Basilisk anime review by Tasnim M Hasan

 

শিনোবিদের উত্থান কোনো ভালো উদ্দেশ্যে হয় নি। তারা ছিলো প্রাক-জাপানিজ-সামান্তপ্রথা রাজনীতির বেলচা, গ্রাম-প্রতিরক্ষার নামে গড়া একদল মারসেনারি যাদের কাজ শেষে টিস্যুপেপারের মত ফেলে দেয়া হতো। কিন্তু চোরাগোপ্তা হামলা, গুপ্তচরবৃত্তিতে দুর্দান্ত সাফল্যতায় ইতিহাসে চলে আসে “ইগা” আর “কোউগা” ক্ল্যান। বংশানুক্রমে চলে আসা এই ক্ল্যানগুলোর বাড়ন্ত ক্ষমতাগুলো একসময় সমরনায়ক শোগানদের ভ্রুকুঞ্চনের কারন হয়ে ওঠে । তাই ইতিহাসে জন্ম নেয় বিখ্যাত ব্লাডফিউড “ইগা vs কোউগা”, শোগানদের গোপন পৃষ্ঠপোষকতায় রক্তে ভিজতে থাকে এই দুই ক্ল্যানের ইতিহাসের পাতা।

তবে আবেগের ভাবসাবই আলাদা, সে এত কিছু বোঝে না, তাই যখন ইগা-ক্ল্যানের সাক্সেসর “Oboro” যখন কোউগা ক্ল্যানের সাক্সেসর “Gennouske”র ডাকে সাড়া দিলো, সবাই তখন তিক্ত ইতিহাসকে ভুলে যেতে সিদ্ধান্ত নিলো। কিন্তু আবার জেগে উঠলো ইতিহাসের ভূত। শুরু হলো আরেক রক্তাক্ত প্রতিযোগিতার। এখন কি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটবে? না কি সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে?

“বাসিলিস্ক”‘ এনিমটার স্টোরিটা ১৯৫৮ সালে পাবলিশ হওয়া উপন্যাস ” দ্যা কোউগা নিনজা স্ক্রল” থেকে নেয়া। ২৪ এপির এনিমটাতে স্টোরি প্রগ্রেস আর কারেক্টার ডেভলপমেন্ট বেশ ভালো ভাবে হ্যান্ডেল করা হইসে যে আমি ভায়োলেন্সের পাশাপাশি ইমোশনের একটা স্ট্রং ভাইব পাইসি ,আর রোমান্স তো ছিলোই। আর স্টোরিপ্রগ্রেস বেশ রেপিড, শেষ পর্যন্ত স্লিভের নিচে পর্যাপ্ত অ্যামুনেশন ছিল। ওএসটিগুলোও বেশ ভালো। আর প্রাচীন জাপানের একটা বেশ ভালো একটা ভিউ আছে, আমার কাছে যেটা বেশ লাগসে।

আমার রেটিং ঃ ৮ আইএমডিবি ও আমার সাথে একমত।
মাল রেটিং ঃ ৭.৭৩,

Cardcaptor Sakura review – ইশমাম আনিকা

card-captor-sakura-anime-free_1465987

আনিমে রিভিউঃ ক্যার্ডক্যাপ্টর সাকুরা
জনরাঃ অ্যাডভেঞ্চার, কমেডি, ড্রামা, ম্যাজিক, রোম্যান্স, স্কুল, শৌজো
এপিসোড সংখ্যাঃ ৭০
ম্যাল স্কোরঃ ৮.১৯

বর্তমান অ্যানিম লাভারদের একটা ভালো অংশের অ্যানিমের সাথে পরিচয় ঘটেছে টুনামির মাধ্যমে। ২০০৩ সালের দিকে পোকেমন এবং কার্ডক্যাপ্টর সাকুরা দিয়ে আমার অ্যানিম জগতে প্রবেশ ঘটে, যদিও তখন অ্যানিম কি এটাই জানতাম না। পোকেমনের অন্ধভক্ত ছিলাম তাই পরে গিয়ে আর কার্ডক্যাপ্টর সাকুরা দেখা হয়নি। পরে কলেজ শেষ করার পর ফ্রেন্ডের কাছ থেকে নিয়ে দেখেছিলাম এবং আফসোস করেছিলাম, আরও আগে কেন দেখলাম না।

এই অ্যানিমটির জাপানিজ ভার্সন এবং ইংরেজী ভার্সনে কিছুটা পার্থক্য আছে, জাপানিজ ভার্সনটা দেখা হয়নি তাই ইংরেজী ভার্সনটা নিয়েই লিখছি।

সাকুরা অ্যাভলন, রিডিংটন নামক শহরের এক চঞ্চল স্কুলপড়ুয়া বালিকা। হাসিখুশি, খেলাধুলায় পারদর্শী, প্রাণবন্ত সাকুরার একটাই সমস্যা, সে কখনোই ঘুম থেকে জলদি উঠতে পারেনা। তার ভাইয়ের সাথে এ নিয়ে প্রায়ই তার মধুর ঝগড়া হয়।

মা হারা সাকুরার দিনকাল বাবা, ভাই, বন্ধু ম্যাডিসন ও ভাইয়ের বন্ধু জুলিয়ানের সাথে ভালই চলছিল, এমন সময় একটা ঘটনা সাকুরার জীবন পাল্টে দেয়। একদিন সাকুরা বাসায় ফিরে দেখতে পায় তার বাবা ভাই এখনো ফেরেনি। তখন সে বাবার লাইব্রেরী থেকে আওয়াজ শুনতে পায়। আওয়াজের উৎস খুঁজতে গিয়ে সেখানে সে একটা বই খুঁজে পায়, যেটা তার বাবা আগেরদিন কর্মস্থল থেকে নিয়ে এসেছিল কেউ বইটা খুলতে পারেনি বলে। সাকুরা বইটা হাতে নিতেই সেটা খুলে যায় এবং সে ভেতরে অনেকগুলো কার্ড দেখতে পায়।

সে “Windy” লেখা কার্ডটা হাতে নিয়ে সেটার নাম বলতেই হঠাৎ ঝোড়ো বাতাস এসে বাকি সবগুলো কার্ড উড়িয়ে নিয়ে যায়, থেকে যায় শুধু উইনডি।

এরপরই সাকুরার জীবন পাল্টে যায়। কার্ডগুলোর গার্ডিয়ান বিস্ট কিরোবেরোস সাকুরাকে জানায় প্রতিটা কার্ডের আলাদা আলাদা পাওয়ার আছে এবং তাদেরকে খুঁজে ফেরত না আনলে তারা পুরো শহর ধ্বংস করে দিতে পারে। কিরো সাকুরাকে দায়িত্ব দেয় প্রত্যেকটা কার্ড খুঁজে বের করে সেগুলোকে নিজের বশে নেয়ার। এরপর সাকুরা তার বন্ধুদের সাথে নেমে পড়ে কার্ড ক্যাপচার করার অভিযানে।

আমার খুব পছন্দের অ্যানিমের তালিকায় এই অ্যানিমটার জায়গা বেশ উপরের দিকে, ৭০ পর্ব একটানে দেখে শেষ করেছিলাম এবং এখনো সুযোগ পেলে মাঝেমধ্যেই রিভিশন দেই।

 

3.1

অ্যানিমের ইতিহাস – চতুর্থ পর্বঃ স্নেক এন্ড সাসকে – নিউক্লিয়াস এন্ড অ্যাটম – ফাহিম বিন সেলিম

 

1781574_734068656624954_453149461_o

অ্যানিমের গল্প বলতে গেলে মাঙ্গাকে তো বাদ দেওয়া যায় না! লেখা-আঁকার যুগলবন্ধী প্রচলিত ছিলো বহু আগে থেকেই। কিন্তু অ্যানিমের মত “মাঙ্গা”-র প্রসার ভালোভাবে শুরু হল যুদ্ধের পর। ১৯৪৭ সালে নতুন সংবিধান অনুযায়ী জাপানে সকল সেন্সরশীপ নিষিদ্ধ হয়ে যাওয়ায় সাহিত্য, বিনোদনের অন্যান্য মাধ্যমের মত মাঙ্গা-অ্যানিমেতেও ভিন্নধারার সূচনা ঘটল। ১৯৪৫ থেকে ১৯৫২ পর্যন্ত যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনের সময়গুলোতে, আমেরিকার তত্বাবধায়নে থাকার কারণে তাদের সংস্কৃতি দ্বারা অনুপ্রানিত হওয়াকেও একটা কারণ হিসেবে বলা যায়। মার্কিন সুপার-হিরো কমিকস জাপানীদের জন্য নতুন এক অভিজ্ঞতা ছিল। অনুপ্রানিত হলেও, জাপান অবশ্য তা অনুসরন করল না।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রসঙ্গ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করা হলেও সামগ্রিকভাবে যুদ্ধ-শান্তির প্রভাবটা বেশ ভালোভাবেই লক্ষনীয় ছিল। ১৯৫১ সালে, প্রথমবারের মত ‘সুপার হিরো’-দের কাহিনী জাপান নিজেদের আদলে বলা শুরু করল। ওসামু তেজুকা, যাকে বলা হয় আধুনিক অ্যানিমের নিউক্লিয়াস মাঙ্গার ধর্মপিতা, আঁকা শুরু করেন Tetsuan Atom(Mighty Atom), যেটা অধিক পরিচিত Astro Boy নামে।
আধুনিক আরেকটি উল্লেখযোগ্য মাঙ্গা অবশ্য তারও আধ-দশক আগে শুরু হয়েছে। ১৯৪৬ সাল থেকে শুরু হয়ে দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে যা প্রকাশিত হয়! ১৯৭৪ সালে মাঙ্গা প্রকাশ শেষ হওয়ার পাঁচ বছর আগেই অবশ্য তার অ্যানিমে প্রচারও শুরু হয়ে গিয়েছিল, ১৯৬৯ সালে। এবং তা আজ অবধি চলছে!
ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘকালব্যাপী এবং সর্বাধিক প্রচারিত পর্বের অ্যানিমে, মাচিকো হাসেগাওয়ার – Sazae-san।

এই Astro Boy আর Sazae-san কেই বলা যায় যথাক্রমে আধুনিক শৌনেন-সেইনেন আর শৌজো-জোসেই জনরার অ্যাডাম-ইভ।

অ্যানিমের গল্পে ফিরে আসা যাক। ১৯৪৮ সালে আলোর মুখ দেখল “জাপান অ্যানিমেটেড ফিল্ম” স্টুডিও। প্রথম দিকে তেমন উল্লেখযোগ্য কোন কিছু তৈরী করতে না পারলেও, ১৯৫৬ সালে তোয়েই কোম্পানী এই স্টুডিওকে কিনে নেওয়ার পর অবস্থা পাল্টে যায়। নতুন নাম হয় – তোয়েই অ্যানিমেশন। মাত্র দুই বছরের মাথায় তারা বের করে প্রথম রঙ্গিন জাপানিমেশন এবং সর্বপ্রথম আধুনিক “অ্যানিমে” – The Tale of the White Serpent, ১৯৬১ সালে যা সর্বপ্রথম অ্যানিমে হিসেবে আমেরিকায় মুক্তি পায়। প্রথম আধুনিক অ্যানিমে হিসেবে বিবেচিত হলেও বর্তমান-প্রচলিত অ্যানিমে থেকে ডিজনীর রুপকথার গল্পগুলোর সাথেই এটার বেশি মিল খুঁজে পাওয়া যাবে। এবং যথাযথ কারণেই এই মুভিটি তোয়েই অ্যানিমেশনকে এনে দেয় “প্রাচ্যের ডিজনী” উপাধি।
শুধু রঙই নয়, জাপানের তৎকালীন অ্যানিমেশন প্রযুক্তির একেবারে চূড়ান্ত ব্যবহার করা হয় এই চলচ্চিত্রে। কিন্তু চমকপ্রদভাবে তাইজি ইয়াবুশিতা আর কাজুহিকো ওকাবে পরিচালিত এই অ্যানিমে তৈরী করতে লেগেছিল মাত্র ৮ মাস! একসাথে কাজ করেছিল সাড়ে তের হাজারেরও বেশি কর্মী!

তার পরের বছরই ইয়াবুশিতা আবার আকিরা দাইকুবারার সাথে মিলে তৈরী করেন Magic Boy, যার জাপানী নাম Shounen Sarutobi (না, হিরুজেনও না, আসুমাও না, এমনকি কোনোহামারুও না) Sasuke [  ]!
এই অ্যানিমেও ডিজনীর গতবাধাঃ লোকগাথা-রুপকথা-গান-কথাবলাপশুপাখি ফর্মুলা অনুসরন করেছিল। ৮৪ মিনিটের এই দ্বিতীয় রঙ্গিন অ্যানিমে The Tale of the White Serpent-এর সাথে একই বছর আমেরিকায় মুক্তি পায়।

প্রতিবছর একটি মুভির ধারাবাহিকতায় ১৯৬০ সালে ওসামু তেজুকার My Son Goku মাঙ্গার উপর ভিত্তি করে তৈরী হয়, Alakazam the Great। তেজুকা আবার মাঙ্গাটি এঁকেছিলেন ষোল শতকের চাইনিজ উপন্যাস Journey to the West এর অবলম্বনে। তোয়েই অ্যানিমেশনের পক্ষ থেকে তেজুকাকে পরিচালক হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হলেও, তেজুকার ভাষ্যমতে স্টুডিওতে তার গমন বিজ্ঞাপনের জন্য ছবি তুলতে যাওয়া পর্যন্তই। তবুও এই মুভির কারণেই অ্যানিমেশনের প্রতি প্রথম তাঁর আগ্রহ জন্মায়। আর ১৯৬১ সালে অসন্তোষ আর সৃজনশীল অসামঞ্জস্য, যে কারণেই হোক, তোয়েই অ্যানিমেশনের সাথে চুক্তি শেষ হওয়ার সাথে সাথেই তেজুকা নিজেরই একটা স্টুডিও খুলে বসলেন!
তোয়েই অ্যানিমেশনের সাথে সাথে কাঁধে কাঁধে পাল্লা দেওয়ার জন্য – মুশি প্রোডাকশন।

মাঙ্গার মতোই অ্যানিমেতেও আমেরিকানদের অনুসরন না করে জাপানের স্বকীয় আখ্যান বর্ণণা করতেই তিনি বেশী মনোযোগী হলেন। ১৯৬৩ সালে নতুন বছরের প্রথম দিনে জাপানের টেলিভিশন ইতিহাস পাল্টে গেল চিরদিনের জন্য।
হলের বড় পর্দার গন্ডি পেড়িয়ে অ্যানিমেশনের যাত্রা শুরু হল টিভির চারকোনা বাক্সে। আর মাঙ্গার মতই এখানেও প্রথম নামটি হল – Astro Boy!

 

অ্যানিমের ইতিহাস – তৃতীয় পর্ব: ওয়ার এন্ড পিস – ফাহিম বিন সেলিম

1796548_730218773676609_649659517_n

ত্রিশের দশক। জাপানীজ অ্যানিমেশন ততদিনে ডিজনীর কাছে ব্যাবসায়িক খেলায় হেরে দেশীয় চলচ্চিত্র বাজারের আধিপত্য হারিয়েছে। হলের বড় পর্দায় ব্যাবসায়িক অ্যানিমেটেড ফিল্মের পরিবর্তে তারা দায়িত্ব নিয়েছে শিক্ষা-জনসচেতনতা মুলক আর বিজ্ঞাপন-প্রচারণামুলক ভিডিও তৈরীর। জাপান সরকার এসময় সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ প্রবর্তন করায়, সেন্সরশিপ অনেক কঠোর হয়ে গেল।

তারা জাপানী চেতনা আর জাতীয়তা বাদে উদবুদ্ধ সিনেমা তৈরী করা পরিচালকদের অগ্রাধিকার দেওয়া শুরু করল। এ অভিব্যক্তি আরো জোড়ালো হল ১৯৩৯-এর চলচ্চিত্র আইন প্রণয়নের পর। ছোট ছোট অ্যানিমে ফিল্ম কোম্পানীগুলো একত্রিত হয়ে বড় বড় স্টুডিও গড়ে তুলল। আবার সো চিকুর মত বৃহত্তর স্টুডিও লাইভ অ্যাকশনের পাশাপাশি অ্যানিমে ফিল্ম বের করা শুরু করল। আর এই সোচিকুর সহায়তায় কেনজো মাসাওকা(Chikara to Onna no Yo no Naka) ১৯৪৩ সালে তৈরী করেন Kumo to Churippu[The Spider and the Tulip](১৯৪৩)-র মত মাস্টারপিস[যা ২০০১ সালে প্রকাশিত অ্যানিমেজের সর্বকালের সেরা অ্যানিমের তালিকায় ৪র্থ স্থান দখল করে ]।

যুদ্ধ শুরু হল। আর এসময় সকল স্টুডিওর একত্রিকরণের ধারাবাহিকতায় মাত্র ৩ টি বড় স্টুডিও অবশিষ্ট থাকল, আর এবার তারা সেনাঅর্থায়নে সিনেমা তৈরী করা শুরু করল। আর যুদ্ধকালীন সময় আমেরিকানরা যেমন কমিক আর কার্টুনের চরিত্র ব্যাবহার করে প্রোপাগান্ডা চালিয়েছিল, পুরোনো চরিত্রদের যুদ্ধের সাজে সাজানো অথবা নতুন চরিত্রই তৈরী করা(সবচেয়ে বড় উদাহরণ Captain America); জাপান ও তার সৈন্য আর সাধারণ জনতাকে এই কঠিন সময় পার করতে সাহায্য নিল অ্যানিমের।

১৯৪৩ সালে মিতসুয়ো সেও(Ari-chan) গেইজুতসু এইগাশার প্রযোজনায়, জাপানের লোকগাথার সাথে চলমান যুদ্ধের আবহকে কাজে লাগিয়ে তৈরী করেন Momotaro’s Sea Eagles. [মজার ব্যাপার হল, আমেরিকান সমসাময়িক কার্টুন আর কমিকসে যেমন প্রতিপক্ষ হিটলার অথবা জাপানী সেনাদের আবির্ভাব ঘটা শুরু করল, তেমনই জাপানীরাও তাদের জবাব দেওয়া শুরু করল। যেমন এই অ্যানিমেতে বহুল জনপ্রিয় কার্টুন পপাই এর চরিত্র ব্লুটোকে দেখা যায় একজন সাধারণ মাতাল হিসেবে।] ৩৭ মিনিটের এই অ্যানিমেকে বলা যায় ফিচার লেংথ অ্যানিমেশনের পথে প্রথম সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ।

মাত্র দুই বছর পরই সেও তৈরী করেন এর সিকুয়্যেল, এবার সোচিকুর প্রযোজনায় – Momotaro’s Divine Sea Warriors. ৭৩ মিনিটের এই অ্যানিমে ফিল্মটিই সর্বপ্রথম ফিচার লেংথ জাপানিজ অ্যানিমেশন। ১৯৪১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ডিজনী মুভি Fantasia দ্বারা অনুপ্রানিত হয়ে তৈরী হওয়া এই দুটি মুভির উপরের প্রোপাগান্ডার আর যুদ্ধের ভয়াবহতার চাদরের আড়ালে ছিল শান্তি আর আশার বার্তা।

যুদ্ধে পরাজিত হলেও তাই জাপানীরা নিজেদের সমৃদ্ধ অতীত, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি আর সৃজনশীলতা প্রকাশের নতুন এক মাধ্যমের খোঁজ পেল। ধংসস্তুপ থেকে জাপানের নবজাগরনের সাথে নতুন শুরু হল অ্যানিমেরও।
আরো বৃহৎ, আরো ভালোভাবে!

যারই ধারাবাহিকতায় ১৯৪৮ সালে সূচনা ঘটল জাপানের ডিজনী – তোয়েই অ্যানিমেশনের।
আর এই তোয়েই অ্যানিমেশনই অ্যানিমের ইতিহাসকে বদলে দিবে সবচেয়ে বড়ভাবে। শুধু প্রথম রঙ্গিন অ্যানিমে অথবা সর্বপ্রথম “আধুনিক” অ্যানিমেই নয়; হালের জনপ্রিয় সব অ্যানিমেগুলোতেও তারা রাখবে অবদান, দশক দশক পর এই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকেই তৈরী হবে –
Seint Seiya, Space Captain Harlock, Toriko, Sailor Moon…
Slam Dunk, One Piece…
Dragon Ball Z!

// ছবি Kumo to Churippu-র //
// Momotaro’s Divine Sea Warriors লিঙ্ক: https://www.youtube.com/watch?v=me5bFtkEAso //

 

Daft Punk in anime by Tahsin Faruque Aninda‎

Daft Punk-এর গান হয়তো অনেকেই শুনেছেন, অনেকে শুনেন নাই। এরা হল এক ফ্রেঞ্চ ইলেক্ট্রনিক মিউজিক duo, যারা তাদের মিউজিকের জন্যে বেশ অনেকগুলি পুরষ্কার জিতেছে এখন পর্যন্ত। এই তো গতবছরের এলবাম Random Access Memories-এর জন্যে ও তার কয়েকটা গানের জন্যে Grammy Awards-ও জিতে নিয়েছে!

Daft Punk-এর দুই সদস্যের দুজনেই দুটি হেলমেট পরে থাকে। কোন প্রোগ্রাম বা অনুষ্ঠানে নিজেদের মুখ কখনই দেখায় না, আর এরকম হেলমেট পরে থেকে তাদের ইলেক্ট্রনিক/রোবোটিক মিউজিকের স্বাদটা চাক্ষুষভাবেও সবার কাছে পৌঁছে দেবার জন্যে

তো হঠাত Daft Punk নিয়ে আলোচনা করছি কেন? করছি কারণ তাদের Discovery নামক এলবামের সবগুনি গান নিয়ে ২০০৩ সালে একটি আনিমে মুভি রিলিজ পায়, নাম Interstella 5555: The 5tory of the 5ecret 5tar 5ystem। চারজন এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল মেম্বারের একটি ব্যান্ডের একটি কাহিনী নিয়ে মুভিটি।

মুভিটির কাজ Daft Punk করেছে তাদের ছোটকালের স্বপ্নের হিরো Leiji Matsumoto এর সুপারভিশনে।

পুরা মুভিটা আসলে বলতে গেলে Discovery এলবামটির একটা মিউজিক ভিডিও। তারপরেও, Space Battleship Yamato, Captain Harlock, Galaxy Express 999 এর মাঙ্গাকার সুপারভিশনে বানানো যেহেতু, তাই এর কোয়ালিটি বেশ ভাল হয়েছে

Gosick anime review by Shafiul Munir

সে অনেক দিন আগের কথা, ইউরোপের এক রাজ্যে বাস করত এক গোল্ডেন ফেইরী, সে ছিল মহাজ্ঞানী, এমন কিছুই নেই যা সে জানে না, যেকোন রহস্যের সমাধান করতে পারত সে, পারত সমস্ত ধাঁধাঁর জবাব দিতে, কিন্ত কেউ তার কাছে কিছু চাইলে সেটা বলে দেবার বদলে তার আত্মা শুষে নিত সে।
এরকম হাজারো রুপকথা আর ভূত-প্রেতের কাহিনীতে ভরপুর ইউরোপের সেভিল রাজ্য। প্রথম মহাযুদ্ধ শেষ হলো প্রায় ১০ বছর, জাপানি টিনএজার কুজো সেদেশের এক ইউনিভার্সিটিতে যায় আর তার পরিচয় হয়ে যায়, শীতের মৃত্যুদূত হিসাবে। সেদেশের এইসব পৌরানিক আর ভৌতিক গল্পে খুব বিশ্বাসী সবাই তাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করে। ঘটনাক্রমে কুজোর পরিচয় হয় ভিক্টোরিয়া নামের এক অদ্ভুত মেয়ের সাথে, দেখতে খুব ছোট, ভঙ্গুর, চোখগুলা সবুজ, সবসময় লাইব্রেরীর উপর একগাদা বই নিয়ে পড়ে থাকে রহস্যময় এই ভিক্টোরিয়া। কেউ থাকে বলে লাইব্রেরীর গোল্ডেন ফেইরী, আবার কেউ বলে ‘গ্রে উলফ’, লিজেন্ডারী এক ব্লাডলাইন, যারা তাদের এক্সট্রা-অর্ডিনারী বুদ্ধিমত্তার জন্য বিখ্যাত।


এসব ভূত-পিশাচের কাল্পনিক কাহিনীকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন সময়ে ঘটতে থাকে নানাধরণের হত্যাকান্ড, একদম ছোট্ট থেকে শুরু করে পুরো দেশ দখলের ষড়যন্ত্র, সবকিছুই হচ্ছে সাধারণ মানুষের ভূতুড়ে কিচ্ছার প্রতি আকর্ষণকে কাজে লাগিয়ে। কুজো ঘটনাক্রমে নানাভাবে জড়িয়ে পড়ে একের পর এক রহস্যের সাথে, আর ভিক্টোরিয়া অদ্ভুত দক্ষতায়, এফোর্টলেসলি সবগুলো রহস্যের জাল উন্মোচন করতে পারে, ঠিক যেন গোল্ডেন ফেইরী কিংবা গ্রে উলফের মত। কে এই ভিক্টোরিয়া? ‘গ্রে উলফ’ রা আসলে মানুষ না অন্য কিছু? বিভিন্ন প্রচলিত গল্প আর লিজেন্ডের আড়ালে কি ষড়যন্ত্র চলছে সবকিছুকে উলটপালট করে দিতে?

একগাদা রিলেটেড-আনরিলেটেড বেশ স্টান্ডার্ড রহস্য আর গল্পের মধ্য দিয়ে মূল কাহিনী খুব সুন্দরভাবে এগিয়ে গেছে এনিমেটিতে, তাই গতানুগতিক ডিটেকটিভ-মিস্ট্রি জেনারের এনিমে থেকেও কিছুটা ভিন্ন এই চমৎকার এনিমেটি। এছাড়া সংলাপ খুব ভালমানের এবং অনেক মজার।
রেটিং- সাড়ে ৮- ৮ সম্ভবত (তবে আমার ৯ দেবার মতই ভালো লেগেছে)
না দেখার কোন কারণ নাই, অবশ্যই ভালো লাগবে।

আরো কিছু ডিটেক্টিভ-মিস্ট্রি এনিমেঃ ডিটেকটিভ কোনান(রেটিং- ৮), শিনরেই তানতে ইয়াকুমু (৮), মোওরিওনো হাকু (৮), ডিটেকটিভ একাডেমী কিউ (সাড়ে ৮), স্পাইরালঃলাইন্স অব রিজনিং (৮-সাড়ে ৮) ,হিউকা (৯) ইত্যাদি।

পূর্ণধাতব রসায়নবিদ রিভিউ (FullMetal Alchemist) – ইশমাম আনিকা

O9NOqgoপূর্ণধাতব রসায়নবিদ রিভিউ (FullMetal Alchemist)
[spoiler থাকতে পারে, আমি নিজে নিশ্চিত নই]

“Humankind cannot gain anything without first giving something in return. To obtain, something of equal value must be lost. That is alchemy’s First Law of Equivalent Exchange. In those days, we really believed that to be the world’s one, and only, truth.”

যদি আপনার সামনে এমন সুযোগ আসে যে আপনি আপনার মৃত প্রিয়জনকে ফিরিয়ে আনতে পারবেন, যদিও সেটার কোন নিশ্চয়তা নেই, সেটার ফলাফল কি হবে কেউ জানেনা এবং এটা নিষিদ্ধ কাজ, তাহলে আপনি কি করবেন?

এডওয়ার্ড এলরিক এবং অ্যালফনস এলরিক দুই ভাই। দুজনের মাঝে বয়সের পার্থক্য ১ বছর। খুব ছোটবেলায় তাদের বাবা তাদের ছেড়ে কোথাও চলে যায় এবং এরপর তারা তাদের মায়ের সাথে জীবন কাটাতে থাকে। ছোট অবস্থাতেই দুজনেই “অ্যালকেমি” তে পারদর্শী হয়ে উঠতে থাকে। এমন সময় হঠাত তাদের মা মারা যায়। বাস্তবতা মেনে নিতে না পেরে এডওয়ার্ড ঠিক করে অ্যালকেমির সাহায্যে “হিউম্যান ট্র্যান্সমিউটেশন” এর মাধ্যমে তাদের মাকে ফিরিয়ে আনবে। প্রথমে ভয় পেলেও ভাই অন্তঃপ্রাণ অ্যালফনস ভাইকে ট্র্যান্সমিউটেশনে সাহায্য করে। কিন্তু ইক্যুইভ্যালেন্ট এক্সচেঞ্জ এর পরিনতি হিসেবে এড তার বাম পা হারায়, এবং অ্যাল তার শরীর হারায়। এই ট্র্যান্সমিউটেশনের ফল হিসেবে তৈরি হয় একটি হোমানকুলাই। অ্যাল এর আত্মাকে বাঁচানোর জন্যে এড সাথে সাথে একটা suit of Armour এর মাঝে চক্র আঁকে এবং নিজেকে উৎসর্গ করে, যেন নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও সে অ্যালকে ফেরত পায়। অবশেষে নিজের ডান হাতের বিনিময়ে সে অ্যালের আত্মা ফেরত পায় এবং অ্যাল suit of Armour এ বন্দী আত্মা হিসেবে জীবিত থেকে যায়। ওদের শরীর Gate of Alchemy র মাঝে আটকা পড়ে যায়। ডান হাত ও বাম পা হারানো এডকে নিয়ে অ্যাল দৌড়ে যায় তাদের প্রতিবেশী “রকবেল” দের কাছে যাদের অটোমেইল এর কারখানা আছে (কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বানানোর কারখানা), সেখানে এড কে মেকানিক্যাল হাত ও পা বানিয়ে দেয় উইনরি ও তার দাদি।

নিজের ভুলকে শোধরানোর জন্যে বদ্ধপরিকর এড ঠিক করে, যে করেই হোক, ফিলসফারস স্টোন খুঁজে বের করবে, এবং সেটার সাহায্যে সে যে ভুল করেছিল, সেটা শোধরাবে আর অ্যালকে তার আসল শরীরে ফিরিয়ে আনবে। এ জন্যে তার দরকার ছিল অনেক তথ্য, যেটা একমাত্র মিলিটারির লাইব্রেরীতে পাওয়া সম্ভব। তাই সে কর্নেল রয় মাসট্যাং এর পরামর্শে মিলিটারির অ্যালকেমি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ও বিভিন্ন বাঁধা পেরিয়ে পরীক্ষা পাস করে “সর্বকনিষ্ঠ স্টেট অ্যালকেমিস্ট” হিসেবে যোগ দেয়। মিলিটারি থেকে সে বিভিন্ন জায়গায় অ্যাসাইনমেনট কমপ্লিট করতে যায় এবং একই সাথে খুঁজতে থাকে ফিলসফারস স্টোন।

ব্রাদারহুড এখনো দেখা হয়ে ওঠেনি, কাজেই তুলনা করার প্রশ্নই আসেনা। তবে সবদিক মিলিয়ে আমার কাছে ফুলমেটাল অ্যালকেমিস্ট খুবই ভালো লেগেছে এবং শেষ না করা পর্যন্ত নিঃশ্বাস নিতে পারিনি। এন্ডিংটা ভালো লেগেছে, খারাপ ও লেগেছে এডওয়ার্ড, অ্যালফনস এবং উইনরির জন্যে।

চরিত্র বিশ্লেষণে যাবনা, কারণ আমার কাছে মনে হয়েছে প্রতিটা চরিত্রই তার মর্যাদা রেখেছে। আর এডওয়ার্ড কে কেউ শর্ট বললে তার রিঅ্যাকশন, যতবার দেখি কখনো পুরনো হয়না! দুই ভাই এর মাঝে যে বন্ধন, সেটা দেখে অবাক হয়েছি অনেকবার ই।

প্রতিটা ওপেনিং আর এন্ডিং সুন্দর, তবে আমার কানে সবসময় বাজতে থাকে প্রথম ওপেনিং টা।

একই সাথে মজা, অ্যাকশন, রহস্য, ইমোশন আমার অল্প এনিম দেখা জীবনে আর পাইনি। কাজেই কেউ সাজেশন চাইলে একবাক্যে এটার নাম বলতে দ্বিধা করব না 

 

108065

কিছু নট সো পপুলার আনিমে মুভি – Movie suggestion by Pasha Yap

কিছু নট সো পপুলার আনিমে মুভি.এইগুলো ghibli,সাতশি কন বা মাকত শিনকাই এর মুভি এর মত খুব ভাল না তবে তাই বলে খারাপও না।


‪#‎Origin‬:spirits of the past
এক ব্যর্থ গবেষণার ফলে মানবজাতি প্রায় ধ্বংস হয়ে যায় বুদ্ধিমান গাছদের কারনে।অল্প কিছু মানুষ সংরাম করে বেঁচে থাকে।এক গ্রামের ছেলে আগিতো ঘটনাক্রমে জাগিয়ে তোলে বিশেষ যন্ত্রে ৩০০ বছর ঘুমিয়ে থাকা তুলাকে।তুলা পরে শুনাক এর কথায় বিভ্রান্ত হয়র যায় রাগ্নাক এ,যারা গাছদের পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে।এর পরিনাম বুঝতে পেরে তাদের থামাতে ছায় আগিতো।
Mal rating:7.39


‪#‎steamboy‬
রে এর দাদা একটা স্টিম বল তৈরি করেন যাতে প্রচুর পরিমান স্টিম অর্থাৎ শক্তি সঞ্চিত আছে।দুষ্টু লোকেরা চায় সেই শক্তি খারাপ কাজে ব্যবহার করতে।
Mal rating:7.51
‪#‎Bayonetta‬:bloody fate
সাধু(saint) আর ডাইনি(witch)দের মাঝে ছিল চরম শত্রুতা।এর মাঝে এক সাধু আর ডাইনি উলটো বিয়ে করে একটা মেয়ে জন্ম দিয়ে বসল।ঘটনাক্রমে মেয়েটাকে সিল করে দেয়া হলও।৫০০ বছর পর হঠাৎ জেগে উঠল সে।কিন্তু তার কিছুই মনে নেই।বায়নেত্তা নামে সে ঘুরে বেরায় নিজের হারানো স্মৃতি এর খোঁজে।কিন্তু তাকে নিয়ে সাধুরা কি পরিকল্পনা করসে?কি চায় তারা?


‪#‎Brave‬ story
১১ বছর বয়স এর ওয়াতারু এর বাবা বাড়ি ছেড়ে চলে গেসে,মা হাসপাতাল এ।সে ঠিক করলো নিজের ভাগ্য বদলাবে,বন্ধু এর দেখান দরজা দিয়ে এক জাদুর জগতে প্রবেশ করলো সে।সেখানে তাকে বিভিন্ন বিপদ কাটিয়ে খুজতে হবে ভাগ্যের দেবীকে।
Mal rating:7.63

One Outs review by সাদিয়া হুমায়রা মৌনতা

‘ওয়ান আউটস’ আনিমেটা পুরাই ওয়ান ম্যান শো। যদিও বেসবল ভিত্তিক এই অন্যান্য আনিমেতে যা আছে, যেমন দলের ইন্সপিরেশন, সিনিয়রদের লিগেসি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া,টিম স্পিরিট রক্ষা, ব্যাটারীর (পিচার-ক্যাচার কম্বিনেশন) কেমিস্ট্রি, এগুলা কিছুই নাই কিন্তু এই আনিমেটা পুরাই গেম এর অন্য একটা দিক দেখানো হয়েছে। খেলাগুলা সাইকোলজিক্যালি গ্যাম্বলিং এর মতো করে দেখানো হয়েছে, আর দেখানো হয়েছে প্রোফেশনাল খেলার জগতের কিছু নেগেটিভ দিক।
আমি আনিমেটা বেশি এনজয় করিনি, কারণ-
-একটা দলীয় খেলায় ওয়ান ম্যান শো
-খেলোয়াড় স্পিরিট এর পুরা বারোটা বাজানো হইসে
-খেলা হিসেবে কোন টান্টান উত্তেজনা কম ছিল, কারণ প্রতিবার কিছু হলে জানতাম, তকুচি বাজিমাত করবে শেষে
-কোন ডেভেলপমেন্ট নাই প্লটে বা ক্যারেক্টারে, কারণ এই ওয়ান ম্যান অলরেডি অতিরিক্ত ডেভেলপড ছিল।
-খেলোয়াড়দের ব্যাক্তিগত শক্তির কোন মূল্যই নাই

সবকিছুর পরেও এর রেটিং আমি হাই দিব, কারণ-
-প্লট অন্যরকম। অন্য পারস্পেকটিভ থেকে দেখানো
-বাজিমাত করবে কিভাবে এটাই দেখার বিষয় এবং পর্বর্তীতে ব্যাখ্যাগুলাও অসাধারণ ছিল
-ফ্যান সার্ভিসের বাহুল্য ছিল না 

বিদ্রঃ এমন আন-কুল ক্যাচার আমি এখন পর্যন্ত দেখি নাই 
বিবিদ্রঃ স্টার্টিং সং- প্রতিবার শুন্তাম এবং মনে হতো এটা কোন মেলাঙ্কোলি ছেলেকে নিয়ে স্লাইস অফ লাইফ আনিমে।

বি উপদেশঃ যারা স্পোর্টস আনিমে দেখতে পছন্দ করেন, এই আনিমেটা আগেই দেখে নেয়া ভালো, ‘মেজর’ পরে দেখা ভালো। 

“শিনরেই তানতে ইয়াকুমো” – Psychic Detective Yakumo review by Shafiul Munir

 

shinrei 1

কেউ যদি বলে সে ভূত দেখতে পায়, তাদের সাথে কথা বলতে পারে, বিশ্বাস করবেন তাকে? নিশ্চয়ই কোন ভাওতাবাজি করে মানুষ ঠকানোর পায়তারা! আপনার সবচেয়ে আপনজন, আদরের ছোট্ট মেয়েটা না ফেরার দেশে চলে গেছে, কেউ যদি এসে বলে তার আত্মাকে ফিরিয়ে আনতে পারবে সে, কিন্তু তার জন্য একটা কমপেটিবল মিডিয়াম দরকার, তাই খুন করতে হবে তার বয়সী মেয়েদের… কি করবেন? এভাবেই অলৌকিকতার মোকাবেলায় বিভ্রান্ত হয় সাধারণ মানুষ…

ইয়াকুমো অদ্ভুত এক ক্ষমতা নিয়ে জন্মেছে, তার একটা চোখ রক্তলাল রঙের, ঐ চোখ দিয়ে সে দেখতে পায় মৃত মানুষের আত্মা, কথা বলতে পারে তাদের সাথে। এটা কোন আশীর্বাদ না, একটা অভিশাপ, যেখানেই যায় মৃত আর অতৃপ্ত আত্মাদের দুর্দশা দেখতে পায়, শুনতে পায় তাদের হাহাকার। The essence of dead soul is darkness…কিন্তু ইয়াকুমো এক্সরসিসম পছন্দ করে না, তার মনে হয় এই মৃতের আত্মাগুলো যেন মানুষগুলোর রেখে যাওয়া স্মৃতি, সে তাদের সাথে কথা বলে, তাদের কষ্ট আর অনুভূতির কথা শুনে বিভিন্ন অসামঞ্জস্যপূর্ণ, অতিপ্রাকৃতিক ঘটনার সমাধান করতে থাকে একের পর এক। আর সাইকিকদের দুনিয়ায় এই চোখ শুধু ইয়াকুমোর একার নয়, এই লালচোখের রহস্যটা আসলে কি? মৃত আর অশুভের অন্ধকার জগত থেকে এই রক্তচক্ষু কি ইয়াকুমোকে আলোর পথে নিয়ে আসবে, নাকি ঠেলে দিবে আরো গাঢ় অমানিশায়?

মিস্ট্রি আর সুপারন্যাচারাল জনরার মিক্সচার একটা বেশ মজার একটা এনিমে। মাত্র ১৩ পর্বের, কাহিনী বেশ ভাল, মিস্ট্রিগুলো বেশ স্ট্যান্ডার্ড, ডায়ালগ বেশ চমৎকার, স্মার্ট হিউমার আছে। গানগুলাও ভালো, না দেখার কোন কারণ নেই।
আমার রেটিং সাড়ে ৮…

shinrei 2

shinrei 3

shinrei 4