যেরো নো সৌকৌশি [মাঙ্গা সাজেশন] — Zahura Chowdhury Abonti

Zero no Soukoushi

মাঙ্গা সাজেশনঃ যেরো নো সৌকৌশি
চ্যাপ্টার সংখ্যাঃ ৩
স্ট্যাটাসঃ কমপ্লিটেড
জনরাঃ ড্রামা, মিস্ট্রি, শৌজো
ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৮

কানাদে একজন পারফিউমিস্ট— নানা রকম ঘ্রাণের সংমিশ্রনে নতুন নতুন সুগন্ধী তৈরি করা তার পেশা। গন্ধ নিয়ে কাজ করতে হয় বলেই অন্য দশটা মানুষের তুলনায় তার নাকটা একটু বেশি তীক্ষ্ণ। খুব সহজেই ঘ্রাণের সামান্যতম তফাতও সে ধরে ফেলতে পারে। আর এই কারণেই মাঝে মাঝে তাকে ফেঁসে যেতে হয় অযাচিত বিভিন্ন প্যাঁচালো ঘটনায়। নিজ পেশার প্রতি ভালবাসা থেকেই কানাদে চেষ্টা করে প্রতিটা মানুষের জন্য তার সাথে মানানসই সুগন্ধী তৈরি করে দিতে। পারফিউম ফ্রিক এই মানুষ আপাতভাবে তেমন মিশুক না হলেও সম্পর্কে কাজিন আনাইসের সাথে তার বেশ সখ্যতা রয়েছে। কানাদে যেমন চায় সব ঝামেলা এড়িয়ে চলতে, আনাইস ঠিক তার উলটো। না পারতে তাই এসব অনাকাঙ্খিত ঘটনাতে জড়িয়ে যেতে হয় কানাদেকেও। আর নিজের সুনিপুণ দক্ষতায় সে বের করে আনে রহস্যের সমাধান।

৩ টি চ্যাপ্টারে তিনটি ভিন্ন মিস্ট্রির খোলাসা করা হয়েছে, যার মাঝে ব্যক্তিগতভাবে আমার পছন্দ সর্বপ্রথমটাই। একটু ভিন্নধর্মী এই মাঙ্গার কাহিনী বেশ ভাল ও ইউনিক। মাত্র ৩ চ্যাপ্টার বলে পড়তেও বেশি সময় লাগে না। আর এই মাঙ্গার খুবই আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে এর আর্ট। খুব বেশি রকমের সুন্দর ও বেশ আনকমন এই আর্ট প্যাটার্নে রয়েছে খানিকটা ওয়েস্টার্ণ ধাঁচ। ৩ চ্যাপ্টারে ক্যারেক্টার ডেভেলাপমেন্ট এর খুব বেশি জায়গা নেই, সে চেষ্টাও মাঙ্গাকা করেননি। পুরো মাঙ্গাতে কানাদেকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে এবং তার চরিত্রটি আমার কাছে কাহিনীর সাথে বেশ মানানসই মনে হয়েছে। আনাইসকে মাঝে মাঝে অবাঞ্চিত মনে হলেও তারও প্রয়োজন ছিল বলেই মনে হয়। অল্প সময়ে বেশ আনন্দদায়ক এক মাঙ্গা বলেই মনে হয় আমার। কিছু কিছু জায়গা অবশ্য অনেক অস্বাভাবিক ও জোরপূর্বক কাহিনী মেলানোর জন্য করে দেয়া বলেও মনে হয়েছে; বিশেষ করে শেষ গল্পটাতে। কিন্তু সামান্য এই দোষ এড়িয়ে যেতে পারলে বেশ উপভোগ্য একটি মাঙ্গা এটি। হাতে সামান্য সময় থাকলে পড়ে দেখতে পারেন। সাথে মাঙ্গার লিঙ্ক দিয়ে দিচ্ছি:
http://mangafox.me/manga/0_no_soukoushi/

১০০% পারফেক্ট গার্ল — Zahura Chowdhury Abonti

১০০% পারফেক্ট বলতে দুনিয়াতে কিছু কি আছে? তাহলে কোন মেয়ে কি করে ১০০% পারফেক্ট হয়! কিন্তু এই মানহোয়ার নামই এটা। “১০০% পারফেক্ট গার্ল”।

সুদূর রয়েন দেশ থেকে কোরিয়া তে এসেছে জে. ম্যাক্স। আসার পথে তার সেক্রেটারিকে সে পড়তে দেখে হারুকি মুরাকামির বই “১০০% পারফেক্ট গার্ল”। নেহাতই কিছু করার না পেয়ে সেক্রেটারির থেকে নিয়ে সেই বইই পড়া শুরু করে জে। বইটার মূল উপজীব্য ছিল কি করে এক ছেলে তার পছন্দের মেয়েকে নিয়ে বলে যে সেই হচ্ছে ১০০% পারফেক্ট গার্ল; ছেলেটির মতে মেয়েটি শুধু তার জন্যই। জে এগুলো পড়ে নিছক সস্তা রোমান্টিসিজম ভেবে নেয়। এসব বইও মানুষ পড়ে?!

কোরিয়া তে এসে ঘটনাচক্রে জে এর দেখা হয় আরেক জে এর সাথে। এই জে এক উঠতি বয়সী তরুণী যার স্বপ্ন হচ্ছে বড় আর্টিস্ট হওয়া। কিন্তু পরিবারে ছোট সন্তান হিসেবে প্রায়ই তার মত বাসাতে অগ্রাহ্য করা হয়। সবার জন্য নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিতে দিতে ক্লান্ত মেয়ে জে এর রয়েন থেকে আসা জে এর সাথে দেখা হওয়া নেহাতই কাকতালমাত্র। সংক্ষিপ্ত সেই এনকাউন্টারে শুধু একে অপরের নামটাই জানা হয় তাদের। আর সেই নামও কিনা একই! মেয়ে জে তাই রয়েনের জে এর নাম দেয় জারতে। সুদর্শন যুবক জারতে কে এক পথ হারানো বিদেশী পর্যটক মনে করলেও আসলে যে সে রয়েনের রাজা তা কোনভাবেই জানার উপায় ছিল না জে এর। খুব অল্প সময়ের সেই দেখাকে ঠিক সুমধুর হিসেবে ব্যাখ্যা করা না গেলেও জারতের জন্য তা বিশেষ কিছুই ছিল। কি কারণে সেও জানেনা জে কে মনে ধরে যায় জারতের। দেশে ফিরেও কাজে মন বসাতে না পেরে আবারো কোরিয়ার পথ ধরে জারতে। কিন্তু কি করে খুঁজে পাবে সে জে কে? তার ফোন নাম্বারটিও তো নিতে পারেনি সে!… রাজা হলে কত কিছুই না করা যায়! কোরিয়ার সকল বিলবোর্ড ভাড়া করে ফেলে জারতে। তাতে বড় বড় করে লেখা — “জে ইস লুকিং ফর জে”। কোরিয়ার সকল দেয়াল ছেয়ে যায় একই লেখার পোস্টারে।
খুঁজে কি পায় এক জে আরেক জে কে? মানহোয়া যেহেতু, নিশ্চয়ই খুঁজে পায়। কি হয় এর পরে? মডার্ণ ডে সিন্ডারেলা নামে খ্যাত মেয়ে জে এর জীবন রাতারাতি পালটে যায়, সেই পালটানোটা কি তার জন্য ভাল কিছু বয়ে আনে?

নানা রকম টুইস্ট আর টার্নে ভরা এই মানহোয়াটা আমার অনেক প্রিয়। এখানে চরিত্রগুলোর ইমোশন খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন লেখক ওয়ান। আমার অন্যতম পছন্দের এই মানহোয়া লেখক+আর্টিস্টের আর্টের প্রশংসাও না করলে নয়। সব মিলিয়ে অত্যন্ত উপভোগ্য একটি মানহোয়া এটি। আমার মত যারা একটু ম্যাচিওর রোমান্স পছন্দ করে তাদের এটা অবশ্যই ভাল লাগবে। এছাড়া আছে সাইকোলজিক্যাল ট্যাগও। তো আর দেরী কেন? আজই পড়া শুরু করে দিন “১০০% পারফেক্ট গার্ল”।

J - J

Skip Beat manga review – Zahura Chowdhury Abonti

মোগামি কিয়োকো সাধাসিধে গোবেচারা এক মেয়ে। ছোটবেলা থেকে তার বন্ধু ফুওয়া শোতারো বা সংক্ষেপে শো। কিয়োকো শো এর প্রতি খুবই বিশ্বস্ত। তার ধারণা সে বড় হয়ে শো-কে বিয়ে করবে। শুধুমাত্র শো এর জন্য কিয়োকো একা একা পাড়ি জমায় অন্য শহরে। সেখানে গিয়ে সে শো এর জন্য কি না করে! Part time job করে টাকা জমিয়ে শো এর আবদার পূরণ করে। অথচ এর জন্য কিনা সে নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে না। কিন্তু তার এতে কোন দুঃখ নেই। Aspiring star শো কে সে সব সময় উতসাহ দিয়ে যায় এই বলে যে শো এর মত ভাল গায়ক আর নেই। শো-ও এদিকে বেশ নামডাক কামাতে থাকে। শো এর প্রতিদ্বন্দী আরেক সুদর্শন নায়ক তসুরুগা রেন। শুধুমাত্র শো কে খুশি করতে কিয়োকো কখনো রেনের প্রশংসা করে না। সব মিলিয়ে এমন কিছু নেই যা কিয়োকো করে না তার ভালবাসার জন্য। বিপত্তি বাধে তখনই যখন একদিন কিয়োকো শো-কে দেখে ফেলে আরেক মেয়ের সাথে। আর শুনে ফেলে শো এর কথা। শো নিজের মুখে বলে যে কিয়োকো তার ফরমায়েশ পূরণ করে বলেই কিয়োকোর সাথে সে আছে, এছাড়া তার কাছে আর কোন মূল্য নেই কিয়োকোর। নিজ কানে এসব শুনে প্রচন্ড রকমের ধাক্কা খায় কিয়োকো আর ঠিক করে এই বিশ্বাসঘাতকতার প্রতিশোধ সে নিবেই। সে উঠেপড়ে লাগে শোবিজ join করার জন্য, পাল্টেফেলে নিজের বেশভূষা। কিন্তু ব্যাপারটা এত সোজা নয়। অনেক রকম চড়াই উতরাই পার হয়ে (যার অনেকগুলোই বেশ হাস্যকর) এক সময় কিয়োকো মোটামুটি এক জায়গাতে এনে নিজেকে দাঁড়া করায়। আর এখানে এসে তার সামনাসামনি পরিচয় হয় রেনের সাথে; যাকে সে আগে কতনা গালমন্দ করেছে শো এর প্রতিদ্বন্দী হওয়ার কারণে! আর সেই রেনই কিনা দেখা যায় পদে পদে কিয়োকোকে সাহায্য করে। কিয়োকোকে অভিনয় নিয়ে, জীবন নিয়ে নানা রকম বুদ্ধি দেয়, মাঝে বকাবকিও করে। কিয়োকো মাঝে মাঝে রেনকে অনেক ভয় পেলেও, মনে মনে অনেক বেশি শ্রদ্ধা করে আর কৃতজ্ঞতাবোধও অনুভব করে।

কিয়োকো জানেনা যে রেনের সাথে তার পরিচয় হয়েছিল ছোটবেলায়। তখন রেনের আসল পরিচয়ই সে জেনেছিল। তার আসল নাম রেন নয়, কুওন। আর নিজের পরিচয় ঢেকে রাখার পিছনে আছে অতীতের গাঢ় এক রহস্য যা রেন কাওকে জানতে দিতে চায় না। 
শো এর থেকে প্রতিশোধ নিতে বদ্ধ পরিকর আর কখনো কারো প্রতি দুর্বল না হয়ে পড়ার প্রতিজ্ঞা করা কিয়োকোর কি হবে পরিণতি? রেনের আসল পরিচয়ই বা কিভাবে নেবে কিয়োকো?

কাহিনী বেশ গতবাধা মনে হলেও ঠিক তেমনটা নয়। কিয়োকোর কাজকারবার বেশ মজার। তার expression গুলি আরো বেশি মজার। খুবই সাধাসিধে এই মেয়ে মাঝে মাঝে খুবই শক্ত আর তখন তাকে দেখে মনে হয় না এই মেয়েই মাঝে মাঝে এমন সব বোকার মত কাজ করতে পারে। আমার বেশ পছন্দের মাঙ্গা। পড়ে দেখতে পারেন।

উসুই তাকুমি by Zahura Chowdhury Abonti

উসুই তাকুমি। Shoujo hero দের মাঝে আমার সবচেয়ে পছন্দের character গুলোর একটি। ও হচ্ছে যাকে বলে পুরো perfect. আমার সাধারনত perfect চরিত্র ভাল লাগে না। উসুই exception. তার কারণ হল উসুই অনেক মজার। ওর কাজকর্ম আমার অনেক মজা লাগে। মিসাকির মত iron lady কে ঝামেলাতে ফেলে দিতে পারে শুধু উসুই একাই। নিজে মিসাকিকে জ্বালাতে খুব পছন্দ করলেও, অন্য কেউ মিসাকির সাথে ঝামেলা করতে আসলে খবর আছে। স্কুলের সবচেয়ে popular boy হয়েও সর্বদা একজনের প্রতিই loyal. সবসময় মিসাকির খেয়াল রাখে। মিসাকিকে support দেয়। মিসাকির জন্য তিন তলার ছাদ থেকেও লাফ দিয়েছিল। এই outer space alien আবার violin ও বাজায়, রান্নাও করে। violin এর প্রতি আমার আকর্ষন অনেক পুরানো। সেই সাথে table manner এর ব্যাপার গুলোর প্রতি interest আছে। স্বাভাবিকভাবেই উসুই এর এসব জিনিসের জ্ঞান আমাকে impress করেছিল। তবে আসল জিনিস ওটাই –মিসাকির পাশে থাকা। নিজের আপন মা এর থেকে দূরে, বন্দী ঘরে বড় হয়ে উঠা একজন ছেলে finally কারো কাছে affection পেয়ে কিভাবে নিজের সর্বস্ব ঢেলে দেয় সে একজনের জন্য সেটা সত্যিই দেখার মত। যারা আনিমে টা দেখেছেন তারা হয়ত এই comment এর সাথে একমত হবেন না, কিন্তু মাঙ্গা টা পড়ে দেখলে অনেকটাই একমত হওয়ার কথা।

PS: মিসাকিও কম যায় না। আমার খুব বেশি পছন্দের একটা মেয়ে।

Takumi

My Kakashi by Zahura Chowdhury Abonti

আমি নারুতো প্রথম দেখেছিলাম Cartoon Network এ। সেখানে কাকাশির যে জিনিসটা প্রথম আমাকে curious বানায় সেটা হল ওর চুল আর মুখোশ। আমি খালি ভাবতাম—-“এই লোক মুখোশ পরে কেন?!” প্রথম প্রথম ওর আসল চেহারা দেখার খুব ইচ্ছে ছিল। এখন আর সেটা নেই। থাকুক একটু রহস্য। 

আমার সবসময় একটু carefree, laid back কিন্তু intelligent type এর চরিত্র পছন্দ হয়। সাথে একটু funny আর mysterious type. Kakashi ও ঠিক তাই। ওর যে জিনিসটা আমার সবচেয়ে ভাল লাগে তা হল অন্যের perspective থেকে চিন্তা করতে পারার ক্ষমতা, দূরদর্শীতা, আর অন্যকে বুঝতে পারার capability. Sasuke এর ভিতরে ক্রমশ বাড়তে থাকা ক্রোধ ও ঠিকই আঁচ করতে পেরেছিল এবং অনেকে অনেক কথা বল্লেও আমি মনে করি ও যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিল Sasuke কে বিপথে যেতে না দিতে। 
“Don’t worry. I won’t let my comrades die.” হাসি দিয়ে এই কথা বলেই কাকাশি আমার মন জয় করে নিয়েছিল। কারণ নিজের কাছের মানুষদের জন্য যে কোন extent পর্যন্ত যেতে পারা আমার মতে অনেক বড় একটা ব্যাপার। আরেকটা যে জিনিস মজা লাগে তা হল ওর funny দিক। ক্ষেত্রবিশেষে খুবই serious হলেও সে মজা করতে জানে। অনেক রকম বাজে জিনিস সহ্য করেও হাসতে ভুলে যায়নি। Chouji কে পালিয়ে যেতে দেয়ার জন্য নিশ্চিত মৃত্যুও মেনে নিয়েছিল। সেই সাথে নারুতোর বড় এক সহায় হয়ে ও ছিল এবং আছে ।
“As long as you don’t give up, you can still be saved.”— এই quote টা আমাকে সত্যিই inspire করে।

কাকাশি কে নিয়ে লিখতে গেলে আমি মনে হয় পুরো বই লিখে ফেলতে পারব। সুতরাং, দ্রুত ইতি টানাটাই ভাল হবে।
আমার দেখা সবচেয়ে cool character দের একজন কাকাশি। He is unique in his own way and he is the only character who looks cool even while reading porns in front of his students or while playing rock-paper-scissors with Guy 

[যদিও বলা হয়েছে বাংলায় পুরোটা লিখতে, আমি একটু ইংরেজী নিয়ে আসলাম দেখে দুঃখিত।]

Kakashi