Grave of the Fireflies – Reactional Post by Monirul Islam Munna

এনিমে দেখেও মন খারাপ হয়ে যাবে, এমনটা হয়তো সাধারণত কেউ চিন্তা করে না। কিন্তু প্রচুর এমন অনেক মুহূর্ত রয়েছে মনটা যেন ভালো হতেই চায় না। মনে ঘুরে ফিরে একই প্রশ্ন জাগে, একটু ভিন্ন কিছু না হয় হতো। এমন একটা অনুভূতির মধ্যে ফেলে দেওয়ার মত একটা মুভি ‘Grave of fireflies’

স্টুডিও গিব্লির মুভি ‘গ্রেভ অফ ফায়ার ফ্লাইস’, এমন একটা স্টুডিওর নাম শুনলেও ১ম এই আমরা ধরেই নি, ভালো কিছু একটা আছে। হ্যাঁ, এই মুভিটাতেও আছে, শুধু আছেই যে তা নয়, হয়তো আপনার চোখ দিয়ে নিজের অজান্তে ছলছল করে পানি পরবে!!!

২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানে বসবাসরত ২ ভাই বোন ‘সেতস্কু’ and ‘সেইতা’কে নিয়ে মুভিটা। যুদ্ধের দুর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে মাকে হারিয়ে, আর সৈনিক বাবার কোন খোঁজ না পেয়ে এক নিকট আত্মীয়ের বাসায় ঠাই নে ২জন। কিন্তু সেই আত্মীয়ের কাছে বেশ অবহেলিত হল ২ ভাই বোন। সৈনিকের ছেলে বলে, সেতস্কু অবহেলা মেনে না নিয়ে বোনকে নিয়ে পরিত্যক্ত এক স্থানে আশ্রয় নেয়। কিন্তু নিজের কাছে সম্বল বলতে কিছু নেই, কোন মতে খেয়ে না খেয়ে দিন পার করার চেষ্টায় লিপ্ত সেতস্কু আর সেইতা। আর সাথে রাতের তারার মত আলো ছড়ানো জোনাকি পোকাগুলা যেন ছোট প্রান ২টাকে আবার সতেজ আর সজিব করে তুলে। 

সেই ১৯৮৮ সালের মুভি কিন্তু মুভিটার আর্ট দেখে সত্যিই মুগ্ধ। এতো ভালো লেগেছে শুধু আর্টওয়ার্কের জন্য ১০ এ ১০ দিয়ে দিতে ইচ্ছে করবে। সাথে ভয়েস অ্যাক্টরগুলোর অ্যাক্টইং আর ওএসটিগুলোও বেশ ভালো। মাঝে মাঝে এনিমের কাল্পনিক জগত থেকে বাস্তব জগত যে কতটা কঠিন বা কষ্টের হতে পারে, সেই অনুভূতি সৃষ্টির জন্য ভিন্ন কিছুর মধ্যে খুজতে যেতে হবে না, এমন একটা এনিমে দেখেই সেটা ফীল করতে পারবেন।

Grave of the Fireflies

 

Hunter X Hunter by Monirul Islam Munna

গত কয়েকদিন Hunter X Hunter দেখতেছিলাম, একটা ছোট্ট রিভিও লিখতে ইচ্ছা হল। তাই লিখে ফেললাম। 

HUNTER X HUNTER এর প্রধান চরিত্র Gon Freecsকে নিয়ে বলতে গেলে,সব চেয়ে বেস্ট উপায় যেটা হবে সেটা হচ্ছে গন হচ্ছে HXH এর Naruto Uzumaki [পুরপুরি রিফ্লেক্ত করে না,কিছু চরিত্র যেমন ‘হার না মানা’,’সহজে কারো বন্ধু হয়ে যাওয়া’,’সততা’…এইরকম কিছু ব্যাপার সেপার মিলে যায় আরকি  ] । ছোট্ট গন ছোটবেলা থেকেই জানত যে তার বাবা মা বেচে নেই। সে তার অ্যান্টের কাছেই থাকে এবং তিনি গণের দেখভাল করেন। কিন্তু গল্পের শুরুতেই কাকতালীয়ভাবে জানতে পারে যে তার বাবা বেঁচে আছেন এবং তিনি অনেক বড় মাপের একজন হান্টার।
‘হান্টার’ শব্দটা শুনলে মনে হতে পারে যে শুধু পশুপাখি শিকারী ,কিন্তু এই এনিমে হান্টারের একটু ভিন্ন দিক তুলে ধরসে, পৃথিবীর বিভিন্ন আনাচে কানাচে যে সব mystery আর অজানা রহস্য আছে , সে গুলা আবিষ্কার করে এই ‘হান্টার’। তবে এই হান্টাররা সবাই দক্ষ ফাইটার, বিভিন্ন ধরনের হান্টার যেমন আছে, তেমনি ওদের পাওয়ারও ভিন্ন। 
তবে কেউ চাইলেই হান্টার হতে পারে না, অনেক দুঃসাধ্য কঠোর পথ পাড়ি দিয়ে , হাজার হাজার কম্পেটিটরকে ডিঙিয়ে ‘Hunter Exam’ নামক পরীক্ষায় পাস করতে পারলেই একমাত্র এই হান্টার হওয়ার লাইসেন্স পাওয়া যায়। গণকে পাড়ি দিতে হয় সেই, দুঃসাধ্য কঠোর পথ, আর সেই পথ ধরেই চলতে থাকে এনিমটা। 

HXH এনিমটা প্রথম আসে ১৯৯৮ তে ৬২ এপিসোড সহ। এরপর আরও ৩০টা OVA বের করে,কিন্তু OVA গুলাও মূল মাঙ্গার কাহিনী ফলো করে। তো বলা যায় মোট ৯২টা পর্ব।
এরপর ২০১১তে এনিমটা আবার রিমেইক করা হয়,একি কাহিনী নিয়ে। কেউ যদি পুরানটা, আই মিন ‘৯৮ এরটা দেখে থাকেন, তবে ‘১১(নতুনটার) এর ৭৫ নাম্বার পর্ব থেকে দেখলেই হবে।
আর না দেখে থাকলেই নতুনটাই দেখা শুরু করুন 
Happy hunting

HxH