Kino no Tabi anime review by Pasha Yap

Kino no Tabi(kino’s journey:the beautiful world)
নাম দেখেই বুঝা যাইতেসে এই আনিমে কিনো এর ভ্রমন নিয়া।কিনো বিভিন্ন দেশে তার মটোরাদ(কথা বলা মোটরসাইকেল  ) Hermes এ চড়ে ঘুরে বেরায়।কোনও দেশেই সে তিন দিনের বেশি থাকেনা কারন তার মতে তিন দিন একটা একটা জায়গা সম্পর্কে জানার জন্য যথেষ্ট।বিভিন্ন দেশে গিয়ে কিনো বিভিন্ন রকম মানুষ,সমাজ,প্রযুক্তি,কুসংস্কার এর সাথে পরিচিত হয়।যেমন এক দেশে মানুষ একজন আরেকজনের মনের কথা বুঝতে পারে,এক দেশের মানুষের কাজ করার প্রয়োজন নেই,এক দেশের কবিতার বই আরেক দেশের ধর্মগ্রন্থ,ইত্যাদি।মোটামুটি এই হলও এই আনিমে এর কাহিনী।এইতার প্রতিটা কাহিনী এর মাঝে আছে কোনও জীবনদর্শন,মানুষের স্বভাব,আচরণ বিশ্লেষণ,ধুত্তর,এইগুলা সব কঠিন কথা,মাথায় আসতাসে না।মানে সোজা কথায় slice of life আরকি।আমার দেখা সেরা sol গুলোর একটা এই আনিমে।মাত্র ১৩ পর্ব+দুইটা আধা ঘণ্টার মুভি।
Mal rating:8.51

কিছু নট সো পপুলার আনিমে মুভি – Movie suggestion by Pasha Yap

কিছু নট সো পপুলার আনিমে মুভি.এইগুলো ghibli,সাতশি কন বা মাকত শিনকাই এর মুভি এর মত খুব ভাল না তবে তাই বলে খারাপও না।


‪#‎Origin‬:spirits of the past
এক ব্যর্থ গবেষণার ফলে মানবজাতি প্রায় ধ্বংস হয়ে যায় বুদ্ধিমান গাছদের কারনে।অল্প কিছু মানুষ সংরাম করে বেঁচে থাকে।এক গ্রামের ছেলে আগিতো ঘটনাক্রমে জাগিয়ে তোলে বিশেষ যন্ত্রে ৩০০ বছর ঘুমিয়ে থাকা তুলাকে।তুলা পরে শুনাক এর কথায় বিভ্রান্ত হয়র যায় রাগ্নাক এ,যারা গাছদের পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে।এর পরিনাম বুঝতে পেরে তাদের থামাতে ছায় আগিতো।
Mal rating:7.39


‪#‎steamboy‬
রে এর দাদা একটা স্টিম বল তৈরি করেন যাতে প্রচুর পরিমান স্টিম অর্থাৎ শক্তি সঞ্চিত আছে।দুষ্টু লোকেরা চায় সেই শক্তি খারাপ কাজে ব্যবহার করতে।
Mal rating:7.51
‪#‎Bayonetta‬:bloody fate
সাধু(saint) আর ডাইনি(witch)দের মাঝে ছিল চরম শত্রুতা।এর মাঝে এক সাধু আর ডাইনি উলটো বিয়ে করে একটা মেয়ে জন্ম দিয়ে বসল।ঘটনাক্রমে মেয়েটাকে সিল করে দেয়া হলও।৫০০ বছর পর হঠাৎ জেগে উঠল সে।কিন্তু তার কিছুই মনে নেই।বায়নেত্তা নামে সে ঘুরে বেরায় নিজের হারানো স্মৃতি এর খোঁজে।কিন্তু তাকে নিয়ে সাধুরা কি পরিকল্পনা করসে?কি চায় তারা?


‪#‎Brave‬ story
১১ বছর বয়স এর ওয়াতারু এর বাবা বাড়ি ছেড়ে চলে গেসে,মা হাসপাতাল এ।সে ঠিক করলো নিজের ভাগ্য বদলাবে,বন্ধু এর দেখান দরজা দিয়ে এক জাদুর জগতে প্রবেশ করলো সে।সেখানে তাকে বিভিন্ন বিপদ কাটিয়ে খুজতে হবে ভাগ্যের দেবীকে।
Mal rating:7.63

One Outs review by সাদিয়া হুমায়রা মৌনতা

‘ওয়ান আউটস’ আনিমেটা পুরাই ওয়ান ম্যান শো। যদিও বেসবল ভিত্তিক এই অন্যান্য আনিমেতে যা আছে, যেমন দলের ইন্সপিরেশন, সিনিয়রদের লিগেসি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া,টিম স্পিরিট রক্ষা, ব্যাটারীর (পিচার-ক্যাচার কম্বিনেশন) কেমিস্ট্রি, এগুলা কিছুই নাই কিন্তু এই আনিমেটা পুরাই গেম এর অন্য একটা দিক দেখানো হয়েছে। খেলাগুলা সাইকোলজিক্যালি গ্যাম্বলিং এর মতো করে দেখানো হয়েছে, আর দেখানো হয়েছে প্রোফেশনাল খেলার জগতের কিছু নেগেটিভ দিক।
আমি আনিমেটা বেশি এনজয় করিনি, কারণ-
-একটা দলীয় খেলায় ওয়ান ম্যান শো
-খেলোয়াড় স্পিরিট এর পুরা বারোটা বাজানো হইসে
-খেলা হিসেবে কোন টান্টান উত্তেজনা কম ছিল, কারণ প্রতিবার কিছু হলে জানতাম, তকুচি বাজিমাত করবে শেষে
-কোন ডেভেলপমেন্ট নাই প্লটে বা ক্যারেক্টারে, কারণ এই ওয়ান ম্যান অলরেডি অতিরিক্ত ডেভেলপড ছিল।
-খেলোয়াড়দের ব্যাক্তিগত শক্তির কোন মূল্যই নাই

সবকিছুর পরেও এর রেটিং আমি হাই দিব, কারণ-
-প্লট অন্যরকম। অন্য পারস্পেকটিভ থেকে দেখানো
-বাজিমাত করবে কিভাবে এটাই দেখার বিষয় এবং পর্বর্তীতে ব্যাখ্যাগুলাও অসাধারণ ছিল
-ফ্যান সার্ভিসের বাহুল্য ছিল না 

বিদ্রঃ এমন আন-কুল ক্যাচার আমি এখন পর্যন্ত দেখি নাই 
বিবিদ্রঃ স্টার্টিং সং- প্রতিবার শুন্তাম এবং মনে হতো এটা কোন মেলাঙ্কোলি ছেলেকে নিয়ে স্লাইস অফ লাইফ আনিমে।

বি উপদেশঃ যারা স্পোর্টস আনিমে দেখতে পছন্দ করেন, এই আনিমেটা আগেই দেখে নেয়া ভালো, ‘মেজর’ পরে দেখা ভালো। 

“শিনরেই তানতে ইয়াকুমো” – Psychic Detective Yakumo review by Shafiul Munir

 

shinrei 1

কেউ যদি বলে সে ভূত দেখতে পায়, তাদের সাথে কথা বলতে পারে, বিশ্বাস করবেন তাকে? নিশ্চয়ই কোন ভাওতাবাজি করে মানুষ ঠকানোর পায়তারা! আপনার সবচেয়ে আপনজন, আদরের ছোট্ট মেয়েটা না ফেরার দেশে চলে গেছে, কেউ যদি এসে বলে তার আত্মাকে ফিরিয়ে আনতে পারবে সে, কিন্তু তার জন্য একটা কমপেটিবল মিডিয়াম দরকার, তাই খুন করতে হবে তার বয়সী মেয়েদের… কি করবেন? এভাবেই অলৌকিকতার মোকাবেলায় বিভ্রান্ত হয় সাধারণ মানুষ…

ইয়াকুমো অদ্ভুত এক ক্ষমতা নিয়ে জন্মেছে, তার একটা চোখ রক্তলাল রঙের, ঐ চোখ দিয়ে সে দেখতে পায় মৃত মানুষের আত্মা, কথা বলতে পারে তাদের সাথে। এটা কোন আশীর্বাদ না, একটা অভিশাপ, যেখানেই যায় মৃত আর অতৃপ্ত আত্মাদের দুর্দশা দেখতে পায়, শুনতে পায় তাদের হাহাকার। The essence of dead soul is darkness…কিন্তু ইয়াকুমো এক্সরসিসম পছন্দ করে না, তার মনে হয় এই মৃতের আত্মাগুলো যেন মানুষগুলোর রেখে যাওয়া স্মৃতি, সে তাদের সাথে কথা বলে, তাদের কষ্ট আর অনুভূতির কথা শুনে বিভিন্ন অসামঞ্জস্যপূর্ণ, অতিপ্রাকৃতিক ঘটনার সমাধান করতে থাকে একের পর এক। আর সাইকিকদের দুনিয়ায় এই চোখ শুধু ইয়াকুমোর একার নয়, এই লালচোখের রহস্যটা আসলে কি? মৃত আর অশুভের অন্ধকার জগত থেকে এই রক্তচক্ষু কি ইয়াকুমোকে আলোর পথে নিয়ে আসবে, নাকি ঠেলে দিবে আরো গাঢ় অমানিশায়?

মিস্ট্রি আর সুপারন্যাচারাল জনরার মিক্সচার একটা বেশ মজার একটা এনিমে। মাত্র ১৩ পর্বের, কাহিনী বেশ ভাল, মিস্ট্রিগুলো বেশ স্ট্যান্ডার্ড, ডায়ালগ বেশ চমৎকার, স্মার্ট হিউমার আছে। গানগুলাও ভালো, না দেখার কোন কারণ নেই।
আমার রেটিং সাড়ে ৮…

shinrei 2

shinrei 3

shinrei 4

 

 

 

Spiral: Lines of Reasoning anime suggestion by Shafiul Munir

ছোটকাল থেকেই নারুমি আয়ামে বুঝতে পারে সে বাকিদের থেকে বেশ ভিন্ন, অসাধারণ বুদ্ধি, সৃজনশীল চিন্তাভাবনা আর পিয়ানো বাজানোর অদ্ভুত দক্ষতায়। কিন্তু তারপরও কখনোই নিজের প্রতি আস্থা রাখতে পারে না সে, কারণ সে যে কাজটাই করতে যায়, তার হায়েস্ট লেভেল সেট করে রেখে গিয়েছে তার বড় ভাই কিয়োতাকা, অনন্য একজন ডিটেকটিভ, রহস্যময় ব্লেইড চিলড্রেনদের পিছু নিয়ে যে অনেকটা স্বেচ্ছা নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে, পিছন পিছন হাঁটতে ক্লান্ত আয়ামে তাই কোনকাজেই আগ্রহ পায় না। কিন্তু হঠাৎ করেই যেন একের পর অদ্ভুত ঘটনা ঘটতে থাকে তার আশপাশে, আর সবক্ষেত্রেই কোন না কোনভাবে জড়িত এই ব্লেইড চিলড্রেনরা। নারুমির জীবন হঠাৎ করেই যেন বদলে যায়, সে জড়িয়ে পড়ে বিপজ্জনক ব্লেইড চিলড্রেনদের সাথে একের পর এক রহস্যে। এই ব্লেইড চিলড্রেন কারা? কেন তারা আয়ামের পিছু নিল? কিয়োতাকা কেন নিখোঁজ হল? ব্লেইড চিলড্রেনদের কেন কার্সড বলা হচ্ছে? একের পর এক অজানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে থাকে আয়ামে…
ডিটেকটিভ-মিস্ট্রি জেনারের এই ২৫ পর্বের এনিমেটি আশা করছি অনেকেরই ভালো লাগবে। মিস্ট্রি গেমগুলো বেশ ভালো, আনপ্রেডিক্টেবল। তবে এনিমেটিতে একটা দূর পর্যন্ত এগুলেও, কাহিনী শেষ হয়নি, মাঙ্গা পড়তে হবে।

আমার রেটিং সেন্স খুব খারাপ, ভালো লাগলেই ভালো মার্ক্স দেই, তাই এটা সাড়ে ৮।
আচ্ছা, এই জেনারের আরো দুটি এনিমে হলো হিউকা আর গসিক, সেগুলাও বেশ ভালো।

Kimi ni Todoke anime review by Shafiul Munir

পরীক্ষার আগ মুহূর্তের বন্ধ এমন একটা সময় যখন দুনিয়ার সব এনিমে ভালো লাগে, সে যত অদ্ভুতই হোক আর স্বজেনার বহির্ভূতই হোক। কিন্তু তারপর ও ভাবি নি এই ব্যস্ত সময়ে একটা সোজো এনিমে দেখা শুরু করব, এরকম আরো কিছু মাঝেমাঝে দেখা হইসে, কিন্তু তারপরও একটু পরপর ফুল-লতাপাতা, আসমান থেকে খসে পড়া তারা কিংবা লাল-নীল-সবুজ নানা বাতি এইসব এখনো সহ্য করতে কষ্ট হয়…যাই হোক, এনিমেটার কাহিনী খুব সহজ সরল, কিন্তু কেমন যেন হিন্দি সিরিয়ালের মত টানা-হ্যাঁচড়া করতে করতে ২টা সিজনে মোট ৩৭ টা পর্ব পর্যন্ত এক্সটেন্ড করেছে।

গল্পের আবর্তন একটা ডাইনীকে নিয়ে, যাকে দেখলেই অশুভ ছায়া পড়ে, তার সাথে চোখাচোখি হলে ৭ দিন ডায়রিয়া কিংবা সর্দি-কাশি হয়, আর আশপাশে আসলে ত মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যায়। তাই হাইস্কুলে সবাই তাকে এড়িয়ে চলে, ক্লাস কিংবা অন্য কোনখানে তার কোন বন্ধু-বান্ধব নেই। কিন্তু এই সাধারণ ভীতু আমজনতার মাঝে ছদ্মবেশে বাস করতেন একজন কামিসামা। তিনি প্রথম দৃষ্টিতেই বুঝতে পারেন এই মহামারী ছড়ানো ডাইনী আসলে অতি অতিমাত্রায় ভালো, সহজ-সরল স্ট্রেটফরোয়ার্ড একটা মেয়ে যে কোন জোক কিংবা ইঙ্গিতপূর্ন কথাই বুঝে না। তাই সবাই তাকে ভুল বুঝে, এজন্য কেউ তার সাথে মিশতে চায় না, তার নামে অদ্ভুত সব গুজব ছড়ায়।
কাজেহায়া (কামি) ক্লাসের-স্কুলের সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিক্ত, ছেলে-মেয়ে সবার সাথে তার অগাদ বন্ধুত্ব, সবাইকে সে আপন করে কাছে টানতে পারে, এভাবে সাওয়াকোকেও (ডাইনী) সে কাছে টানতে চায়। সবাই যেখানে তাকে দেখলেই এক মাইল দূরে চলে যায়, কাজেহায়া তার সাথে হাসোজ্জ্বল বন্ধুত্বপূর্ণ ব্যবহার করে, সাওয়াকো’র সবসময়ের স্বপ্ন ক্লাসের সবার সাথে বন্ধুত্ব করবে, কাজেহায়ার সহযোগিতায় সে আসতে আসতে সবার সাথে পরিচিত হতে শুরু করে, বন্ধু-বান্ধবী পেতে শুরু করে।

আচ্ছা, মূল কথায় আসি, কাজেহায়া প্রথম থেকেই গ্লুমি-অদ্ভুত-কনফিউসড সাওয়াকোকে পছন্দ করত, কি জন্য কি জানি! তাই এত্ত সুন্দর কাওয়াই কুরুমি চানকেও তার পছন্দ হয় নাই (কষ্ট পাইসি কিছুটা), যাইহোক আর এদিকে সাওয়াকোও তাকে পছন্দ করে, তাহলে সমস্যাটা কোথায়?! একদুইটা মিসআন্ডারস্টেন্ডিং আর ঘটনা ত ১০-১২ এপিসোডেই শেষ হবার কথা…! কি দরকার ছিল সেকেন্ড সিজনটার?! কিন্তু হায়! তারা কেউ কাউকে মুখ ফুটে বলতে পারে না রিজেক্টেড হবার ভয়ে, অপরজনকে কষ্ট দেবার কিংবা এমব্রেস করার ভয়ে… হায়রে প্রেম-ভালুবাসা !! পুরা বিধ্বস্ত হয়ে গেলাম একবার এদিক, আরেকবার ওইদিক টানাটানি, প্যাঁচড়পোচড়ি দেখতে দেখতে। আদৌ কি তারা এক হতে পারবে? যথেষ্ট সন্দেহ আছে পারে কিনা…!!

তবে এনিমেটাতে বেশকিছু ভালো ক্যারেক্টার আছে, মজার চমৎকার একটা স্কুল এনিমে, ভালো লাগার উপকরণ আছে যথেষ্ট। রেটিং করা মুশকিল, যেহেতু আমার পছন্দের জনার না, তাই একটু ফেভার করতে হচ্ছে- ৮ …
ওহ, বাই দ্যা ওয়ে- এনিমেটার নাম এতক্ষণে নিশ্চয়ই সবাই বুঝতে পেরেছেন- “কিমি নি তোদোকে”…

Planetes anime review by Fahim Bin Selim

 

পৃথিবীর আকর্ষন থেকে বেরিয়ে মহাকাশের অসীমতায় পা রাখা মানুষের আজীবন স্বপ্ন। “To see what no one has seen before, to go where no one has gone before”।

২০৭৫ সাল। মানুষ এখনো পৃথিবীর কাছের প্রতিবেশীদেররও মোটামুটি আপন করে নিয়েছে। পৃথিবী আর চাঁদের কক্ষপথজুড়ে ঘুরছে সব স্যাটেলাইট আর স্পেস স্টেশন। এমনকি চাঁদে আছে বিশাল এক শহর; চিকিৎসাকেন্দ্রের পাশাপাশি যা মহাকাশে ভেসে বেড়ানো মানুষদের অবকাশযাপনের বেশ জনপ্রিয় এক জায়গা! বিভিন্ন মহাকাশযানে করে পৃথিবী, চাঁদ আর এসব স্টেশনের মাঝে মানুষের যাতায়াত এখন নিত্তনৈমত্তিক ঘটনা। মঙ্গলেও পরেছে মানবপদরেখা!
কিন্তু যেখানে এতোশত জিনিস, সেখানে আবর্জনা তো থাকবেই। মহাকাশীয় সংঘর্ষে তৈরী হওয়া এসব আবর্জনা স্পেস ডেভেলপমেন্টে এক বিশাল বাধা। আর এসব আবর্জনা পরিষ্কারের দায়িত্বে যারা নিয়োজিত, তারাই – ডিব্রি(Debris) কালেক্টর।

স্পেস স্টেশনগুলোতেই আছে হাজারো কোম্পানী। তারই একটি – “টেকনোরা”-‘র ডিব্রি সেকশনে নতুন যোগদান করল আই তানাবে, অত্যুৎসাহী এক জাপানী যুবতী। তার নতুন কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে যা ধারনা ছিল তা প্রথম দেখায়ই আমূল বদলে গেল। জীবনের ঝুঁকি রেখে মহাকাশের সব বিপদ আপদ থেকে মানুষকে বাঁচানোর দায়িত্বে উজাড় করে দেওয়া সব মানুষ – নায়কোচিত সম্মানই তো পাওয়ার কথা! কিন্তু মানুষের প্রেজুডিস মনে হয় কখনই বদলায় না। আর সেরকমই “গার্বেজ কালেক্টর”-দের প্রতি মানুষের নাক সিটকানোটাও স্বভাবটাও হয়তো বদলায়নি, তা একবিংশ শতাব্দীর তিন-চতুর্থাংশ পার করার পরই হোক আর পৃথিবীর অভিকর্ষকে উপেক্ষা করা এক জগতেই হোক।
এই নতুন জায়গায় তানাবের তার সহকর্মীদের, অচেনা অনেক মানুষ, মহাকাশের জিরো গ্র্যাভিটি আর নিজেকে নতুন ভাবে আবিষ্কার করা; রাজনীতি, জীবন, স্বপ্ন আর ভালোবাসার গল্প – প্লানেটিস।

প্লানেটিস সাই-ফাই অ্যানিমে। হার্ড সাই-ফাই। আগের সব সাইন্স-ফিকশন অ্যানিমেগুলো যেখানে সুপারহিউম্যান, রোবট-অ্যান্ড্রয়েড, স্পেস অপেরা আর টাইমট্রাভলের “ফিকশন”-এই সীমাবদ্ধ। সেখানে প্লানেটিস অনেকাংশেই বাস্তব! প্লানেটিসকে অবশ্য টাইম ট্রাভেলের উপাধি দেওয়াই যায়। কোন টাইম মেশিনে করে ৬১ বছর পরের পৃথিবীতে গেলে হয়তো প্লানেটিসের জগতটাতেই আপনি পা রাখবেন।
বাস্তবতার কথা বলা হচ্ছিল, সে সম্পর্কে বলা যাক। ওজনহীন পরিবেশ বা মহাকাশে ভেসে বেড়ানোর চিত্রায়ন আবার হেটে চলার উপযোগী কৃত্রিম গ্র্যভিটি তৈরী করা ঘুড়ন্ত স্পেস স্টেশন, স্পেস অর্বিটাল পরিবর্তনের ভেক্টর, বায়ুশুন্য স্থানের শব্দহীনতা, চাঁদের ১/৬ গ্র্যাভিটিতে অধিক বর্ধন অথবা বিভিন্ন স্পেস ডিজিস মাত্র কয়েকটি উল্লেখ করা বিষয়। জাক্সার(JAXA) সহায়তা নেওয়ায় তাই এই অ্যানিমে প্রায় নিখুঁত এক মহাকাশ জীবনের অভিজ্ঞতা দিবে। এটা তো গেল টেকনিক্যাল বিষয়।

প্লানেটিস ড্রামা-রোমান্স অ্যানিমে। এবং অনেকাংশে স্লাইস অফ লাইফও বলা যায়। শুধু সাইন্সের এতো চমৎকার এক্সিকিউশনের জন্য যদি এটা মনে রাখার মত একটা অ্যানিমে হতে পারে তাহলে এর জীবনঘনিষ্ঠতা বৈজ্ঞানিক ব্যাপার-স্যাপারকেও ছাড়িয়ে যায়। বিশাল এক আনসাম্বলের, এতগুলো চরিত্রের, এত বাস্তবিক ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট আমার দেখা অন্যতম, যদি না সবচেয়ে সেরা হয়। প্রথম কোরের এপিসোডিক পর্বগুলোর(যার সব চরিত্রই কোন না কোনভাবে মূল কাহিনীকে আরো শক্তিশালী করেছে) ভিত্তিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি হয়েছে দ্বিতীয়াংশের ইনট্রিগিং স্টোরি আর্কটা। সবকিছুর শেষে আছে মনে রাখার মত এক এন্ডিং।

প্লানেটিস বেশ চিন্তাদ্দীপকও। তানাবে আর হাচিমাকির নিজ নিজ স্বপ্নের পেছনে ছোটা আর তার মাঝে ভালোবাসার ছোয়া; ফি, ইউরি, এডেল আর অন্যান্য ডিব্রি সেকশনের সহকর্মীদের জীবন অভিপ্রায়; একদিকে অজানা আর নতুন শক্তি-বাসস্থানের খোঁজে মহাকাশের দূরে আরো দূরে যাওয়ার গল্প আর তার আড়ালে ক্যাপিটালিজম, টেরোরিজম আর রাজনীতির কালো ছায়া। প্লানেটিস আপনাকে ভাবাবে। বেশ ভালোমতই।

পৃথিবীর আকর্ষন থেকে বেরিয়ে মহাকাশের অসীমতায় পা রাখা মানুষের আজীবন স্বপ্ন। “To see what no one has seen before, to go where no one has gone before”।
শৌনেন, সুপারন্যাচারাল আর টিন-ড্রামা রোমান্সের ক্লিশের বাইরেও অ্যানিমে মাধ্যম যে ভিন্নধর্মী সব অভিজ্ঞতার সুযোগ করে দিতে পারে তার উৎকৃষ্ট এক উদাহরন প্লানেটিস। বলে রাখতে পারি, প্লানেটিস “is nothing like what you have seen before” আর প্লানেটিস “went where no anime has gone before.”

কাহিনীঃ ৯;১৩ পর্ব এপিসোডিক, ১৩ পর্বের আর্ক
মিউজিকঃ ৮;২৬ পর্বে একটা মাত্র ওপেনিং আর একটা এন্ডিং; ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের ব্যবহার অসাধারন।
আর্ট/অ্যানিমেশনঃ অসাধারন আর্ট। ভিসুয়্যালি স্টানিং। হলিউডের গ্র্যাভিটি দেখে যদি আপনার চোখ চকচক করে তাহলে মনে রাখুন অ্যানিমেশনে লাইভ অ্যাকশনের মত কোন বাধাধরা নেই।
ক্যারেকটার ডেভেলপমেন্টঃ আমার দেখা অন্যতম সে।
ইনট্রিগঃ প্রথম কোর ৭ – দ্বিতীয় কোর ৯।
এন্ডিংঃ নিখুঁত।

প্লানেটিস
পর্বঃ ২৬ (২৫ মিনিট/পর্ব)
জনরাঃ সাই-ফাই, রোমান্স, ড্রামা, স্পেস
সালঃ ২০০৩-২০০৪
প্রোযজকঃ সানরাইজ
সেন্সরঃ পিজি-১৩
মাই অ্যানিমে লিস্ট রেটিংঃ ৮.৪২ (#১৪৪)
আমার রেটিংঃ ৯১/১০০ (#৩)

Steins; Gate review by Farhad Mohsin

 

কখনো মনে হয়েছে যদি অতীতে চলে যেতে পারতেন তাহল কোন পরিবর্তনটা করে আসবেন? বা অতীতে যদি যেতে নাও পারেন, যদি সুযোগ দেওয়া হয় কেবলমাত্র একটা ইনফরমেশন অতীতের আপনার কাছে পাঠাতে, তাহলেই বা কি বলবেন? টাইম ট্রাভেলের উদ্দেশ্য কি হবে আপনার কাছে? অর্থ? ক্ষমতা? না বিশ্বশান্তি। স্টেইন্স গেটের শুরুটা অনেকটা এরকম বিভিন্ন প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করতে করতেই।
স্টেইন্স গেট নিয়ে লিখতে গেলে প্রথম যেটা মনে হয় সেটা হচ্ছে স্পয়লার না দিয়ে এর কাহিনীর সিনোপ্সিস দেওয়াটা কঠিন। তাই আমি সেই চেষ্টাটাও করব না। আনিমের পুরোটা জুড়ে আছে সময় পরিভ্রমন (টাইম ট্রাভেল)। আছে ম্যাড সায়েন্টিস্ট হিয়োঔইন কিয়োমা ওরফে ১৮ বছর বয়সী ওকাবে রিনতারো। আছে তার টাইম গ্যাজেট ল্যাবের ল্যাবমেটরা। যাই হোক, আনিমেটা নিয়ে পয়েন্টওয়াইজ ডিস্কাস করার চেষ্টা করি।

কাহিনী:
টাইম ট্রাভেল নিয়ে ফিকশনের বিভিন্ন মিডিয়ামে কাজ তো আসলেই কম হয় নাই। এর মধ্যে ডিফারেন্ট কিছু হিসেবে এস্টাব্লিশ করাটাও একটু টাফ কাজ হয়ে দাঁড়াতে পারে। সেই হিসেবে স্টেইন্স; গেট বেশ ভালোমতই সফল। স্টেইন্স গেটের সবচেয়ে বড় ব্যাপার মনে হয় টাইম ট্রাভেল স্টোরি হিসেবে বা শুধু সায়েন্স ফিকশন হিসেবে বিচার করলেও এর লজিক যথেষ্ট সলিড। খুব কম জায়গাতেই ইনকন্সিস্টেন্সি দেখা যায়।
তবে সবকিছুর পরেও, একটা টাইম ট্রাভেল স্টোরির মূল ফোকাস কখনোই তার লজিক হয় না। বরং টাইম ট্রাভেলের এপ্লিকেশনটাই অনেক বড় হয়ে দাঁড়ায়। এখানেও তাই। যদিও প্রথম দিকে শুরু হয়ে পুরো সায়েন্টিফিক রিসার্চের মত। টাইম ট্রাভেলের ফলাফল কি হতে পারে, পাস্ট চেঞ্জ করা যায় কি না ইত্যাদি নিয়ে ডিল করে প্রথম পর্বগুলো, এই অংশের হিউমার খুবই ভাল। কিন্তু এর পরেই ব্যাপারটা মোড় নেয় টাইম ট্রাভেলের কনসেকুয়েন্স নিয়ে। টাইম ট্রাভেলের ফলে তার কাছের মানুষের যে ক্ষতি হয়, তার রেস্পন্সে একশনে যায় কিয়োমা ওরফে ওকারিন। এবং গল্পের শেষটা আসলেই অনেক বেশি টাচিং। মাঝের ও শেষের পর্বগুলোতে খুব ভালোভাবে ইমো খেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
রেটিং: ১০

ক্যারেক্টার:
স্টেইন্স গেটের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে এর ক্যারেক্টাররা আর ক্যারেক্টারদের মধ্যেকার ইন্টারেকশন। এদের মধ্যে মূল ক্যারেক্টার ওকাবে রিনতারো আসলেই পুরো অন্য লেভেলের। প্রথম দিকে মনে হচ্ছিল এরকম ড্রামাটিক ক্যারেক্টার কখনো দেখি নাই। কিন্তু শেষতক এও মনে হয়েছে এরকম হিরোয়িক ক্যারেক্টারও মনে হয় আমি অনেক কম দেখেছি। এর বাইরে প্রতিটা ক্যারেক্টার ও গল্পে তাদের ভূমিকাই আসলে খুবই ওয়েল রিটেন।
রেটিং: ১০

আর্টওয়ার্ক:
স্টেইন্স; গেটের আর্টওয়ার্ক খারাপ না, খুব এক্সেপশনাল কিছু না যদিও। এমনিতে ক্যারেক্টার ডিজাইন, ব্যাকগ্রাউন্ড ডিজাইন ইত্যাদি বেশ স্যুটেবল স্টোরির জন্য।
রেটিং: ৯

ওএসটি ও মিউজিক:
থিমের সাথে বেশ অ্যাপ্রোপ্রিয়েট। ওপেনিং, এন্ডিং কোনটাই যদিও ঠিক কানে লেগে থাকে নি, খারাপও লাগে নি আসলে।
রেটিং: ৮

ওভারাল:
সব মিলিয়ে আমার কাছে স্টেইন্স গেট একটা মাস্টারপিস। আমি নিজে কনসেপচুয়াল সায়েন্স ফিকশন বা টাইম প্যারাডক্স রিলেটেড গল্পের প্রতি অনেক বেশি বায়াসড বলেও সেটা মনে হতে পারে অবশ্য। যাই হোক, এত ওয়েল মেড, লুপহোল ছাড়া, অসাধারণ ক্যারেক্টারাইজেশনওয়ালা একটা আনিমে দেখতে কার না ভাল্লাগে।
ওভারাল রেটিং: ৯.৫

Children Who Chase Lost Voices – Anime movie review by Torsha Fariha

ডিরেকটর- মাকোতো শিনকাই
আইএমডিবি রেটিং- ৭.৩/১০

যারা মাকোতো শিনকাই এর নাম শুনেই ৫ সিএম পার সেকেন্ড কিংবা কোতোনোহা নো নিওয়া’র মত ম্যাচিউরড অ্যানিমেশন মুভি আশা করছেন তাদের বলছি এই মুভিটা ফিকশনাল( অনেকটা মিয়াজাকির ঘিবলি মুভিগুলার মত)। তাঁর নরমাল কাজের তুলনায় বেশি লাইভলি, অ্যাডভেঞ্চারাস। তবে একেবারে বাচ্চাদের কাহিনী এটা না। বোঝার, ফীল করার, কষ্ট পাবার, শূন্যতা অনুভব করার সব উপকরণই আছে। 

এই কাহিনীর নায়িকা আসুনা নামের একটা মিডল স্কুলে পড়া মেয়ে। আসুনার বাবা মারা যায় ছোট থাকতেই আর মা নার্স। যেহেতু কাজের চাপে মা খুব একটা সময় দিতে পারে না আসুনাকে। তাই দিনের অনেকটা সময়ই সে একা একা তার বাবার দেয়া ক্রিস্টাল রেডিও শুনে কাটায়। মাঝে মাঝেই সে খুব অদ্ভুদ সুর শুনতে পেত রেডিওতে। খুব সুরেলা কিন্তু কেমন যেন মনকে বিষাদ করে দেয়া একটা ভিনদেশী গান।
একদিন ক্লাব হাউজে যাবার পথে আসুনাকে হঠাৎই একটা অদ্ভুত জন্তু আক্রমন করে বসে। এবং তাকে বাঁচায় শুন নামের এক রহস্যময় ছেলে। এভাবেই দেখা হয় শুন আর আসুনার।
পর পর দুইদিন দেখা হয় তাদের। আসুনা শুনকে তার হাইড আউটে নিয়ে আসে, তার ক্ষত পরিষ্কার করে দেয়, তাকে ক্রিস্টাল রেডিওতে সেই অদ্ভুত গান শুনায়।

শুন জানায় সে আগার্থা নামের এক দেশ থেকে এসেছে একটা জিনিস খুঁজতে। শেষ দিন শুন বিদায় নেয়ার সময় আসুনার কপালে কিস করে ব্লেসিং হিসেবে। আসুনা তো লজ্জায় লাল হয়ে কোন মতে পরের দিন আসবে বলে পালিয়ে আসে।

কিন্তু পরের দিন তার মা তাকে জানায় পাহাড়ের কাছে এক ছেলের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। এবং দেখা গেল সেটা শুনের মৃতদেহ ছিল। আসুনা কোনভাবেই বিশ্বাস করে না শুন মারা গেছে। 
সে এরপর একদিন ক্লাসে আগার্থা নামে দেশের কথা জানতে পারে তাদের নতুন টিচারের কাছ থেকে। আগার্থা হল মৃতদের দেশ। এর কিছুদিন পর তার সাথে শুনের জমজ ভাইয়ের সাথে দেখা হয় যে শুনকে খুঁজতে এসেছিল।

যাহোক ঘটনাক্রমে আসুনা জানতে পারে তাদের নতুন টিচার মুরাসাকি আগার্থায় যেতে চায় তার মৃতা স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে। এভাবেই আসুনা, শুনের যমজ ভাই আর মুরাসাকি সেন্সেই এর আগার্থা অভিযান শুরু হল। একদিকে সেই গানের রহস্য অন্যদিকে শুনের অন্তর্ধানের রহস্য- সব কিছুর সমাধানে বিপদ সংকুল পথে পা বাড়ায় আসুনা।

মোটামুটি এটাই হল কাহিনী। চমৎকার একটা মুভি। যদিও আমি প্রথমে বলেছি ঘিবলির হাসিখুশি মুভির মত এটা । প্রথমে হয়তো যে কারোই সেরকম মনে হবে। কিন্তু দেখা শুরু করলে বোঝা যাবে মাকোতো শিনকাই এর হাতের কাজ কতটা ইউনিক… কতটা অন্যরকম!

Planetes anime reaction post by Fahim Bin Selim

অনেক জায়গায় লেখা দেখলাম মাঙ্গাটা নাকি মাস্টারপিস, অ্যানিমে অ্যাডাপটেশন নাকি খুবি খারাপ। তাই অ্যানিমে দেখা শেষে উইকি থেকে মাঙ্গার সিনোপসিস দ্রুত পড়ে নিলাম। আমার মনে হয় গল্পটা অ্যানিমেতে টিউনিং করে আরো ভালোভাবে শেষ করা হয়েছে।

অ্যানিমের ভিতরের কথা বললে, এতো বড় পরিসরে, এতগুলো চরিত্র নিয়ে এইটাই সম্ভবত আমার দেখা সবচেয়ে ইমোশোনালী রিয়েলস্টিক অ্যানিমে। হাচিমাকিকে শেষের দিকে খুবি বিরক্তিকর লাগা শুরু হলেও সেইনেন অ্যানিমেতে ফেইরিটেল রোমান্স আশা করাটাও হয়তো বোকামি।

ড্রামা, প্রেম, রাজনীতি আর সাইন্স-ফিকশন; কিন্তু ফিকশনটা ডালপালা ছড়ানো অবাস্তব না, নিকট ভবিষ্যত বলাই ভালো। অসাধারন কাহিনী, অসাধারন আর্ট আর এন্ডিংটাও চিরদিন মনে থাকার মত। খুব সহজেই আমার সেরা পাঁচে ঢুকে গেল।

সেরা হার্ড সাই-ফাই অ্যানিমে এবং খুবই, খুবই আন্ডাররেটেড।

“Every ship needs a homeport to get back to.” :’)