Jigoku Shoujo রিভিউ — Torsha Fariha

Jigoku Shoujo

জিগোকু সোওজো: সহজ উপায়ে আপনার অপছন্দের মানুষকে দোজোখে পাঠান।

জানরা- সুপারন্যাচারাল, হরর, মিস্ট্রি
সিজন- ৩ টা

একজনকে ঠিক কতটুকু ঘৃণা করলে আপনি তাকে নরকে পাঠাতে চাইবেন?
প্রশ্নটা আরেকটু বিস্তৃত করি – এরকম একটা সুযোগ যদি আপনার সামনে আসে তখন কি করবেন?
মানুষ নিজের চেষ্টায় তার ভাগ্য পরিবর্তন করে। কিন্তু এমন একটা পরিস্থিতি যদি হয় যেখানে কারো সাহায্যের প্রয়োজন হয়? এবং সেটা যদি হয় হেল গার্লের?

ইন্টারনেটে একটা অদ্ভুত সাইট আছে যেটা ঠিক রাত ১২ টায় একটিভেটেড হয়। সেখানে আপনি আপনার সবচেয়ে অপছন্দের মানুষ যাকে আপনি নরকের নিকৃষ্টতম স্থানে পাঠাতে চান তার নাম লিখতে পারবেন। ঠিক তারপরেই আপনার সামনে এসে হাজির হবে হেল গার্ল –এনমা আই। হাতে একটা পুতুল।

সে জানাবে এই কাজের জন্য আপনাকে একটা মূল্য পরিশোধ করতে হবে সেটা হল- নরকে যেতে হবে আপনাকেও – অবশ্য সেটা স্বাভাবিক মৃত্যুর পর।

মানুষ কতখানি ডেসপারেট হলে নিজের ক্ষতি করে হলেও প্রতিশোধ নিতে চায়? এই প্রশ্ন নিয়ে আপনি অ্যানিমেটা দেখা শুরু করলে প্রশ্নটা বদলে যেতে পারে সময়ে সময়ে – ‘মানুষের মন-মানসিকতার কতটুকু পরিবর্তন ঘটলে এমন একটা কন্ট্রাক্ট সে করতে পারে?

এমনই একটা কাহিনী নিয়ে ‘জিগোকু সোওজো’ অ্যানিমে। একটু স্লো পেসের অ্যানিমে। বলতে গেলে সব এপিসোডই আলাদা আলাদা কাহিনী বেজড। একসময় বিরক্ত লাগাও অস্বাভাবিক না। কারণ প্রতিটা কাহিনীর প্যাটার্ন এর কোন বৈচিত্র্য নাই।

কিন্তু ধীরে ধীরে আপনার মনে প্রশ্ন জাগবে কে এই জিগোকু সোওজো? কি তার উদ্দেশ্য? তার সাথের সহযোগীরাই বা কারা? আর কেই বা হাজিমে চান যার মেয়ের সাথে অদ্ভুত একটা মানসিক যোগাযোগ আছে এনমার?

যত সামনে আগাতে থাকবেন ততই কাহিনী এই প্রশ্নগুলার উত্তর দিতে থাকবে তখন বাজি ধরে বলতে পারি এক নিশ্বাসে অ্যানিমেটা দেখবেন।

এই অ্যানিমের আরও দুইটা সিজন আছে। আমি মোটামুটি শিউর প্রথমটা দেখে পরের সিজনও দেখতে চাইবেন। 🙂 অন্য সিজনগুলার কাহিনী আবার অন্যরকম। দেখে ভালো লাগবে।

আসলে সুপারন্যাচারাল ধাঁচের অ্যানিমে তো তাই লজিক টজিক পাবেন না এখানে 😛
খুব যে অসাধারণ অ্যানিমে তা না। তবে পড়ালেখা নিয়ে বিজি থাকলে একটানা টান টান উত্তেজনার অ্যানিমে দেখা রেজাল্টের জন্য খারাপ। তখন আরকি এরকম অ্যানিমে দেখতে পারেন যার দুই-তিনটা এপিসোড দেখে আবার পড়া রিস্টার্ট করতে পারবেন 🙂

না দেখার কারণ- প্রতিটা সিজনের বৈশিষ্ট্য অনেকটা এরকম – প্রথম দিকের এপিসোড গুলা হচ্ছে ছাড়া ছাড়া। একটার সাথে আরেকটার কোন সম্পর্ক নাই। তবে প্যাটার্ন পুরা একই। তখন একটু বিরক্ত লাগতেই পারে।

তবে শেষের দিককার এপিসোডগুলার পরস্পরের মধ্যে লিঙ্ক আছে। ঐগুলা দেখতে ভালো লাগে 🙂

ম্যাল রেটিং-
জিগোকু সোওজো- 7.89
জিগোকু সোওজো ফুতাকোমোরি- 8.16
জিগোকু সোওজো মিৎসুগানে – 7.9

Area no Kishi রিভিউ — Zakaria Mehrab

হেহ হেহ আসিয়া গেল আরেকটি ইয়া বিশাআল রিভিউ থুক্কু ড়িভিউ
>
>
>
>
এই বলে আমি একখান সুন্দর, সুললিত ড়িভিউ লেখতে চাইসিলাম , কিন্তু আপাততঃ যেইটা নিয়া ড়িভিউ লেখতে যাচ্ছিলাম ঐটা শেষ করার পর থেকে মেজাজ খিচড়ায় আছে , তাই সুন্দর সুললিত রিভিউ এর পরে ইহারে যথাসম্ভব ব্যবচ্ছেদ করা হইবেক

anime: The Knight in The Area (Area No Kishi)

episodes: 37

genre: Sports, Comedy, School, Shounen (জায়গায় জায়গায় shoujo ও মনে হইতে পারে)

অগ্রজ সুগুরু একজন ফুটবল জিনিয়াস এবং প্লেমেকার , অনূর্ধ্ব ১৫ জাপান টিমের সদস্য সে এবং প্রায় সবাই তাকে জাপানের ফিউচার বলে গণ্য করে । সুগুরু নিজেও স্বপ্ন দেখে যে সে একসময় ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রফি টা হাতে নিবে , তবে আপাততঃ তার প্রধান দুশ্চিন্তা হইল একজন আদর্শ স্ট্রাইকার খোঁজা নিয়ে , যে কিনা পেনাল্টি এরিয়ায় নির্দ্বিধায় শট নিতে ও গোল দিতে পারবে । তার ধারণা তার অনুজ কাকেরু ই হইতে পারে সেরকম আদর্শ স্ট্রাইকার (হম, পক্ষপাতিত্বের গন্ধ পাওয়া যাইতেছে) । কিন্তু সুগুরুর বলদ ভাই কাকেরু তার গুরুর আশা ভঙ্গ করে একটা দুর্ঘটনার পর সে ফুটবল খেলা ছেড়ে দেয় আর তার অগ্রজ এর স্কুলের সকার ক্লাবের বলবয় হিসেবে যোগ দেয় । যাই হোক তার ঘাড়ত্যারামি বেশিদিন টিকে না , কিছু ঘটনা- দুর্ঘটনার পর আবার সে ফুটবল খেলা শুরু করে , আর তার সাথে ঘটনাপ্রবাহে যোগ দেয় তার ছোটবেলার বান্ধবী নানা মিশিমা (হ হ , বুঝতে পারসেন তো ছোটবেলার বান্ধবী মানে কি, এখন হাসি থামান) । কাকেরু তার ভাই এর স্কুল চেঞ্জ করে নতুন আরেক স্কুল এ জয়েন করে এবং সেইখানকার ফুটবল টিম দিয়া তার যাত্রা শুরু করে এবং আমাদের কৃতার্থ করে ।
কাজেই এখন আপনিও তাকে কৃতার্থ করার জন্য হাতে ফুটবল আর পায়ে পপকর্ণ নিয়ে বসে যান এই এনিমেটি দেখতে……

-_- হম ফরমালিটি শেষ , এইবার শুরু করি এক ভুতুড়ে রেটিং সিস্টেম ……… (নিচের অংশ মোটামুটি পারসনাল রি একশান বলা যায় , কোন স্পয়লার নাই , তারপর ও কারো ডর লাগলে এইহানেই ইস্তফা দ্যান)
>
>
>
>
এনিমের প্রথম ৫ এপিসোড হচ্ছে বেশি ইমোশনাল , ট্র্যাজিক এনিমের শেষে যেইরাম ইমোশন এর ফোয়ারা ছুটতে থাকে এই প্রথম ৫ এপিসোড এ মোটামুটি দ্বিগুণ ফোয়ারা বইয়ে দেয় ; আপাতত স্পয়লার না দিয়া এর বেশি কিছু বলা যাইতেছে না , যাই হোক এই ৫ এপিসোড এর জন্য আমার রেটিং ৮/১০

এরপরের ৮-১০ এপিসোড হচ্ছে কাকেরুর নতুন ফুটবল টিম নিয়ে । তাহলে কি ভাবছেন ? এখন শুরু হবে আসল খেলা ? জি না , এই কয়েক এপিসোড এ যা হয় তারে খেলা না বইলা ভগী বললে বেশি ভালো হয় । অধিকাংশের ই হয়ত ফিফা ২০০২ ওয়ার্ল্ড কাপ গেইম টার কত্থা খেয়াল আছে । ঐ যে কিছু প্লেয়ার দের পাশে তারা আঁকা থাকে , মাঝমাঠের পর কোন এক জায়গায় তাদের পায়ে বল এনে দাও , ৫০০ মিলিসেকেন্ড ধরে D বাটন প্রেস কর , দরকার হলে গোলপোস্ট সামনে চলে আসবে , তাও গোল হবেই । এই কয়েকটা এপিসোডেও এমন তারকাখচিত খেলা দেখা যায় , যেইগুলা দেখিয়া আপাতত চারপাশে তারা দেখা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না । বিল্ড আপ এর কোন বালাই নাই , হঠাৎ এরকম অমানুষিক খেলা দেখিয়া এই কথা মনে হওয়া খুব ই স্বাভাবিক যে কেন তারা ওয়ার্ল্ড কাপ না খেলে হাই স্কুল ফুটবল খেলছে !! স্পোর্টস এনিমে আর স্পোর্টস এনিমে নাই , সুপারপাওয়ার এনিমে হইয়া গেসে । তাই এই কয়েকটা এপিসোড এর জন্য আমার রেটিং ৫.৫/১০

তারপর ১৪-১৫ এপিসোড থেকে বলা যায় আসল স্পোর্টস এনিমের রেশ পাওয়া শুরু হয় । ভগী একেবারে নাই হয়ে যায় বলব না , কিন্তু সহনীয় পর্যায়ের ভগী , এট লিস্ট দেখে আর অনন্ত জলিল এর কথা মনে পড়ে না । এনিমেতে এতটুকু ভগী সহ্য করাই যায় , সব তো আর স্ল্যাম ডাঙ্ক এর মত না । মোটামুটি ৩০ এপিসোড পর্যন্ত ভালো একটা ফ্লো নিয়ে কাহিনী আগায় এবং এই অংশতে আমার রেটিং ৮.৫/১০

এরপর ৩০ থেকে শেষ পর্যন্ত দেখে যা মনে হল তা হইল , বাজেট শেষ হয়ে আসছে , এখন লাগাও জোড়াতালি । একটা কেবলমাত্র ভালো খেলা পাওয়া গেছিল এই কয়েক এপিসোড এ , আর বাকি সব হাইলাইটস , এমনিতে স্পোর্টস এনিমেতে শেষ বলে কিছু নাই, যত ইচ্ছা তত টানা যায় , কিন্তু একসময় শেষ করতে হয় । কিন্তু তারপর ও স্ল্যাম ডাঙ্ক কিংবা জায়ান্ট কিলিং যেরকম মোটামুটি একটা লেভেল এ যাইয়া শেষ করসে , এইটার ফিনিশিং সেই তুলনায় খুব ই এব্রাপ্ট , এবং এই মেজাজ খিচড়ানো ফিনিশিং এর জন্য যথাসম্ভব উদার হয়ে রেটিং দিলাম ৬.৫/১০

হে হে , এই অদ্ভুতুরে রেটিং সিস্টেম শেষ প্রায় , আরেকটু ধৈর্য ধরেন

এনিমের মাঝে মাঝে হঠাৎ করে নাদেশিকো জাপান মানে জাপান মহিলা ফুটবল টিম কেও ফোকাস করা হয়েছে । মানে একটু বেশি ই ফোকাস করা হয়েছে , এবং ১৫ এপিসোড এর পর মোটামুটি সব ভগী ই এই মহিলা ফুটবল টিম রে ঘিরে । এম্নিতে আমি জানি না জাপানের মহিলা ফুটবল টিম বা পৃথিবীর অন্যান্য প্রান্তে যেইসব মহিলা ফুটবল টিম পারফর্ম করে তারা কেমন খেলে বা কিভাবে খেলে , তবে আর যাই হোক এই লেভেল এর খেলা যে খেলে না তাহা আমি মোটামুটি নিশ্চিত । একেকজন যেই হাফ ভলি , ফুল ভলি , ব্যাকহিল করে গোল দেয় ইহা যদি ইব্রাহিমোভিচ দেখিতেন তিনি হয়ত ফুটবল খেলা ছাড়িয়া আজ গম চাষ করতেন । ইব্রার ফুটবল ক্যারিয়ার কে এমনভাবে হুমকির মুখে ফেলার জন্য নাদেশিকো জাপান এর এই পার্টটুকুর রেটিং ৬/১০

খেলা চলাকালীন এনিমেশন গুলা যথেষ্ট ভালো , বিশেষ করে ড্রিবলিং এবং ফেইন্ট মুভগুলা । রেটিং ৮/১০

ফাইনালি, সব স্পোর্টস এনিমেতেই কিছু মাত্রার কমেডি এক্সপেক্টেড , এইহানেও সেইটা আছে , তবে খেলার মধ্যকার কমেডি খুব কম (যেটা স্ল্যাম ডাঙ্ক এ প্রচুর পরিমাণ এ) । কমেডির জন্য আলাদা এপিসোড আছে , খেলোয়াড় রা খেলা থেকে বিরতি নিয়ে কোথাও ঘুরতে গেল এরকম কিছু এপিসোড কমেডির জন্য বরাদ্দ । মোটামুটি এঞ্জয়েবল , বিশেষ করে ৩২ নম্বর এপিসোড টা কমেডির জন্য প্রাইসলেস । কমেডির জন্য রেটিং ৭/১০

অতএব শেষমেশ আমার রেটিং দাঁড়াইল ৭.১/১০

আর এইদিকে MAL সাহেবের রেটিং ৭.৪৫/১০ (আরেহ কাছাকাছি ই তো দেখি)

“So Lets enjoy soccer” (আমার কথা না কিন্তু , এনিমেতে কেউ একজন বলসে)

জি এতক্ষন ধৈর্য ধরে আপনার পিসি/ল্যাপ্টপ/মোবাইল বা অন্যকিছুর স্ক্রিন না ভেঙ্গে এই আজাইরা জিনিস পড়ার জন্য ধন্যবাদ । 😀 ড়িভিউটি শেষ হইল (বাপ্রে বাপ)

Shinsekai Yori রিভিউ — Amin Haque Isha

tumblr_na4i54LQie1taipg7o1_1280

Anime Walkthrough With Shadowgear #1
Anime Name : Shinsekai Yori
English Synonym: From The New World
Episode: 25
Mal Score: 8.52
Ranked: #89
Personal Rating: 9/10
Genres: Drama, Horror, Sci-Fi, Supernatural

ভবিষ্যৎ। শব্দটা শুনলেই চোখে ভাসে সুউচ্চ দালান,অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, স্বয়ংক্রিয় জীবন ব্যবস্থা । উন্নত এক সমাজ। কিন্তু এমন ভবিষ্যৎ কি কল্পনা করা যায় যেখানে মানুষ বাস করছে গ্রাম্য এক পরিবেশে । গ্রামীণ এক সমাজ ব্যবস্থা যেখানে মানুষ মানুষ এর কোন ক্ষতি করতে পারে না। সমাজে এ অসাধারণ শান্তি বিরাজ করছে। কিন্তু তাতেও রয়েছে এক অকল্পনীয় কাল রহস্য । আর এই এক অসম্ভব অদ্ভুত এক কাহিনি নিয়ে হাজার বছর পরের ভবিষ্যৎ কে ঘিরে গরে উঠেছে Shinsekai Yori এর স্টোরি।

হাজার বছর আগের মানুষ এর গবেষণার সফলতায় মানুষ পায় cantus নামক এ ক্ষমতা। আর এই ক্ষমতাকে নিয়েই সৃষ্টি হয় মানব্জাতির এক রক্তাক্ত অতিত। হাজার বছরের পথচলায় মানুষ গড়ে তোলে হানাহানিবিহীন এক নতুন গ্রাম্য সমাজ । এই গ্রামের ই এক মেয়ে ওয়াতানাবি সাকিকে ঘিরেই গল্পের সূচনা। ভয়ঙ্কর এক নিয়মের মাঝে নিজেদের জীবনের এক অকল্পনীয় সত্য জানতে পারা ও নিজেদের বন্ধুত্ত কে অটুট রাখার এক সুন্দর চাওয়াকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে চমৎকার ভাবে। ভয়, ক্ষতি, আশা , বিশ্বাসঘাতকতা. ইচ্ছা, ক্ষমতা, মিথ্যা, এবং পরিপূর্ণতা এর এক অসাধারণ সুন্দর মিশ্রণে আনিমে টি সত্তিই অতুলনিও হয়ে উঠেছে।

আনিমে টিতে চরিত্র গুলকে খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে । প্রতিটি চরিত্রেরই ছিল নিজস্ব বিচিত্রতা ও গুরুত্ত। প্রতিটি ডায়ালগ ছিল সুন্দর ও সার্থক। বাকগ্রাউনড মিউজিক গুলো স্টোরি কে ফুটিয়ে তুলেছে অসাধারণ ভাবে। তাছারা কান্না করানোর মত সিন এর নিশ্চয়তা তো আছেই! [আমার নিজেকেই কাঁদতে হয়েছে অনেকবার]

আনিমেটির গ্রাফিক্স অত্তন্ত মনমুগ্ধকর । বিশেশত ব্যাকগ্রাউন্ড Scenery গুলো তো এক কথায় চমৎকার। আর স্টোরি টা তো অবিশ্বাসো রকম অস্থির। প্রতিটা এপিসোড শেষে পরের এপিসোডে না দেখলেই নয়। [আমি নিজে ৬ ঘণ্টা টানা দেখে শেষ করসিলাম 😛 ] ইউনিক ক্যারেক্টার ডিসাইন, অসাধারণ আর্ট ও সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক আনিমেতাকে এক অন্য লেভেল দিয়েছে। মজার বেপার হল আনিমে টিতে কোন ওপেনিং মিউজিক নেই । তবে এইনডিং মিউজিক টা জটিল। প্রতিটা এপিসোড এই আমাকে এই মিউজিক টা শোনা লেগেছে আর এন্দিং টাতো আপনাকে নিয়ে যাবে ভাললাগার এক অন্য দুনিয়ায় টা তো নিশ্চিত।

তাই এই কথাটা বলতে পারি, নানান টুইস্ট , ফিলস, ট্রাজেডি, হ্যাপিনেস, সেডনেস , অশাধারন ব্যাক গ্রাউন্দ এ ভরপুর এই আনিমে টি দেখার সময় কাউকেই নিরাশ হতে হবে না।
তাই দেরি না করে দেখে নিন আপনার জীবনের এক অসম্ভব ভাল লাগার মত আনিমে।
[আমাকে পরে ধন্নবাদ দিলেও হবে 😛 ]

The Garden of Words (Kotonoha no Niwa) রিভিউ — Rokibul Islam

“A faint clap of thunder
Clouded skies, perhaps rain comes
Will you stay here with me?”

বৃষ্টি- বোধহয় সবারই কম বেশী প্রিয়। যখন লিখতে বসেছি এই বরফের দেশেও হালকা বৃষ্টি নামতে শুরু করেছে। আকাশ কালো করে ঝুমঝুমিয়ে নামা বৃষ্টি ঠিক না; তবে একেবারে গুঁড়িগুড়ি বৃষ্টিও বললে ভুল বলা হবে। কথাগুলো একটু অসংলগ্ন হয়ে গেল; আবার নাও হতে পারে (!)।

রিভিউ না, এটা আসলে একটা জাপানী অ্যানিমেশন দেখে ওঠবার পর দর্শক প্রতিক্রিয়া বলা চলে। লেখালেখি ব্যাপারটা আসে না; আগে দুচার লাইন স্ট্যাটাস দেবার একটা চেষ্টা করতাম, ওটাও কেন জানি দুঃসাধ্য হয়ে গেছে আজকাল। যাই হোক। আসল কথায় পা বাড়াই বরং; গল্প খুবই সামান্য- যথাসাধ্য চেষ্টা করবো স্পয়লার না দেবার।


সিনেমাঃ The Garden of Words (Koto no ha no niwa) (২০১৩)
পরিচালক/চিত্রনাট্যঃ মাকোতো শিনকাই
ভাষাঃ জাপানী
MAL লিঙ্কঃ http://myanimelist.net/anime/16782/Kotonoha_no_Niwa
ট্রেলারঃ http://youtu.be/udDIkl6z8X0

এনিমখোর গ্রুপ থেকে খোঁজ পাই এটার। দুটো কারণে বেশ আগ্রহ জন্মেছিল দেখবার ব্যাপারে- একটা কারণ হলো, পোষ্টারের অসাধারণ সবুজ আর বৃষ্টির ছড়াছড়ি কেমন যেন হাতছানি দিয়ে ডাকে। দ্বিতীয়ত, পরিচালকের নাম। ‘5 Centimeters Per Second’ এর একই সাথে ভিজুয়ালি এবং খুব সাদামাটা কিন্তু ছুঁয়ে যাওয়া প্লটের জন্য মাকাতো শিনকাই নামটা খুব সহজে ভোলা যাবে না।

পুরো সিনেমাটা ঘুরেফিরে কেবল দু’জন মানুষের গল্প- স্কুল পড়ুয়া এক কিশোর (Takao) আর বৃষ্টি দিনে পার্কের বেঞ্চে বসে থাকা এক বিষণ্ণ তরুণী (Yukari)। শুরুর দিকে একটু দ্বন্দ্বে পড়ে যেতে হয়- অসমবয়সী প্রেমের গল্প; নাকী দু’পাশ থেকে দেখা দু’জনের জীবনোপখ্যান। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি নামবে। বাকিদের কথা জানি না- তবে অনেকটা সময় আমি টেনে টেনে বৃষ্টিই দেখেছি- এত চমৎকার ভাবে ডিজিটাল পর্দায় বৃষ্টি হয়তো কখনো দেখিনি। বাজি ধরে বলে দিতে পারি- এ’বৃষ্টিতে হয়তো শরীর ভিজবে না- কিন্তু মন ভিজবেই।

মাত্র ৪৫ মিনিটের সিনেমার খানিকটা দূর আগালেই হয়তো টের পেয়ে যাবেন- একটু অসমবয়সী প্রেমের গল্পই এটা- তবে কেবল প্রেমের গল্প বললে ছোট করা হবে। অদ্ভুতভাবে Takao আর Yukari এর দেখা হয় কেবল বৃষ্টির দিনগুলোতেই। একজন স্কুল পালিয়ে নিজের পছন্দের কিছু কাজ নিয়ে হাজির হয় পার্কের ছায়াঘেরে ছাউনিতে- আরেকজন কাজে অমনোযোগী। কারণগুলো শুরুতে একটু ঝাপসা থাকলেও সিনেমার চাকা গড়ানোর সাথে সাথে বেশ দৃশ্যমান হয়ে যাবে। সংলাপের স্বল্পতা থাকলেও তা পুষিয়ে যাবে চমৎকার কিছু কথার জাদুচ্ছটায় পুরো সিনেমাজুড়েই। বয়সে কিশোর হলেও মননে বেশ পরিণত তাকাও-এর আবেগটুকু খুঁজে পাওয়া যায় এই লাইনটুকুতে- “To me she represents nothing less than the very secrets of the world.”

খুব আহামরী কোন গল্প নেই- তবে যেটুকু আছে তা হয়তো কিছুটা সময়ের জন্য জড়িয়ে রাখবে। বেশ অনেকটা বিষণ্নতায় জড়িয়ে দিয়েও শেষটায় তাই একটু আশা, একটু আবেগের প্রশ্রয়- তাই খুব বেশি বিলাসীতা মনে হয় না।

অনেক কিছু হয়তো লেখা যায়; কিন্তু ইচ্ছেতে কুলোচ্ছে না। ক্ষমাপ্রার্থী। হাতে খানিকটা সময় থাকলে দেখে নিতে পারেন। বৃষ্টিপ্রেমী হলে এই সিনেমাটা মন্দ লাগবে না।

একেবারে শুরুতে বলা লাইনগুলো আসলে কবিতাচ্ছলে একটা প্রশ্ন ছিল। উত্তরটাও খুঁজে পাবেন সিনেমার শেষটায়ঃ

“A faint clap of thunder
Even if the rain comes not,
I will stay here, together with you…”

I have seen rain in screen many times, but never that beautifully…

সবার জন্য বৃষ্টিমুখর ঘোরলাগা দিনের আশাবাদ রইলো।

Kingdom রিভিউ — মোঃ আসিফুল হক

অনেক অনেএএএএক ছোটবেলায় যখন সমাজ বইয়ে বঙ্গদেশের ইতিহাসে পড়তাম “বখতিয়ার খিলজী মাত্র ১৮ জন ঘোড়সওয়ার নিয়ে নদীয়া প্রাসাদ আক্রমণ করে বাংলা বিজয় করেন” তখন মনে হইত, আইসসালা, সিরাম কাবিল লুক তো ! কি সুন্দর সিস্টেমে ১৫-২০ জন নিয়া একটা দেশ গাপ কইরা দিল। তারপর কিছুদিন পরে বিটিভিতে “সোনারগাঁয়ের পথে পথে” নামক একটা ধারাবাহিক নাটক প্রচার হইসিল, ২০০৫-০৬ এর দিকে সম্ভবত। বন্ধু বান্ধবদের পচানি শুনেও নিয়ম করে ওইটা দেখতাম। মোদ্দাকথা হইল, মুখস্ত করার পেইনের না থাকলে আমার ইতিহাস ভাল্লাগে, বিশেষ কইরা যুদ্ধের ইতিহাস, ট্যাক্টিক্সের ইতিহাস। নিজে ভাল রকম ভীতু মানুষ দেইখাই হয়ত – বীরত্বের কাহিনী বড় ভাল্লাগে, সেইটা খিলজী ভাইয়ের চিপা দিয়া বাংলা ঘাপায় নেওয়ার কাহিনী হোক, কিংবা কড়া নিরাপত্তার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের আশেপাশে একটু বুমা টুমা মাইরা আওয়াজ তোলার কমান্ড পাইয়া ক্র্যাক প্লাটুনের একেবারে হোটেলে হামলা করার মতন এপিক কাহিনী হোক।

আসল কিচ্ছায় ফেরত আসি। কিংডম এনিমটা দেখলাম; প্রথম সিজন। ইতিহাস ভিত্তিক একটা সিরিজ, তবে জাপানের না, চায়নার ইতিহাস। পটভুমি ৪৭৫ খ্রিস্টপূর্ব যুদ্ধপ্রবণ চায়না। শিন(Xin/Shin) এবং হিয়ো(Pyou/Hyou) কিন(Qin) রাজ্যের দুই অনাথ শিশু। যুদ্ধে বাবা মা নিহত হবার পর তাদের ঠাই হয় এক বড়লোকের বাড়িতে, দাস হিসেবে। দুজনের মনে স্বপ্ন, একদিন বড় জেনারেল হয়ে নিজেদের অবস্থা পরিবর্তন করার; তাও যে সে জেনারেল না; দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ জেনারেল। তাদের ভাগ্যে কি ঘটল, প্রাসাদ ষড়যন্ত্র আর যুদ্ধপ্রবণ সময়ে Qin এর রাজা সেই (Zheng) কীভাবে পাহাড়ী লোকজনের সহায়তায় সৎভাই এর হাত থেকে রাজ্য উদ্ধার করলেন, ধীরে ধীরে পরিণত রাজা হয়ে উঠতে লাগলেন – এইরকম বেশ কিছু গল্প নিয়েই তৈরি করা হয়েছে সিরিজটি।

পুরো সিরিজটা বেশ খানিকটাই আপডাউনের মধ্য দিয়ে গিয়েছে। তবে নির্মোহ দৃষ্টিতে দেখলে খারাপ লাগার এলিমেন্টই খুজে পাওয়া যাবে বেশি। একে একে ব্যবচ্ছেদ করা যাক। তবে তার আগে একটা জিনিস পরিষ্কার করে নেওয়া ভাল; আমি শুধু প্রথম সিজন শেষ করেছি। নিচে অনেকগুলো নেগেটিভ দিকের কথা এসেছে; যেগুলোর অনেকটাই নাকি দ্বিতীয় সিজন কাটিয়ে উঠেছে। আর মাঙ্গা নাকি মোটামুটি এপিকের পর্যায়ে চলে গিয়েছে। নিচের রিয়েকশন শুধু প্রথম সিজনের জন্য প্রযোজ্য হবে।

সিরিজের সবচেয়ে বিরক্তিকর দিক CGI এনিমেশন। বাজেট সঙ্কটের কারণে হোক কিংবা এক্সপেরিমেন্টাল পারপাসে হোক, 3D এনিমেশন দেখলে মনে হয়েছে যেন বহু পুরোনো কোন ভিডিও গেইমের ক্লিপ দেখছি। সব কিছুই কেমন যেন আর্টিফিশিয়াল আর ক্রুড। কিছু কিছু ফাইট সিনে ব্যাপারটা ভাল লাগলেও ওভারওল ভাল রকম বিরক্তি উদ্রেক করেছে সারা সিরিজ জুড়ে।

সাউন্ডট্র্যাক খুবই সাধারণ মানের। দ্বিতীয়বার শোনার বদার করার কথা না কারো।

ভয়েস এক্টিং সিরিজের চমৎকার একটা দিক। শিনের ভয়েস এক্টর ইচিগোর ভয়েস এক্টর, আর সিরিজের ব্যাকগ্রাউন্ড ধারাভাষ্যকার খুব সম্ভবত ওয়ান পিসের জন; সুতরাং ভয়েস এক্টিং নিয়ে আমি বেশ সন্তুষ্ট।

প্রচুর একশন সিন থাক্লেও সবই বেসিক। এবং বেশির ভাগ একশন সিনই জঘন্য CGI এর জন্য বিরক্তির উদ্রেক করেছে। মেইন ক্যারেক্টারগুলোর ফাইটগুলো যথেষ্ট ইলাবোরেট এবং ভাল হলেও সাইড ক্যারেকটারদের মুড়ি মুড়কির মতন উড়ে যাওয়াগুলো ভয়াবহ রকমের আনরিয়েলিস্টিক ছিল। লাখে লাখে সৈনিক যুদ্ধ করলেও এবং মারা যেতে থাকলেও মোটেও সেই ফিলটা আসে নি; খুব সম্ভবত এনিমের টার্গেট অডিয়েন্স ইয়াং টিনএজার ছিল। রেজাল্ট? কিঞ্চিত লেইম ব্যাটেলস। তবে চালায়ে নেওয়া যায়; আহামরি না হলেও এভারেজ মার্ক্স দেওয়া যাবে।

স্টোরি – পুরো সিরিজটা এক নিঃশ্বাসে দেখেছি এবং রিভিউও লিখতে বসেছি – একমাত্র কারণ বোধহয় স্টোরি। প্রায় বাস্তব একটা ইতিহাসের গল্প আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরা খুব চাট্টিখানি কথা না; সেটা বেশ মুন্সিয়ানার সাথেই করতে পেরেছে এই সিরিজ। যুদ্ধের ময়দানে ব্যাবহার করা ট্যাক্টিক্স, মুহূর্তে মুহূর্তে রঙ বদলানো যুদ্ধে কমান্ডিং জেনারেলদের বুদ্ধি, ক্ষমতা আর স্ট্র্যাটেজির খেলা – চমৎকার স্টোরি। যদিও স্টোরির উৎকর্ষতা যুদ্ধের ঘটনার সাথেই শেষ; ক্যারেকটারগুলোর ব্যাক স্টোরি দেখানোর বা তাদেরকে লাইকেবল করার জন্য মোটেও চেষ্টা করা হয় নি সিরিজে। ফলাফল – শিন ছাড়া আর কোন ক্যারেক্টারের ডেভেলপমেন্ট একেবারে শূন্যর ঘরে। বিশেষত ভিলেনগুলো মনে ভীতি বা শ্রদ্ধা এধরণের অনুভুতির বদলে চরম বিরক্তির উদ্রেক করে। এছাড়া যুদ্ধ বা স্ট্যান্ড এলোন ব্যাটলের সময় ক্যারেকটারগুলোর বন্ধু বান্ধবদের লাইন ধরে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ উপভোগ এবং ধারাভাষ্য বর্ণনা – খুব ভাল ইম্প্রেশন ফেলে না।

এখন বার্নিং কোশ্চেন। সিরিজটা দেখা উচিত কি না? I absolutely loved the series; mostly because of its story, war tactics and history. এই জিনিসগুলো সমন্ধে আলাদা করে ইন্টারেস্ট না থাকলে এবং আর্টস্টাইল এবং সাউন্ডট্র্যাক এর মতন বিষয়গুলো নিয়ে নমনীয় না হলে আমার পরামর্শ থাকবে না দেখার জন্য।

Slam Dunk রিভিউ — রোকেয়া শারমিন অরিন

১মেই হাবিজাবি রিভিউ লিখার জন্য সরি বলে নেই..এত সুন্দর একটা আনিমে নিয়ে এত পঁচা করে লিখে নিজেরই লজ্জা লাগতেছে 😛

রিভিউঃ
স্পোর্টস জনরার খুব বেশি আনিমে দেখি নাই কিন্তু এই জনরার আনিমে গুলা মেলা এক্সাইটমেন্টে ভরপুর থাকে বলে দেখতে মজা লাগে.. অনেক মজা লাগে …. যে কয়টায় দেখি না কেন এর মধ্যে নিঃসন্দেহে চোখ বুজে বলে দিতে পারি স্লাম ডাঙ্কের মত মজা আমি আর কোন এই জনরার আনিমে তে পাই নাই…স্লাম ডাঙ্কের তুলনা স্লাম ডাঙ্কই…আর ২য় টা নাই এর মত ..খালি স্পোর্টস জনরাই না যে কোন জনরার আনিমে সাথে কম্পিট করলে এটা সর্বকালের সেরা আনিমের তালিকায় থাকবে এতে কোন সন্দেহ নাই.. প্রতিটা ক্যারেক্টার প্রতিটা এপি প্রতিটা ম্যাচ একটুও খারাপ লাগে নাই একটা সিঙ্গেল মোমেন্টও খারাপ লাগে নাই..খারাপ লাগা তো অনেক পরের কথা এমন কোন এপি নাই যা দেখে আমি হাসতে হাসতে গড়াগড়ি দেই নাই ..পুরা মুগ্ধ হয়ে দেখছি পাগলের মত …মনে হইছে এর মধ্যে ঢুকে যাই আর বের হব না.. ওদের সাথে আমিও খেলা শুরু করে দেই.. ওদের মত আমিও মজা করি ..মেইন যে জিনিসটা বেশি ভাল লাগছে তা হল বাস্কেটবল খেলার ব্যাসিক অনেক ভালভাবে শিখতে পারছি.. বাস্কেটবল নিয়ে আনিমে এর আগে যেটা দেখছিলাম তা হল কুরোকো নো বাসুকে আনিমে টা মেলা ভাল লাগছিল অনেক এক্সাইটমেন্ট ছিল মজারও ছিল..কিন্তু মেইন সমস্যা ঐটা যত টা খেলার ব্যাসিক জিনিসপত্র ফোকাস করছে তার থেকে বেশি শোনেন আনিমের মত স্পেশাল পাওয়ারআলা জিনিসপত্র অনেক বেশি দেখাইছে (এটার জনরাতে শোনেন আছে অবশ্য 😛 )… আসল কথা বাস্কেটবলের ব্যাসিকের ১২ টা বাজাইয়া ছাড়ছে .. স্লাম ডাঙ্ক দেখে বাস্কেটবল নিয়ে এত কিছুই শিখছি যে বাস্কেটবল খেলার ভিডিও আমি ইউটিউবে সার্চ দিয়ে দেখছি (জর্ডানের ভিডিও)… ক্যারেক্টারে আসি এবার ..এত বস বস সব ক্যরেক্টার একেকটা ..আর ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট ..একেকজনের একেক রকমের স্টাইলের খেলা অনেক মজার আর অনেক জোস করে দেখাইছে…মেজর মাইনর সকল ক্যারেক্টারই জোস….আর মেইন ক্যারেক্টার সাকুরাগি হানামিচি .. এর মত ক্যারেক্টার ভাল না লাইগা থাকা যায় না.. এর মত একটা ক্যারেক্টার থাকলেই যে কোন আনিমে দেখতে বসার আর কোন রিজন লাগে না..তার উপর সাথে তো এর সাথে আরও যেসব ক্যারেকটার আছে কোনটাই একটুও খারাপ লাগে নাই..সব কয়টা বস…এক কথায় অস্থির ,মাস্টার পিস ক্লাসিক একটা আনিমে আজ থেকে ৫০ বছর পরও এই জিনিস দেখে কারো খারাপ লাগবে না…আজ থেকে প্রায় ২২-২৩ বছর আগের জিনিস আনিমেশন দেখে অনেকেই নাক সিটকাতে পারে কিন্তু ২-৩ টা এপি দেখার পর এই আনিমেশনেই এমন অভ্যস্ত হবেন যে আনিমে শেষ হবার পর মনে হবে এই আনিমে আরও ১০০ টা এপি নাই কেন? স্লাম ডাঙ্ক কেন সারাজীবন ধরে চলবে না? কেন এত জলদি শেষ হয়ে গেল? এটা যদি সারাজীবন ধরে চলত..আমি যদি এদের সাথে সারাজীবন এমনে মজা করে কাটাইয়া দিতাম..শেষ হয়ে যাচ্ছে দেখে উল্টা মন খারাপ হবে…আর কাহিনী+ একেক টা ম্যাচ এত উত্তেজনার আর মজার আর হাসির জিনিসপত্র তো আছেই …হাসতে হাসতে গড়াগড়ি দেয়াইয়া ছাড়ে…কাহিনীর শুরু হয় সাকুরাগি কেমনে শোহোকু বাস্কেটবল টীমে ঐ টিমের ক্যাপ্টেনের ছোট বোন হারুকোর প্রেমে পড়ে জয়েন করে এটা নিয়ে…মাথা মোটা মাথা গরম একটা ক্যারেক্টার ..আস্তে আস্তে এরপর ঐ টিমের বাকিদের সাথে কেমনে টিমটার + নিজের খেলার উন্নতি করে স্টেপ বাই স্টেপ এইভাবে আগাইছে কাহিনি..যত আগাইছে তত বেশি জোস হইছে..আনিমে তে কাহিনি শেষ করে নাই দেখে লাস্টে আইসা মনে হবে এরপর কি হবে? আনিমে দেখার পর মুভিগুলা+মাঙ্গা পড়লে পুরাটা ক্লিয়ার হয়ে যায়…

Anime: Slam Dunk (episode 101 টা)

রেটিংঃ আমার দেখা সর্বকালের সেরা স্পোর্টস আনিমে আর অন্যতম সর্বকালের সেরা আনিমে

Barakamon রিভিউ — Rokibul Islam

গতকাল রাতে একটানা দেখে শেষ করলাম বারাকামোন। দেখা শুরু করার আগে এইটা নিয়ে কোন রিভিউ পড়া হয়নি। গ্রুপে কিছু পোষ্ট দেখেছি, স্ক্রল করে নিচে নেমে গিয়েছি, পড়িনি। প্রচন্ড মন মেজাজ খারাপ নিয়ে ইউটুব ব্রাউজ করতে গিয়ে সাজেশনে এইটার একটা এপিসোড চোখে পড়লো FunAnimation এর আপলোডে- কী ভেবে প্রথম পর্বে গিয়ে চালু করে দিয়ে বসলাম।

মিথ্যে বলবো না, হুট করে মন ভালো করে দেয়ার টনিক এই এনিমেটা, অন্তত আমার জন্য সেভাবেই কাজ করেছে। ইন্ট্রোতে- নারু যখন কষ্টে সৃষ্টে দরজা খুলে সেনসেই’র ঘরে উঁকি দেয়- ঐ জায়গাটা দেখেই কেমন জানি মন ভালো হয়ে যায়।

খুব সাদামাটা গল্প, প্যাচগোছ নেই। কিন্তু, আছে উচ্ছাস, নিজেকে খুঁজে নেয়ার গল্প, দুরন্তপনা, একটু পর পর হেসে উঠবার বাহানা… পুরো সিরিজটার প্রাণ আমার কাছে হান্দা সেইসু আর নারু। নারুকে ভালো না লাগার কোন কারণ নেই; উপরি হিসেবে বলবো- এই দুরন্ত, হাসিখুশী পুচকে ছুঁড়িকে দেখলেই আমার পিচ্চি কাজিনটার কথা মনে পড়ে যায়- প্রায় কাছাকাছি বয়সী- কিন্তু একই রকম প্রাণশক্তি, পোকামাকড়ের ভক্ত, নানাবাড়ির এমাথা থেকে ওমাথা দৌড়ে বেড়াবে।

পুরো সিরিজটা ধরেই নিজেকে নতুন ভাবে চেনার কাজটুকু করে যাবে হানদা, সহজ সরল- পরোপকারী দ্বীপের মানুষগুলোর কাছে থেকে একটু একটু করে জীবনকে নতুন ভাবে শিখতে শুরু করবে। প্রথম পর্বে উঁচু দেয়ালের উপরে উঠতে গিয়ে হানদার উদ্দেশ্যে নারুর বলা শিশুমনের সরলোক্তিগুলো কিছুটা হলেও নিজেকে নাড়া দিয়ে গেছে; পুরোটা সিরিজেই এমন অনেক বার্তা রেখে গেছে দর্শকদের জন্য। একেবারে শেষ পর্বে হানদার মা’র কথাটুকু শেষটায় খুব সত্য মনে হয়- “হানদার ক্যালিগ্রাফি কেবল পরিণত হয়নি, মানুষ হিসেবে সেও পরিণত হয়েছে ঐ দ্বীপে গিয়ে…”

মাত্র ১২ টা পর্ব দেখে শেষটায় নিজেরই মন খারাপ হয়ে গেছে। ধুচ্ছাই, শেষ হয়ে গেল।

Aku no Hana (Flowers of Evil) মাঙ্গা রিএকশন — Farhad Mohsin

নোট: আপনি যদি শুধু আনিমে দেখে থাকেন (যেটার সিজন টু বেরোতেও পারে), তাহলে আপনি মাঙ্গার কাহিনীর হয়ত ওয়ান থার্ডের মত দেখেছেন। আমি রিয়েকশন পোস্ট আন-স্পয়লারিশ রাখার চেষ্টা করব, তারপরেও কিছু স্পয়েল করে দিলে দুঃখিত।

প্রথমত, এটা একটা coming-of-age গল্প, সেইখানে অস্বীকার করার কিছু নাই। কিন্তু এটা আপনার এভারেজ কামিং-অফ-এজ মাঙ্গা না। সিনোপ্সিস দেখতে গেলে আপনি দেখবেন সেখানে লেখা –
কাসুগা তাকাও, যে অনেক গভীর সাহিত্যিক জিনিস-পত্র পড়ে। সে ক্লাসের সায়েকি নামে এক মেয়েকে পছন্দ করে, অনেকটা অবসেশনের পর্যায়েই, এবং একদিন হঠাত ঝোঁকের মাথায় সে সায়েকির gym clothes চুরি করে বসে। এবং এই সময়েই সে ধরা পড়ে ক্লাসের ‘সাইকো’ মেয়ে নাকামুরার কাছে। এখানে শুরু হয় নাকামুরার ব্ল্যাকমেইল।

আকু নো হানার সিনোপ্সিস পড়ে কোনভাবেই প্রকৃত গল্পের টোন সম্বন্ধে আইডিয়া পাওয়া সম্ভব না। পড়ে মনে হতে পারে একটা পার্ভার্টেড ধরণের গল্প হতে পারে। কিন্তু পুরো টোনটা আসলেই অন্যরকম। মাঙ্গায় অনেক বেশি লিটারেসি রেফারেন্স আছে, প্রায় কিছুই কমন পড়ে নি। তবে টোনটা, কমন anarchic টোনটা ধরা খুব একটা কঠিন না। আর সেটাই গল্পকে মূলত ড্রাইভ করে নিয়ে যায়। অন্যতম মূল চরিত্র, নাকামুরার মত চরিত্র হিস্ট্রিতে, ফিলসফিতে কম দেখা যায় না। যেন সে অনেক কাছ থেকে সোসাইটিকে দেখেছে। সমাজের মানুষের দৈনন্দিন জীবন, জীবিকার জন্য তাড়না, একটা রুটিনময় জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একইভাবে চলা, যে শহরে জন্ম সে শহর থেকে এক পাও বাইরে না দেওয়া, এসব কিছুই যেন তার কাছে অনেক অর্থহীন। আশেপাশের সকল মানুষকে তার মনে হয় ফাঁকা খোলসের মত।
এসব কিছু থেকেই বের হওয়ার ইচ্ছা তার। পারলে সে সাথে বের করে আনবে তাকাও কে। গল্পের প্রথম অংশ মূলত তার “Other side” এ যাওয়ার ইচ্ছা নিয়েই। আশেপাশের এই নর্দমার কীটদের মধ্য থেকে বের হয়ে, সে চলে যেতে চায় অন্য পারে। যেখানে এসব থাকবে না তার আশেপাশে।

চরিত্রায়নকে আমি বেশিই ভালো বলব। আমি পড়তে পড়তে মাঝে মাঝেই চিন্তায় পড়ে যেতাম, কোন চরিত্রটা বেশি ‘অসহ্য’, ক্যাওটিক। মাঙ্গাকা যা করতে চেয়েছেন ভালোমতই করেছেন মনে হয়। মূল চরিত্র, তাকাওকে একটা বিশাল সময় ধরে স্পাইনলেস একটা এম্পটি ক্রিচার ছাড়া কিছু মনে হয় না। মোটামোটিভাবে মাঙ্গার দ্বিতীয় ভাগের একটা সময়ের আগ পর্যন্ত কখনোই আমার তারে ভাল্লাগে নাই।

আর্টওয়ার্ক প্রথম দিকে জেনেরিক ও মিনিমাল ছিল। খুব আহামরি কিছু না। ধীরে ধীরে শেষের দিকে গিয়ে আর্টওয়ার্ক বেশ খানিকটা ইম্প্রুভ করে। তবে পুরো সময়েই যে জিনিসটা বেশ ভালো নজর কেড়েছে, তা হল ভিজুয়ালস।

আর শেষে এনজয়মেন্টের দিক দিয়ে বলব, পড়তে পড়তে যতই মেজাজ গরম হোক, রেখে দেওয়ার মত ছিল না। আকর্ষণ ধরে রেখেছে শেষ পর্যন্ত। গল্পের দ্বিতীয় পার্ট প্রথম পার্টের তুলনায় খানিকটা বেশি soothing ছিল, পরিবর্তনটা ভাল্লাগসে। পুরো গল্পে আমার সবচেয়ে প্রিয় চরিত্রের আবির্ভাবও মূলত এই সময়েই হয়।

সব মিলিয়ে বেশ বেশ ভালো একটা মাঙ্গা আকু নো হানা। তবে এটা স্বীকার করতেই হবে সবার জন্য না। আপনার যদি একটু ডার্ক ধরণের সাইকোলজিকাল গল্প ভালো লেগে থাকে তাহলে ট্রাই করে দেখতে পারেন। এ কথা মনে হয় এর আগে বলেছিলাম Goodnight Punpun এর ব্যাপারে।

MAL rating:
manga – 8.15
anime – 7.19

আমার মাঙ্গা রেটিং – 8.5

Kingdom রিভিউ — Gourab Roy

Kingdom:

টেকনোলজির এই যুগে এসব ঢাল তলোয়ারের পিটোপিটি কি ভাল লাগে? হাহ!।এই মনোভাব নিয়ে দেখতে বসলাম কিংডম…তারপরে চোখের নিচে কালি ফেলে ৩ দিনে শেষ করে ফেললাম
আমার দেখা অন্যতম intense এনিমে কিংডম।একশন, মিলিটারি,হিস্টোরিকাল,সেইনেন এর পারফেক্ট সমন্বয়।চাইনিজ ইতিহাসের পরতে পরতে যে এমন টুইস্ট লুকিয়ে আছে যা দেখার সময় মিস্টার
টুইস্ট এর টুইস্ট ও নস্যি মনে হবে।
গল্পের নায়ক xin একজন স্লেভ এবং আহোবাকা।আর আহো বাকা নায়ক দের সবাই বেশ পছন্দ করে ।তার জানের জান ,প্রানের প্রান বন্ধু হিও ও একজন স্লেভ।তাদের এক্টাই লক্ষ্য,আর তা হল এই পৃথিবীর সবচেয়ে হ্যাডা জেনারেল হওয়া।চাইলেই তো হয়না।
ঘটনার পরিক্রমায় হিও আর জিন এর একসাথে থাকা আর হয়ে ওঠেনা।জিন এর তখন পরিচয় হয় গল্পের আরেক প্রধান চরিত্র Zheng এর সাথে,যে কিনা তরুন বয়সে রাজা হয় এবং কুটিল রাজনীতি এর
শিকার হয়।অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়ে জিন আর Zheng এর সেই রাজ্য উদ্ধার এবং রাজা হওয়ার পরে রাজ্য রক্ষা এবং জিনের সর্ব শ্রেষ্ঠ জেনারেল হওয়ার কাহিনী নিয়ে চলতে থাকে কিংডম এনিমে এর ঘটনাপ্রবাহ।ডুয়েল,এসেসিনেশন
ফুল স্কেল ব্যাটেল সিন,ব্যাড ass কুল ass,ও কিছু assহীন চরিত্রের ছড়াছড়ি আর অসংখ লোম খাড়া করা সিন ও ডায়ালগ দেখতে দেখতে কখন যে চাইনিজ খেতে মন চাইবে টের ও পাবেন না

এ এনিমের এক্টাই খারাপ দিক,তা হল এনিমেশন।প্রথম এক দুই এপিসোড দেখার পরে সেটাও আর খারাপ লাগবেনা।ব্যাক গ্রাউন্ড মিউজিক মানানসই। ওপেনিং আর এন্ডিং সং দুটোই ওয়ার থিমের
সাথে ভাল যায়।ভয়েস এক্টিং যেখানে যেরকম দরকার সেখানে সেরকম একদম।নায়ক জিনের আর ইচিগোর ভয়েস এক্টর একই।তাই ব্লিচ এর ফিলিংস পেতে পারেন মাঝে মদ্ধে।গল্পে নায়িকা নেই
বললেই চলে।তবে কিছু শক্তিশালী নারী চরিত্র আছে,যাদের চেহারা দেখে সাথে সাথে ক্রাশ খেয়ে যাওয়া বিচিত্র নয়।সিজন ১ এর সিজন ফিনালে আমার দেখা অন্যতম সেরা সিজন ফিনালে।
স্টোরি ছাড়া আমার এ এনিমের যেটা বেশ ভাল লাগে তা হল ওভারহোয়েল্মিং কিছু চরিত্র।দেখা যাবে বেশিক্ষনের জন্য তারা স্ক্রিন টাইম না পেলেও তারা আপনার কোকোরো কে ডমিনেট
করবে।একবার ঢুকে গেলে এনিমের মদ্ধে, পুরোটা না খেয়ে আপ্নি আর উঠতে পারবেন না,এবং নিজেকে আরো একবার এনিমখোর হিসেবে আবিষ্কার করবেন।
আমার রেটিং :৯.৯৯।(.০১ এনিমেশনের জন্য কাটা) :v
আর এটা পুরোপুরি বায়াসড রিভিউ,ব্যাক্তিগত এনিমে লিস্টে এটা টপ ৫ এ চলে যাওয়ার জন্য অনেক টুক টাক ভাল না লাগা ও বাদ দিয়ে গেছি সানন্দে।
তো আর দেরি না করে দেখে ফেলুন কিংডম,আর ভুলে যান দম ফেলতে কারন এটা যে রুদ্ধশ্বাস এনিমে।

Natsume Yuujinchou রিভিউ — Gourab Roy

Natsume Yuujinchou:(Natsume’s Book of Friends):

মনে করুন দিন রাত ২৪ ঘন্টা আপনি একটা কোন কিছু দেখতে পাচ্ছেন,যা আপনার চারপাশের কেউ পাচ্ছেনা।বল্লেও কেউ বিশ্বাস করছেনা,এদিকে আপনাকে বিনা পয়সায় মিথ্যাবাদী উপাধি দিচ্ছে.।বুক ফাটছে আপনার কিন্তু মুখ ফুটছেনা।
এনিমের নায়ক নাতসুমে ঠিক এ পরিস্থিতি তেই দিন কাটাচ্ছিল।সে ইয়োকাই বা আয়াকাশি দের দেখতে পায়,যা কিনা অন্য রা পায়না।তার একাকি দিনের অবশান ঘটে যখন সে তার গ্রান্ডমা এর রেখে যাওয়া একটা ইয়োকাই দের নাম সম্বলিত বই পায়।এ বই আলাদিনের চেরাগের মতই ক্ষমতাশালী ।এ বইয়ে যে সব ইয়োকাই দের নাম আছে তাদের সবাই ই নাতসুমের হুকুম তামিল করতে বাধ্য।কিন্তু গকু লেভেলের ভদ্রলোক নাতসুমে ইয়োকাই দের কে নাম ফিরিয়ে দিতে বদ্ধ পরিকর।আর এদিকে নাতসুমের সাথে পরিচয় হয় এক মোটা গোটা হুলো বেড়াল ইয়োকাই এর।যে নাতসুমের বডি গার্ড হিসাবেই থাকে।


ইয়োকাই খারাপ হয় ,ভাল হয় ,আবার অনেক কিউট ও হয় ।কিউট ইউওকাই গুলো দেখলে মনে হয় ইস ! একটু চটকে আসি… 😛 । নাতসুমে চায় এদের সাথে কো এক্সিস্ট করতে।কিন্তু কখন ও কখনো তাকে মারপিট করাই লাগে এই ইয়োকাই দের সাথে।
শেষ পর্জন্ত নাতসুমে পেরেছিল কিনা মানুষ এবং ইয়োকাই দের সাথে কো এক্সিস্ট করতে,কি হয়েছিল সেই পাওয়ারফুল বইটার এগুলো জানতে দেখে ফেলতে পারেন ৪ সিজনের,মোট ৫২ এপিসোডের নাতসুমে ইউজিঞ্চো।

এনিমেশন বেশ ভাল।এপিসোডিক কাহিনি,এবং একটু স্লো পেসড।স্লাইস অব লাইফ এর স্বাদ পাবেন বেশ ভাল ভাবেই। ব্যাক গ্রাউন্ড মিউজিক বেশ মানান্সই কাহিনির সাথে।আর ওপেনিং আর এন্ডিং সং গুলো বেশ হৃদয়গ্রাহী।প্রতিটা এপিসোড দেখার সময় আপনার মনে হবে জীবনে বুঝি কোন ব্যাস্ততা নেই,মনে হবে শীতের সকালে হাল্কা রোদে একটু কাপুনির সাথে আরামে শরীর এলিয়ে দিয়ে রোদ পোহাচ্ছেন ।

হয়ত আপনার ধুন্ধুমার পিটাপিটি দেখতে ইচ্ছে হচ্ছেনা,আবার একদম স্লাইস অব লাইফ এর ফ্যান ও না আপ্নি ।তাহলে সুপারন্যাচারালিটির স্বাদ যুক্ত Natsume Yuujinchou দেখে ফেলুন আর দেরী না করে,আর হারিয়ে যান এক অজানা ভাল লাগায় 🙂
আমার রেটিং: ৮.৫