গিনবান কেলাইডোস্কোপঃ A Bitter-sweet venture of searching Dream

অসাধারণ একটা প্লট, চমৎকার হাস্যরস-যা ঠিক সুড়সুড়ি দিয়ে হাসাবে না, এমনিতেই মজা পাওয়া যাবে, স্লাইস অব লাইফ আর ব্যতিক্রমী-চিত্তাকর্ষক ফিগার স্কেটিং ফিচার করা একটা স্পোর্টস এনিমে, খুব স্মার্ট রোমান্টিকতা আর হতাশা-পরাজয়ের গ্লানিকে ভুলে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাবার এক অনুপ্রেরণাদায়ী গল্প, মাত্র ১২ টি পর্বে…! অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে? প্রথম দেখার পর আমারও তাই মনে হয়েছিল, যারা দেখেন নি আজকেই দেখে নেওয়ার প্ল্যান করুন-
‘গিনবান কেলাইডোস্কোপ’।

এনিমেটির সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো এর ব্যতিক্রমী স্টোরিলাইন। মূল চরিত্র সাকুরানো তাজুসা অলিম্পিকে জাপানের ফিগার স্কেটিং প্রতিনিধি হবার অন্যতম কনটেন্ডার, কিন্তু তার কিছুটা বদমেজাজ আর বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হোঁচড় খাওয়ার প্রবণতার কারণে মিডিয়া এবং সাধারণের কাছে তীব্র বিতর্কিত। সমস্ত বিতর্ক আর সমালোচনার উর্ধ্বে উঠে অলিম্পিকে জাপানকে সফলতার সাথে রিপ্রেজেন্ট করে সাফল্য ছিনিয়ে আনতে তাজুসা যখন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ তখনই তার জীবনে আগমন ঘটে এক অনাহুত আগন্তুকের, চেহারা, চালচলন, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সবদিক থেকেই তাজুসার থেকে বেশ ভিন্ন কানাডিয়ান বিমানচালক পিট। সম্পূর্ণ দুই ভুবনের বাসিন্দা পিট আর তাজুসার এই একত্রে পথচলা কতদিনের জন্য? সাকুরানো তাজুসার ফিগার স্কেটিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এটা কি ধরণের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে উঠবে? [স্পয়লার এড়ানোর জন্য কাহিনীর চমকপ্রদ অংশ বাদ দিতে হলো, কিন্তু প্রথম এপিসোডেই বুঝবেন দেয়ারস মোর টু ইট]
এই ধরণের স্টোরিগুলোর ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে যেটা হয় যে খুব ফানি টাইপ হয়ে পড়ে, কিংবা ১২ পর্বে শেষ হতে গিয়ে তাড়াহুড়া করে একটা যা-তা এন্ডিং দিয়ে দেয়, কিন্তু আলোচ্য এনিমের হাস্যরসটা খুব স্ট্যান্ডার্ড এবং অতিরঞ্জিত নয়, ডায়লগ খুব ভালো, মজার, কখনো কখনো ইঙ্গিতপূর্ণ আর উপভোগ্য। আর এন্ডিং টাও বেশ ভালো, বাস্তবতাবিবর্জিত নয়, যেটা আবার এর আন্ডাররেটেড হবার পেছনে একটা কারণ হতে পারে। মিউজিক-এনিমেশন কোয়ালিটিও পর্যাপ্ত। স্পোর্টস এনিমে হিসাবে চিন্তা করলে এনিমেটি কিছুটা সাধারণ মানের, স্পোর্টস এনিমের টানটান উত্তেজনা, আকর্ষণ, টিমওয়ার্ক আর বাদবাকিসব টিপিক্যাল বৈশিষ্ট্য এতে বেশ অনুপস্থিত, তবে ব্যতিক্রমী স্পোর্টস ফিগার স্কেটিংকে ফিচার করায় একে কিছু মার্ক্স দেওয়া যেতে পারে।

এনিমেটি মূলতঃ তাজুসা আর পিটের চরিত্র দুটিকেই ফিচার করেছে, বাকি ক্যারেকটারগুলা তেমন গুরুত্ব পায় নি বললেই চলে, কিন্তু মূল চরিত্রদুটিকে খুব সুন্দরকরে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। পিট কিছুটা তাজুসার গাইডিং এঞ্জেল টাইপের, তবে তাজুসার প্রভাববিস্তারের পরও তার নিজস্বতা হারিয়ে যায় নি এতটুকুও। তাজুসা সাকুরানো হয়ত এনিমে জগতের অন্যতম চমৎকার ফিমেইল ক্যারেক্টার/হিরোইন, ভালো ডেভলাপমেন্ট, স্বাধীনচেতা ভাব, অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর তাড়না, ডিটারমিনেশন বেশ প্রশংসনীয়। তার চরিত্র পূর্ণতা পায় যখন সাফল্য অর্জনের অম্ল-মধুর রাস্তা পেরিয়ে বিজয়ের দুয়ারে পৌঁছে সে বুঝতে পারে বিজয়ই সবকিছু নয়।

না দেখার কোন কারণ নেই, আজকেই দেখে ফেলুন। মাইএনিমেলিস্টে একাউন্ট খুলতে গিয়ে বিস্ময়করভাবে লক্ষ্য করলাম এই এনিমের রেটিং দেওয়া আছে মাত্র সাড়ে ৭…
আমার রেটিং- ৯ (বায়াসড অল্প একটু)…

‘Cross Game- স্লাইস অফ লাইফ এবং স্পোর্টস এর অসাধারন কেমিস্ট্রি’- By Gourab Roy

অনেক ধুন্ধুমার ফাইটিং সিন দেখে হয়ত আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন,মন চাইছে স্লাইস অফ লাইফের স্বাদ আস্বাদন করতে ,আবার একদম নিস্তরংগ জীবন ও তো ভাল লাগেনা।নিরমল বিনোদোনের জন্য দরকার হাল্কা পাতলা খেলাধুলা ।স্লাইস অফ লাইফ এবং স্পোর্টস এর অসাধারন কেমিস্ট্রি নিয়ে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে ‘ক্রস গেম’।মুলত এটা বেসবল এর উপর বেস করে করা এনিমে।কিন্তু এটার পরতে পরতে মিশে আছে রোমান্টিসিজম।অন্য যে কোন স্পোর্টস এনিমে থেকে একটু আলাদা। খেলাধুলার পাশাপাশি মানুশের লাভ লাইফের উপরেও সমানে জোর দেওয়া হয়েছে।

আমাদের গল্পের নায়ক,কিতামুরা কো।গল্পের নায়িকা সুকিশিমা আওবা।আওবা একটু টম বয় টাইপের।ছোট বেলা থেকে সে বেস বল খেলে।নায়ক এর সামর্থ থাকা সত্ত্ব সে খেলার প্রতি সিরিয়াস না যতক্ষন না সে আওবার কাছে হেরে যায় (অনেক ছোটবেলায়)।এরপর থেকে তার বেস বল খেলার শুরু।তার ছোটবেলার ভালোবাসা ,আওবার বড়বোন ওয়াকাবার স্বপ্ন পূরণের জন্যই তার এই খেলা। সাধারনত দেখা যায় স্পোর্টস এনিমে তে হিরোরা থাকে ফার্স্ট ইয়ারে এবং ফাস্ট ইয়ারেই তারা সব কুপিয়ে লাল বানিয়ে ফেলে।এইখেত্রে হিরো থার্ড ইয়ারে না ওঠা পর্যন্ত ওই রকম কোপ দেওয়া হয়ে ওঠেনা।আস্তে আস্তে করে একটা টিমের বিল্ড আপ দেখান হয়েছে ৫০ পর্বের এই এনিমে তে।যদিও ‘এস অব ডায়ামন্ড’ এর এত ইন্টেন্স এনিমেশন নাই এখানে।কিন্তু খেলার উত্তেজনা ঠিক ই জায়গায় জায়গায় ক্রাইসিস ক্রিয়েট করে অনেক সাবলীল ভাবে দেখান হয়েছে।ত্রিভুজ ,চতুর্ভুজ প্রেম কাহিনি এর শেষ কিভাবে হবে সেটা শেষ না দেখে বোঝার কোন উপায় ছিলনা। বেশ মেলোড্রামাটিক সিচুয়েশনের ক্রিয়েট করা হয়েছে ক্ষণে ক্ষণে । প্রায় নামহীন একটা স্কুল কে কিতামুরা কো আর তার সহপাঠিরা কি পেরেছিল খ্যাতির শিখরে নিতে?কিতামুরা কো আসলে ভালবেসেছিল কাকে ? এসব প্রশ্নের উওর জানার জন্য আজ ই দেখে ফেলুন ‘ক্রস গেম’। প্রথম কয়েক পর্ব একটু ধৈর্য নিয়ে দেখে ফেললে এর পরে আর অন্য দিকে তাকানোর সুযোগ ও নেই

ওপেনিং আর এন্ডিং সং ও স্পোর্টস এনিমের মত ইন্টেন্স না, বরংচ স্লাইস অফ লাইফ টাইপের । শুনলে মনে হবে আপনি শুন্য আকাশে অপলক তাকিয়ে আছেন।অথবা নদী তীরের হিমেল বাতাস উপভোগ করছেন(বিশেষ করে Orange days )।
আমার রেটিং ,৮.৫। আর দেরি কেন ? হ্যাপি এনিমিং. 😀

 

“free!” – a review by Asiful Haque

"free!" - সম্প্রতি রিলিজ পাওয়া চলমান একটা সিরিজ। নানা কন্ট্রোভার্সির কথা শুনে দেখতে বসেছিলাম; দেখার আরেকটা কারণ ট্যাগ এ "স্পোর্টস" আছে; আর আমি স্পোর্টস এনিমের একনিষ্ঠ ভক্ত। ওকে; প্রথম ৬ টা পর্ব দেখার পর আমার রিএকশন- এই এনিমটাকে "স্পোর্টস" ট্যাগ দেওয়াতে আমি হতাশ !!! প্রবাবলি আমার দেখা সবচেয়ে কম ডেভেলপড স্পোর্টস সাইড সম্পন্ন স্পোর্টস এনিম; তবে সামনে ভাল কিছু দেখব বলে আশায় আছি। ফ্রি সমন্ধে আমার এক্টাই মতামত; "fan service for girls" - period !!! তবে সেইটা আমি খারাপ হিসেবে বলছি না; ছেলেদের জন্য এত্ত এত্ত এচ্চি; এত্ত ফ্যানসার্ভিস থাকতে পারলে মেয়েদের জন্য খানিকটা ফ্যান সার্ভিস অবশ্যই থাকতে পারে। আর খুব ডেভেলপড প্লটও নাই; তবে "স্লাইস অফ লাইফ" এনিমের কাছ থেকে খুব জটিল প্লট আশা করাটাও খানিক বোকামি। আর আরেকটা বদনাম শোনা যায় এই এনিমটা সমন্ধে; সেটা হল "yaoi" এর আছর; আমার কাছে যেটা বোগাস মনে হল। কারণ; এনিমটাই সাতার নিয়ে; সাতার নিয়ে "passionate" বোঝাইতে হলে তো যেখানে সেখানে কাপড় চোপর খুলে আন্ডি পরে পানিতে নেমে যেতেই হবে; আর সাতারে দক্ষতা বোঝাতে ফর্ম বা এইসব ব্যাপার চলেই আসবে; সুতরাং - আমার কাছে "ওকে"। :) :)<br />
আর্টঅয়ার্ক - বেশ ভাল। :D<br />
কমেডি - ভালর দিকে। :)<br />
সাউন্ড - এভারেজ। :/</p>
<p>এখন পর্যন্ত হতাশ করলেও সিরিজটা খুব সম্ভবত চালিয়ে যাব - এক্টাই কারণ - স্পোর্টস জেনার; আশা করি তারা এর পর কম্পিটিশনগুলোর দিকে দৃষ্টি দিবে।</p>
<p>রিকমেন্ডেশনঃ প্লট এবং আনুশাঙ্গিক বিষয় নিয়ে খুব বেশি খুঁতখুঁতে না হলে বেশ উপভোগ্য একটা এনিম এবং রিকমেন্ডেড। :) :)
“free!” – সম্প্রতি রিলিজ পাওয়া চলমান একটা সিরিজ। নানা কন্ট্রোভার্সির কথা শুনে দেখতে বসেছিলাম; দেখার আরেকটা কারণ ট্যাগ এ “স্পোর্টস” আছে; আর আমি স্পোর্টস এনিমের একনিষ্ঠ ভক্ত। ওকে; প্রথম ৬ টা পর্ব দেখার পর আমার রিএকশন- এই এনিমটাকে “স্পোর্টস” ট্যাগ দেওয়াতে আমি হতাশ !!! প্রবাবলি আমার দেখা সবচেয়ে কম ডেভেলপড স্পোর্টস সাইড সম্পন্ন স্পোর্টস এনিম; তবে সামনে ভাল কিছু দেখব বলে আশায় আছি। ফ্রি সমন্ধে আমার এক্টাই মতামত; “fan service for girls” – period !!! তবে সেইটা আমি খারাপ হিসেবে বলছি না; ছেলেদের জন্য এত্ত এত্ত এচ্চি; এত্ত ফ্যানসার্ভিস থাকতে পারলে মেয়েদের জন্য খানিকটা ফ্যান সার্ভিস অবশ্যই থাকতে পারে। আর খুব ডেভেলপড প্লটও নাই; তবে “স্লাইস অফ লাইফ” এনিমের কাছ থেকে খুব জটিল প্লট আশা করাটাও খানিক বোকামি। আর আরেকটা বদনাম শোনা যায় এই এনিমটা সমন্ধে; সেটা হল “yaoi” এর আছর; আমার কাছে যেটা বোগাস মনে হল। কারণ; এনিমটাই সাতার নিয়ে; সাতার নিয়ে “passionate” বোঝাইতে হলে তো যেখানে সেখানে কাপড় চোপর খুলে আন্ডি পরে পানিতে নেমে যেতেই হবে; আর সাতারে দক্ষতা বোঝাতে ফর্ম বা এইসব ব্যাপার চলেই আসবে; সুতরাং – আমার কাছে “ওকে”।   
আর্টঅয়ার্ক – বেশ ভাল।  
কমেডি – ভালর দিকে। 
সাউন্ড – এভারেজ। 

এখন পর্যন্ত হতাশ করলেও সিরিজটা খুব সম্ভবত চালিয়ে যাব – এক্টাই কারণ – স্পোর্টস জেনার; আশা করি তারা এর পর কম্পিটিশনগুলোর দিকে দৃষ্টি দিবে।

রিকমেন্ডেশনঃ প্লট এবং আনুশাঙ্গিক বিষয় নিয়ে খুব বেশি খুঁতখুঁতে না হলে বেশ উপভোগ্য একটা এনিম এবং রিকমেন্ডেড।  

"free!" - সম্প্রতি রিলিজ পাওয়া চলমান একটা সিরিজ। নানা কন্ট্রোভার্সির কথা শুনে দেখতে বসেছিলাম; দেখার আরেকটা কারণ ট্যাগ এ "স্পোর্টস" আছে; আর আমি স্পোর্টস এনিমের একনিষ্ঠ ভক্ত। ওকে; প্রথম ৬ টা পর্ব দেখার পর আমার রিএকশন- এই এনিমটাকে "স্পোর্টস" ট্যাগ দেওয়াতে আমি হতাশ !!! প্রবাবলি আমার দেখা সবচেয়ে কম ডেভেলপড স্পোর্টস সাইড সম্পন্ন স্পোর্টস এনিম; তবে সামনে ভাল কিছু দেখব বলে আশায় আছি। ফ্রি সমন্ধে আমার এক্টাই মতামত; "fan service for girls" - period !!! তবে সেইটা আমি খারাপ হিসেবে বলছি না; ছেলেদের জন্য এত্ত এত্ত এচ্চি; এত্ত ফ্যানসার্ভিস থাকতে পারলে মেয়েদের জন্য খানিকটা ফ্যান সার্ভিস অবশ্যই থাকতে পারে। আর খুব ডেভেলপড প্লটও নাই; তবে "স্লাইস অফ লাইফ" এনিমের কাছ থেকে খুব জটিল প্লট আশা করাটাও খানিক বোকামি। আর আরেকটা বদনাম শোনা যায় এই এনিমটা সমন্ধে; সেটা হল "yaoi" এর আছর; আমার কাছে যেটা বোগাস মনে হল। কারণ; এনিমটাই সাতার নিয়ে; সাতার নিয়ে "passionate" বোঝাইতে হলে তো যেখানে সেখানে কাপড় চোপর খুলে আন্ডি পরে পানিতে নেমে যেতেই হবে; আর সাতারে দক্ষতা বোঝাতে ফর্ম বা এইসব ব্যাপার চলেই আসবে; সুতরাং - আমার কাছে "ওকে"। :) :)<br />
আর্টঅয়ার্ক - বেশ ভাল। :D<br />
কমেডি - ভালর দিকে। :)<br />
সাউন্ড - এভারেজ। :/</p>
<p>এখন পর্যন্ত হতাশ করলেও সিরিজটা খুব সম্ভবত চালিয়ে যাব - এক্টাই কারণ - স্পোর্টস জেনার; আশা করি তারা এর পর কম্পিটিশনগুলোর দিকে দৃষ্টি দিবে।</p>
<p>রিকমেন্ডেশনঃ প্লট এবং আনুশাঙ্গিক বিষয় নিয়ে খুব বেশি খুঁতখুঁতে না হলে বেশ উপভোগ্য একটা এনিম এবং রিকমেন্ডেড। :) :)

একটু অন্যরকম একটি স্পোর্টস এনিম – Dan Doh !! লেখক মোঃ আসিফুল হক

২৬ পর্বের এই এনিমটা মাত্র দেখে শেষ করলাম। কাহিনী – গলফ নিয়ে। গলফের নাম শুনেই কপাল কুঁচকে উঠলো তো? উঠারই কথা; আমার দেখামতে যারা গলফ খুব ভাল বোঝেন এবং নিয়মিত খেলেন তারা ছাড়া বাকি প্রায় সবার কাছেই গলফ টপ ৫ বোরিং গেইমের লিস্টে থাকবে। তবে ভয় পাবেন না; জাপানীরা আর যাই করুক; স্পোর্টস এনিম খারাপ বানায় না; যদি খারাপ লেগে থাকে তবে সেটা খেলার দোষ, এনিমের নয়।:) :)

কাহিনি খুবই সহজ সরল। Aoba Tadamichi aka Dandoh বেইসবল খেলোয়াড়, কিছুটা গরীব। একদিন সে জানতে পারে গলফ খেলায় প্রচুর পয়সা; এক টুর্নামেন্টেই সে লাখ টাকা কামাইতে পারবে। এই মোটিভেশনে এবং স্কুলের হেডমাস্টারের অনুপ্রেরণায় সে গলফ খেলায় আগ্রহী হয়। তার জন্মগত বেশ কিছু প্রতিভা ছিল; সেই সুত্রে খুব অল্পদিনেই সে খেলাটায় বেশ পারদর্শী হয়ে ওঠে।

ওভারঅল Dan Doh এনিমটা কেমন লেগেছে? – আমার মতামত – ভালই; খারাপ না। তবে অনেক গুলো জায়গায় অনেকগুলো সমস্যা বা বাজে দিক চোখে পড়েছে। সেগুলো আগে একে একে বলা যাক।

যারা Prince of Tennis দেখেছেন তারা এই এনিমটার সাথে বেশ কিছু বিষয়ে মিল পাবেন। প্রথম বিষয় – কথা নাই বার্তা নাই খুব বেশি জিনিয়াসের আগমন; যেইটা আমার প্রচন্ড বিরক্ত লাগে। ২য় বিষয় হচ্ছে; মাত্র ২৬ পর্ব হওয়ায় ক্যারেক্টারগুলো খুব বেশি ডেভেলপ করতে পারে নি; আমার মতে খুব সহজেই এইটা ৭০+ পর্ব করা যেত। এতে যেটা হয় ক্যারেক্টারগুলোর প্রতি খুব একটা মায়া জন্মায় না। কেমন যেন একটা ছাড়া ছাড়া ভাব ক্যারেক্টারগুলোর মধ্যে।

৩য় বিষয় হচ্ছে স্টরিলাইন বেশ কিছু জায়গা খাপছাড়া। যেমন এক জায়গায় রোমান্টিক করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কাহিনী বলে দিচ্ছি না; তবে দেখলেই বুঝবেন জায়গাটা একটু খাপছাড়া মনে হয়েছে; কেন জানি মনে হচ্ছিল কাহিনীতে ওইটার প্রয়োজন ছিল না ।

আরেকটা বিষয় হচ্ছে আবেগের ঘাটতি। ব্যাপারটা কেমন একটু ব্যাখ্যা করি।ফুটবল, টেনিস এমনকি বক্সিং ( হাজিমে নো ইপ্পো) নিয়েও প্রায় সব স্পোর্টস এনিমেই একটা পার্ট দেখায় যেখানে খুব গরীব কেউ শুধু খেলাটার টানে খেলে যায়। গলফ এম্নিতেই যথেষ্ট ব্যয়বহুল খেলা হওয়ায় ওই রকম কোন পার্ট ছিল না; আর স্পোর্টস এনিমে অইরকম পার্ট না থাকলে কেমন যেন খালি খালি লাগে। B-)B-)

ভাল দিক বলতে আকানো নামে একটা ক্যারেক্টার এর একটা আর্ক আছে; ওইখানে কাহিনীটা বেশ ইন্টারেস্টিং। সে একজন প্রো গলফার, তবে বেশ কিছু কারণে তার ক্যারিয়ার ধ্বংসের পথে; ওইখানে তার নবজাগরণ ঘটে। এছাড়া মাঝে Dan Doh এর বাবাকে নিয়ে হালকা টুইস্ট টাইপ কিছু জায়গা আছে; সেটা খুব একটা উল্লেখের বিষয় না অবশ্য।

আর্ট স্টাইল, কাহিনী, সাউন্ড, স্টোরি, ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট – সবগুলোই মোটামুটি এভারেজ লেভেলের। Over the moon কোন সাইড অবশ্য এই এনিমের নাই।

এখন অবশ্য জিজ্ঞেস করে বসতে পারেন পুরা রিভিউতে শুধু নেগেটিভ ছাড়া একটা পজেটিভ দিক বলেন নাই; দেখুম কেন? ভাল প্রশ্ন। উত্তর হইল, গলফের মত এইরকম একটা বোরিং খেলারেও যে ইন্টারেস্টিং বানাইছে এইটাইতো বহুত। আর সব মিলিয়ে এনিমটা আমার খুব একটা খারাপ লাগে নাই। তবে সেইটা আমার সামনে পরীক্ষা বইলাও হইতে পারে, আমি Die Hard Sports Anime ফ্যান বইলাও হইতে পারে, আবার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালের ষড়যন্ত্রও হইতে পারে !!!!!

Slam dunk: পিওর কমেডি, গ্যাং ফাইট, বাস্কেটবল আর one sided love এর এক অসাধারণ গল্প — লেখক মো আসিফুল হক

কমেডি, গ্যাং ফাইট, বাস্কেটবল – এনিমের জন্য একটা বেশ ইউনিক কম্বিনেশন। কিন্তু slam dunk খুব সফল আর সাবলিলভাবে এই কম্বিনেশনকে উপস্থাপন করতে পারছে। এই এনিমে যখন যেইটা করতে চাইছে খুব সফলভাবেই সেইটা করতে পারছে। যখন ফানি করতে চাইছে; it was pretty damn funny; যখন সিরিয়াস কিছু দেখাইতে চাইছে; it was pretty serious. কিন্তু এনিমটার মুল সফলতা পিওর সাস্পেন্স ভর্তি ম্যাচগুলায়। যদিও অন্য অনেক স্পোর্টস এনিমের মত এইটাতে খুব “ফেন্সি” “কুল” মুভ নাই; কিন্তু এই রিএলিজমের টাচটাই বরং এনিমটাকে বেশি সফল করছে।

মেইন ক্যারেক্টার সাকুরাগি হানামিচি এনিমটার প্রাণ বলা যায়। তার চরিত্র যদি এক বাক্যে বলতে হয় তবে বলা যায়, সাকুরাগি টেক্টলেস, রাফ, স্টুপিড, ফানি, লয়াল, স্ট্রং, ডেডিকেটেড , অধৈর্য, হট টেম্পারড এবং লাউড – একটা এনিমকে ফানি এবং ইন্টারেস্টিং করার জন্য যা দরকার সবগুলার একটা কমপ্লিট প্যাকেজ। :) :)

হানামিচির বাস্কেটবল খুবই অপছন্দের খেলা। কিন্তু তার মনে মনে পছন্দ করা হারুকোর বাস্কেটবল খুবই প্রিয়; পাশাপাশি হারুকোর বড় ভাই আকাগি স্কুলের বাস্কেটবল টিমের ক্যাপ্টেন। হারুকোকে ইম্প্রেস করতে সাকুরাগি বাস্কেটবল টিমে যোগ দেয়। একই বছরে ভর্তি হওয়া রুকাওয়াও যোগ দেয় টিমে যে কিনা সমগ্র স্কুলে নারী সম্প্রদায়ের কাছে বিপুল জনপ্রিয়; সেই সাথে হারুকোর কাছেও। স্বাভাবিক ভাবেই সাকুরাগি রুকাওয়াকে তার ১ নাম্বার প্রতিদ্বন্দ্বী ধরে নেয়। যারা নিয়মিত স্পোর্টস এনিম দেখেন বা দেখেছেন তারা নিশ্চয়ই এর পর কাহিনী কোন দিকে যাবে তা আন্দাজ করে ফেলেছেন। :) :)
well, মোটামুটি ওইরকমই আগায় কাহিনী; যদিও কিছু কিছু জায়গায় অল্প টুইস্ট আছে। তবে শেষ পর্যন্ত আর ৮-১০ টা স্পোর্টস এনিমের মত এইটাতে সাকুরাগি রাতারাতি রুকাওয়াকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যায় না; বরং নিজের মত করে সফল হয়।:) :)

টিমের বাকি মেম্বার- আকাগি, মিতসুই, মিয়াগি, কগুরে- সব গুলো চরিত্রই অসাধারণ এবং প্রত্যেকেরই নিজস্ব গল্প, স্বপ্ন,স্ট্রাগল- খুব সুন্দর ভাবে এনিমে দেখানো হয়েছে। প্রত্যেকটা ক্যারেক্টারই নিজের মত করে ইউনিক। :) :)

একমাত্র অপছন্দের দিক ছিল দুই একটা ম্যাচ বেশ লেংদি ছিল; ৬ দিনে পুরা সিজন শেষ করায় কিছু কিছু জায়গায় এই লম্বা ম্যাচগুলা বিরক্ত লাগছিল। তবে শেষে আমি খুব আশা করছিলাম আরও কিছু পর্ব থাকুক; হানামিচি এবং সবগুলা ক্যারেক্টার এবং স্টোরিটা এত পছন্দ হইছিল। এছাড়া আর্ট স্টাইল কিছুটা রাফ – কিন্তু এনিমের সময়কাল (১৯৯৩-৯৬) চিন্তা করলে এইটা মাফ করে দেওয়াই যায়। :) :)

এনিমটার সবচেয়ে বেস্ট দিক আমার কাছে এর কমেডি পার্ট। স্পোর্টস এনিমগুলা সাধারণত খুব সিরিয়াস টোনের হয়; ফান থাকলেও খুব বেশি থাকে না; কিন্তু এই এনিমটা জাস্ট ফুল অফ ফান এন্ড কমেডি। নিঃসন্দেহে সাকুরাগি আমার ফেভারিট এনিম ক্যারেক্টারের লিস্টে একটা জায়গা দখল করতে পারবে।

তাহলে আর দেরি কেন? এখনই দেখা শুরু করে দিন এই অসাধারণ এনিমটি।

হ্যাপি এনিমিং !!! :) :)

মেগা পোস্ট – আমার দেখা কিছু স্পোর্টস এনিম (একখানা “না দেখলে পস্তাইবেন” পোস্ট ) — লেখক মোঃ আসিফুল হক

এনিম ভালো লাগার একটা বড় কারণ এইটার বৈচিত্র্য আবার সেইসাথে একই ধাঁচের অনেক আইটেমের সমাহার। মিস্ট্রি, কমেডি, সুপারপাওয়ার, স্পোর্টস, ফ্যান্টাসি, এনশায়েন্ট হিস্ট্রি, ফ্রেন্ডশিপ, রোমান্স, ডিটেক্টিভ- কি নাই? আমি প্রায় সব ধরণের এনিমই দেখি, হোক সেইটা শোনেন, কিংবা স্পোর্টস, কিংবা ফ্যান্টাসি। তবে শোনেনের পর আমার ফেভারিট জেনার স্পোর্টস। কেন? কারণ – সহজলভ্যতা আর জোশিলা স্টোরি লাইন। :):):) বেশিরভাগ স্পোর্টস এনিমের স্টোরি বেশ সিম্পল, কিন্তু খুব ফাস্ট এবং ইন্টারেস্টিং।

নিচে আমার দেখা অল্প কিছু স্পোর্টস এনিমের নাম এবং হালকা বর্ণনা সহ রেটিং দেওয়া হল। এইখানে দেওয়া সবগুলা রেটিং এর অর্থ কোনটা কত দ্রুত দেখবেন, কোনটার আগে কোনটা দেখা উচিত; আমার কাছে কতটুকু ভালো লাগছে তা না। কারণ আমি আর্ট স্টাইল নিয়া এখন তেমন একটা মাথা ঘামাই না, কাহিনী ভালো হইলে সবই দেখি। কিন্তু এইখানে রেটিং দেওয়ার সময় সবার জন্য আর্ট স্টাইল মাথায় রাইখা দেওয়া। যেই এনিমের রেটিং এইখানে যত ভালো, সেইটা তত দ্রুত দেইখা ফেলার জন্য রিকমেন্ডেড। এবং রেটিং দেওয়া হইছে ১০ এর মধ্যে। :D :D :D

Akagi: জাপানিজ মাহজং (অনেকটা আমাদের দেশের কার্ড খেলার মত) খেলা নিয়া একটা এনিম এবং বেশ ভালো লেভেলের স্টোরিলাইন নিয়া একটা এনিম। অনেক আগের এনিম তাই আর্ট স্টাইল একটু old fashioned। দেখতে দেখতে শেষদিকে অবশ্য বোর হয়ে যাওয়ার চান্স আছে, হিরোকে একদম গডলি দেখানোর কারনে।মাত্র ২৬ পর্ব, এইজন্য এনিমে মাহজং খেলাও খুব বেশী ব্যাখ্যা করা হয় না, আমি এনিমটা দেখার আগে একদিন মাহজং নিয়া পড়াশুনা কইরা দেখতে বসছিলাম। না করলেও চলত,তবে খেলাটা সম্বন্ধে আগে একটু জাইনা নেওয়াটা বেটার। :):):)
দেখলে ভালো, না দেখলেও চলবে। সব মিলিয়ে রেটিং – ৪।

Aoki Densetsu Shoot!: ফুটবল নিয়া একটা এনিম। ক্লাসিক, ওল্ড ফেশন্ড। সমস্যা ওই আর্ট স্টাইলেই, তবে আকাগির চেয়ে ভালো। ৫৮ পর্ব, সুতরাং বেশ বিস্তারিত গল্প। সব মিলিয়ে রেটিং – ৫।

Area no kishi: আবারও ফুটবল। নতুন সিরিজ, চলতেছে এখনও। আমি ২৮ এপিসোড পর্যন্ত দেখছি। স্টোরিলাইন মারাত্মক, আর্ট স্টাইল সন্তোষজনক। হাইলি রিকমেন্ডেড। সব মিলিয়ে রেটিং – ৭।

Baki the grappler: স্ট্রিট ফাইট, মার্শাল আর্ট-টাইপ এনিম। অসাধারণ স্টোরি, ততোধিক পেইনফুল আর্টস্টাইল। আর্টস্টাইল নিয়া বিন্দুমাত্র খুঁতখুঁতে ভাব থাকলে না দেখা উত্তম।কিন্তু আমার খুব ফেভারিট এনিম, এই ধরণের প্লটে ওয়ান অফ দা বেস্ট স্টোরি। সব মিলিয়ে রেটিং – ৩।

Captain Tsubasa: ফুটবল। আমার কাছে যেইপর্ব গুলা আছে তাতে অডিও আর ভিডিও মিলে না, মানে কথা আগে চলে আসে আর কি!!! সেই জন্য ২ পর্ব পড়ে দেখা হয় নাই। তবে ভালো প্রিন্ট থাক্লেও খুব সম্ভবত দেখতাম না। অনেকের অবশ্য ফুটবল নিয়ে খুব প্রিয় এই এনিমটা, কিন্তু আমার ভালো লাগে নাই,কারণ এইখানেও “over the moon” হিরো ক্যারেকটার, সে সবকিছুতেই পারফেক্ট, বিরক্তিকর। সব মিলিয়ে রেটিং – ২।

Chihayafuru: জাপানিজ কারুতা (এক রকমের কার্ড গেম, অনেক গুলা কবিতা মুখস্থ করতে হয়, স্মৃতিশক্তি টেস্ট টাইপ খেলা) নিয়া এনিম। খেলার সাথে সাথে অবশ্য ফ্রেন্ডশিপ এবং রোমান্স সাইডটা বেশ জোরালো। হালকা ধাঁচের এনিম, উপভোগ্য। প্রথম থেইকা খেলার রুলস সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা কইরা গেসে। দেখলে ভালো, না দেখলেও সমস্যা নাই। সব মিলিয়ে রেটিং – ৫।

Eyeshield 21: আমেরিকান ফুটবল(রাগবি টাইপ) নিয়া এই এনিমটা। মাস্ট ওয়াচ, যদিও আর্ট স্টাইল হালকা পুরাতন ধাঁচের, তবে ওইটা আমলে না নিয়া দেইখা ফেলাটা জরুরি। সেইরকম স্টোরি এবং অনেকগুলা এক্সসাইটিং গেম। :):):) ১৪৫ এপিসোড, খেলা পুরাপুরি ব্যাখ্যা করার পাশাপাশি সব মেজর লীগগুলার খবর পর্যন্ত এনিমটায় দেওয়া। সব মিলিয়ে রেটিং – ৮।

Giant killing: উপরের প্রায় সব ফুটবল এনিম স্কুল লেভেল ফুটবল নিয়া, অনেক স্পেশাল মুভ, অনেক ড্রামাটিক ঘটনা। কিন্তু এইটা একটু ডিফারেন্ট। অনেকটা রিয়েলিটির টাচ আছে, স্ট্রেটেজিক ফুটবল নিয়া স্টোরি। Most of the time ভালো স্টোরিলাইনের এনিমের আর্ট স্টাইল খারাপ থাকে এই নীতি মাইনা যথারীতি আর্ট স্টাইল দুর্বল। তবে কাহিনী খারাপ না। সব মিলিয়ে রেটিং – ৬।

Ginga a kickoff: ফুটবল। আর্টস্টাইল ভালো, স্টোরি ডিসেন্ট। ভালো টাইম পাস এনিম। সব মিলিয়ে রেটিং – ৬।

Hajime no ippo: স্পোর্টস এনিমে আমার ফেভারিট লিস্টে 2nd best। বক্সিং নিয়ে কাহিনী। শুনে মনে হইতে পারে বক্সিং নিয়া ইন্টারেস্টিং কি হইতে পারে? কিন্তু এনিম দেখার পর ভুল ভাংবেই। অসাধারণ স্টোরি, এবং চরম ফাস্ট। প্রথম পর্ব দেখার পর একটানে সব পর্ব নামানোর এবং দেখার কাজ নন্সটপ চলছে। সব মিলিয়ে রেটিং – ১০।

Hungry heart wild striker: ফুটবল। স্টোরি এবং এনিমেশন চমৎকার। ধর তক্তা মার পেরেক – টাইপ এনিম, মানে ধরলে শেষ না কইরা উঠতে পারবেন না। ৫২ এপিসোড সুতরাং ঘটনা জমে ওঠার বেশ ভালো টাইম পাইছে। সব মিলিয়ে রেটিং – ৭।

Initial D: স্পোর্টস এনিমে আমার ফেভারিট লিস্টে নাম্বার ওয়ান। কার রেসিং নিয়ে এই এনিমটা। এইটা দেখার পর কার রেসিং এর সব মুভির কথা ভুইলা গেসি। না দেখা থাকলে পোস্ট পইরা সাথে সাথে এইটা দেখা শুরুর অনুরোধ রইল। ৪ সিজন, বেশ বড় এবং অসাধারণ কাহিনী, আর বেশী জোস এক্সসাইটমেন্ট এর একটা এনিম। সব মিলিয়ে রেটিং – ১০।

Kuroko no basuke: বাস্কেটবল। অনগোয়িং সিরিজ। শেষ হইলে স্পোর্টস এনিমের ফেভারিট লিস্টে ৩ নাম্বার স্পট দখল করব বইলা মনে হইতেছে।:) :) :) দুর্দান্ত কাহিনী এবং এনিমেশন স্টাইল। সব মিলিয়ে রেটিং – ৯।

One outs: বেইসবল, স্ট্রেটেজিক। ইন ফেক্ট, খেলার চেয়ে খেলার স্ট্রেটেজি পার্টটাই মেইন। অসাধারণ এনিম, মাস্ট ওয়াচ। সব মিলিয়ে রেটিং – ৭।

Prince of tennis: নামেই বুঝা যাইতেছে, টেনিস নিয়া এনিমটা। দেখতে গিয়া মেজাজ প্রচন্ড খারাপ হইছে। মেইন ক্যারেকটাররে এত বেশী জিনিয়াস আর এত বেশী গডলি দেখাইছে যে প্রথম ১০ পর্বের পর সব আগ্রহ হারাইয়া ফেলসি। সাথে আবার পুতুপুতু টাইপ প্রেম কাহিনী। টিনেজদের জন্য তৈরি কাহিনী। না দেখাটাই উত্তম। সব মিলিয়ে রেটিং – ২।

Slam dunk : বাস্কেটবল। কাহিনী ভালো, আর্ট স্টাইল ওল্ড । দেখলে ভালো, না দেখলেও চলবে। সব মিলিয়ে রেটিং – ৪।

রেটিংউয়াইজ এনিমগুলি –
1 Initial D
2 Hajime no ippo

3 Kuroko no basuke

4 Eyeshield 21

5 Area no kishi
6 Hungry heart wild striker
7 One outs

8 Giant killing
9 Ginga a kickoff

10 Aoki Dentusu shoot
11 Chihayafuru

12 Akagi
13 Slam dunk

14 Baki the grappler

15 Captain tsubasa
16 Prince of tennis

আজকে আপাতত এইটুকুই। আল্লাহ বাচাইয়া রাখলে এবং লেখার আগ্রহ পাইলে নেক্সট পর্ব যদি কোনোদিন লেখি তাইলে আরও কিছু স্পোর্টস এনিমের নাম দিব ইনশাল্লাহ। :) :)

তাহলে আর দেরি কেন? এখনই দেখা শুরু করে দিন এই এনিমগুলি। আর সবগুলা এনিমই অনলাইনে দেখার জন্য ক্লিক এইখানে করতে পারেন।

হ্যাপি এনিমিং। :) :)

Kuroko no Basuke – আরেকটি classic স্পোর্টস এনিম — লেখক মো আসিফুল হক

জাপানে কিছু অতি মাত্রায় টেলেন্টেড লোক আছে, যারা এনিম বানায় এবং মাঙ্গা লেখে। এরা যে কোন একটা বোরিং টপিক্সরে ধইরা চিন্তার বাইরে ইন্টারেস্টিং বানাইয়া দিতে পারে। kuroko no basuke তারই একটা বড় উদাহরণ।

এই এনিমটা কোন খেলা নিয়া? – বাস্কেটবল। নাম শুইনাই উলটা দিকে দৌড় দিয়েন না। প্রথমে আমিও ভাবসিলাম – আর বাকি সব খেলা না হয় বাদই দিলাম, বাস্কেটবল নিয়া আবার কি বানাইব? কেম্নে সম্ভব? প্রথম পর্ব দেখার পর টানা বাকি ১৮ পর্ব ( এখন পর্যন্ত ১৯ পর্ব নেটে পাইছি) নামাইয়া দেইখা ফালাইলাম। বাকি পর্ব কবে আইব সেই চিন্তা করতেছি এখন।

তউকো একাডেমির পাঁচ জন অসাম বাস্কেটবল প্লেয়ারকে একসাথে “generation of miracles” বলা হয়। তাদের নাম সবার মুখে মুখে। ষষ্ঠ আরেকজন প্লেয়ারের নাম শোনা যায় – কিন্তু বাকি পাঁচ জনের মত না। সে কে, কি রকম – সেই সম্বন্ধে লোকের ধারণা কম।

মিডল স্কুলে সবাই আলাদা আলাদা স্কুলে ভর্তি হয়। সেই ষষ্ঠজন – কুরোকো ভর্তি হয় সেইরিন স্কুলে। সবাই অবাক হয়ে দেখে – তার হাইট, স্টেমিনা, স্পিড, ড্রিব্লিং – যা কিনা বাস্কেটবল খেলার মুল জিনিস – সবই এভারেজের নিচে। তাহলে তার বৈশিষ্ট্য কি? হ্যাঁ, তার বাহাদুরি পাসিংএ । সে “misdirection” ইউজ করে অসাধারণ পাস দেয়। সেই স্কুলে ভর্তি হয় আমেরিকা ফেরত কাগামি। তার লক্ষ্য “generation of miracles” এর সবাইকে পরাজিত করা। কুরোকো প্রমিজ করে কাগামিকে তার লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করার।

প্রত্যেক খেলোয়াড়ের আলাদা বৈশিষ্ট্য , আলাদা পাওয়ার, হাই স্পিড গেম, চমৎকার এনিমেশন, এবং সেই সাথে অসাধারণ স্টোরি লাইন – সব মিলে একটা জমজমাট এনিম। আর এখনও এইটার কাহিনী প্রথম দিকে আছে। আশা করাই যায়, সামনে কাহিনী আরও জমবে।

এনিমের কমেডি সাইডটাও ডিসেন্ট। রোমান্টিক সাইড যথাসম্ভব কম রাখার চেষ্টা করা হয়েছে, যতটুকু আসছে তাও কমেডির ধাঁচে। সো, এনিমটা দেইখা বোর হবার চান্স নাই। :) :) :)

অনলাইনে দেখার জন্য এই লিঙ্কে ক্লিক করতে পারেন, আইডিএম থাকলে নামাইয়াও নিতে পারেন। :) :) আর এনিম নিয়ে আড্ডা দিতে চাইলে, কিছু জানতে ও জানাতে চাইলে, কিছু শেয়ার করতে চাইলে যোগ দিতে পারেন এই ফেইসবুক গ্রুপে ।

তো আর দেরি কেন? দেখা শুরু করে দিন এই অসাধারণ এনিমটি। :) :)

হ্যাপি এনিমিং !!!!!