Hyouka – The Curious Case of Chitanda Eru~~ লেখক রেড এলার্ট

[Writer’s Note: With little editing and cropping writer directly translated this from an English version of this review which belongs to him as well as the Bangla version. So you may find some English word/sentence in between. Writer begs pardon for this inconvenience.]

 ব্যক্তিগত ভাবে আমার পছন্দ হলেও, বহুবার বহু আনিমেকে রিভিউর স্বার্থে কম রেটিং দিতে হয়েছে। আমি মনে করি একটি রিভিউ লিখার সময় ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের কথা না ভেবে আনিমেটির প্রাপ্য মূল্যায়ন করা উচিত। আমি নিজেও যে সব সময় তা মেনে চলতে পারি সেটা নয় তবে চেষ্টা করি। শুরুতেই এসব বলার কারণ হল এই Hyouka রিভিউ দেখে অনেকে আমায় মনে মনে গালমন্দ করতে পারেন। তবুও আপনার যদি মনে হয় আমি Hyouka অপছন্দ করি, দেন ইউর আর্গুমেন্ট ইজ ইনভেলিড। ¯(ツ)/¯

 Hyouka_2What do you think they are looking at?

২০১০ সালের দিকে একটা আজিব SUBGENRE গজিয়ে উঠে যেটাকে এর আগে কেউ তেমন একটা পাত্তা দেয়নি, কিন্তু হঠাৎই এই SUBGENRE এর আনিমে তৈরিতে প্রোডাকশন হাউসগুলোর মাঝে একরকম হুলুস্থুল বেধে যায়। ললি (Loli) গোয়েন্দার দল আর তাদের খাঁজুরে রহস্য গল্প, এই হল সেই SUBGENRE এর মূল কনসেপ্ট। খুবই অল্প সময়ে ব্যাঙের ছাতার মতো চারদিকে ভরে যাওয়া এই আনিমেগুলোর মধ্যে কয়েকটা উল্লেখ্যযোগ্য হলঃ

        Un-Go by BONES STUDIO

        Loups=Garous by IG PRODUCTION

        Dusk Maiden of Amnesia by SILVER LINK

        Heaven’s Memo Pad by JC STAFF

        Dantalian by GAINAX (I love you but, fuck this shit GAINAX!)

        Tantei Opera Milky Holmes by JC STAFF

        Gosick by BONES STUDIO

উল্লেখ করা দরকার যে এগুলো আমি নিজে দেখেছি, এসব ছাড়াও আরও কত এই টাইপের আনিমে আছে কে জানে। এই আনিমেগুলোর কোনটাই আর দশটা গড় মানের আনিমে থেকে ভাল নয় এবং দর্শকদের জন্য নতুন কিছু নিয়ে আসতে পারেনি। এ ধরনের একেকটা আনিমে বের হয়, হইরই হয়, এবং যথারীতি কয়েক মাস পর ফ্যানদের হইচই স্তিমিত হয়ে আসে। তারপর আবার অন্য কোন প্রোডাকশন স্টুডিও আরেকটা আনিমে বের করে, এভাবেই চলতে থাকে এই অশুভ চক্র। আমার মাঝে মাঝে মনে হয় যে স্টুডিওগুলো একত্র হয়ে বাজি ধরেছে কে কত নিকৃষ্ট ললি গোয়েন্দা আনিমে তৈরি করতে পারে। এবং সেই বাজির খেলায় সর্বশেষ সংযোজন কিওটো এনিমেশন (Kyoto Animation) এবং তাদের Hyouka। এবার দেখা যাক খেলায় তারা জেতে নাকি হারে।

 Hyouka_1

প্রথমত, যদি আপনি K-ON প্রসূত MOE স্টাইলের ফ্যান হয়ে থাকেন তবে এই আনিমে আপনার পছন্দ হবে। আনিমেটির বাজেট আকাশ ছোঁওয়া এবং দেখতেও অত্যন্ত ডিটেইল্ড, জীবন্ত, পরিষ্কার এবং কাওয়াই দেসু~। ভয়েস অ্যাক্টিং আর মিউজিকও তাদের কাজ সফল ভাবে করতে সক্ষম হয়েছে। তবে আপনি যদি নতুন কিছু চান তবে তা এখানে খুজে পাবেন না। হাইস্কুল MOE জিনিষটার শুরু হারুহি সুজুমিয়ার দ্বারা। আর খামখেয়ালি MOE এর উদ্ভব K-ON থেকে। এবং এই দুটোর মিশ্রণ হল Hyouka। Hyouka-র সেই একই স্কুল গ্রাউন্ড আর MOE স্টাইল আর্টওয়ার্ক যেটা ২০০৬ সালে হারুহি সুজুমিয়া থেকে শুরু করে গত প্রায় এক দশক ধরে বহু আনিমেতে আমরা দেখে আসছি, তাই আমার মাঝে মাঝে মনে হয়েছে এই আনিমেগুলোর কোন একটাতে না আবার হারুহি এসে হাজির হয়। যেহেতু আর্ট তো আছেই, এমনকি দৃশ্যপটগুলোও হুবহু প্রায় একরকম, তো কেন নয়? এবং অবশ্যই আমি বলছিনা যে এই স্টাইল কুৎসিত কিংবা বিরক্তিকর; একই স্টুডিও KyoAni-র অন্যান্য টাইটেলগুলোর সাথে Hyouka-র এত মিল যে মাঝে মাঝে মনে হয়েছে আগের আনিমেগুলোকেই ঘসে-মেজে আবার দেখাচ্ছে, এই আর কি। তাই KyoAni-র এবার প্রয়োজন নতুন ধাঁচের কিছু করা।

তবে লাখ টাকার হাতি কিনা। বিক্রি করবে কে।

আনিমেটির কাহিনী হচ্ছে চার কাওয়াই টিনএজার, তাদের দৈনিক জীবন ও কিছু “নেই কাজ তো খই ভাজ” জাতিও রহস্য ঘিরে যেগুলো নিয়ে কোন স্বাভাবিক ব্যক্তি ২ মিনিটের বেশী ভাববে না। রহস্যগুলো কেমন তা এক কথায় বর্ণনা করতে গেলে বলতে হয় সেগুলো অনেকটা এরকম, “Why did the chicken cross the road?” এবং সমাধান হল “Because it saw a worm on the other side”।

তো সর্বকালের সবেচেয়ে বোরিং রহস্যগল্প অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী… Hyouka!!

 Hyouka_3

আর বাকি নন-মিস্টরি সময়টায় এর চরিত্রসমূহ আর তাদের পারসোনালিটি সম্পর্কে আমাদের জানার সুযোগ হয়। আনিমেটির মূল চরিত্র ওরেকির কাছে সবকিছু একঘেয়ে মনে হয় তবুও নতুন কিছু করতে সে আগ্রহী নয়। জীবন সম্পর্কে সে উদাসীন ও অলস। হঠাৎই এক কিউট মেয়ে চিতান্দার উদয় হয় এবং তাকে ক্লাব কর্মকাণ্ডে যোগদান আর নানারকম রহস্য সমাধান করতে উৎসাহিত করতে চেষ্টা করে। যদিও ওরেকি তাকে সবসময় এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করে কিন্তু চিতান্দা তার “কেন মুরগী রাস্তা পাড় হয়” জাতিও রহস্য দ্রুততার সাথে সমাধান করবার অতিপ্রাকৃত ক্ষমতা দেখে যারপরনাই মুগ্ধ। বিধায় ওরেকি কে চিতান্দা সর্বদা জ্বালাতন করে।

আপনি কি একজন অ্যান্টি-সোসিয়াল, যার জীবন সুখী কিন্তু একঘেয়ে? আপনি কি মনে করেন আপনি খুবই ক্যারিশম্যাটিক এবং বিপরীত লিঙ্গের ব্যক্তিদের উচিত আপনার প্রতি আরও আগ্রহী হওয়া, যদিও আপনি ভাব ধরে রাখেন যে আপনি কারও ব্যাপারে কেয়ার করেন না এবং অন্য সবাই এ কারণে আপনাকে নিয়ে পরিশ্রান্ত? তাহলে Hyouka আপনার জন্যই! টা-ডা!

জী না। ওটা কোনও কমার্শিয়াল বিজ্ঞাপন ছিল না।

 Hyouka_4

আমি বলবোনা যে পুরো জিনিষটাই আমার অপছন্দ হয়েছে, যেহেতু আনিমেটি শুধুই কমেডি আর গল্পহীন কিউটনেস নয়। প্রত্যেকটা পর্বেই কাহিনীর খানিকটা হলেও অগ্রগতি হয় এবং চরিত্রদের সম্পর্কেও কিছুটা জানা যায়। ব্যাপারটা হল, অগ্রগতিটা বেশ অপ্রতুল এবং যতটুকু হয় তার বেশীর ভাগই খামখেয়ালী আর MOE-MOE। যখনি চিতান্দা তার উজ্জ্বল চোখ জোড়া নিয়ে স্ক্রিনের দিকে তাকাবে আপনার মন চাইবে তাকে জড়িয়ে ধরতে। এই অনুভূতি থেকে রক্ষা পাবার কোন উপায় নেই। তাই এই আনিমেটা দেখতে হলে একটা নির্দিষ্ট অ্যাঙ্গেল থেকে এগোনো গুরুত্বপূর্ণ; একদল MOE চরিত্র টানটান উত্তেজনাময় রহস্যের সমাধান করছে এই হিসেবে নয়, বরঞ্চ খাঁজুরে সব রহস্যগল্প আর কিছু কিউট খেয়ালী চরিত্র নিয়ে একটা MOE আনিমে হিসেবে দেখতে হবে।

প্লট তেমন একটা নেই আগেই বলেছি, এন্ডিংটাও নিরেট হয়েছে বলে আমার মনে হয়নি। আবার প্রত্যেকের ব্যক্তিত্ব আর পটভূমি তিন লাইনে বর্ণনা করে দেয়া সম্ভব। তো Hyouka হল সেই আনিমেগুলোর মতো, যেগুলো আয়েশ করে বসে দেখা যায়, দেখতে দেখতে মাথায় নানারকম উদ্ভট চিন্তা খেলে যায়না এবং দু’ মিনিট পরপর চিতান্দা-র নানান কাওয়াই মুখভঙ্গি দেখে মোহাবিষ্ট হয়ে ওঠা যায়। আর অন্যসব ললি গোয়েন্দা আনিমে থেকে এ কারণেই Hyouka শতগুণে উত্তম। এখানে কোন ম্যাজিকাল কিংবা টেকনোলজিক্যাল নন্সেন্স নেই, অথবা কেউ কোন মার্ডার রহস্য ১০ মিনিটে সমাধান করে বসে থাকে না। রহস্য যা আছে তা আসলে চরিত্রগুলোকে কিছু একটা করতে দেবার জন্য হালকা একটা অজুহাত মাত্র, ফলে তারা যাতে স্কুলে লেখাপড়া করা ও একঘেয়ে জীবন থেকে রক্ষা পাওয়ার একটা সুযোগ ও লক্ষ্য পায়। তবে সেটাও Hyouka খুবই সুক্ষ ও সুন্দর ভাবে করেছে। তাই কোন NEET ললি গোয়েন্দা গোপন ক্যামেরা দিয়ে লোকের উপর গুপ্তচরগিরি করে বেড়াচ্ছে কিংবা কোন ছেলে মেয়ে সেজে  অভিযুক্ত আসামীকে ব্রেইনওয়াশ করে তার মুখ থেকে স্বীকারোক্তি বের করছে এই ধরণের আবর্জনা থেকে Hyouka হাজারোগুনে ভাল নয় কি? আর হ্যাঁ, ওই দুই ধরণের আনিমে দেখবার দুর্ভাগ্য আমার আসলেই হয়েছে।

Hyouka_5

তো KyoAni সবচেয়ে বাজে ললি গোয়েন্দা আনিমে তৈরির প্রতিযোগিতায় শেষ স্থান লাভ করেছে। দ্যাটস রাইট, এই SUBGENRE এর অন্যসব আনিমে থেকে Hyouka তার মূল কনসেপ্ট সঠিক ভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে, সুতরাং সব কিছু লেজগোবরে না করে ফেলবার জন্য Hyouka পাশ মার্ক পেয়ে যাবে। তবে যেহেতু রহস্যগল্প হিসেবে আনিমেটায় সত্যিকারের উত্তেজনা, বিপদ কিংবা কোন বৃহৎ লক্ষ্য নেই তাই লেজগোবরে করে ফেলবারও আসলে কোন সুযোগ নেই। এটাই MOE-র অসম শক্তি, MOE কখনই ভুল হতে পারেনা। শুধু মাত্র অত্যন্ত একঘেয়ে, যা মিলিওন মিলিওন মানুষের কাছে খুবই প্রিয়। প্রতিটি দিন নানান এক্সাম, বোরিং ক্লাস, ক্লাসের মস্তান টাইপ ছেলে, ডিমান্ডিং টিচার, বসের ঝাড়ি, কাজের চাপ আর ফেরার সময় রাস্তার হইহুল্লোর ইত্যাদি সামলে বাসায় এসে কম্পিউটারের সামনে আয়েশি ভঙ্গিতে বসে কেন মুরগীটা রাস্তা পাড় হল এই চিন্তা করা ছাড়া আর তেমন মাথা খাটাতে হয়না এমন একটা রিলাক্সিং আনিমে দেখতে নেহাতই মন্দ লাগেনা। আর হ্যা, যতবার চিতান্দা স্ক্রিনের দিকে চেয়ে মুচকি হাসবে ততবার গলে পানি হয়ে যাবার কথা বাদ দিব কেন।

যদি আপনি কোন টানটান উত্তেজনাপূর্ণ আনিমে দেখতে চান যেটা দেখতে দেখতে আপনার মাথায় শত রকমের চিন্তা খেলে যাবে তাহলে Hyouka থেকে দূরে থাকুন। তবে Slice of Life ফ্যানদের জন্য আনিমেটি উপভোগ্য হবে।

Hyouka_6

আমি চিতান্দাকে অত্যন্ত পছন্দ করি, তাই নিম্নের রেটিং দেখে আপনার যদি মনে হয় আমি অবিচার করছি, দেন কুল স্টোরি ব্রো, আই এম জাস্ট বিইং ফেয়ার অ্যান্ড স্কয়ার।

  • ART SECTION: 9/10

General Artwork 2/2 (well made, looks awesome)

Character Figures 1/2 (generic but ok)

Backgrounds 2/2 (basic but fitting with the feeling of the series)

Animation 2/2 (very smooth)

Visual Effects 2/2 (nice cinematic)

  • SOUND SECTION: 9/10

Voice Acting 3/3 (fitting perfectly with the feeling of the series)

Music Themes 3/4 (not great but fitting with the feeling of the series)

Sound Effects 3/3 (not great but good, fine support in cinematic)

  • STORY SECTION: 2/10

Premise 0/2 (boring as fuck)

Pacing 1/2 (slow as shit)

Complexity 1/2 (what?)

Plausibility 0/2 (who?)

Conclusion/Ending 0/2 (where?)

  • CHARACTER SECTION: 6/10

Presence 2/2 (super cute)

Personality 2/2 (cheesy but well founded)

Backdrop 1/2 (generic and simplistic but it’s there)

Development 1/2 (subtle but it’s there)

Catharsis 0/2 (doesn’t exist)

  • VALUE SECTION: 3/10

Historical Value 0/3 (none)

Rewatchability 1/3 (low because of too little plot)

Memorability 2/4 (a well made slice of life show but nothing worthy to remember it past that)

  • ENJOYMENT SECTION: 4/10

Art 1/1 (looks great)

Sound 1/2 (sounds ok)

Story 0/3 (what story?)

Characters 2/4 (sweet but that is all)

  • TOTAL: 6/10 [DECENT]

Armored Trooper Votoms – এক নির্দয় সৈনিকের গল্প – লেখক রেড এলার্ট

[Writers Note : With little editing and cropping writer directly translated this from an English version of this review which belongs to him as well as the Bangla version. So you may find some English word/sentence in between. Writer begs pardon for this inconvenience.]

5411910721_f8a516429d_b

Even if it’s God, I will not obey. — Chirico Cuvie

ভূমিকা

পরিচালক, স্ক্রিনরাইটার, উপন্যাসিক ও এনিমেটর ইওশিইউকি তমিনো তার গুন্দাম (Gundam) ফ্র্যানচাইজ এর মাধ্যমে আশির দশকে মেকা (Mecha) আর স্পেস অ্যাডভেঞ্চার ধারার আনিমেগুলোর মধ্যকার ব্যবধান ঘুচিয়ে ফেলেন। তার কয়েক বছর পরে আরেক পরিচালক ও লেখক রিওসুকে তাকাহাসি সেটাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান, যার ফলাফল হচ্ছে তার অনন্য সৃষ্টি আরমর্ড ট্রুপার ভিওটিএমএস আনিমেটি। মেকা ধারার আনিমে হিসেবে সিরিজটি কিছুটা অদ্ভুতই। সমলোচক হিসেবে আনিমেটির মূল্যায়ন করাও কঠিন কাজ। এক দিকে আনিমেটি এর সমজাতিও অন্যান্য রোবট/মেশিন ভিত্তিক ফিকশন থেকে অত্যন্ত বাস্তবমুখী এবং এতে প্রদর্শিত মেকাগুলোর চলাফেরা ও লড়াই অত্যন্ত রিয়ালিস্টিক। অন্য দিকে পুরো সিরিজটাই একরকম যান্ত্রিক ও নির্জীব; আবেগ ও অন্যান্য মানবিক অনুভূতি বলতে গেলে অনুপস্থিত; যা আছে তাও আবার সামরিক প্রকৃতির: নিরুত্তাপ ও কঠিন বাস্তবতা, শীতল ক্রোধ এবং জীবন নিয়ে নিহিলিস্টিক (Nihilistic) ধ্যানধারণা। আনিমেটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সোভিয়েত ইউনিওনের কথা মনে করিয়ে দেয়। কুকুরের মতো খেদিয়ে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র ছাড়াই সাধারণ জনগণকে সস্তা পণ্যের মতো স্টালিন যেভাবে যুদ্ধক্ষেত্রে লেলিয়ে দিয়েছিলেন (Conscription) এবং সোভিয়েত সৈন্যরা যেমন অমানুষিক ক্রোধ ও ঘৃণা নিয়ে থার্ড রাইখের উপর ঝাপিয়ে পড়েছিল, সেই অনুভূতির সাথে আরমর্ড ট্রুপার ভিওটিএমএস এর মিল আছে।

VOTOMS একটি সত্যিকারের অনন্য সিরিজ। শুধু জাপানিজ এনিমেশন নয়, পুরো ফিকশনাল জগতেই আনেমিটির কনসেপ্ট এক ও অদ্বিতীয়। কার্যত সকল মেকা তথা শোওনেন আনিমের মূল কনসেপ্ট রঙ্গিন চিত্তবিনোদন, অবাস্তব সমস্ত সুপার অ্যাটাক (Gomu Gomu no Pistoruuuuuuuuuu! :p) এবং অতি আবেগপ্রবণ চরিত্রসমূহ যাদের অর্ধেকের কাছে মানবজীবন অমূল্য, এরা হলেন আমাদের হিরো এবং তার বাহিনী আর বাকি অর্ধেকের কাছে ঠিক এর বিপরীত। না বলে দিলেও চলে এই বাকিরা ভিলেইন প্রজাতির। কিন্তু VOTOMS একটি বাস্তব দুনিয়ামুখী আনিমে, যার চরিত্রগুলো শীতল ও সুযোগসন্ধানী এবং যুদ্ধবিগ্রহ যেখানে সম্পদের নিয়ন্ত্রণ ও রাজনৈতিক এজেন্ডার অনুষঙ্গ মাত্র। এই দিকটির জন্যই VOTOMS রিওসুকে তাকাহাসির একটি দুর্লব ম্যাচিউর সৃষ্টি হিসেবে গণ্য করা হয়। আবার একই কারণে আনিমেটি খুবই নির্দয় ও নির্মম মনে হয়, ফলে Moe দেখে অভ্যস্ত সংখ্যাগুরু আনিমে ফ্যানদের জন্য আনিমেটি পছন্দ করা কষ্টের বিষয়।

Chirico Cuvie

 

প্রোডাকশন ভ্যালু

আরমর্ড ট্রুপার ভিওটিএমএস এর প্রোডাকশনাল ভ্যালুর ব্যাপারে একেক জনের মতামতের মধ্যে দুই মেরু ব্যবধানও দেখা যায়। আমার মতে এনিমেশন আর আর্টওয়ার্ক সামগ্রিক ভাবে বাস্তবমুখী এবং রিয়ালিস্টিক ফিজিক্স মেনে চলে (This is realism, this is physics, this is not.)। কিছু খুঁত থাকলেও তা হয়েছে মূলত সে যুগের সীমিত প্রযুক্তি আর বাজেটের কারণে। সেগুলো বাদ দিলে এনিমেশন যথেষ্ট উন্নত। চরিত্রগুলোর চলাফেরা বাস্তবানুগ, বিশেষ করে সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে। সাউন্ডট্র্যাক তেমন ভাল নয়, সহজেই ভুলে যাবার মতো, তবে ওপেনিং থিমটা আকর্ষণীয়। ভয়েস এক্টিং এত বেশী সিরিয়াস, আবেগহীন আর মিলিটারি-মিলিটারি ভাব আছে যে অত্যন্ত নীরস এবং যান্ত্রিক মনে হবে, পছন্দ করাটা কিছুটা কষ্টকর। যদি সামরিক বাহিনীর সাহচর্যে থাকবার সুযোগ আপনার হয়ে থাকে তাহলে বুঝতে পারবেন আমি কি বলতে চাইছি।

votoms_alone_gg_3

 

স্টোরি এবং কাস্ট

আনিমেটির প্লট নিয়েও রয়েছে মতবিভেদ। যদিও প্লট সেটিং ভালই মনে হয় তবে কিছু অসামঞ্জস্যতাও আছে। হিরোয়িক চরিত্রগুলো প্রায়সই অস্বাভাবিক রকম দ্রুত কোন দুর্ঘটনা, ইনজুরি ইত্যাদি থেকে কামব্যাক করে। আবার কোন ঘটনা কেন ঘটল কিংবা কিভাবে ঘটল ইত্যাদি তারা তদন্ত না করেই বা কোনও উৎস থেকে তথ্য না পেয়েও জেনে বসে থাকে, অথচ কিভাবে জানল সে ব্যাপারে কোন ব্যাখ্যা দেয়া হয়না। আনিমেটির কাস্ট অনেক বড়, কিন্তু তাদের মাঝে মূল চরিত্র চিরিকো কুভিয়ে বলতে গেলে একমাত্র কৌতূহলোদ্দীপক ও স্মরণীয় চরিত্র। চিরিকো একজন নিষ্ঠুর প্রকৃতির সৈনিক। আশির দশকের খাটি পুরুষ বলতে যা বোঝায় চিরিকো তাই। মডার্ন যুগের আনিমে, যেখানে হাইস্কুল পড়ুয়া মেয়েলি (GAY) লুকিং হিরো একটা ট্রেন্ড হয়ে গেছে (Rin Okimura, Kirito Kirigaya, Usui Takumi anyone?), চিরিকো সে যুগের নয়। চিরিকো কুভিয়ে আশি ও নব্বইর দশকের সেইসব পৌরুষদীপ্ত আইডলদের একজন যাদের হাইস্কুল ছাত্ররা দেবতাজ্ঞান করত (Spike Spiegel, Arnold Schwarzenegger, Bruce Willis হল কিছু উদাহরণ)। তার উদ্ধত মনোভাব ও আচরণ, দৃঢ়তা, শীতলতা, শত বিপদ ও মৃত্যুর মুখ থেকে বারবার বেঁচে ফিরে আসতে দেখা খুবই উপভোগ্য। সে একজন অ্যান্টিহিরো, নিষ্ঠুর মারসেনারি, একজন স্বার্থপর সুযোগসন্ধানী যে আগে কপালের মাঝ বরাবর গুলি ছুড়ে, তারপর প্রশ্ন করে। চরিত্র হিসেবে সে দারুন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে আনিমেটির অন্যান্য চরিত্রগুলো ক্ষণস্থায়ী কিংবা তার মতো দুঃসাহসী ও দৃঢ় ব্যক্তিত্বের নয়। এছাড়া, আনিমেটি পুরো মানবজাতিকেই EXPENDABLE / DISPOSABLE হিসেবে বিবেচনা করে এবং কেউ যদি নির্মমভাবে মৃত্যুবরণও করে (এবং সত্যিই এমনটা হয়) তবে দর্শকদের মাঝে কোনরকম প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির চেষ্টাও আনিমেটিতে দেখা যায়না।

shmain

 

গল্পের কাহিনী গিলগামেশ কনফেডারেশন আর বালারান্ট ইউনিয়নের মধ্যে চলা শতাব্দী বছরের পুরনো, সূচনা ভুলে যাওয়া এক যুদ্ধ নিয়ে। যে যুদ্ধে আস্ত্রাগিয়াস গ্যালাক্সির প্রায় ২০০ গ্রহ ভস্মীভূত হয়েছে। শেষ পর্যন্ত সাময়িক যুদ্ধবিরতি হলেও গল্পের নায়ক স্পেশাল আরমার্ড ফোর্সের সৈনিক চিরিকো কুভিয়েকে তার অজান্তে তার নিজ সৈন্যবাহিনীর বিরুদ্ধে এক গোপন মিশনে পাঠানো হয়। মিশনের এক পর্যায়ে তার সহযোদ্ধারা তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে এবং মহাশুন্যে মৃত্যুর মুখে ফেলে চলে যায়। কিন্তু ভাগ্যগুনে বেঁচে যাওয়া চিরিকো সেই গোপন মিশনের উদ্দেশ্য ও এর পিছনে কলকাঠি নাড়া ব্যক্তিদের পরিচয় উম্মোচনের সংকল্প করে। কিন্তু তার পিছনে লেগে আছে মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স আর ষড়যন্ত্রকারিরা, যারা কোনমতেই তাদের রহস্যময় এজেন্ডা উম্মোচিত হতে দেবেনা।

শেষকথা

আরমর্ড ট্রুপার ভিওটিএমএস সর্বকালের সেরা মিলিটারি অ্যাকশন আনিমেগুলোর একটি। এর মেকা রোবটগুলোর ডিজাইন ও স্টোরিলাইন স্বতন্ত্র ও অদ্বিতীয়। যেসব দর্শকেরা খুবই বাস্তবমুখী যুদ্ধ ও নিহিলিসম পছন্দ করেননা এই আনিমে তাদের জন্য নয়। মেইনস্ট্রিম আনিমে ফ্যানদের কাছে VOTOMS এর কাহিনী নিস্প্রভ ও ধরাছোঁওয়ার বাইরে মনে হবে। আমার নিজেরও যে অনেক পছন্দ হয়েছে তা নয়। আমার পরামর্শ জানতে চাইলে এই আনিমেটা বিনোদনের উৎস হিসেবে নয়, স্পেশাল ও অন্য রকম একটা আনিমে হিসেবে দেখতে সুপারিশ করবো।

Now for some half-assed rating:

STORY SECTION : 7/10

ANIMATION AND ARTWORK : 8/10

SOUND & VOICE ACTING : 5/10

CHARACTER SECTION : 7/10

ENJOYMENT SECTION : 5/10

OVERALL : 7/10

 

votoms

Panty & Stocking with Garterbelt – REPENT, YOU MOTHAFUCKA! – লেখক রেড এলার্ট

[Writers Note: Huge text of random stream of thought follows. Consider yourselves warned. With little editing and cropping writer directly translated this from an English version of this review which belongs to him as well as the Bangla version. So you may find some English word/sentence in between. Writer begs pardon for this inconvenience.]

5 Panty-and-Stocking-transformation

 

“O pitiful shadow lost in the darkness, O evil spirit born of those drifting between Heaven and Earth. May the thunderous power from the garments of these holy, delicate maidens strike down upon you with great vengeance and furious anger, shattering your loathsome impurity and returning you from where you once came! REPENT, YOU MOTHAFUCKA!” – Panty & Stocking Anarchy

যখন প্রথম আনিমেটার টাইটেল দেখলাম, ধরেই নিয়েছিলাম শত আনিমের মাঝে আরও একটা নিম্ন মানের এনিমেশন আর জঞ্জাল মার্কা স্টোরিলাইনে আপাদমস্তক ভরা এচ্চি কমেডির সামনে পড়ে গেছি। কয়েকদিন ফেলে রাখবার পর কৌতূহলবশত দেখতে বসলাম এবং উপলদ্ধি করলাম আনিমেটি সম্পর্কে আমার ধারণা ভুল ছিল। তবে এই অর্থে নয় যে Panty & Stocking with Garterbelt তথা PSG আমার ধরে নেয়া genre এর মধ্যে পড়েনা; আনিমেটি আসলেই একটি নিম্ন মানের এনিমেশন আর জঞ্জাল মার্কা স্টোরিলাইনে আপাদমস্তক ভরা এচ্চি কমেডি। যে জিনিষটা আনিমেটাকে অন্য সবার থেকে ভিন্ন করে তুলে তা হল এই যে… আনিমেটি ভিন্ন লোল।

আমি বলতে চাইছি যে একটি ভাল আনিমে, হোক কমেডি কিংবা অ্যাকশন, “ভাল আনিমের” খেতাব পায় তখন যখন তা দর্শকদের বিস্মিত ও উদ্দিপ্ত করতে সক্ষম হয়। কোন আনিমে দেখতে বসে আগামীতে ঘটতে যাওয়া কমেডি কিংবা অ্যাকশন দৃশ্যে কি হতে যাচ্ছে তা যদি ঘটার আগেই আপনি বুঝে ফেলেন তাহলে আপনি পেলেন একটি মাঝারি মানের আনিমে। কোন উঁচুদরের আনিমের কৌতুক দৃশ্য অথবা যুদ্ধের শেষ পরিণাম আগে থেকেই দর্শক ভবিষ্যদ্বাণী করে বসে থাকতে পারেনা বলেই সেটি আর দশটা আনিমে থেকে আলাদা। PSG-র সাফল্য এখানেই। আপনি কখনই ধরতে পারবেন না পর মুহূর্তে যা হতে যাচ্ছে তা বিয়োগান্তক নাকি হাস্যকর।

বেশীর ভাগ শো এক বা একাধিক ফর্মুলা অনুসরণ করে, PSG এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। গড়পড়তা শোওনেন অ্যাডভেঞ্চার আনিমের সূচনা পর্বগুলো দেখে আগে থেকেই আপনি মোটামুটি একটা ধারণা পেয়ে যাবেন বাকি ৫০০টি পর্ব কেমন হতে যাচ্ছে (দয়া করে আমায় বলবেন না যে নারুতো ও ওয়ান পিসের ক্ষেত্রে এ কথা প্রযোজ্য নয়)। প্লটের বিষয়বস্তু পরিষ্কার, সর্বশেষ পরিণামটাও স্পষ্ট, এখন আপনি শুধু এর মাঝেই ফ্যানসার্ভিস আর অ্যাকশন দৃশ্যগুলো থেকে কিছু বিনোদন আরোহণ করার চেষ্টা করতে পারেন। শুরুতে এবং মাঝে মাঝে এগুলো উপভোগ্য হলেও, প্রায়শই আনিমেগুলো দেখতে দেখতে নিজেকে নিস্তেজ মনে হয় এবং গ্র্যান্ড ফিনালে দেখে বলতে হয়, “Ok, it ended as I expected; now where is my popcorn?”

 

এখানেই PSG আমার ভাল লেগেছে। আগামীতে ঘটতে যাওয়া প্লট টুইস্ট ও কৌতুকগুলো আগে থেকেই আন্দাজ করে প্লটের মজাটা একরকম জোর করে নষ্ট করতেও ব্যর্থ হয়েছি। আজকাল আনিমে ইন্ডাস্ট্রিতে নিরাপদ ও পরীক্ষিত ফর্মুলার ব্যবহার বেশী, কেউ আর বাক্কানো কিংবা ঘোস্ট ইন দ্য শেল জাতিও ভিন্ন ধরনের আনিমে তৈরি করে ঝুকি নিতে চায়না। যখন অন্যেরা আনিমে ইন্ডাস্ট্রিতে প্রতিষ্ঠিত-সফল-ঝুঁকিহীন-বাঁধাধরা ধাঁচের চরিত্র এবং ছকে বাধা প্লটেই বেশি আগ্রহী, PSG তখন অনেকটা “Screw it, let’s just have fun” জাতিও ছোট ছোট গল্পতে পরিপূর্ণ। এ সময়ের সিরিজগুলোয় এটারই খুব অভাব; একটি আনিমে যখন দেখি তখন সেই আগের অনুভূতিটি পাইনা যে লেখক আনিমেটি যত্ন ও অনুরাগ দিয়ে লিখেছেন, ব্যবসায়িক সাফল্য পাবে কিনা কিংবা নির্বোধ ওতাকুর দলকে সন্তুষ্ট করবার জন্য যথেষ্ট moe আর কাওয়াই হয়েছে কিনা এধরনের দুশ্চিন্তা নিয়ে লিখেননি, যেমনটা অনুভূত হয়েছিল কাউবয় বিবপ, প্ল্যানেটিস কিংবা মাই নেইবর তোতোরো দেখে।

তবে আমি এটা পরিস্কার করে দিতে চাই যে Panty and Stocking with Garterbelt মোটেও ওরিজিনাল কিংবা যুগান্তকারী আনিমে নয়। এতেও ওতাকুগণের সন্তুষ্টির জন্য প্রচুর sexy/moe stereotype রয়েছে, কিন্তু সেগুলোও আবার অত্যন্ত খোলামেলা এবং উগ্র, বোঝাই যায় লেখক মহাশয় R-Rated সিল-ছাপ্পর এবং সেন্সরশিপের ভয় করেননি। অধুনা কালে শতশত কার্বন-কপি করা হারেম এবং এচ্চি কমেডি আনিমে গুলোতে একটি বিশেষ দৃশের অবতারণা বহুবার ঘটেছে, some dork gets to score with a chick and the chick may want it too but something really lame always happens every time to stop it. কেন? Why? এটা কি ওতাকুদের জন্য হতাশাজনক নয় যে “juicy part” গুলোতেই বারংবার থামিয়ে দেয়া হয়? আমি বলছি কেন, কারণ সেটাই হল লিমিট। এই লিমিট পার হয়ে “ওটা” পর্যন্ত যাওয়া আর হয়ে ওঠেনা ফলে ওতাকুবৃন্দ “ওটা” ছাড়াই সন্তুষ্ট থাকবার চেষ্টা করে, আর সেই “ওটা” হলঃ সেক্স। আমার যতদূর মনে পড়ে এর সাম্প্রতিক একটি নমুনা হল “বি গাতা এইচ কেই ইয়ামাদাস ফার্স্ট টাইম” আনিমেটি। এর সেলিং পয়েন্ট হচ্ছে এরকমটা, একটি হাইস্কুল পড়ুয়া মেয়ে যথেচ্ছ ভাবে বেছে নেয়া হাজারো ছেলের সাথে হাজারো নচ্ছার উপায়ে সেক্স করবার চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু আনিমেটি শুধু আজেবাজে স্বাদহীন সেক্স জোক এবং “বিশেষ মুহূর্তে” মেয়েটি ভয় পেয়ে যাচ্ছে অথবা কেউ এসে সমস্ত কিছু ভণ্ডুল করে দিচ্ছে এ জাতিও হাবিজাবি দেখিয়েই ক্ষান্ত থেকেছে। কেন? কারণ ওই যে, লিমিট।

তো PSG আবার এদিক দিয়ে বিদ্রোহী। গল্পের মূল দুই হিরোইনের একজন Panty (জী, নামটা ঠিকই শুনেছেন) এই মাত্র পরিচয় হওয়া ব্যক্তিটির সঙ্গে সেক্স করতে মোটেই ভীত নয়। শুনতে তেমন “জটিল” মনে হয় না এবং বাস্তব জীবনে হয়ত এমন চরিত্র পাওয়াটা অসম্ভব নয়, কিন্তু এক নন-হেন্তাই আনিমেতে? IMPOSSIBRU!! ধারণাতীত!! অন্য কোন শোর মতো হিরোইন শেষ মুহূর্তে এখানেও ভয় পেয়ে বসবে এই ধারণা যদি করে থাকেন তাহলে তা ভুল। এই শো অসম্ভব পরিমাণে শিট, পিউক, সেমেন, নগ্নতা, গালিগালাজ এবং অন্যান্য সকল উগ্র জিনিষ দেখাতে মোটেও ভীত নয়। যাইহোক, আনিমেটি ওরিজিনাল না হোক, এর আগে আর কেউই এমন উগ্রতা দেখাবার সাহস করেনি।

 

আর পুরোটাই সাধারণমানের এনিমেশনের দ্বারা দেখানো হলেও অপছন্দ করবার মতো নয়; বরঞ্চ কারোকারো কাছে আবার এটাকে ন্যাক্কারজনক রকম হাস্যোদ্রেককর মনে হবে। আনিমেটির এনিমেশনে লক্ষ করবার মতো আরেকটি বৈশিষ্ট্য আছে। সেটি হল এর পশ্চিমা ভঙ্গি যেটি আনিমেটিকে স্মরণীয় করে তোলে। শুধু তাই নয়, চরিত্রগুলো পাওয়ার পাফ গার্ল এর মতো সাধারণ ডিজাইনের হলেও আর দশটা আনিমের চরিত্র থেকেও বেশি জীবন্ত মনে হয়।

শুধু এনিমেশনই যে স্পেশাল তা নয়। এর সাউন্ডট্র্যাকও বিশেষত্ব পূর্ণ। বেশিরভাগ ব্রেককোর/ডাবস্টেপ ধারার মিউজিক। ব্যক্তিগত ভাবে আমি ডাবস্টেপ অপছন্দ করি। কিন্তু PSG এর সাউন্ডট্র্যাক এতই অসাধারণ যে শত ঝামেলা-ঝক্কি পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত আমাজন.কম থেকে কিনেই ফেললাম। Fly Away, Chocolate, Anarchy, Fallen Angel, Beverly Hills Cock, D-City Rock; এই গানগুলো অত্যন্ত মনোরম (unlike most anime OSTs) ও স্মরণীয়।

তো এবার প্লট এবং চরিত্র মূল্যায়নের পালা, আরেকবার পরিস্কার করে নেই Panty & Stocking with Garterbelt এর কনসেপ্ট ওরিজিনাল ও স্বতন্ত্র নয়। গল্পের চরিত্রসমূহ অন্যান্য আনিমের চরিত্রগুলোর মতই প্রচলিত ধাঁচের। কিন্তু তবুও তারা কখন কি করবে তা সম্বন্ধে আগে থেকে ভবিষ্যদ্বাণী করা যায়না এবং তাদের কাজকারবার কিছুটা মানে ইয়ে কি বলবো, এক্সট্রিম, বাকিটা নিজেরাই বুঝে নিবেন। আর তাদের এই সকল কর্মকাণ্ডই তাদের স্মরণীয় ও পছন্দনীও করে তোলে। সবসময় তারা কোন না কোন ধরনের অদ্ভুত কাজ করে যাচ্ছে ফলে আপনাকে একঘেয়েমিতেও ভুগতে হবেনা। আনিমেটির প্লট ছোট ছোট অনেকগুলো গল্পে বিভক্ত। প্রথম দৃষ্টিতে গল্পগুলোকে একেওপরের সাথে সম্পর্কহীন মনে হলেও আসলে তা নয়। আর প্রত্যেকটি গল্প কমবেশি ১৫ মিনিটের, একঘেয়েমিতে ভোগার সময় কই? I sure prefer this form to that of silly shows like Gintama, where they literally tell you when it is ok to laugh by making a reference to another show and YELLING THEY JUST MADE A REFERENCE!

আনিমেটির কাহিনী দুই বোন, স্বর্গের এঞ্জেল Panty Anarchy এবং Stocking Anarchy-কে ঘিরে। অপরিমার্জিত ব্যবহারের কারণে ঈশ্বর তাদের স্বর্গ থেকে বহিস্কার করে নরক ও স্বর্গের ফল্টলাইনে অবস্থিত দাতেন সিটিতে নির্বাসনে পাঠিয়েছেন। স্বর্গের টিকেট কিনে আবার ফিরে যেতে হলে তাদের প্রিষ্ট Garterbelt এর তত্ত্বাবধানে দাতেন সিটিতে আক্রমন চালানো দানবীয় সব “ভূত (spirit)” ধ্বংস করে যথেষ্ট হেভেন কয়েন আয় করতে হবে। গল্পের দুই হিরোইনের একজন Panty তার অন্তর্বাস Backlace নামক পিস্তলে রূপান্তরিত করতে সক্ষম। স্বর্গে ফিরে যাওয়া ছাড়াও তার আরেকটি লক্ষ্য হচ্ছে এক হাজার পুরুষের সাথে মিলিত হওয়া (!)। গল্পের দ্বিতীয় হিরোইন গথিক এঞ্জেল Stocking তার মোজা এক জোড়া কাতানায় রূপান্তরিত করতে সক্ষম। মিষ্টি খাবারের প্রতি তার অবিশ্বাস্য রুচি। Stocking এর ভাষ্য অনুযায়ী, “All the fat I gain goes to my breasts, allowing me to eat sweets to my heart’s content”। প্রিষ্ট Garterbelt তাদের দেখাশোনা করেন, তার বিশেষ কিছু fetish আছে যেগুলো সম্পর্কে এখানে বলতে আমি অপারঙ্গম। এছাড়াও আছে স্বঘোষিত ঘোস্ট হান্টার Brief Rock এবং অদ্ভুত ধরণের কুকুর Chuck।

আনিমেটি দেখে দর্শকদের তিন রকমের রিঅ্যাকশন হতে পারে। এর বাহিরে অথবা মাঝামাঝি অন্য কোন রিঅ্যাকশন হবার সম্ভাবনা আছে বলে মনে করিনা। যথাঃ
1)THIS IS THE BEST FUCKIN’ ANIME I’VE EVER SEEN IN MY LIFE!!
2)WTF DID I JUST SEE?!
3)THIS IS THE WORST SHIT I’VE EVER ENCOUNTERED IN MY WHOLE GODDAMN LIFE!!

আনিমেটির নির্মাতা হল GAINAX, এই ধরনের গাঁজাখুরি জিনিষ বানাতে আবার তারা সিদ্ধহস্ত। ১৯৯৫ সালে নিওন জেনেসিস এভানগেলিওন বানানোর মাধ্যমে আনিমে ইন্ডাস্ট্রিতে এক বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলেছিল তারা। এভানগেলিওন সে সময়ের আনিমেগুলোর প্লট এবং চরিত্রের ছকেবাধা প্যাটার্নটাকে এক রকম হাস্যকর এবং তুচ্ছ করে তুলেছিল। মেকা (mecha) Genre-টাকে ভেঙ্গেচুড়ে নতুন করে সাজিয়েছিল। এমনকি ভিন্ন কিছু তৈরি করবার ঝুঁকি থেকে অন্যান্য নির্মাতাদের পলায়ন প্রবৃত্তিকেও পরোক্ষ ভাবে ব্যঙ্গ করেছিল GAINEX এর এভানগেলিওন।

তৃতীয়বারের মতো পরিস্কার ভাবে বলে নেই, Panty & Stocking with Garterbelt নিওন জেনেসিস এভানগেলিওন নয় এবং এর মধ্যে বিপ্লবী কিছু নেই। তবে এই আনিমেটি এভানগেলিওনের মতো আরও একবার মনে করিয়ে দেয় নতুন কিছু দেখানোর ঝুঁকি থেকে পালাবার কিছু নেই, যেটা গত ৫ বছর ধরে জাপানিজ আনিমে ইন্ডাস্ট্রি করে আসছে। প্রত্যাশা করা যায় আগামীতে আনিমে নির্মাতারা অত্যাধিক moe ও এচ্চির বদলে ভিন্ন ধাঁচের কিছু আনিমে তৈরিতে উদ্যোগী হবে। মানুষের উদ্ভাবনী ক্ষমতা অসীম এবং নতুনত্বতে তার নেশা, তবে কেন আমরা সাধাসিধেতেই সন্তুষ্ট থাকব? We can always strive for something different. The sky is the limit… and even that can be pierced by Guren Lagann.

 

Now for some excused scoring:

  • ART SECTION: 10/10

General Artwork 2/2 (looks special)
Character Figures 2/2 (perky and sexy)
Backgrounds 2/2 (lots of sex innuendos)
Animation 2/2 (minimal but highly artistic)
Visual Effects 2/2 (you actually read the sounds)

  • SOUND SECTION: 10/10

Voice Acting 3/3 (bonus for profanity)
Music Themes 4/4 (go buy the OST)
Sound Effects 3/3 (cartoony and as I said, you also read them)

  • STORY SECTION: 7/10

General Scenario 2/2 (Bitch angel in a deprived city sounds uncommon to me)
Pacing 2/2 (mostly fooling around but doesn’t let you be fed up with the dead time)
Side Stories/Extra Spices 1/2 (present but rushed and superficial)
Believability/Reasoning/Realism 1/2 (the action makes little sense but it’s themes are constant)
Conclusion 1/2 (a cliffhanger, believe it or not)

  • CHARACTER SECTION: 4/10

Presence 2/2 (Attractivene and cute)
Personality 2/2 (A bitch, a hard to get goth, a gay afro priest, a Kenny dog; sounds interesting to me)
Backdrop 0/2 (um… what?)
Development 0/2 (who?)
Catharsis 0/2 (where?)

  • VALUE SECTION: 8/10

Historical Value 2/3 (very special amongst other anime of its time but not all time classic)
Rewatchability 2/3 (works only the first time but still gets kicks when you show it to others)
Memorability 4/4 (extreme enough not to be forgotten)

  • ENJOYMENT SECTION: 9/10

The epitome of guilty pleasure

  • TOTAL: 8/10

কিছু কিছু অংশ মোটেও কৌতুককর মনে হয়নি, এছাড়া অত্যন্ত উপভোগ্য। যদি এ ধরণের হাস্যরসে কোন আপত্তি না থাকে তাহলে আনিমেটি দেখতে পারেন। আর যদি আপত্তি থাকে এই আনিমে আপনার জন্য নয়। HATERS GONNA HATE!

Neon Genesis Evangelion – Anime Nostalgia Series – লেখক রেড এলার্ট

12 Evangelion
“Even though a hedgehog may wish to get close to another hedgehog, the closer they get the more they injure each other with their spines.” – Ritsuko Akagi

নিওন জেনেসিস এভানগেলিওন, আনিমে ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত এবং ইন্ডাস্ট্রিয়ালি influential আনিমেগুলোর একটি। আনিমেটিকে ঘিরে নানানরকম সাইকোলজিক্যাল এবং সাইয়েন্টিফিক mambo-jumbo রয়েছে। কিন্তু রিভিউ সংক্ষিপ্ত করবার জন্য আমি তা এড়িয়ে যাব। প্রশ্ন হল, কেন জাপানিজ এনিমেশন ইন্ডাস্ট্রির জন্য এভানগেলিওন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?

For a huge number of reasons. Here is a nice list for you to follow.

১) যখন এভানগেলিওন ব্রডকাস্ট করা হল তখন জাপানসহ তৎকালীন বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দায় জরাজীর্ণ। জাপানের বহু নাগরিক অসচ্ছল ও বেকার জীবনযাপন করছিল। এছারাও খুব শীঘ্রই দ্বিতীয় মিলেনিয়াম শেষ হতে যাচ্ছিল ফলে বিশ্বে THE END IS NEAR জাতিও হট্টগোল শুরু হয়েছিল। Nostradamus’ prediction, মিলেনিয়াম ভাইরাস, টোকিও সাবওয়ের সারিন গ্যাস টেররিসম কিংবা পৃথিবী “ধ্বংস” হয়ে যাবার পূর্বেই সোলার সিস্টেমের কাছ দিয়ে যাওয়া ধূমকেতুর মাঝে “আত্মা বপণের” উদ্দেশ্যে জাপানে দলে দলে গ্রুপ সুইসাইডের ঘটনা ইত্যাদি মিলিয়ে সে দেশে অর্থনৈতিক এবং মানসিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। NGE এক বিধ্বস্ত নিকটবর্তী ভবিষ্যতের কথা বলে যেখানে মানুষকে অর্থনৈতিক সঙ্কট, ব্যাপক জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং বহিরাগত শত্রুর সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকতে হয়। এই ডার্ক থিমটা জাপানিজ অডিয়েন্স পছন্দ করে। তাদের ভবিষ্যৎ যেন তারা এভানগেলিওন এর আয়নায় দেখতে পাচ্ছিল।

বাজে সাব-ডাব ও ইকনমিকাল বিস্ফোরণের কারণে সে সময় বাকি বিশ্ব আনিমেটির মূল কনসেপ্ট ধরতে না পারলেও ১৫ বছর পর বৈশ্বিক অর্থনীতি যখন আবারো মন্দায় আক্রান্ত এবং “2012 marks the end of the world” জাতিও হাবিজাবি নিয়ে হইরই চলছে ঠিক তখনি এভানগেলিওনের পরিমার্জিত ভার্সন “Renewal” বের হবার পর আনিমেটি আলোচনার তুঙ্গে উঠে আসে।

২) Great production values. অর্থাৎ আনিমেটি KEWL VIUSAL এ পরিপূর্ণ। শুনতে যতই অপরিপক্ক মনে হক না কেন অধিকাংশ ওতাকু একটি সিরিসে সবার আগে এটিই খুজে এবং এভানগেলিওনের প্রমোশনাল মেথড হিসেবে এর ভিসুয়াল এফেক্ট ভালই কাজে দিয়েছে। আমি এমন অনেক আনিমের নাম করতে পারি যেগুলোর ভাল স্টোরিলাইন এবং ইন্টারেস্টিং cast থাকা সত্ত্বেও COOL VISUAL ওয়ালা আনিমের সাথে প্রতিযোগিতায় ব্যর্থ হয়েছে। তবে এভানগেলিওন মোটেও তেমনটি নয়। আনিমেটির এনিমেশনে ভাল-খারাপ দুটো দিকই রয়েছে, সাথে রয়েছে এর দুই ফাইনাল এপিসোড যেগুলোকে এনিমেশন না বলে badly drawn caricatures এবং random image flashing বললে মানাবে ভাল। আমরা সহজেই ধারণা করে নিতে পারি শেষের দিকে আনিমেটির ডিরেক্টর Hideaki Anno-র বাজেট ফুরিয়ে গিয়েছিল। তা সত্ত্বেও তিনি দর্শকদের উদ্দেশ্যে জগাখিচুড়ি প্লট আর দায়সারা এন্ডিং ছুড়ে মারেননি। বাজেটকে মধ্যম অঙ্গুলি প্রদর্শন করে একটি ক্রিয়েটিভ এন্ডিং প্রদর্শন করেছেন। অরিজিনাল এন্ডিং যদি কারো পছন্দ না হয় তবে তাদের জন্য The End of Evangelion নামক দু পর্বের আলটারনেটিভ এন্ডিংও তৈরি করেছেন তিনি। Bravo my good man.

৩) Interesting action scenes. Meaning, KEWL CRASHIN’ AN’ BLOWIN’ AN’ LAZERIN’ AN’ THE SHITZ! প্রত্যেকটি অ্যাকশন দৃশ্যে প্রতিপক্ষ হিসেবে ইউনিক দানবীয় হানাদার বায়োলজিক্যাল লাইফ ফর্ম তথা এঞ্জেল ব্যবহার করা হয়েছে। একেকটি এঞ্জেলের ডিজাইন এবং attitude একেক রকম এবং একেক জনকে মোকাবিলায় একেক রকমের সমরকৌশল প্রয়োজন। আনিমেটিতে SAO এর মতো কোন kill-em-all-magic-sword কিংবা রিপিটেড strategy নেই।

13 Asuka

 

৪) Deconstruction of the genre. এভানগেলিওনের শুরুটা হয় আর দশটা Mecha আনিমের মতই। বিশাল বিশাল সব মনস্টার ধেয়ে আসছে পৃথিবী তথা টোকিও ধ্বংস করতে আর একদল kawaii টিনেজার জায়ান্ট রোবটে চড়ে লড়াই করছে মানবজাতি রক্ষার্থে। ১৯৭২ সালে রিলিস পাওয়া আনিমে Mazinger Z এর পর থেকে Mecha genre অনেকটা এই ধরাবাঁধা নিয়মেই আটকে ছিল। আশির দশকের আনিমের ধাঁচটাই ছিল সহজ-সরল। কিন্তু Hideaki Anno-র নিওন জেনেসিস এভানগেলিওন এক ফুঁয়ে তৎকালীন Mecha genre এর এই mainstream ধাঁচটাকে উড়িয়ে দিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন রকম স্টোরিলাইন পরিবেশন করে। NGE এর স্টোরিলাইনে নানান রকম গোপন এজেন্ডা রয়েছে, many things that were not what they seemed, রয়েছে দর্শকের আন্দাজ এবং ধারণাকে বারবার ভুল প্রমাণিত করে মাথা ঘুরিয়ে দেয়া প্লট টুইস্ট, এবং এত সব মিলিয়ে শেষ পর্যন্ত পুরো গল্পটিই একটি রহস্যে পরিণত হয়েছে, অনেক প্রশ্নের উত্তর রয়ে গেছে অনুচ্চারিত। তবুও এমন দক্ষতার সাথে সেটি করা হয়েছে যে দর্শক মোটেও অসন্তুষ্টবোধ করবেনা। যেমনটি এর আগে কখনো করা হয়নি এবং এখনও বলতে গেলে করা হয়না। And even when it’s done, it’s usually around the mystery exposition quality of Bleach; so frakk it!

৫) Cute girls and fan service. Yep, NGE has that too. Happy you perverted freak? আনিমেটির প্রত্যেকটি নারী চরিত্র আকর্ষণীও এবং তাদের উন্নত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য কিংবা সেক্সুয়াল দৃষ্টিভঙ্গিতে ভাগ বসানোর সুযোগ দর্শকদের দেয়া হয়েছে। Hell! স্কাইরাইজ বিল্ডিং সমান উচু রোবটের সাথে আকাশ ছোঁওয়া দানবের লড়াই যেগুলো আবার আধা থার্মোনিউক্লিয়ার বিস্ফোরকের (N² or non-nuclear weapon as said in NGE. Strongest conventional weapon ever created by humankind which are as powerful as nuclear bombs and generate an electro-magnetic pulse, but produce no radioactive fallout.) মুখেও দিব্যি হেঁটে বেড়ায়, ফ্যানসার্ভিস হিসেবে এগুলোই বা কম কিসে। Sure, স্মার্ট Hideaki আমাদের নতুন ধরনের Mecha আনিমে দেখালেও সকল ধরনের দর্শক এবং তাদের আকাঙ্খিত ফ্যানসার্ভিসের কথা ভুলে জাননি। আবার বেশীর ভাগ ডিরেক্টরের মতো টাকা কামানোর সস্তা উপায় হিসেবে ফ্যানসার্ভিসের মাধ্যমে পুরো সিরিসটি পরিপূরণও করে তুলেননি। NGE এর প্রত্যেকটি নারী সেক্সুয়াল আইকনের চেয়েও বেশী কিছু। তাদের প্রত্যেকের ব্যক্তিগত ও অনন্য mindset, দৃষ্টিভঙ্গি, চালচলন এবং পটভূমি রয়েছে।

Asuka এবং Rei, এভানগেলিওনের অন্যতম দুই চরিত্র, যথাক্রমে tsundere ও kuudere archetype এর আদি ও প্রথম উৎস (actually Urusei Yatsura did it first but it was Asuka who made it mainstream)।

৬) Complicated characters. যেমনটা উপরে উল্লেখ করা হয়েছে প্রত্যেকটি ক্যারেকটারের অনন্য মানসিকতা, দৃষ্টিভঙ্গি, চালচলন এবং পটভূমি রয়েছে। This is again something that was never done before in such a degree (হয়তোবা Legend of Galactic Heroes-কে এর বাহিরে ফেলা যায়)। এর আগ পর্যন্ত অন্যান্য আনিমেগুলোর প্লট মূলত দুয়েকটা প্রধান চরিত্র কেন্দ্র করে আবর্তিত হতো এবং বাকিরা ব্যাকগ্রাউন্ড ডেকোরেশন হিসেবে পড়ে রইত। কিন্তু এভানগেলিওনে প্রত্যেকেরই কোন একটি এজেন্ডা আছে এবং তারা কাহিনীকে প্রভাবিত করছে।

 

7) You won’t forget it. No matter how many anime you know of, old or new, this show will forever be remembered… even if you end up hating it. Because there are many series you may like while you watch them but one week later you end up forgetting them or have no reason to rewatch them later on. But not with this show; it is so controversial, many elements of it are still discussed and affect other anime today, and Hideaki keeps changing some details himself just to keep the spice flowing.

Now for some rating:

STORY SECTION : 9/10

ART AND ANIMATION : 9/10

SOUND SECTION : 10/10

CHARACTER SECTION : 9/10

ENJOYMENT SECTION : 8/10

OVERALL : 9/10

Have a nice day before the Third Impact turns you to orange goo.

BTOOOM – লেখক রেড এলার্ট

 

 2 3 4 5

INTRODUCTION

অ্যান্টি-সোসিয়াল হিরো যে কিনা আবার হার্ডকোর ভিডিওগেমার। ট্রেণ্ড অব ইয়ার ২০১২। অল্প কিছু মাসের মধ্যেই এ জাতিও এনিমে দর্শকদের এত পরিমাণে গেলানো হয়েছে যে কেউ যদি এগুলো গুণতে শুরু করে তাহলে সময়জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে বাধ্য। যাইহোক, Btooom হল এক hikikomori-র গল্প যে ভিডিওগেম খেলে দিনানুপাত করা ছাড়া আর কিছু করতে অপারঙ্গম এবং হঠাৎই আমরা দেখতে পাই তাকে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছুড়ে ফেলা হয়েছে। আর সে বিশাল বড় অপদার্থ হওয়া সত্ত্বেও আমাদের নাকি তাকে চিয়ার করে যেতে হবে। দুঃখীত আমার পক্ষে সেটা করা সম্ভব হলনা, এই শো এতই ridiculous। এক কথায় প্রকাশ করতে হলে এনিমেটির মূল থিম হল, All humans are bastard. *facepalm*

1

 

PRODUCTION VALUE

 

জাপানের সেরা স্টুডিও গুলোর একটি Madhouse সর্বদাই তাদের প্রোডাকশনগুলো দক্ষতার সাথে তৈরি করে। Btooom ও এর ব্যতিক্রম নয়। গড়পড়তা এনিমের থেকে Btooom এর এনিমেশন রিয়ালিষ্টিক, পরিবেশ এবং সিনেমেটিক সূক্ষ্ম ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সাউন্ডট্র্যাক এবং ভয়েস এক্টিং আহামরি কিছু নয়। সেকেন্ডারি চরিত্রগুলোর ভয়েস এক্টিং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভোঁতা এবং অমানানসই লেগেছে।

 

 

 

SCRIPT

 

-পুরো গল্পটি Counter Strike এবং Bomberman এর সংকর এক ভিডিওগেম Btooom! কে কেন্দ্র করে, শুরুতে তাই মনে হয়। কিন্তু পরমুহূর্তেই জাপানিজ অ্যাকশন থ্রিলার Battle Royal এর এনিমে ভার্সন হয়ে ওঠে এটি, অর্থাৎ এক নির্জন ট্রপিক্যাল দ্বীপে তাদের অনিচ্ছায় প্যারাড্রপ করানো এক দল লোককে একে অপরকে হত্যা করে নিজ নিজ জীবন বাচাতে হবে। গল্পের পটভূমি যতই ইন্টারেস্টিং মনে হক, একজন অভিজ্ঞ ওতাকু খুব সহজেই বুঝতে পারবে এ সকল কিছু নন্‌সেন্স ছাড়া আর কিছুই নয়।

5

-Btooom গেমটির মূল আকর্ষণ হচ্ছে এর নানারকমের বিস্ফোরক। হলিউডি ফিল্ম এবং ভিডিওগেমের কল্যাণে আমরা সবাই জানি একটি বিস্ফোরক যখন বিস্ফারিত হয় এর আশেপাশে থাকা প্রত্যেকেই শ্রাপনেল, শকওয়েভ অথবা নয়েস থেকে আহত হবে। তো বিস্ফোরক কেন্দ্রিক এনিমে Btooom কি সেই প্রিন্সিপাল মেনে চলে? না। ছোট বাচ্চাদেরকেও বলে দিতে হবেনা একটি মিলিটারি বিস্ফোরকের রেডিয়াস কয়েক মিটার, সেন্টিমিটার নয়। তো কল্পনা করুন আমাদের হিরোর কোলে ১০ মিনিটে তিন বার তিন রকমের বিস্ফোরক বিস্ফোরিত হলেও তাকে বহাল তবিয়তে দাড়িয়ে থাকতে দেখলে আপনার রিঅ্যাকশন কেমন হবে। Plot armor FTW!

 

-কেউ বিস্ফারণের আঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেলেও তার বোম গুলো আবার intact রয়ে যায়। Sweet, extra ammo from enemy drops, this videogame is nice… ওহ আমি তো ভুলেই গেছি Btooom ভিডিওগেম নয়, রিয়ালাষ্টিক ডেথগেম, I suppose.

 

-যখন গেম কন্ট্রোলার ইটের দেয়ালে ছুড়ে মারা হয় তখন কোনটা ভাঙ্গে? দেয়াল নাকি কন্ট্রোলার? দেয়াল। দয়া করে আমাকে জিজ্ঞেস করবেন না আমি এসব কি বলছি। নিজেই দেখে নিবেন।

 

-তারা এমনকি ভিডিওগেমের প্রযুক্তি বাস্তব দুনিয়ায় টেনে আনার চেষ্টা করেছে, যার ফলাফল হয়েছে হাস্যকর। Btooom এ দেখানো একএকটি বোম বাস্তবে তৈরি করতে গ্রেট চায়নার ব্যাংক ভল্ট খালি হয়ে যাবে, খেলোয়াড়দের অপহরণ আর পরিবহণ খরচ বাদই দিলাম। উদাহরণ হিসেবে মিনি-ব্ল্যাকহোল বোমটির কথা বলা যায়। তো হিসেব করার চেষ্টা করে দেখুন এক silly deathgame যেটির কোন ulterior goal নেই, নেই খরচ উঠে আসার সম্ভবনা, সেই ডেথগেমে এমন futuristic tech-এর ব্যবহার কতটুকু ব্যয়বহুল। এছাড়াও এক ব্যক্তির বিস্ফোরক সে বেঁচে থাকা পর্যন্ত অন্য আরেকজন ব্যবহার করতে পারেনা। Yeah sure. Lets make it even more expensive with DNA signature triggers that go offline when they no longer receive the brainwaves of their original owner as confirmation code.

 

-এতসব কিছুর পরও পুরো শো-টি আরও নানারকম এরর এ আক্রান্ত। যখন তখন যেকোনো সময় যেকোনো ক্যারেকটার কোন কারণ দেখানো ছাড়াই উধাও হয়ে যেতে পারে দর্শকদের অন্ধকারে রেখে। শো-এর শেষের দিকে আবার আলাদীনের জাদুর চেরাগ ব্যবহার করে হাজির হয় একদল জায়ান্ট ম্যানইটার কমোডো ড্রাগন। অথচ একদল প্লেয়ার পুরো দ্বীপ চষে ফেলেও পূর্বে এদের অস্তিত্ব খুজে পায়নি।

 

-এতসব ভুল-ভ্রান্তিও যেন যথেষ্ট ছিলনা। Btooom এর ডিরেক্টরেরা ফ্ল্যাশব্যাক ব্যবহারে এতই দক্ষ যে তা নারুতোকেও হার মানাবে। আলঝেইমার রোগী ছাড়া অন্য কেউ এক এপিসোড আগের ঘটনা ভুলে যাবে বলে মনে করিনা। আর বলাইবাহুল্য Btooom মাত্রই ১৩টি এপিসোডের এনিমে।
2

 

CAST

 

একটি এনিমের সমস্ত নন্সেন্স বুলশিট ক্ষমা করে দেয়া যায় শুধু মাত্র এর characterization এর উপর ভিত্তি করে। যেমনটা বলা যায় Deadman Wonderland অথবা Mirai Nikki এর ক্ষেত্রে। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে এনিমের চরিত্রগুলো কিভাবে একেওপরের সাথে interact এবং react করে তা দেখাও উপভোগ্য হতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে এমনকি এটিও অসম্ভব। অন্যান্য চরিত্রদের নাইবা ধরলাম, স্বয়ং আমাদের হিরোর characteristic প্রতি পাচ মিনিট অন্তর অন্তর পরিবর্তিত হয়। সিরিয়াসলি! প্রধান Protagonist এর চরিত্র বিশ্লেষণ করা আমার পক্ষে অসম্ভব, একেক scene-এ তার আচরণ একেক রকম হয়ে যায়! আমি বলতে চাইছিনা যে, বিপদের মুখে সে তার চরিত্র ঢেকে সাহসী হবার আচরণ করে যদিও সে ভীত অথবা হিরোইনের উপর দুর্বলতা থাকলেও প্রকাশ হতে দেয়না। আক্ষরিক অর্থেই সে ভিন্ন একজন ব্যক্তি হয়ে ওঠে।

 

-এক scene এ দেখা যায় হিরো বিস্ফোরক ব্যবহারে অত্যন্ত পারদর্শী। পরের scene-এ আমার আবিষ্কার করি হিরো বোমের ব-ও ব্যবহার করতে জানেনা। দর্শকদের একরকম জোর করে বোঝানো হয়েছে সে একজন hardcore gamer এবং Btooom এর Rank #1 প্লেয়ার। অথচ একটি টাইমার বোম কিভাবে কাজ করে সেটি বুঝতে তার পাঁচটি-পাঁচটি বিস্ফোরক এলোপাথাড়ি এদিকওদিক ছুড়ে মারতে হয়েছে। Top player material right here.

 

-এক scene-এ হিরো এন্টিসোসিয়াল এবং শত্রুভাপাপন্ন। অপর scene-এ খুবই সামাজিক এবং বিনম্র।

 

-একবার দেখা যায় হিরো একজন সাহসী লিডার ফিগার। আবার দেখা যায় ১০ মিটার পথ ১০বার হোঁচট না খেয়ে চলতে অপারঙ্গম।

 

-আমারা দেখতে পাই হিরো খুবই বুদ্ধিমান। তার প্রতিপক্ষদের নানারকম ফাঁদ পেতে হত্যা করতে পারদর্শী। কিছুক্ষন পর আমরা পরিলক্ষিত করি, সেই একই ফাঁদ অন্য কাউকে অন্য আরেকজনের উপর ব্যবহার করতে দেখে হিরোর ভিরমি খাবার অবস্থা।

 

– And there is no bloody excuse for how a Hikikomori/NEET like him can be so athletic. বছরের পর বছর কম্পিউটারের সামনে শিঁকড় গেড়ে বসে থাকা সত্ত্বেও আমরা দেখতে পাই সুপিরিয়র ষ্টামিনা এবং স্কিল সম্পন্ন মিলিটারি/মারসেনারিদের outrun এবং counterattack করতে সক্ষম main protagonist।

 

একই রকম ভাবে এনিমেটির প্রত্যেকটি চরিত্রকে দুই ভাবে বিশ্লেষণ করা যায়। হয় তারা too evil কিংবা too stupid, কোনরকম রাখঢাক ছাড়াই।

 

-প্লটের মেইন deuteragonist সেক্সি (you don’t say) ব্লণ্ড স্কুল গার্ল হিমিকো, যাকে দেখা মাত্রই তার পার্শ্ববর্তী সকল পুরুষ রেপ করতে হামলে পরে। Because WHY NOT; we need a slut in any cheesefest. Japans ridiculousness at its finest! হিমিকো সকল ফ্যান সার্ভিসের মূল উৎস এবং এনিমেটরেরা বলাইবাহুল্য তার প্রাইভেসি উম্মোচন করতে কোন রকম কার্পণ্য করেনি। তার পারসোনালিটিও এনিমেটির অন্যান্য অংশর মতই প্লেইন জোক। তার ব্যাকগ্রাউণ্ড অনুযায়ী পুরুষদের সাহচর্যে তার মাঝে ভীতির সঞ্চার হবার কথা। কিন্তু কাহিনীর প্রয়োজনে যখন-তখন যাকে ইচ্ছা তাকে বিশ্বাস করতে তার বাধে না। তারপর তারা বিশ্বাসঘাতকে পরিণত হবে এবং হিমিকো তাদের ঘৃণা করতে শুরু করবে। যতক্ষণ না পর্যন্ত আবার কাহিনীর প্রয়োজনে তাদের উপর বিশ্বাস রাখার প্রয়োজন হয়, and so on like a vicious cycle.

 

-প্রতিযোগীদের এক হাস্যকর পদ্ধতিতে বেছে নেয়া হয়েছে। স্পয়লার ফ্রি রাখার স্বার্থে তা নাইবা বললাম। Main Protagonist কে বেছে নিয়েছে তার মা স্বয়ং। Because, woo he was mean to her! Yep, ছেলে impolite হলে মা তাকে নির্বাসনে পাঠিয়ে দেয় তাই না। আর blonde chick হিমিকো কে বেছে নিয়েছে তার দুই বেস্টফ্রেন্ড। কেন? না। There was a rape incident. তার দুই “বেস্টফ্রেন্ড” তার শিকারে পরিণত হলেও হিমিকো পালিয়ে পুলিশে খবর দিতে সক্ষম হয়। পুলিশ দুজনাকে উদ্ধার করে নিশ্চিত পতিতাবৃত্তি কিংবা মৃত্যুর হাত থেকে বাচায় হিমিকোর কল্যাণে। ধন্যবাদ হিসেবে তাদের ধারণা হয় “ক্ষমার অযোগ্য” লাইফ-সাপোর্ট দেবার চেয়ে তাদের সাথে হিমিকোরও থেকে ধর্ষিত হওয়া উচিত ছিল। এখন এটাকে Female dumbness at its finest নাকি anime plot at its worst হিসেবে মার্ক করবেন সেটা আপনারাই ঠিক করে নেবেন।

3

 

LEGECY

ফ্যানসার্ভিস, সস্তা বিস্ফোরণের দৃশ্য, বাজে প্লট মিলিয়ে আর দশটা হিন্দি সিনেমার সাথে তেমন পার্থক্য নেই।

And now for some excused scorings.

ART SECTION: 7/10

General Artwork 2/2 (looks nice)

Character Figures 1/2 (generic)

Backgrounds 2/2 (basic but fitting with the feeling of the series)

Animation 1/2 (basic)

Visual Effects 1/2 (lots of cheap explosion filters)

SOUND SECTION: 7/10

Voice Acting 2/3 (corny but fitting with the feeling of the series)

Music Themes 3/4 (not great but fitting with the feeling of the series)

Sound Effects 2/3 (ok I guess)

STORY SECTION: 2/10

Premise 1/2 (cheap Battle Royale imitation)

Pacing 1/2 (erratic)

Complexity 0/2 (tries to be complicating in psychological issues and fails miserably)

Plausibility 0/2 (none)

Conclusion 0/2 (doesn’t have one)

CHARACTER SECTION: 2/10

Presence 1/2 (generic)

Personality 0/2 (cardboards and unsympathetic)

Backdrop 1/2 (generic and simplistic but it’s there)

Development 0/2 (random mood swings)

Catharsis 0/2 (incomplete story, so no catharsis)

VALUE SECTION: 1/10

Historical Value 0/3 (none)

Rewatchability 0/3 (just read Battle Royale instead)

Memorability 1/4 (totally meh show)

ENJOYMENT SECTION: 1/10

Art 1/1 (looks nice)

Sound 0/2 (sounds meh)

Story 0/3 (generic, badly written, and incomplete)

Characters 0/4 (cardboards and unsympathetic)

OVERALL: 3.5/10