BTOOOM! – [সেমি রিভিউ] লেখক তাহসিন ফারুক অনিন্দ্য

এই আনিমেটা নিয়ে এত বেশি রিভিউ বা এত মিশ্র প্রতিক্রিয়া কেন, দেখার পর বুঝলাম।
আর সাথে এইটাও বুঝলাম যে আরেকটা “রিভিউ” লিখলে সবাই ধৈর্য নিয়ে পড়বেও না, পাত্তাও দিবে না। তারচেয়ে কয়েকটা পয়েন্ট অভ ভিউ থেকে হাল্কা পাতলা আলোচনা টাইপ এই সেমি রিভিউ 🙂

6 Btooom

# SAO বা Mirai Nikki এর কম্বিনেশন টাইপ একটা আনিমে মনে হবে, Massively Multiplayer Online gaming এর Online বাদ দিন, আরে Mirai Nikki এর survivor is the winner – ব্যাস, পেয়ে গেলেন BTOOOM! এর আইডিয়া! নিজের জীবন বাজি রেখে এই ভার্চুয়াল নয়, বাস্তব গেমে নিজেকেই অংশগ্রহণ করে শেষ পর্যন্ত বেঁচে থেকে জিততে হবে।

# The +’s

– টান টান উত্তেজনা
– সার্ভাইনিং এর একশন
– এনভায়রনমেন্ট ডিজাইন, এক কথায় অসাধারণ!!!
– হালকা পাতলা ফ্যান-সার্ভস (:P )

# The -‘s

– নায়ক-নায়িকাকে বাঁচিয়ে দেওয়ার ধরণ + কিছু হাস্যকর লজিক
– হালকা পাতলা ফ্যান-সার্ভিসগুলি কাহিনিতে আনার ধরণ 🙁

# The “Should have these”s

– আরও বেশি এপিসোড
– আরও বেশি একশন
– শুনতে খারাপ শুনালেও, আরও বেশি ভায়োলেন্স [প্লটটি ভয়ংকর সব ভায়োলেন্সের জন্য আদর্শ]
– অবশ্যই একটা Season 2!!! 😀

আমার মতামত:

FMA/FMAB, Death Note, Code Geass এগুলির মতন এক্যুরেট [কিছুক্ষেত্রে প্রায় এক্যুরেট] কাহিনি/লজিকের আনিমে দেখার পর সব আনিমেকে এদের সাথে তুলনা দিতে যাওয়া ঠিক না, একদমই না। সবার আগে একটা আনিমের মূল লক্ষ দর্শকদের বিনোদন দেওয়া, সেটা করতে গিয়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই আনিমে সফল 😀

অবশেষে আমার রেটিং: 7.5/10

[কয়েকজনের একটা বিষয় নিয়ে বিরক্তি দেখে লিখতে গেলাম:

[[Contains Spoilers]]

# বোম্ব বাস্ট হল, মানুষ মারা গেল, অথচ সাথে থাকা বোম্বের বক্স আর তার ভিতর থাকা বোম্ব অক্ষত, এমনকি খাবারের স্যুটকেজটাও অক্ষত
~ যারা এই গেমের অর্গানাইজ করেছে, তারা অবশ্যই এইটা মাথায় রেখেছে যেন তাদের কন্টেস্ট্যান্টদের জিনিসপত্র অক্ষত থাকে, কারণ গেমের নিয়ম যে মারা গিয়েছে তার বোম্ব + জিনিসপত্র বিজয়ী দখল করবে। এখন সেই জিনিসপত্র কিভাবে BIM-proof করেছে, সেই science দেখতে চাইতে গেলে আরেকটা আনিমে করা উচিৎ, এই ১২ এপিসোডের ছোট্ট আনিমেতে এত কিছু দেখানো যাবে না এইটা বুঝাই যায় 😀 ]

Btooom! – অনলাইন গেমিং; ভার্চুয়াল বাস্তবতা এবং একটি সম্ভাবনাময়তার করুণ মৃত্যু…

রিয়োতো সাকামোতো – বয়স ২২। হতাশ; বিষণ্ণ এবং বেকার এই যুবকের দিন কাটে সারাদিন ঘরে বসে btooom নামক থার্ড পারসন শুটিং গেম খেলে। বর্তমানে সে এই গেইমে ওয়ার্ল্ড র‍্যাঙ্কিং এ ১০ নাম্বার এবং তার জীবনের সব হিসেব নিকেশ এই গেইমের স্টেট নিয়ে। কিন্তু এই জীবনের ছেদ ঘটে যখন একদিন সে নিজেকে আবিষ্কার করে একটা গাছের ডালে প্যারাসুটের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায়। সাকামোতো রিওতোর প্রিয় গেইম কি তাহলে বাস্তবতায় রুপ নিল? ভার্চুয়াল লাইফ যখন বাস্তবতায় মিশে যায় তখন কি সে তাতে কুলিয়ে উঠতে পারবে?

 

এই পর্যন্ত পরার পর বেশ অনেকেই একটু থমকে দাঁড়াবেন; ইতি উতি চাইবেন; তারপর প্রশ্ন করে বসবেন; “মিয়া; ফাইযলামি কর? কয়দিন আগে sword art online দেখসি কি করতে? আর তুমি এইডা কিসের রিভিউ লেখতে বসছ? পইরাতো sword art online এর মতন লাগতেসে। অইটা আর এইটার মধ্যে পার্থক্য কি?”

প্রথমেই এই ব্যাপারটা ক্লিয়ার করা যাক। sword art online এর মত এখানে জগতটা কাল্পনিক না; বরং সকল প্লেয়ারদের ছেড়ে দেওয়া হয় একটা বিশেষ ভাবে তৈরি দ্বীপে। সুতরাং; সেই দিক দিয়ে btooom অনেক বেশি রিএলিস্টিক যদিও লেখক উরাধুরা লেভেলের বোম আর তার মালিকানা এবং ব্যাবহার নিয়ে এইরকম ফিকশন জুড়ে দিয়েছেন যে এইটা যে কোন ফ্যান্টাসিকে হার মানাতে বাধ্য; তবে সেই বিষয়ে পরে আলোচনা আসতেসে। আর দুই নাম্বার হইল; btooom টা SAO এর মতন “লাভ লাভ গুডি গুডি বিপন্ন নায়িকাকে বাচাতে নায়কের অভিযান” ধরণের না; বরং মানব প্রকৃতির অন্ধকার দিককে বেশ গভীরে গিয়ে পর্যালোচনা করার চেষ্টা করা হয়েছে এখানে। btooom দেখার সময় বরং আমার mirai nikki এর কথা বার বার মনে আসছে; যারা দেখেছেন তার তো বুঝতেই পারতেসেন বিষয়টা কি !!!

 

এবার আসা যাক তবে আসল রিভিউতে; তবে তার আগে একটা কাজ করতে হবে; সেইটা হল ব্রেইন খাটানো একেবারে অফ করে দিতে হবে। এনিমখানি দেখতে দেখতে “সবার এক দুই মাইলের মধ্যে বোম পড়লে বাচনের আশা নাই; আর নায়কের দুই হাতের মইদ্ধে বোম পড়লে নায়ক সুন্দর হাসিমুখে V পোজ দিতে দিতে কেম্নে ধোঁয়ার ভিতর থেইকা বাইর হয়?” টাইপ প্রশ্ন করা একেবারে হারাম। সে নায়ক; সারা জীবন ঘরের কোনায় ভিডিও গেইম খেইলা কাটায় দিলেও তার রিফ্লেক্স এবং athleticism অসাধারণ এবং পৃথিবীর কুনু বোম তারে কিচ্ছু করতে পারবে না – এই জিনিসের উপর ঈমান আইনা দেখা শুরু করতে হইব। বাকি কাহিনী বা ক্যারেকটার  গুলা বেশ ভাল এবং রিএলিস্টিক – সুতরাং তারা পোষায় দিতে পারবে বলে আমি গ্যারান্টি দিতেসি; আপনে টেনশন না নিয়ে বসেন।

 

এনিমের কাহিনী যদি সংক্ষেপে বলি – একটা ভার্চুয়াল গেইমের কিছু প্লেয়ারকে হাতে একটা ডিভাইস পার্মানেন্টলি খোদাই করে এবং কিছু বোম এবং খাবার সহ ছেড়ে দেওয়া হয় একটা দ্বীপে। হাতের ডিভাইসগুলো একমাত্র প্লেয়ারের হার্টবিট বন্ধ হলেই খুলে যায় ( এই জিনিস বাস্তবে করতে গেলে খবরই আছে !!! ); এবং দ্বীপ থেকে মুক্তির উপায় ৮ টা এইরকম ডিভাইস কালেক্ট করা; সোজা বাংলায় ৮ টা প্লেয়ারকে খুন করা। ৮ টা ডিভাইস কালেক্ট হইলেই একটা হেলিকপ্টার এসে সেই প্লেয়ারকে বাইর করে নিয়ে যাবে। আর সবাইকে বাচায় রাখার জন্য প্রতিদিন দুপুরে হেলিকপ্টার থেকেই খাবার দাবার সাপ্লাই দেওয়া হয়; তবে সেই খাবারের জন্য ফাইট করতে হয় প্লেয়ারদের। সকলের বোম এক রকম না; একেক জনের টা একেক রকম; এর মধ্যে এক ধরণের বোম আছে যা কিনা হোমিং টাইপ !!! ( পুরাই আম্রিকান মিলিটারি মিলিটারি ভাব !!! )

যাই হোক; বেশ মজবুত প্লট। এর উপর দাড়িয়ে যে সকল জিনিস এনিমটাকে আসলে রিভিউ লেখার যোগ্য করে তুলেছে তা হল –

১) নিজের বেচে থাকার জন্য আরেকজনকে মেরে ফেলা – এই দর্শন বা সহজ বাংলায় বললে “survival of the fittest” এ মানুষ যে কত সহজেই গ্রাস হয়ে যায় তার নমুনা !!!

২) বেঁচে থাকার জন্য বৃদ্ধ এবং দুর্বল শরীর এবং মনের মানুষের দ্বারা নেওয়া ছল ছাতুরি এবং প্রতারণা

এবং শেষ মেশ – প্রেডিক্টেবল যেইটা – মানবতা এবং মনুষ্যত্বের জয়।

 

খুব কঠিন কথা হয়ে যাচ্ছে মে বি। আমরা সহজ কথায় ফিরে আসি। কাহিনী অনেক্তাই বলে দিলাম; এবার কিছুটা বদনাম করি সিরিজের। উপরে এক দফা আলচনা হয়েছে; এর পরেও আরো কিছু আছে। আমার জানামতে মাঙ্গা ৯ ভলুমের; সেইটাকে এনিমে কেন জানি না ১২ পর্বে ঠেসে জায়গা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে !!! ফলে বহু প্রশ্নের জবাব অজানাই থেকে গেসে। আর অনেকটাই “শেষ হইয়াও হইল না শেষ” ধরণের ওপেন এন্ডেড ফিনিইশিং দর্শকের জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে; আমি ব্যাক্তিগতভাবে যা পছন্দ করি না !!!

 

সাউন্ড এবং এনিমেশন নিয়ে বলতে হয় বলে বলা; এক কথায় “চলে”। খুব আহামরি কিছু না হলেও কোথাও খাপছাড়া লাগে নি।

 

এইবার বারনিং প্রশ্ন; “দেখুম? এত্ত যে দোষ আর দোষ বইলা গেলেন; লাভ কি হইল?” আমার উত্তর; অবশ্যই দেখবেন; না দেখলে মিস। গল্পের প্লট আর পর্ব সংখ্যায় গন্ডোগোল থাকতে পারে; কিন্তু গল্পে কোন গন্ডোগোল নাই; অত্যন্ত উপভোগ্য একটা গল্প; সেই সাথে মানব মনের অন্ধকার গলিতে হাতড়ে বেড়ানোর অংশটা “এপিক” না হোক; নিদেনপক্ষে “ব্রিলিয়ান্ট।” সুতরাং; দেখে ফেলেন; হতাশ হবেন না। 🙂 🙂

 

age restriction: হাল্কা নূডিটি এবং বেশ ভাল ভায়োলেন্স আছে; সুতরাং একেবারে ছোটদের না দেখাই ভাল। 🙂 🙂

6 Btooom

BTOOOM – লেখক রেড এলার্ট

 

 2 3 4 5

INTRODUCTION

অ্যান্টি-সোসিয়াল হিরো যে কিনা আবার হার্ডকোর ভিডিওগেমার। ট্রেণ্ড অব ইয়ার ২০১২। অল্প কিছু মাসের মধ্যেই এ জাতিও এনিমে দর্শকদের এত পরিমাণে গেলানো হয়েছে যে কেউ যদি এগুলো গুণতে শুরু করে তাহলে সময়জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে বাধ্য। যাইহোক, Btooom হল এক hikikomori-র গল্প যে ভিডিওগেম খেলে দিনানুপাত করা ছাড়া আর কিছু করতে অপারঙ্গম এবং হঠাৎই আমরা দেখতে পাই তাকে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছুড়ে ফেলা হয়েছে। আর সে বিশাল বড় অপদার্থ হওয়া সত্ত্বেও আমাদের নাকি তাকে চিয়ার করে যেতে হবে। দুঃখীত আমার পক্ষে সেটা করা সম্ভব হলনা, এই শো এতই ridiculous। এক কথায় প্রকাশ করতে হলে এনিমেটির মূল থিম হল, All humans are bastard. *facepalm*

1

 

PRODUCTION VALUE

 

জাপানের সেরা স্টুডিও গুলোর একটি Madhouse সর্বদাই তাদের প্রোডাকশনগুলো দক্ষতার সাথে তৈরি করে। Btooom ও এর ব্যতিক্রম নয়। গড়পড়তা এনিমের থেকে Btooom এর এনিমেশন রিয়ালিষ্টিক, পরিবেশ এবং সিনেমেটিক সূক্ষ্ম ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সাউন্ডট্র্যাক এবং ভয়েস এক্টিং আহামরি কিছু নয়। সেকেন্ডারি চরিত্রগুলোর ভয়েস এক্টিং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভোঁতা এবং অমানানসই লেগেছে।

 

 

 

SCRIPT

 

-পুরো গল্পটি Counter Strike এবং Bomberman এর সংকর এক ভিডিওগেম Btooom! কে কেন্দ্র করে, শুরুতে তাই মনে হয়। কিন্তু পরমুহূর্তেই জাপানিজ অ্যাকশন থ্রিলার Battle Royal এর এনিমে ভার্সন হয়ে ওঠে এটি, অর্থাৎ এক নির্জন ট্রপিক্যাল দ্বীপে তাদের অনিচ্ছায় প্যারাড্রপ করানো এক দল লোককে একে অপরকে হত্যা করে নিজ নিজ জীবন বাচাতে হবে। গল্পের পটভূমি যতই ইন্টারেস্টিং মনে হক, একজন অভিজ্ঞ ওতাকু খুব সহজেই বুঝতে পারবে এ সকল কিছু নন্‌সেন্স ছাড়া আর কিছুই নয়।

5

-Btooom গেমটির মূল আকর্ষণ হচ্ছে এর নানারকমের বিস্ফোরক। হলিউডি ফিল্ম এবং ভিডিওগেমের কল্যাণে আমরা সবাই জানি একটি বিস্ফোরক যখন বিস্ফারিত হয় এর আশেপাশে থাকা প্রত্যেকেই শ্রাপনেল, শকওয়েভ অথবা নয়েস থেকে আহত হবে। তো বিস্ফোরক কেন্দ্রিক এনিমে Btooom কি সেই প্রিন্সিপাল মেনে চলে? না। ছোট বাচ্চাদেরকেও বলে দিতে হবেনা একটি মিলিটারি বিস্ফোরকের রেডিয়াস কয়েক মিটার, সেন্টিমিটার নয়। তো কল্পনা করুন আমাদের হিরোর কোলে ১০ মিনিটে তিন বার তিন রকমের বিস্ফোরক বিস্ফোরিত হলেও তাকে বহাল তবিয়তে দাড়িয়ে থাকতে দেখলে আপনার রিঅ্যাকশন কেমন হবে। Plot armor FTW!

 

-কেউ বিস্ফারণের আঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেলেও তার বোম গুলো আবার intact রয়ে যায়। Sweet, extra ammo from enemy drops, this videogame is nice… ওহ আমি তো ভুলেই গেছি Btooom ভিডিওগেম নয়, রিয়ালাষ্টিক ডেথগেম, I suppose.

 

-যখন গেম কন্ট্রোলার ইটের দেয়ালে ছুড়ে মারা হয় তখন কোনটা ভাঙ্গে? দেয়াল নাকি কন্ট্রোলার? দেয়াল। দয়া করে আমাকে জিজ্ঞেস করবেন না আমি এসব কি বলছি। নিজেই দেখে নিবেন।

 

-তারা এমনকি ভিডিওগেমের প্রযুক্তি বাস্তব দুনিয়ায় টেনে আনার চেষ্টা করেছে, যার ফলাফল হয়েছে হাস্যকর। Btooom এ দেখানো একএকটি বোম বাস্তবে তৈরি করতে গ্রেট চায়নার ব্যাংক ভল্ট খালি হয়ে যাবে, খেলোয়াড়দের অপহরণ আর পরিবহণ খরচ বাদই দিলাম। উদাহরণ হিসেবে মিনি-ব্ল্যাকহোল বোমটির কথা বলা যায়। তো হিসেব করার চেষ্টা করে দেখুন এক silly deathgame যেটির কোন ulterior goal নেই, নেই খরচ উঠে আসার সম্ভবনা, সেই ডেথগেমে এমন futuristic tech-এর ব্যবহার কতটুকু ব্যয়বহুল। এছাড়াও এক ব্যক্তির বিস্ফোরক সে বেঁচে থাকা পর্যন্ত অন্য আরেকজন ব্যবহার করতে পারেনা। Yeah sure. Lets make it even more expensive with DNA signature triggers that go offline when they no longer receive the brainwaves of their original owner as confirmation code.

 

-এতসব কিছুর পরও পুরো শো-টি আরও নানারকম এরর এ আক্রান্ত। যখন তখন যেকোনো সময় যেকোনো ক্যারেকটার কোন কারণ দেখানো ছাড়াই উধাও হয়ে যেতে পারে দর্শকদের অন্ধকারে রেখে। শো-এর শেষের দিকে আবার আলাদীনের জাদুর চেরাগ ব্যবহার করে হাজির হয় একদল জায়ান্ট ম্যানইটার কমোডো ড্রাগন। অথচ একদল প্লেয়ার পুরো দ্বীপ চষে ফেলেও পূর্বে এদের অস্তিত্ব খুজে পায়নি।

 

-এতসব ভুল-ভ্রান্তিও যেন যথেষ্ট ছিলনা। Btooom এর ডিরেক্টরেরা ফ্ল্যাশব্যাক ব্যবহারে এতই দক্ষ যে তা নারুতোকেও হার মানাবে। আলঝেইমার রোগী ছাড়া অন্য কেউ এক এপিসোড আগের ঘটনা ভুলে যাবে বলে মনে করিনা। আর বলাইবাহুল্য Btooom মাত্রই ১৩টি এপিসোডের এনিমে।
2

 

CAST

 

একটি এনিমের সমস্ত নন্সেন্স বুলশিট ক্ষমা করে দেয়া যায় শুধু মাত্র এর characterization এর উপর ভিত্তি করে। যেমনটা বলা যায় Deadman Wonderland অথবা Mirai Nikki এর ক্ষেত্রে। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে এনিমের চরিত্রগুলো কিভাবে একেওপরের সাথে interact এবং react করে তা দেখাও উপভোগ্য হতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে এমনকি এটিও অসম্ভব। অন্যান্য চরিত্রদের নাইবা ধরলাম, স্বয়ং আমাদের হিরোর characteristic প্রতি পাচ মিনিট অন্তর অন্তর পরিবর্তিত হয়। সিরিয়াসলি! প্রধান Protagonist এর চরিত্র বিশ্লেষণ করা আমার পক্ষে অসম্ভব, একেক scene-এ তার আচরণ একেক রকম হয়ে যায়! আমি বলতে চাইছিনা যে, বিপদের মুখে সে তার চরিত্র ঢেকে সাহসী হবার আচরণ করে যদিও সে ভীত অথবা হিরোইনের উপর দুর্বলতা থাকলেও প্রকাশ হতে দেয়না। আক্ষরিক অর্থেই সে ভিন্ন একজন ব্যক্তি হয়ে ওঠে।

 

-এক scene এ দেখা যায় হিরো বিস্ফোরক ব্যবহারে অত্যন্ত পারদর্শী। পরের scene-এ আমার আবিষ্কার করি হিরো বোমের ব-ও ব্যবহার করতে জানেনা। দর্শকদের একরকম জোর করে বোঝানো হয়েছে সে একজন hardcore gamer এবং Btooom এর Rank #1 প্লেয়ার। অথচ একটি টাইমার বোম কিভাবে কাজ করে সেটি বুঝতে তার পাঁচটি-পাঁচটি বিস্ফোরক এলোপাথাড়ি এদিকওদিক ছুড়ে মারতে হয়েছে। Top player material right here.

 

-এক scene-এ হিরো এন্টিসোসিয়াল এবং শত্রুভাপাপন্ন। অপর scene-এ খুবই সামাজিক এবং বিনম্র।

 

-একবার দেখা যায় হিরো একজন সাহসী লিডার ফিগার। আবার দেখা যায় ১০ মিটার পথ ১০বার হোঁচট না খেয়ে চলতে অপারঙ্গম।

 

-আমারা দেখতে পাই হিরো খুবই বুদ্ধিমান। তার প্রতিপক্ষদের নানারকম ফাঁদ পেতে হত্যা করতে পারদর্শী। কিছুক্ষন পর আমরা পরিলক্ষিত করি, সেই একই ফাঁদ অন্য কাউকে অন্য আরেকজনের উপর ব্যবহার করতে দেখে হিরোর ভিরমি খাবার অবস্থা।

 

– And there is no bloody excuse for how a Hikikomori/NEET like him can be so athletic. বছরের পর বছর কম্পিউটারের সামনে শিঁকড় গেড়ে বসে থাকা সত্ত্বেও আমরা দেখতে পাই সুপিরিয়র ষ্টামিনা এবং স্কিল সম্পন্ন মিলিটারি/মারসেনারিদের outrun এবং counterattack করতে সক্ষম main protagonist।

 

একই রকম ভাবে এনিমেটির প্রত্যেকটি চরিত্রকে দুই ভাবে বিশ্লেষণ করা যায়। হয় তারা too evil কিংবা too stupid, কোনরকম রাখঢাক ছাড়াই।

 

-প্লটের মেইন deuteragonist সেক্সি (you don’t say) ব্লণ্ড স্কুল গার্ল হিমিকো, যাকে দেখা মাত্রই তার পার্শ্ববর্তী সকল পুরুষ রেপ করতে হামলে পরে। Because WHY NOT; we need a slut in any cheesefest. Japans ridiculousness at its finest! হিমিকো সকল ফ্যান সার্ভিসের মূল উৎস এবং এনিমেটরেরা বলাইবাহুল্য তার প্রাইভেসি উম্মোচন করতে কোন রকম কার্পণ্য করেনি। তার পারসোনালিটিও এনিমেটির অন্যান্য অংশর মতই প্লেইন জোক। তার ব্যাকগ্রাউণ্ড অনুযায়ী পুরুষদের সাহচর্যে তার মাঝে ভীতির সঞ্চার হবার কথা। কিন্তু কাহিনীর প্রয়োজনে যখন-তখন যাকে ইচ্ছা তাকে বিশ্বাস করতে তার বাধে না। তারপর তারা বিশ্বাসঘাতকে পরিণত হবে এবং হিমিকো তাদের ঘৃণা করতে শুরু করবে। যতক্ষণ না পর্যন্ত আবার কাহিনীর প্রয়োজনে তাদের উপর বিশ্বাস রাখার প্রয়োজন হয়, and so on like a vicious cycle.

 

-প্রতিযোগীদের এক হাস্যকর পদ্ধতিতে বেছে নেয়া হয়েছে। স্পয়লার ফ্রি রাখার স্বার্থে তা নাইবা বললাম। Main Protagonist কে বেছে নিয়েছে তার মা স্বয়ং। Because, woo he was mean to her! Yep, ছেলে impolite হলে মা তাকে নির্বাসনে পাঠিয়ে দেয় তাই না। আর blonde chick হিমিকো কে বেছে নিয়েছে তার দুই বেস্টফ্রেন্ড। কেন? না। There was a rape incident. তার দুই “বেস্টফ্রেন্ড” তার শিকারে পরিণত হলেও হিমিকো পালিয়ে পুলিশে খবর দিতে সক্ষম হয়। পুলিশ দুজনাকে উদ্ধার করে নিশ্চিত পতিতাবৃত্তি কিংবা মৃত্যুর হাত থেকে বাচায় হিমিকোর কল্যাণে। ধন্যবাদ হিসেবে তাদের ধারণা হয় “ক্ষমার অযোগ্য” লাইফ-সাপোর্ট দেবার চেয়ে তাদের সাথে হিমিকোরও থেকে ধর্ষিত হওয়া উচিত ছিল। এখন এটাকে Female dumbness at its finest নাকি anime plot at its worst হিসেবে মার্ক করবেন সেটা আপনারাই ঠিক করে নেবেন।

3

 

LEGECY

ফ্যানসার্ভিস, সস্তা বিস্ফোরণের দৃশ্য, বাজে প্লট মিলিয়ে আর দশটা হিন্দি সিনেমার সাথে তেমন পার্থক্য নেই।

And now for some excused scorings.

ART SECTION: 7/10

General Artwork 2/2 (looks nice)

Character Figures 1/2 (generic)

Backgrounds 2/2 (basic but fitting with the feeling of the series)

Animation 1/2 (basic)

Visual Effects 1/2 (lots of cheap explosion filters)

SOUND SECTION: 7/10

Voice Acting 2/3 (corny but fitting with the feeling of the series)

Music Themes 3/4 (not great but fitting with the feeling of the series)

Sound Effects 2/3 (ok I guess)

STORY SECTION: 2/10

Premise 1/2 (cheap Battle Royale imitation)

Pacing 1/2 (erratic)

Complexity 0/2 (tries to be complicating in psychological issues and fails miserably)

Plausibility 0/2 (none)

Conclusion 0/2 (doesn’t have one)

CHARACTER SECTION: 2/10

Presence 1/2 (generic)

Personality 0/2 (cardboards and unsympathetic)

Backdrop 1/2 (generic and simplistic but it’s there)

Development 0/2 (random mood swings)

Catharsis 0/2 (incomplete story, so no catharsis)

VALUE SECTION: 1/10

Historical Value 0/3 (none)

Rewatchability 0/3 (just read Battle Royale instead)

Memorability 1/4 (totally meh show)

ENJOYMENT SECTION: 1/10

Art 1/1 (looks nice)

Sound 0/2 (sounds meh)

Story 0/3 (generic, badly written, and incomplete)

Characters 0/4 (cardboards and unsympathetic)

OVERALL: 3.5/10