Kuroko No Basuke (Super Natural event) Explained — Santo Kun

**SPOILER ALERT**

যারা কুরকোদেখেন নাই ১০০ গজ দূরে থাকবেন।

 

অনেকেই কুরকোকে সুপার নেচারাল এনিমে বলে। আমি শুধুমাত্র স্পয়লারের জন্য কিছু বলতে চাই না। আসলে কুরকো কোন সুপার নেচারাল এনিমের ধারে কাছেও না তার ব্যাখ্যা দিব। কিভাবে দিব? যেইগুলাকে সুপার ন্যাচারাল মমেন্ট ধরা হয় ঐগুলা আসলে কি সেটা বুঝাব। কারন উনাদের বুঝার ক্ষমতা নাই দেখার পরেও।

কুরকো নো বাসুকেতে যেসব আবিলিটি ব্যবহার করা হয় সেগুলো হল মিসডিরেকসন, ফেন্টম সর্ট,ভানিশিং ড্রাইব,মিসডিরেকসন ওভারফ্লো, জোন ,ট্রু জোন, এম্পেরর আই,এঙ্কেল ব্রেক,পারফেক্ট কপি । পুরো সিরিজ জুড়ে এগুলোর ব্যবহার আমরা আস্তে আস্তে দেখতে পাই।

মিসডিরেকসনঃ নাম শুনেই বুঝার কথা এটা কি? মিসডিরেকসন হল মানুষের এটেনসনকে কন্ট্রোল করার ক্ষমতা মূলত আপনার চোখকে ধোঁকা দেওয়াটাই এর মূল কাজ। ম্যাজেসিয়ান ম্যাজিক সফল করার জন্য এই টেকনিক ইউস করে। কুরোকো মানুষদের অব্জার্ব করে এবং তার weak presence তার মিসডিরেকসনকে সফল করে তোলে।

KnB 1

মিসডিরেকসন ওভারফফ্লোঃ যখন মিসডিরেকসনের কার্জকারিতা শেষ হয়ে যায় তখন শুরু হয় মিসডিরেকসন ওভারফফ্লো। মিসডিরেকসন ওভারফফ্লো আসলে মিসডিরেকসনের মতই কিন্তু একটু ভিন্ন।শুধু মিসডিরেকসনে কুরকো নিজেকে অন্যদের কাছ থেকে আড়ালে রাখত কিন্তু এবার নিজের প্রেজেন্সকে ঠিক রেখে তার নিজের টিম মেটদের আড়ালে রাখা। এটা করা সম্ভব কুরকো করতে পারে কারন কুরকো তার সারাজীবন মিসডিরেকসন ব্যবহার করে এসেছে। এখানে ঘটনাটা হল সব আটেন্সন কুরকো কেড়ে নিচ্ছে এতে যা ফলাফল পাওয়া যায় সেটা অসাধারণ। হ্যাঁ, মিসডিরেকসন ওভারফফ্লো। এটাই মিসডিরেকসনের আসল শক্তি এটেন্সন কেড়ে নেওয়া বা দূরে সরিয়ে দেওয়া।

KnB 2

KnB 3KnB 4

জোন এবং ট্রু জোনঃ সবার প্রশ্ন এটাই “জোন”। আসলে জোন হচ্ছে মানুষের ব্রেনের চরম পর্যায়ে ফোকাস। কুরকো নো বাসুকেতে জোন তখনি ব্যবহার হয় যখন খেলা চরম পর্যায়ে দাড়ায়। জোন আস্তে আস্তে গভীর হয় কিন্তু জোন মানুষের ৮০ শতাংশ ফোকাস অ্যাবিলিটি কার্জকর করতে সক্ষম। এর পরেই আসে ট্রু জোন। ট্রু জোন ইউজারকে তার ১০০ শতাংশ কার্যকর করতে সক্ষম এবং প্লেয়ারদের মধ্যে যোগাযোগকে চরম পর্যায়ে নিয়ে যায়। ট্রু জোন টিমমেটদের সাহায্য ছাড়া সম্ভব নয়। এগুলোকে কি সুপার ন্যাচারাল মনে হচ্ছে? না। এগুলো বাস্তবিক ব্যাপার আপনি নিজেকে যত ফোকাস করতে পারবেন তত বেশি ভাল ফলাফল আসা করা যায়। বিভিন্ন ধরনের খেলার সময় জোন ট্রু জোন দেখতে পাওয়া যায়। একটা কথা জেনে রাখা ভাল যে কেউ জোনে যেতে পারবে শর্ত হল এক্সট্রিম মোমেন্ট । যেমনঃ মৃত্যু ভয় বা এক্সট্রিম মোমেন্টে অনেকে অনেক অসম্ভব কাজ করে ফেলতে পারে (প্রমাণিত)

KnB 5

ভানিশিং ড্রাইবঃএটি একটি টেকনিক ছাড়া কিছুই না। কুরকোর অব্জার্বেসন ক্ষমতা এবং কাগামির সাহায্যে টেকনিকটি সফল হয়েছে। এটার জন্য কুরকোকে নতুন করে কিছুই শিখতে হয়নি। শুধু একটু ফাস্ট হতে হয়েছে। ধরুন আপনার সামনে একটা খরগোস আর তার পিছনে একটি বাঘ আছে আপনি কাকে নিয়ে ১ম এ চিন্তা করবেন অবশ্যই বাঘকে নিয়ে কারন বাঘ আপনাকে মেরে ফেলতে পারে।ঠিক এই ব্যাপারটাই হল ভানিশিং ড্রাইব। কুরকোকে যদি খরগোস আর কাগামিকে যদি আপনি বাঘ ধরেন তাহলে ব্যপারটা পানির মত পরিস্কার।করুকোর ভানিশিং ড্রাইব সফল হওয়ার জন্য কাগামিকে প্রয়োজন কারন কাগামি টিমের সবচেয়ে টার্গেটেড প্লেয়ার কাগামি কুরকোর পিছনে থাকলে প্লেয়ারের এটেন্সন কিছু মুহূর্তের জন্য কাগামির দিকে চলে যায় ব্যাস এইতো চান্স এখন কুরকে শুধু ভালমতো অব্জার্ব করে তাড়াতাড়ি প্লেয়ারকে পিছনে ফেলে দিতে হবে। এজন্য কিছু মুহূর্তের জন্য কুরকোকে অনেক অনেক ফাস্ট হতে হয় ।তাই বলের উপর এত প্রেসার পড়ে। একারনেই কুরকোর প্রাক্টিসের সময় এতগুলো বল ফেটে যায়।

KnB 6

ফেন্টম সর্টঃ ফেন্টম সর্ট একটি চমৎকার টেকনিক।এটি মিদরিমার ৩ স্টার সর্ট থেকেও অসাধারণ। কুরকো নো বাসুকেতে একটা জিনিস খেয়াল করে দেখবেন যে কুরকোর সমস্ত প্লেতে “ভ্যানিশিং” জুড়ে আছে। এটাও তার ব্যাতিক্রম না। ফেন্টম সর্ট এর জন্য দরকার অনেক অনেক প্রাকটিস। ফেন্টম সর্ট নরমাল সর্ট থকে একটু ভিন্ন নরামাল যেকোন সর্ট বাস্কেটে বল ২০-৭০ ডিগ্রিতে(আনুমানিক)পড়ে কিন্তু ফেন্টম সর্টে বাস্কেটে বল ৯০ ডিগ্রির অথবা তার একটু কমে পড়ে। মূল মন্ত্র হল থ্রোতে থ্রো এর সময় বলকে ৯০ ডিগ্রিতে ধরতে হয়। তাই কুরকোর বল ধরাটা ভিন্ন সর্ট এর সময়। ফেন্টম সর্ট ছবিতে এক্সপ্লেইন করা হলঃ

KnB 7KnB 8KnB 9KnB 10

এজন্য মুরাসাকিবারার ব্লক কোন কাজে আসে নি। কিন্তু  ফেন্টম সর্ট ইনভিন্সিবল না। সঠিক টাইমিং এবং প্রেডিকশন দ্বারা ফেন্টম সর্ট আটকানো সম্ভব।এজন্যই কিসে কুরকোর ফেন্টম সর্ট আটকাতে পেরেছিল।

এম্পেরর আইঃ একটা কথা জেনে রাখা ভাল যে এম্পেরর আই ফিউচার দেখতে পারে না বরং ফিউচার প্রেডিক্ট করতে পারে। এম্পেরর আই মিসডিরেকসন এর মতই। অপনেন্টকে প্রেডিক্ট করা খেলার ভিতরে নতুন কিছুই না। আকাসি শুধু অন্যদের থেকে এগিয়ে বা বেটার অপনেন্টকে প্রেডিক্ট করার সময়। ধরুন আপনি আকাশে একটি বল ছুড়ে মারলেন আপনি কিন্তু প্রেডিক্ট করতে পারবেন বলটি কোথায় পড়বে। এখন এর সাথে যদি জোন জুড়ে দেন তাহলে আকাসিতো ইনভিন্সিবল।

এঙ্কেল ব্রেকঃ এম্পেরর আইকে কাজে লাগায়ে যে টেকনিক তৈরি হয় তা হল এঙ্কেল ব্রেক। যদি আপনি অপনেন্টকে মুভমেন্ট প্রেডিক্ট করতে পারেন তাহলে এঙ্কেল ব্রেক সবচেয়ে সোজা টেকনিক।
কৌশলঃ অপনেন্ট যেদিকে মুভ করবে তার বিপরীত দিকে মুভ করতে হবে। অপনেন্ট এর রিফ্লেক্স যতই ভাল হোক না কেন সে তার ব্যালেন্স ধরে রাখতে পারবে না।

KnB 11

পারফেক্ট কপিঃ কিসে প্রচণ্ড পরিমাণে ট্যালেন্টেড তা দেখলেই বুঝা যায়। কিসে তার অপনেন্টের মুভ কপি করতে পারে এবং অপনেন্টের থেকে ভাল ব্যবহার করতে পারে। পারফেক্ট কপি এক্সপ্লেইন করা আসলে সবচেয়ে কঠিন কিন্তু বুজতে পারলে কঠিনের কিছু নেই। আসলে জেনারেসন অফ মিরাকেল এর মেম্বারদের প্রতেকেরই একটি করে বিশেষ ট্যালেন্ট রয়েছে।যেমনঃ আওমিনের খেলার স্টাইল হল Street basketball,কুরকো মিসডিরেকসন, কিসে কপি,মুরাসাকিবারার হাইট হল একধরনের ওয়েপেন(ডিফেঞ্চ),মিদরিমার থ্রো,আকাসির প্লেডিকসন।শুধু যেটা জানা দরকার তা হল কিসেকেন জেনারেসন অফ মিরাকেল কে আগে কপি করতে পারে নি বা হঠাৎ করে আবার করতে পারল কেন?

কিসে তার খেলার স্টাইল ডেবেলপ করেছে কপি করে। কিন্তু জেনারেশন অফ মিরাকেল এর ট্যালেন্ট কিসে কপি করলে তার শরীরের উপর প্রচন্ড চাপ পড়বে। প্রত্যেকটি টেকনিক খুবই হাই লেবেলের যা কিসের বডি সহ্য করতে পারবে না। তাই একটা নির্দিষ্ট টাইম লিমিট রয়েছে পারফেক্ট কপির। এজন্যই আওমিনেকে কপির করার সময় কিসের পা প্রায় ভেঙ্গেই যাচ্ছিল।কুরকোর সাথে তার প্রথম হারের হতাসা,টিমমেট এর উপর বিশ্বাস ও আত্মবিশ্বাস তাকে জেনারেশন অফ মিরাকেলকে কপি করতে সাহায্য করেছে। কিসে সব সময় টেকনিকগুলো কপি করতে পারবে কিন্তু তার শরীরকে আনবিলিবেবল পর্যায়ে ফিট থাকতে হবে,যাতে সে টেকনিক গুলোর সাথে কিপ আপ করতে পারে।

KnB 12

অন্যান্য ব্যাপার সমুহঃ অনেই ভাবছেন যদি কুরকো সুপার ন্যাচারাল এনিমে নাই হয় তাহলে ভানিশিং ড্রাইবের সময় কুরকোকে আমরা ভ্যানিস হয়ে যেতে দেখি কেন অথবা জোনের সময় চোখ এমন হয় কেন বা আকারিস চোখের কালার চেঞ্জ হয় কেন ইত্যাদি। আসলে বাস্তবে এগুলো কিছই ঘটে না সিরিজটা দর্শকদের কাছে ড্রামাটিক আর আকর্ষণীয় করতে এই ধরনের ইলিমেন্ট অ্যাড করা হয়েছে। কুরকো যখন ভানিশিং ড্রাইব করে তখন স্টেডিয়ামে উপস্থিতদর্শক ও অন্যান্য প্লেয়াররা দেখে কুরকো একজন প্লেয়ার কে পাস করে গেল কিন্তু প্লেয়ার কিছুই করতে পারে নি। অন্যান্য টেকনিকও একই ধরনের ঘটনা ঘটে। জোনের সময় চোখ আসলে এমন হয় না এবং আকাসির ২ চোখ সবসময় লাল ছিল আগেই বলেছি এগুলো দর্শকদের কাছে ড্রামাটিক আর আকর্ষণীয় করতে অ্যাড করা হয়েছে। তারপর কুরকোর সাইক্লোন পাস জাস্ট আনাদার কুইক পাস বাট একটু জোরে । আর বাদ বাকি যা আছে ওই ব্যাপার গুলো যারা এনিমে দেখে এমনিতেই বুজতে পারবে। ঐগুলো না বুঝার কিছু নেই।

KnB 13

ধন্যবাদ।

 

এনিমে সাজেশন: Kuroko no Basuke — Fahmida Ahmed Mou

কুরোকো নো বাসুকে (Kuroko no Basuke) 😀 খুব কমন তাইনা! 😀
নাম নিলেই আমার দুপাটি দাঁত অটোমেটিক বের হয়ে যায় 😀
আত্মার সাথে মিশে যাওয়া অ্যানিমে খুব কমই আছে যেগুলার মাঝে এইটা একটু বেশিই জোস 😀
এখন পর্যন্ত ‪#‎সিজন‬– ৩টা
নামেই বোঝা যাচ্ছে স্পোর্টস অ্যানিমে!

KnB 3
#‎ছোট্ট_সারসংক্ষেপঃ‬
এ গল্পটা বাস্কেটবল ভালোবাসার ।
পারি তাই খেলি আর খেলাটা ভালবসি তাই খেলি এদুটোর পার্থ্যকের গল্প।
গল্পটা টিমের মাঝে Ace হয়ে একাই খেলা আর Ace হয়েও টিমমেটদের সাথে মিলে খেলার তফাৎ এর গল্প!
গল্পটা সেনপাইদের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালবাসা আর ডেডিকেশনের!
এ গল্পটা …. না থাক এত বললে ক্যামনে হবে! :v বাকিগুলা আপনারাই দেখবেন!
জাপানে বাস্কেটবল টুর্নামেন্ট হয়। মিডলস্কুল, হাইস্কুল সবারই আলাদাভাবে অনুষ্ঠিত।
তবে প্রায়ই মিডলস্কুলে থাকাকালীন খেলোয়াড়রা হাইস্কুলের টুর্নামেন্টে এসেও একে অন্যের সাথে দেখা হয়ে যায়!
জাপানের সমসাময়িক ইতিহাসের মিডলস্কুল টুর্নামেন্টে ★তেইগা মিডলস্কুলের ‪#‎জেনারেশন_অফ_মিরাকল (আওমিনে, মিডোরিমা, মুরাসাকিবারা, কিসে &আকাশি) এবং #‎ফ্যান্টম_সিক্সথ_ম্যান‬ (কুরোকো) নামে একটা রিউমর প্রচলিত থাকে।
যখন তারা মিডলস্কুল ছেড়ে হাইস্কুলে ওঠে ৬জনই ভিন্ন ভিন্ন স্কুলে যায়!
আমেরিকা থেকে আসা ★কাগামি তাইগা #‎সেইরিন‬ হাইস্কুলে ভর্তি হওয়ার পরে এসব জেনে সে লক্ষ্য নেয় অই ‪#‎৬লিজেন্ড‬ কে পরাজিত করার।
But he’ve no idea what hell players they are 😛
আর একই স্কুলে ভর্তি হয় সেই জেনারশন অফ মিরাকল এর ফ্যান্টম সিক্সথ ম্যান কুরোকো তেতসুয়া! 😀
ব্যাস আরকি! খালি ব্যাক টু ব্যাক খেলা, সাসপেন্স, এক্সাইটমেন্ট সবকিছু মিলিয়ে প্রতিটা সিজন, প্রতিটা এপিসোড জমে দই হয়ে থাকে 😛

KnB 2
#‎আপনি_কেনো_দেখবেন‬?
আপনাকে দেখতেই হবে কারণ আমি বলছি 😛 (dnt be serious) আসলে যা বলার উপরেই বলে ফেলছি!
সত্যি বলতে এর প্রশংসা করার জন্য আমার কাছে সবসময় বাক্যের অভাব মনে হয়! 😀
একটা সাধারণ খেলা বাস্কেটবল নিয়ে যে এত অসাধারণ একটা অ্যানিমে বানানো যায় আপনি দেখলে উপলব্ধি করতে পারবেন না! খেয়াল করে দেখলে বা শুনলে …..
তাঁদের ছোট্ট ছোট্ট বান্দ্রামি আপনাকে হাসাবে হিউজ, তাদের মন খারাপ, কষ্ট আপনাকে টাচ করবে খুব, তাদের আনন্দে আপনি আনন্দিত হবেন কত!

KnB 1

‪#‎আমার_অভিমতঃ‬
আপনার মনে হবে আমি অতিরঞ্জন করছি! কিন্তু
হাইসেন না, টু বি অনেস্ট
প্রত্যেকটা পর্বের প্রতি মোমেন্টে আমি ওদের সাথে যেনো মিশে ছিলাম।
হাসি, দুঃখে, আনন্দে, জয়-পরাজয় সবকিছু যেনো হার্ট থেকে উপলব্ধি করেছি!
টুকটাক চোখের পানিও এসেছে আনন্দে কিংবা দুঃখে 😀
আমি যে পরবর্তীতে কিছু গেম আরো কতবার রিপিট করছি তার ইয়ত্তা নাই!
যাক
যাঁরা দেখসেন তারাতো দেখসেন যাঁরা দেখেন নাই তাঁরা অবশ্যই 😀
ধন্যবাদ

রিভিউ কন্টেস্ট এন্ট্রি [২০১৫] #৭: Kuroko no Basuke — Shawana Adbiah

কুরোকোর বাস্কেটবল (Kuroko no basuke)
Genre: Sports, Comedy, Shõnen
Studio: Production I.G

আপনি কি সময় সময় এমন কিছু anime এর সমনা সামনি হয়েছেন যার একটি episode দেখার পর পরেরটি না দেখলে আপনার ঘুম হারাম হয়ে গিয়েছে ? কিংবা কলিজা ছিরে গিয়েছে ? কিংবা পেট ব্যথা শুরু হয়েছে? কিংবা নিজের অজান্তেই মাথার সব চুল ছিরে ফেলেছেন? যদি হয়ে থাকেন তবে কুরোকোর বাস্কেটবল সেই গোষ্ঠি ভুক্ত। এটি কুরোকোর বাস্কেটবল নামের manga এর উপরেই ভিত্তি করে তৈরি করা এবং manga চলিতেছে (ongoing) । manga এর আঁকাআঁকি অনে্যর কাছে কেমন লেগেছে জানি না তবে আমার অসাধারন লেগেছে! কুরোকোর বাস্কেটবল আনিমেটির তিনটি season বের হয়েছে এ পর্যন্ত। প্রথম season ২০১২ তে প্রাচারনা শুরু করে এবং তিন নম্বর season এর প্রচারনা শুরু হয় এ বছরের জানুয়ারিতে ( এর জন্য ভক্তদের চুল ছেরা অপেক্ষার কথা নাই বলি 😀 )।

আমার দেখা গুটি কয়েক sports আনিমের মধ্যে যে কুরোকোর বাস্কেটবল শ্রেষ্ঠ তাও নাই বললাম। sports আনিমে জগতে আমার আনাগোনা কম তাই sports আনিমে হিসেবে কুরোকোর বাস্কেটবল কতটা স্বার্থক তা জানি না। তবে আনিমে হিসেবে এটা যে স্বার্থক তা এটির বিশাল fan base দেখে আপনি যদি না বুঝে থাকেন তবে বলি এ আনিমে আপনারই জন্যে! আর যদি বুঝে থাকেন তবেও এটি আপনার জন্য হতে পারে। কারন এর story line খুবই simple । কুরোকোর বাস্কেটবলের শুরুটা হয়ত অনেকরই আনিমেটা না দেখার পরও জানা। তার পরও বলি , শুরুটা হয় আমাদের প্রধান চরিত্র কুরোকোকে দিয়ে। সে তার উচ্চবিদ্যালয়ে ভর্তির প্রথম দিনই সেই বিদ্যালয়ের বাস্কেটবল ক্লাবের মেম্বার হতে যায়।সে সময় কাগামি টাইগা নামের আরেক ব্যক্তিও ক্লাবের সদস্য হতে আসে। সকলেই কাগামির উপস্থিতি ভালোভাবে টের পেলেও কুরোকোকে কেউই মনে রাখতে পারে না। কারন কুরোকোর প্রকৃতিটাই এমন যে কেউ সহজে তাকে লক্ষ্য করে না ( তাই এরপর আপনাকে কেউ পাত্তা না দিলে মন খারাপের দরকার নাই। কারন কুরোকোকেও কেউ পাত্তা দেয় না ! 😛 )। কিন্তু কুরোকোর এ lack of presence ই তাকে টেইকো middle school বাস্কেটবল টিমের phantom sixth সদস্য বানিয়েছে। এ দলটিকে সবাই generation of miracles হিসেবে চিনে । কারন এ দলের নিয়মিত বাকি পাঁচ জন সদস্যই এক শব্দে monster । এর কারন এদের মত অসাধারন খেলয়ার প্রতি দশকে একবারই আসে। middle school থেকে গ্রাডুয়েট করার পর এ পাঁচ জন আলাদা আলাদা highschool এ ভর্তি হয় যদের বাস্কেটবল টিম গুলো top লেভেলের । কারন একটাই , competition এ বাকি চার জনের বিপক্ষে খেলা। কুরোকোর Seirin highschool এর বাস্কেটবল টিমকে top লেভেলের বলা না গেলেও তাদের determination সব থেকে বেশি। একসাথে কুরোকো , টাইগা এবং seirin এর বাকিদের generation of miracles দের বিপক্ষে বাস্কেটবলের লড়াই এর উপর ভিত্ত করেই এ story । খুবই simple। আসলেই কি?

মনে আছে ? শুরুতে আমি চুল ছেড়া অপেক্ষার কথা বলেছিলাম। কুরোকোর বাস্কেটবল আনিমেটার প্রায় ৬০% ই বলা যায় বিভিন্ন বাস্কেটবল match । আর একেকটি খেলা প্রায় ৩-৪ episode স্থায়ি হয়। আর এর মাঝে খেলা অসমাপ্ত রেখে উঠে যাওয়া আসলেই অসস্থিকর। একটু পরপর মনে হতে থাকে এর পর কি হবে?! আরেকটি কারন হল , প্রতিটি episode একটি cliff hanger রেখে শেষ হয় । যেহুতু খেলার কথা বলছি তাই বলা যায় প্রতিটি match ই লোম খাড়া করে দিবে !  সেটি আপনার main protagonist এর খেলা না হলেও। খেলার মধ্যে আপনি invest হতে বাধ্য ! কারন খেলার বাইরের episode গুলো দিয়ে প্রায় প্রত্যেকটি চরিত্র এমনভাবে flesh out করা যে তাদের সাথে অজান্তেই connected হয়ে যাবেন। বলাই বহুল্য যে এ সিরিজের প্রধান শক্তি হল এর চরিত্র গুলো। character development অসাধারন! আপনি তাদের এ যাত্রার প্রতিটি মুহুর্তই সাথে থাকবেন। খেলা সম্পর্কে বলা যায় এর শুরু থেকে শেষ পুরো সময়টাই উত্তেজনাকর। আর হিরো কখনো হারে না – এই নিয়মের ব্যবহার করা হয়নি। হিরো হারতেও পারে । আর তার জন্যই আপনি tension বেশি করবেন XD !  খেলা চলা সময়ে tricks , individual চরিত্রের সক্ষমতা / অক্ষমতা, game changing moves সবই আসাধারন! character designing টাও অসাধারন । কারন তদের শুধু face আর hight এর পার্থক্যই না body structure এর পার্থক্যও দেখা যায়। তবে সব ক্ষেত্রে না। কারন চরিত্র সংখা অনেক বেশি।

আনিমের কমেডি গুলিও ভালোই তবে আসাধারন কিছু পাই নি। টিপিকাল আনিমের অনেক বিষয়ও আছে । যেমন,  একজনের চুল blonde দেখে সবাই বিচলিত যেন গোলাপি, বেগুনী, আকাশি, সবুজ রঙের চুল খুবই natural।

এখন কিছু কটুক্তি করা যাক। ( এ বিষয়ে আমি অতিব পারদর্শী :3  )। আমার যে বিষয়টি অসহ্য লেগেছে তা হল কাগামির ইংরেজি উচ্চারণ! অন্য চরিত্রগুলির উচ্চারন আমি বহুত কষ্টে সহ্য করেছি । কারন গাপানিদের ইংরেজি কোন কালেই ভালো ছিল না । তবে কাগামির voice শুনে আমার প্রতিকি্রয়া — ” হে আল্লাহ্! এ আমি কি শুনলাম!!!” আমি অবশ্যই sub এর কথা বলছি । কারন কুরোকোর বাস্কেটবলের dub আছে কিনা আমার জানা নেই।

অনেকরই একটি বিষয় নিয়ে অসন্তোষ আছে। তা হল , খেলার সময় ১ সেকেন্ডেরও কম সময়ে লম্ফরত অবস্থায় বাতাসে ভর করে একেকটি খেলয়ার ২০ মিনিট সময় worth কথা বলে ফেলে। আমি বলি এটিই আনিমে নামক বস্তুর কারিশমা। কারন এ অবাস্তব জিনিস আনিমে ছাড়া আর কোথাও ভালো লাগে না। আর এ লম্ফরত অবস্থার কথাবার্তা mode build up এ crucial !

অনেকরই নাকি খেলার মধে্য চরিত্রগুলোর power ups গুলো অবাস্তব লেগেছে । এর জন্যও একই কথা প্রযোয্য । কারন এ power up বা zone না থাকলে অন্তত আমার কাছে বিষয়টি boring হয়ে যেত। এগুলো আছে বলেই একেকটি খেলাকে battle এর মতো লেগেছে।

Personally আমার কাছে বাস্কেটবল ডোজটা একটু বেশি বেশি মনে হয়েছে । কুরোকোদের জীবনে বাস্কেটবল ছাড়া কি আর কিছুই নাই? ঘুমাইতে, জাগতে, খাইতে , টিভি দেখতে, ঘরে , বাইরে, ক্লাসে সব জায়গায় সব সময়ই কি বাস্কেটবল আর বাস্কেটবল? পরে মনে হল হয়ত তাদের জীবনের বাকি অংশ বাদ দিয়ে mangaka বাস্কেটবলের উপর spotlight ফেলেছেন ।

সব শেষে , কুরোকোর বাস্কেটবল কি the best আনিমে ? হয়ত না। এটাকি groundbreaking unique? নাহ্ ! এতে প্রচুর আনিমে cliche আছে। এটাকি অনেক realistic ? কখনই না । এটাকি খুবই entertaining ? অবশ্যই !!

এতে কোন dull মহুর্ত নেই। প্রতিটি মুহুর্তই আপনি উপভোগ করবেন। যদি আপনার খোদ sports genre টাই ভালো না লেগে থাকে তবে কথা ভিন্ন। সবার sports আনিমে ভালো লাগবে না এটাই স্বাভাবিক।

তাহলে আমি কুরোকোর বাস্কেটবলকে কি rating দিব? দেখতে থাকা অবস্থায় ১১/১০ । কিছুদিন পর ৯+/ ১০ । আরো কিছুদিন পর হয়ত ৮+/ ১০ ।তবে কখনই এর থেকে কম না।

7 Kuroko no Basket

Best Sports Anime (2014) – Kuroko no Basket 2nd Season

একটা স্পোর্টস এনিম সিরিজ ভাল লাগার জন্য কোন জিনিস সবচেয়ে বেশি দরকার? আমার মনে হয় বেশিরভাগ মানুষই যে উত্তরটার সাথে একমত হবেন সেটা হচ্ছে “entertainment factor”. Cause let’s face it, ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট, চমৎকার স্টোরি, বাস্তবতার সাথে পরিচয় করায় দেওয়া, একটা থিম – এইসব ভারী ভারী জিনিসের জন্য স্লাইস অফ লাইফ বা সাইকোলোজিকাল – অনেক জন্রার সিরিজই রয়েছে। দিনশেষে পিওর এন্টারটেইনমেন্টের জন্যও কিছু জিনিস আলাদা করে রাখতে হয়; এবং তার জন্য এনিমের ক্ষেত্রে স্পোর্টস জন্রার চেয়ে ভাল কিছু হতে পারে না। আর এই মানদন্ডে বিবেচনা করলে খুব স্বাভাবিকভাবেই এই বছরে মেম্বারদের ভোটে সেরা সিরিজ নির্বাচিত হয়েছে kuroko no Basuke – season 2.
অসংখ্য জ ড্রপিং মোমেন্ট, প্রায় প্রত্যেকটা স্কুলের এক বা একাধিক চরিত্রের ভাল রকম স্ক্রিনটাইম, হাই ক্যালিবার প্লে, ডিফেন্স, অফেন্স,‌ স্পিড, থ্রি পয়েন্টার, ডাঙ্ক, ফেইক, পাস – প্রত্যেকটা টিমের আলাদা শক্তিকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলা, অবিশ্বাস্য মুভগুলোর যথাসম্ভব বিশ্বাস্য ব্যাখ্যার চেষ্টা, চরিত্রগুলোর অভ্যন্তরীণ মনস্তাত্ত্বিক লড়াই – সব মিলিয়ে স্পোর্টস এনিম লাভাররা অন্তত এই সিরিজটিকে ভুলতে পারবেন না অনেকদিন। ৪৫% ভোট পাওয়া এই সিরিজের পাশে ২৭% ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে এসে রীতিমত চমক দিয়েছে পিং পং। ক্লাসিক, শো কেইসে তুলে রাখার মতন এই সিরিজ মানুষ কতদিন মনে রাখবে তা হয়ত সময়ই বলে দেবে; তবে পিং পং তার থিম, সার্বজনীন বার্তা আর স্পোর্টস এর চেয়ে এর পেছনের মানুষগুলোর দক্ষ রুপায়নে মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়ে এনিমখোরদের হৃদয় কিছুটা হলেও জয় করে নিতে সক্ষম হয়েছে – এ কথা নির্দ্বিধায়ই বলা যায়।
এছাড়া স্পোর্টস এনিম লাভারদের জন্য দুর্দান্ত এই বছরের পোলে অন্যান্য প্রমিনেন্ট সিরিজগুলোর মধ্যে হাইকিউ, হাজিমে নো ইপ্পো, বেবি স্টেপ্স এর মতন সিরিজগুলোও ভাল লড়াই করেছে।

8-best-sports

 

Coffee with Asif (CWA): Sports Corner – পর্ব ৯ – Kuroko no Basuke

7 Kuroko no Basket

“The battle begins this winter, The winter cup !!!”

# কুরোকো নো বাস্কেট কি জিনিস?
-ইহা একটি সুপার পাওয়ার এনিম। মুলত কিছু বেশ আকর্ষণীয় চেহারার এবং সুঠাম দেহের অধিকারী পুরুষ চরিত্রদের মধ্যে সবচেয়ে কম আকর্ষণীয় চরিত্রের নামে এনিমটির নামকরণ। নারূতোতে যেমন পাওয়ারের উৎস “chakra”, ব্লিচে “reiatsu”, ওয়ান পিসে “haki”, এখানে পাওয়ারের উৎস “বাস্কেটবল।“

# জোন কি?
-মানব সম্প্রদায়ের এমন এক অবস্থা যখন আপনি আসলে সুপারম্যান এর সাথে বসে মনির মামার দোকানে চা খেতে পারবেন।

# কেউ “জোন” এ আছে কি না বুঝব কি করে?
-সিম্পল। জোনে থাকা লোকজনের চোখ দিয়ে আলো বের হয়; লেজার ধরণের আলো। আলোর কালার এবং আলো কতদুর বিস্তৃত – এই ধরণের কিছু তথ্য দিয়ে আপনি জোনে থাকা অতিমানবদের পাওয়ারের একটা তুলনাও করতে পারবেন খুব সহজেই।

দেখতে দেখতে শেষ হয়ে গেল এই সিজনের arguably most enjoyable show, super sayian basketball – kuroko no basuke. গোটা সিরিজের অবাস্তবতা নিয়ে যত ঠাট্টাই করি না কেন, এই সিরিজটা তার গোটা পঞ্চাশ পর্বেই আমাকে যেরকম মন্ত্রমুগ্ধ করে স্ক্রিনের সাথে সেঁটে রেখেছিল; আর কোন স্পোর্টস সিরিজ এতটা পেরেছে কি না সন্দেহ।

স্টোরি লাইনঃ
সেইরিন বাস্কেটবল টিমের প্লেয়ার কুরোকো তেতসুয়া। “generation of miracles” এর ষষ্ঠ মেম্বার সে। তারই টিমমেট কাগামি। দুইজন মিলে একে একে চ্যালেঞ্জ করতে থাকে বিভিন্ন prestigious স্কুলে যোগ দেওয়া জেনারেশন অফ মিরাকলের অন্য মেম্বারদেরকে; তাদের খেলার স্টাইলকে; প্রমাণ করতে থাকে – বাস্কেটবল আসলে সিঙ্গেল প্লেয়ারের খেলা না; বরং টিম গেইম; এঞ্জয় করার বস্তু; প্রত্যেকের নিজের মত করে ভালবাসবার জিনিস। ব্যাক্তিগত এবং দলীয় – দুই জায়গাতেই নিজেদের উৎকর্ষতা বৃদ্ধি করে তারা এগিয়ে চলে সফলতার দিকে।

এই সিরিজের দুটো সিজনই সবচেয়ে বেশি সমালোচনার মুখোমুখি হয় যে কারণে সেটি হচ্ছে – বাস্তবতার সাথে মিল রেখে শুরু করার চেষ্টা করে এবং সেই ধরণের একটা environment বজায় রেখে একেবারেই “out of the world” সুপার পাওয়ার ধরণের বাস্কেটবল খেলা দেখিয়ে। তারা ইনাজুমা ১১ এর মতন একেবারে পুরোপুরি অবাস্তব কিংবা স্ল্যাম ডাঙ্কের মতন একেবারে বাস্তবের কাছাকাছি – কোন সিস্টেমই ফলো না করে একসাথে দুটো নৌকায়ই পা দিতে গিয়েছে – যেটি মুলত এই সিরিজের সবচেয়ে বড় এবং মোটামুটিভাবে একক সমালোচনার ক্ষেত্র। তবে এক্ষেত্রে পালটা যুক্তিও খুব সহজেই দেওয়া যায়। একটা সিরিজের মুল উদ্দেশ্য এঞ্জয়মেন্ট – খেলা শেখানো বা রিএলিস্টিক খেলার আবহ ফুটিয়ে তোলা নয়। কিছুটা ড্রামাটিকনেস; অবাস্তবতা থাকবেই। কিন্তু কতটুকু ?– সেটাই এখন মুল প্রশ্ন। kuroko no basuke হয়ত সেই সীমারেখাকেও বেশ স্পর্ধার সাথেই ছাড়িয়ে গেছে; কিন্তু উপভোগ্যতার পাল্লায় মেপে দেখলে সেটা খুব সহজেই overlook করাই যায়। I mean; এমন কয়টা সিরিজ আছে যেগুলোর স্পেশাল কিছু এপিসোড দেখার জন্য আপনি মোবাইল অফ করে দিয়ে দেখতে বসবেন যাতে মাঝে কেউ বিরক্ত করে মজায় ভাটা না ফেলে দেয়? আমি ব্যাক্তিগতভাবে অন্তত খুব কমই দেখেছি। সেই কারণেই কুরোকো ন বাসুকে আমার কাছে পুরো নম্বরই পাবে।

ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্টঃ
২৪-২৫ পর্বের স্পোর্টস এনিমে ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্টের সুযোগ খুব কমই পাওয়া যায়। কিন্তু তারপরেও KnB বেশ সফলতার সাথেই মুল দুটো চরিত্রের বাইরেও আরো বেশ কিছু চরিত্র খুব সফলভাবেই ফুটিয়ে তুলতে পেরেছে। আওমিনে কিংবা মুরাসাকিবারার চরিত্র, বাস্কেটবলের প্রতি তাদের আকর্ষণ, আতসুশি চরিত্র এবং কাগামির সাথে তার চারিত্রিক মিথস্ক্রিয়া – পুরো সিরিজেই একটা রিফ্রেশিং আমেজ দেয়। তবে সিরিজে সবচেয়ে বড় রেভুলেশন খুব সম্ভবত কিয়োশি তেপ্পেই। খুবই সাধারণ কিন্তু আবার একই সাথে অসাধারণ এই চরিত্র তার দৃঢ়তা, হার না মানা সঙ্কল্প, গোটা টিমের দায়িত্ব নিজের কাধে নেওয়ার প্রবণতা, easygoing attitude – সব মিলিয়ে খুবই চমৎকার একজন বাস্কেটবল প্লেয়ার এবং প্রিয় একটা চরিত্র হয়ে উঠেছে খুব সহজেই। মার্কিং – ৮/১০

আর্ট স্টাইলঃ
চমৎকার; খুব সম্ভবত যে কোন স্পোর্টস সিরিজের মধ্যে বেস্ট। ওপেনিং সং, মাঝে পেসিং, ইন্টেন্স খেলার মাঝে স্লো মোশনের ব্যাবহার, লাইট – সবকিছু খুবই চমৎকারভাবে করা হয়েছে। মার্কিং – ৯/১০

সাউন্ডঃ
ডিসেন্ট। ওপেনিং আর এন্ডিং সং – দুইটার কোনটাই স্কিপ করার মতন না। খেলার মাঝে বিভিন্ন সময় ব্যবহার করা সাউন্ড ট্র্যাকগুলাও চমৎকার। মার্কিং – ৮/১০

এঞ্জয়মেন্টঃ
পুরোপুরি। একদম শেষ এপিসোডটা অতি আবেগ আর নাটুকেপনার জন্য খানিকটা বিরক্ত লেগেছে। সেইটা বাদ দিলে পুরো সিরিজটাই বেশি রকম উপভোগ্য ছিল। মার্কিং – ১০/১০

ওভারঅলঃ
খানিকটা অবাস্তবতায় ক্ষতি কি? এনিমে এতো কিছু হিসাব নিকাশের দরকারই বা কি? এই সিজনে যেই কয়টা সিরিজ বাজারে আসার সাথে সাথেই যেই সাইজ পেয়েছি তাই নামায় দেখেছি – তাদের মধ্যে একটা এই kuroko no basuke. যারা খুব বেশি বাস্কেটবল খেলা দেখেন, পছন্দ করেন কিংবা নিজেরাই খেলেন – তাদের খানিকটা অস্বস্তি আর আপত্তি উপেক্ষা করলে পুরো সিরিজটা বরং “খুব পছন্দের সিরিজ” এর লিস্টেই থাকবে। ওভারঅল মার্কসঃ ৮.৫/১০

ফ্যান মেইড ট্রেইলারঃ https://www.youtube.com/watch?v=UMh317uj9Bw

 

– CWA প্রচারিত হচ্ছে প্রতি শুক্রবার; এনিমখোরে !! আমাদের আর কোথাও কোন শাখা নেই !!! স্পোর্টস এনিম নিয়ে আপনার যে কোন আবদার; আবেদন; আহ্লাদ; হুমকি; জিজ্ঞাসা – সব কিছুই জানাতে পারেন আমাদের; আমরা তার সমাধান দেবার চেষ্টা করব কোন না কোন সময় ইনশাল্লাহ !!! আমাদের সাথেই থাকুন !!!

Kuroko No Basket 2 by Kazi Rafi

KnB
ক্যালেন্ডারে সবাই দাগ দিয়া রাখেন- অক্টোবারের ৫, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, মিনিটে মিনিটে চমক আর সেকেন্ডে সেকেন্ডে দম বন্ধ করা উত্তেজনা আর সাসপেন্সে ভরা…..Kuroko No Basket 2: Winter Cup !!!! This Winter Will Be War !!! এই প্রথমবারে মতো জেনারেশন অফ মিরাকেলস এর সব প্লেয়ার একিসঙ্গে জড়ো হতে যাচ্ছে, একি ছাদের নিচে, একে অন্যের বিপরীতে এবং সাথে আরো নতুন নতুন সব পরাক্রমশালী দল, সঙ্গে আমাদের সবার প্রিয় সেইরিন হাই ! সবার লক্ষ্য একটাইঃ উইন্টার কাপ !! কিন্তু কিভাবে ??? উপাই একটাইঃ Defeat Japan’s Best, The Legendary Rakuzan High !!!!!!! কিন্তু তা কি আউদো কারুর পক্ষে সম্ভব ??? জানতে হলে অপেক্ষায় থাকুন ৫ই অক্টবারের জন্য এবং চোখ রাখুন আপনার এনিমে ডাউনলোডের পাতায় !!!!!!  

[ KNOW.YOUR.PLACE- Akashi Seijuro; Former Capt. Teiko Junior; Current Capt. Rakuzan High ]

Kuroko no Basuke (Kuroko’s Basketball) by Monirul Islam Munna

দেখে ফিল্লাম Kuroko no Basuke (Kuroko’s Basketball)
ভাই কি দেখলাম!! এখন তো মনে হচ্ছে রাতে ঘুম হবে না!!!
তবে একটা জিনিশ খুবই ভালো লাগছে, স্টোরি ২-৩জনকে রিভল্ভ করে না, বেশ কিছু character কে নিয়ে রিভল্ভ করে। এমন এনিমেই আসলে ভালো লাগে, গেইম প্ল্যান থাকবে, কিছু এমন মনস্টার টাইপ প্ল্যেয়ার থাকবে যাদের কোন প্ল্যান নিয়েও হারানো যায় না, আবার নিজের determination আর Effort দিয়ে তাদের থেকে জয় ছিনিয়ে আনে!!! তবে সেটা কোন ভাবেই আগে থেকে guessকরা যায় না,কিভাবে। এখানে bleach এর ikkaku এর মত character আছে Taiga Kagami , যে যত tough opponent পায় তত বেশী energized হয়ে উঠে!!! 
আর “Generation of Miracles” খেলা দেখে কি বলবো, অমানুষদের দল এগুলা।
Action+Comedy+Strategy = ১০/১০
আর অনেক দিন পর কোন এনিমের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক এতো অসাধারণ লাগসে, প্রতিটা situation এর সাথে শুধু মিলসেই না, বলা যায় ঐ sitatuion এর জন্যই মনে হয় OST গুলা বানানো!!!
এক কোথায় too good!!
এখন দেখে মনে হয় ভালোই করসি, Season 2 october এ !!!
Can’t wait!!!!!