Taro the Dragon Boy [মুভি রিভিউ] — Bashira Akter Anima

Taro 1

ফ্রেঞ্চ এনিমেশন মুভি খুঁজতে গিয়ে এটাকে পেয়ে গেলাম হঠাত করে। এটা যে জাপানিজ তাও বুঝি নি প্রথমে।
১৯৭৯ সালে নির্মিত মুভি “Taro the Dragon Boy” প্রথম থেকেই কিছুটা জিবিলি, বেয়ারফুট জেন বা প্রথমদিকের দেখা এনিমে গুলোর ভাইব দিচ্ছিলো। গ্রামের পরিবেশ, বা হেলতে দুলতে গান গাওয়া দেখে কেনো জানি “The Tale of the Princess Kaguya” এর কথাও মনে পড়লো। মুভিটি জাপানের এক বিখ্যাত লোকগাঁথা এর অবলম্বনে করা।
গল্পের মূল চরিত্র ছোট ছেলে তারো হলো সারাদিন পড়ে পড়ে ঘুমোনোর দলের লোক। বুড়ো নানী আর সে মিলেই তাদের ছোট্ট সংসার। জীবনে তার নেই কোনো লক্ষ্য নেই কোনো কাজ। সারাদিন হয় পড়ে পড়ে ঘুমোয় সে নয়তো উঠে নানান খাবার নিয়ে সে নিজে খায় এবং বনের পশুপাখিদের খাওয়ায়। তার সব বন্ধু হলো বনের পশুপাখি, তাদের সাথে খেলে বেড়ায়, সুমো রেসলিং করে। এর মাঝে সে একদিন এক বর পায়, যার কারণে সে একাই ১০০ জন মানুষের শক্তি অর্জন করে কিন্তু তা শুধু সে ব্যয় করতে পারবে মানুষের কল্যানেই নিজের জন্য নয়। পরিচয় হয় চমৎকার এক মেয়ের সাথে, খুব সুন্দর বাঁশী বাজায় সে, পাহাড়ের বনের সব পশুপাখি সে সুরে মোহিত হয়ে ছুটে আসে তার সাথে।

Taro 2
এভাবে ভালোই চলছিলো সবকিছু কিন্তু একরাতে সে এক তীব্র সত্যের সম্মুখীন হয়। জানতে পারে যে তার মা হয়তো বেঁচে আছে কোথাও, এই ই সব নয়। সে জানতে পারে তার মা কোনো এক অজ্ঞান কারণে ড্রাগনে পরিণত হয়েছিলো তার জন্মের সময়ই। কিন্তু সে থাকতে পারে নি এখানে চলে গেছে বহুদূরে শুধু বৃদ্ধ মা কে বলে গেছে তার ছেলেকে দেখে রাখতে এবং সে চিরজীবন তারোর অপেক্ষা করবে। তারো এ শুনে আর নিজেকে আঁটকে রাখতে পারে না। কেনো তার মা ড্রাগন হলো, তার মাকে দেখার জন্য এবং ফিরিয়ে আনার জন্য সে ঘরছাড়া হয়।
তখনো সে বুঝে উঠতে পারে নি যে তার সামনে অপেক্ষা করছে এক দীর্ঘ এডভেঞ্চার। কিন্তু এই এডভেঞ্চার, একেকটা গ্রাম দেখা, নতুন পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া, নতুন মানুষের সাথে পরিচয় হওয়ার মাধ্যমে তারো যেনো আরো বড় হয়ে উঠে, বুঝতে পারে তার জীবনের লক্ষ্য কি। আরো বুঝতে পারে যদি মনে আশা থাকে এবং তীব্র ইচ্ছা থাকে তাহলে যেকোনো বাঁধা পার হয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়। তারো আসলেই তার মা কে খুঁজে পায় কিনা বা কেনো তার মা ড্রাগনে পরিণত হয়েছিলো তা জানতে হলে দেখে ফেলুন মুভিটি।
মুভিটি হয়তো অনেকে বাচ্চাকাচ্চাদের জিনিস বলতে পারে কিন্তু আমার ভালো লেগেছে। আমার ধারণা যারা জিবিলী মুভি পছন্দ করে তাদের এটা ভালো লাগবে।

Taro 3

Densha Otoko [মাঙ্গা রিভিউ] — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

Densha Otoko

ওটাকু বলতে জাপানে সাধারণত সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন , আনিমে , মাঙ্গা , ভিডিও গেমস নিয়ে দিনরাত ২৪ঘন্টা ডুবে থাকা লোককে বোঝায় । এরা সাধারণ লোকদের সাথে সহজে যোগাযোগ করতে পারে না । কিন্তু যদি কোন ওটাকু তার অবসেশন বিসর্জন দিয়ে বাস্তবতা ও সাধারণ জীবনে ফিরে আসে একটি ছোট্ট পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে ? এইরকম এক বাস্তব কাহিনীকে কেন্দ্র করে আঁকা মাঙ্গা হল ডেনশা ওটোকো ।
এই মাঙ্গার কেন্দ্রীয় চরিত্র হল এক ওটাকু । মাঙ্গা , ফিগারিন তার দুনিয়া । চাকরি করে এসেই ডুব দেয় তার ভার্চুয়াল দুনিয়ায় । পরণে অতিরিক্ত ঝোলা শার্ট , উস্কোখুশকো চুল , চোখে হালকা পাওয়ারের চশমা । তো একদিন পছন্দের ফিগারিন কিনে ট্রেনে ওঠে সে । যে সিটে বসে সে সেখানেই সুন্দরী এক তরুণী বসা ছিল । তো সে অত মনোযোগ দেয়নি । কিন্তু কিছুক্ষন পরে এক মাতাল এসে ঐখানের যাত্রীদের হয়রানি করতে থাকে বিশেষ করে ওই তরুণীকে । আমাদের নায়ক প্রথমে স্বভাবমতো চুপ করে থাকলেও একসময় প্রতিবাদ করে ওঠে ! মাতাল তাকে এই মারে তো সেই মারে কিন্তু তার আগেই কালেক্টর মাতালকে ধরে বের করে দেয় । তো ওই তরুণীসহ যাত্রীরা তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ যায় এবং যোগাযোগ নম্বর ও ঠিকানাও টুকে নেয় কয়েকজন । তো একদিন হঠাত্‍ করে তার বাসায় ওই তরুণী যার নাম হার্মিস কিছু কাপ উপহার পাঠায় ধন্যবাদ স্বরুপ । ন নায়কও সাহস করে তাকে ধন্যবাদ স্বরুপ ট্রিটে নিমন্ত্রণ করে । একে অপরের সাথে তাদের ভালো করে পরিচয় হয় এবং ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে । আর আমাদের নায়কও ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হতে থাকে । এবং তার এই দৈনন্দিন ঘটনা সে একটি অনলাইন থ্রেডে শেয়ার করে এবং ওই থ্রেডের সবাই তাকে উত্‍সাহ দিতে থাকে । আমাদের নায়ক কি পারবে এই সম্পর্ককে ফল প্রদান করতে ? আর তার নিজেরসহ আশেপাশে সকলের কি পরিবর্তন হবে ?!
সাধারণ একটি রোমান্স মাঙ্গা তবে খুবই ভালো লেগেছে । কাহিনী সিম্পল ভাবে এগিয়েছে ,কোন অপ্রয়োজনীয় টুইস্ট নেই । বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে বলে বেশ অনুপ্রেরণাদায়ক । একজন অবসেসড ওটাকু থেকে সাধারণ জীবনে ফিরে আসার ঘটনার অসাধারণ এক মাঙ্গা । আর্টস্টাইল সুন্দর! খুবই ভালো লেগেছে আমার কাছে , আশা করি আপনাদেরও ভালো লাগবে । সময় থাকলে পড়ে ফেলুন ২৭চ্যাপ্টারের মাঙ্গা ডেনশা ওতোকো ।
আমার রেটিং : ৭/১০

Read Online: http://kissmanga.com/Manga/Densha-Otoko-Net-Hatsu-Kakueki-Teisha-no-Love-Story

 

Dojoji Temple [রিভিউ] — Nudrat Mehraj Sadab

Dojiji 1

Dojoji Temple নামের ১৯৭২ সালে মুক্তি পাওয়া ১৯ মিনিটের মুভিটি দেখলাম। যদিও এটাকে পুরোপুরি এনিমে বলা যাবেনা। ট্রেডিশনাল আর্টের সাথে পাপেট শো এর এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ নিয়ে Kihachiro Kawamoto’র তৈরি এ শিল্পকর্ম দেখে মন জুড়িয়ে যায়। জাপানিজ লোকগাথা উঠে এসেছে এই মুভিতে। এই লোকগাথা নিয়ে অনেক কাবুকিও মঞ্চস্থ করা হয়।

গ্রামের মোড়ল শোজি এবং তার মেয়ে কিয়োহিমের বসবাস হিদাকা নদীর তীড়ে। খুবই অবস্থাপন্ন জীবন তাদের। তাই দূর-দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকদের আশ্রয় এবং আপ্যায়নে কোন কমতি রাখতেন না শোজি। একদিন তরুণ ধর্মযাজক আনচিন উপস্থিত হয় শোজির বাড়িতে। কিয়োহিমে প্রথম দেখাতেই প্রেমে পড়ে যায় সেই তরুণটির উপর। রাত গভীর হলে কিয়োহিমে ঘুমন্ত আনচিনের কাছে আসে। আনচিন জেগে যায়। কিয়োহিমে তার ভালোবাসার কথা জানায় এবং আনচিনকে না যাওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু আনচিনের মনে রাজ্যের সংশয়। প্রথমে অপারগতা জানালেও পরে সে কিয়োহিমের হাত ধরে কাছে টেনে নেয়।
কিন্তু পরদিন আনচিন না বলে চলে যায় শ্রাইনের উদ্দেশ্যে। কিয়োহিমে তা দেখে ফেলে। সে রেগে তার কাছে যায়। তখন কিয়োহিমের অন্য রূপ দেখা যায়। ভেতরের ক্রোধ ফুটে ওঠে তার চেহারায়। আনচিন দ্রুত নৌকোয় করে নদী পার হয় এবং মাঝিকে বলে দেয় কিয়োহিমেকে যাতে সে না উঠায়। তো কিয়োহিমে নদীর পাড়ে আসল এবং মাঝিকে অনুরোধ করল পার করে দেয়ার জন্য। কিন্তু মাঝি সাড়া দেয়না। কিয়োহিমে নদীতে ঝাঁপ দেয়। তখন কিয়োহিমের আরেক বিধ্বংসী রূপ দেখতে পাব। সে ক্রোধে এতটাই বশভর্তী হয়ে পড়ে যে সে একটি বিশাল ড্রাগনে পরিণত হয়।
ওদিকে আবার আনচিন ডোজোজি মন্দিরে গিয়ে সেখানের পন্ডিতদের সব কথা খুলে বলে এবং সাহায্য চায়। তারা একটি বিশাল ঘন্টার ভেতর আনচিনকে লুকিয়ে থাকতে বলে। যাইহোক কিয়োহিমে আসে। আনচিনকে খুঁজে। কোথাও পায়না। পরে ঘন্টার কাছে আনচিনের ঘ্রাণ পায়। তখন সে পুরো ঘন্টাটিকে পেঁচিয়ে ফেলে। মুখ থেকে আগুন বের করে জ্বালিয়ে দেয়। একসময় দেখি তার চোখ থেকে রক্ত ঝরছে। হয়ত কেউ যখন ক্রোধ সংবরণ করতে পারেনা তার কান্না রক্ত হয়েই ঝরে। যাই হোক সে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর পন্ডিতরা এসে ঘন্টা উঠায়। একটি কঙ্কাল ছাড়া কিছু দেখতে পায়না। ওদিকে কিয়োহিমেও দুঃখ ভারাক্রান্ত হয়ে নদীতে ডুব দেয়। আর ওঠে না সে। এমন করুণ পরিণতির মধ্য দিয়েই শেষ হয় ছবিটি।

Dojiji 2

কোনকিছু পাবার ইচ্ছায় মানুষ এমন কিছু ভয়ংকর সিদ্ধান্ত নেয় যা তাকে এবং তার আশেপাশের সবাইকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এবং না পাওয়ার ক্রোধ তার মনুষ্যত্বকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়। যা এই মুভি আমাদের চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দিবে। তারপরও যখন কিয়োহিমের মনের করুণ অবস্থা ফুটে ওঠে তার জন্য আসলেই কষ্ট হয়।

সম্পুর্ণ ডায়ালগ বিহীন এ মুভি খুব কম মানুষেরই ভাল লাগবে। কিন্তু যারা একটু নতুন কিছু চান তারা সময় নিয়ে দেখে ফেলতে পারেন। আগেই বলে রাখলাম ইট ইজ নট এভ্রিওয়ানস কাপ অফ টি।

Dojiji 3 Dojiji 4

Cat Shit One [রিভিউ] — Zahin Mobashshir

CSO 1

ইরানের এক মরুভূমির মাঝের দৃশ্য।
জংগী বাহিনী কিছু জিম্মীদেরকে নিজেদের কব্জায় আঁটকে রেখেছে।
নিরূপায় জিম্মিদেরকে জংগীদের কথা মতো বন্দীশালার দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে হচ্ছে। এমন সময় এক জিম্মী বিরোধ করে বসল, হাত বাঁধা অবস্থায়ই সে মুক্তি পেতে বিরান মরুভূমি পানে ছুট দিল………
*ঠাস*
একটা বুলেট মাটিতে আছড়ে পড়ল এবং পরমুহূর্তেই মাটিতে পড়ল নিরীহ জিম্মিটির নিথর দেহ।

কাহিনীটি পড়ে মনে হতে পারে বাস্তবে ঘটে যাওয়া কোন একটা অংশের চিত্র, আসলে এটি হল “Cat Shit ONE” নামক একটা ONA এর দৃশ্যপট।

CSO 2

নাম: Cat Shit ONE
ধরন: ONA
জনরা: Action, Fantasy, Military
ব্যপ্তি: ২২ মিনিট
ম্যাল স্কোর: ৭.২৬

Perkins এবং Botasky এরা দুজন হল একটা Special Ops গ্রুপের সদস্য। বর্তমানে তাদের মিশন হল ইরানের এক মরুভূমিতে এক বিরাট জংগী বাহিনীর হাত থেকে জিম্মিদের ছাড়িয়ে আনা। পরিকল্পনা মোতাবেক ঘটনাস্থলে গিয়ে এই দুই তুখোড় সদস্য তাদের সার্ভে সম্পাদন করে এবং হেডকোয়ার্টারে এ সম্পর্কে জানায়। কিন্তু তাদের সামনেই এক জিম্মীকে হত্যা হতে দেখে তারা হেডকোয়ার্টারকে দ্রুত ব্যাকাপ পাঠাতে বলে কারন জংগীরা সংখ্যায় ছিল অনেক বেশি এবং তারা মাত্র দুইজন।
হেডকোয়ার্টার থেকে জানানো হয় যে ব্যাকাপ আসতে দেরি হবে এবং তাদের অপেক্ষা করার নির্দেশ দেয়া হয়। এই দুইজনের মধ্যে সিনিয়র ব্যক্তি অপেক্ষা করতে নারাজ হয় এবং নিজেরাই জিম্মীদের উদ্ধার করতে তৎপর হয়। এরপরে শুরু হয় বিশাল এক জংগী বাহিনীর সাথে দুইজন Special Ops সদস্যের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। কে জিতে এই যুদ্ধে??
জানতে দেখে ফেলুন এই ONAটি।

এরকম তো অনেক কাহিনীই দেখেছেন, এমনকি বাস্তব জীবনেও এমন ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে। তাহলে কেন এই ONAটি দেখবেন?
এখানের মজার বিষয় হল যে, Special Ops এর সদস্য দুইজন হল কিউট দুইটা খরগোশ । এই কিউট দুইটা খরগোসই এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে অংশ নেয় এবং শেষ পর্যন্ত………
থাক শেষে কি হয় সেটা নিজেরাই দেখে ফেলুন।

ONAটির গ্রাফিক্সের কথা না বললেই নয়। অনেকটা 3D আমেজের গ্রাফিক্সে তৈরি এই ONAটিতে আপনারা দেখতে পারবেন কিছু অসাধারন যুদ্ধের দৃশ্য, এমনকি এখানে কিছু স্লো মোশনের ফাইটসিনও আছে যা যুদ্ধের আমজকে আরো বাস্তবশীল করে তোলে।

ONAটির Sub এবং Dub দুইটা ভার্সনই বের হয়েছে।
আমার কাছে দুইটাই ভাল মনে হয়েছে। দুইটা ভার্সনেই খুব সুন্দরভাবে চরিত্রগুলাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে তবে সব Dub ভার্সনের মতো এখানেও অর্থের কিছু পরিবর্তন হয়েছে।
যারা Third Person or FPS গেম খেলে অভ্যস্ত তাদের জন্যে Dub ভার্সনটা সাজেস্ট করব।

Sub: https://kissanime.to/Anime/Cat-Shit-One

Dub: https://kissanime.to/Anime/Cat-Shit-One-Dub

CSO 3

Usagi Drop [রিভিউ] — Arafin Shanto

Usagi Drop

Anime:- Usagi Drop
Genre:- Comedy;; Slice Of Life
MAL rating:-8.6
personal rating:-8.9

এনিমেতে সাধারণত চাইল্ডকেয়ার বিষয়টি উপরে উঠে আসে না;
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখানো হয় দীর্ঘ সূত্রের পারিবারিক বন্ধন।যেখানে বাবা-মা না থাকলেও হয়ত সন্তান টি বড় হয়ে ওঠে পরিবারের অন্যান্যদের ছত্রছায়ায় ;;
সেদিক থেকে উসাগি ড্রপ সম্পূর্ণ আলাদা;;
যেখানে দেখা যায় ; দাদার শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে গিয়ে গল্পের নায়ক দাইকিচি একটি অপিরিচিত; ছোট মেয়েকে দাদার বাড়ির আংিনায় দেখতে পায়। প্রথম দেখাতে মেয়েটি হতচকিত হয়ে দাইকিচির আড়ালে চলে যায়;;
পরে দাইকিচি পরিবারের অন্যান্যদের সূত্রে জানতে পারে; মেয়েটি তার দাদার সন্তান; যদিও অবৈধ ;; মেয়েটি সবার আড়ালে চুপচাপ থাকতেই বেশি পছন্দ করে;;

যাইহোক দাদার শেষকৃত্য অনুষ্ঠান শেষে পারিবারিক সভা ডাকা হয় মেয়েটির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার জন্য;;খুভ সাভাবিক ভাবেই সবাই মেয়েটির দায়িত্ত নিতে অসীকৃতি জানায়; যখন অমিমাংসিত সভায় মেয়েটিকে চাইল্ডকেয়ারে দিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়াটাই চূড়ান্ত হচ্ছিল;তখন মুখ খোলে দাইকিচি;
সে মেয়েটিকে দত্তক নিতে চায়;
আর এভাবেই শুরু হয় দাইকিচি-রিনের জীবনের নতুন পথচলা;;
দাইকিচির জীবনে আসতে থাকে পরিবর্তন;
সে রিন কে তার প্রয়োজন এর তাগিদে ডে-কেয়ার এ ভর্তি করায়;;
সে অফিসের ওভারটাইম করা বন্ধ করে দেয়;;ছেড়ে দেয় বন্ধুদের সাথে আড্ডা;;

আরো অনেক আনন্দ-হাসি-কান্নার মধ্য দিয়ে চলতে থাকে দাইকিচি-রিনের জীবন;;

মাংগা নিয়ে আপত্তি থাকলেও আমি এনিম টা নিয়ে বলতে চাই এক কথায় অসাধারণ;
এখানে একজন সাধারণ বাবা-মেয়ের মতই দাইকিচি-রিনের সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে ;;
এনিমের ড্রয়িং মোটামুটি ভালই ;
মিউজিক কোয়ালিটি যথেষ্ট ভাল;
ওপেনিং – ইন্ডিং বিশেষত ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক আপনাকে নিয়ে যাবে অন্যরকম ভাললাগার দুনিয়ায়।

তাই দেরি না করে তাড়াতাড়ি দেখে ফেলুন ১১ এপিসোডের এই সোল এনিমটি ;;

ধন্যবাদ

Notes./Angel Notes [লাইট নোভেল রিভিউ] — Tahsin Faruque Aninda

VV_CharacterMaterialNotes./Angel Notes
Author: Kinoko Nasu
Genre: Fantasy, Magic, Supernatural, Apocalyptic World
Chapter: 8

পটভূমি:
সুদূর ভবিষ্যতের কথা, যখন পৃথিবীর মৃত্যু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এই মৃত গ্রহের বসবাসকারীরা ঠিকই বেঁচে আছে তাদের টেকনোলজির কারণে। মানবজাতি নিজেদের বেঁচে থাকার সুবিধার্থে জেনেটিক টেকনোলজির দ্বারা বিভিন্ন নতুন ধরণের প্রজাতি সৃষ্টি করেছে যারা মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণির সংকর [A-rays], সৃষ্টি করেছে আরও উন্নত জাতের মানব প্রজাতি যারা এই দুষিত পরিবেশে ভালভাবে বেঁচে থাকতে পারবে।

 

 

কিন্তু মানুষদের আর A-raysদের মধ্যে ভয়াবহ বড় এক যুদ্ধ লাগে, যাতে পুরা মানবজাতির প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়, একই সাথে পৃথিবীর বাকি যেটুকু ছিল তার অবস্থাও আরও করুণ হয়ে যায়। কিন্তু যুদ্ধে বিরতি পরে যখন পৃথিবীতে আক্রমণ করে ৮জন Aristoteles, নতুন ধরণের এই শত্রুর উদ্দেশ্য যেন পুরা পৃথিবীর বাকিটুক ধ্বংস করে দেওয়া। পৃথিবীতে বসবাসকারীদের এখন সংগ্রাম এই সকল Aristoteles দের হাত থেকে নিজেদের এবং পৃথিবীতে বাঁচানো।

 

গঠন:Guitar

৮ চ্যাপ্টারের ছোট্ট লাইট নোভেল হলেও এরই মধ্যে নাসু তার যাদু দেখিয়েছে। Kara no Kyoukai-এর মতই এখানেও গল্পের সময়ানুক্রম আগেপিছে করে রাখা হয়েছে, এবং এর কারণে গল্পের আকর্ষণটা আরও অনেক বেড়ে গিয়েছে। তবে গল্পটি পড়তে গেলে একই সাথে গল্পের পাশাপাশি এর ডিকশনারি/এনসাইক্লোপিডিয়া অংশের লেখা পড়তে হবে। মূলত, এই অংশে উল্লেখ করা ব্যাখ্যাগুলি দিয়েই আসলে পুরা ইউনিভার্সটার গঠন তুলে ধরা হয়।

 

 

পড়া শুরুর পর প্রথম কিছুক্ষণ ঘটনাক্রম বুঝতে সমস্যা হতে পারে, এবং নোভেলটির অর্ধেক পর্যন্ত না পড়া পর্যন্ত কোনকিছুই ঠিকমত বুঝে উঠা সহজ হবে না। তবে ধৈর্য্য ধরে এটুকু পড়তে পারলে বাকি অংশ বেশ আরামে পড়া যাবে।

 

চরিত্র:
ছোট গল্পে মূল চরিত্র বলতে রয়েছে ২ জন — Godo এবং V/V. দুইজনের চরিত্রের খুব বেশি ব্যাখ্যা দিতে গেলে স্পয়লার হয়ে যাবে, তবে অল্প কথায় বলতে গেলে বলা যায় কথোপকথন অংশগুলি বাদ দিলে বেশ ভালমত গল্পের সাথে মানিয়ে গিয়েছে। কথোপকথন অংশগুলি খারাপ না, তবে নাসুর জীবনের শুরুর দিকের তাড়াহুড়া করা কাজ বলে কিছুটা নবিশ ছাপ পরেছে সেখানে।

godo

*** *** ***

Ado_Edem_Slash_Emperorসমগ্র নাসুভার্সটাকে একটা শেইপ দেবার কাজ করেছে যেই লাইট নোভেল, তা হল এই Notes. বা Angel Notes. যদিও Kara no Kyoukai এর পরে এসেছে, তারপরেও নাসুভার্সের ভিত্তি ঠিক করে দেবার কাজ প্রথম করেছে কিনোকো নাসুর এই লাইট নোভেল। অবশ্য তাই বলে এমন না যে অন্যান্য গল্পগুলি না পড়লে বা সেই ব্যাপারে না জানলে এটা পড়া যাবে না। এমনকি নাসুভার্সের অন্য গল্পগুলির সাথে সামান্যই কমন জিনিস আছে এখানে।

১৯৯৯ সালের এঞ্জেলদের নিয়ে এক দৌজিন Angel Voice লিখবার আমন্ত্রণ পায় নাসু, সেখানে একই সাথে ছিল নাসুর লেখা Notes আর তাকেউচির আঁকা মাঙ্গা clowick canaan-vail. নাসুর জীবনের একদম প্রথম দিকের লেখা গল্পগুলির অন্যতম এটি, এবং দৌজিনে প্রকাশ করার জন্যে তাড়াহুড়া করে লিখতে হয়েছিল, আর সেই ব্যাপার নিয়ে নাসুর হতাশাও দেখা যায় গল্পের আগে তার ছোট্ট ভূমিকাতে। কিন্তু গল্পের পটভূমি, চরিত্র, ব্যাকগ্রাউন্ড, এবং একই সাথে পুরা ইউনিভার্সটার গঠন [যেটা পরে নাসুভার্সের অন্যান্য গল্পের সেটিং তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখে] – সবকিছুই বেশ পরিপক্ক কাজ।

WAVE নামের একটি ব্যান্ড Notes উপলক্ষে “AFTER IMAGE” নামের একটি Doujin Orchestral Album বের করেছে, যেটি বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। এটিকে এই নোভেলের Unofficial OST Album হিসাবে ধরে নেওয়া যায়। বিশেষ করে এর থিম মিউজিক শুনলে সন্দেহ হতে পারে যে এটি আসলে শুধুই কি একটি আনঅফিসিয়াল এলবাম, নাকি অফিসিয়াল কোন কিছু!

【WAVE】AFTER IMAGE (C71)【Doujin Orchestral/Vocal Album】

ভবিষ্যতে নতুনভাবে এবং আরও প্রফেশনাল লেখার গঠনে Notes-এর নতুন রিলিজ হবে এমন আশা করছি। তবে এই মুহুর্তে নাসুভার্সের একগাদা কাজ জমে আছে, আর শুধুমাত্র Fate অংশের একের পর এক গল্প নিয়ে Type-Moon আর নাসু যেভাবে মগ্ন হয়ে আছে, তাতে হয়তো আশায় গুড়েবালি হলেও হতে পারে। অন্তত, ufotable-এর দ্বারা এই গল্পের OVA ভার্শন আসুক এইটুক আশা করছি।

অনন্য মাঙ্গা আসর-৬ (Doctor Du Ming)

Du Ming 1
-Du Ming,How do you think I’ll Die?
-Hanging! To a tree like a dead leaf among others….
Your hair would cover your face and your hands
& Your hands would hang limply from your
Body.You would look like a puppet.It’d be
Wonderful………
-Du Ming,Look The flowers grow so well here…..
-It’s because Their Roots are bathing in the blood and excretions of the patients
একটি প্রশ্ন – “ What makes a person Pure?”
মানুষের Purity যাচাই করা যায় কিভাবে? যায় কি? আদৌ কি তা আমাদের পক্ষে সম্ভব? নাকি সে আমার কাছে কেমন তা দিয়ে আমরা তার ভালোমন্দ বিচার করি?
কিছু ঠুনকো “Not Making Sense” কথা মনে হলেও এ কথাগুলোর গুরুত্ব রয়েছে বটে।এমনই ঠুনকো প্রশ্ন ছুড়ে দেয়া হয় ১৯৯৬ ব্যাচের Anesthesia ‘র মেডিকেল পড়ুয়া ছাত্র Du Ming এর কাছে।যে ছুড়ে দিয়েছিল সে Zhang Qian…
সমগ্র কলেজব্যাপী এই Zhang Qian কে নিয়ে রয়েছে নানা কথা।মাত্র ১০ কুয়েই ( ১.৩১ ডলার) খরচ করলেই নাকি তাকে রাত্রীসঙ্গী বানানো যায়। তবুও এত বড় মেডিকেল কলেজে সে খুব একা……
ক্লিনিক্যাল মেডিসিন ‘১৯৯৪ ব্যাচের এই Zhang Qian প্রথম দর্শনেই মনে দাগ কাটে ডু মিং এর।হয়ত মনে ভাবনাও আসে — “যার নামে এধরনের জনশ্রুতি আছে তাকে দেখে কেন নিষ্পাপ মনে হল?” , এটা ডু মিং এর ফেস এক্সপ্রেশন দেখে আমার নিজস্ব ধারণা যদিও,মানহুয়া তে বলা নেই ……
প্রতিদিনের ক্লাস আর ল্যাব ফাঁকি (প্রকৃতপক্ষে ফাঁকি না) দিয়ে ছাঁদে শুয়ে থাকা ডু মিং এর , তারপর প্রায় প্রতিদিনই জাং কিয়ানের সাথে দেখা হওয়া এমন ই এক রোমান্টিক গল্প ……………
………………
………………
………………
………………
এটি নয়।
মানহুয়া : Doctor Du Ming
চাপ্টার : 15
ডাক্তারি পড়তে আসা ছাত্র ডু মিং,কলেজের “Slut” বলে পরিচিত জাং কিয়াং আর গল্পের শেষাংশের নায়িকা [হয়ত নায়িকা নন] ওয়াং ইয়াও – চরিত্র বলতে গেলে এই তিনটাই……
মানহুয়া টি সম্পর্কে বলতে গেলে প্রথমেই আর্টের কথা উঠে আসে। যারা মানহুয়া বা চাইনিজ কমিকের আর্ট স্টাইলের সাথে পরিচিত নন,তাদের কেবল আর্টের জন্য হলেও মানহুয়া টা পড়ে দেখা উচিত। আর্ট বেশ ভালো,বিশেষ মুহূর্তগুলোতে আর্ট মন কাড়ার মত হয়েছে……
শুরু স্লাইস অফ লাইফ-রোমান্স ভাইব নিয়ে,তবে হাইস্কুল না হয়ে মেডিকেল কলেজ বলে বেশ ম্যাচিউরড সংলাপ ও আবহ পাওয়া যাবে……
কিছুদূর যেতে না যেতেই হালকা কলেজ ড্রামা তারপর অত্যন্ত সাইকোলজিক্যাল এনভায়রনমেন্ট,আত্নহত্যা,খুন,এডাল্ট ও ট্রাজিক টুইস্ট গল্পের বেশ ভালো পটেনশিয়াল দাঁড় করিয়ে দেয় ……
এডাল্ট ম্যাটেরিয়াল রয়েছে কিন্ত এচ্চি নয়।এচ্চি মূলত কেবল ফ্যানসার্ভিস ও নিছক হিউমর এবং কৌতুক উদ্রেক করার জন্য কাপড়ের বিচিত্র সজ্জা ও Nudity দেখায় – যা অনেক সময় অযৌক্তিক ও বিরক্তিকর হয়।কিন্ত এখানে যে এডাল্ট ম্যাটেরিয়াল গুলো এসেছে সেগুলো গল্পটি ডিমান্ড করে।কারণ আফটার অল নারী পুরুষের দৈহিক সম্পর্কও জীবনের একটা অংশ আর গল্প জীবনের সাদা-কালো সবকিছুর প্রতিচ্ছবি,হোক সে সম্পর্ক অনৈতিক বা নৈতিক……
মানহুয়া টি তাড়াহুড়ো করে পড়লে কিছু সমস্যা হতে পারে —
১- এন্ডিং না বুঝতে পারেন……
২-গল্পটাকে খাপছাড়া লাগতে পারে…… [Actually It’s Not]
৩-ডু মিং কে চরিত্রহীন ভাবতে পারেন
৪-টাইম রিএরেঞ্জমেন্ট যার কারণে ১ ও ২ ঘটতে পারে [নিচে ব্যাখ্যা করা হল]
কিছু চরিত্র আছে যারা খুব স্পর্শকাতর কথা খুব ঠান্ডা ভাবে বলতে পারে,ডু মিং তাদের মধ্যে একজন। একদম শুরুতে উল্লেখ করা দুটি সংলাপ পড়লেই আঁচ করতে পারা যাবে ডু মিং এর ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে।এ কারণেই হয়ত খুব ভালো লেগেছে ডু মিং কে…………
একজন নারীর Virginity ই কি তার Purity মাপার প্যারামিটার?
আমরা মুখে যাই বলি,অনেকেরই কার্যকরী উত্তর হ্যাঁ।কিন্ত কখনো ভেবে দেখি কি কত ভিত্তিহীন আমাদের এই ধারণা।শরীরের কোন অঙ্গ উন্মোচিত হলেই যদি কোন নারী Impure হয়ে যায় তবে কি মানুষের আত্নার মূল্য নেই? — উত্তর খুঁজতে থাকুন,ভাবতে থাকুন……
মানহুয়াটিতে ডু মিং চরিত্রটির ইমেজ আপনার কাছে শুরুতে যা ছিল তা শেষে গিয়ে থাকবে না কোনভাবেই।চরিত্রটি বেশ লাইট Aura থেকে ক্রমাগত ডার্ক সাইডেড হয়ে গেছে,যে পরিবর্তনটা আনপ্রেডিক্টেবল। ডার্ক সাইডেড দ্বারা কি বুঝাচ্ছি তা কল্পনা না করে নিয়ে ১৫ চাপ্টার পড়ে ফেলাই শ্রেয়…
এছাড়া গল্পটাকে নিতান্ত ছোট পরিসরে জোর করে রাখার একটা প্রবণতা দেখা গেছে,মানে গল্পকে আরেকটু বিস্তৃত করা যেত কোনরকম অযথা লম্বা করা ছাড়াই।কেবল ৩ টি চরিত্রের মাঝে গল্প কে সীমাবদ্ধ না রেখে গল্পটার পরিসীমা বাড়ানো যেতে পারত…
এন্ডিং টা মনঃপূত হবে কি না হবে না সে প্রশ্নের চেয়ে বড় প্রশ্ন হল এন্ডিং টা আপনার কমন প্রেডিকটিভ সত্ত্বা অনুমান করতে পারবে কি না সেটা? শেষ হয়েও হল না শেষ – আবার এ পরিণতি কেন , না এন্ডিং এর ধরনটা এই দুই প্রকারের মাঝামাঝি,দুই ধরনের কোনটিই নয়……
পুরো গল্পটার বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল —
টাইম রিএরেঞ্জমেন্ট অর্থাৎ এই বলা হচ্ছে এখনকার কথা,আবার কোনরকম বলা কওয়া ছাড়াই ফ্ল্যাশব্যাক এ চলে যাওয়া।আবার হুট করে কয়েকদিন আগে,আবার বর্তমান এ।এ স্টাইলে কাহিনী বোঝার মাঝে একটা বেশ মজা আছে,কষ্ট করে বুঝে নিতে হয় দৃশ্যের টাইমলাইন।তবে বুঝতে না পারলে কাহিনীর আপাদমস্তক নিয়ে একটু কনফিউশনে ভুগতে হতে পারে……
মানহুয়া টি পড়া শেষ করে ফেললেও এর রেশ থেকে যাবে বেশ কদিন……
কিছু প্রশ্ন ঘুরপাক খাবে মনের মধ্যে ,সেরকম কিছু প্রশ্ন উল্লেখ করে আমার লেখা শেষ করছি …… আশা করবো মানহুয়া টি পড়ার পর প্রশ্নের উত্তর সমেত কিছু রিএকশন পোস্ট দেখা যাবে ——–
১ম প্রশ্ন : মানহুয়া টি লেইম/খাপছাড়া লাগল? [উত্তর হ্যাঁ হলে বাকি প্রশ্ন স্কিপ করতে পারেন]
২য় প্রশ্ন : ডু মিং কেন এটা করল? কেন?
৩য় প্রশ্ন : জাং কিয়ান কি Pure নাকি Slut?
চতুর্থ ও শেষ প্রশ্ন : মানহুয়াটির শুরুতে “Our Obscruity in this Murky World” লেখার কারণ কী?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে যদি পান,তবে মানহুয়াটাকে উপভোগ করতে পারবেন।উত্তর যে অধিকাংশের সাথে মিলতে হবে এমন কথা নেই,যদি আপনার মন সায় দেয় যে আপনার উত্তর যথার্থ তবেই সে উত্তর সঠিক।
Du Ming 2

Arakawa Under The Bridge [রিভিউ] — Mithila Mehjabin

 

আমরা যারা মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত সংসারের মানুষ, বড়লোক বাপের বেটা দেখলেই পিঠপিছে কানাকানি শুরু করি!

মানুষের কথা বলি কেন, আমি নিজেই রাস্তার জ্যামে আটকা পরে বড়লোকদের গাড়িগুলোকে যে হারে গালাগালি করেছি, শুনলে ড্রাইভার তো বটেই, গাড়ীও তেড়ে মারত আসত আমাকে!

কিন্তু বড়লোকদের জীবনও কিন্তু বড় সহজ না, স্পেশালি যখন তাদের মানসিকতাটা হয় এরকম, যে কখনই “কারও কাছে ঋণী থাকা যাবে না!”

আজাইরারও একটা লিমিট আছে, কিন্তু Ichinomiya Ko এর বাকওয়াজ ডিকশনারীতে “আজাইরা” বলে কোন শব্দই নাই! নাহলে পোলাপানে টানাটানি করে পরনের প্যান্টখানা যখন ব্রিজের অনেক ওপরে, নাগালের বাইরে ঝুলায় দেয়, তখন আন্ডারওয়্যার পড়া Ichinomiya Ko এর মাথায় “কারো কাছে ঋনী থাকা যাবেনা” ধরনের আজাইরা চিন্তা আসে কোত্থেকে?

তার ঐ চিন্তাটাই কিন্তু কাল হয়েছে!

Arakawa Under the Bridge 1

রিভিউ: Arakawa Under The Bridge
এপিসোড: ১৩
ম্যাল রেটিং: ৭.৭
জনরা: কমেডি, রোমান্স, সেইনেন
Ichinomiya Ko মস্ত বড়লোক বাপের একমাত্র ছেলে। একদিন এক সুন্দর দুপুরে আরাকাওয়া নদীর ব্রিজের ওপর দিয়ে হাটাঁর সময় কিছু ছেলেপেলে তার বড়লোকি ভাব সইতে না পেরে তার প্যান্টখানি খুলে ব্রিজের সবচেয়ে উঁচু পিলারটায় ঝুলিয়ে দেয়। আন্ডারওয়্যার পড়া Ko তার অতিসুখী জীবনের চিন্তায় এতই রোমাঞ্চিত, যে আধান্যাংটো হয়ে ব্রিজের ওপর দাড়িয়ে থাকাটা তার কাছেই নিতান্তই ক্ষুদ্র একটা ব্যাপার মনে হয়। আর তখনই সে খেয়াল করে যে নীল চোখের হলুদচুলো একটা মেয়ে ব্রিজের কিনারে বসে বড়শী দিয়ে মাছ ধরছে। “কারও কাছে ঋনী থাকা যাবেনা” নীতিতে বিশ্বাসী Ko মেয়েটির সাহায্যের প্রস্তাব বেশ ডাটের সাথে ফিরিয়ে দেয়, আর বানরের তেলা বাঁশ বেয়ে ওঠার ভঙ্গিতে প্যান্ট নামানোর জন্য পিলার বেয়ে উঠতে গিয়ে আরাকাওয়া নদীতে পরে যায়! মেয়েটা তখন বাধ্য হয় সাহায্য করতে, কিন্তু ডাঙায় উঠে জ্ঞান ফেরামাত্রই মেয়েটি তার জীবন বাঁচিয়েছে, এই ঋণ শোধের চিন্তায় পুরোপাগল হয়ে যায় আধাপাগল Ichinomiya!
কি করলে মেয়েটির ঋণটি শোধ করতে পারে সে, এই প্রশ্নের উত্তরে মেয়েটি বলে তাকে ভালোবাসতে! আর ঠিক এখানেই ফেসেঁ যায় Ko, মেয়েটির সাথে আরাকাওযা নদীর পাগলা বাসিন্দাদের একজন হয়ে যায় মাল্টিবিলিয়নেয়ার কোম্পানীর ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্ট Ichinomiya Ko ওরফে Recruit! মেয়েটার দাবি সে একজন ভেনাসবাসী! আরও আছে কস্টিউম পড়া কাপ্পা, সিস্টার ওরফে গালকাটা ব্রাদার, তারামুখো গিটারিস্ট হোশি, এইগো নো স্টেলা, গাইওয়ালা, সবজিওয়ালা সহ আরো অনেকেই!

কাহিনীটা অনেকের কাছে বেশ সাধারণই মনে হবে, কিন্তু উপাস্থাপন করা হয়েছে অসাধারণ ভাবে। বেশ আগের একটা এনিমে হওযা সত্বেও প্রায় ইরেডিসেন্ট একটা স্বচ্ছ পর্দার ভেতর দিয়ে যেন দেখানো হয়েছে পুরো জিনিসটা! যেটাকে বলে ফটো ম্যাটেরিয়াল, কাহিনীর প্লেসমেট আরাকাওয়া নদী এবং ব্রিজ এর আশপাশ থেকে খুব একটা সরেনা যদিও, নদী এবং এর আশে পাশের ছোট পল্লীমতন তাদের জগৎটা খুবই দৃষ্টিনন্দনভাবে দেখানো হয়েছে!

Arakawa Under the Bridge 3

 

কমেডি সেই লেভেলের, ক্যারেক্টারগুলির তো মাথাই নষ্ট! পুরো সময়টা “একদল পাজি পোলাপানের হাতে ধোলাই হচ্ছেন এক আজাইরা ভদ্দরনোক” ধরনের একটা পৈশাচিক শৈশবকালীন মজা পাওয়া যায়! অদ্ভুত সব এঙ্গেল থেকে দেখানোটাও ভালোই হাসির খোরাক যোগায়! হালকা রোমান্স, কমেডি আর এত্তগুলা সুন্দর সুন্দর দৃশ্য, স্ক্রীনশট নিকে নিতে আঙ্গুল ব্যাথা হয়ে গেছে!

দারুণ একটা এনিমে, সব রমকম লাভারদের জন্য রেকমেন্ডেড!

বড়লোক পোলাপাইনদের: নো অফেন্স বাই দা ওয়ে! স্রেফ কৌতুক করার স্বার্থে পকপকানি!

Arakawa Under the Bridge 4

The Cat Returns [মুভি রিভিউ] — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

The Cat Returns 1

ছোটবেলায় সুকুমার রায়ের একটা অসাধারণ চীনা লোকগাথার অনুবাদ পড়সিলাম । গল্পটার নাম লোলির পাহারা । গল্পটার কেন্দ্রীয় চরিত্র হল লোলি নামক এক কুড়ের হদ্দ ছেলে ।তো লোলির বাবা তাদের একমাত্র শুয়োরটাকে বিক্রি করবে এবং সেইটা পাহাড়ার দায়িত্ব দিয়ে যায় লোলিকে । তো লোলি ওই পাহারার ধার না ধেরে সোজা দিল ঘুম । ঘুম থেকে উঠে দেখে শুয়োর হাওয়া । তো শুয়োর খুজতে গিয়ে দুর্ভাগ্যক্রমে নিজেই শুয়োর হয়ে যায় । তো কল্পনা করুন আপনি যদি একদিন হঠাত্‍ করে বিলাই হয়ে যান !!?

The Cat Returns 6
তো দ্যা ক্যাট রিটার্নস এর কাহিনী হল হারুকে নিয়ে । হারু স্কুলপড়ুয়া এক মেয়ে ।সে কিছুটা আলসে , অনেকখানি ছটফটে এক মেয়ে । তো একদিন স্কুল থেকে ঝাড়ি বকা খেয়ে বাসায় ফেরার পথে দেখে একটা অদ্ভুত দেখতে বিলাই প্রায় ট্রাকচাপা পড়তে যাচ্ছে । তো হারু অসম্ভব ক্ষিপ্রতার সাথে বিড়ালটাকে বাচায় । তো বিড়ালটাকে বাঁচানোর পর যখন হারু ধাতস্থ হতে থাকে তখন দেখে বিড়ালটা দুই পায়ের উপর দাড়িয়ে গা ঝাড়ছে । এরপর চমক আরও বাকি । বিড়ালটা মানুষের ভাষায় হারুকে কৃতঙ্গতা প্রকাশ করে । হারুর তো মাথা খারাপ হবার যোগাড় । কেউ বিশ্বাস করে না হারুকে । তো হারুর দেখে যে সে বিলাইয়ের সাথে কথা বলতে পারে । তো একদিন রাতে বাদনা-বাজ্য বাজিয়ে হারুর বাসার সামনে উপস্থিত হয় একদল বিড়াল ।হেই বিড়ালদের মধ্যে থাকে একটা বিশাল ধুমসো বুড়ো হুলো । সে হল বিলাইদের রাজা ।সে হারুকে ধন্যবাদ জানাতে এসেছে কারণ হারু যে বিড়ালকে বাচিয়েছে সে হল স্বয়ং বিড়াল রাজ্যের রাজপুত্র । এবং চমকের আরও কথা হচ্ছে তারা হারুকে চায় রাজপুত্রের কনে হিসেবে নিতে ! তো এখন কি করবে হারু !? নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে যায় হারু । পরিচিত হয় মুটকো বিড়াল নাম মুটো এবং হৃদয়ের স্বরের সেই ব্যারন বিড়াল । উপস্থিত হয় বিড়ালের রাজ্যে এবং ঘটতে থাকে নানা মজার ঘটনা ।

The Cat Returns 2
মুভি স্টুডিও গিবলির । এর আর্টওয়ার্ক মানে ক্যারেকটার ডিজাইন নরমাল জিবলীর আর্ট থেকে বেশ আলাদা , যা সুন্দরই লেগেছে । এর আছে খুব সুন্দর এবং মজার সাউন্ডট্র্যাক এবং এর কাহিনীও সেরকমই । এর ব্যাকগ্রাউন্ড আর্ট জিবলীর মতই অর্থাত্‍ অসাধারণ । এই মুভি হল মনে শান্তিদায়ক মুভি । মনের স্ট্রেস নামক জিনিস ধুয়মুছে নিয়ে যায় ।কাহিনী ,ক্যারেকটার সবই সুন্দর । ব্যারন বিলাইয়ের উপস্থিতি ( হ্যা Whisper of the hearts এর সেই ব্যারন বিড়াল ) ! যারা বিলাই প্রেমিক তাদের জন্য এই মুভি দেখা সুন্নত 🙂 ! যারা দেখেননি তারা তাড়াতাড়ি দেখে ফেলুন । তবে একটা কথা । এটাকে গিবলির মাস্টারপিস ভেবে দেখতে বসলে হতাশ হতে পারেন । তাই আশার পারদ বেশি না রেখে শুধু উপভোগ করুন । বিলুই প্রেমিকদের জন্য এটা স্পেশাল ট্রিট ।

The Cat Returns 3

ডাউনলোড করুন: https://torcache.net/torrent/CC6F9B40B0FC173EC3774F4C68EC7E68C6D8B6C4.torrent?title=%5Bkat.cr%5Dthe.cat.returns.2002.dual.audio.1080p.hevc.x265

অনলাইনে দেখুন: https://kissanime.to/Anime/The-Cat-Returns-Dub
আমার রেটিং: ৮/১০

The Cat Returns 4

The Cat Returns 5

অনন্য মাঙ্গা আসর – ৫ (Boku no Hero Academia)

BnHA
কিং কিং সিটি,চীন
জন্ম হল এক শিশুর,যার সমগ্র শরীর থেকে বিচ্ছুরিত হতে লাগল আলো। এ কেমন নবজাতক?
স্বাভাবিক – অস্বাভাবিক নিতান্তই আপেক্ষিক। যে বৈশিষ্ট্য অধিকাংশের মাঝে খুঁজে পাওয়া যায় তাকেই স্বাভাবিক বলা হয়ে থাকে। এ মানুষের এক হাস্যকর যুক্তি। ঠিক এ উপায়েই তারা অসম্ভব-সম্ভব, ট্রাজিক-লিনিয়ার এর মধ্যে পার্থক্য করে থাকে।
ধীরে ধীরে সমগ্র পৃথিবীতে অস্বাভাবিক শিশুর জন্ম হয়ে উঠল সাধারণ ব্যাপার।আর এভাবেই আজকের পৃথিবী এমন অবস্থায় উপনিত হল যে —
৮০% মানুষের মাঝেই জন্মগতভাবে দেখা যায় সুপারপাওয়ার যা ৩-৪ বছর বয়সের দিকে প্রকাশ পায়।যা “Quirk” নামে পরিচিতি লাভ করে।
কিন্ত বাকি ২০% ……
তাদের গল্পটা কেমন…
সুপারন্যাচারাল এবিলিটি সূত্রপাত এর সুযোগে অপরাধ ও ক্রাইম ইফেক্ট তার ডালাপালা ছড়াতে আরম্ভ করলে জন্ম হয় হিরো কর্পোরেশন এর।হিরোদের জন্য স্কুল,ভার্সিটি থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা সেক্টরে সংগঠিত ব্যবস্থা গড়ে ওঠে………
আর এই পৃথিবীতে সবার কাছে “Symbol of Jsutice” হয়ে ওঠে হিরোদের টপেস্ট র‍্যাংকে থাকা “ALL MIGHT” ………
এরকমই এক পৃথিবী যেখানে কোয়ার্ক ছাড়া জীবন অচলপ্রায়,সেখানে ইজুকু মিদোরিয়া জন্মেছে কোন কোয়ার্ক ছাড়া। এই রূড় সত্য জানতে পারে সে তিন বছর বয়সে……
ছোটবেলার বন্ধু,পরিবার সবার কাছে নিজেকে অসহায় মনে হয় ইজুকুর……
কিন্ত যে দুটো কথা পারত তাকে জীবনে ঘুরে দাঁড়াতে শেখাতে,সে দুটো শব্দ তাকে শোনালো তার পরিবার,বন্ধুদের কেউ না ……………
যে হিরো ইজুকুর ছোটবেলা থেকে আদর্শ,সমগ্র পৃথিবীর সিম্বল অফ জাস্টিস “ALL MIGHT” ই তাকে বিশ্বাস করতে শেখালো “You can become a Hero”
এরপর ইজুকুর প্রবেশ ঘটে তার স্বপ্নের হিরো একাডেমিক স্কুলে – “ Yuuei High” তে
আর এই স্কুলের পথ ধরে ইজুকুর হিরো হয়ে ওঠার গল্পই মাই হিরো আকাডেমিয়া……
বিখ্যাত গ্রাম সর্দার হওয়ার গল্পের ইতি টানার পর উইকলি শোউনেন জাম্পে প্রকাশিত হয় হোরিকোশি কৌহেই এর “Boku no Hero Academia” । মানুষজন ঠিক যেভাবে এইচিরো ওডার মুখে আকিরা সেন্সেই”এর প্রশংসা শুনে ওয়ান পিস কে ড্রাগন বলের সাথে তুলনা করতে শুরু করে ঠিক সেভাবেই হোরিকোশির মুখে মাশাসি’র প্রশংসা শুনে ও প্রথম কয়েক চাপ্টার পড়ে একে গ্রাম সর্দার ভেবে ভুল করে বসে হঠকারী ফ্যানসমাজ……
জনরা ট্যাগে শোউনেন বেশ বড়সড় করেই লেখা আছে ……
মাঙ্গার রিএকশন এর দিকে একটু দৃষ্টিপাত করা যাক—
প্রথম – (১০-১৪ চাপ্টার)
বাহ! দাত্তেবায়ো! তুমি গ্রামের সর্দার না,টপ হিরো হবে – তফাৎ টা কোথায়? । আরেকটা টিপিক্যাল ঝনঝনানি আসছে [দীর্ঘদিন ড্রপড]
(২০-৩০ চাপ্টার)
চুনিন এক্সাম!! হুবহু লুকানো পাতা নকল মারা হচ্ছে নাকি?
যাই হোক ফাঈটগুলো বেশ ইন্টেন্স!!
(৫০ চাপ্টারের পর)
………………
………………
………………
প্লাস আলট্রা!!!!
প্লাস আলট্রা!!!!
চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে
পড়ার মাঙ্গা এটি নয়………
গল্পের বাকে বাকে অত্যন্ত উত্তেজনাকর ইন্টেন্স মুহূর্ত চলে আসছে……
(৭৮-৮০ চাপ্টারের দিকে)
আবার গ্রাম সর্দারের মত সাসকে ভাইকে গায়েব করে দিবা নাকি?
(৮৫-চলমান)
সেপুক্কু করা ছাড়া উপায় নেই(সন্দেহ করার অপরাধে) ,এক নিমেষে সব সন্দেহ দূর ……
খুঁজে পাওয়া গেল আরেকটি মাস্টারপিস মাঙ্গা…………
এই ছিল মাঙ্গাটা পড়ার সময়ে আমার রিএকশন,যখনই মনে হয়েছে গল্পটা সেই পুরোনো শিবের গীতের দিকে মোড় নিচ্ছে তখনই মাঙ্গাকা এমন প্লট টুইস্টের অবতারণা করেছেন যাতে পরবর্তী চাপ্টারের জন্য আগ্রহ জন্মানোটা স্বাভাবিক।
৮৯ চাপ্টার পর্যন্ত বের হওয়া মাংগাটি এখনো অনগোয়িং………
এপ্রিল ৩ থেকে শুরু হওয়া ১৩ এপিসোডের এনিমেটি মূল গল্পের PROLOGUE ও না, INTRODUCTION মাত্র……
সময় বের করে কষ্ট করে ৪০/৪৫ চাপ্টার পর্যন্ত যেতে পারলে বাকিটা আর কাউকে বলতে হবে না………
একশন সিকুয়েন্স গুলোর মাঝে অন্যরকম একটা ফ্লেভার পাওয়া যাবে।প্রতিটা ব্যাটল ই স্ট্রাটেজিভিত্তিক।বেশ ভালো কিছু সায়েন্টিফিক রেফারেন্স ও এসেছে কিছু কোয়ার্ক এর ক্ষেত্রে……
অনেকেরই ছিঁচকাঁদুনে মিদোরিয়াকে নিয়ে অনেক সমস্যা —
প্রথম প্রথম তাকে গ্রাম সর্দারের চেয়েও বেশি বিরক্তিকর লাগে,কিন্ত মিদোরিয়া চরিত্রের বেশ ভালো কিছু দিক আছে।প্রথমত,তার মাঝে বিখ্যাত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা নেই।দ্বিতীয়ত,সে উপস্থিত বুদ্ধি খাটাতে সক্ষম।
সবচেয়ে ভালো দিকটি হল,মিদোরিয়ার ক্ষমতা যে কত কম তা শুরু থেকেই অঙ্গুলিসংকেত করা হয়েছে।আকস্মিক পাওয়ার আপ দিয়ে ব্যাপারটাকে তেজপাতা করা হয়নি……
মাঙ্গার আর্ট যতই চাপ্টার এগিয়েছে,ততই ভালো হয়েছে।বিশেষ করে কমব্যাট এনভায়রনমেন্ট এর আর্টস্টাইল Nurarihyon no Mago র মত পরিষ্কার হয়েছে।তবে এখানে বিস্ফোরণ সহ অন্যান্য ম্যাটেরিয়ালস চলে এসেছে যার কারণে হোরিকোশি কৌহেই কে স্যালুট দিতেই হবে……
যারা Katekeyo Hitman Reborn এর ভক্ত,তারা ব্যাপারটি ভালো বুঝতে পারবেন। প্রথম প্রথম বেশ বোরিং লাগলেও পরবর্তীতে শোউনেন জনরার “হিডেন জেম” খুঁজে পেয়েছি – এমন অনুভব হলে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না।
৮৯ চাপ্টার অবধি ব্যাক্তিগত রেটিং – ৯.০
বেশ ভালো কিছু চরিত্র এসেছে যা ভিন্নমাত্রা এনেছে স্টোরিলাইনে।তবে গল্পের মেইন ভিলেইন কে এটা নিয়ে বেশ ঘোলা রহস্য ছিল।কখনো শিগারাকি,কখনো স্টেইন …… কিন্ত আসল উত্তর …….. মাঙ্গা পড়লে এই শূন্যস্থান নিজেই পূরণ করা যাবে।
স্পেশাল নোট :
মাঙ্গাতে মাঝে মাঝে দেয়া U.A. File গুলো না পড়লে কোয়ার্ক গুলোর ফুল এবিলিটি সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যাবে না।তাই ওগুলা স্কিপ করা উচিত হবে না ………