রিভিউ কন্টেস্ট এন্ট্রি [২০১৫] #২২: Naruto (Manga) — Uchiha Aoitizhho

[Spoiler Alert] – {Given on request of the participant}

 

মাঙ্গাঃ নারুতো
ভলিউমঃ ৭২
চ্যাপ্টারঃ ৭০০
জনরাঃ একশন, অ্যাডভেঞ্চার, ফ্যান্টাসি, মার্শাল আর্টস
মাই এনিমে লিস্ট স্কোরঃ ৮.১৪/১০
আমার স্কোরঃ ৯.৮/১০

 

স্টোরিঃ

‘নারুতো’র কাহিনী গড়ে উঠেছে নিনজা ভিলেজ কোনোহার ছোট্ট বালক নারুতোকে কেন্দ্র করে। নারুতোর জন্মের সময় ওর মধ্যে সিল করে দেয়া হয় ভয়ংকর শক্তিশালী নাইন টেইলস ফক্স কিউবিকে। বাবা-মাবিহীন নারুতো সবসময় লক্ষ্য করতো ভিলেজের সবাই ওকে অবহেলা এবং একই সাথে ভয় করে, যার ফলে নারুতোর মাঝে নিজের অস্তিত্ব ফুটিয়ে তোলার প্রবল প্রচেষ্টা জেগে উঠে। তাই ওর জীবনের একমাত্র অভীষ্ট লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় হোকাগে অর্থাৎ সবচেয়ে শক্তিশালী নিনজা ও ভিলেজের লিডার হয়ে উঠার। অনেক সময়ই দেখা যায়, মেইন চরিত্র রাতারাতি দুর্বল থেকে বিশাল শক্তিশালী হয়ে যায়। কিন্তু নারুতোতে এমন অবাস্তব জিনিস দেখানো হয়নি। নারুতোর মাঝে কিউবির পাওয়ার লুকানো থাকা সত্ত্বেও নারুতো পাওয়ারফুল হয়েছে নিজের চেষ্টায়, ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে ধীরে ধীরে। প্রথমে কাগে-বুনশিন, তারপর রাসেঙ্গান, অতঃপর রাসেন-শুরিকেন, সবশেষে সাগে ও কিউবি মোড। এভাবেই নারুতো কপর্দকহীন থেকে শক্তিশালী হয়ে উঠে এবং হোকাগে হওয়ার পথে এগিয়ে চলে। তবে এর মাঝে ঘটে যায় অনেক কিছু। চুনিন এক্সাম, অরচিমারুর কোনোহা আক্রমণ, নারুতোর টীমমেট ও বেস্ট ফ্রেন্ড সাসকের ভিলেজ ত্যাগ, আকাৎসুকি ও তবির আবির্ভাব, পেইন এর আক্রমণ ইত্যাদি ঘটনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় কাহিনী। সবশেষে নাটকীয়ভাবে আসে নিনজা ওয়ার ও মাদারার আবির্ভাব।

একাকীত্ব কী তা জানতো বলেই নারুতো বন্ধুত্বকে অগ্রাধিকার দিত। সাসকেকে ফিরিয়ে আনার জন্যে এমনকিছু নেই যা নারুতো করেনি। নারুতোর অন্যকে বোঝানোর ক্ষমতাও অনেক। গারা, নেজি, পেইন, তবি সবাই নারুতোর সংস্পর্শে এসেই ভালো হয়ে যায়। এটা কিছুটা অদ্ভুত মনে হলেও ভালো লেগেছে যে মেইন ভিলেন মাদারা শেষ পর্জন্ত নিজ বিশ্বাসে অবিচল ছিল।

নিনজা দুনিয়া নিয়ে গড়ে উঠা ‘নারুতো’তে নিনজাদের বিভিন্ন কলা-কৌশল এত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যে একসময় নিজেকেই নিনজা মনে হচ্ছিল। পুরো মাঙ্গা জুড়ে দেখা যায় প্রচুর নিনজা ফাইট এবং প্রত্যেকটি ফাইটই একটির থেকে অন্যটি ভিন্ন ও টুইস্টে পরিপূর্ন। প্রতিটি মিশনও ছিল অ্যাডভেঞ্চারে ভরপুর। তাই যাদের একশন ও অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় তাদের জন্যে নারুতো সেরা।

 

ক্যারেক্টারঃ

নারুতো মাঙ্গাটা যেহেতু অনেক বড়, তাই এতে ক্যারেক্টারও আছে প্রচুর, সংখ্যার দিক দিয়ে যা অন্য যেকোনো মাঙ্গার চাইতে বেশী এবং স্যার কিশিমতো প্রতিটি চরিত্রকেই গুরুত্বসহকারে তুলে ধরেছেন। প্রায় প্রতিটি চরিত্ররই ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড, দুঃখ-কষ্ট, বিলিফ এত সুন্দর করে দেখনো হয়েছে যে সবার অনুভূতিই স্পর্শ করবে এবং প্রত্যেকের বিশ্বাস ও যুক্তিকেই সঠিক বলে মনে হবে। যেমন, ইতাচির নিজ ক্লানকে ধ্বংস করা, নাগাতো থেকে পেইন হয়ে উঠা, অবিতোর প্রতিশোধ, মাদারার নিনজা ওয়ার্ল্ড ধ্বংস করার পরিকল্পনা এমনকি সাসকের প্রতিশোধস্পৃহা সবগুলোর পিছনেই এত সুন্দর করে যুক্তি দেখানো হয়েছে যে প্রতিটি চরিত্রকেই শক্তিশালী করে তুলেছে।

 

আর্টঃ

নিনজা ওয়ার্ল্ড হিসেবে নিনজাদের মুখোশ, বিশেষ ধরনের পোশাকের পাশাপাশি স্যার কিশিমতো একটু ভিন্নতারও ছুঁয়া লাগিয়েছেন, যেমন নারুতোর গায়ে দেখা যায় কমলা রঙের এক জাম্পস্যুট যা তাকে কিন্তু ভালোই মানিয়েছে।

 

১৯৯৭ সাল থেকে ২০১৪ এই দীর্ঘ ১৭ বছরের পথচলায় ‘নারুতো’-র সাথে কেটেছে অসংখ্য ভক্তের শৈশব ও কৈশোর। নারুতোর সাথে সাথেই বড় হয়ে উঠেছে অনেকে। আমি যদিও নারুতোর শুরুর সময়টায় নারুতোর পাশে ছিলাম না, তবে নারুতোর শেষ সময়টায় নারুতোর পাশে থাকতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবতী মনে করছি। নারুতো দেখা শুরু করার পর হতে এই পর্যন্ত সবসময় নারুতো আমার পাশে বন্ধুর মতো ছিল। কখনো মন খারাপ হলে বা হতাশা কাজ করলে নারুতো থেকেই আমি অনুপ্রেরণা-উৎসাহ পেয়েছি। নারুতো থেকে সবচেয়ে বড় যেই শিক্ষাটা পেয়েছি তা হোল “Never give up” । সত্যি বলতে কি, নারুতোর জন্ম নেওয়া থেকে শুরু করে একটু একটু করে বড় হওয়া, নতুন নতুন জিনিস শিখা, নতুন বন্ধু বানানো এগুলো দেখতে দেখতে একসময় নারুতোকে বন্ধুর চাইতেও বেশী কিছু মনে হয়েছে। Really Naruto came as a story and left as a legend. নারুতো গল্প হিসেবে আসলেও হিরো-মহানায়ক হয়েই আমাদের মনে জায়গা করে নিয়েছে।

22 Naruto manga

ক্যারেক্টার রিভিউ: গারা [আনিমে – নারুতো] — Goutam Debnath Sagar

Gaara-gaara-of-suna-27045252-1024-768

নামঃ গারা, গারা অফ দা সেন্ড, গারা অফ দা ডেজার্ট।
এনিমেঃ নারুতো

সে এখন বালুর দেশের প্রধানমন্ত্রী (বা ঐ রকমের কিছু :v)। জাপানের ভাষায় কাজেকাগে। তার গাঁয়ের সবাই এখন তার প্রতি নির্ভরশীল, তাকে ভালোবাসে। বারে বারে এখন বলছি কেন? কারন তার অতীত খুব একটা সুখকর ছিল না। চলুন তার জন্ম থেকেই শুরু করি।
তথাকথিত সকল গ্রামের মধ্যে শক্তির সুষম বন্টনের শিকার হয়ে তাকে ‘শুকাকু’ এর জিঞ্ছুরিকি হতে হয়। এটি সম্পন্ন করতে গিয়ে তার মায়ের করুন মৃত্যু হয় আর সে তার ‘গারা'(শাব্দিক অর্থ হচ্ছে ‘ a self loving carnage’ মানে যে অসুর শুধু নিজেকে ভালবাসে) নামটি পায়। সবার ঘৃণার জন্যই হোক বা নিজের নামের সার্থক করার জন্যই হোক গারা দিনে দিনে এক অসুরে পরিণত হয়, সে খুনের মধ্যেই তার জীবনের অর্থ খুঁজে পায়।
এখন কথা হচ্ছে নারুতোও তো একজন জিঞ্ছুরিকি, গারা কেন নারুতোর মতো হল না? কারণ নারুতো পেয়েছিল একজন ইরুকা সেন্সেই, একজন কাকাশি সেন্সেই। অপর দিকে গারার একমাত্র আপনজন ছিল ইউশিমুরা (তার মামা) যে নাকি মারা যাওয়ার সময় গারার জীবনকে আরো অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়। যাইহোক পৃথিবীর সকলকে খুন করার আগেই নারুতোর সাথে চুনিন এক্সামের সময় গারা ‘ভালবাসা’, ‘ব্যাথা’, আবেগ ইত্যাদি বুঝতে সক্ষম হয় এবং দেশ ও দশের কল্যানে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া শুরু করে।
কেন ভালবাসবেনঃ (সম্পুর্ণ নিজস্ব মতামত)
সমস্ত নারুতো সিরিজে গারাকেই একমাত্র ভয় জাগানিয়া (fearfull) ভিলেন লেগেছে।
তার সেইয়ু (সাব ডাব দুইটারই) অসম্ভব সুন্দর কাজ করেছেন।
ওর মত খুব সহজে খুন করার প্রতিভা নারুতোতে খুব কম দেখা গেছে।
তার ট্রেজেডিক জীবন তাকে ভালোলাগার অন্যতম কারন।
সর্বোপরি তার calm nature এনিমে জগতে তাকে অন্যতম উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

শেষ করতে চাই এইটা বলে, কিশিমত সেন্সেই at least ওরে কোন মাইয়ার সাথে জুইড়া দিতে পারতো। গারার সমস্ত জীবন গেল অন্যের জন্য কাজ করতে করতে। T-T

4381168-4379879-gaara-wallpaper-1024

এফ এ সি ৫৯.৫

[না, এটা এফেসির কোনো হেন্তাই ফ্যানফিকশন না. ফ্যানফিকশন লিখতে হলে ফ্যান থাকতে হবে. :'(]

 

রান্ডম টপিক 

নারুতো
নারুতো, বা ফিশকেক হচ্ছে এক ধরনের রামেন টপিং। সাদা রঙের, ফুলের মত করে কাটা, আর মাঝে গোলাপী রঙের স্পাইরাল[হ্যা, উজুমাকি মানে প্যাঁচানো, বা স্পাইরাল]।
আর হ্যা, মাসাশি কিশিমতো এই খাবারের নাম থেকেই তাঁর বিখ্যাত মাঙ্গা চরিত্রের নাম দিয়েছেন।

 

আনিমে+মাঙ্গা সাজেশন

নারুতো+ নারুতো শিপুদেন[Naruto+Naruto Shippuden]

নারুতোকে কেউ ভালবাসে না. ভালবাসার কোনো কারণ অবশ্য নেই, তার বাবা-মা নেই, সুদর্শন না, গরীবী হালে দিন কাটায়। সে একজন স্টকার, আবার তাকে একজন স্টকও করে. সে হতে চায় তার নিনজা গ্রামের নেতা, হোকাগে। তার স্বপ্ন কি পূর্ণ হবে? রক লি কি কোনো মেজর ফাইট জিততে পারবে? সব স্পটলাইট কি উচিহারাই পাবে? জানতে হলে দেখতে/পড়তে হবে নারুতো।

কেন দেখবেন/পড়বেন: মেইনস্ট্রিম সৌনেন অ্যাকশন ঘরানার। দুর্দান্ত সব লড়াই পাবেন, পাবেন ফীল্স[Feels] গেম, এবং ফিলস[Fills] গেম. দারুন সব সাউন্ডট্র্যাক, ওরোচিমারু আর ইতাচির মত দারুন সব চরিত্র।
কেন দেখবেন না/পড়বেন না: শেষমেষ এটা চানাচুর মার্কা একটা সিরিজই। হিট হবার সব উপাদানই আছে. কিন্তু সম্ভবত শিল্পোত্তীর্ণ না. অবশ্য প্রায় সব মেইনস্ট্রিম সৌনেনই এই দোষে দুষ্ট, অপবাদটা নারুতোর একার না.

আনিমে ম্যাল রেটিং: ৭.৭৬+৭.৯৯

আমার রেটিং ৭+নেই, কারণ অন্গিং।

মাঙ্গা ম্যাল রেটিং: ৮.১৫

আমার রেটিং ৯

‘শিকড়ের সন্ধানে’- পর্ব ৩

[ষড়মাত্রার ঋষি (দ্যা সেইজ অব দ্যা সিক্স পাথ)]


বিভিন্ন এনিমেতে বহুল ব্যবহৃত একটা টার্ম, বিশেষত নারুতো’র সবকিছুই কোন না কোনভাবে এই সেইজকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। রকুদো সেন্নিনের ছয়রাস্তার (ঠিক ছয় রাস্তা না, ছয় ডিমেনশন) বর্ণনা জাপানিজ মিথলজিতে যতটা না আছে তারচেয়ে বেশি পাওয়া যায় বুদ্ধধর্মের মূলকথায়।

বুদ্ধ ধর্মে মোট দশটি প্যারালাল ওয়ার্ল্ডের কথা বলা হয়, একে ডাইমেনশন হিসাবেই চিন্তা করা যায়, মানুষ অতীতের কাজের উপর নির্ভর করে পরজন্মে এর যেকোনটায় যেতে পারে বলে ধারণা করা হয়। তবে এই দশটি পাথ আমাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের মধ্যেই বিরাজমান, কারণ বুদ্ধদের বিশ্বাস সষ্ট্রা আমাদের প্রত্যেকের মাঝেই রয়েছেন। এই দশপাথের মধ্যে প্রথম ছয়টি হলো নিম্নস্তরের, এগুলোই সিক্স পাথ নামে পরিচিত, আর বাকি চারটা হলো উচ্চস্তরের, দ্যা ফোর নোবেল ওয়ার্ল্ড…

সিক্স পাথঃ
১) জিগুকোদো- হেল- সবচেয়ে খারাপ আর নিচের পাথ, এর বৈশিষ্ট্য হলো নারকীয় অত্যাচার আর কল্পনাতীত অশুভ…
২) গাকিদো- ক্ষুধার্ত অতৃপ্ত আত্মাদের ডিমেনশন
৩) চিকোশোদো- এনিম্যাল ওয়ার্ল্ড- অজ্ঞতা আর দাসত্বের প্রতিনিধিত্ব করে
৪) আসুরাদো- অসুর, ডিমন কিংবা অপদেবতার ওয়ার্ল্ড- ক্রোধ, হিংসা, যুদ্ধের প্রতিভু
৫) নিনদো- হিউম্যান ওয়ার্ল্ড- এদের মাঝে ভালো খারাপ দুটিই আছে, হাতের কাছে প্রজ্ঞার দরজা পেয়েও স্বার্থের তাগিদে অন্ধ হয়ে থাকে এরা…
৬) তেনদো- দেব-দেবীর পাথ- যদিও এরা আনন্দ আর মহানুভবতার মধ্যে বাস করে, ক্ষমতার আতিশয্য এদের অন্ধ করে দেয়, তাই এরাও সিক্স পাথের সর্বোচ্চ স্তরপর্যন্তই আছে…

ফোর নোবেল ওয়ার্ল্ড হলোঃ
১) জ্ঞানার্জন (Learning)
২) আত্ম উপলব্ধি ( Self Realization)
৩) বোধিসত্ত্বা (Altruism)
৪) বুদ্ধা (Supreme Happiness)
ফোর নোবেল ওয়ার্ল্ডে তারাই যেতে পারে যারা যাবতীয় ক্ষুধা, লালসা, ঘৃণা, হিংসা, ক্রোধ, আনন্দের উর্ধ্বে, এরা মূলতঃ বিভিন্ন শ্রেণীর মঙ্ক বা সেইজ। আমাদের আলোচিত সেইজ অব দ্যা সিক্স পাথ এমনই একজন সেইজ, তার সাথে যে আগায় রিং লাগানো লাঠি থাকে তাকে বলা হয় ‘সাকুজো’ (sounding stuff), মঙ্ক স্টাফ, প্রধানত প্রার্থনার কাজে ব্যবহার করা এই দন্ডের অনেক ধরণের ব্যবহার রয়েছে। বিভিন্ন রিচুয়ালে ব্যবহার করা হতো, আর জাপানিজ মঙ্করা সাকুজো ব্যবহার করত আত্মরক্ষা ও যেকোন ফাইটিং এ।

সাকুজো মূলতঃ তিন ধরণের হয়ে থাকেঃ
১) চার রিং এর- ফোর নোবেল ট্রুথ বুঝায় (দুঃখ, দুঃখের কারণ, পরিত্রান, পরিত্রানের রাস্তা)- সাধারনত নবিশ মঙ্করা এধরণের সাকুজো ব্যবহার করে…
২) ছয় রিং -সিক্স পাথ বুঝায়- বোধিসত্ত্বারা ব্যবহার করে…
৩) ১২ রিং- বুদ্ধা ব্যবহার করে
তাহলে ব্যবহৃত সাকুজোর টাইপের উপর ভিত্তি করে বলা যায় নারুতোর রকুদো সেনিন বোধিসত্ত্বার অধিকারী একজন বোদ্ধ সন্নাসী।


‘শিকড়ের সন্ধানে’- পর্ব ২

“দ্যা ওয়ে অব নিনজা (অন্ধকারের রহস্যময় গুপ্তঘাতক)”

এনিমে বিশ্বে কম বেশি যাওয়া-আসা আছে কিন্তু নারুতো সম্পর্কে জানে না এমন কেউ নেই, তাই নিনজা কিংবা শিনোবি শব্দটিও আমাদের অতি পরিচিত। সাধারণ ধারণাটা হয়ত এরকম, নিনজারা আনসাং হিরো, সুপারহিউম্যান ক্ষমতার অধিকারী, লোকচক্ষুর আড়ালে-আবডালে নানারকম মিশন সফল করে সাপোর্ট দিয়ে চলেছে সমাজকে, নিজের জীবন বিপন্ন করছে দেশকে রক্ষার জন্য, কতকটা আজকের সিআইএ কিংবা অন্য স্পেশাল ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চগুলোর মত। একবিংশ শতাব্দীর স্পাই, শেডি ডিটেকটিভ, স্পেশাল এজেন্টদের পূর্বপুরুষ এই নিনজাদের জীবনধারা কেমন ছিল, কিভাবে সূচনা হলো নিনজুৎসুর, জাপানের ইতিহাসে তাদের ভূমিকা কি ছিল?

শিনোবি শব্দের অর্থ অনেকটা ‘নিস্তব্ধে ছিনিয়ে নেওয়া’ যা নিনজাদের কাজকর্মের অনেকটাই ধারণা দিয়ে দেয়। জাপানে নিনজাদের উৎপত্তি হয় ফিউডাল এইজে, মোটামুটি ১২-১৫ শতকের দিকে, তবে তকুগাওয়া এরায় (১৬০০-১৮৬৮) এদের দূর্দান্ত প্রতাপ দেখায় যায়। নিনজাদের জীবনধারা ছিল মূলতঃ সামুরাইদের ঠিক বিপরীত, সামুরাইরা যেমন সুস্পষ্ট কোড বুশিডো মেনে সম্মানের সাথে জীবনযাপন করত আর যুদ্ধক্ষেত্রে সামনের সারিতে ঝাঁপিয়ে পড়ত, নিনজাদের নির্দিষ্ট কোন সিস্টেম ছিল না, উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য যেকোন ধরণের অসদুপায়-নিকৃষ্ট কাজ করতে তাদের বিবেকে বাধত না, বেসিকেলি তাদের বিবেক বলতেই কিছু ছিল না। তারা ছিল ভাড়াটে যোদ্ধা, অর্থের জন্য যে কারো সাথে বেইমানি কিংবা যে কারো পক্ষে কাজ করতে তাদের কিচ্ছু যায় আসত না। এ কারণে মূলতঃ এসাসিনেশন, স্যাবোটাজ, স্পাইয়িং এদের মূল কাজ ছিল। তৎকালীন শাসকদের জন্য কম কষ্টে, বিনা অযুহাতে প্রতিপক্ষ কিংবা শত্রুকে নীরবে ধ্বংস করার এমন মাধ্যম খুব আকর্ষণীয় ছিল, তাই নিনজারা হয়ে উঠেছিল অত্যন্ত জনপ্রিয় আর প্রভাবশালী।

শুরুতে বিচ্ছিন্নভাবে শুরু করলেও ১৪ শতকের দিকে নিনজারা ধীরে ধীরে সঙ্গবদ্ধ হতে শুরু করে, ফলে ধীরে ধীরে সূচনা হয় বিখ্যাত নিনজা ক্ল্যান ইগা আর কোগা ক্ল্যানের, অন্য নিনজাদের সাথে এদের অনেক পার্থক্য ছিল, এরা ছিল ডেডলি, শক্তিশালী প্রফেশনাল নিনজা, ১৪৮০ থেকে ১৫৮০ সালের দিকে ফিউডাল লর্ডদের মাঝে বিভিন্ন কাজে এদের চাহিদা ছিল অত্যন্ত বেশি, মূলতঃ গুপ্তহত্যা আর এসপিওনাজের জন্য। কিন্তু এমন গুপ্তহত্যার চেষ্টাই তাদের কাল হয়ে দাঁড়ায়, বিখ্যাত সামুরাই লর্ড নবুনাগাকে হত্যার চেষ্টা করায় ক্ষিপ্ত হয়ে নবুনাগা তাদের নিশ্চিহ্ন করে দেন।

মেজি রেস্টোরেশনের আগে টোকিও র অলি গলিতে রাজত্ব করা আরেক নিনজা ক্ল্যান ওনিওয়াবান গ্রুপ, এরা কিন্তু সরাসরি অষ্টম শোগান তকুগাওয়া ইউসিমুনের বানানো ইতিহাসের প্রথম স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সিক্রেট সার্ভিস ও ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি, এদের মূল দায়িত্ব ছিল ফিউডাল লর্ড ও গবমেন্ট অফিসিয়ালদের উপর কড়া নজর রাখা, মেজি এরায় ধীরে ধীরে কমে আসতে থাকে নিনজাদের দৌরাত্ম্য, একসময় নিনজা হয়ে উঠে আঞ্চলিক লিজেন্ড আর মিথের সংমিশ্রন সৃষ্ট রহস্যময় লোকগাঁথা।

নিনজাদের রহস্যময় সুপারহিউম্যান টেকনিক আর স্কিল সম্পর্কে প্রচলিত আছে অনেক গুজব আর উপকথা, বলা হয় তারা অদৃশ্য হতে পারত, নিজের রেপ্লিকা তৈরী করতে পারত, বিভিন্ন প্রাণি কিংবা অন্য মানুষের বেশ নিতে পারত, নিয়ন্ত্রণ করতে পারত আগুন, পানি, বাতাস। তবে এসবকিছুর কোন সুনির্ধারিত দলিল নেই। সে যাইহোক, নিনজারা ‘নিনজুৎসু’ (দ্যা আর্ট অব স্টিলথ) নামক বিশেষ মার্শালআর্ট চর্চা করত, কঠোর সাধনার মাধ্যমে তারা এমন সব করতে পারত যা পারতপক্ষেই সাধারণের চিন্তার অনেক উর্ধ্বে। এই নিনজুতসু মূলতঃ জাপানের রহস্যে ঢাকা ধর্ম ‘শিন্তো’, বুদ্ধ সেইজআর্ট আর চাইনিজ মার্শালআর্ট থেকে পরিপূর্ণতা লাভ করেছে।
নিনজা ওয়ারফেয়ারঃ টেকনিক, ছদ্মবেশ, অস্ত্র-শস্ত্র সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী আর তাক লাগানো, বেশিরভাগ নিনজা ট্যাকনিক সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় বিভিন্ন ধরণের নিনজা স্ক্রল থেকে, কয়েকটা বেশ মজারঃ

১) গার্ডকে বিভ্রান্ত করতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া- কাতন নো জুতসু, ফায়ার টেকনিক!
২) গাছে উঠে ক্যামোফ্লেজ নেওয়া, মুকতোন নো জুতসু, উড টেকনিক!
৩) আগাছা কিংবা লতাপাতা দিয়ে ঢেকে পানির নিচ দিয়ে চলাচল করা, সুইতন নো জুতসু, তারা মিজুগোমো নামক গাছের জুতো ব্যবহার করত পানির উপর দিয়ে হাটার জন্য!
৪) বলের মত গুটি মেড়ে নিশ্চল বসে থাকা, স্টোন টেকনিক…!
কি নারুতোর সাথে তেমন অমিল নেই, তাই না ?!

ছদ্মবেশ নিনজা ওয়ারফেয়ারের মূলবৈশিষ্ট্য, কখনো মঙ্ক, এন্টারটেইনার, কখনো রনিন কিংবা ভ্যাগাভন্ড, কিংবা কখনো ভবিষ্যত বক্তা হিসাবে নিনজারা তথ্য সংগ্রহ করে বেড়াত, আজকের দিনের জেন্ডার বেন্ডিং কসপ্লে কিন্তু খুব জনপ্রিয় ছিল নিনজাদের মাঝে। নিনজা ওয়ার টেকনিকগুলো খুব স্পেশাল ছিলঃ
১) এরা দলবদ্ধভাবে কাজ করত, পাসোয়ার্ড মেইনটেইন করত ২) প্রতিপক্ষ সৈন্যদের পোশাক পরে তাদের দলে ভিড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করত ৩) এমনকি যুদ্ধক্ষেত্রে পিছুহঠবার প্রয়োজনে নিজের দলের উপর চড়াও হত তারা, এই টেকনিক বিভিন্ন গৃহযুদ্ধ-বিদ্রোহ দমনেও ব্যবহার করা হয়।

নিনজাদের লাইফস্টাইল-ফাইটিং, টেকনিক আর ভিশন সম্পর্কে আরো জানতে দ্রুত দেখে নিতে পারেন কয়েকটা টেক্সটের সামারি, বিখ্যাত ‘জিরাইয়া গোকেতসু মনোগাতারি’ যার থেকে নারুতোর কাহিনী এসেছে কতকটা, ফুওতারো ইমাদা’র “দ্যা কোগা নিনজা স্ক্রল”, “দ্যা আর্ট অব ওয়ার”…

## এনিমেঃ নিনজাদের ফিচার করা এনিমের সংখ্যা কম হলেও মোটামুটি অনেক এনিমেতেই নিনজা ওয়ারিয়রদের দেখানো হয়েছে বিভিন্ন স্টাইলের ফাইটিং আর টেকনিক সহ।
১- নারুতো/নারুতো শিপ্পুডেনঃ তেমন কোন হিস্টোরিক্যাল বেস না থাকায় এটা দেখলে নিনজাদের সম্পর্কে সত্যিকারের ধারণা পাবার সম্ভাবনা কম, তবে তাদের লাইফস্টাইল, হাতিয়ার আর ওয়ারফেয়ার সম্পর্কে অবশ্যই ধারণা পাওয়া যাবে কিছুটা, আর এনিমেটা নিয়ে বলার তেমন কিছুই নেই, একজন এনিমখোরের বিরাট একটা অপূর্ণতা থেকে যাবে এটা না দেখলে, আমার পারসোনাল মোস্ট ফেভারিট, রেটিং- সাড়ে ৯/১০।
২- বাসিলিস্কঃ এই এনিমেতে ইগা আর কোগা ক্ল্যানের ইন্টারনাল ক্ল্যাশ দেখানো হয়েছে, নিনজাদের শক্তিমত্তা, ডিসেপশন, বিশ্বাসঘাতকতা, অনর্দ্বন্দ্ব আর ভয়াবহতা কিছুটা রিয়ালিস্টিকভাবে তুলে আনা হয়েছে এত, কিছুটা ভায়োলেন্স আর নুডিডিটি আছে, রেটিং সাড়ে ৭/১০
৩- নিনজা স্ক্রলঃ এক মারসেনারি নিনজার কাহিনী, একটা এনিমে আর একটা মুভি আছে, কিছুটা ভিন্নতা আছে কাহিনীতে। এনিমে রেটিং- ৭
৪- রুরোনি খেনশিনঃ ওনিওয়াবান নিনজা গ্রুপের কাহিনী চলে এসেছে এতে।
৫- কাতানাগাতারিঃ মানাবা নিনজা গ্রুপ
এছাড়া বিভিন্ন এনিমেতে অনেক ক্যারেক্টার আছে যারা নিনজা স্টাইল ধারণ করেছে, যেমনঃ ইউরোইচি, সইফন- ব্লিচ; শিগুরে-কেনিচি; ব্ল্যাক স্টার,সুবুকি- সোল ইটার; আয়ামে-গিনতামা, Sarutobi- Samurai Deeper Kyou …

এছাড়া আছে ‘Teenage Mutant Ninja Turtle’- অস্থির একটা কার্টুন, আর আছে ‘নিনজা হাত্তরি কুন’ (দেখলেই বুঝবেন কি জিনিস!)

#‪#‎নিনজাদের‬ নিয়ে কিছু মুভিঃ
১) নিনজা এসাসিন
২) আমেরিকান নিনজা সিরিজ
৩) জি আই জো

 

 

 

 

নারুতো (একটা প্রায় বায়াসড রিভিউ টাইপ লেখা) – Shafiul Munir

ফুটবল খেলায় হাফ টাইমে ৩-০ গোলে পিছিয়ে আছি, প্রতিপক্ষ একের পর এক আক্রমণ করছে, আমরা একটুও পেরে উঠছি না, সামনে হতাশা ছাড়া আর কিছু নেই। কি করব? হাল ছেড়ে দেব পরাজয় মেনে? নাকি অসম্ভবকে চ্যালেঞ্জ করে কোন বাধাকে পরোয়া না করে এগিয়ে যাব ‘হার না মানা’ মনোবল নিয়ে?

একের পর এক পরীক্ষা খারাপ হচ্ছে, টিউশন পাওয়া যাচ্ছে না, যাকে খুব ভালো ফ্রেন্ড ভাবতেন সেও দূরে সরে যাচ্ছে, যেটা করছেন সেটাতেই লুজার হচ্ছেন, জীবনের প্রতিটি প্রান্তে কুয়াশা ঢাকা অশুভের ছায়ায় দিশেহারা। কি করব? কি করবেন? সবকিছু ছেড়ে বনে বাদাড়ে চলে যেতে পারেন, আত্মহত্যা করতে পারেন, হতাশ হয়ে মদ-গাজায় দুঃখ ভুলতে পারেন, কিংবা উজুমাকি নারুতোর মত নিয়তির নিষ্ঠুরতা আর চারপাশের প্রতিকূলতাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে বলে উঠতে পারেন, “Give up trying to make me give up.”

শুধু মনোবলের দৃঢ়তা নয়, আছে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ট্যালেন্টের সুউচ্চ দেয়ালকে ভেঙ্গে চুরমার করে দেওয়া, অসম্ভব টার্গেটকে শয়নে-স্বপনে-জাগরণে বিশ্বাস করে প্রতি মুহূর্তে একটু একটু করে এগিয়ে যাওয়া। একটা এনিমে ক্যারেক্টার এভাবেই আমাদের নিতান্ত তুচ্ছ অবমানবতা আর মানবতার সন্ধিস্থলে নিয়ে আসতে পারে অতিমানবীয় দৃঢ়তা, আর হয়ত সত্যিই বদলে দিতে পারে অনেকগুলো জীবন। আমার কাছে তাই নারুতো এনিমেটা শুধু একটা ফিকশন নয়, আর নারুতো একটা কাল্পনিক নিনজা নয়, আমার প্রতিদিনের জীবনে একটা বিশাল অনুপ্রেরণা আর আইডল। সামুরাই এক্স, ডিবিজেড আর পোকেমন দিয়ে শুরু করলেও আমার এনিমে জগতের প্রথম প্রেম নারুতো, এরপর দেখেছি আরো অনেক ভালো কিছু এনিমেও, কিন্তু প্রথম ভালবাসায় আজো কেউ ভাগ বসাতে পারে নি।

যদি ফাইটিং আর কাহিনীর ব্যাপকতা ও সৌন্দর্য্যের কথা বলা হয় তাহলে সবসময় আসবে বিগ থ্রির সবচেয়ে বেশি সমালোচিত এই এনিমেটি, সমালোচনাগুলো যথেষ্ট যোক্তিক, বর্তমান নারুতো শিপ্পুডেনের নাম এখন অনেকে বলে থাকেন ফিলার শিপ্পুডেন কিংবা উচিহা শিপ্পুডেন। মূল কারণ, একের পর এক বিশাল বিশাল সব ফিলার আর কাহিনী নিয়ে অদ্ভুতভাবে ক্রমাগত মোচরানো। মূল চরিত্র নারুতোর চাইতে যেন উচিহারাই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে একটা সময় পর, আর একদম বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করলে সেটাকে অস্বীকার করারও উপায় নেই। তবে একদিকে যেমন সাসকে, মাদারা, ওবিতো কিংবা ইটাচির মত উচিহারা আছে, তেমনি ছিল/আছে কাকাশি, জিরাইয়া, গারা, হাশিরামা, বি, সুনাদে, শিকামারু বা অন্যান্যরা।, এই যে এত্তগুলো চরিত্র একসাথে প্রাধান্য বিস্তার করতে পারাটাই, সম্ভবত এখানেই নারুতোর মূল সার্থকতা।

নারুতো ২০১৪ তে শেষ হতে যাচ্ছে। কিশি ফুরিয়ে গেছেন, তিনি এখন গাজা খেয়ে লিখেন, তার সবচেয়ে বেশি পছন্দের ক্যারেক্টার স্টুপিড সাসকে, তার কাছে ভালো আর কি আশা করা যায়? তবে তারপর আমি এটাও ভাবি যে লোকটা এত্ত অসাধারণ সব প্লট সৃষ্টি করেছে, ইটাচি, জিরাইয়া, শিকামারু, মাদারা, কাকাশিদের মত অস্থির সব ক্যারেক্টার সৃষ্টি করেছেন, লি-গারা, নারুতো-নেজি, নারুতো-গারা, পেইন-নারুতো, ইটাচি-সাসকে সহ অসংখ্য অস্থির লেভেলের ফাইটিং সিন দেখেয়িছেন তার কাছ থেকে একটা ভয়ংকর সুন্দর আর অদ্ভুত সমাপ্তি আশা করাটা কি খুব বেশি আশা করা??

যাই হোক, আমি খুব খুশি এবং কৃতজ্ঞ যে এরকম একটা জিনিস আমি আমার জীবনে দেখে যেতে পেরেছি।

Emotional moments of anime from Animekhor BD group

Saiful Islam's photo.

Ekjon Rafat O Holud ব্লিচের ১৪৭ এপি যেইটাতে ওরিহিমে হুয়েকো মুন্দোতে যাওয়ার আগে ইচিগোরে শেষ দেখতে আসে,নারুতোর চুনিন এক্সামে গারার অতীত,জিরাইয়্যা,ইতাচি,ইয়াহিকো,নাগাতো,ওবিতো, ওয়ান পিসের নামির বেলমের সান এর মরার অংশটা,এইস,গোয়িং মেরির শেষ মুহূর্তটা,কোড গিয়াসে লিলুশ যহন কাদতে কাদতে ইউফিরে মারতে কয় ঐ অংশটা
আরো বহুত বহুত বহুত,বিলযবাবে ওগারে হিলদা যহন ড্রাগনটা থেইকা ফালায় দেয় ওই অংশটা…………..
আরো বহু উ উ উ উ উ উ উ ত
ব্লিচে যখন আইজেনের সাথে মারামারির পর ইচিগোর পাওয়ার চলে যায়, আর রুকিয়া ওর সামনে থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়, তখনও অনেক খারাপ লাগসে।

Farhad Mohsin আমি ডেথের বাইরে থাকি। ওগুলো নিয়ে বলতে গেলে তো কখনই শেষ হবে না।
নারুতোতে একটা ছিল পেইনের ইনভেশনের সময় যখন পেইন সবাইকে জিজ্ঞেস করে “নারুতো কোথায়”, তখন ইরুকা’র মনে নারুতো সম্বন্ধে ফ্ল্যাশব্যাক দেখায়, মানে ছোট থেকে কিভাবে স্ট্রাগল করে ঐ অবস্থায় আসছে আর শেষে সে বলে “নারুতো ইজ আওয়ার ফেলো নিনজা, অ্যান্ড উই উইল নেভার বিট্রে হিম”।
ব্লিচে যখন আইজেনের সাথে মারামারির পর ইচিগোর পাওয়ার চলে যায়, আর রুকিয়া ওর সামনে থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়, তখনও অনেক খারাপ লাগসে।
ফুলমেটাল আলকেমিস্ট, আলফন্সো যখন বলে “অ্যাম আই জাস্ট অ্যান আর্মর ডল?”, আর তারপর ওর সাথে উইনরির আর এডের কনভার্সেশনটুকু।

Wafa Tonny ফুল মেটাল আল্কেমিস্টঃব্রাদারহুডে যখন এডয়ারড গেটের ওপার থেকে আবার বের হয়ে এসে আলফন্সকে বলে’আই উইল কাম ব্যাক ফর ইউ……’ এপিক,ব্লিচ-এ ইচিগো সব পাওয়ার হারানোর পর ওর সামনে থেকে রুকিয়ার আস্তে আস্তে অদ্রশ্য হয়ে যাওয়া-আমারো খুব পছন্দের এবং ইমোসনাল একটা মোমেন্ট,আর কাউবয় বিবপ-র ফ্যান হিসেবে স্পাইকের কথা না বললেই না

Tasnim M Hasan যদিও আনিমে না,কিন্তু আভাটার এর টেল অব বাসিং সে এর আইরোহ এর সেগ্মেন্টে খুব কষ্ট লাগসিলো।লিলিউচের মারা যাওয়ার সময় আমার মনে হইসিলো যেন গলায় কিছু বিধে আছে।
তবে হা,সবাই রোলোর কথা বলে না,শারলি কে মারার জন্য তার ওপর সবাই খ্যাপা,কিন্তু ওর ডেথ সিন এ আমার খুব কষ্ট হইসে।বেচারা মনে অনেক কষ্ট নিয়ে মারা গেসে।
স্টেইন গেটস এ যখন অকাবে কিছুতেই বাচাইতে পারতেসিলনা,স্ক্রিনের সামনে আমার নিজেরই সেই রকম অসহায় লাগতেসিলো।আর মাকিসে কে যখন ও ফেলে চলে আসে,সারন এর বিরুদ্ধে নিজের বিজয় ঘোষনা দেয়,তখন আমি পুরো শেষ।
তবে রিসেন্ট সবচেয়ে কষ্ট লাগসে,পেত্রার বাবা আর লেভির সিনের কথা ডিটেইলস এ না গেলাম।আমি ক্লানড দুটোই দেখসি।কিন্তু আমার কখনো খারাপ লাগে নাই,সবাই যেমন বলসে।কিন্তু এইসব সিন গুলোতে লাগসে।

Itmam Hasan Dipro কাঁদি নাই কিন্তু বুক টা খালি করে দিসে এমন কিছু সিন আছে যেমন ১ ফেই্ট জিরো ১৬ থেকে শেষ এপিসোড পর্যন্ত ।
২ নানা দেইখা পুরাই পাগল হইয়া গেসিলাম ।
৩ এঞ্জেল বিটস ৩য় এপিসোড। 
৪ গিলটি ক্রাওন হারে আর ইনরি এর মৃত্যু ।
৫ zetsuen no tempest.

সৈয়দা হাসান প্রথমেই বলে নিচ্ছি, স্পয়লার থাকবে। যে বিষয়, স্পয়লার থাকার সম্ভাবনাই বেশি!  “প্রিয় ইমোশনাল মোমেন্ট”….হুম্‌ম, ভাবছি। কোনটা দিয়ে শুরু করব।
১। অ্যাভাটার। এপিসোড ৫৮-২য় পর্ব-“দ্য ওল্ড মাস্টারস”
যুকো আর আইরো-এর পুনর্মিলন। এ নিয়ে আমি আগেও বিশাল একখানা কমেন্ট দিয়েছিলাম আমারই এক পোস্টে। ঠিক কোন্‌ ক্ষণটা ভাল লেগেছে জানেন? যুকোর কান্নামিশ্রিত ও অনুতাপপূর্ণ ক্ষমাপ্রার্থনা শেষ হবার পূর্বেই আঙ্কেল আইরো যেভাবে আচমকা ঘুরে ওকে টেনে জড়িয়ে ধরে! এমনতর পুনর্মিলন আমি আশা করিনি…অনেক ভুলে যাওয়া অনুভূতি একসাথে এসে আমায় নাড়া দিয়ে গিয়েছিল! কতবার যে এ দৃশ্যটা টেনে টেনে দেখেছি!
২। গেট-ব্যাকারস্‌। এপিসোড ২২-“অ্যাওয়েকেনিং! দ্য অ্যাডভেন্ট অফ দ্য লাইটনিং এম্পেরর”
গিনজি প্রায় লাইটনিং এম্পেরর-এ পরিণত হতে চলেছে। আকাবানে ওর সাথে লড়াই করে ওকে আরো উসকে দিচ্ছে, গুনছে–৬,৫,৪, দুজনই এবার মরণ আঘাত হানবে….ঠিক এ সময় বান দুজনের মাঝামাঝি এসে পড়ে, গিনজির মুঠো করা হাত ঠেকিয়ে দেয়, আর বান-এর ডান কাঁধ ফুঁড়ে বের হয়ে আসে আকাবান-এর লম্বা লাল তরবারি। এক মুহূর্তের জন্য সব স্তব্ধ হয়ে যায়…গিনজি বিস্ফোরিত চোখে বান-এর দিকে তাকিয়ে। “না-নিয়া আত্তেনদায়ো গিনজি? তুমি… আমার নিষেধ …শুনলে না…” বলতে বলতে বান মাটিতে পড়ে যায়। দু হাতে মাথা চেপে ধরে গিনজি বসে পড়ে আর চাপা আর্তনাদ করে আকাশ-বাতাস কাঁপানো চিৎকার দিয়ে ওঠে! 
৩। সাকামিচি নো অ্যাপোলোন। (কিড্‌স অন দ্য স্লোপ)
—–এপিসোড ১১-“লেফ্‌ট অ্যালোন”
সেনতারো ওর ছোটবোন কে বাইকে করে রাতে বাইরে গিয়েছিল, মাঝপথে অ্যাক্‌সিডেন্ট করে। ওর ছোটবোনটা হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে।
কাওরু ওকে ছাঁদে একটা বেঞ্চিতে শুয়ে থাকা অবস্থায় পায়। সেন বলছে: “আমি যাদেরকে প্রটেক্ট করতে চাই, তাদেরকেই হার্ট করে বসি। আমি কেন যে জন্মালাম!” কাওরু(বন)-এর গাল বেয়ে অশ্রু ঝরছে, ফ্রেন্ডের অসহায়ত্ব, দু্ঃখ দূর করার কোন উপায়ই তার জানা নেই! কাওরু কে কাঁদতে দেখে সেন ঝট করে উঠে বসে…”ওয়! বন! কী হয়েছে? কীসের জন্য কাঁদছ?” বলে হাতটা ধরে আশ্বস্ত করতে যাবে…কাওরু হাতটা টেনে সেনকে নিজের কাছে এনে ওর মাথাটা নিজের বুকে চেপে ধরে, “দ্যিস ওয়ে, উই ডোন্ট হ্যাভ টু সি ইচ আদার ক্রাই।”…সেন হাসার চেষ্টা করে বলে, ” “আমরা”? আমি তো মোটেও….” কাওরু ওকে কথা শেষ করতে দেয় না, বলে, “ইট্‌স ওকে টু ক্রাই, সেন। তুমি এতদিন ধরে সব কষ্ট নিজের ভেতর জমিয়ে রেখেছ।” তখন সেন ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করে! ওর গলার কাছে দলা পাঁকিয়ে, আটকে থাকা কান্নাটা আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসে।
এটা এমনিতেই ইমোশনাল, আরো বেশি একারণে যে, আমি কোন ছেলেকে এভাবে আরেক ছেলে বন্ধুর সামনে কাঁদতে আর কখনই দেখিনি! অন্য কোন বই, মাঙ্গা, এনিমি, সিরিয়াল, মুভি তেও না!

—–এপিসোড ১২-“অল ব্লুজ”
অনেক বছর পর কাওরু আর সেন এর পুনর্মিলন। দূরে চার্চ থেকে পিয়ানোর পরিচিত সুর সেন-এর কানে ভেসে আসে….মুচকি এক হাসি দেয়, অবশেষে তার অদ্ভূত, ছিঁচ্‌কাঁদুনে, অতি মাত্রায় সেনসিটিভ আর কেয়ারিং বন্ধুটা তাকে খুঁজে পেয়েছে! আর সেন কে ডাকছে ওদের বন্ধুত্বের শিকড় “মিউজিক” দিয়ে!

৪। রুরোনি কেনশিন।
—–এপিসোড ৪৩/৪৪/৪৫ হবে।
ওকিনা কেনশিন কে অনুরোধ করে আওশিকে মেরে ফেলতে। মিসাও নিশ্চল হয়ে দাঁড়িয়ে। কেনশিন মিসাও-র কষ্ট বুঝতে পারে, তাই বলে যে ও আওশিকে মারবে না, বরং ওর মনুষ্যত্ব ফিরিয়ে আনবে। একথা শোনার পর মিসাও-র চোখ অশ্রুতে ভরে ওঠে।
—–এপিসোড ৫৪ থেকে ৫৬।
সোজিরো(যে বালক টার রাগ, ক্ষোভ কোন অনুভূতি-ইই হত না)আর কেনশিন এর ২য় ডুয়েল, সাথে সোজিরোর ফ্লাশব্যাক।
—–এপিসোড ৬০,৬১,৬২।
মাকোতো শিশিও (কী জটিল একটা চরিত্র!) আর কেনশিন এর শেষ লড়াই। ইউমি যখন নিজেকে স্যাক্রিফাইস করে, যাতে শিশিও জিততে পারে, তা দেখে কেনশিন-এর নিজের প্রথম স্ত্রীর প্রায় একইভাবে স্যাক্রিফাইস করার কথা মনে পড়ে যাওয়া; সানোসকে যখন উপলব্ধি করে সাইটোর বেঁচে ফেরার পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সিগারেটে ফুঁ দিতে দিতে সাইটোর ধ্বংসস্তূপে আগুনের লেলিহান শিখার মাঝে মিলিয়ে যাওয়া; পরবর্তী তে দর্শকদের(মানে আমার  )জানতে পারা যে সে আসলে বেঁচে গিয়েছিল!

——-আর “ট্রাস্ট অ্যান্ড বিট্রেয়াল” ও.ভি.এ. টার কথা না বললেই না। কেনশিন-এর ছোটবেলা, সেনসেই “সেইজুরো হিকো”র অধীনে শিক্ষা লাভ, হিটোকিরি বাটোসাই হিসেবে জীবন, প্রথম স্ত্রী “টোমোয়ে”র সাথে দেখা, তাকে পাও্য়ার আর হারাবার কাহিনী…..সব মিলিয়ে প্রচণ্ড রকমের ইমোশনাল। এত ইমোশনযুক্ত জিনিস সহ্য করার ক্ষমতা আমার নেই, তবু এটাকে ভুলতে পারি না……।

৫। ব্লিচ।
ব্লিচের কথা আর কী বলব! প্রতি কাহিনীতে, প্রত্যেক চরিত্রে…এত ইমোশনাল ব্যাকস্টোরি!
সবচে’ বেশি মনে পড়ে এপিসোড ১৬ “এনকাউন্টার, রেনজি আবারাই” —তে রুকিয়া ইচিগো-কে যেভাবে আঘাত দিয়ে কথা বলে(ওকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে), ওর দিকে শেষ যে চাহনি দিয়ে দরজার ওপাশে অদৃশ্য হয়ে যায়….ওফ্‌ফ্‌ফ!

এপিসোড ৩২ “স্টার্‌স অ্যান্ড দ্য স্ট্রে”—(ফ্ল্যাশব্যাক)রেনজি ও রুকিয়ার ছোটবেলা, কীভাবে ওরা আলাদা হয়ে যায়, রেনজির বর্তমান রিজল্ভ…আমার এ কাহিনী তে রেনজির জন্য ভীষণ মায়া হয়েছিল…

এরূপ আরো বেশ কিছু (আসলে অসংখ্য)”প্রিয় ইমোশনাল মোমেন্ট” আছে, যা বলতে বলতে রাত পার হয়ে যাবে! তাই এখানেই শেষ করছি আজকের মত।

!!!! True Loyalty Never Dies !!!!!!!! by Kazi rafi

দেড় বছর আগেও আমি অনেককে দেখসিলাম, একেকটা নারুতর নতুন নতুন চ্যাপ্টার বাইর হয় আর মানুষের সে কি সমালোচনা আর মুন্ডুপাত কিশিমোটোর; কিশিমোটো গাজা খায়ে নারুটো লিখতেছে, নারুটো আর আগের মতন নাই, পুরা লেম হয়ে গেছে, এই ওয়ার আর্ক আর কতদিন ধরে টানবে, আর তো ভালো লাগে নাহ, কিশিমোটোর উচিত নারুটো বন্ধ করে দেয়া, হ্যান ত্যান হাবিজাবি ব্লাহ ব্লাহ ব্লাহ !!!!!!!!!!!!!!!!!! দেড় বছর পার হয়ে গেছে কিন্তু এখনও সেই একি মানুষরা সেই একি প্যাঁনপ্যানানি এখনও করে যাইতেছে। আচ্ছা ওরা জানল কিভাবে যে নারুটো তে এখনও কি হইতেছে ??? এদের নাহ আরও দেড় বছর আগেই নারুটো পরা বন্ধ করে দেওয়ার কথা ??? তাদের ভাষ্যমতে নারুটো তো এখন গাঁজাখুরি থেকে গাঁজাখুরিতোমো পর্যায়ে পৌঁছায়ে গেছে, তাইলে তারা কেন এখনও নারুটো পরা বন্ধ করে নাই ?????? কারন তারা চাইলেও বন্ধ করতে পারবে নাহ ! কেন ? কারন এরপরের কাহিনী জানার অদম্য কৌতহল তাদেরকে নারুটো পরা থেকে বিরত রাখতে পারে নি !!!!! আচ্ছা এইবার আমাকে বলেন একটা সিরিয়ালাইযড মাঙ্গার মূল উদ্দেশ্য কি ??? নিজদের বিক্রি বাড়ানো ?? হ্যাঁ তা তো অবশ্যই। নিজেদের বিক্রি বাড়াতে না পারলে তো পাবলিকেশন কোম্পানির ব্যাবসা লাটে উঠবে সেই সাথে মাঙ্গাকার ভাত মারা হবে, কিন্তু সেই বিক্রি বারানো হবে কিভাবে ?? কিভাবে আবার, নতুন পাঠকদের আকৃষ্ট করার মাধ্যমে !! এখন সেটা করার জন্য পাবলিকেশন কোম্পানির হাজাররকমের ব্যাবস্থা নিয়ে রাখা আছে, so ওইদিক দিয়ে লাভের একটা অংশ ঠিকঠাক ! এখন আসি আসল কোথায়, পুরা মাঙ্গা বিক্রির লাভ কিন্তু এই নতুন পাঠকদের থেকেই আসে নাহ, এর মূল লাভটা আসে EXISITNG পাঠকদের থেকে ! এখন এই গ্রুপটি আবার দুটি ভাগে বিভক্ত, এক অংশ এখনও নারুটোকে তাদের আস্থার মাধ্যমে পরে যাচ্ছে, দেখে যাচ্ছে এবং ভালবেসে যাচ্ছে আর আরেক গ্রুপের কথা তো উপরেই বললাম ! এই দ্বিতীয় গ্রুপটির সুন্দর একটা নাম আছে আর সেটা হচ্ছে HYPOCRITES !!!!!! এই হিপোক্রেটদের এতো এতো হিপোক্রেসির পরও কিন্তু তারা ব্যর্থ, কারন তাদের এতো বোলচালের পরেও তারা নারুটো পরা থামাতে পারেনি যেভাবে ঠেকাতে পারেনি এর সাফল্য, এর বিক্রি, এর Profit !!!!
আমার এখনও মনে আছে, যখন ব্লিচে আরাঙ্কার সাগা চলতেছে, এবং ফেক কারাকুরা টাউন আর্ক শুরু হইছে, মানুষের সে কি হতাশা, রাগ, hatred !! ফ্যানরা তো টিটে কুবো রে খেতাবই দিয়ে দিলো একটা “Troll King” নামে !!! তাদের অভিযোগ কি ??? ব্লিচ গোল্লায় গেছে, কুবো ভিয়েতনাম থেকে গাজা আনায় গাজা সেবন করে ব্লিচ লিখতেছে !!!! এরপরে আররাঙ্কার সাগা যখন শেষ হইল, আইযেন যখন পরাজিত হল এবং তারপরে যখন নতুন ফুলব্রিং আর্ক শুরু হইল তখন পাঠক/ তথাকথিত ফ্যানরা যা করল তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করার মতন নাহ!! কেও কুবো রে জীবনে যত গালি গালাজ শিখছিল তা আর বলতে বাকি রাখে নাই, ফ্যানরা এতটাই ‘অপমানিত’ হইছিল ওর এই কাজে !!!! তাদের ভাষ্যমতে আইযেন্রে আটক করার পরেই ব্লিচ ‘শেষ’ করা দেওয়া উচিত ছিল কারন ব্লিচ বলে তাদের জীবন তা নষ্ট করে দিছে, ব্লিচ বলে এতটাই ‘ফাউল’ একটা মাঙ্গায় পরিণত হইছিল যে তা একদম পড়ার অযোগ্য হয়ে পরছিল !!!! এবং এখানেই সবচেয়ে আশ্চর্যকর বিষয়টা আপনারা খেয়াল করবেন, তাদের অনুযায়ী ফেক কারাকুরা টাউন আর্কের আগ থেকেই বলে ব্লিচের পতন শুরু হইছিল AND YET এই হিপক্রেটরা কিন্তু ফুলব্রিং আর্ক পরা থেকে নিজেদেরকে আটকে রাখতে ব্যর্থ হইছিল তানাহলে তারা কিভাবে জানল যে এই আর্ক হচ্ছে ব্লিচের সবচেয়ে তাদের ভাষ্যমতে জঘন্নতম আর্ক ????? এখানেই শেষ নয় !! ফুলব্রিং আর্কের পরে যখন Thousand Year Blood War আর্ক শুরু হইল এইসব হিপক্রেটদের মধ্যে বেশীরভাগেরই সুর পালটায় গেলো ব্লিচের ব্যাপারে ! এখন এই আর্ক হচ্ছে Soul Society আর্কের পরে তাদের সবচেয়ে প্রিয় আর্ক !!!!!!! হিপক্রেটদের এই হচ্ছে অবস্থা !!!!!!!!!!
আর ফেইরি টেইল, এই মাঙ্গা তো হিপক্রেটদের কাছে অন্যভাবে পরিচিত। শুরু থেকেই এদের ঘৃণার স্বীকার এই মাঙ্গা তাদের ভাষ্যমতে হচ্ছে ‘ Total Rip-off/Copy Of One Piece with Fan Service’ !!!!!!!!! এইটা বলার কারন কি ?? এইটা বলার কারন হচ্ছে হিরো মাশিমা আর ইচিরো ওওডার আর্টের মধ্যে রয়েছে ‘অবিশ্বাস্য’ মিল ! এইরকম মিল বলে জমজ ভাই বঁদের মধ্যেও বলে দেখা যায়না, এবং সেইকারণে তারা মাশিমা কে আড়ালে আবদালে ‘চোর’, ‘কপিকেট’ ডাকা শুরু করলো !!!!!!!
এই হিপক্রেটদের দলটা, তারা থাকবে সবজায়গায়, সমসময়, করে যাবে থাদের অর্থহীন প্যানপ্যাঁনানি, ঘ্যানঘ্যা্নানি, কিন্তু এদেরকে টেক্কা দিতে একইসঙ্গে থাকবে সেইসব আসল পাঠক/ ফ্যানরা যারা প্রথম থেকে আজ অব্দি পর্যন্ত তাদের পছন্দের মাঙ্গাকে, মাঙ্গাকাকে দেখিয়ে গেছে তাদের অবিচল আস্থার, ভালবাসার নিদর্শন, এবং দেখিয়ে যাবে শেষ অব্দি পর্যন্ত !!!! True Loyalty Never Dies !!!!!!!!

The BIG three Anime Hero – Asiful Haque


এনিম দেখার শুরু অনেক অনেক পরে হওয়াতে DBZ দেখা হয় নি; তাই গকুর প্রতি ভালবাসা টান কোনটাই সৃষ্টি হয় নাই; তবে উপরের সবার কমেন্ট পরে আর আগের অনেক আলাপ আলোচনায় মনে হয় এক জেনারেশন; অসামনেসের একটা জেনারেশন পিছায় গেসি। তবে এতে তেমন আফসোস নাই; সময় সুযোগ থাকলেও DBZ মে বি দেখা হবে না (নিজের স্বভাব জানি বলেই বলা; সুতরাং গকু পার্ট না হয় বাদ থাকুক  )

নারুতো আমার দ্বিতীয় এনিম ( ডেথ নোট এর পর); এর প্রতি ভালবাসাটা অন্যরকম; ফিলার শিপ্পুডেন যতটাই মেজাজ খারাপ করে দিক না কেন। তবে নারুতো পছন্দ হইলেও নারুতোকে পছন্দ – ব্যাপারটা এমন না; কারণ নারুতোতে আমার সবচেয়ে প্রিয় ক্যারেক্টার শিকামারুর; মাঝে মাঝে আমি চিন্তায় পড়লে শিকামারুর ওই কায়দায় হাত ভাজ করে চিন্তা করি   তবে নারুতোর প্রতি টানটা মে বি সবসময়ই থেকে যাবে; নারুতোই প্রথম হিরো যে আমাকে একসাথে হাসাইছে; কাদাইছে; নারুতো না থাকলে শুধু ডেথ নোটের অসাম্নেস দিয়ে মে বি আমার এনিম দেখা এতদুর আসতো না !!!! 

ব্লিচ ভাল লাগে; খালি কোপানি মাইর ধইর ফাইটের এর জন্য; ফাইটের জন্য ব্লিচের চেয়ে বেস্ট বা এর কাছাকাছিও কোনটা আসতে পারবে না; যদিও পেথেটিক হিটম্যান রিবর্ন এর ফাইটগুলাও আমার প্রিয়। কিন্তু হিরো হিসেবে ইচিগো আমার লিস্টে অনেক অনেক অনেক পিছনে !!! 

কিন্তু ৩ ক্যারেক্টারের মধ্যে প্রিয় সিলেক্ট করতে হলে লুফি কোন প্রতিযোগিতা ছাড়াই ভোট পাবে আমার; এই জায়গায় জোরো হইলেও পাইত। সেই আর্লং আর্কে “আত্তারিমায়দা” চিৎকার থেকে শুরু করে ম্যারিনফোর্ডে লুফির সাথে গড়াগড়ি করে কান্নাকাটি – একটা ক্যারেক্টার এত্তবার গুজবাম্প আর এত্ত এত্ত আবেগে আর কেউই ভাসাতে পারে নাই; ইন ফ্যাক্ট আমার এখন প্লে লিস্টে ১২ টা গানের ৩ টাই one piece এর AMV; এবং প্রত্যেকটা গান আসে আর আমি সব থামায় ভিডিও সহ দেখি  

সো; at the end of the day; লুফি ইজ মাই ইজিএস্ট চয়েস

Itachi, a hero of the shadows by Tahsin Kamal

এখন বড় কোন রিভিউ লিখার ইচ্ছা নাই। শুধু আমার খুব প্রিয় চরিত্র গুলার একজনের নাম আর এত প্রিয় হওয়ার কারণ বলতেসি। পরে একটা ভালভাবে লিখার চেষ্টা করব।

সেই Legend টা হইলো Itachi, a hero of the shadows… who acted behind the scenes(itachir এই দিক টা আমার আরেকটা প্রিয় চরিত্র lelouch এর সাথে মিলে), the badass who had the worst tragic life…. the legendary peace lover!

ইতাচির যেই দিকগুলো আমাকে মুগ্ধ করসে- 

তার নীরব চুপচাপ চরিত্র- সচরাচর আবেগ না দেখানো আর অর্থহীন কিছু না বলা।

ভাইয়ের প্রতি সীমাহীন ভালোবাসা-
“No matter what you decide or what you do from now on… I will love you forever”(Itachi’s last words and final gift to Sasuke)

অন্যের সুখের জন্য ত্যাগ করা-
“Self-sacrifice… A nameless shinobi who protects peace within its shadow. That is a true shinobi”

জীবনের প্রতি তার বাস্তব দৃষ্টিভঙ্গি-
“You’re such a child. You talk of nothing but pipe dreams… there are times when people must make painful choices.”

“People live their lives bound by what they accept as correct and true. That’s how they define “reality”. But what does it mean to be “correct” or “true”? Merely vague concepts… Their “reality” may all be a mirage. Can we consider them to simply be living in their own world, shaped by their beliefs?”

আমার চুপচাপ স্বভাবের matured টাইপ চরিত্র বেশি ভাল লাগে। সেইটাও ইতাচিকে এত ভাল লাগার একটা কারণ হতে পারে। ইতাচি আর মিনাতো এই ২ legend বেচে থাকলে নারুতো আনিমে টা আরো অনেক বেশি জোস হতে পারত। 

#RESPECT!

Itachi