Coffee With Asif (CWA): Sports Corner – পর্ব ২ – Giant Killing By Md Asiful Haque

Giant Killing

এনিম – Giant Killing

রিলেটেড স্পোর্টস – Football/ Soccer
অবস্থা – Completed
টোটাল এপি সংখ্যা – ২৬
রিলেটেড এনিম – Inazuma 11; Captain Tsubasa; Ginga e kickoff; Whistle!, Aoki Densetsu Shoot, Area no kishi Etc.

 স্টোরি লাইন –

East Tokyo United (ETU) – জাপানের টপ ফুটবল লীগে টিকে থাকার জন্য লড়াই করে যাচ্ছে কয়েক বছর ধরেই। এই সংগ্রামে অনেকটা জুয়ার চালেই তারা নতুন ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেয় তাতসুমি তাকেশিকে। তাতসুমি এককালে এই দলেরই স্টার প্লেয়ার ছিল; পরে অবশ্য দল ফেলে বিদেশ পাড়ি দেয়; সেই থেকেই মুলত দলের পতনের শুরু!!! সেই জন্য ভক্তদের কাছে যথেষ্ট অজনপ্রিয় সে; এছাড়াও তার অদ্ভুত জীবন জাপন; কোচিং স্টাইল; চাঁছাছোলা কথাবার্তা – সব মিলিয়ে সে নিজ দলেই বেশ বিরাগভাজন। তার সাম্নের চ্যালেঞ্জ মোটেও সহজ নয়; একটা ভাঙ্গাচোরা; স্পন্সর হারাতে হারাতে বাজেট শূন্যর কোটায় চলে আসা একটা দলকে জাগিয়ে তোলা !!! তাতসুমির পথচলাটা কেমন ছিল; কি করে একটা সাধারণ দল নিয়ে “Giant” টিম গুলোকে একের পর এক “বধ” করে তারই গল্প – giant killing !!!

কেন দেখবেন –

 এই এনিমে আর যা-ই হোক বলে কিক করলে বল থেইকা আগুন বের হয় না !! যারা সুপার পাওয়ার ধরণের শোনেন তাইপ স্পোর্টস এনিম দেখে খানিকটা হতাশ; এই এনিমটা হতে পারে তার জন্য পারফেক্ট রিলিফ !!! একদম বাস্তবধর্মী; প্লেইন স্ট্র্যাটেজিক এনিম !!! আর ম্যানেজারকে কেন্দ্র করে ঘটনা আবর্তিত হয় বলে ফোকাস শুধু প্লেয়ারদের উপরই না; বরং প্লেয়ার; কোচ; ম্যানেজার; টিম ওনার; ফ্যান – সবাইকেই যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখানো হইসে। টিমের মেম্বাররা সবাই এডাল্ট; সুতরাং আরও রিএলিস্টিক ফিল পাওয়া যাবে।

AMV লিঙ্ক –

https://www.youtube.com/watch?v=YMZLj1CrjAI

স্পয়লারের ভয় না করে এইটা দেইখেন; আশা করি দেখার পরার কিছু বলা লাগবে না !!!

 

 

পাব্লিক রিএকশনঃ (ফাহিম বিন সেলিম) –

Started watching Giant Killing. Finally an anime about Football not with Superpowers or about highschool school team, real proffessional Football! Loving it! And the best thing about sports anime are, they are hardly boring and almost every episode ends witha cliffhanger.

আমার রিএকশনঃ 

ফুটবল ভক্ত কাউকে স্পোর্টস এনিমে এডিক্টেড করে দিতে হইলে এইটা হাতে ধরায় দেওয়াই এনাফ !! এর পর নিজ দায়িত্বে অন্য সাজেশনের জন্য মাথা খারাপ করে ফেলবে ইনশাল্লাহ !!!

 

ছায়া অবলম্বনেঃ  

One Outs – রিএলিস্টিক; এডাল্ট প্লেয়ার; স্বল্প দৈর্ঘ্য।

 

Giant Killing ট্রিভিয়াঃ 

 

# ETU এর দুটি ম্যাচ কিট রয়েছে। তাদের মুল জার্সির কালার লাল কালো; away ম্যাচে সাধারণত সাদা জার্সি ব্যাবহার করে থাকে তারা। 

#ETU এর মাস্কট Pakka (১২ নম্বর জার্সি)

# জাতীয় দলে ETU এর একজন খেলোয়াড় রয়েছেন। তিনি akasaki. পজিশন – গোলকিপার (ফিকশনাল ক্যারেক্টার অবশ্যই )

 

– CWA প্রচারিত হচ্ছে প্রতি শুক্রবার; এনিমখোরে!! আমাদের আর কোথাও কোন শাখা নেই !!! স্পোর্টস এনিম নিয়ে আপনার যে কোন আবদার; আবেদন; আহ্লাদ; হুমকি; জিজ্ঞাসা – সব কিছুই জানাতে পারেন আমাদের; আমরা তার সমাধান দেবার চেষ্টা করব কোন না কোন সময় ইনশাল্লাহ !!! আমাদের সাথেই থাকুন !!!

Coffee With Asif (CWA): Sports Corner – পর্ব ১ – Yowamushi Pedal

 

এনিম – Yowamushi Pedal

রিলেটেড স্পোর্টস – সাইক্লিং
অবস্থা – বর্তমানে এয়ারিং; ৩ পর্ব বাজারে
টোটাল এপি সংখ্যা (আনুমানিক) – ৩৮
রিলেটেড এনিম – Over Drive

image 

স্টোরি লাইন –

সাকামিচি অনোদা একজন অতাকু। তার জীবনের স্বপ্ন এনিম এবং মাঙ্গা। মিডল স্কুলে তার যে কারণে কোন বন্ধু ছিল না। হাই স্কুলে এসেও তাকে হতাশ হতে হয় স্কুলের এনিম ক্লাব সদস্যের অভাবে বন্ধ দেখে। তার এনিম এবং মাঙ্গা জিনিসপত্র জোগাড় করার অবলম্বন তার মমি সাইকেল। স্বল্প দূরতে যাওয়ার জন্য ভারি সাইকেলগুলিকেই রেফার করা হচ্ছে এখানে। সে যেন বেশি দূর যেতে না পারে; হারিয়ে না যায়; এই জন্য ছোটবেলাতে তার বাবা মা তাকে এই চালাতে কষ্টসাধ্য সাইকেল কিনে দেন। যেটা কিনা তার জন্য পরবর্তীতে সাপেবর হয়ে দাঁড়ায়। সে কষ্ট করে চালাতে শিখতে শিখতে নিজের অজান্তেই একটা ইউনিক গুণের অধিকারী হয়ে যেতে থাকে !!! কি সেটা? দেখতে থাকুন; নিজেই জানতে পারবেন !!!

 

Watch Out for –  Hime song!!! মাথায় গেথে যেতে বাধ্য !!! ♪ HIME HIME HIME, SUKI SUKI DAISUKI HIME, HIME ♪ – just loved this song!!! 🙂 🙂

গানের লিঙ্ক –

 http://www.youtube.com/watch?v=bb4JmBDij7o

 

 

পাব্লিক রিএকশনঃ (কাজি রাফি) –

♪ HIME HIME HIME, SUKI SUKI DAISUKI HIME, HIME ♪ গানটা মাথা থেইকা বাইরই করতে পারতেছিনা !!! এই ফলে শুরু হওয়া নতুন এনিমে Yowamushi Pedal মাত্র তিনটা পর্ব বের হইছে কিন্তু এরিমদ্ধে বাইসাইকেল সম্বন্ধে এতো কিছু শিখছি যে ইচ্ছা করতেছে নিজেও একটা কিনে বাইর হয়ে পড়ি !!!! জটিল একটা এনিমে এই Yowamushi Pedal। আর এর মেন ক্যারেকটার সাকামিচি একদমই সরল কিন্তু একইসাথে অস্থির একটা পোলা, খুবই ভালো পাইছি এরে !! ফলে নতুন শুরু হওয়া সিরিজ গুলার মধ্যে এইটা সবচেয়ে প্রিয় এখন !!!! ওহ আর এইটা ৩৮ পর্বের এনিমে !!!!! উইন্টার অথবা সামারে নতুন কোন ভালো এনিমে বাইর না হইলেও চিন্তা নাই ! এইটাই যথেষ্ট !! যারা এখনও এইটা দেখেন নাই, দেখা শুরু করে দেন শিগগিরই Hime hime….♪♪

 

আমার রিএকশনঃ 

Over drive এর পর কোন সাইক্লিং এনিম ভাল লাগবে – তাও এক টানে ৩ টা এপি দেখে ফেলব– ভাবি নাই !!! বেশ ভালই; টপ ক্লাস না হইলেও ডিসেন্ট !! 🙂 🙂 

 

ছায়া অবলম্বনেঃ  

initial D – পেথেটিক গাড়ি কিন্তু well tuned; কম বেশি “ভোদাই” টাইপের নায়ক; রেসিং এ অনাগ্রহ; চ্যালেঞ্জ ; সুন্দরী নায়িকা; জিনিয়াস মেন্টর – এ যেন দুই দেহ এক মন !!! 

 

রেসিং ট্রিভিয়াঃ 

# প্রথম বাই সাইকেল রেস হয় আনুমানিক ১৮৬৮ সালে; প্যারিসে। প্রায় ১২০০ মিটারের রেস ছিল এটি।  

# জেমস মুর নামক জনৈক ভদ্রলোক এই রেসটি জিতে নিএছিলেন।  

# L’auto নামক ম্যাগাজিনের বিক্রি বাট্টা বাড়াতে ১৯০৩ সালে প্রথম আয়োজন হয় সাইক্লিং এ সবচেয়ে মর্যাদাশীল প্রতিযোগিতা Tour de France এর ।

# প্রায় ২১ দিন ব্যাপি চলা এই প্রতিযোগিতার বর্তমান ভার্শনে বিভিন্ন ধাপে পাড়ি দিতে হয় প্রায় ৩২০০ কিমি পথ।

# দুই বিশ্বযুদ্ধ ছাড়া প্রতিবছরই আয়োজন হয়ে আসছে এই প্রতিযোগিতার।

# ২১ দিন এবং ৩২০০ কিমি পথ হলেও শেষ পর্যন্ত কিন্তু বিজয়ী নির্ধারণ হয় সেকেন্ড বা মিনিটের পার্থক্যেই !!! ১৯৮৯ সালে ১ম এবং ২য় স্থান অধিকারীর মধ্যে সময়ের পার্থক্য ছিল ৮ সেকেন্ড !!!

 

 

– CWA প্রচারিত হচ্ছে প্রতি শুক্রবার; এনিমখোরে !! আমাদের আর কোথাও কোন শাখা নেই !!! স্পোর্টস এনিম নিয়ে আপনার যে কোন আবদার; আবেদন; আহ্লাদ; হুমকি; জিজ্ঞাসা – সব কিছুই জানাতে পারেন আমাদের; আমরা তার সমাধান দেবার চেষ্টা করব কোন না কোন সময় ইনশাল্লাহ !!! আমাদের সাথেই থাকুন !!!

school days review by Asiful Haque

(This post definitely definitely contains spoiler; spoiler about school days !!! )
.
.
.
.
.
.
.
সকাল থেকে দেখে দেখে শেষ করলাম।

সতর্কবার্তাঃ জনাব Hímëł; জনাব Rafi; এবং জনাবা Abonti – আপনাদের সাথে সাম্নের অন্তত এক সপ্তাহ দুর্ঘটনাবশতও আমার সাথে দেখা না হয়ে জাওয়াটাই মনে হয় মঙ্গলজনক !!!

রিএকশনঃ Ah !!! my eyes !!!

একটা প্রশ্নঃ জাপানে স্কুলে সাধারণত কত বছর বয়সের ছেলেপিলেরা পড়ে?

নিষ্পাপ জিজ্ঞাসাঃ জাপানে “লাগবা বাজি” এডটা কি কোনভাবে সম্প্রচার করা যায় না?!!!

আত্মউপলব্ধিঃ লোকজন পারভারটেড চিন্তা ভাবনা করে ঠিক আছে; সিক চিন্তাও করে কেউ কেউ; বাট একসাথে এইরকম সিক এবং পারভারটেড চিন্তা ভাবনা করতে ট্যালেন্ট লাগে !!! আসলেই !!!

রিভিউঃ মাথা খারাপ?!!! যেই জিনিস আমি আমার ক্লোজ ফ্রেন্ডদের সাথেই আলাপ করতে পারুম না; সেই জিনিস নিয়া পাব্লিকলি রিভিউ লেখার কোন ইচ্ছাই আমার নাই !!!

মাকতোঃ শুধু পুরুষজাতির না; বরং সমগ্র মানবজাতির জন্য অভিশাপ !!!

শিক্ষাঃ “আসল পুরুষ” হইতে অনেক কিছুই লাগে !!!

সতর্কতাঃ শেষ দিকে এসে যতবার মাকতোর চেহারা দেখসি ততবারই রুম থেইকা বাইর হইয়া কাউরে শুট কইরা মাইরা ফেলতে ইচ্ছে হইসে !! সো; দেখার আগে দরজা জানালা বাইরে থেইকা কাউরে লাগায় দিতে বইলা তারপর দেখতে বসেন !!!

হাইলাইট অফ দা সিরিজঃ নৌকাটা সুন্দর ছিল; আসলেই !!!

আয়রনিঃ ২ টা রেটিং দেখলাম; এক্টায় ৪.১ – ৫.০; আরেক্টায় ৭-১০ !!!

শেষকথাঃ once seen; can’t be unseen !! সুতরাং; দেখার সিদ্ধান্ত নেবার আগে দেখে শুনে বুঝে সিদ্ধান্ত নিন !! মনে রাখবেন; একটি দুর্ঘটনা; সারা জীবনের কান্না !!!

space brothers – স্বপ্নের পথে জীবনের অলি গলিতে… by Asiful haque

“An earnest failure has meaning.”

প্রথমেই একটা কুইজ দিয়ে শুরু করা যাক। খুব সহজ কুইজ; ভয় পাবার কিছুই নেই। ধরুন; আপনাকে জিজ্ঞেস করা হল – খুব বেশি না ভেবে এই মুহূর্তে খুব জনপ্রিয় কয়েকটা এনিমের নাম বলুন; ওয়ান পিস, নারুতো, শিঙ্গেকি নো কিওজিন, ফেয়ারি টেইল বা হান্টার এক্স হান্টার – এইরকম কয়েকটা নামই নিশ্চয়ই মাথায় আসবে? এবার একটু চিন্তা করে দেখুনতো; এই এনিমগুলোর জনপ্রিয়তার কারণ কি কি? সুপার পাওয়ার; হ্যান্ডসাম হিরো কিংবা সুন্দরী নারী – ঘুরে ফিরে কম বেশি এগুলোই নয় কি? কিন্তু একটা এনিম জনপ্রিয় হতে; ফার্স্ট ক্লাস হতে কি এগুলো খুব জরুরি? নাহ; এগুলো হয়ত “মেইন্সট্রিম” তকমা গায়ে লাগানোর জন্য জরুরি; কিন্তু এনিম সুন্দর হতে এগুলোর কোনটাই দরকারি না। সেই জন্যই হয়ত কাইজি কিংবা স্পেস ব্রাদারের মত নাম না জানা কিন্তু অত্যন্ত চমৎকার কিছু সিরিজ আমাদের অগোচরেই থেকে যায় !!!!

সার সংক্ষেপ – আমরা অযথা ঘুরাঘুরি না করে মুল কথায় ফিরে আসি। আমাদের আজকের প্রতিযোগী থুক্কু আলোচিত এনিম “space brothers” – জাপানিজে যেইটাকে আদর করে ডাকে “uchuu kyoudai” :D :D কাহিনীর সারসংক্ষেপে জানা যায়; মুল চরিত্র ৩২ বছর বয়স্ক নানবা মুত্তা যিনি শরতের এক সুন্দর সকালে নিজ অফিসে নিমগ্নচিত্তে কাজ করছিলেন। হটাত করেই বসের রুমে ডাক পরে উনার। কথায় কথায় বস মুত্তা সাহেবের মহাকাশচারী ছোটভাই হিবিতোকে নিয়ে বেফাঁস কথা বলে বসেন। আর যায় কোথা !! জিদান সাহেবের অনুকরণে বসকে মাথা দিয়ে ঠু মেরে বসেন মুত্তা সাহেব। ফলশ্রুতিতে ৩২ বছর বয়সে এসে শুধু চাকরিই হারালেন না; বসের কল্যাণে সকল অটোমোবাইল প্রতিষ্ঠানে ব্ল্যাকলিস্টেডও হয়ে পড়লেন। এ সময় ছোট ভাই এর উপদেশে মুত্তা সাহেবের মা উনার সিভি ড্রপ করে দিলেন জাপানিজ মহাকাশচারী নির্বাচন পরীক্ষায়; আশ্চর্যজনকভাবে প্রাথমিক বাছাই পর্বও উৎরে গেলেন আমাদের মুত্তা সাহেব। তারপর কি হল? একদম ছোটবেলায় আকাশ আর চাঁদ তারা নিয়ে মাতোয়ারা দুই ভাই এর মাঝে মহাকাশচারি হবার যেই সঙ্কল্প ছিল – তা কি পূরণ হবে? দুই ভাই কি পারবে এক সাথে মহাকাশে ঘুরে বেড়াতে; এক সাথে চাঁদের বুকে পা রাখতে?

কেন দেখবেন – একজন সহজ সরল সিম্পল মাইন্ডেড মেল প্রোটাগনিস্ট; যে কিনা বেশ ভাল কিছু বন্ধু এবং হেল্পফুল একটা ফ্যামিলির সহায়তা নিয়ে কিছু বড় চ্যালেঞ্জ পার হয়ে আজন্ম লালিত স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যায় – সম্ভবত অন্যতম ক্লিশে স্টোরিলাইনের ক্যাটাগরিতে ফেলে দেওয়া যায়। এখন তাহলে প্রশ্ন আসতে পারে; আমার এই এনিমটা নিয়া তাইলে এতো লাফালাফির কারণ কি? যারা আমাকেএনিমখোর গ্রুপ থেকে চেনেন; তারা হয়ত ইতিমধ্যেই অবগত যে গ্রুপে আমি এই সিরিজ নিয়ে একাধিক পোস্ট এবং কমেন্টে আলাপ করেছি। এই এনিমটার সবচেয়ে স্ট্রং পয়েন্ট আমার কাছে রিফ্রেশিং স্টোরি টেলিং স্টাইল। প্রায় প্রত্যেক পর্বের ৩৫-৪০% ই ফ্ল্যাশব্যাক (আরে উলটা ঘুইরা দৌড় দিয়েন না; বুঝসি তো ফ্ল্যাশব্যাক শিপ্পুডেন দেখা অতাকু সিদুরে ফ্ল্যাশব্যাক শব্দ শুনলেই ভয় পায় !!! ) – এইখানে দুই ভাই এর স্বপ্ন; তাদের স্পেস সেন্টারে সময় পেলেই ট্যুর; পরিচিত একজনের টেলিস্কোপে প্রতি রাতে আকাশ আর চাঁদ তারা দেখে মুগ্ধ হওয়া; পাহাড়ের উপর উঠে ক্যামেরা নিয়ে দুই ভাই এর দীর্ঘ প্রতিক্ষা; বড় ভাই এর মাঝপথে হাল ছেড়ে দিয়ে নিজেকে বুঝ দিয়ে অন্য পেশায় মন বসানো; ছোট ভাই এর হার না মানা সঙ্কল্পে লক্ষ্য পূরণের সাফল্যগাঁথা – উচ্ছল এবং প্রাঞ্জল একটা গল্পগাঁথা। অতামুটি একটা ফিক্সড এবং ভাল পেইসে গল্প এগিয়েছে; সেই সাথে চমৎকার সাউন্ডট্র্যাক; কেরেক্টার ডেভেলপমেন্ট; চমৎকার আর্ট স্টাইল – সব মিলিয়ে একটা বেশ উপভোগ্য এনিম।

কেন দেখবেন না – আপনি যদি কোন এক ছুটির দিনে আরাম করে বিছানায় হেলান দিয়ে বাইরে বৃষ্টি উপভোগ করতে করতে কফি কাপে চুমুক দিতে দিতে বাস্তবের খুব কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া সহজ কিন্তু সুন্দর একটা গল্প দেখার এবং শোনার খুব বেশি একটা ভক্ত না হন; তবে এই সিরিজ টি খুব সম্ভবত আপনার জন্য নয় !!!

শুরু করেছিলাম মুত্তার একটা কোট দিয়ে; শেষটাও তার একটা কোট দিয়েই করা যাক –
“When you build something, you must be ready to spend time and money on failure. The best materials won’t always yield the best results. However, if you build something by improving on failure, you’ll end up with good results.”

 

uchuu kyoudai – space brothers by Asiful Haque



নানবা মুত্তা; বয়স ৩২।

শরতের এক সুন্দর সকালে নিজ অফিসে নিমগ্নচিত্তে কাজ করছিলেন। হটাত করেই বসের রুমে ডাক পরে উনার। কথায় কথায় বস মুত্তা সাহেবের মহাকাশচারী ছোটভাই হিবিতোকে নিয়ে বেফাঁস কথা বলে বসেন। আর যায় কোথা !! জিদান সাহেবের অনুকরণে বসকে মাথা দিয়ে ঠু মেরে বসেন মুত্তা সাহেব। ফলশ্রুতিতে ৩২ বছর বয়সে এসে শুধু চাকরিই হারালেন না; বসের কল্যাণে সকল অফিসে ব্ল্যাকলিস্টেডও হয়ে পড়লেন। এ সময় ছোট ভাই এর উপদেশে মুত্তা সাহেবের মা উনার সিভি ড্রপ করে দিলেন জাপানিজ মহাকাশচারী নির্বাচন পরীক্ষায়; আশ্চর্যজনকভাবে প্রাথমিক বাছাই পর্বও উৎরে গেলেন আমাদের মুত্তা সাহেব। তারপর কি হল? একদম ছোটবেলায় আকাশ আর চাঁদ তারা নিয়ে মাতোয়ারা দুই ভাই এর মাঝে মহাকাশচারি হবার যেই সঙ্কল্প ছিল – তা কি পূরণ হবে? দুই ভাই কি পারবে এক সাথে মহাকাশে ঘুরে বেড়াতে; এক সাথে চাঁদের বুকে পা রাখতে?

( এই এনিমটা সাজেস্ট করার জন্য মৌনতা আপুকে বিশাল বিশাল থ্যাঙ্কস। সুপার পাওয়ার কিংবা কিউট নারী ক্যারেক্টার কিংবা স্মার্ট প্রোটাগনিস্ট ছাড়া ৩২ বছর বয়স্ক বেকার এক সাধারণ মানুষকে নিয়ে যে এত্ত সহজ কিন্তু সুন্দরভাবে একটা সিরিজ করা যায়; আমার ধারনাই ছিল না !!! এবং এইরকম একটা অনগোইং সিরিজ এর কথা আমি জানতামই না !! আপাতত ৭৩ পর্ব পর্যন্ত রিলিজ পেয়েছে; সবার জন্যই হাইলি রিকমেন্ডেড !!!   )

“free!” – a review by Asiful Haque

"free!" - সম্প্রতি রিলিজ পাওয়া চলমান একটা সিরিজ। নানা কন্ট্রোভার্সির কথা শুনে দেখতে বসেছিলাম; দেখার আরেকটা কারণ ট্যাগ এ "স্পোর্টস" আছে; আর আমি স্পোর্টস এনিমের একনিষ্ঠ ভক্ত। ওকে; প্রথম ৬ টা পর্ব দেখার পর আমার রিএকশন- এই এনিমটাকে "স্পোর্টস" ট্যাগ দেওয়াতে আমি হতাশ !!! প্রবাবলি আমার দেখা সবচেয়ে কম ডেভেলপড স্পোর্টস সাইড সম্পন্ন স্পোর্টস এনিম; তবে সামনে ভাল কিছু দেখব বলে আশায় আছি। ফ্রি সমন্ধে আমার এক্টাই মতামত; "fan service for girls" - period !!! তবে সেইটা আমি খারাপ হিসেবে বলছি না; ছেলেদের জন্য এত্ত এত্ত এচ্চি; এত্ত ফ্যানসার্ভিস থাকতে পারলে মেয়েদের জন্য খানিকটা ফ্যান সার্ভিস অবশ্যই থাকতে পারে। আর খুব ডেভেলপড প্লটও নাই; তবে "স্লাইস অফ লাইফ" এনিমের কাছ থেকে খুব জটিল প্লট আশা করাটাও খানিক বোকামি। আর আরেকটা বদনাম শোনা যায় এই এনিমটা সমন্ধে; সেটা হল "yaoi" এর আছর; আমার কাছে যেটা বোগাস মনে হল। কারণ; এনিমটাই সাতার নিয়ে; সাতার নিয়ে "passionate" বোঝাইতে হলে তো যেখানে সেখানে কাপড় চোপর খুলে আন্ডি পরে পানিতে নেমে যেতেই হবে; আর সাতারে দক্ষতা বোঝাতে ফর্ম বা এইসব ব্যাপার চলেই আসবে; সুতরাং - আমার কাছে "ওকে"। :) :)<br />
আর্টঅয়ার্ক - বেশ ভাল। :D<br />
কমেডি - ভালর দিকে। :)<br />
সাউন্ড - এভারেজ। :/</p>
<p>এখন পর্যন্ত হতাশ করলেও সিরিজটা খুব সম্ভবত চালিয়ে যাব - এক্টাই কারণ - স্পোর্টস জেনার; আশা করি তারা এর পর কম্পিটিশনগুলোর দিকে দৃষ্টি দিবে।</p>
<p>রিকমেন্ডেশনঃ প্লট এবং আনুশাঙ্গিক বিষয় নিয়ে খুব বেশি খুঁতখুঁতে না হলে বেশ উপভোগ্য একটা এনিম এবং রিকমেন্ডেড। :) :)
“free!” – সম্প্রতি রিলিজ পাওয়া চলমান একটা সিরিজ। নানা কন্ট্রোভার্সির কথা শুনে দেখতে বসেছিলাম; দেখার আরেকটা কারণ ট্যাগ এ “স্পোর্টস” আছে; আর আমি স্পোর্টস এনিমের একনিষ্ঠ ভক্ত। ওকে; প্রথম ৬ টা পর্ব দেখার পর আমার রিএকশন- এই এনিমটাকে “স্পোর্টস” ট্যাগ দেওয়াতে আমি হতাশ !!! প্রবাবলি আমার দেখা সবচেয়ে কম ডেভেলপড স্পোর্টস সাইড সম্পন্ন স্পোর্টস এনিম; তবে সামনে ভাল কিছু দেখব বলে আশায় আছি। ফ্রি সমন্ধে আমার এক্টাই মতামত; “fan service for girls” – period !!! তবে সেইটা আমি খারাপ হিসেবে বলছি না; ছেলেদের জন্য এত্ত এত্ত এচ্চি; এত্ত ফ্যানসার্ভিস থাকতে পারলে মেয়েদের জন্য খানিকটা ফ্যান সার্ভিস অবশ্যই থাকতে পারে। আর খুব ডেভেলপড প্লটও নাই; তবে “স্লাইস অফ লাইফ” এনিমের কাছ থেকে খুব জটিল প্লট আশা করাটাও খানিক বোকামি। আর আরেকটা বদনাম শোনা যায় এই এনিমটা সমন্ধে; সেটা হল “yaoi” এর আছর; আমার কাছে যেটা বোগাস মনে হল। কারণ; এনিমটাই সাতার নিয়ে; সাতার নিয়ে “passionate” বোঝাইতে হলে তো যেখানে সেখানে কাপড় চোপর খুলে আন্ডি পরে পানিতে নেমে যেতেই হবে; আর সাতারে দক্ষতা বোঝাতে ফর্ম বা এইসব ব্যাপার চলেই আসবে; সুতরাং – আমার কাছে “ওকে”।   
আর্টঅয়ার্ক – বেশ ভাল।  
কমেডি – ভালর দিকে। 
সাউন্ড – এভারেজ। 

এখন পর্যন্ত হতাশ করলেও সিরিজটা খুব সম্ভবত চালিয়ে যাব – এক্টাই কারণ – স্পোর্টস জেনার; আশা করি তারা এর পর কম্পিটিশনগুলোর দিকে দৃষ্টি দিবে।

রিকমেন্ডেশনঃ প্লট এবং আনুশাঙ্গিক বিষয় নিয়ে খুব বেশি খুঁতখুঁতে না হলে বেশ উপভোগ্য একটা এনিম এবং রিকমেন্ডেড।  

"free!" - সম্প্রতি রিলিজ পাওয়া চলমান একটা সিরিজ। নানা কন্ট্রোভার্সির কথা শুনে দেখতে বসেছিলাম; দেখার আরেকটা কারণ ট্যাগ এ "স্পোর্টস" আছে; আর আমি স্পোর্টস এনিমের একনিষ্ঠ ভক্ত। ওকে; প্রথম ৬ টা পর্ব দেখার পর আমার রিএকশন- এই এনিমটাকে "স্পোর্টস" ট্যাগ দেওয়াতে আমি হতাশ !!! প্রবাবলি আমার দেখা সবচেয়ে কম ডেভেলপড স্পোর্টস সাইড সম্পন্ন স্পোর্টস এনিম; তবে সামনে ভাল কিছু দেখব বলে আশায় আছি। ফ্রি সমন্ধে আমার এক্টাই মতামত; "fan service for girls" - period !!! তবে সেইটা আমি খারাপ হিসেবে বলছি না; ছেলেদের জন্য এত্ত এত্ত এচ্চি; এত্ত ফ্যানসার্ভিস থাকতে পারলে মেয়েদের জন্য খানিকটা ফ্যান সার্ভিস অবশ্যই থাকতে পারে। আর খুব ডেভেলপড প্লটও নাই; তবে "স্লাইস অফ লাইফ" এনিমের কাছ থেকে খুব জটিল প্লট আশা করাটাও খানিক বোকামি। আর আরেকটা বদনাম শোনা যায় এই এনিমটা সমন্ধে; সেটা হল "yaoi" এর আছর; আমার কাছে যেটা বোগাস মনে হল। কারণ; এনিমটাই সাতার নিয়ে; সাতার নিয়ে "passionate" বোঝাইতে হলে তো যেখানে সেখানে কাপড় চোপর খুলে আন্ডি পরে পানিতে নেমে যেতেই হবে; আর সাতারে দক্ষতা বোঝাতে ফর্ম বা এইসব ব্যাপার চলেই আসবে; সুতরাং - আমার কাছে "ওকে"। :) :)<br />
আর্টঅয়ার্ক - বেশ ভাল। :D<br />
কমেডি - ভালর দিকে। :)<br />
সাউন্ড - এভারেজ। :/</p>
<p>এখন পর্যন্ত হতাশ করলেও সিরিজটা খুব সম্ভবত চালিয়ে যাব - এক্টাই কারণ - স্পোর্টস জেনার; আশা করি তারা এর পর কম্পিটিশনগুলোর দিকে দৃষ্টি দিবে।</p>
<p>রিকমেন্ডেশনঃ প্লট এবং আনুশাঙ্গিক বিষয় নিয়ে খুব বেশি খুঁতখুঁতে না হলে বেশ উপভোগ্য একটা এনিম এবং রিকমেন্ডেড। :) :)

The BIG three Anime Hero – Asiful Haque


এনিম দেখার শুরু অনেক অনেক পরে হওয়াতে DBZ দেখা হয় নি; তাই গকুর প্রতি ভালবাসা টান কোনটাই সৃষ্টি হয় নাই; তবে উপরের সবার কমেন্ট পরে আর আগের অনেক আলাপ আলোচনায় মনে হয় এক জেনারেশন; অসামনেসের একটা জেনারেশন পিছায় গেসি। তবে এতে তেমন আফসোস নাই; সময় সুযোগ থাকলেও DBZ মে বি দেখা হবে না (নিজের স্বভাব জানি বলেই বলা; সুতরাং গকু পার্ট না হয় বাদ থাকুক  )

নারুতো আমার দ্বিতীয় এনিম ( ডেথ নোট এর পর); এর প্রতি ভালবাসাটা অন্যরকম; ফিলার শিপ্পুডেন যতটাই মেজাজ খারাপ করে দিক না কেন। তবে নারুতো পছন্দ হইলেও নারুতোকে পছন্দ – ব্যাপারটা এমন না; কারণ নারুতোতে আমার সবচেয়ে প্রিয় ক্যারেক্টার শিকামারুর; মাঝে মাঝে আমি চিন্তায় পড়লে শিকামারুর ওই কায়দায় হাত ভাজ করে চিন্তা করি   তবে নারুতোর প্রতি টানটা মে বি সবসময়ই থেকে যাবে; নারুতোই প্রথম হিরো যে আমাকে একসাথে হাসাইছে; কাদাইছে; নারুতো না থাকলে শুধু ডেথ নোটের অসাম্নেস দিয়ে মে বি আমার এনিম দেখা এতদুর আসতো না !!!! 

ব্লিচ ভাল লাগে; খালি কোপানি মাইর ধইর ফাইটের এর জন্য; ফাইটের জন্য ব্লিচের চেয়ে বেস্ট বা এর কাছাকাছিও কোনটা আসতে পারবে না; যদিও পেথেটিক হিটম্যান রিবর্ন এর ফাইটগুলাও আমার প্রিয়। কিন্তু হিরো হিসেবে ইচিগো আমার লিস্টে অনেক অনেক অনেক পিছনে !!! 

কিন্তু ৩ ক্যারেক্টারের মধ্যে প্রিয় সিলেক্ট করতে হলে লুফি কোন প্রতিযোগিতা ছাড়াই ভোট পাবে আমার; এই জায়গায় জোরো হইলেও পাইত। সেই আর্লং আর্কে “আত্তারিমায়দা” চিৎকার থেকে শুরু করে ম্যারিনফোর্ডে লুফির সাথে গড়াগড়ি করে কান্নাকাটি – একটা ক্যারেক্টার এত্তবার গুজবাম্প আর এত্ত এত্ত আবেগে আর কেউই ভাসাতে পারে নাই; ইন ফ্যাক্ট আমার এখন প্লে লিস্টে ১২ টা গানের ৩ টাই one piece এর AMV; এবং প্রত্যেকটা গান আসে আর আমি সব থামায় ভিডিও সহ দেখি  

সো; at the end of the day; লুফি ইজ মাই ইজিএস্ট চয়েস

Kotonoha No Niwa – অসম ভালবাসার নান্দনিক প্রকাশ [মোঃ আসিফুল হক]

A faint clap of thunder
Clouded skies, perhaps rain comes
Will you stay here with me?

KNN

আমার পূর্বের কোন এক লেখায় একজন আমার লেখার ভুলগুলো ধরিয়ে দিতে গিয়ে বলেছিলেন; আমি কোন কিছু দেখার সাথে সাথে সেটা নিয়ে লেখতে বসে যাই; এবং সেই কারণে অধিক আবেগে অনেক কিছুকেই অভাররেটেড করে ফেলি। উনার কথাকে গুরুত্তের সাথে নিয়েই দেখার বেশ অনেক দিন পর kotonoha no niwa নিয়ে লিখতে বসলাম।

মাকোতো শিনকাই নামটা জাপানের এনিম ইন্ডাস্ট্রিতে বেশ জোরেসোরেই উচ্চারিত হয় তার ভিজুয়ালি সাউন্ড মুভিগুলোর জন্য। ২০০৭ এ তার প্রথম কাজ 5 centimeter per second দিয়ে আমারও এনিম মুভি দেখার যাত্রা শুরু। তার মুভিতে অসম্ভব সুন্দর এবং ডিটেইলড ব্যাকগ্রাউন্ড এর সাথে ইমোশনাল এবং খানিকটা ট্রাজিক কিন্তু রোমান্টিক গল্পের চমৎকার সমন্বয় দেখা যায়।

Kotonoha no niwa কি এই ক্যাটাগরিতে পড়ে? হুম; অবশ্যই। বরং অন্য মুভিগুলোর চেয়ে খানিকটা বেশিই। তবে আপনি যদি একটা খুব সুন্দর গল্প আশা করে থাকেন; তবে আপনাকে হয়ত খানিকটা হতাশই হতে হবে। এই মুভি তার ভিজুয়াল এফেক্ট বা আর্ট এর প্রতি যতটা গুরুত্ব দিয়েছে; একটা অসাধারণ গল্পের অসাধারণ সমাপ্তির কথাটাকে ততটাই অবহেলা করেছে।

KNN 2

১৫ বছর বয়সী এক হাই স্কুল ছাত্র তাকাও এবং ২৭ বছর বয়সী ইউকিনোর ভালবাসাই গল্পের মুল উপজীব্য । তাকাও; যার জীবনের লক্ষ এবং উদ্দেশ্য জুতো বানানোর কারিগর হওয়া; সুন্দর সুন্দর জুতার ডিজাইন করা; নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে খুবই অনিশ্চিত। ইউকিনো নিজের সমাজে; নিজের পরিবেশে খাপ খাওয়াতে পারে না এবং নিজেকে খুজে ফেরার তাগিদে পার্কে বসে সময় কাটায়। তাদের জীবনের এই অনিশ্চয়তা; একাকীত্ব; অসহায়তা-ই তাদেরকে পরস্পরের কাছে এনে দেয়।

KNN 3

চিরাচরিত ৮-১০টা মুভি প্লট থেকে একদমই আলাদা এবং বিপুল সম্ভাবনা নিয়ে শুরু হওয়া এই গল্পের শেষটা হয় খানিকটা হিন্দি সিনেমার মেলোড্রামাটিক স্টাইলে। গল্পে মুল চরিত্র দুজনের আবেগ অনুভুতির জগতে খুব কমই প্রবেশ করা হয়েছে। একজন নিরপেক্ষ দর্শকের দৃষ্টিতে দেখলে মনে হবে; তাদের দেখা হল; তারা কথা বলল; একে অপরকে ভালবেসে ফেলল !!! কিন্তু কেন? সেই সম্পর্কের ভিত্তিটাই বা কি আর গভীরতাটাই বা কতটুকু? ঠিক কি কি ফ্যাক্টর গল্পের শেষ দিকে তাদের সম্পর্ককে এতটা তীব্র করে তুলেছে? এইরকম অনেকগুলো প্রশ্নেরই উত্তর দেয় না এই মুভিটি।

KNN 4

এখন তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে; এই মুভিটার সফলতাটা তাহলে কোথায়? প্রথম যেই জিনিসটা মাথায় আসে সেটা হল; সংলাপ। এক কথায় অসাধারণ। সংলাপে কি বলা হচ্ছে তার চেয়ে চমকপ্রদ বিষয় কি বলা হচ্ছে না সেটা। এর সংলাপ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খুব সহজ; সীমিত এবং চরিত্রগুলোর দৈনন্দিন স্বাভাবিক একঘেয়ে আলাপচারিতায় সীমাবদ্ধ। কিন্তু এই মুভি কোন কিছু বলার চেয়ে তা দেখানোতেই বেশি বিশ্বাস রেখেছে। তাকাওর খাতায় একের পর এক স্কেচ দেখে আমরা বুঝতে পারি; তার প্যাশন কি। অল্প দু’চারটে কথায় আমরা তাকাওর ফ্যামিলির পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া খুব সহজেই বুঝে যাই। একান্তই যখন সংলাপের প্রয়োজন তখন খুব সহজ এবং স্নিগ্ধ সংলাপ এবং সেই সাথে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক; ঝি ঝি পোকার ডাক; সংলাপের মাঝে খানিক নিরবতা; বৃষ্টি – আমাদেরকে পুরো পরিবেশটার সাথে একাত্ম করে ফেলে।

ভিজুয়াল পারস্পেক্টিভ থেকে “kotonoha no niwa” একটা মাস্টারপিস। যারা 5 centimeter per second দেখেছেন তারা এর সাথে অনেকটাই পরিচিত থাকার কথা। মুভির অন্যতম মুল থিম হচ্ছে বৃষ্টি। সাধারণত গল্পে বৃষ্টি একাকীত্ব প্রকাশ করে। কিন্তু এখানে বৃষ্টিকে সুখ এবং মানসিক প্রশান্তির প্রতীক হিসেবে অত্যন্ত মুন্সিয়ানার সাথে ব্যাবহার করা হয়েছে।

 KNN 5

মুলত পিয়ানোর সাথে প্রাকৃতিক শব্দ; বৃষ্টি আর ঝি ঝি পোকা – এক মাতাল করা অনুভুতির সাথে পরিচয় করে দেবে এই মুভিটি।

 

সুতরাং; এক বাক্যে যদি সাম আপ করতে হয়; তবে বলা যায় – অসম্ভব সম্ভাবনা নিয়ে শুরু হওয়া কিন্তু শেষ দিকে খানিক ব্যর্থ গল্পের এই মুভিটি চোখ এবং কানের জন্য এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা !!!

 

শুরু করেছিলাম; তিনটে লাইন দিয়ে; তাকাওকে ইউকিনোর জিজ্ঞেস করা তিনটে লাইন। শেষ করি প্রশ্নের জবাবে তাকাওর উত্তর দিয়ে –

 

A faint clap of thunder
Even if the rain comes not,
I will stay here, together with you

KNN 6

 

Mars of Destruction: ভয়াবহতার এক চমৎকার নিদর্শন !!!

MoDমাঝে মাঝেই মাথায় আউল ফাউল জিনিসপত্রের ভুত চাপে। কয়েকদিন আগে এনিমখোর গ্রুপে জনৈক বড় ভাই জানাইলেন; আমরা সকলে সেরা সেরা এনিম দেখসি বটে; কিন্তু উনি সবচেয়ে বাজে রেটিংওয়ালা এনিমখানি দেখে ফেলেছেন। উনার কথায় আগ্রহ জন্মাইল; দেখি তো কি জিনিস !!! এই সাইট সেই সাইট ঘুরে ফিরে কোথাও পাইলাম না – এমনই সে জিনিসের মাহাত্ত !! তো আর কি; সর্বশেষ ভরসা ইউটিউব থেইকা নামায় Mars of destruction – দেখে ফেললাম। দেইখা শুধু একটা কথাই মাথায় আসতেসে; “I don’t have a fudging clue about how to describe this s*** !!!”

আল্লায় দিলে মিনিট বিশেকের মইদ্ধে ইন্ট্রো; একাধিক ফাইট; কিউট নারীজাতি; শক্তিমান পুরুষ; আম্রিকা জাপান – কি দেখায় নাই এইটাতে !!! তয় একটা জিনিস চিন্তা কইরা কুল পাইলাম না; এইরকম সুন্দরী এবং এনিমে বর্ণনা করা শক্তিমান নারীরা এইরকম খেলনা টাইপ পিস্তল লইয়া দৌড়াদৌড়ি কইরা কি উদ্ধার করল !!! আর একদম শুরুর দিকে একেবারে ক্লিন মাথা উড়ে যাওয়া আপ্পিটারে হাস্পাতালেও নিয়া গেল; সেইখানে আবার ডাক্তার মৃত্যু কনফার্মও করা লাগ্লো !!! আমি ফিজিক্স; কেমিস্ট্রি বায়োলোজি – যা যা জানতাম এই জিনিস দেইখা সব ভুইলা গেসি !! আর স্টোরিলাইনের চেয়েও পেথেটিক ছিল সাউন্ডট্র্যাক; সিম্পলি মইরা যাইতে ইচ্ছা হইসে সাউন্ড শুইনা !!! একটা কুশ্চেন শুধু; এইটা কি কোন স্কুলের বাচ্চাদের এনিম বানানোর কন্টেস্টের ফসল নাকি? তাতেও তো এইরকম ভয়াবহতার কোন জবাব পাওয়া যায় না !!!

রিকমেন্ডেশনঃ জীবনের প্রতি যদি বেশি মহব্বত জন্মায়; সকলের হতাশ হতাশ অবস্থা দেখতেসেন কিন্তু নিজে খুব ভাল আছেন; আনন্দে আছেন এবং এই জিনিস যদি সহ্য না হয় এবং সেই অবস্থা থেইকা নিজের মধ্যে সুইসাইডাল টেন্ডেন্সি আনতে চান; তবে এই এনিম আপনারই জন্য !!! তবে দেইখা একটা লাভ হইসে অবশ্য; এইটা দেখার পর জগতের কোন এনিম আমার কাছে খারাপ লাগার চান্স নাই; সেইটা বকু নো পিকু হোক; স্কুল ডেইজ হোক; কিংবা অন্য কিছুই হোক !!!

Initial D music video by Asiful haque

 

ID

কার রেসিং এর মুভিগুলা কেন যেন কখনই আমাকে খুব বেশী টানে না। তাই এনিমের শুরুতে যখন নিশ্চিত হয়ে গেলাম যে এই এনিমটা কার রেসিং নিয়ে এবং পাশাপাশি আরও ২-১ টা জিনিস দেখে ধারণা হল হয়ত কয়েক পর্ব পরেই এইটা দেখা বাদ দিতে বাধ্য হব। কিন্তু ২-৩ টা এপিসোড দেখার পরেই বুঝতে পারলাম আমি কতটুকু ভুল ভেবেছিলাম !!!! কোনরকম বিরতি ছাড়াই টানা ৪ টা সিজন শেষ করে বলতে পারি একটা A গ্রেডের এনিম।

মাউন্ট আকিনার একটা পেট্রোল পাম্পে কাজ করে কিছু বন্ধু। সবাই মোটামুটি কার রেসিং নিয়ে চরমভাবে আগ্রহী। তাদের একটা দলও আছে। কিন্তু তাদের একজন ফুজিওয়ারা তাকুমি। খুব সাধারণ একটা ছেলে, যে কিনা কোন কাজেই খুব উৎসাহী না, কোন সিচুএশন সহজে ধরতে পারে না। গাড়ি নিয়ে যার কোন রকম আগ্রহ কিংবা জ্ঞান নেই। নিজেদের গাড়ির মডেলটাও সে বলতে পারে না। ঠেকায় পরে বাবার বেবসায় সাহায্য করার জন্য ১৩-১৪ বছর বয়স থেকে নিয়মিত গাড়ি চালায়। গাড়িটা আবার বেশ পুরনো মডেলের। কিন্তু নিয়মিত চালানোর ফলে এই গাড়ি নিয়েই তাকুমি অসম্ভব সব ড্রিফটের কাজ শিখে গেছে। গাড়ির স্টিয়ারিং হুইলের পিছনে তাকুমি অন্য এক মানুষ। অবলীলায় এমন সব মুভ দেয় যা অনেক প্রফেশনাল রাও ভয়ে পারফর্ম করে না। ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও ঘটনাক্রমে একদিন পাশের এলাকার এক বিখ্যাত রেসারের সাথে তার রেসে নামতে হয়। এবং সকলকে অবাক করে দিয়ে সে রেসে জিতেও যায়। আর তার সামনে খুলে যায় রোমাঞ্চকর রেসিং জগতের দরজা

এনিমটার সবচেয়ে ভাল লেগেছে ফাস্ট পেইস। কোন জায়গায় ঘটনা ঝুলে যায় নাই। একবার ভাল লেগে গেলে মনিটরের সামনে চুম্বকের মত টেনে বসিয়ে রাখবে।

এনিমের আরেকটা দিক ভাল লাগছে যে এইটার রোমান্টিক সাইডটা। এইখানে প্রায় সব গুলা চরিত্রই রেসিং এ উন্নতি করার জন্য তাদের প্রিয়জনকে বিদায় জানায়। এবং সেই পার্ট গুলাও ভাল লাগছে।

এনিমে গাড়ি চালানোর এবং বিভিন্ন মডেলের গাড়ির কোন দিক ভাল, কোন দিক খারাপ এই নিয়াও বেশ ভাল আলোচনা করছে।

তবে এনিমের আর্ট সাইড টা বেশী ভাল লাগে নাই। ক্যারেক্টার ড্রইং অনেকটা “ক্রুড” ফর্মে করা। খুব সম্ভব রেসিং সিন গুলাকে বেশী গ্লেমারাস করার জন্য এই কাজ করছে। তবে এই দিকটা আমার কাছে খারাপ লাগছে।

এনিমের সাউন্ড ট্র্যাক গুলা যথেষ্ট ডিসেন্ট। শুনতে ভালই লাগছে।

সব মিলিয়ে বেশ ভাল একটা এনিম, সময় কাটানোর জন্য পারফেক্ট। নাম্বারিং করতে বললে আমি এই এনিমটাকে ১০০ তে ৭৫ দিব।

তাহলে যাদের কার রেসিং নিয়ে আগ্রহ আছে, তারা দেরি না করে দেখা শুরু করে দিন এই অসাধারণ এনিমটি।

বিকালের দিকে মাথায় ক্যারা উঠল; AMV বানামু। গুতাগুতি শুরু করলাম; এই জিনিস ক্যামনে বানায় – এই নিয়া। ঘাইটা ঘুইটা যা পাইলাম এবং সকলে যা বলল; তার সারমর্ম – দুই চাইরটা ভিডিও মিডিও কাইট্টা সাউন্ড জোড়া লাগায় নরমাল কিছু একটা দাঁড় করানো তেমন কঠিন কিছু না। কিছু টিউটোরিয়াল ফিউটোরিয়ালও উৎসাহের চোটে নামায় দেইখা ফালাইলাম। এরপর শুরু হইল কাহিনী? কোন এনিম নিয়া বানামু? ফাস্টে ভাবলাম; ওয়ান পিস নিয়া বানাই; ইউটিউব ঘাইটা দেখি ওই জিনিস লাখখানেকের উপর আছে। অনেক ভাইবা চিন্তা ইনিশিয়াল ডি সিলেক্ট করলাম; কিন্তু সমস্যা হইল; ভিডিও কাইট্টা যে AMV বানামু; সেইরকম ভাল রেজুলেশনের ভিডিও পাই না !!! আইচ্ছা; সেইটাও না হয় গেল; ভাল একটা গানও পছন্দ হয় না !!! সব জোগাড় কইরা যখন ঘন্টা তিনেক আগে কাজে হাত দিলাম; বোঝা গেল; টিউটোরিয়াল এবং বিভিন্ন সাইটে কোন কিছুকে “relatively easy” বলিলে সেইটা সাথে সাথে ভুলিয়া যাইতে হবে !!! সেই লেভেলের পেইন !! পেইন টেইন নিয়া শেষমেশ এই জঘন্য কিছু(এইটারে AMV বলা যাইব বইলা মনে হইতেসে না  :/) একটা বানাইলাম; তাও দেড় মিনিট হয় নাই !!! তারপর তো আপলোডের যুদ্ধ আছেই !! যাই হোক; শেষ মেশ কিছু একটা বানাইতে পারসি – এতেই খুশি। সমালোচনা না আসার কোন কারণ নাই; তবে শুধু “ভুল হইসে” না বইলা “এইটা এইভাবে না কইরা এইভাবে করলে বেটার হইত” টাইপ কমেন্ট বেশি আশা করতেসি
http://www.youtube.com/watch?v=QNhdJQd9ECs