Spiral: Lines of Reasoning anime suggestion by Shafiul Munir

ছোটকাল থেকেই নারুমি আয়ামে বুঝতে পারে সে বাকিদের থেকে বেশ ভিন্ন, অসাধারণ বুদ্ধি, সৃজনশীল চিন্তাভাবনা আর পিয়ানো বাজানোর অদ্ভুত দক্ষতায়। কিন্তু তারপরও কখনোই নিজের প্রতি আস্থা রাখতে পারে না সে, কারণ সে যে কাজটাই করতে যায়, তার হায়েস্ট লেভেল সেট করে রেখে গিয়েছে তার বড় ভাই কিয়োতাকা, অনন্য একজন ডিটেকটিভ, রহস্যময় ব্লেইড চিলড্রেনদের পিছু নিয়ে যে অনেকটা স্বেচ্ছা নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে, পিছন পিছন হাঁটতে ক্লান্ত আয়ামে তাই কোনকাজেই আগ্রহ পায় না। কিন্তু হঠাৎ করেই যেন একের পর অদ্ভুত ঘটনা ঘটতে থাকে তার আশপাশে, আর সবক্ষেত্রেই কোন না কোনভাবে জড়িত এই ব্লেইড চিলড্রেনরা। নারুমির জীবন হঠাৎ করেই যেন বদলে যায়, সে জড়িয়ে পড়ে বিপজ্জনক ব্লেইড চিলড্রেনদের সাথে একের পর এক রহস্যে। এই ব্লেইড চিলড্রেন কারা? কেন তারা আয়ামের পিছু নিল? কিয়োতাকা কেন নিখোঁজ হল? ব্লেইড চিলড্রেনদের কেন কার্সড বলা হচ্ছে? একের পর এক অজানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে থাকে আয়ামে…
ডিটেকটিভ-মিস্ট্রি জেনারের এই ২৫ পর্বের এনিমেটি আশা করছি অনেকেরই ভালো লাগবে। মিস্ট্রি গেমগুলো বেশ ভালো, আনপ্রেডিক্টেবল। তবে এনিমেটিতে একটা দূর পর্যন্ত এগুলেও, কাহিনী শেষ হয়নি, মাঙ্গা পড়তে হবে।

আমার রেটিং সেন্স খুব খারাপ, ভালো লাগলেই ভালো মার্ক্স দেই, তাই এটা সাড়ে ৮।
আচ্ছা, এই জেনারের আরো দুটি এনিমে হলো হিউকা আর গসিক, সেগুলাও বেশ ভালো।

Kimi ni Todoke anime review by Shafiul Munir

পরীক্ষার আগ মুহূর্তের বন্ধ এমন একটা সময় যখন দুনিয়ার সব এনিমে ভালো লাগে, সে যত অদ্ভুতই হোক আর স্বজেনার বহির্ভূতই হোক। কিন্তু তারপর ও ভাবি নি এই ব্যস্ত সময়ে একটা সোজো এনিমে দেখা শুরু করব, এরকম আরো কিছু মাঝেমাঝে দেখা হইসে, কিন্তু তারপরও একটু পরপর ফুল-লতাপাতা, আসমান থেকে খসে পড়া তারা কিংবা লাল-নীল-সবুজ নানা বাতি এইসব এখনো সহ্য করতে কষ্ট হয়…যাই হোক, এনিমেটার কাহিনী খুব সহজ সরল, কিন্তু কেমন যেন হিন্দি সিরিয়ালের মত টানা-হ্যাঁচড়া করতে করতে ২টা সিজনে মোট ৩৭ টা পর্ব পর্যন্ত এক্সটেন্ড করেছে।

গল্পের আবর্তন একটা ডাইনীকে নিয়ে, যাকে দেখলেই অশুভ ছায়া পড়ে, তার সাথে চোখাচোখি হলে ৭ দিন ডায়রিয়া কিংবা সর্দি-কাশি হয়, আর আশপাশে আসলে ত মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যায়। তাই হাইস্কুলে সবাই তাকে এড়িয়ে চলে, ক্লাস কিংবা অন্য কোনখানে তার কোন বন্ধু-বান্ধব নেই। কিন্তু এই সাধারণ ভীতু আমজনতার মাঝে ছদ্মবেশে বাস করতেন একজন কামিসামা। তিনি প্রথম দৃষ্টিতেই বুঝতে পারেন এই মহামারী ছড়ানো ডাইনী আসলে অতি অতিমাত্রায় ভালো, সহজ-সরল স্ট্রেটফরোয়ার্ড একটা মেয়ে যে কোন জোক কিংবা ইঙ্গিতপূর্ন কথাই বুঝে না। তাই সবাই তাকে ভুল বুঝে, এজন্য কেউ তার সাথে মিশতে চায় না, তার নামে অদ্ভুত সব গুজব ছড়ায়।
কাজেহায়া (কামি) ক্লাসের-স্কুলের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিক্ত, ছেলে-মেয়ে সবার সাথে তার অগাদ বন্ধুত্ব, সবাইকে সে আপন করে কাছে টানতে পারে, এভাবে সাওয়াকোকেও (ডাইনী) সে কাছে টানতে চায়। সবাই যেখানে তাকে দেখলেই এক মাইল দূরে চলে যায়, কাজেহায়া তার সাথে হাসোজ্জ্বল বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহার করে, সাওয়াকো’র সবসময়ের স্বপ্ন ক্লাসের সবার সাথে বন্ধুত্ব করবে, কাজেহায়ার সহযোগিতায় সে আসতে আসতে সবার সাথে পরিচিত হতে শুরু করে, বন্ধু-বান্ধবী পেতে শুরু করে।

আচ্ছা, মূল কথায় আসি, কাজেহায়া প্রথম থেকেই গ্লুমি-অদ্ভুত-কনফিউসড সাওয়াকোকে পছন্দ করত, কি জন্য কি জানি! তাই এত্ত সুন্দর কাওয়াই কুরুমি চানকেও তার পছন্দ হয় নাই (কষ্ট পাইসি কিছুটা), যাইহোক আর এদিকে সাওয়াকোও তাকে পছন্দ করে, তাহলে সমস্যাটা কোথায়?! একদুইটা মিসআন্ডারস্টেন্ডিং আর ঘটনা ত ১০-১২ এপিসোডেই শেষ হবার কথা…! কি দরকার ছিল সেকেন্ড সিজনটার?! কিন্তু হায়! তারা কেউ কাউকে মুখ ফুটে বলতে পারে না রিজেক্টেড হবার ভয়ে, অপরজনকে কষ্ট দেবার কিংবা এমব্রেস করার ভয়ে… হায়রে প্রেম-ভালুবাসা !! পুরা বিধ্বস্ত হয়ে গেলাম একবার এদিক, আরেকবার ওইদিক টানাটানি, প্যাঁচড়পোচড়ি দেখতে দেখতে। আদৌ কি তারা এক হতে পারবে? যথেষ্ট সন্দেহ আছে পারে কিনা…!!

তবে এনিমেটাতে বেশকিছু ভালো ক্যারেক্টার আছে, মজার চমৎকার একটা স্কুল এনিমে, ভালো লাগার উপকরণ আছে যথেষ্ট। রেটিং করা মুশকিল, যেহেতু আমার পছন্দের জনার না, তাই একটু ফেভার করতে হচ্ছে- ৮ …
ওহ, বাই দ্যা ওয়ে- এনিমেটার নাম এতক্ষণে নিশ্চয়ই সবাই বুঝতে পেরেছেন- “কিমি নি তোদোকে”…

Planetes anime review by Fahim Bin Selim

 

পৃথিবীর আকর্ষন থেকে বেরিয়ে মহাকাশের অসীমতায় পা রাখা মানুষের আজীবন স্বপ্ন। “To see what no one has seen before, to go where no one has gone before”।

২০৭৫ সাল। মানুষ এখনো পৃথিবীর কাছের প্রতিবেশীদেররও মোটামুটি আপন করে নিয়েছে। পৃথিবী আর চাঁদের কক্ষপথজুড়ে ঘুরছে সব স্যাটেলাইট আর স্পেস স্টেশন। এমনকি চাঁদে আছে বিশাল এক শহর; চিকিৎসাকেন্দ্রের পাশাপাশি যা মহাকাশে ভেসে বেড়ানো মানুষদের অবকাশযাপনের বেশ জনপ্রিয় এক জায়গা! বিভিন্ন মহাকাশযানে করে পৃথিবী, চাঁদ আর এসব স্টেশনের মাঝে মানুষের যাতায়াত এখন নিত্তনৈমত্তিক ঘটনা। মঙ্গলেও পরেছে মানবপদরেখা!
কিন্তু যেখানে এতোশত জিনিস, সেখানে আবর্জনা তো থাকবেই। মহাকাশীয় সংঘর্ষে তৈরী হওয়া এসব আবর্জনা স্পেস ডেভেলপমেন্টে এক বিশাল বাধা। আর এসব আবর্জনা পরিষ্কারের দায়িত্বে যারা নিয়োজিত, তারাই – ডিব্রি(Debris) কালেক্টর।

স্পেস স্টেশনগুলোতেই আছে হাজারো কোম্পানী। তারই একটি – “টেকনোরা”-‘র ডিব্রি সেকশনে নতুন যোগদান করল আই তানাবে, অত্যুৎসাহী এক জাপানী যুবতী। তার নতুন কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে যা ধারনা ছিল তা প্রথম দেখায়ই আমূল বদলে গেল। জীবনের ঝুঁকি রেখে মহাকাশের সব বিপদ আপদ থেকে মানুষকে বাঁচানোর দায়িত্বে উজাড় করে দেওয়া সব মানুষ – নায়কোচিত সম্মানই তো পাওয়ার কথা! কিন্তু মানুষের প্রেজুডিস মনে হয় কখনই বদলায় না। আর সেরকমই “গার্বেজ কালেক্টর”-দের প্রতি মানুষের নাক সিটকানোটাও স্বভাবটাও হয়তো বদলায়নি, তা একবিংশ শতাব্দীর তিন-চতুর্থাংশ পার করার পরই হোক আর পৃথিবীর অভিকর্ষকে উপেক্ষা করা এক জগতেই হোক।
এই নতুন জায়গায় তানাবের তার সহকর্মীদের, অচেনা অনেক মানুষ, মহাকাশের জিরো গ্র্যাভিটি আর নিজেকে নতুন ভাবে আবিষ্কার করা; রাজনীতি, জীবন, স্বপ্ন আর ভালোবাসার গল্প – প্লানেটিস।

প্লানেটিস সাই-ফাই অ্যানিমে। হার্ড সাই-ফাই। আগের সব সাইন্স-ফিকশন অ্যানিমেগুলো যেখানে সুপারহিউম্যান, রোবট-অ্যান্ড্রয়েড, স্পেস অপেরা আর টাইমট্রাভলের “ফিকশন”-এই সীমাবদ্ধ। সেখানে প্লানেটিস অনেকাংশেই বাস্তব! প্লানেটিসকে অবশ্য টাইম ট্রাভেলের উপাধি দেওয়াই যায়। কোন টাইম মেশিনে করে ৬১ বছর পরের পৃথিবীতে গেলে হয়তো প্লানেটিসের জগতটাতেই আপনি পা রাখবেন।
বাস্তবতার কথা বলা হচ্ছিল, সে সম্পর্কে বলা যাক। ওজনহীন পরিবেশ বা মহাকাশে ভেসে বেড়ানোর চিত্রায়ন আবার হেটে চলার উপযোগী কৃত্রিম গ্র্যভিটি তৈরী করা ঘুড়ন্ত স্পেস স্টেশন, স্পেস অর্বিটাল পরিবর্তনের ভেক্টর, বায়ুশুন্য স্থানের শব্দহীনতা, চাঁদের ১/৬ গ্র্যাভিটিতে অধিক বর্ধন অথবা বিভিন্ন স্পেস ডিজিস মাত্র কয়েকটি উল্লেখ করা বিষয়। জাক্সার(JAXA) সহায়তা নেওয়ায় তাই এই অ্যানিমে প্রায় নিখুঁত এক মহাকাশ জীবনের অভিজ্ঞতা দিবে। এটা তো গেল টেকনিক্যাল বিষয়।

প্লানেটিস ড্রামা-রোমান্স অ্যানিমে। এবং অনেকাংশে স্লাইস অফ লাইফও বলা যায়। শুধু সাইন্সের এতো চমৎকার এক্সিকিউশনের জন্য যদি এটা মনে রাখার মত একটা অ্যানিমে হতে পারে তাহলে এর জীবনঘনিষ্ঠতা বৈজ্ঞানিক ব্যাপার-স্যাপারকেও ছাড়িয়ে যায়। বিশাল এক আনসাম্বলের, এতগুলো চরিত্রের, এত বাস্তবিক ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট আমার দেখা অন্যতম, যদি না সবচেয়ে সেরা হয়। প্রথম কোরের এপিসোডিক পর্বগুলোর(যার সব চরিত্রই কোন না কোনভাবে মূল কাহিনীকে আরো শক্তিশালী করেছে) ভিত্তিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি হয়েছে দ্বিতীয়াংশের ইনট্রিগিং স্টোরি আর্কটা। সবকিছুর শেষে আছে মনে রাখার মত এক এন্ডিং।

প্লানেটিস বেশ চিন্তাদ্দীপকও। তানাবে আর হাচিমাকির নিজ নিজ স্বপ্নের পেছনে ছোটা আর তার মাঝে ভালোবাসার ছোয়া; ফি, ইউরি, এডেল আর অন্যান্য ডিব্রি সেকশনের সহকর্মীদের জীবন অভিপ্রায়; একদিকে অজানা আর নতুন শক্তি-বাসস্থানের খোঁজে মহাকাশের দূরে আরো দূরে যাওয়ার গল্প আর তার আড়ালে ক্যাপিটালিজম, টেরোরিজম আর রাজনীতির কালো ছায়া। প্লানেটিস আপনাকে ভাবাবে। বেশ ভালোমতই।

পৃথিবীর আকর্ষন থেকে বেরিয়ে মহাকাশের অসীমতায় পা রাখা মানুষের আজীবন স্বপ্ন। “To see what no one has seen before, to go where no one has gone before”।
শৌনেন, সুপারন্যাচারাল আর টিন-ড্রামা রোমান্সের ক্লিশের বাইরেও অ্যানিমে মাধ্যম যে ভিন্নধর্মী সব অভিজ্ঞতার সুযোগ করে দিতে পারে তার উৎকৃষ্ট এক উদাহরন প্লানেটিস। বলে রাখতে পারি, প্লানেটিস “is nothing like what you have seen before” আর প্লানেটিস “went where no anime has gone before.”

কাহিনীঃ ৯;১৩ পর্ব এপিসোডিক, ১৩ পর্বের আর্ক
মিউজিকঃ ৮;২৬ পর্বে একটা মাত্র ওপেনিং আর একটা এন্ডিং; ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের ব্যবহার অসাধারন।
আর্ট/অ্যানিমেশনঃ অসাধারন আর্ট। ভিসুয়্যালি স্টানিং। হলিউডের গ্র্যাভিটি দেখে যদি আপনার চোখ চকচক করে তাহলে মনে রাখুন অ্যানিমেশনে লাইভ অ্যাকশনের মত কোন বাধাধরা নেই।
ক্যারেকটার ডেভেলপমেন্টঃ আমার দেখা অন্যতম সে।
ইনট্রিগঃ প্রথম কোর ৭ – দ্বিতীয় কোর ৯।
এন্ডিংঃ নিখুঁত।

প্লানেটিস
পর্বঃ ২৬ (২৫ মিনিট/পর্ব)
জনরাঃ সাই-ফাই, রোমান্স, ড্রামা, স্পেস
সালঃ ২০০৩-২০০৪
প্রোযজকঃ সানরাইজ
সেন্সরঃ পিজি-১৩
মাই অ্যানিমে লিস্ট রেটিংঃ ৮.৪২ (#১৪৪)
আমার রেটিংঃ ৯১/১০০ (#৩)

Steins; Gate review by Farhad Mohsin

 

কখনো মনে হয়েছে যদি অতীতে চলে যেতে পারতেন তাহল কোন পরিবর্তনটা করে আসবেন? বা অতীতে যদি যেতে নাও পারেন, যদি সুযোগ দেওয়া হয় কেবলমাত্র একটা ইনফরমেশন অতীতের আপনার কাছে পাঠাতে, তাহলেই বা কি বলবেন? টাইম ট্রাভেলের উদ্দেশ্য কি হবে আপনার কাছে? অর্থ? ক্ষমতা? না বিশ্বশান্তি। স্টেইন্স গেটের শুরুটা অনেকটা এরকম বিভিন্ন প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করতে করতেই।
স্টেইন্স গেট নিয়ে লিখতে গেলে প্রথম যেটা মনে হয় সেটা হচ্ছে স্পয়লার না দিয়ে এর কাহিনীর সিনোপ্সিস দেওয়াটা কঠিন। তাই আমি সেই চেষ্টাটাও করব না। আনিমের পুরোটা জুড়ে আছে সময় পরিভ্রমন (টাইম ট্রাভেল)। আছে ম্যাড সায়েন্টিস্ট হিয়োঔইন কিয়োমা ওরফে ১৮ বছর বয়সী ওকাবে রিনতারো। আছে তার টাইম গ্যাজেট ল্যাবের ল্যাবমেটরা। যাই হোক, আনিমেটা নিয়ে পয়েন্টওয়াইজ ডিস্কাস করার চেষ্টা করি।

কাহিনী:
টাইম ট্রাভেল নিয়ে ফিকশনের বিভিন্ন মিডিয়ামে কাজ তো আসলেই কম হয় নাই। এর মধ্যে ডিফারেন্ট কিছু হিসেবে এস্টাব্লিশ করাটাও একটু টাফ কাজ হয়ে দাঁড়াতে পারে। সেই হিসেবে স্টেইন্স; গেট বেশ ভালোমতই সফল। স্টেইন্স গেটের সবচেয়ে বড় ব্যাপার মনে হয় টাইম ট্রাভেল স্টোরি হিসেবে বা শুধু সায়েন্স ফিকশন হিসেবে বিচার করলেও এর লজিক যথেষ্ট সলিড। খুব কম জায়গাতেই ইনকন্সিস্টেন্সি দেখা যায়।
তবে সবকিছুর পরেও, একটা টাইম ট্রাভেল স্টোরির মূল ফোকাস কখনোই তার লজিক হয় না। বরং টাইম ট্রাভেলের এপ্লিকেশনটাই অনেক বড় হয়ে দাঁড়ায়। এখানেও তাই। যদিও প্রথম দিকে শুরু হয়ে পুরো সায়েন্টিফিক রিসার্চের মত। টাইম ট্রাভেলের ফলাফল কি হতে পারে, পাস্ট চেঞ্জ করা যায় কি না ইত্যাদি নিয়ে ডিল করে প্রথম পর্বগুলো, এই অংশের হিউমার খুবই ভাল। কিন্তু এর পরেই ব্যাপারটা মোড় নেয় টাইম ট্রাভেলের কনসেকুয়েন্স নিয়ে। টাইম ট্রাভেলের ফলে তার কাছের মানুষের যে ক্ষতি হয়, তার রেস্পন্সে একশনে যায় কিয়োমা ওরফে ওকারিন। এবং গল্পের শেষটা আসলেই অনেক বেশি টাচিং। মাঝের ও শেষের পর্বগুলোতে খুব ভালোভাবে ইমো খেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
রেটিং: ১০

ক্যারেক্টার:
স্টেইন্স গেটের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে এর ক্যারেক্টাররা আর ক্যারেক্টারদের মধ্যেকার ইন্টারেকশন। এদের মধ্যে মূল ক্যারেক্টার ওকাবে রিনতারো আসলেই পুরো অন্য লেভেলের। প্রথম দিকে মনে হচ্ছিল এরকম ড্রামাটিক ক্যারেক্টার কখনো দেখি নাই। কিন্তু শেষতক এও মনে হয়েছে এরকম হিরোয়িক ক্যারেক্টারও মনে হয় আমি অনেক কম দেখেছি। এর বাইরে প্রতিটা ক্যারেক্টার ও গল্পে তাদের ভূমিকাই আসলে খুবই ওয়েল রিটেন।
রেটিং: ১০

আর্টওয়ার্ক:
স্টেইন্স; গেটের আর্টওয়ার্ক খারাপ না, খুব এক্সেপশনাল কিছু না যদিও। এমনিতে ক্যারেক্টার ডিজাইন, ব্যাকগ্রাউন্ড ডিজাইন ইত্যাদি বেশ স্যুটেবল স্টোরির জন্য।
রেটিং: ৯

ওএসটি ও মিউজিক:
থিমের সাথে বেশ অ্যাপ্রোপ্রিয়েট। ওপেনিং, এন্ডিং কোনটাই যদিও ঠিক কানে লেগে থাকে নি, খারাপও লাগে নি আসলে।
রেটিং: ৮

ওভারাল:
সব মিলিয়ে আমার কাছে স্টেইন্স গেট একটা মাস্টারপিস। আমি নিজে কনসেপচুয়াল সায়েন্স ফিকশন বা টাইম প্যারাডক্স রিলেটেড গল্পের প্রতি অনেক বেশি বায়াসড বলেও সেটা মনে হতে পারে অবশ্য। যাই হোক, এত ওয়েল মেড, লুপহোল ছাড়া, অসাধারণ ক্যারেক্টারাইজেশনওয়ালা একটা আনিমে দেখতে কার না ভাল্লাগে।
ওভারাল রেটিং: ৯.৫

Children Who Chase Lost Voices – Anime movie review by Torsha Fariha

ডিরেকটর- মাকোতো শিনকাই
আইএমডিবি রেটিং- ৭.৩/১০

যারা মাকোতো শিনকাই এর নাম শুনেই ৫ সিএম পার সেকেন্ড কিংবা কোতোনোহা নো নিওয়া’র মত ম্যাচিউরড অ্যানিমেশন মুভি আশা করছেন তাদের বলছি এই মুভিটা ফিকশনাল( অনেকটা মিয়াজাকির ঘিবলি মুভিগুলার মত)। তাঁর নরমাল কাজের তুলনায় বেশি লাইভলি, অ্যাডভেঞ্চারাস। তবে একেবারে বাচ্চাদের কাহিনী এটা না। বোঝার, ফীল করার, কষ্ট পাবার, শূন্যতা অনুভব করার সব উপকরণই আছে। 

এই কাহিনীর নায়িকা আসুনা নামের একটা মিডল স্কুলে পড়া মেয়ে। আসুনার বাবা মারা যায় ছোট থাকতেই আর মা নার্স। যেহেতু কাজের চাপে মা খুব একটা সময় দিতে পারে না আসুনাকে। তাই দিনের অনেকটা সময়ই সে একা একা তার বাবার দেয়া ক্রিস্টাল রেডিও শুনে কাটায়। মাঝে মাঝেই সে খুব অদ্ভুদ সুর শুনতে পেত রেডিওতে। খুব সুরেলা কিন্তু কেমন যেন মনকে বিষাদ করে দেয়া একটা ভিনদেশী গান।
একদিন ক্লাব হাউজে যাবার পথে আসুনাকে হঠাৎই একটা অদ্ভুত জন্তু আক্রমন করে বসে। এবং তাকে বাঁচায় শুন নামের এক রহস্যময় ছেলে। এভাবেই দেখা হয় শুন আর আসুনার।
পর পর দুইদিন দেখা হয় তাদের। আসুনা শুনকে তার হাইড আউটে নিয়ে আসে, তার ক্ষত পরিষ্কার করে দেয়, তাকে ক্রিস্টাল রেডিওতে সেই অদ্ভুত গান শুনায়।

শুন জানায় সে আগার্থা নামের এক দেশ থেকে এসেছে একটা জিনিস খুঁজতে। শেষ দিন শুন বিদায় নেয়ার সময় আসুনার কপালে কিস করে ব্লেসিং হিসেবে। আসুনা তো লজ্জায় লাল হয়ে কোন মতে পরের দিন আসবে বলে পালিয়ে আসে।

কিন্তু পরের দিন তার মা তাকে জানায় পাহাড়ের কাছে এক ছেলের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। এবং দেখা গেল সেটা শুনের মৃতদেহ ছিল। আসুনা কোনভাবেই বিশ্বাস করে না শুন মারা গেছে। 
সে এরপর একদিন ক্লাসে আগার্থা নামে দেশের কথা জানতে পারে তাদের নতুন টিচারের কাছ থেকে। আগার্থা হল মৃতদের দেশ। এর কিছুদিন পর তার সাথে শুনের জমজ ভাইয়ের সাথে দেখা হয় যে শুনকে খুঁজতে এসেছিল।

যাহোক ঘটনাক্রমে আসুনা জানতে পারে তাদের নতুন টিচার মুরাসাকি আগার্থায় যেতে চায় তার মৃতা স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে। এভাবেই আসুনা, শুনের যমজ ভাই আর মুরাসাকি সেন্সেই এর আগার্থা অভিযান শুরু হল। একদিকে সেই গানের রহস্য অন্যদিকে শুনের অন্তর্ধানের রহস্য- সব কিছুর সমাধানে বিপদ সংকুল পথে পা বাড়ায় আসুনা।

মোটামুটি এটাই হল কাহিনী। চমৎকার একটা মুভি। যদিও আমি প্রথমে বলেছি ঘিবলির হাসিখুশি মুভির মত এটা । প্রথমে হয়তো যে কারোই সেরকম মনে হবে। কিন্তু দেখা শুরু করলে বোঝা যাবে মাকোতো শিনকাই এর হাতের কাজ কতটা ইউনিক… কতটা অন্যরকম!

Planetes anime reaction post by Fahim Bin Selim

অনেক জায়গায় লেখা দেখলাম মাঙ্গাটা নাকি মাস্টারপিস, অ্যানিমে অ্যাডাপটেশন নাকি খুবি খারাপ। তাই অ্যানিমে দেখা শেষে উইকি থেকে মাঙ্গার সিনোপসিস দ্রুত পড়ে নিলাম। আমার মনে হয় গল্পটা অ্যানিমেতে টিউনিং করে আরো ভালোভাবে শেষ করা হয়েছে।

অ্যানিমের ভিতরের কথা বললে, এতো বড় পরিসরে, এতগুলো চরিত্র নিয়ে এইটাই সম্ভবত আমার দেখা সবচেয়ে ইমোশোনালী রিয়েলস্টিক অ্যানিমে। হাচিমাকিকে শেষের দিকে খুবি বিরক্তিকর লাগা শুরু হলেও সেইনেন অ্যানিমেতে ফেইরিটেল রোমান্স আশা করাটাও হয়তো বোকামি।

ড্রামা, প্রেম, রাজনীতি আর সাইন্স-ফিকশন; কিন্তু ফিকশনটা ডালপালা ছড়ানো অবাস্তব না, নিকট ভবিষ্যত বলাই ভালো। অসাধারন কাহিনী, অসাধারন আর্ট আর এন্ডিংটাও চিরদিন মনে থাকার মত। খুব সহজেই আমার সেরা পাঁচে ঢুকে গেল।

সেরা হার্ড সাই-ফাই অ্যানিমে এবং খুবই, খুবই আন্ডাররেটেড।

“Every ship needs a homeport to get back to.” :’)

Corpse Part: Tortured Sould anime suggestion by Kazi Rafi

রাত ১টার পরে, রুমের দরজা ভিড়িয়ে, বাতি নিভিয়ে, কানে হেডফোন লাগিয়ে দেখার মতন ৪ পর্বের দম ফাটানো হাসির আর বুদ্ধিদীপ্ত কৌতুকে ভরপুর এক এনিমে Corpse Part: Tortured Soul. এইযে নাম শুনে আপনি হতভম্ব হয়ে গেলেন, এনিমের নির্মাতারা ঠিক এইটাই আশা করছে আপনার পক্ষ থেকে। কিভাবে একটা কমেডি এনিমের নাম এরকম উদ্ভট আর কিছুটা ভীতিকর হতে পারে এই প্রশ্ন নিয়ে আপনি এনিমেটি দেখা শুরু করবেন, এইটাই তাদের মূল লক্ষ্য কারন এই ৪ পর্ব ধরে এই বিষয়টি নিয়েই এই এনিমের কাহিনিটি মূলত গড়ে উঠেছে। এনিমের কাহিনী নিয়ে আর বেশী কথা বাড়ালাম নাহ, কিন্তু একটা কথা নাহ বলে পারছি নাহ, যদিও এটি মূলত খুবই হালকা মেজাজের একটি এনিমে কিন্তু প্রতি পর্বে রয়েছে বেশ গতি আর টুইস্ট যা আপনি অনেক কাছ থেকেও প্রেডিক্ট করতে পারবেন নাহ। 
ওহ হ্যাঁ, বলতে একদমই ভুলে গেছি, এই এনিমে The Association of Japanese Animations (AJA) দ্বারা ‘Kid-Friendly’ সার্টিফাইড, সো গ্রুপে বাচ্চা কাচ্চা কেও থেকে থাকে এই এনিমে তাদেরো দেখার আমন্ত্রন রইল। আর অন্যরা, আপনারা আর সময় নষ্ট নাহ করে নামিয়ে দেখে ফেলুন ভয়াবহ হাসির এই এনিমেটি !!!

এফ এ সি ৩৩

রান্ডম টপিক

সিকাডা ব্লক[Cicada Block]

 

২০১২ সালে টুইটারে অরিজিনেট হওয়া এই মিমটা খুব পপুলার। এটা মূলত ওয়ালের কোণায়  নিজের হাত পা ব্যবহার করে ওয়ান ম্যান ব্যারিকেড তৈরী করে কাউকে আটকে রাখার কায়দা। পোজটা দেখতে সিকাডার মত, তাই একে সিকাডা ব্লক বলে. উদাহরণ কমেন্টে।

 

আনিমে সাজেশন

মুশি-শি[Mushi-shi]

 

মুশি হল অদ্ভুত এক অরগানিজম, যেগুলো উদ্ভিদও নয়, প্রাণীও নয়। এদের ব্যাপারে বিস্তারিত কেউই জানে না, সবচেয়ে বেশি যারা জানে এবং মুশি নিয়ে গবেষণা করে, তাদের বলা হয় মুশি-শি। গিনকো এদেরই একজন।গিনকোর ভ্রমণ কাহিনী, সে কিভাবে মুশি সংক্রান্ত বিভিন্ন ঘটনা ট্যাকল দেয়, এই নিয়ে আনিমেটা।

 

কেন দেখবেনঃ অদ্ভুত সুন্দর ভিজুয়াল, সাথে একই ধরনের আবহ সঙ্গীত। ঐতিহ্যবাহী ছাপটা চোখে পড়ার মত। ভীষণ মন ছুয়ে যাওয়া কাহিনী, দেখলে মন ভীষণ শান্ত হয়ে যায়, একটা পবিত্র ভাব আসে।

যারা লাস্টের লাইনটা পড়ে হাসছেন, তারা আসলে মুশি-শি না দেখলে বুঝবেন না আমি কি বলতে চাইছি।

 

কেন দেখবেন নাঃ তেমন কোন কারণ নেই।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৮১

আমার রেটিং ৯

সেকেন্ড সিজন এখন অন এয়ার, তাই রেট করছি না, তবে ৯ এর কম দেব না, মোটামুটি শিউর।

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

ভ্যাগাবন্ড[Vagabond]

 

মিয়ামতো মুসাশি নাম নিয়ে তাকেজো বেরিয়ে পড়ল অদৃষ্টের খোঁজে। লক্ষ্য একটাই, সে হতে চায় সূর্যের নিচে দাঁড়ানো মানুষগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী। কিন্তু কাজটা কি এতই সোজা?

 

কেন পড়বেনঃ তাকেহিকো ইনউয়ের আঁকা, মানে বুঝতেই পারছেন কত অসাধারণ। ভীষণ ডিটেইলড, লড়াইগুলো দেখানো হয়েছে দারুণভাবে, সুপারন্যাচারাল কন্টেন্ট নেই, পিউর স্কিল আর পাওয়ার এর প্রদর্শনী। মাংগাকা অসাধারনভাবে তা ডেলিভার করেছেন। আর মাঙ্গাটা আঁকা হয়েছে সত্য ঘটনার আলোকে।

 

কেন পড়বেন নাঃ তেমন কোন কারণ নেই।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৮৬

আমার রেটিং আমার রেটিং নেই, কারণ সিরিজ অন্গিং।

 

এফ এ সি ৩২

রান্ডম টপিক

 গাঙ্গুরো[Ganguro]

 

১৯৯০ এর মধ্যভাগ থেকে জাপানের “বিদ্রোহী গোছের তরুণী প্রজন্ম” ঠিক করলো তারা সব নিয়মকানুনের বাইরে চলে যাবে। তাই তারা করলো কি, কড়া ট্যান করলো, আর সেই সাথে চুলে  ব্লিচিং, আর হেভি মেকআপ। সব মিলিয়ে দেখায় ভূতের মত, কিন্তু তাদের এটাই পছন্দ। ভুতের মত বলছি তার কারণ আছে, এর সাথে জাপানি ফকলোরের সম্পর্ক আছে.

ব্যক্তিগত মতামত: এটা আসলে সুন্দরী মেয়েদের কুত্সিত সাজার চেষ্টা।  উদাহরণ কমেন্টে।

 

 

আনিমে সাজেশন

 সাকামিচি নো অ্যাপোলন[Sakamichi no Apollon]

 

 

ধনী পরিবারে জন্ম প্যাম্পারড কাওরুর সাথে পরিচয় হয়ে গেলো সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর দরিদ্র পরিবারের এক ইয়াঙ্কি সেন্তারোর সাথে। তাদের দুজনেরই ভালো লাগার বিষয়? সঙ্গীত। কাহিনী অবশ্য এখানেই থেমে থাকল না, সঙ্গীতের ডালপালা বেয়ে প্রেমের সম্পর্ক হল বহুভুজ। হ্যাপি এন্ডিঙ, কথাটা কি সবার জন্যই বরাদ্দ?

 

কেন দেখবেনঃ এই পর্যন্ত যতগুলো জোসেই আনিমে দেখেছি, সবগুলোই এক্সেপশনাল, সাকামিচিও এর ব্যতিক্রম নয়। বন্ধুত্ব, প্রেম, নানা ধরনের সম্পর্ক, সবকিছুই খুব সুন্দরভাবে দেখানো হয়েছে, অসাধারণ আবহ সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে।

কেন দেখবেন নাঃ তেমন কোন কারণ নেই।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৫১

আমার রেটিং ৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

 সেইশুন ফরগেট[Seishun Forget]

তাইও হিনাতার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সমস্যা একটাই, হিনাতা এক দিন পরপর আগের কাহিনী ভুলে যায়! তাহলে সবই কি পণ্ডশ্রমে পর্যবসিত হবে?

 

কেন পড়বেনঃ রিসেন্টলি ইসশুকান ফ্রেন্ডস এর প্রশংসায় অনেকেই পঞ্চমুখ, সেইশুন ফরগেটকে বলতে পারেন এর কমেডিক টেইক। যথেষ্ট ভালো আঁকা, রিফ্রেশিং, এঞ্জয়েবল স্লাইস অব লাইফ।

কেন পড়বেন নাঃ কোন অ্যাকশান, ক্লিফহ্যাঙ্গার, সাস্পেন্স ইত্যাদি নেই। প্রেডিকটেবল কাহিনী।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৮০

আমার রেটিং ৭

এফ এ সি ৩১

রান্ডম টপিক

 জাপানী নববর্ষ

 

 

১৮৭৩ সাল থেকে উদযাপন শুরু হয়, দিনের মূল কর্মকান্ড হলো মন্দিরে গিয়ে ঘণ্টা বাজানো, এরপর পরিবারের সাথে মচি, সোবা ইত্যাদি খাওয়া। বড়রা ছোটদেরকে খামে ভরে টাকা দেন, অনেকটা সালামির মত, একে বলে ওতশিদামা। ১০০ ডলার পাওয়াও বিচিত্র কিছু না.

 

 

আনিমে সাজেশন

ফুশিগি ইয়ুগি[Fushigi Yuugi]

 

 

জাদুর বলে অতীতের এক জগতে পা রাখল মিয়াকা। জড়িয়ে পড়ল সে সেখানকার ক্ষমতার লড়াইয়ে জড়িত দুই গোষ্ঠীর সাথে। একই সাথে সে খুঁজে পেল তার ভালবাসা। এর পরিণতি কি হতে যাচ্ছে?

 

কেন দেখবেনঃ খুব ভালো অ্যাকশান শউজো, কাহিনী মসৃণভাবে এগিয়েছে, কাহিনী দেখে যারা ইনু ইয়াশার সাথে খানিকটা মিল পাচ্ছেন, তাদেরকে বলি, কাহিনিবিন্যাসের ক্ষেত্রে এটা ইনু ইয়াশার চেয়েও ভালো। ওপেনিং আর এন্ডিঙ থিম দারুন, বিশেষ করে কোন পর্ব শেষ হবার ১-২ মিনিট আগেই এন্ডিঙ থিম এর মিউজিক প্লে করত, সাথে সাথে রোম দাঁড়িয়ে যেতো। এবং, অবশ্যই, এর ফিনিশিং যেভাবে হয়, আমার কাছে সবচেয়ে স্যাটিস্ফাইং আর শকিং ফিনিশিং গুলোর একটা।

কেন দেখবেন নাঃ বলা উচিত, কি দেখবেন না। অভিয়েগুলো দেখার কোনই কারণ নেই।

 

 

ম্যাল রেটিং ৭.৭৯

আমার রেটিং ৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

 মাই হার্ট ইজ বিটিং[My Heart is Beating]

 

 

অভিভাবকরা সাধারণত ছেলেমেয়েদের উপর একটু বেশিই চাপ দেন। বায় সুগুর অবস্থা হল আরও খারাপ, কারণ তাঁর বাবা স্কুলের ভাইস-প্রিন্সিপাল। আন্ডারএচিভার সুগুএকদিন মেয়েদের সাঁতারের ছবি তুলতে গিয়ে পড়ে গেলো গাড্ডায়, তাকে জোর করে স্কুলের প্রমীলা সুইমিং টিমের অংশ করে নেয়া হল। এরপর?

 

কেন পড়বেনঃ মেইন ক্যারেক্টার এর সাথে অনেকেই হয়তো রিলেট করতে পারবেন। সম্পূর্ণ রঙিন মানহুয়া, পড়তে বেশ মজা। ভালো রোমান্টিক কন্টেন্ট আছে। আর এটা আন্নারাসুমানারার মান্গাকার আঁকা।

কেন পড়বেন নাঃ পুরো স্কুল লাইফ বেইসড, খানিকটা কামিং অব এইজ কন্টেন্ট আছে। যারা উত্তেজনাবিহীন মাঙ্গা পড়তে পছন্দ করেন না, তারা এটা স্কিপ করে যেতে পারেন।

 

 

ম্যাল রেটিং ৮.২১

আমার রেটিং ৮

 

 

এফেসির অন্য সংখ্যাগুলো পাবেন এই লিঙ্কে।

http://www.animeloversbd.com/tag/%E0%A6%8F%E0%A6%AB-%E0%A6%8F-%E0%A6%B8%E0%A6%BF/