বড় হয়ে কি হবে বাবা?? এই ছেলে জীবনে কি হবার ইচ্ছা?? তারপর লাইফ প্লান কি??
ছোট বয়স থেকেই “এইম ইন লাইফ” প্যারাগ্রাফের সাথে সাথে এই ধরণের (ছাইড়া দে মা কাইন্দা বাঁচি) প্রশ্নেরও সম্মুখীন আমরা প্রত্যেকেই হয়ে থাকি বিভিন্নভাবে জীবনের বিভিন্ন ধাপে।
তখন হয়ত আমরা বুঝে বা না বুঝে, জেনে বা না জেনেই এর উত্তর তৈরি করি। মজার ব্যাপার হল প্রশ্ন যতটা সহজ উত্তর ততটাই কঠিন। এর সাথে জড়িয়ে আছে সময়, আছে নিজেকে জানার ব্যাপার, আছে ভাগ্যের খেলা।
আর একটা বড় প্রশ্ন আপনার পাশের মানুষটি কে হবে?? আপনি যার জন্য রাত দিন সব এক করে ফেলছেন, আদৌ সেই জন কিনা- এই সব বড় বড় অনিশ্চিত বিষয়গুলো হয়ত এক দৌড়ে ভবিষ্যতে গিয়ে দেখে আসতে পারলে দারুন হত কিন্তু তা তো আর হবার নয়।
জীবনের এই সব ফাইনাল ব্যাপারগুলোর উত্তর মেলে বিভিন্ন চড়াই উতরাই পেরিয়েই। আর অনিশ্চয়তাই এই যাত্রার প্রধান আকর্ষণ।

এনিমে “হানি অ্যান্ড ক্লভার” এইম ইন লাইফ টাইফ প্রশ্ন থেকে পালাবার যখন আর উপায় থাকে না তেমনি বয়সের কাহিনী। দীর্ঘ ২৪ পর্ব জুড়ে আছে আর্ট কলেজের কয়েকজন ছেলেমেয়ে কারো হয়ত শেষ বর্ষ কেউ বা প্রথম বর্ষে তাদের বন্ধুত্ব, আছাড় খেয়ে প্রেমে পড়া তারপর ভালো মতো নাকানিচুবানি খাওয়া, প্রথম দৃষ্টির প্রেমও আছে, অসাধারণ কমেডি, অসাধারণ সিরিয়াস সব বিষয়ও আছে, জীবনের দর্শন বা লক্ষ্যের অনুসন্ধান। যদিও গল্পের প্রত্যেকটা চরিত্র ভিন্ন ভিন্ন গল্পের বাহক আবার একে অপরের সাথেও জড়িত।
সব মিলিয়ে খুব ভালো লাগার একটা এনিমে। শেষ পর্যন্ত আশ্চর্য হবার মতো আছে অনেক চমক, সময় ও ভাগ্যের খেলা, কোন আশ্চর্যের জন্য অপেক্ষা।

