Best Long Running Shounen Anime (2014) – Naruto Shippuuden

গতবার থেকে যেন কিছু পরিবর্তনই হয় নি। এ বছরেও সবার উপরে নারুতো শিপ্পুদেন। আগামী বছরই সম্ভবত শেষ হয়ে যাবে এই কিংবদন্তি আনিমেটি, এবং শেষ হওয়ার আগেই ফিলার, ফ্ল্যাশব্যাক সবকিছুর মধ্যে দিয়েও অসাধারণ কিছু মুহূর্ত উপহার দিয়েছে নারুতো এবং বাকি নিনজারা। নারুতোর অন্যতম ভালো বৈশিষ্ট্য সবসময়ই ছিল এটা দর্শকদের যে ইমোশনাল জার্নির মধ্যে নিয়ে যায়, তা। এ বছর গ্রেট নিনজা ওয়ার আর্কেও নানা ঘটনার মধ্যে দিয়ে সেই কাজ ঠিকই করে গেছে নারুতো শিপ্পুদেন। এবং এটাই এ বছরের লং রানিং শোনেন ক্যাটেগরিতে সেরা।
দ্বিতীয় স্থানেই আগের মত আছে হান্টার এক্স হান্টার(২০১১)। এ বছরই সেপ্টেম্বরে আপাতত প্রচার শেষ হয়েছে সর্বকালের অন্যতম সেরা রক্ত গরমকারী এ শোনেন একশন আনিমেটি। এখনও পপুলারিটির দিক দিয়ে হয়ত এটা নারুতো, ওয়ান পিস থেকে অনেক পিছে, কোয়ালিটিতে যে এটাও অনেক উপরে সেটার প্রমাণ এ বছরও রেখে গেছে আনিমেটি।

9-best-shounen

 

এফ এ সি ৫৯.৫

[না, এটা এফেসির কোনো হেন্তাই ফ্যানফিকশন না. ফ্যানফিকশন লিখতে হলে ফ্যান থাকতে হবে. :'(]

 

রান্ডম টপিক 

নারুতো
নারুতো, বা ফিশকেক হচ্ছে এক ধরনের রামেন টপিং। সাদা রঙের, ফুলের মত করে কাটা, আর মাঝে গোলাপী রঙের স্পাইরাল[হ্যা, উজুমাকি মানে প্যাঁচানো, বা স্পাইরাল]।
আর হ্যা, মাসাশি কিশিমতো এই খাবারের নাম থেকেই তাঁর বিখ্যাত মাঙ্গা চরিত্রের নাম দিয়েছেন।

 

আনিমে+মাঙ্গা সাজেশন

নারুতো+ নারুতো শিপুদেন[Naruto+Naruto Shippuden]

নারুতোকে কেউ ভালবাসে না. ভালবাসার কোনো কারণ অবশ্য নেই, তার বাবা-মা নেই, সুদর্শন না, গরীবী হালে দিন কাটায়। সে একজন স্টকার, আবার তাকে একজন স্টকও করে. সে হতে চায় তার নিনজা গ্রামের নেতা, হোকাগে। তার স্বপ্ন কি পূর্ণ হবে? রক লি কি কোনো মেজর ফাইট জিততে পারবে? সব স্পটলাইট কি উচিহারাই পাবে? জানতে হলে দেখতে/পড়তে হবে নারুতো।

কেন দেখবেন/পড়বেন: মেইনস্ট্রিম সৌনেন অ্যাকশন ঘরানার। দুর্দান্ত সব লড়াই পাবেন, পাবেন ফীল্স[Feels] গেম, এবং ফিলস[Fills] গেম. দারুন সব সাউন্ডট্র্যাক, ওরোচিমারু আর ইতাচির মত দারুন সব চরিত্র।
কেন দেখবেন না/পড়বেন না: শেষমেষ এটা চানাচুর মার্কা একটা সিরিজই। হিট হবার সব উপাদানই আছে. কিন্তু সম্ভবত শিল্পোত্তীর্ণ না. অবশ্য প্রায় সব মেইনস্ট্রিম সৌনেনই এই দোষে দুষ্ট, অপবাদটা নারুতোর একার না.

আনিমে ম্যাল রেটিং: ৭.৭৬+৭.৯৯

আমার রেটিং ৭+নেই, কারণ অন্গিং।

মাঙ্গা ম্যাল রেটিং: ৮.১৫

আমার রেটিং ৯

‘শিকড়ের সন্ধানে’ পর্ব ৪

নিপ্পনের সৃষ্টি আর সমকালীন আরো কিছু মিথঃ

নারুতো শিপ্পুডেন যারা দেখেছি প্রায় শেষ পর্যন্ত তারা মাঙ্গেকিউ শারিঙ্গনের শক্তিশালী জুতসু ইজানামি-ইজানাগি-সুসা’নো-সুকিওনোমি সম্পর্কে মোটামুটি জানি। কিশিমোতো সেন্সে এই নামগুলো নিয়েছেন সরাসরি জাপানিজ মিথলজি থেকে…

কোজিকিঃ

জাপানিজ মিথলজির সবচেয়ে পুরাতন দলিল হলো ‘কোজিকি’, বিভিন্ন মিথ কবিতা আর গানের মাধ্যমে বর্ণনা করা হয়েছে এতে, ৫০০-৭০০ সালের দিকে এর সংকলনকাল। (অনেকটা বাংলা সাহিত্যের চর্যাপদের মতই, ৮ম-৯ম শতকের কবিতাসমগ্র, সর্বমোট সাড়ে ৪৬ টি কবিতা, মূল বিষয়ঃ মিথলজি)

তো এই ‘কোজিকি’ র প্রথম অংশ কামিও নো মাকি (দ্যা এইজ অব গডস) অনুযায়ী একদম শুরুতে ছিল ছিল ৫ জন ডেইটি, যারা সম্ভবত হিভেন আর ইউনিভার্স ক্রিয়েশনের সাথে জড়িত কিন্তু পরবর্তীতে এদের কোন বর্ণনা পাওয়া যায়না, এরা কোতোআমাতসুকামি (Distinguished heavenly gods) নামে পরিচিত। এদের পরপরি আসে সাত জেনারেশন কামি, যাদের সর্বশেষ জেনারেশন হলো দেবতাযুগল ইজানামি (গডেস অব ক্রিয়েশন) আর ইজানাগি (গড অব ক্রিয়েশন)।

ইজানাগি-ইজানামিঃ

কিশিমোতো সেন্সের প্রচন্ড শক্তিশালী এই অকুলার জুতসু যুগল জাপানিজ মিথে হলো জাপানের প্রধান আটটি দ্বীপের স্রষ্টা দেব-দেবী যুগল, প্রথমে ইজানাগি তার বিখ্যাত নাগিনাতা (একধরণের বর্শাসদৃশ ব্লেইড) সাগরের থেকে তুলে আনেন দ্বীপগুলো আর পরবর্তীতে এদের মিলন থেকে জন্ম নেয় আওয়াজি, আইইয়ো(শিকোকু), উকি, শুকুসি (কিউশু), ইকি, শুশিমা, সাদো আর ইয়ামাতো (হোনশু) দ্বীপগুলো। এদের থেকেই জন্ম নেয় বিভিন্ন দেব-দেবী, জাপানের এনসেস্টর- এম্পেরররা যাদের বংশধর, এ দৃষ্টিকোণ থেকে এদেরকে কতকটা আদম-হাওয়ার মতই ধরা যায়।

(Note: Izanami and Izanagi is also mentioned in the anime ‘Darker than Black’ and kind of goes with the myth too.)

আমাতেরাসু-সুকিওনোমি-সুসানোঃ 

মাঙ্গেকিউ শারিঙ্গনের পাওয়ারফুল জুতসু আমাতেরাসু প্রথম দেখানো হয় নারুতোতে ইতাচি আর জিরাইয়ার এনকাউন্টারে। আর সুসানো সর্বপ্রথম দেখানো হয় ওরোচিমারোর কার্সড সিলপ্রাপ্ত সাস্কের সাথে ইতাচির লড়াইয়ের সময়ে। জাপানিজ মিথ অনুসারে ইজানাগির বাম চোখ থেকে জন্মগ্রহণ করে সূর্য দেবতা আমাতেরাসু (দেখতে পারেন গ্রিক দেবতা এপোলা, মিল আছে) আর ডান চোখ থেকে জন্ম নেয় চন্দ্রদেবতা সুকিওনোমি (গ্রিক দেবী আরতেমিস)। আর সুসানো (পোসাইডনের মত কিছুটা) হল ধ্বংস, ঝড় আর সাগরের দেবতা, সে জন্ম নেয় ইজানাগির নাক থেকে।

ইতাচি আর সাস্কের ফাইটে সাস্কের কার্স সিল থেকে জন্ম নিয়েছিল আট মাথাওয়ালা এক বিরাট সরীসৃপ, মনে আছে তো? এটা হলো সার্পেন্ট ডিমন অরোচি (মূলতঃ একটা ড্রাগন), আর মিথে সুসানো তার তলোয়ার দিয়ে কেটে ফেলেছিল এই ডিমনের মাথা, ঠিক যেমন ইতাচির সুসানো কাটে এনিমেতে। অরোচির লেজ থেকে সুসানো খুঁজে পায় বিখ্যাত তরবারি ‘কুসানাগি’

 

জন্ম-মৃত্যুঃ

গডেস ইজানামি ফায়ার গড কুরোতসুচিকে জন্ম দিতে গিয়ে মারা যায়, আর ইজানাগি তাকে ফিরিয়ে আনতে যায় ইয়োমি বা আন্ডারওয়ার্ল্ডে। কিন্তু সেখানে গিয়ে ইজানাগি দেখে ইজানামি অলরেডি ইয়োমির অশুভ প্রভাবে নষ্ট হয়ে গেছে, তাই সে পালিয়ে চলে আসে। ইজানামি তার পিছু ধাওয়া করে তাকে কার্স দেয় যে, প্রতিদিন সে জাপানের ১০০০ বাসিন্দার মৃত্যু ঘটাবে, ইজানাগি পালটা জবাব দেয় যে সে ১৫০০ জনের জন্মের কারণ সৃষ্টি করবে। এভাবেই এই ইজানাগি-ইজানামি হলো জন্ম-মৃত্যু, শুভ-অশুভেরও দেব-দেবী যুগল।

Itachi, a hero of the shadows by Tahsin Kamal

এখন বড় কোন রিভিউ লিখার ইচ্ছা নাই। শুধু আমার খুব প্রিয় চরিত্র গুলার একজনের নাম আর এত প্রিয় হওয়ার কারণ বলতেসি। পরে একটা ভালভাবে লিখার চেষ্টা করব।

সেই Legend টা হইলো Itachi, a hero of the shadows… who acted behind the scenes(itachir এই দিক টা আমার আরেকটা প্রিয় চরিত্র lelouch এর সাথে মিলে), the badass who had the worst tragic life…. the legendary peace lover!

ইতাচির যেই দিকগুলো আমাকে মুগ্ধ করসে- 

তার নীরব চুপচাপ চরিত্র- সচরাচর আবেগ না দেখানো আর অর্থহীন কিছু না বলা।

ভাইয়ের প্রতি সীমাহীন ভালোবাসা-
“No matter what you decide or what you do from now on… I will love you forever”(Itachi’s last words and final gift to Sasuke)

অন্যের সুখের জন্য ত্যাগ করা-
“Self-sacrifice… A nameless shinobi who protects peace within its shadow. That is a true shinobi”

জীবনের প্রতি তার বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি-
“You’re such a child. You talk of nothing but pipe dreams… there are times when people must make painful choices.”

“People live their lives bound by what they accept as correct and true. That’s how they define “reality”. But what does it mean to be “correct” or “true”? Merely vague concepts… Their “reality” may all be a mirage. Can we consider them to simply be living in their own world, shaped by their beliefs?”

আমার চুপচাপ স্বভাবের matured টাইপ চরিত্র বেশি ভাল লাগে। সেইটাও ইতাচিকে এত ভাল লাগার একটা কারণ হতে পারে। ইতাচি আর মিনাতো এই ২ legend বেচে থাকলে নারুতো আনিমে টা আরো অনেক বেশি জোস হতে পারত। 

#RESPECT!

Itachi

My Kakashi by Zahura Chowdhury Abonti

আমি নারুতো প্রথম দেখেছিলাম Cartoon Network এ। সেখানে কাকাশির যে জিনিসটা প্রথম আমাকে curious বানায় সেটা হল ওর চুল আর মুখোশ। আমি খালি ভাবতাম—-“এই লোক মুখোশ পরে কেন?!” প্রথম প্রথম ওর আসল চেহারা দেখার খুব ইচ্ছে ছিল। এখন আর সেটা নেই। থাকুক একটু রহস্য। 

আমার সবসময় একটু carefree, laid back কিন্তু intelligent type এর চরিত্র পছন্দ হয়। সাথে একটু funny আর mysterious type. Kakashi ও ঠিক তাই। ওর যে জিনিসটা আমার সবচেয়ে ভাল লাগে তা হল অন্যের perspective থেকে চিন্তা করতে পারার ক্ষমতা, দূরদর্শীতা, আর অন্যকে বুঝতে পারার capability. Sasuke এর ভিতরে ক্রমশ বাড়তে থাকা ক্রোধ ও ঠিকই আঁচ করতে পেরেছিল এবং অনেকে অনেক কথা বল্লেও আমি মনে করি ও যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিল Sasuke কে বিপথে যেতে না দিতে। 
“Don’t worry. I won’t let my comrades die.” হাসি দিয়ে এই কথা বলেই কাকাশি আমার মন জয় করে নিয়েছিল। কারণ নিজের কাছের মানুষদের জন্য যে কোন extent পর্যন্ত যেতে পারা আমার মতে অনেক বড় একটা ব্যাপার। আরেকটা যে জিনিস মজা লাগে তা হল ওর funny দিক। ক্ষেত্রবিশেষে খুবই serious হলেও সে মজা করতে জানে। অনেক রকম বাজে জিনিস সহ্য করেও হাসতে ভুলে যায়নি। Chouji কে পালিয়ে যেতে দেয়ার জন্য নিশ্চিত মৃত্যুও মেনে নিয়েছিল। সেই সাথে নারুতোর বড় এক সহায় হয়ে ও ছিল এবং আছে ।
“As long as you don’t give up, you can still be saved.”— এই quote টা আমাকে সত্যিই inspire করে।

কাকাশি কে নিয়ে লিখতে গেলে আমি মনে হয় পুরো বই লিখে ফেলতে পারব। সুতরাং, দ্রুত ইতি টানাটাই ভাল হবে।
আমার দেখা সবচেয়ে cool character দের একজন কাকাশি। He is unique in his own way and he is the only character who looks cool even while reading porns in front of his students or while playing rock-paper-scissors with Guy 

[যদিও বলা হয়েছে বাংলায় পুরোটা লিখতে, আমি একটু ইংরেজী নিয়ে আসলাম দেখে দুঃখিত।]

Kakashi

নারা শিকামারু – ব্রিলিয়ান্ট বাই বার্থ, লেজি বাই চয়েস। – by Fahim Bin Selim

ফেভারিট অ্যানিমে ক্যারেক্টার বলতে গেলে অনেক আছে – কাকাশি, লাইট, হৌতারো, কিওন – আমি নিজে বুদ্ধিমান না বলেই হয়ত এদের প্রতি আকর্ষন বেশি। কাকে রাইখা কারে বলি?

প্রথম নারুতো দেখসিলাম মোটামুটি ছোট থাকতে, ৫-৬ বছর আগে, কার্টুন নেটওয়ার্কে ফার্স্ট সিজনের শেষের ১০-১৫ টা পর্ব। চুনিন এক্সাম, গারা ভি লী এর লেজেন্ডারি সীস’ ম্যাচটা দেইখাই ফ্যান হয়ে গেলাম। এরপর অপেক্ষা; ২০১০-এর দিকে ভালোভাবে অ্যানিমে দেখা শুরু করলাম, আর প্রথম শৌনেন নারুতো। মোটামুটি সবার মত নারুতোই প্রথম দিকে ফেভারিট ছিল। আবার চুনিন এক্সাম, থার্ড রাউন্ড প্রিলিমিনারী, তখন পর্যন্ত প্রায় অগুরুত্বপুর্ণ ক্যারেক্টার শিকামারু, কিন সুচিকে যেভাবে হারালো; আমি তো মুগ্ধ – wait, this guy – some genius, he is. তখনই ভালো লাগা শুরু। তারপর আবার সেমিফাইনালে তেমারির সাথে জয় এবং একমাত্র চুনিন নিবার্চিত। এবার পুরাপুরি ভাবে ফ্যান হয়ে গেলাম।
অলস, প্রতিভাবান, লেভেলহেডেড, পরিপক্ব, আবেগকে আটকে রাখা – এই শিকামারু। কিন্তু শীপুডেন-এর ৮০~ পর্বে এসে শিকামারুর সেই নাজানা দিকটাও দেখা হল। আসুমা মারা যাওয়ার সময়ের সেই তীব্র আবেগময় মুহুর্ত, অতঃপর হিদানকে মারার(আটকানোর) মুহুর্তগুলি।
ফেভারিট অ্যানিমে ক্যারেক্টার বলতে গেলে অনেক আছে – কিন্তু শিকামারু অন্য লেভেলের প্রিয়। 

নিনজা ওয়ারের প্রক্সি কমান্ডার, আর্গুয়েবলি কোনোহার সবচেয়ে বিচক্ষন শিনোবি, হোকাগে হওয়ার যোগ্য – কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়ত নারুতোই হোকাগে হবে। ভাল। শিকামারুদের আলোতে আসতে হয়না, কোনোহার “শ্যাডো নাইট” আড়াল থেকেই তার “কিং”-দের বাচিয়ে যাক, তাই ভাল।

নারা শিকামারু – ব্রিলিয়ান্ট বাই বার্থ, লেজি বাই চয়েস।

Shikamaru