এনিমে সাজেশন: Psycho-Pass — Fahmida Ahmed Mou

সাইকো পাস (Psychopass)
জনরাঃ সাইফাই সাইবারপাংক
সিজন ২টা।
#১ম‬ সিজনে ২২টা এপিসোড আর #‎২য় সিজনে ১১টা।
#‎স্টোরি_সংক্ষেপঃ‬
জাপান এখন বহুত উন্নত, হাইলি ডিজিটালাইজড।
[ছোট্ট মেকাপ বক্সের মত একটা জিনিসে ইচ্ছামত পোশাক চুজ করে রাস্তাঘাটেও ইজিলি পোশাক চেঞ্জ করা যায় 😀 (এইটা কিউট লাগছে) ]
একমাত্র অপরাধী হচ্ছে সাইকো-পাস যারা।
সিভিল-সিস্টেম কঠোর হাতে দমন করে আসছে অপরাধীদের।

PP 1

পুলিশের পিস্তলগুলা দিয়ে আর ঠাইঠাই গুলি করতে হয়না এবং একজনের পিস্তল আরেকজন ব্যাবহার করতে পারেনা!
পিস্তল আগে ব্যাবহারকারীর আইডেন্টিটি কমফার্ম করে, কারো দিকে তাক করলে তার সাইকো-পাস পার্সেন্টেজ দেখে যদি পজিটিভ আসে তবেই লক খোলে এবং গুলি করা যায়!
ঠু ফার!
সব এতবেশি যান্ত্রিক না দেখলে ভাবা যায়না!
কিন্তু
সবসময় ল সবার ক্ষেত্রে খাটেনা। কিছু মানুষ হঠাৎ জন্মে যারা যেকোনো সমাজের সিস্টেমকে চ্যালেঞ্জ করার ক্ষমতা রাখে।
এ ঘটনা সৃষ্টির আদি থেকেই ঘটছে।
তবে মানবিকতা বা নীতিবোধ না থাকলে সচারচর সেসব ধোপে টেকেনা যদি আইন প্রয়োগ সংস্থায় চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার মত কেউ থাকে।
তেমনি এই অ্যানিমেতে….
মাকাশিমা সমাজের লেইম সিস্টেম চেঞ্জ করতে প্ল্যান করে এবং সেটা যেইসেই প্ল্যান না! আমার দেখা ওয়ান অফ দ্যা বেস্ট ভিলেন 😀
আমি অবশ্য মাকাশিমার সাথে একমত ছিলাম কেবল কাজের ধরণটা নেগেটিভ!
মাকাশিমার দিকে পিস্তল তাক করলে সবসময় পিস্তল লক থাকে কারণ তার সাইকো-পাস কখনোই পজিটিভ আসেনা 😛 হাউ হাইলি সেল্ফ পারসোনালাইজড হি ইজ! 😀
ডিটেকটিভ
*গিনোজা এবং *আকানে সিনোমোরি!
আরো থাকে ★ইনফোর্সার
[ইনফোর্সার হলো
যারা একসময় অপরাধী হিসাবে জেলে আসে এবং পরে তাদের অপরাধী ধরতে ইউজ করা হয় অপরাধী মাইন্ডের জন্য। অনেকটা আর্মিতে ব্যাবহৃত কুকুরদের মতো ]
এদের মাঝে থাকে
কোগামি, কাসাওকা, কুনোজাকি, কারানোমোরি, কাগারি।
সিজন ১ এবং ২ এর থিম একই মোটামুটি স্টোরি আর চরিত্র ভিন্ন হয়।
২তে একটা হালকা টুইস্ট আছে।

PP 2

★আপনি সাইকো-পাস কেনো দেখবেন?
এটা ওটাকুদের কাছে স্টোরি বেজলাইনে, প্লটে বা থিমে খুব আহামরি লাগবেনা কারণ এর থেকে বহু হাইরেটেড অ্যানিমে আপনি দেখেছেন
কিন্তু একটা কথা সিউর…
আপনি সবসময় ভাববেন “আরে জানি এরপর এই হবে” কিন্তু হবেনা 😛 এখানে খুব স্পেশাল যেকেউই মারা যাবে দুম করে আপনি বুঝে ওঠার আগেই, চেঞ্জ হবে অন্য চরিত্রে মানে টোটালি আন প্রেডিকটেবল ঘটনা আর স্ট্রং ভিলেন মিলিয়ে আপনাকে শেষ পর্যন্ত দেখেই যেতে হবে 😀 এবং টুইস্ট দেখে চমকে যাবেন দূর্বল হার্ট হলে বমিও করতে পারেন 😛
তাছাড়া ডায়লগ গুলোও বেশ স্ট্রং। মনযোগ দিয়ে শুনলে ভালো লাগবে।

PP 3
★আমার অভিমতঃ
ভালো লেগেছে। বলা যায় এক বসাতেই শেষ করেছি পরপর দুটো সিজনই :v
প্রথম কথা হলো আই এডোর কোগামি ভেরি মাচ।
আকানের উইক আর হাস্যকর ক্যারেক্টারটা দেখে প্রথমে প্রচন্ড বিরক্ত আসছিলো।
[ ব্লাড+দ্যা লাস্ট ভ্যাম্পায়ার এর নায়িকা “ছায়া”কে দেখে যেমনটা আসছিলো ]
বাট পরে যাইহোক ভালো লেগেছে। আলটিমেটলি যে যারযার চরিত্রে পারফেক্ট ছিলো দোষ-ত্রুটি মিলিয়ে।
আর
সিজন-২ তেঃ
আই হ্যাভ ব্যাডলি মিসড কোগামি! প্রত্যেক পর্বের, প্রতি মোমেন্টে চাইছিলাম কোগামি আসুক
ও আরেকটা ব্যাপার
পিস্তলগুলার সিস্টেমটা জঘন্য কেনো বলছি দেখলেই বুঝবেন।

ভালো থাকুন সবাই
ধন্যবাদ 😀

এনিমে রিভিউ: বেক: মঙ্গোলিয়ান চপ স্কোয়াড — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

আজকালকার যান্ত্রিকযুগে সবাই ব্যাস্ত । কেউ অফিসে , কেউ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবাই কোন না কোন কাজে ব্যাস্ত । ফলে স্বভাবতই স্ট্রেস , ক্লান্তি , হতাশা এগুলো বড়সমস্যা । কিন্তু এগুলো কাঁটানোর সবচেয়ে ভালো উপায় কি তাহলে ? তা হল সঙ্গীত । মিউজিকের চেয়ে স্ট্রসরিলিভার আর কিছু হয় না । গল্পের বই পড়ছেন পাশে চলছে হেমন্ত অথবা মান্নাদের ক্ল্যাসিকাল ধ্রুপদ গান । বাসে দাড়িয়ে আছেন কানে বাজছে এড শিরান অথবা কোল্ডপ্লে আবার সারাদিনের ঝামেল শেষ করে স্ট্রেস থেকে মুক্তির জন্য আমার মতো মেটালহেডরা ডুব দি আয়রন মেইডন অথবা এলুভিটির দুনিয়ায় । এখন এই মিউজিকাল স্লাইস অফ লাইফ নিয়ে বহুত এনিমে হয়েছে , কিন্তু তার ৯০শতাংশ ক্ল্যাসিকাল ।রকব্যান্ড নিয়ে যে কয়টি এনিমে হয়েছে তার মধ্যে সেরা এবং সম্ভবত মিউজিকাল জানরার মধ্যে অন্যতম সেরা এনিমে হল বেক ।

Beck 1
কাহিনী : এই কাহিনী যাকে ঘিরে , তার নাম য়ুকিয়ো তানাকা বা সংক্ষেপে কোয়ুকি । সে একজন অষ্টম শ্রেনীতে পড়ুয়া ছাত্র এবং তার দৈনন্দিন জীবনের উপর বিরক্ত , কোন শখ বা টার্গেট না থাকলে যা হয় আর কি ! তো একদিন একটি অদ্ভূত দেখতে কুকুরকে শয়তান ছোকরাদের হাত থেকে বাঁচানোর সময় পরিচয় হয় বেক নামক কুকুরের মালিক মিউজিশিয়ান গিটারিস্ট রিয়ুসকের সাথে । এবং এই রিয়ুসকেই ধীরে ধীরে বদলে দেয় কোয়ুকির জীবন । রিয়ুসকের ফলে কোয়ুকি ধীরে ধীরে পশ্চিমা রক সঙ্গীতের দিকে আকর্ষিত হতে থাকে । সে একসময় গিটার শেখা শুরু করে এবং তার সুন্দর কন্ঠ এবং নিষ্ঠার ফলে একসময় রিয়ুসকের নবগঠিত ব্যান্ড বেকে যোগদেয় । এবং এর সদস্য চিবা , টারিয়া ,সাকুরাই এবং রিয়ুসকের সত্‍ বোন মাহোর সাথে কোয়ুকির দৈনন্দিন জীবন এবং বেকব্যান্ডের প্রতিষ্ঠিত হওয়ার চেষ্টা নিয়েই এই এনিমে । একটা রকব্যান্ডকে যে কত বাধাবিপত্তি সমস্যার মুখে পড়তে পারে এবং মিউজিশিয়ানদের স্ট্রাগল এবং ব্যান্ডের ভাঙ্গাগড়া নিয়েই এই এনিমের প্লটলাইন ।

Beck 2
প্রথম কথা হল ব্যাকের এনিমে এডাপ্টেশন করেছে ম্যাডহাউজ ,সুতরাং এনিমেশন কোয়ালিটি ভালো । এবং এর মূল আকর্ষন হল এর রিয়েলিস্টিক স্টোরিলাইন । সাধারনত মিউজিকাল এনিমেতে কিছু ফ্ল্যাশি সিন থাকে কিন্তু বেক দেখিয়েছে বাস্তবতাকে এবং সকল প্রকার ফ্ল্যাশি সিন বিবর্জিত আরও যে ব্যান্ড গঠন করলেই সব হয় না , তা ধরে রাখতে হয় । এখানে প্রত্যেক ক্যারেকটারের দৈনন্দিন জীবন নিখুত ভাবে দেখানো হয়েছে । এখন আসি সাউন্ডট্রাকের কথায় । এ ব্যান্ড হল ওয়ের্স্টান রকসঙ্গীত দ্বারা প্রভাবিত . তো বেকের ট্র্যাকগুলো ইংরেজিতে । তত্‍কালিন জাপানে ফ্রেডি , বিটলস , জিমি হেনড্রিক্স , লেড জ্যাপলিন এদের সঙ্গীত যে প্রভাব বিস্তার করেছিল তা এই এনিমে দেখলেই বোঝা যাবে । এবং এরা এই এনিমেতে একবার দেখাও দেয় !ট্রাকগুলো খুবই সুন্দর তবে আহামরি নয় । কোন ব্যান্ড গঠিত হলেই যে অসাধারন গান করতে হবে এমন কোন কথা আছে নাকি !?
এনিমে পর্ব মাত্র ২৬টি । এবং এই এনিমে অবশ্যই ডাবে দেখার চেষ্টা করবেন । আর এই এনিমে দেখার পর যখন অর্থহীন , শূন্য ,আর্টসেলের বা অন্য ব্যান্ডের গান শুনতে যাবেন , তখন হয়ত এই ব্যান্ডগুলোর শুরুর দিকে কি স্ট্রাগল করতে হয়েছে তা আপনার কল্পনায় উঁকি দিয়ে যাবে এবং সাক্ষী হবেন এক মিউজিশিয়ানের বেড়ে ওঠা , তো সময় থাকলে দেখে ফেলুন বেক মঙ্গোলিয়ান চপ স্কোয়াড !
আমার রেটিং ৯/১০

Ending theme: http://www.youtube.com/watch?v=HFOnL-XnCEM

এনিমে রিভিউঃ The Tatami Galaxy — Rezo D. Skylight

এনিমে রিভিউঃ
The Tatami Galaxy
পর্ব সংখ্যা: ১১
জনরা: Mystery, Psychological, Romance
স্টুডিও: Madhouse
মাইএনিমেলিস্ট রেটিং: ৮.৬৫
আমার রেটিং: ৯/১০

Tatami Galaxy

আমরা মনে মনে প্রায়ই বলি, “ইশ!! আজ যদি এই কাজটা না করে অই কাজটা করতাম তাহলে আজ আমার এই পরিণতি হত না।” বিশেষ করে আমাদের জিবনে হতাশা নেমে আসলে আমরা এই ধরণের কথা বার্তা বেশি বলি। এখন প্রশ্ন হল হতাশা কি? হতাশা আসলে কিছুই না। মানুশের নিজস্ব অসন্তুষ্টি থেকেই হতাশার উৎপত্তি। আমরা যদি অন্য রাস্তা ধরে হাঁটতাম আমাদের ভাগ্যের কি কোন পরিবর্তন হত? নাকি শেষ পরিনতি একই হত? মানুষের এই ধরণের আকাঙ্খা, অশান্তি আর হতাশাকে কেন্দ্র করেই ‘The Tatami Galaxy’ এনিমের কাহিনী রচিত।

এনিমের কেন্দ্রিয় চরিত্র ওয়াতাশি। সে তার কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। কিন্তু তার মনে নেই কোন সুখ, নেই কোন শান্তি। সে তার অতিতকে পরিবর্তন করতে চায়। তার ধারণা সে যদি অন্য ক্লাবে যোগ দিত বা অন্য কাজ করত তাহলে তার এই হাল হত না; সে হয়তবা খুঁজে পেত তার ‘rose colored life’। তার এই ইচ্ছা পুরন হয় এবং সে পুনরায় ফিরে যায় তার দুই বছর আগের জিবনে। কিন্তু প্রতিবারই তার এই অসন্তুষ্টি থেকে যায়। মনে হয় যেন সে একটা গালাক্সির মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে, যে গালাক্সি তার ৪.৫ টাটামি দিয়ে তৈরি ঘরের গালাক্সি। এইজন্যেই মনে হয় এনিমের নাম ‘The Tatami Galaxy’ দেয়া হয়েছে। যাই হোক এই ওয়াতাশিসহ আকাশি, অজু, হিগুচি নামের আরও অনেক ক্যারেক্টারকে কেন্দ্র করেই টাটামি গালাক্সির কাহিনী শুরু।

আমার কাছে টাটামি গালাক্সি খুব ভাল লেগেছে। যদিও আর্টস্টাইল কিছুতা অদ্ভুত ছিল। তারপরেও কয়েকটা এপিসোড দেখার পর সমস্যা হয় নেই। আর কমেডি হিসেবেই এনিমেটা চমৎকার ছিল। ওয়াতাশি আর অজুর কাজকর্ম দেখে অনেক হেসেছি। টাটামি গালাক্সি দেখে যে কেউই মজা পাবেন। আর কাহিনীর শেষটাও অত্যন্ত চমৎকার। তাই সময় পেলে দেখে ফেলুন স্টুডিও ম্যাডহাউস প্রযোজিত ১১ এপিসোডের এই অসাধরন এনিমেটি।

আনিমে রিভিউ: Mekakucity Actors — Munim Dipto

আনিমে: Mekakucity Actors
জানরা (Genre): অ্যাকশন, সুপারন্যাচারাল, ট্র্যাজেডি
এপিসোড সংখ্যা: ১২

4ba92a696df012b3aaa6b846a4da8121

গল্প (Story): জানরাতে ট্র্যাজেডি দেখে হতাশ হওার দরকার নাই। ট্র্যাজেডি থাকলেই যে আনিমে দেখা শেষে আপনাকে চোখের পানি ফেলতে হবে এমন কোন কথা নেই। কিছু অসাধারন গ্যাগ, সিরিয়াসনেস আর ট্র্যাজেডির সংমিশ্রনে তৈরি আমিনেটি আর দশটা আনিমের থেকে আলাদা। জানরাতে রোমান্স না থাকলেও হাল্কা রোমান্স প্লট আছে। বেশ কিছু ক্যারেক্টারের আলাদা কাহিনী নিয়ে গল্প। কাহিনী শুরুতে আলাদা মনে হলেও প্রতিটা সেগমেন্টের মধ্যে লিংক আছে। ধীরে ধীরে যা একটা সিঙ্গেল স্টোরিলাইনে আসে। প্রতিটা এপিসোডে গল্পের পেস চেঞ্জ হয়। বেকার, ঘরকুনো কিসারাগি শিন্তারো কে দিয়ে কাহিনীর শুরু। ধীরে ধীরে কাহিনীতে প্রবেশ করে আইডল মোমো, কিদো, কানো, সেতো এবং মারি সহ আরো অনেকে। এদের সবারই সুপারন্যাচারাল ক্ষমতা আছে। তবে এরা মোটেও সুপারহিরো না। কারন জনসাধারণের সেবা তো দূরে থাক, এরা নিজেদের ঝামেলা মিটাতেই হিমশিম খায়। কার সুপারন্যাচারাল পাওয়ার কেমন? তো কী ঝামেলাই বা তাদের? কী এমন ট্র্যাজেডি আছে তাদের জীবনে? জানতে চাইলে দেখে ফেলুন আনিমেটি।
আমার স্কোরঃ ৭/১০

শব্দ (Sound Effects): মাত্র ১২ পর্বের ভেতর এতগুলো OST মিউজিক খুব কম আনিমেতেই পাওয়া যায়। ওপেনিং এবং এন্ডিং সঙ ছাড়াও গল্পের ভিতর হঠাত করেই বাংলা সিনেমার মতো গান শুরু হবে। গানগুলো শুনতে খারাপ নয়, এমনকি দুয়েকটা গান আপনার মিউজিক প্লে-লিস্টে অ্যাডও হয়ে যেতে পারে। ক্যারেক্টারের ভয়েস একদম পারফেক্ট। SFX ও পারফেক্ট।
আমার স্কোরঃ ৮/১০

অ্যানিমেশন (GFX): স্টুডিও শ্যাফট এর অ্যানিমেশন। প্রতিনিয়তই এদের অ্যানিমেশন খুবই ইউনিক। কালার ও কনট্রাস্টের ঘাটতি নেই একদম। তবে যারা এই জাতীয় অ্যানিমেশনের সাথে পরিচিত না তাদের কাছে প্রথমে অদ্ভুত লাগবে এবং এডজাস্ট হতে একটু সময় লাগতে পারে। তবে মোটেও খারাপ লাগবে না আশা করা যায়।
আমার স্কোরঃ ৮/১০

কেন দেখবেন (Enjoyment): ভাল লাগলে এক আসরে দেখে ফেলার মতো কারন এর থ্রিলে ঢুকে পরলে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখবে। গল্পে অনেক রূপসী নারীর দেখা পাবেন। ছেলে ক্যারেক্টার গুলাও যথেষ্ট ইন্টারেস্টিং। রেগুলার আনিমের ভীড়ে পেস চেঞ্জ করার জন্য আনিমেটি দেখতে পারেন।
আমার স্কোরঃ ৭/১০

প্রতিকূলতা (Con): অনেক সেগমেন্ট একসাথে থাকায় শুরুতে মাথায় জট লাগতে পারে। তাই প্রথম ৩ এপিসোড একটু খাপছাড়া লাগবে। জনপ্রিয় আনিমে মোনোগাতারি সিরিজের সাথে অনেক দিক দিয়ে মিল পাওয়া যাবে। এমনকি ক্যারেক্টারেও মিল পাবেন। তবে এটাকে ইতিবাচক নাকি নেতিবাচক ভাবে নিবেন সেটা সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করবে।

ওভারঅল: আপনার দেখা সেরা আনিমের লিস্টে হয়ত এটি স্থান পাবে না। তবে ভাল কিছু আনিমের মধ্যে থাকবে আশা করা যায়। তাই যারা এখনও দেখেননি দেখে নিতে পারেন।
পার্সোনাল অভারঅল রেটিং ৭.৫/১০

বিঃদ্রঃ আনিমেটি দেখার সময় এন্ডিং সঙ এর পরে আরও একটি স্টোরি সেগমেন্ট আছে যেটা বাদ দেবেন না।

Behind the Voices – 09

মোরিকুবো শৌতারো

মোরিকুবো শৌতারো একজন কণ্ঠ অভিনেতা যে সাধারণত নারুতো আনিমেটির শিকামারু চরিত্রটির কণ্ঠ দেওয়ার জন্য-ই সবচেয়ে বেশি পরিচিত । তবে সে শিকামারুর মত বিজ্ঞ চরিত্রের চেয়ে বরং তুলনামূলক ভাবে রুক্ষ চরিত্রের রোল নেয় বেশি । তার কণ্ঠ পুরুষের কণ্ঠের তুলনায় বেশ হাই পিচড এবং ডিপ ।

তার যে সুধু শিকামারু এই একটা চরিত্রই চিরচেনা তা নয় । সে আরও অনেক চেনা জানা চরিত্রের কণ্ঠ দিয়েছেন কিন্তু হয়তো সেই রোলগুলা খুব কম অ্যাপ্রিশিয়েটেড । আমার কাছে তার প্রিয় রোলগুলো হল ইয়োআমুশি পেডালের মাকিশিমা ইয়ূসকে, ম্যাজাই-এর শার্কান এবং হাকুঔকির ওকিতা সৌজি । এছাড়া নুরারিহিয়োনের আকিফুসা, পার্সোনা 4-এর হানামুরা এবং শিকামারু নারা এই রোলগুলাও আমার বেশ প্রিয় । তার সব রোলগুলো এই লিঙ্কে http://goo.gl/NA8V9k গিয়ে এক নজরে দেখে আসতে পারুন ।

একজন গায়ক হিসেবেও তার ভালো খ্যাতি আছে । তার জন্ম ফেব্রুয়ারি ২৫, ১৯৭৪ । একজন ভালো কণ্ঠ অভিনেতা তিনি কিন্তু সামনে তার আর কোন রোল না পেলে মন খারাপ হবে না ।

মোরিকুবো শৌতারো

তামুরা ইয়ুকারি

তামুরা ইয়ুকারি একজন ভালো কণ্ঠ অভিনেত্রী যিনি সাধারণত তার আইডোল হিসেবে ইমেজ রাখার জন্য বেশি পরিচিত । তিনি ইয়ুকারিন এই নামেও বেশ পরিচিত যদিও এটা তার ভক্তদের মাঝেই আর ইয়ুকারিন বলতে আরেক জন কণ্ঠ অভিনেত্রীকেও বোঝায়, ফুকুই ইয়ুকারি । যাই হোক তামুরা ইয়ুকারির সম্পর্কে সাধারণত মানুষের মাঝে দুই রকম প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, এক দলের লোক তার বিশাল বড় ভক্ত আরেক দলের তাকে খুব তেমন একটা পছন্দ করে না আর তৃতীয় পক্ষ তাকে চেনেই না ।

আমি প্রথমে তার নারুতোর তেনতেন, কুরোশিতসুজির এলিযাবেথ্ এবং আকামে গা কিলের মাইন এই রোলগুলোর জন্য পছন্দ করতাম না । পরে কাতানাগাতারিতে তার তোগামে রোলটা দেখে ভক্ত হয়েছি । যদি বলতে হয় আমার কাছে তার সেরা রোল কোনটা তাহলে সেটা অবশ্যই তোগামে । এছাড়া স্টাইন্স গেটের আমানে সুযুহা, ইনফিনিট স্ট্রাটোসের শিনোনোনো তাবানে, নো গেম নো লাইফের জিব্রিল এই রোলগুলো বেশ ভালো লেগেছে । তার সব রোলগুলো এইখানে http://goo.gl/nurgVh গিয়ে এক নজরে দেখে আসতে পারুন ।

কণ্ঠ-অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি গায়িকা এবং গান লেখেনও । তার অনেক ভালো ভালো গান আছে, শোনার ইচ্ছা থাকলে নিজে বের করে নিয়ে শুনে নিয়েন । তার জন্ম 27 ফেব্রুয়ারি, 1976 । আজ কাল তার কণ্ঠ অভিনয় বেশ ভালোই লাগে তাই সে সামনে আরও রোল পেলে বেশ খুশি হব ।

তামুরা ইয়ুকারি

মাঙ্গা রিভিউ: Tales Of The Unusual — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

যারা রেগুলারলি হরর মাঙ্গা পড়েন বা শর্ট হরর মাঙ্গার ভক্ত তাদের কাছে The Red Book এবং Fuan no Tame মাঙ্গা পরিচিত নাম । এদুটো মাঙ্গার বৈষিট্য হচ্ছে ১-২ পৃষ্ঠার মধ্যে একেকটি হরর কাহিনী এবং প্রায় সংলাপহীন । এর মধ্যে দ্যা রেড বুক আবার কালারড । এখন দ্যা টেলস অফ দি আনইউজুয়াল এই টাইপের মাঙ্গা তবে এর কাহিনী বড় এবং সংলাপযুক্ত ।
এই মাঙ্গার কাহিনী বিভিন্ন ধরনের হরর নিয়ে । সবগুলোতেই ভূতপ্রেত নিয়ে কাহিনী না বরং এর মধ্যে সায়েন্সফিকশনাল হররও আছে । যেমন স্বপ্নে হত্যার অর্ডার দেয়া , নতুন ধরনের বিউটি লোশন যা আপনাকে সুন্দর কর তুলবে কিন্তু অতিরিক্ত ব্যাবহার আপনাকে পুরোই বদলে দেবে , ফ্রান্সিস কাফকার মেটামরফসিস গল্পের ছায়া নিয়েও একটা গল্প আছে আরও আছে স্কন্দ্ধকাঁটা যাদুকরসহ আরও অনেক কিছু ।
মাঙ্গার আর্টস্টাইলকে ঠিক সুন্দর বলা যাবে না ,কিন্তু হররমাঙ্গার আর্ট সুন্দর আশা করা কি উচিত !? কালারিং মাঙ্গা হওয়ায় পড়ে মজা আছে । এটা অনগোয়িং মাঙ্গা এবং এর সর্বশেষ ১০৭টি চ্যাপ্টার বের হয়েছে । আপনি যদি ফুয়ান নো তামে এবং রেড বুকের ভক্ত হন . তাহলে অবশ্যই এই মাঙ্গাটি ট্রাই করে দেখবেন । আশা করি কিছু হলেও ভয় লাগবে !
আমার রেটিং : 7/10

tou 1tou 2

এনিমে সায়েন্স ৩ – স্পাইরাল ভার্সেস এন্টি স্পাইরাল

এসে গেছি আবারও এনিমে সায়েন্স সেগমেন্ট এর তৃতীয় পর্ব নিয়ে।

আগের পর্ব দুটিতে স্পাইস এন্ড উলফ ওরফে মসল্লা এবং নেকড়ের প্রথম ৬ টি পর্বের প্রেক্ষাপটে মধ্যযুগের অর্থনৈতিক অবস্থার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছিল।

AS3

এবারের পর্বে থাকবে Tengen Toppa Gurren Lagann এর স্পাইরাল এবং এন্টি স্পাইরালের সায়েন্টিফিক বর্ণনা (এনিম লজিকে) এবং সেই সাথে দুই ক্ষমতার মধ্যে বিরোধের কারনও বর্ণনা করা হবে।

মাস দুয়েক আগে এনিমখোর গ্রুপের একজন সদস্য Gurren Lagann দেখে চমৎকৃত হয়ে নিজের রিএক্সন পোস্টে স্পাইরাল ক্ষমতা আসলে কি জিনিস সে ব্যাপারে প্রশ্ন করেছিল। কমেন্টে আমি মোটামোটিভাবে একটা ব্যাখ্যা দিয়ে দিয়েছিলাম।এই লেখাটা মূলত সেই কমেন্টের ব্যাখ্যার সামান্য কিছুটা বিস্তৃতি।

যাই হোক, তাহলে শুরু করি আমাদের আজকের সেগমেন্ট।

তবে তার আগে…..

যারা যারা এনিমটি দেখেননি তাদের জন্য স্পয়লার এলারট>>>>>

.

.

.

.

.
স্পাইরাল ক্ষমতা

স্পাইরাল পাওয়ার হল পাওয়ার অফ ইভল্যুশন বা বিবর্তন এর ক্ষমতা যার উপর নির্ভর করে সমগ্র ইউনিভার্স উন্নতি করছে। মহাবিশ্বের সমস্ত কিছুই স্পাইরালের মত ঘুরছে, যেমনঃ বিগ ব্যাং এর পর থেকে সমগ্র ইউনিভার্স, গ্যালাক্সিগুলো, গ্যালাক্সির ভিতরের সোলার সিস্টেমগুলো, সোলার সিস্টেমগুলোর ভিতরের সূর্যগুলো, এর চারপাশের গ্রহগুলো, উপগ্রহগুলো এবং এমনকি আমাদের শরীরের ইলেকট্রনগুলোও ঘূর্ণায়মান। বলাই বাহুল্য যে আমাদের শরীরের ডিএনএ এর কাঠামোও স্পাইরাল বা প্যাঁচানো সিঁড়ির মত। অর্থাৎ সবকিছুই স্পাইরাল অবস্থায় আছে। স্পাইরাল শক্তি দিয়ে ইভল্যুশন বা উন্নতি সম্ভব যার কারনে তারা মেটালের রোবট বা গানম্যানগুলোর মধ্যেও এত দ্রুত বার বার কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয় এবং তাও আবার এটমিক বা আনিবিক লেভেলে। আর একটি ড্রিল যা কিনা স্পাইরাল হিসেবে ঘুরে তা দিয়ে যে কতকিছু করে ফেলা যায় সেটা তো আমরা দৈনন্দিন জীবনেই দেখছি!

এই কারনেই মনে হয় এনিমের নাম হয়েছে গুরেন লাগান। খুব সম্ভবত এর আসল অর্থ হল ঘুরান লাগান! আপনারা দেখবেন যে এনিমে বার বার ড্রিল মেশিনকে বা ড্রিলিং করাকে বেশ হাইলাইট করা হয়েছে। ড্রিল মেশিন যেহেতু ঘুরিয়ে ঘুরিয়েই লাগায় সেক্ষেত্রে বলতেই হবে যে এনিমটির নামকরন বেশ সার্থক হয়েছে। :v

এছাড়াও স্পাইরাল ক্ষমতার একটি বড় উদাহরণ হল আমাদের এসাইনমেন্টগুলোকে স্পাইরাল বাইন্ডিং করা। দেখবেন যে সাধারণ স্টাবলারের পিন মেরে দেওয়ার থেকে স্পাইরাল বাইন্ডিং করে দিলে টিচারেরা তুলনামূলক খুশি হয়। এ থেকেই বাস্তব জীবনে স্পাইরাল ক্ষমতার কিছু আভাস আমরা পেতে পারি!  😛

 

 

 

এন্টি স্পাইরাল ক্ষমতা

এন্টি স্পাইরাল হল স্পাইরালের ঠিক উল্টো। স্পাইরাল যেখানে সব সময় উন্নতির দিকে যেতে চায় এন্টি স্পাইরাল সেখানে হতে চায় স্থবির। অর্থাৎ উন্নতির ঠিক উল্টো দিক বা অবনতিই হল এন্টিস্পাইরাল।

এখন প্রশ্ন হল যে স্পাইরাল এবং এন্টি স্পাইরালের এই দ্বন্দ্ব কিভাবে শুরু হল?

আসলে যারা এখানে এন্টি স্পাইরাল তারা নিজেরাও এক সময় স্পাইরাল প্রাণী ছিল। তারা প্রযুক্তিতে উন্নতির চরম শিখরে গিয়ে জানতে পারে যে এই উন্নতিই মহাবিশ্বের ধংসের কারন হয়ে দাঁড়াবে। স্পাইরাল প্রাণীরা স্পাইরাল শক্তি দ্বারা বিবর্তিত হতে হতে এত উন্নত হয়ে যাবে যে একটা সময় ইন্ডিভিজুয়াল একেকটা সত্ত্বা একেকটা গ্যালাক্সির মত কাজ করবে। অর্থাৎ একটি মানুষ তখন একটি গ্যালাক্সির মত শক্তিশালী হয়ে যাবে! সেই গ্যালাক্সিগুলো একটি আরেকটির আকর্ষণ শক্তির টানে মিশে গিয়ে সুপার ব্ল্যাক হোল তৈরি করবে যা মহাবিশ্বের বাকি পদার্থগুলোকেও শুষে নিতে থাকবে। এভাবে সমগ্র ইউনিভার্স ধ্বংস হয়ে বিগ ব্যাং এর পূর্ববর্তি অবস্থা অর্থাৎ প্রাইমরডিয়াল বা প্রিমরডিয়াল ফায়ার বলে পরিনত হয়ে যাবে।

এই কারনে তারা নিজেদের ধ্বংস ঠেকানোর জন্য তাদের গ্রহের সকল উন্নত প্রাণীদেরকে চিরদিনের জন্য নিদ্রায় পাঠিয়ে দেয় যাতে করে আর কোন ইভল্যুশন বা উন্নতি না হয় তাদের। এভাবে তারা এন্টি স্পাইরাল বা স্থবির ক্ষমতা সম্পন্ন একটিমাত্র প্রাণীতে পরিনত হয় তাদের সকলের মানসিক ক্ষমতা এবং সকল প্রজুক্তিগত ক্ষমতা একত্রিত করে।

এরপরে এই এন্টিস্পাইরালেরা মহাবিশ্ব রক্ষা করার এই গুরু দায়িত্ব নিয়ে গরুর মত স্পাইরাল প্রাণীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা দেয়। তারপর বিশাল যুদ্ধের পর মহাবিশ্বের উন্নত প্রাণীদেরকে বিলুপ্তপ্রায় করে দিয়ে, সকল স্পাইরাল জাতিকে ওয়েডিং রিং এরপরিবর্তে সাফারিং দিয়ে বোরিং অনুন্নত একটা মহাবিশ্বকে পুরো উদ্ধার করে ফেলে!!

যদিও এরকম একটা মহাবিশ্বের কি প্রয়োজন আছে সে ব্যাপারে তারা কথা বলতে বেশ অনীহা প্রকাশ করেছিল!!!

আজকের মত আমি পাভেল আহমেদ তাহলে এখানেই শেষ করছি।

ভালো থাকুন

সুস্থ থাকুন

সুখে থাকুন

শান্তিতে থাকুন এবং…..

এনিম দেখুন

ইচ্ছা করলে মাঙ্গা আর লাইট নভেলও পড়তে পারেন

চাইলে ভিজুয়াল নভেল নিয়েওনড়েচড়ে বসতে পারেন!

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ৩০তম পাঠ

***কানজি কানজি কানজি***

আজকের কানজি “গরু”র কানজি …. উচ্চারণ “গিউউ/উশি”

Ushi

উশি মানে হল গরু ….
ওসুউশি-bull..ওউশিজা-taurus …কোউশি-বাছুর…

এসব ক্ষেত্রে “উশি”র জায়গায় এই কানজি টা বসে…

গিউউনিউউ- milk… গিউউনিকু-beaf (গরুর নিকুর মত ঐশিই আর কি কিছু আছে? 😛 )….তৌগিউউ-bull fighting…

এসব ক্ষেত্রে “গিউউ”র জায়গায় এই কানজি টা বসে…

আজকে এপর্যন্তই..মাতা নে 🙂

Rare Anime Recommendation: Chinmoku no Kantai — Rafid Rahim

Chinmoku no Kantai
জনরাঃ Military, Seinin, Drama, OVA
Link: https://www.youtube.com/watch?v=euV4ki99yvk

(এই আনিমেটি কেউ সাব করেনি সুতরাং ইউটিউবে শুধু এর ইংরেজি পাওয়া যায়,অন্য কোন সাইটে পাওয়া যায় না)

ব্যক্তিগত রেটিং: ৭.০/১০
পটভূমিঃ সময়টা ৭০ দশকের দিকেই স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন,আমেরিকা একটি অত্যাধুনিক পরমানবিক সাবমারিন তৈরি করে। সাবমারিনটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয় কিছু জাপানিজ ক্রুদের।কিন্তু তারা সাবমারিনটি নিয়ে পালিয়ে যায়।সাবমারিনটির মধ্যে পরমানবিক অস্ত্র আছে বলে সবাই তাদের ভয় করতে শুরু করে।
আমেরিকান নৌবাহিনী তাদের সর্বাত্মক শক্তি দিয়ে বিভিন্ন ভাবে সাবমারিনটি ধাওয়া করলেও প্রতিবারি বিভিন্ন চৌকশ কৌশল অবলম্বন করে তারা বার বার পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।কিন্তু জাপানিজ ক্রুরা সাবমারিনটি নিয়ে পালালো কেন?তাদের লক্ষ কি?তারা কি Defect করার চেষ্টা করেছে নাকি বিশ্বযুদ্ধ শুরু করার চেষ্টা করছে? রহস্যটি জানতে হলে অবশ্যই আনিমেটি দেখতে হবে।

মুভিটিতে দেখার মত যা যা আছে-
# কমব্যাট দৃশ্য গুলো খুবই উত্তেজনাপূর্ণ। সাবমারিন নিয়ে যে কত ধরনের চতুর কৌশল ব্যবহার করা যায় তা এই মুভি না দেখলে কল্পনাও করা যাবে না।
# পুরো মুভি জুড়ে প্রচুর অ্যাকশান, ড্রামা, সাসপেন্সে এবং থ্রিলার দৃশ্য রয়েছে।
#৭০ দশক এর বিভিন্ন হিস্তরিকাল ফিগারদের এই মুভিতে দেখানো হয়েছে।

বিদ্রি-
# এই আনিমেটি হলিউড মুভি “The Hunt for Red October” এর সাথে কিছু মিল পাওয়া যায়। তবে আনিমেটির মাঙ্গা হলিউড মুভিটি বের হওয়ার আগেই শুরু হয়েছিল।
# এই আনিমেটি “The Silent Service” মাঙ্গা থেকে ৩টি OVA হিসেবে বের হয়েছিল। ৩টি OVA একসাথে করেই মুভিটি পাওয়া যায়।
# আনিমেটা কিছুটা জাপানিজ পক্ষপাতপূর্ণ যা অনেকের কাছে বিরক্তিকর লাগতে পারে।

Chinmoku no Kantai

এনিমে রিভিউ: Time of Eve — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

আমাদের মানুষদের মধ্যে একটা এরোগ্যান্ট ভাব আছে যে , মানুষ ছাড়া অন্য কোন কিছু ইমোশন অনুভব করতে পারবে না । মানুষ হয়তো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরী করতে পারবে এবং মনে করতে পারে যে এই বুদ্ধিমত্তাকেও আমারা নিয়ন্ত্রনও করতে পারবে । কিন্তু সবসময় সবকিছু প্ল্যান অনুয়ায়ী হয় না । এখন এই এনিমের কাহিনী আগায় ভবিষ্যত নিয়ে যেখান এন্ড্রয়েড রোবট প্রাত্যহিক জীবনে সহজলভ্য ,এন্ড্রয়েড থেকে মানুষকে আলাদা করা যায় শুধু তাদের মাথার উপরকার হলোগ্রাফিক রিং দেখে । এদের মধ্যকার অজানা অনুভূতি নিয়েই এনিমের কাহিনী ।

Eve 1

এই এনিমের কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে রিকোও সাকিসাকা । সে একজন মেধাবী ছাত্র এবং ট্যালেন্টেড পিয়ানোবাদক । কিন্তু এক অনুষ্ঠানে একটি রোবটের পিয়ানো বাজানো শুনে সে একই সাথে মুগ্দ্ধ এবং বিষাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে । তার বাসায় অন্যসবার মতোও একটি এন্ড্রয়েড কাজ করে । এই এন্ড্রয়েড এর প্রত্যেকদিনকার কর্মকান্ড চেক করতে গিয়ে একদিন সে খাপছাড়া কিছু লক্ষ্য করে । একটি নির্দিষ্ট টাইমের জন্য তাদের স্যামি নামের এন্ড্রয়েড রোবটটি অনুপস্থিত ছিল এবং সে সময়কার জাগায় একটি অদ্ভুত কথা লেখা ” Are you enjoying the time of eve ? ,, এবং তার বন্দ্ধুকে নিয়ে খুজে বের করে এক ক্যাফে যার নাম ” Time of eve ,, এবং সেখানের নিয়ম হচ্ছে মানুষ এবং রোবটের মধ্যে পার্থক্য করা যাবে না । সেখানে গিয়ে সে আবিষ্কার করে যে রোবটদের মধ্যেও মনুষ্য আবেগ আছে এবং রোবোটিক্সের ৩ আইনের মধ্যকার কয়েকটি ফাকাফোকড় এর ফলে রোবটরাও মালিকের কাছ থেকে মিথ্যা বলে তথ্য গোপন রাখতে পারে ।রিকোও এটা প্রথমে কিছুতেই মেনে নিতে পারে না । কেননা রিকোওর আশংকা রোবটরা মানুষকে ছাড়িয়ে এগিয়ে যাবে । কিন্তু তা কি সত্যিই , নাকি রোবটরা শুধু চায় একটু স্নেহ , ভালবাসা পেতে ? কি হয় সামনে ?
এটি একটি অসাধারন সায়েন্স ফিকশন স্লাইস অফ লাইফ । এটার মাত্র ৬টি এপিসোড এবং একেকটি ১৫মিনিটের । এটাকে আবার মুভি হিসেবেও রিলিজ দেওয়া হয়েছে । এই এনিমের আর্ট এবং গ্রাফিক্স খুবই সুন্দর এবং বেশ ঠান্ডা ধরনের এনিমে । যদিও এন্ডিংটা কিছু প্রশ্ন রেখে যায় মনে ।সময় থাকলে এবং মাথা ঠান্ডা করা নরমাল কিছু দেখতে চাইলে শুরু করে দিন দেখা Time of Eve !
আমার রেটিং: 7/10

Eve 2