইসাথে মন থেকে আসা ইচ্ছার শক্তিকে খুব সুন্দরভাবে দেখিয়েছে। জিবলীর রাজকুমারীরা বরাবরই অসাধারণ, নওসিকাও তার ব্যতিক্রম নয়। আমার সবচেয়ে পছন্দ হয়েছে লিজেন্ডের অংশটুকু, বেঁচে থাকার জন্য সবারই এমন একটা আশা প্রয়োজন।

১৯৮৪ সালের মার্চ মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত এ মুভিটিকে ধরা হয় অনেকটা স্টুডিও জিবলীর ভিত্তি হিসেবে। এই মুভির সাফল্যের হাত ধরেই যাত্রা শুরু হয় এই বিখ্যাত স্টুডিওর।

সুতরাং, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলতে পারেন চমৎকার এই মুভিটি।

Movie Download Link –
http://kissanime.com/Anime/Kaze-no-Tani-no-Nausicaa

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

সাইকো পাস – সিস্টেম সিবিল এবং বাস্তবতার সংঘর্ষ; লিখেছেন ইশমাম আনিকা

maxresdefault

 

এপিসোড সংখ্যা- ২২
জনরা- একশন​, সাই-ফাই, পুলিশ​

আমাদের পৃথিবী সাধারণত যে নিয়মটা ফলো করে- অপরাধ আগে ঘটবে, তারপর অপরাধীকে শাস্তি দেয়া হবে। অপরাধের প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত কাউকে শাস্তি দেয়া যাবেনা। কিন্তু কখনো কি কারও মনে হয়েছে, যদি এরকম কোন ব্যবস্থা থাকত যে কোন অপরাধ ঘটার আগেই সেটাকে কোনভাবে ঠেকানো যাবে? বা এমন কোন যন্ত্র থাকবে, যা দিয়ে স্ক্যান করে অপরাধ ঘটার আগেই অপরাধীকে সনাক্ত করে তাকে বিরত করা যাবে?

আমাদের আনিমেটির কাহিনী ভবিষ্যতে, যখন এইরকম একটি যন্ত্র আসলেই আবিষ্কৃত হয়েছে। এবং শুধু আবিষ্কার বললে ভুল হবে, জাপানে এই যন্ত্রেরই রাজত্ব চলছে। যন্ত্রের নাম সাইকো পাস, আর পুরো ব্যাবস্থাটার নাম সিবিল সিস্টেম। প্রত্যেকটা মানুষের একটা করে সাইকো পাস রয়েছে। এটা দিয়ে তাদের অপরাধ প্রবণতা পরিমাপ করা হয়। যদি অপরাধ প্রবণতা কোন কারণে বিপদসীমা অতিক্রম করে তাহলে তার সাইকো পাস ঘোলাটে হয়ে যায় এবং রাস্তায় রাস্তায় বসানো শত শত স্ক্যানারে তা ধরা পড়ে। সেই মানুষটিকে চিকিৎসা দেয়া হয়, যাতে তার সাইকো পাস ঘোলাটে থেকে আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়। আর যদি বোঝা যায় যে তার সাইকো পাস কোনভাবেই আর ক্লিয়ার হবেনা, তাহলে তাকে সুপ্ত অপরাধী হিসেবে সনাক্ত করা হয়। দেশে কোন আইন আদালত নেই, পুলিশদের হাতেও এখন আর পিস্তল বা রিভলবার নেই, আছে ডমিনেটর। এই যন্ত্র সাইকো পাসকে স্ক্যান করে অপরাধের মাত্রা নির্ধারণ করে এবং সে অনুযায়ী কাজ করে। কেউ বড় কোন অপরাধ করতে চেষ্টা করলে ডমিনেটর তাকে এলিমিনেট করে দেয়, আবার অপরাধ ছোট হলে বা অন্য কোন কারণে সাইকো পাস ঘোলা হলে প্যারালাইজড করে দেয় যাতে তাকে চিকিৎসা দেয়া যায়। বিচার করার সব দায়িত্ব এখন সিবিল সিস্টেমের।

এই সময়ে জাপানের পুলিশ ডিপার্টমেন্টে ইন্সপেক্টর হিসেবে যোগ দেয় আকানে সুনামোরি। এরপর সে পরিচিত হয় ডমিনেটর যন্ত্রটার সাথে এবং তার কলিগ ইন্সপেক্টর এবং এনফোর্সারদের সাথে। এনফোর্সার তাদের বলা হয়, যাদের সিবিল সিস্টেম সুপ্ত অপরাধী হিসেবে সনাক্ত করেছে, কিন্তু ইন্সপেক্টরের খবরদারিতে রেখে তাদের অপরাধ প্রবণতাকে কাজে লাগানো হয় অপরাধী ধরতে। তাদের সাথে আকানে সুনামোরি কাজ করতে থাকে এবং দক্ষতা অর্জন করতে থাকে।

কিন্তু যত সময় যেতে থাকে, সমস্যা দেখা দেয়। একটা যন্ত্র কি আসলেই অপরাধী সনাক্ত করার সর্বশ্রেষ্ঠ উপায়, বা যন্ত্র যাকে সুপ্ত অপরাধী হিসেবে সনাক্ত করেছে, সে কি আসলেই অপরাধী, নাকি অন্য কোন কারণে তার সাইকো পাস ঘোলা হয়েছে… এই প্রশ্নগুলো উকি দিতে থাকে। আবার উল্টো প্রশ্নও সামনে এসে পড়ে। যদি কখনো এমন হয়, কোন মানুষ এমন উপায় খুঁজে বের করে ফেলেছে, যাতে তার সাইকো পাস সবসময় পরিষ্কার থাকে, তাহলে কি হবে? তার মাঝে যদি সিবিল সিস্টেম অপরাধ প্রবণতা খুঁজে না পায়, তাহলে তাকে কিভাবে ধরা হবে??

এভাবে বেশ ইন্টারেস্টিং একটা প্লট নিয়ে এবং খুব চমৎকার কিছু ক্যারেক্টার নিয়ে গড়ে উঠেছে সাইকো পাস আনিমেটি। প্রতিটা ক্যারেক্টার অত্যন্ত যত্ন নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত আনিমেটি তার প্রমিস ধরে রেখেছে বলে আমি মনে করি। শিনিয়া কোগামি চরিত্রটি আমার পছন্দের চরিত্রের তালিকায় খুব দ্রুতই জায়গা করে নিয়েছে।

এই আনিমের আরেকটা ব্যাপার উল্লেখ না করাটা অন্যায় হবে, তা হল এর ওএসটি। প্রতিটা গান পাল্লা দিয়ে সুন্দর এবং মনে ছাপ ফেলে দেয়। আমার ব্যাক্তিগত পছন্দ প্রথম এন্ডিং সং “নামায়ে নো নাই কাইবুতসু বাই ইগোইস্ট”। শোনার পর থেকে ইনফিনিট লুপে দিয়ে রেখেছি।

খুব জলদি এই আনিমেটার সেকেন্ড সিজন বের হতে যাচ্ছে, কাজেই যারা এখনো প্রথম সিজন দেখেননি, তারা দেখে ফেলতে পারেন। আর যারা দেখেছেন তারা তো সবাই জানেনই এটা কতটা ভালো একটা আনিমে!

সাইকো পাস

Movie Time With Yami – 06

-Gin-and-Hotaru-hotarubi-no-mori-e-36865029-1600-1112

Name- Hotarubi No Mori E / Into the Forest of Fireflies’ Light
Duration- 44 minutes
MAL Score- 8.71
Ranked- 36
Genres- Drama, Romance, Shoujo, Supernatural

আনিমে মুভি দেখতে গিয়ে একটা ব্যাপার খুব খেয়াল করেছি, স্পিরিট, প্রকৃতি, এগুলোর কামিসামা (গড) এই ব্যাপারগুলোকে খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়ে থাকে। আর অসম ভালবাসা যে কত নিষ্ঠুর হতে পারে মাঝে মাঝে, আমার মতে মুভিগুলোতে সেই বৈচিত্র্য আরও বেশি ফুটে ওঠে। আজকের মুভিটিও তেমনই হৃদয়স্পর্শী।

মুভিটির কাহিনী হোতারু নামের এক মেয়েকে নিয়ে। সে প্রতি বছর গরমের ছুটিতে গ্রামে বেড়াতে যায়। খুব আগ্রহ নিয়ে এই ছুটিটার জন্য অপেক্ষা করে সে। কারণ, তার জন্য গ্রামে অপেক্ষা করে থাকে গিন।

হোতারু যখন খুব ছোট ছিল, তখন একবার জঙ্গলে হারিয়ে গিয়েছিল সে। তার কান্না শুনে তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে গিন। হোতারুকে পথ দেখিয়ে জঙ্গল থেকে বের হতে সাহায্য করবে সে, শর্ত একটাই, গিনকে স্পর্শ করা নিষেধ! কারণ, মানুষের স্পর্শ পেলেই যে অদৃশ্য হয়ে যাবে সে!

ভালবাসা কষ্টের, কিন্তু ভালবাসতে অক্ষম হওয়াটা আরও বেশি কষ্টের। সেই অক্ষমতার মাঝেও এক ধরণের অদ্ভুত আকাংখা মিশে থাকে, আর এই মুভির এই ব্যাপারটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি স্পর্শ করেছে। শেষ দশ মিনিট দেখার সময় নিশ্বাস নিতে ভুলে গিয়েছিলাম।

২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এ মুভিটি বিভিন্ন সময় জাপানে এবং বাইরে অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং পুরষ্কারও জিতেছে। মুভিটিকে অনেকেই জিবলীর কাজের সাথে তুলনা করে থাকেন, কারণ দেখতে দেখতে এটিকে জিবলী মুভি বলে ভুল হতে পারে; যদিও এটি Brain’s Base এর মুভি।

সুতরাং, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলতে পারেন চমৎকার এবং আমার অত্যন্ত পছন্দের এই মুভিটি।

Movie Download Link –

http://kissanime.com/Anime/Hotarubi-no-Mori-e

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Movie Time With Yami – 05

distantstar

Name- Voices of a Distant Star / Hoshi No Koe
Duration- 25 minutes
MAL Score- 7.71
Ranked- 947
Genres- Drama, Mecha, Romance, Sci-Fi

এটি আসলে একটি ওভিয়ে, যার ডিরেক্টর এবং ভয়েস অ্যাক্টর মাকোতো শিনকাই। যারা এ নামটির সাথে পরিচিত তারা জানেন, মাকোতো শিনকাই মানেই সম্পূর্ণ অন্যরকম কিছু।

এটির কাহিনী ভবিষ্যতে, তখন টেকনোলজি অনেক উন্নত হয়েছে। মানুষ মঙ্গল গ্রহে এলিয়েনদের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার করেছে এবং সেটাকে পরিদর্শন করার জন্যে স্পেসশিপ পাঠাচ্ছে। এমনই এক যুগের দুই স্কুলপড়ুয়া বন্ধু মিকাকো নাগামিনে ও তেরাও নোবোরু। তাদের যখন সিনিয়র হাইস্কুলে ওঠার সময় হয়, তখন নাগামিনে তার যোগ্যতার কারণে স্পেসশিপে করে পৃথিবীর বাইরে যাওয়ার জন্যে নির্বাচিত হয়। সে স্পেসশিপে চলে যাওয়ার পর দুই বন্ধুর যোগাযোগের একমাত্র উপায় হিসেবে থাকে সেলফোনের টেক্সট মেসেজ, যা একে অপরের কাছে পৌছতে মাস পার করে দেয়। পৃথিবীর সাথে স্পেসশিপের দূরত্ব যত বাড়তে থাকে, মেসেজ পৌঁছানোর সময়কালও বাড়তে থাকে। তাদের ভবিষ্যৎও পূর্ণ হয়ে উঠতে থাকে অনিশ্চয়তায়।

নাগামিনে ও নোবারু দুইজনই স্বপ্ন দেখে, একদিন নাগামিনে ফিরে আসবে স্পেস থেকে, তখন তাদের আর এভাবে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হবে না একটা টেক্সটের জন্য। এবং তারা একসাথে সেই সব করতে পারবে, যা নরম্যাল হাইস্কুল স্টুডেন্টরা করে।

আমার মতামত, একটু ধীরগতিতে আগায় কাহিনী, কিন্তু কিছু একটা আছে এর মাঝে, শেষ পর্যন্ত দেখলে ভাল লাগে । শেষ হওয়ার পরেও কিছুক্ষণ থমকে দাড়িয়ে চিন্তা করতে হয়।

২০০২ সালে রিলিজ হওয়া এই ওভিয়েটির একটা বিশেষত্ব হল, শুধুমাত্র এর ডিরেক্টর মাকোতো শিনকাই এবং তার মেয়েবন্ধু ছাড়া এটি বানাতে আর কেউ কাজ করেনি। মাত্র দুজন মানুষ মিলে এরকম একটা কাজ দাড়া করিয়ে ফেলেছে, ভাবতেই অবাক লাগে।

সুতরাং, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলতে পারেন এই ওভিয়েটি।

Download Link –

http://kissanime.com/Anime/Voices-of-a-Distant-Star

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

যেতসুয়েন নো টেম্পেস্ট রিভিউ; লিখেছেন ইশমাম আনিকা

394399

Genres: Action, Mystery, Drama, Fantasy, Magic, Shounen, Psychological
Score: 8.24
Ranked: 255
Episodes: 24

Yoshino_Takigawa

কাহিনীটা অদ্ভুত। ইওশিনো তাকিগাওয়া, একজন হাইস্কুল ছাত্র। একা একা ঘুরে বেড়ায় সব জায়গায়। কারো সাথেই যেন তার সম্পর্ক নেই। তার একমাত্র বন্ধু মাহিরো, যে কিছুদিন আগে নিখোঁজ হয়েছে, তার এবং তার বোন আইকার সাথে কাটানো বিভিন্ন সময়ের কথা সে বারবার মনে করতে থাকে। এমন সময় একদিন সে যখন গ্রেভইয়ার্ড ভিজিট করতে যায়, তখন হঠাত আক্রমণের শিকার হয় সে। তাকে রক্ষা করতে হঠাতই এসে হাজির হয় মাহিরো। এবং জাদুর সাহায্যে সে রক্ষা করে ইওশিনোকে।

625612-zetsuen_no_tempest___14___large_16

সমুদ্র। একটা ব্যারেল ভেসে ভেসে গিয়ে ঠেকল একটা জনমানবহীন দ্বীপে। তার ভেতর থেকে বেরোল রাজকন্যা হাকাজে, যাকে তার ক্লানেরই এক সদস্য এভাবে নির্বাসনে পাঠিয়েছে। “Tree of Exodus” এর উত্থানের সময় হয়েছে, রাজকন্যা উপস্থিত থাকলে তা সম্ভব হবে না।

মাহিরো ইওশিনোকে বাঁচায়, ঠিক তখনি হঠাত কোত্থেকে হাজির হয় অনেকগুলো প্রজাপতি। তারপরেই তারা দেখতে পায় এক বিশাল আজব ফল সমুদ্রের ভেতর থেকে উঠে চোখ মেলে তাকায়। আর সাথে সাথে শহরের সব মানুষ আস্তে আস্তে ধাতুতে রূপান্তরিত হয়ে যেতে থাকে। ইওশিনো মাহিরোর কাছে জানতে চায় কি হচ্ছে সেই ব্যাপারে। ইওশিনো তাকে জানায় নির্বাসিত রাজকন্যার কথা। যার সাথে চুক্তি করেছে মাহিরো। মাহিরো তাকে সাহায্য করবে “Tree of Exodus” এর উত্থান ঠেকাতে এবং দ্বীপ থেকে ফিরে আসতে। এর বদলে রাজকন্যা মাহিরোকে সাহায্য করবে প্রতিশোধ নিতে।

Zetsuen no Tempest 01

“Tree of Genesis”. এই পৃথিবীর লজিক রক্ষা করে চলা এক শক্তি। যাকে ব্যাবহার করা হয় পৃথিবীর উপকারের জন্যে। এই ট্রিকে রক্ষা করার দায়িত্ব কুসারিবে ক্লানের। এই ক্লানেরই রাজকন্যা হাকাজে। তাকে Tree of Genesis সবসময় রক্ষা করে এবং ট্রির ক্ষমতার প্রতি হাকাজের রয়েছে অগাধ বিশ্বাস। আর তাই তার উপস্থিতিতে এর বিরুদ্ধ শক্তি “Tree of Exodus” এর উত্থান সম্ভব নয়। এজন্যেই হাকাজেকে নির্বাসনে পাঠায় “সামোন কুসারিবে”। ট্রির ক্ষমতায় আর বিশ্বাস নেই তার।

এতসব জটিলতার মাঝে কিভাবে জড়িয়ে যায় ইওশিনো? মাহিরো কিসের প্রতিশোধ নিতে চায়? শহরের মানুষ কেন ধাতুতে পরিণত হয়ে যাচ্ছে? রাজকন্যা কি পারবে দ্বীপ থেকে শহরে ফিরে আসতে? এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে দেখে ফেলতে হবে এই চমৎকার আনিমেটা।

আনিমেটার একটা স্পেশাল দিক হল, নামের প্রতি সুবিচার করে আনিমেটায় শেকসপীয়ারের হ্যামলেট এবং দ্য টেম্পেস্ট থেকে অনেক quote ব্যাবহার করা হয়, যা আনিমেটার মূল চরিত্রদের ব্যাক্তিগত অনুভুতি এবং দুঃখ, কষ্ট, হতাশা (যা আনিমেটার একটা গুরুত্বপূর্ণ এলিমেন্ট) খুব কাব্যিকভাবে ফুটিয়ে তোলে।

একশন, রহস্য এবং তাদের লজিকাল ব্যাখ্যাই যথেষ্ট ছিল, সেই সাথে ইমোশন এবং ব্যাক্তিগত মূল্যবোধের সাথে নিজেদের লড়াই আনিমেটাকে আরও পরিপূর্ণ করেছে। প্রায় প্রতিটি পর্বেই কোন না কোন চমক, সহজেই আপন করে নেয়ার মত ক্যারেক্টার এবং একটি সুন্দর এন্ডিং … ভালো আনিমের জন্যে আর কি চাই!! সেই সাথে সুন্দর OST তো আছেই!! 

কাজেই, আশা করব যারা দেখেননি এখনো আনিমেটা, তারা সময় করে দেখে ফেলবেন। ভালো লাগবেই। আর যারা দেখেছেন তারা তো জানেনই আনিমেটা কত ভালো!

caption_753759_20121001050313

Movie Time With Yami – 04

Grave-of-the-Fireflies_background_wallpaper

 

Name- Grave of the Fireflies/Hotaru no Haka 
Duration- 1 hour 28 minutes 
MAL Score- 8.60 
Ranked- 65 

আমরা সবাই সাধারণত আনিমে দেখি মজা পাওয়ার জন্যে, মন ভালো করার জন্যে অথবা রুঢ় বাস্তবতাকে ভোলার জন্যে। কিন্তু আনিমেও মাঝে মাঝে আমাদের আরও কঠিন বাস্তবতার সামনে দাড়া করিয়ে দিতে পারে। রিয়ালিটি চেক যাকে বলে আরকি। এমনই একটা মুভি এটি। 

কাহিনীর পটভূমি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জাপানে, মানবতার অবক্ষয় ঘটেছে যেখানে। যখন তখন বম্বার প্লেন এসে বোমা ফেলে যাচ্ছে এখানে সেখানে, আর প্রাণহানি ঘটছে অসংখ্য মানুষের, স্বজনহারা হচ্ছে মানুষ। তেমনি এক বালক সেইটা। সে তার মা ও ছোট বোন সেতসুকোকে নিয়ে থাকত। তার বাবা একজন সৈনিক এবং তিনি তার কাজের জন্যে দূরে থাকেন। বোমার আঘাত থেকে বাঁচতে ছোট বোনকে নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় সেইটা। শারীরিক অসুবিধার কারণে তাদের মা বের হতে পারেনা এবং বোমার আঘাতে খুব বাজেভাবে আহত হয়ে তিনি মারা যান। এরপর আশ্রয়হীন সেইটা ও তার ছোট বোনের ঠাই হয় একজন আত্মীয়ের বাড়িতে। এরপর অভাব, অবহেলা এবং অসহায়তার মাঝে দিন কেটে যেতে থাকে তাদের। বেঁচে থাকার এবং নিজেদের আত্মসম্মান রক্ষার কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি হয় দুই ভাইবোন। 

আমার কাছে মুভিটার যা সবচেয়ে ভালো লেগেছে, মানুষের জীবনে হঠাত করে কখন কি বিপর্যয় আসতে পারে এবং বাস্তবতা মাঝে মাঝে কতটা কঠিন হতে পারে, এটা খুব সুন্দরভাবে দেখানো হয়েছে। কিছুক্ষণের জন্যে থমকে দাড়িয়ে চিন্তা করতে বাধ্য হয়েছিলাম। 

১৯৮৮ সালের এপ্রিল মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত এ মুভিটি জাপানে বেশ কয়েকটি পুরষ্কার জিতেছে। স্টুডিও জীবলির অন্যতম সেরা মুভিগুলোর একটি এটি। 

সুতরাং, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলতে পারেন চমৎকার এই মুভিটি। 

Movie Download Link – 
http://kissanime.com/Anime/Grave-of-the-Fireflies 

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

The Story of Cinderella/Cinderella Monogatari: চেনা গল্পের অচেনা মোড়; লিখেছেন ইশমাম আনিকা

Cinderella-cinderella-monogatari-25018918-1024-768

 

“অনেক অনেক দিন আগের কথা। এক দেশে ছিল এক লক্ষ্মী মেয়ে। তার নাম সিন্ডারেলা। সিন্ডারেলার বাবা তাকে খুব ভালবাসত। তাই তিনি ব্যবসার কাজে দূরে গেলে যেন সিন্ডারেলার অসুবিধা না হয়, সে জন্যে সিন্ডারেলার মা মারা যাওয়ার পর তার বাবা আবার বিয়ে করেন। এতে সিন্ডারেলা একজন সৎমা ও দুজন সৎবোন পায়। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস! বাবা দূর দেশে যাওয়ার পর সিন্ডারেলার সৎমা ও বোনেরা তাকে খুব অত্যাচার করা শুরু করল ….”

কি ভাবছেন? ওয়াল্ট ডিজনির সিন্ডারেলার কাহিনী এখানে কেন বলছি? তার কারণ হল, ওয়াল্ট ডিজনির চিরায়ত কাহিনী অবলম্বনে নব্বইয়ের দশকের তৈরি হয়েছিল চমৎকার একটা আনিমে। ছাব্বিশ পর্বের এ আনিমের নাম “সিন্ডারেলা মনোগাতারি”।

শুরুতেই মাই আনিমে লিস্ট থেকে কিছু অগুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেই-

Aired: Apr 4, 1996 to Oct 3, 1996
Genres: Adventure, Fantasy, Romance
Score: 7.52
Ranked: 1357
Episodes: 26

hqdefault (1)

কাহিনীর শুরুটা সবারই জানা। শুধু সূচনা নয়, কাহিনীর আদ্যোপান্ত প্রায় সবকিছুই আসলে ওয়াল্ট ডিজনির কল্যাণে সবারই জানা। এ কারণে এই আনিমেটা চোখের সামনে পড়লেও হয়ত অনেকেই দেখতে আগ্রহী হননি। কিন্তু মনোগাতারির মাহত্ত্ব্য এখানেই। শুরুটা হয় প্রচলিত গল্পের মত করেই। এরপর ২য় এপিসোড থেকেই মোড় ঘুরে যায় দারুণভাবে। কখনো কি এই প্রশ্নটা মাথায় এসেছে; আচ্ছা, সিন্ডারেলাকে যে ওর সৎমা তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করে দিল, এরপর প্রিন্স চার্মিংকে এসেই কেন তাকে উদ্ধার করতে হবে? নিজের দুরবস্থা থেকে মুক্তির উপায় কি নিজেই খুঁজে নেয়া সম্ভব নয়? ঘরের কাজের মাঝে বা যে দুরবস্থাই হোক, তার মাঝে কি আনন্দ খুঁজে নেয়া যায়না? কিংবা জুতার মাপই কেন হবে একজন মানুষের জীবনসঙ্গী নির্ধারণের মাপকাঠি?? রাজকুমারের কি ভালবাসার অধিকার নেই? কেন এক রাতের সুন্দরী নাচের সঙ্গীকেই বাকি জীবনের সঙ্গী বানাতে হবে?

এই সব প্রশ্নের উত্তর আনিমেটি খুব সুন্দরভাবে দিয়েছে। রূপকথার গল্পের গতানুগতিক পথ অবলম্বন না করে আনিমেটি দেখিয়েছে, সিন্ডারেলার আত্মসম্মান কতটা মজবুত এবং সে কতটা বাস্তববাদী একটা মেয়ে। আরও দেখিয়েছে, রাজকুমার মানেই সাধারণ মানুষের সংস্পর্শে না আসা বিলাসিতায় মেতে থেকে জীবন কাটানো অকর্মণ্য ব্যাক্তি নয়। আমাদের গল্পের রাজকুমার তার প্রাসাদের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থেকে প্রজাদের সাথে দূরত্ব সৃষ্টি করে বসে থাকেনা।

 

Cinderella-cinderella-monogatari-33956575-636-462

 

সিন্ডারেলার সৎমা তার কাছ থেকে সব সুযোগ সুবিধা কেড়ে নেয়। তাতে দমে যায়না সে। বরং তার সামনে আসা চ্যালেঞ্জকে হাসিমুখে মোকাবেলা করতে বদ্ধপরিকর হয়। তাকে সাহায্য করার জন্যে তার “ফেইরি গডমাদার” মিস পল তার পোষা প্রাণীগুলোকে কথা বলার ক্ষমতা দিয়ে দেন। তাদের সাথে নিয়ে সিন্ডারেলা প্রতিদিন তার সৎমার তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার আশায় ধুলো দিয়ে প্রতিটা কঠিন কাজ সঠিকভাবে করে যেতে থাকে।

রাজকুমার চার্লস। “পান্না মহল” (Emerald Castle) এ তার বাস। রাজার একমাত্র সন্তান এবং উত্তরাধিকারী। তাকে রাজ্য পরিচালনার জন্যে তৈরি করে তুলতে রাজার চেষ্টার অন্ত্য নেই। অসিচালনায় রাজকুমারের তুলনা নেই। একদিন বন্ধু অ্যালেক্সকে রাজকুমার জানায় তার মনের কথা। এভাবে গতানুগতিক পথে শিখতে তার ভালো লাগছে না। যে রাজ্যটায় সে একদিন রাজত্ব করবে, সেই রাজ্যটাকে সে কাছ থেকে দেখতে চায়। রাজ্যের মানুষদের চিনতে চায়। আর তাই অ্যালেক্সের পুরনো কাপড় ধার নিয়ে প্রহরীদের ফাঁকি দিয়ে প্রায় প্রতিদিন ছদ্মবেশী চার্লস বেরিয়ে পড়ত রাজ্য পরিদর্শনে।

large

এভাবে শহরে ঘুরতে ঘুরতে একদিন রাজকুমারের দেখা হয়ে যায় সিন্ডারেলার সাথে। বিভিন্ন ছোট ছোট ঘটনার মাধ্যমে আস্তে আস্তে তাদের দুজনের মাঝে বন্ধুত্ব সৃষ্টি হয়।

তারা দুজন একসাথে বিভিন্ন মজার এবং ইন্টারেস্টিং ঘটনার মধ্য দিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা বাড়াতে থাকে। সিন্ডেরেলার অসুস্থতার সময় যেমন চার্লসকে ঘরের কাজ করা শিখতে হয়, তেমনি চার্লস সিন্ডারেলাকে শেখায় অসিচালনা।

সবশেষে বলব, যদি গতানুগতিক কাহিনীর বাইরের একটি রূপকথা দেখার ইচ্ছা থাকে, তাহলে এই আনিমেটি দেখে ফেলতে পারেন।

Cinderella.Monogatari_Cover

Movie Time With Yami – 03

howl

 

Name: Howl’s Moving Castle/Hauru no Ugoku Shiro 
Duration: 1 hour 57 minutes 
MAL Score: 8.74 
Ranked: 33 

এটিও স্টুডিও জিবলীর মুভি, অসামনেসে ভরপুর!! 

মুভিটির কাহিনী হ্যাটশপের কাজপাগল কর্মী সোফিকে নিয়ে, সারাদিন কাজের মাঝে ডুবে থেকে যে আনন্দ খুঁজে পায়। সাজগোজের পরোয়া করেনা, কিন্তু তার এক ধরণের অগোছালো সৌন্দর্য রয়েছে। এক রাতে তার হ্যাটশপে এসে হাজির হয় ডাইনী। সোফির হ্যাটশপকে তুচ্ছ করে সে। সোফি তাকে চলে যেতে বললে ডাইনী ক্রুদ্ধ হয়ে অভিশাপ দেয় সোফিকে। ডাইনীর অভিশাপে অদ্ভুত এক পরিবর্তন আসে সোফির মাঝে। অভিশাপ কাটানোর জন্য বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে সে, এক জীবন্ত কাকতাড়ুয়ার পরামর্শে চড়ে বসে জাদুকর হাউলের চলন্ত দুর্গে। জাদুকর হাউল আর তার অদ্ভুত সঙ্গীসাথীদের নিয়ে এগিয়ে চলে কাহিনী। 

আমার কাছে এই মুভির যা ভাল লেগেছে; প্রথমত এই অদ্ভুত জুটির অদ্ভুত সম্পর্ক বেশ লেগেছে। আর হাউলের চলন্ত দুর্গ খুব মজার একটা জায়গা, দেখে মজা পেয়েছি। পছন্দ তালিকায় বেশ ওপরের দিকেই থাকবে এ মুভিটি। 

২০০৪ সালের নভেম্বর মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত এ মুভিটি বিভিন্ন সময়ে দর্শক এবং সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এটি স্টুডিও জিবলীর অন্যতম ব্যবসাসফল মুভিগুলোর মাঝে একটি এবং অ্যাকাডেমী অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনয়নপ্রাপ্ত। 

সুতরাং, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলতে পারেন চমৎকার এই মুভিটি। 

Movie Download Link – 
http://kissanime.com/Anime/Howl-s-Moving-Castle-Dub 

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Movie Time With Yami – 02

Laputa

Name- Laputa: Castle in the Sky / Tenkuu no Shiro Rapyuta
Duration- 2 hr. 5 min.
MAL Score- 8.38
Ranked- 164
Genres- Adventure, Fantasy, Romance, Sci-Fi

প্রথমেই যে কথাটা অবশ্যই উল্লেখ করতে হয়, এটা স্টুডিও জিবলীর মুভি, হায়াও মিয়াজাকি পরিচালিত। আর মিয়াজাকি মানেই অসম্ভব সুন্দর পরিচালনা!!

ছোট্ট মেয়ে শীটাকে কিডন্যাপ করেছে মুশকা এর লোকেরা। এয়ারশিপে করে তাকে নিয়ে যাচ্ছে কোন এক জায়গায়। এমন সময় হঠাত এয়ারশিপ আক্রমণ করল দস্যুরা। তাদের লক্ষ্যও শীটাকে নিজেদের কব্জায় নেয়া। কিডন্যাপার ও দস্যুদের হাত থেকে বাঁচতে চেষ্টারত শীটা হাত ফস্কে পড়ে গেল এয়ারশিপ থেকে। কোন সে অলৌকিক উপায়, যা শীটাকে রক্ষা করে বিপদ থেকে?

শীটার সাথে দেখা হয় পাজুর। যার স্বপ্ন গুজব ছড়ানো ভাসমান দুর্গ লাপুতা খুঁজে বের করে তার বাবার কথাকে সত্য প্রমাণ করা। পাজু বিপদাপন্ন শীটাকে দস্যু ও কিডন্যাপারদের হাত থেকে রক্ষা করতে চায়। আর শীটা পাজুকে লাপুতা খুঁজে বের করতে সাহায্য করতে চায়। এভাবে দুজন জড়িয়ে পড়ে এক রূদ্ধশ্বাস অভিযানে।

আমার সবচেয়ে ভাল লেগেছে যেটা, উড়োজাহাজের অসম্ভব উত্তেজনাকর কিছু মূহুর্ত আছে, দম বন্ধ করে দেখেছি। আর লাপুতার দৃশ্য অসম্ভব সুন্দর, মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা হয়।

মুভিটি বিভিন্ন সময়ে জাপানে অনেকগুলো পুরষ্কার জিতেছে। এর সাবড এবং ডাবড ভার্সনে কিছুটা পার্থক্য আছে যা হায়াও মিয়াজাকির অনুমতিপ্রাপ্ত।

সুতরাং, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলতে পারেন চমৎকার এই মুভিটি।

Movie Download Link –
http://kissanime.com/Anime/Tenkuu-no-Shiro-Laputa

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

 

Movie Time With Yami – 01

 

Name: Tsumiki No Ie / The House of Small Cubes
Duration: মাত্র ১২ মিনিট।
MAL Score: 8.36

Ranked: 182
Genre: Drama

কাহিনী একজন বৃদ্ধ মানুষকে নিয়ে, যার শহর পানিতে ডুবে গিয়েছে। বেঁচে থাকার জন্য বৃদ্ধ মানুষটিকে বারবার নিজের বাড়ির ওপর ফ্লোর বাড়াতে হচ্ছে এবং আগের ফ্লোর ছেড়ে নতুন ফ্লোরে উঠতে হচ্ছে। এমন অবস্থায় একদিন তার প্রিয় পাইপটা হঠাৎ ভুল করে তার হাত ফসকে পানিতে পড়ে যায়। প্রিয় পাইপের খুব বেশি অভাব বোধ করতে থাকায় তিনি স্কুবা ডাইভিং এর জিনিষপত্র জোগাড় করে পাইপ উদ্ধার করার জন্য পানিতে নামেন। যত নিচে নামতে থাকেন, তার ডুবে যাওয়া বসতবাড়ি চোখে পড়তে থাকে এবং প্রতিটা ফ্লোর তার জীবনের একেকটি স্মৃতি তাজা করে তুলতে থাকে।

আমার মতে, মুভিটির বিশেষত্ব হল এত অল্প সময়ে, মাত্র ১২ মিনিটে এই মুভিটি যতকিছু দেখাতে পেরেছে, অনেক লম্বা লম্বা মুভিতেও তা পাওয়া কঠিন। বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর পরিণতি যেমন দেখিয়েছে, একই সাথে একজন মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার স্মৃতি, এই ব্যাপারটাকে খুব সুন্দরভাবে দেখিয়েছে। কোন ডায়ালগ নেই এতে, কিন্তু নিশ্চুপ থেকেও যেন অনেক কথা বলে ফেলেছে মুভিটা।

২০০৮ সালের জুন মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত এ মুভিটি শর্ট ফিল্ম হিসেবে জিতে নেয় মোট পাঁচটি পুরষ্কার, যার মাঝে একটি হল Academy Award for Best Animated Short Film 2009 (অস্কার)।

সুতরাং, হাতে যদি ১২ মিনিট সময় থাকে, তাহলে চমৎকার এ মুভিটি দেখে ফেলতে পারেন এখনই।

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Tsumiki-no-Ie

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!