Slam Dunk রিভিউ — রোকেয়া শারমিন অরিন

১মেই হাবিজাবি রিভিউ লিখার জন্য সরি বলে নেই..এত সুন্দর একটা আনিমে নিয়ে এত পঁচা করে লিখে নিজেরই লজ্জা লাগতেছে 😛

রিভিউঃ
স্পোর্টস জনরার খুব বেশি আনিমে দেখি নাই কিন্তু এই জনরার আনিমে গুলা মেলা এক্সাইটমেন্টে ভরপুর থাকে বলে দেখতে মজা লাগে.. অনেক মজা লাগে …. যে কয়টায় দেখি না কেন এর মধ্যে নিঃসন্দেহে চোখ বুজে বলে দিতে পারি স্লাম ডাঙ্কের মত মজা আমি আর কোন এই জনরার আনিমে তে পাই নাই…স্লাম ডাঙ্কের তুলনা স্লাম ডাঙ্কই…আর ২য় টা নাই এর মত ..খালি স্পোর্টস জনরাই না যে কোন জনরার আনিমে সাথে কম্পিট করলে এটা সর্বকালের সেরা আনিমের তালিকায় থাকবে এতে কোন সন্দেহ নাই.. প্রতিটা ক্যারেক্টার প্রতিটা এপি প্রতিটা ম্যাচ একটুও খারাপ লাগে নাই একটা সিঙ্গেল মোমেন্টও খারাপ লাগে নাই..খারাপ লাগা তো অনেক পরের কথা এমন কোন এপি নাই যা দেখে আমি হাসতে হাসতে গড়াগড়ি দেই নাই ..পুরা মুগ্ধ হয়ে দেখছি পাগলের মত …মনে হইছে এর মধ্যে ঢুকে যাই আর বের হব না.. ওদের সাথে আমিও খেলা শুরু করে দেই.. ওদের মত আমিও মজা করি ..মেইন যে জিনিসটা বেশি ভাল লাগছে তা হল বাস্কেটবল খেলার ব্যাসিক অনেক ভালভাবে শিখতে পারছি.. বাস্কেটবল নিয়ে আনিমে এর আগে যেটা দেখছিলাম তা হল কুরোকো নো বাসুকে আনিমে টা মেলা ভাল লাগছিল অনেক এক্সাইটমেন্ট ছিল মজারও ছিল..কিন্তু মেইন সমস্যা ঐটা যত টা খেলার ব্যাসিক জিনিসপত্র ফোকাস করছে তার থেকে বেশি শোনেন আনিমের মত স্পেশাল পাওয়ারআলা জিনিসপত্র অনেক বেশি দেখাইছে (এটার জনরাতে শোনেন আছে অবশ্য 😛 )… আসল কথা বাস্কেটবলের ব্যাসিকের ১২ টা বাজাইয়া ছাড়ছে .. স্লাম ডাঙ্ক দেখে বাস্কেটবল নিয়ে এত কিছুই শিখছি যে বাস্কেটবল খেলার ভিডিও আমি ইউটিউবে সার্চ দিয়ে দেখছি (জর্ডানের ভিডিও)… ক্যারেক্টারে আসি এবার ..এত বস বস সব ক্যরেক্টার একেকটা ..আর ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট ..একেকজনের একেক রকমের স্টাইলের খেলা অনেক মজার আর অনেক জোস করে দেখাইছে…মেজর মাইনর সকল ক্যারেক্টারই জোস….আর মেইন ক্যারেক্টার সাকুরাগি হানামিচি .. এর মত ক্যারেক্টার ভাল না লাইগা থাকা যায় না.. এর মত একটা ক্যারেক্টার থাকলেই যে কোন আনিমে দেখতে বসার আর কোন রিজন লাগে না..তার উপর সাথে তো এর সাথে আরও যেসব ক্যারেকটার আছে কোনটাই একটুও খারাপ লাগে নাই..সব কয়টা বস…এক কথায় অস্থির ,মাস্টার পিস ক্লাসিক একটা আনিমে আজ থেকে ৫০ বছর পরও এই জিনিস দেখে কারো খারাপ লাগবে না…আজ থেকে প্রায় ২২-২৩ বছর আগের জিনিস আনিমেশন দেখে অনেকেই নাক সিটকাতে পারে কিন্তু ২-৩ টা এপি দেখার পর এই আনিমেশনেই এমন অভ্যস্ত হবেন যে আনিমে শেষ হবার পর মনে হবে এই আনিমে আরও ১০০ টা এপি নাই কেন? স্লাম ডাঙ্ক কেন সারাজীবন ধরে চলবে না? কেন এত জলদি শেষ হয়ে গেল? এটা যদি সারাজীবন ধরে চলত..আমি যদি এদের সাথে সারাজীবন এমনে মজা করে কাটাইয়া দিতাম..শেষ হয়ে যাচ্ছে দেখে উল্টা মন খারাপ হবে…আর কাহিনী+ একেক টা ম্যাচ এত উত্তেজনার আর মজার আর হাসির জিনিসপত্র তো আছেই …হাসতে হাসতে গড়াগড়ি দেয়াইয়া ছাড়ে…কাহিনীর শুরু হয় সাকুরাগি কেমনে শোহোকু বাস্কেটবল টীমে ঐ টিমের ক্যাপ্টেনের ছোট বোন হারুকোর প্রেমে পড়ে জয়েন করে এটা নিয়ে…মাথা মোটা মাথা গরম একটা ক্যারেক্টার ..আস্তে আস্তে এরপর ঐ টিমের বাকিদের সাথে কেমনে টিমটার + নিজের খেলার উন্নতি করে স্টেপ বাই স্টেপ এইভাবে আগাইছে কাহিনি..যত আগাইছে তত বেশি জোস হইছে..আনিমে তে কাহিনি শেষ করে নাই দেখে লাস্টে আইসা মনে হবে এরপর কি হবে? আনিমে দেখার পর মুভিগুলা+মাঙ্গা পড়লে পুরাটা ক্লিয়ার হয়ে যায়…

Anime: Slam Dunk (episode 101 টা)

রেটিংঃ আমার দেখা সর্বকালের সেরা স্পোর্টস আনিমে আর অন্যতম সর্বকালের সেরা আনিমে

এফ এ সি ৩০

রান্ডম টপিক

পম্পাদৌর[Pompadour]

 

 

আনিমেতে ডেলিনকোয়েন্টদের পছন্দের চুলের স্টাইল এর উত্পত্তি কিন্তু ফ্রান্সে, রাজা চতুর্দশ লুই এর রক্ষিতার নামানুসারে। পরবর্তীতে এলভিস প্রিসলি এই স্টাইলটাকে জনপ্রিয় করে তোলেন। আপনি চাইলে বাড়িতে বসে এই স্টাইল করতে পারেন, কয়েক কেজি জেল লাগবে আরকি।

 

 

আনিমে সাজেশন

বেক[Beck]

 

ঘটনাচক্রে কোয়ুকির পরিচয় হয়ে গেলো রিউস্কের সাথে। তারা একটা ব্যান্ড খুলল, নাম বেক।এই গল্প বেকের সদস্যদের, তাদের স্বপ্ন, তাদের অনুভূতি, আশা আকাঙ্ক্ষা, আর সেই সাথে আছে কয়েক চিমটি রোমান্স।

 

কেন দেখবেন; মিউজিক জন্রার আনিমের কথা বললে বেকের নাম একদম শুরুর দিকেই আসবে। সাবলীল কাহিনী, শক্তিশালী ক্যারেক্টার, ভালো মিউজিক। এছাড়া আমার খুব পছন্দের একটা ফিমেইল ক্যারেক্টার আছে এই আনিমেতে, এমন স্ত্রং উইলড ফিমেইল ক্যারেক্টার সচরাচর দেখা যায় না।

কেন দেখবেন নাঃ মূলত স্লাইস অব লাইফ মিউজিক জন্রার আনিমে এটা, তুলনামূলক স্লো পেইসড। কাজেই শুধু শউনেন জন্রার ফ্যানরা পছন্দ করবেন বলে মনে হয় না।

 

 

 

ম্যাল রেটিং ৮.৪৭

আমার রেটিং ৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

স্ল্যাম ডাঙ্ক[Slam Dunk]

 

 

বাস্কেটবল ক্লাবে যোগ দেয়ার পিছনে হানামিচি সাকুরাগির কারণ ছিল একটাই, আর তা হল ক্লাবের ক্যাপ্টেন তাকেনরির বোনের সাথে ঘনিষ্ঠ হতে পারা। ভয়াবহ ধরনের শো-অফ এই স্বঘোষিত জিনিয়াস কিভাবে শেষ পর্যন্ত তাঁর দু চোখের বিষ বাস্কেটবল খেলাটাকে ভালবেসে ফেলল?

 

 

কেন পড়বেনঃ আপাতদৃষ্টিতে প্লটটা বেশ সাধারণ, এবং বহুল ব্যবহৃত।  কিন্তু এর মধ্যেই তাকেহিকো ইনউয়ে তাঁর অসাধারণ মুনশিয়ানায় স্কুল লাইফ, বাস্কেটবল, রোমান্স, কমেডি, এই সব কিছুর দারুন সুন্দর সম্মিলন ঘটিয়েছেন। ভীষণ ডিটেইলড আঁকা, ম্যাচগুলো অসাধারণ, রিসেন্টলি মহা জনপ্রিয় হওয়া একটা বাস্কেটবল আনিমের মত এখানকার প্লেয়াররা জাদুবিদ্যা ব্যবহার করে না। ম্যাচগুলো এত আকর্ষণীয়, এত টুইস্ট আর টার্ন, কিছু ক্ষেত্রে দম বন্ধ করে থাকতে হয়। যারা আনিমে দেখেছেন, তাদেরও মাঙ্গা পড়া উচিত, কারণ সবচেয়ে এঞ্জয়েবল ম্যাচগুলোর একটা আনিমেতে দেখানো হয়নি। মোটের উপর, না পড়লেই মিস।

কেন পড়বেন নাঃ কোন কারণ নেই।

 

 

 

ম্যাল রেটিং ৮.৯৩

আমার রেটিং ১০

Legendary anime!!! slam dunk!! review by Monirul Islam Munna

 

সেমিস্টার ব্র্যাকের বন্ধটা এর চেয়ে ভালো ভাবে কাঁটাতে মনে হয় না পারতাম, যতটা ‘স্লাম ডাঙ্ক’ দেখে কেটেছে।!!  এমন একটা এনিমে, কোনটা ছেড়ে যে কোনটা যে আগে বলবো!!!

১৯৯৩ সালের এনিমে তাই animation বা গ্রাফিক্সের অনেক লো এক্সপেকটেশন নিয়েই দেখা শুরু করি, কিন্তু এতো পুরনো একটা এনিম দেখতে একদমই খারাপ লাগে নি। এমনকি কেউ এইরকম স্পোর্টস এনিমে প্রথম দেখলে গায়ের লোম খাঁড়া হয়ে যাবে নিশ্চিত!!! আমি নিজে ‘কুরকোনো নো বাসুকে’ আগে দেখছি বলে একটু আমার চোখে একশন একটু কম ফীল করসি, কিন্তু স্লাম ডাঙ্ক অনেক বেশী রিয়ালেস্তিক!!! গল্পের সব চেয়ে বড় কেন্দ্র বিন্দু ‘হানামিচি সাকুরাগি’ ফিজিক্যালই হয়তো অমানুষের মত শক্তিশালী সে, কিন্তু একজন শুন্য থেকে কীভাবে পূর্ণ বাস্কেট বল প্লেয়ার হয়ে উঠে খুব সুন্দর করে তুলে ধরছে এই এনিমে! তাই বলে বাকিরা যে কম তা কিন্তু না, মেইন ৫~৬ প্লেয়ারের এক জন থেকে একজন সেরা,সবাই নিজের দলগত ভূমিকায় সেইরকম পারদর্শী!!!! 

আরেকটা ব্যাপার যেটা ভালো লাগসে, যে বাস্কেট বল কিছুই বুঝে না তাদের জন্য ছোট খাটো ২-১ মিনিটের একটা পার্ট আছে, তাই এনিমে বুঝতে একদমই সমস্যা হয় না!!! 

এই এনিমেটাকে রেটিং দিতে গেলে অতিরিক্ত ১.৫ থেকে ২ পয়ন্ত মনে হয় এটার কমেডির জন্য। একটা এনিমে দেখে এতো হাসি নাই মনে হয় কোন দিন!!! মাঝে তো বাসায় পাগল হয়ে গেছে মা এটা কয়েকবার জিজ্ঞেস করসে!!  ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন, চিবি গুলার এক্সপ্রেশন , অঙ্গ ভঙ্গি, বিভিন্ন সময় ব্যাক গ্রাউন্দ মিউজিক,আঞ্জাই সেন্সেইর হাসি(হ হ হ হ), রিয়োকোর ‘আয়া চান’ বলার স্টাইল, রুকাওার ‘দুয়াহ বলার ভঙ্গি’, গরিলার ঘুষি, কোনটা দেখে যে হাসি নাই, নিজেও জানি না!!!! যে কোন বয়সই, যে কারও ভালো লাগার মত একটা এনিমে!!! 

অনেকেই বলসে এই এনিমেটার ডাব অনেক ভালো, আবার অনেকেই সাব দেখার জন্য অনুরোধ করসে। প্রথমে ডাব দিয়েই শুরু করি, ডাব আসলেই ভালো কিন্তু সাবের ‘হানামিচি আর বাকিদের যা ভয়েস!!! অনেক বড় একটা মিস করতাম। অনেক অনেক ধন্যবাদ যারা আমাকে সাব দেখার জন্য এতবার বলছে  আর কেউ এনিমেটা দেখলে অবশ্যই সাব দেখবেন 

অনেক কিছুই বলার আছে, লিখলে হয়ত শেষ হবে না, তাই আর কিছু লিখলাম না  একটা এনিমে দেখার পর এতো ভালো লাগলে, দেখা সার্থক হয়।  টুপী খুলে সম্মান এই মাঙ্গাকা , যারা এনিমেসন বানাইসে, যারা ভইস একটর, যারা OST গুলা তৈরি করছে। স্যালুট সবাইকে!! বিশাল আরিগাত আমার পক্ষ থেকে 
#Legendary anime!!! slam dunk!! 
আমার রেটিং ৯!!! 

 

 

 

Slam Dunk vs Kuroko no Basuke by Kazi rafi


,স্লাম ডাঙ্ক আমার খুবই প্রিয় একটা এনিমে। ছোটবেলায়, ডিবিযেট, পকিমন আর রুরউনি কেনশিন এর পাশে স্লাম ডাঙ্ক দেখেই বড় হইছি যে জন্য এটিও আমার মনের একটি স্থান দখল করে আছে ! সেই সঙ্গে এতাও স্বীকার করি যে কুরোকো নো বাস্কেটেও বেশিরভাগ গেমপ্লে বলেন আর টেখনিখ ই বলেন কিছুটা অবাস্তব। কিন্তু তাই বলে যে স্লাম ডাঙ্কেও অবাস্তব কিছু নেই এইটা একটা ভুল ধারণা। এর অনেক উদাহরণ দেওয়া যায়, কিন্তু আমি খালি একটাই দিবো, যেমন এই ভিডিওর ১৪ সেকেন্ডে হানামিচির ব্লক

http://www.youtube.com/watch?v=ybYRP0Xgqzk

কুরোকো নো বাস্কেটের স্কুল লাইফ আর কমেডির অনেক উদাহরণ দেওয়া যায় কিন্তু সেটাও আমি দিবো নাহ, শুধু বলব এনিমেটা আবার ভালো করে দেখতে যারা দেখেও বলতেছে যে KnB তে স্কুল জীবন আর কমেডি নাই। আর তাছাড়া আমার যদুর মনে পরে KnB মূল থিম হচ্ছে বাস্কেটবল, এরপরে আসে ড্রামা, স্কুল লাইফ আর কমেডি জেনার ! এটাও মনে রাখতে হবে যে KnB তে সেইরিন হাই ছাড়াও আরও অনেক মেজর ক্যাড়েক্টার আছে যাদেরকে স্ক্রিন টাইম দিতে হবে, তাইনাহ, নাহলে তো মানুষ আবার পরে নালিশ করবে যে শুধু সেইরিন হাই এর প্লেয়ার রাই ক্যারেকটার ডেভেলপমেন্ট হয়, পার্শ্ব চরিত্রদের কিছু হয়না, তারা শুধু আসে আর জায়গা !
http://www.youtube.com/watch?v=Qsn3V9IVyHc
http://www.youtube.com/watch?v=zv1uhU2VqDw

Slam dunk: পিওর কমেডি, গ্যাং ফাইট, বাস্কেটবল আর one sided love এর এক অসাধারণ গল্প — লেখক মো আসিফুল হক

কমেডি, গ্যাং ফাইট, বাস্কেটবল – এনিমের জন্য একটা বেশ ইউনিক কম্বিনেশন। কিন্তু slam dunk খুব সফল আর সাবলিলভাবে এই কম্বিনেশনকে উপস্থাপন করতে পারছে। এই এনিমে যখন যেইটা করতে চাইছে খুব সফলভাবেই সেইটা করতে পারছে। যখন ফানি করতে চাইছে; it was pretty damn funny; যখন সিরিয়াস কিছু দেখাইতে চাইছে; it was pretty serious. কিন্তু এনিমটার মুল সফলতা পিওর সাস্পেন্স ভর্তি ম্যাচগুলায়। যদিও অন্য অনেক স্পোর্টস এনিমের মত এইটাতে খুব “ফেন্সি” “কুল” মুভ নাই; কিন্তু এই রিএলিজমের টাচটাই বরং এনিমটাকে বেশি সফল করছে।

মেইন ক্যারেক্টার সাকুরাগি হানামিচি এনিমটার প্রাণ বলা যায়। তার চরিত্র যদি এক বাক্যে বলতে হয় তবে বলা যায়, সাকুরাগি টেক্টলেস, রাফ, স্টুপিড, ফানি, লয়াল, স্ট্রং, ডেডিকেটেড , অধৈর্য, হট টেম্পারড এবং লাউড – একটা এনিমকে ফানি এবং ইন্টারেস্টিং করার জন্য যা দরকার সবগুলার একটা কমপ্লিট প্যাকেজ। :) :)

হানামিচির বাস্কেটবল খুবই অপছন্দের খেলা। কিন্তু তার মনে মনে পছন্দ করা হারুকোর বাস্কেটবল খুবই প্রিয়; পাশাপাশি হারুকোর বড় ভাই আকাগি স্কুলের বাস্কেটবল টিমের ক্যাপ্টেন। হারুকোকে ইম্প্রেস করতে সাকুরাগি বাস্কেটবল টিমে যোগ দেয়। একই বছরে ভর্তি হওয়া রুকাওয়াও যোগ দেয় টিমে যে কিনা সমগ্র স্কুলে নারী সম্প্রদায়ের কাছে বিপুল জনপ্রিয়; সেই সাথে হারুকোর কাছেও। স্বাভাবিক ভাবেই সাকুরাগি রুকাওয়াকে তার ১ নাম্বার প্রতিদ্বন্দ্বী ধরে নেয়। যারা নিয়মিত স্পোর্টস এনিম দেখেন বা দেখেছেন তারা নিশ্চয়ই এর পর কাহিনী কোন দিকে যাবে তা আন্দাজ করে ফেলেছেন। :) :)
well, মোটামুটি ওইরকমই আগায় কাহিনী; যদিও কিছু কিছু জায়গায় অল্প টুইস্ট আছে। তবে শেষ পর্যন্ত আর ৮-১০ টা স্পোর্টস এনিমের মত এইটাতে সাকুরাগি রাতারাতি রুকাওয়াকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যায় না; বরং নিজের মত করে সফল হয়।:) :)

টিমের বাকি মেম্বার- আকাগি, মিতসুই, মিয়াগি, কগুরে- সব গুলো চরিত্রই অসাধারণ এবং প্রত্যেকেরই নিজস্ব গল্প, স্বপ্ন,স্ট্রাগল- খুব সুন্দর ভাবে এনিমে দেখানো হয়েছে। প্রত্যেকটা ক্যারেক্টারই নিজের মত করে ইউনিক। :) :)

একমাত্র অপছন্দের দিক ছিল দুই একটা ম্যাচ বেশ লেংদি ছিল; ৬ দিনে পুরা সিজন শেষ করায় কিছু কিছু জায়গায় এই লম্বা ম্যাচগুলা বিরক্ত লাগছিল। তবে শেষে আমি খুব আশা করছিলাম আরও কিছু পর্ব থাকুক; হানামিচি এবং সবগুলা ক্যারেক্টার এবং স্টোরিটা এত পছন্দ হইছিল। এছাড়া আর্ট স্টাইল কিছুটা রাফ – কিন্তু এনিমের সময়কাল (১৯৯৩-৯৬) চিন্তা করলে এইটা মাফ করে দেওয়াই যায়। :) :)

এনিমটার সবচেয়ে বেস্ট দিক আমার কাছে এর কমেডি পার্ট। স্পোর্টস এনিমগুলা সাধারণত খুব সিরিয়াস টোনের হয়; ফান থাকলেও খুব বেশি থাকে না; কিন্তু এই এনিমটা জাস্ট ফুল অফ ফান এন্ড কমেডি। নিঃসন্দেহে সাকুরাগি আমার ফেভারিট এনিম ক্যারেক্টারের লিস্টে একটা জায়গা দখল করতে পারবে।

তাহলে আর দেরি কেন? এখনই দেখা শুরু করে দিন এই অসাধারণ এনিমটি।

হ্যাপি এনিমিং !!! :) :)