A V’s Random Suggestion: Heroic Age

☞ Presenting “Heroic Age”

[First of all – “Heroic Age” isn’t a Mecha anime, প্রধান চরিত্র যে জিনিসটাতে রুপান্তরিত হয় সেটা আর যাই হোক ‘বট নয়। যে যাই বলুক, আমি একে মেকা বলতে নারাজ।]

 

দূর ভবিষ্যতে , মহাবিশ্বের কোন এক প্রান্তে কিছু প্রাণী ছিল যারা নিজেদের “The Tribe of Gold” বলে আখ্যায়িত করত । তারা গ্রহানিপুঞ্জ সৃষ্টি করেছিল এবং তারা ভবিষ্যত দেখতে পারত । একদা তারা মহাবিশ্বের সকল উন্নয়নশীল জাতির প্রতি এক বার্তা পাঠাল- “Come Forth, From The Planets You were Born on, Out into Space”

তিনটি জাতি তাদের এ ডাকে সারা দিল, Tribe of Gold তাদের নাম দিল “The Tribe of  Silver”, “The Tribe of  Bronze” এবং “The Tribe of  Heroes”. শেষ মূহুর্তে চতুর্থ যে জাতিটি নিজ ক্ষমতায় মহাশূন্যে এ বেরিয়ে এল তারা হল মানবজাতি, Tribe of Gold তাদের নাম দিল “The Tribe of Iron”.

Tribe of Gold যখন এই মহাবিশ্ব ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিলো তখন একটা বিশেষ ঘটনা ঘটল, একটি মহাশূন্যযান একটি নির্দিষ্ট গ্রহে ক্রাশ ল্যান্ড করল। ঐ মহাশূন্যযানে ছোট একটি বাচ্চা ছাড়া কেউ জীবিত ছিলনা। Tribe of Gold তখন Tribe of  Heroes এর একজনকে এই বাচ্চার জীবন রক্ষা করার আদেশ দিল। তারা ঘোষনা করল; এই বাচ্চার অধিকার পাবে শুধুমাত্র Tribe of Iron, এবং মানবজাতির উদ্দেশ্যে একটি বার্তা পাঠাল- “Humans: The Child of Your Destiny is Here” .

এরপর, Tribe of Gold এই চার জাতিকে তাদের উত্তরসূরী হিসাবে রেখে এই মহাবিশ্ব ত্যাগ করে; অন্য মহাবিশ্বের উদ্দেশ্যে রওনা হল। আর মানবজাতি মুখমুখি হল ভয়াবভ এক লড়াইয়ের – বেঁচে থাকার লড়াই।

A V’s Random Suggestion: Aishiteruze Baby, & UFO Baby

দু’টোই মাস্ট ওয়াচ এনিমে তাই আর Synopsis লেখার ঝামেলায় গেলাম না ।  এনিমে দু’টো ভালো লাগবেই ।

 

[অনেকেই হয়তো দেখে ফেলেছেন,কিন্তু যারা দেখেনি/নতুন ওটাকু তাদের জন্যে নাম দু’টো তুলে আনলাম]

A V’s Random Suggestion: Kousetsu Hyaku Monogatari A.K.A. Requiem from the Darkness A.K.A. Hundred Stories

[Warning: If you’re looking for a happy, warm anime, stay away.If you have a weak constitution to gore or horror, stay away. On the other hand, if you enjoy taking a trip into twisted darkness, don’t mind blood and gore and love sinister plot twists, this is an anime you’ve been looking for.]

গল্পের নায়ক মোমুস্কে একজন যুবক গদ্য লেখক । মোমুস্কে গ্রমাঞ্চলের প্রচলিত রহস্যময় ও অপ্রীতিকর গল্পগুলোকে সংকলন করতে ইচ্ছুক । তো, সে তার উদ্যেশ পূরণ করার লক্ষ্যে দেশ ভ্রমনে বেরুলো । পথিমধ্যে তার সাথে পরিচয় হল ওগিন, নাগামিমি এবং মাটাইচি নামক তিন ওঙ্গিঊর (ওঝা) সঙ্গে ।

এই তিনজনেরই আবার অদ্ভুদ কিছু ক্ষমতা রয়েছে । ওঙ্গিঊরা মূলত অতৃপ্ত আত্নাদের মুক্তিদান করে থাকে । তো, গল্পের নায়ক মোমুস্কেও ভীরে গেল তাদের সঙ্গে , এবং সম্মুখিন হতে লাগল Dark, Disturbing যতসব ঘটনার সঙ্গে ।

Kousetsu Hyaku Monogatari এর আর্টের ধরনটা Original , যা কিনা এর কাহীনির সাথে একটা ভয়াল পরিবেশ সৃষ্টিতে সাহায্য করে । এটা এমনই একটি এনিমে যেটা, রাতের বেলা বাতি নিভিয়ে দেখলে স্যত্তিকার অর্থেই আপনাকে আতঙ্কিত করে তুলতে পারে ।

[নোটঃ মাটাইচি চরিত্রের Voice Acting করেছেন DBZ ফ্রীজা খ্যাত Ryūsei Nakao, যার কন্ঠ হয়ত আপনারা অন্যান্য এনিমেতেও শুনে থাকবেন]

A V’s Random Suggestion: Casshern Sins

Presenting “Casshern Sins”

আসিতেছে “Casshern Sins” …Sins…Sins…Sins (echo) 🙂
অদূর ভবিষ্যত, মানুষের সাথে যুদ্ধে জয়ী হয়ে জ্বরাহীন রোবটেরা ধরেই নিল তাদের দুঃখের দিন বুঝি শেষ হতে চলেছে। কিন্তু বিধীবাম, মরনব্যাধী “জং” (rust) হানা দিল তাদের মাঝে। ব্যপারটা ভালোভাবে মেনে নিল না তারা,শুরু হলো অরাজগতা।

এমতাবস্তায় একটি গুজব আলোড়ন সৃষ্টি করল- মৃত্যুকে মুক্ত করেছে “ক্যাসান”, “খতম কর ক্যাসান,হবে সব সমস্যার সমাধান”-এই রকম একটা রব উঠলো চারিদিকে।ব্যাস,বাঁচার আঁশায় ক্যাসানকে খতম করতে আট-ঘাট বেঁধে নামল রোবটেরা।

ওদিকে আমাদের গল্পের নায়ক ক্যাসান (Robot) যে কিনা সৃতিশক্তি হারিয়ে; খুজে বেরাচ্ছে নিজেকে,খুজে বেরাচ্ছে নিজের অতীতকে।
সে কি পারবে বৈরী মনোভাবের রোবটদের কাছ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে?
পারবে তার পাপের প্রাসচিত্র করতে,যে পাপের জন্যে তাকে দায়ী করা হচ্ছে?
জানতে হলে আজই দেখুন “Casshern Sins” …Sins…Sins…Sins (echo).

 

Miscellaneous:

“Casshern Sins” is a heavily underrated anime (One of my personal favorite. 🙂 ) .To be honest- this anime is not for novice viewers.This anime is slow paced.There is a lot of silence, introspection, and philosophical dialog.

Casshern Sins strengths in it’s simple but interesting story, cool sounds & high budget animation [By madhouse who brought us Black Lagoon, Boogiepop Phantom, Death Note, Dennou Coil, Gunslinger Girl, Nana, everything Satoshi Kon, Texhnolyze, Trigun, and X]

A V’s Random Suggestion: Last Exile

◎ Presenting “L A S T  E X I L E”

“লাস্ট এক্সাইল” গনজো স্টুডিওর এবং বিরল প্রজাতীর স্টীম পাঙ্ক আনিমে জনরার অন্যতম সেরা একটি আনিমে। এর এনিমেশন , স্টোরি আর ক্যারেকটার ডেভলোপমেন্ট – বিন্দাস।

[This Anime is one of my personal favorite]

ক্লাউস আর লেভী দুই বাল্য বন্ধু । তারা সাধারনত এক নীরিহ দর্শন ভ্যানশীপের [এক প্রকার আকাশযান] মাধ্যমে কুরিয়ার সার্ভিসিং করে থাকে । ক্লাউস ভ্যানশীপের পাইলট এবং লেভী নেভিগেটর ।

ঘটনা প্যাঁচ খেল তখন, যখন তাদের সাথে দেখা হল এক মৃতপ্রায় পাইলটের । সে ক্লাউসদের নিজের ব্যর্থ মিশনটা গছিয়ে দিল । “আলভিস” নামক এক পুঁচকে মেয়েকে যে কোন মূল্যে পৌছে দিতে হবে “সিলভিয়া” নামক এক মার্সেনারী ব্যটলশীপে ।

দায়ীত্ব পালনরত অবস্থায়, হঠাৎ তারা নিজেদের আবিষ্কার করল “আনাতরে” এবং “ডিসিথ্” নামক দুই দেশের এয়ার ব্যটলের মাঝে। চারপাশে কামান গোলা ,রাইফেলের বুলেট ,মেশিনগানের শব্দ এবং বারুদের গন্ধ, এতকিছু ছাপিয়ে একটা জিনিস পরিষ্কার ভাবে ফুটে উঠল-

শুরু হতে যাচ্ছে ক্লাউস আর লেভীর অনবদ্য এক অডভেঞ্চারের কাহিনী ।

A Special thanx goes to Fuad Hassan.

 

A V’s Random Suggestion: Genji Monogatari Sennenki

▣ Presenting a Special Anime “Genji Monogatari Sennenki”

[জাপানের কিংবদন্তি লেখক “মুরাসাকি শিকিবু” -র রচিত উপন্যাস “গিনজো মনোগাতারী” অবলম্বনে নির্মিত এই এনিমে।]

ছেলেটির [হিকারু] জন্ম এক সম্রাটের ঘরে, সম্রাটের ২য় সন্তান হিসাবে । ছেলেটি তার মাকে হারালোও অল্প বয়সে । সম্রাট ছেলেটির মাকে খুব ভালোবাসত,মায়ের অবর্তমানে ২য় ছেলেটিই হয়ে উঠল তার চোখের মনি । যেহেতু সে ২য় সন্তান,তাই পরবর্তীতে যাতে কোন ঝামেলা না হয় সেজন্য সম্রাটের হুকুমে রাজকোর্টে তাকে ১টি উচু পদ দেয়া হল [যেহেতু সে কখনো সম্রাট হতে পারবে না] ।

ছেলেটির প্রথম ভালোবাসার অভিজ্ঞতাও হলো অল্প বয়সে । ছেলেটির বয়স যখন ৯ বছর, সম্রাট ছেলেটির সাথে ১৪ বছর বয়সী মেয়েটির [ফুজিৎসুবো] পরিচয় করিয়ে দিল তার নতুন হবু স্ত্রী এবং ছেলেটির সৎ মা হিসাবে । ১ম দেখাতেই ছেলেটি ভালোবেসে ফেলল মেয়েটিকে,ওদিকে মেয়েটি ছেলেটিকে গ্রহন করল ছোটভাই হিসাবে । কিছুদিন চলল এভাবেই ।

হঠাৎ ছেলেটি একদিন প্রপোজ করে ফেলল মেয়েটিকে । মেয়েটি প্রচন্ড রকমের শকড্ হলো , কোন উত্তর দিলো না ছেলেটিকে । যদিও সে ছেলেটাকে পছন্দ করে , তাই বলে এই সম্পর্ক কি হয়? সমাজ কি বলবে? মেয়েটি ছেলেটাকে ধীরে ধীরে এরিয়ে চলতে শুরু করল ।

ওদিকে মেঘে মেঘে বেলাও অনেক হলো । ছেলেটি ১২ তে পাঁ দিল এবং ছেলেটির “come of age ceremony” সম্পন্ন হলো যার মাধ্যমে ছেলেটি নাম লেখালো প্রাপ্তবয়স্কের খাঁতায় । আইন অনুযায়ী ছেলেটি আজ হতে হবু লেডী কোন মেয়ের সাথে কথা বলা তো দূর কি বাত্ একই কক্ষে অবস্থান পর্যন্ত করতে পারবেনা । আনুষ্ঠানিকতা শেষে ছেলেটা শেষবারের মত মেয়েটার সাথে দেখা করতে গেল ।

ছাদ হতে মেঝে অব্দী ভারী পর্দা ঝোলান ১টা কক্ষ,পর্দার এক প্রান্ত থেকে ছেলেটা; মেয়েটিকে জিজ্ঞাসা করল “শেষবাবের মতও কি দেখা পাবোনা?” । এবারো কোন উত্তর দিলনা মেয়েটা । বেশ খানিকক্ষন অপেক্ষা করে; হতাশ হয়ে ফিরে যেতে লাগলো ছেলেটা, আর মেয়েটা নীরবে চোখের জল ফেলল । [End of 1st episode]

অসাধারন কিছু সাউন্ড ট্যাক ব্যবহার করা হয়েছে ১১ পর্বের এই এনিমেতে । একটু ম্যেচুর্ড অডিয়েন্সকেই সাজেস্ট করব এই এনিমেটা দেখার জন্য ।

A V’s Random Suggestion: Armitage III

☻Presenting “Armitage III”

সাইবার পাঙ্ক বললে সবার প্রথম উঠে আসে- Appleseed, Battle Angel Alita, Cyber City Oedo 808, GITS এবং Akira এসব বাঘা বাঘা এনিমের নাম । যারা সাইবার পাঙ্কের বড় ফ্যান (like me 😛 ) তাদের কাছে Genocyber, AD Police,Bubblegum নামগুলোও নতুন নয়। Armitage III তেমনি একটি এনিমের নাম যাকে অনায়াসে প্রথমসারীর সাইবার পাঙ্কের কাতারে রাখা যায়।
“So, Don’t let this series pass you by”

A V’s Random Suggestion: Saint Seiya The Lost Canvas

「Presenting “Saint Seiya The Lost Canvas”」 ↓

★বেসিকস্ঃ
Saint Seiya এর কাহীনিটা গ্রীক মিথোলজির গডদের নিয়ে,
সুপ্রাচীন আমল থেকে প্রতি ২০০ বছর পর-পর যুদ্ধের দেবী আতিনা এবং পাতালদেব হেইডিসের মধ্যে Holly-war সংগঠিত হয়ে আসছে। আতিনার হয়ে যারা যুদ্ধ করে তাদেরকে বলাহয় সেইন্ট।। এসব সেইন্টরা ১২ ভাগে বিভক্ত হয়ে ১২ জন Zodiac Lord এর অধীনে থাকে। ঐ ১২ জনকে বালাহয় গোল্ড সেইন্ট (Aries ,Taurus ,Gemini ,Cancer ,Leo ,Virgo , Libra ,Scorpio ,Sagittarius ,Capricorn ,Aquarius & Pisces). তারাই আতিনার আইন-শৃঙ্খলা ও শান্তি রক্ষা কমেটি।

অপর দিকে হেইডিসের যোদ্ধাদের বলাহয় স্পেক্টারস, যারা কিনা পাতালদেব হেইডিসের বদৌলতে অমরপ্রায়। হেইডিস তাদের অগনিতবার পূনরুত্থান করার ক্ষমতা রাখে।

★SSLC:
======
তো SSLC এর কাহীনি এমনই এক যুদ্ধকালীন সময়ের, সিলভার সেইন্ট “পেগাসাস” টেনমা ও তার ২ বন্ধু সাশা (পরবর্তীতে আতিনা) এবং এলোন (পরবর্তীতে হেইডিস) কে ঘিরে।

The story is a bit Simple but catching & Enjoyable. SSLC is the prequel of all saint seiya series.

★শানেনুযূলঃ
========
কিছুদিন আগে এক ছোটভাই প্রশ্ন করেছিল “ভাই, SS এত unpopular কেন, manga-টা Shounen Jump-এর হওয়া স্বতেও?” আমিও চিন্তা করলুম “আসলেই তো কেন?”

হয়তো ব্যটেল গুলো অন্যান সৌনেন গুলোর চাইতে একটু কম Detailed বলে।
(মূল সিরিজটা না দেখে এর সঠিক উত্তর দিতে পারলাম না।)

A V’s Random Suggestion: Michiko to Hatchin

মিচিকো ও হাচিনের গল্পটা শুরু হল এভাবে :

হাচিন বাবা-মা হারা এতিম একটা মেয়ে,এক ফ্যামিলিতে পালিত সন্তান হিসাবে থাকে,যেখানে তাকে কথায়-কথায় মারধোর করা হয়।
অপর দিকে মিচিকো এক জেল পলাতক আসামী যে কিনা তার আনুমানিক মৃত প্রেমিক হিরোশীকে খুজে বেড়াচ্ছে,সূত্র একটাই- হিরোশীর মেয়ে হাচিন।
এরপর মিচিকো খুজে বের কর হাচিনের ঠিকানা,হানা দিল হাচিনের ফস্টার হাউজে।

জানালার কাঁচ ভেঙ্গে সোজা তাদের ডাইনিং টেবিলের উপর বাইকসহ ল্যান্ড করল মিচিকো।
সবার মুখের উপর লোড করা একটা শটগান ধরে জিঙ্গাসা করলঃ “এখানে হাচিন কার নাম?”

Interested ??

এফ এ সি ৬১

রান্ডম টপিক

নোবেল

জাপানিদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা কতখানি, সেটা তাদের খাবার আর আনিমে দেখলে খানিকটা আঁচ করা যায় [কিসে তাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা বেশি সেটা সঙ্গত কারণেই বলছি না, বুঝে নিন, হেহে]. তো উদ্ভাবনী ক্ষমতার পুরস্কারও তারা পেয়েছে। ২২ জন জাপানি নাগরিক এই নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন, এর মধ্যে আছে পদার্থ, রসায়ন, শান্তি, ও সাহিত্য। http://en.wikipedia.org/wiki/List_of_Japanese_Nobel_laureates

২০১৪ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেলও ৩ জাপানি বিজ্ঞানী ভাগ করে নিয়েছেন। এই নিয়ে বুয়েটের একজন টিচার চমত্কার একটা ভিডিও বানিয়েছেন, দেখতে পারেন। https://www.youtube.com/watch?v=4G2unzNoOnY

 

আনিমে সাজেশন

গেনসৌমাদেন সাইয়ুকি[Gensoumaden Saiyuki]

সানজো, হাক্কাই, গোজিও, আর গোকু বেরিয়ে পড়ল এক রোমাঞ্চকর অভিযানে। লক্ষ্য? এক দানবকে মুক্ত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রুখে দেয়া। এর পরিনতি কি হবে?

কেন দেখবেনঃ আকর্ষণীয় কাহিনীর ক্লাসিক শউনেন।  মহা বিখ্যাত চৈনিক সাহিত্য জার্নি টু দ্য ওয়েস্ট অবলম্বনে বানানো। ড্রাগনবল জি এর গোকু আসলে কোন চরিত্রের ছায়া অবলম্বনে তৈরি, তা এই সিরিজ দেখলে জানতে পারবেন।

কেন দেখবেন নাঃ ভিজুয়াল খুব একটা সুবিধার না। কাহিনীনির্ভর, তাই বিশাল মনোমুগ্ধকর কোন অ্যাকশান সিকোয়েন্স নেই। ধৈর্য ধরে দেখতে হয়।

ম্যাল রেটিং: অনেক সিকুয়েল, নিজেই দেখে নিন.

আমার রেটিং: আমার নিজেরই সবগুলো দেখা শেষ হয়নি।

 

মাঙ্গা সাজেশন

ভিনল্যানড সাগা[Vinland Saga]

দু চোখ দিয়ে সারাক্ষণ আগুন ঝরছে থরফিনের। ড্যাগার দুটো নিয়ে যখন সে হিংস্র শ্বাপদের মত ভাইকিং বাহিনীর নেতা আস্কেলাডের দিকে তাকায়, বোঝাই যায়, আস্কেলাডের জন্য তার মনে বরাদ্দ আছে রাজ্যের ঘৃণা। পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নিতে বদ্ধপরিকর এর যাত্রার সমাপ্তি কি হবে মধুর? সে কি খুঁজে পাবে সে স্বপ্নভূমি, ভিনল্যান্ড?

কেন পড়বেনঃ অসাধারণ কাহিনিবিন্যাস, দারুণ সব চরিত্র, যাদের যে কোন একজনের জন্যই মাঙ্গা পড়া যায়। প্যানেলগুলো দারুণ পরিষ্কার, কাজেই অ্যাকশান সিনগুলো বুঝতে একদমই কষ্ট হয় না। বিস্ময়কর সব সত্য আর চরিত্রের পালাবদল পাঠককে শিহরিত করে তুলবে প্রতি মুহূর্তে।

কেন পড়বেন নাঃ কোন কারণ নেই, না পড়াই বোকামি।

ম্যাল রেটিং: ৮.৭৩

আমার রেটিং নেই, কারণ মাঙ্গা অন্গিং।