Movie Time With Yami – 01

 

Name: Tsumiki No Ie / The House of Small Cubes
Duration: মাত্র ১২ মিনিট।
MAL Score: 8.36

Ranked: 182
Genre: Drama

কাহিনী একজন বৃদ্ধ মানুষকে নিয়ে, যার শহর পানিতে ডুবে গিয়েছে। বেঁচে থাকার জন্য বৃদ্ধ মানুষটিকে বারবার নিজের বাড়ির ওপর ফ্লোর বাড়াতে হচ্ছে এবং আগের ফ্লোর ছেড়ে নতুন ফ্লোরে উঠতে হচ্ছে। এমন অবস্থায় একদিন তার প্রিয় পাইপটা হঠাৎ ভুল করে তার হাত ফসকে পানিতে পড়ে যায়। প্রিয় পাইপের খুব বেশি অভাব বোধ করতে থাকায় তিনি স্কুবা ডাইভিং এর জিনিষপত্র জোগাড় করে পাইপ উদ্ধার করার জন্য পানিতে নামেন। যত নিচে নামতে থাকেন, তার ডুবে যাওয়া বসতবাড়ি চোখে পড়তে থাকে এবং প্রতিটা ফ্লোর তার জীবনের একেকটি স্মৃতি তাজা করে তুলতে থাকে।

আমার মতে, মুভিটির বিশেষত্ব হল এত অল্প সময়ে, মাত্র ১২ মিনিটে এই মুভিটি যতকিছু দেখাতে পেরেছে, অনেক লম্বা লম্বা মুভিতেও তা পাওয়া কঠিন। বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর পরিণতি যেমন দেখিয়েছে, একই সাথে একজন মানুষের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার স্মৃতি, এই ব্যাপারটাকে খুব সুন্দরভাবে দেখিয়েছে। কোন ডায়ালগ নেই এতে, কিন্তু নিশ্চুপ থেকেও যেন অনেক কথা বলে ফেলেছে মুভিটা।

২০০৮ সালের জুন মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত এ মুভিটি শর্ট ফিল্ম হিসেবে জিতে নেয় মোট পাঁচটি পুরষ্কার, যার মাঝে একটি হল Academy Award for Best Animated Short Film 2009 (অস্কার)।

সুতরাং, হাতে যদি ১২ মিনিট সময় থাকে, তাহলে চমৎকার এ মুভিটি দেখে ফেলতে পারেন এখনই।

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Tsumiki-no-Ie

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

NO game NO life লিখেছেন Gourab Roy

10448790_924358987589910_1614157411232676379_nএমন যদি হত যে সব কিছুর সমাধান হবে গেম দিয়ে।কেউ তোমাকে একটা চটকানা দিতে গেলেও তাকে তোমাকে আগে গেমে হারাতে হবে।চাপাবাজি করে সেই চাপা কে সত্য হিসাবে চালিয়ে দিতে চাও,জিত্তে হবে গেম।গেম যে জিতবে মুল্লুক তার।যারা অনেক গেম খেলতে পছন্দ করেন তারা হয়ত ভাবছেন এম্ন পৃথিবীতে তো আসলে আপনার জন্ম হওয়া উচিত ছিল,হয়ত ভাবছেন ভুল জায়গাতেই পাঠিয়ে দিয়েছেন ঈশ্বর আপ্নাকে,চিন্তা নেই।আম্নি যদি এত ভাল গেমার হয়ে থাকেন আপনি সুজোগ পাবেন সেই গেম ময় পৃথিবীতে রিবর্ন হওয়ার।
এতখন মনে হয়ে আপ্নারা ধরে ফেলেছেন আমি কোন এনিমের কথা বলছি
ঠিক ধরেছেন বটে,”নো গেম নো লাইফ” খেলা ছাড়া জীবন নাই।
১২ পর্বের প্রথম সিজন।এডভেঞ্চার ,কমেডি (একটু এচ্চি) ফ্যান্টাসি ,সুপারন্যাচারাল জেনার কভার করেছে এনিমেটা।এখানে নায়ক সোরা,তার ছোট বোন শিরো (মে ব্বি নায়িকা)এই দুজনেই নিট(NEET,not in education employment or training)
তাদের কাজ রাত দিন গেম খেলা।যে কোন ধরনের গেম।তাদের গেম সেন্স আনপ্যারালাল।তাদের কে ডিসবোর্ড ওয়ার্ল্ড থেকে গড টেতো নিয়ে গেল তার ওয়ার্ল্ডে যেখানে শুধুই গেম আর গেম।১৬ টি ইন্10432087_924359107589898_4267982799229360461_nটিলিজেন্ট রেস এখানে বাস করে।তার মদ্ধে ইমানিটি অর হিউম্যানিটি সবচে নিচের।সোরা আর শিরো কি পারবে ইমানিটির হয়ে বাকি শক্তিশালি রেসের বিরুদ্ধে জিত্তে শুধুমাত্র গেমিং সেন্স আর উইসডম দিয়ে।জানতে চাইলে দেখে ফেলুন আজ ই NO game NO life. ললির সংগা ভাল জানিনা বাট তাও বল্ব শিরো আমার দেখা বেস্ট ললি. অসাধারন গ্যাগ,ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ,ওপেনিং সং সব মিলিয়ে কিছুখন এই বিতৃষ্ণা ময় জীবন থেকে হারিয়ে যেয়ে নিজেকে খুজে ফেরার জন্য বসে যান দেখতে আজ ই ,এক্ষুনি।কারন পরে রিওয়াচ করতে হবে তো আরো অনেক বার. হ্যাপি এনিমিং .

 

তাতামি গ্যালাক্সি লিখেছেন Fahim Bin Selim

স্প্রিং মৌসুম শেষের দিকে। কোন অ্যানিমেটা আপনার সবচেয়ে ভালো লেগেছে? সিজনের সবচেয়ে কম জনপ্রিয় অ্যানিমেগুলোর মধ্যে পড়লেও, এই গ্রুপের নিয়মিত সদস্য হলে পিং পং-এর নাম আপনার চোখে এড়িয়ে যাওয়া বেশ দুঃসাধ্য এক ব্যাপার। অ্যানিমেটা কি ফলো করছেন? নাকি প্রথম পর্বে আর্টস্টাইল দেখেই দমে গেছেন? এরকম জঘন্য বাচ্চাদের মত আকা আর্টের অ্যানিমে বানানো লোকদের গুষ্টি উদ্ধার করেছেন? সিজনের সবচেয়ে পোলার ওপিনিয়নের অ্যানিমে।

কিন্তু এই লেখা পিং পং নিয়ে না, তারও চার বছর আগের এক অ্যানিমে নিয়ে। কিন্তু আরো কিছুটা পিছে যাওয়া যাক। পিং পং নিয়ে উচ্চাকাংক্ষীদের একটা বড় অংশের কাছে অবশ্য আর্টস্টাইলটা বেশ পরিচিত। কারণ কী? কারণ হল মাসাকি ইউয়াসা।

১৯৬৫ সালে জন্মানো ইউয়াসা, ১৯৯০-এ অ্যানিমেশন ডিরেক্টিং-এর কাজ শুরু করলেও ২০০৪ পর্যন্ত তার বলার মত কাজ ছিলো ক্রেয়ন শিন-চান, মাই নেইবার ইয়ামাদাস-এর অ্যানিমেশন ডিরেকশন আর ক্যাট সুপ অ্যানিমের স্ক্রিপ্ট রাইটিং। ২০০৪ সালে মাইন্ডগেম অ্যানিমে মুভি দ্বারা সর্বপ্রথম তার পরিচালনার জগতে প্রবেশ। তার সেই “বাচ্চাদের হাতে আঁকা আর্ট” আর পাগলাটে এক কাহিনী নিয়ে যা বানালেন তা আমঅ্যানিমেজনতার কাছে খুব একটা জনপ্রিয় না হলেও সমালোচকদের কাছে হয়েছিল বেশ সমাদৃত; মাইন্ডগেম জয় করল ২০০৪ সালের জাপান মিডিয়া আর্টস অ্যাওয়ার্ড আর স্বল্পসংখ্যক কিছু সমঝদার ভক্ত। দুই বছর পর তিনি পা রাখলেন টিভির দুনিয়ায়। ২০০৬ এর কেমোনোজুমে আর ২০০৮ এর কাইবা শুধু তার ভক্ত সংখ্যা বৃদ্ধিই করল না, কাল্ট স্ট্যাটাস এনে দিল। গ্র্যান্ড প্রাইজটা না পেলেও এক্সিলেন্স প্রাইজ জেতা কাইবা আর তার প্রতিগামী কেমোনোজুমে সমালোচকদের বাহবাটাও পেল।
কিন্তু ইউয়াসা ততোদিনে মাত্র হাত মকশোয় ব্যাস্ত ছিলেন। ২০১০ সালে তোমিহিকো মরিমির উপন্যাস অবলম্বনে বানালেন তার এখন পর্যন্ত সবচেয়ে জনপ্রিয় ও শ্রেষ্ঠ কাজ – ইয়োজোহান শিনওয়া তাইকেই – তাতামি গ্যালাক্সি!

আমাদের মূল চরিত্র কলেজ ড্রপ আউট। তার নাম আপাতত না জানলেও চলবে। মূল চরিত্র যুবক এক মধ্যরাতে রামেন স্ট্যান্ডে খেতে গেলে তার সাথে সাক্ষাত হল স্বঘোষিত এক “বিবাহের দেবতা”-র সাথে। দুই বছর আগে “রোজ-কালার্ড” সময়ের স্বপ্নে বিভোর হয়ে কলেজ জীবনে পদার্পণ, কিন্তু বাস্তবে পদেপদে ব্যার্থতায়
বিধ্বস্ত, নস্টালজিয়ায় দগ্ধ আর হয়ত বা স্থান-কালের পরবাস্তবতায় অভিভূত যুবক তখন শুরু করে তার বিগত দুই বছরের স্মৃতিচারন। যার অংশ এক বিচিত্র বন্ধু, এক সিনিওর বড় ভাই, এক জুনিওর ইঞ্জিনিয়ারিং ইস্টুডেন্ট আর “বিবাহের দেবতা” নিজেই! আর পুরো অ্যানিমে জুড়েই তারা ফিরে আসবে ভিন্ন আঙ্গিকে, চরম বৈচিত্র্যে…বারবার। কাহিনী এর থেকে বেশি না জানাটাই শ্রেয়।
আচ্ছা তাতামি গ্যালাক্সীর মূল চরিত্রের নামে আসা ফিরে আসা যাক। তা না জানলেও চলবে কারণ আসলে অ্যানিমে/উপন্যাস কোন জায়গায়ই সেটার উল্লেখ নেই! আর এটাই গল্পের ন্যারেটিভের সবচেয়ে চমতকার দিক – উত্তম পুরুষে বর্ণণা! ১১ পর্বের অ্যানিমে, যেখানে স্মৃতিচারক হিসেবে প্রতিটি ঘটনায়ই মূল চরিত্র উপস্থিত, সেখানে একবারও তার নামের উল্লেখ নেই, আর তা “ওয়াতাশি(আমি)”-তেই সীমাবদ্ধ। উপন্যাসীয় গল্প বর্ণণার ছাপ স্পষ্ট।

10455125_783679804997172_1716562847502976753_n

এর প্রেক্ষিতে আরেকটি ব্যাপারও না বললেই নয়। ইউয়াসা অরিজিনাল ক্রিয়েশনে(কাইবা) যেমন সিদ্ধহস্ত তেমনি সোর্সের অ্যাডাপটেশনে নিজের ছাপ রেখে যাওয়া কিন্তু একই সাথে সোর্স ম্যাটেরিয়ালের অরিজিনালিটি বজায় রাখাতেও সমান পারদর্শী(তাতামি, মাইন্ডগেম, পিং পং)। তবে তা শুধু পারফেক্ট এক্সিকিউশনেই সীমাবদ্ধ না। সকল বিনোদন মাধ্যমে দেখা যায় ৯০% ক্ষেত্রে কোন অ্যাাডাপটেশন তার সোর্সের সম্পুর্ণ মহাত্ব ফুটিয়ে তুলতে পারে না। সেখানে চমতকার সব কাহিনীর সোর্সের অসাধারনত্বকে ছাড়িয়ে যাওয়ার একটা বদঅভ্যাস ইউয়াসার মাঝে বিদ্যমান।

আর এখানেই তার সেই নিজস্ব “ছাপ রেখে যাওয়া”। প্রথমত অবশ্যই সেই “বাচ্চাদের আঁকা” আর্ট স্টাইল, ইউয়াসা আর্ট স্টাইল – ফ্রি ফ্লোয়িং, ফ্লেক্সিবল আর পাগলাটে – তার বানানো সব অ্যানিমেগুলোর জন্য এর থেকে আলাদা আর কিছু হয়ত চিন্তাও করা যায় না।
ভিজুয়ালাইজেশন, মোটিফ আর বিজিএমের সুনিপুন ব্যবহার। বিশেষ করে কাইবার ওএসটিটা শুনে দেখতে পারেন। এরকম ঘোরলাগা, জেঁকে ধরা শান্তিময় বিষণ্ন ওএসটি খুব বেশি পাবেন না।
সাধারণ সব দৃশ্যকে অসাধারন করে দেখানোর অনন্যসাধারন ক্ষমতা – তার সিনেমাটোগ্রাফি আপনাকে বারবার মুগ্ধ করবে।

সবার সবকিছু ভালো না লাগাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু শুধু আর্টস্টাইলের জন্যই যদি তাতামি গ্যালাক্সী আর পিং পং -এর মত অ্যানিমে আপনার ড্রপলিস্টে পরে তাহলে বলতে হয় খুবি দুর্ভাগ্য। বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা এবং প্রতিভাবান অ্যানিমে পরিচালকের আন্ডাররেটেড আর আন্ডারএপ্রিশিয়েটেড একগুচ্ছ অ্যানিমে থেকে নিজেকে বঞ্চিত করা মানুষের বিশাল তালিকায় নিজের নামটাও যোগ করলেন শুধু।

তাতামি গ্যালাক্সি(২০১০)
পর্ব সংখ্যা: ১১
ব্যাপ্তি: ২৩ মিনিট/পর্ব
মূল: তোমিহিকো মোরিমি
পরিচালক: মাসাকি ইউয়াসা
প্রযোজক: ম্যাড হাউস
মাই,অ্যানিমে,লিস্ট রেটিং: ৮.৫৮(#৭০)
আমার রেটিং: ৮৮/১০০

* শুধু তাতামি গ্যালক্সীর রেকমেন্ডেশন লেখতে বসলেও, বাকিগুলোর কথা না বললে সেগুলোর অপমানই হয়।

মাইন্ডগেম(২০০৪): এরকম ইনোভ্যাটিভ অ্যানিমে মুভি আর একটাও পাবেন না। শেষ ২০ মিনিটে আপনার টেস্টোস্টেরোন আকাশচুম্বী না হলে বলতেই হবে আপনি জীবনে অনেক বেশিই রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার সম্মুক্ষীন হয়েছেন। ৮৫/১০০

কাইবা(২০০৮-১২ পর্ব): সাইফাই রোমান্সের এমন মেলবন্ধনে শুধু স্টাইনস;গেইটৈ হয়ত এর সাথে তুলনীয় হতে পারে। ৮৬/১০০

পিং পং(২০১৪-১১ পর্ব): পিং পং ‘খেলা’ নিয়ে অ্যানিমে। কিন্তু স্পোর্টস জনরার চেয়েও বেশি কিছু। ৮৩/১০০(আপাতত)

Samurai X Trust & Betrayal Review লিখেছেন Itmam Hasan Dipro

10523152_870939396269555_3661746622127354703_n

সামুরাই এক্স সম্পর্কে BTV এর কল্যাণে আমাদের সবার কিছু ধারণা আছে। বাচ্চাকালে দেখা সেই সামুরাই এক্স এরই prequal samurai x trust & betrayal।

কলেরার মহামারীতে বাবা,মা কে হারানো ছোট্ট বালক সিনটা কে দাস ব্যবসায়ী কাছে বেচে দেয়া হয়।সেই দলে সিনটার দেখা হয় Akane,Kasumi আর Sakura নামক তিন মেয়ের সাথে। পরদিন রাতেই সেই দাস ব্যবসায়ীদের ডাকাতরা আক্রমন করে।এক এক করে সেই দলের সবাইকে তারা নির্মমভাবে হত্যা করতে থাকে।ছোট্ট সিনটাকে বাচাতে মারা যায় Akane,Kasumi আর Sakura।এমন সময় Hiko Seijuro নামক এক সামুরাই এসে ডাকাতদের সবাইকে হত্যা করে, ডাকাতদের হাত থেকে সিনটা কে উদ্ধার করে।লাশের সেই স্তূপে একা সিনটা দাড়িয়ে থাকে।

10391375_870939426269552_3180723741941888987_n

মেইজি এরা এর উপর ভিত্তি করে করা এই আনিমেটাতে খুব সুন্দরভাবে সমসাময়িক জাপানের ঐতিহ্যকে তুলে আনা হইসে।কেনশিন কিভাবে কেনশিন হয়েছে তাই এই (OVA) সিরিজে দেখান হইসে। অসাধারন কাহিনি এবং (OST) এর সমন্বয় এ আনিমে সিরিজটা একটা মাস্টারপিস।
যারা এখন দেখেন নাই তারা তাড়াতাড়ি দেখে ফেলেন samurai x trust & betrayal।
আশা করি ভালো লাগবে।বিশেষ করে OST ।

এপিসোড সংখ্যা ৪ টা

10557260_870939542936207_8179549002876377316_n

Moribito: Guardian of the Spirit লিখেছেন রোকেয়া শারমিন অরিন

10361563_524294574366378_7501655884323866093_n

আনিমে রিভিউ : সেইরেই নো মোরিবিতো (Moribito: Guardian of the Spirit)
পর্ব সংখ্যাঃ ২৬
জনরাঃ Fantasy,action,adventure,seinen

কাহিনী মুলত বালসা নামের এক মহিলা বডিগার্ড আর চাগুম নামে এক পিচ্চি রাজপূত্রকে নিয়ে..বালসার বয়স ৩০ বছর…সে বডিগার্ড হিসেবে অনেক নামকরা …সে একজন স্পিয়ার উইল্ডার..একজন ওয়ারিওর…সে নিজেকে নিয়ে বলে যে “a simple bodyguard-for-hire” কিন্তু বাস্তবে তার বডিগার্ড হবার পিছনে কাহিনী টা অনেক ট্র্যাজিক.. একদা ছোটবেলায় তার জীবন বাঁচাতে জিগুরো মুসা(যার কাছে থেকে সে বর্শা চালান শিখেছে) নামে একজন পরিস্থিতিতে পড়ে নিরীহ ৮ জন মানুষের প্রাণ নিয়েছিল..এইজন্য সে প্রতিজ্ঞা করে সে বডিগার্ড হয়ে ৮ জন মানুষের জীবন রক্ষা করবে সেই ৮ জনের সন্মানে…চাগুম ছিল তার ৮ জনের লিস্টের লাস্ট পারসন..মূলত এই আনিমেতে বালসা কিভাবে চাগুমের জীবন রক্ষা করে সেটাই দেখান হয়েছে..চাগুমের বাপ হল নিউ ইয়োগোর রাজা..রাজার ২য় রাণীর ছেলে চাগুম…চাগুম দুর্ভাগ্যবশত ওয়াটার স্পিরিটের ডিমের হোস্ট হয়ে যায়…ওয়াটার স্পিরিট/ওয়াটার ডেমন খারাপ.এদের আবির্ভাবে রাজ্যে খরার সৃষ্টি হবে স্টার রিডারদের মতে..রাজ্যের অনেক ক্ষতি হবে এই জন্য বাপ ছেলেকে রাজ্যের মানুষের স্বার্থে মেরে ফেলার প্ল্যান করে…চাগুমের মা চাগুমকে বাঁচানোর জন্য বালসা কে হায়ার করে…এরপর বালসা চাগুমকে নিয়ে কিভাবে পালিয়ে বেড়াই ,ওয়াটার স্পিরিটের বিভিন্ন রহস্য , স্পিরিট ওয়ার্ল্ড আর রিয়েল ওয়ার্ল্ড এর মধ্যে কি সম্পর্ক এসব নিয়ে দেখান হইছে আর শেষমেশ কিভাবে চাগুমকে বাঁচাতে পারে এই নিয়ে কাহিনী…এই আনিমের ক্যারেক্টারগুলা অনেক স্ট্রং…মহিলা মেইন ক্যারেক্টার বালসা বেশি জোস..পিচ্চি চাগুমের ধীরে ধীরে পরিণত হওয়া এটাও অনেক ভালো লাগছে..বালসার ছোটবেলার একটু কাহিনী দেখাইছে ঐখানে মুসা নামের ক্যারেক্টারটা অনেক জোস..এক বুড়ি মহিলা তোরোগাই(যে স্পিরিট ওয়ার্ল্ড এর সাথে যোগাযোগ করতে পারে) আর ছাত্র তোগাই(যে একজন ডাক্তার আর যে কিনা বালসারে মেলা ভালোবাসে :P) এই ২ জন,তোয়া আর সায়া নামে ২ পিচ্চি যারা বালসারে বড় বোনের মত দেখে ..এই ক্যারেক্টারগুলাও ভাল অনেক যারা কিনা বালসা আর চাগুমের টিকে থাকার লড়াইয়া অনেক হেল্প করে…চাগুমের ভাই সাগুম,বাপ,মা এদেরকে খুব একটা না দেখালেও এদের গুরুত্বও মোটামটি অনেক..তারপর স্টার রিডার আছে কিছু যারাও অনেক গুরুত্তপূর্ণ ক্যারেক্টার…সব মিলিয়ে এই আনিমেতে একশন,কাহিনী,ইমোশন,এডভেঞ্চার,ফ্যান্টাসি সবই কম বেশি পাওয়া যাবে..আর এই আনিমে টা ভালো লাগবে সবার আশা করি.. আর এই আনিমের OST অনেক জোস…ওপেনিং,এন্ডিং সংগুলাও আমার অনেক প্রিয়…আরও কিছু সং আছে আনিমের মধ্যে সেগুলাও অনেক সুন্দর..এইটা দেইখা কেউ হতাশ হবে না গ্যারান্টি..10369861_524294851033017_8184521547280494660_n

আমার রেটিং:৮ এর কিছু বেশি

এই আনিমে নিয়ে আলোচনা অনেক কম হয়..সকল আনিমে লাভারদের এটা দেখে ফেলা উচিৎ বলে আমি মনে করি

10470827_524294377699731_2035874843186266127_n

আমার দেখা সেরা আনিমু সমগ্র – লিখেছেন Monirul Islam Munna (ফান লিস্ট)

বি দ্রঃ মেইনস্ত্রিমের কোন এনিমে এখানে স্থান পায়নি। আমার কাছে মনে হয়নি, এইসব তথাকথিত মেইনস্ত্রিম এনিমে এতো বেশী পপুলার হবার যোগ্যতা রাখে।
( লিস্টের সব কয়কটি সমান গুরুত্ববহন করে, কোনটি অপরটির চেয়ে খারাপ মনে হয় নি আমার। যে সিরিয়ালে দেওয়া হল সেটি কোন কিছুর উপর ভিত্তি করে দেওয়া হয় নি)
১। Tenkuu Danzato Skelter Heaven
চরম একটা মেকা এনিমে। বেশ ভালো একশন আছে। অদূর ভবিষ্যৎ এ অজানা এক বস্তর দেখা মেলে এই পৃথিবীতে। কিছুটা ‘সাই ফাই’ টেস্ট আছে। এক পর্বের OVA।
২। Mars of Destruction
১ পর্বের আরেকটি অসাধারণ ‘সাই ফাই- মেকা’ এনিমে। ‘মার্স’ গ্রহ ধ্বংস হয়ে কিছু ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়ে পৃথিবীতে। সেই ভাইরাস থেকে শেষ রক্ষা হবে আমদের? জানতে, দেখে ফেলুন!
৩। Yosuga no Sora: In Solitude, Where We Are Least Alone
এতিম জমজ ভাই বোনের একসাথে বেড়ে ওঠার কাহিনী। এনিমে দেখলেই বুঝতে পারবেন,কতটা স্ত্রাগল করে বেড়ে উঠতে হয়েছে তাদের।
৪। School Days
স্কুলের হাসি খুশী, খেলার মাঠে ধুলু মাখা সুন্দর দিন গুলো নিয়ে চমৎকার এক রোম্যান্টিক এনিমে। দেখলেই স্কুলের দিন গুলো রোমন্থন করতে ইচ্ছে হবে। মনে হবে, একটা সুন্দর নৌকা নিয়ে পারি দেই সেই স্মৃতির সাগরটা।
৫। Pupa
এই নিষ্ঠুর নির্দয় পৃথিবী থেকে ছোট আদরের বোনকে protect করতে, নিজের রক্ত মাংস পর্যন্ত নির্দ্বিধায় বিলিয়ে দিতে রাজি এক বড় ভাইইয়ের আত্ম ত্যাগের কাহিনী পুপা। কষ্টে ছোট বোনটা বার বারই বলে উঠে ‘ oneee san’
৬। Ladies versus Butlers!
মেইড আর বাটলারদের নিয়ে অসাধারণ একটা রোম্যান্টিক কমেডি।
৭। Kiss x Sis
ছোট আদরের ভাইকে বড় বেশী ভালোবাশে জমজ ২ বোন। ভাইয়ের প্রতি বড় বোনের ভালোবাসার বেশ চমৎকার একটা উদাহরণ।
৮। Hourou Musuko
হৃদয় বিদারক এক এনিমে। বয়ঃসন্ধিকাল ছেলে মেয়দের কিরূপ মানুষিক পরিবর্তন হয়, সেটার বেশ সুন্দর ভাবে ফুটে উঠেছে এই এনিমেতে।
বি বি দ্রঃ লিস্ট থেকে অনুপ্রেনিত হয়ে কোন এনিমে দেখে থাকলে, তার পূর্ণদায় পাঠকের নিজের। লেখক এখানে একটা উছিলা মাত্র।
বি বি বি দ্রঃ আশা করি লিস্ট ইঙ্কমপ্লিত, এরূপ আরও শৈল্পিক, উনিক, গভীর চিন্তা ধারার এনিমে দেখার অপেক্ষায় আছেন, গুরুগম্ভীর বিশ্লেষণধর্মী এই লেখক

গেবনে অনেক কিছু করার আছে, এখনো সময় আছে, ভালো হয়ে যান। হইতে পয়সা লাগে না, ৫০০ টাকার কয়েক বান্ডিল নোট লাগে।

সবাইকে একান্ত ধন্যবাদ।

আমার দেখা আমার চোখে সেরা কিছু আনিমে- লিখেছেন রোকেয়া শারমিন অরিন

**আমার দেখা আমার চোখে সেরা কিছু আনিমে**

১মে বলি লেখালেখি খুবই প্যাড়াদায়ক..আমার লিখতে আইলসামি লাগে আর আমি খুবই পঁচা লিখালিখিতে.. শুভচ্চি,বাকানিন্দ্য,বাকাসিমের মত এইসব কাজে আমি পারদর্শীও না … নিজের মন চাইল তাই লিখলাম যা মনে আইতেছে তাই লিখে যাচ্ছি ব্যাপার টা অনেকটাই এরকম :P(আপাতত জ্বরের ঘোরে কিছুতেই মন বস্তেছে না দেখে হাবিজাবি লিখতেছি এখানে) আর আমি ১ম দিকের কিছু পছন্দ অনুযায়ী র‍্যাঙ্কিং করছি…পরের দিকে গুলার কোন সিরিয়াল নাই…(আসলে বলতে গেলে শুভচ্চির লিখা দেখেই লিখতে ইচ্ছা করছে ) আর কোন আনিমে ভালো লাগার পিছনে আর আমার কাছে সেরা মনে হবার পিছনে শুভচ্চির মত এত কারণও খুঁজি না আমি..ব্যাপার টা হইল মজা পাইছি তাই ভালো লাগছে এমন যেটা বেশি মজা দিবে বা আমার কাছে মজার লাগছে সেটা বেশি ভালো এমন আরকি (ব্রেস ইওরসেলফ মেইনস্ট্রিম আর শৌনেন এর আধিক্য বেশি থাকবে ) আমি মেলা কম আনিমে দেখছি টাইনা টুইনা ১০০ সিরিজও হয় না

#১ . ড্রাগন বল, জি (পুরা সিরিজ মুভিসহ) আর ওয়ান পিস

এই ২ টা আমার লিস্টে সারাজীবনই এক নাম্বারে থাকবে …কারণ কি ওইভাবে খুঁটে খুঁটে বলতে পারব না…তবে এই ২ টা আনিমে না দেখে মরা উচিৎ না কারো…গোকু আর লুফি আমার প্রিয় ক্যারেক্টার …অতীতে ছিল,এখনও আছে আর ভবিষ্যতেও থাকবে…এই আনিমে ২ টার মত এই ২ টা ক্যারেক্টারের জায়গা কেউ নিতে পারবে না হয়ত সমান বা কাছাকাছি হইতে পারবে কিন্তু মনে হয় এর থেকে বেশি প্রিয় কেউ হতে পারবে

আমার রেটিংঃ১০/১০ (২ টাই)

#২. ফুলমেটাল আলকেমিস্ট ব্রাদারহুড আর ডেথ নোট

১ম টা নিয়ে একটা কথা বলি এইটা আমার দেখা একমাত্র পারফেক্ট আনিমে এবং আমার অনেক অনেক অনেক প্রিয়ও … সব দিক দিয়া বিবেচনা করলে এর মধ্যে কোন ভুল খুঁজে পাই না আমি (১ নাম্বারেই থাকত উপরের ২ টা আনিমে না থাকলে যদিও উপরের ২ টা এইটার মত পারফেক্ট না সব দিক দিয়ে তারপরও ওই ২ টার উপরে কেউ যাইতে পারবে না )….পারফেক্ট ১০/১০ হইল ফুল্মেটাল আলকেমিস্ট ব্রাদারহুড…

ডেথ নোট খুবই জনপ্রিয় একটা আনিমে…আমার অনেক অনেক প্রিয়ও…সব দিক বিবেচনাই পারফেক্ট ১০/১০ না হইলেও এটা আমার দেখা ওয়ান অফ দা বেষ্ট…এটাও ১ এ থাকত উপরের ২ টা না থাকলে

আমার রেটিংঃ১০/১০ (২ টাই)

এরপর থেকে কোন সিরিয়াল নাই এমনেই দিছি র‍্যান্ডমলি এলফাব্যাটিক্যালি দিলাম সুবিধার জন্য

# বাকানো

পুরাই উরাধুরা কোন দিক থেকে কোন দিক যাইতেছে ১মে কিছু বুঝিনা তবে শেষ করার পর মনে হইছে না এই জিনিস দেখা সার্থক।

10475509_519428648186304_2666338210534042474_n

# বাকুমান

স্লাইস অফ লাইফ আমার জনরা না সবাই জানে তারপরও এই আনিমে আমার পছন্দ হইছে তাইলে বুঝতেই হবে এর মধ্যে অবশ্যই বিশেষ কিছু আছে

# ব্লিচ

আগেই মেইন্সট্রিম আর শৌনেন দিয়া ভরায়ে দিমু ব্লিচ থাকা অস্বাভাবিক না ফিলার বাদ দিলে ব্লিচ বস মারামারি আছে বস বস শিনিগামি আছে এবং কুল একটা হিরো আছে

# কোড গিয়াস

মারামারি ইমোশনাল সব দিক মিলাইয়া আমার মেলা পছন্দের আর পছন্দের কিছু ক্যারেক্টারের ইমোশনাল কিছু ঘটনা দেখে কাইন্দা ভাসাইয়া ফেলছিলাম

# কাউবয় বিবপ

“সি ইউ ইন স্পেস কাউবয়” অনেক প্রিয় ডায়লগ আনিমেটাও অনেক প্রিয়

# ডি গ্রে ম্যান

এটা নিয়ে বলতে গেলে একটাই কথা আনিমে টা কন্টিনিউ করলে সেরা ৫ এর মধ্যে থাকত তবে যেটুক দেখাইছে আমার পছন্দের তালিকায় ঢুকার জন্য যথেষ্ট

# ডার্কার দ্যান ব্ল্যাক

এই আনিমে টার ২য় সিজন টা একটু কেমন জানি তবে অভারঅল ভালো আছে আমার ভালো লাগছে

# ফেট জিরো

এই জিনিস দেখে অনেকে কমপ্লেন জানায় তারা নাকি বুঝে না আনিমে কেন এত কঠিন হবে বুঝতে যাই হোক এই আনিমে টাও আমার প্রিয় আনিমের লিস্টে থাকবেই

# হান্টার হান্টার

আনিমে টার মাঙ্গাকা বেশি বেশি ঘুমাইয়া না থাইকা সিরিয়াস হইলে আরও বেশি পপুলার হইতে পারত …তারপরও এটা আমার কাছে অনেক প্রিয় একটা আনিমে …মেইনস্ট্রিম+শৌনেন+মারামারি জনরা.. আমার প্রিয় হবার জন্য এইই যথেষ্ট

# হিটম্যান রিবর্ন

শুরুর দিকে একটু স্লো কিন্তু এই আনিমের ফাইট বিবেচনা করলে ওয়ান পিসের থেকে কোন অংশে কম না…লাস্ট ২ টা মাঙ্গা আর্ক আনিমেতে দেখালে সেরা ৫ এর মধ্যে থাকত

# মন্সটার

এই আনিমে যখন দেখছি মনে হইছে এর মধ্যে কি জানি একটা কিছু আছে…যেটা আমারে আটকাইয়া রাখছে..পুরাটা শেষ করার পরও বুঝতে পারি নাই কি আমারে আটকাইয়া রাখছে কিন্তু দেখা শেষ করার পর এটুক বুঝছি একটা মাস্টারপিস দেইখা ফেলাইছি

# নারুতো

ইদানিং অতই গালিগালাজ করি আর যতই অধঃপতন হোক ইহা আমার লিস্টে থাকবেই পুরান ভালোবাসা ইতাচি আর মিনাতো আমারে মেলা কান্দাইছে দাইস্কি দেসু

# রুরোনি কেনশিন

মনে হয় এইটাই আমার দেখা ১ম আনিমে যাকে আমি কার্টুন ভেবে দেখেছিলুম বড় হয়ে আবার দেখছি পুরাটা আর ট্রাস্ট এন্ড বিট্রেয়াল অন্যরকম সুন্দর মেলা কষ্টের যদিও

# সামুরাই চামপ্লু

অনেক উড়াধুরা ক্যারেক্টার আছে আনিমেটাই .. মেলা মজার…মারামারি আছে কাহিনীও ভালা

# সেইরেই নো মোরিবিতো

এটা কেন এত আন্ডাররেটেড বুঝিনা মানুষজনকে এই আনিমে নিয়ে কম আলোচনা করতে দেখি কিন্তু এই আনিমেটা সবার দেখা উচিৎ কেউ পস্তাবে না দেখলে গ্যারান্টিড

# শিনগেকি নো কিওজিন

মারমার কাটকাট আনিমে..এক সিজন দেইখা মেলা ভালা লাগছে পরের সিজনগুলা দেখার অপেক্ষাই আছি

# স্টেইন্স গেট

টাইম ট্রাভেল নিয়া মজার এবং আমার অনেক প্রিয়ও…তুত্তুরুউ অকারিন এই ডায়লগ দিতেই হয় এইটা নিয়ে কথা বলার সময়

# ইউ ইউ হাকুশো

আইলসা তোগাশির পুরান দিনের মাস্টারপিস একশনে ভরপুর :3 জোস :3

হাত ব্যাথা হয়ে গেছে :'( আনিমেগুলা নিয়া ১-২ লাইনের বেশি লিখার ইচ্ছা হইল না গোমেন 😛 যেটুক লিখছি হাপাইয়া গেছি আরও কিছু মনে হয় আছে প্রিয় আনিমের তালিকায় মনে পড়তেছে না.. টাটা 😛

পিং পং লিখেছেন রোকেয়া শারমিন অরিন

স্পয়লার থাকতে পারে

এই সিজনে হিমেলের এত এত মাতামাতির ঠ্যালায় অনেকগুলা আনিমেই দেখলাম…কিন্তু মাতামাতির তুলনায় তেমন একটা সুবিধার লাগে নাই কোন টাই ….শুরুতে মনে হইল ভালো হবে কিন্তু শেষে গিয়ে সবই মোটামটি হতাশ করছে…তবে এই সিজনে আমার দেখা সেরা আনিমে পিং পং শেষ হবা গুলার মধ্যে…আর্টওয়ার্ক একটু কেমন কেমন এই জন্য ১ম দিকে অনিহা দিয়েই দেখতে বসছিলাম…তবে শেষ হবার পর বলতেই হয় অনেক অনেক অনেক সুন্দর ছিল মিউজিক থেকে শুরু করে কাহিনী,পেকো আর স্মাইলের ফ্রেন্ডশিপ,ম্যাচগুলা,টুর্নামেন্ট ২ টা …অনেক ভালা লাগছে …গানগুলা অনেক সুন্দর…অথচ এই আনিমে নিয়া কোন আশা করিনাই দেখতে বসার সময়…আমার দেখা এই সিজনের বেষ্ট আনিমে পিং পং (completed গুলার মধ্যে)

10494742_516931768435992_5159965940901849100_n

ইসশুকান ফ্রেন্ডস স্লো..ব্ল্যাক বুলেট,ব্লেড এন্ড সোল,গোকুকোকু নো ব্রাইনহিল্ডার মোটামটি…যতটা আশা করছিলাম সেই লেভেলের ধারে কাছে যায়নাই …আরও কিছু দেখতেছি…সেগুলা এখনও শেষ হয়নাই…তবে যতদূর দেখছি বেবি স্টেপ অনেক ভালা লাগছে মনে হয় এটাও শেষ করার পর পিং পং এর মতই ভালো লাগবে মাহৌকা নিয়া হিমেল বেশি লাফাইছে এই জন্য মনে হয় আমার খুব একটা ভালা লাগে নি মোটামটি চলে যতটুক বের হইছে আরকি…আর কিছু দেখছি যেগুলা ২-৩ টা এপি দেখছি শেষ না করে কিছু বলতে চাচ্ছি না ….

সবাই দলে দলে পিংপং দেখতে বস…হিমেলের ফাঁদে পা দিও না আর কেউ.. পিং পং সুগোই

Alder from Pokemon Black and White Series character review লিখেছেন Hasnat Mohi

Anime: Pokemon Black and White Series
Game: Pokemon Black and White (1 and 2)

এইখানে অনেকেই আছেন Pokemon দেখছেন Diamond and Pearl Series পর্যন্ত, আবার অনেকে BW দেখে তার গেমও খেলে শেষ করেছেন অথবা শুধু এনিমে সিরিজটাই দেখেছেন।

এইবার রিভিউ তে আসা যাক:

Name: Alder
Title: Champion of Unova League in Pokemon BW anime, game and *spoiler alert for this sentense* Former Champion in game Pokemon BW2( Defeated by Dragon master Iris)

বিবরণ:

এল্ডারকে এককথায় নারুতোর জিরাইয়ার পোকেমন কাউন্টারপার্ট বলা যায়। ইকটু লুইচ্চামির স্বভাব থাকলেও খুবি ভালো ট্রেইনার :)। অন্য রিজনের চ্যাম্পিয়নদের থেকে অনেক বয়স্ক ও অভিজ্ঞ এই লোক। এল্ডার সাধারণত তার বাফোল্যান্ট ব্যবহার করে এ্যমেচারদের সাথে ব্যটল করার জন্য। উনার বাদবাকি পোকেমন গোপন রাখা হলো, যারা গেমটা শেষ করবে বা Bulbapedia ঘাটাবে তারাই খালি জানতে পারবে :p। ইউনোভা রিজনের অনেক ট্রেইনারের স্বপ্ন এলডারকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া। তার মধ্যে এনিমে সিরিজের প্রোটাগনিস্ট এ্যস এর রাইভাল ট্রিপ অন্যতম। BW গেমে এল্ডারের সাথে ব্যাটল করা যায় গেম শেষ করে দ্বিতীয়বার ইউনোভা লীগ চ্যালেঞ্জ করলে। এবং BW2 তে গেম শেষ করে তার হোমটাউনে গিয়ে তাকে চ্যালেঞ্জ করা যায়।

ইউনোভার সেরা ট্রেইনারদের মধ্যে এল্ডার অন্যতম একজন।

10533456_691535297593275_4922548745008228879_n

বাড়তি তথ্য:
Pokemon প্রথম সিরিজে Kanto Region ও দ্বিতীয় সিরিজে Johto region এর চ্যাম্পিয়ন থাকে Dragon Master Lance(পরবর্তীতে রেড)।

হোয়েন রিজনে Wallance যে আগে একজন Gym leader এবং Top Coordinator থাকে।

Sinnoh League এ চ্যাম্পিয়ন থাকে Cynthia নামের এক সুন্দরী ( _ )

courtesy : Anime Freaks of Khulna

ডেট্রয়েট মেটাল সিটি রিভিউ লিখেছেন Torsha Fariha

অ্যানিমে সাজেশন- ডেট্রয়েট মেটাল সিটি
জানরা- কমেডি, মিউজিক

এনিমখোরের ব্লগটাতে আমি এই অ্যানিমে নিয়ে সুন্দর একটা রিভিউ পাই। কন্টেন্ট খুবই ইন্টারেস্টিং তাই দেখার সিদ্ধান্ত নেই।

দেখার পর মনে হল আসলেই চরম একখনা জিনিস দেখসি।
সুইডিশ পপ, কান্ট্রি মিউজিক ইত্যাদি স্লো, শান্তিপূর্ন মিউজিকের ফ্যান (এবং নিজেও গান গায়) একসময় ঘটনাচক্রে হয়ে পড়ে ডেথ মেটাল ব্যান্ড DMC এর ভোকাল।

10509670_818384834840329_9156649322595260353_n

এমনিতে একদমই শান্ত শিষ্ট লেজ বিশিষ্ট কিন্তু Krauser এর কস্টিউম পড়ে পুরাই অ্যারোগেন্ট আর খিস্তি-খেউড় মার্কা কথা বার্তা ওয়ালা মানুষে পরিণত হয় নেগিচি কুন।

এই অ্যানিমেটা আসলে তার ডুয়েল ক্যারেক্টার এর কমেডি নিয়ে তৈরি। মাত্র ১২ এপিসোডের এই অ্যানিমেটা এক বসাতেই শেষ করা যায়।

আরেকটা কথা অ্যানিমের ওপেনিং সং ‘সাৎসুগাই’ (মার্ডারার) খুবই জোস একটা গান। লিরিকের মধ্যে অবশ্য একটু অশ্লীষ কন্টেন্ট আছে। ঐটা ওভারলুক করলে গানটা পুরাই বস।

যারা আগ্রহী তাদের বলব ব্লগে গিয়ে রিভিউ পড়ে নিবেন আর অবশ্যই দেখে ফেলবেন।