রিভিউ কন্টেস্ট এন্ট্রি [২০১৫] #২৫: Natsume Yuujinchou [Natsume’s Book of Friends] — Shaikh Mohammad Habib

সিরিজ : Natsume Yuujinchou/ Natsume’s Book of Friends
পর্ব সংখ্যা – ৫৪ (৪ সিজন)
জনরা – স্লাইস অফ লাইফ, ড্রামা, সুপারন্যাচারাল
মাঙ্গাকা – ইয়ুকি মিদোরিকাওয়া
ডিরেক্টর – তাকাহিরো ওমোরি

সিরিজের প্রধান চরিত্র নাতসুমে তাকাশি, যে কিনা ছোটবেলা থেকেই বুঝতে পারে সে অন্য সবার চেয়ে একটু আলাদা। তার রয়েছে আত্মাদের দেখতে পাওয়ার অতিপ্রাকৃত ক্ষমতা।  তবে এই ক্ষমতা তার জন্য কোন কল্যাণ বয়ে আনেনি, বরং নিজেকে সবার সাথে মানিয়ে নিতে গোপন রাখতে হয়েছে আত্মাদের দেখার কথা। ঘটনাচক্রে নাতসুমে জানতে পারে তার দাদি রেইকোরও ছিল একই ক্ষমতা। তবে রেইকো ছিল কিছুটা ভিন্ন, আত্মাদের পরাজিত করে আনুগত্যের নিদর্শন হিসেবে তাদের নাম লিখে নিত তার নিজের একটি বইয়ে। উত্তরাধিকারসূত্রে সেই বই এখন নাতসুমের। নাতসুমের কাছে যেমন অসংখ্য নিরীহ আত্মা আসে তাদের নাম ফিরে পেতে তেমনি রেইকোর বই ছিনিয়ে নিয়ে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করার মত আত্মাদেরও মোকাবেলা করতে হয় নাতসুমের। আর এই যাত্রায় সঙ্গী হিসেবে পেয়েছে সে মাদারা/নিয়াঙ্কো সেন্সেইকে।

সিরিজটির কাহিনীতে অতিপ্রাকৃত উপাদানের উপস্থিতি সত্ত্বেও কাহিনির মুলে রয়েছে নাতসুমে তাকাশির নিজের অবস্থান খুজে পাওয়ার প্রচেষ্টা। আর এই প্রচেষ্টার মধ্য দিয়েই নাতসুমের চরিত্রের বিকাশ ঘটতে দেখা যায় সিরিজে। আত্মাদের সম্পর্কে জানার পাশাপাশি নিজের চারপাশ সম্পর্কেও সচেতন হয়ে ওঠে সে। বারবার উপেক্ষার স্বীকার নাতসুমে তাই ফুজিওয়ারা পরিবারের ভালোবাসা বুঝতে ভুল করে না। পাশাপাশি স্কুলে তার নতুন বন্ধুদেরও সে হারাতে চায় না। তাই তাকে সতর্ক পায়ে চলতে হয় প্রতি ক্ষেত্রে। তবুও নিজের দায়িত্বটুকু সে ভোলেনা, আত্মাদের নাম ফিরিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব টুকু চালিয়ে যায় সে। আর সঙ্গী হিসেবে পায় নিয়াঙ্কো সেন্সেই/ মাদারাকে। যার উদ্দেশ্য রেইকোর বইের মালিকানা পাওয়া, কিন্তু ধীরে ধীরে নাতসুমের বন্ধুতে পরিণত হতে দেখি এই বিড়ালরূপী সেন্সেইকে।

সিরিজটিতে বেশ ধীরস্থিরভাবে কাহিনী এগিয়ে নেয়া হয়েছে, যেখানে আমরা মূলত নাতসুমের বিভিন্ন আয়াকাশি/ আত্মাদের নিয়ে অভিজ্ঞতা দেখি,পাশাপাশি জানতে পারি তার দাদি রেইকোকে। তবে এক্সরসিজম এবং মাতোবা পরিবারের সাথে নাতসুমের দ্বৈরথের বিষয়গুলো বেশ আকর্ষণীয়। এটা আরও উপভোগ্য করা যেত যদিও অ্যানিমে সিরিজে প্রত্যাশিত মাত্রায় এই দ্বৈরথের উপস্থিতি নেই 🙁 ।

সব মিলিয়ে স্লাইস অফ লাইফ সিরিজ হিসেবে আমার লিস্টের অন্যতম সেরা নাতসুমে ইউজিনচোউ। নাতসুমের দ্বৈত জীবনে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পরিমিতভাবে। আবেগ, নাটকীয়তা, অতিপ্রাকৃত বিষয়ের উপস্থিতি সব কিছুই সিরিজে এসেছে পরিমিত এবং গোছানো রুপে। এ কারণেই আমার বিশ্বাস, সিরিজটি স্লাইস অফ লাইফ ফ্যানদের অন্তত নিরাশ করবে না।

25 Natsume

Natsume Yuujinchou রিভিউ — আকাশ

যখনই বোর লাগে, অথবা দেখার মতো কোন এনিমে পাই না,অথবা মন খারাপ থাকে, অথবা কিছু করতে ইচ্ছা করে না সে সময় দেখার মতো একটা এনিমে হলো Natsume Yuujinchou.

কাহিনি হলো , নাতসুমে একজন স্কুল পড়ুয়া ছাত্র, সে youkai অর্থাৎ আত্মা / ghost দেখতে পারে যা অন্য কেউ দেখতে পারে না। সে তার চাচীর সাথে থাকে এবং শুধু সেই একমাত্র মানুষ যে ইয়োকাই দেখতে পারে বলে তার মন খারাপ থাকে। উল্লেখ্য যে , তার গ্র্যান্ডমাদার রেইকো নাতসুমে ও ইয়োকাই দেখতে পারতো এবং সে ‘ Book of Friends’ বই এর ক্রিয়েটার, যেই বই এ বিভিন্ন ইয়োকাইদের সাথে নির্দিষ্ট কন্ট্রাক্ট সিল করে তাদের নাম এন্ট্রি করা হয়েছে। তার মৃত্যুর পরে তার নাতি নাতসুমের কাছে এই বই থাকে এবং বিভিন্ন ইয়োকাই তাদের নাম ফেরত নিতে আসে। এসময় সর্বদা তার বডিগার্ড হিসেবে সাথে থাকে Madara নামের অত্যন্ত শক্তিশালি এবং নোবেল একজন ইয়োকাই নেকো , যার সাথে তার চুক্তি হলো নাতসুমের কিছু হয়ে গেলে [মাদারার মতে মৃত্যু] Book Of Friends মাদারা নিয়ে নিবে।

এভাবেই এপিসোডিক এনিমেটির কাহিনি এগিয়ে যায়, আস্তে আস্তে আরো অনেকেই আসে , নাতসুমে তার গ্র্যান্ডমাদার সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারে। প্রচণ্ড শান্তি আর রিলাক্সনেস পাওয়া যায় শুধু এই এনিমেই । সাউন্ডট্র্যাক ও অনেক সুন্দর। আর এনিমেশন ও যথেষ্ট ভালো !

না দেখে থাকলে ১ টি ১ টি এপি করে দেখে সময় নিয়ে দেখে ফেলুন নাতসুমে ইউজিনচো। ৪ টা সীজন মোট। একটা এডভাইস , এই এনিমেটা শেষ করবেন না অথবা প্রাইম এনিমে হিসেবে দেখবেন না, বরং অন্য কোন এনিমে দেখার মাঝে এটার ১ থেকে ২ টা করে এপি দেখবেন, তাহলে সবচেয়ে বেশিক্ষন নাতসুমের সুধা পান করতে পারবেন।

2

Natsume Yuujinchou রিভিউ — Gourab Roy

Natsume Yuujinchou:(Natsume’s Book of Friends):

মনে করুন দিন রাত ২৪ ঘন্টা আপনি একটা কোন কিছু দেখতে পাচ্ছেন,যা আপনার চারপাশের কেউ পাচ্ছেনা।বল্লেও কেউ বিশ্বাস করছেনা,এদিকে আপনাকে বিনা পয়সায় মিথ্যাবাদী উপাধি দিচ্ছে.।বুক ফাটছে আপনার কিন্তু মুখ ফুটছেনা।
এনিমের নায়ক নাতসুমে ঠিক এ পরিস্থিতি তেই দিন কাটাচ্ছিল।সে ইয়োকাই বা আয়াকাশি দের দেখতে পায়,যা কিনা অন্য রা পায়না।তার একাকি দিনের অবশান ঘটে যখন সে তার গ্রান্ডমা এর রেখে যাওয়া একটা ইয়োকাই দের নাম সম্বলিত বই পায়।এ বই আলাদিনের চেরাগের মতই ক্ষমতাশালী ।এ বইয়ে যে সব ইয়োকাই দের নাম আছে তাদের সবাই ই নাতসুমের হুকুম তামিল করতে বাধ্য।কিন্তু গকু লেভেলের ভদ্রলোক নাতসুমে ইয়োকাই দের কে নাম ফিরিয়ে দিতে বদ্ধ পরিকর।আর এদিকে নাতসুমের সাথে পরিচয় হয় এক মোটা গোটা হুলো বেড়াল ইয়োকাই এর।যে নাতসুমের বডি গার্ড হিসাবেই থাকে।


ইয়োকাই খারাপ হয় ,ভাল হয় ,আবার অনেক কিউট ও হয় ।কিউট ইউওকাই গুলো দেখলে মনে হয় ইস ! একটু চটকে আসি… 😛 । নাতসুমে চায় এদের সাথে কো এক্সিস্ট করতে।কিন্তু কখন ও কখনো তাকে মারপিট করাই লাগে এই ইয়োকাই দের সাথে।
শেষ পর্জন্ত নাতসুমে পেরেছিল কিনা মানুষ এবং ইয়োকাই দের সাথে কো এক্সিস্ট করতে,কি হয়েছিল সেই পাওয়ারফুল বইটার এগুলো জানতে দেখে ফেলতে পারেন ৪ সিজনের,মোট ৫২ এপিসোডের নাতসুমে ইউজিঞ্চো।

এনিমেশন বেশ ভাল।এপিসোডিক কাহিনি,এবং একটু স্লো পেসড।স্লাইস অব লাইফ এর স্বাদ পাবেন বেশ ভাল ভাবেই। ব্যাক গ্রাউন্ড মিউজিক বেশ মানান্সই কাহিনির সাথে।আর ওপেনিং আর এন্ডিং সং গুলো বেশ হৃদয়গ্রাহী।প্রতিটা এপিসোড দেখার সময় আপনার মনে হবে জীবনে বুঝি কোন ব্যাস্ততা নেই,মনে হবে শীতের সকালে হাল্কা রোদে একটু কাপুনির সাথে আরামে শরীর এলিয়ে দিয়ে রোদ পোহাচ্ছেন ।

হয়ত আপনার ধুন্ধুমার পিটাপিটি দেখতে ইচ্ছে হচ্ছেনা,আবার একদম স্লাইস অব লাইফ এর ফ্যান ও না আপ্নি ।তাহলে সুপারন্যাচারালিটির স্বাদ যুক্ত Natsume Yuujinchou দেখে ফেলুন আর দেরী না করে,আর হারিয়ে যান এক অজানা ভাল লাগায় 🙂
আমার রেটিং: ৮.৫

‘ইফ ইউ লাইক দিস ইউ মে অলসো লাইক দ্যাট’ – ০৯

ইফ ইউ লাইকড ‘Mushishi’ ইউ মে অলসো লাইক ‘Natsume Yuujinchou’

আপনার কাছে ‘Mushishi’ ভালো লাগলে ‘Natsume Yuujinchou’’ ও ভালো লাগতে পারে

কারণ-

Mushishi’ ও ‘Natsume Yuujinchou’ এর মধ্যে মিল-

* দুইটাই এপিসোডিক অ্যানিমেই।
* মেইন ক্যারেক্টারদের স্পেশাল পাওয়ার আছে যার জন্য সুপারন্যাচারাল ক্রিয়েচার দেখতে পায় যা সাধারণ মানুষ দেখতে পায় না।
* সেইম জনরা এর- ফ্যান্টাসি, স্লাইস আভ লাইফ, সুপারন্যাচারাল।
* ইউনিক আর ড্রামাটিক স্টোরি।
* অসাধারণ সাউন্ডট্র্যাক।
* দুইটা অ্যানিমেই ই হিলিং, সুদিং।
* সেইম এটমোস্ফিয়ার। সফট কালার, আর্ট।
* স্লো-পেসড আর হার্ট ওয়ার্মিং সিরিস।
* ইন্টারেস্টিং ক্যারেক্টার।

Mushishi এর রিভিউ – Mushishi Review

Natsume Yuujinchou এর রিভিউ – NatsumeYuujinchou Review

Mushishi’ ও ‘Natsume Yuujinchou’ এর মধ্যে অমিল-

* ‘Mushishi’ এর মেইন ক্যারেক্টার Ginko বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমন করে বেড়ায় কিন্তু ‘Natsume Yuujinchou’ এর মেইন ক্যারেক্টার Natsume এক জায়গায় স্থির থেকে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে।
*  ‘Mushishi’ এর মেইন ফোকাস Mushi আর ‘Natsume Yuujinchou’ এর মেইন ফোকাস Yokai.
*  ‘Mushishi’ তে এক এপিসোডের ক্যারেক্টার অন্য কোন এপিসোড এ আসে না কিন্তু ‘Natsume Yuujinchou’ তে এক এপিসোডের ক্যারেক্টার অন্যান্য এপিসোড এ আসে।
* ‘Mushishi’ এর কাহিনির সেটিংস অনেকটা জাপানের Meiji Era এর দিকের কিন্তু ‘Natsume Yuujinchou’ এর কাহিনি্র সেটিংস বর্তমান জাপান এর।

এফ এ সি ১৫ – Farsim Ahmed

রান্ডম টপিক

সেন্পাই-কোউহাই

সেন্পাই-কোউহাই মূলত রিলেশনশিপসূচক শব্দ, যা ব্যবহার করা হয় নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে, যেমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, চাকরিতে সহকর্মীর সাথে বা কোনো ক্লাবে সতীর্থদের সাথে।সহজ কথায়,  সেন্পাই দিয়ে বোঝানো হয় সিনিয়র, আর কোউহাই দিয়ে জুনিয়র। তবে সেন্পাই বা কোউহাই সম্বোধন করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে এটা যথাযথ হচ্ছে কিনা। একই প্রতিষ্ঠানের সরাসরি সিনিয়র বা জুনিয়রের ক্ষেত্রে এই পন্থা অনুসরণ করা হলেও অন্য প্রতিষ্ঠানের মানুষের সাথে এসব কেইগো(সম্মানসূচক শব্দ) পরিহার করাটাই শ্রেয়। যেমন বাংলাদেশে ভাই, ভাইয়া ইত্যাদি টার্ম ব্যবহার করা হয়।

 

 

আনিমে সাজেশন

নাত্সুমে ইউজিন চো (Natsume Yuujinchou)

 

ছোটবেলা থেকেই বাবা-মা হারা নাত্সুমে তাকাশি ইওকাইদের(ভুতপ্রেত) দেখতে পেত, এই অস্বাভাবিক ক্ষমতার কারণে সবাই তাকে এড়িয়ে চলত। আত্মীয়রা কেউই তার ভার নিতে চাইলেন না, সবাই তাকে চাপিয়ে দিলেন অন্যদের ঘাড়ে। একের পর এক আত্মীয়ের বাড়ি ঘুরে ঘুরে যখন নাত্সুমে এক জায়গায় থিতু হলো, তখন সে খুঁজে পেল একটা বই, যে বইয়ে লেখা আছে হাজারখানেক ইওকাই এর নাম। ইওকাই মাদারার মাধ্যমে সে পারল, এই বইটা তার দাদী নাত্সুমে রেইকোর, যিনি ছিলেন অসাধারণ আধ্যাত্মিক ক্ষমতার অধিকারী। ইওকাইদের হারিয়ে তাদের আনুগত্যের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি এই নামগুলো যোগাড় করেছিলেন।তাকাশি ঠিক করলো সে এই ইওকাইদের মুক্ত করে দেবে, তার সাথী হলো মহা পরিক্রমশালী মাদারা।

 

কেন দেখবেনঃঅসাধারণ স্লাইস অব লাইফ।

কিছু আনিমে আছে, যেগুলো দেখলে মন ভীষণ শান্ত হয়ে যায়, কাম এন্ড সিরিন একটা ভাব আসে, আমি এই পর্যন্ত এমন  দুটো আনিমে দেখেছি, তার মধ্যে এটা একটা। ৪টা সিজন বেরিয়েছে, একটার চেয়ে এর পরেরটার রেটিং বেশি, তার মানে বোঝাই যাচ্ছে প্রতি সিকুয়েলেই আনিমেটা দর্শকদের মন ভরাতে সক্ষম হয়েছে।

 

কেন দেখবেন না:স্লো পেসিং, যেটা স্লাইস অব লাইফে মাস্ট। কাজেই ঘোর অ্যাকশনপ্রেমীর না দেখাই ভালো।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৪৬+৮.৬৮+৮.৭০+৮.৮০

আমার রেটিং ৯+৯+৯+৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

গুড এন্ডিং(Good Ending)

টেনিস ক্লাবের সিনিয়র ইকেতানি শো-কে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হলো উত্সুমি সেইজি। মন ভেঙ্গে গেল তার।তাকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে এলো একই ক্লাবের সদস্য, রহস্যময়ী এক সুন্দরী, কুরোকাওয়া ইউকি।চমত্কার বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো তাদের মধ্যে। সেই বন্ধুত্ব গড়ালো প্রেমে। কিন্তু একদিন সেইজি দেখতে পেল বিধ্বস্ত শো-কে, তার প্রেমিক তার সাথে করেছে প্রতারণা। পুরনো অনুভূতিগুলো সব বাঁধ ভেঙ্গে ছুটে এলো সেইজির মাঝে। কি করবে এখন সে?

 

কেন পড়বেনঃবেশ ভালো রোমান্টিক গল্প, ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী এগিয়েছে ভালোভাবেই, গুড এন্ডিং নামটা মানানসই।বলে রাখা ভালো, গুড এন্ডিং প্রথমে ছিল ওয়ানশট, পরে এর ব্যাপক জনপ্রিয়তায় কাহিনীটা নিয়ে পুরো ১৬ ভলিউমের মাঙ্গা বানিয়ে ফেলা হয়।

 

কেন পড়বেন নাঃ **স্পয়লার** সেইজি অনেকটা স্কুল ডেইস এর মাকোতোর মত, এটুকু বলাই যথেষ্ট। তার কিছু অ্যাকশন আমি কখনোই ক্ষমা করতে পারব না।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৯১

আমার রেটিং ৮

 

 

 

পরের সপ্তাহে এই বছরের শেষ এফ এ সি, আর তা হবে ফ্যাশনেবল। রেডি থাকুন।