Movie Time With Yami – 67

Name: Bungaku Shoujo / Literature Girl
Duration: 1 hr. 40 min.
MAL Score: 7.71
Ranked: 981
Genres: Drama, Mystery, Romance, School

একটা সুন্দর মুভি বা টিভি সিরিজ দেখার পরে আপনার ভাললাগার অনুভূতিটা নষ্ট করার সবচেয়ে কার্যকর উপায়টা কি বলতে পারেন? উত্তর- বিভিন্ন ফোরামে গিয়ে “বিখ্যাত” ক্রিটিকদের বিশ্লেষণমূলক রিভিউ পড়া। বুঙ্গাকু শৌজো মুভিটি দেখার পর আমার এত বেশি ভাল লেগেছিল যে, আমি দৌড়ে গেছিলাম এটার রেটিং, রিভিউ ঘাটাঘাটি করতে। এবং সেগুলো দেখার পরে আমি উপলব্ধি করি, কোনরকম ধারণা ছাড়া মুভিটি দেখা শেষ করে আমি আসলেই ভাল কাজ করেছি।

ইনৌয়ে কোনোহা, আমাদের অ্যাভারেজ হাইস্কুল স্টুডেন্ট। শান্তশিষ্ট, চুপচাপ এ ছেলেটির সাথে একদিন স্কুলের ক্যাম্পাসে দেখা হয় একটি অদ্ভুত মেয়ের। নিজেকে “বুঙ্গাকু শৌজো” বা লিটারেচার গার্ল নামে পরিচয় দেয়া এ মেয়েটি প্রতীকী অর্থে নয়, বরং আক্ষরিক অর্থেই বই এর পৃষ্ঠা চিবিয়ে খায়। এক একটি গল্প এ মেয়েটির কাছে এক একটি সুস্বাদু স্ন্যাক!

এ পর্যন্ত শোনার পর মনে হতে পারে, এইতো, শুরু হল হাইস্কুল রোমান্স এর প্যানপ্যানানি, খালি এই বই চিবিয়ে খাওয়ার ব্যাপারটা একটু নতুন লাগছে। আমিও তাই ভেবে বসেছিলাম! এই মুভিটি দেখার আগে এর ১৫ মিনিটের একটি ওভিয়ে দেখা ছিল, সেটিও এমনই একটা আভাস দিয়েছিল। সুন্দর আর্টওয়ার্ক, প্রশান্তিদায়ক ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক কাহিনীটাকে উপভোগ করতে বেশ সাহায্য করছিল।

কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই মোড় ঘুরে গেল কাহিনীর!! বেরিয়ে এল কোনোহার অতীত জীবনের এক বেদনাদায়ক কাহিনী, হাইস্কুল রোমান্স পরিণত হল মানবিক টানাপড়েন এর এক অপরিচিত গল্পে।

আচ্ছা, অনেকেই তো বলে, ভালবাসার মানুষকে কাছে রাখার জন্য আমি সবকিছু করতে পারব। সেই সবকিছুর দৌড়টা আসলে কতদূর? মিরাই নিক্কির গাসাই ইউনোর কল্যাণে সেই কতদূরের দৌড় কিছুটা হয়ত জানা আছে আমাদের, কিন্তু সেটা আমার কাছে অতি অবাস্তবতার মত লেগেছিল। এই মুভিটিতে বরং ব্যাপারগুলো বাস্তবতার খুব কাছাকাছি রেখে দেখানো হয়েছে, আর তাই আরও বেশি ভাল লেগেছে।

এ পৃথিবীতে কোন কিছুই নিখুঁত নয়, অবশ্যই এ মুভিটিও তার ব্যাতিক্রম নয়। আমার কাছে মনে হয়েছে মুভিটি তার প্রাথমিক উদ্দেশ্য থেকে বেশ খানিকটা দূরে সরে গেছে, অবশ্য এটা রিভিউ নিয়ে ঘাটাঘাটি করার আগে তেমন বড় হয়ে চোখের সামনে আসেনি। আর তা হল, লিটারেচার গার্ল নিজে। মুভিটির মাঝখানের বড় একটা অংশে তার কোন খোঁজ নেই, যদিও ঠিক সময়ে সে তার গুরুত্ব ঠিকই ফিরে পেয়েছে। কিন্তু তার এই বই চিবিয়ে খাওয়ার ব্যাপারটায় কোন আলোকপাত করা হয়নি, এটা একটু হতাশার ব্যাপার।

যাই হোক, সবমিলিয়ে মুভিটি আমার অত্যন্ত পছন্দ হয়েছে, মানবিক সম্পর্ক ও টানাপড়েন এর ব্যাপারটা এর আগে কোন মুভিতে এত সুন্দরভাবে পাইনি, আর ভুলোমনা লিটারেচার গার্ল এর পরিণত আচরণ আমাকে অনেক অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Book-Girl
OVA Link-
http://kissanime.com/Anime/Book-Girl-OVA

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Tsuritama অ্যানিমে রিভিউ; লিখেছেন ইশমাম আনিকা

Tsuritama.full.1107613

জনরাঃ কমেডি, স্লাইস অফ লাইফ, স্পোর্টস, সাই-ফাই

“Even if the world ends tomorrow, I just want to fish!”

আচ্ছা, আপনারা কেউ কখনো বড়শি দিয়ে মাছ ধরেছেন? কেমন লাগে ব্যাপারটা? কাঠির গায়ে সুতো বেঁধে পানিতে টোপ ফেলে চুপ করে বসে বোরিং সময় কাটানোর মাঝে কি এমন থাকতে পারে, যা নিয়ে হারু আর কোকো এত হাইপড? কিংবা বড়শিতে মাছ গাঁথার পর সেটাকে খেলিয়ে ডাঙায় তোলা কি এমন কঠিন কাজ, যার জন্যে নাতসুকিকে “প্রিন্স” উপাধি দেয়া হয়েছে?কি এমন রয়েছে এই মাছধরাতে, যে দুনিয়া উল্টে গেলেও কিছু যায় আসে না??

কিংবা মনে করুন, আপনি একজন ট্রান্সফার স্টুডেন্ট। কিন্তু অনেক লোকজনের সামনে আপনি অত্যন্ত অকওয়ার্ড ফিল করেন। তাও কষ্টেসৃষ্টে ফার্স্ট ইমপ্রেশনটা ঠিক রাখার জন্য অনেক প্রস্তুতি নিয়ে ক্লাসে গেলেন। বুকের ভেতর হাতুড়ি পেটানোর শব্দ শুনতে শুনতে আপনি স্পীচ দেয়া শেষ করে কেবল স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন, এমন সময় হঠাৎ কোত্থেকে এসে উদয় হল রাস্তায় দেখা হওয়া সেলফ প্রোক্লেইমড এলিয়েন ছেলেটি! কিছু বুঝে ওঠার আগেই নিজেকে আবিষ্কার করলেন পুরো ক্লাসের সামনে, হাত নেড়ে এনোশিমা ডান্স করা অবস্থায়!! গেল আপনার সাধের ফার্স্ট ইম্প্রেশন!

HorribleSubs_Tsuritama_-_10_720p.mkv_snapshot_04.04_2012.06.16_13.44.05
অথবা, সবসময় একটা হাঁস বগলদাবা করে ঘুরে বেড়ানো ইয়ামাদার আসল উদ্দেশ্যটা কি? হারুর ব্যাপারে সে এত সতর্ক কেন? ইউকি আর নাতসুকিকে জোর করে মাছ ধরতে নিয়ে যাওয়ার মত পাগলামি ছাড়া তো আর তেমন কিছুই করেনা সে। কিংবা হারুই বা সমুদ্রে মাছ ধরতে এত আগ্রহী কেন? এনোশিমার প্রাচীন লোকগাঁথার সাথে কি ওদের কোন সম্পর্ক আছে?

অ্যানিমেটার শুরুটা এমনই ওলট পালট মার্কা, কোথা থেকে কি হচ্ছে আমি কিছু ঠাহর করে উঠতে পারছিলাম না। মাথায় মাছের জার নিয়ে ঘুরে বেড়ানো সেলফ প্রোক্লেইমড এলিয়েন হারুর কাজকর্ম দেখে হাসি পাচ্ছিল, আবার ওর সরলতা দেখে মায়াও লাগছিল। কিন্তু যত এগোলাম, তত যেন কাহিনীটা আমাকে ভেতরে টানতে থাকল! ভেবেছিলাম কি, আর শেষে হলটা কি! সিম্পল একটা মনকে খুশি করে দেয়া হাসিখুশি স্লাইস অফ লাইফ অ্যানিমে হঠাৎ হয়ে গেল একটি জমজমাট রূদ্ধশ্বাস সাইফাই অ্যানিমে! এবং সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপারটি হল, এতকিছুর মধ্যেও অ্যানিমেটা আমার মুখ থেকে একবারের জন্যেও হাসিটা মুছতে দেয়নি!
tsuritama_by_squ_chan-d56d05l
অ্যানিমেটার আর্টওয়ার্ক অতিরিক্ত সুন্দর। উজ্জ্বল, ঝলমলে রঙ ব্যবহার করে এনোশিমা নামক সমুদ্র উপকূলের শহরটিকে খুব মনোমুগ্ধকর উপায়ে সাজিয়ে তোলা হয়েছে; দেখে যে কারও মনে হতে বাধ্য, একবার যদি এনোশিমায় যেতে পারতাম! ক্যারেক্টার ডিজাইন বেশ উদ্ভট, আর এই উদ্ভট ডিজাইনের কারণেই যেন অ্যানিমেটা প্রাণ পেয়েছে। নাতসুকির মাছধরা বিষয়ক জ্ঞান, ইউকি ও হারুর এ বিষয়ে অজ্ঞানতা, শুধুমাত্র এই ফিশিং এর কারণে চারটা ছেলের জীবনে পরিবর্তন, তাদের মানুষ হিসেবে পরিণত হয়ে উঠতে দেখলে নিজের অজান্তেই তাদেরকে আপন মনে হতে থাকবে!

অ্যানিমেটার ওএসটি খুবই চমৎকার, ওপেনিং এন্ডিং একটাও স্কিপ করার মত না। আর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক প্রতিটা সিচুয়েশনে পার্ফেক্টভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। মাছধরা থেকে শুরু করে ক্লাইম্যাক্স, সবখানেই নিখুঁত আবহ তৈরি করেছে এর ওএসটি।

সবমিলিয়ে অ্যানিমেটা আবার খুবই ভাল লেগেছে, ভিন্নধাঁচের স্লাইস অফ লাইফ ও সাই-ফাইয়ের মিশ্রণ দেখে আরও বেশি ভাল লেগেছে। অনেকদিন পরেও তাপিওকার “ডাক” মনে করে আমি হাসব, নাতসুকি, ইউকি, হারু আর ইয়ামাদার বন্ধুত্বের কথা মনে করে আনন্দ পাব। আর ক্লাইম্যাক্সের সেই লোম খাড়া করা মূহুর্তগুলো তো কখনোই পুরনো হবার নয়!

tsuritama_wallpaper_by_chatlantic-d5974r8

অ্যানিমে রিভিউঃ বারটেন্ডার; লিখেছেন ইশমাম আনিকা

lunar-bartender-01-x2641280x7201639e648-mkv_snapshot_04-25_2011-03-19_02-30-54

আজ দেখে শেষ করলাম “বারটেন্ডার”। রাফিউলের ভাষায় বলি, “বাউরে বাউ, কি যে দেখলাম এইটা!!” হার্ড লিকারের উপর কেউ পিএইচডি করতে চাইলে এই অ্যানিমে দেখা আবশ্যক!!

সাসাকুরা রিউ একজন বারটেন্ডার। টোকিও শহরের গিনজা নামক এলাকায় অবস্থিত তার বার, “এডেন হল।” রিউ অত্যন্ত দক্ষ একজন বারটেন্ডার, যে কারণে তার তৈরি করা ককটেলকে বলা হয় “গ্লাস অফ গড”। প্রতিদিন বিভিন্ন ক্যারেক্টারিস্টিকের এবং ভিন্ন ভিন্ন সোশ্যাল স্ট্যাটাসের মানুষ আসে বারে, আর এক গ্লাস ককটেলের সাথে উঠে আসে তাদের সুখ-দুঃখের গল্প। সাসাকুরা রিউ নৈপুণ্যের সাথে ককটেলের গ্লাসে ফুটিয়ে তোলে তার শিল্পকর্ম, আর সেইসাথে এর সাথে সম্পর্কিত একেকটি অদ্ভুত গল্প দিয়ে মুগ্ধ করে অতিথিকে, কারণ, একজন বারটেন্ডারের যে দায়িত্ব এটা, অতিথি যেন যাওয়ার সময় একটি সুন্দর সময়ের স্মৃতি সাথে করে নিয়ে যান।

অ্যানিমের কাহিনী এপিসোডিক, প্রতিটা পর্বে বিভিন্ন ধরণের ককটেল আর তার সৃষ্টির ইতিহাস বেশ ইন্টারেস্টিংভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। সাসাকুরা রিউ যখন ককটেলগুলো বানায়, ঐ দৃশ্যটা বেশ অ্যামেজিং। আর প্রতিটা মানুষের মনের ভেতরের কথা সে যেভাবে টেনে বের করে আনে, এটাও ইন্টারেস্টিং।

অ্যানিমেটার আর্টওয়ার্ক অনেক ভাল, সঙ্গত কারণেই “ডেথ প্যারেড” এর কথা বারবার মনে পড়ছিল। ক্যারেক্টার ডিজাইন চমৎকার, আর ওএসটিও বেশ ভাল। এন্ডিং সংটা একবারও স্কিপ করতে পারিনি।

সবমিলিয়ে খুবই এক্সেপশনাল এবং ইন্টারেস্টিং একটি অ্যানিমে এটি, ১১ টা এপিসোড বেশ উপভোগ করেছি।

12022554_555071621324015_3926291896555078707_o

Movie Time With Yami – 66

5cm

Name: Byousoku 5 Centimeter / 5 Centimeters per Second
Duration: 3 episodes- 22 min per episode
MAL Score: 8.19
Ranked: 311
Genres: Drama, Romance, Slice if Life

এই মুভিটা দেখার আগে আমার প্রত্যাশা অনেক বেশি ছিল, দুটো কারণে। প্রথমত এটি মাকোতো শিনকাই এর পরিচালিত, এটি আগে এই ডিরেক্টরের একটাই মুভি দেখেছিলাম, “গার্ডেন অফ ওয়ার্ডস”, আর সেটি বেশ ভাল লেগেছিল; আর দ্বিতীয় কারণ হল এটি নিয়ে আমি সবধরণের অ্যানিমে গ্রুপে অনেক প্রশংসামূলক রিভিউ/রিএকশন দেখেছিলাম। কিন্তু মুভিটি দেখার পরে সত্যি কথা বলতে আমি কিছুটা নিরাশই হয়েছিলাম।

তাকাকি তোনো এবং আকারি শিনোহারা এলিমেন্টারি স্কুলের ক্লাসমেট এবং খুব কাছের বন্ধু। এলিমেন্টারী স্কুল পাসের পর আকারির বাবার বদলির কারণে আকারি অন্য একটি শহরে চলে যায়। দুজন যোগাযোগ রক্ষা করে একে অপরকে চিঠি লেখার মাধ্যমে।

এরপরে মিডল স্কুলে পড়ুয়া আকারি এবং তাকাকির আবার দেখা হয় তুষারঝড়ের মাঝে এক রেলওয়ে স্টেশনে, তাকাকি শহর ছেড়ে চলে যাওয়ার আগে তাদের শেষ দেখা এটি। তারা একজন আরেকজনকে মনের কথা জানিয়ে চলে যায় নিজেদের দ্বিখন্ডিত পথ ধরে। এরপর দুজনের ব্যস্ততা, প্রায়োরিটি এবং বাস্তবতা ও যৌক্তিকতার সাথে আবেগের সংঘাত দেখা দিতে থাকে।

মুভিটি তিনভাগে বিভক্ত, এই তিনভাগের মধ্যে তাকাকি এবং আকারির জীবনের কিছু চুম্বক অংশ তুলে ধরা হয়েছে। এলিমেন্টারি স্কুলের বাচ্চাদের অ্যাডোলেসেন্ট লাভ, মিডল স্কুলের ছেলেমেয়ের অপরিণত আবেগ ও আরেকটু পরিণত বয়সের অপ্রয়োজনীয় যুক্তিবোধ। কাহিনীকার ভালবাসা সংক্রান্ত আবেগীয় টানাপড়েন, বাস্তবতার সাথে যুদ্ধ এবং দুটো ছেলেমেয়ের আস্তে আস্তে পরিণত মানুষে রূপান্তর হওয়ার ধাপগুলো ড্রামাটিকভাবে ফুটিয়ে তুলতে চেষ্টা করেছেন, এবং কিছুদূর পর্যন্ত তিনি সফলও। কিন্তু আমার যে ব্যাপারটি ভাল লাগেনি তা হল, অতি নাটকীয়তা। মানুষের জীবনের কাহিনী, অর্থাৎ স্লাইস অফ লাইফ, এই ধরণের কাহিনীতে একটু নাটুকেপনা মেনে নেয়া যায়, কিন্তু তাই বলে “এলিমেন্টারী” স্কুলের বাচ্চা ছেলেমেয়েদের আবেগে ভেসে যাওয়ার ব্যাপারটা বেশ চোখে লেগেছে। চিঠি লিখে যোগাযোগ রক্ষার ব্যাপারটা খুব রোমান্টিক, মানছি, কিন্তু যেখানে তোমাদের হাতে সেলফোন নামক বস্তুটা আছে, একটু কষ্ট করে বস্তুটা মাঝে মাঝে ব্যবহার করলে তো এত ভেজাল বাঁধে না! ভালবাসলে সেটার প্রকাশটা স্ট্রংভাবে বের হয়ে আসেই, আমি বিশ্বাস করি এটা, কাজেই মুভির বেশকিছু জায়গা আমার কাছে বাড়াবাড়ি রকমের অবাস্তব লেগেছে। আর, মানছি জাপানের মানুষ আমাদের দেশের প্যারেন্টস দের মত ওভারপ্রোটেক্টিভ না, তাই বলে কোন বাপ মা নিজের এলিমেন্টারি স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে তুষারঝড়ের মাঝে একা একা ট্রেনে করে ৪-৫ ঘন্টার জার্নিতে যাওয়ার অনুমতি দেয়?

মুভিটির আর্টওয়ার্ক অতিরিক্ত ভাল, মাকোতো শিনকাই এর থেকে এর কম আশাও করা যায়না, এই আর্টওয়ার্ক আমাকে সাহায্য করেছে মুভিটা শেষ পর্যন্ত দেখতে। ঠাট্টা করে একজন ইউটিউব রিভিউয়ার এই মুভির নাম দিয়েছিলেন “5 wallpapers per second”!! সাউন্ডট্রাকও চমৎকার, এন্ডিং সংটা বেশ সুন্দর।

সবমিলিয়ে মুভিটি ওভারঅল খারাপ লাগেনি, তবে বেশ ওভাররেটেড লেগেছে। কে জানে, হয়তো আমার মেলোড্রামা ভাল না লাগাই এর পেছনে দায়ী!

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/5-Centimeters-per-Second

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

অ্যানিমে রিঅ্যাকশন- শার্লট; লিখেছেন ইশমাম আনিকা

charlotte

অবশেষে শার্লট দেখে শেষ করলাম। কালকেই শেষ হত আসলে, একেবারে শেষ এপিসোডের সাবটাইটেলে গন্ডগোল থাকায় সম্ভব হয়নি।

শুরুতে তেমন আহামরি লাগেনি, হাইস্কুলের স্টুডেন্টদের চূনিবিও সিন্ড্রোমের মত কিছু অস্বাভাবিক ক্ষমতা প্রাপ্তি ঘটে, সেগুলো ব্যবহার করে একদল শয়তানি করে বেড়ায়, আর আরেকদল সেটা থামিয়ে তাদের পথে আনে। মনে হচ্ছিল, “ওকে, দেখা চলে, দেখা যাক এই চূনিবিওর দৌড় কতদূর।”

এরপর আগাতে থাকলাম, জিনিসটা ইন্টারেস্টিং হওয়া শুরু করল। নতুন নতুন পাওয়ার আসে, তাদের সাথে এবং স্টুডেন্ট কাউন্সিলের সদস্যদের নিজেদের মাঝে সম্পর্কের উন্নতি দেখে বেশ ভাল লাগছিল।

তারপর, এলো এপিসোড ৬!! হঠাৎ করে একটা হাসিখুশি অ্যানিমে পুরো ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে গেল। ব্যাপারটা এতটা আচমকা ঘটে যে আমারই বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল। এরপর ইউ এর অবস্থা, রিকভারী, ঘটনাগুলো কষ্টদায়ক ছিল, আবার সুইট ছিল (ইউ নো হোয়াই)। ভাবলাম যে হ্যা, এখন বোধহয় লাভ ষ্টোরি ঢুকায়ে দিবে।

কিন্তু আবার চমক, কিসের লাভ স্টোরি, কিসের নরমাল লাইফ!! কাহিনী তো কেবল শুরু!! একের পর এক টার্ন অফ ইভেন্ট, মানসিক চাপ আর দুঃখজনক ঘটনা। এপিসোড ১২ তে পৌছে অনেক ভাল লাগল, এটা ভেবে অবাক লাগল যে এই অল্প কয়টা এপিসোডের মাঝে এতকিছু কিভাবে দেখাল!!

তবে একেবারে লাস্ট এপিসোডটার কোন প্রয়োজনীয়তা আমি খুঁজে পেলাম না। সারা দুনিয়া ঘোরাটা যেন ডাল মাখায়ে ভাত খাওয়ার মত সহজ, তাই এত ডেঞ্জারাস একটা কাজে জনাব নায়ক একাই বের হয়ে পড়লেন, জাস্ট লাইক দ্যাট!!

যাহোক, ভালই লেগেছে সবমিলিয়ে, আর্টওয়ার্ক, ওএসটি অনেক ভাল, আর স্টোরিটাও ঘোটপাকানো হলেও ভাল।

 

628927

Movie Time With Yami – 65

8202163_orig

Name: Persona 3 Movie 2: Midsummer Knight’s Dream
Duration: 1 hr. 38 min.
MAL Score: 8.05
Ranked: 466
Genres: Action, Fantasy, Seinen, Supernatural

ডার্ক আওয়ারের ছায়ায় ঘুরে বেড়ানো ভয়ানক দানবগুলোর সাথে লড়াই করার মাধ্যমে জীবনে এগিয়ে যাওয়ার স্পৃহা খুঁজে পায় ইউকি মাকোতো। কিন্তু এই ডার্ক আওয়ারের পেছনের রহস্যটা কি? কিভাবে উদ্ভব হল এই আওয়ারের? পার্সোনা ইউজাররা একসময় জানতে পারে সেই রহস্যের কথা, এবং সেইসাথে এই সময়টা বিনাশ করার উপায়। কিন্তু সত্যিই কি এই আওয়ারকে ধ্বংস করা সম্ভব? পার্সোনা ইউজারদের সবারই কি একই লক্ষ্য, যে লক্ষ্যের দিকে অগ্রসর হতে থাকলে রয়েছে তাদের ক্ষমতা হারানোর সমূহ সম্ভাবনা?

মুভিটি স্প্রিং অফ বার্থ মুভিটির সিক্যুয়াল, এটি আগের মুভিটির কাহিনী খুব ভালভাবে এগিয়ে নিয়ে যায়। এখানে আর্টওয়ার্ক অনেক ইম্প্রুভ করেছে, ডার্ক শেডের মাঝে মাঝে কড়া রঙের ব্যবহারে যে কন্ট্রাস্টটা এসেছে সেটা অনেক নজরকাড়া ছিল। ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ড ভাল ছিল, মুভির থিমের সাথে মানানসই। এই মুভিটিতে আগেরটির তুলনায় ফাইট একটু কম, এখানে মূলত রহস্যের ব্যাখার দিকে বেশি জোর দেয়া হয়েছে। পার্সোনা ইউজারদের নিজেদের মধ্যেকার সংঘাত এবং কনফিউশনটা খুব ভালভাবে দেখানো হয়েছে।

সবমিলিয়ে সিক্যুয়াল মুভি হিসেবে এটি আমার খুব ভাল লেগেছে, তাই আমি সাজেস্ট করব পার্সোনা সিরিজের দুটো মুভিই দেখে ফেলতে।

Movie Download Link-
http://kissanime.com/…/Persona-3-the-Movie-2-Midsummer…

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Movie Time With Yami – 64

maxresdefault

Name: Persona 3 Movie 1: Spring of Birth
Duration: 1 hr. 32 min.
MAL Score: 7.93
Ranked: 616
Genres: Action, Fantasy, Seinen, Supernatural.

আমরা যে পৃথিবীতে, যে সময়ে বাস করি, চোখের সামনে যে দৃশ্যগুলো দেখতে পাই, সেটাই কি সম্পূর্ণ সত্য? এর বাইরে কি আর কিছুই নেই? হয়তো আমাদের জানার বাইরে রাতের আঁধারে থাবা মেলে রয়েছে এমন কোন অজানা বিপদ, যা আমাদের কল্পনার বাইরে। আর সেই বিপদ থেকে আমাদের রক্ষা করার জন্য আমাদের অগোচরে কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লড়াই করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

পুরো পৃথিবীর অগোচরে দিনের ২৪ ঘন্টা পার হওয়ার পর আসে আরও একটি নতুন সময়, “ডার্ক আওয়ার”। এই ডার্ক আওয়ারের রহস্যময় জগতে ঘুরে বেড়ায় দৈত্য দানব। যারা ক্ষতি করতে চায় পৃথিবীর। এদের সাথে তাই প্রতিদিন লড়াই করে একদল হাইস্কুলের ছেলেমেয়ে। আর চেষ্টা করে এই ডার্ক আওয়ারের রহস্য উদঘাটনের।

মুভিটি পার্সোনা ৩ গেমের অ্যানিমে অ্যাডাপ্টেশন, এছাড়া পার্সোনা ৪ নামে একটি অ্যানিমেও আছে। আমি গেমটি খেলিনি, তাই অ্যাডাপ্টেশন কেমন সে ব্যাপারে আমার ধারণা নেই। অ্যানিমেটি দেখেছি, সেখানে মূলত হাইস্কুল লাইফের পাশাপাশি রহস্য ও একশন দেখানো হয়।

অপরদিকে এই মুভিটির থিমটা বেশ ডার্ক, আর সেকারণে এটি অনেক টানটান উত্তেজনা ধরে রাখে পুরোটা সময়। একশন সিনগুলো আমার অতিরিক্ত ভাল লেগেছে, ওদের ফাইট করার স্টাইলটা অনেক কুল ছিল। আর আর্টওয়ার্ক এবং সাউন্ডট্র্যাকও বেশ ভাল ছিল।

Movie Download Link-
http://kissanime.com/…/persona-3-the-movie-1-spring-of…

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

 

Movie Time With Yami – 63

japan akira knight motor moto science fiction anime kaneda 1500x974 wallpaper_www.wall321.com_12

Name: Akira
Duration: 2 hr. 4 min.
MAL Score: 8.13
Ranked: 364
Genres: Action, Adventure, Horror, Military, Sci-Fi, Supernatural

এই মুভিটির রিভিউ/রিএকশন খোঁজ করার সময় আমি দেখেছি, দর্শকদের মাঝে এটি নিয়ে বেশ মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কেউ কেউ এটাকে অন্যতম সেরা মুভিগুলোর একটি বলেন, তো কেউ আবার এটিকে তেমন একটা পছন্দ করেন না। তবে একটা কথা সত্যি, এই মুভিটি আসলেই অ্যানিমেটেড মুভির জগতে একটি মাইলফলকের মত, এবং ২৭ বছর আগের একটি ভবিষ্যত নির্ভর সাই-ফাই মুভি হিসেবে এর এক্সিকিউশন চমৎকার।

মুভিটি ২৭ বছর আগে তৈরি হলেও, এর পটভূমি আজ থেকে চার বছর পরে, ২০১৯ সালের জাপানে। ওয়ার্ল্ড ওয়ার ৩ এর পরে পেরিয়ে গেছে ৩১ টি বছর। জাপানে এখন চলছে অরাজকতা, দেশের শাসক শ্রেণীর মধ্যেও চলছে বিভিন্ন ধরণের গোপন এক্সপেরিমেন্ট।

এরকম সময়ে একটি তরুণ বাইকার গ্যাং এর সদস্য হঠাৎ মিলিটারীর এক্সপেরিমেন্টাল গিনিপিগে পরিণত হয়। তারা তার ওপরে মানুষের মনস্তাত্ত্বিক ক্ষমতা বৃদ্ধির পরীক্ষা চালায়। কিন্তু এই গবেষণা পরবর্তীতে ডেকে আনে এক ভয়াবহ বিপর্যয়, যা ঐ শুধু ঐ বাইকার গ্যাংকেই নয়, পুরো শহরকেই বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেয়।

মুভিটির কাহিনী ভয়াবহ রকমের জটিল, আমি প্রথমবার দেখে কাহিনীর পুরোপুরি বুঝতেই পারিনি, অন্যদের সাথে আলোচনা করে এবং রিভিউ/এক্সপ্লানেশন পড়ে বোঝা লেগেছে। তাই মুভিটি দেখার পরে আমি বুঝতে পারছিলাম না রিএকশন কি হওয়া উচিৎ। কিন্তু পরে এটি নিয়ে গবেষণা করার পরে কাহিনীটা আমার খুব ভাল লেগেছে, তাই আমি এটা সবাইকে দেখতে সাজেস্ট করি। আশির দশকের অ্যানিমে, তাই আর্টওয়ার্কটাও ঐ আমলের মতই, অনেকের পছন্দ নাও হতে পারে, তবে কাহিনীর জন্যে এটা কনসিডার করা যায়। সাউন্ডট্র্যাক আমার কাছে মোটামুটি লেগেছে, আর শেষের দিকে একটা বিরক্তিকর শব্দ বেশ অনেকক্ষণ ধরে চলে, সেটা বেশ কানে লেগেছিল।

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Akira

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Movie Time With Yami – 62

earthsea

Name: Tales from Earthsea / Gedo Senki
Duration: 1 hr. 55 min.
MAL Score: 7.21
Ranked: 2464
Genres: Adventure, Fantasy, Magic.

বলা হয়ে থাকে, চাপ নিয়ে কাজ করলে সেই কাজটা নাকি ভাল হয়। কোন একটা কাজের ওপর যখন মানুষ ভরসা করে থাকবে, সেই কাজটা ভালভাবে করার স্পৃহা তত বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু, অনেক সময় দেখা যায়, বেশি প্রত্যাশার পাহাড় মাথায় নিয়ে মানুষ ভেঙে পড়ে। গেদো সেঙ্কি মুভিটার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা তাই হয়েছে বলে আমার বিশ্বাস।

মুভিটি বানানো হয়েছে তিনটি উপন্যাসের কাহিনী একত্রিত করে। স্টুডিও জিবলীর ব্যানারে তৈরি এ মুভিটি বিখ্যাত পরিচালক হায়াও মিয়াজাকির পুত্র গোরো মিয়াজাকির ডেবিউ ফিল্ম। সবমিলিয়ে মুভিটির ওপর প্রত্যাশার চাপ ছিল আকাশছোঁয়া, এবং খুব সম্ভবত এটিই কাল হয়েছে মুভিটির জন্য।

স্টোরির শুরুটা বেশ প্রমিজিং। হঠাৎ করেই রাজ্যে দেখা দেয় অভাব অনটন, রাজ্যের মানুষের আচার আচরণে আসে পরিবর্তন, এবং রাজ্যে ড্রাগনের দেখা পাওয়া যেতে থাকে। তবে কি শেষ সময় ঘনিয়ে আসছে? রাজ্যের রাজকুমার এক ভয়াবহ অপরাধ করে রাজ্যছাড়া হল। দিশেহারা এ বালকের সাথে দেখা হল জাদুকর স্প্যারোহক এর। কিভাবে এতগুলো রহস্যের সমাধান হবে?

শুরুটা খুব প্রমিজিং হলেও মুভিটি পরবর্তীতে এই প্রমিস রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। কাহিনীটা কিছুদূর আগানোর পর কেমন যেন খাপছাড়া হয়ে যায়, কোথা থেকে কি হচ্ছে বুঝতে বেগ পেতে হয়। কোন চরিত্রই মনে রাখার মত লাগেনি। এন্ডিংটা ভাল করেছে, তবে অনেক রহস্য অমীমাংসিত রেখে, এটা বেশ হতাশার ব্যাপার।

তাহলে মনে প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক যে, এত সমস্যাযুক্ত মুভি তাহলে কেন দেখব? অবশ্যই দেখার পক্ষেও যুক্তি রয়েছে। মুভিটির আর্ট খুবই চমৎকার, প্রতিটা দৃশ্যে যত্নের ছাপ স্পষ্ট। স্টুডিও জিবলীর আর্টের মর্যাদা রাখতে পেরেছে এটি। আর সেইসাথে রয়েছে মনোমুগ্ধকর ওএসটি। এগুলোর কারণে শেষপর্যন্ত মুভিটি অন্তত উপভোগ্য হয়েছে। আপনি যদি প্রশ্নের ঝাঁপিটা বন্ধ রেখে দেখতে বসেন, সময়টা খারাপ কাটবে না।

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Tales-from-Earthsea

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Movie Time With Yami – 61

ocean-waves

Name: The Ocean Waves / Umi ga Kikoeru
Duration: 1 hr. 12 min.
MAL Score: 7.01
Ranked: 3124
Genres: Drama, Romance, School, Slice of Life

মোরিসাকি তাকু একজন ইউনিভার্সিটির ছাত্র। তার বাড়ি জাপানের সমুদ্র তীরবর্তী শহর কোচিতে। হাইস্কুলের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্যে সে টোকিও থেকে কোচিতে ফিরে আসার সময়টায় মুভির কাহিনী শুরু। তাকু মনে করতে থাকে তার হাইস্কুলের দিনগুলোর কথা, তার বন্ধুদের কথা, এবং তার প্রথম প্রেমের স্মৃতির কথা।

মুভিটির কাহিনী কিছুটা টিপিক্যাল হাইস্কুল প্রেমকাহিনীর মত, কিন্তু এখানে মিষ্টি মিষ্টি ভাবটা একেবারেই অনুপস্থিত, বরং কিছুটা কাঠখোট্টা এবং রূক্ষ ভাব রয়েছে। হাইস্কুল ছাত্রদের জীবনের নির্মম দিকটায় বেশি ফোকাস করা হয়েছে মুভিটাতে, আবার একইসাথে কিছু রোমান্টিক এবং হালকা দৃশ্য দিয়ে কাহিনীটাকে হালকা করতে চেষ্টা করা হয়েছে।

স্টুডিও জিবলীর আর্ট সবসময়ই সুন্দর, কিন্তু এই মুভিটির আর্ট আমার তেমন ভাল লাগেনি। ক্যারেক্টারগুলো এক্সপ্রেশনলেস, তাই সিরিয়াস কনভার্সেশনের সময় দেখে বেশ অস্বস্তি লেগেছে। কাহিনীর পেসিং বেশ খাপছাড়া, তাই মাঝে একটু বোরিং লেগেছিল, তবে এন্ডিং দেখে ভালই লেগেছে। সাউন্ডট্র্যাক ভাল, দেখা চালিয়ে যেতে বেশ সাহায্য করেছে।

সবকিছু মিলিয়ে মুভিটি আমার খুব ভাল লেগেছে বলতে পারব না, তবে একেবারে দেখার অনুপযোগীও লাগেনি। তাই, সাহস করে নিজ দায়িত্বে কেউ দেখতে চাইলে মানা করব না! tongue emoticon

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/The-Ocean-Waves

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!