ড্রিফটিং ক্লাসরুম মাঙ্গা রিভিউ বাই মাহমুদা ইশরাত

যদিও গ্রুপটা আনিমেখোরদের নিয়ে তবুও এখানে আমার মত বেশ কিছু মাঙ্গাখোর ও আছে। এই রিভিউ পোস্ট তাদের জন্য। আগে কেউ এটা নিয়ে লিখে থাকলে দুঃখিত।

যারা যারা সারভাইভাল- হরর genre পছন্দ করে তাদের জন্য একটা আদর্শ রিকমেন্ডেশন হল drifting classroom।

শো তাকামাতসু হল যাকে বলে গিয়ে একেবারে পাজির পা ঝাড়া এক পিচ্চি। মায়ের সাথে ঝগড়া করে সেদিন স্কুলে গেছিল সে, যাবার আগে বলে গেছিল আর কোনদিন ফিরবে না। সেদিনই ঘটে এক আশ্চর্যজনক ঘটনা। শহরের মানুষ আবিষ্কার করে ৮০০+ মানুষ সুদ্ধ একটা বিশাল স্কুল রীতিমত গায়েব হয়ে গেছে, সেখানে আছে শুধু এক বড়সড় গর্ত। আর স্কুলের মানুষজন আবিষ্কার করে তাদের আশে পাশে গাড়ি বাড়ি রাস্তা দোকানপাট গাছপালা সবকিছুরই বদলে কেবল ধুলাবালি। ভীত সন্ত্রস্ত মানুষগুলা আরও আবিস্কার করে সেখানে খাবার নেই পানি নেই এবং জীবিত একটা প্রানি পর্যন্ত নেই। ভয়ংকর এক অজানায় আটকা পড়েছে তারা। ভেঙে পড়ছে তাদের এতদিনের শিখে আসা সামাজিক, মানবিক জীবন ব্যাবস্থা। পারবে কি শো তার বন্ধুদের সাথে টিকে থাকতে? পারবে কি নিজেদের প্রিয়জনদের কাছে ফিরে যেতে?

১৯৭২ সালের মাঙ্গা drifting classroom। বলা হয় সেই সময়কার সেরা হরর মাঙ্গা এটি। এর মাঙ্গাকা কাজুও উমেজু কে বলা হয় হরর মাঙ্গার গ্র্যান্ডমাস্টার। তবে এখনকার প্রেক্ষাপটে সার্বিকভাবে সেরা না বলতে পারলেও সারভাইভাল- হরর হিসেবে অন্যতম বলতেই হবে। আঁকা আঁকি এখনকার থেকে অত্যন্ত অন্য ধরনের এবং ডায়নামিক।

বিঃদ্রঃ সবার জন্য এই মাঙ্গা নয়। কেবল হরর-সারভাইভাল ফ্যানদের জন্য। বিশেষ করে বাচ্চা কাচ্চাদের মরতে দেখতে যাদের সমস্যা আছে তাদের জন্য তো অবশ্যই নয়।

547817_10151758496550493_1672270980_n

Tokyo Godfathers review by Torsha Fariha

অবশেষে দেখলাম Tokyo Godfathers. 

নাম শুইন্যা মনে হইসিলো এটা কোন ফাইটিং বেইজড মুভি। (আমি সম্প্রতি Godfather পড়সি কিনা  )

যাই হোক… নামাইতে দিসিলাম এই কারণেই। পরে দেখলাম এক রত্ন খুঁজতে এসে আরেক রত্ন পাইলাম  

tokyo_godfathers

রাস্তার তিন হোমলেস মানুষ গিন, হানা আর মিয়ুকি। গিন হল ফ্যামিলি ছেড়ে আসা মধ্যবয়সী লোক, হানা হল ট্রান্সউইমেন আর মিয়ুকি বাসা থেকে পালানোর টিনএজ মেয়ে। 
এক ক্রিসমাসের আগে তারা জঞ্জালের ভেতর থেকে আবিষ্কার করে একটা বাচ্চাকে। যার বয়স বড়জোর ১-২ মাস। গিন আর মিয়ুকি সাথে সাথেই পুলিশের কাছে বাচ্চাকে দেয়ার চিন্তা করে। কিন্তু হানার জোড়াজুড়িতেই তাকে নিয়ে তাদের বাসায় আসতে হল। 

আসলে হানা চাচ্ছিলো না বাবা মার নাম পরিচয়হীন একটা মেয়ে ফোস্টার প্যারেন্টসের কাছে বড় হোক। তাই তারা তিনজন মিলে বাচ্চাটার বাবা মা খুঁজতে বের হয়। 

এভাবে যাত্রা শুরু হয় তাদের। মুভিটা শুধু কিন্তু বাচ্চাটাকে ঘিরেই আবর্তিত হয় না বরং এখানে উঠে আসে তিন হোমলেসের প্রত্যেকের নিজস্ব কাহিনী। 

এমন একটা কাহিনী নিয়েই টোকয়ো গডফাদার চলতে থাকে। এখানে হিউমার যেমন আছে তেমনি মন ভারী করে তোলার উপকরণও আছে। শেষের দিকে আছে চমৎকার টুইস্টও।

যেহেতু মুভিটা সাতোশি কোনের ডিরেকশনে তৈরি তাই না দেখার কোন কারণই নেই।  

আমি জানি প্রায় সবাই এই মুভিটা দেখে ফেলেছেন। তবু আশা করছি কেউ হয়তো দেখেননি এখনো কিন্তু এটা পড়ার পর দেখার আগ্রহটা তৈরি হবে।

 

ট্রেলার:

http://www.youtube.com/watch?v=7Q6mcx2qF4Q

এফ এ সি ১৩ by Farsim Ahmed

রান্ডম টপিক

হানাকো-সান

hanako

জাপানের স্কুলে থার্ড ফ্লোরে মেয়েদের টয়লেটের থার্ড স্টলে যদি তিন বার নক করে বলেন, ”হানাকো-সান, তুমি কি ওখানে আছ?” জবাব পাওয়া যাবে, ”হ্যা।” স্টলে ঢুকলে আপনি দেখতে পাবেন লাল স্কার্ট পরা এক ছোটো মেয়েকে, যে কিনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মারা গেছে।

জাপানের সবচেয়ে সেলিব্রেটেড ভূতগুলোর মধ্যে একটা হলো হানাকো সান। একে নিয়ে মাঙ্গা হয়েছে, আনিমে হয়েছে, মুভিও হয়েছে। ফ্র্যান্কলি, সবচেয়ে পিকুলিয়ার ভূতের গুজব আছে সম্ভবত মালয়েশিয়াতে, এরপরে জাপানে। জাপানের ভুত্গুলোকে নিয়ে আরো জানতে চলে যান এই লিঙ্কে।http://www.cracked.com/funny-7186-8-scary-japanese-urban-legends/

 

 

 

আনিমে সাজেশন

শিনসেকাই ইওরী(Shinsekai Yori)

shinsekai yori

বর্তমান সময়  থেকে এক মিলেনিয়াম পরে জাপানে এক সুশৃঙ্খল সমাজ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। এই ব্যবস্থায় শাসক শ্রেণী হলো কান্তাস(এক ধরনের সাইকিক পাওয়ার) ব্যবহার করতে পারদর্শী মানুষ, আর শাসিত শ্রেণী হচ্ছে বাকেনেজুমি(ইঁদুরমুখো দু-পেয়ে এক প্রজাতি )। কাহিনীর নায়িকা সাকি তার কান্তাসকে আরো ভালোভাবে ব্যবহার করতে শেখার জন্য ট্রেনিং স্কুলে গেল তার বন্ধুদের সাথে। এই অবস্থায় তারা এক যন্ত্রের কাছ থেকে আবিষ্কার করলো, তাদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা হচ্ছে ১০০০ বছরের রহস্যময় ইতিহাস, যা প্রকাশ পেলে পাল্টে ফেলতে পারে পুরো সমাজ ব্যবস্থাকেই। সাকির দুই বন্ধু নৃশংসভাবে খুন হলো, আরেক বন্ধু রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গেল। কি করবে এখন সাকি?

কেন দেখবেনঃ সাইকোলজিক্যাল-হরর ঘরানার এই আনিমের সবচেয়ে স্ট্রং পয়েন্ট হলো এর প্লট, এটা বলে দেয়া যায়, এরকম ইউনিক প্লট খুব কম পাবেন। অসাধারণ সাউন্ডট্র্যাক সঠিক সব জায়গায়, সেই সাথে ভয়াবহ শকিং লাস্ট এপিসোড, এক কথায় ২০১৩ এর টপ ১০ এ থাকার মত এই আনিমে। এর প্রশংসা একটু বেশিই করছি, কারণ আনিমেটা বাংলাদেশে রীতিমত আন্ডার এপ্রিশিয়েটেড।

কেন দেখবেন না: বিল্ডিং আপ একটু স্লো, আর খানিকটা ইয়াওই এবং ইউরি এলিমেন্ট আছে, তবে সবই কাহিনীর প্রয়োজনে, এবং কখনোই মাত্রাতিরিক্ত নয়।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৪৬

আমার রেটিং ৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

নব্লেস(Noblesse)

노블레스2-1표지.indd

হান শিনউর হঠাত দেখা হয়ে গেল বোকাসোকা রাইয়ের সাথে। তার স্কুলের হেডমাস্টার ফ্র্যান্কেনস্টাইনের কথামত রাইকে সে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করলো, চমত্কার বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো তাদের মধ্যে। কিন্তু শিনউ কি জানত, রাই আসলে ৮২০ বছরের দীর্ঘ নিদ্রাভঙ্গ করে কফিন থেকে উঠে আসা এক ভয়াবহ অতিপ্রাকৃত ক্ষমতাশালী নোবেল, কাদিস এত্রামা ডি রাইজেল? আর সে হচ্ছে সব নোবেলদের রক্ষক, সবচেয়ে শক্তিশালী নোবেল, ”নব্লেস”?

 

কেন পড়বেনঃদারুন কাহিনী, কোথাও ঠেকে যাবার জো নেই, চমত্কার সব ফাইটিং সিন, প্রয়োজনে জায়গামত কোয়ালিটি গ্যাগ এলিমেন্ট আছে। ওয়েবটুন্, তাই পুরোটাই রঙিন, আনিমে দেখার স্বাদ মাঙ্গা পড়ে পাওয়া যায়। এছাড়া টিপিক্যাল সৌনেন মাঙ্গাতে যেমন নায়ককে যথেষ্ঠ স্ট্রাগল আর ট্রেনিং করে শক্তিশালী হতে হয়, এখানে নায়ক অলরেডি সবচেয়ে শক্তিশালী, কাজেই অন্য রকম একটা টেস্ট পাওয়া যাবে।

 

কেন পড়বেন নাঃনা পড়ার কোনো কারণ নেই। 

 

ম্যাল রেটিং ৮.৬৯

আমার রেটিং নেই, যেহেতু কমপ্লিট হয়নি।

GINTAMA: ROAD TO YOROZUYA GIN-CHAN – কেন গিনতামা নাহ দেখাটা বিরাট ভুল হবে by Kazi Rafi

Gintama, এই এনিমের নাম কমবেশি আমরা সবাই শুনছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে খুব কম মানুষেরই এই এনিমেটা পুরাপুরি দেখা হয়ে উঠছে, এর পিছনে আছে বহু কারন- অধিক সংখ্যক পর্ব, এই এতগুলা পর্ব দেখার সময় সংকট, বিগ ৩ সহ অন্যান্য পপুলার সউনেন বা ইত্যাদি জেনারের সিরিজের আড়ালে চাপা পরে যাওয়া, এছাড়া আরও বড় একটা কারন হচ্ছে মানুষের মনের ভ্রান্ত ধারণা যে এটি শুধুই একটি গ্যাগ এনিমে যার কোন মেইন স্টোরিলাইন নেই, যেটা অনেকেরই গিনতামা দেখার প্রতি এতো অনাগ্রহের কারন!!! এবং এইখানেই সবাই বিরাট ভুলটা করছে !!! আমি আমার এই পোস্টে যারা এখনো গিনতামা দেখেনি তাদেরকে খুবই সংক্ষেপে একটা ধারণা দেওয়ার অপপ্রয়াশ চালাবো !

Q. Gintama কি?

A. গিনতামা হচ্ছে ২৬৫ পর্বের একটি গ্যাগ কমেডি, প্যারডিমার্কা শউনেন এনিমে !

Q. Gintama’র কাহিনী কি ?

A. সবার সুবিধার্থে কাহিনিসংক্ষেপ ইংরেজিতে দেওয়া হল-
“Gintama revolves around a fictional Edo period in which aliens called Amanto have taken over and are living among the Edo people. The Edo people initially tried to get rid of the Amanto, but failed; the Amanto placing a ban on carrying swords in public. The story revolves around three characters; Sakata Gintoki, a white-haired sweets-loving samurai, Shimura Shinpachi, a teenage samurai novice, and Kagura, a super-powerful alien girl who has lost her home. The three starts a business called the Yorozuya (lit. “We Do Everything”) in which they help people do everything and anything. The series basically follows the misadventures of the three main characters as they fight all sorts of crazy situations and meet a lot of people along the way, form friendships, bonds and even ruin a few days here and there.”

জি হ্যাঁ, গিনতামার ইউনিভার্সটা ঠিক এরকমই উদ্ভট আর আজগুবি যেখানে ফিউডাল জাপানে সামুরাই আর এলিনেরা একসঙ্গে পাশাপাশি বসবাস করে ! এ যেন অনেকটা বিখ্যাত স্টার ওয়ারস আর আমাদের রুরউনি কেনশিন আকা সামুরাই এক্স এর এক মিশ্রিত জগাখিচুড়ি !!!!

Q. Gintamaর মূল চরিত্র দের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য আর কারাকারা আছে?

A. গিনতোকি, সিনপাচি আর কাগুরার উপরের কাহিনিসংক্ষেপে যে চরিত্রের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে তার বাইরে আর কিছু এখন বললাম নাহ, কারন তারা এই সিরিজের মূল চরিত্র হওয়ার কারনে তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড এবং তাদেরকে ঘিরে অনেক গুলো আর্ক গড়ে উঠেছে যার ব্যাপারে এখন বলতে গেলে স্পয়লার হয়ে যাবে। এদের পাশাপাশি গিনতামায় রয়েছে অন্যান্য আরও বিশাল সংখ্যক চরিত্র, যাদের প্রত্যেকের রয়েছে তাদের নিজস্ব চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং ব্যাকগ্রাউন্ড যাদের মধ্যে কারুর কারুর আবার রয়েছে এক অন্ধকার ইতিহাস, গিনতামার মেইন চরিত্র সমেত ! এই সব চরিত্রদের নিয়ে লিখতে বসলে আমার এই লেখা আর কখনোই শেষ হবে নাহ, কিন্তু তারপরেও এই বিশাল চরিত্রদের রেঞ্জের মধ্যে থেকে কয়েকজনের কথা উল্লেখ নাহ করলেই নয়, যেমন স্পেশাল মিলিটারি পুলিস ফোর্স Shinsengumi’র সেকেন্ড ইন কমান্ড, Demonic(রূপকার অর্থে) ভাইস ক্যাপ্টেন Hijikata Toshiro; ফার্স্ট ডিভিশনের ক্যাপ্টেন ‘The Sadistic Prince’ Okita Sougo; Shinsegumi’র হেড, ‘স্টকার’ Isao Kondo; গিনতোকির বাড়িওয়ালী Terada Ayano ওরফে Otose-San; সিনপাচির বড় বোন Shimura Tae ওরফে Otae-Chan; গিনতোকির বন্ধু, বর্তমান সরকারবিরোধী চরমপন্থি দলের নেতা Katsura Kotaro, কাতসুরার পোষা এলিয়েন বন্ধু এলিযাবেথ; গিনতোকি এবং কাতসুরার প্রাক্তন বন্ধু এবং বর্তমানে সিরিজের অন্যতম মূল ভিলেন, আরেক বিদ্রোহী ও চরমম্পন্থি দলের নেতা Takasugi Shinsuke, যার আসল লক্ষ্য হচ্ছে ফিউডাল জাপানকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া। তাকাসুগির পাশাপাশি সিরিজে আরও জনা কয়েক ভিলেন আছে কিন্তু আপাতত স্পয়লারজনিত কারনে তাদের প্রসঙ্গে গেলাম না ।

Q. কেন Gintama দেখবেন ?

A. কেন এই সিরিজটি আপনি দেখবেন তা জানতে হলে আগে আপনাকে নিজেকে কিছু স্পেসিফিক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে হবে। আপনি কি সউনিন জেনারের ভক্ত ? আপনার অতি প্রিয় এনিমের তালিকায় কি Naruto, One Piece, Bleach, Fairy Tail, Rurouni Kenshin, Katekyo Hitman Reborn সহ অন্যান্য জনপ্রিয় সউনিন জেনারের এনিমেগুলি আছে ? আপনি কি হাসতে হাসতে চোখ, নাক, মুখ দিয়ে পানি বের হয়ে যাওয়ার মতন কমেডি (সঙ্গে প্যারডি তো আছেই) এনিমের পাড়ভক্ত ? কমেডির সঙ্গে আপনার জন্য কি দম বন্ধ করা মার মার কাট কাট অ্যাকশন জেনারে এনিমে হলে আরও ভালো হয় ? আপনি কি একজন বিশিষ্ট পারভার্ট ??? আপনি কি মানুষজনদের নোংরা জোক বলে মজা পান ? অথবা আপনি কি আপনার মনকে একদম গভীর পর্যন্ত নাড়া দিবে এমন করিয়ান-ড্রামা, সিনেমা or ক্ল্যান্ড টাইপ ইমোশনাল এনিমে এদিক সেদিক খুজে বেরাচ্ছেন ??? এই সব প্রশ্নের একটারও যদি উত্তর আপনার হ্যাঁ হয়ে থাকে, তাইলে এইমুহুরতে আমি আপনাকে এই লেখাটা পড়া বাদ দিয়ে গিনতামা দেখা শুরু করে দিতে উপদেশ দিবো !! আর যদি আপনার কাছে ডাউনলোড করা নাহ থাকে তাহলে এখনই তা করা শুরু করে দিন আর একমুহূর্ত সময় নষ্ট নাহ করে।

Q. কেন Gintama দেখবেন নাহ ?

A. যদিও গিনতামার মতো এনিমে কারুর নাহ দেখার মতো কোনই কারন নাই, কিন্তু তারপরেও ২৬৫ পর্বের এনিমে দেখার মতন যাদের সময় বা ধৈর্য নেই, এই এনিমে তাদের জন্য নাহ !

এবার গিনতামার ব্যপারে কিছু কমন প্রশ্নের উত্তর-

১) গিনতামায় অনেক জাপানিজ কালচারাল এবং ইতিহাস বিষয়ক প্যারডি আছে যা আমি বুঝি নাহ।

উত্তরঃ যখন প্যারডি জোক গুলা করা হয় তখন স্ক্রিনের উপরে আলাদা ভাবে জোকের বিষয়ের রেফারেন্স দিয়ে দেওয়া হয়। তখন চাইলেই গুগল বা উইকি তে গিয়ে ব্যাপারটা বুঝে নিতে পারেন। আমি অন্তত অনেকটা তাই করসি, পরে গিয়ে গুগল ও উইকি তে গিয়ে বাপারটা বুঝে নিছি। যদিও এটা করার আসলে অতটা প্রয়জন হয়নাহ কারন জাপানের যেসব বিষয় নিয়ে গিনতামায় জোক করা হয়েছে তা এই এনিমে জাপানে যে সময়ে প্রচারিতো হয়েছে, মূলত সেই সময়কার চলতি বিসয়বস্তু নিয়েই ছিল, তো এখন তো সেইগুলা বুঝে অতটা লাভ নেই, কিন্তু হ্যাঁ ভয়েস অ্যাক্টরদের অসামান্য পারফরম্যান্সের কল্যাণে জোকটি আপনি বুঝতে নাহ পারলেও তার মজা থেকে একবিন্দুও বঞ্চিত হবেন নাহ, কারন প্রতিটা ভয়েস অ্যাক্টর এতটাই অস্থির কাজ এই এনিমেতে দেখইয়েছে। এখানে আমি গিনতামার সেইঊ দের ব্যাপারে একটি রিভিউ সাইটের কথা হুবু তুলে ধরছি আপনাদের জন্য-
“Particular props need to be given to the Seiyuu (Voice Actors) as they work exceptionally hard to make the anime interesting. At times they have nothing more than a still image, with their voices alone to carry the entire show on their shoulders. And carry the burden they do, and do a very good job.”

২) গিনতামায় ভালো অ্যাকশন তো দূরে থাকুক নারুটো, ব্লিচ, ওয়ান পিসের মতন কোন মেজর স্টরিলাইন/প্লটই নাই।

উত্তরঃ এই চিন্তা করে আপনি গিনতামা না দেখলে আপনার এনিমে দেখার লাইফে সবচেয়ে বড় ভুলটা করবেন। এটির গ্যাগ কমেডি এনিমে ছদ্মবেশের আড়ালে বেশ অনেকগুলি গুরুত্বপূর্ণ কাহিনী ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে এবং উঠছে যা একটি বিশাল মেজর স্টরিলাইনের অংশ এবং জি হ্যাঁ, এই সব ‘গুরুত্বপূর্ণ’ কাহিনীগুলা নিয়েই গড়ে উঠেছে গিনতামার বিভিন্ন Serious Arc!! মেজর স্টরিলাইনের অংশ নয় এমন প্লট নিয়েও সিরিয়াস আর্ক আছে গিনতামায় আপ্নাদের সুবিদার্থে ! আর অ্যাকশন ?? অনেক ‘নামকরা’ ব্যাটেল এনিমের চেয়ো দম বন্ধ করা অস্থিররকমের দুর্দান্ত সব অ্যাকশন আপনি গিনতামার প্রতিটা সিরিয়াস আর্কে তো পাবেনই সেই সাথে এমনে অনেক সময়েও অনেক নরমাল পর্বেও দেখবেন !!! আর একেকটা ফাইটের ফ্লুয়িড এনিমেশন দেখলেই বুঝা যায় সেইগুলার পিছনে Sunrise কি পরিমান টাকা ঢালছে ! দেখুন গিনতামার অ্যাকশনের ব্যাপারে রিভিউয়ার দের কি বলার আছে-
“One thing to note from are the fight scenes which were animated brilliantly. We won’t see things like ‘magical powers’ and ‘super shot’ and stuffs. Of cause, we won’t see mountains or landscapes getting destroyed in a single blow either. Instead, we see very realistic fight scenes which make us feel the pain and impact of each blows and is another good point of this series.”

“Moreover, the serious arcs in the series consistently enjoy top-notched animation; the fight scenes are especially well-animated, giving the viewers an epic feel.”

যাইহোক, আশাকরি আমি আমার এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাদেরকে মোটামুটি একটা ধারণা দিতে পেরেছি কেন আপনাদের এই মহাকাব্বিক এনিমেটা মিস করা মোটেও উচিত হবে নাহ ! তো, আর দেরি নাহ করে বসে পড়ুন এবং পরিচিত হন এনিমে বিশ্বের এক ও অদ্বিতীয় ট্রল রাজা, নোংরা জোকের উপর ডিগ্রিধারী, ‘The White Demon’ সাকাতা গিনতকি, ও তার আশেপাশে ঘুরঘুর করতে থাকা সব বোকার দলগুলির সাথে এবং তাদের সঙ্গে বেড়িয়ে পড়ুন এক অজানা এদো যুগের রোমাঞ্চকর ও দুঃসাহসিক সব অভিযানে আর সেই সাথে………..হ্যাঁ, আর সেই সাথে গিনতকি, সিনপাচি এবং কাগুরার সাথে একসঙ্গে গলা মিলিয়ে চেচিয়ে উঠুন- “JUST DO IT” !!!!!!!!!

Gintama

এফ এ সি ১২ By Farsim Ahmed


রান্ডম টপিক

আইডল

http://www.youtube.com/watch?v=6SwiSpudKWI

জাপানে টিন এজে মেয়েরা যদি আকর্ষনীয় চেহারা ও গড়নের অধিকারী হয়, সেই সাথে কিছু অভিনয় বা গানের প্রতিভা থাকে, তাহলে ট্যালেন্ট এজেন্সি দ্বারা তারা রিক্রুটেড হয়ে যায়। এদেরকে বলা হয় আইডল। খুব পপুলার কিছু আইডল গ্রুপের মধ্যে আছে একেবি০৪৮, মোমোইরো ক্লোভার জি, মর্নিং মুসুমে, পারফিউম ইত্যাদি। আইডল বলতেই বোঝানো হয় ভীষণ কিউট, চার্মিং, শুদ্ধতা ও শুভ্রতার প্রতীক। সেজন্য যারা একটু বিদ্রোহী টাইপ ভাবমূর্তি গড়তে চায়, তাদেরকে আইডল বলা হয় না, যেমন, স্ক্যান্ডাল। আইডল গ্রুপগুলোকে সাপোর্ট দেয়ার জন্য বেশ বড়সড় ফ্যানবেইস থাকে, যারা একটা বড় অংশ বেকার ওতাকু। আইডলদেরকে নিয়ে প্রচুর আনিমে তৈরী হয়েছে, যেমন লাভ লাইভ স্কুল আইডল প্রজেক্ট, দ্য আইডলমাস্টার ইত্যাদি।আমি এসেনেসডি, ওয়ান্ডার গার্লস, ব্রাউন আইড গার্লস, এদেরকে দেখলেই আফসোস করতে থাকি, আহারে, আমার চেহারাটা আরেকটু সুন্দর কেন হলো না আর আমি কেন কোরিয়ান কোনো বান্ধবী পেলাম না। তারা আসলেই খুবই সুন্দরী, আর ফিগারও সুপার মডেলদের মত।

আইডলরা সাধারণত পড়াশোনায় খুব একটা সুবিধায় হয় না,  হ্যা, তারা হাই স্কুল শেষ করার পরেই জবে ঢুকে যেতে পারে। তারা সেভাবেই কোয়ালিফাইড। আর কারো হায়ার স্টাডিস এর ইচ্ছা থাকলে ভার্সিটিতে যায়। এন্ট্রান্স এগ্জাম বেশ কঠিন, অনেকে দুইতিনবার চেষ্টা করেও টোকিও ভার্সিটিতে চান্স পায় না।

 

 

আনিমে সাজেশন

মিচিকো তো হাচ্চিন

 

জেল থেকে পালানো ফেরারী আসামী মিচিকো পালক পরিবারের নির্যাতন থেকে উদ্ধার করলো হানাকে। হানার শরীরের উল্কি দেখে চমকে উঠলো মিচিকো, তার গায়েও যে আছে এই একই নকশার উল্কি। এই দুইএর অদ্ভুত জুটি নেমে পড়ল অভিযানে। এই অভিযান হানার বাবাকে খুঁজে পাবার জন্য, যে কিনা ছিল মিচিকোর এক সময়ের প্রেমিক। তারপর?

 কেন দেখবেনঃ মিউজিকে শিনিচিরো ওয়াতানাবে, ওপেনিং দেখলেই বুঝে যাবেন, আর সেই সাথে সামুরাই চাম্পলু ভাইব। আর কি লাগে।

http://www.youtube.com/watch?v=FQf-NkWz7Yo

কেন দেখবেন না:তেমন কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছি না।

ম্যাল রেটিং ৭.৯০

আমার রেটিং ৮

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

 এপোক্যালিপ্স নো তোরিদে

 ইওশিয়াকি মায়দাকে মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করে জেলে পাঠানো হলো। ওর ইনমেটরা সব ভয়ঙ্কর খুনী। মায়্দার সৌভাগ্য এখানেই থেমে থাকলো না, জেলে হামলা করলো জোম্বিরা। বাহ, বেশ বেশ।

 কেন পড়বেনঃ আপনি কি হাইস্কুল অব দ্য ডেড এর ফ্যান সার্ভিস এবং হায়াটাসে বিরক্তা? দ্য ওয়াকিং ডেড এর মত একটা প্রপার জোম্বি স্টোরি খুঁজছেনা? তাহলে এই মান্গাটা আপনার জন্য। আর আঁকাটাও দারুন।কেন পড়বেন নাঃ এটা অন্গয়িং মাঙ্গা, অনেকদিন পরপর আপডেট হয়।

 

ম্যাল রেটিং ৮

আমার রেটিং নেই, যেহেতু কমপ্লিট হয়নি।

Footballer in Deathnote by Fahim Bin Selim

Fahim Bin Selim's photo.
গত পরশুদিন রাতে একটা কুইজ নিয়েছিলাম। তো ডেথনোটের প্রশ্ন কোনটা দিব খুঁজতে যেয়ে একটা ওয়েবসাইটে ট্রিভিয়াতে এইটা পেলাম।

ডেথনোটের দ্বিতীয় পর্বের কথা মনে আছে? কনফ্রন্টেশন? এল এর প্রথম আবির্ভাব ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশনের মিটিং-এ। পৃথিবীর সব প্রান্ত থেকে আসা স্পেশাল এজেন্টদের সভা।
ঘটনা হল, তাদের সামনে থাকা নেমপ্লেটগুলো খেয়াল করেছেন

 

হুয়ান কার্লোস এস্কোবার, ইকুয়েডোরিয়ান ফুটবলার।
ডেভিড গোঞ্জালেজ, কলম্বিয়ান ফূটবলার।

Fahim Bin Selim's photo.
মার্টিন পেত্রভ, বুল্গেরিয়ান ফূটবলার

Fahim Bin Selim's photo.
ইয়োসি বেনায়ুন, ইস্রাইলি ফুটবলার

Fahim Bin Selim's photo.
পাবলো আইমার, আর্জেন্টিনিয়ান ফুটবলার
ইয়ান কোলার, চেক ফুটবলার
নিচেরটা শেভচেঙ্কো, ইউক্রেনিয়ান ফুটবলার

Fahim Bin Selim's photo.
এগুলাও বুঝতে পারিনাই, নিজেরা দেখে নিয়েন। কিন্তু সিয়র ফুটবলার। 

Fahim Bin Selim's photo.

Full Metal Alchemist + The Conqueror of Shambala by Nusrat Neha

\

Full Metal Alchemist + The Conqueror of Shambala

বলতে পারেন এইটা আমার তৃতীয় এনিম, গ্রুপ মেম্বারদের সাজেশনেই দেখা শুরু করলাম

একদিন ধরে সব কয়টা পর্ব নামানোর পর ৪৮ ঘন্টা টানা বসে এক নিঃশ্বাসে শেষ করলাম, খুব যে ভাল লাগছে সেইটা বলব না, কিন্তু কিসের যেন একটা আকর্ষন ছিল, উঠে যেতে পারছিলাম না ল্যাপটপের সামনে থেকে 

আর আমার মনে হয়েছে এন্ডিংটা মুভিতে না দিয়ে সিরিজের শেষ পর্বে যেটা আছে সেটা রাখলেই পারত, ওইটাই পারফেক্ট হত

আর এদোওয়ারদো এলরিককে বেশী জোশ লাগছে আর আলফানসো এলরিকের উপর মাঝে মধ্যে এমন মেজাজ খারাপ হয়েছে 

যাই হোক, এখন Full Metal Alchemist : Brotherhood দেখার অপেক্ষায় আছি, দেখা যাক কি অপেক্ষা করছে আমার জন্য 

এফ এ সি ১১ By Farsim Ahmed

 

 

আনিমে সাজেশন

 সায়ুনকোকু মনোগাতারি(Saiunkoku Monogatari/Colourcloud Palace)

 

 

সায়ুনকোকুর অকর্মা রাজাকে রাজকার্যে ট্রেনিং দেয়ার জন্য রাজার কনকুবাইন হিসেবে নিয়োগ দেয়া হলো অভিজাত কৌ পরিবারের মেয়ে শুরেকে। কাজে যোগ দিয়েই শুরে বুঝলো, রাজকার্য পরিচালনা করা মানে স্রেফ সিংহাসনে পায়ের উপর পা তুলে বসে আদেশ করা না। ক্ষমতার মোহে অন্ধ ভয়াবহ ষড়যন্ত্রীরা যখন রাজনীতির মারপ্যাঁচ কষে বসল, পরিস্থিতি হয়ে দাঁড়ালো ভয়াবহ।শুরে কিভাবে সাহায্য করবে রাজা রিউকিকে?

 

কেন দেখবেনঃ রীতিমত ডিফরেন্ট টাইপ এর কাহিনী, চমত্কার বাঁধুনি, বোর্ড হবার সম্ভাবনা খুব কম। সেই সাথে আছে এর দারুন সাউন্ডট্র্যাক, আর ওপেনিং থিম এর সিকোয়েন্সগুলোও ভারী সুন্দর।

 

কেন দেখবেন না: সেকেন্ড সিজনে এসে কোয়ালিটি ড্রপ করে, ফার্স্ট সিজনের একটা বিশেষ ক্যারেক্টারকে আমি প্রচন্ড মিস করেছি। তার প্রেসেন্স খুব স্ট্রং ছিল, সেকেন্ড সিজনে সেই ভাইবটা আর পাইনি।

 

ম্যাল রেটিং ৮.১২+৮.২৮

আমার রেটিং ৯+৮

http://www.youtube.com/watch?v=CBpaT5koCYM

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

করোশিয়া ইচি(Koroshiya Ichi/Ichi the Killer)

 

 

প্রথম দর্শনে ইচিকে মনে হয় ভারী গোবেচারা। কিন্তু মানসিক অবস্থার বিশেষ পরিবর্তন ঘটলে সে হয়ে যায় ভয়াবহ এক মার্শাল আর্টিস্ট, বুটের নিচে লাগানো ব্লেড দিয়ে যে ফালাফালা করে ফেলে তার শত্রুদের চোখের নিমেষে। এই সাইকোটিক ম্যানিয়াক তার জুটির দেখা পেল, যখন তার কাছে এসে হাজির হলো ইয়াকুজা বস কাকিহারা, যে অন্যকে এবং নিজেকে শারীরিক নির্যাতন করে পায় বিকৃত সুখ। কে জিতবে তাদের লড়াইয়ে? সহজ জবাব, যে বেশি বিকৃত মানসিকতার, সে।

 

কেন পড়বেনঃ পারফেক্ট সেইনেন, জমাট কাহিনী, প্রথম চ্যাপ্টার থেকেই চমক শুরু।

কেন পড়বেন নাঃ প্রচুর গ্রাফিক ভায়োলেন্স, ব্লাডবাথ, এবং সেকচুয়াল কন্টেন্ট।

 

ম্যাল রেটিং ৮.০৩

আমার রেটিং ৮

 

 

 

 

 

 

Coffee With Asif (CWA): লিজেন্ড অফ কোরা – দ্বিতীয় সিজন সমাপ্তি পর্যালোচনা

(This review contains spoiler about avatar: Legend of Korra: Season 2)

মুভি; ইংলিশ টিভি সিরিজ কিংবা এনিম সিরিজ – সবজায়গাতেই মাঝে মাঝেই একটা বিষয় লক্ষ্য করা যায়; প্রথম সিজনের প্রবল সাফল্যের পিছু পিছু যখন দ্বিতীয় সিজন বাজারে আসে; প্রথমটার সাথে মিলিয়ে তুলনায় প্রায়শই সেটা হতাশায় পরিণত হয়। Avatar – legend of korra কমবেশি সেই দলেরই নতুন সংযোজন। আলাদাভাবে সিরিজটা যতই উপভোগ্য হোক না কেন; avatar ang এর সাথে মিলিয়ে প্রায় অনেকেই avatar korra কে “হতাশাজনক” বলেই মনে করেন। তবে আমি অন্য কারো সাথে তুলনায় না গিয়ে যদি আলাদাভাবে এই সিরিজটাকে মূল্যায়ন করি তাহলে আমার কাছে legend of korra A+ মার্কসই পাবে। I have at least enjoyed the show; to say the list. 

(এভাটারঃ লিজেন্ড অব কোরা দেখে প্রতি মুহূর্তে যেটা মনে হয়, এং এর মধ্যে যে অস্থির স্মার্টনেসটা ছিল কোরা তার ধারে কাছেও নাই, এভাটারের ফানটা খুবই ক্লাস ছিল যেখানে কোরার ক্ষেত্রে পুরা মাঠে মারা গেছে, সবচেয়ে বেশি গায়ে লাগে যেটা, এং প্রথমে শুধু এয়ারবেন্ডার ছিল দেন আস্তে আস্তে সব শিখছে, কিন্তু তারপর ও কোন ফাইটেই তার খুব একটা আউটক্লাসড হতে হয় নি, সব সময় ই সে কিছু না কিছু করে চালিয়ে নিত, আর কোরা এত্তগুলা এলিমেন্ট পেরেও শুধু মাইর খায়। – পাব্লিক রিএকশন) 

এই রিভিউ মুলত korra এর দ্বিতীয় সিজনের মতামত নিয়ে লেখা; সুতরাং সেদিকেই দৃষ্টি ফেরানো যাক। আগের সিজনের বেশ কিছু হতাশাজনক দিক – যেমন স্পিরিট জগতের সাথে korraর যোগাযোগ দৃশ্যত বর্জিত ছিল প্রথম সিজনে (একজন এভাটারের বড় একটা দিকই যেখানে স্পিরিট জগতের সাথে যোগাযোগ রাখা); কিন্তু পুরো সিরিজের মাঝে এবং শেষে বেশ কিছু প্রশ্ন এবং বেশ কিছু হতাশাজনক ক্লিশে দৃশ্য পুরো সিরিজটিকে “শতভাগ সফল” হতে দেয় নি। একে একে সবগুলো ইস্যুই দেখা যাক।

(এং-এর সাথে কারও তুলনা চলেই না! সে অন্যান্য এভাটারদের তুলনাতে আগে থেকেই স্পেশাল।
আর কোরা পুরাই আনকোরা টাইপ এভাটার। দুইজন পুরাই দুই মেরুর ক্যারেক্টার। এং যেখানে মঙ্ক, সেখানে কোরা হলো পিচ্চিকাল থেকেই খেপাটে আর শো-অফ পছন্দ করে!
এই দুই টাইপ এভাটারের আচরণ, কৌশল, সাফল্য অবশ্যই এক হবে না।
তারউপর এং এর কাহিনি যখন শুরু হয় তখন ১০০ বছর ধরে চলে আসা দ্বন্দ্ব যুদ্ধ ছিল, অস্থিরতা ছিল। কোরা যখন আসে, তখন অলরেডি এং একটা সুন্দর আর এডভান্সড দুনিয়া রেখে যায়
তাই এং এর কাহিনির মত কিছু পাব না এইটা জেনেই কোরা দেখি। সব কিছু মিলিয়ে আমার এইটা বেশ ভালই লাগে !!! 
– পাব্লিক রিএকশন) 

## প্রথম সিজনের মতই এই সিজনেও শেষটা কেমন যেন জোর করে এবং তাড়াহুড়া করে হয়েছে বলেই মনে হয়েছে। স্পিরিট জগতের সাথে দৃশ্যত যোগাযোগবিচ্ছিন্ন কোরা হটাত করেই এতো অল্প সময়ের মাঝে এতো বিচরন এবং এতো শক্তি কিভাবে পেল যে রাভার সাহায্য ছাড়া নিজের শক্তিতে ভাতুর মতন স্পিরিট এবং উনালকের যৌথ শক্তির সাথেও সে ফাইট করে জিতে গেল? আর সময় বৃক্ষের মাঝে বসে কসমিক লাইট খুজে পাওয়ার দৃশ্য দেখে একটা কথাই মনে পড়ে গেসে – “There is a magical solution of every problem of the hero”.

(জিনোরার রোলটা ক্লিয়ার হলো না। এরা পার সিজন কাহিনী শেষ করে, লেজেন্ড অব আং এর মত না, কাজেই ব্যাখ্যা দরকার ছিল।
বুমির ক্যারেক্টারটা একদম শেষদিকে গিয়ে সোক্কার কথা মনে করিয়ে দিয়েছে, ওয়ান আর বুমিই আসলে এই সিরিজের পাওয়া।
আর ১০০০০ বছরের ডার্কনেসকে এত সহজে হারানো, কিভাবে কি। ডার্ক অবতারকে আরো কয়েক পর্ব ধরে দেখানো দরকার ছিল, কিভাবে সে ত্রাস ছড়ায়। পরের সিজনে ব্যাপারটা নিয়ে যেতে পারত। তারপর ভালো একটা সৌনেন ভাইব আনা যেত। ডার্ক অবতারের চেহারাও খুব একটা সুবিধার না, টিপিক্যাল পাওয়ার রেঞ্জার এর ভিলেনগুলোর মত দেখতে। এপিসোড ৭ থেকে বিল্ডাপ বেশ ভালো ছিল, কিন্তু শেষমেষ তো ব্যাপারটা খুব বেশি ক্লিশে হয়ে গেল। – পাবলিক রিএকশন) 

## জেনোরা কে; তার শক্তির রহস্য কি; প্রকৃতি কি; কোরাকে যখন সে হেল্প করেছে সেটার প্রকৃতি কি ছিল – এইরকম হাজারো প্রশ্ন অমীমাংসিত রেখেই সিরিজ শেষ হয়ে গেসে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়েছে; আলাদা সিগ্নিফিক্যান্ট কোন চরিত্র নয়; বরং কোরার দুর্বলতা কাটানোর জন্য আরেকটা “magical solution” এই জেনোরা। 

## উনালক শুধু একজন ওয়াটার বেন্ডার। সে কিভাবে “এভাটার” হতে চেয়েছিল বা হয়েছিল তারও মীমাংসা হয় নি সিরিজে (যদিও এটা তেমন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু না; আর “রাভা তাকে সব বেন্ডিং পাওয়ার দিয়েছে” ব্যাখ্যার মাধ্যমে এইটা উৎরে যাওয়া যায়। 

## কোন রকম ইন্টারেকশন; কথাবার্তা ছাড়াই দুটো জায়ান্ট মারামারি করে যাচ্ছে – এই জায়গাটা আমার তেমন একটা পছন্দ হয় নি। পুর ফাইটের দৃশ্য যথেষ্ট ভাল হলেও অনেক ক্ষেত্রেই বোরিং লেগেছে। 

## জেনারেল আয়রোর স্পিরিট ওয়ার্ল্ডে ঘুরাফেরার প্রক্রিয়াটা আমার কাছে ঠিক পরিষ্কার না। এইটা আরেকবার সিরিজটা রিভিশন দেওয়ার সময় বুঝতে পারব বলে আশা করতেসি। 

## কিছু কিছু চরিত্রের উপর থেকে গুরুত্ব একেবারেই তুলে দেওয়া; যেমন – asami. এছাড়া মাকো – কোরা; মাকো – আসামি; বোলেন – এস্কা – এই সম্পর্কগুলোও মোটামুটি unresolved অবস্থায় শেষ হয়েছে। সেটা অবশ্য “সাম্নের সিজনে পরিষ্কার হবে” যুক্তিতে মেনে নেওয়া যায়। 

(সিজানটা শুরুতেই, তুলনামূলক ভাবে আগের সিজান থেকে মোটামুটি ভালোই শুরু করে। আভাটার wan আসার পর তো Avatar the legend of korra এর মোরটাই ঘুরে গেল। অস্থির হওয়া শুরু করল অল থেঙ্কস তো আভাটার ওয়ান! এরপরের এপিগুলার ফাইট,স্টোরি সব বেশ ভালো ছিল। কিন্তু ‘কররা’ থেকে ‘জিনরা’ যেন বেশী অস্থির ছিল এই সিজানে, এমনকি শেষ এপিতে তো মনে হল যেন ‘জেনরাই’ পৃথিবীকে সেইভ করল। কিন্তু কোন ক্রেডিট দিলো না!! অদ্ভুত লাগলো আর একটা ব্যাপার ক্লিয়ার না, ‘জিনোরা’ যে লাইট নিয়ে নামলো সেটা কি ভাবে সেটা দেখাল না হয়তো পরের সিজানে দেখাব!! আর আশা করি নেক্সট সিজানে আভাটার আরও মেচিউর হবে । – পাবলিক রিএকশন) 

## এই সিরিজের সবচেয়ে বড় পাওয়া বোধহয় টেনজেনের টেনযেন হয়ে ওঠা। তার “I am Tenzin. I am Tenzin!” মন্ত্র যেন আমার জন্যই বলা; আমাকেই বলা!!! Avatar Ang এর ছায়া থেকে বেড়িয়ে টেনজেনের নিজেকে খুজে পাওয়া তাই এই সিরিজে আমার সবচেয়ে প্রিয় দিক। 

## পুরো সিরিজের সবচেয়ে পাওয়ারফুল চরিত্র আমার দৃষ্টিতে প্রথম এভাতার wan. চরিত্রটি বেশ ভালভাবে তৈরি করা এবং যথেষ্ট likeable. 

## বুমির এককভাবে সম্পূর্ণ একটা ইউনিট শেষ করে ফেলার দৃশ্যটা বেশ চমকপ্রদ ছিল। at least we came to know spirit likes music !!! Well; at least most of them!!! :P 

দিনশেষে ang এর সাথে তুলনা না করে এবং পুরো সিরিজের সাথে emotional attachment এর কথা মাথায় না নিয়ে শুধু এন্টারটেনমেন্ট এর ভিউ থেকে দেখলে korra অবশ্যই সফল। তবে প্রোডাকশন হাউজ অল্প কিছু পর্বে অনেক কিছু দেখানোর চেষ্টা করার ভুলের মাশুল দ্বিতীয়বার গুণতেছে বলেই মনে হচ্ছে আমার !!!

 

এফ এ সি ১০ By Farsim Ahmed

রান্ডম টপিক

 তোকুসাত্সু

 

 

জাপানে স্পেশাল ইফেক্ট ব্যবহার করে বানানো কাইজু মুভি (যারা প্যাসিফিক রিম দেখেছেন তাদের কাইজু সম্পর্কে আইডিয়া হয়ে যাবার কথা) বা সুপারহিরো শো(আল্ট্রাম্যান, কামেন রাইডার) ভীষণ রকম জনপ্রিয়। এই সুপারহিরো শোগুলোর লাইভ ভার্সন আনিমেতে প্রায়ই দেখা যায়।লাইভ অ্যাকশন হিরো শো গুলোর ফর্মুলা মোটামুটি একই, দর্শকসারি থেকে কয়েকটা বাচ্চাকে নিয়ে যাওয়া হয়, কয়েকজন অভিনেতা ভিলেনের কস্টিউম পরে আসে, সুন্দরী উপস্থাপিকা দর্শকদের আহ্বান জানায় হিরোকে ডাকার জন্য, এবং সাথেসাথেই হিরো হাজির হয়ে গিয়ে দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালন করে।হিরো শো জাপানি সংস্কৃতির সাথে এমনই অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।

১৯৭০ সালের একটা ক্লিপ পাওয়া যাবে এই লিঙ্কে গেলে। কামেন রাইডার এর জাম্পগুলো দারুন।

 

 

 

আনিমে সাজেশন

 ডেট্রয়েট মেটাল সিটি(Detroit Metal City)

 

 

নেগিশি সোইচি – লাজুক, বিনয়ী, ভদ্র এক তরুণ, যে ভালবাসে রোমান্টিক সব গান, দু চোখ ভরা স্বপ্ন তার, সে হবে বড় মিউজিশিয়ান।

দ্বিতীয় জোহান্নেস ক্রোসার- নরক থেকে উঠে আসা ভয়াবহ সন্ত্রাসী, বিখ্যাত(এবং কুখ্যাত) মেটাল ব্যান্ড ডেট্রয়েট মেটাল সিটির গিটারিস্ট এবং ভোকালিস্ট।

কেমন হবে, যদি এই দুজন আসলে হয় একই ব্যক্তি?

 

 

কেন দেখবেনঃ অবশ্যই দেখবেন।

কেন দেখবেন না: অবশ্যই দেখবেন।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৩৭

আমার রেটিং ৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

 চায়না গার্ল(China Girl)

 

 

কামিজো হলো মিস্টার পারফেক্ট, অফিসের সব কাজ সে করছে নিপুণভাবে, মেয়েরা সবাই তার জন্য পাগল। কিন্তু কামিজো তার মন দিয়েছে একজনকেই, হঠাৎ একদিন রেস্টুরেন্টে দেখা ওয়েট্রেস জিয়াংলানকে। কিন্তু তাহলে কি হবে, জিয়াংলান কামিজোর সাথে রোমান্টিক সম্পর্ক গড়তে মতেই আগ্রহী না। কামিজো কি পারবে জিয়াংলানকে আপন করে পেতে? নাকি তার সব চেষ্টাই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে?

 

 

কেন পড়বেনঃ চমত্কার গল্প, আকর্ষনীয় উপস্থাপনা, আঁকাও বেশ ভালো। রোমান্টিক গল্পের ফ্যানদের ভালো লাগার কথা।

কেন পড়বেন নাঃ পুরোই রোমান্টিক ধাঁচের কাহিনী, ঠান্ডা মেজাজের, কাজেই যারা উত্তেজনা পছন্দ করেন মান্গাটা তাদের জন্য না।

 

ম্যাল রেটিং ৭.০৭

আমার রেটিং ৮