All Fiction 1: Vinland Saga review

মাঙ্গা রিভিউ –

ভিনল্যান্ড সাগা / Vinland Saga

মাঙ্গাকা : মাকোতো ইয়ুকিমুরা / Makoto Yukimura

জানরা : হিস্টোরিকাল, অ্যাকশন, সেইনেন, অ্যাডভেঞ্চার

প্রকাশনা : Afternoon

চ্যাপ্টার : ১০৪

স্ট্যাটাস : অনগোয়িং

কাহিনী :

 

ভিনল্যান্ড সাগা জমজমাট-অ্যাকশন সম্বলিত ভাইকিংদের যুগের এক অসাধারণ কাহিনী, যাকে পরিপূর্ণতা দিয়েছে বাস্তবতা, নাটক, দর্শন এবং চরিত্রের চরম উৎকর্ষতা। যুদ্ধ যেখানে জীবনের প্রতিশব্দ, যুদ্ধে প্রতিপক্ষকে বিধ্বস্ত করতে পারাই যেখানে একজন মানুষের জীবনের সার্থকতা, যুদ্ধবিগ্রহ, দাসত্ব, দুর্বলের উপর সবলের আগ্রাসন, নিপীড়ন, লুঠতরাজ, অরাজকতায় পরিপূর্ণ অন্ধকার এক যুগের সাথে পাঠককে পরিচয় করিয়ে দেবে ভিনল্যান্ড সাগা । এ যেন ‘বার্সার্ক’, ‘গেম অফ থ্রোন্স’ আর দুঃসাহসী ভাইকিংদের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ ।

ভিনল্যান্ড সাগার পটভূমি রচিত ইংল্যান্ড-ডেনমার্কের যুদ্ধমধ্যবর্তী সময়ে। কাহিনীর শুরু প্রতিশোধ ও প্রায়শ্চিত্তের সন্ধানে ঘুরতে থাকা কিশোর থোরফিনকে নিয়ে, পিতার মৃত্যুর বদলা নিতে যে কাজ করে পিতার হন্তারক অ্যাসকেলাডের বাহিনিতে, আর মল্লযুদ্ধে অ্যাসকেলাডকে পরাজিত করার সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।

কাহিনী এগোতে থাকে, থোরফিন আর অ্যাসকেলাড জড়িয়ে পড়ে ডেনমার্কের ইংল্যান্ড দখলের যুদ্ধে, সঙ্গি হয় ডানিশ রাজপুত্র কানুটের। ধীরে ধীরে থোরফিনের প্রতিশোধবাসনা তীব্র হতে থাকে, আর সেই সাথে কাহিনী অভাবনীয় মোড় নিতে থাকে, ফলশ্রুতিতে রাজপরিবারের অন্তর্দ্বন্দ্বে জড়িয়ে যায় থোরফিন আর অ্যাস্কেলাড। যুদ্ধের মধ্যে থোরফিনের পরিচয় হয় পাগলাটে-খুনী থোরকেলের সাথে, অ্যাস্কেলাড আর থোরকেলের কাছ থেকে থোরফিন জানতে পারে তার পিতার অতীতসংগ্রাম আর আদর্শের কথা।

ভাইকিংদের বিশ্বাস ছিল যে তারা যুদ্ধক্ষেত্রে মৃত্যুবরণ করলে যোদ্ধাদের জন্য সংরক্ষিত পরলোকের পুণ্যস্থান ভালহালায় যেতে পারবে, আর এই আদর্শে তারা সর্বক্ষণ যুদ্ধবিগ্রহে লিপ্ত থাকতো।কিন্তু সর্বকালের সবচেয়ে শক্তিশালী ভাইকিং, থোরফিনের বাবা থোরস একসময় বুঝতে পারে, অস্ত্রচালনা আর রক্তপাতের মধ্যে নয়, বরং পৃথিবীতে শান্তির বানী ছড়িয়ে দিতে পারাই হল প্রকৃত জীবনযুদ্ধ, আর এই ব্যাপারটি উপলব্ধি করতে পারাই হল প্রকৃত যোদ্ধার পরিচয়। থোরফিন কি পারবে তার পিতার পথ অনুসরন করে প্রকৃত যোদ্ধার যোগ্যতা অর্জন করতে? অজ্ঞতা-অন্ধকারের যুগে শান্তির সন্ধান, এই আশা আর আদর্শ নিয়েই ভিনল্যান্ড সাগার যাত্রা।

বিশ্বাস করা কষ্টকর, কিন্তু সত্যি বলতে ভিনল্যান্ড সাগার ক্যারেক্টাররাই মাঙ্গাটির সর্বশ্রেষ্ঠ দিক। শুধু কাহিনিসুত্রের উৎকর্ষতায় নয়, বরং একটি কাহিনীর মুল আকর্ষণ তার ক্যারেক্টাররা, ইউকিমুরা সেন্সেই তা অসামান্য দক্ষতার সাথে ফুটিয়ে তুলেছেন। প্রধান ক্যারেক্টারদের জীবনের শত বাধা-বিপত্তি এবং সংগ্রামময় অতীত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে । এমনকি দ্বিতীয় সারির ক্যারেক্টারদেরও দারুণভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। থোরফিনের অপ্রতিরোধ্য প্রতিশোধবাসনা, অ্যাসকেলাডের অতীত ও বর্তমানের বোঝা বয়ে বেড়ানোর সংগ্রাম, নিপুণতার সাথে প্রত্যেকটি পদক্ষেপ গ্রহনের ক্ষমতা, থোরকেলের দুঃসাহসিক কার্যকলাপ আর অতুলনীয় শক্তিমত্তা, থোরসের আদর্শ আর জীবনযুদ্ধে জয়ী হবার রহস্য, প্রত্যেকটি ক্যারেক্টারই পাঠককে মুগ্ধ করার যোগ্য। অসাধারণ কাহিনীনির্দেশনা আপনাকে এর সাথে আটকে রাখবে, আর আপনি দেখবেন কিভাবে প্রত্যেকটি ক্যারেক্টার সকল প্রতিবন্ধকতাকে অতিক্রম করে অগ্রসর হয় ।

আর্ট :

দৃষ্টিনন্দন ক্যারেক্টার ডিজাইন থেকে শুরু করে মনোমুগ্ধকর ব্যাকগ্রাউন্ড, মাঙ্গাটির আর্ট আসলেই ফার্স্টক্লাস। দেখে বোঝা যায় যে মাঙ্গাকার অঙ্কন ক্ষমতা আগের চেয়ে(Planetes) অনেক ভালো হয়েছে । প্যানেলগুলো ভালভাবে সজ্জিত, এবং অ্যাকশন দৃশ্যগুলো ঝকঝকে। তলোয়ারের গতিপথও খুব স্পষ্ট করে দেখানো হয়েছে , যা খুবই বিরল ব্যাপার।

মাঙ্গার আর্টের ব্যাপারে সবারই যে বিষয়টি লক্ষ করা উচিৎ, তা হল আর্টের মাধ্যমে ক্যারেক্টারদের কার্যকলাপ এবং অনুভুতিগুলো যথার্থভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারা, এবং ভিনল্যান্ড সাগা তা অনায়াসেই উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে। আর যারা অ্যাকশনের জন্য মাঙ্গা পড়ছেন, তারা প্রথম চ্যাপ্টারগুলোতেই দেখতে পাবেন মধ্যযুগীয় যুদ্ধের বীভৎস নির্মমতা, যা আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বাধ্য।

নিজস্ব মতামত :

 

মাঙ্গাটি স্ব-জানরার মাঙ্গাগুলোর মধ্যে অন্যতম সেরা এবং সবার জন্য অবশ্যই পঠনীয়। আগ্রহ জাগানিয়া কাহিনী, অসাধারণ সব ক্যারেক্টার আর মনোমুগ্ধকর আর্ট। অ্যাকশনের কোন কমতি নেই, নাটুকেপনাও দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। আর মাঙ্গাটিকে বাস্তবধর্মী করে তুলতে ইউকিমুরা সেন্সেই যে কি পরিমাণ গবেষণা করেছেন, তা যেন না বললেই নয়। প্রত্যেকটা ক্যারেক্টার, প্রত্যেকটা পেইজ, প্রত্যেকটা প্যানেলই কাহিনির গড়নে অবদান রেখেছে, যা মনোমুগ্ধকর। অ্যাকশন, অ্যাডভেঞ্চার, হিস্টোরিকাল ড্রামা, সবকিছুর মিশেলে অপূর্ব এক কাহিনী।

যে কারনে আমি এনিমে দেখার চেয়ে মাঙ্গা পড়া বেশি পছন্দ করি, এই মাঙ্গাটিই তার যথার্থ উদাহরণ।

 

কাহিনী: এ+

ক্যারেক্টার : এ+

আর্ট : এ

সর্বমোট : এ++(৯.৬/১০)

আমার দেখা সবচেয়ে সেরা অ্যানিমে – ফাহিম বিন সেলিম

গ্রুপের পক্ষ থেকে একটা পরিকল্পনা করা হয়েছিল, সেইটা পরে বাতিল করা হলেও, মূলবিষয়টা পিভোট করে একটা ব্যক্তিগত প্রোজেক্ট বানিয়ে ফেললাম। নিচের অ্যানিমেগুলো হল, আমার দেখা(খুব বেশি না) অ্যানিমেগুলোর মধ্যে, আমার কাছে লাগা সবচেয়ে ভালো ২৫ টি অ্যানিমে; যেগুলো আমি সবাইকে অবশ্যই দেখার জন্য সাজেস্ট করব…অথবা না।
ব্যাক্তিগত বাছাই বলে সবার সাথে না মিলার কারণ অবশ্যম্ভাবী, আমার ব্যাক্তিগত বাছাই বলে তা হওয়ার সম্ভাবনা আরো বেশি। সমালোচনা, আলোচনা, মতামত সাজেশন একান্ত কাম্য।

নোটঃ যেসব বিষয়ের কারণে কোন অ্যানিমে ভালো লাগে – ১/কাহিনী ২/পরিচালনা(ন্যারেটিভ, ভিজুয়াল, মিউজিক পরিচালনা) ৩/অরিজিনালিটি ৪/ চরিত্র ৫/চিন্তাদ্দীপনা | আফটারটেস্ট ৬/বাস্তবতা(কাহিনীর ভিত্তিতে)
[বোনাস পয়েন্ট – টাইম-লুপ/টাইম ট্রাভেল/প্যারাডক্স, অজনপ্রিয়তা, রেফারেন্স, মাইন্ড ফুচকারি]
– ২৮জুন, ২০১৪

বেশ কয়েকটা অ্যানিমে বাদ পরে গেছিল আর র‍্যাঙ্কিং দেওয়া ঠিক হয় নাই, তাই পরিবর্তন।
– ১৭ জুলাই, ২০১৪


৮+

কাইবা

মাইন্ডগেম

হাইবানে রেনমেই

স্টাইন্স;গেইট

উসাগি ড্রপ

ডার্কার দ্যান ব্ল্যাক (Darker Than Black)
এপিসোডিক হলেও প্রথম সিজনটাই আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয়। হেই – অন্যতম পছন্দের চরিত্র; আসলে প্রতিটি চরিত্রই মনে রাখার মত। প্রতিটি দুই পর্বের আর্কের শেষেই ডার্কার দ্যান ব্ল্যাক জগতটা সম্পর্কে নতুন কিছু জানা এবং ধীরে ধীরে মানুষ আর কন্ট্র্যাক্টরদের দন্দ্বের পরিণতির দিকে এগুতে থাকা – পুরো সময়েই রহস্যে ঘেরা অনেক পছন্দের সেইনেন অ্যানিমে। *ডাবে দেখা আবশ্যক শুধু মাত্র নভেম্বর ইলেভেনের জন্য* 

টোকিও ম্যাগনিচিউড ৮.০

হানাসাকু ইরোহা

ফ্রম আপ অন পপি হিলস

গ্রেভ অফ দ্য ফায়ারফ্লাইস

স্পিরিটেড অ্যাওয়ে

সামার ওয়ারস 

হুইস্পার অফ দ্য উইন্ড

ট্রাপিজ – কুচু বুরাঙ্কো (Trapeze ~ Kuuchuu Buranko)
আউট অফ দ্য বক্স চিন্তাভাবনার অ্যানিমে। এটার অনুরূপ দ্বিতীয় আরেকটা অ্যানিমে বের করা বেশ দুঃসাধ্য ব্যাপার। সাইকোলজিক্যাল আবার কমেডি – অ্যানিমে মাধ্যমের পোটেনশিয়াল কতটুক তার অন্যতম বড় প্রমাণ কুচু বুরাঙ্কো।

গিন নো সাজি

দ্য সিক্রেট ওয়ার্ল্ড অফ অ্যা্রিয়েটি


হিওকা (Hyouka)
আমার অন্যতম প্রিয় অ্যানিমে চরিত্র ওরেকি হৌতারো। স্লাইস-অফ-লাইফ+স্কুল রোমান্সের হাতেগোনা কয়েকটি অ্যানিমে যা পছন্দ তার মধ্যে এইটা অন্যতম। সাধারণ সব ঘটনা নিয়ে অসাধারণ স্লাইস-অফ-লাইফ আর রহস্যের মেলবন্ধন। চমৎকার ভিজুয়াল প্লাস পয়েন্ট; স্লাইস-উফ-লাইফ অ্যানিমেতে যা বিরল। 


ফুলমেটাল আলকেমিস্ট

গোসিক

ফুলমেটাক প্যানিক? ফুমোফফু


গোস্ট ইন দ্য শেল মুভি (Ghost in the Shell The Movie)
পুরো গোস্ট ইন দ্য শেল ফ্র্যান্সাইজটাই সাইবার পাঙ্ক অ্যানিমের মধ্যে আমার দেখা সবচেয়ে সেরা। স্ট্যান্ড অ্যালোন কম্পলেক্স পুরাটা শেষ করি নাই বলে এখনো লিস্টের বাইরে। তবে ১৯৯৬ মুভিটা – বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যানিমে মুভিগুলোর একটি – অবশ্যই থাকবে।

পাপরিকা (Paprika)
সাতোশি কনের মুভি মানেই বিশেষ কিছু। হায়াও মিয়াজাকি বিশ্বমানের পরিচালক; ওয়ার্ল্ড ওয়াইড অ্যানিমের জনপ্রিয় মুখ, তার নামটা সবার আগে আসলেও; কন আমার সবচেয়ে প্রিয় অ্যানিমে ফিল্ম পরিচালক। তার সবগুলো মুভির সবগুলো মুহূর্ত বাধিয়ে রাখার মত। পাপরিকা – চমৎকার ভিজুয়ালে বাস্তবতা আর পরাবাস্তবতার মাঝের মাথা গুলানো এক কনসেপ্টে। যেকোন অ্যানিমে মুভি লিস্টে উপরের সারিতে থাকবে। 



৯+

আনো হি মিতা হানা নো নামায়ে ও বোকুতাচি ওয়া মাদা শিরানাই+আনো হি মিতা হানা নো নামায়ে ও বোকুতাচি ওয়া মাদা শিরানা.মুভি

মুশি-শি (Mushi-shi)
মুশি-শি হল মুশি-শি। মুশি-শি হল ক্লাস। এর মত আর একটা অ্যানিমেও নাই। মূল চরিত্র আর দু একজন বাদে আর সবাই কেবলে এক পর্বের জন্য আসে – পুরো অ্যানিমেটাই এপিসোডিক। কিন্তু সেই সীমিত সময়ের মধ্যেও কিছু চরিত্র আর তাদের গল্প এমনভাবে বর্নিত যা চিরদিন মনে গেথে থাকার মত।

সাকামিচি নো অ্যাপোলন/কিডস অন দ্য স্লোপ (Sakamichi no Apollon/Kids on the Slope)
সিনিচিরো ওয়াতানাবে বললেই প্রথমে আসে কাউবয় বীবপ আর সামুরাই চ্যাম্পলুর নাম। কিন্তু নিজের চেনা জায়গাটা থেকে কিছুটা আলাদা, এই অ্যানিমেটাতেও ওয়াতানাবের মুন্সিয়ানার কোন ঘাটতি নাই। আমার সবচেয়ে প্রিয় কয়েকটি রোমান্স অ্যানিমের মধ্যে থাকবে। মিউজিক অ্যানিমে বলে ওএসটিও অসাধারণ। 

পিংপং দ্য অ্যানিমেশন (Ping Pong The Animation)
সদ্য সমাপ্ত। মেমোরি খুব ফ্রেশ বলে হয়তো কিছুটা বেশি রেট করে ফেলতেসি, কিন্তু কিছুদিন পরেও তা খুব বেশি হেরফের হবে না। স্পোর্টস জনরার অ্যানিমে কিন্তু স্পোর্টস অ্যানিমে না। মাত্র ১১ পর্বেই প্রায় ৪টি মূল চরিত্রের, সর্বোপরি সবার নিখুত ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট। মোটিফের ব্যবহার, চোখ জুড়ানো ভিজুয়াল আর কর্ণসুধা প্রসবনকারী মিউজিক। 

বাকানো! (Baccano!)
কাহিনী, ন্যারেটিভ, এক্সিকিউশন – মাস্টারপিস। *ডাব দেখা আবশ্যকীয়* 

দ্য গার্ল হু লেপ্ট থ্রু টাইম (The Girl Who Leapt Through Time)
টাইম ট্রাভল আর টাইম লুপ আমার অনেক পছন্দের দুইটি বিষয়। সম্ভবত এইটা সবচেয়ে প্রথম দেখা (স্ট্যান্ড আলোন) অ্যানিমে মুভিও। 

কাউবয় বীবপ (Cowboy Bebop)
ওয়াতানাবের পরিচালনা, ইয়োকো কানোর মিউজিক, ব্যাডঅ্যাস সব চরিত্র, ক্লাসিক রেফারেন্স আর অন্যতম সেরা এক সমাপ্তি। যেকোনো অ্যানিমে টপলিস্টের অবশ্যকীয় নাম। *ডাব দেখা আবশ্যকীয়* 

সামুরাই চ্যাম্পলু (Samurai Champloo)
ওয়াতানাবের পরিচালনা, ব্যাডঅ্যাস সব চরিত্র এবং আমার কাছে লাগা সবচেয়ে মজার অ্যানিমে। শৌনেন অ্যানিমেগুলোর ব্যাটল পর্বগুলো বাদে এই একটা অ্যানিমেই সম্ভবত তার সম্পুর্ণ সময় জুড়ে আমাকে এন্টারটেইন করেছে। *ডাব দেখা আবশ্যকীয়* 

তাতামি গ্যালাক্সি (Tatami Galaxy)
ইউয়াসার সেরা কাজ। টাইম লুপ – ক্লোসড স্পেস। পরিচালনার চাতুর্‍্যতাপুর্ণ, ভালোলাগার অনেকগুলো চরিত্র, সময়ে ‘আটকে’ থেকেও অসাধারণ ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট আর সেই সমাপ্তি! অন্যতম প্রিয় অ্যানিমে চরিত্র ওয়াতাশি। 

দ্য মেলানকোলি অফ হারুহি সুযুমিয়া + দ্য ডিসেপীয়ারেন্স অফ হারুহি সু্যুমিয়া (The Melancholy of Haruhi Suzumiya||+The Disappearance of Haruhi Suzumiya)
আবার টাইম লুপ – টাইম ট্রাভেল – ক্লোসড স্পেস – ইএসপি – অ্যালিয়েন – অমনিপোটেন্ট – গড! সবচেয়ে প্রিয় হাই স্কুল অ্যানিমে টিভি সিরিজ আর তার পর সবচেয়ে প্রিয় অ্যানিমে মুভি। কিয়ন অন্যতম পছন্দের চরিত্র। *ডাব সুপারিশিত* 

আওই বুঙ্গাকু সিরিজ (Aoi Bungaku Series)
ক্লাসিক লিটারেচারের অ্যাডাপ্টেশন অ্যানিমে হাতেগোনা। তার উপর জাপানের ইতিহাসের সবচেয়ে সেরা সব উপন্যাস/গল্পের অ্যাডাপ্টেশন! ম্যাডহাউসের প্রযোজনায় আমার দেখা সবচেয়ে ‘সুন্দর’ অ্যানিমে। দুঃখের রঙ নীল – ধ্রুপদীর রঙ নীল। 



৯.৫+

বেক (Beck)
রকব্যান্ড গড়া নিয়ে অ্যানিমে। টিপিক্যাল শৌনেন না – ধুপ করে শুরু করলাম আর জনপ্রিয় হয়ে গেলাম। একেবারে শুরু থেকে চড়াই উতরাই পেরোনো। বাস্তব সংগ্রামের গল্প। অন্যতম সেরা ওএসটি।

ওয়েলকাম টু দ্য এনএইচকে (Welcome to the NHK)
নীট আর ওতাকুইজমকে গ্লোরিফাই করা বর্তমান অ্যানিমে ফ্যানদের জন্য রিয়েলিটি চেক। *ডাব সুপারিশিত* 

নিওন জেনেসিস ইভাঙ্গেলিওন+এন্ড অফ ইভাঙ্গেলিওন (Neon Genesis Evangelion+End of Evangelion)
সবচেয়ে মাথা ঘুরানো, তারছেড়া কনসেপ্টের অ্যানিমে – অবশ্য তাতে বেশ কয়েকটা অ্যানিমে/মুভির প্রভাব বিদ্যমান। সবচেয়ে বেশি ভাবানো অ্যানিমের তালিকায় দুই নম্বর। টিভি সিরিজের শেষ দুইটা পর্ব আর এন্ড অফ ইভাঙ্গেলিওন মুভির শেষ অংশটুক…ইইইই 

ইডেন অফ দ্য ইস্ট+ইওই-কিং অফ ইডেন+ইওই-প্যারাডাইস লস্ট (Eden of the East+EOE-King of Eden+EOE-Paradise Lost)
আরেকটা প্রথম দিককার দেখা অ্যানিমে। প্রজন্মগত অন্তর্দ্বন্দ্ব, পালাবদল আর নেতৃত্ব নিয়ে অসাধারণ এক কাহিনী! আকিরা তাকিজাওয়া অন্যতম পছন্দের চরিত্র। *ডাব দেখা আবশ্যকীয়* 

হানি এন্ড ক্লোভার (Honey and Clover)
সবচেয়ে প্রিয় রোমান্স অ্যানিমে। কলেজ লাইফ নিয়ে তৈরী হওয়া হাতেগোনা অ্যানিমেগুলোর মধ্যে উপরের সারিতে থাকবে। লাইফ লেসনে ভরপুর – চিন্তাদ্দীপক।

ডেথ নোট (Death Note)
বেশ প্রথম দিককার দেখা অ্যানিমে। বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যানিমে। সামুরাই চ্যাম্পলুর লেখায় ভুল ছিলো – এই আরেকটা অ্যানিমে আমাকে পুরোটা সময় জুড়ে মনিটরের স্ক্রীনের সামনে আটকে রেখেছিল। লাইট ইজ জাস্টিস! *ডাব দেখা আবশ্যকীয়* 

মিলেনিয়াম এক্ট্রেস (Millenium Actress)
সাতোশি কনের আরেকটি অনবদ্য সৃষ্টি। বাস্তবতা, স্মৃতি আর কল্পনার মাঝে লাফিয়ে বেড়ানো চোখ জুড়ানো ভিজুয়াল! সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ অ্যানিমেটেড ফিল্ম! 

মাওয়ারু পেঙ্গুইনড্রাম (Mawaru Penguin Drum)
সবচেয়ে বেশি ভাবানো অ্যানিমে। প্রতিটি মুহূর্ত যে যত্ন নিয়ে বানানো হয়েছে তা কেবল কুনিহিকো ইজকুহারার দ্বারাই সম্ভব! আরেকটি মাথা ঘুরানো এবং ফেইট নিয়ে সবচেয়ে সেরা কনসেপ্টের কাহিনীর মাস্টারক্লাস এক্সিকিউশন! 

ফুলমেটাল আলকেমিস্ট ব্রাদারহুড (Fullmetal Alchemist Brotherhood)
শৌনেন অ্যানিমের আড়ালে যথেষ্ট গভীরতা থাকা প্লট, অসাধারণ সব চরিত্র, চমৎকার অ্যানিমেশন, সর্বকালের সর্বসেরা ওএসটি আর সেই সমাপ্তি। ফুলমেটাল আলকেমিস্ট ব্রাদারহুড = পারফেকশন! 

প্লানেটিস (Planetes)
বিশাল আনসাম্বলের অসাধারণ ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট। অফিস ড্রামা(যদিও আন্তঃমহাকাশীয়) নিয়ে হাতেগোনা অ্যানিমের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল তারা। আই তানাবে অন্যতম পছন্দের চরিত্র। *ডাব সুপারিশিত* 

মনস্টার (Monster)
লিস্টের সবচেয়ে বেশি পর্বের অ্যানিমে। এতোগুলো চরিত্র আর ইউরোপের এ মাথা থেকে ও মাথা চষে বেড়ানো এতো বড় পরিসরের কাহিনী – কিন্তু তাতে প্লটহোল অনুপস্থিতই বলা যায়। নাওকি উরাসাওয়া বলেই তা সম্ভব! #১ টিভি সিরিজ ম্যাটেরিয়াল। *ডাব দেখা আবশ্যকীয়* 

অ্যানিমে ডিকোড – নিওন জেনেসিস ইভাঙ্গেলিওন ১:পটভূমি – ফাহিম বিন সেলিম

নিওন জেনেসিস ইভাঙ্গেলিওন অ্যানিমেটার এক্সপ্লেনেশন ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ছড়ানো ছিটানো আছে। আবার ইউটিউবেও বেশ কিছু সংক্ষিপ্ত বর্ণণা ভিডিও আছে। বাংলায় সে সবকিছু একসাথে রাখার জন্য এই প্রচেষ্টা আর নিজেও মাঝে মাঝে ডিটেইলস ভুলে যাই, তাই ভালো একটা রিমাইন্ডারও। অ্যানিমেটা না দেখলে না পড়াই ভালো।

ফার্স্ট এনসেস্ট্রাল রেস বা ফার(First Ancestral Race or FAR)
ফার্স্ট এনসেস্ট্রাল রেস হল গড লাইক বিয়িং, অথবা বলা যায় তারা ইভাঙ্গেলিওন ইউনিভার্সের গড। ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগের মিল্কিওয়ে গ্যাকাক্সির প্রথম সেন্টিয়েন্ট লাইফ। তারা একই সাথে “নলেজ” ও “লাইফ”-এর অধিকারী(ট্রি অফ নলেজ, ট্রি অফ নলেজ রেফারেন্স), যা তাদের বানিয়েছে একই সাথে (প্রায়)অমর এবং মহাজ্ঞানী। তো এই ফার-রা কোন এক কারণে বিলুপ্তির সম্মুক্ষীন হলে তাদের বংশধারা বজায় রাখতে মহাকাশ জুড়ে “সীড অফ লাইফ(Seed of Life)” ছড়াতে শুরু করল। তারা চায় বংশবৃদ্ধি করতে এবং একই সাথে তারা চায় যাতে তাদের পরবর্তী প্রজন্ম যেন তাদের সমকক্ষ না হয়। এজন্য “সীড”-গুলো “নলেজ” অথবা “লাইফ”-এর কেবল একটি বহন করে। এই সীড আবার তিনটি জিনিসের সমন্বয় –

১/মুন(বা এগ) – যা ফ্রুট অফ লাইফ বা Fruit of Life(উচ্চতর শারীরিক ক্ষমতা) অথবা ফ্রুট অফ নলেজ বা Fruit of Knowledge(উচ্চতর জ্ঞান) বহনকারী;

২/ল্যান্স অফ লংগিনাস(Lance of Longinus) – ফার-রা চেয়েছিল যাতে কোন কারণে একই গ্রহে একই সাথে “ফ্রুট অফ লাইফ” এবং “ফ্রুট অফ নলেজ” বহনকারী প্রানীর মিলন না হয়(এডাম, ইভ, ডেভিল এবং ইডেন রেফারেন্স)। আর এ কারণেই ল্যান্স অফ লংগিনাস রাখা। কোন কারণে একই গ্রহে একই সাথে “ফ্রুট অফ লাইফ” এবং “ফ্রুট অফ নলেজ” বহনকারী মুন চলে আসলেও যেকোন একটির ল্যান্স অফ লংগিনাস তার কার্‍্যকার হওয়া থেকে বিরত রাখবে;

৩/(ডেড সী)স্ক্রোল(Dead Sea Schrolls)[সত্যিকারের ডেড সী স্ক্রোল রেফারেন্স] – অনেকটা ম্যানুয়াল এবং ভবিষ্যতবাণীর মত। কোন গ্রহে প্রাণের শুরু হলে এরপর কী কী হতে পারে, একই সাথে সীড অফ লাইফ-এর ব্যবহার, কার্যাবলী এতে উল্লেখিত।


অ্যানিমেতে এই ফার-দের কোন উল্লেখ নাই। কিন্তু ইভাঙ্গেলিওন গেমস-এ আছে। অবশ্য অ্যানিমেতে রেফারেন্স দ্বারা তাদের অস্তিত্ব বুঝা যায়। অ্যানিমের এক পর্যায় “মোনোলিথ” দেখা যায়, যেটা স্ট্যানলী কিউব্রিকের “২০০১ – এ স্পেস অডিসি” চলচ্চিত্রের সদৃশ। আর সেই চলচ্চিত্রেও কোন এক প্রকার গডলাইক বিয়িং(ফার্স্টবোর্ন) মানবজাতির ইভোল্যুশনের জন্য দায়ী।



ফার্স্ট ইমপ্যাক্ট(First Impact)
ফার্স্ট এনসেস্ট্রাল রেসের ছড়ানো অজানা সংখ্যক সীড অফ লাইফ মহাকাশব্যাপী বিভিন্ন গ্রহে প্রাণের বিস্তার করে। কিন্তু এরই মাঝে পৃথিবী হল আলাদা। পৃথিবীতে প্রথম আসে “ফ্রুট অফ লাইফ” বহনকারী “হোয়াইট মুন”, যা আঘাত হানে বর্তমানের অ্যান্টার্ক্টিকা মহাদেশে। হোয়াইট মুনের এগ “অ্যাডাম” পৃথিবীতে প্রাণের শুরু ঘটায়। কিন্তু ৪ বিলিয়ন বছর আগে ঘটনাক্রমে “ফ্রুট অফ নলেজ” বহনকারী “ব্ল্যাক মুন”-ও পৃথিবীতে আছড়ে পরে! এই বিস্ফোরনই ফার্স্ট ইমপ্যাক্ট নামে পরিচিত।
এই প্রচন্ড বিস্ফোরনে ব্ল্যাক মুনের বাইরের অংশ বিশেষ ধ্বংস হয়ে পৃথিবীর কক্ষপথে স্থায়ী হয়, যা বর্তমানে “চাঁদ” নামে পরিচিত। যদিও   ব্ল্যাক মুনের অভ্যন্তরীন “ফ্রুট অফ নলেজ”-এর কোন ক্ষতি হয়নি কিন্তু তার ল্যান্স অফ লংগিনাস মহাশুন্যে বিলীন হয়ে যায় অথবা ধ্বংস হয়ে যায়।
এখন পৃথিবী হল আলাদা, কারণ তার দুটি সীড অফ লাইফই আছে – নলেজ ও লাইফ। কিন্তু ব্ল্যাক মুনের ল্যান্স অফ লংগিনাস ধ্বংসপ্রাপ্ত। তাই তখনও প্রাণের প্রথম পর্যায়ে থাকা “অ্যাডাম”-এর ল্যান্স অফ লংগিনাস তার নিজের বৃদ্ধি বন্ধ করে দেয়। আর নতুন করে ব্ল্যাক মুনের এগ “লিলিথ” বংশবিস্তার শুরু করে। লিলিথের রক্ত বা এলসিএল সারা পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে পরে, যাকে বলা হয় প্রিমর্ডিয়াল উজ(Premordial Ooz)। আর এই প্রিমর্ডিয়াল উজ থেকেই একে একে তৈরী হয় প্রথম এককোষী জীব থেকে ক্রমশ কালের প্রবাহে মানুষ।

যেসব এনিমে দেখে কখনোই পস্তাবেন না! – শাফিউল মুনীর

কিছুদিন ধরেই ভাবছিলাম বেস্ট ২০ কিংবা বেস্ট ২৫ টা এনিমের একটা লিস্ট বানাবো, কিন্তু সিলেক্ট করতে হিমশিম খেতে হয়, এই বিকটাকার এনিমে জগতকে এত ক্ষুদ্র পরিসরে নিয়ে আসা সাধারণ এনিমখোরদের জন্য বেশ কঠিন ব্যাপার। এই লিস্টটি বেসিকেলি আমার সবচেয়ে পছন্দের কিছু এনিমের লিস্ট, তবে এতটুকু গ্যারান্টি দিচ্ছি যে এর মধ্যে কোনটা দেখে কারো বেশি খারাপ লাগবে না, কিংবা ‘দেখে লস হয়েছে’ এমন ভাবনা আসবে না। তাই কেউ যদি কোনটা না দেখে থাকেন দ্রুত দেখে ফেলার আহবান রইল। যেহেতু আমি শৌনেন এনিমে বেশি দেখেছি, তাই লিস্টে বেশিরভাগ শৌনেন…আর এনিমেগুলোর রিভিউ কিংবা সিনোপ্সিস বলা আমার উদ্দেশ্য না, কিছুটা পাবলিসিটি করছি মাত্র। গ্রুপের ওয়েবসাইটে অনেকগুলোর রিভিউ পাওয়া যাবে, আর মাই এনিমে লিস্ট ত দেখে নিতে পারেনই, তারপরও কোন এনিমে সম্পর্কে আরো কিছু জানতে চাইলে একটা কমেন্ট করতে পারেন। (এনিমেগুলো রেন্ডম সিরিয়ালে দেওয়া আছে).

1. ডেথনোটঃ অসাধারণ শ্বাসরুদ্ধকর একটা থ্রিলার, এনিমে জগতের প্রতিনিধি বলা যেতে পারে একে, যেকোন এনিমেহেটারও এটা দেখে পজিটিভ কিছু বলে যেতে বাধ্য, আপনি এনিমে দেখেন শুনলেই সবাই এর কথা প্রথমে জিজ্ঞেস করবে, মাস্ট সিন লিস্টে খুব উপরের দিকে… রেটিং- ৯/১০

2। ফুলমেটাল আলকেমিস্ট ব্রাদারহুডঃ আমার কাছে মনে হয়েছে এর থেকে পারফেক্ট কোন এনিমে হওয়া পসিবল না, যা যা থাকা দরকার সব আছে, রেটিং ১০/১০, সর্বকালের সেরা এনিমে বলে কিছু থাকলে এটাই।

3। বাকুমানঃ আমার দেখা সেরা স্লাইস অব লাইফ, মাঙ্গাকাদের জীবন নিয়ে বানানো এই এনিমেটি দেখার পর চিন্তাভাবনার ধরণ অনেক পালটে গেছে, মাস্ট সিন একটা এনিমে, আর মাঙ্গাটা এনিমে থেকে ভালো। রেটিং – সাড়ে ৯/১০

৪। কোড গিয়াসঃ ডেথনোটের সেইম জেনারের এনিমে যেটাকে আমি পারসোনালি ডেথনোটের থেকেও এগিয়ে রাখব, কাহিনী, ক্যারেক্টার ডেভলাপমেন্ট, ফাইটিং, এন্ডিং সবই অস্থির। রেটিং- সাড়ে ৯/১০

৫। হিউকাঃ খুব সাধারণ মানের একটা সহজ সরল এনিমে, কিন্তু এর সাধারণত্বই একে অন্যরকম একটা লেভেলে নিয়ে গেছে, মিস্ট্রি, স্কুল লাইফ, স্লাইস অব লাইফ টাইপ জেনার, খুব নিরীহ, নিষ্কলুষ একটা এনিমে, একটু স্লো হলেও দেখতে খারাপ লাগবে না। রেটিং- ৯/১০

৬। স্ল্যাম ডাঙ্কঃ স্পোর্টস এনিমে অনেকেরই ভাল লাগে না, কিন্তু স্ল্যাম ডাঙ্ক সবার ভাল লাগতে বাধ্য, এটা দেখে হাসিতে গড়াগড়ি না খেয়ে কোন উপায় নেই, বাস্কেটবল গেমের পাশাপাশি অসাধারণ হিউমার, কাহিনি আর ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট একে অন্যতম সেরা স্পোর্টস এনিমে হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। রেটিং- ৯/১০

৭। ডি গ্রে ম্যানঃ শৌনেন এনিমের মধ্যে অপেক্ষাকৃত কম আলোচিত, কিন্তু বেশ ভাল একটা এনিমে, কাহিনী, ফাইটিং, প্লট খুব ভাল, অনেক হিউমারাস স্ট্যান্ডার্ড ডায়লগ, তবে এন্ডিং পুরাপুরি না হওয়াতে কিছুটা কমে গেছে এর আপিল, তবু না দেখার কোন কারণ নেই। রেটিং- সাড়ে ৮/১০

৮। Nura Rise of Yokai Clan নুরারিহিয়ন নো ম্যাগোঃ সম্ভবত খুব আন্ডাররেটেড একটা এনিমে, এটা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুনি খুব কম। একটা খুব ভাল শৌনেন এনিমের সব ধরণের এলিমেন্ট ভালমত আছে এতে, সবাই দেখতে পারেন, তবে এখানেও দুই সিজন মিলে পুরাপুরি কাহিনীর শেষ হয় নাই, তবে একটা এন্ডিং আছে…রেটিং- সাড়ে ৮/১০

৯। মেজাইঃ দ্যা ল্যাবরিন্থ অব ম্যাজিক, কিংডম অব ম্যাজিকঃ আমার খুব পছন্দের একটা এনিমে, দুইটা সিজন হয়েছে, খুব ভাল কাহিনী, ফাইটিং, আর পটেনশিয়াল অনেক, মাঙ্গায় চলমান কাহিনী বেশি জটিল, হয়ত ভবিষ্যতে খুব ভাল কিছু একটা হবার সুযোগ রয়েছে। রেটিং – ৯/১০

১০। নারুতোঃ আমার সবচেয়ে বেশি পছন্দের এনিমে, নারুতো আমার সবথেকে ফেভারিট ক্যারেক্টার, ফিলার ছাড়া বিবেচনা করলে নারুতো আর নারুতো শিপ্পুডেনের মত অস্থির এনিমে খুব কমই আছে…এটা না দেখে থাকলে এনিমে জগতের অনেক বিশাল একটা অংশ মিস করবেন, এটা আপনাকে মন খুলে হাসাবে আর আপনার চোখের পানি বের করে ছাড়বে, এর বেশি আর কি প্রয়োজন? বায়াসড রেটিং- সাড়ে ৯/১০

১১। Silver Spoon (গিন নো সাজিঃ এফএমএবির রাইটারের আরেকটা অদ্ভুত ব্রিলিয়ান্ট কাজ, স্লাইস অব লাইফ, স্কুল লাইফ খুব ব্যতিক্রমধর্মী একটা কাহিনির মাধ্যমে ফুটে উঠেছে, দুই সিজন এসেছে, খুব মজার আর ভাল, তবে শোনা যাচ্ছে আর এনিমে হবে না, মাঙ্গা এগিয়ে চলছে, না দেখলে এখনি শুরু করুন, খুব ভালো কয়টা দিন যাবে… রেটিং- ৯/১০

১২। সাইকো পাসঃ সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারের জগতে আরো একটি অসাধারণ এনিমে, খুবই চিত্তাকর্ষক প্লট, প্রথম সিজন শেষ করে দ্বিতীয় সিজনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি, একটা পর্ব দেখলেই টেনে ভিতরে নিয়ে যাবে আপনাকে, শেষ করার আগে বেরুতেই পারবেন না। রেটিং- ৯/১০

১৩। স্টেইন্স গেটঃ খুব ভাল সাই-ফাই, থ্রিলার, মজাটা শুরু হতে একটু টাইম নেয়, কয়েকটা এপিসোড ধৈর্য্য ধরে বসে দেখতে হবে, একবার শুরু হলে আর উঠা লাগবে না। রেটিং- ৯/১০

১৪। ফেইট জিরো-ফেইট স্টে নাইটঃ বহুল আলোচিত এনিমে, ফেইট জিরো খুব বেশি ভাল, ফেইট স্টে নাইট ও অনেক ভাল লেগেছে আমার, ফাইটিং, ক্যারেক্টার আর ট্যাকটিক্স সবকিছুই আকর্ষণীয়। রেটিং- জিরো- ৯/১০, ফেইট স্টে নাইট- সাড়ে ৮/১০

১৫। এভাটারঃ দ্যা লাস্ট এয়ারবেন্ডার, এভাটারঃ কোরাঃ এটা এনিমে জগতে প্রবেশাধিকার পায় নি, একটা কার্টুন, কিন্তু কাউকে এনিমখোর বানাতে চাইলে সবার আগে এটা দেখতে পরামর্শ দিতে পারেন, প্রথম এনিমেটা এভাটার এং এর কাহিনী, ফাইটিং, ফান সবকিছু অতি উচ্চমানের। পরের এনিমেটা ভিন্ন এক এভাটারের কাহিনী, ভাল… রেটিং, প্রথমটা- সাড়ে ৯, পরেরটা সাড়ে ৮

১৬। গিনবান কেলাইডেস্কোপঃ মাত্র ১২ এপিসোডের ডিফারেন্ট টাইপ একটা স্পোর্টস এনিমে, আর সাথে ব্যতিক্রমধর্মী রোমান্স, অবশ্যই দেখা উচিত…  রেটিং- ৯

১৭। The Garden of Sinners (কারা নো কিউকাইঃ থ্রিলার, মিস্ট্রি, হরর জেনারের একটা অসাধারণ উদাহরণ, মূলতঃ ৭ টি ভিন্ন ভিন্ন মুভি মিলে এই সাত পর্বের কালেকশনটা একটা মুহূর্তের জন্যও বোরিং লাগার কথা না। রেটিং- সাড়ে ৮

১৮। ফেয়ারি টেইলঃ অতি বিতর্কিত একটা এনিমে, কাহিনী-ফাইটিং-মিউজিক-ক্যারেক্টার খুব ভাল, তবে অনেক নেগেটিভ দিক রয়েছে, দেখে সিদ্ধান্ত নেন, কন্টিনিউ করবেন কিনা, শৌনেন লাভারদের অবশ্যই ভালো লাগবে,দেখবেন… রেটিং- সাড়ে ৮

১৯। ওয়ানপিসঃ একটা মাস্টারপিস, দিনের পর দিন শুধু ভাল থেকে ভালতর হচ্ছে এই এনিমেটা, অনেকেই শুরু করতে চান না বিশাল সাইজ দেখে, আবার প্রথমদিকের কিছু পর্ব দেখে অতি আকর্ষনীয় মনে না হওয়াতে অনেকে রেখে দেন, কিন্তু বিশ্বাস করুন, ‘একজন এনিমখোরের জন্য ওয়ানপিস ই যথেষ্ট’, শুধু কষ্ট করে দেখে ফেলেন ৩০০ টার মত এপিসোড, তারপর শুধু চোখ আটকেই থাকবে না, পুরো দুনিয়া ছেড়ে ওয়ানপিসের জগতে হারিয়ে যাবেন, ফেরত আসতে পারেন কিনা সন্দেহ আছে !…রেটিং- সাড়ে ৯

২০। ব্লিচঃ বিগ থ্রির গর্বিত সদস্য, সম্ভবত সবচেয়ে সেরা ফাইটিং এনিমে বলা চলে, এই এনিমেতেই আছে এনিমে জগতের অন্যতম সেরা ভিলেন, এক একটা ডায়লগ-ফিলসফি সুপার ক্লাস, না দেখে থাকলে আপনার এনিমে ক্যারিয়ার অবশ্যই অপূর্ণ। রেটিং-৯

২১। জায়ান্ট কিলিং– ফুটবল নিয়ে নির্মিত এই স্পোর্টস এনিমেটি অনেক ব্যতিক্রমধর্মি এর স্বজনদের থেকে, ফুটবল লাভাররা অবশ্যই দেখবেন, রিয়ালিস্টিক, উত্তেজনাপূর্ণ, গতিময় আর অনেক উপভোগ্য, দেখলেই বুঝবেন কেন দেখা উচিত…রেটিং ৯

২২। গোসিকঃ মিস্ট্রি-ডিটেক্টিভ জনরার একটা ছোটখাট এনিমে, তালিকার বাকিগুলোর মত হাই প্রোফাইল না, তবে মিস্ট্রিগুলা খুব ই ভালও, দেখতে অবশ্যই ভাল লাগবে…রেটীং – সাড়ে ৮

২৩। কাতেকিউ হিটম্যান রিবর্ন- আরো একটা আন্ডাররেটেড শোনেন, খুব ভালো কাহিনী, ফাইটিং, শুরুর দিকে বেশ কিছুক্ষণ ধৈর্য্য ধরে দেখতে হবে, একটা বাচ্চা বাচ্চা টাইপ লাগতে পারে, কিন্তু মূল কাহিনী একবার শুরু হবার পর আটকে যাবেন পর্দায়, এনিমেতে একটা নির্দিষ্ট আর্ক পর্যন্ত দেখানো হয়েছে, বাকিটা মাঙ্গা পড়তে পারেন। রেটিং- ৯

২৪। কেনিচিঃ হিস্টোরিস মাইটিয়েস্ট ডিসিপালঃ মার্শাল আর্ট, ফিস্ট ফাইট জেনারের আমার দেখা বেস্ট এনিমে, ডায়লগ খুব মজার, যদিও এনিমেতে মাত্র ৫০ এপিসোডে (মাঙ্গা চ্যাপ্টার ১৪০ এর মত) শেষ করে দিয়েছে, সেগুলোও বেশ উপভোগ্য, আর মাঙ্গাটা অনেক ভাল (চ্যাপ্টার ৫৭০ এন্ড অনগোয়িং)…রেটিং- ৮

২৫। দুরারারাঃ বেশ ব্যতিক্রমধর্মী একটা এনিমে, একশন-মিস্ট্রি জেনারের, কাহিনীর ডেভেলপমেন্ট বেশ ইন্টারেস্টিং, নেরেশন আর পেসটা ভালো লাগতে বাধ্য, বেশকিছু ভালো লাগার মত ক্যারেক্টার আছে এতে, অবশ্যই দেখতে হবে এমন আরো একটি এনিমে, সম্ভবত দ্বিতীয় সিজন শীঘ্রই আসছে, অপেক্ষায় আছি… রেটিং- ৯/১০

২৬। হান্টার* হান্টারঃ অনেকেই নারুতোর সাথে এর অনেক মিল খুঁজে পেতেন প্রথমদিকে, কিন্তু বর্তমান আর্কগুলো দেখে তাদের ধারণা পাল্টাতে বাধ্য, খুব অস্থির একটা শৌনেন এনিমে, কিছুদিন আগে শেষ হওয়া এর চিমেরা এন্ট আর্কটা সম্ভবত এনিমে দুনিয়ার অন্যতম সেরা আর্কগুলোর মধ্যে একটা, প্রথম থেকেই কাহিনী, ডায়লগ, ফাইটিং সবকিছু ভালো। রেটিং- ৯/১০

২৭। সামুরাই এক্স- রুরোনি খেনশিন-  আমার দেখা প্রথম এনিমে, তখন এটার মর্ম বুঝতে পারি নি, একটা মাস্টারপিস- ক্লাসিক এনিমে, সামুরাই-সোর্ড ফাইটিং লাভার না হলেও মাস্ট সিন, খেনশিন হিমুরার মত ক্যারেক্টার দেখতে পারাটাই অনেক সৌভাগ্যের, এনিমে দুনিয়ার আরেক কুল ভিলেনও আছে এতে। রেটিং- সাড়ে ৯

২৮। গিনতামাঃ এটা সম্পর্কে কিছু বলতে চাই না, শুধু বলব এটা না দেখলে খুব বড় কিছু একটা মিস করবেন, বেশি বড়, তবে এটা দেখার আগে বেশকিছু এনিমে দেখে নেওয়া উচিত, তাহলে আসল মজাটা পাবেন, বিভিন্ন এনিমের নানাদিককে মাঝে মধ্যেই তুলে আনা হয়েছে এতে খুব ক্লাসিক হিউমার হিসাবে… রেটিং- ৯/১০

আরো কিছু এনিমে যা অবশ্যই দেখা উচিত-  Kingdom, মনস্টার, কাউবয় বিবপ, সামুরাই চ্যাম্পলু, ব্ল্যাক ক্যাট, কিউ কারো মাউ, তরিকো, হানি এন্ড ক্লোভার, তোরাদোরা, ইউ ইউ হাকুশো, এডেন অব ইস্ট, তরিকো, মেলানকোলি অব হারুহি সুজুমিয়া, লগ হোরাইজন, স্পাইস এন্ড উলফ, ডিটেক্টিভ একাডেমি কিউ, সোল ইটার, শিনগেকি নো কিয়োজিন, নোডামে ক্যান্টিবেলে, ফ্যান্টমঃরিকোয়েম, মুশি শি, জোজোস বিজার এডভেঞ্চার, ইনিশিয়াল ডি, হাজিমে নো ইপ্পু, বার্সার্ক, ড্রাগন বল, ড্রাগন বল জি, ডিটেক্টিভ কোনান, ক্লানাড, চিহায়াফুরু, বকুরা ওয়া মিন্না কাওয়াইসো, এইস অব ডায়মন্ড, Cross Game, One Outs, Kuroko no Basuke… … শেষ নাই শেষ নাই, ভাল এনিমের শেষ নাই… !!!

(বিঃদ্রঃ উপরের এনিমেগুলোর রেটিং বা বর্ণনা সংক্রান্ত কোন কমেন্ট থাকলে অবশ্যই বলতে ভুলবেন না, তবে যেহেতু পারসোনাল চয়েজ লিস্ট, পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম।)

Keep calm and watch Anime… And also don’t forget, life comes first, anime is only for recreational purpose, don’t be an Otaku, that’s seriously bad.

কয়েকটা খুব ছোট এনিমে by Matiur Rahman Minar

কয়েকটা খুব ছোট এনিমে

অনেক সময় হয়ত একটানা বড় সিরিজ না দেখে এক বসায় দেখে শেষ করার মত ছোট সিরিজ দেখার ইচ্ছে জাগতে পারে। এই রকম কয়েকটা নিয়ে লেখা।

 

## Afro Samurai

 

“Nothing personal, just revenge.” ছোটবেলায় নিজের বাপকে চোখের সামনে জাপানের নাম্বার ওয়ান সামুরাই ট্যাগ হারিয়ে মরতে দেখে আফ্রো। তারপর থেকে প্রতিশোধের তাড়নে আর হারানো পদ পুনরুদ্ধারে পথচলা আফ্রোর।

কাহিনী একটু গোর, তবে অসাম ফাইটিং আছে।

No. of episodes: 5/6 + Afro Samurai Resurrection + Movie

MAL rating: 7.40

 

 

## FLCL

 

ছোট্ট নাওতার একঘেয়ে জীবনে হঠাত করেই আবির্ভাব ঘটে হারুকোর। এবং মাথায় বাড়ি খেয়ে ফুলে উঠা শিং থেকে তৈরি হয় বিশাল দানব… …কি উদ্ভট!! নাওতার জীবনে আসে ড্রাস্টিক্যাল চেঞ্জ।

বেশি উড়াধুরা, খালি চমকায়ে যেতে হয়।

No. of episodes: 6

MAL rating: 8.09

 

 

## Karas

 

“Where there is a city, there is a karas to protect the city’s will.” ইউকাইদের হাত থেকে শহরকে রক্ষার জন্য কারাসের পাওয়ার গ্রহণ করে অতহা এবং নিজেকে প্রমাণ করে চলে সিম্বল অব জাস্টিস হিসেবে।

চরম এনিমেশন আর একশন সিকুয়েন্স ছাড়া তেমন কিছু নেই।

No. of episodes: 6

MAL rating: 7.66

 

 

## Demon King Daimao

 

এনিমেটা দেখার সময় বারবারই মনে হচ্ছিল হ্যারি পটারের জাপানিজ এনিমে ভার্শন। পার্থক্য শুধু এটা কিছুটা হারেম। সাই আকুতোর ডেমন কিং হওয়ার কাহিনী।

কাহিনী ভালো ছিল, চাইলেই বড় সিরিজ বানানো যেত।

No. of episodes: 12

MAL rating: 7.40

 

 

## Omamori Himari

 

ইয়ুতো এক সাধারণ স্কুল বয়। হঠাত করে হিমারি নামের এক ক্যাট-গার্ল সামুরাই এসে জানায় ইয়ূতোর বিশাল পাওয়ার আর দায়িত্বের কথা।

একশন ভালো, প্রচুর ফ্যান্সার্ভিস। হারেম।

No. of episodes: 12

MAL rating: 7.36

এফ এ সি ৩৭

দ্বীপ দেশ জাপানের আয়তনের তুলনায় জনসংখ্যা তুলনামুলকভাবে কম। কারণ মূলত জীবনযাত্রার বিশাল ব্যয়, সেই সাথে বেশিরভাগই সংসার শুরু করতে চায় না, স্বাধীন জীবনযাপনই এদের বেশি পছন্দ। সরকার বেশি সন্তানের বাবা-মাকে ইনসেন্টিভ দিচ্ছে, তবুও এই ব্যাপারে জাপানের অধিবাসীদের তেমন মাথাব্যথা নেই।

পারিবারিক চেতনা বা মূল্যবোধ সব জায়গাতেই কমে যাচ্ছে, জাপানও এর ব্যতিক্রম নয়।

আনিমে সাজেশন

ইয়ামাতো নাদেশিকো শিচি হেঙ্গে[Yamato Nadeshiko Shichi Henge]

নাকাহারা সুনাকো হল ভয়াবহ ধরনের অসামাজিক, নিজের ঘরে বসে আপন মনে প্রেতচর্চা করা এক তরুণী। সে যে কতটা পিকুলিয়ার, সেটা বোঝার জন্য এটুকু জানাই যথেষ্ট, তার ভালবাসার পাত্র হচ্ছে স্কুলের এনাটমি বোঝানোর জন্য যে ম্যানিকিন ব্যবহার হয়, আর কঙ্কাল। তো তাকে এক পারফেক্ট গার্ল, বা ইয়ামাতো নাদেশিকো বানানোর জন্য সুনাকোর আনটি পাঠালেন চার সুদর্শন তরুণকে। তাদের ঔজ্বল্যে চোখ ধাধিয়ে গেলো সুনাকোর, নোজব্লিডের শিকার হল সে। এরপর?

কেন দেখবেনঃ টিপিক্যাল শোউজো না, চমৎকার ক্যারেক্টার ডিজাইন, সেই সাথে কমেডির মিলন।

ম্যাল রেটিং ৭.৯৮
আমার রেটিং ৯

মাঙ্গা সাজেশন

মেরু পুরি[Meru Puri]

 

আইরি স্বপ্নে বিভোর, তার সামনে একদিন এসে হাজির হবে রাজপুত্র, বিয়ে করবে তাকে, তারা সুখে ঘরসংসার করবে। তো একদিন রুপকথার রাজ্য থেকে এক রাজকুমার সত্যি সত্যি হাজির হল, কিন্তু সে যে হাইস্কুল পড়ুয়া আইরির সাথে তুলনা করলে স্রেফ এক বাচ্চা ছেলে! এই অসমবয়সী দুইজনের সম্পর্ক কি আদৌ প্রেমে পরিণত হবে?

কেন পড়বেনঃ খুবই জনপ্রিয় শউজো মাঙ্গা ভ্যাম্পায়ার নাইটের মাঙ্গাকার আঁকা, ভদ্রমহিলার আঁকার হাত তো ভালই, কাহিনীকে এগিয়েও নিতে পারেন সুন্দরভাবে। মেইন দুই ক্যারেক্টারও যথেষ্ট লাইকেবল।
কেন দেখবেন/পড়বেন নাঃ শউজো জন্রার, কাজেই বুঝতে পারছেন মারপিট খুব একটা নেই, মূল পাত্রপাত্রীদের দৈনন্দিন খুনসুটিই সিরিজের প্রাণ। সেই মতো বুঝে নিন।

ম্যাল রেটিং ৮.৩১
আমার রেটিং ৮

এফ এ সি ৩৬

রান্ডম টপিক

 খাদ্যাভাস

 

 

আমরা বেশিরভাগ বাঙালি খাবার সময় কি করি? একগাদা ভাত নেই, তার সাথে এক চিমটি সবজি। আর জাপানিরা করে উল্টো, তারা সবকিছুই মোটামুটি সমান পরিমাণে নেয়। জাপানিরা মহিলারা যে ৪০ এও চালশে হয়ে যায় না, শারীরিক গঠন চমৎকার থাকে, তাঁর কারণ এই পরিমিত খাদ্যাভ্যাস, প্রচুর পরিমাণে সী-ফুড, আর চিনিছাড়া চা।

আপনিও এটা ট্রাই করতে পারেন, শুধু মাংস খাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

 

 

আনিমে সাজেশন

 ক্রস গেম[Cross Game]

 

কৌ আর ওয়াকাবার বাল্যকালের প্রেম কুঁড়ি হয়ে ফুটতে না ফুটতেই ঝরে গেলো। বড় বোন মারা যাওয়ায় নিজেকে খানিকটা হলেও দোষী মনে করল আওবা, সেও যে ভালবাসত কৌকে! কিন্তু কৌর কি আর সেদিকে খেয়াল আছে? তার এখন স্বপ্ন একটাই, সে তার প্রথম প্রেমের কাছে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে, যাবে সে কশিয়েনে[হাইস্কুল বেসবল এর ন্যাশনাল টুর্নামেন্ট], হবে সে দুর্দান্ত এক পিচার!

 

কেন দেখবেনঃ রিফ্রেশিং রোমান্টিক স্পোর্টস আনিমে, কোন এচি কন্টেন্ট নেই, কাহিনী খুব সাবলীলভাবে এগিয়েছে, বেশিরভাগ স্পোর্টস আনিমে থেকে ব্যতিক্রম, কারণ এখানে নায়ক একেবারে নবিস পর্যায় থেকে শুরু করে বিভিন্ন জনের কাছে ট্রেনিং নিয়ে মহা ফ্যান্সি কোন পাওয়ার পায় না। বাস্তবধর্মী আনিমে।

কেন দেখবেন নাঃ হাইস্কুল স্লাইস অব লাইফ স্পোর্টস স্টোরি, এ থেকে বুঝে নিন কাদের ভালো লাগবে, আর কাদের না।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৬০

আমার রেটিং ৯

 

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

দেনপা কিওশি[Denpa Kyoushi]

 

 

কাগামী জুনিচিরো মহা ব্রিলিয়ান্ট হলে কি হবে, সে হচ্ছে এক অতাকু হিকিকমরি। বড় বোনের জ্বালায় ঘরে থাকতে না পেরে সে হল এক স্কুলের টিচার। তারপর?

 

কেন পড়বেনঃ এটাকে মোটামুটিভাবে গ্রেট টিচার অনিজুকার সফটকোর ভারশন বলা যায়, যারা দ্য ওয়ার্ল্ড গড অনলি নোজ পড়েছেন, তাদের ভালো লাগার কথা।

কেন পড়বেন নাঃ আর্ট তেমন একটা ভালো না, প্যানেলগুলো খুবই মেসি, পড়তে গিয়ে মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। আর আমি অনেকদিন পড়ছি না, ৬০ চ্যাপ্টারের মতো পড়ে স্টপ।

 

ম্যাল রেটিং ৮.২৫

আমার রেটিং নেই, কারণ অন্গিং।

এফ এ সি ৩৫

রান্ডম টপিক

তোহো প্রজেক্ট[Touhou Project]

 

এই ঘটনার সাথে অনেকেই পরিচিত হয়ে থাকবেন, কোন ভকালয়েডের ছবি দেখলেই অনেকে জিজ্ঞাসা করে, কোন আনিমে থেকে এই ক্যারেক্টার। এর পাশাপাশি আরেকটা নাম যুক্ত হয়েছে, যার ক্যারেক্টারগুলোকে দেখেও অনেকেই একই প্রশ্ন করে। নামটা হল তোহো প্রজেক্ট। শুধু জাপানেই না, অন্যান্য দেশেও এই গেমটা খুব জনপ্রিয়। গেমের প্রিমিস হচ্ছে গেনসোকিও নামের একটা জায়গা, যেখানে অনেক ইওকাই এর সহাবস্থান। সব ক্যারেক্টার এরই বিশাল ব্যাকগ্রাউন্ড হিস্ট্রি।

 

এই গেম জনপ্রিয় মূলত এর ক্যারেক্টারগুলোর জন্য, সেই সাথে অদ্ভুত সুন্দর থিম মিউজিকগুলো তো আছেই। আপনারা ইয়ুতিউবে গিয়ে শুনতে পারেন, আমি এখানে শুধু চিরুনোর ক্যারেক্টার থিম দিয়ে দিলাম। http://www.youtube.com/watch?v=AyHJpHqI5uY

 

 

 

আনিমে সাজেশন

এয়ার[Air]

কামিও মিসুজু ভারী শান্ত, ভারী মিষ্টি এক মেয়ে। তাঁর সাথে পরিচয় হয়ে গেলো এক ভবঘুরে জাদুকরের সাথে। এরপর?

 

কেন দেখবেনঃ এটা কী এর একটা আনিমে, যাদের অন্য কাজগুলোর মধ্যে আছে ক্ল্যানাড, ক্যানন ২০০৬ ইত্যাদি। বুঝতেই পারছেন, আশ্চর্যরকম সুন্দর কিছু সাউন্ডট্র্যাকের সাথে আবেগের মেলবন্ধন। কয়েক বাক্স টিস্যু নিয়ে বসতেই পারেন। আর অতি অবশ্যই আনিমেটা শেষ করে দুটো অভিয়ে দেখে নেবেন, তাহলে কাহিনী পুরোপুরি বুঝতে পারবেন।

 

ওপেনিংএ লিয়ার গানটা এখনি শুনে দেখুন না। http://www.youtube.com/watch?v=NtJnix-9niI

 

কেন দেখবেন নাঃ কোন কারণ নেই।

 

 

 

ম্যাল রেটিং ৭.৬৫

আমার রেটিং ৮

 

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

গকিবুরি গিজিঙ্কা[Gokiburi Gijinka]

 

গোকিচা না, ভারী ভালো মেয়ে। সে সব মানুষকে ভীষণ ভালবাসে, তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে চায়। কিন্তু তাকে কেউ দেখতে পারে না। সে একটা আরশোলা, এই কি তার অপরাধ?

 

কেন পড়বেনঃ খুব ভালো স্লাইস অব লাইফ কমেডি। এমন না যে মহা হিউমারাস, বা কাতুকুতু, গোকিচার কার্যকলাপ দেখলে মুচকি না হেসে পারবেন না, এতুকু গ্যারান্টি দেয়াই যায়।

 

কেন পড়বেন না: কোন কারণ নেই।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৫০

আমার রেটিং নেই, কারণ সিরিজ অন্গিং।

 

এফ এ সি ৩৪

রান্ডম টপিক

 ফুতন

ফুতন হলো ম্যাট্রেস দিয়ে বানানো বেডিং, যাতে রাতে ঘুমিয়ে থাকার পর সকালে খুব সহজে গুছিয়ে আলমারিতে রেখে দেয়া যায়. এতে খুব বড় একটা সুবিধা, ঘরে অনেক বেশি স্পেস পাওয়া যায়. জবরজং খাটের চেয়ে ফুতন আসলে বেশি কাজের।

আর ফুতন যে শুধু ঘুমানোর কাজেই ব্যবহার করা হয় তা না, বসার জন্যও এক ধরনের বর্গাকার ফুতন ব্যবহার করা হয়, একে বলে জাবুতন।

 

 

আনিমে সাজেশন

প্যানটি অ্যান্ড স্টকিং উইথ গার্টারবেল্ট[Panty and Stocking with Garterbelt]

 

এনারকিরা দুই বোন, প্যানটি আর স্টকিং। তারা দুজন এঞ্জেল, এক পাদ্রি গার্টারবেল্টের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন ইরেগুলারিটিকে ধ্বংস করে, এদেরকে বলে গোস্ট। এই পোস্টে এর চেয়ে বেশি কিছু বলাটা সেফ হবে না।

 

কেন দেখবেনঃ দারুন সব প্যারোডি, অ্যাকশান সিকোয়েন্স, এবং আমার মনে সবচেয়ে বেশি দাগ কেটে যাওয়া ট্রান্সফরমেশন সিন।

আর অবশ্যই, দ্যাট এন্ডিঙ।

কেন দেখবেন নাঃ অনেকটা আমেরিকান কার্টুন স্টাইল এর অ্যানিমেশন, তুলনামূলক বেশি ভালগার কন্টেন্ট।

এবং এক্ষেত্রেও, দ্যাট এন্ডিঙ।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৮৫

আমার রেটিং ৮

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

 মনস্টার মুসুমে নো ইরু নিচিজৌ

পৃথিবীতে এমন একটা সময় চলছে, যাতে মানুষ ছাড়াও মানুষের মতো বিভিন্ন প্রজাতি সহাবস্থান করছে। তো এচি হারেমে যা হয় আর কি, মেইন ক্যারেক্টার এর বাড়িতে সব সুন্দরীরা এসে ভিড় জমালো, এদের মধ্যে আছে লামিয়া, সেন্টর, মারমেইড ইত্যাদি। এরপর?

 

কেন পড়বেনঃ এচি তো, পড়তে বেশ মজা লাগে। হেহে।

কেন পড়বেন নাঃ এচি পড়তে খুব মজা লাগে, কিন্তু শেষ করে মেজাজ খারাপ হয়ে যায়, কেন এটা পড়ে সময় নষ্ট করলাম। এখন পর্যন্ত তেমন ধারাবাহিক কোন কাহিনী নেই, প্রতি কয়েক চ্যাপ্টারে একের পর এক সুন্দরীরা আসছে, এই যা।

 

ম্যাল রেটিং ৮.০৪

আমার রেটিং নেই, কারণ সিরিজ অন্গিং।

অ্যানিমের ইতিহাস – পঞ্চম পর্বঃ বিশ্বজয় – চেনা জগত; লা এইচ ট্রিও– ফাহিম বিন সেলিম

ষাটের দশকে শুধু টিভিতে অ্যানিমের জাগরণের গান।
ওসামু তেজুকা আর তার মুশি প্রোডাকশন শুধু অ্যাস্ট্রো বয়েই থেমে থাকেননি। সেটা তো ছিল মাত্র শুরু। ১৯৫৯ আর তারপর ১৯৬৩ তে মাইটি অ্যাটম বা আরো বেশি জনপ্রিয় নাম, অ্যাস্ট্রো বয়ের নতুন যে সিরিজ শুরু হল সেগুলোর ধারাবাহিকতায় ১৯৬৫ সালে তেজুকা তার নিজের লেখা মাঙ্গা জাঙ্গল এম্পেররের অ্যানিমে তৈরি করেন; যা সারা বিশ্বে আরো বেশি পরিচিত কিম্বা – দ্য হোয়াইট লায়ন নামে(Kimba – The White Lion)।
আফ্রিকার অরন্যের বেড়ে উঠা লিও(ইংরেজিতে কিম্বা) আর তার অভিযান নিয়েই তৈরি এই ৫২ পর্বের সর্বপ্রথম পুর্নরঙ্গিন অ্যানিমে। মাত্র এক বছরের মাথায় এটা আমেরিকায়ও মুক্তি পায়। আর এভাবেই জাপান থেকে সুদূর যুক্তুরাস্ট্র হয়ে সারাবিশ্বে অ্যানিমে প্রসার শুরু হল। যা পরবর্তীতে অনুদিত হয়েছে ইতালি, ফ্রেঞ্চ, স্প্যানিশ, কাতালান, ডাচ, জার্মান সহ বিভিন্ন ভাষায় আর প্রচারিত হয়েছে শ’ কয়েক দেশে – হয়ত বাংলাদেশ টেলিভিশনের পর্দায়ও আপনি তা দেখে থাকবেন। যা আজ পর্যন্ত, এই প্রজন্মের কাছে না হলেও এবং অ্যানিমে হিসেবে তেমন প্রচার না থাকলেও, অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রভাব বিস্তারকারী অ্যানিমে।

আর এসব অ্যানিমে শুধু জাপানই নয়, বিশ্বব্যাপী ছোট ছেলেমেয়েদের ‘চাইল্ডহুড’ বদলে দিচ্ছিল চিরদিনের জন্য। তেজুকার এসময়ের আরো একটি উল্লেখযোগ্য কাজ প্রিন্সেস নাইট, সর্বপ্রথম সৌজো, ম্যাজিকাল গার্ল জনরার অ্যানিমে। তবে তেজুকা যে একাই সব করছিলেন তা না, জাপানের ‘ডিজনী’ তোয়েই অ্যানিমেশন আর অন্যান্য নতুন গড়ে ওঠা প্রতিষ্ঠানগুলোও বসে ছিল না। ১৯৬৩ সালেই প্রচারিত হয় জাইগেন্টর(Gigentor), আমেরিকার সেসময়কার বেশ জনপ্রিয় এক ‘কার্টুন’; যা মাত্র এক বছরের মাথায় আমেরিকা আর অর্ধদশক না পেরোতে পা রেখেছিল ডাউন-আন্ডারে। টিভি ডৌগার ম্যারিন বয়(Marine Boy), তোয়েই-এর সাইবর্গ ০০৯(Cyborg 009) এর পাশাপাশি ‘৬০-এর সবচেয়ে বড় নাম, তাতসুয়োকো প্রোডাকশনের – মাক গোগোগো(Mach GoGoGo)। টিনেজার স্পীড আর তার মাক ফাইভের রক্তগরম, শিরদারা আর হৃদস্পন্দন থামিয়ে দেওয়া সব রেসিং। সাথে আছে রহস্যময় রেসার এক্স। ওহ, অ্যানিমেটার ১৯৯৭ সালের রিমেক, ২০০৮-এর কার্টুন রিমেক নেক্সট জেনারেশন অথবা একই সালের হলিউড লাইভ অ্যাকশন ফিল্ম হয়ত দেখে থাকবেন। অ্যানিমেটা বিশ্বব্যাপী পরিচিত স্পীড রেসার(Speed Racer) নামে।

আর এসব অ্যানিমে দেখে বড় হওয়া প্রজন্ম কয়েক দশক পর আনবে নতুন এক মেলবন্ধন। জাপান, আমেরিকা – অ্যানিমে, হলিউডের মাঝে। তবে সে অনেক পরের গল্প।

টিভির কাছে স্তিমিত হয়ে গেলেও হলে তখনো অ্যানিমে মুভি বের হওয়া বন্ধ হয়নি। কিন্তু ১৯৬৯ সালে মাঙ্গার জনক, আধুনিক টিভি অ্যানিমের জনক, তেজুকা যা বানালেন তার কথা কেউ ভাবতেও হয়ত পারেনি। ১৯৬৯ সালের জুনে জাপানের হলগুলোতে বেরোল ওয়ান থাউজ্যান্ড এন্ড ওয়ান নাইটস(1001 Nights), হ্যা আলাদিনের সেই ধ্রুপদি কাহিনী। কিন্তু তেজুকার হাতে এই চেনা কাহিনীটাই আমূল বদলে গেল। শব্দ আর চিত্র গ্রহনের অনন্য পরিচালনায় তৈরি হল অনবদ্য মুভি, তাতে আছে শিল্পের ছোয়া আবার যৌনতা আচড়। আর-এক্স রেটেড, আনসেন্সরড – ওয়ান থাউস্যান্ড এন্ড ওয়ান নাইটস হয়ে গেল সর্বপ্রথম অ্যানিমেটেড পর্নোগ্রাফি – হেন্তাই। যদিও তা বর্তমানের ‘হেন্তাই’-শব্দটার ব্যবহারিক অর্থের সাথে মিলে না। বাগদাদ, অ্যাামাজন অথবা আলিবাবার ও ৪০ চোরের গুহা পার হয়ে এ অ্যানিমে পরিবেশন করবে বাস্তব আর স্বপ্নের এক অসাধারন সমাহার।

শুধু এখানেই অবশ্য শেষ না, পরের বছর বেরোল ক্লিওপেট্রা – দ্য সেক্স কুইন(Cleopetra The Sex Queen) আর ১৯৭৩-এ ২৩তম বার্লিন ফিল্ম ফেস্টিভালে মুক্তি পেল বেলাডোনা অফ দ্য স্যাডনেস(Belladona of the Sadness)। সবগুলোই আর-এক্স হেন্তাই।

আর এভাবেই টিভির জাগরন আর থিয়েটারে বড়সড় একটা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে ‘৭০-এ পা রাখল অ্যানিমে। কাতসুদো সাশিন আর কুমো তো চুরিপ্পুর মত অজানা এক জগত পেরিয়ে এজায়গাটা সাধারন অ্যানিমে ভক্তদের কাছে অবশ্য বেশ পরিচিত। ১৯৭০-এর অনেক অ্যানিমেই আমাদের হয়ত আমাদের প্রিয়, বারবার দেখা। আবার হয়ত কারো দেখা সেগুলোর সাম্প্রতিককালে প্রচারিত রিমেক। নামগুলো শুনেই হয়ত মুখে ক্ষীন একটা হাসির আভাস দেখা দিবে। অ্যানিমে এখন বিশ্বব্যাপী, অ্যানিমে এখন বিশ্বজয়ী।

কারণ ‘৭০-এ অ্যানিমে জগতে পা রাখবে –
লুপিন দ্য থার্ড, আশিতা নো জো, ফিউচার বয় কোনান, মাজিঙ্গার জি, গ্যালাক্সি এক্সপ্রেস ৯৯৯, রোস অফ ভার্সাইলেস, স্পেস ব্যাটলশিপ ইয়ামাতো, মোবাইল স্যুট গুনদাম।
ডোরেমন!

// জাপান থেকে আমেরিকায় অ্যানিমের প্রভাব, প্রচার ও প্রসার সম্পর্কে বেশ ভালো একটা ডকুমেন্টারি – অ্যানিমে ড্রয়িং এ রেভ্যুলুশন। দেখতে পারেনঃ http://www.veoh.com/watch/v15806437gxSnEpdK?h1=anime+drawing+a+revolution //