BTOOOM! – [সেমি রিভিউ] লেখক তাহসিন ফারুক অনিন্দ্য

এই আনিমেটা নিয়ে এত বেশি রিভিউ বা এত মিশ্র প্রতিক্রিয়া কেন, দেখার পর বুঝলাম।
আর সাথে এইটাও বুঝলাম যে আরেকটা “রিভিউ” লিখলে সবাই ধৈর্য নিয়ে পড়বেও না, পাত্তাও দিবে না। তারচেয়ে কয়েকটা পয়েন্ট অভ ভিউ থেকে হাল্কা পাতলা আলোচনা টাইপ এই সেমি রিভিউ 🙂

6 Btooom

# SAO বা Mirai Nikki এর কম্বিনেশন টাইপ একটা আনিমে মনে হবে, Massively Multiplayer Online gaming এর Online বাদ দিন, আরে Mirai Nikki এর survivor is the winner – ব্যাস, পেয়ে গেলেন BTOOOM! এর আইডিয়া! নিজের জীবন বাজি রেখে এই ভার্চুয়াল নয়, বাস্তব গেমে নিজেকেই অংশগ্রহণ করে শেষ পর্যন্ত বেঁচে থেকে জিততে হবে।

# The +’s

– টান টান উত্তেজনা
– সার্ভাইনিং এর একশন
– এনভায়রনমেন্ট ডিজাইন, এক কথায় অসাধারণ!!!
– হালকা পাতলা ফ্যান-সার্ভস (:P )

# The -‘s

– নায়ক-নায়িকাকে বাঁচিয়ে দেওয়ার ধরণ + কিছু হাস্যকর লজিক
– হালকা পাতলা ফ্যান-সার্ভিসগুলি কাহিনিতে আনার ধরণ 🙁

# The “Should have these”s

– আরও বেশি এপিসোড
– আরও বেশি একশন
– শুনতে খারাপ শুনালেও, আরও বেশি ভায়োলেন্স [প্লটটি ভয়ংকর সব ভায়োলেন্সের জন্য আদর্শ]
– অবশ্যই একটা Season 2!!! 😀

আমার মতামত:

FMA/FMAB, Death Note, Code Geass এগুলির মতন এক্যুরেট [কিছুক্ষেত্রে প্রায় এক্যুরেট] কাহিনি/লজিকের আনিমে দেখার পর সব আনিমেকে এদের সাথে তুলনা দিতে যাওয়া ঠিক না, একদমই না। সবার আগে একটা আনিমের মূল লক্ষ দর্শকদের বিনোদন দেওয়া, সেটা করতে গিয়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই আনিমে সফল 😀

অবশেষে আমার রেটিং: 7.5/10

[কয়েকজনের একটা বিষয় নিয়ে বিরক্তি দেখে লিখতে গেলাম:

[[Contains Spoilers]]

# বোম্ব বাস্ট হল, মানুষ মারা গেল, অথচ সাথে থাকা বোম্বের বক্স আর তার ভিতর থাকা বোম্ব অক্ষত, এমনকি খাবারের স্যুটকেজটাও অক্ষত
~ যারা এই গেমের অর্গানাইজ করেছে, তারা অবশ্যই এইটা মাথায় রেখেছে যেন তাদের কন্টেস্ট্যান্টদের জিনিসপত্র অক্ষত থাকে, কারণ গেমের নিয়ম যে মারা গিয়েছে তার বোম্ব + জিনিসপত্র বিজয়ী দখল করবে। এখন সেই জিনিসপত্র কিভাবে BIM-proof করেছে, সেই science দেখতে চাইতে গেলে আরেকটা আনিমে করা উচিৎ, এই ১২ এপিসোডের ছোট্ট আনিমেতে এত কিছু দেখানো যাবে না এইটা বুঝাই যায় 😀 ]

Hyouka – The Curious Case of Chitanda Eru~~ লেখক রেড এলার্ট

[Writer’s Note: With little editing and cropping writer directly translated this from an English version of this review which belongs to him as well as the Bangla version. So you may find some English word/sentence in between. Writer begs pardon for this inconvenience.]

 ব্যক্তিগত ভাবে আমার পছন্দ হলেও, বহুবার বহু আনিমেকে রিভিউর স্বার্থে কম রেটিং দিতে হয়েছে। আমি মনে করি একটি রিভিউ লিখার সময় ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের কথা না ভেবে আনিমেটির প্রাপ্য মূল্যায়ন করা উচিত। আমি নিজেও যে সব সময় তা মেনে চলতে পারি সেটা নয় তবে চেষ্টা করি। শুরুতেই এসব বলার কারণ হল এই Hyouka রিভিউ দেখে অনেকে আমায় মনে মনে গালমন্দ করতে পারেন। তবুও আপনার যদি মনে হয় আমি Hyouka অপছন্দ করি, দেন ইউর আর্গুমেন্ট ইজ ইনভেলিড। ¯(ツ)/¯

 Hyouka_2What do you think they are looking at?

২০১০ সালের দিকে একটা আজিব SUBGENRE গজিয়ে উঠে যেটাকে এর আগে কেউ তেমন একটা পাত্তা দেয়নি, কিন্তু হঠাৎই এই SUBGENRE এর আনিমে তৈরিতে প্রোডাকশন হাউসগুলোর মাঝে একরকম হুলুস্থুল বেধে যায়। ললি (Loli) গোয়েন্দার দল আর তাদের খাঁজুরে রহস্য গল্প, এই হল সেই SUBGENRE এর মূল কনসেপ্ট। খুবই অল্প সময়ে ব্যাঙের ছাতার মতো চারদিকে ভরে যাওয়া এই আনিমেগুলোর মধ্যে কয়েকটা উল্লেখ্যযোগ্য হলঃ

        Un-Go by BONES STUDIO

        Loups=Garous by IG PRODUCTION

        Dusk Maiden of Amnesia by SILVER LINK

        Heaven’s Memo Pad by JC STAFF

        Dantalian by GAINAX (I love you but, fuck this shit GAINAX!)

        Tantei Opera Milky Holmes by JC STAFF

        Gosick by BONES STUDIO

উল্লেখ করা দরকার যে এগুলো আমি নিজে দেখেছি, এসব ছাড়াও আরও কত এই টাইপের আনিমে আছে কে জানে। এই আনিমেগুলোর কোনটাই আর দশটা গড় মানের আনিমে থেকে ভাল নয় এবং দর্শকদের জন্য নতুন কিছু নিয়ে আসতে পারেনি। এ ধরনের একেকটা আনিমে বের হয়, হইরই হয়, এবং যথারীতি কয়েক মাস পর ফ্যানদের হইচই স্তিমিত হয়ে আসে। তারপর আবার অন্য কোন প্রোডাকশন স্টুডিও আরেকটা আনিমে বের করে, এভাবেই চলতে থাকে এই অশুভ চক্র। আমার মাঝে মাঝে মনে হয় যে স্টুডিওগুলো একত্র হয়ে বাজি ধরেছে কে কত নিকৃষ্ট ললি গোয়েন্দা আনিমে তৈরি করতে পারে। এবং সেই বাজির খেলায় সর্বশেষ সংযোজন কিওটো এনিমেশন (Kyoto Animation) এবং তাদের Hyouka। এবার দেখা যাক খেলায় তারা জেতে নাকি হারে।

 Hyouka_1

প্রথমত, যদি আপনি K-ON প্রসূত MOE স্টাইলের ফ্যান হয়ে থাকেন তবে এই আনিমে আপনার পছন্দ হবে। আনিমেটির বাজেট আকাশ ছোঁওয়া এবং দেখতেও অত্যন্ত ডিটেইল্ড, জীবন্ত, পরিষ্কার এবং কাওয়াই দেসু~। ভয়েস অ্যাক্টিং আর মিউজিকও তাদের কাজ সফল ভাবে করতে সক্ষম হয়েছে। তবে আপনি যদি নতুন কিছু চান তবে তা এখানে খুজে পাবেন না। হাইস্কুল MOE জিনিষটার শুরু হারুহি সুজুমিয়ার দ্বারা। আর খামখেয়ালি MOE এর উদ্ভব K-ON থেকে। এবং এই দুটোর মিশ্রণ হল Hyouka। Hyouka-র সেই একই স্কুল গ্রাউন্ড আর MOE স্টাইল আর্টওয়ার্ক যেটা ২০০৬ সালে হারুহি সুজুমিয়া থেকে শুরু করে গত প্রায় এক দশক ধরে বহু আনিমেতে আমরা দেখে আসছি, তাই আমার মাঝে মাঝে মনে হয়েছে এই আনিমেগুলোর কোন একটাতে না আবার হারুহি এসে হাজির হয়। যেহেতু আর্ট তো আছেই, এমনকি দৃশ্যপটগুলোও হুবহু প্রায় একরকম, তো কেন নয়? এবং অবশ্যই আমি বলছিনা যে এই স্টাইল কুৎসিত কিংবা বিরক্তিকর; একই স্টুডিও KyoAni-র অন্যান্য টাইটেলগুলোর সাথে Hyouka-র এত মিল যে মাঝে মাঝে মনে হয়েছে আগের আনিমেগুলোকেই ঘসে-মেজে আবার দেখাচ্ছে, এই আর কি। তাই KyoAni-র এবার প্রয়োজন নতুন ধাঁচের কিছু করা।

তবে লাখ টাকার হাতি কিনা। বিক্রি করবে কে।

আনিমেটির কাহিনী হচ্ছে চার কাওয়াই টিনএজার, তাদের দৈনিক জীবন ও কিছু “নেই কাজ তো খই ভাজ” জাতিও রহস্য ঘিরে যেগুলো নিয়ে কোন স্বাভাবিক ব্যক্তি ২ মিনিটের বেশী ভাববে না। রহস্যগুলো কেমন তা এক কথায় বর্ণনা করতে গেলে বলতে হয় সেগুলো অনেকটা এরকম, “Why did the chicken cross the road?” এবং সমাধান হল “Because it saw a worm on the other side”।

তো সর্বকালের সবেচেয়ে বোরিং রহস্যগল্প অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী… Hyouka!!

 Hyouka_3

আর বাকি নন-মিস্টরি সময়টায় এর চরিত্রসমূহ আর তাদের পারসোনালিটি সম্পর্কে আমাদের জানার সুযোগ হয়। আনিমেটির মূল চরিত্র ওরেকির কাছে সবকিছু একঘেয়ে মনে হয় তবুও নতুন কিছু করতে সে আগ্রহী নয়। জীবন সম্পর্কে সে উদাসীন ও অলস। হঠাৎই এক কিউট মেয়ে চিতান্দার উদয় হয় এবং তাকে ক্লাব কর্মকাণ্ডে যোগদান আর নানারকম রহস্য সমাধান করতে উৎসাহিত করতে চেষ্টা করে। যদিও ওরেকি তাকে সবসময় এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করে কিন্তু চিতান্দা তার “কেন মুরগী রাস্তা পাড় হয়” জাতিও রহস্য দ্রুততার সাথে সমাধান করবার অতিপ্রাকৃত ক্ষমতা দেখে যারপরনাই মুগ্ধ। বিধায় ওরেকি কে চিতান্দা সর্বদা জ্বালাতন করে।

আপনি কি একজন অ্যান্টি-সোসিয়াল, যার জীবন সুখী কিন্তু একঘেয়ে? আপনি কি মনে করেন আপনি খুবই ক্যারিশম্যাটিক এবং বিপরীত লিঙ্গের ব্যক্তিদের উচিত আপনার প্রতি আরও আগ্রহী হওয়া, যদিও আপনি ভাব ধরে রাখেন যে আপনি কারও ব্যাপারে কেয়ার করেন না এবং অন্য সবাই এ কারণে আপনাকে নিয়ে পরিশ্রান্ত? তাহলে Hyouka আপনার জন্যই! টা-ডা!

জী না। ওটা কোনও কমার্শিয়াল বিজ্ঞাপন ছিল না।

 Hyouka_4

আমি বলবোনা যে পুরো জিনিষটাই আমার অপছন্দ হয়েছে, যেহেতু আনিমেটি শুধুই কমেডি আর গল্পহীন কিউটনেস নয়। প্রত্যেকটা পর্বেই কাহিনীর খানিকটা হলেও অগ্রগতি হয় এবং চরিত্রদের সম্পর্কেও কিছুটা জানা যায়। ব্যাপারটা হল, অগ্রগতিটা বেশ অপ্রতুল এবং যতটুকু হয় তার বেশীর ভাগই খামখেয়ালী আর MOE-MOE। যখনি চিতান্দা তার উজ্জ্বল চোখ জোড়া নিয়ে স্ক্রিনের দিকে তাকাবে আপনার মন চাইবে তাকে জড়িয়ে ধরতে। এই অনুভূতি থেকে রক্ষা পাবার কোন উপায় নেই। তাই এই আনিমেটা দেখতে হলে একটা নির্দিষ্ট অ্যাঙ্গেল থেকে এগোনো গুরুত্বপূর্ণ; একদল MOE চরিত্র টানটান উত্তেজনাময় রহস্যের সমাধান করছে এই হিসেবে নয়, বরঞ্চ খাঁজুরে সব রহস্যগল্প আর কিছু কিউট খেয়ালী চরিত্র নিয়ে একটা MOE আনিমে হিসেবে দেখতে হবে।

প্লট তেমন একটা নেই আগেই বলেছি, এন্ডিংটাও নিরেট হয়েছে বলে আমার মনে হয়নি। আবার প্রত্যেকের ব্যক্তিত্ব আর পটভূমি তিন লাইনে বর্ণনা করে দেয়া সম্ভব। তো Hyouka হল সেই আনিমেগুলোর মতো, যেগুলো আয়েশ করে বসে দেখা যায়, দেখতে দেখতে মাথায় নানারকম উদ্ভট চিন্তা খেলে যায়না এবং দু’ মিনিট পরপর চিতান্দা-র নানান কাওয়াই মুখভঙ্গি দেখে মোহাবিষ্ট হয়ে ওঠা যায়। আর অন্যসব ললি গোয়েন্দা আনিমে থেকে এ কারণেই Hyouka শতগুণে উত্তম। এখানে কোন ম্যাজিকাল কিংবা টেকনোলজিক্যাল নন্সেন্স নেই, অথবা কেউ কোন মার্ডার রহস্য ১০ মিনিটে সমাধান করে বসে থাকে না। রহস্য যা আছে তা আসলে চরিত্রগুলোকে কিছু একটা করতে দেবার জন্য হালকা একটা অজুহাত মাত্র, ফলে তারা যাতে স্কুলে লেখাপড়া করা ও একঘেয়ে জীবন থেকে রক্ষা পাওয়ার একটা সুযোগ ও লক্ষ্য পায়। তবে সেটাও Hyouka খুবই সুক্ষ ও সুন্দর ভাবে করেছে। তাই কোন NEET ললি গোয়েন্দা গোপন ক্যামেরা দিয়ে লোকের উপর গুপ্তচরগিরি করে বেড়াচ্ছে কিংবা কোন ছেলে মেয়ে সেজে  অভিযুক্ত আসামীকে ব্রেইনওয়াশ করে তার মুখ থেকে স্বীকারোক্তি বের করছে এই ধরণের আবর্জনা থেকে Hyouka হাজারোগুনে ভাল নয় কি? আর হ্যাঁ, ওই দুই ধরণের আনিমে দেখবার দুর্ভাগ্য আমার আসলেই হয়েছে।

Hyouka_5

তো KyoAni সবচেয়ে বাজে ললি গোয়েন্দা আনিমে তৈরির প্রতিযোগিতায় শেষ স্থান লাভ করেছে। দ্যাটস রাইট, এই SUBGENRE এর অন্যসব আনিমে থেকে Hyouka তার মূল কনসেপ্ট সঠিক ভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে, সুতরাং সব কিছু লেজগোবরে না করে ফেলবার জন্য Hyouka পাশ মার্ক পেয়ে যাবে। তবে যেহেতু রহস্যগল্প হিসেবে আনিমেটায় সত্যিকারের উত্তেজনা, বিপদ কিংবা কোন বৃহৎ লক্ষ্য নেই তাই লেজগোবরে করে ফেলবারও আসলে কোন সুযোগ নেই। এটাই MOE-র অসম শক্তি, MOE কখনই ভুল হতে পারেনা। শুধু মাত্র অত্যন্ত একঘেয়ে, যা মিলিওন মিলিওন মানুষের কাছে খুবই প্রিয়। প্রতিটি দিন নানান এক্সাম, বোরিং ক্লাস, ক্লাসের মস্তান টাইপ ছেলে, ডিমান্ডিং টিচার, বসের ঝাড়ি, কাজের চাপ আর ফেরার সময় রাস্তার হইহুল্লোর ইত্যাদি সামলে বাসায় এসে কম্পিউটারের সামনে আয়েশি ভঙ্গিতে বসে কেন মুরগীটা রাস্তা পাড় হল এই চিন্তা করা ছাড়া আর তেমন মাথা খাটাতে হয়না এমন একটা রিলাক্সিং আনিমে দেখতে নেহাতই মন্দ লাগেনা। আর হ্যা, যতবার চিতান্দা স্ক্রিনের দিকে চেয়ে মুচকি হাসবে ততবার গলে পানি হয়ে যাবার কথা বাদ দিব কেন।

যদি আপনি কোন টানটান উত্তেজনাপূর্ণ আনিমে দেখতে চান যেটা দেখতে দেখতে আপনার মাথায় শত রকমের চিন্তা খেলে যাবে তাহলে Hyouka থেকে দূরে থাকুন। তবে Slice of Life ফ্যানদের জন্য আনিমেটি উপভোগ্য হবে।

Hyouka_6

আমি চিতান্দাকে অত্যন্ত পছন্দ করি, তাই নিম্নের রেটিং দেখে আপনার যদি মনে হয় আমি অবিচার করছি, দেন কুল স্টোরি ব্রো, আই এম জাস্ট বিইং ফেয়ার অ্যান্ড স্কয়ার।

  • ART SECTION: 9/10

General Artwork 2/2 (well made, looks awesome)

Character Figures 1/2 (generic but ok)

Backgrounds 2/2 (basic but fitting with the feeling of the series)

Animation 2/2 (very smooth)

Visual Effects 2/2 (nice cinematic)

  • SOUND SECTION: 9/10

Voice Acting 3/3 (fitting perfectly with the feeling of the series)

Music Themes 3/4 (not great but fitting with the feeling of the series)

Sound Effects 3/3 (not great but good, fine support in cinematic)

  • STORY SECTION: 2/10

Premise 0/2 (boring as fuck)

Pacing 1/2 (slow as shit)

Complexity 1/2 (what?)

Plausibility 0/2 (who?)

Conclusion/Ending 0/2 (where?)

  • CHARACTER SECTION: 6/10

Presence 2/2 (super cute)

Personality 2/2 (cheesy but well founded)

Backdrop 1/2 (generic and simplistic but it’s there)

Development 1/2 (subtle but it’s there)

Catharsis 0/2 (doesn’t exist)

  • VALUE SECTION: 3/10

Historical Value 0/3 (none)

Rewatchability 1/3 (low because of too little plot)

Memorability 2/4 (a well made slice of life show but nothing worthy to remember it past that)

  • ENJOYMENT SECTION: 4/10

Art 1/1 (looks great)

Sound 1/2 (sounds ok)

Story 0/3 (what story?)

Characters 2/4 (sweet but that is all)

  • TOTAL: 6/10 [DECENT]

True Tears by Kazi Rafi

 

2 True Tears

“The you inside me is always crying. I wanted to wipe away your tears. But I never got to know the feeling of wiping the tears away from your soft cheeks.”

এভাবেই শুরু হয় True tears নামের রোমান্স, ড্রামা, স্কুল জেনার এর এনিমেটা। কাহিনী মূলত গড়ে উঠেছে Nakagami Shinchiro নামের এক (ইডিয়ট) ছেলে, Isurugi Noe (<3), Yusa Hiromi নামের দুটি মেয়ে আর Raigomaru আর Jibeta নামের দুইটা মুরগী কে নিয়ে !!!! কি চমকে গেলেন নিশ্চয়ই ??? চিন্তা করতেছেন যে চোখে ভুল দেখলেন কিনা ? ভাবতেছেন যে দুইটা মেয়ে আর একটা ছেলে কে নিয়ে একটা রোমান্স এনিমের মধ্যে দুইটা মুরগী আসে কোত্থেকে ??? আসে রে ভাই আসে, কিভাবে আসে সেইটা এই এনিমেটা দেখলেই বুঝবেন।
এনিমেটার কাহিনী নিয়ে বেশি কিছু বলব নাহ কারন সেটা বললে এনিমেটা দেখা শুরু করার মজা কিছুটা হলেও ফিকে হয়ে যাবে। খুবই সংক্ষেপে কাহিনী মোটামুটি হচ্ছে এই- Yusa Hiromi নামের এক মেয়ের বাবা মা রোড এক্সিডেন্টে মারা যাবার পর তাকে তাঁর বাবার এক বন্ধুর বাসায় নেওয়া হয় থাকার জন্য। সেই বন্ধুর ছেলে, Nakagami Shinchiro, পছন্দ করে Hiromi কে, কিন্তু জানে না এই ভালো লাগা আওদো পারস্পারিক কিনা, নাকি শুধুই একপেশে ! এটা মনে করার কারন, তাদের বাসায় আসার পরে হটাৎ ই কোন এক কারনে Yusa কেমন যেন বদলে যায়, হয়ে যায় কেমন যেন নির্জীব, সবসময় থাকে মনমরা হয়ে; যার কারনে Shinchiro কখনোই বুঝতে পারেনা Yusar মনের গভীরে আসলে কি চলতেছে। এমনি সময়, স্কুলে একদিন দেখা মেলে খুবই, খুবই অদ্ভুত চরিত্রের একটি মেয়ে, Isururgi Noe এর সাথে এবং সেইসাথে আবির্ভাব হয় Raigomaru আর Jibeta নামের দুই মুরগীর !!!!!! কি হয় এরপর তা জানতে আপনাকে এনিমেটা দেখা শুরু করতে হবে।

 

True Tears (Complete) (720p - BD - 70MB - Encoded)
কাহিনী সংক্ষেপ শেষে এইবার আসি গল্পের চরিত্রদের প্রসঙ্গে। এই এনিমের প্রতিটি চরিত্রের রয়েছে খুবই ভিন্ন ভিন্ন আলাদা কিছু চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, রয়েছে তাদের নিজেদের এবং অন্যদের জীবনের উপর, দুটি মানুষের মধ্যের সম্পর্কের উপর, সেই সম্পর্ক তাদের নিজেদের এবং সেইসাথে অন্যদের কাছে কি ধরনের গহির্ত অর্থ বহন করে তাঁর উপর তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি, যা আপনার প্রত্যেক সময়, প্রত্যেক চরিত্রের উপস্থিতির সময় আলাদা ভাবে দৃষ্টি কাড়বে, যা একেকজনের থেকে একেকজনকে প্রিথক ভাবে আপনাকে চরিত্রগুলকে খুব ভালভাবে চিনতে, বুঝতে সাহায্য করবে, সবমিলিয়ে যা এদেরেক দিয়েছে একধরনের জীবন্ত রুপ, যেন এটা আপনারই আশেপাশের পরিচিত কিছু মানুষের গল্প ! এতকিছুর পরে আপনার হয়তো কোন চরিত্র কে ভালো না লাগতেও পারে তাদের কিছু কিছু ক্রিয়াকলাপের কারনে আবার হয়তো আপনি এক বা একাধিক কোন চরিত্রর প্রেমেও পরে যেতে পারেন, যেটা আসলে নির্ভর করে একজনের, একেক চরিত্রের প্রতি তাঁর নিজের দৃষ্টিভঙ্গির উপর। আমার কথা জিজ্ঞেস করলে আমি বলব এই এনিমের আমার সবচেয়ে প্রিয় চরিত্র হচ্ছে Isurugi Noe, যার ব্যক্তিত্ব, মন মানসিকতা, উদ্দেশ্য, জীবনের প্রতি তাঁর বিচিত্র দৃষ্টিভঙ্গি আমার মন কেঁড়ে নিয়েছে, নাড়া দিয়েছে মেয়েটির দুঃখ, কষ্ট আর বেদনার প্রতিটা মুহূর্ত, চোখে এনে দিয়েছে পানি, আবার সেইসাথে মনটা খুশিতে উঠেছে নেচে যখন দেখেছি মেয়েটিকে সবকিছু ভুলে হেসে উঠেছে মনকাড়া, প্রান প্রাচুর্যে ভরা এক হাশিতে !!! এবং আমি আপনাদের কথা দিতে পারি, Isurugi Noeর চরিত্রটির নতুনত্ব, তাঁর দুঃখ কষ্ট বেদনা, অভিজ্ঞতাগুলো আপনার মনকেও দিয়ে যাবে এক প্রবল আবেগের নাড়া যা আপনার মনে থাকবে অনেকদিন ।। এ তো বললাম আমার প্রিয় চরিত্রের কথা। এইবার আসি বাকি দুজন মেইন চরিত্রের ব্যাপারে। Nakagami Shinchiro আর Yusa Hiromi এদেরকে আমার চরিত্র হিসেবে খুবই দুর্বল লেগেছে। এরা দোনোজনেই এক ধরনের বিচিত্র মনস্তাত্ত্বিক জটিলতায় ভোগে যার মধ্যে Hiromir ব্যাপারটায় অউদো কিছুটা হলেও রিলেট করা গেলেও Shichiror কাহিনীটা আমার মোটেও বোধগম্য হইনি। এই ব্যাপারে আরও বিস্তারিত জানতে হলে এনিমেটা দেখতে হবে।
যাইহোক। এতক্ষন যাদের কথা বললাম এরা হচ্ছে গল্পের আসল চরিত্র দের কথা। এরা ছাড়াও রয়েছে বেশ কিছু পার্শ্ব চরিত্র যাদের তেমন খুব একটা ভুমিকা নেই গল্পে। কিন্তু এদের মধ্যেও এমন একজনের কথা না বললেই নয় যে সম্পূর্ণ তাঁর নিজে গুনে জয় করে নিবে আপনার মন, সে হচ্ছে shinchiro’র বেস্ট ফ্রেন্ড Nobuse Miyokichi। প্রথম দিকে হয়তো মনে হবে এরা আছেই শুধু মেইন চরিত্র গুলোকে সাপোর্ট দেয়ার জন্য, কিন্তু এরি মাঝেও Nobuse আস্তে আস্তে ভালো লাগার একজন হয়ে উঠবে অন্যসব চরিত্রের পাশাপাশি, Shinchiroর প্রতি তাঁর বন্ধুত্তের নিদর্শন দেখে যা আপনাকে করে তুলবে বিস্মিত !!!!!
গল্পের কাহিনী এবং তাঁর চরিত্রের বর্ণনা শেষে এবার আসি এনিমের এনিমেশন আর সাউন্ড প্রসঙ্গে। True Tears ছিল এই এনিমের অন্যতম প্রডিউসার P.A. Works এর প্রথম প্রজেক্ট এবং সেই কথা মাথায় রেখে বলতেই হয় যে তারা বিরাট রকমের বিশাল এক প্রশংশার দাবীদার, এর কারন হচ্ছে এই এনিমের অপূর্ব সুন্দর এনিমেশন এবং সেইশঙ্গে অসাধারন শ্রুতিমধুর সাউন্ড এফেক্ট, যা একসঙ্গে মিলে, একেকটা বিশেষ বিশেষ মুহূর্ত আপনার ভাবাবেগের উপর যে প্রভাব ফেলবে তা বাড়িয়ে তুলবে ১০০ গুন।
পরিশেষে যেটা নিয়ে কথা বলতে চাই তা হচ্ছে, এনিমেটার এন্ডিং। এই এনিমের একমাত্র অংশ যেটা আমার মোটেও ভালো লাগেনাই; একদমই নাহ ! কিন্তু তাই বলে আপনাদের দুশ্চিন্তায় পড়ার কোনই কারন নাই, কারন আমার কাছে যেটা খারাপ লাগছে আপনাদের সেইটা খারাপ নাও লাগতে পারে, তো খামাকা আমার কথা শুনে এতো টেনশনে পড়ার দরকার নাই। এন্ডিং খারাপ হইছে নাকি ভালো হইছে সেইটা আপনারা দেখেই নাহয় বিচার করবেন, শুধু এইটাই বলব যে সবার সবকিছুর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি কখনোই এক থাকে নাহ, আমার কাছে যে জিনিসটা সুন্দর লাগবে সেইটা অন্যজনের কাছে নাও লাগতে পারে,সবটাই নির্ভর করে সম্পূর্ণ নিজের দৃষ্টিভঙ্গির উপর !!!!!!!!

এন এনিমে বের হইছে ২০০৬ সালে, মোট ১৩টা পর্ব এবং সেই সাথে একটি ৩ মিনিটের এপিলোগ যেটা আপনার দেখতে হলে ইউটিউব এ গিয়ে সার্চ দিতে হবে ‘True Tears Epilogue’ নামে; অথবা নিচের যে ডাউনলোড লিঙ্কটি দেয়া আছে তাঁর শেষ পর্বের একদম শেষে দেখেবন এপিলোগটি জোড়া লাগান আছে।
লোল !!! এখন নিশ্চয় আপনি চিন্তা করতেছেন যে ব্যাপারটা কি হইল, সবকিছু নিয়ে অনেক কথা বলা হইলেও মুরগী দুইটার ব্যাপারে কোন কিছু বলা হইল নাহ কেন ! বলি নাই, এর কারন, Raigomaru আর Jibeta এই কাহিনীর খুবই বিশাল এবং খুবই, খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুইটা চরিত্র যাদের ব্যাপারে আমি কিছু বলে কাহিনীর সবচেয়ে অসাধারন অংশগুলির মজা নষ্ট করতে চাচ্ছি নাহ !!!!!!!!!!!!

( রিভিউ তে কোন ভুল ত্রুটি থাকলে তাঁর জন্য দুঃখিত ! দয়া করে সেটা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ! এবং এতো বড় একটা রিভিউ পড়ার জন্য আগাম ধন্যবাদ !!!! )

এনিম: ফুল মেটাল আলকেমিস্ট: না দেখলে পস্তাইতে পারেন by ইশতিয়াক মাহমুদ

 

অনেক দিন আগে এক বন্ধুর চাপাচাপিতে পড়ে এনিম সিরিজ ফুলমেটাল আলকেমিস্ট দিয়ে আমার এনিম এর দুনিয়াতে অনিয়মিত যাত্রা শুরু। তখন সিরিজটা সম্পুর্ন করতে পারি নাই কারন সবটা ছিল না কালেকশনে। এই কয়দিনে আবার সব ডাউনলোড করে দেখতে লাগলাম… এবং পস্তাইলাম…

এতদিন অপেক্ষা করসি ক্যান????

আরও আগে নামানো যাইতো না????

 ১

এক অদ্ভুত দুনিয়ার কাহিনী, সেখানে মানুষ বস্তুর অভ্যন্তরীন গঠন বুঝে সেটাকে নিজের ইচ্ছা মত করে পরিবর্তন করে অন্য কিছুতে রুপ দিয়ে ফেলার উপায় আবিস্কার করেছে। তবে কোন যন্ত্রের সাহায্যে না, নিজের মানসিক শক্তি ব্যবহার করে।

এলকেমিতে ভীষন মেধাবী বাচ্চা ছেলে এডওয়ার্ড এলরিক এবং অ্যালফনস এলরিক তাদের মাকে হারাবার পরে সিদ্ধান্ত নেয়, তারা তাকে ফিরিয়ে আনবে মৃত্যুর ওপার থেকে। ব্যবহার করবে ভীষনভাবে নিষিদ্ধ হিউম্যান এলকেমি ব্যবহার করে।

কিন্তু তার জন্য যে মুল্য তাদের দিতে হয তা হিসেবের বাইরে… অ্যারফনস হারায় তার শরীর। সে এখন একটা ধাতব বর্মের মধ্যে আটকে থাকা এক আত্বা। এডওয়ার্ড হারায় তার হাত, পা।

কিন্তু এটাই কি সব?

এখন তারা উাপয় খুজে বেড়ায় এমন এক এলকিমিক পদ্ধতি যেটা ব্যবহার করে তারা অ্যালফসন এর জন্য একটা মানবিক শরীর তৈরি করতে পারবে। এডওয়ার্ড এর জন্য তৈরি করতে পারবে সত্যিকারের হাত এবং পা।

এই লক্ষে তারা এগিয়ে যায় এবং এক এক করে সবার সামনে উন্মোচিত হতে থাকে এলকিমিকি দুনিয়ার অসাধারন সব রহস্য…..

এনিম হিসেবে যথারীতি যথেষ্ট পরিমানে চেচামেচি আছে। চোখ দিয়ে কান্নার পানি নদীর মত বয়ে যাওয়া কিংবা মানুষজন সেই পারি বন্যায় ভেসে যাওয়া কিংবা রাগে সারা শরীরে আগুন ধরে যাওয়া.. অথবা ভয়ে সাদা হয়ে যাওয়া…

তবে সিরিয়াস মুহুর্ত গুলো সত্যিই ভীষন সিরিয়াস করে বানিয়েছে… আর কাহিনীর বুনন চমৎকার।

Black Lagoon: Roberta’s Blood Trail – by Tariqul Islam Ponir

3 Black Lagoon - Roberta’s Blood Trail
Revi: Hey chniglish. Want a job? You get to kill a whole lot of dipshits.
Shenhua: I’ll be happy to skin you for free, slut.
Revi: Jesus, what’s with the attitude.

Black Lagoon: Roberta’s Blood Trail দেখলাম। যদিও দুইবছর আগের টাইটেল কিন্তু ইংলিশ ডাব এর জন্য ওয়েট করাতে এত দেরি হল দেখতে।

আগের সিজনের মত অস্থির ডায়ালগ বেশ কম। রক এর ক্যার‍্যাক্টার এ যে চেঞ্জটা এনেছে সেটাও বেশ মজাদার। এইভাবে চলতে থাকলে মনে হয় সিরিজটাকে আরো অনেকদূর নেয়া সম্ভব। আর একটা দিক, রবার্টা মনে হয় আর কখনোই আসবে না সিরিজটাতে, তার গল্পের এখানেই সমাপ্তি। অবশ্য আমি প্রথম সিজনের কিডন্যাপিকং আর্ক এর পরই এই ক্যার‍্যাক্টার আবার আসবে এটা আশা করলেও এভাবে আসবে ভাবি নাই।

তবে, আগের দুইটা সিজনই রোজার মধ্যে দেখার উপযোগী না (Don’t get me wrong. শুধুমাত্র গালাগালির কারনে) আর এই সিজন এসেছে ওভিএ ফরম্যাট এ। তো বুঝতেই পারছেন!! তবে টু বি অনেস্ট, FLCL এর পর একমাত্র এই ওভিএটাকেই আমি রেকমেন্ডেবল বলতে পারি (And yes, I have watched Hellsing Ultimate) কমিক রিলিফগুলো আগেরবারের মতই সুন্দর করে করা হয়েছে। এবং ফাইটিং অবশ্যই অভার দা টপ এন্ড অফ কোর্স লজিকলেস। আমি যখন প্রথম সিজন দেখেছিলা তখন অনেক লজিক খুজেছিলাম সিরিজটাতে, সেকেন্ড সিজনে এসে বাদ দিয়ে দিয়েছি আর মজা পেয়েছি +_+  তবে এই আর্কে মজাও সেই তুলনায় কম। কিন্তু চলে।

প্রথম তিন পর্বে রবার্টার হার্ডকোর পার্ফর্মেন্স এর পর পঞ্চম পর্বে আবার মেইড আউটফিটে আসা তা খুব একটা ভালো লাগে নাই। ফ্যান সার্ভিস ফ্যান সার্ভিস মনে হইসে। T_T

আর ডাবটার ব্যাপারটা বলতেই হয়। আমি বেশিরভাগ সময়ই ডাব দেখার পর সাব টা চালু করে দেখি (ডুয়াল অডিও এনকোড আরকি )। এটার জাপানিজ অডিওটাতে দেখলাম লাভলেস ফ্যামিলি এর আরেক পিচ্চি মেইড ফ্যাবিওলাকে ‘শ্রিম্প’ বলে ডাকে পুরা এনিমেতে। কিন্তু ইংলিশটা বলেছে Minimaid যা চরম হাসির, অন্যদিকে Shenhua কে জাপানিজ ভার্সনে Revi তার নাম ধরে ডাকলেও এখানে দেকেছে Chinglish (Cninese+English) হিসাবে। আর রেভির ডায়ালগ ডেলিভারি দেখলে অনেকটা টারান্টিনো আর গাই রিচি এর ফিল্মে বিভিন্ন গ্যাংস্টার এর ডায়ালগ ডেলিভারি এর কথা মনে পরে। হুইচ ইজ অসাম। আফটার অল, ইটজ অল এবাউট ডায়ালগস। 

“I appreciate the help. But after all these is finished and my hunt is complete, I’ll reward you with a painless death.”

 

সিজন ১ আর ২ ডাউনলোড করতে পারেন।

Click This Link

Basilisk – Manga review by Farhad Mohsin

আজকে সকালে বাসিলিস্ক(Basilisk) পড়া শুরু করেছি। দিনে বেশ কয়েকবার ঘণ্টাখানিক করে ব্রেক দিয়ে একটু আগে শেষ করলাম। আর্টওয়ার্ক খুব বেশিই ভালো লাগসে। যথেষ্ট গোর, ভায়োলেন্স, নিউডিটি ইত্যাদি আছে। যাদের এসবে অ্যালার্জি আছে দূরে থাকতে পারেন।
যেভাবে শুরু হয়, আর যেহেতু জানতাম ৩৪ ইস্যুতে শেষ হয়ে যাবে, এন্ডিং কিরকম হবে সে সম্বন্ধেও আইডিয়া করা যায় আসলে। কাহিনীর শুরু এমন অনেকটা, এক রাজ-পরিবার টাইপের কিছুর উত্তারাধিকার নির্ধারণ করার জন্য দুইটি নিনজা ক্ল্যানের সদস্যদের মধ্যে লড়াই শুরু করা হয়। দুই ক্ল্যান থেকেই দশজন করে ঠিক করা হয়, যারা লড়াই করবে। শেষমেশ যারা জয়ী হবে তার উপর নির্ভর করছে উত্তরাধিকার।
ভালো লাগার মূল কারণ , এই যে এখানে বিশজন লড়াই করছে, প্রত্যেকের আলাদা আলাদা স্কিল আছে। যারা নারুতো’র সাথে পরিচিত তাদের হয়ত বিভিন্ন Kekkei Genkai’র কথা মনে পড়বে। এদের মধ্যে বিভিন্ন পারমুট্যেশন-কম্বিনেশনে লড়াই হয় বেশ কয়েকটা। কিছু friendly fire ধরণেরও হয় এক-দুইবার।
প্রত্যেকটা লড়াইই যথেষ্ট ভালো। অনেকগুলোতেই বেশ ভালো টুইস্ট আছে। প্রায় সবার সামর্থ্যকে বেশ সুন্দরভাবে ইউটিলাইজ করা হয়েছে। শুধু জ্ঞাতি-গোষ্ঠীগত মারামারি না রেখে অনেক ক্ষেত্রে personal stakes যোগ করা হয়েছে। ব্যাপারটা ভালোই হয়েছে বলব। ওভারালি এক টানে পড়ে ফেলার জন্য বেশ ভালো একটা মাঙ্গা।
আরেকটা জিনিস বলতে ভুলে গেছিলাম। বাসিলিস্কে কখনোই ঠিক এক দুইজন ক্যারেক্টারের উপর ফোকাস করে থাকা যায় না। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ক্যারেক্টার ফোকাসে আসে। এইটা ভাল্লাগসে।
এইটার এনিমে’ও আছে। আমি নিজে যদিও দেখি নাই, ভালো না হওয়ার কোন কারণ দেখি না।

 

Armored Trooper Votoms – এক নির্দয় সৈনিকের গল্প – লেখক রেড এলার্ট

[Writers Note : With little editing and cropping writer directly translated this from an English version of this review which belongs to him as well as the Bangla version. So you may find some English word/sentence in between. Writer begs pardon for this inconvenience.]

5411910721_f8a516429d_b

Even if it’s God, I will not obey. — Chirico Cuvie

ভূমিকা

পরিচালক, স্ক্রিনরাইটার, উপন্যাসিক ও এনিমেটর ইওশিইউকি তমিনো তার গুন্দাম (Gundam) ফ্র্যানচাইজ এর মাধ্যমে আশির দশকে মেকা (Mecha) আর স্পেস অ্যাডভেঞ্চার ধারার আনিমেগুলোর মধ্যকার ব্যবধান ঘুচিয়ে ফেলেন। তার কয়েক বছর পরে আরেক পরিচালক ও লেখক রিওসুকে তাকাহাসি সেটাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান, যার ফলাফল হচ্ছে তার অনন্য সৃষ্টি আরমর্ড ট্রুপার ভিওটিএমএস আনিমেটি। মেকা ধারার আনিমে হিসেবে সিরিজটি কিছুটা অদ্ভুতই। সমলোচক হিসেবে আনিমেটির মূল্যায়ন করাও কঠিন কাজ। এক দিকে আনিমেটি এর সমজাতিও অন্যান্য রোবট/মেশিন ভিত্তিক ফিকশন থেকে অত্যন্ত বাস্তবমুখী এবং এতে প্রদর্শিত মেকাগুলোর চলাফেরা ও লড়াই অত্যন্ত রিয়ালিস্টিক। অন্য দিকে পুরো সিরিজটাই একরকম যান্ত্রিক ও নির্জীব; আবেগ ও অন্যান্য মানবিক অনুভূতি বলতে গেলে অনুপস্থিত; যা আছে তাও আবার সামরিক প্রকৃতির: নিরুত্তাপ ও কঠিন বাস্তবতা, শীতল ক্রোধ এবং জীবন নিয়ে নিহিলিস্টিক (Nihilistic) ধ্যানধারণা। আনিমেটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সোভিয়েত ইউনিওনের কথা মনে করিয়ে দেয়। কুকুরের মতো খেদিয়ে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র ছাড়াই সাধারণ জনগণকে সস্তা পণ্যের মতো স্টালিন যেভাবে যুদ্ধক্ষেত্রে লেলিয়ে দিয়েছিলেন (Conscription) এবং সোভিয়েত সৈন্যরা যেমন অমানুষিক ক্রোধ ও ঘৃণা নিয়ে থার্ড রাইখের উপর ঝাপিয়ে পড়েছিল, সেই অনুভূতির সাথে আরমর্ড ট্রুপার ভিওটিএমএস এর মিল আছে।

VOTOMS একটি সত্যিকারের অনন্য সিরিজ। শুধু জাপানিজ এনিমেশন নয়, পুরো ফিকশনাল জগতেই আনেমিটির কনসেপ্ট এক ও অদ্বিতীয়। কার্যত সকল মেকা তথা শোওনেন আনিমের মূল কনসেপ্ট রঙ্গিন চিত্তবিনোদন, অবাস্তব সমস্ত সুপার অ্যাটাক (Gomu Gomu no Pistoruuuuuuuuuu! :p) এবং অতি আবেগপ্রবণ চরিত্রসমূহ যাদের অর্ধেকের কাছে মানবজীবন অমূল্য, এরা হলেন আমাদের হিরো এবং তার বাহিনী আর বাকি অর্ধেকের কাছে ঠিক এর বিপরীত। না বলে দিলেও চলে এই বাকিরা ভিলেইন প্রজাতির। কিন্তু VOTOMS একটি বাস্তব দুনিয়ামুখী আনিমে, যার চরিত্রগুলো শীতল ও সুযোগসন্ধানী এবং যুদ্ধবিগ্রহ যেখানে সম্পদের নিয়ন্ত্রণ ও রাজনৈতিক এজেন্ডার অনুষঙ্গ মাত্র। এই দিকটির জন্যই VOTOMS রিওসুকে তাকাহাসির একটি দুর্লব ম্যাচিউর সৃষ্টি হিসেবে গণ্য করা হয়। আবার একই কারণে আনিমেটি খুবই নির্দয় ও নির্মম মনে হয়, ফলে Moe দেখে অভ্যস্ত সংখ্যাগুরু আনিমে ফ্যানদের জন্য আনিমেটি পছন্দ করা কষ্টের বিষয়।

Chirico Cuvie

 

প্রোডাকশন ভ্যালু

আরমর্ড ট্রুপার ভিওটিএমএস এর প্রোডাকশনাল ভ্যালুর ব্যাপারে একেক জনের মতামতের মধ্যে দুই মেরু ব্যবধানও দেখা যায়। আমার মতে এনিমেশন আর আর্টওয়ার্ক সামগ্রিক ভাবে বাস্তবমুখী এবং রিয়ালিস্টিক ফিজিক্স মেনে চলে (This is realism, this is physics, this is not.)। কিছু খুঁত থাকলেও তা হয়েছে মূলত সে যুগের সীমিত প্রযুক্তি আর বাজেটের কারণে। সেগুলো বাদ দিলে এনিমেশন যথেষ্ট উন্নত। চরিত্রগুলোর চলাফেরা বাস্তবানুগ, বিশেষ করে সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে। সাউন্ডট্র্যাক তেমন ভাল নয়, সহজেই ভুলে যাবার মতো, তবে ওপেনিং থিমটা আকর্ষণীয়। ভয়েস এক্টিং এত বেশী সিরিয়াস, আবেগহীন আর মিলিটারি-মিলিটারি ভাব আছে যে অত্যন্ত নীরস এবং যান্ত্রিক মনে হবে, পছন্দ করাটা কিছুটা কষ্টকর। যদি সামরিক বাহিনীর সাহচর্যে থাকবার সুযোগ আপনার হয়ে থাকে তাহলে বুঝতে পারবেন আমি কি বলতে চাইছি।

votoms_alone_gg_3

 

স্টোরি এবং কাস্ট

আনিমেটির প্লট নিয়েও রয়েছে মতবিভেদ। যদিও প্লট সেটিং ভালই মনে হয় তবে কিছু অসামঞ্জস্যতাও আছে। হিরোয়িক চরিত্রগুলো প্রায়সই অস্বাভাবিক রকম দ্রুত কোন দুর্ঘটনা, ইনজুরি ইত্যাদি থেকে কামব্যাক করে। আবার কোন ঘটনা কেন ঘটল কিংবা কিভাবে ঘটল ইত্যাদি তারা তদন্ত না করেই বা কোনও উৎস থেকে তথ্য না পেয়েও জেনে বসে থাকে, অথচ কিভাবে জানল সে ব্যাপারে কোন ব্যাখ্যা দেয়া হয়না। আনিমেটির কাস্ট অনেক বড়, কিন্তু তাদের মাঝে মূল চরিত্র চিরিকো কুভিয়ে বলতে গেলে একমাত্র কৌতূহলোদ্দীপক ও স্মরণীয় চরিত্র। চিরিকো একজন নিষ্ঠুর প্রকৃতির সৈনিক। আশির দশকের খাটি পুরুষ বলতে যা বোঝায় চিরিকো তাই। মডার্ন যুগের আনিমে, যেখানে হাইস্কুল পড়ুয়া মেয়েলি (GAY) লুকিং হিরো একটা ট্রেন্ড হয়ে গেছে (Rin Okimura, Kirito Kirigaya, Usui Takumi anyone?), চিরিকো সে যুগের নয়। চিরিকো কুভিয়ে আশি ও নব্বইর দশকের সেইসব পৌরুষদীপ্ত আইডলদের একজন যাদের হাইস্কুল ছাত্ররা দেবতাজ্ঞান করত (Spike Spiegel, Arnold Schwarzenegger, Bruce Willis হল কিছু উদাহরণ)। তার উদ্ধত মনোভাব ও আচরণ, দৃঢ়তা, শীতলতা, শত বিপদ ও মৃত্যুর মুখ থেকে বারবার বেঁচে ফিরে আসতে দেখা খুবই উপভোগ্য। সে একজন অ্যান্টিহিরো, নিষ্ঠুর মারসেনারি, একজন স্বার্থপর সুযোগসন্ধানী যে আগে কপালের মাঝ বরাবর গুলি ছুড়ে, তারপর প্রশ্ন করে। চরিত্র হিসেবে সে দারুন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে আনিমেটির অন্যান্য চরিত্রগুলো ক্ষণস্থায়ী কিংবা তার মতো দুঃসাহসী ও দৃঢ় ব্যক্তিত্বের নয়। এছাড়া, আনিমেটি পুরো মানবজাতিকেই EXPENDABLE / DISPOSABLE হিসেবে বিবেচনা করে এবং কেউ যদি নির্মমভাবে মৃত্যুবরণও করে (এবং সত্যিই এমনটা হয়) তবে দর্শকদের মাঝে কোনরকম প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির চেষ্টাও আনিমেটিতে দেখা যায়না।

shmain

 

গল্পের কাহিনী গিলগামেশ কনফেডারেশন আর বালারান্ট ইউনিয়নের মধ্যে চলা শতাব্দী বছরের পুরনো, সূচনা ভুলে যাওয়া এক যুদ্ধ নিয়ে। যে যুদ্ধে আস্ত্রাগিয়াস গ্যালাক্সির প্রায় ২০০ গ্রহ ভস্মীভূত হয়েছে। শেষ পর্যন্ত সাময়িক যুদ্ধবিরতি হলেও গল্পের নায়ক স্পেশাল আরমার্ড ফোর্সের সৈনিক চিরিকো কুভিয়েকে তার অজান্তে তার নিজ সৈন্যবাহিনীর বিরুদ্ধে এক গোপন মিশনে পাঠানো হয়। মিশনের এক পর্যায়ে তার সহযোদ্ধারা তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে এবং মহাশুন্যে মৃত্যুর মুখে ফেলে চলে যায়। কিন্তু ভাগ্যগুনে বেঁচে যাওয়া চিরিকো সেই গোপন মিশনের উদ্দেশ্য ও এর পিছনে কলকাঠি নাড়া ব্যক্তিদের পরিচয় উম্মোচনের সংকল্প করে। কিন্তু তার পিছনে লেগে আছে মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স আর ষড়যন্ত্রকারিরা, যারা কোনমতেই তাদের রহস্যময় এজেন্ডা উম্মোচিত হতে দেবেনা।

শেষকথা

আরমর্ড ট্রুপার ভিওটিএমএস সর্বকালের সেরা মিলিটারি অ্যাকশন আনিমেগুলোর একটি। এর মেকা রোবটগুলোর ডিজাইন ও স্টোরিলাইন স্বতন্ত্র ও অদ্বিতীয়। যেসব দর্শকেরা খুবই বাস্তবমুখী যুদ্ধ ও নিহিলিসম পছন্দ করেননা এই আনিমে তাদের জন্য নয়। মেইনস্ট্রিম আনিমে ফ্যানদের কাছে VOTOMS এর কাহিনী নিস্প্রভ ও ধরাছোঁওয়ার বাইরে মনে হবে। আমার নিজেরও যে অনেক পছন্দ হয়েছে তা নয়। আমার পরামর্শ জানতে চাইলে এই আনিমেটা বিনোদনের উৎস হিসেবে নয়, স্পেশাল ও অন্য রকম একটা আনিমে হিসেবে দেখতে সুপারিশ করবো।

Now for some half-assed rating:

STORY SECTION : 7/10

ANIMATION AND ARTWORK : 8/10

SOUND & VOICE ACTING : 5/10

CHARACTER SECTION : 7/10

ENJOYMENT SECTION : 5/10

OVERALL : 7/10

 

votoms

Panty & Stocking with Garterbelt – REPENT, YOU MOTHAFUCKA! – লেখক রেড এলার্ট

[Writers Note: Huge text of random stream of thought follows. Consider yourselves warned. With little editing and cropping writer directly translated this from an English version of this review which belongs to him as well as the Bangla version. So you may find some English word/sentence in between. Writer begs pardon for this inconvenience.]

5 Panty-and-Stocking-transformation

 

“O pitiful shadow lost in the darkness, O evil spirit born of those drifting between Heaven and Earth. May the thunderous power from the garments of these holy, delicate maidens strike down upon you with great vengeance and furious anger, shattering your loathsome impurity and returning you from where you once came! REPENT, YOU MOTHAFUCKA!” – Panty & Stocking Anarchy

যখন প্রথম আনিমেটার টাইটেল দেখলাম, ধরেই নিয়েছিলাম শত আনিমের মাঝে আরও একটা নিম্ন মানের এনিমেশন আর জঞ্জাল মার্কা স্টোরিলাইনে আপাদমস্তক ভরা এচ্চি কমেডির সামনে পড়ে গেছি। কয়েকদিন ফেলে রাখবার পর কৌতূহলবশত দেখতে বসলাম এবং উপলদ্ধি করলাম আনিমেটি সম্পর্কে আমার ধারণা ভুল ছিল। তবে এই অর্থে নয় যে Panty & Stocking with Garterbelt তথা PSG আমার ধরে নেয়া genre এর মধ্যে পড়েনা; আনিমেটি আসলেই একটি নিম্ন মানের এনিমেশন আর জঞ্জাল মার্কা স্টোরিলাইনে আপাদমস্তক ভরা এচ্চি কমেডি। যে জিনিষটা আনিমেটাকে অন্য সবার থেকে ভিন্ন করে তুলে তা হল এই যে… আনিমেটি ভিন্ন লোল।

আমি বলতে চাইছি যে একটি ভাল আনিমে, হোক কমেডি কিংবা অ্যাকশন, “ভাল আনিমের” খেতাব পায় তখন যখন তা দর্শকদের বিস্মিত ও উদ্দিপ্ত করতে সক্ষম হয়। কোন আনিমে দেখতে বসে আগামীতে ঘটতে যাওয়া কমেডি কিংবা অ্যাকশন দৃশ্যে কি হতে যাচ্ছে তা যদি ঘটার আগেই আপনি বুঝে ফেলেন তাহলে আপনি পেলেন একটি মাঝারি মানের আনিমে। কোন উঁচুদরের আনিমের কৌতুক দৃশ্য অথবা যুদ্ধের শেষ পরিণাম আগে থেকেই দর্শক ভবিষ্যদ্বাণী করে বসে থাকতে পারেনা বলেই সেটি আর দশটা আনিমে থেকে আলাদা। PSG-র সাফল্য এখানেই। আপনি কখনই ধরতে পারবেন না পর মুহূর্তে যা হতে যাচ্ছে তা বিয়োগান্তক নাকি হাস্যকর।

বেশীর ভাগ শো এক বা একাধিক ফর্মুলা অনুসরণ করে, PSG এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। গড়পড়তা শোওনেন অ্যাডভেঞ্চার আনিমের সূচনা পর্বগুলো দেখে আগে থেকেই আপনি মোটামুটি একটা ধারণা পেয়ে যাবেন বাকি ৫০০টি পর্ব কেমন হতে যাচ্ছে (দয়া করে আমায় বলবেন না যে নারুতো ও ওয়ান পিসের ক্ষেত্রে এ কথা প্রযোজ্য নয়)। প্লটের বিষয়বস্তু পরিষ্কার, সর্বশেষ পরিণামটাও স্পষ্ট, এখন আপনি শুধু এর মাঝেই ফ্যানসার্ভিস আর অ্যাকশন দৃশ্যগুলো থেকে কিছু বিনোদন আরোহণ করার চেষ্টা করতে পারেন। শুরুতে এবং মাঝে মাঝে এগুলো উপভোগ্য হলেও, প্রায়শই আনিমেগুলো দেখতে দেখতে নিজেকে নিস্তেজ মনে হয় এবং গ্র্যান্ড ফিনালে দেখে বলতে হয়, “Ok, it ended as I expected; now where is my popcorn?”

 

এখানেই PSG আমার ভাল লেগেছে। আগামীতে ঘটতে যাওয়া প্লট টুইস্ট ও কৌতুকগুলো আগে থেকেই আন্দাজ করে প্লটের মজাটা একরকম জোর করে নষ্ট করতেও ব্যর্থ হয়েছি। আজকাল আনিমে ইন্ডাস্ট্রিতে নিরাপদ ও পরীক্ষিত ফর্মুলার ব্যবহার বেশী, কেউ আর বাক্কানো কিংবা ঘোস্ট ইন দ্য শেল জাতিও ভিন্ন ধরনের আনিমে তৈরি করে ঝুকি নিতে চায়না। যখন অন্যেরা আনিমে ইন্ডাস্ট্রিতে প্রতিষ্ঠিত-সফল-ঝুঁকিহীন-বাঁধাধরা ধাঁচের চরিত্র এবং ছকে বাধা প্লটেই বেশি আগ্রহী, PSG তখন অনেকটা “Screw it, let’s just have fun” জাতিও ছোট ছোট গল্পতে পরিপূর্ণ। এ সময়ের সিরিজগুলোয় এটারই খুব অভাব; একটি আনিমে যখন দেখি তখন সেই আগের অনুভূতিটি পাইনা যে লেখক আনিমেটি যত্ন ও অনুরাগ দিয়ে লিখেছেন, ব্যবসায়িক সাফল্য পাবে কিনা কিংবা নির্বোধ ওতাকুর দলকে সন্তুষ্ট করবার জন্য যথেষ্ট moe আর কাওয়াই হয়েছে কিনা এধরনের দুশ্চিন্তা নিয়ে লিখেননি, যেমনটা অনুভূত হয়েছিল কাউবয় বিবপ, প্ল্যানেটিস কিংবা মাই নেইবর তোতোরো দেখে।

তবে আমি এটা পরিস্কার করে দিতে চাই যে Panty and Stocking with Garterbelt মোটেও ওরিজিনাল কিংবা যুগান্তকারী আনিমে নয়। এতেও ওতাকুগণের সন্তুষ্টির জন্য প্রচুর sexy/moe stereotype রয়েছে, কিন্তু সেগুলোও আবার অত্যন্ত খোলামেলা এবং উগ্র, বোঝাই যায় লেখক মহাশয় R-Rated সিল-ছাপ্পর এবং সেন্সরশিপের ভয় করেননি। অধুনা কালে শতশত কার্বন-কপি করা হারেম এবং এচ্চি কমেডি আনিমে গুলোতে একটি বিশেষ দৃশের অবতারণা বহুবার ঘটেছে, some dork gets to score with a chick and the chick may want it too but something really lame always happens every time to stop it. কেন? Why? এটা কি ওতাকুদের জন্য হতাশাজনক নয় যে “juicy part” গুলোতেই বারংবার থামিয়ে দেয়া হয়? আমি বলছি কেন, কারণ সেটাই হল লিমিট। এই লিমিট পার হয়ে “ওটা” পর্যন্ত যাওয়া আর হয়ে ওঠেনা ফলে ওতাকুবৃন্দ “ওটা” ছাড়াই সন্তুষ্ট থাকবার চেষ্টা করে, আর সেই “ওটা” হলঃ সেক্স। আমার যতদূর মনে পড়ে এর সাম্প্রতিক একটি নমুনা হল “বি গাতা এইচ কেই ইয়ামাদাস ফার্স্ট টাইম” আনিমেটি। এর সেলিং পয়েন্ট হচ্ছে এরকমটা, একটি হাইস্কুল পড়ুয়া মেয়ে যথেচ্ছ ভাবে বেছে নেয়া হাজারো ছেলের সাথে হাজারো নচ্ছার উপায়ে সেক্স করবার চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু আনিমেটি শুধু আজেবাজে স্বাদহীন সেক্স জোক এবং “বিশেষ মুহূর্তে” মেয়েটি ভয় পেয়ে যাচ্ছে অথবা কেউ এসে সমস্ত কিছু ভণ্ডুল করে দিচ্ছে এ জাতিও হাবিজাবি দেখিয়েই ক্ষান্ত থেকেছে। কেন? কারণ ওই যে, লিমিট।

তো PSG আবার এদিক দিয়ে বিদ্রোহী। গল্পের মূল দুই হিরোইনের একজন Panty (জী, নামটা ঠিকই শুনেছেন) এই মাত্র পরিচয় হওয়া ব্যক্তিটির সঙ্গে সেক্স করতে মোটেই ভীত নয়। শুনতে তেমন “জটিল” মনে হয় না এবং বাস্তব জীবনে হয়ত এমন চরিত্র পাওয়াটা অসম্ভব নয়, কিন্তু এক নন-হেন্তাই আনিমেতে? IMPOSSIBRU!! ধারণাতীত!! অন্য কোন শোর মতো হিরোইন শেষ মুহূর্তে এখানেও ভয় পেয়ে বসবে এই ধারণা যদি করে থাকেন তাহলে তা ভুল। এই শো অসম্ভব পরিমাণে শিট, পিউক, সেমেন, নগ্নতা, গালিগালাজ এবং অন্যান্য সকল উগ্র জিনিষ দেখাতে মোটেও ভীত নয়। যাইহোক, আনিমেটি ওরিজিনাল না হোক, এর আগে আর কেউই এমন উগ্রতা দেখাবার সাহস করেনি।

 

আর পুরোটাই সাধারণমানের এনিমেশনের দ্বারা দেখানো হলেও অপছন্দ করবার মতো নয়; বরঞ্চ কারোকারো কাছে আবার এটাকে ন্যাক্কারজনক রকম হাস্যোদ্রেককর মনে হবে। আনিমেটির এনিমেশনে লক্ষ করবার মতো আরেকটি বৈশিষ্ট্য আছে। সেটি হল এর পশ্চিমা ভঙ্গি যেটি আনিমেটিকে স্মরণীয় করে তোলে। শুধু তাই নয়, চরিত্রগুলো পাওয়ার পাফ গার্ল এর মতো সাধারণ ডিজাইনের হলেও আর দশটা আনিমের চরিত্র থেকেও বেশি জীবন্ত মনে হয়।

শুধু এনিমেশনই যে স্পেশাল তা নয়। এর সাউন্ডট্র্যাকও বিশেষত্ব পূর্ণ। বেশিরভাগ ব্রেককোর/ডাবস্টেপ ধারার মিউজিক। ব্যক্তিগত ভাবে আমি ডাবস্টেপ অপছন্দ করি। কিন্তু PSG এর সাউন্ডট্র্যাক এতই অসাধারণ যে শত ঝামেলা-ঝক্কি পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত আমাজন.কম থেকে কিনেই ফেললাম। Fly Away, Chocolate, Anarchy, Fallen Angel, Beverly Hills Cock, D-City Rock; এই গানগুলো অত্যন্ত মনোরম (unlike most anime OSTs) ও স্মরণীয়।

তো এবার প্লট এবং চরিত্র মূল্যায়নের পালা, আরেকবার পরিস্কার করে নেই Panty & Stocking with Garterbelt এর কনসেপ্ট ওরিজিনাল ও স্বতন্ত্র নয়। গল্পের চরিত্রসমূহ অন্যান্য আনিমের চরিত্রগুলোর মতই প্রচলিত ধাঁচের। কিন্তু তবুও তারা কখন কি করবে তা সম্বন্ধে আগে থেকে ভবিষ্যদ্বাণী করা যায়না এবং তাদের কাজকারবার কিছুটা মানে ইয়ে কি বলবো, এক্সট্রিম, বাকিটা নিজেরাই বুঝে নিবেন। আর তাদের এই সকল কর্মকাণ্ডই তাদের স্মরণীয় ও পছন্দনীও করে তোলে। সবসময় তারা কোন না কোন ধরনের অদ্ভুত কাজ করে যাচ্ছে ফলে আপনাকে একঘেয়েমিতেও ভুগতে হবেনা। আনিমেটির প্লট ছোট ছোট অনেকগুলো গল্পে বিভক্ত। প্রথম দৃষ্টিতে গল্পগুলোকে একেওপরের সাথে সম্পর্কহীন মনে হলেও আসলে তা নয়। আর প্রত্যেকটি গল্প কমবেশি ১৫ মিনিটের, একঘেয়েমিতে ভোগার সময় কই? I sure prefer this form to that of silly shows like Gintama, where they literally tell you when it is ok to laugh by making a reference to another show and YELLING THEY JUST MADE A REFERENCE!

আনিমেটির কাহিনী দুই বোন, স্বর্গের এঞ্জেল Panty Anarchy এবং Stocking Anarchy-কে ঘিরে। অপরিমার্জিত ব্যবহারের কারণে ঈশ্বর তাদের স্বর্গ থেকে বহিস্কার করে নরক ও স্বর্গের ফল্টলাইনে অবস্থিত দাতেন সিটিতে নির্বাসনে পাঠিয়েছেন। স্বর্গের টিকেট কিনে আবার ফিরে যেতে হলে তাদের প্রিষ্ট Garterbelt এর তত্ত্বাবধানে দাতেন সিটিতে আক্রমন চালানো দানবীয় সব “ভূত (spirit)” ধ্বংস করে যথেষ্ট হেভেন কয়েন আয় করতে হবে। গল্পের দুই হিরোইনের একজন Panty তার অন্তর্বাস Backlace নামক পিস্তলে রূপান্তরিত করতে সক্ষম। স্বর্গে ফিরে যাওয়া ছাড়াও তার আরেকটি লক্ষ্য হচ্ছে এক হাজার পুরুষের সাথে মিলিত হওয়া (!)। গল্পের দ্বিতীয় হিরোইন গথিক এঞ্জেল Stocking তার মোজা এক জোড়া কাতানায় রূপান্তরিত করতে সক্ষম। মিষ্টি খাবারের প্রতি তার অবিশ্বাস্য রুচি। Stocking এর ভাষ্য অনুযায়ী, “All the fat I gain goes to my breasts, allowing me to eat sweets to my heart’s content”। প্রিষ্ট Garterbelt তাদের দেখাশোনা করেন, তার বিশেষ কিছু fetish আছে যেগুলো সম্পর্কে এখানে বলতে আমি অপারঙ্গম। এছাড়াও আছে স্বঘোষিত ঘোস্ট হান্টার Brief Rock এবং অদ্ভুত ধরণের কুকুর Chuck।

আনিমেটি দেখে দর্শকদের তিন রকমের রিঅ্যাকশন হতে পারে। এর বাহিরে অথবা মাঝামাঝি অন্য কোন রিঅ্যাকশন হবার সম্ভাবনা আছে বলে মনে করিনা। যথাঃ
1)THIS IS THE BEST FUCKIN’ ANIME I’VE EVER SEEN IN MY LIFE!!
2)WTF DID I JUST SEE?!
3)THIS IS THE WORST SHIT I’VE EVER ENCOUNTERED IN MY WHOLE GODDAMN LIFE!!

আনিমেটির নির্মাতা হল GAINAX, এই ধরনের গাঁজাখুরি জিনিষ বানাতে আবার তারা সিদ্ধহস্ত। ১৯৯৫ সালে নিওন জেনেসিস এভানগেলিওন বানানোর মাধ্যমে আনিমে ইন্ডাস্ট্রিতে এক বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলেছিল তারা। এভানগেলিওন সে সময়ের আনিমেগুলোর প্লট এবং চরিত্রের ছকেবাধা প্যাটার্নটাকে এক রকম হাস্যকর এবং তুচ্ছ করে তুলেছিল। মেকা (mecha) Genre-টাকে ভেঙ্গেচুড়ে নতুন করে সাজিয়েছিল। এমনকি ভিন্ন কিছু তৈরি করবার ঝুঁকি থেকে অন্যান্য নির্মাতাদের পলায়ন প্রবৃত্তিকেও পরোক্ষ ভাবে ব্যঙ্গ করেছিল GAINEX এর এভানগেলিওন।

তৃতীয়বারের মতো পরিস্কার ভাবে বলে নেই, Panty & Stocking with Garterbelt নিওন জেনেসিস এভানগেলিওন নয় এবং এর মধ্যে বিপ্লবী কিছু নেই। তবে এই আনিমেটি এভানগেলিওনের মতো আরও একবার মনে করিয়ে দেয় নতুন কিছু দেখানোর ঝুঁকি থেকে পালাবার কিছু নেই, যেটা গত ৫ বছর ধরে জাপানিজ আনিমে ইন্ডাস্ট্রি করে আসছে। প্রত্যাশা করা যায় আগামীতে আনিমে নির্মাতারা অত্যাধিক moe ও এচ্চির বদলে ভিন্ন ধাঁচের কিছু আনিমে তৈরিতে উদ্যোগী হবে। মানুষের উদ্ভাবনী ক্ষমতা অসীম এবং নতুনত্বতে তার নেশা, তবে কেন আমরা সাধাসিধেতেই সন্তুষ্ট থাকব? We can always strive for something different. The sky is the limit… and even that can be pierced by Guren Lagann.

 

Now for some excused scoring:

  • ART SECTION: 10/10

General Artwork 2/2 (looks special)
Character Figures 2/2 (perky and sexy)
Backgrounds 2/2 (lots of sex innuendos)
Animation 2/2 (minimal but highly artistic)
Visual Effects 2/2 (you actually read the sounds)

  • SOUND SECTION: 10/10

Voice Acting 3/3 (bonus for profanity)
Music Themes 4/4 (go buy the OST)
Sound Effects 3/3 (cartoony and as I said, you also read them)

  • STORY SECTION: 7/10

General Scenario 2/2 (Bitch angel in a deprived city sounds uncommon to me)
Pacing 2/2 (mostly fooling around but doesn’t let you be fed up with the dead time)
Side Stories/Extra Spices 1/2 (present but rushed and superficial)
Believability/Reasoning/Realism 1/2 (the action makes little sense but it’s themes are constant)
Conclusion 1/2 (a cliffhanger, believe it or not)

  • CHARACTER SECTION: 4/10

Presence 2/2 (Attractivene and cute)
Personality 2/2 (A bitch, a hard to get goth, a gay afro priest, a Kenny dog; sounds interesting to me)
Backdrop 0/2 (um… what?)
Development 0/2 (who?)
Catharsis 0/2 (where?)

  • VALUE SECTION: 8/10

Historical Value 2/3 (very special amongst other anime of its time but not all time classic)
Rewatchability 2/3 (works only the first time but still gets kicks when you show it to others)
Memorability 4/4 (extreme enough not to be forgotten)

  • ENJOYMENT SECTION: 9/10

The epitome of guilty pleasure

  • TOTAL: 8/10

কিছু কিছু অংশ মোটেও কৌতুককর মনে হয়নি, এছাড়া অত্যন্ত উপভোগ্য। যদি এ ধরণের হাস্যরসে কোন আপত্তি না থাকে তাহলে আনিমেটি দেখতে পারেন। আর যদি আপত্তি থাকে এই আনিমে আপনার জন্য নয়। HATERS GONNA HATE!

Btooom! – অনলাইন গেমিং; ভার্চুয়াল বাস্তবতা এবং একটি সম্ভাবনাময়তার করুণ মৃত্যু…

রিয়োতো সাকামোতো – বয়স ২২। হতাশ; বিষণ্ণ এবং বেকার এই যুবকের দিন কাটে সারাদিন ঘরে বসে btooom নামক থার্ড পারসন শুটিং গেম খেলে। বর্তমানে সে এই গেইমে ওয়ার্ল্ড র‍্যাঙ্কিং এ ১০ নাম্বার এবং তার জীবনের সব হিসেব নিকেশ এই গেইমের স্টেট নিয়ে। কিন্তু এই জীবনের ছেদ ঘটে যখন একদিন সে নিজেকে আবিষ্কার করে একটা গাছের ডালে প্যারাসুটের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায়। সাকামোতো রিওতোর প্রিয় গেইম কি তাহলে বাস্তবতায় রুপ নিল? ভার্চুয়াল লাইফ যখন বাস্তবতায় মিশে যায় তখন কি সে তাতে কুলিয়ে উঠতে পারবে?

 

এই পর্যন্ত পরার পর বেশ অনেকেই একটু থমকে দাঁড়াবেন; ইতি উতি চাইবেন; তারপর প্রশ্ন করে বসবেন; “মিয়া; ফাইযলামি কর? কয়দিন আগে sword art online দেখসি কি করতে? আর তুমি এইডা কিসের রিভিউ লেখতে বসছ? পইরাতো sword art online এর মতন লাগতেসে। অইটা আর এইটার মধ্যে পার্থক্য কি?”

প্রথমেই এই ব্যাপারটা ক্লিয়ার করা যাক। sword art online এর মত এখানে জগতটা কাল্পনিক না; বরং সকল প্লেয়ারদের ছেড়ে দেওয়া হয় একটা বিশেষ ভাবে তৈরি দ্বীপে। সুতরাং; সেই দিক দিয়ে btooom অনেক বেশি রিএলিস্টিক যদিও লেখক উরাধুরা লেভেলের বোম আর তার মালিকানা এবং ব্যাবহার নিয়ে এইরকম ফিকশন জুড়ে দিয়েছেন যে এইটা যে কোন ফ্যান্টাসিকে হার মানাতে বাধ্য; তবে সেই বিষয়ে পরে আলোচনা আসতেসে। আর দুই নাম্বার হইল; btooom টা SAO এর মতন “লাভ লাভ গুডি গুডি বিপন্ন নায়িকাকে বাচাতে নায়কের অভিযান” ধরণের না; বরং মানব প্রকৃতির অন্ধকার দিককে বেশ গভীরে গিয়ে পর্যালোচনা করার চেষ্টা করা হয়েছে এখানে। btooom দেখার সময় বরং আমার mirai nikki এর কথা বার বার মনে আসছে; যারা দেখেছেন তার তো বুঝতেই পারতেসেন বিষয়টা কি !!!

 

এবার আসা যাক তবে আসল রিভিউতে; তবে তার আগে একটা কাজ করতে হবে; সেইটা হল ব্রেইন খাটানো একেবারে অফ করে দিতে হবে। এনিমখানি দেখতে দেখতে “সবার এক দুই মাইলের মধ্যে বোম পড়লে বাচনের আশা নাই; আর নায়কের দুই হাতের মইদ্ধে বোম পড়লে নায়ক সুন্দর হাসিমুখে V পোজ দিতে দিতে কেম্নে ধোঁয়ার ভিতর থেইকা বাইর হয়?” টাইপ প্রশ্ন করা একেবারে হারাম। সে নায়ক; সারা জীবন ঘরের কোনায় ভিডিও গেইম খেইলা কাটায় দিলেও তার রিফ্লেক্স এবং athleticism অসাধারণ এবং পৃথিবীর কুনু বোম তারে কিচ্ছু করতে পারবে না – এই জিনিসের উপর ঈমান আইনা দেখা শুরু করতে হইব। বাকি কাহিনী বা ক্যারেকটার  গুলা বেশ ভাল এবং রিএলিস্টিক – সুতরাং তারা পোষায় দিতে পারবে বলে আমি গ্যারান্টি দিতেসি; আপনে টেনশন না নিয়ে বসেন।

 

এনিমের কাহিনী যদি সংক্ষেপে বলি – একটা ভার্চুয়াল গেইমের কিছু প্লেয়ারকে হাতে একটা ডিভাইস পার্মানেন্টলি খোদাই করে এবং কিছু বোম এবং খাবার সহ ছেড়ে দেওয়া হয় একটা দ্বীপে। হাতের ডিভাইসগুলো একমাত্র প্লেয়ারের হার্টবিট বন্ধ হলেই খুলে যায় ( এই জিনিস বাস্তবে করতে গেলে খবরই আছে !!! ); এবং দ্বীপ থেকে মুক্তির উপায় ৮ টা এইরকম ডিভাইস কালেক্ট করা; সোজা বাংলায় ৮ টা প্লেয়ারকে খুন করা। ৮ টা ডিভাইস কালেক্ট হইলেই একটা হেলিকপ্টার এসে সেই প্লেয়ারকে বাইর করে নিয়ে যাবে। আর সবাইকে বাচায় রাখার জন্য প্রতিদিন দুপুরে হেলিকপ্টার থেকেই খাবার দাবার সাপ্লাই দেওয়া হয়; তবে সেই খাবারের জন্য ফাইট করতে হয় প্লেয়ারদের। সকলের বোম এক রকম না; একেক জনের টা একেক রকম; এর মধ্যে এক ধরণের বোম আছে যা কিনা হোমিং টাইপ !!! ( পুরাই আম্রিকান মিলিটারি মিলিটারি ভাব !!! )

যাই হোক; বেশ মজবুত প্লট। এর উপর দাড়িয়ে যে সকল জিনিস এনিমটাকে আসলে রিভিউ লেখার যোগ্য করে তুলেছে তা হল –

১) নিজের বেচে থাকার জন্য আরেকজনকে মেরে ফেলা – এই দর্শন বা সহজ বাংলায় বললে “survival of the fittest” এ মানুষ যে কত সহজেই গ্রাস হয়ে যায় তার নমুনা !!!

২) বেঁচে থাকার জন্য বৃদ্ধ এবং দুর্বল শরীর এবং মনের মানুষের দ্বারা নেওয়া ছল ছাতুরি এবং প্রতারণা

এবং শেষ মেশ – প্রেডিক্টেবল যেইটা – মানবতা এবং মনুষ্যত্বের জয়।

 

খুব কঠিন কথা হয়ে যাচ্ছে মে বি। আমরা সহজ কথায় ফিরে আসি। কাহিনী অনেক্তাই বলে দিলাম; এবার কিছুটা বদনাম করি সিরিজের। উপরে এক দফা আলচনা হয়েছে; এর পরেও আরো কিছু আছে। আমার জানামতে মাঙ্গা ৯ ভলুমের; সেইটাকে এনিমে কেন জানি না ১২ পর্বে ঠেসে জায়গা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে !!! ফলে বহু প্রশ্নের জবাব অজানাই থেকে গেসে। আর অনেকটাই “শেষ হইয়াও হইল না শেষ” ধরণের ওপেন এন্ডেড ফিনিইশিং দর্শকের জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে; আমি ব্যাক্তিগতভাবে যা পছন্দ করি না !!!

 

সাউন্ড এবং এনিমেশন নিয়ে বলতে হয় বলে বলা; এক কথায় “চলে”। খুব আহামরি কিছু না হলেও কোথাও খাপছাড়া লাগে নি।

 

এইবার বারনিং প্রশ্ন; “দেখুম? এত্ত যে দোষ আর দোষ বইলা গেলেন; লাভ কি হইল?” আমার উত্তর; অবশ্যই দেখবেন; না দেখলে মিস। গল্পের প্লট আর পর্ব সংখ্যায় গন্ডোগোল থাকতে পারে; কিন্তু গল্পে কোন গন্ডোগোল নাই; অত্যন্ত উপভোগ্য একটা গল্প; সেই সাথে মানব মনের অন্ধকার গলিতে হাতড়ে বেড়ানোর অংশটা “এপিক” না হোক; নিদেনপক্ষে “ব্রিলিয়ান্ট।” সুতরাং; দেখে ফেলেন; হতাশ হবেন না। 🙂 🙂

 

age restriction: হাল্কা নূডিটি এবং বেশ ভাল ভায়োলেন্স আছে; সুতরাং একেবারে ছোটদের না দেখাই ভাল। 🙂 🙂

6 Btooom

কোড গিয়াস – Asif V bangladeshia Orders you… watch it :D :D

code geass দেইখা শেষ করলাম; কেমন লাগসে বুঝতেসি না; সময় লাগবো মনে হয়। তয় পুরাডা সিরিজ ধইরা শারলির লাইগা খারাপ লাগসে; মাইয়াডারে বড়ই ভালা পাইসিলাম; কিউট আছিল। আর ইউফেমিয়ার ফাইনাল কাহিনীর সময় তোমনে হইসে আমি নিজে যাইয়া যদি কিছু করতে পারতাম !!! সেই লেভেলের খারাপ লাগসিল !!! তয় লাস্টে যেইটায় বেশি শক খাওয়ার কথা; ওইটা মেলা আগেই স্পয়লার খাইয়া বইসা ছিলাম; তাই ততটা শক লাগে নাই !!! (এই কারনেই আসলে এতদিনেও না দেখে থাকার কারণ !!! )

আর দুইটা সিরিজ তুলনা করা আসলেই খুব বাজে জিনিস। সারাটা সিরিজ ধরে লুলু মামু রে লাইতো কুনের সাথে মিলানোর ট্রাই করসি এবং যেহেতু লাইতো কুন মাচ মোর কুলার এবং মাচ মোর টেলেন্টেড (অন্তত আমার মতে) – সারাটা সিরিজ কেমন যেন লাগসে। যদিও যদি কোন তুলনা না করে দেখতাম; তাইলে এট্টুক শিওর যে এইটা আমার অন্যতম প্রিয় সিরিজ হইত !!! (এখনও যথেষ্ট প্রিয়; লুলু মামুর ফ্যানরা আমারে আবার মারতে চইলা আইসেন না !!! )

 

নো অফেন্স টু রুরুশ; কিন্তু মাঝখানে তার একরকম নার্ভাস ব্রেকডাউন হয়; তার প্ল্যান এর জন্য একবার তাকে ব্রিটানিয়ান আরেকবার ব্ল্যাক নাইটের সাহায্য নিতে হয়; সে তার গিয়াসের উপর কন্ট্রোল হারায় ফেলে; সে তার প্রিয় কাউকেই দিন শেষে রক্ষা করতে পারে না – সব দিক বিবেচনায় রুরুশ হয়ত অনেক বেশি ট্রাজেডি হিরো হইতে পারে; কিন্তু কম্পোজার এবং কুলনেস এবং বাকি সব দিক বিবেচনাত আমার কাছে সে লাইটের ধারে কাছেও নাই।

7 Code Geass