Corpse Part: Tortured Sould anime suggestion by Kazi Rafi

রাত ১টার পরে, রুমের দরজা ভিড়িয়ে, বাতি নিভিয়ে, কানে হেডফোন লাগিয়ে দেখার মতন ৪ পর্বের দম ফাটানো হাসির আর বুদ্ধিদীপ্ত কৌতুকে ভরপুর এক এনিমে Corpse Part: Tortured Soul. এইযে নাম শুনে আপনি হতভম্ব হয়ে গেলেন, এনিমের নির্মাতারা ঠিক এইটাই আশা করছে আপনার পক্ষ থেকে। কিভাবে একটা কমেডি এনিমের নাম এরকম উদ্ভট আর কিছুটা ভীতিকর হতে পারে এই প্রশ্ন নিয়ে আপনি এনিমেটি দেখা শুরু করবেন, এইটাই তাদের মূল লক্ষ্য কারন এই ৪ পর্ব ধরে এই বিষয়টি নিয়েই এই এনিমের কাহিনিটি মূলত গড়ে উঠেছে। এনিমের কাহিনী নিয়ে আর বেশী কথা বাড়ালাম নাহ, কিন্তু একটা কথা নাহ বলে পারছি নাহ, যদিও এটি মূলত খুবই হালকা মেজাজের একটি এনিমে কিন্তু প্রতি পর্বে রয়েছে বেশ গতি আর টুইস্ট যা আপনি অনেক কাছ থেকেও প্রেডিক্ট করতে পারবেন নাহ। 
ওহ হ্যাঁ, বলতে একদমই ভুলে গেছি, এই এনিমে The Association of Japanese Animations (AJA) দ্বারা ‘Kid-Friendly’ সার্টিফাইড, সো গ্রুপে বাচ্চা কাচ্চা কেও থেকে থাকে এই এনিমে তাদেরো দেখার আমন্ত্রন রইল। আর অন্যরা, আপনারা আর সময় নষ্ট নাহ করে নামিয়ে দেখে ফেলুন ভয়াবহ হাসির এই এনিমেটি !!!

এফ এ সি ৩৩

রান্ডম টপিক

সিকাডা ব্লক[Cicada Block]

 

২০১২ সালে টুইটারে অরিজিনেট হওয়া এই মিমটা খুব পপুলার। এটা মূলত ওয়ালের কোণায়  নিজের হাত পা ব্যবহার করে ওয়ান ম্যান ব্যারিকেড তৈরী করে কাউকে আটকে রাখার কায়দা। পোজটা দেখতে সিকাডার মত, তাই একে সিকাডা ব্লক বলে. উদাহরণ কমেন্টে।

 

আনিমে সাজেশন

মুশি-শি[Mushi-shi]

 

মুশি হল অদ্ভুত এক অরগানিজম, যেগুলো উদ্ভিদও নয়, প্রাণীও নয়। এদের ব্যাপারে বিস্তারিত কেউই জানে না, সবচেয়ে বেশি যারা জানে এবং মুশি নিয়ে গবেষণা করে, তাদের বলা হয় মুশি-শি। গিনকো এদেরই একজন।গিনকোর ভ্রমণ কাহিনী, সে কিভাবে মুশি সংক্রান্ত বিভিন্ন ঘটনা ট্যাকল দেয়, এই নিয়ে আনিমেটা।

 

কেন দেখবেনঃ অদ্ভুত সুন্দর ভিজুয়াল, সাথে একই ধরনের আবহ সঙ্গীত। ঐতিহ্যবাহী ছাপটা চোখে পড়ার মত। ভীষণ মন ছুয়ে যাওয়া কাহিনী, দেখলে মন ভীষণ শান্ত হয়ে যায়, একটা পবিত্র ভাব আসে।

যারা লাস্টের লাইনটা পড়ে হাসছেন, তারা আসলে মুশি-শি না দেখলে বুঝবেন না আমি কি বলতে চাইছি।

 

কেন দেখবেন নাঃ তেমন কোন কারণ নেই।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৮১

আমার রেটিং ৯

সেকেন্ড সিজন এখন অন এয়ার, তাই রেট করছি না, তবে ৯ এর কম দেব না, মোটামুটি শিউর।

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

ভ্যাগাবন্ড[Vagabond]

 

মিয়ামতো মুসাশি নাম নিয়ে তাকেজো বেরিয়ে পড়ল অদৃষ্টের খোঁজে। লক্ষ্য একটাই, সে হতে চায় সূর্যের নিচে দাঁড়ানো মানুষগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী। কিন্তু কাজটা কি এতই সোজা?

 

কেন পড়বেনঃ তাকেহিকো ইনউয়ের আঁকা, মানে বুঝতেই পারছেন কত অসাধারণ। ভীষণ ডিটেইলড, লড়াইগুলো দেখানো হয়েছে দারুণভাবে, সুপারন্যাচারাল কন্টেন্ট নেই, পিউর স্কিল আর পাওয়ার এর প্রদর্শনী। মাংগাকা অসাধারনভাবে তা ডেলিভার করেছেন। আর মাঙ্গাটা আঁকা হয়েছে সত্য ঘটনার আলোকে।

 

কেন পড়বেন নাঃ তেমন কোন কারণ নেই।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৮৬

আমার রেটিং আমার রেটিং নেই, কারণ সিরিজ অন্গিং।

 

এফ এ সি ৩২

রান্ডম টপিক

 গাঙ্গুরো[Ganguro]

 

১৯৯০ এর মধ্যভাগ থেকে জাপানের “বিদ্রোহী গোছের তরুণী প্রজন্ম” ঠিক করলো তারা সব নিয়মকানুনের বাইরে চলে যাবে। তাই তারা করলো কি, কড়া ট্যান করলো, আর সেই সাথে চুলে  ব্লিচিং, আর হেভি মেকআপ। সব মিলিয়ে দেখায় ভূতের মত, কিন্তু তাদের এটাই পছন্দ। ভুতের মত বলছি তার কারণ আছে, এর সাথে জাপানি ফকলোরের সম্পর্ক আছে.

ব্যক্তিগত মতামত: এটা আসলে সুন্দরী মেয়েদের কুত্সিত সাজার চেষ্টা।  উদাহরণ কমেন্টে।

 

 

আনিমে সাজেশন

 সাকামিচি নো অ্যাপোলন[Sakamichi no Apollon]

 

 

ধনী পরিবারে জন্ম প্যাম্পারড কাওরুর সাথে পরিচয় হয়ে গেলো সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর দরিদ্র পরিবারের এক ইয়াঙ্কি সেন্তারোর সাথে। তাদের দুজনেরই ভালো লাগার বিষয়? সঙ্গীত। কাহিনী অবশ্য এখানেই থেমে থাকল না, সঙ্গীতের ডালপালা বেয়ে প্রেমের সম্পর্ক হল বহুভুজ। হ্যাপি এন্ডিঙ, কথাটা কি সবার জন্যই বরাদ্দ?

 

কেন দেখবেনঃ এই পর্যন্ত যতগুলো জোসেই আনিমে দেখেছি, সবগুলোই এক্সেপশনাল, সাকামিচিও এর ব্যতিক্রম নয়। বন্ধুত্ব, প্রেম, নানা ধরনের সম্পর্ক, সবকিছুই খুব সুন্দরভাবে দেখানো হয়েছে, অসাধারণ আবহ সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে।

কেন দেখবেন নাঃ তেমন কোন কারণ নেই।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৫১

আমার রেটিং ৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

 সেইশুন ফরগেট[Seishun Forget]

তাইও হিনাতার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সমস্যা একটাই, হিনাতা এক দিন পরপর আগের কাহিনী ভুলে যায়! তাহলে সবই কি পণ্ডশ্রমে পর্যবসিত হবে?

 

কেন পড়বেনঃ রিসেন্টলি ইসশুকান ফ্রেন্ডস এর প্রশংসায় অনেকেই পঞ্চমুখ, সেইশুন ফরগেটকে বলতে পারেন এর কমেডিক টেইক। যথেষ্ট ভালো আঁকা, রিফ্রেশিং, এঞ্জয়েবল স্লাইস অব লাইফ।

কেন পড়বেন নাঃ কোন অ্যাকশান, ক্লিফহ্যাঙ্গার, সাস্পেন্স ইত্যাদি নেই। প্রেডিকটেবল কাহিনী।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৮০

আমার রেটিং ৭

এফ এ সি ৩১

রান্ডম টপিক

 জাপানী নববর্ষ

 

 

১৮৭৩ সাল থেকে উদযাপন শুরু হয়, দিনের মূল কর্মকান্ড হলো মন্দিরে গিয়ে ঘণ্টা বাজানো, এরপর পরিবারের সাথে মচি, সোবা ইত্যাদি খাওয়া। বড়রা ছোটদেরকে খামে ভরে টাকা দেন, অনেকটা সালামির মত, একে বলে ওতশিদামা। ১০০ ডলার পাওয়াও বিচিত্র কিছু না.

 

 

আনিমে সাজেশন

ফুশিগি ইয়ুগি[Fushigi Yuugi]

 

 

জাদুর বলে অতীতের এক জগতে পা রাখল মিয়াকা। জড়িয়ে পড়ল সে সেখানকার ক্ষমতার লড়াইয়ে জড়িত দুই গোষ্ঠীর সাথে। একই সাথে সে খুঁজে পেল তার ভালবাসা। এর পরিণতি কি হতে যাচ্ছে?

 

কেন দেখবেনঃ খুব ভালো অ্যাকশান শউজো, কাহিনী মসৃণভাবে এগিয়েছে, কাহিনী দেখে যারা ইনু ইয়াশার সাথে খানিকটা মিল পাচ্ছেন, তাদেরকে বলি, কাহিনিবিন্যাসের ক্ষেত্রে এটা ইনু ইয়াশার চেয়েও ভালো। ওপেনিং আর এন্ডিঙ থিম দারুন, বিশেষ করে কোন পর্ব শেষ হবার ১-২ মিনিট আগেই এন্ডিঙ থিম এর মিউজিক প্লে করত, সাথে সাথে রোম দাঁড়িয়ে যেতো। এবং, অবশ্যই, এর ফিনিশিং যেভাবে হয়, আমার কাছে সবচেয়ে স্যাটিস্ফাইং আর শকিং ফিনিশিং গুলোর একটা।

কেন দেখবেন নাঃ বলা উচিত, কি দেখবেন না। অভিয়েগুলো দেখার কোনই কারণ নেই।

 

 

ম্যাল রেটিং ৭.৭৯

আমার রেটিং ৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

 মাই হার্ট ইজ বিটিং[My Heart is Beating]

 

 

অভিভাবকরা সাধারণত ছেলেমেয়েদের উপর একটু বেশিই চাপ দেন। বায় সুগুর অবস্থা হল আরও খারাপ, কারণ তাঁর বাবা স্কুলের ভাইস-প্রিন্সিপাল। আন্ডারএচিভার সুগুএকদিন মেয়েদের সাঁতারের ছবি তুলতে গিয়ে পড়ে গেলো গাড্ডায়, তাকে জোর করে স্কুলের প্রমীলা সুইমিং টিমের অংশ করে নেয়া হল। এরপর?

 

কেন পড়বেনঃ মেইন ক্যারেক্টার এর সাথে অনেকেই হয়তো রিলেট করতে পারবেন। সম্পূর্ণ রঙিন মানহুয়া, পড়তে বেশ মজা। ভালো রোমান্টিক কন্টেন্ট আছে। আর এটা আন্নারাসুমানারার মান্গাকার আঁকা।

কেন পড়বেন নাঃ পুরো স্কুল লাইফ বেইসড, খানিকটা কামিং অব এইজ কন্টেন্ট আছে। যারা উত্তেজনাবিহীন মাঙ্গা পড়তে পছন্দ করেন না, তারা এটা স্কিপ করে যেতে পারেন।

 

 

ম্যাল রেটিং ৮.২১

আমার রেটিং ৮

 

 

এফেসির অন্য সংখ্যাগুলো পাবেন এই লিঙ্কে।

http://www.animeloversbd.com/tag/%E0%A6%8F%E0%A6%AB-%E0%A6%8F-%E0%A6%B8%E0%A6%BF/

Skip Beat manga review – Zahura Chowdhury Abonti

মোগামি কিয়োকো সাধাসিধে গোবেচারা এক মেয়ে। ছোটবেলা থেকে তার বন্ধু ফুওয়া শোতারো বা সংক্ষেপে শো। কিয়োকো শো এর প্রতি খুবই বিশ্বস্ত। তার ধারণা সে বড় হয়ে শো-কে বিয়ে করবে। শুধুমাত্র শো এর জন্য কিয়োকো একা একা পাড়ি জমায় অন্য শহরে। সেখানে গিয়ে সে শো এর জন্য কি না করে! Part time job করে টাকা জমিয়ে শো এর আবদার পূরণ করে। অথচ এর জন্য কিনা সে নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে না। কিন্তু তার এতে কোন দুঃখ নেই। Aspiring star শো কে সে সব সময় উতসাহ দিয়ে যায় এই বলে যে শো এর মত ভাল গায়ক আর নেই। শো-ও এদিকে বেশ নামডাক কামাতে থাকে। শো এর প্রতিদ্বন্দী আরেক সুদর্শন নায়ক তসুরুগা রেন। শুধুমাত্র শো কে খুশি করতে কিয়োকো কখনো রেনের প্রশংসা করে না। সব মিলিয়ে এমন কিছু নেই যা কিয়োকো করে না তার ভালবাসার জন্য। বিপত্তি বাধে তখনই যখন একদিন কিয়োকো শো-কে দেখে ফেলে আরেক মেয়ের সাথে। আর শুনে ফেলে শো এর কথা। শো নিজের মুখে বলে যে কিয়োকো তার ফরমায়েশ পূরণ করে বলেই কিয়োকোর সাথে সে আছে, এছাড়া তার কাছে আর কোন মূল্য নেই কিয়োকোর। নিজ কানে এসব শুনে প্রচন্ড রকমের ধাক্কা খায় কিয়োকো আর ঠিক করে এই বিশ্বাসঘাতকতার প্রতিশোধ সে নিবেই। সে উঠেপড়ে লাগে শোবিজ join করার জন্য, পাল্টেফেলে নিজের বেশভূষা। কিন্তু ব্যাপারটা এত সোজা নয়। অনেক রকম চড়াই উতরাই পার হয়ে (যার অনেকগুলোই বেশ হাস্যকর) এক সময় কিয়োকো মোটামুটি এক জায়গাতে এনে নিজেকে দাঁড়া করায়। আর এখানে এসে তার সামনাসামনি পরিচয় হয় রেনের সাথে; যাকে সে আগে কতনা গালমন্দ করেছে শো এর প্রতিদ্বন্দী হওয়ার কারণে! আর সেই রেনই কিনা দেখা যায় পদে পদে কিয়োকোকে সাহায্য করে। কিয়োকোকে অভিনয় নিয়ে, জীবন নিয়ে নানা রকম বুদ্ধি দেয়, মাঝে বকাবকিও করে। কিয়োকো মাঝে মাঝে রেনকে অনেক ভয় পেলেও, মনে মনে অনেক বেশি শ্রদ্ধা করে আর কৃতজ্ঞতাবোধও অনুভব করে।

কিয়োকো জানেনা যে রেনের সাথে তার পরিচয় হয়েছিল ছোটবেলায়। তখন রেনের আসল পরিচয়ই সে জেনেছিল। তার আসল নাম রেন নয়, কুওন। আর নিজের পরিচয় ঢেকে রাখার পিছনে আছে অতীতের গাঢ় এক রহস্য যা রেন কাওকে জানতে দিতে চায় না। 
শো এর থেকে প্রতিশোধ নিতে বদ্ধ পরিকর আর কখনো কারো প্রতি দুর্বল না হয়ে পড়ার প্রতিজ্ঞা করা কিয়োকোর কি হবে পরিণতি? রেনের আসল পরিচয়ই বা কিভাবে নেবে কিয়োকো?

কাহিনী বেশ গতবাধা মনে হলেও ঠিক তেমনটা নয়। কিয়োকোর কাজকারবার বেশ মজার। তার expression গুলি আরো বেশি মজার। খুবই সাধাসিধে এই মেয়ে মাঝে মাঝে খুবই শক্ত আর তখন তাকে দেখে মনে হয় না এই মেয়েই মাঝে মাঝে এমন সব বোকার মত কাজ করতে পারে। আমার বেশ পছন্দের মাঙ্গা। পড়ে দেখতে পারেন।

Tokyo Magnitude 8.0 anime suggestion by Mohaimenul Haque

 

জাপানে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে । চারিদিকে শুধু ধ্বংসস্তূপ, তার নিচে মৃত মানুষ আর আহতদের হাহাকার । এরই মধ্যে দুই ভাই বোন Mirai আর Yuuki Onozowa এবং তাদের সাথে একজন কর্মজীবী মহিলা Mari Kusakabe এই দুর্যোগ কাটিয়ে নিজ বাসস্থানে ফিরতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয় । দুর্যোগের অনেক ধাপ পেরিয়ে তাদের পৌছতে হবে নিজ শহরে ।
খুবই সাধারণ একটা এনিমে । কোন একশন নাই, কমেডি থাকার প্রশ্নই উঠে না এমনকি সেরকম ড্রামাও নেই । পুরো কাহিনী জুড়ে শুধু দুর্যোগ পরবর্তী সমস্যা ও সংকট উত্তরণের প্রচেষ্টা । অনেকটা ক্লাস নাইন টেনের সমাজ বইয়ে দুর্যোগ চ্যাপ্টারে যেমন থাকত তারই একটা ভিডিও ভার্সন । এমনকি দুর্যোগের পরে বাথরুমে যাওয়াও যে একটা সমস্যা হতে পারে এটাও দেখান হয়েছে ।
শুধু শেষ চার পর্বে যা দেখান হল that was enough to surpass any tragic anime . আমি খুব “শক্ত ধরণের” “আবেগ বর্জিত” মানুষ না । তাই বলে গল্প,উপন্যাস,এনিমে দেখে “চোখ ফেটে এল জল” টাইপও না । But the last three episodes really made my eyeas wet . এর আগে কোন এনিমে দেখে আমার এত মন খারাপ হয়নি । শেষে মনে হয়, এভাবেই কেন শেষ হতে হল ।খুব অল্প সংখ্যক এনিমে দেখেছি কিন্তু এর থেকে sad এনিমে আর দেখিনি দেখব বলেও মনে হয় না ।
Opening and ending sound track গুলো বেশ সুন্দর । মাত্র ১১ পর্বের এই এনিমে না দেখলে আপনার দেখার লিস্টে একটা অপূর্ণতা থেকে যাবে । কাজেই সময় পেলে দেখে ফেলুন । আর পারলে টানা না দেখে একটু সময় নিয়ে দেখুন । (আমি ১১ সপ্তাহ ধরে দেখেছি যদিও শেষ তিনটা পর্ব এক বসায়)
MAL rating 8.22
আমার রেটিং ৮.৫

Golden Time reaction post by Tahsin Faruque Aninda

গোল্ডেন টাইমটা দেখার সময়ে শুরুর দিকে একটু বেশি দ্বিধায় পরে গিয়েছিলাম যে বানরির সাথে কাকে কাপল হিসাবে বেশি সাপোর্ট করবো, কোকোকে? নাকি লিন্ডাকে?
তবে, কাহিনী কিছুদূর আগানোর পরে আমার কাছে বানরির সাথে কোকোকেই বেশি মনে ধরেছে। এই আশায় ছিলাম যে বানরি-কোকো কাপলটাই শেষ পর্যন্ত দেখতে পাব! অবশ্য লিন্ডার জন্যেও মারাত্মক খারাপ লাগতো, তবে বানরি-লিন্ডার সময় আসলে অনেক আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে। আর এই অবস্থায় বানরি কোকোকে ছেড়ে লিন্ডার কাছে যদি যায় তাইলে রাগে মনিটর ভেঙ্গে ফেলবো – এমন অবস্থাও মনে উঠেছিল!

পরের অংশটুকু স্পয়লার, তাই যারা শেষটুক দেখেননি তারা পোস্টের বাকি অংশ স্কিপ করতে পারেন।

শেষ দুই পর্বে কাহিনী অনেক বেশি তাড়াতাড়ি দেখিয়ে ফেলছিল বলে মনে হয়েছে। অন্যদিকে বানরির “ঘোস্ট” ব্যাক করছে করছে – এমন অবস্থা হওয়ার আগ মুহুর্ত পর্যন্ত কয়েকটা পর্ব মনে হচ্ছিল যে কাহিনী টেনে নেওয়ার চেষ্টা করার জন্যেই দিয়েছে হয়তো! তবে পরে বুঝলাম যে, ঐসব পর্ব না থাকলে আনিমেটা এত জমতো না!
শেষ পর্বের আগেরটি দেখার সময়ে মনে হচ্ছিল যে কাহিনী কিভাবে শেষ করবে, এখনও তো অনেক কিছু বাকি! যদিও সেখান থেকে বেশ দ্রুত এন্ডিং দেখাতে পেরেছে।
শেষ পর্বের মাঝামাঝি পর্যন্ত মনে মারাত্মক ভয় ছিল যে বানরি-কোকোর মিল হবে কিনা! বানরির লিন্ডা অধ্যায় মোটামুটি সমাপ্ত হয়ে গিয়েছে তা টের পাচ্ছিলাম, তবে কোকো আবার ব্যাক করবে কিনা সেই ভয়েই ছিলাম। শেষ মুহুর্তের আগ পর্যন্তও মন খুবই খারাপ লাগছিল যে এভাবে শেষ হয়ে যাবে!
তবে শেষ মুহুর্তে লিন্ডার উত্তর দিয়ে বানরির “ঘোস্ট”-এর মন হালকা করে দেওয়া, এবং আসল বানরির পথ পরিষ্কার করে দেওয়া – এইটা খুবই মনে ধরেছে! বেশ ইমোশোনালও লাগছিল সেই মুহুর্তটা!

আর অবশেষে যেই মুহুর্তের জন্যে সেইইইইই কত আগ থেকে অপেক্ষা করছি তা চলে আসলো! খুশির চোটে রাত্রে ঘুম হয় নাই ঐদিন যেইদিন দেখলাম

তবে ওকা চিনামির জন্যে কষ্ট লেগেছে একটু। মিতসুয়োর সাথে চিনামির মিল দেখালে মনটা ঠান্ডা হত! অবশ্য ওর এন্ডিংটা স্যাড এন্ডিং, নাকি পরে কিছু হতেও পারে [যা দর্শকের চিন্তাভাবনার জন্যে রেখে দেওয়া হয়েছে] তা বলতে পারছি না।

নানা ক্যারেক্টারটা অসাধারণ! বেশিইইই জোস! :))
আর 2D-kun শেষের দিকে ইমেইল-চালাচালি অংশটা বেশ মজা লেগেছে!

আনিমের সাউন্ডট্র্যাকটা অনেক বেশি মনে ধরেছে। এইটা কবে রিলিজ পাবে তা কেউ জানলে জানিয়েন। অসম্ভব সুন্দর!

পুরো আনিমেটার সবকিছু এঞ্জয় করেছি। সবকিছুই ভাল লেগেছে!

Berserk manga review by Farsim Ahmed

 

কিছু সাহিত্যকর্ম পাবেন, যেগুলো শুরু করলে শেষ না করে আর কিছু করার জো নেই। বাংলায় এগুলোকে বর্ণনা করার মত ভালো কোন শব্দ আপাতত মনে আসছে না, তবে ইংরেজিতে দারুন একটা শব্দ আছে, আনপুটডাউনেবল [Unputdownable]। তো কখনো কি শুনেছেন, জনাথান ক্যাথরিন রাওলিং বা জন রোনাল্ড রুয়েল তল্কিনকে কেউ গালিগালাজ করছে? না। কিন্তু এমন এক মাঙ্গাকা আছেন, যিনি মোটামুটি অবিসংবাদিতভাবে প্রতিষ্ঠিত সর্বকালের সেরা মাঙ্গার স্রষ্টা হওয়া সত্ত্বেও নিয়মিত গালি খাচ্ছেন। কেন? কারণ ভদ্রলোক মাঙ্গাটা ভয়াবহ এক ক্লিফহ্যাঙ্গারে ফেলে গত দুই বছর ধরে আইডলমাস্টার নামের একটা গেম খেলছেন, যে গেমে তার ভুমিকা হচ্ছে কতগুলো সুন্দরী আইডলের ম্যানেজারের। সুখের কথা হল, উনি এপ্রিল থেকে আবার মাঙ্গাটা কনটিনিউ করবেন।

যারা মাঙ্গা নিয়ে কিছুটা হলেও ঘাটাঘাটি করেন, তারা ইতিমধ্যে বুঝে গিয়েছেন আমি কিসের কথা বলছি। এটা সেই অসাধারণ মাঙ্গার ছোটখাটো স্পয়লারযুক্ত রিভিউ।মাঙ্গার নাম?

বার্সার্ক!

আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় দীর্ঘদেহী লোকটা যাযাবর, উদ্দেশ্যবিহীনভাবে ঘুরে বেড়ানো যার কাজ। তাঁর দিকে দ্বিতীয়বার চোখ যেতো না, যদি না তার কাঁধে ঝোলানো তলোয়ারটা চোখে পড়ত, যার দৈর্ঘ্য লোকটার চেয়েও বেশি। এক পানশালায় সে দেখিয়ে দিল, তলোয়ারটাকে ভালই ব্যবহার করতে পারে সে। এক চোখো যান্ত্রিক হাতের লোকটা যেন মূর্তিমান আতঙ্ক, মানুষের কাছেও, প্রেতের কাছেও। এক নামে তাকে সবাই চেনে, কৃষ্ণ অসিচালক[Black Swordsman] কিন্তু কার বিরুদ্ধে সে তার এই বিপুল প্রতিহিংসা ধারন করে রেখেছে?

 

ছেলেটার জন্ম হয়েছিল মৃত মায়ের গর্ভে, দুর্ভাগ্যের প্রতীক হিসেবে তাকে চিহ্নিত করল সবাই। পাশবিক নির্যাতনের শিকার হল সে, খুন করল তার নির্যাতনকারী আর পালক পিতাকে। সে বুঝল, The earth means struggle. বেরিয়ে পড়ল সে শক্তির সন্ধানে, পরিণত হল এক দুর্বিনীত তরুনে, যে কাউকেই ভয় পায় না, সাধারণ কোন লড়াই হলেও জীবনবাজি রাখতে তার কোন আপত্তি নেই। দেখা হয়ে গেল তার গ্রিফিথের সাথে, এক দুর্দমনীয় তরুন, আত্মবিশ্বাসে টগবগ করছে। গ্রিফিথের বাহিনী ব্যান্ড অব দ্য হক্সে ইচ্ছার বিরুদ্ধে যোগ দিল সেই ভাগ্যাহত তরুণ। সে দেখা পেল বন্ধুত্বের, ভালবাসার। কিন্তু সব ভেঙে চুরমার হয়ে গেলো, যখন গ্রিফিথ তার উচ্চাকাঙ্ক্ষা চরিতার্থ করার জন্য পুরো বাহিনীকে বলি দিল শয়তানের কাছে, ধর্ষণ করল ভাগ্যাহত তরুণের ভালবাসার মানুষকে তার চোখের সামনে। কোনমতে বাঁচতে পারল সে, কিন্তু সর্বনাশ যা হবার টা তো হয়েই গিয়েছে। তার পিছনে ধাওয়া করছে অন্ধকারের প্রেতরা সারাক্ষন, মানুষ কি আর পারে অলৌকিক ক্ষমতার মুখোমুখি হতে? কিন্তু তরুণ দেখিয়ে দিল, তার প্রতিহিংসার তেজ কত ভয়াবহ, তার হিম্মত আছে, এই ভয়াবহ শত্রুর মোকাবেলা করার।
তরুণের নাম?

কৃষ্ণ অসিচালক, গাটস!

প্রথমেই বলতে হয়, মিউরা কেনতারো এক অসাধারণ মাঙ্গাকা। ভীষণ গ্রিপিং এবং থ্রিলিং স্টোরিলাইন, ভদ্রলোক জানেন কিভাবে পাঠকদের ধরে রাখতে হয়। আর তাঁর আঁকা? নিঃসন্দেহে আমার এ পর্যন্ত পড়া মাঙ্গাগুলোর মধ্যে সেরা। বিশাল বিশাল প্রাসাদের প্রতিটা ইট, ক্যারেক্টারদের প্রতিটা চুল, ঘামের ফোঁটা, এক্সপ্রেশন, অ্যাকশান সিকোয়েন্স, ঘোড়ার কেশর, বিশাল সৈন্যবাহিনীর প্রতিটি সদস্য, এত ডিটেইল এর কাছাকাছি কাজ আমি দেখেছি আর শুধু ওয়ান পাঞ্চ ম্যানে আর তাকেহিকো ইনউয়ের মাঙ্গায়[ভ্যাগাবনড, স্ল্যাম দাঙ্ক]। অসাধারণ ভিজুয়াল ওয়ার্কস, প্যানেলগুলো দারুন সুন্দর, কোন জায়গাই মেসি[Messy] নয়। এতে মহা সমস্যায় পড়েছি, বার্সার্কের পর যে মাঙ্গাই পড়ি, পানসে লাগে, অমন শক্তিশালী ভিজুয়ালাইজেশন পাইনা, রুরউনি কেনশিনের মত মাঙ্গা পড়তে গিয়েও এই অবস্থা। সহজ কথায়, বার্সার্ক এমন এক মাঙ্গা, যার আনিমের আদৌ কোন প্রয়োজন নেই।

আনিমের কথা যখন আসলই, তখন বলেই ফেলি, বার্সার্ক মাঙ্গার তুলনায় আনিমে রীতিমত থার্ড ক্লাস। আনিমেতে রাখা হয়েছে মূলত ব্ল্যাক সোরডস্ম্যান আর্ক আর গোল্ডেন এজ আর্ক, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বহু কিছু বাদ দেয়া হয়েছে। আমার নিজের খুব পছন্দের কিছু চ্যাপ্টার হল গার্ডিয়ানস অব দ্য ডিসায়ারস, বাকিরাকা, আর ডিমন ডগ এর অংশটুকু, যেটা আনিমেতে নেই। গোল্ডেন এজ আর্কের পরে যখন আপনি ভাববেন, এর চেয়ে ভালো আর কি হতে পারে? তখনি মিউরা নিয়ে এসেছেন [মাইলড স্পয়লার] গ্রিফিথের পুনর্জন্ম, বিস্ট সোরডস্ম্যান ভারসাস ব্ল্যাক সোরডস্ম্যান, গাটসের ড্রাগন স্লেয়ার আর বার্সার্ক আরমার, রাজা গানিশকার সাথে গ্রিফিথের লড়াই, এবং সম্ভবত আমার সবচেয়ে পছন্দের আর্ক, গানিশকার বাহিনীর সাথে গাটসের লড়াই। পারফেক্ট এক্সিকিউশন।

[মাইলড স্পয়লার] আমার গাটসের লোন উলফ পারসোনালিটিটা দারুন লাগত, তাই যখন দেখেছিলাম তাঁর একটা গ্রুপ হয়েছে, তখন বেশ ঘাবড়ে গিয়েছিলাম, আরেকটা ইনু ইয়াশা হয়ে যায় কিনা। কিন্তু মিউরাকে ধন্যবাদ, সেরপিকোর মত একটা ক্যারেক্টারকে তিনি হাজির করেছেন।

যদি ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্টের কথা বলতে হয়, বার্সার্ক একটা ওয়ান ম্যান শো, কোন সন্দেহ নেই। মুল ফোকাস গাটসের উপর।এত “কুল” আর কোন মেইল প্রটাগনিসট হতে পারবে না, হওয়া সম্ভব না।[প্রসঙ্গত, সোরড আর্ট অনলাইন এর একটা ক্যারেক্টার আছে, যে গাটসের প্রচলিত নাম ব্যবহার করে, আমি নিশ্চিত করছি, সেই ক্যারেক্টার “ভুয়া”। শুধু তাই না, গাটসের কুলনেসের কাছে আর যে শউনেন/সেইনেন আনিমের মেইন ক্যারেক্টারকেই আনুন, তারা সবাই “ভুয়া”।]

এর পরেই আসে গ্রিফিথ, মূল এনটাগনিসট, গডহ্যান্ডের একজন, অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী ফেমটো। সে দিন দিন যত শক্তিশালী হচ্ছে, গাটস তাকে কিভাবে হারাবে তাই সন্দেহ।
গাটস আর গ্রিফিথ, এরা যেন একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। ইয়িন-ইয়াং এর পারফেক্ট এগজাম্পল। তারা একজন আরেকজনের পরিপূরক, ”None can live while the other survives”.

এর আগে একটা রিভিউতে বলেছিলাম, এপিক শব্দটা বহু ব্যবহারে ক্লিশে হয়ে গিয়েছে। বার্সার্ক আর এপিক, এই দুটো শব্দ সমার্থক। বার্সার্ক হল মাঙ্গা জগতের মহাকাব্য। এর জন্য কোন প্রশংসাই যথেষ্ট নয়।

এখন কিছু ড্রব্যাক। বার্সার্ক প্রচণ্ড গোর, এবং ডার্ক একটা মাঙ্গা। গ্রাফিক আর ম্যাচিউর কন্টেন্ট প্রচুর, অবশ্যই প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য। কিন্তু এই মাঙ্গা না পড়া মানে আপনার আনিমে/মাঙ্গা জগতে বিচরন অসম্পূর্ণ থাকা।

ম্যাল রেটিং-৯.১৭
আমার রেটিং-
গল্প-৯/১০
আর্ট-১২/১০
ক্যারেক্টার-৯/১০
এনজয়মেন্ট-১৫/১০

গাটস-এক অনুপ্রেরণার নাম।গাটস-শত প্রতিকূলতার মধ্যেও দৃঢ় সংকল্প থাকার নাম। গাটস-কখনোই হার না মানার নাম। গাটস-হার নিশ্চিত জেনেও লক্ষ্যের দিকে অবিচল থাকার নাম।

সম্মুখ পানে এগিয়ে চল গাটস! পাহাড় সমান বাধাকেও বাধা মনে কর না, দেখিয়ে দাও মানবতার শক্তি কত বেশি হতে পারে! কখনো গ্রিফিথকে ক্ষমা কর না! আর বিসর্জন দিও না তোমার মনুষ্যত্বকে!

 

এফ এ সি ৩০

রান্ডম টপিক

পম্পাদৌর[Pompadour]

 

 

আনিমেতে ডেলিনকোয়েন্টদের পছন্দের চুলের স্টাইল এর উত্পত্তি কিন্তু ফ্রান্সে, রাজা চতুর্দশ লুই এর রক্ষিতার নামানুসারে। পরবর্তীতে এলভিস প্রিসলি এই স্টাইলটাকে জনপ্রিয় করে তোলেন। আপনি চাইলে বাড়িতে বসে এই স্টাইল করতে পারেন, কয়েক কেজি জেল লাগবে আরকি।

 

 

আনিমে সাজেশন

বেক[Beck]

 

ঘটনাচক্রে কোয়ুকির পরিচয় হয়ে গেলো রিউস্কের সাথে। তারা একটা ব্যান্ড খুলল, নাম বেক।এই গল্প বেকের সদস্যদের, তাদের স্বপ্ন, তাদের অনুভূতি, আশা আকাঙ্ক্ষা, আর সেই সাথে আছে কয়েক চিমটি রোমান্স।

 

কেন দেখবেন; মিউজিক জন্রার আনিমের কথা বললে বেকের নাম একদম শুরুর দিকেই আসবে। সাবলীল কাহিনী, শক্তিশালী ক্যারেক্টার, ভালো মিউজিক। এছাড়া আমার খুব পছন্দের একটা ফিমেইল ক্যারেক্টার আছে এই আনিমেতে, এমন স্ত্রং উইলড ফিমেইল ক্যারেক্টার সচরাচর দেখা যায় না।

কেন দেখবেন নাঃ মূলত স্লাইস অব লাইফ মিউজিক জন্রার আনিমে এটা, তুলনামূলক স্লো পেইসড। কাজেই শুধু শউনেন জন্রার ফ্যানরা পছন্দ করবেন বলে মনে হয় না।

 

 

 

ম্যাল রেটিং ৮.৪৭

আমার রেটিং ৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

স্ল্যাম ডাঙ্ক[Slam Dunk]

 

 

বাস্কেটবল ক্লাবে যোগ দেয়ার পিছনে হানামিচি সাকুরাগির কারণ ছিল একটাই, আর তা হল ক্লাবের ক্যাপ্টেন তাকেনরির বোনের সাথে ঘনিষ্ঠ হতে পারা। ভয়াবহ ধরনের শো-অফ এই স্বঘোষিত জিনিয়াস কিভাবে শেষ পর্যন্ত তাঁর দু চোখের বিষ বাস্কেটবল খেলাটাকে ভালবেসে ফেলল?

 

 

কেন পড়বেনঃ আপাতদৃষ্টিতে প্লটটা বেশ সাধারণ, এবং বহুল ব্যবহৃত।  কিন্তু এর মধ্যেই তাকেহিকো ইনউয়ে তাঁর অসাধারণ মুনশিয়ানায় স্কুল লাইফ, বাস্কেটবল, রোমান্স, কমেডি, এই সব কিছুর দারুন সুন্দর সম্মিলন ঘটিয়েছেন। ভীষণ ডিটেইলড আঁকা, ম্যাচগুলো অসাধারণ, রিসেন্টলি মহা জনপ্রিয় হওয়া একটা বাস্কেটবল আনিমের মত এখানকার প্লেয়াররা জাদুবিদ্যা ব্যবহার করে না। ম্যাচগুলো এত আকর্ষণীয়, এত টুইস্ট আর টার্ন, কিছু ক্ষেত্রে দম বন্ধ করে থাকতে হয়। যারা আনিমে দেখেছেন, তাদেরও মাঙ্গা পড়া উচিত, কারণ সবচেয়ে এঞ্জয়েবল ম্যাচগুলোর একটা আনিমেতে দেখানো হয়নি। মোটের উপর, না পড়লেই মিস।

কেন পড়বেন নাঃ কোন কারণ নেই।

 

 

 

ম্যাল রেটিং ৮.৯৩

আমার রেটিং ১০

এফ এ সি ২৯

রান্ডম টপিক

নিট[NEET]
নিট এর এলাবোরেশন হলো নট ইন এডুকেশন, এমপ্লয়মেন্ট, অর ট্রেনিং। জাপানে এদের সংখ্যা প্রচুর, বিশেষ করে হিকিকোমরীরা এই “পেশা” বেছে নেই, আর বাবা-মার ঘরে চড়ে খায়. নিটদের নিয়ে খুব বিখ্যাত কিছু আনিমে আছে, যেমন ওয়েলকাম টু দ্য এন এইচ কে এবং ইডেন অব দ্য ইস্ট।
আমাদের দেশে অনেকে নিজেদেরকে ওতাকু বলতে গর্ববোধ করে, জাপান সরকার পারলে এই ওতাকুদের নির্বাসিত করত, কারণ ওতাকুদের বেশিরভাগই নিট, তারা দেশ ও জাতির বোঝা।

 

 

আনিমে সাজেশন

কাইজি[Kaiji]
ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে কাইজি যখন দিশাহারা, তখন তার কাছে প্রস্তাব আসল, এক জাহাজে উঠে জুয়া খেলার। কাইজির মতই ভাগ্য আরও অনেকের, তারা এই জুয়া খেলায় কাইজির প্রতিদ্বন্দ্বী। ভাগ্য বিড়ম্বিত কাইজি কি পারবে ঋণের বোঝা ঘাড় থেকে ঝেড়ে ফেলতে?
কেন দেখবেনঃটানটান উত্তেজনাপূর্ণ এক সেইনেন সিরিজ, মাইন্ড গেইম আছে এর প্রতি পদে। দেখতে খুব মজা, দম ফেলারও জো নেই। খুব উপভোগ্য।
কেন দেখবেন নাঃ অতিরিক্ত লম্বা নাকের সাইজ, “তুলনামূলক” বাজে ভিজুয়াল আর অতিনাটুকেপনা।

 

ম্যাল রেটিং ৮,৩৮+৮.৩২

আমার রেটিং ওভারঅল ৯

 

মাঙ্গা সাজেশন

গার্লস অব দ্য ওয়াইল্ড’স[Girls of the Wild’s] 


ওয়াইল্ডস হল একটা অল-গার্লস স্কুল, যেটা রিসেন্টলি কো-এডুকেশন হয়েছে। এর মেয়েদের মধ্যে নিয়মিত টুর্নামেন্ট হয়, কে কত শক্তিশালী, তা দেখার জন্য। টুর্নামেন্টের বিজয়ী পায় “কুইন” উপাধি। ঘটনাচক্রে এই টুর্নামেন্টের অংশ হয়ে গেলো এক ছেলে, সং জায়। তারপর?
কেন পড়বেনঃ সম্পূর্ণ রঙিন মানহুয়া, ঝকঝকে প্যানেল, মারামারিগুলো খুব উপভোগ্য, আর ডিটেইলড। এই ধরনের মেয়েদের মারামারির মাঙ্গা আরও অনেক আছে, সেগুলোর সাথে ওয়াইল্ড’স এর তফাত হল, নন-এচি, মেয়েরা মারামারি শুরু করার সাথে সাথেই তাদের সব কাপড় মেইল ওডিয়েন্সের জন্য ”কনভেনিয়েনটলি” ছিড়ে যায় না। সময় সময় কোয়ালিটি গ্যাগ এলিমেনট।
কেন পড়বেন নাঃ কিছু ক্ষেত্রে বোরিং বা ”ড্র্যাগড আউট” মনে হতে পারে।

 

ম্যাল রেটিং ৮.২৪

আমার রেটিং নেই, কারণ মাঙ্গা অনগোয়িং।