এমন যদি হত যে সব কিছুর সমাধান হবে গেম দিয়ে।কেউ তোমাকে একটা চটকানা দিতে গেলেও তাকে তোমাকে আগে গেমে হারাতে হবে।চাপাবাজি করে সেই চাপা কে সত্য হিসাবে চালিয়ে দিতে চাও,জিত্তে হবে গেম।গেম যে জিতবে মুল্লুক তার।যারা অনেক গেম খেলতে পছন্দ করেন তারা হয়ত ভাবছেন এম্ন পৃথিবীতে তো আসলে আপনার জন্ম হওয়া উচিত ছিল,হয়ত ভাবছেন ভুল জায়গাতেই পাঠিয়ে দিয়েছেন ঈশ্বর আপ্নাকে,চিন্তা নেই।আম্নি যদি এত ভাল গেমার হয়ে থাকেন আপনি সুজোগ পাবেন সেই গেম ময় পৃথিবীতে রিবর্ন হওয়ার।
এতখন মনে হয়ে আপ্নারা ধরে ফেলেছেন আমি কোন এনিমের কথা বলছি
ঠিক ধরেছেন বটে,”নো গেম নো লাইফ” খেলা ছাড়া জীবন নাই।
১২ পর্বের প্রথম সিজন।এডভেঞ্চার ,কমেডি (একটু এচ্চি) ফ্যান্টাসি ,সুপারন্যাচারাল জেনার কভার করেছে এনিমেটা।এখানে নায়ক সোরা,তার ছোট বোন শিরো (মে ব্বি নায়িকা)এই দুজনেই নিট(NEET,not in education employment or training)
তাদের কাজ রাত দিন গেম খেলা।যে কোন ধরনের গেম।তাদের গেম সেন্স আনপ্যারালাল।তাদের কে ডিসবোর্ড ওয়ার্ল্ড থেকে গড টেতো নিয়ে গেল তার ওয়ার্ল্ডে যেখানে শুধুই গেম আর গেম।১৬ টি ইন্
টিলিজেন্ট রেস এখানে বাস করে।তার মদ্ধে ইমানিটি অর হিউম্যানিটি সবচে নিচের।সোরা আর শিরো কি পারবে ইমানিটির হয়ে বাকি শক্তিশালি রেসের বিরুদ্ধে জিত্তে শুধুমাত্র গেমিং সেন্স আর উইসডম দিয়ে।জানতে চাইলে দেখে ফেলুন আজ ই NO game NO life. ললির সংগা ভাল জানিনা বাট তাও বল্ব শিরো আমার দেখা বেস্ট ললি. অসাধারন গ্যাগ,ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ,ওপেনিং সং সব মিলিয়ে কিছুখন এই বিতৃষ্ণা ময় জীবন থেকে হারিয়ে যেয়ে নিজেকে খুজে ফেরার জন্য বসে যান দেখতে আজ ই ,এক্ষুনি।কারন পরে রিওয়াচ করতে হবে তো আরো অনেক বার. হ্যাপি এনিমিং .
